• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Adhir

রাজ্য

SIR বিতর্কে রাজনীতির নতুন মেরুকরণ, মতুয়াদের মিছিলে অধীরের সায়

সোমবার বিকেলে কলকাতার রাস্তায় বড় মিছিল করতে চলেছে মতুয়াদের একাংশ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ মিছিল হবে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতর পর্যন্ত। এই মিছিলে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী হাঁটতে পারেন বলেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি নিজেই এই মিছিলে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা গেছে।এই মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের ঘনিষ্ঠ অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ। সোমবার বিকেল চারটে নাগাদ শিয়ালদহ স্টেশন থেকে মিছিল শুরু হবে। ভোটার তালিকার সংশোধনের ফলে মতুয়াদের নাম বাদ পড়তে পারেএই আশঙ্কা থেকেই মূলত এই প্রতিবাদ কর্মসূচি। তাঁদের দাবি, কারও ভোটাধিকার যেন কেড়ে নেওয়া না হয়।মতুয়াদের একাংশের মনে এখন গভীর আতঙ্ক কাজ করছে। দেশছাড়া হয়ে এ দেশে এসে নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার পেয়েছেন তাঁরা। নতুন করে ভোটার তালিকা সংশোধনের ফলে তাঁদের নাম সবার আগে বাদ পড়ে যাবে কি না, তা নিয়েই সবচেয়ে বেশি চিন্তা। সেই আশঙ্কা দূর করতেই এবার রাস্তায় নামার সিদ্ধান্ত।এই মিছিল শেষে কমিশনের দফতরে ডেপুটেশন জমা দেবেন আন্দোলনকারীরা। যদিও এই মিছিলে মমতাবালা ঠাকুর নিজে থাকবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। সোমবার থেকেই সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সেই কারণে তিনি দিল্লিতে থাকতে পারেন।কয়েকদিন আগেই এই এসআইআর-এর প্রতিবাদে অনশনে বসেছিলেন মমতাবালা ঠাকুর ও তাঁর অনুগামীরা। সেই অনশন টেনেছিল টানা দশ দিনেরও বেশি সময়। সেই অনশনে যোগ দিয়েছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। এবার আবার তিনি মতুয়াদের পাশে দাঁড়াতে চাইছেন বলেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বেড়েছে।এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি বলেছেন, একই বৃন্তে যেন এখন সিপিএম, কংগ্রেস ও তৃণমূল। এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

অধীররঞ্জন কি বিজেপির পরের চাল? শুভেন্দুর মন্তব্যে তোলপাড় বাংলা রাজনীতি

আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচন। তাই এখন থেকেই প্রস্তুতিতে ব্যস্ত শাসক ও বিরোধী দুই শিবিরই। কিন্তু শনিবার সকালে রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন ফেলল শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য। অধীররঞ্জন চৌধুরীকে শক্তিশালী নেতা বলে প্রশংসা করলেন বিজেপির এই প্রভাবশালী মুখ। আর তাতেই জোরদার জল্পনাকংগ্রেসের মাটিতে দুর্বল হয়ে পড়া অধীর কি এবার পা রাখবেন পদ্ম শিবিরে?শনিবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এসআইআর ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। কিন্তু বৈঠকের শেষেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে কংগ্রেস। শুভেন্দু বলেন, কংগ্রেস তো এখন মমতার ঘোষিত বন্ধু। যেদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে অধীররঞ্জন চৌধুরীকে সরানো হল, সেদিনই রাহুল, সোনিয়া, খাড়গে স্পষ্ট সিগন্যাল দিলেনমমতার বিরুদ্ধে আর লড়ব না। মমতার সঙ্গে লড়লে অধীরই হতেন সবচেয়ে শক্তিশালী মুখ।শুভেন্দুর এই বক্তব্যে মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়ায় রাজনৈতিক মহলে। কারণ, একদা তৃণমূলের ঘোর বিরোধী মুখ অধীররঞ্জন চৌধুরী এখন কংগ্রেসে কার্যত কোণঠাসা। দিল্লির হাইকম্যান্ড মমতার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, আর তাই অধীরকে সরিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুভঙ্কর সরকারের হাতে। শোনা যাচ্ছে, শুভঙ্করের সঙ্গে অধীরের সম্পর্ক মোটেও মধুর নয়। ফলে এখন তিনি কার্যত রাজনীতির মঞ্চে অন্তরালেই।এই অবস্থায় শুভেন্দুর প্রশংসা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। প্রশ্ন উঠছেবিজেপি কি অধীরকে পাশে পাওয়ার চেষ্টা করছে? নাকি শুধুই তৃণমূল-কংগ্রেস জোটে বিভাজন তৈরি করার কৌশল? সময়ই সেই উত্তর দেবে। যদিও অধীররঞ্জনের তরফে এই প্রসঙ্গে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি।এদিকে, এসআইআর ইস্যু নিয়েও বিজেপি যে প্রবল চাপে, তা শুভেন্দুর বক্তব্যেই স্পষ্ট। বিশেষত মতুয়া ও রাজবংশী ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব ফেলতে পারে এই বিতর্ক। তাই বারবার শুভেন্দু দাবি করছেন, এসআইআর-এর মাধ্যমে কারও নাম বাদ গেলে ভবিষ্যতে সিএএ আইনে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি, অনুপ্রবেশ ইস্যুতে যাঁরা এখন রানাঘাট বা রায়গঞ্জের সংশোধনাগারে বন্দি, তাঁদের মুক্তির আশ্বাসও দেন তিনি।সব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতি এখন নতুন দিশার সন্ধানে। অধীররঞ্জনের নামেই কি আঁকা হবে বিজেপির পরবর্তী চাল? নাকি এটি কেবলই শুভেন্দুর রাজনৈতিক বুদ্ধির নিখুঁত প্রয়োগএই নিয়েই সরগরম বঙ্গ রাজনীতি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

মুর্শিদাবাদে উল্টো হাওয়া, অধীরের উপস্থিতিতে কংগ্রেসের যোগদান সভায় ভিড়

দলের আদর্শে আস্থা রেখে এবং সর্বভারতীয় কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হয়ে আজ প্রায় ১০০০জন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করলেন।জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এই যোগদান সভায় ফারাক্কার বিশিষ্ট সমাজসেবী সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরাও অধীর চৌধুরীর হাত থেকে কংগ্রেসের পতাকা নিয়ে দলে যোগ দেন ।এই প্রসঙ্গে অধীর রঞ্জন চৌধুরী আজ বলেন, দিন দিন মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে যে কেবলমাত্র রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস দলই বিজেপি - আরএসএসকে মোকাবেলা করতে পারে। তাই তাঁরা আমাদের প্রতি আস্থা রেখে কংগ্রেসে যোগদান করছেন। আগামিদিনে আমরা প্রতিটি ব্লক ও মহকুমায় ভোটার অধিকার সম্মেলন শুরু করব এবং বিজেপি ও তৃণমূলের ভোট চুরির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলব।উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেস সভাপতি ও প্রাক্তন মন্ত্রী মনোজ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, এই বিশাল যোগদান আগামী দিনে জেলার কংগ্রেস সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫
রাজ্য

অধীরের দুর্গে তাঁকে হারাতে মরিয়া তৃণমূল নেত্রী, কি কৌশল মমতার?

আগামী ৭ মে, তৃতীয় দফায় ভোট হবে মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর, মালদা উত্তর ও মালদা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রে। এরপর চতুর্থ দফাতেই রয়েছে প্রেসটিজ ফাইট। ওই পর্বে ভোট হবে অধীর চৌধুরীর বহরমপুরে কেন্দ্রে। নিজের দুর্গে অধীরকে হারাতে মরিয়া তৃণমূল নেত্রী। ইতিমধ্যেই বহরমপুরে ঘাঁটি গেড়েছেন তিনি। আগামী দিন তিনেক বহরমপুরের একটি রিসর্টে থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই জেলার বাকি দুই লোকসভা কেন্দ্রের ভোট পরিচালনা করে চলেছেন। বহরমপুরে পাঁচবারের সাংসদ অধীর চৌধুরীকে হারাতে কৌশল পাকা করে ফেলেছেন মমতা।মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভগবানগোলায় বিধানসভায় উপনির্বাচন হবে লোকসভা ভোটের সঙ্গেই। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ চপারে করে বহরমপুরে পৌঁছন দিদি। শাসক দলের অন্দরের খবর, সেখান থেকে বহরমপুরের রিসর্টে যাওয়ার আগে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ও বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে রণকৌশল তৈরিতে আলাদা করে বৈঠক করেন মমতা।জানা গিয়েছে, বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানকে জেতাতেই রণকৌশলই হুমায়ুনের সঙ্গে প্রায় ১৫ মিনিটের বৈঠকে পাকা করেছেন মমতা। সেই বৈঠকেই ভরতপুরের দলীয় বিধায়ককে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।ইউসুফ পাঠানকে প্রার্থী করায় শুরুতে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন এই হুমায়ুনই। তাহলে হঠাৎ কেন দলের এই বিধায়ককেই আস্থা রাখলেন দিদি? তৃণমূল সূত্রে খবর, হুমায়ুন কবীর বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র হাতের তালুর মতো চেনেন। সব পরিসংখ্যান, ভোটারদের আচরণ তাঁর চেনা। একসময় অধীর চৌধুরীর শিষ্যও ছিলেন তিনি। ফলে হুমায়ুনে ভরসা রেখেই কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে মরিয়া চেষ্টায় তৃণমূল সুপ্রিমো।পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বহরমপুর বিধানসভা এলাকা থেকে বিপুল লিড পেয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। তাতেই তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। এবার সেই পথ বন্ধ করতে বহরমপুর পুরসভা এলাকায় পরুসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপালকে দায়িত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নেত্রীর এই ভরসার পর ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, মমতা তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছেন, তাঁর আশা তিনি তা রক্ষা করতে পারবেন। অন্যদিকে অধীর চৌধুরী ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, বহরমপুরে পরাজয়ের আতঙ্কেই মাননীয়া নাকি ব্যর্থ কৌশল রচনা করছেন

এপ্রিল ২৯, ২০২৪
রাজ্য

বিক্ষোভের মুখে অধীর চৌধুরী, ‘গো-ব্যাক’ শুনে সপাটে কষালেন চড়?

ফের নিজের খাসতালুকে বিক্ষোভের মুখে বহরমপুরের বিদায়ী সাংসদ তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরি। এই লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শনিবার খোশমেজাজেই প্রচারে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ ছন্দপতন। বহরমপুর গান্ধী কলোনি থেকে বিটি কলেজ মোড় পর্যন্ত মিছিলের সময় বাধার মুখে পড়েন তিনি। পাঁচ বারের সাংসদকে শুনতে হল গো-ব্যাক স্লোগান। তখনই মেজাজ হারালেন অধীর। সপাটে একজনকে চড় কষানোর অভিযোগ উঠেছে অধীরের বিরুদ্ধে।যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। পাল্টা স্বভাবসিদ্ধ রবিনহুড মেজাজে তিনি বলেছেন, তৃণমূলের চুল্লুখোররা আমাকে ডিস্টার্ব করছিল। প্রতিবাদ করেছি মাত্র। কিন্তু তৃণমূল ছাড়ার দল নয়। তারাও পাল্টা এলাকায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে। যার জেরে এলাকা উত্তপ্ত।এদিন ভোটারদের সঙ্গে জনসংযোগ চলাকালীন এলাকার তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে গিরে গো-ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষোভের জেরে আটকে প়ড়ে কংগ্রেস সাংসদের গাড়ি। গাড়ি থেকে নেমে পড়েন অধীর। তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। তখন এক তৃণমূল কর্মীকে হুমকি দিয়ে ধাক্কা মারেন অধীর। চড়ও মারেন। এই গন্ডগোলের খবর পেয়ে এলাকায় ছুটে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী।বিক্ষোভের মধ্যে থেকে কংগ্রেস প্রার্থীকে উদ্ধার করে পুলিশ। বিক্ষুব্ধদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এই ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে তারা। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, জনভিত্তি হারিয়ে মেজাজ হারাচ্ছেন অধীর চৌধুরি। অধীরকে গোটা ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি তৃণমূলের। কেন কারও গায়ে অধীর হাত তুলবেন সে প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।পাল্টা অধীরের দাবি, ছক কষে তাঁর প্রচারে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। বিক্ষোভকারীদের চুল্লুখোর বলে আক্রমণ করেছেন তিনি। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে পুলিশ সুপারকে ফোন করে অভিযোগ জানান অধীর। তিনি বলেন, তৃণমূল ওদের চুল্লুখোরদের দিয়ে আমার প্রচার আটকাবে, তা মানব কেন? নেশা করে গো ব্যাক বলবে, প্রতিবাদ তো করবই। আর সেটাই করেছি। চার দিকে সিসিটিভি আছে, দেখলেই প্রমাণ পাবেন, আদৌ গায়ে হাত দিয়েছি কি না।বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় অধীরকে আক্রমণ করে বলেন, নিজের গড়ে তাঁর জনভিত্তি মাটিতে মিশে গেছে। তাই তিনি বার বার বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন এবং মেজাজ হারাচ্ছেন। এবার চড় মেরে সীমা ছাড়িয়েছেন।

এপ্রিল ১৩, ২০২৪
রাজনীতি

অধীর চৌধুরীকে বিজেপির দালাল বলে মারাত্মক অভিযোগ মমতার মন্ত্রীর

কংগ্রেসের গড়ে গিয়ে রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে বিজেপির দালাল বলে তোপ দাগলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। জাতীয় স্তরে ইন্ডিয়া জোটের কথা বললেও এরাজ্যে বিজেপিকে কংগ্রেস সাহায্য করছে বলে দাবি করলেন কলকাতার মেয়র। রবিবার মালদায় জেলার দুই তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে দলীয় কর্মীসভায় হাজির ছিলেন ফিরহাদ হাকিম (ববি)। তিনি বলেন, বরকতদার কংগ্রেস এখন আর নেই । উনি বলেছিলেন সিপিএমকে বঙ্গোপসাগরে ছুঁড়ে ফেলতে হবে। সেই কাজ তৃণমূল করেছে। বরঞ্চ এখনকার কংগ্রেসের যিনি বাংলার হর্তাকর্তা সেই অধীর রঞ্জন চৌধুরী বিজেপির হয়ে সত্যিকারের দালালি করছেন। রবিবার দুপুরে মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের আরও দুই মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, তাজমুল হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ, তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী, দলের সহ-সভাপতি বাবলা সরকার।এদিন নির্বাচনী কর্মী সভায় মালদার প্রতিটি ব্লকের বুথ স্তরীয় নেতাদের উপস্থিতিতে লোকসভার তৃণমূলের দুই প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়ী করার আবেদন জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি নির্বাচনের কৌশল নিয়েও দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গেও মতামত বিনিময় করেন ফিরহাদ হাকিম। তাঁর সঙ্গে এদিন দক্ষিণ মালদার তৃণমূল প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রায়হান এবং উত্তর মালদার লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন ব্যানার্জি উপস্থিত হয়েছিলেন। এদিন নির্বাচনী কর্মী সভা শেষ করার পর সাংবাদিক বৈঠক করে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, এখন বরকতদার কংগ্রেস আর কোথায়? ওরা সিপিএমের হাত ধরেছে । বরকতদা যে কথা বলে গিয়েছিলেন, সেই সিপিএমকে বঙ্গোপসাগরে ছুঁড়ে ফেলেছে তৃণমূল। বরঞ্চ বিজেপির নেতারা যে প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলছে, তাঁকে সমর্থন জানাচ্ছে সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। আসলে উনি বিজেপির সত্যি কারের দালালি করছেন।রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, বিগত দিনে মালদার লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের অংকটা ছিল অন্যরকম। কিন্তু এবারে যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে মালদার দুটি লোকসভা কেন্দ্রে দুই প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে। মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন প্রক্রিয়ার জন্য মালদার দুই আসনে জয় দেখছেন ববি হাকিম। পাশাপাশি মানুষ বিরোধী দলগুলির কার্যকলাপ সহ্য করতে পারছে না।

মার্চ ১৭, ২০২৪
রাজ্য

অধীরেই আটকে তৃণমূল? মুর্শিদাবাদ নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠকে বিশেষ নির্দেশ মমতার

পশ্মিম মেদিনীপুরের পর মুর্শিদাবাদ। শুক্রবার কালীঘাটে এই জেলার সাংসদ, বিধায়ক ও সাংগঠনিক নেতাদের নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক সারলেন তৃণমূল নেত্রী। সেই বৈঠক কার্যত হয়ে উঠল অধীরময়! যদিও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম একবারও উচ্চারণ করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নবাবের জেলা নিয়ে বৈঠকে অধীর চৌধুরীর নাম উঠবে সেটাই স্বাভাবিক। এদিনের বৈঠকেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। শুক্রবারের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে অধীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন একদা তাঁরই শিষ্য হুমায়ুন কবীর। যদিও হুমায়ুন এখন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক। সূত্রের খবর, বৈঠকে হুমায়ুন মমতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দিদি বহরমপুরে অধীর চৌধুরী কিন্তু একটা চ্যালেঞ্জ।সূত্রের খবর, দলের বিধায়কের মুখে তা শুনেই তৃণমূল নেত্রী বলেন, মাথা থেকে এসব বের করে দাও। একসঙ্গে লড়াই করতে পারলে কিছুই চ্যালেঞ্জ নয়।২০১৯-এর ভোটে মুর্শিদাবাদ জোড়-ফুলের দখলে এলেও বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারাতে পারেনি তৃণমূল। বহরমপুরে ১৯৯৯ সাল থেকে পরপর পাঁচবারের সাংসদ অধীর। এবারও বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারানো চ্যালেঞ্জ মমতার দলের। ফলে এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম মুখে না নিলেও দিদির মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।নানা কার্যকলাপের জন্য হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে অসন্তুষ্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদ মাধ্যমের সামনে এদিন এই বিধায়ককে বেশি কথা না বলার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূল সূত্রে খবর, এদিন দলের দুই সাংসদ আবু তাহের খান আর খলিলুর রহমানের কাজের প্রশংসা করেছেন মমতা। জানা গিয়েছে, বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোশাল মিডিয়া নিয়ে দলের সাংসদ, বিধায়ক ও নেতাদের সতর্ক করে দিয়েছেন।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজনীতি

মমতাকে বড় চ্যালেঞ্জ অধীর চৌধুরীর, ইন্ডিয়া জোটে কি অশনি সংকেত?

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বিবাদে কি অশনি সংকেত? তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আগামী লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়া বা আসন রফার বিরোধিতা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলে নেত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতার।২০১৯ লোকসভা ভোটে বাংলায় বহরমপুর ও মালদা দক্ষিণ আসনটি হাত শিবিরের দখলে গিয়েছিল। তৃণমূলের প্রস্তাব ওই দুই আসনই শুধু কংগ্রেসকে ছাড়া হবে। মমতা এবং কংগ্রেস হাই কমান্ডের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কথা জানিয়ে তৃণমূলের প্রস্তাব বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যেই বলেছেন অধীর। রাজ্যের শাসক শিবিরের এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয় পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস নেতৃত্ব। অধীর চৌধুরীর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, কংগ্রেসকে দুটো আসন (লোকসভা) দেব। কোন দুটো আসন (আসন) দেবেন? ওঁকে ও বিজেপিকে হারিয়েই তো ওই দুটো আসন নিয়েছি আমরা। ওরা আমাদের কি উপকার করছে? কে তাঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বিশ্বাস করবে? আমাদের নিজেদের ক্ষমতায় আরও অনেক আসনে আমরা লড়তে পারি।অধীর চৌধুরী বলেছেন, কংগ্রেসকে জেতাতে মমতার দরকার নেই। কংগ্রেস নিজের দমে লড়তে পারে এবং এর থেকে (দুটো) বেশি আসন জিততে সক্ষম। আমরা দেখাবো। আমাদের এই দুটো আসনে মমতার দয়ার দরকার নেই।বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরারে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই প্রসঙ্গেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন অধীর চৌধুরী। বলেছেন, আসুন, আপনি নিজে আসুন। আপনি প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে বলছেন মোদীর বিরুদ্ধে লড়তে। আমি আপনাকে বলছি, আপনি আসুন এখানে আমার বিরুদ্ধে লড়তে। যে কোনও মামুকে এখানে পাঠিয়ে দাও। যদি হারাতে পারে, রাজনীতি ছেড়ে দেব। কত তাগদ আছে দেখছি আপনার। মালদায় চলুন দেখছি। আপনার দয়ায় আমরা এ সব আসন জিতিনি। কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতার দাবি, মমতা জোটে থাকতে পারবেন না, কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অপছন্দ করেন এমন কিছু তিনি কখনই করবেন না।বহরমপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) রাজ্যে জোটের সম্ভাবনা নষ্ট করছেন। তিনি যা বলেছেন তা শুনলে বোঝা যাবে তিনি জোট চাননি। তাঁর দল বলছে যে তারা জাতীয়ভাবে জোটে আগ্রহী, কিন্তু বাংলায় নয়। এটা স্পষ্ট যে মুখ্যমন্ত্রী এখানে জোট চান না।তৃণমূলের তরফে দেওয়া দুটি আসনের প্রস্তাব উড়িয়ে অধীর চৌধুরী। বহরমপুর, মালদা উত্তর ছাড়াও প্রদেশ কংগ্রেসের নজরে রয়েছে রায়গঞ্জ, পুরুলিয়া, দার্জিলিং, বসিরহাট সহ আরও বেশ কয়েকটি বাংলার লোকসভা আসন।অধীরের চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, অধীর চৌধুরী কেন এত দিন দক্ষিণ কলকাতায় এসে দাঁড়াননি? সুতরাং এ সব কথা অর্থহীন। আর ২০২১ সালে তৃণমূল আলাদা লড়ে সরকার গড়েছে। সিপিএমের সঙ্গে জোট করে অধীর পেয়েছিলেন শূন্য।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

কংগ্রেসে থেকেই বিদ্রোহ চালিয়ে যাচ্ছেন কৌস্তভ, মহুয়া ইস্যুতে অধীরের অবস্থানের কড়া সমালোচনা

এখনও কংগ্রেস ছাড়েননি। তবে দলে থেকে শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চালিয়ে যাচ্ছেন অনবরত। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের ইস্যুতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকায় চরম ক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী। এর আগে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের পরেও প্রকাশ্যে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সমালোচনা করেছিলেন কংগ্রেসের এই তরুণ তুর্কী।এর আগে দলীয় নেতৃত্ব কৌস্তভকে মুখপাত্র পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। যদিও কি জন্য তাঁকে সরানো হয়েছে সেই ব্যাখ্যা দেয়নি কংগ্রেস নেতৃত্ব। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বেশ কয়েকবার এক যোগে পদযাত্রা করেছেন কৌস্তভ। তবুও দল তাঁর বিরুদ্ধে কড়া কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এবার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের পাশে দাঁড়ানোয় আবার শীর্ষ নেতৃত্বকে তাক করে বোমা ফাটালেন তিনি।কৌস্তভ বাগচী বলেন, মহুয়া মৈত্রের পাশে দাঁড়িয়েছে দলীয় নেতৃত্ব। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও পাশে দাঁড়াতে হবে। তাঁদের যত রাজ্যের দুর্নীতি তাকে সমর্থন করতে হবে। একটা স্পষ্ট ভাব-ভালোবাসার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কৌস্তভের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস কর্মীদের অবস্থা গিনিপিগের থেকেও খারাপ। এত পরীক্ষা নিরীক্ষা গিনিপিগদের নিয়েও হয় না। এবার থেকে চোরকে সাধু বলার অভ্যাস করতে হবে। তপন কান্দুর স্ত্রীকে দিয়ে শুরু করলে ভালো হয়। এই দায়িত্ব দলীয় নেতৃত্বকে নিতে হবে। চোরেদের সাধু বলানো। তৃণমূলীদের ভালো বলা এটা শুরু করতে হবে।এত ক্ষোভ প্রকাশের পরও কংগ্রেস নেতৃত্ব কৌস্তভের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়নি। আবার কৌস্তভও দলত্যাগ করে অন্য দলে যোগ দেননি। এখনও স্পষ্ট করেননি তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা। কিন্তু নানা সামাজিক ইস্যুতে মমতার বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে পা মিলিয়েছেন কৌস্তভ। সামনেই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের জোট সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহলও। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রদেশ কংগ্রেসের সাংগঠনিক হালের আদৌ কি দশা তা নিয়ে বড় সংশয় দেখছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হোন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, অধীর চৌধুরীর মন্তব্যে সরগরম রাজনৈতিক মহলে

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একের পর এক নির্দেশে বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড় হয়েছে। শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সহ তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক, নেতা। ইতিমধ্যেই শাসক তৃণমূলের তরফে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে পক্ষপাতদুষ্ট বলে দেগে দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদের হয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ই রাজনীতি করছেন বলে অভিযোগ ঘাস-ফুল শিবিরের। এসবের মধ্যেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে শনিবার মুর্শিদাবাদে বড় ঘোষণা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। মুর্শিদাবাদ জেলা সফরে রয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতির জেলা সফরের দিনই বহরমপুরে সাংবাদিক বৈঠক করেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা চাইব আগামী দিনে এই বাংলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ করে একটা নির্বাচন হোক। কারণ মানুষ তাঁকে বিশ্বাস করছে। ভরসা করছে। এটা এক নতুন দিগন্ত তৈরি হবে যদি এই সমস্ত ব্যক্তিত্বকে রাজনীতির ময়দানে এনে তাদের রাজ্য পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়।বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় রাজনীতিতে এসে নির্বাচনে প্রতিন্দন্দ্বিতা করলে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করতে তৎপর হবেন প্রদেশ সভাপতি। অধীর বলেছেন, আমি কায়মনো বাক্যে এই মানুষটাকে ভোট দিতে আগে লাইনে দাঁড়াব। আগামী বছরেই অবসর গ্রহণের কথা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। এদিনের ইচ্ছা প্রকাশের মাধ্যমে কী তাহলে অভিজিৎবাবুকে হাত শিবিরে যোগ দিতে আগাম আহ্বান জানিয়ে রাখলেন কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতা? এই চর্চায় সরগরম রাজনৈতিক মহল।বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে অধীর চৌধুরীর মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, একজন বিচারপতি পদে থাকাকালীন সরাসরি তাঁকে রাজনীতিতে নামার কথা বলছেন অধীর চৌধুরী। এটা আমি মনে করি ওঁর রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা। নিজের ও দলের রাজনীতির প্রতি ওঁর আর ভরসা নেই বোধহয়। তাই এখন ভোটের লড়াইয়ে সিটিং বিচারপতিকে হাতিয়ার করতে হচ্ছে।সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যেকোনও সময় ভালো। যে কেউ ভালো।বিজেপির রাহুল সিনহার কথায়, অধীরবাবু কংগ্রেসের জয়ের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন না। তাই বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে রাজনীতিকে জড়িয়ে দিচ্ছেন।

ডিসেম্বর ০২, ২০২৩
রাজনীতি

কংগ্রেস-সিপিএমে হঠাৎ ছন্দপতন, কি বললেন সেলিম? পাল্টা অধীর

রাজ্য থেকে তৃণমূলকে উৎখাতে হাতে মিলিয়েছে কংগ্রেস ও সিপিআইএম। মাঝে মধ্যেই একমঞ্চে দেখা যায় মহঃ সেলিম ও অধীর চৌধুরীকে। আগামী লোকসভাতেও বঙ্গে আসন সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছে এই দুই বিপরীত আদর্শের দল। বাংলায় ত্রিমুখী লড়াইয়ের আঁচ মধ্য-গগনে। এই অবস্থায় হাত ও কাস্তে-হাতুড়ির সমঝোতায় যেন আচমকা ছন্দপতন! কংগ্রেসকে বড় হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক। জবাবে বুঝে নেওয়ার বার্তা দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।এদিন মুর্শিদাবাদের রানিনগরে দলীয় সভায় তৃণমূলকে নিশানা করেন সেলিম। সেই সূত্রেই উঠে আসে ২০১১ সালে রাজ্যে পালা বদলের প্রসঙ্গ, সম্প্রতি ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাতের বিষয়টি। সেই সূত্রেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন মহঃ সেলিম। বলেন, আমরা বলছি চোর ধর, জেল ভরো। আর বড় চোর কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর পায়ে গিয়ে পড়ে বলছে দাদা আমায় বাঁচাও। কংগ্রেসকে বুঝতে হবে যে, ২০১১ সালে ওরা সমর্থন না করলে তৃণমূল ক্ষমতায় আসত না। আর ক্ষমতায় এসেই তৃণমূল ছমাসের মধ্যে কংগ্রেসকে লাথি মেরেছে। কেউ দেখে শেখে, কেই ঠেকে শেখে।অর্থাৎ সেলিমের ইঙ্গিতেই স্পষ্ট যে, বাংলায় বিরোধিতা করলেও কংগ্রেস হাইকমান্ড ইন্ডিয়া জোটের স্বার্থে তৃণমূলে নরম, তা মেনে নিতে পারছে না কাস্তে-হাতুড়ির নেতারা। আর সেটাই স্পষ্ট করে দিচ্ছেন সেলিমরা।জবাব দিয়েছেন অধীর চৌধুরী। আমরা যা বোঝার বুঝেছি। কিন্তু কেউ কারোর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তো আমরা তো তাঁকে তাড়াতে পারব না। অর্থাৎ, সেলিমের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।বিজেপির রাজ্য মুখপাত্র শমিক ভট্টাচার্য বলেছেন, এটা ওদের ব্যাপার, কিন্তু, ওরা সকলেই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করে তৃণমূলকেই বকলমে সমর্থন করছেন।তৃণমূলের রাজ্য। সভার সাংসদ শান্তনু সেন বলেছেন, ওরা এসবই করবে। তৃণমূল নিজের যোগ্যতা ফের প্রমাণ করে দেখাবে। আর কংগ্রেস, সিপিএমের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৩
দেশ

মিজোরামে মৃত শ্রমিকদের পরিবার পিছু একজনের চাকরি ও ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি অধীরের

মিজোরামের দুর্ঘটনায় মালদার শ্রমিকদের পরিবার পিছু একজনকে চাকরি। একইসঙ্গে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীকে ফোনে পাননি, কিন্তু রেলবোর্ডের চেয়ারম্যানকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন লোকসভায় কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে। অসহায় মৃত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে যে করেই হোক সবাইকে একসঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে, বলেন বহরমপুরের সাংসদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে মালদায় মৃত শ্রমিক পরিবারদের সঙ্গে দেখা করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এদিন চাঁচল মহকুমার পুখুরিয়া থানার কোকলামারী চৌদুয়ারি গ্রামে যান সাংসদ অধীর চৌধুরী। এই গ্রাম থেকেই ১৬ জন শ্রমিক মিজোরামের কাজ করতে গিয়ে নির্মীয়মান রেল ব্রিজ দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। মিজোরামের রেল ব্রিজ দুর্ঘটনায় মালদার মোট ২৩ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশই রয়েছে চৌদুয়ারি গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও ইংরেজবাজার ব্লকের সাটটারি এবং নরহাট্টা গ্রামেরও শ্রমিকরাও রয়েছেন।এদিন চৌদুয়ারি গ্রামের মৃত শ্রমিক পরিবারদের সঙ্গে দেখা করার পর কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, মিজোরাম সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২ লক্ষ টাকা করে মোট চার লক্ষ টাকা আর্থিক সহযোগিতা করেছে। কিন্তু এই সামান্য টাকায় ওইসব মৃত শ্রমিকদের পরিবারের ভবিষ্যৎ তৈরি হবে না। আমি ওইসব পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দেখলাম, ওরা খুব অসহায়। ওদের পাশে কেউ নেই। রেলমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাঁকে পাইনি। রেল বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বলেছি মৃত শ্রমিকদের পরিবারের একজন সদস্যকে চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে হবে। কমপক্ষে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। যদিও কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। আশা করি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃত শ্রমিকদের পরিবারের বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করবেন।

আগস্ট ২৪, ২০২৩
রাজ্য

এখন বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরী, তোপ অভিষেকের

মালদায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বলেন, বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরি । কাজেই বাংলায় কংগ্রেস সম্পর্কে যত কম বলা যায় ততই ভালো। বাংলায় অধীর চৌধুরী শুভেন্দুর সুরে কথা বলে।পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে বিরোধী দল বিজেপি, কংগ্রেস সিপিএমের সেটিং তত্ত্ব নিয়ে সোচ্চার হলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দুপুরে সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হাতিমারি মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন অভিষেক ব্যানার্জি। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ মৌসুম বেনজির নূর, জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী, চেয়ারম্যান সমর মুখার্জি, রাজ্যের সেচ দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বলেন, আমরা মীরজাফর নযই, আমাদের মেরুদন্ড সোজা। সুতরাং ইডি-সিবিআই যতই আমাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হোক না কেন, তৃণমূলকে অপদস্ত করা যাবে না। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএমের চরম বোঝাপড়া চলছে। এখনও পর্যন্ত ওরা কেউ কারোর বিরুদ্ধে নির্বাচন বিষয় নিয়ে এতটুকু অভিযোগ করেনি। সবাই দলনেত্রী মমতা বন্দযোপাধ্যায়কে আক্রমণ করছে। কিন্তু তাতে কোনও লাভ নেই। যে উন্নয়ন সাধারন মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করেছেন, তাতে মানুষকে ভুল বোঝানো যাবে না। তাই আবারও বলি আপনারা কানে শুনে নয়, চোখে দেখে ভোট দিন।বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক বলেন, আপনারা তো টিভির পর্দায় দেখেছেন টাকার বান্ডিল হাতে কে নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যেখানে পরিষ্কার হয়ে গেল শুভেন্দু অধিকারী টাকা নিচ্ছে। সবাই দেখেছে টিভিতে। তাহলে প্রধানমন্ত্রী তাদের দলের ওই নেতার বিরুদ্ধে কেন কোনও ব্যবস্থা নিলেন না। আসলে প্রধানমন্ত্রী মুখে বড় বড় কথা বলেন। ৯ বছরের রাজত্বে কেন্দ্রের মোদি সরকার সাধারণ মানুষের জন্য কোন সুবিধাটুকু করে দিতে পারিনি। এরাজ্যে শুধু উন্নয়ন করেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, বাংলায় অধীর চৌধুরী শুভেন্দু ও মোদির সুরে কথা বলছে। এখন বিজেপির সবচেয়ে বড় এজেন্ট অধীর চৌধুরী। তাই ওদেরকে বিশ্বাস করা যায় না। অথচ পাটনায় দিদির পাশেই বসেছিলেন রাহুল গান্ধী। বলেছিলেন একজোট হয়ে লড়াই করার কথা। কিন্তু কোথায় কি। এখানে তো বিরোধীদের সবকিছুই হচ্ছে সেটিং-এর মাধ্যমে। কিছুদিন আগেই পাটনায় ১৬ দলের একজোট হয়ে বৈঠকের পর পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেছে বিজেপির। তাই ওরা এখন কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তৃণমূলের মেরুদন্ড সোজা। কাউকে ভয় পায় না। মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চলবে।এদিন মালদার উন্নয়নের প্রসঙ্গে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, গত পাঁচ বছরে মালদার বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে ২,৫০০ কোটি টাকা প্রকল্পে পিএইচইর কাজ হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের সহযোগিতা নিয়ে মালদায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। মালদা শুধু নয়, গোটা রাজ্যের উন্নয়নের দায়িত্ব তৃণমূলের সরকারের।কেন্দ্রের মোদি সরকারের বকেয়া নিয়েও সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তিনি বলেন , গত দুই বছর ধরে ১০০ দিন প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। আবাস যোজনা টাকাও বন্ধ করে দিয়েছে। এভাবে গরিব মানুষের পেটে ভাত মারাটা উচিত নয়। গরিবের অধিকার ফিরিয়ে পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই দিল্লিতে অবস্থান করার কথা জানিয়েছেন সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন মিটে গেলে দশ লক্ষ লোক নিয়ে দিল্লিতে জমায়েত এবং অবস্থান করব। দেখি ওরা কিভাবে এরাজ্যের গরিবের অধিকার আটকে রাখতে পারে।এদিন পঞ্চায়েত প্রার্থী প্রসঙ্গে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, আমি গত দুইমাস নবজোয়ার কর্মসূচির মাধ্যমে রাস্তায় সময় কাটিয়েছি। মানুষের জনমত সংগ্রহ করেছি। সাধারণ মানুষ তৃণমূলের ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের প্রার্থী যাদের চেয়েছিলেন তাদেরই করা হয়েছে। তাই আবারও বলি, ওরা যতই বলুক না কেন, বিরোধীদের ফাঁদে পা দিবেন না। তৃণমূল সরকারের হাত শক্ত করুন। উন্নয়নের ধারা বজায় থাকবে। কোনও মানুষ উন্নয়নের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানের কলেজ ছাত্রী তুহিনার মৃত্যু নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বেনজির আক্রমন শানালেন অধীর

গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে তিন বোনকে ঝুলে মরতে হবে এমন ছবি পুর ভোটের সময়ে যাঁরা দেওয়ালে এঁকেছিল তাঁরা কি মুখ্যমন্ত্রীর দলেরই লোক? যদি তা হয় তবে সেটা বাংলার লজ্জা। পুর ভোটের ফলপ্রকাশের দিন বর্ধমানের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সমর্থক তরুণী তুহিনা খাতুনের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সোমবার এই ভাষাতেই তৃণমূল কংগ্রেস ও রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী।শহর বর্ধমানে আঁকা ওই দেওয়াল চিত্র নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অধীরবাবু এও বলেন, আপনার বাড়ির সামনে দেওয়ালে ছবি এঁকে দিয়ে কেউ যদি বলে, আপনার গলায় দড়ি দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। তাহলে আপনি কি সেটা মানবেন? এদিন মৃত তুহিনা খাতুনের বাড়িতে সমবেদনা জানাতে এসে অধীর চৌধুরি এলাকায় আঁকা ওই দেওয়াল চিত্র চাক্ষুষ করে স্তম্ভিত হয়ে যান। পরে তিনি দাবি করেন, সংখ্যালঘু পরিবারের উপর এমন অত্যাচার কার্যত নজিরবিহীন। যে অত্যাচারের হাত থেকে হাওড়ার আমতার আনিস খান রেহাই পায়নি। বর্ধমানের তুহিনা খাতুনও পেল না। যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা সেখানে এমন ঘটনা খুবই লজ্জার। এই ঘটনা নিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি জানিয়ে দেন।বর্ধমান পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগের নতুনপল্লী এলাকায় বাড়ি তুহিনা খাতুনের (১৮)। ২ মার্চ পুর ভোটের ফল ঘোষণার পর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ওই তরুণীর ঝুলন্ত দেহ। সে বর্ধমান রাজ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিল। বোনের মৃত্যুর জন্য ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত তৃণমূল কাউন্সিার কাউন্সিলর বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের দায়ী করে বর্ধমান থানার অভিযোগ দায়ের করেন দিদি কুহেলী বিবি। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করলেও মূল অভিযুক্ত কাউন্সিলর বসির আহমেদ এখনও বহাল তবিয়তেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ। তা নিয়ে অধীর চৌধুরীর কাছে ক্ষোভ উগরে দেন মৃতার পরিবার। এই প্রসঙ্গে অধীরবাবু বলেন, বাংলায় এখন এমন জঙ্গলরাজই চলছে। সরকার, প্রশাসন ও তৃণমূলের মদত রয়েছে বলেই তুহিনার মৃত্যুর ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতে পারছে ।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাজনীতি

Congress: অধীরের ইচ্ছাবদল, মমতার বিরুদ্ধে জোট-প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস

জোটের পক্ষ থেকে ভবানীপুরে প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস। এই মর্মে এআইসিসি-কে প্রস্তাব পাঠাচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস। সোমবার এমনটাই জানিয়ে দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আগে অধীরের মত ছিল ভবানীপুরে প্রার্থী না দেওয়ার। সোমবার আমূল বদলে গেল বহরমপুরের সাংসদের সেই অবস্থান।আরও পড়ুনঃ সবরকম সাহায্য করব, ইডি অফিসে সুরবদল অভিষেকেরনির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে দিয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন। দিন ঘোষণার পরই তৃণমূল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে। কিন্তু মমতার বিরুদ্ধে কে লড়বেন তা নিয়ে এখনও দ্বিধাবিভক্ত বিরোধীরা। সোমবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, বাম-কংগ্রেস জোটের পক্ষ থেকে ভবানীপুরে প্রার্থী দিতে চান তাঁরা। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এআইসিসি। এ জন্য দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান অধীর। পাশাপাশি জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে বাম প্রার্থীদের সমর্থন করবে কংগ্রেস। প্রচারে আমন্ত্রণ জানালে তাঁরা যাবেন বলেও জানান অধীর। এর আগে অবশ্য ভবানীপুরে প্রার্থী না দেওয়ার কথা বলেছিলেন অধীর। জানিয়েছিলেন, এটা তাঁর ব্যক্তিগত অভিমত। কিন্তু সোমবার নিজের ব্যক্তিগত মতকে দূরে সরিয়ে রেখে জোট প্রার্থী চেয়ে এআইসিসি-র কাছে দরবার করলেন প্রদেশ সভাপতি অধীর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, কংগ্রেস যদি ভবানীপুরে প্রার্থী দেয়, সেক্ষেত্রে জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটেও নতুন প্রভাব পড়তে পারে। যে ভাবে গত মাসেই দিল্লি সফরে গিয়ে সনিয়া গান্ধি ও রাহুল গান্ধিদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখা করে আসেন। তারপর কংগ্রেস তাঁর বিরুদ্ধেই প্রার্থী দিলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তেই পারে তৃণমূল শিবিরে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজনীতি

Rohan Mitra: অধীরকে কড়া চিঠি, প্রদেশ কংগ্রেস ছাড়লেন সোমেন-পুত্র

অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে শেষপর্যন্ত প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সোমেন-পুত্র রোহন মিত্র। চিঠিতে লিখলেন, আপনার ইগো দলের এই বিপর্যয় ডেকে এনেছে। বুধবার সকালে তাঁর পদত্যাগপত্রটি জনসমক্ষে এসেছে। তিন পাতার ইস্তফাপত্রের প্রতি ছত্রে অধীরের প্রদেশ কংগ্রেস পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সোমেন-পুত্র। প্রদেশ সভাপতি হিসেবে অধীরের প্রথম ও দ্বিতীয় সময়কালে তাঁকে কী ভাবে অপমানিত করা হয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। পিতা সোমেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি থাকা সত্ত্বেও যুব কংগ্রেসের নির্বাচনে তাঁকে কী ভাবে হারানো হয়েছিল, সে কথাও ক্ষোভের সুরে চিঠিতে তুলে ধরেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ দিল্লিতে লম্বা ছুটিতে গেলেন দিলীপতবে একইসঙ্গে রোহন চিঠিতে এ-ও লিখেছেন যে, তাঁর পিতার মৃত্যুর পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদের জন্য অধীরই যোগ্যতম ব্যক্তি। তবে তাঁর সংগঠন পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলে বেশ কিছু সংশোধনী আনার পরামর্শও দিয়েছেন পদত্যাগী প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক। বিধানসভা ভোটের ফলাফল পর্যালোচনার বৈঠকে যাননি রোহন। ভবিয্যতেও অধীরের ডাকা কোনও বৈঠকে তিনি যাবেন না বলে জানিয়েছেন সোমেনের পুত্র। পদত্যাগপত্রে রোহন জানিয়েছেন, অধীরের নেতৃত্বে কাজ করতে তিনি কোনও আগ্রহ খুঁজে পাচ্ছেন না। প্রথম দফায় সভাপতি পদ হারানোর পর প্রতিহিংসাবশত অধীর তাঁর যুব কংগ্রেসের সভাপতি হওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বলেও রোহন তাঁর চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এ ক্ষেত্রে অধীর তৎকালীন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন সোমেনতনয়। তবে অধীরের তরফে ওই সমস্ত অভিযোগের কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটদলের পদ ছাড়লেও তিনি কংগ্রেস ছাড়ছেন না বলেই জানিয়েছেন রোহন। বুধবার তিনি বলেন, আমি সভাপতি অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন কমিটি থেকে ইস্তফা দিয়েছি। কিন্তু দল ছাড়িনি। একজন কংগ্রেস কর্মী হিসেবে দলের কাজ করে যাব। ভোটে হেরে যাওয়ার পর অধীরবাবু যে বৈঠক ডেকেছিলেন, তাতে আমি যাইনি। আগামী দিনেও যে তাঁর ডাকা কোনও বৈঠকে যাব না, তা চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছি।

জুলাই ১৪, ২০২১
রাজনীতি

লোকসভায় দলনেতার দায়িত্ব থেকে সরলেন অধীর

সামনেই বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তাই সংসদে সময় দিতে পারছেন না। সেই কারণে আপাতত লোকসভায় অধীররঞ্জন চৌধুরীর জায়গায় দলনেতার পদে এলেন পঞ্জাবের লুধিয়ানার সাংসদ রভনীত সিং বিট্টু। বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার জন্য বঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত অধীর। অন্যদিকে, নিম্নকক্ষে কংগ্রেসের ডেপুটি লিডার গৌরব গগৈও ব্যস্ত অসমের নির্বাচন নিয়ে। একইভাবে দুই চিফ হুইপ মানিক্কম টেগোর ও কে সুরেশও ব্যস্ত তামিলনাড়ু এবং কেরলের নির্বাচন নিয়ে। তাই লোকসভায় অন্যতম অফিস বেয়ারার রভনীত সিং বিট্টুকেই এই দায়িত্ব দিয়েছেন লোকসভার কংগ্রেসের দলনেতা। যেহেতু তিনি আগে থেকেই অফিস বেয়ারার রয়েছেন, তাই এই নিয়ে নতুন করে কোনও অফিসিয়াল পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার হয়নি। শুধু ফোনে লোকসভা অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। ফলে আপাতত সংসদের এই গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলাবেন লুধিয়ানার সাংসদ। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ব্যস্ত থাকার কারণেই এই সিদ্ধান্ত। আর এটা করা হয়েছে অধীরের পরামর্শ মেনেই। তবে এটা একেবারেই সাময়িক সিদ্ধান্ত। বিট্টুকে নতুন দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকেই বিভিন্নমহল থেকে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। কংগ্রেস সূত্রের খবর অনুযায়ী, তিন বারের সাংসদ বিট্টুকে দায়িত্ব দেওয়ার পিছনে আসল কারণ হল সংসদের প্রোটোকল। গত অগস্টে বিট্টুকে লোকসভায় অন্যতম হুইপ করে দলীয় প্রতিনিধি দলে নিয়ে আসা হয়।

মার্চ ১১, ২০২১
রাজনীতি

ভাইজান ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসকে কড়া তোপ তৃণমূল-বিজেপির

আব্বাস সিদ্দিকিকে নিয়ে বাম-কংগ্রেসের ব্রিগডকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল তৃণমূল ও বিজেপি। আব্বাসের জাতপাত ও বিভাজনের রাজনীতিকে সমর্থন করছে বাম ও কংগ্রেস এই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এর বিরোধিতা করবে বিজেপি। ভাইজানের ঔদ্ধত্য ও আগ্রাসী অবস্থান এরাজ্যে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করছে বলে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জাতপাতের রাজনীতি করছে কংগ্রেস ও বামফ্রণ্ট। বিজেপি দুই নতুন বন্ধু পেয়েছে।রবিবার ব্রিগেডে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তথা ভাইজানের ভাগিদারি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে ভাগ করতে চাইছে। আমরা তা করতে দেব না। এই বিভাজনের রাজনীতি সর্বশক্তি দিয়ে রুখব।এদিকে এদিন তৃণমূল ভবনে বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় অভিয়োগ করেছেন, ভাইজানকে ভরসা করে রাজনীতি করতে হচ্ছে বাম-কংগ্রেসকে। তারাও জাতপাতের রাজনীতিতে সামিল হল। বিভাজনের রাজনীতির দুই নতুন বন্ধু পেল বিজেপি।

মার্চ ০১, ২০২১
রাজনীতি

ব্রিগেড সমাবেশেই গুঁতো, ভবিষ্যতে জোটের হাল কী হবে? উঠছে প্রশ্ন

বাম-কংগ্রেস ও আইএসএফের প্রথম সভাতেই জোটে যেন জট পেকে গেল। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের প্রতিষ্ঠাতা পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তাঁর বক্তব্যে নাম না করে কংগ্রসকে বিঁধেছেন। সিপিএম নেতৃত্বকে আব্বাস সিদ্দিকি তথা ভাইজানকে নিয়ে বাড়তি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে। বক্তব্যে আব্বাস সিপিএম নেতাদের নাম আনলেও কংগ্রেস বা অধীর চৌধুরীর নাম পর্যন্ত মুখে আনেননি। আবার বন্দেমাতরম স্লোগান হল না জোট সমাবেশে। রবিবারের ব্রিগেডে এমন নানা কার্যকলাপ তৃণমূল-বিজেপি বিরোধী জোটের বাঁধন অনেকটাই নড়বড়ে করে দিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এ যেন কাকের বাসায় কোকিলের ডিম। ব্রিগেডের সভার মূল আয়োজক বামফ্রন্ট। কংগ্রেস সঙ্গে থাকবে এটাও ঘোষিত। কিন্তু আব্বাস সিদ্দিকি জানিয়েছিলেন আসন সমঝোতা হলে ব্রিগেড সমাবেশে হাজির থাকবেন। শুক্রবার অর্থাৎ ব্রিগেড সভার দুদিন আগে তিনি জোটের কথা ঘোষণা করেন। তারপরই রবিবারের সভা। সভার আয়োজন করে রবিবার তাবড় বাম নেতৃত্ব হাজির। বক্তব্য রাখা হয়ে গিয়েছে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রের। অধীর চৌধুরী বক্তব্য রাখছেন। তখনই ভাইজান সভামঞ্চে হাজির। তাঁর সমর্থকদের চিৎকারে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির ভাষণ বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝিও হয়।ভাইজানের বক্তব্য শেষ হতেই আইএসএফের কর্মীসমর্থকরা মাঠ ছাড়তে শুরু করেন। সীতারাম ইয়েচুরি সহ বাকিরা যখন ভাষণ দিচ্ছেন তখন ব্রিগেড ফাঁকা হতে শুরু করেছে। ভাইজান তাঁর বক্তব্যে জানিয়েও দিয়েছেন এক সপ্তাহের প্রস্তুতি থাকলেই ময়দান ভরিয়ে দিতেন। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই কথার মাধ্যমেও তিনি বাম-কংগ্রসকে একপ্রকার কটাক্ষই করেছেন। তবে এটাও বাস্তব আইএসএফ এই ব্রিগেডে হাজির না থাকলে ময়দান অনেকটাই ফাঁকা থাকত।সিপিএমের নীচুতলার কর্মীদের একাংশের মতে, তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধিতা করে যে জোটে দল সামিল হয়েছে তার ফলে ভবিষ্যতে আরও বড় মাশুল গুণতে হতে পারে। এর আগে ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে জোটের ফল বেশি পেয়েছিল কংগ্রেস। এবার আবার আইএসএফ জোটে সামিল হয়েছে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, প্রথম সভাতেই গুঁতো খেতে হল। এরপর তো আগামী দিন পরে রইল।

মার্চ ০১, ২০২১
দেশ

কৃষকদের সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে অনুরোধ অধীরের

আমাদের দেশকে যাঁরা খাবার জোগান দেন, তাঁদের অবশ্যই যথাযোগ্য সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া উচিত। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের সমর্থনে টুইট করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী। এদিন কৃষকদের সমর্থনে টুইট করে অধীর চৌধুরী লিখেছেন, হাজারে হাজারে কৃষক প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সপ্তাহের উপর ধরে তাঁরা দিল্লীগামী বিভিন্ন রাস্তার উপর বসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। আমাদের দেশকে যাঁরা খাবার জোগান দেন, তাঁদের অবশ্যই যথাযোগ্য সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া উচিত। আরও পড়ুন ঃ নয় বছরে দিদির বাংলায় কৃষকদের রোজগার দ্বিগুণ বেড়েছেঃ ডেরেক তিনি লিখেছেন, খোলা আকাশের নীচে তাঁরা বসে রয়েছেন। দিনের পর দিন ধরে তাঁরা সমস্তরকম অসুবিধার মধ্যে দিল্লির হাড়কাঁপানো ঠান্ডা সহ্য করে চলেছেন। আমি সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যত দ্রুত সম্ভব কৃষকদের সমস্যার সমাধান করুক। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় পথে নেমেছেন কৃষকরা। তাঁরা অবিলম্বে নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। আইন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

৪৮ ঘণ্টা আগে ভোট, তার আগেই কুপিয়ে হত্যা হিন্দু ব্যবসায়ীকে

ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে ফের নৃশংস হত্যার অভিযোগ। ময়মনসিংহ জেলায় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম সুষেন চন্দ্র সরকার, বয়স ৬২ বছর। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়মনসিংহ জেলার দক্ষিণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুষেন চন্দ্র সরকার পেশায় চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। সোমবার রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে তিনি নিজের দোকানেই ছিলেন। সেই সময় কয়েক জন দুষ্কৃতী দোকানে ঢুকে তাঁর সঙ্গে বচসা শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুষেনবাবুকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি দোকানের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন। এরপর দোকানের শাটার নামিয়ে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। কী কারণে এই খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকেই দেশজুড়ে অশান্তির ছবি সামনে আসতে শুরু করে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনুস দায়িত্ব নিলেও কট্টরপন্থীদের দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ। এর আগেও একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রনেতা ওসমান হাদি খুনের পর সংবাদমাধ্যমের অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছায়ানটেও চালানো হয় হামলা। এরপর সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক দীপু দাসকে গণপিটুনির পর হত্যা করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।এই পরিস্থিতিতে ভোটের ঠিক আগে ফের এক হিন্দু ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ভোটমুখী বাংলাদেশে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলায় আসছে কমিশনের হাইভোল্টেজ টিম

মার্চের ১ ও ২ তারিখে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। তারা রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করবে। সেই বৈঠকের পর দোলের পরেই ঘোষণা করা হতে পারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগে কোনও ঘোষণা হবে না বলেই সূত্রের খবর।আগে ঠিক ছিল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকাশ করা হবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন জানা যাচ্ছে, নেড়া পোড়া বা হোলিকা দহনের আগে কোনওভাবেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে না।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচন কমিশন স্বশাসিত সংস্থা হলেও তারা কেন্দ্রের ইঙ্গিত মেনেই চলে। বিজেপি উত্তর ভারতের ধর্মীয় সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেয়। সেই মতে হোলিকা দহনের আগে কোনও শুভ কাজ শুরু করা ঠিক নয় এমন বিশ্বাস থেকেই ভোটের নির্ঘণ্ট দোলের পরে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মত অনেকের। উল্লেখ্য, বাংলার পাশাপাশি অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও নির্বাচন রয়েছে। সব রাজ্যের ভোট একসঙ্গেই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা।বাংলায় কত দফায় ভোট হবে তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, তারা এক দফায় ভোট করাতে প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় লোকবল তাদের হাতে রয়েছে। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যায়, তবে এক দফায় ভোট করা সম্ভব এবং তাতে হিংসাও কমবে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন তিন দফায় ভোট করানোর পক্ষেই ঝুঁকছে বলে জানা গিয়েছে। লোকবল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়ার বিষয়টিই এখন প্রধান চিন্তার কারণ।এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই ১ ও ২ মার্চ রাজ্যে আসবে কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের দল। সেই বৈঠকের পরই দোলের পরে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

কৃষি চুক্তির আড়ালে বড় বিপদ? লোকসভায় সতর্কবার্তা অভিষেকের

মঙ্গলবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই বাজেটে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক কেউই স্বস্তি পাননি। বরং প্রত্যেকেই আরও বেশি বঞ্চিত হয়েছেন। দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি আমেরিকা ও ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন।অভিষেক বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভারতের কৃষকরা। তাঁর দাবি, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির পর ভারতীয় কৃষকরা আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মার্কিন কৃষি সচিবের একটি মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন।অভিষেক জানান, বাণিজ্য চুক্তির পর মার্কিন কৃষি সচিব ব্রুক রলিনস এক্স মাধ্যমে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, এই চুক্তির ফলে আমেরিকার কৃষকরা আরও বেশি পণ্য ভারতে রফতানি করতে পারবেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে আমেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বেশি অর্থ ঢুকবে এবং ভারতের সঙ্গে কৃষি-বাণিজ্যের ঘাটতি কমবে।এই মন্তব্যের পরেও ভারত সরকার কেন কোনও প্রতিক্রিয়া জানাল না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ভারতে প্রতিদিন কৃষকদের মৃত্যু হচ্ছে। একের পর এক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তিতে লাভবান হচ্ছেন সে দেশের কৃষকরা, আর ভারতীয় কৃষকরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছেন।অভিষেকের প্রশ্ন, মার্কিন কৃষি সচিব প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করার পরেও ভারত সরকার কেন সেই বক্তব্য খারিজ করল না? কেন কোনও জবাব দেওয়া হল না? সংসদে এই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রের নীরবতাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

৮৫ মিনিটের বাজেটে একবারও বাংলার নাম নয়! সংসদে বিস্ফোরক অভিষেক

লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ৮৫ মিনিটের বাজেট বক্তৃতায় একবারও বাংলার নাম উচ্চারণ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, এত দীর্ঘ বক্তব্যেও রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার ছবিটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।অভিষেকের দাবি, কেন্দ্র যে ফ্রেট করিডরের কথা বাজেটে ঘোষণা করেছে, সেই প্রস্তাব অনেক আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও বাংলাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই সরকার সমতায় নয়, পক্ষপাতেই বিশ্বাস করে।এদিন অভিষেক বলেন, অর্থমন্ত্রী দাবি করছেন দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগোচ্ছে। অথচ বাংলা বছরে প্রায় ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা কর দেওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত। মনরেগায় নতুন কাজ বন্ধ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সব ক্ষেত্রেই বাংলাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি পানীয় জলের মতো মৌলিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও রাজ্যকে দরাদরি করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক ট্রিপল ট্যাক্স ট্র্যাপ-এর কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ মনে করেন তাঁরা একবার কর দিচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবে তিনবার কর দিতে হচ্ছে। প্রথমে বেতন থেকে আয়কর কাটা হয়। দ্বিতীয়ত জিএসটি বিস্কুট, স্কুলের খাতা, হাসপাতালের বিল, এমনকি সাবানেও কর দিতে হয়। তৃতীয় কর হল মূল্যবৃদ্ধি, যা অনুমতি ছাড়াই বাড়ে। অভিষেকের কথায়, এটিই হল নীরব কর।মধ্যবিত্তদের অবস্থার কথাও তুলে ধরেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, মাসের মাঝপথেই অনেকের বেতন শেষ হয়ে যায়। একটি গাড়ি কিনলেও তিনবার কর দিতে হয় আয়কর, রোড ট্যাক্স এবং টোল ট্যাক্স।এসআইআর থেকে শুরু করে বাংলা ভাষা ইস্যুতেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, জয় বাংলা বলা বা সোনার বাংলা গান গাইলেই অনুপ্রবেশকারী তকমা দেওয়া হচ্ছে। সেনাকর্মী, নোবেলজয়ী কিংবা হাইকোর্টের বিচারপতিকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাংলায় প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এক কোটি মানুষকে সন্দেহভাজন তালিকায় রাখা হয়েছে।সবশেষে অভিষেক বলেন, কেন্দ্র যদি তহবিল বন্ধ করতে চায়, তা করতেই পারে। কিন্তু বাংলার মেরুদণ্ড কখনও ভাঙবে না। সব কিছু কেড়ে নেওয়া গেলেও মানুষের স্মৃতি মুছে ফেলা যায় না। মানুষ জেগে উঠলে শেষ কথা বাংলাই বলবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

আগস্ট নয়, এপ্রিল থেকেই ১৫০০ টাকা! যুবসাথীতে বড় চমক মমতার

আগস্টের অপেক্ষা আর নয়। এপ্রিল থেকেই চালু হচ্ছে যুবসাথী প্রকল্প। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আগামী এপ্রিল মাস থেকেই রাজ্যের বেকার যুবক ও যুবতীরা প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে পাবেন।কয়েক দিন আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় শিক্ষিত বেকারদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অগস্ট মাস থেকে এই প্রকল্প চালু হবে। কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই প্রকল্পটি কার্যকর করা হচ্ছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবক ও যুবতীরা, যাঁরা মাধ্যমিক পাশ করার পর এখনও বেকার। কেউ যদি স্কলারশিপ পেয়ে থাকেন, তাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে কোনও বাধা নেই। তবে স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা যদি কেউ নিয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে যুবসাথীর টাকা মিলবে না।প্রাথমিকভাবে টানা পাঁচ বছর প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাঁচ বছর পরেও কেউ যদি বেকার থাকেন, সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, দুয়ারে সরকার কর্মসূচির আদলে বিধানসভা ভিত্তিক ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। ১৫ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত এই ক্যাম্প চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেখানে সরকারি আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে সেখানেই আবেদন করা যাবে এবং সঙ্গে সঙ্গে আবেদনপত্রের রসিদও দেওয়া হবে।যুবসাথী প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানিয়ে শীঘ্রই সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনে ৩৯ বার কাঁপল সিকিম! বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় সতর্কবার্তা

ভূমিকম্পের পরে আফটারশকের কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু টানা চার দিন ধরে একের পর এক কম্পনের ঘটনা খুব একটা শোনা যায় না। পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া পাহাড়ি রাজ্য সিকিমে ঠিক এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত টানা কম্পনে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।জানা গিয়েছে, এই চার দিনে মোট ৩৯ বার কেঁপে উঠেছে সিকিম। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা কখনও ৩, কখনও ৪। মাত্রা খুব বেশি না হলেও বারবার কম্পন হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে প্রথম কম্পন অনুভূত হয়। তার প্রভাব পড়ে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায়। এরপর মাত্র ৪ ঘণ্টা ১২ মিনিটের মধ্যে পরপর ১২টি ভূমিকম্প হয়। মঙ্গলবার সকালেও নামচি ও মঙ্গন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারাবাহিক কম্পন ফোর শক হতে পারে। অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে এ ধরনের কম্পন দেখা যায়। তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। সিকিমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরও নিরাপদ জায়গা খুঁজে রাখার কথা জানিয়েছে বাসিন্দাদের।এই ধারাবাহিক কম্পনের পিছনে পাহাড়ে অতিরিক্ত নির্মাণ, জলাধার তৈরির কাজ, বা রেলপথ নির্মাণের সময় ডিনামাইট ফাটানোর মতো কার্যকলাপ কোনও ভূমিকা রাখছে কি না, তা নিয়েও খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।সিকিম পশ্চিমবঙ্গের খুব কাছেই অবস্থিত। সারা বছরই সেখানে বহু বাঙালি পর্যটক যান। তাই সিকিমে বড় কোনও ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই কারণেই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে HIV আতঙ্ক! এক শহরেই আক্রান্ত ৩০ যুবক, চাঞ্চল্য স্বাস্থ্য দফতরে

বর্ধমান জেলায় HIV আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তার মধ্যে একটি বড় অংশই বর্ধমান শহরের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য দফতর। সোমবার দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহরে অন্তত ৩০ জন যুবক HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।জনস্বাস্থ্য দফতরের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় জানিয়েছেন, জেলায় বর্তমানে প্রায় ৯০ জন HIV আক্রান্ত রয়েছেন। তার মধ্যে বর্ধমান শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ জন। এঁরা সকলেই যুবক, উচ্চশিক্ষিত এবং অভিজাত পরিবারের বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণের কারণেই সংক্রমণ বেড়েছে।বিশ্বনাথবাবুর কথায়, সাধারণত যৌনপল্লি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত সচেতনতা অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এ বছর একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, সমকামী সম্পর্কের মাধ্যমেও এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক যুবক দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর একাধিক পরীক্ষা করান। সেই পরীক্ষার মধ্যেই ছিল HIV টেস্ট। তখনই ধরা পড়ে তিনি সংক্রমিত। পরে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের আরও কয়েকজন যুবকের পরীক্ষা করা হলে পরপর অনেকেই HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হন। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও বড় যৌনচক্র থাকতে পারে বলেও মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতর প্রস্তুত বলে দাবি করা হয়েছে। আক্রান্তদের পরিচয় গোপন রেখে চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা বাড়ানোর কাজও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, HIV সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিরাপদ যৌন আচরণ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমেই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

ভোটের আগে বড় চুক্তি! আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস সরকারের সমঝোতা ঘিরে জল্পনা

বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার কমে দাঁড়াল ১৯ শতাংশে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিজেই এই চুক্তির কথা জানিয়েছেন ইউনুস।তিনি জানান, সোমবার বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তার ফলে আমেরিকা তাদের শুল্কের হার আরও কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ইউনুস আরও বলেন, ভবিষ্যতে কিছু টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির বার্তাও দিয়েছে আমেরিকা।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মূলত টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির উপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই এই খাত থেকে আসে। ফলে মার্কিন শুল্ক কমায় বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কার্যত শুল্কযুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়। পরে গত বছরের আগস্টে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। এবার নতুন চুক্তির ফলে সেই শুল্ক আরও কমে ১৯ শতাংশে এল।প্রায় ৯ মাস ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর এই চুক্তি হয়েছে। তবে নির্বাচন একেবারে সামনে, আর অন্তর্বর্তী সরকারও অস্থায়ীভাবে ক্ষমতায়এই পরিস্থিতিতে এমন বড় বাণিজ্য চুক্তির অর্থ কী, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal