• ৫ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Actress

বিনোদুনিয়া

Kriti Sanon : ফ্যানের টুইটের মজার উত্তর দিলেন কৃতী শ্যানন

সোশ্যাল মিডিয়া আসার ফলে তারকাদের সঙ্গে অনুরাগীদের বন্ডিংটা আরও ভালো হয়েছে। অনুরাগীরা তার প্রিয় তারকাকে নিয়ে কিছু পোস্ট করলে বা ট্যাগ করলে তারকারা তার উত্তর দেন। যার মধ্যে কিছু মজার কমেন্টও থাকে। এরকমই একটা কাজ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতী শ্যাননের এক ফ্যান। পরম ছায়া নামে তার এক ফ্যান টুইট করে কৃতী শ্যাননকে ট্যাগ করে লিখেছেন,ছোট থেকেই আমাকে স্কুলে কোনও সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়নি। আমি কারুর উপর রাগও করিনি, কেউ আমাকে বা আমার নাম নিয়ে কোনও মশকরা করেনি। কিন্তু যেদিন থেকে কৃতী শ্যাননের পরম সুন্দরী গানটা এসেছে, সবাই আমার পিছনে পড়ে গেছে, আমাকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করছে। অন্তত হাজারবার আমাকে এই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে। কেন এমনটা করলে কৃতী? কেন আমার জীবন নষ্ট করলে? এর সঙ্গে হাসির ইমোজি জুড়ে দেন তিনি। তার টুইটের রিপ্লাইয়ে কৃতী লেখেন, হে ভগবান! সরি! পরম সুন্দরী চলতি বছরের অন্যতম সুপারহিট গান। লক্ষ্মণ উটেকার পরিচালিত নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া মিমি ছবির এই গানটি মুক্তির পর হু হু করে ভাইরাল রয়েছে। এ আর রহমানের সুরে গানটি গেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল। মিমি ছবিতে সারোগেট মা-এর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কৃতী।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shreelekha : বিয়ে করছে শ্রীলেখা! এমনটাই জানালেন পোস্টে

শ্রীলেখা মিত্র পোস্ট করেছেন। সেখানে খবর হওয়াটা তো স্বাভাবিক। কারণ টলিউড অভিনেত্রীদের মতো এত সোজাসাপ্টা কথা তিনি ছাড়া আর কেউ বোধহয় বলতে পারেন না। তবে তার এবারের পোস্টটা একটু আলাদা। পরিপাটি করে সেজেগুজে সকলের সামনে এনেন শ্রীলেখা। পরনের পোশাক নজরে না এলেও খোলা চুল, গলায় পান্না-হিরে দিয়ে সাজানো ভারী নেকপিস, কানে ঝোলা দুল দেখে কিছুটা আঁচ করাই যাচ্ছিল। হাসি মুখে শ্রীলেখার প্রশ্ন, মেয়ে পছন্দ?অভিনেত্রী আরও জানান, মেয়ে পছন্দ মানে বিয়ের জন্যই পছন্দ করতে হবে তেমন তো কোনও কথা নেই। কেউ নিজের মেয়ে হিসাবেও তাঁকে পছন্দ করতে পারে। আসলে শ্রীলেখার মন এখন একদমই ভালো নেই। গত সেপ্টেম্বর তিনি তার বাবাকে হারিয়েছেন। তাই বাবাকে হারানোয় মন খারাপ বাসা বেঁধেছে শ্রীলেখা মিত্রর মনে। তাই হয়তো তার এই পোস্ট মেয়ে পছন্দ?তার এই পোস্টে অনেক কমেন্টও এসেছে। একজন লিখেছেন,ছোটোবেলা থেকেই আপনার সিনেমা দেখেছি, আমার প্রিয় নায়িকাদের মধ্যে আপনি একজন। মেয়ে পছন্দ বলেই সিনেমাগুলো দেখতাম, আর এখন আপনার পেজ ফলো করি। আরেকজনের কমেন্ট,অসম্ভব সুন্দরী তো মেয়ে।খুব পছন্দ।আর এই মেয়েকে তো অনেক ছোট থেকেই পছন্দ করি।আমার কাছে খুব খুব প্রিয় তুমি। এরকম আরও অনেক কমেন্ট এসেছে তার পোস্টে।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Devlina Kumar : লন্ডনে ড্যান্স মুডে দেবলীনা কুমার

করোনা চারপাশের পরিবেশটা অনেকটাই বদলে দিয়েছে। আমরা আগের মতো সেইভাবে ঘুরতে যেতে পারছি না। ঘুরতে গেলেও আমাদের মানতে হচ্ছে অনেক বিধিনিষেধ। মাঝে তো কোভিডের জন্য বিদেশে ঘুরতে যাওয়া একদমই বন্ধ হয়ে যায়। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। আস্তে আস্তে মানুষ দেশের গন্ডী পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে পা রাখছেন। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন অভিনেত্রী দেবলীনা কুমার। স্বামী অভিনেতা গৌরব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে লন্ডন উড়ে গেলেন তিনি। লন্ডন থেকেই একটি নাচের ভিডিও পোস্ট করেছেন দেবলীনা। কোনও একটি কটেজের সামনে র্যাপার বাদশার জুগনু গানে নাচ করছেন দেবলীনা। পরনে রয়েছে টর্ন জিনস ও লং ওভারকোট। নাচের ভিডিওটি যে তার স্বামী গৌরব করেছেন সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আসলে, নাচ দেবলীনার প্রথম ভালবাসা। অনেক ছোট থেকেই নাচের প্রশিক্ষক নিয়েছেন তিনি। রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাচের গেস্ট লেকচারার ও তিনি। ছোটপর্দার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ডান্স বাংলা ডান্স-এও মেন্টরের ভূমিকা পান করতে দেখা গেছে এই টলিপাড়ার অভিনেত্রীকে। নাচ ছাড়াও ফিটনেস নিয়ে দারুণ সতর্ক তিনি। নিয়মিত জিম করা, সাইক্লিং করা সবই করে থাকেন এই অভিনেত্রী।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anushka-Aditya : চার হাত এক হল অনুষ্কা-আদিত্যর

পরিবার এবং কাছের মানুষদের উপস্থিতিতে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন অভিনেতা আদিত্য শীল এবং অভিনেত্রী অনুষ্কা রঞ্জন। প্রায় তিন বছর প্রেম করার পর বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তাঁরা। মুম্বইয়ে বসেছিল এই বিয়ের আসর। বিয়েতে বেগুনি রঙের লেহেঙ্গায় নজর কাড়েন অনুষ্কা। অদিত্য পরেছিলেন হালকা হলুদ রঙের ডিজাইনার পঞ্জাবি, সঙ্গে গলায় সাদা ওড়না ও মাথায় পাগড়ি পরেছিলেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে আবেগপ্রবণ অনুষ্কা, ধরে রাখতে পারেননি চোখের জল। তাঁর চোখের জল মুখে দিলেন নতুন বর অদিত্য। দেখুন তরকা দম্পতির বিয়ের অন্দরের ছবি।বিয়ের আসরে আদিত্য শীল কে অনুষ্কা বলেন, আমার হাসির কারণ তুমি। প্রতিদিন আমার দুঃখ দূর করে দেওয়ার জন্য এবং আমাকে পৃথিবীতে চলার জন্য সবচেয়ে ভাগ্যবান ব্যক্তি বলে মনে করার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। এখন আসো আমরা সুখের সাথে জীবনযাপন করি। তুমি আমার আশা আমি তোমার ভালোবাসা।তরকা দম্পতির বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের একঝাঁক তারকা। আলিয়া ভাট থেকে বাণী কাপুর, ভূমি পেদনেকর, ক্রিস্টেল ডিসুজা সুজান খান সকলে তাঁর বিয়েতে হাজির ছিলেন।

নভেম্বর ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : বিয়ের ছবি পোস্ট করে স্মৃতির পাতা ওল্টালেন শ্রীলেখা

টলিউডের অন্যান্য অভিনেত্রীদের থেকে শ্রীলেখা মিত্র একটু আলাদা টাইপের। সহজ কথা সহজভাবে বলতে পছন্দ করেন তিনি। তার জন্য অনেকবার ট্রোলড হতে হয়েছে তাকে। কিন্তু সেইসব ট্রোলিংকে পরোয়া করেন না তিনি।২০ নভেম্বর তারিখটি শ্রীলেখা মিত্রর জীবনে একটা বিশেষ দিন হয়ে রয়েছে। ১৮ বছর আগে শিলাদিত্য সান্যালের সঙ্গে চার হাত এক হয় তার। শনিবার ছিল সেই বিশেষ দিন। তবে এই দিনটি তার কাছে আর বিশেষ অর্থ বহন করে আনে না। কারণ ২০১৩ সালে এই দিনেই দুজনের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তার ওপর তার বাবার জন্মদিনও ২০ নভেম্বর। সদ্যই বাবাকে হারিয়েছেন শ্রীলেখা। তাই তার খুব মনখারাপ। সেই কথাই সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি। কনের সাজে একটা ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন,কিছু কিছু দিন জীবনে এমন দাগ কেটে যায় বা এমন ক্ষত দিয়ে যায়, যা চিরতরে থেকে যায়। একইসঙ্গে সেই ক্ষত তা যন্ত্রণার আবার ভালোলাগারও। ২০০৩ সালের এমনই এক ২০ নভেম্বর বিয়ে করেছিলাম। আর এই ২০ নভেম্বরই আমার বাবার জন্মদিন। দুটো দিনই আজ আমার জীবনে অতীত। বিয়েও অতীত হয়েছে আর বাবাও ছেড়ে চলে গিয়েছে। আমি শুধু স্মৃতির পাতা ওল্টাচ্ছি।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে শ্রীলেখার বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পর অভিনেত্রী এখন তার মেয়ে ঐশীর সঙ্গে থাকেন। তবে প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন।

নভেম্বর ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : হাতকাটা কুর্তি পরে 'মানিকে মাগে হিথে' গানে নেচে ভাইরাল শ্রীলেখা

বয়স হয়েছে। তাতে কি? এই বয়সেও নিজের যৌবন ধরে রেখেছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। লাল রঙ এর হাতকাটা কুর্তি পরে বাড়ির বারান্দায় জনপ্রিয় গান মানিকে মাগে হিতে তে নাচলেন টলি ক্রাশ শ্রীলেখা। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বারান্দায় প্রচুর গাছ। সেখানেই ড্যান্স মুডে শ্রীলেখা। ইন্সটাগ্রামে সেই গানের রিলস পোস্ট করতেই কিছুক্ষণের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা যাই কথা কিন্তু রাখলাম ! অনেক অভিনেত্রীই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে এক্টু গুটিয়ে রাখতে চান। কিন্তু শ্রীলেখা মিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর বয়স এখন ৪৬। কিন্তু এই বয়সেও যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় তুলছেন তা অবাক করেছে নেটিজেনদের। তাঁর এই রিলস দেখে প্রচুর কমেন্টও এসেছে কমেন্ট বক্সে। বয়স বাড়লেও শ্রীলেখা মিত্র দেখিয়ে দিলেন মনের বয়স যেন না বাড়ে। তিনি আরও একবার প্রমাণ করলেন বয়স শুধুমাত্র একমাত্র সংখ্যা মাত্র।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Tmc: অভিনেত্রী শুভশ্রীর বাবাকে হেনস্তা, স্কুলে স্যানিটাইজার টানেল বসানো নিয়ে তৃণমূলে বিবাদ

স্কুলে করোনা প্রতিরোধ করা নিয়েও দলীয় অন্তর্কলহ। সোমবার বর্ধমানে স্যানিটাইজার ট্যানেল বসানোকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। যার ফলে আহত হয় তিন তৃণমূল কর্মী। তৃণমূল বিধায়ক প্রযোজক রাজ চক্রবর্তীর শ্বশুর তথা অভিনেত্রী শুভশ্রীর বাবা দেবপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়কে হেনস্থার অভিযোগ ওঠে বর্ধমান পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার মহম্মদ আলি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। দেবপ্রসাদবাবু নিজেকে চার নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের কনভেনার বলে দাবি করেছেন।জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সকালে। দেবপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়ের শ্যালিকা অনাবাসী ভারতীয় অনিতা গাটকারি স্থানীয় দুটি স্কুলে স্যানিটাইজার ট্যানেল দেবার জন্য মনস্থির করেন। সেই কারণে দেবপ্রসাদবাবু বর্ধমান শহরের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের বর্ধমান দুবরাজদীঘি হাইস্কুল ও ছয় নম্বর ওয়ার্ডের রেলওয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে যোগাযোগ করেন। দেবপ্রসাদবাবুর দাবি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়েই তার শ্যালিকা ও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সোমবার সকালে দুবরাজদীঘি হাইস্কুলে স্যানিটাইজার ট্যানেল বসাতে যান। অভিযোগ, তখন চার নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার মহম্মদ আলি ও তার ভাইপো তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা নুরুল আলম তাঁদের স্যানিটাইজার ট্যানেল লাগাতে বাধা দেয়। তাঁদের আপত্তি, ম্যানেজিং কমিটির অনুমতি না নিয়ে কারও ব্যক্তিগত নামে স্যানিটাইজার ট্যানেল স্কুলে লাগানো যাবে না। এই নিয়ে বিবাদ চরমে ওঠে। এই বাগবিতণ্ডার মধ্যেই মহম্মদ আলি ও নুরুল আলমের নেতৃত্বে একদল তৃণমূল কর্মী তাঁদের উপর চড়াও হয়। অভিযোগ, হাতে বন্দুক, লাঠি ও রড নিয়ে তাদের উপর আক্রমণ চালানো হয়। এই আক্রমণের মুখে পরে দেবপ্রসাদবাবুর সঙ্গে থাকা সেখ হায়দার আলি, সেখ খোকন, শশীরাম ও গোবিন্দা মাল নামে চার তৃণমূল কর্মী আহত হয়। স্যানিটাইজার ট্যানেলটিও ক্ষতিগ্রস্ত করা হয় বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে দেবপ্রসাদ বাবু দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর শ্যালিকা বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীকে জানাবেন বলে বলেছেন দেবপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়।তাঁদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুল আলম জানান, উনি কোনও অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত একজনের নামে স্যানিটাইজার ট্যানেল লাগাতে এসেছিলেন। কোনও সরকারি স্কুলে কাজ করাতে গেলে ম্যানেজিং কমিটির অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয়। উনি তা না করে গায়ের জোরে এলাকায় নিজের কতৃত্ব কায়েম করতে এই কাজ করতে এসেছিলেন। তাই তাঁকে বাধা দেওয়া হয়েছে। ম্যানেজিং কমিটিতে আলোচনা হবার পর স্যানিটাইজার ট্যানেল লাগানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নিজেকে এই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য বলেও দাবি করেন নুরুল আলম।যদিও এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নবকুমার মালিক জানিয়েছেন, দেবপ্রসাদবাবু আমার কাছে স্যানিটাইজার ট্যানেল লাগানোর জন্য লিখিত আবেদন করেছিলেন। ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে আমি ওনাকে এটি করতে বলেছিলাম। যেটা ঘটলো সেটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Lara Dutta : ডেটিং অ্যাপে ভুয়ো প্রোফাইল নিয়ে সরব লারা

ডেটিং অ্যাপে লারা দত্তের ভুয়ো প্রোফাইল। বিষয়টি জানতে পেরে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন বলিউড অভিনেত্রী। ভিডিয়োয় লারা বলেন, গতকাল থেকে প্রচুর মিম এবং মেসেজ পেয়েছি। সবাই আমাকে বলেছেন, আমি নাকি ডেটিং অ্যাপে প্রোফাইল খুলেছি। কাল থেকে আমার পাগল পাগল লাগছে। সবাইকে বলার চেষ্টা করছি সত্যিটা কী। তিনি আরও বললেন, আমার মনে হল অনলাইনে এখনই সত্যিটা বলা ভাল। আমি কোনও ডেটিং অ্যাপে নেই। আগেও ছিলাম না। ভিডিয়োয় লারা বলেন, গতকাল থেকে প্রচুর মিম এবং মেসেজ পেয়েছি। সবাই আমাকে বলেছেন, আমি নাকি ডেটিং অ্যাপে প্রোফাইল খুলেছি। কাল থেকে আমার পাগল পাগল লাগছে। সবাইকে বলার চেষ্টা করছি সত্যিটা কী। তিনি আরও বললেন, আমার মনে হল অনলাইনে এখনই সত্যিটা বলা ভাল। আমি কোনও ডেটিং অ্যাপে নেই। আগেও ছিলাম না।লারার ভুয়ো প্রোফাইলটি নজরে আসতেই মিম-মেসেজের বন্যা বইতে শুরু করেছে। লারা দত্ত বলেছেন, ডেটিং অ্যাপগুলি নিয়ে তাঁর কোনও সমস্যা নেই। তাঁর কথায়, আমি মনে করি, ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে সত্যিই দুজন মানুষের পরিচয় হতে পারে। কিন্তু এই মুহূর্তে আমি এরকম কোনও অ্যাপ ব্যবহার করছি না।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Chumki Chowdhury : বিশ্বাস করি ভালো গল্প হলে দর্শক অবশ্যই হলে যাবেঃ চুমকি চৌধুরী

কুলপি ছবির মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর বাংলা সিনেমায় দেখা যাবে একসময়ের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী চুমকি চৌধুরী। সিনেমার আড্ডায় জনতার কথার মুখোমুখি চুমকি চৌধুরী। জনতার কথাঃ এতদিন পর আপনাকে ছবিতে দেখে কেমন?চুমকি চৌধুরীঃ হয়তো মুভিতে এতদিন পর। তবে প্যান্ডামিকের আগে আমি কয়েকটা সিরিয়াল করেছি।প্যান্ডামিকের পরেও করছি। জনতার কথাঃ সিরিয়াল তো করেছেন। কিন্তু মুভিতে এতদিন পর। চুমকি চৌধুরী মানেই তো মুভি। চুমকি চৌধুরীঃ একদম। সেইজন্যই তো। খুবই ভালো লাগছে। আগে এতবছর কাজ করেছি। তারপর ফিরে আসা। আসলে আমি কাজ করছিলাম না কারণ বাবা চলে যাওয়ার পর একদম কাজ করতে ভালো লাগত না। আসেনি। আমি বলেছিলাম আর ইন্ডাস্ট্রিতে ঢুকবো না। যার হাত ধরে ঢোকা সে যখন চলে গেছে আমার পৃথিবীটাই চেঞ্জ হয়ে গেছে। তাই আমি আর অভিনয় করবো না। কোথাও যাব না। নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলাম।জনতার কথাঃ এই ছবির চরিত্রের ব্যাপারে সংক্ষেপে বলবেন। চুমকি চৌধুরীঃ এই ছবির চরিত্র নিয়ে যখন বর্ষালি আমার কাছে আসে আমি না করে দিয়েছিলাম। আমি এই ছবি করবোনা। আমি নেগেটিভ চরিত্র করিনি। আর দর্শকও আমাকে নেগেটিভ চরিত্রে গ্রহণ করবেনা। কিন্তু ও বললো একটা আর্টিস্ট তো সব ধরণের চরিত্র করে। তুমি এতদিন করোনি। করোনা। আমি বললাম আমার নিজের ওপর ভরসা নেই। পজিটিভ ও নেগেটিভ ক্যারেক্টারের মধ্যে একটু তো আলাদা হবে। ও বলল না তুমি করো। এবার দর্শক বলবে। রণি দাও খুব হেল্প করেছে। সবাই খুব হেল্প করেছে।জনতার কথাঃ এতদিন পর সিনেমা করছেন। বাংলা সিনেমায় কি কি চেঞ্জেস দেখেছেন?চুমকি চৌধুরীঃ এই যে অনেকে বলে অনেক চেঞ্জ হয়ে গেছে। সত্যি কথা বলতে কি আমার ওরকম মনে হয়নি। তবে বিশ্বাস করি ভালো গল্প হলে দর্শক অবশ্যই হলে যাবে। এটা আমার বিশ্বাস।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pori Moni : কলকাতায় পরীমণি, কিন্তু কেন?

বাংলাদেশ থেকে সোজা কলকাতা চলে এলেন সেখানকার অন্যতম চর্চিত অভিনেত্রী পরীমণি। তার কলকাতায় আসার খবর সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ারও করেছেন বাংলাদেশের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। ফেসবুকে ৯টি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। হলুদ এবং কালো রং-এর পোশাকে একাধিক ছবি তুলেছেন পরীমণি। কেবল নিজের নয়, হোটেলেরও একাধিক ছবি তুলেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে আরও এক ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছে। যদিও তাঁর পরিচয় গোপন করেছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী। ছবিগুলির উপর লেখা, হ্যাপি ল্যান্ডিং অর্থাৎ ভাল ভাবে নেমে পড়েছি। পাশে হ্যাশট্যাগে লেখা, কলকাতা ২০২১। এছাড়া আরও কিছু ছবি পোস্ট করতে দেখা গেছে তাকে। যেখানে দেখা গেছে সাউথ সিটিতে শপিং করছেন তিনি। যদিও সেই ছবিগুলোর ক্যাপশন দেখে বোঝা যাচ্ছে ছবিগুলো এপ্রিলে তোলা। তবে কি কারণে তার এই কলকাতায় আসা? সূত্র মারফত জানা গেছে পরীমণি কলকাতায় এসেছেন চিকিৎসার জন্য। তবে কতদিন কলকাতায় থাকবেন সেই বিষয়ে কোনও আপডেট পাওয়া যায়নি।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kali Puja : কালীপুজোর আড্ডায় জনতার কথায় অভিনেত্রী মৌলী দত্ত

আজ বাঙালির কালীপুজো। করোনা বিধি মেনে সকলে নিজেদের মতো করে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করছেন। বাদ নেই তারকারাও। তারাও অভিনয়ের ব্যস্ত শিডিউল সামলেও কালীপুজোর আনন্দে মেতে উঠেছেন। সেরকমই অপরাজিতা অপু ধারাবাহিকের বর্ষা অর্থাৎ অভিনেত্রী মৌলী দত্ত তার এবারের কালীপুজোর প্ল্যান শেয়ার করলেন জনতার কথার সঙ্গে। জনতার কথাঃ কালীপুজোয় কী প্ল্যান? মৌলীঃ কালীপুজোর আজ অপরাজিতা অপুর শুটিং ছিল। কিন্তু গুড লাক যে আমাকে আজ শুটিং-এ যেতে হয়নি। বাড়িটা গোছগাছ করলাম। সন্ধ্যেবেলায় প্রদীপ জ্বালালাম।জনতার কথাঃ বাজি ফাটাতে ভালো লাগে?মৌলীঃ দেখো এবার বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ করেছে। আর আমার এমনিতেও শব্দবাজি ভালো লাগেনা। আমার বাড়িতে তো পেট আছে। ওরা খুব ভয় পায়। ইভেন রাস্তার কুকুর, বিড়াল, পাখিরা এরা শব্দবাজিতে খুব ভয় পায়। আমার আলোর বাজি মানে আতসবাজি খুব ভালো লাগে। আর প্রদীপ ও মোমবাতি এটা তো বেশ ভালো লাগে। গোটা বাড়ির লাইট অফ থাকবে আর প্রদীপ ও মোমবাতির আলোয় আলোকিত হবে এই বিষয়টা খুব ভালো লাগে। জনতার কথাঃ কালীপুজোয় কি কি মিস করো? মৌলীঃ আমি ছোট থেকেই যেহেতু এই প্রফেশনে আছি তাই শুটিং-এই অলমোস্ট কালীপুজো কাটে। সেরকম কিছু মিস করিনা। তবে গতবছর করোনার সময় কাটোয়াতে ছিলাম আমার বাড়িতে। ওখানে জাগ্রত খেপি মায়ের মন্দির আছে। সেখানে সবাই আমরা যাই। সারাবছরই মায়ের কাঠামোটা থাকে। পুজোর সময় যেহেতু প্রতিমাটা তৈরি করা হয় সেটা দেখার জন্য সবাই ভিড় করে। সেটা মিস করি। মা আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যায়। শোভাযাত্রা যেটাকে বলে। রাত ১২টা-১টা অবধি জেগে থাকা যে মা কখন আসবে, অ্যানাউন্সমেন্ট হবে যে এবার খেপির মা যাবে। এটা মিস করি। এখানে থাকলে সেটা হয় না। ২০২০ তে বাড়িতে ছিলাম বলে হয়েছিল। জনতার কথাঃ কালীপুজোর কোনও মেমোরি শেয়ার করো। মৌলীঃ মেমোরি বলতে কালীপুজো নিয়ে খুব একটা মেমোরি কিছু নেই। কালীপুজো এরকমভাবেই কাটে। তবে এইবছর একটা ভালো জিনিস বলতে পারি আমি লাস্ট যে প্রোজেক্ট শেষ করেছিলাম যে প্রোজেক্টটা NT-1 স্টুডিওতে হতো। সেখানে কালীপুজো হয়। এইবছরও সেই স্টুডিও তে কাজ করছি। টুনি লাইট দিয়ে পুরোটা সাজানো রয়েছে। খুব ভালো লাগছে। তবে সেরকম মেমোরিস কিছু নেই।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Prarona : নিজের নাম বদলে কৃতী রাখলেন প্রেরণা

স্টার জলসার নতুন ধারাবাহিক খুকুমণি হোম ডেলিভারি। স্টার জলসায় প্রতিদিন অর্থাৎ সোম থেকে রবিবার পর্যন্ত দর্শকরা এই ধারাবাহিক দেখতে পাবেন। খুকুমণি হোম ডেলিভারি তে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন রাহুল মজুমদার ও দীপান্বিতা রক্ষিত।এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে অনেকদিন পর ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রেরণা ভট্টাচার্য। তার চরিত্রের নাম কৃতী। অনেকদিন পর ভিলেনের চরিত্র করছেন। যা নিয়ে প্রেরণা বেশ এক্সাইটেড। জনতার কথা কে ফোনে তার চরিত্রর বিষয়ে বলতে গিয়ে জানান,দীর্ঘ বছর পর আবার নেগেটিভ চরিত্র করছি। আমার নেগেটিভ চরিত্র করতে ভীষণ ভালো লাগে। যারা অভিনয়টা ভালোবাসে সবাই তো ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে পছন্দ করে। আমি সেক্ষেত্রে লাকি। আমার ১২-১৩ বছরের কেরিয়ারে পজিটিভ,নেগেটিভ দুধরণের চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছি। স্নেহাশিস দা কে অনেক ধন্যবাদ দাদা আমাকে আবার ব্লুসে সুযোগ দিয়েছে। আমি দীর্ঘ বছর পর ব্লুজ জয়েন করেছি। আমি খুব লাকি মনে করছি নিজে।তিনি আরও জানান,আমার চরিত্রের নাম কৃতী। আমি হচ্ছি যে হিরো তার বৌদি। ভীষণ অন্যরকম লুক। আমি চরিত্র নিয়ে ভাবছি। অন্যরকম অভিনয় করার চেষ্টা করছি। আমি ওগো নিরুপমা, রাসমণী তে যতটা ভালোবাসা পেয়েছিলাম ততটা ভালোবাসাই পাবো।

নভেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Upasana Maitra: কালীপুজোর আড্ডায় জনতার কথায় অভিনেত্রী উপাসনা মৈত্র

তার অভিনয় শুরু হয় মডেলিং ও র্যাম্প ওয়াক দিয়ে। সেখান থেকে বাংলা ফিচার ফিল্ম খুঁজে বেড়াই তারে তে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ভোজপুরি ছবি করেছেন। বর্তমানে শুভেন্দু দাসের পরিচালনায় ওম্যান পাওয়ার এ অভিনয় করছেন। যার শুটিং খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। অভিনেত্রী উপাসনা মৈত্র জনতার কথার মুখোমুখি। সাক্ষাৎকারের মূল বিষয় ছিল কালীপুজো ও ভাইফোটায় তার কি প্ল্যান। জনতার কথাঃ কেমন আছো?উপাসনাঃ আপাতত একটু ব্যালেন্স করেছি। করোনার জন্য যা ছিল এখন একটু ব্যালেন্স করেছি। জনতার কথাঃ এবারে কালীপুজোয় কি প্ল্যান?উপাসনাঃ আমার বাড়ির কালী হচ্ছে প্রতিষ্ঠিত কালী। তো আমাদের এটা প্রপিতামহর আমল থেকে চলে আসছে। কালীপুজো আমার বাড়িতেই হয়। তো ওটাই করবো।জনতার কথাঃ কালীপুজোয় বাজি ফাটাতে ভালো লাগে? না কি প্রদীপ জ্বালানো পর্যন্তই ঠিক আছে?উপাসনাঃ না, আমি একটু আগাগোড়াই ডানপিটে টাইপের মেয়ে। তো আমি একটু কালীপটকা, বোম এগুলো ফাটাতে বেশি পছন্দ করি। তারাবাতি আমার খুব একটা ভালো লাগে না। এখন তো নিউজে শুনলাম হাইকোর্ট থেকে অর্ডার দিয়েছে এবছর শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। ঠিক আছে হাইকোর্ট যেটা অর্ডার দিয়েছে সেটাই মানবো। কিছু করার নেই। জনতার কথাঃ এবারে ভাইফোঁটায় কি করবে?উপাসনাঃ আই অ্যাম দ্য অনলি চাইল্ড অফ মাই পেরেন্টস। ভাই, বোন বলে তো কিছু নেই। তাই ভাইফোঁটা ব্যাপারটা নেই।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Subhashree : শুভশ্রীর ফটোশুটের ভিডিও দেখে নেটিজেনদের বিভিন্ন মন্তব্য

টলিউডের গ্ল্যামার কুইন শুভশ্রী। তার ছবি থেকে শুরু করে ফটোশুট, ভিডিও কোনওটাই নেটিজেনদের চোখ এড়ায় না। ফেসবুক থেকে শুরু করে ইন্সটাগ্রাম, টুইটার সবেতেই নজর কাড়েন শুভশ্রী। এবার চলতি সপ্তাহেই নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি ফোটোশ্যুটের ভিডিও শেয়ার করেছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। আর তা নিয়েই চলছে জোরদার চর্চা। তবে নেটিজেনরা এখানে ভালো কিছু কমেন্ট করেননি। বরং ট্রোলড হয়েছেন তিনি। ওয়ান শোল্ডার ইলেকট্রিক ব্লু গাউন পরে ফোটোশ্যুট করান তিনি। আর সেখানেই নায়িকার এক্সপ্রেশন আজব ছিল বলে ট্রোলিং শুরু করেছেন একটা অংশ।মেসি হেয়ার, কমলা লিপস্টিক আর লুপ ইয়াররিংয়ে ক্যামেরায় ধরা দেন শুভশ্রী। নায়িকার এক হাতে স্টেটমেন্ট ব্রেসলেট। কমলা দেওয়ালকে ব্র্যাকগ্রাউন্ডে রেখেই বেশিরভাগ শ্যুট করা হয়েছে। দেওয়ালে আবার ঝোলানো আছে বেশকিছু ক্রস।আবেদনে ভরপুর সেই ভিডিও দেখে শুভশ্রীর অনুরাগীরা প্রশংসার বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। তবে কিছু মানুষের মতে, ওভার এক্সপ্রেশন দিয়ে ফেলেছেন শুভশ্রী। যা মোটেও ফ্যাশন ফিলিংস আনছে না! বরং মনে করিয়ে দিচ্ছে, ভূতের সিনেমার কথা। ভয় পেয়েছি প্রথম অংশটা দেখে, হাসিটা যেমন ভয়ানক, তেমন ছবি তোলার সময় মুখটাও-র মতো নানা কমেন্ট পড়েছে সেখানে। বোল্ড এক্সপ্রেশন দিতে দেখা গেছে পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর স্ত্রী কে।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pori Moni : মাদক মামলায় জামিনের মেয়াদ বাড়ল পরীমণির

পরীমণি মাদক আইনের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছে আদালত। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় আদালত প্রাঙ্গণে এসে গেইটের বাইরে অপেক্ষা করেন অভিনেত্রী। সাড়ে ৯টার দিকে গেট খোলা হরে তিনি মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করে সোফায় বসে শুনানির জন্য অপেক্ষা করেন। সাড়ে ১০টার দিকে তার মামলার শুনানি শুরু হয় এবং শেষ হয় মাত্র সাত মিনিটের মধ্যে। তারপরেই সকাল ১০.৩৭ মিনিটে পরীমণি আদালত ত্যাগ করেন।অভিনেত্রী পরীমণির বিরুদ্ধে বনানী থানার মাদক আইনের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ১৫ নভেম্বর দিন রেখেছে আদালত। ঢাকা মহানগরের ভারপ্রাপ্ত দায়রা জজ রবিউল আলম মঙ্গলবার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে শুনানির এই তারিখ ঠিক করে দেন। পরীমণি-সহ মামলার তিন আসামি মঙ্গলবার আদালতে হাজির হয়ে জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ ছুটিতে থাকায় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম ভারপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে এ আদেশ দেন।পরীমণির পক্ষে আইনজীবী নিলাঞ্জনা রিফাত সুরভি আগের শর্তে জামিনের আর্জি জানিয়ে বলেন, এই চিত্রনায়িকার শুটিংয়ের শিডিউল আছে, সেজন্য হাজিরার একটি লম্বা তারিখ প্রয়োজন। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল শুনানিতে কোনও আপত্তি করেননি।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pori Moni : জন্মদিন পালন করলেন পরীমণি

বাংলাদেশের বহু-আলোচিত অভিনেত্রীর নাম পরীমণি। বর্তমানে বিভিন্ন খবরের হেডলাইনে প্রায়ই যে বাংলাদেশি অভিনেত্রীকে পাওয়া যায় তিনি সেই পরীমণি। রবিবার তাঁর জন্মদিনের রাত-উত্সবের নিমন্ত্রণপত্র ছিল বিমানের টিকিটের মতো। বোর্ডিং পাস লেখার পাশেই খাঁটি হৃদয় নিয়ে পরীমণির সঙ্গে জীবনভর ওড়ার আহ্বান।ঢাকার এক পাঁচতারা হোটেল র্যাডিসন ব্লু তে জন্মদিনের উত্সব ছিল। বিমানের ককপিটের আদলে সেট তৈরি করা হয়েছে। লেখা ঝুলছে--- ফ্লাই উইথ পরীমণি। বিপদের দিনের বন্ধুদেরই কেবল এ বার ডেকেছেন। জমকালো পার্টিতে খাঁটি হৃদয় নিয়ে সত্যিই ওড়ার স্বাদ! অভিনব এই পরিকল্পনা। উল্লেখ্য, গত বছর পরীমণির জন্মদিন উত্সবে মূল ভাবনা ছিল ময়ূর। পাঁচতারা হোটেলের সবটুকু জায়গা জুড়ে বানানো হয়েছিল সবুজ অরণ্য। ঢোকার মুখে ছিল ময়ূরের ম্যুরাল। ভিতরটাও ছিল ময়ূর-পালকে সাজানো। আর স্বয়ং পরীমণি ময়ূরের বেশে ঘুরছিলেন।গত রাতে দাদুর স্নেহ-চুম্বনের মাধ্যমে নায়িকার জন্মদিন পালন শুরু হয়। আজ দিনের বেলায় ছোট ছেলেমেয়েদের সঙ্গে জন্মদিনের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন। বিভিন্ন বিতর্কের মধ্যে থাকা পরিমণির চারপাশটা বিশেষ দিনে রঙিন হয়ে উঠেছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bipasha Basu : বিপাশা বসু কি প্রেগন্যান্ট?

কোনও বিবাহিত মহিলার ওজন বাড়ছে? ব্যাস শুরু হয়ে গেল আলোচনা। তাহলে কি তিনি প্রেগন্যান্ট? এই নিয়ে অনেক প্রশ্ন শুনতে হয়। সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রেই শুধু নয়। অভিনেত্রীরাও রেহাই পান না এই প্রশ্নের হাত থেকে। এবার এই প্রশ্নের হাত থেকে রেহাই পেলেন না বিপাশা বসুও। বিয়ের পর থেকে ওজন বাড়লেই তাঁকে এ হেন প্রশ্ন শুনতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রীর দাবি এই প্রশ্নের সঙ্গে নাকি রীতিমতো লড়াই করতে হয়েছে তাঁকে।এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি কোনও রাখঢাক না করেই বলেছেন, আমার পরিবার আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি জানি, ওজন বাড়লেই আমার প্রেগন্যান্সি নিয়ে শুরু হয় নানান জল্পনা। তিনি আরও জানান যে ইন্ডাস্ট্রি এবং এই শো বিজনেস দুনিয়ার অংশ হওয়া সত্বেও তাঁর শরীরের ওপর সম্পূর্ণ অধিকার একমাত্র তাঁরই। তিনি শরীরের ওজন বাড়াবেন কি না সে ব্যাপারেও নির্ণায়ক একমাত্র তিনি নিজেই। বিপাশা বলেন, আমি ফিটনেস অ্যাম্বাসেডার সেটা জানি। কিন্তু কখনও কখনও ফিটনেসের কথা ভাবি না। তাঁর মনে এই নয় যে যা তা ভাবে নিজের জীবনটা কাটাচ্ছি আমি কিংবা কোনও অস্বাস্থ্যকর কিছুর মধ্যে ডুবে রয়েছি। কিন্তু এটাও পরিষ্কারভাবে বুঝে গেছি যতক্ষণ আমার সন্তানকে না দেখছেন সবাই, ততক্ষণ আমার প্রেগন্যান্সি নিয়ে নিরন্তর এই জল্পনা চলবে!

অক্টোবর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Samantha : বেড়ানোর ছবি শেয়ার করলেন সামান্থা

সম্প্রতি তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। এখন তিনি ফ্রি লাইফ লিড করছেন। অভিনয় থেকেও একটু বিরতি নিয়েছেন আর হলিডে মুডে রয়েছেন।সামান্থা রুথ প্রভু ছুটি কাটাচ্ছেন হৃষিকেশে। সেখানে মহাঋষি মহেশ যোগী আশ্রমে গেছিলেন। এই আশ্রমের জনপ্রিয় পরিচয় বিটলস আশ্রম বলে। অভিনেত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর বন্ধু তথা ডিজাইনার মডেল শিল্পা রেড্ডি।তাঁর বেড়ানোর ছবি শেয়ার করেছেন সামান্থা। ছবির সঙ্গে লিখেছেন, একদিন যেখানে বিটলস দাঁড়িয়ে ছিলেন, সেখানেই দাঁড়িয়ে আমি। আমি মহাঋষি মহেশ যোগীর আশ্রমে। এখানেই তাঁরা ট্রান্সসেন্ডাল মেডিটেশন অনুশীলন করেছিলেন। লিখেছিলেন তাঁদের বিখ্যাত গানগুলির মধ্যে কিছু গান।সামান্থাকে এর পর দেখা যাবে কাথুভাকুলা রেন্ডু কড়াল এবং শকুন্তলম ছবিতে। সম্প্রতি তাঁর ডিজিটাল বিনোদন জগতে অভিষেক ঘটেছে দ্য ফ্যামিলি ম্যান টু সিরিজে। সিরিজে রাজি-র ভূমিকায় তাঁর অভিনয় মন জয় করেছে দর্শকদের।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Falaque : দীপাবলির আড্ডাগুলো আমি ভীষণ এনজয় করি

দুর্গাপুজোর পর আজ লক্ষ্মীপুজোও। কালীপুজোও আসতে খুব বেশি দেরি নেই। অনেকেই কালীপুজোর প্ল্যান করতে শুরু করেছেন। দীপাবলির ভাবনা রয়েছে অভিনেত্রী ফালাক রশিদ রায়েরও। পুজোতে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি FIR। এবার কালীপুজোয় কি প্ল্যান জানালেন টলি ক্রাশ ফালাক।জনতার কথাঃ দীপাবলির প্ল্যান কি?ফালাকঃ ধনতেরস থেকে আমার দীপাবলির প্ল্যান শুরু হবে। কিছু গয়না কিনবো। প্রচুর মিষ্টি অর্ডার দেবো। আমার মিষ্টি খেতে খুব ভালো লাগে। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসি। দীপাবলির আড্ডাগুলো আমি ভীষণ এনজয় করি। সো এইগুলোই করবো।জনতার কথাঃ বাজি ফাটাতে কি ভালো লাগে?ফালাকঃ বাজি ফাটাতে ভালো লাগে। তবে লাইট যেটা দিয়ে হয় সেটা বেশি ভালো লাগে আমার। সাউন্ড আর যেটাতে প্রচুর স্মোক সেটা আমার ভালো লাগেনা। আমার প্রচন্ড নিঃশ্বাস কষ্ট হয় তাতে। আমার নিজের একটা পেট আছে। তাই আমি বুঝি তাদেরও কত কষ্ট হয়। তাই আমি ফুলঝুরি আর চরকি এইগুলোতেই আনন্দ করি।জনতার কথাঃ দীপাবলিতে কি কি মিস করো?ফালাকঃ আমি আগে করতাম। যেটা এখন সময় পাই না। রঙ্গোলি বানাতে খুব ভালো লাগতো। দীপাবলির সময় রঙ্গোলি আর অল্প একটু প্রদীপ জ্বালানো এটা খুব ভালো লাগে। তবে রঙ্গোলির এখন সময় পাই না।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Esha Gupta : বোল্ডনেসের মাত্রা ছড়ালেন এশা

বলিউড অভিনেত্রী এশা গুপ্তা সবসময় নিজেকে হট লুকে মেলে ধরতে পছন্দ করেন। অনস্ক্রিন হোক বা অফস্ক্রিন সবেতেই তার হট লুক নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তবে এবার এশার বোল্ডনেস মাত্রা ছাড়াল। সম্পূর্ণ টপলেস অবতারে লেন্সবন্দি হলেন অভিনেত্রী। শরীরের উপরের অংশে নেই এক টুকরো সুতো। হাতের পাশ দিয়ে উন্মুক্ত স্তনযুগল, নীচে ব্লু ব্যাগি জিনস পরে রয়েছেন অভিনেত্রী। যা সবাইকে চমকে দিয়েছে।সম্প্রতি জয়পুরের ঘুরতে গিয়েছেন এশা। সেখানে রামগড় লজেই অর্ধনগ্ন হয়ে এই ছবি পোস্ট করেছেন জন্নত ২র নায়িকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় হামেশাই নিজের টোনড বডি তুলে ধরেন এশা।টপলেস ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন- আজ ভালোবাসুন, আগামিকালও ভালোবাসুন। এশার এই টপলেস ছবি বিদ্যুত গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রায় সাত লক্ষ লাইক পড়েছে এই ছবিতে। নেটিজেনরা ছাড়াও অনেক বলিউড সেলেবও তাঁর ইন্সটাগ্রামের ছবিতে কমেন্ট করেছেন।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

অনুদান নিলেই মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বীরভূমে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন দিলীপ

দুর্গাপুজোর আগে বীরভূমে সরকারি অনুদান এবং পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাঁইথিয়ায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। ছবি না লাগালে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন বলে অভিযোগ।মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। পুজোর মুখে সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর বিষয়টি কীভাবে যুক্ত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের তরফেও এই মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়।বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও নির্দেশ বর্তমান সরকার দেয়নি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে এমন শর্ত দেওয়া হত। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে অনুদান পাওয়া যেত না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বর্তমান সরকার এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেয়নি। তাঁর কথায়, পুজো কমিটিগুলি যেন ভালোভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোকে বাধ্যতামূলক করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।দিলীপ ঘোষের সুরেই বক্তব্য রাখেন বিজেপির আর এক শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি অনুদান পাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের কোনও শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি জানান।প্রসঙ্গত, আগের সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি প্রচারের ছবি দেখা যেত। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিরাপদে গাড়ি চালানোর প্রচার-সহ নানা সরকারি বার্তা পুজোর মণ্ডপে তুলে ধরা হত। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে বীরভূমের বিজেপি নেতার মন্তব্য এবং দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এক দিকে জেলা স্তরের নেতার তরফে ছবি লাগানোর কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এমন কোনও সরকারি নির্দেশ নেই।ফলে সরকারি অনুদান নিলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আপাতত জিইয়ে রইল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal