• ৫ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Actress

বিনোদুনিয়া

Rituparna Sengupta : করোনায় আক্রান্ত ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। দার্জিলিং-এ পরিচালক অতনু বসুর অচেনা উত্তম ছবির শুটিং-এ গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে তাঁর পরিবারও ছিল।ফিরে এসে ঠাণ্ডা লাগে। টেস্ট করার পর তাঁর স্বামী সঞ্জয় ছাড়া সকলেরই কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, দার্জিলিং থেকে ফিরে বিজ্ঞাপনের কাজ ছিল। তার পরেই ঠান্ডা লাগে। পরীক্ষা করে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আমার শাশুড়ির ভাগ্যিস হয়নি। ওকে অন্য বাড়ি পাঠিয়েছি। আমরা বাড়ির সবচেয়ে উঁচু তলায় নিজেদের বন্দি করেছি।করোনার প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিগত কয়েকদিনের মধ্যে অনেক টলি তারকাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়, জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রীজাত, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী, রুদ্রনীল, পরমব্রত, মিমি চক্রবর্তী, সোহম, দেব, রুক্মিণী, বনি একাধিক টলি তারকার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : করোনায় আক্রান্ত শ্রীলেখা মিত্র, খোঁজ নিতে গিয়ে খবর হলেন শ্রীজাত

করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবর জানিয়েছেন টলিউড অভিনেত্রী। ফেসবুকে শ্রীলেখা লেখেন, পজিটিভ। আজ সন্ধ্যাবেলাতেই তাঁর করোনা রিপোর্টের ফল পজিটিভ আসে।এর আগে অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন তাঁর জ্বর হয়েছে। যদিও জ্বরের মধ্যেও মনকে শক্ত রেখেছিলেন। শাল গায়ে একটা ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, অনেকদিন পর বাংলা শাল গায়ে দিয়ে আবারও একটু বাবা মার টুম্পার সোনামণি হতে চাই। তিনি লাইভে জানিয়েছেন আমি ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিয়েছি, আমি একদম-ই ভয় পাচ্ছিনা, শ্রীলেখা মিত্র এত সহজে মরবে না, অনেক জ্বালানো বাকি...।বিগত কয়েকদিনে অনেক টলি তারকাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়, জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রীজাত, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী, রুদ্রনীল, পরমব্রত, মিমি চক্রবর্তী, সোহম, দেব, রুক্মিণী, বনি একাধিক টলি তারকার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন আমি এমনিতে ঠিক আছি, সবাই খোঁজ নিচ্ছে ভালো লাগছে এই পোস্টে কবি গীতিকার সৃজাত লেখেন আমি খোঁজ নিলে পাছে খবর হয়, এই ভয়ে খোঁজ নিলাম না। মন্তব্যের উত্তর দিতে গিয়ে অসুস্থ শ্রীলেখা কাল-বিলম্ব না করে শ্রীজাত-র সামাজিক মাধ্যমে বর্তমান বিতর্ক-কে উসকে দিয়ে বলেছেন শ্রীলেখার আর মাননীয়ার খবর নেওয়া কি এক হলো পাগলা... যদিও শ্রীলেখা তাঁর খবর নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাতে কার্পন্য করেন নি। একটু উস্কে দিয়ে সুজয় প্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় সুন্দর হেঁয়ালি করে লিখেছেন খোঁজ তো খবর হবেই শ্রীজাত এবং সেই খবর শ্রীবৃদ্ধি পাবে লিখতে গিয়ে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Maadhurima : করোনায় আক্রান্ত অভিনেত্রী মাধুরিমা, রয়েছেন হোম আইসোলেশনে

বিগত কয়েকদিনে টলিউডে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। জিত গাঙ্গুলি, সৃজিত মুখার্জি, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী গাঙ্গুলি, শ্রীজাত সবাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী মাধুরিমা চক্রবর্তী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবরটা জানিয়েছেন তিনি। মাধুরিমা সম্প্রতি জীবন সাথী ধারাবাহিকে নিধি বসুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সদ্য তাঁর চরিত্রটি শেষ হয়েছে। এরপর মেঘালয়ে ঘুরতে যান তিনি।কিভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন মাধুরিমা? জনতার কথা কে অভিনেত্রী জানালেন, যখন আমি হেয়ার ওয়াশ করি তখন আমার হাঁচির একটা অ্যালারজি আছে। এবারেও সিম্পটমস হিসাবে সেটাই ছিল। আমি এটা মাথাতেই নিইনি কারণ এটা আমার হতেই থাকে। আসতে আসতে সর্দি হল। তারপর হটাত করে ১০২ জ্বর আসে। তারপর ব্যাপারটা ঠিক লাগলো না। পিসি তখন কোভিড টেস্ট করতে বলেন। টেস্টের রিপোর্টে পেলাম আমার পজিটিভ আছে। তিনি আরও জানান, কালকে প্রচন্ড উইক ছিলাম। আজকে একটু কম আছি। এপাশ থেকে ওপাশ ফিরতে পারছিনা এতটাই উইক। এইভাবেই চলছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Raj-Shubhashree : দ্বিতীয়বার কোভিডে আক্রান্ত রাজ-শুভশ্রী

ফের কোভিডে আক্রান্ত হলেন রাজ চক্রবর্তী। মঙ্গলবার রাতে টুইট বার্তায় জানিয়েছেন পরিচালক তথা ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক। তবে তিনি শুধু একা নন, তাঁর স্ত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ও কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাজ। দুজনেই বাড়িতে নিভৃতবাসে রয়েছেন। অনুগামীদের কোভিডবিধি মেনে চলার জন্যও টুইটে আবেদন জানিয়েছেন রাজ চক্রবর্তী। করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মঙ্গলবার কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি রাজ।Subhashree and I have been tested positive for COVID-19. We are practicing home quarantine. Please stay safe, wear a mask and follow the COVID precautionary guidelines.@subhashreesotwe Raj chakrabarty (@iamrajchoco) January 4, 2022তবে এটাই প্রথম নয়। রাজ চক্রবর্তী প্রথম বার কোভিডে আক্রান্ত হন ২০২০ সালের অগস্ট মাসে। ২০২০ সালের ১৭ অগস্ট টুইট করে সেই খবর জানিয়েছিলেন তিনি।অন্যদিকে রাজ যখন বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তখন ২০২১ সালের ২০ এপ্রিল কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়েছিলেন টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী। আক্রান্ত হয়ে সে সময় বাড়িতেই নিভৃতবাসে ছিলেন তিনি।কদিন আগে জলবসন্তে আক্রান্ত হন রাজ। সেইসময় হালিশহরে নিজের বাড়িতে ছিলেন। জলবসন্ত থেকে সেরে ওঠার পর এবার দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হলেন টলিউডের পরিচালক-বিধায়ক।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Kasturi Chakraborty : সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন অভিনেত্রী কস্তুরী চক্রবর্তী

বিয়েটা সেরে ফেলছেন টলিউড অভিনেত্রী কস্তুরী চক্রবর্তী। পাঠভবনের তার দীর্ঘদিনের বন্ধু সৌভিক সান্যালের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন কস্তুরী। রবিবার ২ জানুয়ারি ছিল কস্তুরীর জন্মদিন। বিশেষ দিনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সুখবরটা ভাগ করে নেন তিনি।এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনটি ছবি পোস্ট করেন কস্তুরী। ক্যাপশনে লেখেন,বিষয়টা সংক্ষিপ্ত, স্বপ্নটা বিস্তীর্ণ......আমরা বিয়ে করছি। জন্মদিনের থেকে বেশী আনন্দের দিন আর পেলাম না খবরটা পোস্টাবার... শুভেচ্ছা আর ভালবাসাগুলো বহুগুনে বর্ষিত হোক। পোস্টের শেষে একটা ভালোবাসার চিহ্ন রেখে গেছেন।বলিউডের মতো টলিউডেও বিয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি বিয়ে করেছেন মেখলা দাশগুপ্ত ও তৃষা চ্যাটার্জি। এবার সুখবর জানালেন অভিনেত্রী কস্তুরী চক্রবর্তী।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Good Bye 2001: শেষ বেলার চিঠি, ২০২১ কে হাসি কান্নায় বিদায় জানালেন শ্রীলেখা

সময় ও স্রোত কারুর জন্য অপেক্ষা করে থাকেনা। বয়ে চলে নিজের ছন্দে। ছন্দপতন হওয়ার কোনও সুযোগ-ই তারা দেয়না। বর্তমান শব্দটা খুব আপেক্ষিক, টাইম-ফ্রেম-এ কোনোভাবেই-ই তাকে ধরা যায় না। মুহুর্তে সে অতীত হয়ে যায়। করোনা-র চোখ-রাঙ্গানী দিয়ে শুরু হয়ে ২০২১-র আজ শেষ দিন। বর্তমান-এর অস্বিত্ত্ব খুঁজতে খুঁজতেই ৩৬৪টা দিন শেষ! আমাদের প্রত্যেক-র জীবন থেকেই গোটা একটা বছর ডিলিট হয়ে গেলো। পিছন ফিরে সেই চলে যাওয়া ২০২১ কে সুখ-দুঃখের অনুভুতি মেশানো পত্র দিয়ে বিদায় জানালেন টলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)। বছরের শেষ দিনের আগেই তা পোস্ট করলেন সামাজিক মাধ্যমে।চিঠিতে অভিনেত্রী লিখেছেনঃপ্রিয় ২০২১,আপনার চলে যাবার একদিন আগেই আপনাকে বিদায় জানাচ্ছি কারণ... কাল-এর কথা কাল-ই জানে। তুমি আমার বাবাকে তাঁর রাজকুমারীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে অনাথ করেছ, হ্যাঁ তাই, ক্ষমা-তো তোমাকে আমি করতেই পারবো না! তুমি ক্ষমার পাত্র-ও নও। আবার সেই তুমি-ই আমার শিল্পসত্তা কে যে জায়গায় প্রতিষ্টিত করেছ, ভাবিনি কোনওদিন আমি নিজেকে সেখানে দেখতে পাবো! তুমি আমাকে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসা পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছো, হ্যাঁ, অবশ্যই ভেনিস চলচিত্র উৎসবের কথাই বলছি। যখন আমার আশেপাশের লোকজন আমার খামতি খুঁজে বেরিয়েছে (দেখুন আমি কিন্তু কিচ্ছু ভুলিনি)।তাই আজ আমার চোখে অশ্রু, অবয়বে এক বিষণ্ণতার ভাঁজ (কেউ কেউ বলে নাকি যে এটাই আমার সেরা অভিব্যাক্তি)। আমি বলি কে সেরা সেরা...... সোচনা কেয়া জো ভি হোগা দেখা যায়েগা এইটুকুই থাক.....চিঠিটা এখানেই শেষ করেছেন শ্রীলেখা। অনেক কিছুই ফিরিয়ে দেওয়ার আছে, এই ইঙ্গিত-ই কি দিলেন শ্রীলেখা? জীবন থেমে থাকেনা, সে তার নিজের গতিতেই বয়ে চলে, আমাদের শুধু মরুতীর্থ হিংলাজ যাত্রার মত পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব- মাগো, বলো কবে শীতল হবো-কত দূর আর কত দূর বল মা গেয়ে যেতে হবে। কোভিড-১৯, ডেল্টা, ওমিক্রন আরও কত চোখরাঙ্গানী দেখতে হবে। তারই ফাঁক দিয়ে জীবন নামক বল টাকে গোলের দিকে নিয়ে যেতে হবে। কেউ পৌছাবে কেউ থেমে যাবে......সামাজিক মাধ্যমে অসম্ভব জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী সদাসর্বদা তাঁর সুখ-দুঃখ সকলের সাথে ভাগ করে নেন। ছায়াছবি-র মানুষ-জন যে শুধুই ছায়া বা ভিন গ্রহের এই ধারনা তিনি অনেকটাই ভেঙ্গে দিয়েছেন। তারাও আনন্দে হাসেন, দুঃখে কাঁদেন, ক্ষিদে পেলে খান। তার এই খোলা চিঠি এই বার্তা-ই দেই যে, কোন পরিস্থিতিতে-ই ভেঙ্গে পোড়না, ভালো সময় তোমাই দেখছে। কবির ভাষায় মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয় / আড়ালে তার সূর্য হাসে।প্রখ্যাত অভিনেতা সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় শ্রীলেখা-র এই সামাজিক মাধ্যমে-র পোস্ট এ লিখেছেন দেখা হবে নতুন গানের ভোরে, খুব-ই প্রাসঙ্গিক। কেটে যাক এই আস্থিরতা, নতুন বছরে এক নতুন সুর্য উঠুক।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Piyali Chatterjee : আমার ডিরেক্টর ভীষণ হেল্পফুল - পিয়ালী চ্যাটার্জি

পরিচালক সপ্তাশ্ব বসুর নতুন ছবি জতুগৃহ-র শুটিং শেষ হয়ে গেল। শুটিং ফ্লোরে জনতার কথা-র মুখোমুখি এই ছবির প্রধাণ চরিত্র পিয়ালী চ্যাটার্জি। জনতার কথাঃ তোমার ফার্স্ট প্রোজেক্ট অ্যাস অ্যা লিড। কেমন এক্সপিরিয়েন্স?পিয়ালীঃ ভীষণ ভালো এক্সপিরিয়েন্স। সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করেছি। আমার কো-অ্যাক্টর, ডিরেক্টর ভীষণ পরিমাণে সাপোর্টিভ। জনতার কথাঃ বনি সেনগুপ্তর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার এক্সপিরিয়েন্সটা কেমন ছিল?পিয়ালীঃ বনি কো-অ্যাক্টর পরে। আগে ভীষণ ভালো বন্ধু। ও শুটিং-এর মাঝে এত মজা করে। ওকে টিভির পর্দায় দেখে মনেই হয় না ও এতটা ফ্রি, ফ্র্যাঙ্কলি। ভীষণ সাপোর্টিভ-ও।জনতার কথাঃ পরিচালক সপ্তাশ্ব বসু কে নিয়ে কি বলবে?পিয়ালীঃ আমার ডিরেক্টর ভীষণ হেল্পফুল। আমরা ভীষণ মজা করেছি। জুন থেকে আমাদের শুটিং স্টার্ট হয়। জুন টু আজকে ডিসেম্বরের লাস্ট ডে শুট। পাঁচ মাসের জার্নি। ভীষণ ভালোভাবে কাটিয়েছি।জনতার কথাঃ প্রোডিউসারের কথা কি বলবে? প্রোডিউসার না থাকলে হয়তো তোমাকে এইভাবে লিড কাস্টে দেখতে পেতাম না।পিয়ালীঃ একদম। প্রোডিউসারের কথা তো সবার আগে। রক্তিম চ্যাটার্জি না থাকলে হয়তো পিয়ালী চ্যাটার্জি থাকতো না। আমি তো এটাই উইশ করবো সব মেয়েরা এরকম সাপোরটিং হাজব্যান্ড পাক।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Dog Show: সারমেয়-র টানে পশুপ্রেমী টলি অভিনেত্রী বর্ধমানে

রবিবার পুর্ব-বর্ধমানের মেমারি তে মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এবং শিক্ষা বিকাশ সেবা ফাউন্ডেশন-র ঐশী সিংঘ রায়-র উদ্যোগের এক সারমেয়-র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনী তে নানা প্রকারের সারমেয় নিয়ে উপস্থিত হন দূর-দুরান্ত থেকে আগত সারমেয় প্রেমী-রা। এই শো দেখতে ঢল নামে মেমারি শহর সংলগ্ন বি-এড কলজের মাঠে। একপ্রকার মেলা বসে যায়।মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে-র প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও পশু-প্রেমী শ্রীলেখা মিত্র। তাঁর সারমেয় প্রেম বহুজনবিদিত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই পথ সারমেয় ভালোবাসা নিয়ে বহুবার তাঁকে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে। শ্রীলেখা মিত্র-র সামাজিক মাধ্যম ফলো করলেই মানুষ জানতে পারবে তিনি কোনও তথাকথিত নামজাদা সারমেয় পালন করেন না। তিনি পথ চলতি সারমেয় দের কেই তাঁর বাড়ির অন্দরমহলে স্থান দেন। তাদের লালন পালন করেন।আজকের এই অনুষ্ঠানে আসার পথে জাতীয় সড়কের পাসে এক ধাবা তে দাঁড়িয়ে সেখানকার কয়েকটি সারমেয় সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি পোস্ট করেন। তিনি সেখানে উল্লেখ করেন বর্ধমানে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে তার মাঝে আমার বন্ধুদের শুভেচ্ছা। এর থেকেই তাঁর সারমেয় প্রেম সমন্ধে কিছুটা ধারনা পাওয়া যায়।এ-হেন মানুষ কেই এই ধরনের অনুষ্ঠানের প্রধান অথিতি হিসাবে আমন্ত্রন যতার্থ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জাতীয় সঙ্গীত-এ গলা মেলালেন, এবং শো-তে উপস্থিত থাকা এক সারমেয়-র জাতীয় সঙ্গীত কে সন্মান জানানোর মুহুর্তটি মনে রাখার মত। যদিও যান্ত্রিক গোলযোগের কারনে জাতীয় সঙ্গীত-র ছন্দ পতন হয়। অভিনেত্রী কোনও রকমে সামলে নেন।আজকের এই শোয়ে প্রধান অকর্ষন ছিলো এক ট্রেন দুর্ঘটনায় চলশক্তিরহিত পথভ্রষ্ট সোনামনি, সঞ্চিতা নামের এক গর্বিত কুকুর অভিভাবক এই অবলা পথভ্রষ্ট সারমেয় কে পালন করে জীবনদান করেন। অভিনেত্রী বলেন আমি এটা দেখে আরো অভিভূত কারণ এই সমস্ত মানুষ আমাদের লোমশ বন্ধুদের সম্পর্কে যে সচেতনতা ছড়াচ্ছে তাতে সাধারণ মানুষের অদের প্রতি ভালোবাসা কিছুটা হলেও বাড়বে। সঞ্চিতা বলেন হোক প্রতিবাদ, সবাই যেনো সতর্ক থাকে, ওদের ওপর কেউ যেন কেউ অত্যাচার করতে না পারে, সারমেয়দের ভালো রাখার আবেদন রাখেন।এই অনুষ্ঠানে বহু প্রজাতির সারমেয় অংশগ্রহন করে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জার্মান শেফার্ড, গ্রে হাউন্ড, ল্যাব্রেডার, তোসা ইনু, আমেরিকান বানডগ, কেনে কর্সো, রোডেশিয়ান রিংব্যাক, ডগো আর্জেন্টিনা, বোয়ের বোয়েল, গাল ডং, সেন্ট বার্নাড, আমেরিকান বুলডগ, বক্সার ইত্যাদি। এই সমস্ত সারমেয়রা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে।আয়োজক সংস্থা জনতার কথা কে জানান এই ধরণের অনুষ্ঠান করার উদ্দশ্যে একটাই যাতে সামান্য হলেও মানুষের এই সমস্ত অবলা পশুদের প্রতি সহমর্মিতা একটু হলেও বৃদ্ধি পায়। তখনই এই আয়োজনটাকে স্বার্থক বলে মনে করবো আমরা। মেমারি এলাকাই এই ধরণের আয়োজন এই প্রথম। প্রথম বারেই বেশ সাড়া ফেলে দেয়। বিশিষ্ট এক সাহিত্যিক বলেছিলেন কাউকে অমুকের বাচ্ছা বলে সেই পশু / জন্তু টার অপমান করবেন না। আর সাহিত্যিক দুলেন্দ্র ভৌমিকের বাজা তোরা রাজা যায় তে এক যায়গায় লিখেছেন, এক মানুষ দ্বারা আহত বাঘ তাঁর বাচ্ছা বাঘ কে বলছেন আমাদের বীরত্ব ফলাতে গেলে মানুষের চামড়া দেওয়ালে টাঙ্গিয়ে রাখতে হয় না। এর থেকে সপাট থাপ্পড় বোধহয় হাত দিয়েও মারা যায় না। তাই মানুষকে ডগ-শো করে সারমেয় / পশু প্রেম বাড়াতে হয়। যাক মুঠো টা তো খুলুক।।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Darshana Banik : বর্ষশেষে নজরকাড়া ফ্যাশন শোয়ে মাতালেন দর্শনা বণিক

বর্ষশেষে INIFD সল্টলেক আয়োজিত নজরকাড়া ফ্যাশন শোতে উষ্ণতা ছড়ালেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী দর্শনা বণিক। উদীয়মান ডিজাইনাররাদের সাথে সময় কাটিয়ে তাঁদের উৎসাহিতও করেন এই ইয়ুথ আইকন। অংশগ্রহণকারীদের সাথে সমানতালে র্যাম্পও মাতিয়ে তোলেন তিনি। অতিমারির কারণে ঘরবন্দী শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ফিরিয়ে আনতে ফ্যাশন শো এক্সপ্লোডিয়া ২০২১ এর উদ্যোগ নিয়েছেন কলকাতার নামী ফ্যাশন এবং ইন্টিরিয়র সংস্থা সল্টলেকের INIFD। টার্কি, ব্রাজিল, নেদারল্যান্ডস সহ ১০টি আলাদা আলাদা দেশের সংস্কৃতি, ফ্যাশন, খাবার তৈরি করেন ছাত্রছাত্রীদের ১০টি দল। এই দলগুলি তাঁদের থিম অনুযায়ী বিষয় প্রদর্শন করলেন। বিভিন্ন দেশের পোশাক, সংস্কৃতি, খাবার দিয়ে সাজানো শোতে নজর কাড়লেন INIFD এর ছাত্রছাত্রীরা। প্রদর্শনী শেষে জয়ের খেতাব জিতে নেন ব্রাজিল টিমের সদস্যরা। গতকাল এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন সেলিব্রিটি ফ্যাশন ডিজাইনার অভিষেক দত্ত। সাধারণ মানুষের কাছে ফ্যাশনকে পৌঁছে দিতে কলকাতায় বহুবছর ধরে কাজ করছে INIFD। এই সংস্থার শিক্ষার্থীরা Lakme Fashion Week, New York Fashion Week সহ বিখ্যাত প্ল্যাটফর্মে আগেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে। মণীশ মালহোত্র, মি. অ্যাশলে রাবেলোর মতো জনপ্রিয় ফ্যাশন আইকনও এই সংস্থার সাথে জড়িত।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kajal Aggarwal : অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল কি অন্তঃসত্ত্বা? তার পোস্ট দেখে উঠছে প্রশ্ন

২০২০-র সেপ্টেম্বরে ইন্টেরিয়ার ডিজাইনার গৌতম কিচলুর সঙ্গে চার হাত এক হ্য অভিনেত্রী কাজল আগরওয়ালের। কাছের বন্ধু ও দুই পরিবারের উপস্থিতিতেই বিয়ের পর্ব সেরেছিলেন তাঁরা। তেলেগু ইন্ডাস্ট্রির এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। তার এই ছবিতেই বেবি বাম্প ফুটে উঠেছে। বন্ধুর সঙ্গে ছবিটি শেয়ার করেছিলেন কাজল। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, বেয় (BAY) ও আমি। বেইজ় রঙের বডিকন ড্রেস পরেছেন অভিনেত্রী। সেই ছবিতেই কাজলের ছোট্ট বেবি বাম্প নাকি স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। তাহলে কি প্রথম সন্তানকে স্বাগত জানাতে চলেছেন কাজল এবং গৌতম? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে অনুরাগী মহলে। যদিও এ বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি দম্পতির কেউই। সম্প্রতি কাজলের কাছে বেশ কিছু ছবির অফার আসে। সেই অফার তিনি নাকচ করে দেন। এর মধ্যে রয়েছে নাগারজুনের দ্য গোস্ট ছবিতে মুখ্য চরিত্র। এতগুলো প্রজেক্ট থেকে সরে আসার কারণ নিয়ে কাজলের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর আরও জোরালো হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Hamsa Nandini : স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত মডেল-অভিনেত্রী হামসা

মারণরোগ ক্যানসার। সেই মারণরোগে আক্রান্ত হয়েছেন তেলেগু ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী হমসা নন্দিনী। তবে সেটা এখন তৃতীয় ধাপে পৌঁছে গেছে। এবার চিকিৎসা শুরু হয়েছে হমসার। এই মারণরোগের কথা ইনস্টাগ্রামে নিজেই জানালেন তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী। সঙ্গে তাঁর ছবি। সেই ছবিতে রং নেই। মাথায় চুল নেই। কেমোথেরাপি চলার ফলে শরীরে বদল এসেছে। তবু সেই পরিবর্তনকে আলিঙ্গন করেছেন হমসা। নেতিবাচক ভাবনা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখে লিখেছেন নিজের কথা।চার মাস আগে বেশ কিছুদিন ধরে নিজের বুকে শক্ত একটি ডেলার অস্তিত্ব টের পাচ্ছিলেন। সেই মুহূ্র্তেই ভয় পেয়েছিলেন হমসা। বুঝতে পেরেছেন, এক ধাক্কায় জীবন অনেকটাই বদলে যাবে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরে তাঁর আশঙ্কাই সত্যি হল। চিকিৎসক স্তন ক্যানসার শনাক্ত করলেন। সংক্রমণ তৃতীয় ধাপে পৌঁছে যাওয়ায় তাড়াহুড়ো করে কেমোথেরাপি শুরু হয়। ইতিমধ্যে ৯টি কেমো নিয়েছেন হমসা। আরও ৭টি বাকি।হমসা লিখেছেন ১৮ বছর আগে যখন মা কে হারিয়েছেন তিনি তখন তাঁর মায়ের বয়স ৪০ বছর। মৃত্যুর কারণ, সেই একই রোগ, স্তন ক্যানসার। নিজের শরীরেও একই রোগ বাসা বেঁধেছে দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন হমসা।তবু ক্যানসার নিয়ে বেশি কিছু ভাবতে চাননা হামসা। মনের জোরেই মারণরোগের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তেলুগু মডেল-অভিনেত্রী। অস্ত্রোপচার করে ইতিমধ্যেই হমসার শরীর থেকে বার করা হয়েছে টিউমারটি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ক্যানসার এর থেকে বেশি ছড়ায়নি। তাই খানিক স্বস্তিতে অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Gulshanara: থিয়েটার আমার চরিত্রের জটটা অনেকটা খুলতে সাহায্য করেছে

ভালো অভিনেত্রী মানেই যে তিনি নেটিজেনদের কাছে জনপ্রিয় হবেনই এমনটা নয়। এমন বেশ কিছু অভিনেত্রীকে আমরা খুঁজে পাবো যাদের অভিনয় নিয়ে সেইভাবে আলোচনা না হলেও তাঁরা তাঁদের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে বেশ কিছু মানুষের মনে বিশেষ জায়গা করে নেন। এরকমই একজন হলেন টলিউডের অভিনেত্রী গুলশানারা খাতুন। চূর্ণী গাঙ্গুলীর তারিখ-এ বেশ ভালো অভিনয় করেছিলেন তিনি। বর্তমানে অরুণ রায়ের ৮/১ তে কমলার চরিত্রে অভিনয় করছেন। আগামী দিনে আরও বেশ কিছু ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আমরা তাঁকে দেখতে পাবো। বড়পর্দার পাশাপাশি ছোটপর্দাতেও অভিনয় করেছেন তিনি। শুটিং-এর ব্যস্ততার মধ্যেও কিছুটা সময় বার করে ফোনে জনতার কথায় সাক্ষাৎকার দিলেন গুলশানারা।জনতার কথাঃ ৮/১২ তে কমলার চরিত্রটা কেমন?গুলশানারাঃ চরিত্রটা সম্পর্কে এখন পুরোটা রিভিল করতে পারবো না। তবে যতটুকু বলা যায় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের যে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন হয় সেই বিপ্লবী আন্দোলনের একজন মহিলা কমরেড ছিল কমলা। তবে কমলা আসলে একা তো স্ট্যান্ডআউট করেনি। পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ মেয়েরা, বাড়ির মেয়েরা ইংরেজদের কাছে অত্যাচারিত হওয়ার পর বেরিয়ে এসে যেভাবে সশস্ত্র বিপ্লবকে মদতপুষ্ট করেছে নানাভাবে কমলাও সেরকম একজন মেয়ে বিপ্লবী যে এই গোটা বিনয়-বাদল-দীনেশের পিছনের যে ইতিহাস সেই ইতিহাসের একটি অংশ।জনতার কথাঃ এই চরিত্রটাকে পোট্রে করার জন্য কি কি হোমওয়ার্ক করেছো?গুলশানারাঃ এই বছর যখন লকডাউন হয় তখন আমাদের যিনি চিত্রনাট্য লিখেছেন সৌনাভ দা যোগাযোগ করেন। অরুণ দা ও যোগাযোগ করেন এবং আমাকে বলা হয় যে একটি বিপ্লবী চরিত্র, তার সময়কাল এইটা। তো সেই সময়ের কিছুটা ইতিহাস আমাকে পড়তে বলা হয়। সেই সময় বাড়ির মেয়েরা কিভাবে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, তাদের ফিলোজফি কি, কর্মকাণ্ড কি সেইগুলো নিয়ে পড়াশোনা করতে বলা হয়। তখন আমি স্ক্রিপ্টটা পুরোটা পড়িনি। তো আমি চরিত্রের খানিকটা ব্রিফিং শুনে পড়াশোনা করতে শুরু করি। লকডাউনের পরে একদিন অরুণদা বসে স্ক্রিপটা শোনায় এবং আমার যে যে অভিনয়ের জায়গা ছিল সেটা নিয়ে একটা প্রাইমারি ওয়ার্কশপ করা হয় এবং পুরো টিম আমাকে বোঝায় যে গোটা জিনিসটা কীভাবে এগোবে। আমি প্রিপারেশন নিয়েছি বলতে এক তো অরুণদার সঙ্গে প্রায়ই ফোনে কথা বলতাম। পড়াশোনাটা, রিসার্চ ওয়ার্ক খানিকটা কাজে লেগেছে এবং পুরো টিমটা আমাকে বিভিন্ন সময়ে ইমপুট দিয়ে গেছে। সেটা আমার মেপআপ থেকে শুরু করে স্টাইলিং, ডিরেকশন, মিউজিক সবকিছুই।জনতার কথাঃ বর্তমান সময়ের ছেলে-মেয়েরা সেইভাবে হয়তো বিনয়-বাদল-দীনেশ কে সেইভাবে জানেনা বা জানানো হয়নি। যারা জানে না তাদের কি এই ছবি দেখার পর বিনয়-বাদল-দীনেশ কে নিয়ে আগ্রহ জন্মাবে একটু হলেও?গুলশানারাঃডেফিনেটলি। তবে শুধুমাত্র বিনয়-বাদল-দীনেশ নয়। ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে বাড়ির ছেলে-মেয়েরা কারণ বিনয়-বাদল-দীনেশ তিনজনেই তখন মিড টোয়েন্টিস-এ। শুধুমাত্র সাহস কে মাথায় রেখে এবং দেশের স্বাধীনতাকে মাথায় রেখে তারা যেভাবে রাইটার্স অ্যাটাক করেছিল এবং যেরকম সাহসীকতার পরিচয় দিয়েছিল তাঁদের সেই সেই বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়া গল্পটা জানা ভীষণ দরকার। ওডিও-ভিজুয়াল মাধ্যম তো আমাদের অনেক বেশি ট্রিগার করে, আমাদের রি-ভিজিট করতে সাহায্য করে তো আমার ধারণা এই ছবিটা যেভাবে তৈরি হয়েছে, তার গল্প যেভাবে এগিয়েছে এবং এন্টার ডিরেক্টোরিয়াল যে আউটলুকটা, মিউজিক, সবটা মিলিয়ে মানুষকে রিভিজিট করতে সাহায্য করবে। অকারণ চোখরাঙানির বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই করা যায় সেই ইন্সপিরেশনটা বোধহয় মানুষ এই ছবি থেকে আবার পাবেন।জনতার কথাঃ তুমি অনেকদিন ধরে থিয়েটার করছো বলে এই ছবিতে অভিনয় করাটা কিছুটা সহজ হয়েছে বলে মনে হয়?গুলশানারাঃ সহজ হয়েছে বলবো না। তবে থিয়েটার আমার চরিত্রের জটটা অনেকটা খুলতে সাহায্য করেছে। কারণ থিয়েটার একটা স্কুল, একটা বেস।সিনেমায় অভিনয় সম্পূর্ণ আলাদা। তবে থিয়েটার আমাকে অনেকটা সাহায্য করেছে চরিত্রের গভীরে ঢুকে, বুঝে তার যাপনটাকে আরও জীবন্ত করে তুলতে।জনতার কথাঃ আগামী দিনে আর কি কি প্রোজেক্টে আমরা তোমাকে দেখতে পাবো?গুলশানারাঃ ২০২২ এর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমার করা প্রথম ফিচার ফিল্ম অ্যাস অ্যা লিড আমি ও আমার মাধুরী সেটা দেখানো হবে বেঙ্গলি প্যানোরামার আন্ডারে। এটা মাধুরী দীক্ষিত কে ডেডিকেট করে একটি ছবি। শিলাদিত্য মৌলিকের পরিচালনায় লুকোচুরি, চিনেবাদাম আসছে। ন্যাশানাল ওটিটি তে একটি হিন্দি শর্ট ফিল্ম আসছে। ন্যাশনাল ওটিটি তে এটা আমার প্রথম হিন্দি কাজ। এছাড়া কিছু সিরিয়াল আসছে। যেটা নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারবো না। এছাড়া গোরা ও উত্তরণ আসছে হইচই তে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Indrani Halder : আর মেগা নয়, বড়পর্দায় ফিরছেন ইন্দ্রাণী হালদার

সদ্য শেষ হয়েছে স্টার জলসার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক শ্রীময়ী-র শুটিং। আগামীকাল এই ধারাবাহিকের শেষ এপিসোড টিভিতে দেখতে পাবেন দর্শকরা। ১০ জুন ২০১৯ থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। শ্রীময়ী শেষ হওয়ার পর ইন্দ্রাণী হালদারকে কি এবার নতুন ধারাবাহিকে দেখা যাবে? সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। কিন্তু যা খবর পাওয়া গেছে তাতে মৈনাক ভৌমিকের পরবর্তী ছবিতে মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে ইন্দ্রাণী হালদার কে।এসভিএফ-এর প্রযোজনায় এই ছবিতে ইন্দ্রাণী হালদার ছাড়াও অভিনয় করবেন মধুমিতা সরকার। আগামী বছরের শুরুর দিকে শুরু হবে এই ছবির শুটিং। এই ছবির জন্য পুরুষ চরিত্র নির্বাচন এখনও বাকি রয়েছে। ধারাবাহিক বোঝেনা সে বোঝেনা ধারাবাহিকের পাখির চরিত্রে অভিনয় করে সকলের নজর কেড়েছিলেন অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। এরপর বেশ কয়েকটি মেগায় দেখা গেছে তাকে। যদিও বর্তমানে তিনি শুধু বড়পর্দায় অভিনয়ই করছেন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Katrina Kaif : শ্বশুরবাড়ির সবাইকে খুশি করতে পাঞ্জাবি শিখেছেন ক্যাটরিনা, জানালেন ননদ

বিয়ে হয়ে গেলেও রেশটা যেন কিছুতেই কাটছে না। এখনও ক্যাটরিনার বিয়ে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কম আলোচনা হচ্ছে না। নিয়মিত প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক খবর। এবার প্রকাশ্যে এল তাঁর বিয়ে সংক্রান্ত আরও একটি খবর। আর এই খবরটা প্রকাশ্যে এনেছেন ভিকির তুতো বোন উপাসনা ও তার স্বামী অরুণেন্দ্র কুমার।ইনস্টাগ্রামে ভিক্যাটের ভক্তদের বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব দেন তাঁরা। সেখানে একজন জানতে চায়, ক্যাটরিনার পরিবারের মানুষজনের কেমন? জবাবে উপাসনা বলেন, অসাধারণ, সবাই খুব ভালো। অপর একজন প্রশ্ন রাখেন, ক্যাটরিনা কি বিয়েতে পঞ্জাবি বলেছেন? হাসিমুখে নায়িকার ননদের জবাব, বিশ্বাস করবেন না গোটা বিয়ের আসরে ক্যাটরিনা শুধু পঞ্জাবিতেই কথা বলেছে। বৌদি কে নিয়ে উপাসনা জানিয়েছেন,বৌদি খুব মিষ্টি, আমাদের পরিবারের সকলকে নাম নিয়ে ডাকছিল। তিনদিন ধরে একছাদের তলায় একটা বড় পরিবার হয়ে ছিলাম আমরা।বৌদি কে নিয়ে উপাসনা জানিয়েছেন,বৌদি খুব মিষ্টি, আমাদের পরিবারের সকলকে নাম নিয়ে ডাকছিল। তিনদিন ধরে একছাদের তলায় একটা বড় পরিবার হয়ে ছিলাম আমরা।আসলে জন্মসূত্রে ব্রিটিশ ক্যাটরিনাকে হিন্দি রপ্ত করতে অনেক সময় লেগেছে। সেই ক্যাটরিনাই শ্বশুরবাড়ির লোকেদের সঙ্গে আলাপ জমাতে বাড়িতে শিক্ষক রেখে পাঞ্জাবী ভাষা রপ্ত করেছেন। আর বিয়ের অনুষ্ঠানে শুধু পাঞ্জাবিতেই কথা বলেছেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anxious Sreelekha: পিতৃ বিরহে ব্যকুল শ্রীলেখা

পিতা স্বর্গ পিতা ধর্ম: পিত্য হি পরমং তপ: পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।স্লোকটির সরলার্থ: পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতা-ই শ্রেষ্ট তপস্যা। পিতা সন্তুষ্ট হলে দেবতারাও সন্তুষ্ট হন। মাত্র কয়েকমাস আগেই শ্রীলেখার বাবা গত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর অস্ত্বিত্ব কিছুতেই তিনি ভুলতে পারছেন না। তাঁর সামাজীক মাধ্যমে পোস্ট-এ বাবার প্রতি যে আকুতি ফুটে উঠছে তা থেকে মনে হচ্ছে তিনি ভুলতেও চাইছেন না। কেন-ই বা চাইবেন / পারবেন? তাঁর জীবনের অনেকটা জুড়েই আছেন তাঁর বাবা। তিনি বাবাকে আজও সকালবেলা চা খেতে দেন, তাঁর বিশ্বাস তিনি অর্থাৎ শ্রীর বাবা তাঁর এই নিবেদন গ্রহণ করবেন। যেন হটাৎ কবিরের মত জলদগম্ভীর গলায় গেয়ে উঠবেন এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চায়। তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য থেকে বোঝা যায় তাঁর এই ধৃঢ়চেতা মানসিকতা-র অনেকটাই তিনি তাঁর বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মেয়ের জন্মদিনে স্মৃতিতে ভাসলেন শ্রীলেখাতিনি সামাজিক মাধ্যমে বাবার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন ঠাকুরের সিংহাসনের ওপরে টাঙ্গিয়েছি, এটা পড়ে হয়ত নেটিজেনরা বলতেই পারেন ভগবানের ওপরে? হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগকে আঘাত করতেই তিনি একথা লিখেছেন। হ্যাঁ তিনি শ্রীলেখা! বাঁধাগতের জীবনের ধরাছোঁয়ার বাইরে গিয়ে যিনি টালিগঞ্জের কোনো এক ভাগ্যনিয়ন্তা অভিনেতার বিরুদ্ধে বলতে পারেন ... প্রেমপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তিনি বাংলা ছবিতে নায়িকা চরিত্রে বঞ্চিত হন। সোজা কথাটা সোজা ভাবে অকপটে বলতে পারেন বলেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে এত জনপ্রিয়।শ্রীলেখা কয়েকদিন আগেই সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন, তিনি কোনও ভাবে শুনেছেন বা জেনেছেন যে তাঁকে নিয়ে মেকআপ-রুমে চর্চা হচ্ছিলো তিনি কেনও তাঁর সব বিষয় সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন আর মিডিয়াই বা কেনও সেই জিনিস নিয়ে খবর করেন? তিনি সামাজিক মাধ্যমে অনুরোধ করেছেন মিডিয়ার লোকজন যেনও বাকিদের নিয়েও লেখেন। তাঁর সরল যুক্তি আমি কি করছি কি লিখছি এত দেখার কি আছে বুঝিনা বাপু, আমি রিল থেকে রিয়েল মানুষের সাথে কানেক্ট করি, ... বুঝে নিন, বাকিটা ব্যাক্তিগত। আসলে আম জনতার কৌতুহল এখন শুধুমাত্র কোনও এক অভিনেতা বা অভিনেত্রী-র অভিনয়-এই সীমাবদ্ধ নেই এই মিডিয়ার যুগে। তাঁরা ভয়ঙ্কর উৎসুক তাঁদের স্বমন্ধে আরও অনেক কিছু জানতে। তাঁরা কি খায়, কি পড়ে, কি প্রসাধন ব্যবহার করে আরও আরও অনেক কিছু... শ্রীলেখার ভাষায় বাকিটা ব্যাক্তিগত। সাধারণ মানুষের তাদের-ই কানেক্ট করতে পারে, যারা তাঁদের কানেক্ট করে। শ্রী সেটা পাড়েন।আরও পড়ুনঃ জনতার কথার মুখোমুখি অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠাশ্রীলেখা তাঁর প্রথম জীবনে তাজ হোটেলে যখন কর্মরত, চিত্র-পরিচালক দুলাল লাহিড়ী তখন বাংলা ধারাবাহিক বালিকার প্রেম এ একটি চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন তাকে। আরও অনেক বাংলা সিরিয়ালে অভিনয় করার পর, ১৯৯৮ এ বাসু চ্যাটার্জীর হঠাৎ বৃষ্টি তে তিনি অভিনয়ের সুযোগ পান। এই ছবির সাফল্য তাঁকে বাংলা ছবির দর্শকের হেঁসেলে পৌছে দেয়। আর ২০০৩-এ আমীরের সাথে ঠান্ডা পানীয়-র বিজ্ঞাপন এ মেরে প্যারি বিন্দু... তাঁকে জাতীয় পরিচিত দিয়ে দেয়। চিত্র জগতের অনেকের-ই মত তাঁর সরল সোজাসাপটা আকপট আপসহীন আচরণ হয়ত তাঁকে যোগ্যতা অনুযায়ী টলিউড সেই ভাবে মূল্যায়ন করেনি। তিনি কোনও অন্যায়ের-ই সাথেই কোনও ভাবে আপস করেন নি। তাঁর অপসহীন লড়াই আজও চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০২১ বিধানসভা বিধানসভা ভোটের আগে ভরাকোটালের মত টলিউডি অভিনেত্রী/অভিনেতারা যখন ফুলবদল করে ফেললেন, তখনও শ্রীলেখা তাঁর আইডিওলোজি বদলাননি। তাঁর সপাট যুক্তি ছিলো মূল্যবোধ কেনা যায় না।আরও পড়ুনঃ ডেটিং শো তে বর্তমান প্রজন্মের কথা বলবে উরিবাবাসত্যিই তাই, সেই মূল্যবোধ কে আঁকড়ে ধরেই তিনি দেবতার উর্ধাসনে পিতা কে বসাতে পাড়েন। কোভিড আক্রান্তদের জন্য অক্সিজেন জোগাড় করতে পারেন, রাস্তার সারমেয় দের পুত্র স্নেহ দিতে পারেন, এর জন্য তাঁকে কোনও এনজিও সাহায্য নিতে হয় না। সেই সারমেয়দের জন্য তাঁকে আবাসনে অপমানিত লাঞ্ছিত অবধি হতে হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার না করলে কি সাধারণ মানুষ এসব জানতে পাড়তেন? না, শ্রী-র তথাকথিত শুভাকাঙ্খি সহকর্মী রা পিএনপিসি (পর নিন্দা পর চর্চা) করার সুযোগ পেতেন? শ্রীলেখা আপনি গলা খুলে গাইতেই পাড়েন আমাকে আমার মত থাকতে দাও...... বা আমার যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভেজাবো না......আরও পড়ুনঃ আমি তখন অষ্টাদশীর ছোঁওয়ায়, টিউশন শেষ করে বাড়ি ঢুকছেন শ্রীলেখা!

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bachelor Party : ব্যাচেলর পার্টিতে মাতলেন অলকানন্দা

সামনেই বিয়ে, ব্যাচেলর পার্টিতে মাতলেন অভিনেত্রী অলকানন্দা।সামনেই চার হাত এক হচ্ছে অভিনেত্রী অলকানন্দা গুহ ও পরিচালক মনোজিত মজুমদারের। ইরাবতীর চুপকথা-র পরিচালকের সঙ্গে চার হাত এক হওয়ার আগে ব্যাচেলার পার্টিতে মাতলেন অ্যায় তবে সহচরীর ঝুমকি ও দেবী ধারাবাহিকের শ্রুতি। সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাচেলর পার্টির ছবি পোস্ট করে অলকানন্দা লেখেন ব্যাচেলর পার্টি ১। অর্থাৎ এখনও ব্যাচেলর পার্টি শেষ হয়ে যায়নি। এছাড়া ব্যাচেলর পার্টিতে পুল থেকে একটি রিলস ও পোস্ট করেন এই টলি অভিনেত্রী। অলকানন্দার এই ব্যাচেলর পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন সউমি ঘোষ, দেবাদ্রিতা বসু, অলকানন্দার বোন অনন্যা গুহ, ঐন্দ্রিলা বোস এবং লহরী সেনগুপ্ত। এই ব্যাচেলর পার্টির ছবি অলকানন্দার বন্ধুরাও তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।আলো ছায়া ধারাবাহিকের ছায়া অর্থাৎ অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা বোস সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাচেলর পার্টি উদযাপনের ছবি পোস্ট করে লেখেন, এমন কোনও বন্ধু কোরোনা যারা তোমার সঙ্গে কমফোর্টেবল ফিল করে বরং তাদের সঙ্গেই বন্ধুত্ব করুন যারা তোমাকে ভালো কিছু করার জন্য উত্তেজিত করবে। অভিনেত্রী সউমি ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করে লেখেন, ইটস ব্যাচেলরেট। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিড়িতে বসার কথা অলকানন্দার। ইতিমধ্যেই মনোজিতের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ছবি পোস্ট করেছেন এই টলি অভিনেত্রী। জানা গেছে তাদের এনগেজমেন্ট অনুষ্ঠান হবে কলকাতায়, এরপর বিয়ের মূল অনুষ্ঠান হবে কল্যাণীতে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shresttha : 'জনতার কথার' মুখোমুখি অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠা

আকাশ আট-এ শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক মেয়েদের ব্রতকথা। এই ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্র মায়া-র চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠা প্রামাণিক। ধারাবাহিক নিয়ে জানালেন অনেক কথা। জনতার কথাঃ মায়া চরিত্র করে তোমার কেমন লাগছে?শ্রেষ্ঠাঃ খুবই ভালো লাগছে। মায়া চরিত্রটা খুবই স্নিগ্ধ, সরল একটা মেয়ে। মায়ার অলরেডি তিনবার মিসক্যারেজ হয়ে গেছে। এটা ফোরথ টাইম ছিল। খুবই ভালো একটা ক্যারেক্টার। আমি খুবই ভালোবেসে ফেলেছি ক্যারেক্টারটাকে।মেয়েদের ব্রতকথাজনতার কথাঃ মায়া ও বিমলার মধ্যে কতটা ভালো বন্ডিং?শ্রেষ্ঠাঃ অনস্ক্রিন মায়া বিমলা কে খুবই ভালোবাসে। বিমলা মায়া কে খুবই ভালোবাসে। অনস্ক্রিন মায়া বিমলা কে খুব ভালো বাসলেও বিমলা যেহেতু নেহেটিভ ক্যারেক্টার ওকে সেই পার্টতা তো করতেই হয়। আমি আর ঐশ্বর্য ওখানে বেস্ট ফ্রেন্ড হয়ে গেছি। খুব ভালো লাগে একসাথে থাকতে। একসাথে গল্প করতে। আমাদের মধ্যে আন্ডারস্ট্যান্ডিং খুব ভালো। আমাদের থিঙ্কিং অনেকটা ম্যাচ করে যার জন্যা আমাদের মধ্যে এত তাড়াতাড়ি ফ্রেন্ডশিপ হয়ে গেছে। জনতার কথাঃমেয়েদের ব্রতকথার বাকি টিম কেমন?শ্রেষ্ঠাঃ গোটা ইউনিট খুবই ভালো। এটা আমার ফার্স্ট প্রজেক্ট। ফার্স্ট মেগা এস অ্যা লিড। আমি অনেক জায়গায় শুনেছি জে অনেক টিমে অনেককিছু হত বাঁ হয়। আমাদের টিমটা এরকমই। আমরা খুব মজা করে কাজ করি।জনতার কথাঃ সামনে বড়দিন আসছে। প্ল্যান রয়েছে? শ্রেষ্ঠাঃকোনও প্ল্যান নেই। মেয়েদের ব্রতকথা-র শুটিং থাকলে সেটেই সমস্ত প্ল্যান হবে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Dil Se : দিলসের সঙ্গে জুন মালিয়া

দিলসে এবং এক প্যাকেট উমিদ এর সহযোগিতায় একজন তরুণ ভারতীয়র উদ্যোগে তাদের পণ্যের প্রচার যাতে ভালোভাবে হয় সেই দিকটা মাথায় রেখে এনজিওগুলির জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। যে প্ল্যাটফর্ম সকলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।খোয়াবনকেপারিন্দে একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম যা কিছু এনজিও ও কারিগরদের সম্মিলিত কাজ নিয়ে আসে। তাদের স্টেকহোল্ডারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেয়। এই দিলসে ও খোয়াবনকেপারিন্দের যৌথ উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পিছিয়ে পরা ছেলে-মেয়েদের পাশে দাঁড়ালো। এই উপলখ্যে তারা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এখানে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জুন মালিয়া।এই উদ্যোগে সামিল হতে পেরে তিনি খুশি। জুন মালিয়া এদিন দিল সে-র বিভিন্ন আইটেম ঘুরে দেখেন এবং জানান সবকিছুর মধ্যেই একটা বিশেষত্ব রয়েছে। বর্তমান সময়ে এরকম উদ্যোগ সত্যিই খুব ভালো বলে জানান জুন মালিয়া। তাদের আগামী কাজগুলোর জন্য অনেক শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন এই টলি অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

AIshwarya : 'মেয়েদের ব্রতকথা' নিয়ে অভিনেত্রী ঐশ্বর্য মণ্ডল

সোম থেকে শনি বিকাল ৬.৩০ এ আকাশ আট-এ দেখা যাচ্ছে নতুন ধারাবাহিক মেয়েদের ব্রতকথা। এই ধারাবাহিকে বিমলার চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী ঐশ্বর্য মণ্ডল। মেয়েদের ব্রতকথা নিয়েই জনতার কথা-র মুখোমুখি ঐশ্বর্য। জনতার কথাঃ এখনও পর্যন্ত মেয়েদের ব্রতকথা যতটুকু হয়েছে তার এক্সপিরিয়েন্স কেমন?ঐশ্বর্যঃ খুব ভালো। ফ্লোরে বলো, মেকআপ রুমে বলো একটা পুরো ফ্যামিলি হয়ে গেছে। মানে আমি যে দুমাস কাজ করেছি হনেস্টলি, আমার মনেই হয় না যে আমি দুমাস কাজ করেছি। আমাদের যিনি ডিরেক্টর আছেন সুমন দা যখন ব্রেক দিচ্ছেন উনি কিন্তু আমাদের সঙ্গে এসেই আড্ডা মারছেন। বা মজা করছেন একসঙ্গে। অ্যাই সিন পড়ছিস না কেন? সিন পর। একটু ক্যারেক্টার বিল্ড আপ করা। আমার যে বর করছে প্রীতম ভীষণ ভালো। খুব কো-অপারেটিভ। সিনিয়র আর্টিস্ট রা রয়েছেন। তারাও কোনোদিন ফিল করতে দেননি যে তারা সিনিয়র। জনতার কথাঃ সব শুটিং-এই খাওয়াটা খুব ইম্পরট্যান্ট। তোমরা কি সবাই খাবার নিয়ে যাও না অনলাইনে অর্ডার দেওয়া হয়?ঐশ্বর্যঃ ব্যাপারটা হচ্ছে আমার মায়ের হাতের খাবার অনেকেরই ভালো লাগে। তাই অর্ডারটা আমার বাড়ি থেকে আসে। আন্টিকে বলিস না এটা একটু করতে। এরকম। বাকি সবাই বানিয়ে আনে। আমাদের চৈতালি দি আছেন সিনিয়র আর্টিস্ট। নমিতা দি আছেন সিনিয়র আর্টিস্ট বিরিয়ানি বানিয়ে এনেছেন, চিকেন তন্দুরী বানিয়ে এনেছেন। আমি চিলি চিকেন-ফ্রায়েড রাইস বানিয়ে নিয়ে গেছি। কি বলবো এটা কোনও প্ল্যানিং ছিল না। এরকম ভাবেই আমাদের চলে। জনতার কথাঃ বিমলা ও মায়ার কেমিস্ট্রি কেমন?ঐশ্বর্যঃ খুব ভালো। আমরা দুটো বোন। যেটা আমরা দেখাই অনস্ক্রিন যে আমি মায়াকে টলারেট করতে পারছি না কিন্তু সামনে ভীষণ ভালো। অ্যাকশন মানে আমরা চরিত্রতে। আর কাট বলা মানে বিমলা আর মায়া একসাথে। দুজনের একসঙ্গে শুটিং থাকলে একসাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। হাতে হাত ধরে, নয়তো সিন নিয়ে রিহার্সাল করছে। কিছু না কিছু একসঙ্গে করছে। আর আমার বর ও মায়ার বর চারজন-পাঁচজন একসঙ্গে থাকছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Swastika Dutta : মেলাতে খোশমেজাজে অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত

শীতকাল এলেই কলকাতায় অনেক মেলা বসে। আর সেইসব মেলা দেখতে ভিড় জমান সাধারণ মানুষ। তবেও মাঝেমধ্যে সেখানে সেলিব্রিটিদেরও দেখা মেলে। দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা কাটিয়ে একটু রিফ্রেশমেন্ট খুঁজে পান মেলাতে।সেরকমই কলকাতার একটি জনপ্রিয় মেলা ইকো পার্কের হস্তশিল্প মেলায় দেখা গেল টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্তকে। মেলায় বেড়ানোর রিলস সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন তিনি।স্বস্তিকার গায়ে ছিল কালো পুলওভার। মেকআপ ছাড়াই রিলস ছেড়ে ক্যাপশনে লেখেন হাসি খুশি। রিলসে দেখা যাচ্ছে কখনও তিনি হাওয়াই মিঠাই খাচ্ছেন, কখনো ঘুরে ঘুরে মেলা দেখছেন, আবার কখনো কচিকাঁচাদের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত। মেলাতে খোশমেজাজে বেশ কিছুটা সময় কাটালেন এই টলি অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

অনুদান নিলেই মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বীরভূমে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন দিলীপ

দুর্গাপুজোর আগে বীরভূমে সরকারি অনুদান এবং পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাঁইথিয়ায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। ছবি না লাগালে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন বলে অভিযোগ।মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। পুজোর মুখে সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর বিষয়টি কীভাবে যুক্ত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের তরফেও এই মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়।বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও নির্দেশ বর্তমান সরকার দেয়নি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে এমন শর্ত দেওয়া হত। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে অনুদান পাওয়া যেত না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বর্তমান সরকার এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেয়নি। তাঁর কথায়, পুজো কমিটিগুলি যেন ভালোভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোকে বাধ্যতামূলক করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।দিলীপ ঘোষের সুরেই বক্তব্য রাখেন বিজেপির আর এক শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি অনুদান পাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের কোনও শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি জানান।প্রসঙ্গত, আগের সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি প্রচারের ছবি দেখা যেত। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিরাপদে গাড়ি চালানোর প্রচার-সহ নানা সরকারি বার্তা পুজোর মণ্ডপে তুলে ধরা হত। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে বীরভূমের বিজেপি নেতার মন্তব্য এবং দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এক দিকে জেলা স্তরের নেতার তরফে ছবি লাগানোর কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এমন কোনও সরকারি নির্দেশ নেই।ফলে সরকারি অনুদান নিলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আপাতত জিইয়ে রইল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal