• ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Yash

বিনোদুনিয়া

Nusrat : নুসরত হাসপাতালে ভর্তি, তাহলে বৃহস্পতিবারই কি মা হচ্ছেন?

টলিউডে একটা বড় খবর রটেছিল। অনেক আলোচনাও হয়েছিল। আগস্টের শেষের দিকেই নাকি সন্তান জন্ম দেবেন অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরত জাহান। সেই মতোই নাকি শহরের এক নামী বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য দিনক্ষণ ঠিক করে ফেলেছিলেন। শোনা যাচ্ছে সেই মতোই বুধবার সকালেই নাকি হাসপাতালে ভরতি হয়ে গিয়েছেন নুসরত। যশই নাকি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভরতি করিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ প্রযোজক হিসাবে দ্বিতীয় ছবি এনারআগে থেকেই নাকি চিকিত্সকের সঙ্গে কথা বলে সন্তান জন্মানোর বিশেষ তারিখ নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন নুসরত। এমনকী, চিকিত্সককে নাকি জানিয়ে ছিলেন, মা হওয়ার সময় তাঁর পাশে যেন থাকেন যশ দাশগুপ্ত। তবে যশকে নিয়ে নুসরতের সেই অনুরোধ চিকিত্সকরা রেখেছেন কিনা তা জানা যায়নি। শোনা গিয়েছে বৃহস্পতিবারই সন্তানের জন্ম দিতে পারেন নুসরত।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত রক তারকা চার্লি ওয়াটসঅন্যদিকে, মঙ্গলবার বিকেল নাগাদ যশ ও নুসরত তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইলে বেশ কিছু ছবি আপলোড করেছেন। ছবিতে দেখা গিয়েছিল একটি রেস্তরাঁয় একান্ত সময় কাটাচ্ছিলেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, ছবিতে দেখা গিয়েছিল একই রকম ডিজাইনের টিশার্টও পড়েছিলেন যশরত। এখন যতক্ষণ না সন্তানের জন্ম হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ena Saha : প্রযোজক হিসাবে দ্বিতীয় ছবি এনার

প্রযোজক হিসাবে তার ডেবিউ হয়ে গেছে। এসওএস কলকাতা-র মাধ্যমে টলিউডে কনিষ্ঠ প্রযোজক হিসাবে ডেবিউ হয়েছিল অভিনেত্রী এনা সাহার। এনার প্রোডাকশন হাউস জ্যারেক এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে মুক্তি পেয়েছিল তার এই ছবি। এবার দ্বিতীয় ছবি প্রযোজনার কাজে হাত দিলেন এনা।আরও পড়ুনঃ ভ্যাপসা গরম থেকে মুক্তি দিতে আসছে ঝাপিয়ে বৃষ্টিজ্যারেক এন্টারটেনমেন্ট থেকে এনার প্রযোজনায় এবার দ্বিতীয় ছবি আসতে চলেছে চিনে বাদাম। যে ছবির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে সোয়েটার, রেডিও খ্যাত পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিক। এই ছবিতে নায়িকার রোল প্লে করছেন এনা। আর নায়ক যশ দাশগুপ্ত। এই ছবির মাধ্যমে যশ-এনা জুটি দেখতে চলেছে টলিউড।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানএই সিনেমাটি একটি রোম্যান্টিক কমেডি ধাঁচের। এসওএস কলকাতা-রপর এটাই যশের নতুন ছবি। যশ এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেনএসওএস কলকাতা-র পর তিনি এনার সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে আছেন। এই ছবির শুভ মহরৎ হবে আগামীকাল। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছর ডিসেম্বর বা আগামী বছরের শুরুতে মুক্তি পাবে এই ছবিটি।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Kanyashree: মমতার 'কন্যাশ্রী' টুইট

কন্যাশ্রী দিবস-এ বাংলার মেয়েদের সাফল্যের প্রশংসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মেয়েদের এই স্বপ্নপূরণে কন্যাশ্রী প্রকল্পের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। শনিবার সকালে টুইট করে মমতা বলেন, কন্যাশ্রী দিবসে বাংলার প্রতিটি মেয়ের সাফল্য উদযাপন করছি। তাদের কৃতিত্ব, উৎসাহ ও নিষ্ঠার জন্য আমি গর্বিত।On #KanyashreeDibas, I celebrate the success stories of all our girls in #Bengal. I am proud of their achievements, passion dedication.Kanyashree Prakalpa helped lakhs of young girls pursue their dreams. As a nation, we must always work towards empowering our women girls. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) August 14, 2021 টুইটে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, কন্যাশ্রী প্রকল্প রাজ্যের লাখ লাখ কিশোরীর স্বপ্নপূরণে সাহায্য করেছে। মেয়েদের ক্ষমতায়ণের জন্য সব সময় আমাদের কাজ করে যাওয়া উচিত। কন্যাশ্রী প্রকল্পের আওতায় মেয়েদের লেখাপড়া বাবদ ভাতা দেওয়া হয় রাজ্য সরকারের তরফে। এই প্রকল্পের কথা বার বার তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের সাফল্যের তালিকায় এই প্রকল্প সবার আগে জায়গা পেয়েছে। এমনকী, আন্তর্জাতিক স্তরেও কন্যাশ্রী প্রকল্প স্বীকৃতি পেয়েছে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Nusrat Jahan : দেখুন নুসরতের জীবনের প্রকৃত ভালোবাসা কে

নুসরত জাহান। টলিউডের অভিনেত্রী সাংসদকে নিয়ে এখন যাবতীয় বিতর্ক। নিখিল জৈনের সঙ্গে সম্পর্ককে সহবাসের নাম দিয়েছেন, নিজের হবু সন্তানের পিতার নামও জানাননি সিঙ্গল নুসরত জাহান। তিনি দিব্বি ভালো সময় কাটাচ্ছেন যশ ও তাঁর পোষ্য হ্যাপির সঙ্গে।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালজীবনটা নিজের শর্তে বাঁচেন নুসরত। নিয়মের বেড়াজাল ভেঙে স্রোতের বিপরীতে হেঁটে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে অভ্যস্ত তিনি। নুসরতের এই শর্তহীন জীবনের আঁচ মেলে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে। মঙ্গবার রাতে ফের জীবনমুখী বার্তা অন্তঃসত্ত্বা অভিনেত্রীর। এদিন হবু মা একটি উদ্ধৃতি শেয়ার করে নেন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে।আরও পড়ুনঃ সাহসী পোশাকে আলুপোস্ত রেঁধে ভাইরাল রিম্পিকী লেখা সেখানে? যারা আমাদের সত্যি ভালবাসে, তারা আমাদের জীবনের আনন্দ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল এবং চিন্তিত। যারা স্বার্থপর, তারা আমাদেরকে শুধু আশেপাশে চায় নিজেদের ভাল রাখার জন্য। হালকা নীল ব্যাকগ্রাউন্ডে কালো হরফে লেখা এটা। এই কথাটা কার উদ্দেশ্যে ভাগ করে নিলেন নুসরত। সেটা কিন্তু পরিস্কার নয়। তাহলে কি যশকে নিজের কাছের মানুষ বলছেন নুসরত। আর স্বার্থপর বলছেন নিখিলকে।

আগস্ট ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Yash-Madhumita আবার যশ-মধুমিতা একসঙ্গে

রাজনীতির ময়দানে আসার পর তাকে আর অভিনয়ে দেখা যায়নি। সেই যশ দাশগুপ্ত আবার অভিনয়ে ফিরছেন। তবে তার অভিনয় ফেরার থেকে বড় খবরটা যশের সঙ্গে অভিনয়ে দেখা যাবে মধুমিতা কে। ২০১৩-র ব্লকবাস্টার ধারাবাহিক বোঝে না সে বোঝে না-তে এই প্রযোজনা সংস্থাই প্রথম যশ-মধুমিতাকে জুটি হিসেবে এনেছিল। ২০১৩-র ব্লকবাস্টার ধারাবাহিক বোঝে না সে বোঝে না-তে এই প্রযোজনা সংস্থাই প্রথম যশ-মধুমিতাকে জুটি হিসেবে এনেছিল। দুজনের অনুরাগীরা ভালোবেসে যশমিতা নামও দিয়েছিলেন। আনন্দবাজার অনলাইন যোগাযোগ করলে যশ জানান, খবর সত্যি। আরও খবর, শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের আগামী প্রযোজনায় দেখা যাবে ছোট পর্দার অরণ্য সিংহ রায়-পাখি ঘোষ দস্তিদার-কে।যদিও কোন পর্দায়, কার পরিচালনায় ফিরছেন জুটি, সে খবর এখনই ফাঁস করতে রাজি নন যশ। অভিনেতা জানিয়েছেন, কথাবার্তা চলছে। খুব শিগগিরিই সামনে আসবে সব কিছু। তবে পাপারাত্জিদের ক্যামেরা এড়াতে পারেননি জনপ্রিয় জুটি। সেই ছবি ভাইরাল মধুমিতার ফ্যানপেজে। ছবি বলছে, এসভিএফের অফিসে দেখা গিয়েছে দুই তারকাকে। দুজনেরই পরনে ছেঁড়া ডেনিম। মধুমিতা অনায়াস স্লিভলেস ছোট টপে। যশ পরেছেন গোল গলার টি-শার্ট। যদিও টলিপাড়ায় খবর, বাবা যাদবের পরিচালনায় এ বার দেখা যাবে যশ-মধুমিতাকে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

আগস্ট ০১, ২০২১
রাজ্য

Relief Work: মৌসুনি দ্বীপের যশ বিপর্যস্ত মানুষদের পাশে ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাব

যশ বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে অসহায় মানুষগুলোর সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন রাজনীতিবিদ থেকে সমাজের সব স্তরের মানুষরা। ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবন এলাকার মৌসুনি দ্বীপের বালিয়ারার একটি আদিবাসী অধ্যুষিত দ্বীপের মানুষদের অবস্থাও তথৈবচ বলে জানতে পেরেছিল বর্ধমানের ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা। দ্বিতীয়বার ভাবার অপেক্ষায় না থেকে প্রত্যন্ত দ্বীপে গিয়ে বিধ্বস্ত মানুষগুলোর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ক্লাবের সদস্যরা। বুধবার দিনটিকেই এই মহৎকাজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। প্রয়োজনীর সামগ্রী জোগার করে কয়েকজন সদস্য মিলে পাড়ি দিয়েছিলেন দ্বীপে। সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত সারাদিনের কর্মকাণ্ডে নিজেদের সাধ্যমতো পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। ক্লাবের সদস্য সুবির বল জানিয়েছেন, সকালে বালিয়ারা পৌঁছে সেখানকার প্রায় ৩০০ বাচ্চাকে এক পোয়া করে দুধ ও ২ প্যাকেট করে বিস্কুট খাইয়েছেন। এছাড়াও দুপুরে ছিল দ্বীপের প্রায় ১০০০ জনের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা। ক্লাবের সদস্যরা সেখানেই রান্না করে বাসিন্দাদের নিজেরাই পাত পেড়ে খাওয়ান। মেনুতে ছিল, ভাত, ডাল, সোয়াবিন-আলুর তরকারি ও ডিমের কারি।বাসিন্দাদের জন্য কিছু শুকনো খাবারও দিয়ে আসা হয়েছে ক্লাবের তরফে। এর মধ্যে রয়েছে চিঁড়ে, মুড়ি, চাল, আলু। এছাড়াও মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন, মোমবাতি ও দেশলাই দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ভেঙে গিয়েছে ঘরবাড়ি। কিন্তু ভাঙেনি মনের জোর। বার বার বিপর্যয়ে মুখোমুখি হয়ে দ্বীপের মানুষগুলো বিপর্যয়কেই সঙ্গী বানিয়ে ফেলেছেন অমায়িক মানুষগুলো। সাহায্য আসছে জানতে পেরে তাই বিপদের মাঝেই পাতিবুনিয়া থেকে মৌসুনি দ্বীপে নৌকো করে নদী পাড় করিয়ে নিয়ে গিয়েছে ক্লাবের সদস্যদের। আবার দিনশেষে সেভাবেই পাড়ে পৌঁছে দিয়ে গিয়েছেন।দ্বীপের বাসিন্দাদের এমন অমায়িক ব্যবহারে অভিভূত ক্লাবের সদস্যরা।জীব সেবাই শিব সেবা। এই নীতিতেই ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা মানুষের পাশে থাকার কাজ করে চলেছেন। তার বদলে, এই সব অসহায় মানুষদের মুখের হাসি ও আশীর্বাদটুকুই তাঁদের বড় পাওনা। এর আগে কোভিড রোগীদের জন্য অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে বহু মানুষকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। এবার দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে তৃপ্তির হাসি হাসছেন ক্লাবের প্রত্যেক সদস্যরা।

জুন ১১, ২০২১
রাজ্য

Cyclone Yash: রাজ্যের ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা, রিপোর্ট নবান্নর

রাজ্যে ঘূর্ণিঝড় যশের (Cyclone Yash) জেরে ক্ষয়ক্ষতি সরজমিনে খতিয়ে দেখে দেখার পর বুধবার নবান্নে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। কোথায় কত ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে এদিন বিস্তারিত আলোচনা হয় রাজ্য সরকারের সঙ্গে। রাজ্যের তরফে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে, প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। নবান্নে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর এবং অর্থ দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে এদিন বিকেলে বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল। তবে রাজ্য সরকার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত রিপোর্ট দেয়নি। খতিয়ে দেখছে কোথায় কোন ক্ষেত্রে কত ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে পাঠানো হবে বলে খবর। কারণ, এখনও বহু এলাকা জলের তলায়। সেখানে ক্ষতির পরিমাপ করা সম্ভব হয়নি। তার উপর ১১ ও ২৬ তারিখ ফের কটালের জল ঢুকতে পারে। ঘণীভূত হয়েছে নিম্নচাপও। তাই এসব পার হলে বোঝা যাবে আসলে কত ক্ষতি হয়েছে। সেসব খতিয়ে দেখেই কেন্দ্রকে চূড়ান্ত রিপোর্ট দেবে নবান্ন। তবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যদের কাছে প্রতি ক্ষেত্র ধরে ধরে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক পরিসংখ্যান জানিয়েছেন রাজ্যের আধিকারিকরা। রাজ্যরে চূড়ান্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা তা খতিয়ে দেখে তবেই কেন্দ্রের কাছে জমা করবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই কেন্দ্র ঠিক করবে রাজ্যকে কতটাকা দেওয়া হবে।উল্লেখ্য, গত রবিবার রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব এসকে সাহির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি। এই দলে ছিলেন কেন্দ্রের কৃষি ও কৃষক উন্নয়নের ডিরেক্টর, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে মন্ত্রকের অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক, বিদ্যুৎ মন্ত্রক, মৎস্য মন্ত্রকের কর্তারা। দুটি দলে ভাগ হয়ে সোমবার তাঁরা পাথরপ্রতিমা ও গোসাবা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে যান। সেখানে দিঘা ও মন্দারমণির অবস্থা দেখেন। মঙ্গলবার দিঘা ও গদখালিতে সাইক্লোন বিধ্বস্ত এলাকায় যান। এদিন দিল্লি ফিরে যাওয়ার আগে নবান্নে রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন।

জুন ১০, ২০২১
রাজ্য

যশ-বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় দল

বাংলা ও ওডিশায় অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যশ বিধ্বস্ত এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। এরপর ক্ষয়ক্ষতি রাজ্যে পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় দল। রবিবারই তাঁরা এ রাজ্যে এসে পৌঁছেছেন। যশ-এ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। নবান্ন সূত্রে খবর, মঙ্গলবারও তাঁরা এই দুই জেলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। এরপর বুধবার নবান্নে সাত সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাজ্যের উচ্চপদস্থ কর্তাদের বৈঠক হওয়ার কথা। সূত্রের খবর, যশ-এ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখে এই প্রতিনিধি দলটি রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর দিল্লি গিয়ে রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে রিপোর্ট দেবে এই কেন্দ্রীয় দল। রাজ্যে কত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং সেই বাবদ কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে কত টাকা সাহায্য করবে, তার অনেকটাই এই রিপোর্টের উপর নির্ভরশীল বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।যশ-এ সর্বহারা পরিবারগুলিকে সাহায্য করতে রাজ্য সরকারের প্রকল্প দুয়ারে ত্রাণ শুরু হয়েছে। এই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদনপত্র নেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে। সেই কাজ কীভাবে, কতটা ভাল কাজ করছে, তা বুঝতে আজ নবান্নে প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন সূত্রে খবর, বৈঠকে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে জেলাগুলির পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করা হবে।রবিবার সন্ধেবেলা রাজ্যে এসে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব এস কে সাহির নেতৃত্ব প্রতিনিধি দলটি। এই দলে রয়েছেন কেন্দ্রের কৃষি ও কৃষক উন্নয়নের ডিরেক্টর, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে মন্ত্রকের অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক, বিদ্যুৎ মন্ত্রক, মৎস্য মন্ত্রকের কর্তারা। দুটি দলে ভাগ হয়ে তাঁরা যাবেন ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত এলাকায়। জানা গিয়েছে, সোমবার একটি দল পাথরপ্রতিমা ও গোসাবা এলাকা ঘুরে দেখবেন। দ্বিতীয় দলের সদস্যরা যাবেন পূর্ব মেদিনীপুরে। সেখানে দিঘা ও মন্দারমণির পরিস্থিতি কতটা সঙ্গীন, তা বুঝে নেবেন। মঙ্গলবার দিঘার বিভিন্ন সাইক্লোন বিধ্বস্ত এলাকায় যাবেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। অন্য দলটি যাবে গদখালি এবং গোসাবায় ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকায়। বুধবার দিল্লি ফিরে যাওয়ার আগে নবান্নে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হবে। রাজ্যের তরফে বৈঠকে থাকবেন বিপর্যয় মোকাবিলা, সিভিল ডিফেন্স এবং অর্থ দপ্তরের কর্তারা।

জুন ০৭, ২০২১
রাজনীতি

যশ-এর ক্ষয়ক্ষতি ও অর্থ বরাদ্দ নিয়ে কলাইকুণ্ডায় মোদি-মমতার বৈঠক

আম্ফানের পর তিনি রাজ্যে এসেছিলেন। এ বার যশ পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেও রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার ওডিশার বালেশ্বর এবং ভদ্রক পরিদর্শনের পর এ রাজ্যে আসার কথা তাঁর। এমনটাই জানা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় (পিএমও) সূত্রে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কলাইকুণ্ডায় তাঁর নামার কথা। যশ-এর দাপটে রাজ্যের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা।যশ-এর জেরে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করেছে কেন্দ্র। সেই সঙ্গে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে আসছেন মোদিও। পিএমও সূত্রে খবর, ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গ, দুই রাজ্যেই যাবেন মোদি। শুক্রবার দিল্লি থেকে প্রথমে যাবেন ভুবনেশ্বর। সেখানে ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে বৈঠক করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। সেখান থেকে কপ্টারে বালেশ্বর এবং ভদ্রক পরিদর্শন করার কথা মোদির। এ রাজ্যে এসে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের ঝড়ে বিধ্বস্ত স্থানগুলোও পরিদর্শনের কথা রয়েছে তাঁর। প্রধানমন্ত্রীর সফরের খবর পেয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বিকেলে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কোভিড পরীক্ষা করানো শুরু হয়েছে পুলিশের কর্মীদের।ইতিমধ্যেই যশ মোকাবিলায় রাজ্যকে ৪০০ কোটি টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্র। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওডিশাকেও ৬০০ কোটি করে দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ বণ্টনে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মমতা। মনে করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরে বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে আরও কিছু বরাদ্দ করা হতে পারে।পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী হিঙ্গলগঞ্জ, সাগর এবং দিঘার দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা। বুধবারই নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর এই কর্মসূচির কথা জানিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আচমকাই রাজ্য সফরে চলে আসায় সেই কর্মসূচিতে খানিক বদল আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষ করে দিঘায় যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার রাতে দিঘা থেকে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে চাইবেন। সে ক্ষেত্রে শনিবার সকালে দিঘার পর্যুদস্ত এলাকা পরিদর্শনে যেতে পারেন মমতা।প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের আমপান ঘূর্ণিঝড়ের পরেও রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সে বার বসিরহাটে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। বৈঠকের পর এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দও করেছিলেন। সে বার প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও। তবে এ বার তিনি থাকছেন কি না তা জানা যায়নি।

মে ২৭, ২০২১
কলকাতা

বিপর্যস্ত রাজ্যের ১ কোটি মানুষ, শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী

আছড়ে পড়ার পর কয়েকঘণ্টা কার্যত তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় যশ। উত্তাল হয়েছে সমুদ্র। দিঘা ও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাণ গিয়েছে ১ জনের, নবান্ন থেকে জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন তিনি।ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় মঙ্গলবার সারারাত নবান্নেই ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাতভর কন্ট্রোলরুম থেকে নজর রেখেছেন পরিস্থিতির উপর। বুধবার সকালেও একাধিকবার সাংবাদিক বৈঠক করে পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন রাজ্যবাসীকে। যশের ল্যান্ডফল শেষ হতেই নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করলেন তিনি। জানিয়েছেন, ১৫লক্ষ ৪ হাজার ৫০৬ জনকে সরানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও প্রায় এক কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৩ লক্ষ বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। ১৩৪টি বাঁধ ভেঙেছে। নোনা জলের কারণে কৃষির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাছেরও ক্ষতি হয়েছে। ত্রাণ শিবিরগুলিতে ১০ লক্ষ ত্রিপল পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। ১০ কোটি চাল ও শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ত্রাণ শিবিরে ওঠার পরও ১ ব্যক্তি মাছের জন্য জাল ফেলতে গিয়েছিলেন। জলে ডুবে গিয়েছেন তিনি। সন্দেশখালি, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, বাসন্তী, ক্যানিং ১ ও ২ নম্বর ব্লক, বজবজ, দিঘা, শংকরপুর, তাজপুর, রামনগর, কাঁথি, নন্দীগ্রাম, সুতাহাটা, দেশপ্রাণ, কোলাঘাট, শ্যামপুর, এদিকে কালীঘাট, চেতলা, রাসবিহারী-সহ গঙ্গার সামনের বহু এলাকা জলে প্লাবিত হয়েছে। আরও পড়ুন: ঘণ্টায় ১৫৫ কিমি বেগে বালাসোরের দক্ষিণে আছড়ে পড়ল যশমুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামিকালও দুর্যোগ থাকবে। তাই প্রত্যেককে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। যারা নদী বা সমুদ্রের পাশে থাকেন, তাঁদের সতর্ক থাকতে বলেছেন। ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বিঁধেছেন কেন্দ্রকেও। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন তিনি। পাশাপাশি বিপর্যস্তদের সবরকম সহযোগিতার নির্দেশও দিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে শহর কলকাতা। তবে ভরা কোটালের জেরে জলমগ্ন শহরের একাধিক এলাকা। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৃষ্টি। সেই জল নামতে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুরসভা। দ্রুত জল নামাতে ম্যানহোল খুলে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন এলাকার। তবে বিপদ এড়াতে শহরের একাধিক এলাকার বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করেছে সিইএসসি। জল না নামা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে না বলে খবর।পূর্ণিমা, চন্দ্রগ্রহণ এবং ভরাকোটালের জেরে জলস্তর বেড়েছে গঙ্গা ও আদিগঙ্গার জলস্তর। আর তার জেরেই জলমগ্ন দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাট, রাসবিহারী, ভবানীপুর ও চেতলার বিস্তীর্ণ এলাকা। বসতি এলাকায় ঘরে ঢুকেছে নোংরা জল। এদিকে রাতে জোয়ার এলে জলস্তর আরও বাড়বে। সেই সময় পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। আর এই জমা জল থেকে ঘটতে পারে বিপদ। দুর্ঘটনা এড়াতে সাঁকরাইল, বাউড়িয়া, বজবজ ও কালীঘাটের একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, তড়িদাহত হওয়ার ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনে জলমগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ এড়াতে পরিষেবা বন্ধ রাখার আবেদন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।এদিন রাজ্যের বহু জায়গায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়েছে। প্রচুর বৈদ্যুতিক পোস্টের ক্ষতি হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানান, অনেক এলাকায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গিয়েছে। বিকেলের পর ক্ষয়ক্ষতির আঁচ পাওয়া যাবে। এদিকে বিদ্যুৎহীন হয়ে রয়েছে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। কবে স্বাভাবিক হবে এই পরিস্থিতি? এই প্রশ্নের জবাবে সিইএসসি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে সমস্ত এলাকায় জমা জলের স্তর বেড়ে গিয়েছে সেখানে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সাঁকরাইল, বাউড়িয়া, বজবজ ও কালীঘাটের একাংশ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

মে ২৬, ২০২১
দেশ

ঘণ্টায় ১৫৫ কিমি বেগে বালাসোরের দক্ষিণে আছড়ে পড়ল যশ

স্থলভাগে আছড়ে পড়ল অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যশ। মৌসম ভবন বুধবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের বুলেটিনে জানিয়েছে, ওডিশার বালাসোরের দক্ষিণে যশ-এর স্থলভাগে আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার, সর্বোচ্চ ১৫৫ কিলোমিটার।। আগামী ৩ ঘণ্টা ধরে এই প্রক্রিয়া চলবে বলেই জানিয়েছে মৌসম ভবন।এই মুহূর্তে ধামরা থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্ব উত্তর-পূর্ব, দিঘা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিম ও বালাসোর থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে ইয়াস-এর চোখ। মৌসম ভবন জানিয়েছে, গত ৬ ঘণ্টা ধরে ঘণ্টায় ১৭ কিলোমিটার গতিবেগে এগোচ্ছে ইয়াস। বুধবার দুপুরের মধ্যে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রূপে যশ ওডিশার পারাদ্বীপ ও পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপের মধ্যে ওডিশার বালাসোরের দক্ষিণ ও ধামরার উত্তর দিক দিয়ে অতিক্রম করে যাবে বলেই পূর্বাভাস। তার পর ঘূর্ণিঝড় চলে যাবে ঝাড়খণ্ডের দিকে।

মে ২৬, ২০২১
রাজ্য

কয়েক ঘণ্টা দূরে যশ, দিঘায় ৩০ ফুটের উপর জলোচ্ছ্বাস

ধেয়ে আসছে যশ। বর্তমানে দিঘা থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান ঘূর্ণিঝড়টির। তার প্রভাবে ফুঁসছে দিঘা। ৩০ ফুটের বেশি জলোচ্ছ্বাস। জলমগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকা।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওডিশার ধামড়া থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার পূর্বে, দিঘা থেকে ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্বে এবং বালাসোর থেকে ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্বে বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় যশ অবস্থান করছে। ধামড়ায় আছড়ে পড়ার সময় হাওয়ার গতিবেগ হতে পারে ১৩০ কিলোমিটার থেকে সর্বোচ্চ ১৫৫ কিলোমিটার। দিঘাতে শুরু হয়েছে ব্যাপক ঝোড়ো হাওয়া। ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার বেগে বইছে হাওয়া। ৩০ ফুটের উপরে জলোচ্ছ্বাস। বোল্ডার পেরিয়ে জল ঢুকছে দিঘায়। জলমগ্ন শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। কলকাতায় ৬২ কিলোমিটার এবং ফ্রেজারগঞ্জে ৬৮ কিলোমিটার বেগে বইছে ঝোড়ো হাওয়া।আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল গেলেন সচিবালয়েঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় রাজ্য প্রশাসনের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নবান্ন এবং উপান্নে খোলা হয়েছে দুটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সেখান থেকে রাতভর পরিস্থিতির দিকে নজর রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর হয়ে নবান্নের কন্ট্রোল রুমে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় । যশ মোকাবিলায় রাজ্যের প্রস্তুতির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। যাতে কোনও বিপদ না হয় তাই বুধবার কলকাতার বেশিরভাগ ফ্লাইওভারে যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বন্ধ গার্ডেনরিচ, তারাতলা, পার্ক স্ট্রিট, উল্টোডাঙা, চিংড়িহাটা, গড়িয়াহাট, এজেসি বোস এবং মা ফ্লাইওভার। বন্ধ কলকাতা এবং ভুবনেশ্বর বিমানবন্দর।

মে ২৬, ২০২১
কলকাতা

ঘূর্ণিঝড় নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল গেলেন সচিবালয়ে

ঘূর্ণিঝড় যশ মোকাবেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর এবং রাজ্যের সচিবালয় নবান্নের কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। একইসঙ্গে রাজ্যের ইতিহাসে নতুন নজির তৈরি করলেন তিনি। এর আগে কোনও রাজ্যপাল রাজ্যের সচিবালয়ে পা রাখেননি। তবে রাজ্য এবং রাজ্যপালের নিরন্তর সংঘাতের প্রেক্ষিতে এদিন দুপক্ষই যথাযথ সৌজন্যে বজায় রেখেছেন।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর পরিদর্শনের পর রাজ্যপাল বলেন, রাজ্য এক ঘোরতর সংকটের মুখোমুখি।তবে বিপর্যয় মোকাবিলায় সেনাবাহিনী,নৌবাহিনী ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী খুব ভালো কাজ করছে। ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধির খবর নিতে তিনি আজ আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরে গিয়ে সেখানকার ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন আমি ঝড়ের বিষয়টির ওপর নজর রাখছি। বিপর্যয় মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যেন এক সঙ্গে কাজ করতে পারে তার উপরেও তিনি নজর রেখেছেন বলে জানিয়েছেন। রাজ্য সরকারও এই ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করছে বলে রাজ্যপাল জানান। তবে আজও তিনি রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়েছেন। আলিপুর থেকে সন্ধে ৬টা নাগাদ নবান্নে পৌঁছন তিনি। তাঁকে স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পর নবান্নের কন্ট্রোলরুমে রাজ্যপালকে নিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দুজন পাশাপাশি বসে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এদিন নবান্নে যাওয়ার আগে টুইটারে রাজ্যপাল লেখেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলার প্রস্তুতি দেখতে নবান্নে যাচ্ছি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এর পর নবান্নে পৌঁছন তিনি। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় নবান্নে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখেন।

মে ২৫, ২০২১
কলকাতা

‘যশ’ আতঙ্কে ২ দিন বন্ধ হাইকোর্ট, আরও পিছল নারদ-জামিনের শুনানি

যশ আতঙ্কে কাঁটা রাজ্যবাসী। অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের জেরে দুর্যোগ থাকতে পারে প্রায় ৭২ ঘণ্টা। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। যেদিন রাজ্যের উপকূল অঞ্চলে আছড়ে পড়বে যশ, সেদিন তো বটেই, তারপরেও শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বন্ধ থাকতে পারে অন্য সব পরিষেবা। এর মধ্যে ২৬ ও ২৭ তারিখ অর্থাৎ বুধ এবং বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ কথা। যার জেরে নারদ মামলায় ৪ হেভিওয়েট নেতার জামিনের শুনানি আরও পিছিয়ে গেল। আপাতত আরও বেশ কয়েকদিন তাঁদের গৃহবন্দিই থাকতে হবে।হাইকোর্টের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ ও ২৭ মে, যান চলাচলের সমস্যা, ঘূর্ণিঝড় যশের কারণে মামলার শুনানি সম্ভব নয়। এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ২৭ মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হবে। এতেই স্পষ্ট, অন্তত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ফিরহাদ হাকিম ও শোভন চট্টোপাধ্যায় গৃহবন্দি থাকবেন। মদন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁদের হাসপাতালেই থাকতে হবে। তারপর হাইকোর্টে এই নারদ মামলার শুনানি হলে বোঝা যাবে, তাঁদের জামিনের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।সোমবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন সিবিআই আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। কারণ, তার আগেই হাইকোর্টে শুনানির জন্য ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ তৈরির বিরোধিতা করে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সিবিআইয়ের এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, ঘূর্ণিঝড় আসছে, তাতে নেটওয়ার্ক পরিষেবা বিপর্যস্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। শুনানি সোমবার না হলে তা পিছিয়েই যাবে। কেন সোমবার শুনানিতে আপত্তি জানাচ্ছে সিবিআই? এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা সত্যি করেই যশ-এর কারণে ২ দিন উচ্চ আদালত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

মে ২৫, ২০২১
রাজ্য

দিঘার সমুদ্রে শুরু জলোচ্ছ্বাস, সঙ্গে প্রবল হাওয়া

শক্তি বাড়িয়ে ক্রমশ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার দিকে এগোচ্ছে নিম্নচাপ। আবহাওয়াবিদদের হিসেব কাঁটায় কাঁটায় মিলে গেলে বুধবার ভোরেই ঘণ্টায় দেড়শো কিলোমিটারের বেশি গতিবেগ নিয়ে দিঘা-বালাশোরের মধ্যে আছড়ে পড়বে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যশ। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে দিঘা থেকে ৪৫০ কিলোমিটার এবং ওডিশার বালাসোর থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে নিম্নচাপ। দুপুরের মধ্যে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেবে। সন্ধের পরই তা অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় -এ পরিণত হবে। ইতিমধ্যে যদিও তার প্রভাব পড়তে শুরু হয়েছে দিঘায়। উপকূলে চলছে জলোচ্ছ্বাস।মঙ্গলবার সকাল থেকে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সামান্য রোদের ঝিলিক দেখা গেলেও ঝড়ের পূর্বাভাস টের পাওয়া গিয়েছে স্পষ্ট। প্রবল বেগে হাওয়া দিচ্ছে। যদিও যশ-এর প্রভাব কলকাতায় খুব বেশি পড়বে না বলেই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। দিঘা বরাবর উপকূলবর্তী পাশের এলাকাগুলিতে তাণ্ডবলীলা চালাতে পারে যশ। সমতলে আছড়ে পড়ার পর এর গতিপথ হতে চলেছে ঝাড়খণ্ডের দিকে। তবে তার আগেই উপকূলীয় জেলাগুলিতে প্রভাব রেখে যাবে ঘূর্ণিঝড়টি। এর আগে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আম্ফানেও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে তাই এবার দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম অনেকটা প্রস্তুতি সেরে রেখেছে জেলা প্রশাসন। যশ-এর প্রভাবে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে। লাল সতর্কতা জারি হয়েছে এই জেলাগুলিতে।

মে ২৫, ২০২১
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রীম ক্ষতিপূরণ নিয়ে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ মমতার

ঘূর্ণিঝড়ের আগাম ক্ষতিপূরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ফের এরাজ্যের প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণের অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন ঘূর্ণিঝড় যশের মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ডাকা বৈঠকে ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের তুলনায় এ রাজ্যকে কম অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ওই বৈঠকের পরে নবান্নে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওডিশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশকে ৬০০ কোটি করে বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেছেন । সেখানে এ রাজ্যকে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আয়তনের দিক থেকে বৃহৎ এই রাজ্যকে কম অর্থ বরাদ্দ করা অযৌক্তিক বলে মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন। গতবছরের আম্ফান পর্বে কেন্দ্রীয় সহায়তা বাবদ প্রতিশ্রুত অর্থসাহায্য ও ঠিকমতো মেলেনি বলেও তিনি আজ অভিযোগ করেছেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পর নবান্নে ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন মমতা। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আম্ফানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই এবারের আসন্ন ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গতবছর আম্ফানের সময় ১০ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে গিয়ে প্রাণহানি রোখা গিয়েছিল। এবারও একই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। এজন্য ৪ হাজার ত্রাণশিবির খুলে লোককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। অতিমারির আবহে ত্রাণ শিবির গুলিতে করোনা বিধি যাতে কঠোরভাবে মানা হয় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, নবান্ন এবং উপান্ন কাল থেকে ৪৮ ঘণ্টা সারাক্ষণ নজরদারি চলবে। উদ্ধারকার্য চালানোর জন্য দল তৈরি করা হয়েছে। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে গোটা বিষয়টি তদারক করবেন। দক্ষিণবঙ্গে ঘূর্ণি ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে । মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন। একইসঙ্গে ব্লক ব্লকে সচেতনতা মূলক প্রচার এবং মৎস্যজীবীদের মধ্যে সমুদ্রের না যাওয়ার বিষয়ে নিরন্তর প্রচার চালানোর জন্য তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

মে ২৪, ২০২১
রাজ্য

ফুঁসছে বঙ্গোপসাগর, দিঘার ৬২০ কিমি দূরে যশ

আরও এগিয়েছে ঘূর্ণিঝড় যশ। মৌসম ভবনের বুলেটিন অনুযায়ী, সোমবার দুপুর ১২টায় দিঘা থেকে ৬২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এই ঘূর্ণিঝড়। যশ-এর প্রভাবে সোমবার বিকেল থেকেই রাজ্যের উপকূল এলাকায় ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় বইবে বলে জানা গিয়েছে।গত ৬ ঘণ্টা ধরে ঘণ্টায় ২ কিলোমিটার গতিবেগে এগোচ্ছে যশ। ঘূর্ণিঝড় যত স্থলভাগের দিকে এগোবে তত তার গতিবেগ বাড়বে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় এই মুহূর্তে ১৬ ডিগ্রি ৪ মিনিট উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৯ ডিগ্রি ৬ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে। এই মুহূর্তে আন্দামানের পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ৬২০ কিলোমিটার উত্তরে উত্তর-পশ্চিম, ওডিশার পারাদ্বীপ থেকে ৫৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব, ওডিশার বালেশ্বর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব ও পশ্চিমবঙ্গের দিঘা থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে যশ।মঙ্গলবার রাতের মধ্যে যশ শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর। বুধবার সকালের মধ্যে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রূপে পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশার স্থলভাগের কাছে পৌঁছনোর কথা যশ-এর। তার পর বুধবার সন্ধ্যায় অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রূপে যশ ওডিশার পারাদ্বীপ ও পশ্চিমবঙ্গের সাগরের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করবে বলেই পূর্বাভাস।

মে ২৪, ২০২১
রাজ্য

‘যশ’ মোকাবিলায় কেন্দ্র-রাজ্য একযোগে কাজের বার্তা রাজ্যপালের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে জেরবার বাংলা। এবার আবার নয়া বিপদ। ঘূর্ণিঝড় যশ ক্রমশই তার থাবা চওড়া করছে। ঠিক বছরখানেক আগে আমফান তছনছ করে দিয়েছিল বাংলার বিভিন্ন। তার থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। এই পরিস্থিতিতে সংঘাত ভুলে রাজ্য ও কেন্দ্রকে হাতে হাত মিলিয়ে কাজের বার্তা দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।সোমবার সকালে একাধিক টুইট করেন রাজ্যপাল। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে ট্যাগ করা টুইটে প্রস্তুত থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারকে ঘূর্ণিঝড় যশ মোকাবিলায় একযোগে কাজের কথা বলেছেন। উল্লেখ্য, আম্ফানের পরই রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিপর্যস্ত এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করেছিলেন তিনি। ১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিলেন অনুদান। তবে ক্ষতির নিরিখে তা যথেষ্ট ছিল না বলেই অভিযোগ উঠেছিল।প্রসঙ্গত, রবিবারই বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়। সোমবার সকালে তা ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নেয়। বর্তমানে পোর্টব্লেয়ার থেকে ৬০০ কিলোমিটার, পারাদ্বীপ থেকে ৫৪০ কিলোমিটার, ওডিশা থেকে ৬৫০ এবং দিঘা থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান ঘূর্ণিঝড়ের। বুধবারই তা বাংলায় আছড়ে পড়তে পারে। উপকূলীয় অঞ্চলে হতে পারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। ঘূর্ণিঝড় ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি করে, তা নিয়ে চিন্তার ভাঁজ চওড়া হচ্ছে সকলেরই। যদিও রাজ্য প্রশাসন যশ মোকাবিলায় কোমর বেঁধে লেগেছে। উপান্নে খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরুম। নবান্নেও করা হয়েছে ব্যবস্থা। কন্ট্রোল রুমে থাকবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ি বসে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখবেন ফিরহাদ হাকিম। এছাড়া বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেদিকেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মে ২৪, ২০২১
রাজ্য

সোমবার সন্ধের পরই ঝড়ের রূপ নেবে 'যশ'

ধীরে ধীরে শক্তি বাড়ানো শুরু করেছে পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপ। স্বভাবতই আশঙ্কা বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় যশ নিয়ে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, সোমবারই ঝড়ের রূপ নেবে বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ। এর পরই গতি বাড়িয়ে ধেয়ে আসবে বাংলা-ওডিশা উপকূল অভিমুখে।আরও পড়ুন: https://janatarkatha.com/state/this-time-sarla-murmu-of-malda-wants-to-return-home--002235২২ মে শনিবারই পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়। রবিবার সকালে যা গভীর নিম্নচাপের রূপ নিয়েছে। এখন এই নিম্নচাপের অবস্থান বঙ্গোপসাগরের উপর, পারাদ্বীপ থেকে ৫৯০ কিলোমিটার এবং দিঘা থেকে ৬৭০ কিলোমিটার দূরে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সোমবারই সকালে ঝড়ের রূপ নেবে এই গভীর নিম্নচাপ। এরপর তা উত্তর ও পশ্চিম দিকে এগোবে। এই সময়েই ধীরে ধীরে শক্তি বৃদ্ধি করবে সে। ২৪ মে সন্ধ্যা থেকে রাজ্যের উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট বোঝা যাবে। ৪০-৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে হাওয়া। এই বেগ সর্বোচ্চ ৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে।২৫ তারিখ আরও বেশ খানিকটা শক্তি বাড়বে যশের। এদিন উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে বৃষ্টি হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুরে। উপকূলে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। সর্বোচ্চ ৭০ কিমি প্রতি ঘণ্টা হতে পারে হাওয়ার গতিবেগ। ২৬ মে সকাল থেকে রাজ্যের উপকূলের জেলায় ৬০-৭০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। সর্বোচ্চ ৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা হতে পারে গতিবেগ। দুপুর থেকে শক্তিশালী যশের প্রভাবে ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার এমনকী, ১১০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগও হতে পারে। বুধবার পারাদ্বীপ ও সাগরের মধ্যে যশের ল্যান্ডফলের সময় রাজ্যের উপকূলে ১৫৫-১৬৫ কিমি. প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে হাওয়া। সতর্কবার্তা আবহাওয়া দপ্তরের।২৬ তারিখ কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টি হবে। ২৭ তারিখ এই জেলাগুলোর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৭ তারিখ পশ্চিমের প্রতিটি জেলাতেই ঝড়, বৃষ্টি হবে। সবরকম ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী। তৈরি রাজ্য সরকারও।

মে ২৩, ২০২১
রাজ্য

'যশ' সতর্কতায় বাতিল একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন

যশ-এর সতর্কতা হিসেবে হাওড়ার বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করল দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে। আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭মে, ০২০৭৩ আপ ও ০২০৭৪ ডাউন হাওড়া-ভুবনেশ্বর, ০২০৮৭ আপ ও ০২০৮৮ ডাউন হাওড়া-পুরী, ০২৭০৩ আপ ও ০২৭০৪ ডাউন হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ, ০২৮২১ আপ ও ০২৮২২ ডাউন হাওড়া-চেন্নাই, ০২৮৭৩ আপ ও ০২৮৭৪ ডাউন হাওড়া-যশবন্তপুর, ২৫ ও ২৬মে ০২২৪৫ আপ ও ০২২৪৬ ডাউন হাওড়া- যশবন্তপুর, ২৪মে ০২৬৬৫ আপ ও ০২৬৬৬ ডাউন হাওড়া-কন্যাকুমারী এক্সপ্রেস, এই ট্রেনগুলো বাতিল করা হয়েছে বলে দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে সূত্রে জানানো হয়েছে।

মে ২২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেষ মুহূর্তে বড় সিদ্ধান্ত! ইরানে হামলা স্থগিত, আচমকা কী ঘোষণা করলেন ট্রাম্প?

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হলেও শেষ মুহূর্তে পরিস্থিতিতে বড় মোড় এল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। তাঁর এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। বাহরিন, ইরাক, ইজরায়েল, জর্ডন, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের প্রয়োজন হলে দ্রুত দেশ ছাড়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। এই সতর্কবার্তার পরই সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের জল্পনা তীব্র হয়ে ওঠে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তাঁর দাবি, সম্ভাব্য চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত সামরিক অভিযান থেকে সরে এসেছে আমেরিকা।ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ আমেরিকাকে হামলা না করার অনুরোধ জানিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি থেকে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা উদ্বেগের সমাধান নিয়ে আলোচনা এগোচ্ছে। তবে এই দাবিগুলির স্বাধীনভাবে সরকারি বা আন্তর্জাতিক সূত্রে পূর্ণ নিশ্চিতকরণ তখনও পাওয়া যায়নি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের বৃহত্তর স্বার্থ এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই তিনি সামরিক অভিযান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর আশা, দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।এর আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা ছড়িয়েছিল, আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও পরমাণু পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালাতে পারে। সেই আশঙ্কার মধ্যেই ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা সাময়িক স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোবে, তা নির্ভর করবে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার ফলাফলের উপর।

আগস্ট ০২, ২০২৬
কলকাতা

জঙ্গি দমনে বড় পদক্ষেপ! রাজ্যে আসছে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী, নজরে একাধিক জেলা

রাজ্যে জঙ্গি দমনে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট এবং দিল্লির ধাঁচে একটি নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ভাবনা-চিন্তা চলছে। এই নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠকও হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।বর্তমানে রাজ্য পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের আলাদা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স রয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় এই দুই বাহিনীকে একত্রিত করে আরও শক্তিশালী কাঠামো তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লক্ষ্য, জঙ্গি কার্যকলাপ, স্লিপার সেল এবং নাশকতার সম্ভাবনা আরও দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।সম্প্রতি হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগী অর্পিতা সরকারকে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দাদের নজর আরও তীক্ষ্ণ হয়েছে। তদন্তে উঠে আসা বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে গোয়েন্দারা মনে করছেন, জঙ্গি সংগঠনগুলির নেটওয়ার্ক, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং অনলাইন যোগাযোগের উপর আরও কড়া নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্ত এলাকা ও সংবেদনশীল জেলাগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সূত্রের খবর, নতুন বাহিনীর নেতৃত্বে একজন আইজি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক থাকতে পারেন। তাঁর অধীনে ডিআইজি, এসপি-সহ বিভিন্ন স্তরের অফিসাররা কাজ করবেন। মূল দপ্তর কলকাতা বা তার আশপাশে তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলায় শাখা দপ্তর খোলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।গোয়েন্দাদের প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী এবং অতীতে জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্তে উঠে আসা কয়েকটি জেলা বিশেষ নজরদারির আওতায় থাকতে পারে। সেখানে নতুন বাহিনীর শাখা তৈরি হলে স্থানীয় স্তরে তথ্য সংগ্রহ, সন্দেহজনক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় আরও দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।রাজ্যের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা এবং সম্ভাব্য জঙ্গি নেটওয়ার্ক দ্রুত চিহ্নিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। তবে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠন নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কোনও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা হতে পারে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

ইনস্টাগ্রামের প্রেম থেকে জঙ্গি জাল! হামিম-অর্পিতার সম্পর্ক ঘিরে বিস্ফোরক তথ্য তদন্তে

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে তদন্তকারীরা। সেই তদন্তেই উঠে এসেছে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের নাম। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় হয় এবং পরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বড় নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডল ও ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের সম্পর্ক ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, সোশাল মিডিয়ায় পরিচয়ের পর তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সেই সম্পর্ককে ব্যবহার করে হানিট্র্যাপ, ব্ল্যাকমেল এবং অপহরণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হাওড়ার এক মন্ত্রীর ছেলেকে দীর্ঘ সময় ধরে সোশাল মিডিয়ায় যোগাযোগের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, সেই সূত্রে টাকা আদায় এবং পরে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের সব দিক এখনও তদন্তাধীন।এসটিএফের প্রাথমিক অনুমান, শুধু একজন নয়, আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকেও একইভাবে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল। হামিম ও অর্পিতার মাধ্যমে একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। সম্ভাব্য টার্গেটদের গতিবিধির উপর নজর রাখার কাজও চলছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা অর্পিতা সরকার সোশাল মিডিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ভিডিও তৈরি করতেন। প্রায় চার বছর আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। হামিম নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে তাঁদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ শুরু হয় এবং সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।তদন্তকারীদের দাবি, হামিমের মাধ্যমে অর্পিতার পরিচয় পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে হয়। এরপর তাঁকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা এখন খতিয়ে দেখছে, এই নেটওয়ার্কে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না এবং একই ধরনের হানিট্র্যাপের ঘটনায় অন্য কোনও ব্যক্তি জড়িয়ে পড়েছিলেন কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের একাধিক বহুতলে সতর্কতা! সেখানেই লুকিয়ে থাকতে পারে হামিমরা

জঙ্গি কার্যকলাপে ভাড়া বাড়ির ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রাজ্যে। পূর্ব বর্ধমান থেকে জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিভিন্ন আবাসনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া ফ্ল্যাটকে ব্যবহার করে কোনও নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছিল কি না।হামিম মণ্ডলকে পূর্ব বর্ধমানের একটি আবাসনের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার পর দুর্গাপুর ও কাঁকসা এলাকার বড় বড় আবাসনগুলিতেও সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রশাসনের মতে, ভাড়াটিয়াদের পরিচয় যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা রাখা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।দুর্গাপুরের অন্যতম বড় আবাসন তপোবন সিটিতে বহু পরিবার বসবাস করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মসূত্রে বহু মানুষ এখানে ভাড়া থাকেন। সেই কারণে আবাসনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় আবাসনের বাসিন্দাদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন, কেউ ফ্ল্যাট ভাড়া দিলে ভাড়াটিয়ার আধার, ভোটার পরিচয়পত্র-সহ প্রয়োজনীয় নথির অনুলিপি স্থানীয় থানায় জমা দিতে হবে। পাশাপাশি কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে হবে।উল্লেখ্য, এর আগেও কাঁকসা এলাকা থেকে বাংলাদেশভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ। সেই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। এবার হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর আবারও ভাড়া আবাসনগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া বাড়িকে ব্যবহার করে কোনও সংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
কলকাতা

রবীন্দ্রসদনে নজিরবিহীন ঘটনা! জয় গোস্বামীকে ঘিরে দর্শকদের আপত্তি, পরে মুখ খুললেন তসলিমা

রবীন্দ্রসদনে তসলিমা নাসরিনকে সংবর্ধনা এবং তাঁর বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে এমন একটি ঘটনা ঘটল, যা নিয়ে সাহিত্য ও সংস্কৃতি মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বক্তব্য রাখতে উঠে তসলিমা দর্শকাসনে বসে থাকা কবি জয় গোস্বামীকে মঞ্চে আসার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু জয় গোস্বামী আসন ছেড়ে মঞ্চের দিকে এগোতেই দর্শকদের একাংশ আপত্তি জানাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি বুঝে তিনি আর মঞ্চে না উঠে নিজের আসনে ফিরে যান।ঘটনার পরে নিজের বক্তব্যে তসলিমা নাসরিন বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মুক্ত চিন্তার গুরুত্বের কথা বলেন। যদিও মঞ্চে দাঁড়িয়ে জয় গোস্বামীর ফিরে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে কোনও মন্তব্য করেননি। পরে সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি জানান, তিনি আন্তরিকভাবেই জয় গোস্বামীকে মঞ্চে ডাকেন। তাঁর কথায়, একজন বড় কবি হিসেবে জয় গোস্বামীর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা রয়েছে। রাজনৈতিক মতের মিল না থাকলেও সাহিত্যিককে সম্মান জানানো উচিত বলেই তিনি মনে করেন।তসলিমা আরও বলেন, তিনি এমন পরিবেশের পক্ষপাতী নন যেখানে মতের অমিল থাকলেই কাউকে বর্জন করা হবে। তাঁর মতে, ভিন্ন রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত মত থাকলেও একই মঞ্চে উপস্থিত থাকা এবং পরস্পরকে সম্মান করা গণতান্ত্রিক সমাজের লক্ষণ।রবীন্দ্রসদনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, একজন প্রখ্যাত কবিকে এভাবে মঞ্চে উঠতে না দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক। আবার অন্য একটি অংশের দাবি, জয় গোস্বামীর অতীত অবস্থানের কারণেই দর্শকদের একাংশ এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তবে এই ঘটনার পর তসলিমার মন্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।এই ঘটনার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্যও এখন আলোচনায়। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তসলিমা নাসরিন বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের পক্ষে জোরালো বার্তা দেন। সেই অনুষ্ঠানেই জয় গোস্বামীকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
দেশ

যুব সমাজকে ঘিরে বড় সতর্কবার্তা মোদীর! কেন বললেন, শত্রুরা নেশার ফাঁদে ফেলতে চাইছে ভারতকে?

দেশের ভবিষ্যৎ যুব সমাজের হাতেই। তাই তরুণ প্রজন্মকে নেশার কবল থেকে দূরে রাখতে দেশজুড়ে বড় উদ্যোগ নিল কেন্দ্র সরকার। রবিবার নেশা মুক্ত যুব কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, নেশা শুধু একজন মানুষের জীবন নষ্ট করে না, ভেঙে দেয় একটি পরিবারের স্বপ্ন এবং দুর্বল করে দেশের ভবিষ্যৎ।বিকশিত ভারত সংকল্প অভিযান-এর অংশ হিসেবে দেশজুড়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একযোগে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেশা একজন মায়ের মুখের হাসি কেড়ে নেয়, বাবার আশা ভেঙে দেয় এবং পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে কষ্ট দেয়। তাই যুব সমাজকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শত্রুরা শুধু সীমান্তে নয়, সমাজের ভিতরেও আঘাত হানার চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, মাদক ছড়িয়ে দিয়ে যুব সমাজকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্রও চলছে। মাদকের অবৈধ ব্যবসা থেকে বিপুল অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি দেশের শক্তিকে দুর্বল করাও তাদের উদ্দেশ্য হতে পারে। তাই প্রত্যেক যুবক-যুবতীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।দেশজুড়ে এই কর্মসূচি উপলক্ষে প্রায় আটাশ হাজারের বেশি স্থানে অনুষ্ঠান হচ্ছে। আয়োজকদের দাবি, এক কোটিরও বেশি যুবক-যুবতী এতে অংশ নিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত রয়েছেন। তরুণদের নেশামুক্ত জীবন গড়ে তোলার বার্তা দিতে একাধিক আধ্যাত্মিক নেতা, সমাজসেবী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বক্তব্য রাখছেন।এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও অংশ নিয়েছে। ব্রহ্ম কুমারী, ইসকন, চিন্ময় মিশন, অরোভিল-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা যুব সমাজকে সচেতন করার উদ্যোগে শামিল হয়েছেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বহু তরুণ নেশামুক্ত সমাজ গড়ার শপথও নেন।ভারতে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে কেন্দ্র সরকার গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নিয়মিত প্রচার, সচেতনতা অভিযান ও পুনর্বাসন কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই নেশা মুক্ত যুব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, যুব সমাজকে সচেতন করে তুলতে পারলেই সুস্থ, শক্তিশালী এবং উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্য আরও সহজ হবে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়ায় মিলল হামিমের গোপন ঘাঁটি! জামার ট্যাগের দোকানের আড়ালে চলত কী ভয়ঙ্কর খেলা?

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে গ্রেপ্তার হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে ফের বড় তথ্য সামনে এসেছে। এবার হাওড়ার পিলখানায় তার ব্যবহৃত একটি ঠিকানার খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সেখানে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির কাজ হত। তবে এই ব্যবসার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঠিকানা থেকেই বিভিন্ন পরিকল্পনা পরিচালিত হত কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কয়েক দিন আগে পূর্ব বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি চক্রের সঙ্গে তার যোগাযোগের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের গতিবিধি নজরদারির অভিযোগও সামনে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই হামিমের অতীত এবং তার ব্যবহৃত বিভিন্ন ঠিকানা নিয়ে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে।প্রথমে জানা গিয়েছিল, হামিমের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। কিন্তু সুনির্দিষ্ট ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তদন্তে আলম মিস্ত্রি লেনের একটি বহুতলের খোঁজ মেলে। ওই বহুতলের একতলায় ভাড়া নেওয়া দুটি ঘরেই থাকত হামিম বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে একটি ছোট ব্যবসা পরিচালিত হত।স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি ঘরে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির মেশিন বসানো ছিল। অন্য ঘরে কম্পিউটারের মাধ্যমে অফিসের কাজ করা হত। হামিমের বাবা মনিরউদ্দিন মণ্ডলও সেখানে থাকতেন বলে জানা গিয়েছে। তবে হামিমের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা কোনওদিনও এমন সন্দেহ করেননি।বহুতলের মালিক জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে ঘর দুটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। একটি ঘরের মাসিক ভাড়া ছিল সাত হাজার টাকা এবং অন্যটির চার হাজার টাকা। তাঁর দাবি, গত প্রায় দুই মাস ধরে হামিমকে এলাকায় দেখা যায়নি। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে তার বাবাকেও আর এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর দাবি, হামিমের বাবার সঙ্গে মাঝে মধ্যে দেখা হলেও হামিমের সঙ্গে তেমন কোনও যোগাযোগ ছিল না। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ওই ব্যবসা শুধুই ব্যবসা ছিল, নাকি তার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত। পাশাপাশি হামিমের সঙ্গে যিনি বাবা পরিচয়ে থাকতেন, তিনি সত্যিই তার বাবা ছিলেন কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় এসেছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
টুকিটাকি

বর্ষাকালে চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা? শ্যাম্পু থেকে চালের জল, জানুন সমাধানের ঘরোয়া টোটকা

বর্ষাকালে অনেকেরই চুল পড়া বেড়ে যায়। এর প্রধান কারণ হলো বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় মাথার ত্বকে ঘাম ও তেল জমে, খুশকি বাড়ে, চুলের গোড়া দুর্বল হতে পারে। এছাড়া ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ রাখা, সঠিক খাবারের অভাব, মানসিক চাপ ও ঘুমের সমস্যাও চুল পড়ার কারণ হতে পারে।বর্ষায় চুল পড়া কমানোর ঘরোয়া যত্ন১) নিয়মিত মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখুনসপ্তাহে ২৩ দিন মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন। ঘাম বা বৃষ্টিতে ভিজে গেলে চুল শুকিয়ে নিন। ভেজা চুল আঁচড়াবেন না, এতে চুল সহজে ভেঙে যায়।২) তেলের হালকা মালিশনারকেল তেল বা বাদাম তেল হালকা গরম করে সপ্তাহে ১২ দিন মাথায় মালিশ করতে পারেন। ১২ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। অতিরিক্ত তেল দিয়ে সারারাত রেখে দিলে বর্ষায় কারও কারও খুশকি বাড়তে পারে।৩) মেথি ও দইয়ের প্যাক১২ চামচ ভেজানো মেথি বেটে তার সঙ্গে সামান্য দই মিশিয়ে চুলে লাগানো যায়। ২০৩০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে।৪) অ্যালোভেরাখাঁটি অ্যালোভেরা জেল মাথার ত্বকে ২০ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন। শুষ্কতা ও চুলকানি কমাতে সাহায্য করতে পারে।চালের জল (Rice Water) চুলের যত্নে কিছুটা উপকারী হতে পারে, তবে এটি চুল পড়া পুরোপুরি বন্ধ করার প্রমাণিত ওষুধ নয়। অনেকেই ঘরোয়া উপায় হিসেবে ব্যবহার করেন, কারণ এতে কিছু অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি, মিনারেল ও স্টার্চ থাকে, যা চুলকে সাময়িকভাবে মসৃণ ও শক্ত মনে করতে সাহায্য করতে পারে।চালের জল চুলে কীভাবে উপকার করতে পারে?✅ চুলের রুক্ষতা কমাতে সাহায্য করতে পারে✅ চুলে চকচকে ভাব আনতে পারে✅ চুলের গোড়া ও স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করতে পারে✅ চুল ভাঙা কিছুটা কম মনে হতে পারেকীভাবে ব্যবহার করবেন?১ কাপ চাল ভালো করে ধুয়ে ২৩ কাপ জলে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।সেই জল ছেঁকে নিন।শ্যাম্পুর পরে চুলে ও মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১০১৫ মিনিট রাখুন।তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট।গবেষকদের মতে চুল ভালো রাখতে যা জরুরি✅ প্রোটিনযুক্ত খাবার খানডিম, মাছ, ডাল, দুধ, বাদাম।✅ ভিটামিন ও খনিজ পেতে শাকসবজি ও ফল খান।✅ পর্যাপ্ত জল পান করুন।✅ প্রতিদিন ৭৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।✅ খুব টাইট করে চুল বাঁধা, অতিরিক্ত হেয়ার ড্রায়ার বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট এড়িয়ে চলুন।বর্ষায় পুরোপুরি চুল পড়া বন্ধ করা সম্ভব নয়, কারণ প্রতিদিন কিছু চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে নিয়মিত পরিচর্যা, পুষ্টিকর খাবার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখলে চুল পড়া অনেকটাই কমানো যায়।

আগস্ট ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal