• ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Worker

রাজ্য

ভোটের আগে ফের রক্তাক্ত মুর্শিদাবাদ

ভোটের মরশুমে রাজ্যজুড়ে হিংসা অব্যাহত। সোমবার রাতে রাজনৈতিক হিংসায় রক্তাক্ত হল মুর্শিদাবাদ । বোমাবাজি, সংঘর্ষের জেরে প্রাণ গেল এক কংগ্রেস কর্মীর। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসকদল। এদিকে এদিন রাতেই বড়ঞ্যা এলাকাতেও বোমাবাজি হয়। বোমার ঘায়ে গুরুতর জখম হন এক তৃণমূল কর্মী। সবমিলিয়ে ভোটের আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদ।অষ্টম দফায় মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভোটগ্রহণ। তার আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হল এই এলাকা। স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল রাতে হরিহরপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত বিলধারীপাড়ার ঘোষালপুর এলাকায় তৃণমূল ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। চলে দেদার বোমাবাজি। এমনকী গুলি ছোঁড়ার অভিযোগও রয়েছে। সংঘর্ষের জেরে এক কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়। নাম কাশেম আলি। জখম হয়েছেন দুপক্ষের অন্তত ১০ জন।সূত্রের খবর, নমাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন কাশেম। ঠিক তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বোমার আঘাতে জখম কাশেম আলিকে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক পরীক্ষার পর তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। যদিও বোমবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, হরিহরপাড়ার এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।অন্যদিকে প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে এক তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বড়ঞ্যা বিধানসভার অন্তর্গত ভবানীপুর গ্রামে। দলীয় সূত্রে খবর, প্রচার সেরে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল কর্মী দলু শেখ। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। গুরুতর জখম হয়ে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। ঘটনা প্রসঙ্গে বড়ঞ্যা কেন্দ্রে তৃণমূ প্রার্থী জীবনকৃষ্ণ সাহা জানিয়েছেন, দলু শেখ আমাদের কর্মী। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। অভিযোগের তির স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের দিকে। তবে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এপ্রিল ২০, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মরশুমে কালনায় ফের খুন বিজেপি কর্মী

নদিয়ার চাকদহের পর এবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু। সোমবার সকালে বাড়ির পাশের বাগান থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল গেরুয়া শিবিরের ওই কর্মীকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দিয়ে গিয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের পালটা দাবি, আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি। তাঁকে বিজেপি কর্মী হিসেবে মানতেও নারাজ তৃণমূল। এই ঘটনায় এলাকার উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছে কালনা থানার পুলিশ। তবে দেহ আটকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। শান্তিপূর্ণভাবেই মিটেছে রাজ্যের ভোটপঞ্চমী। কিন্ত তার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটছে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের পরদিন অর্থাৎ রবিবার সকালে নদিয়ার চাকদহ বিধানসভার অন্তর্গত শিমুরলিয়া গ্রামে এক বিজেপি কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ করা হয়েছিল, পিটিয়ে খুন করা হয়েছে তাঁকে। ঘটনার জন্য তৃণমূলকেই দায়ি করেছিল বিজেপি শিবির। এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই কালনায় আরেক বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হল।স্থানীয় সূত্রে খবর, কালনার কল্যাণপুরে নিজের বাড়ির পাশেই এক বাগান থেকে অখিল প্রামাণিকের (৪৫) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর ভাই দেবু প্রামাণিকের অভিযোগ, গত কয়েকমাস ধরেই আমাকে আর আমার ভাইকে হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল কর্মীরা। ওরাই আমার ভাইকে খুন করল। পরিবার সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন অখিল। এদিন সকাল হতেই তাঁর খোঁজে বের হন স্ত্রী ও ভাই। তখনই বাড়ি থেকে দুশো-তিনশো মিটার দূরে অখিলের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতদেহটির পা মাটিতে ঠেকেছিল। মাটিতে কয়েক ফোঁটা রক্তও পড়েছিল। তা দেখেই পরিবার ও বিজেপি কর্মীদের দাবি অখিলকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
রাজ্য

মাঝরাত থেকে জায়গায় জায়গায় অশান্তি, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

ভোটপর্ব চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। রবিবার রাতের মধ্যেই অন্তত তিনটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। প্রতি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল। রাতদুপুরে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে শুটআউট, গুলিবিদ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি এক বিজেপি কর্মী। এছাড়া কসবার আনন্দপুর এবং হাওড়ার বাঁকড়াতেও আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কসবা কেন্দ্রের অন্তর্গত আনন্দপুরের পশ্চিম চৌবাগায় বিজেপি কার্যালয় বৈঠক চলাকালীন দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। গেরুয়া শিবিরের মহিলা সদস্যদের হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পার্টি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়, চলে বোতল ছোঁড়াছুঁড়িও। প্রতিবাদে রাতে আনন্দপুর থানা ঘেরাও করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।এরপর আরও রাতের দিকে খবর মেলে, নৈহাটিতে গুলি চলেছে। এক বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কল্যাণীপর জেএনএম হাসপাতালে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের দলের এই সদস্যকে বেশ কয়েকদিন ধরেই হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আগামী ২২ তারিখ এলাকায় ভোটের আগে প্রচারে বেরতেই তিনি আক্রান্ত হলেন। এ নিয়ে রাত পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা ছিল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে পালটা দাবি করেছে, বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নৈহাটিতে শুটআউটের ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, প্রতি দফা ভোটের আগেই এভাবে বিজেপির উপর হামলা চালিয়ে লড়াই থেকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্বাবধানে স্বচ্ছভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। পাশাপাশি, হাওড়ায় ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত। বাঁকড়ার রাজীব পল্লি এলাকায় একদল বিজেপি কর্মী, সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোরে কোচবিহারের সিতাইয়েও আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেও চলে হামলা।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

ভোটের দিন সকালেই নন্দীগ্রামে আত্মঘাতী বিজেপি কর্মী

ভোটের দিন সকালে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল নন্দীগ্রামের ভেকুটিয়ায়। অভিযোগ, বুধবার রাতে তৃণমূলের তরফে উদয়শংকর দেব নামে ওই ব্যক্তিকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। মৃতের পরিবারের দাবি, সেই আতঙ্কেই আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি তৃণমূলের তরফে। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামের পূর্ব ভেকুটিয়ার বাসিন্দা উদয়শংকর দেব। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত তিনি। সক্রিয় কর্মী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ, সেই কারণেই বারবার তৃণমূলের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। রাস্তাঘাটে হেনস্তা করা হত তাঁকে। মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, বুধবার গভীর রাতে একদল তৃণমূল কর্মী তাঁদের বাড়িতে যান। অভিযোগ, ভোট দিতে গেলে তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত আতঙ্কে ভুগছিলেন উদয়শংকর। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়িতেই উদ্ধার হয় ওই ব্যক্তির দেহ। ভোটের দিন সকালে অধিকারীদের গড় নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। তৃণমূলের হুমকির জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন উদয়শংকর, এই অভিযোগ তুলে পথে নামেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব হন তাঁরা। বলেন, তৃণমূল যেভাবে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তাতে আমাদের পক্ষে ভোট দিতে যাওয়া কার্যত অসম্ভব।পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত হবে।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

ভোটের দিন কেশিয়াড়িতে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ

রাজ্যে ভোট শুরুর দিন একাধিক বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে আরও দুঃসংবাদ। ভোটের দিন সাতসকালে বাড়ির উঠোন থেকে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে। এই বিধানসভা কেন্দ্রের বেগমপুর বুথ এলাকার এই ঘটনায় তপ্ত হয়ে ওঠে কেশিয়াড়ি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগে সরব কেশিয়াড়ির বিজেপি প্রার্থী সোনালি মুর্মু। ঘটনার খবর পেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় সূত্রে খবর, কেশিয়াড়ির বেগমপুরে মঙ্গল সোরেন নামে এক বিজেপি কর্মী শুক্রবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। দীর্ঘক্ষণ না ফেরায় থানায় খবর দেয় তাঁর পরিবার। এদিন সকালে মঙ্গল সোরেনের আত্মীয় জানান, দুশ্চিন্তা হচ্ছিল, তাই রাতভর না ফেরায় থানায় গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু সকালের বাড়ির উঠোনেই তাঁর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে তুমুল তরজা শুরু হয়েছে। কেশিয়াড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সোনালি মুর্মূর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে তৃণমূল কর্মীরা মঙ্গলকে খুন করে বাড়ির সামনে উঠোনে ফেলে রেখে যায়। তাঁর মাথায়, ঘাড়ে আঘাত রয়েছে, আঁচড়ের দাগও রয়েছে। পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। সকালে হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের পদস্থ কর্তারা। তদন্ত শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৭, ২০২১
কলকাতা

টিটাগড়ে প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মী

নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা। কোথাও দেওয়াল লিখন নিয়ে বিবাদ তো কোথাও আবার সভাস্থল নিয়ে গণ্ডগোল মাথাচারা দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে শুটআউট ঘিরে বুধবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল টিটাগড় এলাকা। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক বিজেপি কর্মী। এই ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল। যদিও তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধেয় টিটাগড় বাজারে বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর মিছিল ছিল। সেই মিছিল থেকে বিজেপি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ভরসন্ধে বেলা বাজারে পাঁচ রাউন্ড গুলি চলে বলে খবর। বিজেপি কর্মীর বুকে গুলি লাগে। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে রেফার করা হয় তাঁকে।আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম মধু রাও। তিনি টিটাগড়ের বউ বাজারে তাঁর নিজের দোকান রয়েছে। সন্ধেবেলা তিনি সেখানেই বসেছিলেন। তখনই তাঁর উপর হামলা চালায় তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রমণি শুক্লা জানান, রাজ চক্রবর্তীর মিছিল চলাকালীন মধু রাওয়ের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছিলেন তৃণমূল কর্মীরা। মিছিল শেষে তাঁর উপর হামলা চালায়। উল্লেখ্য, মধু রাও আগে তৃণমূল কর্মী ছিলেন। সদ্য বিজেপিতে যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিকে নদিয়ার বেথুনাডহরিতেও থানার সামনে শুটআউটের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ভয়ে দীর্ঘদিন ঘর ছাড়া ছিলেন নাকাশিপাড়া ব্লকের বাসিন্দা ফিরোজ শেখ। দিন দুয়েক আগেই বাড়ি ফিরেছিলেন। তার পরই স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য জাহিদুল শেখের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। এর পর তাঁকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ রয়েছে পঞ্চায়েত সদস্যদের বিরুদ্ধে। তিনি থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে থানার সামনেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মার্চ ২৫, ২০২১
রাজনীতি

একাধিক কর্মসূচি আজ ফের সারাদিন কলকাতায় নাড্ডা

বুধবার রাতে কলকাতা পৌঁছেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আজ দিনভর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। মধ্যাহ্নভোজ সারবেন গৌরীপুরের এক জুটমিল শ্রমিকের বাড়িতে। কী কী থাকবে মেনুতে?জানা গিয়েছে, নাড্ডার মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে থাকবে ভাত, ডাল, আলুভাজা, বেগুনভাজা, করলাভাজা, পনিরের তরকারি, এঁচোড়ের তরকারি, ক্ষির, পাঁপড়, চাটনি। বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টা ১০ নাগাদ জুটমিলে শ্রমিক বিজেপির বুথ সভাপতি দেবনাথ যাদবের বাড়ি যাবেন জেপি নাড্ডা। উল্লেখ্য, আজ কলকাতার হেস্টিংস অফিসের সামনে থেকে লক্ষ্য সোনার বাংলা কর্মসূচির সূচনা করবেন জেপি নাড্ডা। আম জনতা কী চায় সে বিষয়ে সরাসরি জনগণের কাছ থেকেই মতামত বা পরামর্শ নিতে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে আজ থেকে ছুটে বেড়াবে ২৯৪টি ডিজিটাল মোবাইল ভ্যান বা এলইডি রথ। তাতে থাকবে সাজেশনস ড্রপ বক্স। আম জনতার সেই পরামর্শ নিয়েই তৈরি হবে বঙ্গ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার। এদিন নাড্ডা যাবেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। বারাকপুরের আনন্দপুরী কালীবাড়ি মন্দির দর্শন করবেন। আনন্দপুরী খেলার মাঠে জনসভা করবেন তিনি। মঙ্গল পাণ্ডের মূর্তির পাদদেশেও যাবেন তিনি। ৬ ফেব্রুয়ারি নবদ্বীপ থেকে যে রথযাত্রার সূচনা করেছিলেন তিনি। আজ সেই রথযাত্রার সমাপ্তিও এই জনসভার মধ্যে দিয়ে করবেন। বিকেলে নিউটাউনের হোটেলে সাংগঠনিক বৈঠক সেরে সন্ধেয় সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে সভা করবেন তিনি। রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে এই সভা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজ্য

বাম শ্রমিক সংগঠনের আইন অমান্য ঘিরে উত্তাল হাওড়া

বাম শ্রমিক সংগঠনের ডাকে কৃষি আইন বাতিল, বিদ্যুৎ বিল ২০২০ বাতিল, দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদসহ একাধিক দাবিকে সামনে রেখে হাওড়ায় জেলাশাসকের দপ্তরে সামনে আইন অমান্য কর্মসূচি পালিত হল। সোমবার দুপুরে হাওড়া ময়দান উত্তাল হল বামেদের এই কর্মসূচিতে। এদিন মিছিল করে বাম শ্রমিক সংগঠনের কয়েকশো কর্মী হাওড়া ময়দানে আসেন। সেখানে তাঁদের গতিবিধি রুখতে দুটি ব্যারিকেড করে পুলিশ। প্রথম ব্যারিকেড ভেঙ্গে দ্বিতীয় ব্যারিকেডের ওপরে চড়াও হন বাম সমর্থকরা। সেখানে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় বাম শ্রমিক সংগঠন কর্মীদের। দফায় দফায় ব্যারিকেডের ওপরে চড়াও হন বিক্ষোভকারীরা। প্রায় ১ঘন্টা ধরে চলে ওই তান্ডব। উত্তেজিত বিক্ষোভকারীদের সামলাতে হিমশিম খান বাম নেতৃত্ব। শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে ব্যক্তিগত জামিনে মুক্তি দেয়। এই প্রসঙ্গে হাওড়া জেলার সিআইটিইউ সম্পাদক সমীর সাহা বলেন, কৃষি আইন বাতিল, বিদ্যুৎ বিল ২০২০ বাতিল, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ একাধিক জন বিরোধী নীতির প্রতিবাদে এদিনের আইন অমান্য কর্মসূচী নেওয়া হয়।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

পূর্বস্থলীতে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধা্র

ফের বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধা্র। এবার ঘটনাস্থল পূর্বস্থলী। মৃতের নাম সুখদেব প্রামাণিক। পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধা্র করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সুখদেবের বাঁ চোখে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, খুনের নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূলের দাবি, বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই সুখদেব প্রামানিককে খুন করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি কার্যালয়ে আগুন, দেওয়াল লিখন নিয়ে অশান্তি, দিনভর উত্তপ্ত বর্ধমান প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগানায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির কনভয়ে হামলা হয়। ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে শুক্রবার পূর্বস্থলীতে প্রতিবাদ সভা করে বিজেপি। জানা গিয়েছে, সেখানে হাজির ছিলেন সুখদেব প্রামানিকও। এরপরই পূর্বস্থলীতে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। আটকে রাখা হয়েছিল দলীয় কর্মীর দেহ। পরে পুলিশ গিয়ে বিজেপি কর্মী সুখদেবের দেহ উদ্ধার করে কালনা হাসপাতালে পাঠায় ময়নাতদন্তের জন্য।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

কোচবিহারে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

এক বিজেপি কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল তুফানগঞ্জের সুভাষপল্লী এলাকায়। বুধবার স্থানীয় এক স্কুলের সাইকেল স্ট্যান্ড এলাকায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় দেহ। বিজেপির অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ দুর্গাপুরে কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে একযোগে কাজের বার্তা মমতার জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তুফানগঞ্জ মহকুমার অন্দরানফুলবাড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষ পল্লী এলাকার বাসিন্দা স্বপন দাস (৩৫)। বিজেপি কর্মী স্বপনবাবু ছিলেন পেশায় স্বর্নকার। বুধবার সকালে স্থানীয় গার্লস স্কুলের সাইকেল স্ট্যন্ডের বারান্দায় স্বপন দাসের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃতের স্ত্রী সকালে এসে তাঁর স্বামীকে শনাক্ত করেন। মৃতদেহের আশপাশে রক্তের দাগ থাকায় স্থানীয়দের অনুমান স্বপন দাসকে কে বা কারা মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাটি জানাজানি হতেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমান স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি কর্মীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই ঘটনাস্থলে আসে তুফানগঞ্জ থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী। বিজেপির অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধে স্বপন দাসকে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। একই অভিযোগ করেছেন মৃতের স্ত্রী চুমকি দাস। তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পূর্নাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন। ঘটনার রাজনৈতিক কোন রং রয়েছে কিনা তার তদন্ত শুরু করেছে তুফানগঞ্জ থানা পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান হয়েছে কোচবিহার জেলা হাসপাতালে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

উলেন রায়ের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

উলেন রায়ের মৃত্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি। মঙ্গলবার উলেন রায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ বনধ ডাকে বিজেপি। এদিন সকাল থেকেই বনধকে সফল করতে শিলিগুড়ির রাজপথে মিছিল করে বিজেপির একাধিক সাংসদ, রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব। মিছিলে নেতৃত্ব দেন সায়ন্তন বসু, সাংসদ রাজু বিস্তা, নিশিথ প্রামাণিক এবং অগ্নিমিত্রা পাল সহ বিজেপির জেলার অন্যান্য কার্যকর্তারা। এই মিছিল থেকেই মৃত বিজেপি কর্মীর উলেন রায়ের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত দাবি করেন দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা। এই দাবিতে অবিলম্বেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে বিজেপি এমনটাও জানান তিনি। এদিন উলেন রায়ের ময়নাতদন্তের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংসদ। পাশাপাশি গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হচ্ছেন বিজেপি সাংসদরা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। প্রমান লোপাট করতেই রাতের অন্ধকারে ময়নাতদন্ত করেছে প্রশাসন। যদিও রাজ্যপুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে যে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী শটগানের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। পুলিশ শটগান ব্যবহার করে না। বিক্ষোভকারীদের মধ্যেই কেউ শটগান এনেছিলেন এবং খুব কাছ থেকেই গুলি ছোঁড়া হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি নিজে খুন করে বলছে পুলিশ মেরেছেঃ মমতা অন্যদিকে, উলেন রায়ের মৃত্যু নিয়ে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ময়নাতদন্ত শেষ করে রাতারাতি দেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় পরিবারকে। এমন অভিযোগ মৃতের পরিবারের। তবে এই অবস্থায় দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে অস্বীকার করেন উলেন রায়ের পরিবার। পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তারা। তাঁদের অভিযোগ, ময়নাতদন্ত হয়ে গিয়েছে জানিয়ে তাঁদের মুচলেকা লিখতে বলা হয় পুলিশের তরফে। মুচলেকায় অজ্ঞাত পরিচয়ের দেহ লিখতে বলায় তাঁরা দেহ নিতে অস্বীকার করেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সাদা কাগজে পুলিশের লেখা বয়ানেই জোর করে সই করতে হয়েছে তাঁদের। এমনকি মুচলেকায় উলেন রায়কে বিজেপি কর্মী বলে উল্লেখ করা হয়নি। রাতে কেন ময়নাতদন্ত হল? পাশাপাশি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার চাপ কেন এমন একাধিক অভিযোগ জানিয়ে ফের দেহের ময়নাতদন্তের দাবি করেছে উলেন রায়ের পরিবার। এছাড়াও উত্তরকন্যা অভিযানে মৃত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের পরিবারের যাবতীয় দায়িত্ব নিল উত্তরবঙ্গের বিজেপির চার সাংসদ। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের মান্তাদারি গ্রামপঞ্চায়েতের মেনঘোড়া গ্রামে যান কোচবিহারে বিজেপি সাংসদ, নিশিথ প্রামানিক, জলপাইগুড়ির সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত কুমার রায়, দার্জিলিং -এর সাংসদ রাজু বিস্তা, বিজেপির রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, বিজেপির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন মৃতের পরিবারকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। এছাড়াও ওই পরিবারের পাশে সবসময় থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

উত্তরকন্যা অভিযানে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি পুলিশের

উলেন রায়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নামল সিআইডি ও এসটিএফ। মঙ্গলবার সকালে এনজেপি থানায় যান এসটিএফ ও সিআইডির এক প্রতিনিধিদল। কীভাবে উলেন রায়ের মৃত্যু হল সেই বিষয়ে থানার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সকালে রাজ্য পুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়, শিলিগুড়িতে নিহত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের ময়নাতদন্ত হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর শরীরে ছররা গুলি লাগার চিহ্ন রয়েছে। তবে পুলিশ ছররা গুলি ব্যবহার করে না। নিশ্চয়ই ওই মিছিল কোনও দুষ্কৃতী ছিল। তারাই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির ময়নাতদন্ত রিপোর্টে স্পষ্ট যে, কেউ খুব সামনে থেকে ওই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। অশান্তি তৈরির জন্য এ কাজ করা হয়েছে। সিআইডি ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সত্যি সামনে আসবে। তিন চিকিৎসকের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। ভিডিওগ্রাফিরও দাবি জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিঠিও দিয়েছে বিজেপি। সায়ন্তন বসু বলেন, পুলিশই গুলি চালিয়েছে। পরিবারকে জোর করে মুচলেকা লেখা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানে রণক্ষেত্র শিলিগুড়ি, মৃত্যু এক কর্মীর

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানে পুলিশের লাঠির ঘায়ে এক বিজেপি কর্মীর মৃত্যু্র অভিযোগ উঠল। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম উলেন রায়। বয়স ৫০ বছর। বাড়ি গজলডোবায়। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আমাদের কর্মী উলেন রায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। খবর পাওয়া গেছে, সেখানে তিনি মারা গেছেন। আমাদের বহু কর্মী আহত হয়েছেন। কয়েকজন রাস্তায় আছেন। আর কয়েকজন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তৃণমূল খুনের রাজনীতি শুরু করেছে। সিপিএম খুনের রাজনীতি করে বিদায় নিয়েছে। তৃণমূলকেও একইভাবে বিদায় নিতে হবে। উলেন রায়ের মৃত্যু্র পর হাসপাতালে যান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি সেখানে মৃতের পরিবারের লোকেদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিবারের লোকেরা দাবি করেন, পুলিশের লাঠির ঘায়ে বিজেপই কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক দীপেন প্রামানিক অভিযোগ করেন উত্তরকন্যার দিকে এগোনোর সময় বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। লাঠির আঘাতে তাঁদের বেশ কয়েকজন ঘায়েল হন। এঁদের মধ্যে মহিলা কর্মীরাও রয়েছেন। গুরুতর জখম উলেন রায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে মারা যান তিনি। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে অবশ্য মন্ত্রী গৌতম দেব বলেছেন, এই অভিযানে কারও মৃত্যু হয়নি। পুলিশের তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি। পুলিশের তরফ থেকে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, কোনওরকম গুলি চালানো হয়নি। আরও পড়ুন ঃ ভোটের আগে ব্ল্যাকমেলিং, বার্গেনিং করার চেষ্টা করে তৃণমূলকে জব্দ করতে পারবেন নাঃ মমতা অন্যদিকে, বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি এলাকা। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করতেই তিনবাত্তি মোড়ে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপির কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নেমে পড়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী। সোমবার বেলা একটু বাড়তেই বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা জড়ো হন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নেয়। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি মোড় থেকে মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসু। বাকি দুটি মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়। বেলা ২ টো নাগাদ শিলিগুড়ির তিনবাত্তি মোড়ে আচমকা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন যুব মোর্চার কর্মীরা। পুলিশ-বিজেপি কর্মী ধস্তাধস্তিতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিনবাত্তি মোড়ের কাছে রাস্তায় বসে পড়েন যুব মোর্চার কর্মীরা। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে পুলিশের তরফে ঘোষণা করা হয়, ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। বিজেপির এই জমায়েতকে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেনি বিজেপির যুব মোর্চা। অভিযোগ উঠেছে, বিজেপির মিছিল আটকাতে তিনবাত্তি মোড়ে যে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে তাতে ব্যবহার করা হয়েছে মোবিল ও গ্রিজ। আন্দোলনকারীরা যাতে এই ব্যারিকেড টপকাতে না পারে সেই জন্য এই ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। আর কেমিক্যালের এই ব্যবহার নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। সবমিলিয়ে এলাকায় দুই-তরফে খন্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। পুলিশের তরফে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, লাঠিচার্জ ব্যবহার করা হয়। পাল্টা ঢিল, লাঠি দিয়ে পুলিশের উপর আক্রমণ করে বিজেপিরও। এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। ইতিমধ্যেই পুলিসের বহু আধিকারিক আক্রান্ত হয়েছেন। জখম হয়েছেন বিজেপির নেতা- কর্মীরাও। কাঁদানে গ্যাসের জেরে অসুস্থ বোধ করতে থাকেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। ব্যারিকেড ভাঙতে গিয়ে আহত হন কোচবিহার জেলা বিজেপি সভানেত্রী মালতি রাভা রায়ও।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

খেজুরিতে বিজেপি কর্মীদের উপর বোমাবাজি ও গুলির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি থানার খেজুরি ২ দক্ষিণ মণ্ডলের বোগা মোড়ে বিজেপির তরফে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে জমায়েত করেন বিজেপি কর্মীরা। কিছুক্ষণ পরেই হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও গুলিও চলে। আরও পড়ুন ঃ টুইটে করে ফের রাজ্যের পাওনার দাবিতে সরব ডেরেক অভিযোগ, একের পর বিজেপি কর্মীদের বাইকে ভাঙচুর চালায় অভিযুক্তরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় খেজুরি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। বিজেপির অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতেই এই হামলা। যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বে। তাদের দাবি, এটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্ধের ফল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তারাতলা

মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে তারাতলায় বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার। পুলিশ মিছিল আটকালে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তাদের তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায়। বেঁধে যায় ধস্তাধস্তিও। ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারাতলা মোড় থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচি ছিল। কিন্তু মিছিল শুরু হওয়ার আগেই তা আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপরই তারাতলা মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। তাঁদেরও বিক্ষোভ থেকে উঠিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোনর চেষ্টা করে বিক্ষোভকারিরা। এমনকি তাঁরা গার্ডরেল গুলিও ছুঁড়ে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মোড়ের আশেপাশের গলিতে থাকা বিজেপির নেতা-কর্মীদেরও টেনে বের করে আনতে দেখা যায়। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব কল্যাণ আটক করা হয় বহু বিজেপি নেতা কর্মীদের। রেহাই পাননি মহিলা মোর্চার কর্মীরাও। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায়। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুলিশ কর্মী। অটোয় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও লাঠিচার্জ-গ্রেপ্তারির পরও বারবার করে ফের জমায়েত করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পরে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ। আমরা জনতার সুবিধার জন্য মিছিল করেছি। কিন্তু মমতার সরকার তা হতে দেবে না। দুর্নীতির বড় উদাহরণ মাঝেরহাট ব্রিজ।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
কলকাতা

সম্মান না পাওয়ায় তৃণমূল ভবনের সামনে বিক্ষোভ দলীয় কর্মীদের

দলে পর্যাপ্ত সম্মান পাচ্ছেন না , এই অভিযোগে শনিবার তৃণমূল ভবনের সামনে বিক্ষোভে সামিল হলেন দলীয় কর্মীরা। এদিন বেলার দিকে মেদিনীপুর থেকে দার্জিলিং বিভিন্ন প্রান্তের কয়েকশো কর্মী জড়ো হন তৃণমূল ভবনের সামনে। নিরাপত্তারক্ষীরাও তাঁদের সরাতে পারেননি। সারা দুপুর তৃণমূল ভবনের সামনের রাস্তা দুধারে তাঁরা অবস্থান করেন। কখনও কখনও স্লোগান তুলে বিক্ষোভও দেখান। বারবারই দাবি করতে থাকেন যে তাঁরা নেত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁকেই সমস্যার কথা জানাবেন। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রে এখন ফেক নিউজের সরকার চলছেঃ কাকলি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাঁদের বক্তব্য, আমরা দলের বহু পুরনো কর্মী। কিন্তু তেমন গুরুত্ব পাচ্ছি না। ভোট কিংবা দলের অন্যান্য কাজে আমাদের ডাকা হচ্ছে না। তাই আমরা নেত্রীর কাছে জানতে এসেছি, এর কারণ কী। আমরা আবার ভোটের কাজ করতে চাই আগের মতো। আমাদের দলকে ফের ক্ষমতায় আনতে চাই।এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নামেন সুব্রত বক্সি। তিনি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন, অভিযোগের কথা শোনেন। তারপর জানান যে আগামী বৃহস্পতিবার তাঁদের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তিনি নিজে আলোচনায় বসবেন। সমস্ত শুনে সমাধানের চেষ্টা করবেন। এতে খানিকটা আশ্বস্ত হন দলীয় কর্মীরা। অবস্থান বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে ফিরে যান।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

দলীয় কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির

অন্যায়ভাবে বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকেই খড়্গপুর টাউন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিক্ষোভ চলতে থাকে। বিক্ষোভ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের প্রথমে বচসা বাধে। তারপর ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। প্রসঙ্গত , বুধবার খড়্গপুর শহরের আঠারো নম্বর ওয়ার্ডের কার্যকর্তা লিপু বেরাকে গ্রেপ্তার করে খড়্গপুর টাউন থানার পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে শুরু লোকাল ট্রেন চলাচল এরই প্রতিবাদ জানাতে খড়গপুর টাউন থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেয় বিজেপি। বিজেপির এই কর্মসূচির জেরে খড়্গপুর শহরে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় প্রচুর পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীদের উপর হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ফের বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হালিশহর মহাশ্মশানে। এই ঘটনায় বিজেপি যুব মোর্চার দুজন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ , হালিশহর শ্মশানে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ দাহ করতে এসে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে এই দুই বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম শান্তনু গাঙ্গুলি ও সুকান্ত গাঙ্গুলি। শ্মশানে তাঁদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। আহত হয়ে দুজনই আপাতত কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার গভীর রাতে এক বন্ধুর বাবার শেষকৃত্যের জন্য শ্মশানে গিয়েছিলেন সুকান্ত ও শান্তনু। আরও পড়ুন ঃ দলের মহিলা কর্মীকে কুপ্রস্তাব, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাতে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডাবাহিনীর প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন আমাদের উপর আচমকা চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। আমরা বিজেপি যুব মোর্চার সদস্য, সেটাই আমাদের অপরাধ।এদিকে এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে নদীয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে জখম বিজেপি কর্মীদের দেখতে যান ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং । তিনি বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে । জনসমর্থন নেই। তাই আমাদের নিরীহ কর্মীদের উপর হামলা করছে। তৃণমূলের সরকার আর বেশিদিন নেই। এভাবে মারধর করে বিজেপির জয় আটকাতে পারবে না। পুলিশকে বলে লাভ হবে না। বাঁচতে গেলে আমাদের পালটা দিতে হবে। তৃণমূলের তরফ থেকে অবশ্য বিজেপির উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার

রাজ্য সফরে এসে পূর্বসূচি অনুযায়ী চতুরদিহি গ্রামে গিয়ে বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুপুর তিনটে নাগাদ তিনি বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে আসেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্বাগত জানান। তিনি প্রথমে উঠোনে থাকা খাটিয়াতে বসেন। তারপর তাকে যখন খেতে দেওয়া হয় , তখন তিনি খেঁজুর পাতার চাটাইয়ের উপর বসেন। কাঁসার থালার উপর কলাপাতায় মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। মেনুতে ছিল, ভাত, শাক, পটল বেগুন ভাজা, বিউলির ডাল, কুমড়োর ডালনা, আলু পোস্ত ও পোস্তর বড়া। আর শেষ পাতে ছিল চাটনি ও বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ। তিনি অবশ্য মিষ্টি খাননি। তাঁর সঙ্গে খেতে বসেছিলেন বিভীষণ হাঁসদা , দিলীপ ঘোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা-সহ অন্য নেতারাও। খাওয়ার পর রান্নার প্রশংসা করতে ভোলেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি টুইটে লেখেন, চতুরডিহি গ্রামে শ্রী বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে চমৎকার বাঙালি খাবার খাওয়ার সুযোগ পেলাম। কোনো শব্দই তাদের আতিথেয়তা বর্ণনা করতে পারবে না। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে রেঁধে খাওয়ানো গীতা মাহালিকে হোমগার্ডের চাকরি দিল রাজ্য অবশ্য বিজেপি কর্মী বিভীষণ হাঁসদা বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী মণিকাকে নিয়ে আমাদের পরিবারে মোট ৬ জন সদস্য। দিনমজুরির কাজ করেই সংসার চলে। আমার একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। মেয়ে রচনা হাঁসদা বর্তমানে ক্লাস টুয়েলভ পড়ে। এমনিত পড়াশোনায় ভাল তবে মধুমেহ রোগের জন্য তাকে মাসে তিন বার ইনসুলিন নিতে হয়। এর জন্য প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা খরচ হয়। আমি ভেবেছিলাম আজ এই বিষয়ে সাহায্য করার জন্য আবেদন জানাব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। কিন্তু, প্রচুর মানুষের ভিড় তাঁকে আর সেই কথা বলে উঠতে পারলাম না। তাই ভাবছি চিঠি লিখে মেয়ের চিকিৎসায় সাহায্য করার জন্য ওনার কাছে আবেদন জানাব।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

দলীয় কর্মীকে খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে মিশ্র প্রভাব কল্যাণীতে

দলীয় কর্মীকে খুনের অভিযোগে বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার বন্ধে মিশ্র প্রভাব পড়ল কল্যাণীতে। গয়েশপুর এলাকায় বন্ধ কিছুটা সফল কল্যাণীর অন্যান্য এলাকায় বন্ধের কোনও প্রভাব পড়েনি। কল্যাণীর বিভিন্ন জায়গায় এদিন দেখা গিয়েছে বন্ধ উপেক্ষা করে যানচলাচল করছে । খোলা রয়েছে দোকানপাটও। এদিকে এদিন বন্ধের সমর্থনে বাইক মিছিল করে বিজেপি কর্মীরা। বন্ধ সমর্থনের জন্য সকালে মিছিলও বের করে বিজেপি। ইতিমধ্যে মিছিল করার অপরাধে কল্যাণী থেকে ৬ জন বিজেপি কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। কল্যাণীতে তারা টায়ার জ্বালিয়ে ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভও দেখায়। কিন্তু ওই পর্যন্তই। এদিন বিজেপি নেতাদের টিকিটাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এদিন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এদিকে তৃণমূলের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে , বিজেপির বন্ধকে আদৌ গুরুত্বই দেননি সাধারণ বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ ফের স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে সাধারণ যাত্রী উঠতে চাওয়ায় ধুন্ধু্মার বৈদ্যবাটি স্টেশনে প্রসঙ্গত , রবিবার সকালে নদিয়ার গয়েশপুরে গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় বিজেপি কর্মী বিজয় শীলের দেহ উদ্ধার হয় । তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে খুনের অভিযোগে সরব হয়ে ওঠে বিজেপি। তখনই বিজেপি নেতৃত্ব সোমবার ১২ ঘণ্টার জন্য কল্যাণী বন্ধের ডাক দেয়। থানা ঘেরাও কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করে। এদিকে , পরিবারের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে , বিজয় কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিল না।

নভেম্বর ০২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal