• ২০ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

West Bengal

রাজনীতি

দার্জিলিং পুরসভার ১৭ কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায়

২০২১-এ তৃণমূলকে ফের ক্ষমতায় আনতে তাঁরাও যে মন-প্রাণ দিয়ে লড়াই করবেন, তা স্পষ্ট করে দিলেন বিমল গুরুং । বৃহস্পতিবার কলকাতায় তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন , বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করেনি। ১৭ বছর ধরে ওদের সঙ্গে রয়েছি আমরা। গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে স্থায়ী সমাধানের জন্য কিছুই করেনি বিজেপি। তাই আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করব। ওঁনাকে আমাদের দাবি-দাওয়া জানিয়েছি। আমি নিশ্চিত উনি আমাদের দাবি পূরণ করবে। আমি চেয়ারে বসার জন্য রাজনীতি করি না। আমি আগামীকে আরও সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার জন্য রাজনীতি করি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে যা করতে হবে আমরা তাই করব। বিজেপিকে চরম শিক্ষা দেব। আরও পড়ুন ঃ রাজ্য নেতৃত্বকে বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন অমিত শাহ এদিন দার্জিলিং পুরসভার ১৭ জন কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে ফিরলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায়। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিমল গুরুং। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরিও। এদিন দার্জিলিং পুরসভার কাউন্সিলররা জানান, বিজেপি তাদের কথা রাখেনি। যে আশায় তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তার কিছুই হয়নি। তাই এদিন তাঁরা বিজেপি ছেড়ে আবার গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায় ফিরলেন। এদিন বিনয় তামাংকে নিয়ে প্রশ্ন বিব্রত হন গুরুং। সাফ জানিয়ে দেন, বিনয় তামাংকে নিয়ে তিনি এখানে কিছু বলতে আসেননি। বিনয় তামাং কী বলছেন সেটা তাঁর ব্যাপার। উনি কী বললেন সেটা নিয়ে ভাবছি না।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ

রাজ্যের রাজ্যপালের পাহাড় সফর নিয়ে যাঁরা বিরোধিতা করছেন তাদের পাহাড়ে ওঠার হিম্মত নেই। তাই তাঁরা রাজ্যপালকে নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সমালোচনা করছেন। মঙ্গলবার সকালে বিষ্ণুপুর রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে চায়ে পে চর্চা কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে রাজ্যপালের স্বপক্ষে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি আরও বলেন , রাজ্যপালের পাহাড় সফর যুক্তি সম্মত। রাজ্যপালের পাহাড়ে যাওয়াতে পাহাড়ের মানুষ সাহস পাবে, উৎসাহিত হবে। একজন রাজ্যপাল তার দায়িত্ব কর্তব্যকে বজায় রেখে কাজ করছেন। আরও পড়ুন ঃ বিমল গুরং আইনের ঊর্ধ্বে নয়ঃ বিনয় উল্লেখ্য , পাহাড় ইস্যুতে বুধবার নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে বিনয় তামাংয়ের। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন , যাঁরা রাষ্ট্রদ্রোহী যাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ রয়েছে তাদের হাত ধরে মমতা ব্যানার্জী পাহাড়ে উঠতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাই করুক পাহাড়ে তৃণমুলের ঝান্ডা উড়বে না। এদিনের এই কর্মসূচিতে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দু আসলে দরজা খোলা , জল্পনা বাড়িয়ে ইঙ্গিত দিলীপের

ওনারা ওকে বিজেপিতে পাঠিয়েই দেবেন? আমরা দরজা বড়ো করে খুলে রেখেছি সবাইকে নেওয়ার জন্য। ওনারা যদি কাউকে পাঠিয়ে দেন আমরা দলে নেব। রবিবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর সুলঙগুড়িতে চা চক্রে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত , ববি হাকিম বলেছিলেন , শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গিয়ে বিজেপি তাদের রাজ্য সদর দফতর মুরলিধর সেন স্ট্রিটে বসাক। সেই কথার সূ্ত্র ধরেই এদিন এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, একজন রাজনীতিবিদ রাজনীতি করতে চাইলে বিজেপি সুযোগ দেবে। আমার সঙ্গে অবশ্য কারও কোনো আলোচনা এখনও হয়নি। ববি-শুভেন্দুর বাকযুদ্ধ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, সেটা ওদের পার্টির ভিতরে চলছে। আমার কিছু বলার নেই। তারাই মিটিয়ে নিক নিজেদের ব্যাপার। আরও পড়ুন ঃ আগুনে পুড়ে মৃত্যু জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর রেল প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এই নিয়ে এতদিন বসেনি কেন ? কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চিঠি লিখেছে। ওনাদের কানে জল ঢোকেনি। যখন মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে , পুলিশ লাঠি চালাচ্ছে। তখন এই সরকার নড়েচড়ে বসছে। এদের চামরা এত মোটা হয়ে গেছে। কানে তালা লেগে গেছে। মানুষের দুঃখ - কষ্ট শুনতে পায় না। যদি অন্যান্য রাজ্যে লোকাল ট্রেন চলতে পারে , এই রাজ্যে মেট্রো , টোটো , অটো , বাস , ট্রাম চলতে পারে। তাহলে লোকাল ট্রেন কেন চলবে না ? এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, জেদের জন্য এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই বিষয়ে তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের অনুগতঃ ধনকড়

রাজ্য সরকার কোনও আইন-শৃঙ্খলা মানছে না। সংবিধান মানছে না। শাসন চালাতে গেলে সংবিধান মানতে হবে, তা এখানে মানা হচ্ছে না । ফের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যকে আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রসঙ্গত , শনিবার তিনি পৌঁছান শিলিগুড়িতে। রবিবার তিনি দার্জিলিঙের উদ্দেশে রওনা হবেন। তার আগে শিলিগুড়িতে এক সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেন , কেন্দ্রের প্রকল্পের বিরোধিতা করছে রাজ্য । রাজ্য আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সাহায্য নেয়নি । সংকটের সময় সাহায্য নেওয়া উচিত ছিল । করোনা পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে , রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে । প্রকল্পের সাহায্য নিলে পরিস্থিতি আলাদা হত । প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প নিয়ে তিনি বলেন , কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকা পেয়েছে কৃষকরা। দেশের সব জায়গায় সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা চলে গেছে । পশ্চিমবঙ্গের কৃষকরা তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে । আরও পড়ুন ঃ ট্রেন চালানোর আবেদন জানিয়ে রেলকে চিঠি মুখ্যসচিবের রাজ্যে নারী নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ , রাজ্যে ধর্ষণ বেড়েছে । মেদিনীপুরে 33 শতাংশের বেশি ধর্ষণের অভিযোগ এসেছে । সরকারি রিপোর্ট তাই বলছে । সরকারী কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাজ্যপাল বলেন , উত্তরবঙ্গে সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের অনুগত । আমার কাছে রিপোর্ট এসেছে। রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করবেন না । আপনাদের বয়স কম , আগুন নিয়ে খেলবেন না। আইন আপনাকে ছাড়বে না। পাশাপাশি তিনি জানান , রাজনীতিতে কে হারল , কে জিতল , সেটা আমি পাত্তা দিই না । যা করছি , সেটা আমার কাজ । উত্তরবঙ্গে সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করব ।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

ট্রেন চালানোর আবেদন জানিয়ে রেলকে চিঠি মুখ্যসচিবের

বিশেষ কয়েকজোড়া ট্রেন চালানোর আবেদন নিয়ে রেলকে চিঠি লিখলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এইচ কে দ্বিবেদী। রেলের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিলেন তিনি। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে টুইট করে খবরটি জানানো হয়েছে।সেখানে স্বরাষ্ট্রসচিব এইচ কে দ্বিবেদী লিখেছেন , এর আগে মেট্রো চলাচলও যথেষ্ট সতর্কতা ও দক্ষতার সঙ্গে চালু করতে সক্ষম হয়েছে রাজ্য। এবার রেলের সম্মতি মিললে সকাল ও সন্ধ্যেবেলায় বিশেষ কয়েকজোড়া ট্রেনও ভালভাবেই চলতে পারবে এ রাজ্যে। তাতে জনসাধারণেরও অনেক সুবিধা হবে। হাওড়ার ঘটনা নিয়ে তিনি চিঠিতে লিখেছেন , এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে শুধুমাত্র রেলকর্মীদের জন্য রাজ্যে বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে এবং তাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অধিকার নেই। স্পেশ্যাল ট্রেনে উঠতে চাওয়া যাত্রীদের প্রতি আরপিএফের আচরণ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। অন্যদিকে , শনিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রেল ও কেন্দ্রের এই ভূমিকা নিয়ে রাজ্য সরকার ক্ষুব্ধ ও ক্ষুন্ন। আলোচনার মাধ্যমে লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য আমরা অনেক আগেই চিঠি দিয়েছিলাম রেলকে। কিন্তু রেল আমাদের কথা শোনেনি। মেট্রো পরিষেবা যেরকম চালু হয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সেভাবে লোকাল ট্রেন চালুর জন্য আমরা পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে চিঠি দিয়েছি। পূর্ব রেল জানিয়েছে, সোম-মঙ্গলবারের মধ্যে তারা অফিসার পাঠিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি-ভাইরাসের ভ্যাকসিন কী? আরামবাগে জানালেন শান্তনু প্রসঙ্গত , আনলক পর্বে রাজ্যে শুধুমাত্র রেলকর্মীদের জন্যই বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে। সেই স্পেশাল ট্রেনে উঠতে চাইছেন সাধারণ নিত্যযাত্রীরা। এনিয়ে রেল পুলিশের সঙ্গে যাত্রীদের প্রতিদিন বচসা লেগেই রয়েছে। শুক্রবারের পর শনিবারও যাত্রী বিক্ষোভে উত্তাল হয় হাওড়া স্টেশন চত্বর। রেলকর্মীদের জন্য বরাদ্দ ট্রেনে ওঠার দাবি নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে জড়ো হন যাত্রীরা। ক্যাব রোডের গেট দিয়ে ওই যাত্রীরা ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করতেই আরপিএফ বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আরপিএফের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন যাত্রীরা।

নভেম্বর ০১, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে ফের রাজ্যে কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

শুক্রবারও কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৭৯ জন। এর ফলে আক্রান্তের সংখ্যা মোট বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৯ হাজার ৬৭১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ১৫ জন। এনিয়ে বাংলায় মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৮৮ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৮.১৬ শতাংশ। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৫৯ জন। এর ফলে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৭৮৪ জন। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় ফের দৈনিক করোনা সংক্রমণ চার হাজারের কাছাকাছি সংক্রমণের নিরিখে ফের শীর্ষে কলকাতা। একদিনে শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮০ জন। কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে সংক্রমিত ৮৬৬ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ৪৩ হাজার ৭৭৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় এখনও পর্যন্ত মোট কোভিড পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ লক্ষ ১২ হাজার ২৭০ জনের।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজনীতি

‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে’ : দিলীপ

বিজয়া দশমীতে দলের নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এক খোলা চিঠিতে তিনি লেখেন, মা আমাদের জন্য নিয়ে আসেন শুভশক্তি ও তাঁর আশীর্বাদ দিয়ে যান , যা আমাদের অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রেরণা যোগায়।বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসেবে সংঘাত ও সফলতার সুপরিচিত যাত্রাপথে বেশ কয়েকটা বছর কেটে গেল। আজ বিজয়া দশমীর পুণ্য দিনে আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু অব্যক্ত মনের কথা তুলে ধরা খুব প্রাসঙ্গিক মনে হল। বিগত কয়েক বছর যাবৎ আপনারাই আমার ভাই , বোন, বন্ধু , পরিবার। আমার আজও মনে আছে সেদিনের কথা, যেদিন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমার কাঁধে রাজ্য সভাপতির গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেন এবং আপনারা পরম আন্তরিকতার সাথে আমাকে সসম্মানে বরণ করে নিয়েছিলেন। আপ্লুত হয়েছিলাম সেদিন, প্রতিজ্ঞা করেছিলাম সাফল্য অর্জন করে আপনাদের সম্মানিত করব। ঠিক সেদিন থেকেই আমি নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও আনুগত্যের সাথে দায়িত্ব নির্বাহ করার প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে গিয়েছি। অতি প্রয়োজন ছাড়া একদন্ড অবসর নিইনি।আপনাদের মত আমিও আমার ব্যক্তিগত সুযোগ সুবিধার চেয়েও দলের প্রয়োজনীয়তা কে অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আরও পড়ুনঃ হেরে গেলে তৃণমূলের অত্যাচার থেকে বাঁচতে অন্য রাজ্যে বাসস্থান খুঁজতে হবে , হুঁশিয়ারি অনুপমের দলীয় কর্মীদের সাথী সম্বোধন করে তিনি বলেন, একমাত্র আপনাদের ভালবাসা আর কর্তব্যনিষ্ঠার বলে বলীয়ান হয়ে, ঈশ্বরের আশীর্বাদকে সঙ্গী করে আজ আমরা আমাদের দলকে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে পেরেছি। আজ যখন আমি পেছন ফিরে দেখি স্মৃতির সরণি বেয়ে একাধিক আনন্দঘন ঘটনা স্মৃতিপটে প্রতিফলিত হয়, যা কিনা সম্পূর্ণভাবেই আপনাদের আন্তরিকতা ও একাগ্রতার ফসল বলে আমি কায়মনোবাক্যে বিশ্বাস করি। ২০১৬ সালের নির্বাচনে ১০% জনগণের আশীর্বাদপুষ্ট আমাদের দল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৪০% এর উপর মানুষের আশীর্বাদে ধন্য হয়েছে, যা আপনাদের হার না মানা জেদ তথা অধ্যাবসায়ের ফলেই সম্ভবপর হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৮ জন সাংসদ কে জিতিয়ে আনা, আপনাদের ত্যাগ তিতিক্ষা দায়বদ্ধতার স্বপক্ষেই এক প্রামাণ্য দলিল। ২০১৪ সালে সারা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গও যখন মোদী ম্যানিয়ায় আক্রান্ত ছিল তখন আমরা মাত্র ২ টি লোকসভা আসন জয় করতে সমর্থ হয়েছিলাম, যেখানে শতকরা ভোটার হার ছিল মাত্র ১৭%। 2016 সালে আমার কৰ্মলগ্ন শুরু হয় রাজ্যের তিন প্রান্তের মাত্র তিনটি বিধায়ক দিয়ে । সেখানেই আমরা থেমে থাকিনি। আমাদের বিজয়রথ ক্রমাগত শাসকের দমন-পীড়ন নীতিকে উপেক্ষা করে , পুলিশি নির্যাতন , কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা , খুন - সন্ত্রাস সত্ত্বেও এগিয়ে চলেছে।একটা সময় ছিল যখন বুথ ভিত্তিক কার্যকর্তা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ছিল। আজ প্রায় সব বুথেই একাধিক কর্মী সক্রিয়, কোন কোন বুথে তো কর্মী সংখ্যা শতাধিক অতিক্রান্ত। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে, কারণ পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র আজ বিপন্ন , শাসকের ক্রমাগত বঞ্চনা-দূর্নীতি-অপশাসনে মানুষ অতিষ্ঠ।সোনার বাংলা গড়তে আমরা রাজ্যবাসীর কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজ্য সভাপতি হিসেবে আপনাদের কাছে আবেদন যে, বাংলার স্বার্থে, বাঙালীর স্বার্থে আবারও একবার নিজেদের উজাড় করে দিয়ে আমাদের প্রমাণ করে দিতে হবে যে সদিচ্ছা থাকলে যে কোন অসাধ্য সাধন আমাদের কাছে অতি ক্ষুদ্র বিষয়। আমাদের পারদর্শিতা আমরা বারবার প্রমাণ করেছি তা সে লোকসভা ভোটই হোক অথবা পঞ্চায়েত। লক্ষ্য এবার একুশের বিধানসভা, আমাদের সকলকে একজোট হয়ে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনতেই হবে। সময় এসেছে যখন আমাদের এক সূত্রে গ্রথিত হয়ে সমবেত কণ্ঠে সঙ্কল্প গ্রহণ করে বলতে হবে যে করব মোরা লড়ব মোরা সোনার বাংলা গড়ব মোরা। এদিন তিনি অস্ত্র পুজো করেন। তিনি বলেন , অধর্মের ওপর ধর্মের বিজয়, অন্যায়ের উপর ন্যায়ের বিজয়, এটাই বিজয়াদশমীর আহ্বান। শস্ত্র হচ্ছে শক্তির প্রতীক, দেশ-ধর্ম-সমাজ রক্ষার জন্য শস্ত্রের প্রয়োজন, শস্ত্রই আমাদের রক্ষা করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
উৎসব

অতিমারীর খারাপ প্রভাব থেকে সকলকে রক্ষা করুক আনন্দ উৎসব , টুইট রাজ্যপালের

সকলকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানিয়ে টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ্তিনি টুইটে আরও লেখেন , এই মহাপর্ব মন্দের উপরে ভালোর জয় এবং অসত্যের উপরে সত্যের জয়কে চিহ্নিত করে। এই আনন্দ উৎসব অতিমারীর খারাপ প্রভাবের হাত থেকে সকলকে রক্ষা করুক। আরও পড়ুনঃ মহাষ্টমীতে ঢাকের তালে জমিয়ে নাচলেন নুসরত আমাদের সকলের জন্য নিয়ে আসুক শান্তি, সমৃদ্ধি, এবং সুখ। এর আগেও তিনি পুজো্র মধ্যে টুইট করে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, রবিবারের সকালেই তিথি অনুযায়ী বিজয়া দশমী পড়ে গিয়েছে। তারপরই তাঁর টুইটটি করেন রাজ্যপাল।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

সমস্ত রেকর্ড ভেঙে বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪১৫৭

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ১৫৭ জন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৩৭ হাজার ২৮৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৬৪। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬০৮ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৯১১ জন। আরও পড়ুনঃ সংক্রমণে রেকর্ড ভেঙে একইদিনে আক্রান্ত ৪ হাজার ৬৯ রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৪৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৩০৮। বৃহস্পতিবার ৪৪ হাজার ২৫২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৯৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
কলকাতা

ছাড়লেন এনডিএ , একুশে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোট ময়দানে বিমল গুরুং

এনডিএ ছাড়ছেন তিনি। একুশের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়বে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। হঠাৎ বুধবার কলকাতায় এক অভিজাত হোটেলে বসে সাংবাদিক বৈঠক করে এই মন্তব্য করেন গোর্খা নেতা বিমল গুরুং। তিনি বলেন, ১২ বছর ধরে লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন করছি। কিন্তু আমরা কী পেয়েছি? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ সকলেই আশ্বাস দিয়েছিলেন গোর্খাল্যান্ডের দাবির স্থায়ী সমাধানের ব্যাপারে। ভোট ইস্তেহারেও সে কথা লিখেছিলেন। কিন্তু গত ৬ বছরে কিছুই তো হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলে শুধু বলেন, দেখছি, হবে। তুলনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বরং ভাল। উনি আমাদের কথা শুনেছিলেন। তার পর কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন। সাংবাদিক বৈঠকে এর পরেই গুরুং বলেন, আমি কেন্দ্রে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট তথা এনডিএ-র শরিক। কিন্তু আজ এই মুহূর্ত থেকে এনডিএ ছাড়ছি। সেই সঙ্গে এই অঙ্গীকার করছি যে একুশের বিধানসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ে ভোট লড়ব। সেই সঙ্গে গোর্খাল্যাণ্ডের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করব। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে গুরুং বলেন , এখনও তৃণমূলের কারও সঙ্গে আমার আলোচনা হয়নি। গুরুংয়ের সঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে রোশন গিরি উপস্থিত ছিলেন। গুরুং আরও বলেন, আমি রাজনৈতিক কর্মী। কোনও অন্যায় করিনি। এর পরেও যদিব পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে তা হলে জেলে যেতে রাজি। সেখানে বসেই কাজ করব। আরও পড়ুনঃ পুলিশের প্রশংসা করে টুইট রাজ্যপালের প্রসঙ্গত , এদিন বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ সল্টলেকের গোর্খা ভবনের সামনে হাজির হয় গো্র্খা জনমুক্তি মোর্চার পলাতক এই নেতার গাড়ি। তবে এদিন গোর্খা ভবনের গেট বিমলের জন্য খোলেনি। এক পুলিশকর্মী গোর্খা ভবনের গেট খোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। এসময় বিমলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাঁকে তো পুলিশ খুঁজছে। তাহলে তিনি কিভাবে কলকাতায় এলেন? জবাবে এই গোর্খা নেতা বলেন, যা বলার তিনি গোর্খা ভবনের ভিতরে বলবেন। তবে শেষ পর্যন্ত গোর্খা ভবনের ভিতরে যেতে পারেননি তিনি। গেট না খোলায় শেষ পর্যন্ত গাড়ি ঘুরিয়ে অন্যদিকে চলে যান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর এদিন তিনি প্রকাশ্যে এলেন। শো্না যাচ্ছিল , পুজো্র সময় তিনি কলকাতায় আসতে পারেন। সেই জল্পনাকে সত্যি করে এদিন তিনি কলকাতায় এলেন। প্রসঙ্গত , পাহাড়ে অশান্তি ছড়ানো, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, সাব-ইনস্পেক্টর অমিতাভ মালিক খুনে অভিযুক্ত বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের খাতায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ইউএপিএ আইনের ধারাও রুজু রয়েছে তাঁর নামে। এবছরের মার্চে দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার ছেলের বিয়ের আসরে দেখা গিয়েছিল গুরুং এবং গিরিকে। তখনই বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে গুরুংয়ের যোগসাজশের জল্পনা বাড়ে। কিছুদিন আগে গোর্খাল্যান্ড নিয়ে আলোচনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মোর্চা, রাজ্য সরকারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন বিমল গুরুং ও রোশন গিরি। অবশেষে এদিন তিনি সামনে এলেন।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

সামান্য ছাড় দিয়ে পুজো মামলায় আগের রায়ই বহাল হাইকোর্টের

পুজো উদ্যোক্তাদের রিভিউ পিটিশনের প্রেক্ষিতে আগের রায় পুনর্বিবেচনা করে সামান্য পরিবর্তন করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। বুধবারে তাদের দেওয়া পরিবর্তিত রায়ে বলা হয়েছে, ঢাকিরা মণ্ডপের নো এন্ট্রি জোনের মধ্যে থাকতে পারবেন। তা ছাড়া বড় পুজোগুলোর মণ্ডপে কমিটির ৬০ জন সদস্যের তালিকা তৈরি করা যাবে। একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৪৫ জন মণ্ডপে ঢুকতে পারবেন। আগে এই সংখ্যাটা ছিল ২৫। প্রতিদিন সকাল ৮টার মধ্যে মণ্ডপের সামনে টাঙাতে হবে এই তালিকা। মণ্ডপে প্রবেশ করা ব্যক্তিদের নাম রোজ বদল করা যাবে। বিচারপতিদের নির্দেশ অনুসারে, যে সব মণ্ডপের আয়তন ৩০০ স্কোয়ার মিটার বা তার বেশি সেগুলিকে বড় মণ্ডপ বলে বিবেচিত হবে। ছোট মণ্ডপের ক্ষেত্রে ১৫ জনের তালিকা তৈরি করতে হবে। একসঙ্গে ১০ জনের বেশি মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবে না। সেই তালিকাতেও প্রত্যেকদিন বদল ঘটানো যাবে। এই বদলগুলি ছাড়া পঞ্চমীতে দেওয়া রায়ে আগের নির্দেশই বহাল রেখেছে কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্ট এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে দশমীতে সিঁদুর খেলা যাবে না। দেওয়া যাবে না অষ্টমীতে অঞ্জলিও। আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে এমবিবিএস পড়ার আসন বেড়ে ৪০০০ করোনা পরিস্থিতিতে গত সোমবার ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। রায়ে বলা হয়েছিল , কোনও মণ্ডপেই দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন না। প্রতিটি মণ্ডপের বাইরে নো এন্ট্রি বোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে হবে। ছোট মণ্ডপ হলে তার ৫ মিটার এবং বড় মণ্ডপ হলে তার ১০ মিটারের মধ্যে কোনও দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না। দূর থেকে দেখতে হবে। দর্শক শূন্য রেখে পুজো পরিচালনার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করবে পুলিশপ্রশাসনকে। হাইকোর্টের রায় মোতাবেক কাজ হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কমিশনারদের লক্ষ্মীপুজোর পর আদালতে রিপোর্ট জমার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের এই রায়ের পরই পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে মঙ্গলবার আবেদন জানান পুজো উদ্যোক্তাদের সংগঠন ফোরাম ফর দুর্গোৎসব।

অক্টোবর ২১, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের রায় বলবৎ হতে দেবেন কিনা , সন্দেহ আছে : অধীর

হাইকোর্টের রায়কে কতটা বাস্তবায়িত করবেন মুখ্যমন্ত্রী ও তার পুলিশ প্রশাসন , তা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। বুধবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে নিজের ফেসবুক পেজে এমনই মন্তব্য করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তিনি আরও লেখেন, এই রায় বাস্তব রূপ তখনই পাবে যখন রাজ্যের আমলা পুলিশ এই আইনকে বলবৎ করার চেষ্টা করবে। মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের রায় রাজ্যে বলবৎ হতে দেবেন কিনা , তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ মানুষের জীবনের চেয়ে তার কাছে ভোটের অঙ্কটাই বড়। মুখ্যমন্ত্রীর সমালো্চনা করে আরও লেখেন , রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মানুষের ভোটের অঙ্কটাই বড়। তাই মহামারীর সময়েও যে টাকা মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবায় খরচ হতে পারতো , সেই বিপুল টাকা আগামী বছরের ভোটপুজোর জন্য ক্লাবগুলোকে দিলেন, সরকারি খাত থেকে।চিকিৎসার খরচ চালাতে না পেরে , বেডের অভাবে, চিকিৎসার অভাবে যেখানে প্রতিদিন রাজ্যে মানুষ মরছে। তিনি আরও বলেন , রাজ্য সরকার আসন্ন দুর্গোৎসবে মানুষের ভিড়ে সংক্রমণ কিভাবে আটকাবে তার কোনো পথ বাতলাতে পারেনি। আরও পড়ুনঃ হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় তৃণমূল ও রাজ্য প্রশাসনকে তোপ দিলীপ, সায়ন্তনের রাজ্য সরকারের হাইকোর্ট কে বোঝানো উচিত ছিল পুজোয় ভিড়ে সংক্রমণ আটকাতে সরকার এই এই ব্যবস্থা নিয়েছে, কিন্তু সরকার তা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছে। উপরন্তু সরকার নিজেই স্বীকার করেছে করোনা গোষ্ঠী সংক্রমণ স্তরে চলে গেছে, এ অবস্থায় হাইকোর্ট এর কাছে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণ বাঁচাতে আর কোনো পথ ছিল না। তিনি পশ্চিমবঙ্গবাসীদের অনুরোধ করেন , মনে রাখতে হবে উৎসবের থেকে জীবন আগে। আজকের উৎসবের আনন্দ আগামীকাল করোনার বিভীষিকায় না পরিণত হয়।

অক্টোবর ২১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে চার হাজারের গণ্ডি পেরল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

পুজোর চতুর্থীতেই চার হাজারের গণ্ডি পেরল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২৯ জন। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৫৭ জন। রাজ্যে দৈনিক মৃতের সংখ্যা যদিও সামান্য কমেছে। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৬১ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৮০ জন। রাজ্যের সুস্থতার হার ৮৭.৪৩ শতাংশ। একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৩ হাজার ৭৬২ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪০ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৫১ জনের। তাঁদের মধ্যে ৮.০৭ শতাংশ ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গে এমবিবিএস পড়ার আসন বেড়ে ৪০০০

পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তারি পড়ার আসন বেড়ে হল ৪ হাজার। মঙ্গলবার টুইটে একথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, পুরুলিয়া সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই প্রথম এমবিবিএস পড়ুয়াদের ব্যাচ শুরু হচ্ছে। একইসঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১০০টি এমবিবিএস আসন নিয়ে এই ব্যাচ শুরু হচ্ছে । আরও পড়ুনঃ আগামীকাল দুর্গাপুজো নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি হাইকোর্টে পাশাপাশি দুর্গাপুরের গৌরী দেবী মেডিক্যাল কলেজে আরও ১৫০টি এমবিবিএস আসন বাড়ানো হয়েছে। করোনা আবহে এমবিবিএস পড়ুয়াদের আরও আসন বাড়ার ঘোষণা চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে অত্যন্ত আশাব্যাঞ্জক।

অক্টোবর ২০, ২০২০
কলকাতা

করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন দিলীপ ঘোষ

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালেই হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয় । বিজেপি সাংসদ জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন তিনি। কোনওরকম সমস্যা নেই। আপাতত বাড়িতে থেকে বিশ্রাম নেবেন। তাতেই আরও সুস্থ হয়ে উঠবেন। এদিন চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, আমি সেভাবে অসুস্থ হইনি। প্রথম দিকে সামান্য কাশি আর জ্বর ছিল। বাড়িতেই ছিলাম। পরে জ্বর বাড়তেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিই। হাসপাতালে ভরতি হই। রাজ্যবাসীকে সতর্ক ও সচেতন থাকার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও পড়ুনঃ বিভেদের রাজনীতি করে আসছে বিজেপিঃ ডেরেক প্রসঙ্গত , শুক্রবার রাতে বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। জ্বর-কাশি ছিল তাঁর। রাতেই তাঁকে সল্টলেকের আমরি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। এরপরই জানা যায়, মারণ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি সভাপতি। শুরু হয় চিকিৎসা। ধীরে ধীরে উন্নতি হয় দিলীপ ঘোষের শারীরিক অবস্থার। এরপরই চিকিৎসকরা তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো মঙ্গলবার সকালে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন তিনি।

অক্টোবর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

পুজোর আগে উদ্বেগ বাড়িয়ে একইদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংখ্যক করোনা আক্রান্ত

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৯২ জন। এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ২৮। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৫৮৪। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬১১৯। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭২ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩২৫ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৪৮ শতাংশ।

অক্টোবর ২০, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে , রায় হাইকোর্টের

বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপ কন্টেইনমেন্ট জোন বলে গণ্য হবে। করোনা আবহে ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ছোট মণ্ডপ হলে তার ৫ মিটারের মধ্যে এবং বড় মণ্ডপ হলে তার ১০ মিটারের মধ্যে কোনও দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না। রাজ্যের সব পুজো মণ্ডপকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করতে হবে। হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এই রায় দিয়েছেন। নির্দেশ কতটা মানা হল পুজোর পর সেই রিপোর্ট রাজ্য পুলিশের ডিজিকে জমা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের। উল্লেখ্য , এদিন সকালেই মামলার প্রথম পর্যায়ের শুনানির পর্যবেক্ষণে হাই কোর্ট জানিয়েছিল, পুজোর সঙ্গে বাঙালির আবেগ জড়িত। তাই মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার থাকলে সেখানে জড়ো হবেনই উৎসবপ্রেমীরা। এছাড়া ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এবং প্রচারিত ছবি দেখেই ভিড় কতটা হতে পারে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা করা যাচ্ছে। রাজ্য সরকারের তরফে পুজোয় ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য ৩০ হাজার পুলিশের কথা বলা হয়েছে। তবে তা ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আদালত আরও জানিয়েছিল, সেক্ষেত্রে পুজো মণ্ডপগুলিকে কনটেনমেন্ট জোন করে দেওয়া হোক। এছাড়াও মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হোক। মণ্ডপগুলিতে শুধুমাত্র পুজো উদ্যোক্তাদের ঢোকার বন্দোবস্ত থাক। তবে সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের কাছে সংশ্লিষ্ট ক্লাব কর্তৃপক্ষকে তাঁদের সদস্যদের তালিকা জমা দিতে হবে। আরও পড়ুনঃ অমিত শাহ সম্পর্কে এ কি বললেন অভিষেক ! তারা পরিস্কারভাবে বলে দিয়েছেন, মণ্ডপের শেষ প্রান্ত থেকে ফিতে মেপে ওই বলয় তৈরি করতে হবে। কোনও বড় মণ্ডপের বাইরে কোনও গেট তৈরি হলে সেটাকেই মণ্ডপের শেষ প্রান্ত বলে বিবেচনা করতে হবে। হাইকোর্টের বিচারপতিরা আরও বলেছেন, আদালত যে রায় দিল তা বড় বড় করে লিখে প্রতিটি পুজো মণ্ডপের বাইরে ঝোলাতে হবে। এছাড়াও প্রতিটি মণ্ডপের বাইরে নো এন্ট্রি বোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্যান্ডেলের মধ্যে ২৫ জনের বেশি পুজো কমিটির লোক ঢুকতে পারবে না। সেই তালিকা রোজ বদল করা যাবে না। এই তালিকাও মণ্ডপের বাইরে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। দর্শকশূন্য রেখে পুজো পরিচালনার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করবে পুলিশপ্রশাসনকে। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতিতে পুজো হোক , কিন্তু উৎসব নয়। এই দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন বিদ্যুৎ দপ্তরের প্রাক্তন কর্মী অজয়কুমার দে। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এবং মুখ্যসচিবকে ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্লু প্রিন্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে সোমবার রাজ্যের তরফে কোনও ব্লু প্রিন্ট জমা দেওয়া হয়নি। এই মামলার অন্যতম আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য রায় ঘোষণার পরে বলেছেন, যে হেতু বহু মানুষ কোথাও একসঙ্গে জড়ো হলে ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি, তাই আদালত এই রায় দিয়েছে। কারণ, যত কম সংখ্যক মানুষ পুজো দেখতে বেরোবে ততই সবার জন্য মঙ্গল। সন্দেহ নেই এই রায় ঐতিহাসিক।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

অমিত শাহ সম্পর্কে এ কি বললেন অভিষেক !

অমিত শাহের কাছে বাংলার বোমা কারখানা নিয়ে তথ্য আছে। কিন্তু পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়ে কোনও তথ্য নেই। সো্মবার টুইট করে অমিত শাহের অভিযোগের বিরুদ্ধে এভাবেই তোপ দাগলেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনি বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার কথা বলে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিচ্ছেন। সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছেন। আরও পড়ুনঃ পটাশপুরের বিজেপি কর্মীর মৃত্যু নিয়ে ফের প্রশাসনের বিরুদ্ধ তোপ রাজ্যপালের প্রসঙ্গত , গত শনিবার একটি বেসরকারি বৈদ্যুতিন মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, সঙ্গত কারণেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতারা। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আমফানের ত্রাণের টাকা নিয়ে চরম দুর্নীতি হয়েছে। বাংলার জেলায়-জেলায় বোমা কারখানার হদিশ মিলছে। তাঁর এই মন্তব্যকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য - রাজনীতি। এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করা হয় তৃণমূলের তরফ থেকে। আর এদিন এর প্রতিবাদে তোপ দাগলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। Ironic that Mr @AmitShah has found data on bomb factories but when it comes to data on migrants, his @BJP4India govt is clueless! How dare you threaten the people of Bengal with Presidents Rule to disturb our social harmony. Disgusting poll propaganda!#BengalRejectsTanaShah https://t.co/gZfSImveIA Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) October 19, 2020

অক্টোবর ১৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৩,৯৮৩ জন

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৪০০০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯৮৩ জন। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়েছে তিন লক্ষ ২০ হাজারের গণ্ডি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট সংক্রমিত হয়েছেন ৩, ২১, ০৩৬ জন। যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এদিন মৃত্যু হয়েছে ৬৪ জন সংক্রমিতের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৬, ০৫৬। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে পরাস্ত করে ঘরে ফিরেছেন রাজ্যের ৩,১১৩ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ২, ৮১, ০৫৩। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েেছে ৪৩, ৫২০ জনের। এখনও অবধি মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৯, ৯১, ২৭০ জনের।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

পটাশপুরের বিজেপি কর্মীর মৃত্যু নিয়ে ফের প্রশাসনের বিরুদ্ধ তোপ রাজ্যপালের

জেল হেফাজতে থাকাকালীন মদন কুমার ঘোড়ইয়ের মৃত্যু আরেকটি ভয়ংকর ঘটনা। ওই বিজেপি কর্মীকে অমানবিকভাবে অত্যাচার করা হয়েছে। সংবিধান মেনে রাজ্যে শাসকদল চলছে না। এমনই অভিযোগ করে রবিবার টুইট করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সে দিকে নজর দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। আরও পড়ুনঃ বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে এ কি বললেন অমিত শাহ ! এছাড়া রাজ্য পুলিশের ডিজি, রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশকে ট্যাগ করে আরও একবার তাদের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল । এদিন এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠিও লেখেন তিনি।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মিঠুন জল্পনা উড়িয়ে শেষমেশ রাহুলই ভরসা! রাজ্যসভায় যাচ্ছে বিজেপির পুরনো সৈনিক

রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। বাংলা থেকে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রাহুল সিনহাকে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় মোট পাঁচটি আসন ফাঁকা রয়েছে। তার মধ্যে চারটি আসনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বাকি একটি আসনে কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। একাধিক নাম ঘুরছিল রাজনৈতিক মহলে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাহুল সিনহার নামেই সিলমোহর দিল।মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ছয়টি রাজ্যের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। বিহার, অসম, ছত্তীসগঢ়, হরিয়ানা, ওড়িশা এবং বাংলা থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বিহার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। অসম থেকে তেরাস গোয়ালা ও যোগেন মোহন, ছত্তীসগঢ় থেকে লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া এবং ওড়িশা থেকে মনমোহন সমল ও সুজিত কুমারের নাম ঘোষণা হয়েছে।বাংলার ক্ষেত্রে পঞ্চম আসনে বিজেপির ভরসা রাহুল সিনহা। এর আগে অনন্ত মহারাজ ও শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যসভায় গিয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাহুলের নাম। তিনি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি এবং দীর্ঘদিনের সংগঠক। তবে গত কয়েক বছরে তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে তেমন দেখা যায়নি। দলের অন্দরেই অনেক সময় তাঁকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে বলে আলোচনা ছিল।শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকেই রাহুল সিনহাকে আবার সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়। বিভিন্ন সভা, মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুরু করেন তিনি। একইভাবে দিলীপ ঘোষকেও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্য নির্বাচনের আগে পুরনো মুখদের সামনে আনার কৌশল নিয়েছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাহুল সিনহা এখনও পর্যন্ত যে কটি নির্বাচন লড়েছেন, সবকটিতেই পরাজিত হয়েছেন। চারবার বিধানসভা এবং পাঁচবার লোকসভা নির্বাচনে লড়ে জিততে পারেননি তিনি। মোট নয়বার ভোটে হেরেছেন। বরাবরই তাঁর আক্ষেপ ছিল, রাজ্য সভাপতি হলেও কখনও বিধায়ক বা সাংসদ হতে পারেননি। রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ পেলেন তিনি।আগামী ১৬ মার্চ বাংলার পাঁচটি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন হবে। চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয়, মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারকে। সেই তালিকা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। বিশেষ করে মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারের নাম ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে।পাঁচটি আসনের মধ্যে একটি আসন বিজেপির দখলে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত ছিল। তবে সেই আসনে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল প্রবল। রাহুল সিনহার পাশাপাশি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং এক পদ্মশ্রী প্রাপক সঙ্গীতশিল্পীর নামও শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত দলের পুরনো মুখের উপরেই ভরসা রাখল বিজেপি।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

এক ভোটার, দু’টি কেন্দ্র! এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায় বড়সড় গরমিল ফাঁস

মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোট এবং একাধিক জায়গায় একই নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ, শুনানি এবং তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই তালিকাতেই এবার ধরা পড়ল বড় গরমিল। একই ভোটারের নাম পাওয়া গেল দুই আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রে। এক জায়গায় শ্যামপুকুর, অন্য জায়গায় অশোকনগর। শুনানির পরও কীভাবে দুজায়গায় নাম থেকে গেল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে, ওই ভোটার এবং তাঁর বাবার নাম দুই জায়গাতেই একই রয়েছে। শুধু বয়সে সামান্য পার্থক্য। একটি কেন্দ্রে বয়স লেখা ৫৬ বছর, অন্য কেন্দ্রে ৫৮ বছর। ডিসেম্বর মাসেই সিইও দফতর জানিয়েছিল, ওই ভোটারকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তিনি দুই বিধানসভা কেন্দ্রে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ বিষয়টি আগে থেকেই কমিশনের নজরে ছিল। তবুও চূড়ান্ত তালিকায় দুজায়গায় তাঁর নাম থেকে যাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।শ্যামপুকুর উত্তর কলকাতার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। অশোকনগর উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত। কীভাবে এই ভুল থেকে গেল, তা জানতে চেয়ে দুই জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় ৬২ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আবার প্রায় ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে অমীমাংসিত তালিকায়। তাঁদের নথি এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে একই ভোটারের নাম দুই জায়গায় থাকার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়াল।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বাহিনী ও কর্মী সঙ্কট, বাংলায় একদিনে ভোট অসম্ভব! অবশেষে মানল নির্বাচন কমিশন

বাংলায় এক দফায় বিধানসভা ভোট করার প্রস্তুতি শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাহিনীর অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবের কথা জানিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি তুলেছিল রাজ্য সরকার। তাদের দাবি ছিল, একদিনে ভোট করা বাস্তবে সম্ভব নয়। অবশেষে দুদিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজ্যের সেই বক্তব্যই মানতে বাধ্য হল কমিশন। সিইও কার্যালয় সূত্রে খবর, এক দফায় নির্বাচনের ভাবনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। তবে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল। দুদিন রাজ্যে থেকে তারা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করবেন। তার আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের শীর্ষ কর্তারা রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ মহাপরিচালক, আইনশৃঙ্খলা বিভাগের শীর্ষ কর্তা ও জেলাশাসকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দিল্লি থেকেও দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শীর্ষ আধিকারিক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।বৈঠকে স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রয়োজন মতো বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোনও রকম আতিথেয়তা গ্রহণ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে রাজ্য পুলিশকে।এ বার বিধানসভা ভোটে ওয়েব কাস্টিং নিয়েও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, নজরদারির দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারীদের আরও বেশি জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। একজন কর্মী চার ঘণ্টার বেশি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। দায়িত্ব শেষের পর লিখিতভাবে জানাতে হবে ওই সময়ের মধ্যে কী কী দেখেছেন। পরবর্তীতে কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দায় নিতে হতে পারে। প্রয়োজনে ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরও নিয়োগ করা হতে পারে।কমিশনের প্রতিনিধি দল রাজ্য সফর সেরে ফেরার পরই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দফা ভোটের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
বিদেশ

মুসলিম বিশ্বে একঘরে ইরান! দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী, তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইরানের লাগাতার হামলায় রক্তাক্ত একাধিক মুসলিম দেশ। সৌদি আরব, কাতার, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে তেহরানের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে কার্যত একঘরে করার পথে হাঁটল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তেহরানে থাকা তাদের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানে নিযুক্ত কূটনীতিকদেরও ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি ইরানের মাটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিত্বের। তার পর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান। শনিবার ও রবিবার দুবাই, আবুধাবি, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।ইরানের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আরব দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে এভাবে আগ্রাসী হওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, নিজেদের যুদ্ধ অন্য দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।কিন্তু সতর্কবার্তার পরও হামলা থামেনি। বরং আক্রমণের মাত্রা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় আমিরশাহী। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক জানায়, এই হামলা সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। কয়েক দশকের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম ইরানে দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী।শনিবার মার্কিন হামলার পরই দুবাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাম জুমেইরাহ অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন বুর্জ খলিফা-র কাছেও বিস্ফোরণের খবর মেলে। নিরাপত্তার কারণে খালি করে দেওয়া হয় ওই ভবন।রবিবারও হামলা অব্যাহত থাকে। আবুধাবির একটি নৌসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুবাইয়ের রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে ছোড়া রকেট আছড়ে পড়ে। একাধিক মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। মুসলিম বিশ্বের বড় অংশ ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের আগুন কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে, দিল্লিতে তৎপরতা! নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেই কড়া বার্তা দিলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার গভীর রাতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হয়। সূত্রের খবর, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আবেদনও জানিয়েছেন মোদী।শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। আমেরিকাও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লিতে ফিরে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পরই নেতানিয়াহুকে ফোন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মোদী জানান, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভারতের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন। যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মত জানান তিনি।এদিকে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।রবিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর সঙ্গেও কথা বলেন মোদী। সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আশ্বাস দিয়েছেন, কঠিন সময়ে ভারত পাশে রয়েছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন মোদী। সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এবং বিশেষ সম্মানও দেওয়া হয় তাঁকে। সেই সফর শেষে ভারতে ফেরার আগেই ইরানের উপর যৌথ হামলা শুরু হয়। ফলে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপের মুখে পড়েছে ভারত।হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল আমদানিও প্রভাবিত হচ্ছে। দেশে ফিরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা, তেল আমদানি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনই ইরান থেকে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের কারণে পরিস্থিতি জটিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সকলকে।মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপ এখন নজরে আন্তর্জাতিক মহলের। যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal