• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Water

রাজ্য

কুইন্টাল কুইন্টাল জল! আবার মাস্টার প্ল্যন! শেষমেশ বিজেপি মন্ডল সভাপতির সঙ্গে ছবি, রচনার বন্যা-পরিদর্শন

বলাগড় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিনেত্রী সাংসদ বললেন, কুইন্টাল কুইন্টাল জল ছাড়ায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। বাড়ি ঘর কিছু নেই। মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসেছেন। তৃণমূল সাংসদদের এমন মন্তব্য়ে চারিদিকে বিতর্কের ঝড় শুরু করেছে। কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না বিরোধীরা। কুইন্টাল কুইন্টাল জল! এমন মন্তব্য় জনপ্রতিনিধিরে মুখ থেকে বেরিয়ে আসায় সমালোচনা সর্বত্র। এদিন বাজার থেকে ওল কেনেন সাংসদ। ওল কিনে রচনা জিজ্ঞেস করেন, গলা ধরবে না তো।এদিন দুপুরে হঠাতই হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা ব্যানার্জি তাঁর সঙ্গীসাথী দের নিয়ে চলে যান বাঁশবেড়িয়ার বিজেপি মন্ডল সভাপতি সুমিত অধিকারী বিরিয়ানির দোকানে। তখনও বিরিয়ানি রান্না সম্পূর্ণ হয়নি। তাই লাঞ্চ হল না। বিজেপি সভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে ছবিও তুললেন তৃণমূল সাংসদ রচনা। আর এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক মহলে। এদিন হুগলির শ্রীপুর বলাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদরা কলোনী, মিলনগর গ্রামে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব দেখে তিনি বলেন, মাত্র তিনমাস এসেছি সাংসদ হয়ে। চেষ্টা করছি। বলাগড় থেকে চন্দননগর পর্যন্ত নদী বরাবর পাড় ভাঙছে দ্রুত। এই বিশাল জায়গা সামাল দিতে মাস্টার প্ল্যান দরকার এবং একা রাজ্যের দ্বারা সম্ভব নয়। কেন্দ্রের সাহায্য দরকার। আমি দিল্লি গিয়ে এবিষয়ে দরবার করবো সংশ্লিষ্ট জায়গায়। তাঁর অভিযোগ,আগের বিজেপি সাংসদ এলাকার জন্য কিছুই করেনি। এলাকাবাসীদের ক্ষোভের মুখেও পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনমাস আগে যেখানে দাঁড়িয়ে প্রচার করে গিয়েছি সেই জায়গা তলিয়ে গিয়েছে। কয়েকটি বাড়ি, রাস্তাও গঙ্গায় মিশে গিয়েছে। খুবই খারাপ অবস্থা। এলাকার মানুষকে ত্রান দিয়েছি। গঙ্গা ভাঙন রোধ একটা বড় ব্যাপার। আমি লোকসভায় বলেছি। আবারও বলব। কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়া হবে না। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের আদলে বলাগড় মাস্টার প্ল্যান করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
টুকিটাকি

তীব্র গরমে কি খাবেন কি আর কি খাবেন না, জেনে নিন

২০২৪ র উষ্ণতম মাস এপ্রিল। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে জনজীবন। ভয়ঙ্কর দাবদহে রাস্তাঘাট শুনশান। পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় অতিরিক্ত আদ্রতার কারনে এই সময় শরীর থেকে প্রচুর ঘাম ঝড়ে। অতিরিক্ত ঘামের কারনে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে শরীরে ক্লান্তি, অস্বস্তি, মাথা যন্ত্রণা, মাথা ঘোড়ার মতো একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। তাই শরীরের জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে জল বা পানীয় এবং জল যুক্ত ফল খেতে হবে।এই তীব্র গরমে কী কী ধরনের খাবার আমাদের শরীরের জন্য উপাদেয়, সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুষ্টিবিদ অতসী সাহা দত্ত এই গরমেও শরীরকে সুস্থ্য রাখতে বেশ কিছু খাবারের কথা উল্লেখ করেছেন, যা এই তীব্র দাবদহেও শরীরকে সুস্থ রাখবে। দেখে নেওয়া যাক সেই সমস্ত খাবারের তালিকাঃজলঃপূর্ণবয়স্ক একজন নারীর সারাদিনে অন্তত ২.৫লিটার থেকে ৩ লিটার ও একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মানুষের দিনে ৩ লিটার থেকে ৩.৫ লিটার পরিশুদ্ধ জল পান করা উচিত। যাঁরা কিডনি রোগে ভুগছেন তাঁরা চিকিৎসকের সাথে কথা বলে তাঁর পরামর্শমত জল পান করবেন।এই তীব্র দাবদহে পাতিলেবু বা অন্য যেকোনও ফলের শরবত খাওয়া যেতে পারে। ডাবের জল, তরমুজ খুবই কার্যকর এইসময়ে। এই ধরনের ফল খুব সহজেই মানুশের শরীরের জলের চাহিদা পূরণ করে। ডাব বা ফলের শরবত খেলে জলের সাথে সাথে আমাদের শরীরের যে খনিজ লবণের প্রয়োজন তার চাহিদাও পূরণ হয়।সবজিঃফল বা জলের সাথে সাথে বেশ কিছু সব্জীও আমাদের শরীরে জলাভাব কাটাতে সাহায্য করে। যেমন, কাঁচা পেঁপে, পটল, ধুন্দুল, ঝিঙ্গে, শসা, চিচিঙ্গা, গাজর, কুমড়ো, লাউ, পালংশাক, টমেটোতেও জলের পরিমাণ বেশি থাকে। শরীরে জলাভাব কমাতে এই ধরনের সব্জী আমাদের অবশ্যই খাবার তালিকায় রাখাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, এই সময় রান্না যেন কোনোমতেই রিচ না হয়। এইসময়, আম বা তেঁতুল দিয়ে রান্না করা টক ডাল, সজনে ডাঁটা দিয়ে ডাল শরীর ঠান্ডা রাখতে খুব সাহায্য করে।মরসুমি ফলঃআমঃ এই সময় বাজারে খুব-ই সহজলভ্য কাঁচা আম। কাঁচা আম দিয়ে তৈরি ডাল, শরবত, বা কাঁচা আম পুড়িয়ে শরবত, আম পান্না শরীরের জল শূন্যতা দূর করার জন্য খুব উপকারি। কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। এছাড়া কাঁচা আমে ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন সি ও আছে, যা মানব দেহ ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।তরমুজঃ এছাড়া এই সময় বাজারে প্রচুর পরিমাণে তরমুজ পাওয়া যায়, এই তরমুজ ও শরীর ঠান্ডা করার জন্য খুব উপকারি। তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও খনিজ লবণ, যা এই গরমে শরীরের জন্য ভীষণ দরকার।পেঁপেঃ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এবং যারা শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান (ওবেসিটি) তাদের জন্য ভিটামিনের একটি চমৎকার উৎস হতে পারে পেঁপে। কোলেস্টেরল কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ বাড়াতেও এই ফলের জুড়ি মেলা ভার। পেঁপেতে আছে ভিটামিন সি, ফাইবার এবং ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে।আখের রসআখের রস-ও শরীরকে ঠান্ডা রাখতে খুবই কার্যকরী। আখের রসের সাথে বিট নুন, পুদিনাপাতা এবং পাতি লেবুর রস মিশিয়ে খেলে এর স্বাদও বৃদ্ধি পায়, সাথে সাথে পুষ্টিগুণও অনেকগুন বেড়ে যায়।বেলের শরবতবেলের আরেক নাম অমৃত ফল। একটি পাকা বেল রোজ খেলে বহু রোগ নিরাময় হয় বলে জানা যায়। বেলে আছে বিটা-ক্যারোটিন, প্রোটিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-১ এবং বি-২, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ফাইবার। বেলের শরবত পাকস্থলী ঠান্ডা রাখতে খুব কার্যকর।পুদিনার শরবতশরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে ও পাকস্থলীতে গ্যাস নিয়ন্ত্রণে পুদিনার জুড়ি মেলা ভার। শরীর সতেজ রাখার জন্য পুদিনার শরবত অতুলনীয়।যা খাবেন নাকোনও ভাবেই তীব্র দাবদাহ মাথায় নিয়ে ঠান্ডা পানীয় পান করবেন না। সাময়িক আরাম আপনার ভয়ঙ্কর বিপদ ডেকে আনতে পারে। এই ধরনের কার্বনেটেড বেভারেজ (স্ফট ড্রিঙ্ক) আমরা গরমের সময় প্রচুর খেয়ে থাকি, যা একেবারেই স্বাস্থ্য সম্মত নয়। রোদ্দুরে দাঁড়িয়ে গরম চা বা কফি বা গরম কোনও খাবার এই সময় না খেলেই মঙ্গল।খাবেন নাঃ# বাইরের খোলা শরবত,# ঝাল মশালা যুক্ত খাবার,# ফাস্ট ফুড / জাঙ্ক ফুড# ভাজা বা পোড়া খাবার

এপ্রিল ১৯, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমান স্টেশনে জলের ট্যাঙ্কের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা, পূর্ব রেল নিল নজরকাড়া সিদ্ধান্ত

স্টেশন চত্বরে কিংবা প্ল্যাটফর্মে থাকা পুরনো লৌহ নির্মিত জলাধারগুলিকে ভেঙ্গে ফেলা কিংবা অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। ইতিমধ্যে পূর্ব রেলের বিভিন্ন ডিভিশনে থাকা জলাধারগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী কাজও শুরু হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পূর্ব রেলের এই সিদ্ধান্ত।প্রথম ধাপে, পূর্ব রেলের অন্তর্গত বিভিন্ন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে থাকা পুরনো জলাধারগুলিকে সম্পূর্নরূপে ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে এবং যাত্রীদের পানীয় জলের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে নতুন করে স্টেশন চত্বরের বাইরে অন্যত্র জলাধার নির্মান করা হবে।পরবর্তী ধাপে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে থাকা পুরনো জলাধারগুলি চিহ্নিত করে সেগুলি ভেঙে ফেলা হবে । এছাড়াও সিমেন্ট-কংক্রিট নির্মিত জলাধারগুলির মধ্যে যেগুলির পরিস্থিতি খারাপ বা সংস্কারের দরকার রয়েছে সেগুলি প্রয়োজনানুযায়ী সংস্কার করা হবে এবং ৬০ বছরের পুরনো জলাধারগুলি সম্পূর্ণরূপে ভেঙে ফেলে নতুন রুপে নির্মান করা হবেবিভিন্ন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে থাকা পূর্ব রেলের ৪ টি ডিভিশনের মোট ১২ টি পুরনো জলাধারকে চিহ্নিত করা হয়েছে যা প্রাথমিকতার সঙ্গে ভেঙে ফেলা হবে এবং এই কাজ ইতিমধ্যে শুরুও হয়েছে। যার মধ্যে হাওড়া ডিভিশনে রয়েছে ৩ টি, আসানসোল ডিভিশনে রয়েছে ৮ টি এবং মালদা ডিভিশনে রয়েছে ১ টি জলাধার।পরবর্তীতে পূর্ব রেলের অধীনে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে থাকা পুরনো জলাধারগুলি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হবে। ইতিমধ্যেই এমন ৪৮ টি জলধার চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মধ্যে শিয়ালদহ ডিভিশনে রয়েছে ৭ টি, আসানসোল ডিভিশনে রয়েছে ২৩ টি, হাওড়া ডিভিশনে রয়েছে ১৪ টি এবং মালদা ডিভিশনে রয়েছে ৪ টি। এই কাজগুলি আগামী ১ বছরের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, পূর্ব রেলের অধীনে বিভিন্ন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে থাকা পুরনো জলাধারগুলি ভেঙে ফেলার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামী ১ বছরের মধ্যে স্টেশন চত্বরে থাকা জলাধারগুলিও ভেঙে ফেলার কাজ সম্পন্ন করা যাবে । এই কাজ চলাকালীন যাত্রী পরিষেবা যাতে বিঘ্নিত না হয় তার জন্য সদা সচেষ্ট থাকবে পূর্বরেল।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩
রাজ্য

বড়সড় দুর্ঘটনা বর্ধমান রেল স্টেশনে, আশঙ্কা মৃত ৩

ইস্টার্ন রেলওয়ের ব্যস্ততম স্টেশন বর্ধমান। তখন ২ ও ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে বহু যাত্রী। আচমকা ঘটে গেল হাড় হিম হওয়া ঘটনা। প্রাণ গেল ৩ জনের। এই দুর্ঘটনায় জখম বহু, চরম আতঙ্কে যাত্রীরা। ফের প্রশ্নের মুখে রেল স্টেশনে যাত্রী সুরক্ষা।বুধবার দুপুর ১২টা বেজে ৮ মিনিটে বর্ধমান রেল স্টেশনে করোগেটেড শিটের তৈরি জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে বড়সড় বিপত্তি ঘটে যায়। ট্যাঙ্ক ভেঙে প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা তিন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত তিন জনের মধ্যে দুজন হলেন মফিজা খাতুন এবং ক্রান্তি কুমার। একজনের নাম জানা যায়নি। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী জখমের সংখ্যা কমপক্ষে ২৭ জন। দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আরপিএফ এবং দমকল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলে উদ্ধারকাজ। আহতদের নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।স্থানীয় সূত্রে খবর, বর্ধমান স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝে যে জলের ট্যাঙ্কটি ছিল, আচমকাই তা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। কী করে ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ল তা এখনও পরিষ্কার নয়। বর্ধমান স্টেশনে এর আগে ২০২০ সালে ৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল স্টেশনের ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ঝুল বারান্দা।স্থানীয় সূত্রে খবর, বর্ধমান স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝে যে জলের ট্যাঙ্কটি ছিল, আচমকাই তা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। কী করে ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ল তা এখনও পরিষ্কার নয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিকট শব্দের পরই আর্তনাদ শুনে বোঝা যায়, বেশ কয়েকজন চাপা পড়েছেন ধ্বংসস্তূপের নীচে। তাঁদের উদ্ধারের জন্য শুরু হয় ছোটাছুটি। ততক্ষণে আরপিএফ ও জিআরপিও ছুটে এসে উদ্ধার কাজে হাত লাগায়। এ পর্যন্ত প্রায় ২৭ জনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই ৩ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

খাল সংস্কারের মাটি দিয়ে জলাশয় ভরাট নিউটাউনে, অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য, ঘটনায় তোলপাড়

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে নিউটাউনের বাগজোলা খাল ও কেষ্টপুর খালের সংস্কার শুরু করেছে সেচ দপ্তর। প্রতি বছর সামান্য বৃষ্টি হলেই জলমগ্ন হয় নিউটাউন, সল্টলেকের বিস্তীর্ণ এলাকা। অভিযোগ, বাগজোলা খাল সংস্কারের মাটি দিয়ে একাধিক জলাশয় ভরাট হচ্ছে নিউটাউনে পাথরঘাটা পঞ্চায়েতের ছাপনা এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পাথরঘাটা পঞ্চায়েতের সদস্য জইরুল হাজরা সহ স্থানীয় নেতাদের মদতে রাতের অন্ধকারে সেই মাটি গিয়ে পড়ছে এলাকার জলাশয় গুলিতে। তবে বিডিও, বিধায়ক ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জলাশয় ভরাটের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন।রাজারাহটের বিডিও ঋষিকা দাস বলেন, বিষয়টি দেখার জন্য স্থানীয় টেকনো সিটি থানার পুলিশ সহ সেচ দপ্তরের আধিকারিককে আমি চিঠি করেছি। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে। রাজারহাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রবীর কর বলেন, সেচ দফতর খাল কাটছে। আর সেই খাল কাটা মাটি নিয়ে জলাভূমি ভরাটের ঘটনাটা আমার কানে এসেছে। পাথরঘাটা পঞ্চায়েতের প্রধানকে বলেছি যে কারা করছে তাদের নোটিশ ধরাতে এবং ভরাট কাজ বন্ধ করাতে। জলাশয় ভরাট করার আইন নেই যদি সেটা রেকর্ড নাও থাকে তাও জলাশয় ভরাট করা যায় না। এক্ষেত্রেও আমি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। যদি ভরাট করা হয়ে থাকে এক্ষেত্রেও মাটি তুলে দেওয়া হবে। দলের উচ্চ নেতৃত্বকে এবিষয়ে জানাবো।রাজারহাট নিউটাউন বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জি বলেন, স্থানীয় প্রধান, সভাপতি এবং বিডিও সবাইকে বলেছি বিষয়টা দেখতে জলাভূমিতে যদি মাটি পড়ে থাকে ভরাট করা যাবে না। এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেব আমরা পুলিশকেও বলছি। কোটি কোটি টাকা খরচা করে খাল কাটা হচ্ছে মানুষকে ভালো রাখার জন্য। মেম্বার হলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তিনি আইনের উর্ধ্বে নন। কোন মেম্বারের জন্য যদি দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

বোরো ও রবি চাষে ডিভিসি-র জল কবে থেকে কতটা এবং কত দিন ধরে দেওয়া হবে জেনে নিন

আগামী বোরো ও রবির মরশুমে ডিভিসির জল বন্টন করা নিয়ে সোমবার এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়ে গেল বর্ধমান জেলা সার্কিট হাউসে। ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় ভারতীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠক। এই বৈঠকে পাঁচটি জেলার আধিকারিকরা অংশ নেন। এছাড়াও কৃষি দপ্তর ও ডিভিসির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী ২৬ শে ডিসেম্বর থেকে বোরো চাষে জল দেওয়া শুরু হবে। ২৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে রবিচাষের জল দেওয়া। বিজয় ভারতী জানান, এবারে মোট ২.৩৫ লক্ষ একর ফিট জল পাওয়া যাবে। গত মরশুমে এই পরিমাণ ছিল ৩.৩০ লাখ একর। গতবারের চেয়ে এবারে প্রায় ১০ শতাংশ এলাকায় কম জল মিলবে। এই পরিমাণ গতবারের চেয়ে কিঞ্চিৎ কম হলেও তাতে তেমন বড় অসুবিধা হবে না বলে মনে করেন আধিকারিকরা। তিনি জানান, পশ্চিম বর্ধমানে ১৬৫০ একর ফিট; বাকুড়ায় ১০০০০ একর ফিট, হুগলী জেলায় ২০০০০ একর ফিট এবং হাওড়া জেলায় ২৮০০ একরে জল দেওয়া হবে।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় ভারতীর নেতৃত্বে আজ আগামী বোরো ও রবি চাষের জন্য জেলায় কবে থেকে কতটা জল ছাড়া তার সিদ্ধান্ত হলো। তিনি জানান, পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট ৪৭৫৫০ একর ফিট জল দেওয়া হবে। প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, ১লা ডিসেম্বর সভাধিপতি পক্ষ থেকে একটা মিটিং আছে, সেখানে সিদ্ধান্ত হবে কোন কোন ক্যানালে কবে কতটা জল ছাড়া হবে। তিনি জানান, ২৬ ডিসেম্বর যে জল ছাড়া হবে তা ২৮ ডিসেম্বর নাগাদ পূর্ব বর্ধমানে এসে পৌছাবে। এছাড়া ২৫ জানুয়ারি থেকে রবি চাষের যে জল দেওয়া হবে তা শেষ হবে ৩০ এপ্রিল। জানা গেছে বোরো চাষে ১০ দিন অন্তর মোট ৫ বার জল দেওয়া হবে। রবিতে দেওয়া হবে মোট ৩ বার।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

পাইপ আছে জল নাই, জলের দাবীতে পথ অবরোধ বর্ধমানের ভাতারে

পানীয় জলের দাবীতে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হলেন গ্রামবাসীরা। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ভূমসোর গ্রামের ঘটনা। সোমবার বর্ধমান কাটোয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গ্রামের মহিলারাও। ভাতারের ভূমসোর গ্রামে বছরখানেক আগে সজল ধারা প্রকল্পের পাইপলাইন বাড়ি বাড়ি সংযোগ হয়। গ্রামবাসীদের দাবি, বাড়ি বাড়ি সংযোগ হলেও তাতে জল আসেনা। বর্তমানে চরম জল কষ্টে ভুগছেন তারা। বারবার পঞ্চায়েত প্রধানকে জানিও কোন সুরাহা মেলেনি। অবশেষে পানীয় জলের দাবিতে পথ অবরোধে সামিল হয়েছেন তারা। ঘন্টাখানেক ধরে চলে অবরোধ। আটকে পড়ে বহু গাড়ি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ভাতার থানার পুলিশ। পুলিশ বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। পুলিশ সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিলে গ্রামবাসীরা অবরোধ তোলেন। তবে আগামীদিনে সমস্যা সমাধান না হলে পুনঃরায় অবরোধে নামার হুঁশিয়ারি গ্রামবাসীদের। ভাতারের বিডিও অরুণ কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে।

অক্টোবর ১০, ২০২২
রাজ্য

কল আছে জল নেই, জল সঙ্কটে হাহাকার ভাতারের শিলাকোট গ্রাম

কল আছে জল নেই। সত্যিই জল পড়ে না। ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা।পানীয়জলের জন্য হাহাকার গ্রাম জুড়ে। পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়ের শিলাকোট গ্রামে বছর দুয়েক আগে পিএইচই মাধ্যমে গ্রামে জলের পাইপ বসানো হয়।গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে পাইপের কানেকশন ও ট্যাপকলও দেওয়া হয়। কিন্তু কাকস্য পরিবেদনা জল কোথায়! না এখনও গ্রামে পানীয় জল পৌঁছায় নি। গ্রামের দাসপাড়া, মালিক পাড়া ও আদিবাসী পাড়ার মানুষজন সব থেকে বেশী সমস্যায় পড়েছেন। পাড়ার টিউবওয়েলগুলিও দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে।ফলে তারা বাধ্য হয়েই পুকুরের জল ব্যবহার করছেন।ভাতাড়ের ওড়গ্রামের ফরেস্টের কাছে পিএইচই পাম্প বসানো হয়েছে। পরিকল্পনা ওই জায়গা থেকে এলাকার চার পাঁচটি গ্রামে পানীয় জল সরবরাহ করা হবে।কিন্তু পরিকল্পনা অনুযায়ী এখনো কাজ হয় নি।শিলাকোর গ্রামে কমবেশি তিন হাজার মানুষের বাস। গ্রামের আদিবাসী পাড়ার বাসিন্দা সরমণি মুর্মু বলেন, বাড়িতে পাইপ বসানো হয়েছে দুবছর আগে। কলের ট্যাপও লাগানো আছে। কিন্তু তাতে জল আসে না। পাড়ার টিউবওয়েলও খারাপ হয়ে পড়ে থাকায় জলের জন্য খুব সমস্যা হচ্ছে। একই সমস্যার কথা বলেন, কৈবর্ত পাড়ার বাসিন্দা অলকা দাস। তিনি বলেন, পানীয় জলের পাইপ বসানোর কাজ হয়েছে বছর দুয়েক আগে। কিন্তু জল আসছে না।এই বিষয়ে সাহেবগঞ্জ ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিনয় কৃষ্ণ ঘোষের সাফাই জল ট্রাঙ্ক তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ ওড়গ্রামের থেকে শিলাকোট গ্রাম বেশ খানিকটা উঁচু। তাই পাইপলাইনের মাধ্যমে জল পৌঁছাচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে রেলের আন্ডারপাসে জল জমে দুর্ভোগ, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন

রেলের আণ্ডারপাশে জল জমে দুর্ভোগে এলাকার বাসিন্দারা। ক্ষুদ্ধ বাসিন্দারা আণ্ডারপাশে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন।বর্ধমান কাটোয়া ন্যারোগেজ রেলপথ ব্রডগেজে রূপান্তরিত হওয়ার পর পালিতপুরে তৈরি হয় আণ্ডারপাশ।তারপর থেকেই সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয়রা। এমনি সারাবছর চলাচলের ক্ষেত্রে তেমন সমস্যা না হলেও বর্ষা শুরু হলেও দুর্ভোগ শুরু হয় এলাকার বাসিন্দাদের।আণ্ডারপাশে জল জমে যায়।ফলে বড় গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্যা না হলেও বাইক,সাইকেল, টোটো বা ছোট গাড়ি পারাপারের ক্ষেত্রে চরম সমস্যা হয়।প্রতিবাদে শনিবার এলাকার বাসিন্দারা আণ্ডারপাশে জমায়েত হয়ে অবরোধ করেন।তাদের দাবী রেল কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এখানে জল বের করার ব্যবস্থা করুক। আণ্ডারপাশ তৈরি হওয়ার সময়েই রেলকে সমস্যার কথা জানানো হয়। কিন্তু তাদের দাবী মানা হয় নি।রেল যদি কোন ব্যবস্থা না নেয় তাহলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবেন।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

দামোদরের জলস্তর হটাৎ বৃদ্ধি হওয়ায়, অল্পের জন্য প্রান বাঁচল দুই যুবকের

দামোদর নদের জল হটাৎ বাড়ায় অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলো দুই যুবক। ঘটনা টি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়না ২ নম্বর ব্লকের হিজলনার বামুনিয়া ফেরিঘাটে। বেশ কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জল বেড়েছে দামোদর নদের। কিন্তু শনিবার বিকেলে হঠাৎ করেই জলস্তর বেড়ে যায়। ফেরিঘাট পারাপারের সময় বাঁশের অস্থায়ী সেতু জলের তোড়ে ভেঙে যাওয়ার কারণেই ঘটে বিপত্তি। তিন কিলোমিটার মোটরবাইক নিয়ে ভাসমান অবস্থায় যাওয়ার পর, ফেরি ঘাটের মালিক ও স্থানীয় মানুষজন নৌকা নিয়ে ওই দুই যুবককে উদ্ধার করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে চঞ্চল্য ছড়ায়।উল্লেখ্য প্রতি বছরই বর্ষার আগেই এই আস্থায়ী সেতু গুলো ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয় ফেরী ঘাট গুলিকে, আবার অক্টোবরের শেষের দিকে সরকারি অনুমতি নিয়ে সেতু গুলি পুনঃনির্মান করা হয়। এখন স্থানীয় মানুষজনের প্রশ্ন স্ম্যসীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও সেতু চালু ছিলো কি করে? দামোদর ভ্যালী কর্তৃপক্ষ দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকে জল ছাড়ার আগে দামোদর উপকুলবর্তি সকল ব্লক ও গ্রাম পঞ্চায়েত গুলিকে নোটিশ করে। সেক্ষেত্রে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার পিছনে দায়িত্বে অবহেলাকেই প্রথমিক কারন হিসাবে ধরা হচ্ছে।

আগস্ট ২১, ২০২২
রাজ্য

দেওয়ানদিঘীতে পানীয় জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করলেন কাকলি তা গুপ্ত

বর্ধমানের দেওয়ানদিঘীতে সর্বসাধারণের জন্য পানীয় জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করলেন বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত। সরাইটিকর গ্রাম পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় এই প্রকল্পটি রূপায়ন করেছে বর্ধমান রোটারি ক্লাব। সাধারণ মানুষের ব্যবহারের সুবিধার্থে এই জল প্রকল্প কাজে আসবে বলে জানিয়েছেন কাকলি তা গুপ্ত। পানীয় জল পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ।দেওয়ানদিঘী মোড়ে বহু মানুষের যাতায়াত। এখান থেকে অনেকেই দূরদূরান্তের বাসে যাতায়াত করেন। নানা কাজে দেওয়ানদিঘী এলাকায় বহু সাধারণ মানুষের আনাগোনা। তীব্র গরমে পথিকদের স্বার্থে এই পানীয় জলপ্রকল্প খুবই উপযোগী, বলেন বিডিএ-র চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত। ব্যক্তিগত ভাবে এই প্রকল্প রূপায়নের জন্য তিনি উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এদিনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ডা. গোলাম মহম্মদ, বর্ধমান ১-এর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অভিরূপ ভট্টাচার্য।

জুন ২৩, ২০২২
বিবিধ

ক্ষুদ্র কচ্ছপের আগ্রাসনে পিছু হটছে পশুরাজ, এই ভিডিও দেখতে ইচ্ছা করবেই

বিশালাকার মুথ। তার ইয়া লম্বা লাল রঙা কেশর। দেখলেই গা ছমছম করে উঠবে। সিংহের কেশরসহ মাথাটাই এত বড় যে তাতেই গায়ে কাটা দিয়ে উঠতে বাধ্য। দেখতেও দর্শনধারী। সেই সিংহই কীনা ছোট্ট একটা কচ্ছপের ভয়ে জল পান করতে করতে জলাধার থেকে উঠে যাচ্ছে। রীতিমতো পিছু হটেছে। নেট মিডিয়ায় এই ছবি রীতিমতো ভাইরাল।মানবজীবনের মতো জঙ্গলে পশুপাখীর নানান ধরনেই ভিডিও বেশ আকর্ষণীয়। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, জলাধারে জলপান করছে সিংহটি। তার সামনে আসছে একটি কচ্ছপ। ক্ষুদ্র কচ্ছপটি মুখ বের করে সিংহের মুখ না একেবারে জিহবার দিকে এগোতে থাকে। ওই জিহবা বাড়িয়েই জল খাচ্ছিল পশুরাজ। কিন্তু পশুরাজ ছোট্ট কচ্ছপের আগ্রাসনে পিছিয়ে যেতে শুরু করে। মনে হচ্ছে যেন কচ্ছপ তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে পশুরাজকে। আকর্ষণীয় এই ভিডিও ইতিমধ্যে দেখে ফেলেছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এ ছবি যে কারও ভাল লাগতে বাধ্য।

মে ০৪, ২০২২
বিবিধ

তীব্র দাবদাহে জলের ট্যাঙ্কেই ডুব হনুমানের দলের, রইল ভিডিও

তীব্র দাবদাহে ওদেরও কষ্ট হয়। ওদের ঘর নেই। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ও নেই। পাখাও চলে না। রোদে-গরমে, গাছের ছায়ায়, গাছের ডালে ডালেই জীবন কেটে যায়। তাছাড়া এবাড়ি ওবাড়ির ছাদ তো আছেই। কখনও এক গাছের আম, আরেক গাছের জাম খেয়েই জীবনটা কেটে যায়।সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে হনুমানের দল ছাদের ডাকনা খোলা দুটি জলের ট্যাঙ্কে স্নানে মেতে উঠেছে। গোটা চারেক হনুমান একবার জলের ট্যাঙ্কের ভিতর ঢুকছে আর ডুব দিয়ে ওপরে উঠে আসছে। একেবারে আনন্দে আত্মহারা হনুমানের দল। অনবরত স্নান করে যাচ্ছে গরমের হাত থেকে বাঁচতে। এত সহজে শরীর ঠান্ডা করার উপায় পেয়ে কেউ কি ছেড়ে দেয়? সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করেছেন কেউ। সোশাল মিডিয়ায় তা রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।বাড়ির মালিক জানতেও পারছে না তাঁদের ছাদের ওপরে জলের ট্যাঙ্কে এমন আজব কান্ড ঘটছে। সেই জলেই হয় তো নিত্যদিনের কাজ সারছেন বাড়ির লোকজন! খোলা ট্যাঙ্কে দহণের জ্বালা মেটাচ্ছে হনুমানের দল। জলের ট্যাঙ্ক ঢেকে না রাখলে হনুমানে স্নানজলই পান করতে হতে পারে! সতর্ক হওয়া দরকার।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণে নয়ানজুলি বোজানোয় ডিভিসির জলে ডুবলো আলু জমি, অবরোধ ক্ষুব্ধ চাষীদের

জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণ কাজের জন্য নয়ানজুলি বুজে থাকায় ভিভিসি (Damodar Valley Corporation) জল ছাড়তেই জলে ডুবলো আলু চাষের জমি। এরই প্রতিবাদে মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে ২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রেখে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন ক্ষুব্ধ চাষীরা। ঘন্টা খানেকের অবরোধ বিক্ষোভের জেরে এদিন সকালের দিকে জাতীয় সড়কে যানবাহন চলাচল একপ্রকার স্তব্ধ হয়ে যায়। দূর পাল্লার বাস সহ বিভিন্ন যানবাহন জাতীয় সড়কে যানজটে আটকে পড়ে। খবর পেয়ে শক্তিগড় থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া চাষিদের সঙ্গে কথা বলে । পরে প্রশাসন ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন চাষিরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে শক্তিগড় এলাকায় জোরকদমে চলছে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণের কাজ। সেই কাজ করতে গিয়ে চাষের জমিতে সেচের জল যাবার জন্য জাতীয় সড়কের ধারে থাকা নয়ানজুলি বুজিয়ে দেওয়া হয়। এরই মধ্যে বোরোধান চাষের জন্য ডিভিসির সেচ খালে জল ছাড়া হয়। নয়ানজুলি বুজে থাকার জন্য সেই জল প্রবাহিত হতে না পেরে বদ্ধ নয়ানজুলি থেকে উপচে গিয়ে সোমবার রাতে অসপাশের ফলন্ত আলু জমিতে ঢুকে পড়ে। তার কারণে শক্তিগড়, আমড়া ও বড়শুল এলাকার বিঘের পর বিঘে আলুর জমি জলে ডুবে যায়। মঙ্গলবার সকালে ফলন্ত আলু জমি জলে ঢুবে থাকতে দেখে কার্যত মাথায় হাত পড়ে যায় আলুচাষীদের। ফসলের এই ক্ষতি মেনে নিতে না পেরে ক্ষিপ্ত চাষিরা এর পরেই ২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে দেন।ক্ষতিগ্রস্ত আলুচাষী সেখ নজরুল ইসলামআমড়া এলাকার বাসিন্দা আলুচাষী সেখ নজরুল ইসলাম বলেন, প্রথমে জমিতে আলুচাষ করার পর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে চাষীরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রবল বর্ষণে আলুর জমি ডুবে যায়। পচে যায় আলুগাছ। তারপর ফের তারা জমি তৈরি করে আলু চাষ করেন। আর এখন নয়ানজুলি বুজে থাকার জন্য ডিভিসির সেচখালে ছাড়া জল আলুর জমিতে ঢুকে গিয়ে পাকা আলু জমির অপূরণীর ক্ষতির করে দিল। তিনি দাবী করেন আমড়া, শক্তিগড় ও বড়শুল নিয়ে কম করে একশো বিঘে আলু জমিতে জল ঢুকেছে। সমস্ত আলু জমি এরজন্য ক্ষতিগ্রস্ত হল।এলাকার অপর আলুচাষী বাবুল মণ্ডল বলেন, এখন সবেমাত্র জমি থেকে আলু তোলার মরশুম শুরু হয়েছে। আলু জমি জলে ঢুবে যাওয়ায় এখন চাষীরা চরম সংকটে পড়লেন। এবছর আলুর দামও এমনিতে উর্দ্ধমুখী। বর্তমানে একবস্তা (৫০ কেজি) আলুর দাম ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা। এই অবস্থায় জমিতে জল দাঁড়িয়ে গেলে পাকা আলু পচে যাবে। চাষীরা এবছর এমনিতেই সমস্যায় জেরবার। শীতে বারে বারে অকাল বর্ষণে দুবার করে আলু চাষ করতে হয়েছে। তাতে বাজারে ও মহাজনী ধারদেনা হয়েছে। প্রশাসন ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না করলে চাষীরা মহা সংকটে পড়বে।জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, চাষীদের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভাবতে হবে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে। আমরা এই বিষয়ে ওদের সঙ্গে আলোচনা করছি। চাষীদের ক্ষতি মেনে নেওয়া যাবে না।

মার্চ ০১, ২০২২
রাজ্য

স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি কচুরিপানার হস্তশিল্প সামগ্রী বিক্রী করবেন মন্ত্রী

কচুরিপানা নিয়ে হেলাফেলা করার দিন শেষ হতে চলেছে। এইবার কচুরিপানা দিয়েই তৈরি হবে নজরকাড়া হস্তশিল্প সামগ্রী। দুই মাস ধরে প্রশিক্ষণ নেওয়া পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে ওইসব হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরী করবেন। এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ নিজে উদ্যোগ নিয়ে পূর্বস্থলী ১ ব্লকের বড়কোবলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মহিলাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। প্রশিক্ষণ কতটা সার্থক হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে সোমবার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পৌছান। সেখানে তাঁর সঙ্গেই বিডিও দেবব্রত জানা ও রিজিওনাল হ্যান্ডিক্র্যাফটস প্রমোশন অফিসার পীযূস সিংহ ও উপস্থিত থাকেন। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এদিন বলেন, কচুরিপানা পরিবেশ বান্ধব। সেই কচুরিপানা দিয়ে হস্তশিল্প তৈরি করার জন্য প্রথম পর্যায়ে কুড়িজন মহিলাকে বেছে নেওয়া হয়। তাঁদের ২ মাস ধরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সব কিছু খতিয়ে দেখে তাঁদের আরও দু-সপ্তাহ প্রশিক্ষন দেওয়ার সিদ্ধান্ত এদিন নেওয়া হয়। তারপর স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর ওই মহিলারাই কচুরিপানা দিয়ে নজরকাড়া নানান হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরী করবেন। উৎপাদিত সেইসব হস্তশিল্প সামগ্রী বিপণনের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কালনা নবদ্বীপ ও বর্ধমান শহরেও তা বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। মন্ত্রী জানিয়ে দেন, কচুরিপানা দিয়ে তৈরি হস্তশিল্প সামগ্রীর জন্য তিনি নিজে সেলসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেনপুকুর কিংবা জলাশয়ে কচুরিপানা ভরে থাকলে তা কিভাবে কাজে লাগানো যায় এতদিন সেই ভাবে কেউ মথা ঘামাননি। কিন্তু কচুরিপানা দিয়েও যে হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরি করা যায় সেই দিশা প্রথম দেখায় পূর্বস্থলীর যুবক রাজু বাগ। পূর্বস্থলী ১ ব্লকের বাঁশদহ বিল সহ এলাকার খালবিলে জন্মানো কচুরিপানা দিয়ে রাজু নজরকাড়া ডিজাইনের ঘর সাজানোর সামগ্রী তৈরি করে তাক লাগিয়ে দেয়। কচুরিপানা ভালোভাবে শুকিয়ে সেগুলি দিয়ে সে বিভিন্ন ডিজাইনের ঝুড়ি, ম্যাট, ব্যাগ সহ ঘর সাজানোর জিনিস তৈরী করে দেখায়। যুবক রাজুর এই শিল্প কীর্তি এলাকার বিধায়ক তথা মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের তা নজরে আসতেই তিনি নড়েচড়ে বসেন। কিছুদিন আগে খালবিল ও চুনোমাছ উৎসবে রাজুর তৈরী করা সেই হস্তশিল্পের একটি প্রদর্শনীরও ব্যবস্থা করে দেন মন্ত্রী। কচুরিপানা দিয়ে তৈরী হস্তশিল্পের সেই কাজ শিখে এলাকার মহিলা ও অন্যান্যরা স্বনির্ভর হতে পারবে ধরে নিয়ে মন্ত্রী তাঁর বিধানসভা এলাকায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও খোলান। খালবিল ওয়েলফেয়ার সেসাইটি ওই প্রশিক্ষণ শিবিরের যাবতীয় খরচ বহন করে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

Chotkhanda: 'কথা দিয়ে' বিধায়ক না আসায় মেমারির দুর্গাপুর পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভে উত্তাল

গ্রামে পানীয় জলের সংকট মেটানো নিয়ে সোমবার গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠক করবেন বলে গিয়েছিলেন বিধায়ক। কিন্তু কথা দিয়েও পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে এদিন যাননি তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য। তা নিয়ে এদিন বিকালে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে দাড়িয়ে থাকা চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা পঞ্চায়েত প্রধান ও বিধায়কের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। পাশাপাশি তাঁরা অভিযোগ করেন, বিধায়কের সঙ্গে কথা বলার জন্য পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হয়েছিলেন বলে তাঁদের পুলিশ দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। তাঁকে ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে। ক্ষুব্ধ চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা এরপরেই হুঁশিয়ারি দেন, তাঁদের গ্রামে পানীয় জলের সংকট সমাধানে পঞ্চায়েত দ্রুত ব্যবস্থা নি নিলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।বিধায়ক যদিও দাবি করেছেন, কোভিড বিধির কথা মাথায় রেখেই তিনি এদিন পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠকে করতে যাননি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অবশ্যই তিনি বৈঠক করবেন বলেন জানিয়ে দেন।আরও পড়ুনঃ ঝঞ্ঝার দাপটে আজ থেকে শুরু বৃষ্টিএলাকা সূত্রে খবর, বিধানসভা ভেটের সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতো চোটখণ্ড গ্রামে পানীয় জলের সমস্যার সমাধান হয়নি। এমনকি গ্রামের রাস্তা-ঘাট ও নিকাশী-ব্যবস্থারও কোন উন্নতি হয়নি। তা নিয়ে চোটখণ্ড সহ আশেপাশের বনশেঁকরা, তালগেঁড়া প্রভৃতি গ্রামের বাসিন্দা মহলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে গত বৃহস্পতিবার দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত গিয়ে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। পর তিনি পঞ্চায়েত অফিস লাগোয়া চোটখণ্ড গ্রামেও যান। ওই দিন চোটখণ্ড গ্রামের মানুষজন বিধায়ককে বিধানসভা ভোটের সময়ে তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন।আরও পড়ুনঃ করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্নপ্রথমে প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করলেও পরে বিধায়ক তাঁর প্রতিশ্রূতির কথা স্বীকার করে নেন। ওই দিনই তিনি গ্রামবাসীদের বলে যান গ্রামের মানুষজনের দাবিদাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সোমবার তিনি দুর্গাপুর পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠকে বসবেন। সেই মতো এদিন গ্রামের বাসিন্দারাও দুপুর থেকে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হন। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে গেলেও বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য আর পঞ্চায়েত অফিসে না আসায় গ্রামবাসীরা পঞ্চায়েত অফিসের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। গ্রামের বাসিন্দা অনাথ ক্ষেত্রপাল, বাপি ক্ষেত্রপাল বলেন, বিধায়ককে সমস্যার কথা জানাবেন বলে তাঁরা পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হয়েছিলেন বলে তাঁদের পুলিশের হুমকির মুখে পড়তে হয়। এমনটি তাঁরা প্রত্যাশা করেননি। তাই তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর আবেদন নিবেদন নয়। গ্রামে পানীয় জলের সংকট নিরসন ও এলাকার উন্নয়নে পঞ্চায়েত দ্রুত ব্যবস্থা নি নিলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

MLA Protests: পানীয় জলের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ, পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

প্রতিশ্রুতি মত গ্রামে পানীয় জলের সমস্যার সমাধান হয়নি। একই ভাবে হয়নি গ্রামের রাস্তা-ঘাট ও নিকাশী-ব্যবস্থার উন্নতিও। এরই প্রতিবাদে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দাদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য। ভোটের সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে বিধায়ক প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কথা স্বীকার করে নেন। তা নিয়ে এখন মেমারিতে শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের রাজনৈতিক চাপান-উতোর।মেমারি-১ পঞ্চায়েত সমিতির আন্তর্গত দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস চোটখণ্ড গ্রামে অবস্থিত। গ্রামের বাসিন্দা অনাথ ক্ষেত্রপাল বলেন, এই গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলেরও সমস্যা রয়েছে। গ্রামের অধিকাংশ রাস্তাই কাঁচা। নিকাশী বাবস্থা ভালো না থাকায় বর্ষায় চোটখণ্ড গ্রামের মানুষজনের দুর্ভোগ চরমে ওঠে। তিনি জানান বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়ে মধুসূদন ভট্টাচার্য্য আমাদের চোটখণ্ড গ্রামে প্রচারে আসেন। ওই সময়ে গ্রামের জগৎগৌরি মন্দির তলায় বসে মধুসূদন বাবু প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান ভোটে জিতলে তিনি হয় সজল ধারা প্রকল্পে চোটখণ্ড গ্রামে পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেবেন। পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নেও উদ্যোগ নেবেন বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ভোটে জিতে বিধায়ক হওয়ার পর মধুসূদনবাবু তাঁর দেওয়া সব প্রতিশ্রুতির কথা সব ভুলে গিয়েছেন। পানীয় জলের হাহাকার আজও চোটখণ্ড গ্রামে রয়েই গিয়েছে। তাই বৃহস্পতিবার বিকালে বিধায়ক মধুসূদনবাবু যখন চোটখণ্ড গ্রামে আসেন তখন গ্রামের সকলে তাঁর কাছে পানীয় জলের ব্যবস্থা না হওয়ার কথা তুলে ধরেন। ভোটের সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথাও বিধায়ককে স্মরণ করিয়ে দেন গ্রামবাসীরা। ওই সময়ে বিধায়ক প্রথমে প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করেও পরক্ষণেই তা স্বীকার করে নিয়ে বিধায়ক পানীয় জলের সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে যান। গ্রামবাসীদের অভিযোগের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান নিতাই ঘোষ। শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানান, চোটখণ্ড ছাড়াও হঠাৎপাড়া, বনশেঁকরা তালগেঁড়া প্রভৃতি এলাকায় রাস্তা ঘাট সত্যি অত্যন্ত খারাপ রয়েছে। ওইসব গ্রামে পানীয় জলের সমস্যাও রয়েছে। এইসব সমস্যার সমাধান কোন ভাবেই করা যাচ্ছে না। গ্রামবাসীদের একটু ধৈর্য্য ধরার কথা বলা হয়েছে। বিধায়ককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানোর কারণ প্রসঙ্গে উপ প্রধান বলেন, গ্রামবাসীরা বলছে বিধানসভা ভোটের সময়ে মধুসূদনবাবু নাকি চোটখণ্ড গ্রামে সজল ধারা প্রকল্পে পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেওয়ার ও গ্রামের রাস্তা-ঘাটের উন্নতি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু পানীয় জলের ব্যবস্থা আজ আবধি হয়নি। তাই তাঁরা বৃহস্পতিবার বিধায়ককে কাছে পেয়ে বিক্ষোভ দেখান।বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য বলেন, ভোট বৈতরণী পার হবার জন্য আমরা নির্দিষ্ট কিছু করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষের কাছে ভোট চাই না। ওই গ্রামে টিউবওয়েল আছে। জলস্তর নীচে থাকা বা অন্য কোনও কারণে ওইসব কল থেকে হয়তো ঠিকঠাক জল উঠছে না। গ্রামবাসীরা পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছে। সমস্যার দ্রুত সমাধান কি করে করা যায় সেই বিষয়টি দেখা হচ্ছে।এই বিষয়ে সিপিএম মেমারি ১ (পূর্ব) এরিয়া কমিটির সদস্য অভিজিৎ কোঙার বলেন, বাম আমলে ওই পঞ্চায়েতটি রাজ্যের সেরা ও দেশের সের পঞ্চায়েতের স্বীকৃতি পেয়েছিল। এখন ওই পঞ্চায়েতটি করে খাওয়ার জায়গা হয়ে উঠেছে। রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে বলে তৃণমূলের তরফে যে প্রচার করা হয় তা যে আসলে ভাঁওতা সেটা চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দাদের ক্ষোভ-বিক্ষভেই প্রমাণ করে দিয়েছে। মেমারির বিজেপি নেতৃত্বও দাবি করেছে, তৃণমূল উন্নয়নের নামে যা প্রচার করে তা আসলে ধাপ্পা ছাড়া আর কিছুই নয়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Water Drowned: ঠাকুমার সঙ্গে মাছ ধরতে নেমে অজয় নদের গভীর জলে তলিয়ে গেল ৯ বছরের নাতি

অজয় নদে জল একটু কমতেই ঠাকুমার সঙ্গে মাছ ধরতে নেমেছিল নাতি। কিন্তু তাঁর মাছ ধরা আর হয়ে উঠলো না। ঠাকুমার চোখের সামনেই অজয়ের গভীর জলে তলিয়ে গেল ৯ বছর বয়সী তাঁর নাতি আনন্দ থান্ডার। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের নতুনহাট এলাকায়। এই খবর পেয়েই মঙ্গলকোট থানার পুলিশ ও ব্লকের বিডিও জগদীশচন্দ্র বারুই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছেন। প্রশাসনের নির্দেশে এনডিআরএফ টিম অজয় নদে বালকের খোঁজ চালানো শুরু করে দেয়। কিন্তু এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত অজয় নদে তলিয়ে যাওয়া বালকের কোনও হদিশ না মেলায় উৎকন্ঠায় কাটাচ্ছেন পরিবার সদস্যরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলকোটের নতুনহাটের লোচন দাস এলাকার বাসিন্দা সান্তনা থান্ডার। তাঁর মেয়ে পূজা থান্ডারের ছেলে আনন্দ থান্ডার। এই বালকের বাবা বুদ্ধদেব থান্ডার কর্মসূত্রে ভিন রাজ্যে থাকেন। বালক আনন্দ থান্ডার নতুনহাট এলাকায় তাঁর দাদু ঠাকুমার কাছেই থাকতো। সান্তনাদেবী এদিন দুপুরে তাঁর নাতিকে সঙ্গে নিয়েই অজয় নদে মাছ ধরতে যান। মাছ ধরার ফাঁকেই আচমকা অজয়ের গভীর জলের মধ্যে পড়ে যায় আনন্দ। তার পর থেকে জলে নাতিকে আর খুঁজে পান না সান্তনাদেবী। তিনি চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করতেই স্থানীয় মানুষজন ঘটনাস্থলে পৌছান। স্থানীয়দের মাধ্যমে বালক আনন্দ থান্ডারেরঅজয় নদে তলিয়ে যাওয়ার খবর পেয়েই মঙ্গলকোট থানার পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌছান। খবর দেওয়া হয় এনডিআরএফকে। এনডিআরএফ টিম ঘটনাস্থলে পৌছে অজয় নদে বালকের খোঁজ চালানো শুরু করে। সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজ চালিয়েও তারা বালকের কোনও হদিশ পাননি। বালকের খোঁজে এনডিআরএফ টিম রবিবার ফের অজয়ে তল্লাশী চালাবে বলে প্রশাসনিক কর্তাদের কথায় জানা গিয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Electrified Death: খড়দায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বাবা-মা-ছেলের

বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল একই পরিবারের তিন সদস্যের। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে খড়দার রহড়া থানার পাতুলিয়া সরকারি আবাসনে। মৃতদের নাম রাজা দাস (৩৫), পৌলমী দাস (৩০) ও শুভ দাস (১১)। রাজা পেশায় গাড়ি চালক ছিলেন। গোটা ঘটনার একমাত্র সাক্ষী পাঁচ বছরের আবির খাটের ওপর বসেছিল। ছোট্ট আবির খাটে বসেই জানলা দিয়ে পড়শি বৃদ্ধকে দাদু দাদু বলে ডাকে এবং বলে বাবা-মা পড়ে আছে। পড়শি বৃদ্ধ ছুটে এসে দরজা ধাক্কা দিয়ে দেখেন পরিবারের তিনজন ঘরে জলের মধ্যে ভাসছে। এরপর তিনি আবাসনের অন্যান্য আবাসিকদের খবর দেন। স্থানীয়রা ছুটে এসে তিনজনকে ব্যারাকপুর বিএন বসু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে। এক পড়শি শীলা সরকার বলেন, খবর পেয়ে ছুটে এসে দেখি জলপূর্ণ ঘরের মধ্যে তিনজন পড়ে রয়েছে। ওনাদের ছোট ছেলে খাটে বসে রয়েছে। তিনজনকে খাটে তোলা হয়। তারপর ওদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কি করতে গিয়ে রাজা প্রথমে বিদ্যুৎপৃষ্ট হল, তা জানি না।আরও পড়ুনঃ আত্মহত্যা না খুন? আখড়া পরিষদ প্রধানের মৃত্যুতে ঘুরছে নানা তত্ত্বপড়শিদের একাংশের দাবি, বাড়িতে জমা জলের মধ্যে দাঁড়িয়ে ফ্রিজে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়েই এই বিপত্তি। আবার কারও মতে, টেবিল ফ্যানে সুইচ দিতে গিয়েই এই ঘটনা। কেউ বললেন, মোবাইলে চার্জ দিতে গিয়েই এই বিপত্তি। তবে অধিকাংশ বাসিন্দারা জানান, কিছু চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপিষ্ট হন রাজা। স্বামীকে বাঁচাতে এসে স্ত্রীও বিদ্যুৎপিষ্ট হন। বাবা-মাকে বাঁচাতে এসে দশ বছরের শুভও বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়। ঘটনার পর বিদ্যুৎ পর্ষদের লোকজন এসে আবাসনের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়েই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পাতুলিয়া সরকারি আবাসনে। ঘটনার পর জলজমা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন আবাসনের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, টানা ৩২ বছর ধরে এই জলযন্ত্রণা। দু-দিনের টানা বৃষ্টিতে এক কোমর জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। সবার ঘর জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। তবুও কারও হেলদোল নেই।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Waterlogged Carshed: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেন

রাতভর ব্যাপক বৃষ্টিতে জল জমেছে রেললাইনে। জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড। তার ফলে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবা। হাওড়া স্টেশনের দুই শাখায় খুব ধীরগতিতে চলছে ট্রেন। বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা। জানা গিয়েছে, রাতের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া এবং হাওড়া কারশেডে জমেছে জল। ফলে কারশেড থেকে ট্রেন বের করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই জল না নামলে অনেক ট্রেনই চালান সম্ভব হবে না। জল জমে যাওয়ার কারণে আটকে রয়েছে হাওড়া জব্বলপুর স্পেশ্যাল ট্রেনও। তবে ঠিক কোন কোনও ট্রেনের ক্ষেত্রে পরিষেবা ব্যহত হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। শুধু হাওড়া নয়, একই অবস্থা কলকাতা স্টেশনেরও। স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। কলকাতা স্টেশন থেকে যে সমস্ত দূরপাল্লার ট্রেন ছাড়ে কিংবা কলকাতা স্টেশনে আসে সেই সব ট্রেনও বাতিল হতে পারে বা দেরি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেজল না নামলে বেশ কিছু ট্রেন বার করা যাবে না বলেই খবর। সকাল থেকে যে ট্রেনগুলি চলছে তার গতিও খুব ধীরে। তার ফলে বেশির ভাগ ট্রেনেরই গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। শুধু হাওড়া নয়, শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশনের অবস্থাও অনেকটা একই। কলকাতা স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের দক্ষিণ শাখায় বেশ কিছু জায়গায় রেললাইনে জল জমায় ব্যাহত হয়েছে ট্রেন চলাচল। রেললাইনে জল জমায় চক্ররেল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি চলতে পারে দুই মেদিনীপুরেও। আলিপুর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় হয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। তার জেরেই বেড়েছে বৃষ্টির দাপট।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আগেও হয়েছিল। আর সেই বৃষ্টিপাতের জেরেই ব্যহত রেল পরিষেবা। কয়েকদিন আগেও বৃ্ষ্টি জেরে একাধিক ট্রেন বাতিল হতে দেখা গিয়েছিল। এবার ফের হাওড়া বা কলকাতা স্টেশন থেকে একাধিক ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal