• ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vote

রাজ্য

বিরোধীদের দাবি ১০হাজার বুথে পুনর্নির্বাচন, পাত্তা না দিয়ে প্রায় ৭০০ বুথে সোমবার ভোট

বিরোধীদের দাবি পুরোপুরি না-মানলেও কয়েকটি বুথে ফের নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবারই পুনর্নির্বাচন করানো হচ্ছে। নিরাপত্তায় থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। তবে, বিরোধীদের দাবি, শনিবারের ভোটে যে হারে ছাপ্পা, রিগিং ও সন্ত্রাস হয়েছে। যা হয়েছে, সেটা আসলে প্রহসন। তাতে অত কম বুথে পুনর্নির্বাচন করে কোনও লাভ নেই। অন্তত ১০ হাজার বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কমিশনকে পুনরায় স্বচ্ছ নির্বাচন করাতে হবে। যদিও শ্যাম রাখি না-কূল, এই পরিস্থিতিতে পড়া রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই দাবি মানতে নারাজ।শনিবার রাজ্যে একদিনের পঞ্চায়েত ভোটে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অবাধে ভোট লুঠ, ব্যালট বাক্স নষ্ট, বুথ দখল, হিংসা, গুলিচালনা, বোমাবাজি তথা এককথায় অরাজকতার অভিযোগ উঠেছে ভোট ঘিরে। তারপরই বিরোধীরা দাবি, সমস্ত বুথে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ ও ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে হবে। সেইমতো যেসব বুথে অরাজকতা হয়েছে, সেখানে পুনরায় নির্বাচন করাতে হবে। সেই দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল কমিশন। গুটি কয়েক বুথে পুনরায় ভোট ঘোষণায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা।তার পাশাপাশি, ভোটের দিন সকাল পর্যন্ত রাজ্যে এসে পৌঁছেছিল ৬৪৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারপর শনিবার সন্ধ্যা এবং রবিবার সকালে আরও কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসে পৌঁছয়। সেই সব বাহিনীকে পুনর্নির্বাচনের কাজে লাগানো হবে বলেই কমিশন জানিয়েছে। একইসঙ্গে, রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে ভোট পড়েছে ৮০.৭১ শতাংশ।বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কেন্দ্রীয় ভাবে আমরা ৭ হাজার বুথে পুনরায় ভোট চেয়েছিলাম। সেটা জেলাস্তরে সব মিলিয়ে ছিল ১০ হাজার। কিন্তু ৬০০-এর বেশি বুথে পুনর্নির্বাচন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ০৯, ২০২৩
রাজ্য

চোখের সামনে 'ভোটলুঠ', নিরাপত্তার অভাব, আর কখনও ভোটের কাজে নয়, শপথ প্রিসাডিংয়ের

ভোট গ্রহণের প্রথম তিক্ত অভিজ্ঞতায় মহিলা পরিচালিত বুথের ভোট কর্মীরা তিতিবিরক্ত। চাকরি না থাকলেও আর কখনও ভোটের কাজে অংশগ্রহণ করতে চান না তাঁরা। এদিন ঘটনার পর থেকে তাদের চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ। ভয়ে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেললেন প্রিজাইডিং অফিসার অঙ্গনা শেঠ।বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ময়ূরেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজচন্দ্রপুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথ এবার মহিলা পরিচালিত ছিল। সেখানে পাঁচজন মহিলা ভোট কর্মী ছিলেন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য ছিল একজন জুনিয়ার কনস্টেবল এবং একজন সিভিক ভলন্টিয়ার। ভোট কর্মীরা জানান, বেলা ১১ টা পর্যন্ত ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল। তখন প্রায় ২০০ ভোট হয়ে গিয়েছিল। তারপরেই একদল দুষ্কৃতী মুখে কাপড় বেঁধে লাঠি হাতে ভিতরে ঢুকে ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে স্ট্যাম্প মেরে বক্সে ঢোকাতে শুরু করে। এরকম কিছুক্ষণ চলার পর আরও কিছু দুষ্কৃতী ভিতরে ঢুকে ব্যালট বাক্স কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। বুথের ভিতর তাণ্ডব চালায়।অঙ্গনা শেঠ বলেন, আমাদের মহিলা পরিচালিত বুথ হলেও ছিল না পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। একপ্রকার আমাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। দুষ্কৃতীরা আমাদেরও মারতে উদ্যত হয়। জুনিয়ার কনস্টেবল এবং সিভিক দুজনেই নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত ছিল। বাইরে তখন ধুন্দুমার চলছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে দুটি মোটর বাইক।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বহিরাগত দুষ্কৃতীরা এখানে মোটরবাইক নিয়ে ভোট লুঠ করতে এসেছিল। এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষই তাদের মোটরবাইক জ্বালিয়ে দিয়েছে।ঘটনার পর থেকে মহিলা ভোট কর্মীদের চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল আতঙ্কের চাপ।। সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা কান্নায় ভেঙে পরেন। পুলিশকে খবর দেওয়ার পরও দীর্ঘক্ষণ পুলিশের দেখা মেলেনি। ফলে চাকরি চলে গেলেও তাঁরা যে ভোট প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে কখনও অংশগ্রহণ করবেন না সেটা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েতে টাকা নিয়ে টিকিট বিক্রি, ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে তৃণমূল বিধায়কের ভয়ঙ্কর অভিযোগে শোরগোল

তৃণমূল বিধায়ক এবার সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন ব্লক সভাপতির দিকে। হুগলির বলাগড়ের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারির দাবি, ব্লক সভাপতি নবীন গঙ্গোপাধ্য়ায় টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েতের টিকিট বিক্রি করেছেন। এর আগে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে ওই তৃণমূল ব্লক সভাপতি ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন বলেও ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট লিখেছেন বলাগড়ের বিধায়ক। তাঁর লেখা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। ব্লক সভাপতি যে চোর সেই প্রমানও বিধায়কের কাছে আছে বলে ওই পোস্টে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিরোধীরা বলতে শুরু করেছে, বিধায়কই যেখানে দুর্নীতির অভিযোগ করছেন দলীয় নেতার বিরুদ্ধে তাহলে কিছু আর বলার নেই। দুর্নীতিতে যুক্তদের নিয়ে তৃণমূল চলছে বলে স্বয়ং বিধায়কই প্রকাশ্যে অভিযোগ করছেন।রবিবার মনোরঞ্জন ব্যাপারি ফেসবুকে কি লিখেছেন?আজ টিভিতে সংবাদ পরিবেশন হচ্ছে আমি নাকি টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েত প্রার্থীকে নির্বাচনে টিকিট দিচ্ছি। এই অভিযোগ এনেছে সেই ব্লক সভাপতি যে নিজে কয়েকদিন আগে চাকরি দেওয়ার কথা বলে লোকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে নাক কান মুলে সেই টাকা ফেরত দিয়েছেন। ফেরত দিতে আমি বাধ্য করেছি। এক প্রমাণিত চোর আমার গায়ে কাদা ছেটাচ্ছে। এর চেয়ে অবাক ব্যাপার আর কী হয়। বলাগড় ব্লকে সর্বমোট পঞ্চায়েত সিট ২২৪, আমি তার মধ্যে পেয়েছি ১০৯টি টিকিট। বাকি সব টিকিট পেয়েছে ওই ব্লক সভাপতি। যার নামে বলাগড়ের আকাশে বাতাসে ভাসছে টাকা নিয়ে পঞ্চায়েতে প্রার্থী টিকিট বিক্রির গল্প। আমি যে টিকিট পেয়েছি কাল সেই টিকিট প্রার্থীদের হাতে তুলে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ করছি যে কেউ এসে তাদের কারও মুখ থেকে যদি বলাতে পারেন কারও কাছ থেকে আমি পাঁচ পয়সা নিয়েছি আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব! আর কেউ যদি প্রমান চান ব্লক সভাপতি কত বড় চোর আমার কাছে তার অনেক প্রমাণ আছে। নিজের চোখে দেখে যেতে পারেন। যদিও ব্লক সভাপতির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।মমতা বন্দ্য়োপাধ্যাযের দলের বিধায়কের এই পোস্ট নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসেও শোরগোল পড়ে গিয়েছে। একেই বিরোধীরা ক্রমাগত চুরি ও দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে, পঞ্চায়েত নির্বাচন চলাকালীন এভাবে তৃণমূল বিধায়ক ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় চরম অস্বস্তিতে পড়ছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

জুন ১৮, ২০২৩
রাজনীতি

চাঞ্চল্যকর মন্তব্য বিধায়কের! বাংলাদেশ থেকে যারা নতুন আসছে তাঁরা সবাই বিজেপির

নতুন লোক আসছেই। নতুন লোক মানে সব বাংলাদেশ থেকে আসা লোক। তাদের ভোট বেশি তুলতে যাওয়া বেশি ক্ষতি। কারণ তারাতো বেশি হিন্দু হিন্দু করে বেশীটাই ভোট দিয়ে দেয় বিজেপিকে। এটাকে নিয়ে অস্বীকার করার কিছু নেই। নতুন লোকের ভোট তুলবেন যারা আমাদের দলের সাথে যুক্ত তাদের। বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক খোকন দাসের এই মন্তব্য ঘিরে তৈরী হয়েছে বির্তক।মঙ্গলবার বর্ধমানের টাউনহলে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটার লিষ্ট সংক্রান্ত বুথ ভিত্তিক এজেন্টদের আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন বিধায়ক খোকন দাস। যা ঘিরে জেলায় আলোড়ন শুরু হয়ে গেছে।বিজেপি বর্ধমান জেলা কমিটির সহ-সভাপতি তথা জেলা মুখপাত্র সৌম্যরাজ ব্যানার্জীর অভিযোগ, এর মাধ্যমেই প্রমাণিত হচ্ছে যে তৃণমূলই ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে বিজেপি নয়। বাংলাদেশ থেকে আসা লোক সম্পর্কে যদি বিধায়কের কাছে কোন তথ্য থাকে তাহলে বিধায়কের উচিত ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি না করে সেই তথ্য রাজ্য ও কেন্দ্রকে জানানো। আমরা তো এই কারণেই সিএএ লাগু করার কথা বলেছি,যার প্রযোজনীয়তা আজ বিধায়কের কথাতেই স্পষ্ট।যদিও পূর্ব-বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, বিজেপিই অভিযোগ করেছিল পশ্চিমবাংলায় বাংলাদেশী লোক ঢুকছে তো বিধায়ক এটাই বলতে চেয়েছেন যে বাংলাদেশ থেকে যদি কোনো লোক ঢোকে তাদের নাম ভোটার লিষ্টে তুলবেন না। অযথা কথার অপব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তৃণমূল ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে না। সিএএ লাগু করা বিজেপির একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে। ভোটের সময়ই তা প্রতিফলিত হয়।

নভেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূলের অভ্যন্তরের বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর, তৃণমূলের ভোট কার ঘরে?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূল ক্রশ ভোটিং করেছে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কেউ ভোট দিয়েছেন এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে, আবার কারও কারও ভোট বাতিল বলে ঘোষিত হয়েছে। বিরোধী দলনেতার এহেন অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেনি।এদিনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগণনা ছিল। তৃণমূলের শহিদ দিবসের দিন সাধারণত অন্য দল থেকে ঘাসফুল শিবিরে কেউ কেউ যোগ দেন। এবার এই দিনে তৃণমূলের অভ্যন্তরে বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে বলে শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে অভিযোগ করে বসলেন।রাজ্য বিধানসভা থেকে দ্রৌপদী মুর্মু ভোট পেয়েছেন ৭১টি। শুভেন্দুর বক্তব্য, ইচ্ছাকৃতভাবে তৃণমূলের চার বিধায়ক নিজেদের ভোট বাতিলযোগ্য করেছেন। এক বিধায়ক দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিয়েছেন। কারণ, তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের হুইপ মেনে বিরোধীদের প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে ভোট দিতে চাননি। দ্রৌপদী মুর্মুকে রাজ্যের ৭০ জন বিজেপি বিধায়কের ৭০ জনই ভোট দেবেন। তাহলে ১টি ভোট কে দিলেন? তৃণমূলের এক বিধায়ক বিধানসভায় ক্রশ ভোট দিয়েছেন বলে শুভেন্দুর দাবি।As promised by me all 70 @BJP4Bengal MLAs voted in favour of Smt. Draupadi Murmu ji.While 1 @AITCofficial MLA cross voted in favour of the President Elect, 4 TMC MLAs ensured that their votes were regarded invalid !71 votes were polled in favour of Smt. Murmu ji in WB Assembly: pic.twitter.com/QDwIy2LKkB Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 21, 2022এমনকী লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের ৪ সাংসদের ২ জন দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিয়েছেন বলেই দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। বাকি দুজনের ভোট বাতিল হয়েছে। বিজেপির প্রশ্ন তাহলে যাঁরা প্রকাশ্যে তৃণমূলেই আছেন তাহলে তাঁরা কি করে দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে বিজেপি-তৃণমূল দুপক্ষই দাবি করেছিল বিরোধী দলের সাংসদ-বিধায়করা ক্রশ ভোট করবেন। শুভেন্দুর দাবি নিয়ে জোর জল্পনা চলছে রাজনৈতিক মহলে।

জুলাই ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শহরে কার্তিক আরিয়ান, দর্শকদের ভিড়ে আপ্লুত বলি স্টার

বেশ কয়েকটা ছবি মুখ থুবড়ে পরার পর ভুল ভুলাইয়া ২ এর হাত ধরে আবার পুরনো ফর্মে ফিরেছেন অভিনেতা। কার্তিক আরিয়ান ও কিয়ারা আদবানী অভিনীত হরর কমেডি মুক্তির ৬ দিনের মধ্যেই প্রায় ৮৬ কোটির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে পরিচালক আনিস বাজমীর এই ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। ছবির প্রচারে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হচ্ছে ভুল ভুলাইয়া ২ এর টিমকে। এবার এই ছবির প্রচারে কলকাতায় এলেন কার্তিক আরিয়ান অর্থাৎ এই ছবির রুহ বাবা। আজ দুপুরে কলকাতার সল্টলেকের নভোটেলে ছবির প্রচারে এলেন অভিনেতা। তাকে দেখতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। ভুল ভুলাইয়া গানের পোজে পাওয়া গেল এই বলি অভিনেতাকে। যারা নিজস্বীর আবদার রেখেছিলেন সকলের আবদারও মেটালেন কার্তিন আরিয়ান। কলকাতায় এসে বাংলায় কার্তিক বললেন আমি খুব ভালোবাসি। এছাড়া তিনি জানালেন কলকাতায় আসতে তার সবসময় ভালো লাগে। বন্ধুদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার এখানে এসেছেন।

মে ২৮, ২০২২
রাজ্য

কোন সমীকরণে বালিগঞ্জের 'জয়'-এ চিন্তায় ঘুম উড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের?

বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে বিজেপি ফেরত বাবুল সুপ্রিয়র নাম ঘোষণার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। মুসলিম ভোটারদের একাংশ ভ্রু কুঁচকাতে থাকে। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আসানসোলের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ শিল্পাঞ্চলের দাঙ্গায় মদত দিয়েছিলেন। মুসলিমদের একাংশ বাবুলকে ভোট দিতে বেকে বসেন। দু-একটা মুসলিম সংগঠন প্রকাশ্যে বিবৃতিও দেয়। তারওপর আনিস খুন, বগটুইয়ের গণহত্যার মতো জ্বলন্ত ইস্যু রয়েছে। শনিবার ভোটের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় দুটি ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী এগিয়ে গিয়েছেন, তিন ওয়ার্ডে ব্যাপক ভোট কমেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। মোদ্দা কথা জয়ের ব্যাপক মার্জিন কমেছে তৃণমূল কংগ্রেসের।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায় মোট প্রাপ্ত ভোটের ৭০.৬০ শতাংশ পেয়েছিলেন। এবার বাবুল সুপ্রিয় পেয়েছেন প্রায় ৪৯.৬৯ শতাংশ ভোট। গত বিধানসভায় তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান ছিল ৫০ শতাংশের বেশি ভোট। দ্বিতীয় বিজেপি তখন পেয়েছিল ২০.৬৮ শতাংশ ভোট। এবার মোট ভোট কম পড়লেও শতাংশের হিসাবই দেখিয়ে দিয়েছে গতবারের থেকে এবারের উপনির্বাচনে ভোটপ্রাপ্তির ফারাক। জয়ের ব্যবধানেও ব্যাপক ফারাক হয়েছে। ৭৫ হাজারের ওপর ব্যবধান নেমে এসেছে ২০ হাজারে। দুই আসনে সবুজ ঝড়ের কথা বলা হলেও কার্যত বালিগঞ্জে তৃণমূল ভোট হারিয়েছে। এর পিছনে মুসলিম ভোটই প্রধান কারণ বলে জানিয়ে দিয়েছে বেঙ্গল ইমাম অ্যাসোসিশন। তাঁদের বক্তব্য, বালিগঞ্জে মুসলিম ভোটারদের একটা বড় অংশ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব আত্মসমীক্ষা করে দেখতে পারে। মুসলিমদের একাংশের ভোট তৃণমূল না পাওয়ায় ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই সংগঠনের কর্তারা।রাজনৈতিক মহলের মতে, উপনির্বাচনে শাসকদলের অ্যাডভান্টেজ থাকে এটা অতীতের ফলাফলে প্রমানিত। কিন্তু বালিগঞ্জের ক্ষেত্রে এবার অন্তত সেকথা খাটছে না। সিপিএম এখানে ৩০.০৬ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। কংগ্রেস ৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। অর্থাৎ কংগ্রেস ও সিপিএমের মিলিত ভোট প্রায় ৩৬ শতাংশ। সামনে ২০২৩-এ পঞ্চায়েত ভোট, ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন, ২০২৬-তে বিধানসভা ভোট। বালিগঞ্জের ধারা অব্যাহত থাকলে ভোট রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক-এ সংকট হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
দেশ

নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেন-ভোটে অংশ নিল না ভারত, ভেটো প্রয়োগ রাশিয়ার

রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আনা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটিতে অংশ নিল না ভারত। নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে আমেরিকা এবং তার সহযোগী রাষ্ট্রগুলির আনা ওই প্রস্তাব ঘিরে ভোটাভুটিতে অংশ না নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন, ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস তিরুমূর্তি।তিরুমূর্তি বলেন, ইউক্রেনের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে ভারত গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে বৈরিতা এবং হিংসা বন্ধের আবেদন জানাচ্ছি আমরা। একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই ইউক্রেন সঙ্কট সমাধানের পথ মিলতে পারে বলেও জানান তিনি। নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ভারতের তরফে আগেই ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে ভারসাম্যের কূটনীতির পথে হাঁটার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। শনিবার গুরুমূর্তির বক্তব্যেও তার প্রমাণ মিলেছে। আমেরিকা এবং তার সহযোগী দেশগুলির আনা প্রস্তাবে, ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসনের জন্য রাশিয়ার কড়া নিন্দা করা হয়েছিল। নয়াদিল্লি পশ্চিমী দুনিয়ার সেই মস্কো বিরোধিতার উদ্যোগে শামিল হয়নি।রাশিয়ায় বিরুদ্ধে আনা ওই প্রস্তাবের পক্ষে ১১টি ভোট পড়ে। ভারত ছাড়াও চিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও ভোটাভুটিতে অংশ নেয়নি। তবে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ভেটো প্রয়োগ করায় প্রস্তাবটি পাশ হয়নি নিরাপত্তা পরিষদে।নিরাপত্তা পরিষদে তিরুমূর্তির বক্তব্য, রাশিয়া, ইউক্রেন ও ইউরোপের ওএসসিই (অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন ইন ইউরোপ)-ভুক্ত দেশগুলিকে নিয়ে গঠিত গোষ্ঠীর আলোচনা হলে স্বাগত জানাবে ভারত। সেই সঙ্গে তিনি জানান, রাশিয়া, ইউক্রেন, জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে নরম্যান্ডি পর্যায়ের আলোচনারও পক্ষে ভারত। তিরুমূর্তির বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গঠনমূলক কূটনীতিই এখন একমাত্র পথ।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
কলকাতা

১০৮ পুরসভার ভোট গণনা ২ মার্চ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

২ মার্চ ১০৮ টি পুরসভার ভোটগণনা। বিজ্ঞপ্তিতে জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। স্ক্রুটিনির জন্য আরও এক দিন বরাদ্দ। ২৭ ফেব্রুয়ারি যে ১০৮ পুরসভার ভোট, তার গণনার দিন আগে ঘোষণা করা হয়নি। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, ২ মার্চ ১০৮ পুরসভার ভোটগণনা হবে।এক্ষেত্রে যদি চার পুরসভার ভোটের কথা উল্লেখ করা যায়, তাহলে দেখা যাবে ১২ ফেব্রুয়ারির পর ১৪ ফেব্রুয়ারি, মাত্র এক দিন পরই গণনার দিন স্থির হয়েছিল। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছিল, যে দিন ভোট হল, সেই রাতেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে স্ক্রুটিনি করা সম্ভব? কারণ যদি পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা থাকে, তাহলে সেটা একদিন পরই করতে হবে। কোথাও হয়তো পুনর্নির্বাচনের ভাবনা নেই, তাই কমিশন এই ধরনের পদক্ষেপ করেছে। এমনও অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের আগের দাবি মেনে স্ক্রুটিনির জন্য এক দিন সময় বাড়াল।এদিকে, ১০৮ পুরসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায় কি না, জানাতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপির দায়ের করা মামলায় নির্দেশ প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের। একই সঙ্গে দুয়ারে সরকার, পাড়ায় পাড়ায় সমাধান প্রকল্প ওই পুরএলাকায় বন্ধ রাখা যায় কিনা, তাও জানাতে হবে রাজ্যকে। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি। তার মধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বিরোধীদের অভিযোগ সম্পর্কে কী ভাবছে রাজ্য সরকার, তা মামলার শুনানিতে জানতে চায় আদালত। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা আছে? দুয়ারে সরকার পাড়ায় পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি বন্ধ রাখা যায়? সে বিষয়ে তথ্য চায় হাইকোর্ট। রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এই মর্মে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়। আগামী সোমবার মামলার শুনানি। ওইদিনই হলফনামা জমা দিতে হবে। এছাড়াও রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোটকেন্দ্রগুলির সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
কলকাতা

ভুয়ো ভোটার ধরতে বুথেই হাতাহাতি ২ মহিলা প্রার্থীর

পুরভোটে সকাল থেকেই সরগরম বিধাননগর। ভোট শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিক্ষোভের ছবি ধরা পড়েছে। এ বার, বিধাননগরের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থীর মধ্যে কার্যত হাতাহাতি শুরু হয়। অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস চক্রবর্তী ছাপ্পা ভোট করাচ্ছিলেন। এমনকী, বুথে বিজেপির কোনও পোলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি। উপরন্তু, তৃণমূলের তরফে ভুয়ো পোলিং এজেন্টকে বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ। সেইসময়, বিজেপি প্রার্থী প্রমিতা সাহা বুথে এসে পৌঁছলে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলেন। প্রায় কিছু সময়ের মধ্যেই সেখানে এসে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস চক্রবর্তী। তখনই উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় কার্যত উত্তেজনা ছড়ায়। গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন। ওই ওয়ার্ডে এই মুহূর্তে মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ।পুলিশের উপস্থিতিতে এভাবে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাতাহাতি বচসার ঘটনা কীভাবে ঘটল? আদৌ সেখানে ছাপ্পা চলছিল কি না? কীভাবে ভোট হচ্ছিল? সব তথ্য চেয়ে গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ।বিজেপির তরফে অভিযোগ, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওই বুথে সকাল থেকেই ছাপ্পা ভোট চলছিল। খবর পেয়ে সেখানে যান বিজেপি প্রার্থী প্রমিতা সাহা। তিনি বুথে গিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলা শুরু করতেই এসে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস। প্রমিতা অভিযোগ করেন বুথে বিজেপির কোনও পোলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি।শুধু তাই নয়, তৃণমূলের তরফে বহিরাগতদের এনে ভোট করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এমনকী, তৃণমূলের পোলিং এজেন্ট ভুয়ো এই দাবিও করেন বিজেপি প্রার্থী। তখনই শুরু হয় বচসা। তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস প্রমিতাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এদিকে বুথের বাইরে মোতায়েন ছিল পুলিশ। কিন্তু, কর্তব্যরত পুলিশ কর্তাদের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ।পাল্টা, তৃণমূলের অভিযোগ, বুথে কোনও বহিরাগতদের নিয়ে আসা হয়নি। উল্টে বিজেপি প্রার্থীই এসে মারধর হামলা করে বলে অভিযোগ মিনু দাসের। যার জেরে বুথে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় বলেই জানিয়েছেন মিনু।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
কলকাতা

বিধাননগরে একাধিক ভুয়ো ভোটারের অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর

বিধাননগর ভোটের শুরুতেই ভুয়ো ভোটারের অভিযোগ বিরোধীদের। লাইনেই রয়েছে বহু ভুয়ো ভোটার। এমনই অভিযোগ বিধাননগর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস জানার।শনিবার ভোটের শুরুতেই দেবাশিস জানা বিএফ কমিউনিটি সেন্টারে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ভোটার লাইনে এক ব্যক্তিকে দেখে তাঁর সন্দেহ হয়। তিনি তাঁকে প্রশ্ন করতে শুরু করেন। খুবই সাধারণ প্রশ্ন, ওই ব্যক্তির বাবার নাম জিজ্ঞাসা করেন দেবাশিস জানা। বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্য, ওই ব্যক্তি তাঁর বাবার নামই বলতে পারেননি। বেশি চাপাচাপি করতে তিনি লাইন ছেড়ে বেরিয়ে যান। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, লাইনে বহু ভুয়ো ভোটার রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি এজেন্টদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।অন্যদিকে, বিধাননগর ১৮৫ নম্বর বুথেও উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপি প্রার্থী পিয়ালি বসুর অভিযোগ, ভোটকেন্দ্রে অন্য একটি দরজা তালা খোলা অবস্থায় ছিল। তা দেখে তিনি আপত্তি জানান। পরে তালা বন্ধ করা হয়। প্রসঙ্গত, বিধাননগরে অশান্তি এড়াতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন।বিধাননগর ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ ও অবাধে হয়, তার জন্য শুক্রবারই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ ছিল হাইকোর্টের। আদালত নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্ট করে দিয়েছিল, বিধাননগরের ভোটে কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে, তার দায় থাকবে কমিশনের ওপর। আর তার জবাবদিহি করতে হবে কমিশনারকে। সেক্ষেত্রে এদিনটা কমিশনের কাছেও অনেকটাই চ্যালেঞ্জের বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনে ভোট পড়ল ৬০ শতাংশের বেশি

বৃহস্পতিবার প্রায় শান্তিতেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে। বেলা এগারোটা অবধি ভোটের হার ছিল ২০.০৩ শতাংশ, দুপুর একটায় ভোটের হার পৌঁছেছে ৩৫.০৩ শতাংশে। সকাল সাতটা থেকে পশ্চিমাঞ্চলীয় উত্তরপ্রদেশের ১১টি জেলার ৫৮টি আসনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রথম দফায় উত্তরপ্রদেশের যে জেলাগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে সেই জেলা গুলি হল-শামলি, হাপুর, গৌতম বুদ্ধ নগর, মুজফফরনগর, মেরঠ, বাঘপত, গাজিয়াবাদ, বুলন্দশহর, আলিগড়, মথুরা ও আগ্রা। ২০১৭ সালের নির্বাচনে এই ৫৮টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ের মোট ভোট পড়েছে ৫৯.৮৭ শতাংশ। সর্বাধিক ভোট হয়েছে শামলিতে ৬৬.১৪ শতাংশ, তারপরে মুজাফফরনগর এবং মথুরায় যথাক্রমে ৬৫.৩২ শতাংশ ৬২.৯০ শতাংশ। গৌতম বুদ্ধ নগরে সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত মাত্র ৫৪.৩৮ শতাংশ ভোটারের খবর পাওয়া গেছে। গৌতম বুদ্ধ নগর ব্যতীত সবচেয়ে কম রিপোর্ট করা ভোটার উপস্থিত জেলাগুলি হল গাজিয়াবাদ, মিরাট, আগ্রা যথাক্রমে ৫২.৪৩ শতাংশ, ৬০ শতাংশ এবং ৬০.২৩ শতাংশ৷২০১৭ সালের নির্বাচনে এই ৫৮টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি। সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টি দুটি করে আসনে জিতেছিল। আরএলডি জিতেছিল একটি আসনে। হাপুর হোক অথবা আলিগড় সকাল সকাল ১১টি জেলার বিভিন্ন বুথে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

যোগী রাজ্যের মসনদ দখলে লড়াই শুরু হল আজ

আজ থেকেই শুরু হল উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। সাত দফার এই নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ পর্ব আজ । মোট ১১টি জেলায় ৫৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কোভিড বিধি মেনেই সকাল ৭টা থেকে এই কেন্দ্রগুলিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে সন্ধে ৬টা অবধি।প্রথম দফার ৫৮ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯ টি সংরক্ষিত। ৩৭ টি কেন্দ্র রয়েছে জাট অধ্যুষিত পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে। বাকি ২১ টি বিধানসভা কেন্দ্র দোয়াব অঞ্চলের মধ্যে পড়ছে। প্রথম দফার নির্বাচনে যে কেন্দ্রগুলি বিশেষ উল্লেখযোগ্য, সেগুলি হল শামলি, মুজাফফরনগর, মিরাট, বাগপত, গাজিয়াবাদ, হাপুর, গৌতম বুদ্ধ নগর, বুলন্দশহর, আলিগড়, আলিগার্গ, মথুরা এবং আগ্রা। মোট ৬২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রথম দফার নির্বাচনে। উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রধান লড়াই বিজেপি বনাম সমাজবাদী পার্টির। এছাড়াও কংগ্রেস, বহুজন সমাজ পার্টি, রাষ্ট্রীয় লোক দল, শিবসেনাও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যেও ভোট কেন্দ্রে হাজির ভোটাররা। সকাল থেকেই আকাশ কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলেও, হাড় কাঁপুনি ঠাণ্ডাকে উপেক্ষা করেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভিড় জমাচ্ছেন ভোটাররা।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

বিধানসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে ফের সুর চড়ালেন রাজ্যপাল

প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে মঙ্গলবার বিআর আম্বেদকরের মূর্তিতে মাল্যদান করতে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। আম্বেদকরের মূর্তিতে মাল্যদানের পরই সেই চেনা ঢঙে রাজ্যের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেল রাজ্যপালকে।শুরুতেই জগদীপ ধনখড় বলেন, আজ ভোটার্স ডে। গণতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ এই ভোটাররা। বলতে খারাপ লাগছে পশ্চিমবঙ্গে ভোটারদের কোনও স্বাধীনতা নেই। আমরা দেখেছি ভোট পরবর্তী হিংসা কীভাবে এ রাজ্যে হয়েছে। নিজেদের মতো করে ভোট দিয়েছেন বলে জীবন দিতে হয়েছে।ভোট পরবর্তী হিংসা, রাজ্যের আইনকানুন-সহ একাধিক বিষয়ে সাংবাদিক বৈঠকে তোপ দেগেছেন তিনি। ধনখড় বলেন, বাংলায় ভোটারদের স্বাধীনতা নেই। গণতন্ত্রে ভোটার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলায় বিপদের মুখে গণতন্ত্র! ভোট পরবর্তী হিংসাই সেই ঘটনার প্রমাণ। এরপরই হুঁশয়িারি দেন, রাজ্যপালকে অন্ধকারে রেখে অধ্যক্ষ কিছু করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রাজ্যের সম্পর্কে রাজ্যপালের মন্তব্যের পরই পাল্টা সরব হন স্পিকার। তিনি বলেন, অবাক হয়ে গেলাম, রাজ্যপাল বি আর আম্বেদকরের স্মৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করার পর বিধানসভা সম্পর্কে অনেক সমালোচনা করলেন সাংবাদমাধ্যমের সামনে। এটা অত্যন্ত অসৌজন্যমূলক আচরণ বলে মনে করি।রাজ্যপালের কথায় উঠে এসেছে বিএসএফ এবং বিল প্রসঙ্গও। তাঁর অভিযোগ, বিএসএফ নিয়ে তথ্য চাওয়ার পরেও তা দেওয়া হয়নি। রাজভবনের বিরুদ্ধে ফাইল আটকে রাখার যে অভিযোগ উঠেছে তা সরাসরি খারিজ করেছেন রাজ্যপাল ধনখড়। তিনি বলেন, কোনও ফাইল রাজভবনে আটকে নেই। রাজ্যপাল সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। বিলে সই করা হয়নি বলেও মিথ্যা প্রচার করা হচ্ছে।উপাচার্য নিয়োগ নিয়েও রাজ্যের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন ধনখড়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কী ভাবে রাজ্যপালের অনুমতি ছাড়া ২৫ জন উপাচার্যকে নিয়োগ করা হল। এ রকম নিয়োগ দেশের আর কোথাও হয় না বলেই অভিযোগ তাঁর। উপাচার্যদের ডাকার পরেও কেন তাঁরা আসেননি তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রাজ্যপালের কথায়, শিক্ষার উন্নয়নের জন্য ভিসি-দের ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা না এসে ইউনিয়ন করছেন?

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

Kalighat Temple: করোনার বাড়বাড়ন্তে বন্ধ হল কালীঘাটের গর্ভগৃহে প্রবেশ

করোনার উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে ভক্তদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হল। কেবলমাত্র পালা করা সেবাইতরাই পূজা করতে পারবেন। তাঁরাই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন। আগামী ১১ থেকে ২৬ জানুয়ারি এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। করোনা সংক্রমণের কারণে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনিক স্তরে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। দ্রুত গতিতে করোনা ছড়ানোয় মন্দির কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনিক স্তরে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। মন্দির কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, একটি মিটিং করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১১-২৬ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে মন্দির। সাধারণ দর্শনার্থীরা ২ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকে ৪ নম্বর গেট দিয়ে বের হতে পারবেন। দুটি গেটই খোলা থাকবে। স্যানিটাইজার টানেল দিয়ে যেতে হবে।কোভিড গাইডলাইন মেনে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা। তবে গর্ভগৃহে ঢোকার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার থেকেই মাইকিং করে সতর্ক করা শুরু করেছে পুলিশ। মন্দিরে ঢোকার ক্ষেত্রে নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা কড়াভাবে নজর রাখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
কলকাতা

Bombing: রক্ত ঝড়ল পুরভোটে, বেলেঘাটা, শিয়ালদহে বুথের সামনে বোমাবাজি, আহত এক

বেলেঘাটার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে বোমাবাজির অভিযোগ। সেখানকার খান্না হাই স্কুলের সামনে বোমাবাজি চলেছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। আরও অভিযোগ, বেলেঘাটার পাশাপাশি শিয়ালদহেও হয়েছে বোমাবাজি।সেখানকার টাকি স্কুলের সামনে দুটি বোমা পড়েছে। এর জেরে আহত হয়েছেন এক জন। তাঁর পায়ে আঘাত লেগেছে।৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী রবিকান্ত সিং এই বোমাবাজির জন্য আঙুল তুলেছেন তৃণমূলের দিকে। তিনি বলেছেন, কাল থেকেই বহিরাগতরা ঢুকে বসে রয়েছে। আমি পুলিশকে লিখিত অভিযোগ করেছিলাম। সকাল থেকে বুথের সামনে ঘুরছে তাঁরা। বোমার দাগ এখনও রয়েছে। অভিযোগ করার পরও পুলিশ ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ তাঁর। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।টাকি স্কুলের সামনে বোমার আঘাতে আহত হয়েছেন এক জন। পায়ে আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ। স্কুলের অদূরেই এ দিন পরপর দুটি বোমা ফেলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। বোমার আঘাতে আহত হন এক ব্যক্তি। তিনি কেনাকাটা করতে রাস্তা বেরিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর পায়ে বোমার আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই বোমা কারা ফেলল, এর পিছনে কোন রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়, তবে তৃণমূলের অভিযোগ দুষ্কৃতীরা আদতে কংগ্রেস প্রার্থীর লোক।জখম ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুই জায়গাতেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
রাজনীতি

Goa-Mamata: 'গোয়ায় মুখ্যমন্ত্রী হতে বা ভোট কাটতে আসিনি'

গোয়ায় তৃণমূলের রাজনৈতিক সক্রিয়তা বাড়ার পর থেকেই শাসক বিজেপি এবং প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ধারাবাহিক ভাবে নিশানা করছে জোড়াফুল শিবিরকে। সেই সমালোচনা মূলত দ্বিমুখী। বিজেপি-র দাবি, তৃণমূল গোয়ায় বহিরাগত। অন্য দিকে, কংগ্রেসের অভিযোগ, গোয়ায় বিরোধী ভোট বিভাজন করে বিজেপি-কে সুবিধা পাইয়ে দিতে চাইছে মমতার দল।সোমবার বেনাউলিমের জনসভায় দুটি অভিযোগেরই জবাব দিয়েছেন মমতা। গোয়ায় তিনি বহিরাগত নন বোঝাতে তুলেছেন ভাষার প্রসঙ্গ। পাশাপাশি, স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, আমরা ভোট ভাগ করতে আসিনি। বিজেপি বিরোধিতায় কংগ্রেসের দায়বদ্ধতা নিয়ে খোঁচা দিয়ে বলেছেন, আমরা লড়লে পুরোপুরি লড়ি। অর্ধেক লড়াইয়ে বিশ্বাস করি না।We are not here to cause vote-splitting but to unite the votes make TMC alliance win. This is BJPs alternative. If someone wants to support it, its up to them to make a decision, weve already made a decision. We will fight die but we wont step back: WB CM Mamata Banerjee pic.twitter.com/n56TULp78K ANI (@ANI) December 13, 2021তিনি যেমন বাংলার মেয়ে, তেমনই গোয়ারও মেয়ে। সোমবার সে রাজ্যে তৃণমূলের জনসভায় এ কথাই বোঝাতে চাইলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোয়ার সঙ্গে তাঁর একাত্মতা বোঝাতে জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি আপনাদের ভাষা জানি। এর পরেই তাঁর মন্তব্য, আমি মুখ্যমন্ত্রী হতে এখানে আসিনি।সভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তৃণমূলনেত্রী সরাসরি প্রশ্ন করেন, আপনারা কি মনে করেন, গোয়ায় আমরা জিতব? জনতার থেকে ইতিবাচক উত্তর পেয়ে এর পর তাঁর মন্তব্য, তবে বাংলার মতো গোয়াতেও খেলা হবে। ইতিমধ্যেই গোয়ার প্রাক্তন শাসকদল মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টির সঙ্গে তৃণমূলের জোট হয়েছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টির সঙ্গেও সমঝোতা হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা সোমবার কোনও দলের সরাসরি না নিয়ে বলেন, আমরা ভোটে লড়ব। কেউ চাইলে আমাদের সঙ্গে আসতে পারেন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

Khardah By Poll: খড়দহে দফায় দফায় উত্তেজনা, কাজল সিনহার ছেলেকে মারধর

খড়দহে ফের ভুয়ো ভোটারের অভিযোগে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় শনিবার। মুড়াগাছায় জাল ভোটার ধরতে গাড়ি থেকে নেমে ধাওয়া করেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, শশীভূষণ জুনিয়র বেসিক স্কুলে ভোট দিতে আসেন কয়েকজন জাল ভোটার। একজনকে ধরে ফেলেন বলে দাবি করেন বিজেপি প্রার্থী। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা দেখে ভয়ে পালাচ্ছিলেন বলে দাবি অভিযোগকারীর।এ দিন খড়দায় ফের ভুয়ো ভোটারের অভিযোগে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। আইডিয়াল অ্যাকাডেমির সামনে তীব্র উত্তেজনা। অন্যের ভোটার কার্ড নিয়ে ভোট দিতে আসার অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনেই নিজেকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দেন ওই ব্যক্তি। এই সংবাগদ প্রকাশিত হওয়া মাত্রই ঘটনার রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশনের। অন্যদিকে, এদিন খড়দহে প্রয়াত বিধায়ক কাজল সিনহার ছেলে আর্যদীপ সিনহাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি প্রার্থী জয় সাহার ব্যক্তিগত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে খড়দহ বিটি রোড অবরোধ করে তৃণমূল। বিজেপি প্রার্থী জয় সাহার গাড়ি ঘিরেও বিক্ষোভ দেখানো হয়।উল্লেখ্য, ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচন সম্পন্ন হল আজ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনহাটায় ভোট পড়েছে ৭০%। শান্তিপুরে ভোট পড়েছে ৭৬%। খড়দায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৬৪%। গোসাবায় ভোট পড়েছে ৭৬%।ভোট শুরু হওয়ার একঘণ্টার মধ্যেই বিলকান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের যুগবেড়িয়ায় তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পড়েন খড়দহর বিজেপি প্রার্থী জয় সাহা। তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, প্রতীক লাগানো গাড়িতে চড়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন বিজেপি প্রার্থী। এই অভিযোগে যুগবেড়িয়া এলাকায় বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান দেন তৃণমূল কর্মীরা। বুথের বাইরে বেআইনি জমায়েত করে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূলই, পাল্টা অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Bhawanipur By Poll: ভবানীপুরে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পড়ল ৫৩.৩২% ভোট

বৃহস্পতিবার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। মোট ৮টি ওয়ার্ডের ভবানীপুর কেন্দ্রে এদিন নজর গোটা রাজ্যের। শুধু রাজ্যই নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও এই এই কেন্দ্রের উপনির্বাচন যে একটা আলাদা তাৎপর্যের দাবিদার, তা বলাই বাহুল্য। এদিন বেলা ১টা অবধি ভবানীপুরে ভোট পড়েছে ৩৫.৯৭ শতাংশ। সামশেরগঞ্জে ভোটের হার ৫৭.১৫ শতাংশ। জঙ্গিপুরে ভোট পড়েছে ৫৩.৭৮ শতাংশ। এদিকে ভোটের সকালে ফিরহাদ হাকিম ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের দুটি টুইট ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়। সুব্রত মুখোপাধ্যায় সে বিতর্কে মুখ খোলেন। বলেন, এ কাজ তাঁর নয়। তিনি টুইট করতেই জানেন না। থানায় অভিযোগ জানাবেন বলেও দাবি সুব্রতবাবুর। দুপুর ৩ টে পর্যন্ত ৪৮.০৮ শতাংশ ভোট পড়েছিল ভবানীপুরে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভবানীপুরে পড়েছে ৫৩.৩২ শতাংশ ভোট।আরও পড়ুনঃ মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিলেন মমতাএদিকে, বিজেপি নেতা কল্যাণ চৌবের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের পক্ষ থেকে যদিও বিজেপির সেই দাবি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানিয়েছে, এই হামলার পিছনে রাজনৈতিক কোনও অভিসন্ধি নেই। বরং দুর্ঘটনা থেকেই এই বচসা হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, কল্যাণের ওই গাড়ির অনুমতি না থাকার পাশাপাশি পুলিশের খাতায় তা নথিভুক্ত ছিল না। সেই কারণে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫১ নম্বর ধারা অনুযায়ী সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কল্যাণের আপ্তসহায়ককে। ঘটনার জেরে ভবানীপুর থানায় এসে হাজির হন কল্যাণ। কিন্তু প্রথমে তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বেশ কিছুক্ষণ পর কল্যাণ চৌবে থানায় ঢোকেন। অন্যদিকে, পুলিশের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে বিজেপি কর্মীকে আটক করা অভিযোগ তুলে থানায় এসে বিক্ষোভ জানান ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালও।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Mamata-Casting Vote: মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিলেন মমতা

নির্ধারিত সময়েই মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টে ১৫ মিনিট নাগাদ মিত্র ইনস্টিটিউশনে যান মমতা। সেখানে ভোট দিয়ে মিনিট তিনেকের মধ্যে বেরিয়ে যান তিনি। দুপুর ২ টো নাগাদ সপরিবারে ভোট দেন ফিরহাদ হাকিম।পরিবারের সকলকে নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টোর পর ভোট দিতে গিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। চেতলা গার্লস স্কুলে ভোট দিয়েছেন তিনি। মিত্র ইনস্টিটিউশনে গিয়ে ভোট দিলেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্ত্রী এবং পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে ভবানীপুর উপনির্বাচনে ভোট দিলেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মস্কোয় ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার আটক! জোর করে রুশ সেনায় যোগ দেওয়ানোর অভিযোগ, কাঁদতে কাঁদতে স্ত্রীর আর্জি

মস্কোয় আটক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার চন্দন গুপ্তা। তাঁর স্ত্রী স্নেহা গুপ্তার দাবি, কোনও অপরাধ না করেও তাঁর স্বামীকে আটক করে জেলে রাখা হয়েছে। তাঁকে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্নেহা। তবে ঠিক কী কারণে চন্দনকে আটক করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।জানা গিয়েছে, চন্দন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। স্ত্রী স্নেহা এবং ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই মস্কোয় থাকছিলেন তিনি। রবিবার দুপুরে মস্কো পুলিশ তাঁকে আটক করে বলে পরিবারের দাবি। এর পরেই সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন স্নেহা।সেই ভিডিওতে স্নেহা জানান, চন্দন নয়ডার একটি সংস্থায় ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করেন। চাকরির সূত্রেই সংস্থাটি তাঁকে রাশিয়ায় পাঠিয়েছিল। পরে বৈধ কাজের ভিসা নিয়ে স্ত্রী এবং সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে মস্কোয় যান চন্দন। সেখানে থাকার সময়ই তাঁকে পুলিশ আটক করে বলে অভিযোগ।স্নেহার দাবি, তাঁর স্বামী কোনও অন্যায় করেননি। তা সত্ত্বেও তাঁকে আটক করে জেলে রাখা হয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হয়েছে, সেই বিষয়ে পরিবারকে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি বলেও দাবি তাঁর।এরই মধ্যে আরও গুরুতর অভিযোগ করেছেন স্নেহা। তাঁর দাবি, চন্দনকে জোর করে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, তাঁকে হেনস্তা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।স্বামীকে দেশে ফেরাতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে চন্দনের পরিবার। স্নেহার কথায়, ১০ বছরের সন্তানকে নিয়ে তিনি মস্কোয় কার্যত অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। তিনি রুশ ভাষা বুঝতে পারেন না। ফলে তাঁর স্বামীর সঙ্গে ঠিক কী ঘটছে, কেন তাঁকে আটক করা হয়েছে, তা জানতেও সমস্যায় পড়ছেন।কান্নায় ভেঙে পড়ে স্নেহা আবেদন জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। অন্য দিকে, চন্দনকে ঠিক কোন অভিযোগে আটক করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর স্ত্রীর করা রুশ সেনায় যোগ দেওয়ানোর অভিযোগও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। গোটা বিষয়টি নিয়ে পরিবারের তরফে সরকারের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

শ্রদ্ধা ওয়াকারের ঘটনার স্মৃতি ফেরাল গুয়াহাটি! স্ত্রীকে খুন করে মুণ্ডু ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখল স্বামী

গুয়াহাটিতে এক তরুণীকে খুনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, স্ত্রীকে খুন করার পর তাঁর মাথা ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ঘটনায় সন্দেহের তির তাঁর স্বামী রামানুজন গোস্বামীর দিকে। তবে এখনও তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৫ বছরের রিয়া তালুকদারের সঙ্গে রামানুজনের বিয়ে হয়েছিল। তাঁরা গুয়াহাটির হাতিগাঁও এলাকায় থাকতেন। প্রতিবেশীদের দাবি, সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরে সেই বচসা তীব্র আকার নেয়। এরপর রাত আটটা নাগাদ রামানুজন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি।পরের দিন রাতের দিকে ওই বাড়ি থেকে পচা গন্ধ বের হতে শুরু করে। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসার পর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি চালায়। তখন ফ্রিজের ভিতর কালো প্লাস্টিকের ব্যাগে মোড়া অবস্থায় রিয়ার মাথা পাওয়া যায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁর হাতের কয়েকটি আঙুলও কাটা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।এই ঘটনার পর থেকেই রামানুজনের দিকে সন্দেহের তির ঘুরেছে। তবে এখনও তাঁকে আটক বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, রামানুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।জানা গিয়েছে, রিয়া ফ্যান্সি বাজারের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাজারে কাজ করতেন। তাঁর মা-বাবা কেউই জীবিত নেই। পরিবারের বলতে এক ভাই রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।রিয়ার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।এই ঘটনা সামনে আসতেই ২০২২ সালের শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের কথাও মনে পড়ছে। ২০২২ সালের মে মাসে দিল্লির মেহরৌলিতে শ্রদ্ধাকে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর প্রেমিক আফতাবের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ছিল, হত্যার পর শ্রদ্ধার দেহ একাধিক টুকরো করে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল।শ্রদ্ধা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ছেড়ে আফতাবের সঙ্গে দিল্লিতে চলে এসেছিলেন। পরে তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এমনকি এর আগে আফতাবের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগও করেছিলেন শ্রদ্ধা বলে জানা যায়।গুয়াহাটির বর্তমান ঘটনার সঙ্গে শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের সরাসরি কোনও যোগ এখনও পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার ভয়াবহতার কারণে পুরনো সেই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি নতুন করে ফিরে এসেছে। গুয়াহাটির ঘটনায় এখন মূল সন্দেহভাজন রামানুজনের সন্ধানেই জোর দিচ্ছে পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার পুরো চিত্র স্পষ্ট হবে না।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

সত্য নিকেতনে ছ’তলা বাড়ি ভেঙে মৃত্যু ৭ জনের! চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই বাড়ির মালিক আটক

দিল্লির সত্য নিকেতনে ছতলা একটি বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনার প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা পর রাজস্থানের বিওয়াড়ি থেকে বাড়ির মালিক হরিরাম গুপ্তকে আটক করেছে পুলিশ।দুর্ঘটনার পর থেকেই বাড়ির মালিকের খোঁজ শুরু করেছিল দিল্লি পুলিশ। সোমবার সকালেই তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়। এর পর বাড়ির মালিকের সম্ভাব্য গোপন আস্তানাগুলিতে তল্লাশি চালাতে একাধিক দল তৈরি করা হয়। তিন-চারটি দল বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালায়। তাঁর মালিকানাধীন একটি হার্ডওয়্যারের দোকানেও পুলিশ যায়। তবে স্থানীয়দের দাবি, গত দুদিন ধরে দোকানটি বন্ধ ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিরাম গুপ্ত এলাকায় হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেক্টর ২৩ এবং পালাম বিহার এলাকায় তাঁর পরিবারের একাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের কাছের এই এলাকায় বহু বাড়ি মেস বা পিজি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অধিকাংশ বাড়ির নিচেই রয়েছে বেসমেন্ট। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টির জেরে ভেঙে পড়া বাড়িটির নিচে জল জমেছিল। সেই সময় বেসমেন্টে নির্মাণকাজ চলছিল। এর ফলে বাড়িটির ভিত দুর্বল হয়ে গিয়ে ধস নামতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বাড়িটি নির্মাণের ক্ষেত্রেও নিয়ম মানা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরসভার দাবি, আবাসিক বাড়ির সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৭ দশমিক ৫ মিটার হতে পারে। কিন্তু ধসে পড়া বাড়িটির উচ্চতা তার চেয়ে বেশি ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে নির্মাণের সময় কোনও নিয়ম ভাঙা হয়েছিল কি না, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ চাণক্যপুরীর কাছে মোতিবাগ এলাকায় ভারী বৃষ্টির মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ছতলা বাড়িটি। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের আটটি ইঞ্জিন। পরে আরও ইঞ্জিন পাঠানো হয়। শুরু হয় উদ্ধারকাজ।স্থানীয়দের দাবি, ওই বাড়িতে বহু পড়ুয়া পিজি হিসেবে থাকতেন। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় অনেকেই বাড়িতে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাড়িতে অন্তত ৫০ জন পড়ুয়া থাকতে পারেন। পাশের একটি বাড়ির এক পড়ুয়াও জানান, ধসের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি কয়েক জনের আর্তনাদের শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন।এই ভয়াবহ ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। দুর্ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে নেমেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও দুর্ঘটনা নিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রতিটি পড়ুয়ার জীবন অত্যন্ত মূল্যবান এবং যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে ঘটনাটিকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল।সত্য নিকেতনের এই বাড়ি ধসের ঘটনায় এখন একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বেসমেন্টে নির্মাণকাজ, জল জমা, বাড়িটির উচ্চতা এবং নির্মাণের সময় নিয়ম মানা হয়েছিল কি নাসব দিকই তদন্তের আওতায় রয়েছে। এর মধ্যেই বাড়ির মালিককে রাজস্থান থেকে আটক করায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৩ অক্টোবর একই দিনে দুই দেশে ভারতের দুই ম্যাচ! ক্রিকেট ইতিহাসে কি প্রথম বার এমন কাণ্ড?

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সামনে ঠাসা সূচি। আর সেই সূচির জেরেই ৩ অক্টোবর তৈরি হতে পারে এক বিরল পরিস্থিতি। একই দিনে দুই আলাদা দেশে ভারতের দুটি ম্যাচ হতে পারে। একটি ওয়ানডে, অন্যটি টি-টোয়েন্টি। দুই ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। কোনওটিতেই দ্বিতীয় সারির দল নামানোর সুযোগ থাকবে না।সূচি অনুযায়ী, ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হওয়ার কথা। তার পর ২২ সেপ্টেম্বর জাপানের বিরুদ্ধে ম্যাচ রয়েছে। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ভারত। আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির দিক থেকে এই সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ ৩০ সেপ্টেম্বর এবং তৃতীয় ম্যাচ ৩ অক্টোবর হওয়ার কথা।অন্য দিকে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে জাপানে শুরু হবে এশিয়ান গেমস। ক্রিকেট হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। ভারত এই প্রতিযোগিতার গত বারের চ্যাম্পিয়ন। পাশাপাশি অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রেও এশিয়ান গেমস গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভারত এই প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী দল নিয়েই নামতে চাইবে।এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনাল হওয়ার কথা ১ অক্টোবর। ফাইনাল ৩ অক্টোবর। ভারত সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। ফলে অন্তত সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। সেমিফাইনালে জিতলে ৩ অক্টোবর ফাইনাল খেলতে হবে ভারতকে। আর সেমিফাইনালে হারলেও একই দিনে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচ রয়েছে। অর্থাৎ এশিয়ান গেমসে ভারত সেমিফাইনালে উঠলেই ৩ অক্টোবর আবার মাঠে নামতে হবে।এই জায়গাতেই তৈরি হচ্ছে সমস্যা। কারণ ৩ অক্টোবরই পঞ্জাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের তৃতীয় ওয়ানডে হওয়ার কথা। অর্থাৎ একই দিনে ভারতের একটি দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে খেলতে পারে, অন্য একটি দল জাপানে এশিয়ান গেমসের ম্যাচ খেলতে পারে।ভারতের এশিয়ান গেমসের দল ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। সেই দলে একাধিক পরিচিত ক্রিকেটার রয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের দল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে একই দিনে দুই দেশে ম্যাচ হলে কোন ক্রিকেটার কোন দলে থাকবেন, তা নিয়েও তৈরি হবে বড় প্রশ্ন।এশিয়ান গেমসের দলে থাকা শ্রেয়স আইয়ার, জশপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা এবং অক্ষর পটেলরা ওয়ানডে দলেরও গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। স্বাভাবিক ভাবেই একই সময়ে দুই দেশে তাঁদের খেলানো সম্ভব নয়। ফলে নির্বাচকদের সামনে দল বাছাই নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ৩ অক্টোবর ভারতীয় ক্রিকেটে অত্যন্ত বিরল একটি দিন হয়ে উঠতে পারে। একই দিনে দুই আলাদা দেশে, দুই আলাদা ফরম্যাটে ভারতের দুই দল মাঠে নামতে পারে। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে ঘটেছে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পালাবদলের পর প্রথম পুজোতেই বড় ঘোষণা! ক্লাবগুলিকে কত টাকা অনুদান, হবে কি কার্নিভ্যাল?

পালাবদলের পর বাংলায় এ বার প্রথম দুর্গাপুজো। তাই পুজো কমিটিগুলির অনুদান, পুজোর উদ্বোধন এবং কার্নিভ্যাল হবে কি না, তা নিয়ে আগে থেকেই নানা জল্পনা ছিল। সোমবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকের পরেই দুর্গাপুজো নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এ বার রাজ্যের পুজো কমিটিগুলিকে ১ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। পাশাপাশি পুজোর জন্য বিদ্যুৎ এবং দমকলের কোনও খরচ দিতে হবে না বলেও জানানো হয়েছে। অনুদানের জন্য কী ভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়েও পুজো কমিটিগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তবে বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলির জন্য আলাদা বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের উদ্দেশে তিনি অনুরোধ করেছেন, আর্থিক ভাবে সক্ষম বড় পুজো কমিটিগুলি যেন সরকারি অনুদান না নেয়। সেই সব কমিটিকে তিনি ধন্যবাদ জানাবেন বলেও জানান।এর আগে তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়া শুরু হয়েছিল। প্রথম দিকে প্রতি ক্লাবকে ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হত। পরবর্তী সময়ে সেই অনুদানের পরিমাণ বেড়েছে। ২০২৫ সালে প্রতিটি পুজো কমিটি ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান পেয়েছিল। পালাবদলের পর এ বার অনুদানের পরিমাণ নিয়ে তাই বিশেষ নজর ছিল পুজো উদ্যোক্তাদের।পুজোর উদ্বোধন নিয়েও এ দিন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত কয়েক বছর ধরে মহালয়ার আগেই বিভিন্ন পুজোর উদ্বোধন হতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু এ বার মহালয়ার আগে কোনও পুজোর উদ্বোধন হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেনে বড় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।এ বার আর দুর্গাপুজোর কার্নিভ্যালও হবে না। তার বদলে সরকারের তরফে শারদ সম্মানের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে পালাবদলের পর বাংলার প্রথম দুর্গাপুজোয় একাধিক ক্ষেত্রে বদল আসতে চলেছে।বিসর্জন নিয়েও এ দিন নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ২৪ অক্টোবরের মধ্যে বিসর্জনের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। বিসর্জনের সময় ক্রেন ব্যবহার করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে পুজো কমিটিগুলির অনুদান থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ ও দমকলের খরচ, পুজোর উদ্বোধন, কার্নিভ্যাল এবং বিসর্জনএকাধিক বিষয়ে সোমবারের বৈঠক থেকে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে সরকারি বিজ্ঞাপনে ‘বড় ভুল’! দুর্গার ১১ হাত দেখে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে সরকারি আমন্ত্রণপত্রে দুর্গার ছবি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সরকারি বিজ্ঞাপনে দশভুজার বদলে ১১ হাতের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে সামাজিক মাধ্যম, বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা শুরু হয়।পুজোর প্রস্তুতি নিয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সেই বৈঠকের আগে সরকারি একটি আমন্ত্রণপত্র উদ্যোক্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। সেখানেই দুর্গার ১১ হাতের ছবি দেখা যায় বলে অভিযোগ ওঠে।প্রচলিত ধর্মীয় রীতিতে দেবী দুর্গাকে দশভুজা হিসাবেই দেখা হয়। কিন্তু সরকারি বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত ছবিতে একটি হাত অতিরিক্ত দেখা যাওয়ায় প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি প্রথমে প্রকাশ্যে আনেন সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ। তিনি এই ছবি নিয়ে কটাক্ষও করেন। তাঁর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা শুরু হয়।এর পরেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মিলন মেলা প্রাঙ্গণে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই তিনি এই ভুলের জন্য ক্ষমা চান।মুখ্যমন্ত্রী জানান, সকালে একটি ত্রুটিপূর্ণ সরকারি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ভুলের জন্য তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ক্ষমা চেয়ে নেন। পাশাপাশি বিজ্ঞাপন প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাকে সতর্ক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে এই ধরনের বিষয়ে সরকার আরও সতর্ক থাকবে বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।এর আগে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকেও এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি জানান, তিনি বিজ্ঞাপনটি দেখেননি। তবে তাঁর কথায়, কোনও সংস্থার ছাপার ভুল থেকেই এমনটা হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি সংশোধন করে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে এ দিনের বৈঠকে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে বৈঠকের আগেই সরকারি বিজ্ঞাপনে দুর্গার ১১ হাতের ছবি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কই বিশেষ নজর কেড়ে নেয়। পরে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার পর সেই বিতর্কে আপাতত ইতি পড়ে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে বড় সুখবর! প্যারাটিচার থেকে শিক্ষাবন্ধু, একসঙ্গে বহু কর্মীর বেতন বাড়াল রাজ্য

নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর একাধিক স্তরের কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্যারাটিচার, শিক্ষাবন্ধু, বিশেষ শিক্ষাকর্মী, ম্যানেজমেন্ট কর্মী, এসএসকে ও এমএসকে-র সহায়ক কর্মী-সহ বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি বন সহায়ক এবং ফরেস্ট গার্ডদের পারিশ্রমিকও বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে।প্যারাটিচারদের বেতন প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক, দুই স্তরেই ৫ হাজার টাকা করে বাড়ছে। এত দিন প্রাথমিক স্তরের প্যারাটিচাররা মাসে ১১ হাজার ৯৪১ টাকা করে বেতন পেতেন। এবার তা বেড়ে হবে ১৬ হাজার ৯৪১ টাকা। উচ্চ প্রাথমিক স্তরের প্যারাটিচারদের বেতন ১৫ হাজার ৫২৩ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২০ হাজার ৫২৩ টাকা। এই বেতন বৃদ্ধি ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।এই সিদ্ধান্তে প্রাথমিক স্তরের ২০ হাজার ৩৪৩ জন এবং উচ্চ প্রাথমিক স্তরের ২১ হাজার ৮৪৯ জন প্যারাটিচার উপকৃত হবেন। অর্থাৎ দুই স্তর মিলিয়ে বহু প্যারাটিচারের মাসিক আয় বাড়তে চলেছে।শিক্ষাবন্ধুদেরও ৫ হাজার টাকা করে বেতন বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২২৮০ জন শিক্ষাবন্ধু উপকৃত হবেন। বিশেষ শিক্ষাকর্মীদেরও ৫ হাজার টাকা করে বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাঁদের ক্ষেত্রেও ১ নভেম্বর থেকে নতুন বেতন কার্যকর হবে।শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রেই নয়, বন দফতরের কর্মীদের জন্যও ঘোষণা করা হয়েছে পারিশ্রমিক বৃদ্ধির কথা। বন সহায়কদের পারিশ্রমিক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফরেস্ট গার্ডদের পারিশ্রমিকও ৫ হাজার টাকা করে বাড়ছে। এই বৃদ্ধি ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।এছাড়াও ম্যানেজমেন্ট কর্মী, এসএসকের সহায়ক এবং এমএসকের সহায়ক কর্মীদের বেতনও ৫ হাজার টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে বিভিন্ন স্তরে কাজ করা কর্মীদের একাংশের মাসিক আয় বাড়তে চলেছে।প্রাক্তন বিধায়কদের চিকিৎসা ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। এই বর্ধিত ভাতা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের বদলি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে পারস্পরিক বদলির জন্য বিধিবদ্ধ কাঠামো তৈরি করতে নতুন বিল আনা হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বিলটি বিধানসভায় পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।ফলে একদিকে বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বেতন ও পারিশ্রমিক বৃদ্ধির ঘোষণা, অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদের বদলির জন্য নতুন আইনি কাঠামোদুই ক্ষেত্রেই এদিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বাল্যবিবাহ করলেই এবার কড়া শাস্তি! বাড়ি বাড়ি অভিযান, পুরোহিত-কাজিদের নিয়েও বড় বার্তা

পশ্চিমবঙ্গে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার। বাল্যবিবাহের ঘটনা ঠেকাতে বাড়ি বাড়ি নজরদারি এবং অভিযান চালানোর কথা জানানো হয়েছে। নাবালিকার বিয়ে দেওয়া, বিয়েতে সাহায্য করা বা বিয়ে সম্পন্ন করার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে বাল্যবিবাহ নিয়ে কড়া অবস্থানের কথা জানান। তাঁর বক্তব্য, বাল্যবিবাহের মতো ঘটনা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। যে পরিবার নাবালিকার বিয়ে দেবে, সেই বিয়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও প্রশাসনের নজরের বাইরে থাকবেন না।রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যেসব ক্ষেত্রে নাবালিকা বধূর সন্ধান মিলেছে, সেই পরিবারের পাশাপাশি তাঁদের স্বামীদের কাছেও শোকজ নোটিস পাঠানো হতে পারে। স্ত্রী বিয়ের সময় ১৮ বছর বয়স পার করেছিলেন কি না, তা প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে হবে।বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে স্কুলের শংসাপত্র, আধার কার্ড, জন্মের শংসাপত্র-সহ সরকারি নথি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। বয়স সংক্রান্ত যথাযথ প্রমাণ দিতে না পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।শুধু বিয়ে দেওয়া পরিবার বা স্বামীর বিরুদ্ধেই নয়, বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করার সঙ্গে যুক্ত পুরোহিত এবং কাজিদের নিয়েও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, নাবালিকার বিয়েতে কেউ সাহায্য করলে তাঁর বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আইন দেশে বহু বছর ধরেই রয়েছে। মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছরের আগে বিয়ে আইনত নিষিদ্ধ। বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।বাংলায় বাল্যবিবাহ রুখতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সময় থেকেই সামাজিক আন্দোলন হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দেশে একাধিক আইন করে এই প্রথা বন্ধ করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এখনও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বাল্যবিবাহের অভিযোগ সামনে আসে। বিশেষ করে কিছু সীমান্তবর্তী ও গ্রামীণ এলাকায় এই সমস্যা নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ রয়েছে।এবার সেই কারণেই বাড়ি বাড়ি নজরদারির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। কোনও পরিবারে নাবালিকার বিয়ে হয়েছে কি না, বিয়ের সময় তাঁর বয়স কত ছিল এবং বিয়ের সঙ্গে কারা যুক্ত ছিলেন, সেই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হতে পারে।নাবালিকা বধূর সন্তান প্রসবের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের নজর থাকবে বলে জানানো হয়েছে। হাসপাতালেও বয়স সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হতে পারে। নাবালিকার ক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন বা শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠলে শিশুদের সুরক্ষা সংক্রান্ত কঠোর আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।প্রশাসনের বার্তা, নাবালিকার বয়স ১৮ বছরের কম হলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। বাল্যবিবাহের পাশাপাশি নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ থাকলে পৃথক ভাবেও আইনি পদক্ষেপ হতে পারে।ফলে রাজ্যে বাল্যবিবাহ রুখতে এবার নজরদারি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি অভিযান, বয়সের নথি যাচাই এবং বাল্যবিবাহের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাএই তিন দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকারের এই পদক্ষেপে রাজ্যে বাল্যবিবাহের প্রবণতা কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal