• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

USA

দেশ

মারাত্মক পরিস্থিতি, দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৪৫ হাজার

ভয়াবহতার সব মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে করোনা। দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা এক লক্ষের গণ্ডি পেরিয়েছিল সপ্তাহ দেড়েক আগেই। এবার সেই সংখ্যাটা এগোচ্ছে দেড় লক্ষের দিকে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ১ লক্ষ ৪৫ হাজার। রেকর্ড গড়েছে মৃতের সংখ্যাও। একই সঙ্গে লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসও।শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৮৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৪ হাজার বেশি। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩২ লক্ষ ৫ হাজার ৯২৬ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪৩৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৭৯৪ জনের। এই সংখ্যাটা চলতি বছরে সর্বোচ্চ।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৭৭ হাজার ৫৬৭ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অর্ধেকেরও কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ১০ লক্ষ ৪৬ হাজার ৬৩১ জন। চলতি বছরে প্রথমবার অ্যাকটিভ কেস পেরোল ১০ লক্ষের গণ্ডি। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৯ লক্ষ ৯০ হাজার ৮৫৯ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ৯ কোটি ৮০ লক্ষ ৭৫ হাজার ১৬০ জন। দেশে ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণ এবার রীতিমতো চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তবে, কেন্দ্র এখনই লকডাউনের পথে হাঁটতে চাইছে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্যগুলোকে মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরামর্শ নিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ১৫ হাজারের বেশি, মৃত ৬৩০

গত বছর এই সময়ই ভারতে প্রভাব বাড়াতে শুরু করেছিল করোনা। আর এখন এই মারণ ভাইরাস নতুন করে জাঁকিয়ে বসেছে। গত বছরও আক্রান্তের যে সংখ্যাটার সাক্ষী হয়নি দেশ, সেটাই হল এবছর। দিন দুয়েক আগেই দৈনিক সংক্রমণ ছাড়িয়েছিল এক লক্ষের গণ্ডি। এবার তা আরও বাড়ল। পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী মৃতের সংখ্যাও।বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৭৩৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রের সেটা বলাই বাহুল্য। গত ২৪ ঘণ্টায় সে রাজ্যে আক্রান্ত ৫৫ হাজারেরও বেশি। মহারাষ্ট্র ছাড়াও পঞ্জাব, কর্নাটক, ছত্তিশগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলিও রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ১ হাজার ৭৮৫ জন। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ৬৩০ জন। দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ১৭৭ জন। এই সংখ্যা আগের দিনের থেকে অনেকটাই বেশি। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যাও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৮ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪৭৩ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৫৯ হাজার ৮৫৬ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ১৭ লক্ষ ৯২ হাজার ১৩৫ করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ৮ কোটি ৭০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪৭৪ জন। টিকাকরণের পাশাপাশি চলছে টেস্টিংও। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১২ লক্ষেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে শুধু বাড়তে থাকা সংক্রমণই নয়, চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নয়া স্ট্রেনও। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, পঞ্জাবে ৮০ শতাংশ মানুষের সংক্রমণের কারণ ব্রিটেন থেকে আসা স্ট্রেন। নির্বাচন, কৃষক বিক্ষোভের মতো কারণে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলেো দাবি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

বাংলায় করোনার তাণ্ডব, একদিনে সংক্রমিত ২ হাজারের বেশি

ভোটের মরশুমে রাজ্যজুড়ে নতুন করে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়ে গেল। বেড়েছে মৃত্যুও। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে রাজ্যের সুস্থতার হারও। মঙ্গলবার তৃতীয় দফা ভোট মিটল বঙ্গে। এখনও বাকি পাঁচ দফা। আর তার আগে জোরকদমে চলছে মিটিং-মিছিল-সমাবেশ। কোভিডবিধি উড়িয়ে মাস্ক ছাড়াই জমায়েত করছেন হাজার হাজার মানুষ। আর সেই উদাসীনতার মাশুল গুনতে হচ্ছে বঙ্গবাসীকেই। স্বাস্থ্যদপ্তরের মঙ্গলবারের রিপোর্ট বলছে, একদিনে রাজ্যে কোভিড আক্রান্ত ২ হাজার ৫৮ জন। ফলে এদিন রাজ্যের মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৯৭ হাজার ৬৩৪ জন। স্বাস্থ্যভবনের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক আক্রান্তের হদিশ মিলেছে কলকাতায়। সংক্রমিত হয়েছেন ৫৮২ জন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭২ জন। এই দুই জেলা ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক আক্রান্তের হদিশ মিলেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া ও বীরভূমে। সরকারি হিসেব বলছে, বাংলায় চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৭৭৫ জন। যা সোমবারের তুলনায় ১ হাজার ৩২৯ জন বেশি। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লক্ষ ৭৪ হাজার ৫০৪ জন। একদিনে করোনামুক্ত হয়েছেন ৭২২ জন। ফলে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৬.১২ শতাংশ। সোমবারের তুলনায় রাজ্যে বেড়েছে মৃত্যুও। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তিন জন কলকাতার বাসিন্দা। বাকিরা হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, মালদা ও মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। এদিনে এ রাজ্যে করোনা মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ হাজার ৩৫৫ জন।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
দেশ

৬ মাস পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ ফের ৮১ হাজার পেরলো

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ক্রমেই বেসামাল হচ্ছে দেশের কোভিড পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭২ হাজার। শুক্রবার তা প্রায় সাড়ে ৮১ হাজার। ২৮ সেপ্টেম্বরের পর এত সংখ্যক লোক এক দিনে আবার আক্রান্ত হলেন। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি সবচেয়ে করুণ। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা গোটা করোনাকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেখানে এক দিনে আক্রান্ত ৪৩ হাজার ছাড়িয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ৮১ হাজার ৪৬৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৩ হাজার ১৩১ জন। করোনার নতুন প্রজাতির জন্যই সংক্রমণ এ রকম আকার নিচ্ছে বলে সম্প্রতি মত প্রকাশ করেছিলেন দিল্লি এইমসের প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। দেখা যাচ্ছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এক লাফে বাড়িয়ে দিয়েছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। দেশের দৈনিক মৃত্যু এক মাস আগেও ছিল ১০০-র আশপাশে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৪৬৯। মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৪৯ জনের। কর্নাটক, দিল্লি, পঞ্জাব এবং ছত্তিশগড়েও গত কদিনে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
দেশ

ত্রাস করোনা, দেশে একদিনে আক্রান্ত ৭২ হাজার

দ্বিতীয় ঢেউ, নিত্যনতুন স্ট্রেনের হামলা, এবং সেই সঙ্গে অসাবধানতা। যার জেরে ভারতে নতুন করে ত্রাস হয়ে উঠছে করোনা ভাইরাস। একটা সময় দেশের যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা ১০ হাজারের নিচে নেমে এসেছিল, সেটাই আবার নতুন করে রেকর্ড গড়ার পথে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭২ হাজারের বেশি মানুষ এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে সাড়ে চারশোর বেশি মানুষের। এই আক্রান্তের সংখ্যাটা চলতি বছরের তো বটেই, গত ৬-৭ মাসের মধ্যেই সর্বোচ্চ।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭২ হাজার ৩৩০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ২৬ হাজার বেশি। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২২ লক্ষ ২১ হাজার ৬৬৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৯২৭ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪৫৯ জনের। এই সংখ্যাটা আগের দিনের থেকে অনেক বেশি।এই বিরাট সংখ্যক আক্রান্তের সংখ্যার একটা বড় অংশ মহারাষ্ট্রের হলেও অন্য রাজ্যগুলিও কম যাচ্ছে না। বিশেষ করে ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে লাগাতার বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সঙ্গে গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাবের ছবিটাও সুখকর নয়। তবে, এসবের মধ্যে স্বস্তি দিচ্ছে করোনাজয়ীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৪০ হাজার ৪৫৯ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক অনেক কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫৫ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬৮৩ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ৬ কোটি ৫১ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৯৬ জন।

এপ্রিল ০১, ২০২১
দেশ

দোলের আগে চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা গ্রাফ, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৫৩ হাজারেরও বেশি

হোলির আগে লাগামছাড়া করোনা সংক্রমণ। চলতি বছর এই প্রথমবার একদিনে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৫৩ হাজারের গণ্ডি। যেখানে স্রেফ মহারাষ্ট্রেই গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৩১ হাজারেরও বেশি মানুষ এই মারণ ভাইরাসের কবলে পড়েছেন। সেই সঙ্গে চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাব, গুজরাতের মতো রাজ্যগুলিও। ইতিমধ্যেই ১৮টি রাজ্যে ছড়িয়েছে করোনার নয়া স্ট্রেন। ফলে চলতি বছর দেশজুড়ে ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা বেড়েই চলেছে।বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫৩ হাজার ৪৭৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে কয়েক হাজার বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৭ লক্ষ ৮৭ হাজার ৫৩৪ জন। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসও। দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার ১৯২-এ। একইসঙ্গে মারণ ভাইরাস এখনও কাড়ছে বহু মানুষের প্রাণ। দেশে মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬০ হাজার ৬৯২ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৫১ জনের।দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হওয়ার পর থেকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যানেও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসা কোভিড গ্রাফের ছবিটা অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছিল। কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ভর করে করোনাবিধি লঙ্ঘন করাই কাল হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাস্ক না পরলে কিংবা সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং না মানলে ফের মারাত্মক আকার ধারণ করবে করোনা। যে কারণে হোলির আগেই নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র। একইসঙ্গে রাজ্যগুলিকে টেস্টিংয়ে জোর দিতে বলা হয়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনে করোনার কবলে প্রায় ৪১ হাজার

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ গোটা দেশকে জেরবার করে দিচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরেই দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা ৪০ হাজারের উপরে ঘোরাফেরা করছে। ব্যতিক্রম হল না মঙ্গলবারও। এদিন আরও একবার একদিনে আক্রান্ত হলেন প্রায় ৪১ হাজারের কাছাকাছি। মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ভোটমুখী রাজ্য কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি। এরাজ্যেও বাড়ছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। তবে হঠাত করোনার এই বাড়বাড়ন্তের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় কারণ মহারাষ্ট্রের মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা। উদ্ধব ঠাকরের রাজ্য শুরু থেকেই করোনার হটস্পট ছিল। দেশের অধিকাংশ রাজ্যে কোভিড নিয়ন্ত্রণে ছিল, তখনও মারণ ভাইরাসকে বাগে আনতে পারেনি মহারাষ্ট্র। এখন আবার নতুন করে এই মহারাষ্ট্রই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় মুম্বইয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজারের বেশি।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪০ হাজার ৭১৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে কয়েক হাজার কম হলেও সার্বিকভাবে উদ্বেগজনক। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৬ লক্ষ ৮৬ হাজার ৭৯৬ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬০ হাজার ১৬৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৯৯ জনের। এই সংখ্যাটা আগের দিনের থেকে সামান্য কম।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ২৯ হাজার ৭৮৫ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেকটা কম। ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৭৭ জন। গত বেশ কয়েকদিন সংখ্যাটা নিয়মিত হারে বাড়ছে। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন, ১ কোটি ১১ লক্ষ ৮১ হাজার ২৫৩ জন। এখনও পর্যন্ত মোট টিকা পেয়েছেন ৪ কোটি ৮৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫৯৪ জন।

মার্চ ২৩, ২০২১
দেশ

চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা, ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ৪৩ হাজার

ঠিক এক বছর আগে করোনা কাঁটায় ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল গোটা দেশ। আর দেশজুড়ে কোভিড টিকাকরণ শুরু হওয়ার পরও যে হঠাৎ করে এভাবে সংক্রমণ ছড়াবে, তা হয়তো অনেকেই ভাবতে পারেননি। দেশজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসে উদ্বগ্নি বিশেষজ্ঞরাও। ইতিমধ্যেই নতুন করে লকডাউনের পথে হেঁটেছে বিভিন্ন শহর। সংক্রমণ ঠেকাতে ফের লকডাউনের পথে হাঁটতে হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কলকাতার স্বাস্থ্যবিদরাও।রবিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪৩ হাজার ৮৪৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা গত চার মাসে সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমণ। ফলে দেশে মোট করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৫ লক্ষ ৯৯ হাজার ১৩০। একদিনে মারণ ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে ১৯৭ জনের। দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে মোট ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭৫৫ জনের। এই সংখ্যাটাও আগের দিনের তুলনায় অনেকটাই বেশি। যা রীতিমতো চিন্তার। একইসঙ্গে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে দেশের বাড়তে থাকা অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে ৩ লক্ষ ৯ হাজার ৮৭ জন করোনা রোগের চিকিৎসাধীন।

মার্চ ২১, ২০২১
দেশ

ভারতে একদিনে নতুন করে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার

ঋতু বদলের সময়ে দেশে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে করোনা সংক্রমণ। নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে দৈনিক পরিসংখ্যান। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা ভাইরাসে নতুন করে সংক্রমিত ৩৯ হাজার ৭২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৫৪ জনের। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৩৫ হাজার ৮৭১। তুলনায় অনেক কম সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২০ হাজার ৬৫৪ জন। বাড়ছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ কোভিড রোগী ২ লক্ষ ৭১ হাজার ২৮২ জন।মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্যে হু হু করে বেড়ে চলা কোভিড সংক্রমণেই নয়া বিপদ সংকেত। দেশে সপ্তাহখানেকের কোভিড গ্রাফ দেখে চিন্তিত খোদ কেন্দ্রও। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজে এ নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, এখনও যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন প্রয়োজন। নইলে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা ফের পরিস্থিতি বিপজ্জনক করে তুলতে পারে। সংক্রমিত এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করে সেখানে নাইট কার্ফু, লকডাউন জারি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, জোড়া ভ্যাকসিন দিয়ে গণটিকাকরণের মাধ্যমে করোনা যুদ্ধে দেশ আরও এগিয়ে চলেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ৩ কোটি ৯৩ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮১৭ জনের টিকাকরণ সম্পূর্ণ। করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছিল দেশের ১ কোট ১৫ লক্ষ ১৪ হাজার ৩১১ জনের শরীরে। তাকে কাবু করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ১০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৬৭৯ জন। সবমিলিয়ে এই মুহূর্তে ভারতের করোনা পরিস্থিতি যেমন, তাতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বনে সামান্য ঢিলেমিও ভয়াবহ হতে পারে। এমনই আশঙ্কা স্বাস্থ্যমহলের।

মার্চ ১৯, ২০২১
দেশ

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় দেশে একদিনে আক্রান্ত প্রায় ৩৬ হাজার

রীতিমতো কাঁপুনি ধরাচ্ছে করোনা। দেশের একাধিক রাজ্যে এই মারণ ভাইরাস যে দ্বিতীয়বার আঘাত হেনে ফেলেছে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার কবলে পড়েছেন প্রায় ৩৬ হাজার মানুষ। অথচ, দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা একটা সময় ১০ হাজারের নিচে নেমে এসেছিল। হঠাৎকরোনার এই বাড়বাড়ন্তের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় কারণ মহারাষ্ট্রের মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা। উদ্ধব ঠাকরের রাজ্য শুরু থেকেই করোনার হটস্পট ছিল। দেশের অধিকাংশ রাজ্যে কোভিড নিয়ন্ত্রণে ছিল, তখনও মারণ ভাইরাসকে বাগে আনতে পারেনি মহারাষ্ট্র। এখন আবার নতুন করে এই মহারাষ্ট্রই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় মরাঠাভূমে আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ হাজারের বেশি। সম্ভবত মহারাষ্ট্রের জন্যই গোটা দেশের পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক মনে হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৫ হাজার ৮৭১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে বেশ কয়েক হাজার বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬০৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ২১৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৭২ জনের। এই সংখ্যাটা অবশ্য আগের দিনের থেকে সামান্য কম। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ১৭ হাজার ৭৪১ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের কার্যত অর্ধেক। ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৩৬৪ জন।

মার্চ ১৮, ২০২১
প্রযুক্তি

নাসার 'মঙ্গল' কামনায় অ্যালিসার আত্ম-বলিদান

যে বয়সে একরত্তি বাচ্ছা তার বাবা মায়ের কাছে খেলনা, চকোলেট বা পার্কে নিয়ে যাবার বায়না ধরে, সেই ছোট্ট বয়সে, যখন সে সবেমাত্র ৩ বছর তার বাবাকে বলেছিল, বাবা, আমি একজন নভোচারী হতে চাই এবং মঙ্গলগ্রহে যাওয়া লোকদের মধ্যে একজন হতে চাই। খুব স্বাভাবিক ভাবেই তার বাবার এই বিষয়ে কোনও সম্যক ধারনা ছিল না এবং তিনি ভাবতেই পারেননি যে তার ছোট্ট অ্যালিসা তাঁর এই স্বপ্ন সফল করবে।অ্যালিসা কারসন ১০ই মার্চ ২০০১ আমেরিকা লুসিয়ানিয়া প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন। অ্যালিসা রাউজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি তার সমস্ত বিষয়গুলি ৪ টি ভিন্ন ভাষায় অধ্যয়ন করেন। ৯ ই অক্টোবর, ২০১৩-তে তিনি নাসা পাসপোর্ট প্রোগ্রামে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। তখনই তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৪টি নাসা সেন্টার ঘুরে দেখার অনুমতি পান। মাত্র ১১বছর বয়সে নাসা তাঁর ইচ্ছাশক্তি, অদম্য মনোভাব, নিষ্ঠা দেখে তাঁকে মঙ্গল গ্রহে পাঠাবার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর তিনি বিভিন্ন সময় বেশ কয়েকটি টিভি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন, অসংখ্য পত্র-পত্রিকায় ও ম্যাগাজিনে তাঁকে নিয়ে লেখা হয়েছে। সমস্ত কিছু ঠিকঠাক থাকলে, ২০৩৩-এ অ্যালিসাই সেই মানুষ যে মঙ্গল গ্রহে প্রথম পদার্পণ করবেন। এবং ভয়ংকর সত্যি এটাই যে মঙ্গল গ্রহে গিয়ে তিনি আর পৃথিবীতে ফিরবেন না জেনেও তিনি নাসার সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। যেহুতু নীল গ্রহ থেকে ফেরার সম্ভাবনা প্রায় নেই তাই তাঁকে বিবাহ, যৌনতা, সন্তান ধারন থেকে বিরত থাকতে হবে। এখানেই প্রশ্ন, একজন মানুষের স্বপ্ন কত বড় হলে সেখানে সে তাঁর অস্ত্বিত্ত্বকেও অস্বীকার করতে পারে? অ্যালিসা জানে যে সে আর পৃথিবী-তে ফিরে আসতে পারবে না, আর মাত্র ১৪-১৫ বছর বাদে একেবারে নিঃসঙ্গ ভাবে কিছু যন্ত্রকে সঙ্গী করে কোটি কোটি যোজন দূরে হিমশীতল নীল তারার বুকে বিলীন হয়ে যাবে। এই হারিয়ে যাওয়াতেই তার স্বপ্নপূরণ! আদ্ভুত!! অ্যালিসা ব্যাটন যেন রবি ঠাকুরের কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা গাইতেই গাইতেই সুরের রেশ টুকু রেখে হারিয়ে যেতে চায়।অ্যালিসা কারসন এক স্বপনের ব্যপারি, তাঁর বিখ্যাত উক্তি সর্বদা আপনার স্বপ্ন আপনি নিজে পূরণ করুন এবং কাউকে এটিকে আপনার কাছ থেকে কেড়ে নিতে দেবেন না।Always follow your dream and dont let anyone take it from you.জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
বিদেশ

নাভালনির মুক্তির দাবিতে উত্তাল রাশিয়া

রাশিয়ায় দুর্নীতি, দমননীতি-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে । এমন পরিস্থিতিতে রুশ বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মুক্তির দাবিতে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখান হাজার হাজার মানুষ।উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলায দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল নাভালনিকে। তবে আদালত তিন বছর জেলের সাজা দিলেও কারাগারে দিন কাটাতে হয়নি তাঁকে। কারণ, দোষী সাব্যস্ত হলেও নাভালনির সাজা মকুব করে দেওয়া হয়। কিন্তু শর্ত অনুসারে তাঁকে থানায় বা সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে সময়ে সময়ে হাজির দিতে হয়। কিন্তু আদালতের বেঁধে দেওয়া শর্ত মানছেন না নাভালনি। শুধু তাই নয়, কয়েকদিন আগে ফের একটি দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। আপাতত আদালতের নির্দেশে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেপাজতে থাকতে হবে নাভালনিকে।সূত্রের খবর, শনিবার রাজধানী মস্কোর পুশকিনস্কয়া স্কোয়ারে প্রায় ৪ হাজার মানুষ জড়ো হয়ে নাভালনির মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ দেখান। একইভাবে গোটা দেশে, এমনকী সাইবেরিয়ার প্রত্যন্ত প্রান্তেও সরকার বিরোধী সমাবেশে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। রুশ পুলিশ সূত্রে খবর, প্রশাসনের অনুমতি না নিয়েই সমাবেশ করা হয়েছে। বাধা দিতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন প্রতিবাদীরা। ঘটনায় ৩৯ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। ২ হাজার ৬০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন অ্যালেক্সেই নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনিও।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
বিদেশ

মুজিববর্ষ স্মরণ: ৭০ হাজার গৃহহীনকে বাড়ি হাসিনার

বাংলাদেশের একলক্ষ গৃহহীন পরিবারকে বাড়ি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । শনিবার তাদের মধ্যে ৬৯ হাজার ৯০৪ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পাকা ঘর-সহ বাড়ি উপহার দিয়েছেন তিনি। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, একদিনে এত মানুষকে ঘর দিতে পারলাম, এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মধ্যে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহারা থাকবেন না। যাঁদের গৃহ নেই তাঁদের ঘর করে দিয়ে অসাধ্য সাধন করতে পারলাম, এর চেয়ে বড় পাওয়া আর হতে পারে না।যাঁদের ঠিকমতো দুবেলা খাবার জুটতো না। পরনের কাপড় ছিল ছিন্ন-ভিন্ন মলিন। এই দুটো মৌলিক সমস্যা মিটিয়ে আজ তাঁরা পরম নিশ্চিন্তে ঘুমানোর জায়গা পেলেন। ঝড়-বৃষ্টি দেখলেও আর কোন কষ্ট ভোগ করতে হবে না তাঁদের। পারবেন নিশ্চিন্তে ঘুমোতে। খোলা আকাশের নিচে প্রখর রোদের তাপ হজম করতে হবে না। আর এ সবই সম্ভব হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণে। শনিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গৃহহীন পরিবারগুলিকে বাড়ি চাবি বুঝিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ৪৯২টি উপজেলার মানুষ।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গৃহহীনদের জন্য দুটি ঘরবিশিষ্ট প্রতিটি বাড়ি তৈরিতে খরচ হচ্ছে এক লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। সরকারের নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে বাড়িগুলো। থাকছে বারান্দা, রান্নাঘর ও অ্যাটাচ বাথরুমও। এছাড়া টিউবওয়েল ও বিদ্যুৎসংযোগও দেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
দেশ

শেয়ার বাজারে ইতিহাস গড়ল সেনসেক্স

করোনা টিকাকরণ ও বাইডেনের শপথগ্রহণের জোড়া খবরে এই প্রথমবার ৫০ হাজারের গণ্ডি পেরোল সেনসেক্স। প্রথমবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক পেরোল ৫০ হাজারের গণ্ডি। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটিও পেরিয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ পয়েন্টের গণ্ডি। এখানেও রেকর্ড।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই লাগাতার ঊর্ধ্বমুখী ছিল সেনসেক্স। গতমাসের শুরুতে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস মানিটারি পলিসি ঘোষণা করতেই চাঙ্গা হয়ে যায় শেয়ার বাজার। এক ধাক্কায় ৩৫০ পয়েন্ট লাফিয়ে সেনসেক্সের সূচক পৌঁছয় রেকর্ড ৪৫ হাজার ২৩ পয়েন্টে। রেকর্ড হারে বাড়ে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটিও। ১০০ পয়েন্ট বেড়ে নিফটি পৌঁছয় ১৩ হাজার ২৪৮ পয়েন্টে। সেটা ছিল ৪ ডিসেম্বর। তারপর থেকে লাগাতার বাজার ঊর্ধ্বমুখী। বৃহস্পতিবার তা পেরিয়ে গেল ৫০ হাজারের গণ্ডি। বৃহস্পতিবার বাজার খুলতেই ৫০ হাজারের উপরে চলে যায় সেনসেক্স। এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০,১২৬.৭৩ অঙ্কে পৌঁছেছে সূচক। যা সর্বকালের রেকর্ড। নিফটির সর্বোচ্চ উত্থান ছিল ১৪ হাজার ৭৮৬ পয়েন্ট পর্যন্ত।লকডাউন পর্বে ইতিহাসের সবথেকে খারাপ বাজারের সাক্ষী হয় দালাল স্ট্রিট। সেনসেক্স নেমে দাঁড়ায় ২৫ হাজারের কোঠায়। সেখান থেকে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ফের রেকর্ড বৃদ্ধি সুসময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। যদিও তাঁদের মতে, সেনসেক্সের এই রেকর্ড বৃদ্ধির পিছনে মার্কিন মুলুকে ক্ষমতা হস্তান্তরের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ট্রাম্প বিদায় নিতেই ওয়ালস্ট্রিটে স্থিরতা আসবে বলে মনে করছেন লগ্নিকারীরা। যা বিশ্বের বাজারেও স্থায়িত্ব আনবে। সেই প্রত্যাশা থেকেই দালাল স্ট্রিটে বাড়ছে বিনিয়োগ। যা অর্থনীতির জন্য সুখবর বলে মনে করছেন লগ্নিকারীরা।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
বিদেশ

আমেরিকায় নতুন ইতিহাস রচনার অঙ্গীকার বাইডেনের

ওয়াশিংটন, ২১ জানুয়ারি: অবশেষে হোয়াইট হাউস ছেড়ে পত্রপাঠ বিদায় নিলেন ট্রাম্প। বুধবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জো বাইডেন। আর শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুরোদমে কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি। প্রথম দিনেই ১৫টা কার্যনির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন তিনি। ভারতীয় সময় রাত ১০টা নাগাদ শপথ নেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসও।শপথ নেওয়ার পরই বাইডেন বলেন, আমরা আমেরিকায় নতুন ইতিহাস রচনা করব। আমাদের অনেক ক্ষত মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে। অনেক কিছু গড়তে হবে নতুন করে। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন, অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, এটা গণতন্ত্রের দিন। গণতন্ত্রেরই জয় হয়েছে।শপথ নেওয়ার পরই প্রথম যে বিষয়গুলো নিয়ে নির্দেশ জারি করেছেন বাইডেন, সেগুলো হলঃ কোভিড মোকাবিলা, প্যারিস পরিবেশ চুক্তিতে পুনঃপ্রবেশ, একশো দিন মাস্ক পরার নির্দেশ, মুসলমানদের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইত্যাদি। অর্থাৎ, প্রথম দিনই পূর্বসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রধান নীতিগুলো একশো আশি ডিগ্রি ঘুরিয়ে দেন বাইডেন। বুধবার অভূতপূর্ব নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে শপথ নেন বাইডেন। আফগানিস্তান এবং ইরাকে মিলিতভাবে যত সংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, তার পাঁচগুণ বেশি নিরাপত্তারক্ষী হাজির ছিল বাইডেনের শপথগ্রহণে। দুদেশে ২,৫০০ করে মার্কিন সেনা মোতায়েন হয়। আর ওয়াশিংটনে ছিল ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন।রথা মেনে বুধবার শপথগ্রহণের আগে ক্যাথিড্রাল অফ সেন্ট ম্যাথিউয়ে প্রার্থনা করেন সস্ত্রীক বাইডেন। কমলা হ্যারিস এবং তাঁর স্বামী ডগলাস এমহফও গির্জায় প্রার্থনা করেন। শপথে সস্ত্রীক হাজির ছিলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ (জুনিয়র), বিল ক্লিনটন, বারাক ওবামা। তবে প্রত্যাশিতভাবেই অনুপস্থিত ছিলেন সদ্য প্রাক্তন হওয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
রাজ্য

জল্পনা খারিজ করে তৃণমূলেই থাকবেন বলে জানিয়ে দিলেন মৌসম

মালদার জেলা সভাপতি মৌসম বেনজির নূরও শুভেন্দুর পথেই হাঁটছেন বলে গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু সাংবাদিক বৈঠক করে শনিবার জানালেন, আমি তৃণমূলে আছি এবং তৃণমূলে থাকবো। মমতা ব্যানার্জি আমার নেত্রী। তাঁর নেতৃত্বেই মালদা জেলার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবো এবং আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভালো ফল করে আমরা বুঝিয়ে দেব। এদিন তিনি বলেন, গত সপ্তাহে কলকাতায় মালদা জেলার তৃণমূল নেতৃত্বকে নিয়ে কোর-কমিটির বৈঠক ডেকেছিলেন দলের সর্বভারতীয় যুব সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জি। সেই বৈঠকে আমি উপস্থিত হতে পারিনি। তার কারণ, আমার জ্বর হয়েছিল। যেহেতু আমি কোর কমিটির বৈঠকে উপস্থিত হতে পারিনি, তাই কেউ বা কারা সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল করে দেয় যে, আমি নাকি দলের উপর বীতশ্রদ্ধ। সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করতে চাইছি। কিন্তু এটা সর্বাত্মক মিথ্যা। দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জি আমাকে মালদা জেলার দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি সেই দায়িত্ব এখনো পালন করে চলেছি। আরও পড়ুন ঃ সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ সিআইডির নেত্রীর নির্দেশ এই দলকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। জেলা ও ব্লক কমিটি গঠন করা হয়েছে। যুব তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি করা হয়েছে। আগামী বিধানসভায় আমরা ভালো ফল করব। জেলার ১২ টি আসনে তৃণমূলের জয় হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার এবং দলকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর পিছনে বিজেপির উস্কানিও থাকতে পারে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। প্রয়োজনে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
বিদেশ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনকে মানতে রাজি নন পুতিন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী জো বাইডেনকে মার্কিন রাষ্ট্রপতি হিসেব মানতে রাজি নন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেদেশের সরকারি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে পুতিন স্পষ্টভাবেই একথা জানিয়ে দেন। পুতিন বলেন, মার্কিন জনগণ যাঁকে নির্বাচিত করবে আমরা তাঁর সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত। কিন্তু এই নির্বাচনের প্রক্রিয়া তখনই সম্পন্ন হবে যখন প্রতিপক্ষ একজন প্রার্থীকে জয়ী বলে মেনে নেবে। কিংবা আইন তাঁকে মান্যতা দেবে। তবে জো বিডেনকে শুভেচ্ছা না জানানোর পিছনে অন্য কোনও কারণ যে নেই, সেকথাও স্পষ্ট করে দেন পুতিন। পাশাপাশি জানান, আমেরিকারাশিয়ার সম্পর্ক অনেক আগে থেকেই খারাপ হয়ে গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের হামলা , জখম ৮ পাশাপাশি পুতিন জানিয়ে দেন, এমন নয় আমরা নির্দিষ্ট কাউকে পছন্দ করি না। আমরা শুধু অপেক্ষা করছি সেদেশের অভ্যন্তরীন রাজনৈতিক সমস্যা মেটার। পুটিনকে প্রশ্ন করা হয়, তাঁর ওই মন্তব্যের ফলে রুশ-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষতি হবে কিনা! পুতিন বলেন, ক্ষতি হওয়ার কিছু নেই। আগে থেকেই দুদেশের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ট্রাম্পের জয় নিয়ে রাশিয়ার দিতে আঙুল তুলেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। দাবি ছিল, ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পেছনে রাশিয়ার হাত রয়েছে। ফলে সেই রাশিয়া এখন বাইডেনের জয় নিয়ে চিন্তিত।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি বিস্ফো্রণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছেঃ ফিরহাদ

কালিয়াচক থানার সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মালদা এসেই মৃত ও আহতদের পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা এবং ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি মৃত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। এদিন বিকেলে সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর হেলিকপ্টারে মালদায় আসেন ফিরহাদ হাকিম। মালদার বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কনভয় নিয়ে চলে যান সুজাপুরের স্কুলপাড়া এলাকায় । সেখানে মৃত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এর পাশাপাশি সুজাপুর থেকে ফিরে মালদা মেডিকেল কলেজে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার বিকালে সুজাপুরে বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন , বিজেপি সব কথাতেই এনআইএর তদন্তের দাবি তোলে। অথচ এই পরিস্থিতির পর ওদের দলের কোনও নেতৃত্বকেই দেখা যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে মালদা এসেই সেই আর্থিক ক্ষতিপূরণ ওই পরিবারগুলির হাতে তুলে দিয়েছি। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সমবেদনা জানানো উচিৎ। কিন্তু এখন বিজেপি রাজনীতি করছে। এদিকে সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে বিজেপির উত্তর মালদা সাংসদ খগেন মুর্মু এনআইএর তদন্তের দাবি জানিয়ে বিস্তর অভিযোগ তুলেছেন। যদিও বিজেপি সাংসদের এই বক্তব্যকে তুলোধনা করে তৃণমূল সাংসদ তথা দলের জেলা সভাপতি মৌসুম নূর বলেন , এই মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে বিজেপি এখন রাজনীতি করতে ময়দানে নেমে পড়েছে। পুলিশ প্রশাসন যেখানে বলছে প্লাস্টিকের কারখানায় কাটিং মেশিন বিস্ফোরণ হয়ে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। সেখানে বিজেপি সাংসদ এরকম কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত এবং আহতদের সঙ্গে দেখা করতে আসেননি বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। অথচ তারা ঘরে বসে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করছেন। তৃণমূল সাংসদ মৌসুম নূর আরও বলেন, এদিন বিস্ফোরণকাণ্ডে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম । আমিও তাঁর সঙ্গে ছিলাম । মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এই ঘটনায় আহতদের সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে ছিলেন সাংসদ মৌসুম নূর সহ জেলা পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
দেশ

চিনের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের ডাক ভারত- আমেরিকার

ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এরই মাঝে টু প্লাস টু আলোচনায় অংশ নিতে ভারতে এসেছেন আমেরিকার সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও । আর এসেই ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে চিনকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন , যে কোনওরকম তর্জন-গর্জন রুখতে অ্যামেরিকা সবসময় ভারতের পাশে রয়েছে । ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যে কোনও পদক্ষেপে ওয়াশিংটন দিল্লিকে সবরকমভাবে সমর্থন করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি । অন্যদিকে , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের আগেই ভারতের সঙ্গে একাধিক প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি করে ফেলল আমেরিকা। এই চুক্তির আওতায় ভারতকে গোয়েন্দা তথ্য দেবে আমেরিকা। পাশাপাশি দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের দাদাগিরি খর্ব করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকবে ভারত। মঙ্গলবার ভারত মার্কিন টু প্লাস টু আলোচনায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিদেশমন্ত্রী কথা বলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এস্পার ও মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেওর সঙ্গে। দুই মার্কিন প্রতিনিধি কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও। বৈঠক শেষে মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে গণতন্ত্রের বন্ধু নয় চিনা কমিউনিস্ট পার্টি। আইনের শাসন ও স্বচ্ছতা চিনের মধ্যে নেই। আরও পড়ুনঃ এলাহাবাদ হাইকোর্টের নজরদারিতেই হাথরাসের গণধর্ষণ ও খুনের মামলাঃ সুপ্রিম কোর্ট সাউথ ব্লকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠক করেন পম্পেও। আধিকারিক সূত্রে খবর, লাদাখ সীমান্তে সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ে প্রায় ৪০মিনিট ধরে বৈঠক হয়েছে তাঁদের মধ্যে । এদিন সকালে দিল্লিতে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল পরিদর্শন করেন পম্পেও । ওয়ার মেমোরিয়াল ঘুরে 15 জুন চিনের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন জওয়ানের শহিদ হওয়ার বিষয়ে বলেন, সম্প্রতি গালওয়ান উপত্যকায় যে জওয়ানরা তাঁদের জীবন দিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানালাম ।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
বিদেশ

কবে আসবে? আগাম বুকিং করোনা ভ‍্যাক্সিনের

ইউরোপ জুড়ে নতুন করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে তিন কোটির বেশি। নতুন করে লকডাউন জারি করেছে ইজরায়েল। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হু। উদ্বেগের মধ্যেই করোনা ভ্যাক্সিন নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অক্টোবরেই ভ্যাক্সিন বাজারে আসবে বলে আশ্বাস তাঁর। একইভাবে আশার কথা শুনিয়েছেন ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনও। তিনটি ভ্যাক্সিনের চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল শুরুর মুখে বলে জানিয়েছেন তিনি। জানুয়ারির গোড়ায় ভ্যাক্সিন মিলবে বলে সংসদে জানিয়েছেনও। ভ্যাক্সিন নিয়ে আশার কথা শোনা গেলেও আদতে কবে বাজারে মিলবে প্রোডাক্ট তা নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কেউ-ই বলতে পারছেন না। তবে প্রোডাক্ট না আসার আগে বুকিং কিন্তু শুরু হয়ে গেছে। মোটা অর্থের বিনিময়ে ধনী দেশগুলি বুকিং করে ফেলেছে বলে খবর। অক্সফ্যান নামে একটি বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষায় এ কথা জানানো হয়েছে। সমীক্ষা বলছে, এই মুহূর্তে সিনোভ্যাক-সহ পাঁচটি ভ্যাক্সিনের ট্রায়াল চূড়ান্ত পর্যায়ে। এখনও পর্যন্ত ৫৫০ কোটি ভ্যাক্সিনের সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে বলে খবর। এর মধ্যে অর্ধেক বেশি ভ্যাক্সিন কিনেছে আমেরিকা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, হংকং, জাপান, ইজরায়েলের মতো দেশগুলি। তবে, ভ্যাক্সিন ক্রেতার তালিকায় রয়েছে ভারত ও চিনের নামও।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal