• ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

US

রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 14 June 2021): সিংহের সাহিত্যচর্চা, প্রেমে সাফল্য মকরের

মেষ/ ARIES: অহংকারের খারাপ ফল ভোদ করতে হতে পারে।বৃষ/ TAURUS: আজ কোনও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। মিথুন/ GEMINI : কোনও কাজ হাতে নিলে তাতে অগ্রগতি আসবে আজ।কর্কট/ CANCER : কোনও কারণে মানসিক কষ্ট পেতে পারেন।সিংহ/ LEO: সাহিত্যচর্চায় আজ মনোযোগ বাড়বে।কন্যা/ VIRGO: আজ দুর্ঘটনার মুখে পড়তে পারেন। সাবধানে চলাফেরা করবেন।তুলা/ LIBRA: কোনও কাজের চেষ্টা করে আজ সিদ্ধিলাভ হবে।বৃশ্চিক/ Scorpio: আর্থিক চিন্তা দেখা দিতে পারে আজ।ধনু/ SAGITTARIUS: মনে বিষন্নতার সৃষ্টি হতে পারে।মকর/ CAPRICORN: আজ প্রেমে সাফল্য লাভ করতে পারেন।কুম্ভ/ AQUARIUS: কোনও কারণে আজ স্বাস্থ্যহানি হতে পারে।মীন/ PISCES : আজ চাকরির সন্ধান করতে পারেন।

জুন ১৪, ২০২১
কলকাতা

Covid: প্রয়াত ভাঙড় আন্দোলনের নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরী

লড়াকু জীবন যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ করে জয়ী হয়ে ফেরাই অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ কোভিডের কাছে হার মানতে হল ভাঙড়ের কৃষক আন্দোলেন নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরীকে। করোনা পরবর্তী শারীরিক জটিলতায় ভুগে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন সিপিআইএমএল (রেড স্টার) নেত্রী। অপূরণীয় ক্ষতি, বলছেন সহযোদ্ধারা। অনেকের মতে, শর্মিষ্ঠার প্রয়াণে গণআন্দোলনের একটা পর্যায় ধাক্কা খেল।জানা গিয়েছে, গত ১ মে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হন শর্মিষ্ঠা চৌধুরী। ২১ দিন পর কোভিড নেগেটিভও হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে শরীর ক্রমশ খারাপ হতে থাকে তাঁর। শর্মিষ্ঠার সহযোদ্ধা, গণআন্দোলনের এক নেতা অসীম গিরি জানিয়েছে, শর্মিষ্ঠার বরাবরই পেটের একটা গুরুতর সমস্যা ছিল। তা প্রায়ই ভোগাত তাঁকে। করোনার ধাক্কায় শরীরের সেই সংক্রমণও ছড়িয়ে পড়ছিল। ফলে স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছিল শর্মিষ্ঠার। দিন চারেক আগে এসএসকেএমে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার দুপুরে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৩৯ বছরের নেত্রী।শর্মিষ্ঠার কথা বললেই স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে ভাঙড়ের (Bhangar) পাওয়ার গ্রিড-বিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গ। এই আন্দোলনেরই অন্যতম নেত্রী ছিলেন শর্মিষ্ঠা। সিপিআইএমএলের (রেড স্টারে) আরেক নেতা, শর্মিষ্ঠার স্বামী অলীক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল এই আন্দোলন। কৃষিজমিতে পাওয়ার-গ্রিড তৈরি হলে তা ব্যাপক ক্ষতিকারক, ভাঙড়বাসীর মধ্যে এই সচেতনতা প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তাঁরা। একসময়ে ভাঙড় থেকে অলীক-শর্মিষ্ঠাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। তাঁর মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছিলেন সব পক্ষ। শেষপর্যন্ত অবশ্য পাওয়ার-গ্রিড বিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছিল রাজ্য সরকার। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নো ভোট টু বিজেপি প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা।

জুন ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Abjishek Bannerjee: সুখেন্দুশেখরের বাড়িতে এবার 'গুরুপ্রণাম' অভিষেকের

নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন সপ্তাহখানেক হল। তবে গুরুপ্রণাম এখনও শেষ হয়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। রবিবার তিনি গেলেন রাজনৈতিক জীবনের আরেক গুরু, দলের বর্ষীয়ান নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের (Sukhendu Sekhar Roy)বাড়ি। সন্ধেবেলা সাংসদের যোধপুর পার্কের বাড়িতে যান দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের সদ্য দায়িত্ব পাওয়া অভিষেক। তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান সুখেন্দুশেখর। বাড়ির ভিতরে ডেকে নেন। প্রণাম-আশীর্বাদের পর্ব মিটিয়ে উভয়ের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা হয় বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর। নতুন দায়িত্ব সামলানোর জন্য অভিজ্ঞ এই রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ চেয়েছেন যুব নেতা।দলের নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই অভিষেক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, রাজনীতির আঙিনায় গুরুজনদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেবেন। সেইমতো গত রবিবার থেকেই তিনি এই কাজ শুরু করেছিলেন। প্রথম দিন গিয়েছিলেন তৃণমূল (TMC) রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি এবং পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে। নতুন দায়িত্ব এখন তাঁর কাঁধে, এই নয়া অভিষেককে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন বক্সিদা। তাঁকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, তোকে সব উজাড় করে দেব। মমতার আশীর্বাদ তোর সঙ্গে আছে। ও কত কষ্ট করেছে, কত সংগ্রাম করেছে। যুব নেতাকে দেখে তাঁর মনে পড়ে যাচ্ছিল তৎকালীন যুব নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা (Mamata Banerjee)। তাই চোখের জলে ভেসে গিয়েছিলেন তিনি। অভিষেকই তাঁকে জড়িয়ে ধরে শান্ত করেন।এরপর অভিষেক একে একে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সৌগত রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি গিয়ে গুরুপ্রণাম সেরেছেন। সকলেই অভিষেককে নতুন ভূমিকায় দেখতে উদগ্রীব। তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারে এমন এক সাফল্যের জন্য আশীর্বাদ করেছেন প্রাণভরে। কথা দিয়েছেন, নিজেদের অভিজ্ঞতা, সুপরামর্শ দিয়ে দায়িত্ব পালনে সাহায্য করবেন। সুখেন্দুশেখরও ব্যতিক্রম নন। তিনিও প্রাণভরে আশীর্বাদ করলেন দলের যুব নেতাকে।

জুন ১৩, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 13 June 2021: কর্কটের বাসনা পূরণ, উদাসীন মিন

মেষ/ ARIES: আপনার নামের সুনাম নষ্ট হতে পারে।বৃষ/ TAURUS: আজ কোনও অনর্থ ঘটে যেতে পারে। মিথুন/ GEMINI : কোনও কারণে কারুর গঞ্জনা শুনতে হতে পারে।কর্কট/ CANCER : অনেক দিনের কোনও বাসনা পূরণ হতে পারে।সিংহ/ LEO: পিতার সঙ্গে মতের বিরোধ হতে পারে আজ।কন্যা/ VIRGO: বিদ্যার্থীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ শুভ।তুলা/ LIBRA: পায়ের কষ্টে ভুগতে হতে পারে আজ।বৃশ্চিক/ Scorpio: মনে কোনও কারণে চঞ্চলতার সৃষ্টি হতে পারে।ধনু/ SAGITTARIUS: নৈতিকতার অবনতি হতে পারে আজকের দিনে।মকর/ CAPRICORN: ভাইয়ের সঙ্গে আজ বিরোধ হতে পারে কোনও বিষয় নিয়ে।কুম্ভ/ AQUARIUS: বাড়িতে অহেতুক অশান্তি ছড়াতে পারে।মীন/ PISCES : কোনও কারণে মনে উদাসীনতার সৃষ্টি হতে পারে।

জুন ১৩, ২০২১
কলকাতা

Rajiv Bannerjee: কুণাল ঘোষের বাড়িতে দেড় ঘণ্টার 'সৌজন্য' সাক্ষাৎ

মুকুল রায়, শুভ্রাংশু রায়ের পর একে একে ঘরের পথে পা বাড়াচ্ছেন আরও অনেকেই। এবার তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) বাড়িতে গেলেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (Rajib Banerjee)। সূত্রের খবর, বিকেলে কুণাল ঘোষের বাডিতে হাজির হন রাজীব। উভয়ের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা চলে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, তৃণমূলে ফিরতে চেয়েই কুণাল ঘোষের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে সখ্য বাড়াতে চাইছেন রাজীব। তবে এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে ফেরার পালা? কুণালের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের খবরে এই জল্পনা উসকেছে অনেকটাই।সন্ধেবেলা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অবশ্য কুণাল ঘোষ নিজে এই সাক্ষাৎপর্বকে সৌজন্য বলেই জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, রাজীবের এক আত্মীয় অসুস্থ। তিনি তাঁকে দেখতে এসেছিলেন। আমাকে ফোন করে জানতে চাইলেন, আমি বাড়ি আছি কিনা। আমি বাড়ি ছিলাম, তাই তিনি এসেছেন। রাজনীতির কোনও আলোচনা হয়নি। রাজীবেরও প্রায় একই বক্তব্য। বললেন, কুণালদার সঙ্গে অনেকদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক। আমি এখানে এসেছিলাম, তাই দেখা করেছি। এর মধ্যে অন্য কোনও প্রশ্ন ওঠার অবকাশ নেই।বিধানসভা ভোটের আগে নিজের একাধিক ক্ষোভ নিয়ে কয়েক দফায় তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের আলাপ-আলোচনার দলে থাকতে রাজি হননি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির পথে পা বাড়িয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিধানসভা থেকে বেরনোর সময় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশাল ছবি সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, নেত্রী সবসময় শ্রদ্ধার। তাঁর আশীর্বাদ সঙ্গে রাখলাম। এরপর চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি উড়ে গিয়ে অমিত শাহর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী। নিজের এলাকা ডোমজুড় থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। কিন্তু ভোটযুদ্ধে সফল হতে পারেননি। হেরে গিয়েছেন নিজের এলাকায়। তারও আগে অবশ্য রাজীবের এই দলবদলের সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে এলাকাবাসীই তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। ডোমজুড়- সহ একাধিক এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে পোস্টার দেখা গিয়েছিল। তারপর ভোটে হারের পর থেকেই তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ার নানা পোস্টে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে এবার কী তাহলে রাজীবের ঘরে ফেরার পালা?

জুন ১২, ২০২১
রাজ্য

Relief Work: মৌসুনি দ্বীপের যশ বিপর্যস্ত মানুষদের পাশে ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাব

যশ বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে অসহায় মানুষগুলোর সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন রাজনীতিবিদ থেকে সমাজের সব স্তরের মানুষরা। ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবন এলাকার মৌসুনি দ্বীপের বালিয়ারার একটি আদিবাসী অধ্যুষিত দ্বীপের মানুষদের অবস্থাও তথৈবচ বলে জানতে পেরেছিল বর্ধমানের ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা। দ্বিতীয়বার ভাবার অপেক্ষায় না থেকে প্রত্যন্ত দ্বীপে গিয়ে বিধ্বস্ত মানুষগুলোর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ক্লাবের সদস্যরা। বুধবার দিনটিকেই এই মহৎকাজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। প্রয়োজনীর সামগ্রী জোগার করে কয়েকজন সদস্য মিলে পাড়ি দিয়েছিলেন দ্বীপে। সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত সারাদিনের কর্মকাণ্ডে নিজেদের সাধ্যমতো পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। ক্লাবের সদস্য সুবির বল জানিয়েছেন, সকালে বালিয়ারা পৌঁছে সেখানকার প্রায় ৩০০ বাচ্চাকে এক পোয়া করে দুধ ও ২ প্যাকেট করে বিস্কুট খাইয়েছেন। এছাড়াও দুপুরে ছিল দ্বীপের প্রায় ১০০০ জনের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা। ক্লাবের সদস্যরা সেখানেই রান্না করে বাসিন্দাদের নিজেরাই পাত পেড়ে খাওয়ান। মেনুতে ছিল, ভাত, ডাল, সোয়াবিন-আলুর তরকারি ও ডিমের কারি।বাসিন্দাদের জন্য কিছু শুকনো খাবারও দিয়ে আসা হয়েছে ক্লাবের তরফে। এর মধ্যে রয়েছে চিঁড়ে, মুড়ি, চাল, আলু। এছাড়াও মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন, মোমবাতি ও দেশলাই দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ভেঙে গিয়েছে ঘরবাড়ি। কিন্তু ভাঙেনি মনের জোর। বার বার বিপর্যয়ে মুখোমুখি হয়ে দ্বীপের মানুষগুলো বিপর্যয়কেই সঙ্গী বানিয়ে ফেলেছেন অমায়িক মানুষগুলো। সাহায্য আসছে জানতে পেরে তাই বিপদের মাঝেই পাতিবুনিয়া থেকে মৌসুনি দ্বীপে নৌকো করে নদী পাড় করিয়ে নিয়ে গিয়েছে ক্লাবের সদস্যদের। আবার দিনশেষে সেভাবেই পাড়ে পৌঁছে দিয়ে গিয়েছেন।দ্বীপের বাসিন্দাদের এমন অমায়িক ব্যবহারে অভিভূত ক্লাবের সদস্যরা।জীব সেবাই শিব সেবা। এই নীতিতেই ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা মানুষের পাশে থাকার কাজ করে চলেছেন। তার বদলে, এই সব অসহায় মানুষদের মুখের হাসি ও আশীর্বাদটুকুই তাঁদের বড় পাওনা। এর আগে কোভিড রোগীদের জন্য অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে বহু মানুষকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। এবার দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে তৃপ্তির হাসি হাসছেন ক্লাবের প্রত্যেক সদস্যরা।

জুন ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

বিস্ফোরক নুসরত (Nusrat Jahan): 'লিভ-ইন করেছি, বিবাহ বিচ্ছেদের প্রশ্নই ওঠে না'!

বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরত জাহান (Nusrat Jahan) বুধবার দুপুরে বলেন, নিখিলের সঙ্গে আমি সহবাস করেছি। বিয়ে নয়। ফলে বিবাহবিচ্ছেদের প্রশ্নই ওঠে না। এই খবর প্রকাশের পরেই হইচই শুরু হয়ে যায়। কিন্তু পরে দেখা যায়, নুসরত নিখিলের সঙ্গে লিভ-ইন করেছেন বলে দাবি করলেও সরকারি নথিতে তিনি বিবাহিতা এবং স্বামীর নাম নিখিল জৈন। লোকসভার ওয়েবসাইটে পশ্চিমবঙ্গ থেকে জয়ী তৃণমূল সাংসদদের যে তালিকা তাতে নুসরতের নামে ক্লিক করলেই দেখা যাচ্ছে যাবতীয় তথ্য। সেখানে স্পষ্ট লেখা নুসরত বিবাহিত। তিনি বিয়ে করেছেন ২০১৯ সালের ১৯ জুন। স্বামীর নাম নিখিল জৈন।সম্প্রতি জানা যায়, মা হতে চলেছেন নুসরত। অনাগত সন্তানের পিতৃপরিচয় কী তা নিয়ে গত ৫ দিন ধরে বিতর্ক তুঙ্গে। শুধু তাই নয়, নিখিলের সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হচ্ছে না কেন, এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে চার দিক থেকে। এমনকী, লেখিকা তসলিমা নাসরিনও(Taslima Nasrin) নুসরতের নীরবতা নিয়ে কথা বলেছিলেন নেটমাধ্যমে। লিখেছিলেন, এই যদি পরিস্থিতি হয়, তবে নিখিল আর নুসরতের ডিভোর্স হয়ে যাওয়াই কি ভালো নয়? অচল কোনও সম্পর্ক বাদুড়ের মতো ঝুলিয়ে রাখার কোনও মানে হয় না। এতে দুপক্ষেরই অস্বস্তি। এর পরেই নুসরত জানিয়েছেন, তিনি আদৌ নিখিলকে বিয়েই করেননি।খুব কম অতিথি নিয়েই তুরস্কে (Turkey) বিয়ে হয়েছিল নুসরত ও নিখিলের। সেই প্রসঙ্গ টেনে নুসরত জানিয়েছেন, তুরস্কের বিবাহ আইন অনুসারে ওই অনুষ্ঠান অবৈধ। উপরন্তু হিন্দু-মুসলিম বিবাহের ক্ষেত্রে বিশেষ বিবাহ আইন অনুসারে বিয়ে করা উচিত। যা এ ক্ষেত্রে মানা হয়নি। ফলত, এটা বিয়েই নয়। বুধবার এমনই যুক্তি প্রকাশ্যে এনেছেন অভিনেত্রী সাংসদ। তাঁর দাবি অনুযায়ী, যে বিয়ে আইনত সিদ্ধ নয়, তার জন্য বিবাহ বিচ্ছেদের প্রয়োজন নেই।কিন্তু সংসদকে বিবাহিত হিসেবে পরিচয় জানিয়েছেন কেন? এ বার উঠবে সেই প্রশ্ন। কারণ, নিয়ম অনুষায়ী সংসদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ওয়েবসাইটে পরিচয় দেওয়া হয়। তবে গত লোকসভা ভোটের আগে লোকসভা নির্বাচনকে যে হলফনামা দিয়েছিলে নুসরত তাতে অবিবাহিতই দাবি করেছিলেন নিজেকে। কারণ, তাঁর বিয়ের যে তারিখ লোকসভার ওয়েবসাইটে রয়েছে তা নির্বাচনের পরের।

জুন ০৯, ২০২১
বিদেশ

কুকুর-বিড়ালের জন্যও করোনা প্রতিষেধক

মানুষ তো করোনা (COVID 19) আক্রান্ত হচ্ছেই, কুকুর, বিড়াল, সিংহ, বাঘ কেউ বাকি নেই। করোনা করাল থাবা বসাচ্ছে প্রত্যেকের শরীরে। এমতাবস্থায় প্রাণীদেরও করোনা টিকা দেওয়া শুরু করেছে রাশিয়া। মার্চ মাসে রাশিয়াই প্রথম প্রাণীদের জন্য করোনা টিকা নিয়ে এসেছিল। ইতিমধ্যেই সে দেশের একাধিক অঞ্চলে শুরু হয়েছে প্রাণীদের করোনা টিকাকরণ।রাশিয়ার প্রাণীদের করোনা প্রতিষেধক কার্নিভ্যাক-কোভ বিশ্ব বাজারেও জায়গা করে নিয়েছে। ইতিমধ্যেই কার্নিভ্যাক-কোভ কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলেছেন পশুদের শরীরে করোনা ছড়ায় মানুষের কাছ থেকেই। পশুদের কাছ থেকে মানুষের দেহে মারণ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রত্যক্ষ কোনও প্রমাণ মেলেনি।তবে পশুরাও যাতে করোনা আক্রান্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতেই রাশিয়ায় শুরু হয়েছে করোনা টিকাকরণ। কুকুর, বিড়াল, মিঙ্ককে দেওয়া হচ্ছে এই টিকা। রাশিয়ার প্রাণীসংরক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, প্রত্যেকে নিজেদের পোষ্যকে করোনা টিকা দিতে চাইছেন। উল্লেখ্য, রাশিয়া ছাড়াও পশুদের জন্য করোনা টিকা তৈরি করছে মার্কিন ভেটিনারি ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা জোটিসও।

জুন ০৮, ২০২১
রাজনীতি

নতুন দায়িত্ব পেয়েই পার্থ ও সুব্রতর বাড়িতে অভিষেক

শনিবারই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । জাতীয় রাজনৈতিক স্তরে উত্থান ঘটেছে তাঁর। আর নতুন পদ পেয়েই রবিবার সশরীরে তিনি পৌঁছে গেলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি। সেখান থেকে সুব্রত বক্সির সঙ্গে দেখা করতে যান তৃণমূলের নয়া সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।এক সময় মুকুল রায় যে পদ সামলেছেন তিনি বিজেপিতে যাওয়ার পর সুব্রত বক্সীকে ওই পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই পদে এবার দলের এতদিনের যুব সভাপতি। তাই দলের সিনিয়র নেতৃত্বের আর্শীবাদ নিয়েই রাজনৈতিক জীবনের এই নতুন পথ চলা শুরু করলেন অভিষেক। তাই পদ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি। এদিন দুপুরে পার্থর নাকতলার বাড়িতে যান তৃণমূলের সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর আশীর্বাদ নিতে পার্থর বাড়িতে যান ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। দীর্ঘদিন রাজনীতি করার সূত্রে মহাসচিবের কাছ থেকে পরামর্শও নেন তিনি। তবে শুধুমাত্র পার্থ নন, দলের অনেক প্রবীণ নেতারও আশীর্বাদ নিতে চান অভিষেক। সেখানে কুশল বিনিময় করেন দুজন। বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে অভিষেক চলে যান তাঁর ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে।সেখান থেকে আবার সন্ধেবেলা সুব্রত বক্সীর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে যান অভিষেক। তাঁকে জড়িয়ে ধরে আশীর্বাদ করেন সুব্রত বক্সী। তারপর তিনি দেখা করেন তৃণমূলের আর এক প্রবীণ নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। সূত্রের খবর, দলের আরও প্রবীণ নেতার আশীর্বাদ নিতে যাবেন অভিষেক।

জুন ০৬, ২০২১
বিদেশ

'ভোগ'-এর কভারে এবার সাহসী মালালা

ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল বিষয়ক বিখ্যাত ভোগ পত্রিকার জুন সংখ্যার প্রচ্ছদে এবার নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই। মাত্র ১৪ বছর বয়সে তালিবানদের গুলিবিদ্ধ হয়েও হার না মানা অপরাজেয় মালালা ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্বের সম্ভ্রম আদায় করে নিয়েছেন। এবার তাঁকেই প্রচ্ছদে জায়গা দিল বিশ্বখ্যাত এই পত্রিকা। মালালার একটি অন্তরঙ্গ সাক্ষাৎকারও প্রকাশিত হয়েছে এই সংখ্যায়। স্বাভাবিক ভাবেই যা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে নেট দুনিয়ায়। বিশেষ করে বিয়ে প্রসঙ্গে মালালা যা বলেছেন, তা নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এমনকী, কেউ কেউ সেই মতকে ইসলাম-বিরোধী বলেও আক্রমণ শানিয়েছেন।২৩ বছরের তরুণী বিয়ে প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমি একটা ব্যাপার বুঝতে পারি না, কেন সবাই বিয়ে করে। জীবনসাথীকে বেছে নিতে হলে কাগজে সই করার কী দরকার? এটা একটা পার্টনারশিপও তো হতে পারে। মালালার এহেন মন্তব্যে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। একদিকে অনেকে এই মতটির সমালোচনা করেছেন। পাশাপাশি বিয়ের মতো একটি সামাজিক প্রথাকে নিয়ে নতুন করে ভাবনাচিন্তা করার জন্য মালালার প্রশংসাও করেছেন অনেকে।আরও অনেক বিষয় নিয়েই খোলা মনে নিজের মনের কথা জানিয়েছেন মালালা। তার মধ্যে রয়েছে হিজাব পরার প্রসঙ্গও। যে বিষয়ে মালালার সাফ কথা, এটা আমাদের সাংস্কৃতিক প্রতীক। এই পোশাক বুঝিয়ে দেয় আমি কোথা থেকে এসেছি। আমরা মুসলিম মেয়েরা, পাকিস্তানি মেয়েরা কিংবা পাখতুনের মেয়েরা এটাকে আমাদের পরম্পরা বলেই মানি।

জুন ০৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভাবী সন্তানের প্রতি বার্তা নুসরতের!

টলিপাড়ায় কান পাতলে নুসরতকে নিয়ে দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতি এবং নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, প্রসঙ্গেই আলোচনা শোনা যেত। তবে শুক্রবার থেকে কাহিনি নয়া মোড় নিয়েছে। শোনা যাচ্ছে, মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী-সাংসদ। তিনি নিজে অন্তঃসত্ত্বা নাকি সন্তান দত্তক নিতে চলেছেন, সে বিষয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি নুসরত স্বয়ং। তারই মাঝে বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরি নিয়ে তৈরি হল নয়া জল্পনা।শুক্রবার রাত থেকে তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে জ্বলজ্বল করছে একটি ফুলের ছবি। আর তাতে লেখা রয়েছে, তুমি তোমার মতো করে বেড়ে ওঠো। মুখে কিছু না বললেও ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে কি নতুন অতিথিকে নিয়ে কোনও বার্তা দিতে চাইলেন অভিনেত্রী? সেই প্রশ্নেই এখন ঘুরছে টলিপাড়ায়।ধর্মীয় ভেদাভেদকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ব্যবসায়ী নিখিল জৈনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন নুসরত। বিয়েও করেন দুজনে। তাঁদের তুরস্কে গিয়ে এলাহি বিয়ে নজর কেড়েছিল সকলের। তবে কয়েকমাস ধরে যেন বদলে গিয়েছে সব কিছু। শোনা যাচ্ছে, নিখিলের সঙ্গে কোনও সম্পর্কই রাখেন না নুসরত। একসঙ্গে থাকেন না তাঁরা। বিয়ে নিয়ে যখন টানাপোড়েন চলছে ঠিক তখনই সামনে আসে নুসরত-যশের ঘনিষ্ঠতা। একসঙ্গে আজমের শরিফ বেড়াতে যাওয়ার ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। তারপর থেকে কখনও ডিনার আবার কখনও কফি ডেটেও বারবার একসঙ্গে দেখা গিয়েছে তাঁদের। যদিও প্রেম করছেন কিনা, সে বিষয়ে যশ কিংবা নুসরত কেউ কিছুই বলেননি। সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জনের মাঝে এবার শোনা যাচ্ছে নুসরতের মা হওয়ার খবর। এখনও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি তাঁর।

জুন ০৫, ২০২১
দেশ

পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তানের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু

নাগরিকত্ব আইন নিয়ে আন্দোলনের আগুন জ্বলেছে সারা দেশজুড়ে। ২০১৯ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এখনও কার্যকরী করতে পারেনি কেন্দ্র। তার মধ্যেই নয়া নির্দেশিকা দিয়ে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে চলেছে কেন্দ্র। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই মর্মে একাধিক জেলাশাসকদের অবগত করেছে কেন্দ্র।কেন্দ্র গুজরাতের মোরবি, রাজকোট, পাটনা, ভদোদরা, ছত্তিশগড়ের দূর্গ, বলোদাবাজার, রাজস্থানের জলোর, উদয়পুর, পলি, বার্মার, সিরোহি, হরিয়ানার ফরিদাবাদ, পঞ্জাবের জলন্ধরের জেলাশাসককে ৫ নং ধারায় নাগরিকত্বের আবেদন সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছে। ২০০৯ সালের নাগরিকত্ব নিয়ম অনুযায়ী, পঞ্জাব, হরিয়ানার স্বরাষ্ট্রসচিবকেও এই মর্মে অবগত করেছে কেন্দ্র।নাগরিকত্বের আবেদন পদ্ধতি:১. নাগরিকত্বের আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনের করা যাবে।২.আবেদনপত্র যাচাই করবেন জেলাশাসক অথবা সচিব। এরপর তা কেন্দ্রের হাতে পাঠানো হবে।৩. কোনও বিশেষ ক্ষেত্রে খতিয়ে দেখার প্রয়োজন হলে, সেই কাজ করবে কেন্দ্রীয় সরকার।৪, জেলাশাসক বা সচিব তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নাগরিকত্ব দেবেন।উল্লেখ্য, এই নাগরিকত্ব প্রদান হবে ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন ও ২০০৫ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের ভিত্তিতে। কেন্দ্র এখনও ২০১৯ সালের নিয়ম বলবৎ করতে পারেনি। যেখানে জানানো হয়েছিল, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত যেসব হিন্দু, জৈন, শিখ, পার্সি ও খ্রিস্টানরা ভারতে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেবে কেন্দ্র। সংসদে এই আইন পাশ হওয়ার পর একাধিক রাজ্য এক বিরোধিতা করেছিল। পশ্চিমবঙ্গেরও রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, এই আইন বাংলায় কার্যকরী হবে না।

মে ২৯, ২০২১
দেশ

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের প্রয়োজনীয় ওষুধ থেকে জিএসটি প্রত্যাহার

এক মহামারির সংকটে জেরবরা দেশবাসী। তারউপর দোসর ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কালো ছত্রাক সংক্রমণের মতো আরেক মহামারি। দুয়ের চোখরাঙানিতে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপরও চাপ বাড়ছে। এই অবস্থায় তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রের জিএসটি পরিষদ। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধের উপর জিএসটি বা পণ্য ও পরিষেবা কর প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। শুক্রবার দিল্লিতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এতে স্বস্তিতে চিকিৎসক, রোগী সকলেই।কোভিড পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন পর ২৮ তারিখ, শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক হয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে এই প্রথম জিএসটি পরিষদের বৈঠক হল ভারচুয়ালি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের অর্থমন্ত্রীরা। তাতে মহামারি সংকট মোকাবিলা সংক্রান্ত আলোচনায় ঠিক হয়, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসও ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করায় তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ অ্যামফোটেরিসিন বি-কে জিএসটি তালিকার বাইরে রাখা হোক। অর্থাৎ এই অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ থেকে পণ্য ও পরিষেবা কর তুলে নেওয়া হচ্ছে। যার জেরে ওষুধের দাম আরও কমে সকলের জন্য তা সহজলভ্য হবে। এতে রোগীদের পাশাপাশি চিকিৎসকদেরও সুবিধা হবে।এছাড়াও বৈঠকে করোনা ভ্যাকসিন এবং এই চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের উপর থেকে কর তুলে নেওয়া হবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে জিএসটি কাউন্সিলে। তবে তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বিশেষত ভ্যাকসিনের উপর থেকে জিএসটি প্রত্যাহারের দাবি উঠেছে বিভিন্ন রাজ্যের তরফে। এছাড়া অক্সিজেন, রেমডেসিভিরের মতো ওষুধও জিএসটি তালিকার বাইরে রাখার পক্ষে সওয়াল করেছেন অনেকে। এখনও তা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। জানা গিয়েছে, জিএসটি কাউন্সিলের পরবর্তী বৈঠক ৮ জুন। ওই দিন গুরুত্বপূ্র্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে। পুরোপুরি কর প্রত্যাহার না হলেও, এসব প্রয়োজনীয় ওষুধের উপর করের হার কমানো হতে পারে বলে সম্ভাবনা। তা হলে করোনা চিকিৎসার ব্যয়ভার আরও খানিকটা কমবে বলে আশা সকলের। এখন ৮ জুনের বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত জানান নির্মলা, সেদিকে তাকিয়ে সব মহল।

মে ২৯, ২০২১
বিদেশ

৯০ দিনের মধ্যে করোনার উৎস খুঁজতে মার্কিন গোয়েন্দাদের নির্দেশ বাইডেনের

বন্যপ্রাণ থেকে উদ্ভুত হয়েছিল নোভেল করোনা ভাইরাস নাকি পরিকল্পনামাফিক চিনের গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে এই সংক্রামক ভাইরাসটি? এ নিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব করলেন মার্কি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের উৎস খুঁজতে মার্কিন সংস্থাগুলিকে তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। প্রয়োজনে আরও বেশি পরিশ্রমেরও পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। যা দেখে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, ট্রাম্প পরবর্তী সময়ও চিন-আমেরিকার দ্বন্দ্বের পারদ ফের চড়তে শুরু করবে।বিবৃতিতে বাইডেন জানিয়েছেন, করোনার উৎপত্তি নিয়ে গোয়েন্দারা এখনও দ্বিধাবিভক্ত। কারোর দাবি, চিনের পশুবাজারে থেকে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। কেউ আবার বলছেন চিনের গবেষণাগারেই তৈরি হয়েছে নোবেল করোনা ভাইরাস। কিন্তু কেউই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি। আমি মার্কিন গোয়েন্দাদের উত্তর খুঁজতে ৯০ দিন সময় দিয়েছি। ধোঁয়াশা মোড়া বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দরকার। বিশেষ করে এ বিষয়ে চিনের ভূমিকাও খতিয়ে দেখতে হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এ বিষয়ে বাইডেন সমমনস্ক অন্যান্য দেশের সঙ্গেও কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। যাঁরা করোনার উৎপত্তি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনতে চিনের চাপ তৈরি করবে। আন্তর্জাতিক তদন্তেও চিনকে সহযোগিতা করতে হবে বলে জানিয়েছেন বাইডেন। নয়া মার্কিন প্রেসিজেন্ট এ হেন মন্তব্য চিন-আমেরিকার সম্পর্কে নতুন করে সংঘাত তৈরি করবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

মে ২৭, ২০২১
রাজ্য

যশ-এ বিধ্বস্ত পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা

অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় যশ কতটা ক্ষয়ক্ষতি করল তার হিসেব এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার। এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যদি কোনও জেলা হয়ে থাকে তা হল পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা। উপকূলবর্তী এই দুই জেলা রীতিমতো লণ্ডভণ্ড হয়ে হয়ে গিয়েছে যশের জেরে। সব মিলিয়ে ১ কোটির বেশি মানুষ প্রভাবিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদে ক্ষতির পরিমাণ বুঝতে বিকেলেই দুই জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠক করেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, পূর্ব মেদিনীপুরের ৫ টি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭ টি পুরসভা এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুই জেলার মোট ১২ টি পুরসভা এলাকার ১০ হাজার ৬০০ টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একজনের মৃত্যুও হয়েছে। এখনও জলের তলায় রয়েছে বহু এলাকা। যদিও এখনও পর্যন্ত দুই জেলায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কত তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। সমগ্র ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখছে পুর দপ্তর।বৈঠক শেষে এ দিন মন্ত্রী চন্দ্রিমা আরও জানান, দুই জেলাতেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। জল নিকাশির জন্য রাজ্য জুড়ে বর্তমানে ৭,৮১৬ টি দল কাজ করছে। পানীয় জলের সমস্যা রুখতে কাজ করছে ৯৬৫ টি দল। পুজালি এবং বজবজের মতো পুর এলাকাগুলির ৯ টি বাঁধ এখনও পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে আরও একটি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

মে ২৬, ২০২১
রাজ্য

পাণ্ডুয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত ২, হালিশহর-চুঁচুড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক বাড়ি

ঘূর্ণিঝড় যশ এখনও এসে পৌঁছয়নি। ল্যান্ডফলে এখনও বাকি ১২ ঘণ্টার বেশি। তবে তার আগেই প্রতিকূল আবহাওয়া এবং ছোটখাটো ঘূর্ণিঝড়ের জেরে দক্ষিণবঙ্গের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে বলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে জানান মমতা। ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান মমতা। তবে তাঁকে এও বলতে শোনা যায়, প্রকৃতিকে আমরা গেস করতে পারি, কিন্তু ফেস করতে গেলে প্রকৃতি কখন কোন দুর্যোগ ঘটিয়ে দেবে তা অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে।মমতা বলেন, হালিশহরে একটা দেড় মিনিটের টর্নেডো হয়ে গিয়েছে। হালিশহরে ৪০ টা বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বীজপুরেও ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত বিষয়টি দেখছে। চুঁচুড়াতেও টর্নেডো হওয়ায় ৪০ টির মতো বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাণ্ডুয়াতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজন মারা গিয়েছে।অন্যদিকে, যশের গতিপথ ক্রমশ ওডিশার দিকে ঘুরে যেতে থাকলেও এ দিন আরেক আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন মমতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমরা সবাই নিশ্চই প্রার্থনা করব যাতে বেশি কিছু না হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও শোনা যাচ্ছে যে সাগর দ্বীপেও এটা ধাক্কা মারতে পারে। যদিও আমরা সবাই তৈরি আছি। প্রায় ১১ লক্ষ মানুষকে আমরা উদ্ধার করে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে এসেছি। চিন্তা করার বা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। রাতটা একটু সামলে থাকতে হবে।কীভাবে রাজ্যবাসী এই পরিস্থিতি সামাল দেবেন তা নিয়ে পরামর্শ দিতে শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, বিদ্যুতের ব্যবহার যতটা কম করা যায় ততটাই ভাল। ঝড়টা চলে যেতে দিন। চেষ্টা করুন যাতে বাড়ির বাইরে না বের হতে হয়। সম্ভব হলে ফোনে কাজ সারুন। আজ গোটা রাতটাই তিনি নবান্নেই কাটাবেন বলে জানান মমতা।

মে ২৫, ২০২১
দেশ

প্রধান বিচারপতিকে চিঠি ২০৯৩ মহিলা আইনজীবীর

বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ক্রমাগত চাপ বাড়ছে রাজ্য সরকারের উপর। অশান্তির ঘটনা কমে এলেও যে ঘটনাগুলি ভোট শেষ হওয়ার পরই ঘটেছে তার রেশ এখনও জিইয়ে রয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী হিংসা নিয়ে ফের একবার সুপ্রিম কোর্টে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করা হল। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি এনভি রামনার কাছে এই নিয়ে নালিশ জানিয়েছেন দেশের প্রায় ২০০০ মহিলা আইনজীবী। বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাওয়া হয়েছে।বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে শীর্ষ আদালতে। কখনও মামলায় দাবি করা হয়েছে, রাজ্যে যেন রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। কোনও মামলার আবার দাবি, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করুক আদালত। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যদিও বারবার দাবি করা হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী তৃতীয়বার শপথ গ্রহণের পর থেকে অশান্তির ঘটনা কমে গিয়েছে। তবে বিজেপি তেমনটা মানতে নারাজ।ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে। যদিও রাজ্যের পক্ষ থেকে এখনও কোনও জবাব এই নিয়ে দেওয়া হয়নি। এরই মধ্যে আদালতের উপর চাপ বাড়িয়ে প্রধান বিচারপতিকে একটি চিঠি লিখে নালিশ জানালেন মহিলা আইনজীবীরা। সূত্রের খবর, নালিশের এই চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে ২ হাজার ৯৩ জন মহিলা আইনজীবীর। ২৮ টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মহিলা আইনজীবীরা এই নালিশ জানিয়েছেন।আইনজীবীদের অভিযোগ, গত ২ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। পরিস্থিতির কোনও উন্নতি এখনও দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত হিংসার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। তাই প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে আবেদন জানানো হয়েছে, তিনি যাতে বিষয়টি নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে কোনও পদক্ষেপ করেন।

মে ২৫, ২০২১
রাজ্য

সেফ হোম ও কমিউনিটি কিচেন খুললেন নুসরত

করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে বিপর্যস্ত গোটা দেশ। কার্যত লকডাউনের পথে হেঁটে রোগ মোকাবিলার পথে হেঁটেছে রাজ্য প্রশাসন। প্রায় প্রতিদিনই উঠছে হাসপাতালে বেড এবং অক্সিজেনের আকালের অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে করোনা আক্রান্তদের ভাল রাখার উদ্যোগ অভিনেত্রী তথা সাংসদ নুসরত জাহানের। ভ্যাবলা পলিটেকনিক কলেজে সেফ হোম এবং কমিউনিটি কিচেন খুললেন তিনি।বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদের এহেন উদ্যোগকে নেটদুনিয়ায় কুর্নিশ জানিয়েছেন অনেকেই। করোনা কালে এই সেফ হোম এবং কমিউনিটি কিচেন খোলার ভাবনা সত্যিই যথেষ্ট ভাল বলেই জানিয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ। তবে অনেকেই আবার তাঁর এই কাজের সমালোচনাতেও মুখর। সাংসদ হিসাবে নুসরত সাধারণ মানুষের জন্য তেমন কিছু করে উঠতে পারেননি বলেই দাবি তাঁদের। তবে এই প্রথমবার নয়। এর আগেও একাধিকবার নেটদুনিয়ায় সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। মুসলমান পরিবারের সন্তান হয়ে শাঁখা, পলা পরা হোক কিংবা সাহসী পোশাকে ফটোশুট বারবার নেটিজেনদের তীর্যক মন্তব্যের শিকার হন বসিরহাটের সাংসদ। প্রতিবারের মতো এবারও সমালোচনায় কান দিতে নারাজ নুসরত। পরিবর্তে বসিরহাট বিধানসভার প্রতিটি কেন্দ্রে সেফ হোম তৈরির কথা ভাবছেন তিনি। স্থানীয় নেতৃত্ব এবং প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এই কাজ করা সম্ভব হত না বলেও জানিয়েছেন নুসরত। বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে সকলকে কোভিডবিধি মেনে চলারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

মে ২৩, ২০২১
স্বাস্থ্য

সাইক্লোন আতঙ্কে বাংলা, সাইটোকাইন ঝড় কাড়ছে মানুষের প্রাণ

বাংলা তথা ভারতবর্ষের পূর্ব উপকূলে ২৬ তারিখ আছড়ে পড়ছে সাইক্লোন যশ। আবহাওয়া দপ্তর বাংলা এবং ওডিশার উপকূলবর্তী এলাকাকে ২৩ তারিখ থেকেই সতর্ক করেছে। তেমনি এরকমই একটি সাইক্লোন মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে তা হলো সাইটোকাইন। করোনা আক্রান্ত হয়ে যত মানুষ মারা যাচ্ছে তাদের বেশিরভাগই এই ঝড়ের শিকার হচ্ছে। যশ আসছে বাইরে আর সাইটোকাইন ঝড় বইছে শরীরের ভেতরে এবং কেড়ে নিচ্ছে অনেক প্রাণ। তাই সতর্ক থেকে আগেভাগে রোগ নির্ণয় করতে হবে আর ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। আগাম সতর্কতা সাইটোকাইন ঝড় থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করবে।কি এই সাইটোকাইন?সাইটোকাইন হলো প্রোটিন, পেপটাইড আর গ্লাইকোপ্রোটিন যা আমাদের ইমিউন সিস্টেমের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ নির্গত হয়। শরীরে কোনো ভাইরাস ঢুকলে শরীর তার নিজের ইমিউন সিস্টেম দিয়ে লড়ার চেষ্টা করে তার একটি প্রতিক্রিয়া হলো ইনফ্ল্যামেসন। শরীরে ইনফ্লামেশন হলে সাইটোকাইন ইমিউন কোষ যেমন ম্যাক্রোফেজেস, B লিম্ফোসাইটস, T লিম্ফোসাইটস, মাস্ট কোষ থেকে তৈরী হয়। এই সাইটোকাইন শরীরে যোগাযোগের কাজ করে। এটি ম্যাচুরেশন, গ্রোথ, আর কোষের প্রতিক্রিয়া কে নিয়ন্ত্রণ করে।কেন সাইটোকাইন থেকে ভয় পাবো?শরীরে ভাইরাস জনিত ইনফ্লামেশন এর জন্য সাইটোকাইন বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ সাধন করার চেষ্টা করে। যেহেতু আমাদের ইমিউন সিস্টেম করোনা ভাইরাস কে চেনে না, তাই এটি শরীরে প্রবেশ করলে এর সঙ্গে লড়ার জন্য প্রচুর ইনফ্লামমেটরী প্রতিক্রিয়া তৈরী হয় যার ফলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাইটোকাইন তৈরী হতে থাকে। হাইপার ইমিউন প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রচুর পরিমান সাইটোকাইন তৈরী হওয়া কে সাইটোকাইনিন ঝড় বলা হয়। প্রচুর সাইটোকাইন ফুসফুস ও শরীরের অন্যান্য অঙ্গেরও ক্ষতি করে। সে জন্য এই ঝরে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।এই ঝড় থেকে বাঁচার উপায় কি? করোনার কোনোরকম উপসর্গ হলে তাকে অবহেলা করা চলবে না, কারণ সাধারণত করোনা তে আক্রান্ত হবার ৬ দিনের মাথা থেকে সাইটোকাইন এর পরিমান শরীরে বাড়তে শুরু করে, তখন বেশ দেরি হয়ে যায়। তাই চেষ্টা করুন তাড়াতাড়ি নিশ্চিত হতে যে আপনি করোনা তে আক্রান্ত কিনা। যদি আপনার করোনা হয়ে থাকে তাহলে আপনি ESR, CRP, D Dimer পরীক্ষা করান আর তার সাথে সাথে IL-6, IL-8, TNF, IL-1 and IL-33 এই পরীক্ষা গুলো করান। এর মধ্যে IL - 6 অবশই করাতে হবে। IL - 6 অনেকসময় সাধারণ মানুষদেরও বেড়ে থাকতে পারে, কিন্তু যদি করোনা রুগীদের এটি বেড়ে থাকে তাহলে সাবধান হতে হবে এবং এর সঙ্গে সঙ্গে অন্য আরো পরীক্ষা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করতে হবে। মনে রাখতে হবে সাইটোকাইন শরীরের অনেক অঙ্গের ক্ষতি করে। সাধারণত ডাক্তাররা এর চিকিৎসা স্টেরয়েড দিয়ে করে থাকেন। তবে ডাক্তার না দেখিয়ে স্টেরয়েড খাবেন না, কারণ সময়ের আগে যদি স্টেরয়েড শুরু করা হয় সেক্ষেত্রে করোনা চিকিৎসায় অসুবিধা হতে পারে।পরিশেষে:সরকার বিভিন্ন রকমের পরিকল্পনা নিচ্ছে যশ থেকে মানুষকে বাঁচাবার আর আপনি সতর্ক থাকুন সাইটোকাইন ঝড় থেকে বাঁচবার জন্য। সবার শরীরে যে সাইটোকাইন ঝড় উঠবে তা নয়, প্রত্যেকের শরীর একভাবে ভাইরাস এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেয় না।Dr. Satyen Bhattacharyya (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMPT (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhaman

মে ২২, ২০২১
রাজ্য

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নয়া গাইডলাইন জারি স্বাস্থ্যদপ্তরের

করোনার সংক্রমণের মাঝেই গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে উঠেছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের দাপট। ইতিমধ্যেই রাজ্যে প্রবেশ করেছে এই কালো ছত্রাক। এই সংক্রমণে কলকাতার শম্ভুনাথ হাসপাতালে প্রাণও হারিয়েছেন ৩২ বছরের যুবতী। আর এবার এই সংক্রমণ ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। বঙ্গবাসীকে সতর্ক করতে স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে জারি করা হল নতুন গাইডলাইন।জানানো হয়েছে, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ এড়াতে মাস্কের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যে সমস্ত এলাকা কিংবা নির্মাণস্থলে বেশি ধুলোবালি রয়েছে, সেসব জায়গায় বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। মাস্ক ছাড়া সেখানে যাওয়ার প্রশ্নই নেই। আবার বাগানে বা মাটি নিয়ে কাজ করলে, জুতো, লম্বা ঝুলের ট্রাউজার, ফুলহাতা শার্ট এবং গ্লাভস পরা জরুরি। পাশাপাশি সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ও ডায়াবেটিক রোগীদের শরীরেই কালো ছত্রাক বেশি করে হানা দিচ্ছে। তাই তাঁদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার দিকে নজর রাখতে হবে। স্টেরয়েড, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ ব্যবহারেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অতিমারি আবহেই দেশের একাধিক রাজ্যে কালো ছত্রাকের হানায় বেড়েছে উদ্বেগ। প্রথম ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি বলে ঘোষণা করেছিল রাজস্থান সরকার। পরে একই পথে হাঁটে তেলঙ্গানাও। তারপরই দেখা যায়, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও রাজ্যগুলিকে এই সংক্রমণকে মহামারির আওতায় ফেলারই নির্দেশিকা দেয়। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে শুক্রবার শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে মারা গিয়েছেন হরিদেবপুরের শম্পা চক্রবর্তী (৩২)। রাজ্যে এই প্রথমবার কেউ এই সংক্রমণে প্রাণ হারালেন। যা করোনা আবহে নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্যবাসীর।

মে ২২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 52
  • 53
  • 54
  • 55
  • 56
  • 57
  • 58
  • ...
  • 63
  • 64
  • ›

ট্রেন্ডিং

ভ্রমণ

কম খরচে কেরালা ভ্রমণ: ব্যাকওয়াটার থেকে পাহাড়, সবই হাতের নাগালে স্বর্গীয় সৌন্দর্য

ভারতের মানচিত্রে কেরালাকে বলা হয় Gods Own Country। আর এই উপাধির সবচেয়ে বড় কারণ তার অনন্য ব্যাকওয়াটার, সবুজ নারকেল বন, শান্ত গ্রাম আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য। অনেকেই মনে করেন কেরালা ভ্রমণ মানেই প্রচুর খরচ, বিলাসবহুল হাউসবোট আর দামি রিসর্ট। কিন্তু একটু পরিকল্পনা করলেই খুব কম খরচেও উপভোগ করা যায় কেরালার মনোমুগ্ধকর ব্যাকওয়াটার এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।ভোরবেলা আলাপ্পুঝা (Alappuzha) বা আলেপ্পির ঘাটে দাঁড়িয়ে মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজেই একটি জলরঙের ছবি এঁকেছে। চারদিকে শান্ত জলরাশি, তার মাঝে ভেসে চলেছে ছোট ছোট নৌকা। দূরে দেখা যাচ্ছে নারকেল গাছের সারি, মাঝে মাঝে গ্রামের মানুষ নৌকায় করে বাজারে যাচ্ছে। এই দৃশ্য দেখার জন্য লাখ লাখ পর্যটক কেরালায় আসেন। অনেকেই হাউসবোট ভাড়া করেন, যার খরচ বেশ বেশি। কিন্তু কম খরচে ব্যাকওয়াটার উপভোগ করতে চাইলে সরকারি ফেরি বা স্থানীয় নৌকায় চড়া সবচেয়ে ভালো উপায়। মাত্র কয়েকশো টাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যাকওয়াটারের বুক চিরে ভ্রমণ করা যায়। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে গল্প করতে করতে প্রকৃত কেরালাকে কাছ থেকে দেখা যায়।নৌকা যখন ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে, তখন দুপাশে চোখে পড়ে সবুজ ধানক্ষেত, ছোট্ট চার্চ, মন্দির এবং নদীর ধারে গড়ে ওঠা গ্রাম। কোথাও জেলেরা মাছ ধরছেন, কোথাও আবার শিশুরা জলে খেলছে। শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে এই শান্ত পরিবেশ মনকে এক অন্যরকম প্রশান্তি দেয়। কেরালার প্রকৃতির সৌন্দর্য শুধু ব্যাকওয়াটারেই সীমাবদ্ধ নয়। মুন্নারের পাহাড়ি অঞ্চলে গেলে দেখা যায় অসীম বিস্তৃত চা-বাগান। পাহাড়ের গায়ে সবুজের কারুকাজ যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা। সকালের কুয়াশা আর ঠান্ডা হাওয়া মুহূর্তেই মন জয় করে নেয়। কম খরচে থাকার জন্য এখানে অনেক হোমস্টে ও বাজেট হোটেল পাওয়া যায়।এছাড়া ভরকালা ও কোভালামের সমুদ্রসৈকতও পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সূর্যাস্তের সময় আরব সাগরের বুকে লাল আভা ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য জীবনের অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা হয়ে থাকতে পারে। সৈকতে বসে শুধু প্রকৃতিকে উপভোগ করলেও কোনও অতিরিক্ত খরচ হয় না। কেরালার স্থানীয় খাবারও তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। কলাপাতায় পরিবেশিত ভাত, সাম্বর, থোরান, মাছের কারি কিংবা আপ্পাম ও স্ট্যু স্বাদে যেমন অনন্য, তেমনি দামেও সাধ্যের মধ্যে। স্থানীয় রেস্তোরাঁয় খেলে খাবারের খরচ অনেকটাই কমে যায়।কম খরচে কেরালা ভ্রমণের জন্য ট্রেন সবচেয়ে ভালো মাধ্যম। কোচি বা আলাপ্পুঝা পর্যন্ত ট্রেনে পৌঁছে স্থানীয় বাস ও ফেরি ব্যবহার করলে যাতায়াতের খরচ অনেক কম হয়। অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি সময়টি ভ্রমণের জন্য আদর্শ, কারণ তখন আবহাওয়া মনোরম থাকে।কেরালার ব্যাকওয়াটারে সূর্যাস্তের সময় যখন আকাশের রং জলের ওপর প্রতিফলিত হয়, তখন মনে হয় প্রকৃতি যেন নিজের সেরা রূপটি মেলে ধরেছে। শান্ত জল, নারকেল গাছের ছায়া, পাখির ডাক আর গ্রামের সরল জীবনসব মিলিয়ে কেরালা শুধু একটি পর্যটনস্থল নয়, বরং এক অনুভূতির নাম। তাই যদি কম খরচে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কয়েকটি স্মরণীয় দিন কাটাতে চান, তাহলে কেরালার ব্যাকওয়াটার আপনার জন্য এক অসাধারণ গন্তব্য। একবার ঘুরে এলে মন বারবার ফিরে যেতে চাইবে সেই শান্ত, সবুজ আর জলময় স্বর্গরাজ্যে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

‘ককরোচ’-এর আন্দোলনে বড় ধাক্কা কেন্দ্রের! তৃতীয় বৈঠকের আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, নতিস্বীকার কি সরকারের?

নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে বড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পালাবদলের ইঙ্গিত। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র লাগাতার আন্দোলন এবং দেশজুড়ে তৈরি হওয়া প্রতিবাদের আবহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে প্রথম থেকেই সরব ছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিলশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনও সমঝোতাই সম্ভব নয়।এই পরিস্থিতিতে শনিবার কেন্দ্রের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এল কেন্দ্র?ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজেই সমাজমাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয় এবং রাষ্ট্রপতি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে সূত্রের খবর।নিট পরীক্ষাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর থেকেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সামনে এনেছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাঁদের দাবি, পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে এর জন্য রাজনৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে।এই দাবিকে কেন্দ্র করেই গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিজেপির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে মোট তিনটি প্রধান দাবি রাখা হয়েছিল। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।সরকারের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের ইতিমধ্যে দুদফা বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে সরকারের তরফে ইতিবাচক আশ্বাস দেওয়া হলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি নিয়ে কোনও সমঝোতা হচ্ছিল না। বরং কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ফের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রের তরফে আলোচনায় থাকার কথা ছিল জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের। কিন্তু বৈঠকের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা হয়ে যায়। এর ফলে আন্দোলনকারীদের প্রথম এবং মূল দাবিই কার্যত পূরণ হয়ে গেল।শনিবার সকালেই সিজেপির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কেন্দ্র যদি কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তৃতীয় দফার বৈঠকেরও কোনও অর্থ নেই। এমনকি আন্দোলনকারীদের তরফে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষোভের পরিধি আরও বাড়তে পারে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তুলতে পারে।এই আবহেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও তাঁর নিজের বক্তব্যে পদত্যাগকে সরাসরি আন্দোলনের চাপের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়নি। বরং তিনি গত কয়েকদিনের পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করে জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তাঁর দাবি, কোনও মেধাবী পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক, তা তিনি কখনও চাননি।পদত্যাগের ঘোষণা করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ৩ মে নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই তিনি বিষয়টির দায় নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, কখনও তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও শিক্ষার্থীর সঙ্গে অন্যায় না হওয়া।গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে ব্যথিত করেছে বলেও জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যন্তর মন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ যাতে কোনও দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যাতে অটুট থাকে এবং আন্দোলনে যুক্ত কোনও পড়ুয়া যাতে আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে পড়েএই বিষয়গুলিও তিনি বিবেচনায় রেখেছেন।ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁর মতে, তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, গোটা সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থারও।তাঁর পদত্যাগের ঘোষণার পর এখন নজর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আন্দোলনকারীরা কি এই সিদ্ধান্তকে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পথ হিসেবে দেখবেন, নাকি তাঁদের বাকি দাবিগুলি নিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার হবেতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনিট পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা এখন আর শুধুমাত্র একটি পরীক্ষার অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা পুনরুদ্ধার, পরীক্ষার নিরাপত্তা, প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে।ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সেই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেও, বৃহত্তর প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও বাকি। আগামী দিনে কেন্দ্র কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং শিক্ষাব্যবস্থায় আস্থা ফেরাতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

জুলাই ২৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মন ও পরিবারও

নিজস্ব প্রতিবেদন: মাসের কয়েকটি দিন। ক্যালেন্ডারের পাতায় হয়তো নিছক কয়েকটি তারিখ, কিন্তু একজন নারীর শরীর ও মনের কাছে এই দিনগুলির অর্থ অনেক গভীর। কখনও তলপেটের অসহ্য ব্যথা, কখনও কোমর ও পিঠে টান, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, বমি বমি ভাবতার সঙ্গে অকারণ মন খারাপ, বিরক্তি, কান্না পেতে থাকা, একা হয়ে যাওয়ার ইচ্ছে কিংবা অদ্ভুত এক মানসিক অবসাদ। ঋতুস্রাবের সময় অনেক নারীর কাছেই শরীর যেন নিজের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে ফেলে। আর সেই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন মিশে যায় মানসিক চাপ, তখন কয়েকটি দিন হয়ে ওঠে এক দীর্ঘ, ক্লান্তিকর পথচলা।এই সময়টিকে তাই শুধু মেয়েদের মাসিকের সমস্যা বলে হালকা করে দেখার কোনও সুযোগ নেই। কারণ ঋতুস্রাব কেবল একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া নয়; হরমোনের ওঠানামা, ব্যথা, ঘুমের ব্যাঘাত, কর্মক্ষেত্রের চাপ, সামাজিক অস্বস্তি এবং নিজের শরীর নিয়ে নানা সংকোচসব মিলিয়ে এটি অনেকের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।কখনও মনে হয়, পৃথিবীটা যেন একটু বেশি শব্দ করছে। সামান্য কথাতেও বিরক্তি আসে। যে মানুষটি প্রতিদিন হাসিমুখে সংসার সামলান, অফিস করেন, সন্তানকে স্কুলে পাঠান কিংবা জীবনের নানা দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন, তিনিই হয়তো সেই কয়েকটি দিনে নিঃশব্দে নিজের ভিতরের ক্লান্তির সঙ্গে লড়াই করেন।এই লড়াইকে বুঝতে হবে। বিচার নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা।কেন ঋতুস্রাবের সময় মন খারাপ হয়?ঋতুচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মতো হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন ঘটে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের সঙ্গে মেজাজের ওঠানামা, উদ্বেগ, বিরক্তি, মনোযোগে ঘাটতি কিংবা বিষণ্ণতার অনুভূতি দেখা দিতে পারে। এর পাশাপাশি ঋতুস্রাবের সময় ব্যথা ও শারীরিক অস্বস্তি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, যা পরোক্ষভাবে মানসিক ক্লান্তি আরও বাড়িয়ে দেয়।কারও ক্ষেত্রে উপসর্গগুলি তুলনামূলক হালকা। আবার কারও ক্ষেত্রে তা এতটাই তীব্র হতে পারে যে দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, চাকরি কিংবা সামাজিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়ে। ঋতুস্রাবের আগে ও আশপাশের সময়ে যদি প্রতি মাসেই তীব্র মানসিক পরিবর্তনযেমন গভীর বিষণ্ণতা, প্রচণ্ড খিটখিটে মেজাজ, উদ্বেগ বা আবেগের নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো সমস্যা দেখা দেয় এবং তা জীবনযাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত করে, তবে প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম (PMS) বা আরও গুরুতর ক্ষেত্রে প্রিমেনস্ট্রুয়াল ডিসফোরিক ডিসঅর্ডার (PMDD)-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করা প্রয়োজন।তবে প্রতিটি মন খারাপই যে PMS বা PMDD, তা নয়। আবার প্রতিটি শারীরিক কষ্টকেও স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যাওয়াও ঠিক নয়।শারীরিক যন্ত্রণার সঙ্গে মানসিক অবসাদের যোগসূত্রঋতুস্রাবের সময় তলপেটের ব্যথা বা ক্র্যাম্প অনেক নারীর দৈনন্দিন জীবনকে থামিয়ে দিতে পারে। কারও ব্যথা এতটাই তীব্র হয় যে বিছানা ছেড়ে ওঠাও কঠিন হয়ে পড়ে। মাথাব্যথা, দুর্বলতা, পেটের সমস্যা কিংবা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণও শারীরিক সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।এই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন কর্মক্ষেত্র বা পরিবারের প্রত্যাশা একই থাকে, তখন মানসিক চাপ আরও বাড়তে পারে।আজ শরীরটা ভালো নেইএই কথাটি বলার অধিকার একজন নারীর আছে।শরীর যখন বিশ্রাম চায়, তখন বিশ্রাম নেওয়া দুর্বলতা নয়। বরং নিজের শরীরের সংকেতকে সম্মান করা সুস্থ থাকারই একটি অংশ।মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: নিজের অনুভূতিকে অস্বীকার করবেন নামানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋতুস্রাবের সময় মেজাজের পরিবর্তন হলে প্রথমেই নিজের অনুভূতিকে অযৌক্তিক বা নাটক বলে দমন না করে তা স্বীকার করা জরুরি। যদি প্রতি মাসে একই ধরনের সমস্যা ফিরে আসে, তাহলে অন্তত দুই-তিনটি ঋতুচক্র ধরে নিজের উপসর্গের একটি ডায়েরি রাখা যেতে পারে।কোন দিনে মন খারাপ হচ্ছে, কতটা ব্যথা হচ্ছে, ঘুম কেমন হচ্ছে, ক্ষুধার পরিবর্তন হচ্ছে কি না, কাজকর্মে কতটা সমস্যা হচ্ছেএসব লিখে রাখলে সমস্যার ধরন বোঝা সহজ হয়। প্রয়োজন হলে গাইনোকলজিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করেও উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য এবং স্ট্রেস কমানোর অভ্যাস অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে উপসর্গ গুরুতর হলে শুধু মন শক্ত করুন বলা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন অনুসারে চিকিৎসা, কাউন্সেলিং বা ওষুধের সাহায্যও লাগতে পারে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথানিজে থেকে কোনও ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন এই কঠিন সময়?১. শরীরকে বিশ্রাম দিনঋতুস্রাবের সময় অতিরিক্ত ক্লান্তি থাকলে নিজের উপর অযথা চাপ দেবেন না। কাজের মধ্যে ছোট বিরতি নিন। পর্যাপ্ত ঘুমের চেষ্টা করুন। শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া মানে দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়; বরং পরবর্তী দিনগুলির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা।২. হালকা শরীরচর্চা করুনশরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী হাঁটা, স্ট্রেচিং, যোগব্যায়াম বা হালকা ব্যায়াম অনেকের ক্ষেত্রে মুড ভালো করতে এবং অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে তীব্র ব্যথা বা অসুস্থতা থাকলে জোর করে ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওসুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান। পর্যাপ্ত জল পান করুন। অতিরিক্ত ক্যাফেইন, লবণ বা অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার আগে ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।৪. নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখুনবই পড়া, গান শোনা, প্রিয় সিনেমা দেখা, ছবি আঁকা, বাগান করা কিংবা কোনও বন্ধুর সঙ্গে কথা বলাযে কাজটি মনকে শান্ত করে, সেটি করার চেষ্টা করুন। মনকে ভালো রাখার জন্য সবসময় বড় কোনও আয়োজন প্রয়োজন হয় না। কখনও এক কাপ গরম চা আর জানালার পাশে কয়েক মিনিট নীরবতাও যথেষ্ট হতে পারে।৫. অনুভূতি প্রকাশ করুনআমি ভালো নেইএই কথাটি বলতে ভয় পাবেন না। মন খারাপ হলে বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। নিজের কষ্টকে গোপন করে রাখলে অনেক সময় মানসিক চাপ আরও বেড়ে যেতে পারে।পরিবার ও বন্ধুরা কী করবেন?একজন নারীর ঋতুস্রাবের সময় তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় উপায় সবসময় কোনও বড় সমাধান নয়অনেক সময় শুধু তাঁকে বোঝার চেষ্টা করাটাই যথেষ্ট।পরিবারের সদস্যরা যদি বলেন, তোমার শরীর খারাপ? তুমি একটু বিশ্রাম নাও, আজকের কাজটা আমি করে দিচ্ছিতাহলে সেই কথাটিই হয়তো একজন ক্লান্ত নারীর কাছে হয়ে উঠতে পারে এক মুঠো স্বস্তি।তাঁর মেজাজ খারাপকে উপহাস করবেন না। এগুলো সব মাসিকের অজুহাতএই ধরনের মন্তব্য এড়িয়ে চলুন। তাঁর কথা শুনুন। প্রয়োজন হলে ঘরের কাজ ভাগ করে নিন। তাঁকে একা থাকতে চাইলে সেই ব্যক্তিগত পরিসরটুকু দিন, আবার তিনি কথা বলতে চাইলে মন দিয়ে শুনুন।বন্ধুরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। বন্ধুর মন খারাপ বুঝলে জোর করে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা না করে পাশে থাকা, ফোন করা, একটু গল্প করা কিংবা প্রয়োজন হলে শুধু নীরবে শুনে যাওয়াএসবই অনেক সময় কার্যকর সহায়তা হয়ে ওঠে।মনে রাখতে হবে, মানসিক অবসাদ কোনও মেয়েলি দুর্বলতা নয়। এটি মানুষের অনুভূতিরই একটি অংশ। আর অনুভূতির যত্ন নেওয়া যেমন ব্যক্তিগত দায়িত্ব, তেমনই সামাজিক দায়িত্বও।কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?যদি প্রতি মাসে ঋতুস্রাবের আগে বা সময়ে তীব্র বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, রাগ, হতাশা বা আবেগের পরিবর্তন দেখা দেয় এবং তা কাজ, পড়াশোনা, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, অসহ্য ব্যথা, বারবার মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ কিংবা এমন শারীরিক সমস্যা যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে থামিয়ে দেয়এসবকেও অবহেলা করা উচিত নয়।আর যদি কখনও গভীর হতাশা, নিজেকে আঘাত করার চিন্তা বা বেঁচে থাকার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলার মতো অনুভূতি তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি জরুরি হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।নারীর শরীরকে বোঝার পাশাপাশি নারীর মনকেও বুঝতে হবেঋতুস্রাব কোনও লজ্জার বিষয় নয়। এটি জীবনের স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। অথচ এখনও সমাজের বহু স্তরে এই বিষয়টি নিয়ে সংকোচ, কুসংস্কার ও নীরবতা রয়েছে। সেই নীরবতাই অনেক সময় নারীর শারীরিক ও মানসিক কষ্টকে আরও একা করে দেয়।প্রখ্যাত লেখিকা ভার্জিনিয়া উলফ লিখেছিলেন, I would venture to guess that Anon, who wrote so many poems without signing them, was often a woman.নারীর অদৃশ্য কণ্ঠস্বরের প্রসঙ্গে তাঁর এই কথাটি যেন আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ বহু নারী এখনও নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ না করে নীরবে সহ্য করে যান।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে তাই প্রয়োজন একটু বেশি মানবিকতা। প্রয়োজন প্রশ্নের বদলে বোঝাপড়া, উপহাসের বদলে সহানুভূতি, নির্দেশের বদলে পাশে থাকা।একজন নারী সেই কয়েকটি দিনে যদি বলেন, আজ আমার একটু বিশ্রাম দরকারতবে তাঁর পাশে দাঁড়ানো মানে তাঁকে দুর্বল করে দেওয়া নয়। বরং তাঁর শক্তিকে সম্মান করা।কারণ প্রতিটি মাসে শরীরের ভিতর দিয়ে যে পরিবর্তনের স্রোত বয়ে যায়, তার সঙ্গে লড়াই করে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন অসংখ্য নারী। তাঁদের এই নীরব লড়াইকে স্বীকৃতি দেওয়া, তাঁদের কষ্টকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানোএটাই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে মানবিক দায়িত্ব।ঋতুস্রাবের দিনগুলি হয়তো মাসের কয়েকটি দিন। কিন্তু সেই কয়েকটি দিনে একজন নারীর পাশে থাকাতাঁর কাছে হয়ে উঠতে পারে সারা জীবনের এক গভীর আশ্বাস।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

'ককরোচ'দের চাপেরই জের! অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

অবশেষে ককরোচদের প্রধান দাবি মেনে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আগেই ককরোচ জনতা পার্টির বেশিরভাগ দাবি মেনে নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিজেপির কাছ থেকে কেন্দ্র সময় নিয়ে নেয়। ককরোচ জনতা পার্টির দাবি মেনে অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় করা দীর্ঘ পোস্টে নিজের পদত্যাগের কারণ জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে ইতিমধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত সেই পদত্যাগ গৃহীত হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে নিজের ইস্তফা পাঠানোর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি। তাঁর দাবি, ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে। সেই কুচক্রীরা যাতে কোনওভাবেই পরিস্থিতির সুবিধা তুলতে না পারে, সেজন্যই আমার ইস্তফা। আমার এই পদত্যাগপত্র দেশের জন্য।যন্তর মন্তরে একাধিক দাবি নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন শুরু করে। তারমধ্যে প্রধান দাবি ছিল, নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র লিকের জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রথম দিকে শুধু মাত্র ককরোচ জনতা পার্টি সেই আন্দোলন করে। ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠন সেই আন্দোলনে যুক্ত হয়। দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সেই আন্দোলনে যুক্ত হতে থাকে। সেলিব্রেটি, খেলোয়াররাও আন্দোলন নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কার্যত চাপে পড়েই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন বলেই বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় ঘিরে নতুন বিস্ফোরণ! কোটি টাকার নয়, এবার সামনে এল লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়ার অভিযোগ

প্রায় দুই বছর আগে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্প খরচে চিকিৎসার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয় শিবির। সেই উদ্যোগকে ঘিরে তখন ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর এই প্রকল্প নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। এবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিষ্ণুপুর থানায় দায়ের হয়েছে নতুন অভিযোগ। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি রিসর্ট ভাড়া নেওয়া এবং লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়া বিল।অভিযোগকারী রিসর্ট মালিক জানিয়েছেন, সেবাশ্রয় শিবিরের কাজ পরিচালনার জন্য এক সময় তাঁর রিসর্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সেখানে প্রায় দেড়শো জন কর্মী থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন বলে দাবি তাঁর। অভিযোগ, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রায় তিরিশ লক্ষ টাকার বিল এখনও পরিশোধ করা হয়নি।রিসর্ট মালিকের দাবি, সেই সময় বারবার টাকা চাওয়া হলেও কোনও অর্থ দেওয়া হয়নি। বরং তাঁকে জানানো হয়েছিল, ব্যবসা করতে হলে এমন পরিস্থিতি মেনে নিতে হবে। তাঁর আরও অভিযোগ, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি তখন থানায় অভিযোগ করার সাহস পাননি। বর্তমানে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, রিসর্টে সেবাশ্রয়ের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা থাকতেন। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, সেই সময় এই ব্যবস্থার সঙ্গে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীদের নামও জড়িত ছিল বলে তাঁর দাবি। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ।শনিবার বিধানসভায় সেবাশ্রয় নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও প্রকল্পটি নিয়ে একাধিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সেবাশ্রয় সংক্রান্ত সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গোটা বিষয়টি অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

নলহাটিতে হানা দিতেই চক্ষু চড়কগাছ! একসঙ্গে উদ্ধার বিপুল বিস্ফোরক, বড় রহস্যের গন্ধ

বীরভূমের নলহাটিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। উদ্ধার হয়েছে বিশ বস্তা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং প্রচুর ডিটোনেটর। ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিপুল বিস্ফোরক কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। কলকাতা থেকে তদন্তকারী দল নলহাটিতে পৌঁছে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি শুরু করে। দীর্ঘ তল্লাশির পর একটি জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকেই এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক কী কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল, তা এখন তদন্তের মূল বিষয়। কোনও নাশকতার ছক ছিল কি না, নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে এই বিস্ফোরক মজুত করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও ডিটোনেটর পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হতে পারে বলেও তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীরা আরও খতিয়ে দেখছেন, এই বিস্ফোরক কোনও বৈধ শিল্পকারখানা বা খনির কাজে ব্যবহার করার জন্য রাখা হয়েছিল কি না। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কয়েকজনের নাম পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের খোঁজেও তল্লাশি শুরু হতে পারে। গোটা ঘটনায় তদন্ত চলেছে এবং সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাবা বিক্রি করতেন সবজি, ছেলে জিতল দেশের প্রথম পদক! ঝন্ডুর লড়াই জানলে চোখে জল আসবে

কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের পদক অভিযান শুরু হল দারুণ সাফল্যের মধ্য দিয়ে। পুরুষদের হেভিওয়েট প্যারা পাওয়ার লিফটিং বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জিতে দেশের ঝুলিতে প্রথম পদক তুলে দিলেন বিহারের ঝন্ডু কুমার। তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত গোটা দেশ।ঝন্ডু কুমারের জীবন সংগ্রামের গল্প অনুপ্রেরণার। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে পোলিও আক্রান্ত হন তিনি। ছোটবেলা থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি আর্থিক সমস্যার সঙ্গেও লড়াই করতে হয়েছে। তাঁর বাবা রাস্তার ধারে সবজি বিক্রি করেন। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ঝন্ডুও একসময় ই-রিকশা চালিয়েছেন। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিও তাঁর স্বপ্নকে থামাতে পারেনি। নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন এবং দেশের হয়ে খেলার লক্ষ্য থেকে কখনও সরে যাননি।পরবর্তীতে তাঁর প্রতিভা নজরে আসে জাতীয় কোচ রাজিন্দর সিং রাহেলুর। তাঁর উদ্যোগেই ঝন্ডু জাতীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুশীলনের সুযোগ পান। সেই সুযোগই বদলে দেয় তাঁর জীবন। এরপর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য পেতে শুরু করেন তিনি।কমনওয়েলথ গেমসে ঝন্ডু মোট একশো নব্বই কেজি ওজন তুলে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেন। শেষ প্রচেষ্টায় আরও বেশি ওজন তোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। তবুও তাঁর পারফরম্যান্সই ভারতের প্রথম পদক এনে দেয়।পদক জয়ের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় ঝন্ডু বলেন, তাঁর মনে হচ্ছে তিনি যেন আকাশে উড়ছেন। এই পদক শুধু তাঁর নয়, যাঁরা কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়েছেন, তাঁদের সকলেরও। ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও বড় সাফল্য আনার লক্ষ্য নিয়েই এগোতে চান তিনি।এর আগেও জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন ঝন্ডু। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও একাধিক পদক জিতেছেন। এবার কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম পদক জিতে তিনি প্রমাণ করে দিলেন, কঠোর পরিশ্রম, ইচ্ছাশক্তি এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে কোনও বাধাই সাফল্যের পথে শেষ কথা হতে পারে না।

জুলাই ২৫, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে ঢুকেছিল বহিরাগত? সত্তর জন চিহ্নিত, কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

ধর্মতলায় সাম্প্রতিক অশান্তি নিয়ে বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের নামে পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মসূচিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, আন্দোলনে এমন বহু ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন, যাঁদের সঙ্গে ছাত্র আন্দোলন বা নিট ইস্যুর কোনও সরাসরি সম্পর্ক ছিল না। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগতদের আনা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় পুলিশ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জলের বোতল, জুতো এবং অন্যান্য বস্তু ছোড়া হয়। তাঁর দাবি, উদ্দেশ্য ছিল পুলিশকে উসকে দিয়ে বড় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করা। তবে পুলিশ সংযম দেখিয়েছে বলেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়নি।তিনি আরও জানান, ঘটনায় আহত হয়েছেন একাধিক সাংবাদিক। ইতিমধ্যেই সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কয়েকজনের নামও বিধানসভায় উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রশাসনের দাবি, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধর্মতলার অশান্তির প্রকৃত কারণ এবং কারা এর নেপথ্যে ছিল, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal