মেষ/ARIES: শ্বাসকষ্ট হতে পারে।বৃষ/TAURUS: সম্পত্তি উদ্ধার করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: অম্লরোগে কষ্ট পেতে পারেন।কর্কট/CANCER: বিনিয়োগে লাভ হতে পারে।সিংহ/LEO: দুর্ঘটনার যোগ রয়েছে।কন্যা/VIRGO: ব্যবসায় উন্নতি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: অপচয় করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: বাতের ব্যথা হতে পারে।মকর/CAPRICORN: প্রশংসনীয় কাজ করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: বিহ্বলভাব হতে পারে।মীন/ PISCES: বুদ্ধিতে কার্যোদ্ধার করতে পারেন।
পুর ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে দলীয় মুখপত্রে বার্তা দিয়েছিল রাজ্যের শাসক দল। কিন্তু বাস্তবে রবিবার পূর্ব বর্ধমান সহ রাজ্যের বিভিন্ন পুর এলাকায় ঠিক তার উল্টোটাই ঘটলো। বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট দেওয়া, বিরোধী দলের এজেন্টের উপরে হামলা সবেতেই অভিযোগের আঙুল উঠলো শাসক দলের দিকে। এমন পুর ভোট দেখে তিতি-বিরক্ত ভোটাররাও। রাজ্যের যে ১০৮ টি পুরসভার নির্বাচন এদিন ভোট হয় তার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া, দাঁইহাট, মেমারি ও গুসকরা পুরসভাও ছিল। এদিন ভোট শুরুর ঘন্টা খানেকের মধ্যেই গোলযোগ অশান্তি শুরু হয়ে যায় গুসকরা পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে। গুসকরার শান্তিপুর পূর্ব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তিনটি বুধে ব্যাপক গণ্ডগোল বেঁধে যায়। বহিরাগতরা বুধে ঢুকে তৃণমূলের হয়ে ছাপ্পা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে স্বোচ্চার হয় সিপিএমের প্রার্থী ও এজেন্টরা। একই অভিযোগ তুলে স্বোচ্চার হন এলাকার ভোটাররাও। পুলিশের বিরুদ্ধে নিস্কৃয়তার অভিযোগ তুলে তাঁরা সবাই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। শুরু হয়ে যায় পুলিশকে লক্ষ করে ইট ছোড়া। ইটের আঘাতে চোট পান গুসকরা ফাঁড়ির আই সি অরুণ সোম সহ ৪ পুলিশ কর্মী। এর পরেই পুলিশ লাঠি চার্জ করে ও লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয়। এমন গোলযোগ অশান্তির জন্য প্রায় আধ ঘন্টা ভোট গ্রহন থমকে থাকে সংশ্লিষ্ট বুথে। গুসকরা পুরসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দি সিপিএম, বিজেপি উভয় বিরোধী দলের প্রার্থী ও এজেন্ট দের অভিযোগ, বেলা বাড়তেই গুসকরা পুরসভার ১৬ টি ওয়ার্ডের সব বুথেরই দখল নিয়ে নেয় শাসক দলের বহিরাগত দুস্কৃতিরা। ওই দুস্কৃতিরা বিরোধী দলের প্রার্থী, এজেন্ট ও ভোটারদের বুথ থেকে বাইরে বের করে দিয়ে অবাধে ছাপ্পা দিয়ে গেছে। এমনই অভিযোগ এদিন করেছেন জেলা সিপিএম নেতা আলমগীর মণ্ডল ও গুসকরার বিজেপি নেতা পতিতপাবন হালদার।পৌরসভা নির্বাচনএকই ভাবে এদিন কালনা পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডেও গোলযোগ অশান্তির ঘটনা ঘটে। কালনা পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের অম্বিকা মহিষমর্দিনী প্রাথমিক স্কুলের বুথের দরজা বন্ধ করে পুলিসের সামনেই তৃণমূলের হয়ে ছাপ্পা ভোট দেবার অভিযোগ ওঠে। সাংবাদিকদের ক্যামেরাতেও ধরা পড়ে ছাপ্পা ভোট দেবার ছবি। তা বুঝতে পেরেই মুখ ঢেকে বুথ থেকে ছুটে পালায় ওই ভুয়ো ভোটার। ছাপ্পা চলাকালীন ওই বুথে ভোট দিতে গিয়ে নিগৃহীত হয়ে এক ছাত্র বুথ চত্ত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়ে। যদিও এইসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল প্রার্থী মৌসুমী কারফা। কালনা পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী শুভদেব হাজরা অভিযোগ করেছেন, কালনার শশীবালা স্কুলের বুথ ভোট শুরুর আগেই তৃণমূল কর্মীরা মারধোর করে তাঁকে বুথ থেকে বের করে দেয় যদিও তৃণমূল প্রার্থী সুনীল চৌধুরী এই অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। কালনা পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডেও ব্যাপক অশান্তি ছড়ায়। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একাধীক বুথে ছাপ্পা ভোট দেওয়া নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন সিপিএম প্রার্থী পিয়ালী মুখোপাধ্যায় সহ বাম নেতা কর্মীরা। পিয়ালীদেবী বলেন, ভোটের একদিন আগেই তৃণমূলের দুস্কৃতিরা তাঁকে ব্যাপক মারধোর করে, মাথা ফাটিয়ে দেয়। আর এদিন ভোট শুরুর প্রথম থেকেই তৃণমূলের দুস্কৃতিরা বুথে বুথে ঢুকে ভোট লুঠ শুরু করে দেয়। বাইক বাহিনী হঠাৎ কালনার মহিষমর্দিনী গার্লস স্কুলের বুথে ঢুকে ইভিএম ভেঙে দেয় বলে সিপিএমের অভিযোগ। বাইক বাহিনী সিপিএম প্রার্থী ও কর্মীদের মারধোরও করেছে বলে অভিযোগ। এইসবের জন্য ওই বুথে ভোট বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছালে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। ভোট লুঠের জন্য পুলিশকে দায়ী করে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সিপিএম প্রার্থী ও কর্মীরা। তাঁরা কালনার নিভূজি মোড়ে সড়কপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে দেয়। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বাম কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। পরে পুলিশ জোর-পূর্বক অবরোধ তুলে দেয়। মেমারি পুরসভার ভোটে তেমন কোন বড়সড় গোলযোগ আশান্তির অভিযোগ বিরোধীরা তোলেন না। তবে এদিন দুপুর ৩টে নাগাদ বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা ঘটে মেমারির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতানপুরের ২১০ ও ২১২ নম্বর বুথে। বহিরাগতরা বুথ জ্যাম করে ছাপ্পা ভোট দিতে গেলে বিরোধী দলের প্রার্থী, এজেন্ট ও ভোটাররা একজোট হয়ে তা রুখে দেয়। তা নিয়ে স্কুল চত্ত্বর উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পৌরসভা নির্বাচনবর্ধমান পৌরসভার ভোটেও নির্বাচনের নামে ব্যাপক ভোটলুঠ ও বুথে বহিরাগতদের দাপাদাপির অভিযোগ উঠেছে। পুর-নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ এনে বিকালে বর্ধমান সদর মহকুমাশাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে দেন বিজেপি নেতা, কর্মী ও সমর্থকেরা। প্রার্থীরা প্লাকার্ড হাতে সেখান মাটিতে বসে পড়েন। তার আগে পুলিশের সাথেও বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বচসাও হয়। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায় তার জন্য মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে বিরাট পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। একই ভাবে ভোটগ্রহণের শেষে বর্ধমানের কার্জন গেটের সামনেও উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন সন্ধ্যায় কার্জন গেটের সামনে বিক্ষোভে সামিল হয় বাম, বাম ছাত্র-যুব ও অন্যান্য গণসংগঠনের প্রতিনিধরা। তাঁরা অভিযোগ করেন, পুরভোটে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য ভোট লুঠ করা হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে বামেরা রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কুশপুতুল পোড়ায়। বিক্ষোভের শেষে দলের নেতা অমল হালদার বলেন, জেলার ৬ টি পুরসভার ভোটেই নিরব সন্ত্রাস ও ভোট লুঠ চলেছে। গোটা রাজ্যেই ভোটলুঠ হয়ে হয়েছে। মানুষকে ভোটদানে বাধা দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিবাদেই তারা পথে নেমেছেন। এই কর্মসূচি চলাকালীন কিছু উচ্ছৃঙ্খল বাম সমর্থক সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কটু মন্তব্য করলে উত্তেজনা চরমে ওঠে। পরে অবশ্য উচ্চ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে উত্তেজনা প্রশমিত হয়। তৃণমূলের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন,যেমন সিপিএম তেমনই বিজেপি। সংগঠন নেই জনসমর্থনও নেই। শুধু অভিযোগ তুলেই বিরোধীরা পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার কৌশল নিয়েছে।
গোলা-গুলির লড়াইয়ে তপ্ত ইউক্রেন। রাশিয়ার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ইউক্রেনও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। দিন যত গড়াচ্ছে ততই ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গোটা বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেরও উদ্বেগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই এই রাজ্যের অনেক ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে কর্মসূত্রে যাওয়া মানুষ ইউক্রেনৈ আটকে পড়েছেন। যেমনটা ইউক্রেনের পলতভা শহরে আটকে রয়েছে বর্ধমানের রায়ান ১ নম্বর পঞ্চায়েতের নারায়ণদীঘি এলাকার বাসিন্দা তারাচরণ ভকতের ছেলে রোহিত ভকত। ছেলের কথা ভেবে এখন চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছন ভকত পরিবারের সদস্যরা। রোহিতের মা গীতা ভকত শনিবার জানিয়েছেন, ইউক্রেনে তাঁর ছেলে সারে তিন বছর আগে কম্পিউটার সায়েন্স ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করার জন্য যায়। আচমকা রাশিয়ান হামলা শুরু হয়ে যাওয়ায় গোটা ইউক্রেন জুড়ে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে। অন্যান্য দেশের লোকেরা সবাই নিজের নিজের দেশে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই সেখানকার ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তার ছেলে ও ছেলের সঙ্গীরা। সড়ক পথে প্রায় ৩০০কিলোমিটার দূরে হাঙ্গেরির সীমান্তে নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে বেরিয়েও রাস্তা বন্ধ থাকায় সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। সেখান থেকেই প্লেনে ভারতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিল ভারতীয় দূতাবাস।রোহিতের পরিবার জানিয়েছে, এই মুহূর্তে তাঁরা রীতিমত উদ্বেগে রয়েছেন। ছেলের সঙ্গে ঘন ঘন যোগাযোগ রাখছেন ফোনের মাধ্যমে। রোহিত তাদের বড় ছেলে। তাঁদের সাড়ে তিন বছরের আরেকটি পুত্র সন্তান আছে। বর্ধমান শহরের সিএমএস ( বি সি রোড) স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনার জন্য রোহিতকে ইউক্রেনে পাঠানো হয় উচ্চ শিক্ষার জন্য। কিন্তু পড়াশোনার একদম শেষ পর্যায়ে এসে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় ক্যারিয়ারের কি হবে তা নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে সব আশঙ্কাকে ছাপিয়ে এখন ঘরের ছেলের ঘরে ফিরে আসার প্রহর গুনছেন মা, বাবা থেকে গোটা পরিবার ও পাড়া প্রতিবেশীরা।
মেষ/ARIES: জনহিতকর কাজ করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: চক্ষুপীড়ায় কষ্ট পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: বিপদমুক্ত হতে পারে।কর্কট/CANCER: অসাধুতা করতে পারেন।সিংহ/LEO: অপ্রত্যাশিত সুযোগ আসতে পারে।কন্যা/VIRGO: উৎপাত বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: জনযানে বিপদ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: প্রেমে বদনাম হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: প্রতিযোগীতায় সাফল্য আসতে পারে।মকর/CAPRICORN: ক্রমোন্নতি হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: আন্ত্রিকে আক্রান্ত হতে পারেন।মীন/ PISCES: পরোপকার করতে পারেন।
অবশেষে স্বস্তি পেলেন যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ইউক্রেনে আটকে পড়া ২১৯ জন ভারতীয় নাগরিক। ২১৯ জন ভারতীয় নাগরিককে নিয়ে রোমানিয়া থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে উড়েছে প্রথম বিমান, এই বিমান এসে পৌঁছবে আজ রাত ৯টায় মুম্বইয়ে। শনিবার টুইট করে এই সুখবর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। একইসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি সর্বদা ব্যক্তিগত সামগ্রিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন।My heartfelt thanks to FM @BogdanAurescu for his Governments cooperation. https://t.co/L0EknlIrHT Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar) February 26, 2022বিমানে বসে থাকা ও বিমানে ওঠার আগে ২১৯ জন ভারতীয় নাগরিকদের চারটি ছবি নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে আপলোড করে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, ইউক্রেন থেকে ভারতীয় নাগরিকদের উদ্ধারের বিষয়ে আমরা অগ্রগতি করছি। আমাদের টিম গ্রাউন্ডে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনিটরিং করছি। রোমানিয়া থেকে ২১৯ জনকে নিয়ে মুম্বইয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেছে প্রথম বিমান।
দেশের জন্য আত্মবলিদান হয়তো একেই বলে। শরীরে মাইন বেঁধে নিজেকে উড়িয়ে দিয়ে রাশিয়ার ট্যাংক আটকে দিলেন এক ইউক্রেন সৈনিক। তাঁর নাম ভিতালি স্কাকুন ভোলোদিমিরোভিচ। পদমর্যাদায় ইউক্রেনের নৌ সেনার ব্যাটালিয়ন ইঞ্জিনিয়ার।রাশিয়া অধিকৃত ক্রাইমিয়া থেকে ইউক্রেনের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের জন্য প্রশস্ত রাস্তা খেরসন প্রদেশ হয়ে যায়। সেই রাস্তার উপর হেনিচেস্ক সেতু। রাশিয়ার সাঁজোয়া গাড়ি ও ট্যাংক সেই পথ দিয়েই মূল ইউক্রেনে ঢুকে পড়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ান ভিতালি স্কাকুন ভলোদিমিরোভিচ। যখন দেখলেন, ইউক্রেনে ঢুকে পড়তে মরিয়া রুশ ট্যাংকের সারি এগিয়ে আসছে সেতু লক্ষ্য করে, গায়ে মাইন বেঁধে নিজেকেই উড়িয়ে দিলেন। মুহূর্তে ধসে পড়ল চার লেনের সেতু। থমকে গেল রাশিয়ার ট্যাংক বাহিনী। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে, সেতু ভেঙে যাওয়ায় রাশিয়ার ট্যাংক বাহিনীকে ঘুরপথে আরও অনেকটা বেশি সময় নিয়ে ইউক্রেনের মূল ভূখণ্ডে ঢুকতে হয়। এতে সময়ও যায় অনেকটা বেশি। এই সুযোগে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও খানিকটা মজবুত ও দূর্ভেদ্য করার মূল্যবান সময় হাতে পেয়ে যায় ইউক্রেনের সেনাবাহিনী।ভিতালির সহযোদ্ধারা জানিয়েছেন সেই মুহূর্তের কথা। তাঁরা বলছেন, ভিতালি একাই সেতুর উপর মাইন বসানোর কাজ করছিল। আচমকাই দূরে রাশিয়ার ট্যাংক বাহিনীকে দেখতে পেয়ে আমরা তা ওকে জানাই। মাইন বসানোর কাজ তখনও কিছুটা বাকি। এই সময় ভিতালি আমাদের জানায়, এখন মাইন বসিয়ে সে ফিরে আসার চেষ্টা করলে ট্যাংককে আটকানো যাবে না। তাই নিজেকেই উড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সহযোদ্ধারা জানাচ্ছেন, এ কথা বলার পরই একটি বিকট বিস্ফোরণের আওয়াজ তাঁরা পান। ধোঁয়া সরলে দেখা যায়, মাঝখান থেকে নদীতে ভেঙে পড়ে আছে হেনিচেস্ক সেতু। দূরে থমকে দাঁড়িয়ে রাশিয়ার ট্যাংক বাহিনী। ভিতালিকে মরণোত্তর সম্মান দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেনা।
রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আনা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটিতে অংশ নিল না ভারত। নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে আমেরিকা এবং তার সহযোগী রাষ্ট্রগুলির আনা ওই প্রস্তাব ঘিরে ভোটাভুটিতে অংশ না নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন, ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস তিরুমূর্তি।তিরুমূর্তি বলেন, ইউক্রেনের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে ভারত গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে বৈরিতা এবং হিংসা বন্ধের আবেদন জানাচ্ছি আমরা। একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই ইউক্রেন সঙ্কট সমাধানের পথ মিলতে পারে বলেও জানান তিনি। নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ভারতের তরফে আগেই ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে ভারসাম্যের কূটনীতির পথে হাঁটার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। শনিবার গুরুমূর্তির বক্তব্যেও তার প্রমাণ মিলেছে। আমেরিকা এবং তার সহযোগী দেশগুলির আনা প্রস্তাবে, ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসনের জন্য রাশিয়ার কড়া নিন্দা করা হয়েছিল। নয়াদিল্লি পশ্চিমী দুনিয়ার সেই মস্কো বিরোধিতার উদ্যোগে শামিল হয়নি।রাশিয়ায় বিরুদ্ধে আনা ওই প্রস্তাবের পক্ষে ১১টি ভোট পড়ে। ভারত ছাড়াও চিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও ভোটাভুটিতে অংশ নেয়নি। তবে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ভেটো প্রয়োগ করায় প্রস্তাবটি পাশ হয়নি নিরাপত্তা পরিষদে।নিরাপত্তা পরিষদে তিরুমূর্তির বক্তব্য, রাশিয়া, ইউক্রেন ও ইউরোপের ওএসসিই (অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন ইন ইউরোপ)-ভুক্ত দেশগুলিকে নিয়ে গঠিত গোষ্ঠীর আলোচনা হলে স্বাগত জানাবে ভারত। সেই সঙ্গে তিনি জানান, রাশিয়া, ইউক্রেন, জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে নরম্যান্ডি পর্যায়ের আলোচনারও পক্ষে ভারত। তিরুমূর্তির বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গঠনমূলক কূটনীতিই এখন একমাত্র পথ।
ইউক্রেনে বেজে গিয়েছে যুদ্ধের দামামা। রাশিয়া ও ইউক্রেণের মধ্যে প্রতিনিয়ত চলছে গুলি-গোলার লড়াই। যুদ্ধের দ্বিতীয় দিনের মধ্যেই প্রাণ গিয়েছে শতাধিক মানুষের। এমন যুদ্ধ বিধ্বস্ত পরিস্থিতির মধ্যেই একরাশ আতঙ্ক বুকে নিয়ে ইউক্রেনে আটকে রয়েছে বহু ভারতীয় ছাত্র ছাত্রী। আটকে পড়াদের মধ্যে এই রাজ্যের পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমার তিন বাঙালি পড়ুয়াও রয়েছে। সন্তানরা যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেণ থেকে কিভাবে বাড়ি ফিরবে তা ভেবেই এখন চরম উৎকন্ঠায় রয়েছেন এই পড়ুয়াদের অভিভাবকরা।যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনের খারকিভে আটকে রয়েছে কালনার পূর্বস্থলীর চুপি কালীতলা এলাকার ছাত্র শেখ আকিব মহম্মদ। এখন ছেলে ইউক্রেনে কি অবস্থার মধ্যে রয়েছে, কি ভাবে বাড়ি ফিরবে তার কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁর বাবা মা। ছেলের কথা ভেবে শুক্রবার সকাল থেকে বাবা মায়ের উৎকণ্ঠা আরও বেড়ে গিয়েছে।পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আকিব মহম্মদ ২০১৮ সালে ইউক্রেনে খারকিভ ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়ার জন্য যায়। তার পর থেকে সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার পর বৃস্পতিবার থেকে আকিবকে রাখা হয়েছে আণ্ডারগ্রাউণ্ডে। সেখানে তাঁর সঙ্গেই রয়েছে পাঁচশোজন ভারতীয় ছাত্র ছাত্রী। তাঁরা সবাই ডাক্তারি পড়ুয়া। সবাই সেখানে আতঙ্কে রয়েছে। চেহারা মোটা হওয়ায় আণ্ডারগ্রাউণ্ডের ভিতর শ্বাসকষ্টের সমস্যা হচ্ছে বলে আকিব তাঁর পরিবারকে জানিয়েছে। এছাড়াও সে তার পরিবারকে জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ইউক্রেনে বন্ধ হয়ে গিয়েছে এটিএম পরিষেবা। এখন তাঁর কাছে আছে কিছু শুকনো খাবার। এইসব জেনে পূর্বস্থলীর বাড়িতে আকিবের বাবা মা সহ পরিবারের সবাই চোখের জল ফেলে দিন কাটাচ্ছেন।আকিবের বাবা শেখ আমজাদ ও মা সুলতানা বেগম তাঁদের ছেলেকে দ্রুত দেশে ফেরানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা চাইছেন, কেন্দ্রের সরকার যত দ্রুত সম্ভব ইউক্রেণনে আটকে থাকা সকল ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করুক।একই ভাবে যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পরিস্থিতিও যথেষ্ট ভয়াবহ। সেই কিয়েভে এখন আটকে রয়েছে কালনার মুক্তারপুর এলাকার একই পরিবারের দুই পড়ুয়া দীপক হালদার ও বিভাস হালদার। তাঁরা কম্পিউটার ডিপ্লোমা করতে ইউক্রেনে যায় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এই পড়ুয়াদের পরিবার সদস্য ধনঞ্জয় হালদার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুই ভাই হোস্টেল ছেড়ে ভারতীয় দূতাবাসে চলে গিয়েছে। ওই দিন অনলাইনে তাঁদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের কথা হয়েছে। বিভাষ ও দীপক দুজনেই পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছে, ইউক্রেনের পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। মুহুর্মুহু রাশিয়ান হামলায় ত্রস্ত হয়ে রয়েছে গোটা ইউক্রেন। তাই দুই ভাই সেখানে এখন শুকনো খাবার খেয়েই রয়েছে। ভারত সরকার দ্রুত দুই সন্তানকে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করুক এই আর্জি প্রশাসনের কাছে রেখেছে তাঁদের বাবা মা। পরিবারের সদস্যরা দিনরাত প্রার্থনা করছেন যাতে তাঁদের ঘরের ছেলেরা যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরে আসতে পারে।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, আমরাও এই খবর পেয়েছি। আকিব, বিভাস ও দীপককে দেশে ফেরানোর বিষয়ে রাজ্য সরকার সবরকম ব্যবস্থা করছে।
ভোটটা দেবেতো পদ্ম ফুলে? ভালো করে হেসে বলো! বাড়ি বাড়ি পুর ভোটের প্রচারে বেরিয়ে ঠিক এই ভাবেই এক ভোটারের কাছে কাতর ভাবে অনুনয় বিনয় করছেন তৃণমূল নেতা। এমনটা জেনে স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও হয়তো চমকে উঠবেন। কিন্তু বাস্তবেই চমকে দেওয়ার মতনই এমন ঘটনা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের অনেক বলিষ্ঠ নেতা নেত্রীর সামনেই ঘটেছে মেমারিতে। ভোটারকে মেমারি শহর তৃণমূলের সভাপতি স্বপন ঘোষালের পদ্মফুলে ভোট দিতে বলছেন শুনে তাঁরাই শেষে চিৎকার করে বলে ওঠেন পদ্ম নয়, জোড়া ফুল, জোড়া ফুল। এইসব দেখে মেমারি পৌরসভা ভোটের প্রাক্কালে তৃণমূলের অন্দরেই তৈরি হয়েছে সাবোটেজের আতঙ্ক।মেমারি সহ রাজ্যের ১০৮ টি পৌরসভার নির্বাচন হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। ১৬ আসনের মেমারি পৌরসভা এবারও নিজেদের দখলে রাখতে মরিয়া মেমারির তৃণমূল কর্মীরা। তাই দলীয় নেতৃত্ব চুড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই মেমারি শহর জুড়ে শুরু হয়ে যায় তৃণমূলের জোরদার প্রচার। দিন দুই আগে মেমারি পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের নল পুকুরপাড় এলাকায় দলীয় প্রার্থী পদ্ম ক্ষেত্রপালের সমর্থনে প্রচারাভিযান। সেই প্রচার কর্মসূচীর অগ্রভাগে থাকেন প্রার্থী ও মেমারি শহর তৃণমূলের সভাপতি স্বপন ঘোষাল। এছাড়াও ছিলেন মেমারি পৌরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান স্বপন বিষয়ী, মেমারি ১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য, জেলাপরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা ও জেলাপরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বাগবুল ইসলাম। তাঁদের চোখের সামনেই ওই এলাকার প্রৌঢ় ভোটার ছোটন সাহানিকে শহর তৃণমূল সভাপতি স্বপন ঘোষাল বলেন ,ভোটটা দেবেতো পদ্ম ফুলে? ভালো করে হেসে বলো ! এই কথা শুনে প্রচারে বের হওয়া অন্য নেতা নেত্রীরা কার্যত চমকে ওঠেন পরে তাঁরাই চিৎকার করে বলে ওঠেন ,পদ্ম ফুলে নয় , পদ্ম ফুলে নয়। ১ নম্বরে জোড়া ফুলে ভোট দেবেন। ঘটনার পরেই ভাইরাল হয়ে গিয়ে এই ভিডিও এখন মেমারির ভোটারদের ফোনে ফোনে ঘুরছে। ভিডিওর সত্যতা জনতার কথা যচাই করেনি।এই বিষয়ে মেমারি শহর তৃণমূলের সভাপতি স্বপন ঘোষাল যদিও শুক্রবার দাবি করেন, তিনি ওই ভোটারকে পদ্মফুলে ভোট দিতে বলেননি। তিনি বলেন, আমি বলেছি দেবেন তো ভোটটা পদ্মকে ফুলে?। সেটা শুনে সবাই ভুল করে ধরে নেয় আমি পদ্ম ফুলের কথা বলেছি। তাই প্রচারে থাকা অন্যরা বলে ওঠেন পদ্মফুল নয়, জোড়া ফুল। অর্থাৎ দলের জোড়া ফুল প্রতীকের কথা স্বপনবাবু যে ভোটারের কাছে তুলে ধরেননি তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট হয়ে যায়। পাশাপাশি স্বপন ঘোষাল এও জানান, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির কোন প্রার্থীই নেই। কাজেই সেখানের পদ্মফুলের কোন গল্পও নেই। আর কংগ্রেসের প্রার্থী রুপা খাঁড়া এদিন থেকে তৃণমূলের হয়ে গিয়েছে বলে স্বপন ঘোষাল জানান।তবে স্বপন ঘোষাল যাই বলুন না কেন মেমারির একটা বড় অংশের তৃণমূল কর্মীরা ভোটের দোরগোড়ায় তাঁকে সন্দেহের চোখেই দেখতে শুরু করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের প্রথম প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় প্রার্থী হিসাবে স্বপন ঘোষালের নাম ছিল। পরে দ্বিতীয় তালিকায় স্বপনবাবুর নাম বাদ যায়। কর্মীদের বক্তব্য, তা নিয়েই হয়তো ক্ষোভে স্বপন ঘোষাল পদ্মফুলে ভোট দেবার কথা বলে ফেলছেন। আর এইসব দেখে কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে ভোটের দিন সাবোটেজ হতে পারে। তাই তাঁরা ঘটনার ভিডিও রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠিয়ে তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রেখেছেন।মেমারি সিপিএম নেতৃত্ব অবশ্য স্বপন বাবুর কথার মধ্যে ভুল কিছু দেখছেন না। তাঁরা বলেন, কিছুদিন আগে অনুব্রত মণ্ডলকে পাশে নিয়ে মুকুল রায়-ই তে বলেছিলেন বিজেপি মানেই তো তৃণমূল। তাহলে স্বপনবাবুর আর দোষ কোথায়। তিনি তে মুকুলবাবুর সুরেই সুর মিলিয়েছেন।
ঋদ্ধিমান সাহা কি শাস্তির কবলে পড়তে চলেছেন? তেমনই সম্ভাবনা তৈরি হতে চলেছে। দলের অন্দরের আলোচনা এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার কথা সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রকাশ করায় জেরার মুখে পড়তে পারেন ঋদ্ধিমান।বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রয়েছেন ঋদ্ধিমান। গ্রুপ বি-তে রয়েছেন তিনি। বোর্ডের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে তিনি এই মরসুমের জন্য ৩ কোটি টাকা পাবেন। কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকার জন্য ক্রিকেটারদের একাধিক নিয়ম মেনে চলতে হয়। ৬.৩ ধরায় বলা হয়েছে, কোনও প্লেয়ার খেলা, অফিসিয়াল, ম্যাচের মধ্যে ঘটা কোনও ঘটনা, টেকনোলজির ব্যবহার, নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও বিষয় বা খেলার সঙ্গে জড়িত কোনও বিষয়ে মিডিয়ার সামনে মুখ খুলতে পারবেন না। বোর্ডের এই নিয়ম ভঙ্গ করেছেন ঋদ্ধিমান।শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে বাদ পড়ার পর, দলে জায়গা না পাওয়া নিয়ে মিডিয়ায় বিভিন্ন রকম মন্তব্য করেছেন ঋদ্ধিমান। জাতীয় দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়, নির্বাচক প্রধান চেতন শর্মা এবং বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে ব্যক্তিগত আলোচনার কথাও তিনি মিডিয়ার সামনে তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি এক সাংবাদিকের তাঁকে হুমকি দেওয়ার কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেন ঋদ্ধিমান। যদিও সেই সাংবাদিকের নাম তিনি সামনে নিয়ে আসেননি। এই ব্যাপারে বোর্ড তদন্ত করার কথা জানিয়েছে। সাংবাদিকের হুমকির ব্যাপারে বোর্ড ঋদ্ধির পাশে দাঁড়ালেও দ্রাবিড়ের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কথোপকথন সামনে নিয়ে আসার জন্য এবং বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথপোকথন মিডিয়ার সামনে তুলে ধরার জন্য বোর্ড ঋদ্ধির ওপর ক্ষুব্ধ।সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বোর্ডের কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমল বলেছেন, বিসিসিআই ঋদ্ধিকে জিজ্ঞাসা করতেই পারে একজন সেন্ট্রল কন্ট্র্যাক্টে থাকা ক্রিকেটার হয়ে তিনি কী ভাবে দল নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন। প্রেসিডেন্ট ওকে মোটিভেট করার চেষ্টা করেছিল। বোর্ডে জানতে চাইতে পারে তাঁকে কোনটা বাধ্য করল বিভিন্ন বিষয় সহ রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে কথপোকথন সমস্ত কিছু জন সমক্ষে তুলে ধরতে। ঋদ্ধিমানকে শো কজের ব্যাপারে ধুমল বলেছেন, কিছু দিনের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গত দুদিনের যুদ্ধে মারা গিয়েছেন একশোর বেশি ইউক্রেনের সেনা, সাধারণ মানুষও। ছারখার হয়ে গিয়েছে আপাত শান্ত দেশ ইউক্রেন। অবশেষে যুদ্ধ ঘোষণার প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর ইউক্রেনকে আলোচনায় বসার সুযোগ দিল মস্কো। সংবাদ সংস্থা এএফপি সূত্রে খবর, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী লাভরভ বলেছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে তাঁরা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে তার আগে ইউক্রেনের সেনাকে অস্ত্র সংবরণ করতে হবে। পাল্টা প্রতিরোধ করা চলবে না।রাশিয়ার এই হঠাৎ মত পরিবর্তনের কারণ কী? আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাশিয়া-ইউক্রেনের সেনা সঙ্ঘাত শুরুর পর থেকেই রাশিয়ার উপর চাপ বাড়াচ্ছিল আন্তর্জাতিক মহল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান পুতিনের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁকে আলোচনায় বসার অনুরোধও জানান। অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ ঘোষণার পর রাশিয়াকে দেওয়া আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অর্থ সাহায্য এবং অনুদান বন্ধ করে দেয় বহু দেশ। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, চাপে পড়েই ইউক্রেনকে আলোচনায় বসার সুযোগ দিয়েছে মস্কো।
মেষ/ARIES: অর্থাগমে বিলম্ব হতে পারে।বৃষ/TAURUS: মেধার বিকাশ হতে পারে।মিথুন/GEMINI: সঙ্গীতানুরাগ জন্মাতে পারে।কর্কট/CANCER: পারিবারিক অশান্তি হতে পারে।সিংহ/LEO: কর্মে স্বীকৃতিলাভ করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: ক্লান্তিবোধ জন্মাতে পারে।তুলা/ LIBRA: আশার সঞ্চার হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: শ্রীবৃদ্ধি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: সাহিত্যিকদের জন্য শুভ।মকর/CAPRICORN: শরিকি বিবাদ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: আত্মতৃপ্তি হতে পারে।মীন/ PISCES: বিরক্তিভাব জন্মাতে পারে।
ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার আক্রমণ তাজা করল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি। নতুন নির্দেশিকায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি জানালেন, ইউক্রেন ছাড়তে পারবেন না ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সি পুরুষেরা।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ইউক্রেনের ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সি পুরুষরা ইউক্রেনের সীমানা ত্যাগ করতে পারবেন না। এই নিয়ম সামরিক আইন বজায় থাকা অবধি কার্যকর থাকবে। আমরা নাগরিকদের এই তথ্য এখন থেকেই মেনে চলার নির্দেশ দিচ্ছি। তবে এই পুরুষদের সেনাবাহিনীর কাজে লাগানো হবে কি না তা নিয়ে এখনই কিছু পরিষ্কার করেনি ভ্লাদিমির সরকার। ইউক্রেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভিক্টর লিয়াশকো জানিয়েছেন, রাশিয়া আক্রমণ শুরু করার পর থেকে ইউক্রেনে কমপক্ষে ৫৭ জন নিহত এবং ১৬৯ জন আহত হয়েছেন।ইউক্রেন সেনার দাবি, খারকিভের কাছে রাশিয়ার চারটি যুদ্ধ ট্যাংক ধ্বংস করেছে তারাও। লুহানস্ক অঞ্চলে নিহত হয়েছেন ৫০ জন রুশ সেনা। ছটি রুশ যুদ্ধবিমানকে গুলি করে নামিয়েছে ইউক্রেন সেনা। যদিও এই তথ্য অস্বীকার করেছে রাশিয়া। রাতের অন্ধকার নামার সঙ্গে সঙ্গে হতাহত এবং যুদ্ধের প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য দিতে পারেনি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলি। কিন্তু শুক্রবারের সকাল থেকেই আবার দুদেশে সংঘাত নতুন মাত্রা নিতে শুরু করেছে। হামলার দ্বিতীয় দিনে বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ। শহরের মধ্যস্থলে পরপর দুটি বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গিয়েছে শুক্রবার ভোরে। ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে অনুমান ইউক্রেন পুলিশের।
মেষ/ARIES: গুহ্যরোগে কষ্ট পেতে পারেন।বৃষ/TAURUS: দ্বিমুখী আয় হতে পারে।মিথুন/GEMINI: আশাভঙ্গ হতে পারে।কর্কট/CANCER: চিন্তান্বিত থাকতে পারেন।সিংহ/LEO: হৃদরোগে কষ্ট পেতে পারেন।কন্যা/VIRGO: ব্যবসায় প্রসার ঘটতে পারে।তুলা/ LIBRA: ঋণযোগ রয়েছে।বৃশ্চিক/Scorpio: উচ্চাকাঙ্খা জন্মাতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বিলাসিতায় ব্যয় করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: দেহকষ্ট হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: স্ত্রীর দ্বারা উপকৃত হতে পারেন।মীন/ PISCES: আত্মীয় বিরোধ হতে পারে।
ইউক্রেনের উপরে হামলা শুরু করে দিয়েছে রাশিয়া। আর তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। এদিন সকালে শেয়ার বাজার খুলতেই সেনসেক্সের পতন হয়। সকাল ৯টাতেই সেনসেক্সের সূচকে ১৪৫৮ পয়েন্ট পতন হয়, বর্তমানে এই সূচক নেমে দাঁড়িয়েছে ৫৫ হাজার ৭৭৪-এ। পতন হয়েছে নিফটিরও, ৪১৬ পয়েন্টের পতনের পর ১৬ হাজার ৬৪৬ সূচকে তা কমে দাঁড়িয়েছে। শুধুমাত্র দেশের শেয়ার বাজারই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও যুদ্ধের প্রভাব স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এদিন সকালে ইউক্রেনের উপরে সামরিক অভিযান ঘোষণা করার পরই শেয়ার বাজারে পতন শুরু হয়েছে। এদিন সবথেকে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে আদানি সংস্থা। আদানি বন্দরের শেয়ার সূচক ৩.৫০ শতাংশ পতন হয়ে শেয়ারের দর ৬৮২ টাকায় কমে দাঁড়িয়েছে। টাটা মোটরস, টাটা স্টিল, ইউপিএল ও ইন্ডাসিন্ড ব্যাংকের শেয়ার সূচকেরও পতন হয়েছে।বিএসই সেনসেক্স সূচকের নিরিখে টাটা স্টিল, ইন্ডাসিন্ড ব্যাংক, ভারতী এয়ারটেল, টেক মাহিন্দ্রা, আইসিআইসিআই ব্যাংক ও এসবিআইও ক্ষতির মুখে পড়েছে। এই সংস্থাগুলির শেয়ার সূচক প্রায় ৩.৯৬ শতাংশ। জাপানের নিক্কেই ২.১৭ শতাংশ পতন হওয়ায়, এশিয়ান শেয়ার মার্কেটেও শেয়ার বাজারের সূচক নিম্নমুখী। দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি ২.৬৬ শতাংশ পতন হয়েছে।সকাল ১০টা নাগাদ আরও পতন হয় শেয়ার বাজারে। সেনসেক্স ১৯৩৬ অঙ্ক পতন হয়ে ৫৫ হাজার ২৯৬ সূচকে পৌঁছেছে। অন্যদিকে নিফটিও ৫৭২ অঙ্ক পতন হয়ে ১৬ হাজার ৪৯১ সূচকে পৌঁছেছে। দাম বাড়তে শুরু করেছে তেলেরও। ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতেই ব্রেন্ট ওয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারে পৌঁছেছে। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম ব্রেন্ট ওয়েলের দাম এক ধাক্কায় এতটা বাড়ল।রাশিয়া-ইউক্রেনের টানাপোড়েনের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারেও। মার্কিন শেয়ার বাজারেও যেমন ধীরে ধীরে সেনসেক্সের পতন শুরু হয়েছে, জাপানের নিক্কেই ২.১৭ শতাংশ পতন হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার সূচকেরও ২.৬৬ শতাংশ পতন হয়েছে। সাংহাই কম্পোজিটও ০.৮৯ শতাংশ কমেছে।ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের অন্তর্গত যে ১৫টি ক্ষেত্র রয়েছে, তার প্রত্যেকটিই আপাতত ক্ষতির মুখেই পড়েছে। নিফটির পিএসইউ ব্যাংক ও নিফটি অটোর সূচকেরও তুলনামূলকভাবে অনেকটাই পতন হয়েছে, যথাক্রমে ৩.২০ শতাংশ ও ২.৭১ শতাংশ সূচকের পতন হয়েছে।
ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোরে ইউক্রেনে সেনা অভিযানের ঘোষণা করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার মিনিট খানেকের মধ্যেই ইউক্রেনের রাজধানী কিভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে দিল রাশিয়ার সেনা বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কিভ-সহ ইউক্রেনের অন্যান্য শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের খবর এসেছে। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ছবি দেখে চমকে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।সকালে রাশিয়ার কিভ, খারকোভ, ওডেসা-সহ বিভিন্ন শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের ছবি এবং ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। চারপাশ থেকে গল গল করে কালো ধোঁওয়া বেরনোর ছবি দেখে আতঙ্কিত হয়েছেন অনেকেই। এমনকী বিস্ফোরণের মুহূর্তে তীব্র আলো আর ধোঁয়ার মেঘের ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে।This is the port of Ochakov. After the Russian strikes targeted the Ukrainian Navy.#Russia #Ukraine #Putinpic.twitter.com/OwPIChIyge Intel Rogue (@IntelRogue) February 24, 2022ভারতের দাবি, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সামরিক সংঘাত বাড়লে ধাক্কা খাবে শান্তি ও নিরাপত্তা। রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস ত্রিমূর্তি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, বড়সড় সংকট তৈরি করতে চলেছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের পরিস্থিতি।রাষ্ট্রসঙ্ঘে ত্রিমূর্তি বলেন, পরিস্থিতি বিপজ্জনক। তৈরি হতে পারে বড়সড় সঙ্কট। বিঘ্নিত হতে পারে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও শান্তি। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপের দিকে না যায়, সে বিষয়েও বার্তা দিয়েছে ভারত।শান্তি বজায় রাখা কতটা জরুরি সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে ত্রিমূর্তি উল্লেখ করেছেন, কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভারতীয় নাগরিকদের ইউক্রেন থেকে অবিলম্বে দেশে ফেরাতে সাহায্য করা হচ্ছে।Russian missile hitting Frankivsk airport.#Russia #Ukraine #Donbasspic.twitter.com/tm3s9bDlFu Intel Rogue (@IntelRogue) February 24, 2022ইতিমধ্যেই দুটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভারতে ফিরেছে নাগরিকদের নিয়ে। তবে এখনও কয়েক হাজার ভারতীয় ইউক্রেনে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সোমবারই রাষ্ট্রসঙ্ঘের বৈঠকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকা-সহ ইউক্রেনে প্রায় ২০ হাজার ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বর্তমানে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই পড়ুয়া। তাঁদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তাই ভারতের কাছে অগ্রাধিকার পাবে বলেও জানানো হয়েছে।গত সপ্তাহেই বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ইউক্রেনের সঙ্গে এয়ার বাবল চুক্তি শিথিল করা হয়েছে। দেশের উড়ান সংস্থাগুলি চাহিদা অনুযায়ী বিমানের ব্যবস্থাও করতে পারে। ইউক্রেনে বসবাসকারী ভারতীয়দেরও চার্টার্ড বা যাত্রীবাহী সাধারণ বিমানে দ্রুত দেশে ফিরে আসার অনুরোধে জানানো হয়েছে। সাহায্যের জন্য বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।ইউক্রেনে এখনও আটকে রয়েছে কয়েক হাজার ভারতীয়। বেশ কয়েকজনকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও বৃহস্পতিবার মাঝপথ থেকে বিমান ফেরানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আটকে থাকা ভারতীয়দের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করল ভারত। নম্বরগুলি হল, 1800118797 (Toll free), +91-11-23012113, +91-11-23014104, +91-11-23017905
আর বোধ হয় এড়ানো গেল না রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। রাত পোহানোর আগেই পুরোদস্তুর হামলা শুরু হয়ে গেল। মধ্যরাতে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণে সেই সুরই ধরা পড়ল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের গলায়। আমেরিকাও জানাচ্ছে, ইউক্রেন-রাশিয়া সীমান্তের উত্তর, পূর্ব এবং দক্ষিণ দিক দিয়ে পুরোদস্তর হামলা চালানোর জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে রুশ সেনা। হামলা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। যদিও নিজের ভাষণে জেলেন্স্কি বার বার দাবি করেছেন, তাঁর দেশ রাশিয়ার কাছে মোটেও আতঙ্কের কারণ নয়।যা এতদিন অবশ্যম্ভাবী বলে মনে করছিল পশ্চিমী দুনিয়া, ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই তা পুরোদস্তুর শুরু হয়ে গেল। ইউক্রেনের সেনাকে অস্ত্র ছাড়ার কথা বলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সংবাদ সংস্থা এএফপি-র দাবি, রুশ সেনা ইতিমধ্যেই ডনবাস এলাকায় সামরিক অভিযান শুরু করে দিয়েছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, ইউক্রেনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।কয়েক ঘণ্টা আগেই ইউরোপে যুদ্ধের আশঙ্কার কথা শোনা গিয়েছিল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্স্কির মুখে। অবশ্যম্ভাবী আগ্রাসনের বিরোধিতায় রুশ জনতাকে রুখে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। মধ্যরাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণে জেলেন্স্কি বলেন, ইউরোপে একটা বিরাট যুদ্ধ শুরু করতে চলেছে রাশিয়া। রুশ জনতার কাছে আবেদন, আপনারা এই নিষ্ঠুর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।এরই মধ্যে, ইউক্রেনে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন জেলেন্স্কি। রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ ইউক্রেন-রাশিয়া সংকট নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছে। সেখানেও হামলা অবশ্যম্ভাবী বলে মনে করা হয়েছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান ইতিমধ্যেই পুতিনকে অনুরোধ করেছেন সেনা আগ্রাসন বন্ধ করতে। যদিও সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, ডনবাস এলাকায় বিশেষ অভিযানে এখনও অনড় পুতিন।জেলেন্স্কি শুভবুদ্ধি সম্পন্ন রুশদের কাছে পুতিনের আগ্রাসন মোকাবিলায় উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনের জনতা এবং সরকার শান্তি চায়। কিন্তু যদি আমাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়, শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত লড়াই জারি থাকবে।
মেষ/ARIES: প্রিয়জনের থেকে আঘাত পেতে পারেন।বৃষ/TAURUS: বাড়িতে অতিথি সমাগম হতে পারে।মিথুন/GEMINI: দ্বি-চক্রযানে বিপদ হতে পারে।কর্কট/CANCER: নৈতিক উন্নতি হতে পারে।সিংহ/LEO: নিরানন্দ থাকতে পারেন।কন্যা/VIRGO: পরনির্ভরতা করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: পিতৃবিরোধ করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: সঞ্চয়যোগ রয়েছে।ধনু/SAGITTARIUS: শুভ যোগাযোগ হতে পারে।মকর/CAPRICORN: মতবিরোধ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: শিক্ষায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।মীন/ PISCES: ভাগ্যোদয় হতে পারে।
২১ ফেব্রুয়ারি বাঙালির কাছে বিশেষ দিন। আবেগের দিন। এই দিনটা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আর এই বিশেষ দিনে মুক্তি পেয়েছে মণিদীপ সাহার মিউজিক্যাল শর্টফিল্ম মন রে ফিরে আয়। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেবতনু ও ঐশ্বর্য সেন। প্রযোজনা করেছেন সৌমেন চ্যাটার্জি। ইতিমধ্যে ২৩ হাজারের কাছাকাছি দর্শক এই মিউজিক্যাল শর্টফিল্ম দেখেছেন। অনেকেই এরকম সুন্দর একটা প্রোজেক্টের প্রশংসা করেছেন। এই প্রোজেক্টে কাজ করার অনুভূতি বেশ ভালো সকলেরই। অভিনেতা দেবতনু তাঁর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নতুন কিছু করতে চেয়েছি। অডিয়েন্সের এত ভালো লেগেছে দেখে ভালো লাগছে। সবাই পাশে থাকলে বার বার নতুন কিছু করার সাহস পাবো। বিশ্বের দরবারে বাংলার কন্টেন্ট কে নিয়ে যাওয়া আমার স্বপ্ন। হয়তো পারবো সেটা। পুরো টিম কে অনেক ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য।
পুর ভোটের প্রচারে বর্ধমানে এসে আনিস খানের মৃত্যু নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই কাঠগড়ায় তুললেন সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন,দোষীদের আড়াল করতে চাইছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী। বর্ধমান শহরের কালিবাজারে এক নির্বাচনী জনসভা হয় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ।সেখানেই বর্ধমান পুরসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দি দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম বক্তব্য রাখেন ।সভায় সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাস রায়চৌধুরী সহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্য রাখতে উঠেই মহম্মদ সেলিম রাজ্যে তোলপাড় ফেলা ইস্যু আনিস খানের মৃত্যু নিয়ে সরব হন । তিনি বলেন, প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী বললেন পুলিশ যায়নি। তারপর বললেন পুলিশ গিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে নীচুতলার কয়েকজন পুলিশকে সাসপেন্ড করা হল। নিচুতলার পুলিশকে কেন সাসপেন্ড করা হল? তার উপরে তো হাওড়া গ্রামীণের পুলিশ সুপার আছে।সেলিমের আরও অভিযোগ, ঘটনার পরেই মুখ্যমন্ত্রী বলে দিলেন, পুলিশ যায়নি। কারণ যে কোন বড় ঘটনাকে খেলো করে দেখা ওনার স্বভাব। যখন বড় ঘটনা হয় তখন নীচুতলায় কোপ পড়ে। এই আনিসের ঘটনায় এস পি বা পুলিশ মন্ত্রী কি দায় এড়াতে পারেন?। তার প্রশ্ন, আনিসের বাবা আমতা থানায় ফোন করার ছয় ঘন্টা পর পুলিশ আসে। আজ পড়ুয়ারা কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ করছিল। সেখানে শয়ে শয়ে পুলিশ চলে এলো? কেন কি হচ্ছে? শাসকদল বলছে, এই মৃত্যু নিয়ে বিরোধীরা ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে, সেলিমের প্রশ্ন, জল ঘোলা করল কারা?