• ৫ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UPA

রাজ্য

অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু দুজনের, সিবিআই তদন্ত দাবি অনুপমের

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনা নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। গতকাল রাতে বীরভূমের ইলামবাজারে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষীর গাড়ির সঙ্গে ডাম্পারের ধাক্কা লাগে। মৃত্যু হয় শিশু কন্যাসহ দুজনের। ঈদের বাজার সেরে ওই দেহরক্ষী বাড়ি ফিরছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে সায়গল হোসেন। গরুপাচার কাণ্ডে এই দেহরক্ষীও সিবিআইয়ের নজরে রয়েছেন। তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই।অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। এদিন টুইটে বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক লিখেছেন, আশা করব সিবিআইয়ের সঙ্গে লুকোচুরি খেলাকালীন ওনার আর কোনও খুবই কাছের দেহরক্ষীর এরকম দুর্ঘটনা ঘটবে না। অতিশীঘ্রই সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবিতে আমার চিঠি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পৌঁছাবে।গরুপাচার কাণ্ডে ইতিমধ্য়ে সিবিআই ৬ বার তলব করেছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে। পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁকে সিবিআই তলব করেছে। এর আগে সিবিআই তলবের দিন অনুব্রত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর চিনার পার্কে নিজের ফ্লাটে যান। তাঁর আইনজীবী সিবিআইকে জানিয়ে দেয় তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে বলেছেন চিকিৎসকরা। তারপর ফের অনুব্রতর তরফে জানানো হয় মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তিনি সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন। সেখানে তিনি কয়েকটি শর্তও আরোপ করেছেন। এসবের মধ্যেই তাঁর দেহরক্ষীর গাড়ি গতকাল, মঙ্গলবার দুর্ঘটনার কবলে পরে। মৃত্যু হয় তার এক শিশু সহ দুজনের। দেহরক্ষীর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক।pic.twitter.com/jhRl42VtXD Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 27, 2022এদিন অনুপম হাজরা টুইটে আরও লেখেন, গতকাল রাতে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটে। সায়গলের মেয়ে মারা যায় ঘটনাস্থলেই। সায়গল হোসেনের অবস্থা সংকটজনক। যতদূর জানি, ওনার সবথেকে বিশ্বস্ত এবং কাছের দেহরক্ষী হলেন সায়গল হোসেন ....যাঁর ঘারে হাত রেখে বেশিরভাগ সময় উনি হাঁটাচলা করতেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
রাজ্য

ছাত্র-মৃত্যুতে বিশ্বভারতীর উপাচার্যের মানবিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা

বিশ্বভারতীর উপাচার্যের মানবিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অধ্যাপক অনুপম হাজরা। বিশ্বভারতীর দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র অসীম দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের আবেদন ছিল উপাচার্য যেন একবার কথা বলেন তাঁদের সঙ্গে। সেই আবেদন রাখেননি উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্য়াপক অনুপম হাজরা সোশাল মিডিয়ায় উপাচার্যের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।গতকাল, শুক্রবার রাতে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে মৃত ছাত্র অসীম দাসের দেহ শববাহী গাড়িতে রেখে চলে তুমুল বিক্ষোভ চলে। তাঁর বাড়িতে ঢোকার বড় ফটক ভেঙে ঢোকে বিক্ষোভকারীরা। তবে পরের গেটটি আর ভাঙতে পারেনি। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, উপাচার্য বেরিয়ে এসে একবার কথা বলুন মৃতের পরিবারের সঙ্গে। কিন্তু মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেননি উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এই ঘটনার জেরে উপাচার্য নিরাপত্তা চেয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছেন। এদিকে, উপাচার্যের এই মনোভাবের বিরুদ্ধে সরব বিভিন্ন মহল। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক তথা প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এব্যাপারে সরব হয়েছেন।গত বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতীর পাঠভবনের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র অসীম দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। ছাত্রাবাসের একটি ঘর থেকে ওই ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। অসীমের পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে খুন করা হয়েছে। অসীমের শরীরের একাধিক জায়গায় ক্ষতচিহ্ন মিলেছে বলেও তাঁদের দাবি। পুলিশ আসার আগেই মৃতদেহ নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পিছনে ষড়যন্ত্র দেখছে ছাত্রের পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, মৃত্যুর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বিশ্বভারতী কতৃপক্ষ। শান্তিনিকেতন থানায় খুন, প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।#Death_of_student_in_VisvaBharati #বিশ্বভারতীতে_ছাত্রের_মৃত্যু pic.twitter.com/OBT9CokNNM Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 23, 2022শুক্রবার অসীমের পরিবারের সদস্যরা উপাচার্যের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছিলেন। তাঁরা একবারের জন্য উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলতে চাইছিলেন। বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের একাংশ তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। তারপর রাত শববাহী গাড়ি জোর করে গেট খুলে উপাচার্যের বাড়ির সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। তবুও দেখা মেলেনি উপাচার্যের। এই ঘটনার পর উপাচার্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে নিরাপত্তার আর্জি জানিয়েছেন। শনিবার সকাল থেকে তৎপর হয়েছে পুলিশ।বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক তথা বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা বলেন, বিশ্বভারতীর ছাত্র মৃত্যু যথেষ্ট বেদনাদায়ক। সদ্য সন্তানহারা বাবা-মায়ের ব্যাকুল আর্তির কথা মাথায় রেখে উপাচার্যের উচিত ছিল অন্তত একবার ছাত্রের পরিবারের সঙ্গে দেখা করা। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে অন্তত এটুকু মানবিকতা কাম্য।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
রাজ্য

এবার দিলীপ ঘোষের নিশানায় সুকান্ত মজুমদার, অন্তর্দ্বন্দ্বে জীর্ণ বঙ্গ বিজেপি

এর আগে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন বিষ্ণপুরের দলীয় সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। তাছাড়া বিভিন্ন জেলা নেতৃত্ব তো রাজ্য সংগঠনের পদ ছাড়ার জন্য ইস্তফাপত্রই পাঠিয়েছেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কাছে। এবার বোমা ফাটালেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ও সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুরের সাংসদের মন্তব্যে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপির ঘর ফাঁকা হতে শুরু করে। তারপর একের পর এক নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে দলের। নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে দলের ভিতর থেকেই। দিলীপ ঘোষ বলেন, সুকান্ত সবে দায়িত্ব পেয়েছেন, অভিজ্ঞতা কম। তবে যাঁরা এতদিন আন্দোলন করেছেন তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যাঁদের বিশ্বাস করে মানুষ রাস্তায় নেমেছে তাঁদেরও গুরুত্ব দিতে হবে। যোগ্য নেতৃত্বকে বাদ দিলে হবে না।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পর রেরে করে উঠেছে বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেসের মন্তব্য, অন্য দলের বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। তবে আদি বিজেপি, তৎকাল বিজেপির মধ্যে ভয়ঙ্কর দ্বন্দ্ব তো রয়েছেই। সিপিএমের বক্তব্য, বিজেপিতে মুষল পর্ব চলছে। অন্যদিকে কংগ্রেসের বক্তব্য, বিজেপি এরাজ্যে আন্দোলনে নামলে বাংলার মানুষেরই ক্ষতি। এককথায় দলের অভ্যন্তরে শুধু নয়, বিরোধীরাও কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের প্রেক্ষিত।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পায়নি আদি বিজেপির অনেকেই। তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে চরম বিক্ষোভ ছিল। কিন্তু ঘরের ভিতরেই চোখে জল ফেলেছেন তাঁরা, প্রকাশ্যে কেউ মুখ খোলেননি। কিন্তু বিধানসভা ভোটে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই ক্রমশ দ্বন্দ্ব সামনে এসেছে। তৃণমূল থেকে আসা নেতৃত্ব ঘরে ফিরে গিয়েছেন। যাঁরা থেকে গিয়েছেন তাঁদের একটা বড় অংশ নেতৃত্ব নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেই চলেছেন। দিল্লী পর্যন্ত পৌঁছেছে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের খবর। যদিও দিলীপ ঘোষের মন্তব্য নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।রাজনৈতিক মহলের মতে, ক্রমশ দলীয় সংগঠন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। নির্বাচনে গো-হারা হেরেই চলেছে গেরুয়া শিবির। সব মিলিয়ে প্রচারে থাকার জন্য দলের নেতৃত্বের বিতর্কিত মন্তব্য করা ছাড়া অন্য কোনও উপায়ও নেই বিজেপির।

এপ্রিল ২১, ২০২২
রাজ্য

বঙ্গ বিজেপিতে একাধিক শীর্ষ নেতার পদত্যাগ, রহস্য খুঁজছেন কেন্দ্রীয় সম্পাদক

বঙ্গবিজেপি থেকে একাধিক শীর্ষ পদাধিকারী পদত্যাগ করায় রহস্য খুঁজছেন দলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। মুর্শিদাবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশংকর ঘোষ রাজ্য সম্পাদক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। জেলা সভাপতি সম্পর্কে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন গৌরিশংকর ও বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। এই প্রসঙ্গে ফেসবুক পোস্টে প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা লিখেছেন যাঁরা মাটি কামড়ে পড়ে রইল তাঁরা পদত্যাগ করছেন। অন্যদিকে যাঁদের এতদিন গুরুত্ব দেওয়া হল তাঁরা দল ছেড়ে চলে গেলেন। তাঁর কথায়, রাজ্য থেকে দূরে গিয়ে সংগঠনের কাজ করতে চাইছেন অনেকেই।গৌরীশংকর ঘোষ জেলায় মন্ডল সভাপতি নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, জেলা পদাধিকারী, বিধানসভার প্রার্থী, দুই বিধায়ক, জেলা অবজার্ভার, জোন অবজার্ভারের উপস্থিতিতে ৫১টি মন্ডলে সর্বসম্মত মন্ডল সভাপতি স্থির হয়েছিল। পরে দেখা ১৮ জন মন্ডল সভাপতিকে নিজের ইচ্ছেমত পরিবর্তন করেছেন জেলা সভাপতি। পুরো বিষয়টা সংগঠনের রাজ্য সংগঠন মন্ত্রী ও জেলা সভাপতিকে লিখিত ও মৌখিক ভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু বিষয়টিকে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তাই আমার মনে হয়েছে রাজ্য সম্পাদক পদে থাকার কোনও যৌক্তিকতা আমার নেই। গৌরীশঙ্করবাবু রাজ্য সভাপতিকে এই মর্মে লিখে পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। যদিও রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।গৌরীশঙ্কর ঘোষের মতো রাজ্য কর্মসমিতির সদস্য বাণী গঙ্গোপাধ্যায়, দীপঙ্কর চৌধুরীও দক্ষিণ মুর্শিদাবাদ জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলে রাজ্য সভাপতির কাছে পদত্যাগের ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন। একসঙ্গে একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব পদত্যাগ করায় তোলপাড় রাজ্য বিজেপি। আসানসোল লোকসভা ও বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পর রাজ্য শীর্ষ নেতৃত্বের অকর্মন্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। এদিন পদত্যাগ প্রসঙ্গে রাজ্য নেতৃত্বকে ব্যাঙ্গ করলেন অনুপম হাজরা।ফেসবুকে অনুপম লিখেছেন...আসল রহস্যটা কিকেন এতগুলো ইস্তফা একসঙ্গে, সেটা রাজ্য বিজেপির খুব গুরুত্ব সহকারে বিচার-বিশ্লেষণ করা উচিত !!!আমি যতদূর জানি গৌরীশংকর বাবু একজন ভালো সংগঠক !!! যাদেরকে এতদিন গুরুত্ব দেয়া হলো তারা সব দল ছেড়ে চলে গেছে, আর যারা এতদিন মাটি কামড়ে পড়ে ছিলো, তারা ইস্তফা দিচ্ছেন !!!আর এক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা আমার মতো, যারা বঙ্গ-বিজেপির অসময়ে -----...মানে যখন পশ্চিমবঙ্গে মানুষ বিজেপিতে যোগ দিতে ভয় পেত অর্থাৎ বঙ্গ-বিজেপির সুসময়ে যোগ দেওয়া রাজিব-সব্যসাচী এবং কিছু অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মত জামাই আদর খাওয়া মানুষদের বিজেপিতে আসার অনেক আগে....------ বিজেপিতে যোগদান করে, রাস্তায় নেমে যথেষ্ট পরিমাণে আন্দোলনও করেছিলো যখন অন্যদের মাঠে নেমে আন্দোলন করতে দেখা যেত না, তৃণমূলের কাছ থেকে যথেষ্ট পরিমাণে পুলিশ কেসও খেয়েছে আর এখন প্রতিনিয়ত দাদা মাঠে নামুন, আপনাদের আর আন্দোলনে দেখা যায় না কেন? শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতে লেকচার দিলে হবে ?? - এই ধরনেরপ্রশ্নের সম্মুখীন হন.......কিন্তু তবুও রাজ্য বিজেপি থেকে দূরে, দিল্লিতে বা অন্য রাজ্যে পার্টির কাজ করতেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করে !!!....আসল রহস্যটা কি ???!!!

এপ্রিল ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

তসমের থিম সং-এ গাইলেন রূপঙ্কর

ফ্যাশন ডিজাইনার প্রমিত মুখোপাধ্যায়ের তসম ফ্যাশন স্টুডিওর জন্য থিমসং গাইলেন রূপঙ্কর বাগচী। জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়কের গাওয়া থিম সং দিন বদলের স্বপ্ন চাই, নতুন কিছু করতে চাই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। উদ্বোধন করলেন প্রবীণ অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। থিমসং উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৌতম দে, সুচেতনা দে, তমোজ্যোতি মুখোপাধ্যায়, মডেল ও অভিনেত্রী সুচরিতা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এই থিম সং-এর কথা ও সুর অভিজিৎ পাল ও তাঁর টিমের। এই থিম সং প্রসঙ্গে প্রমিত মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানালেন, প্রতিটি কোম্পানির একটা নিজস্ব থিম সং থাকে। সেই চিন্তা থেকেই একটা থিম সং রিলিজ করা হল। নিজের ভাবনা থেকেই পুরো থিম সংটা করা। থিম সংটা শুধু শোনার জন্য নয়, দেখার জন্যও আমরা ভিডিও হিসাবে বার করেছি যাতে গানের সঙ্গে সঙ্গে আমরা ড্রেসটাকেও ডিসপ্লে করাতে পারি। এই থিম সং-এর মাধ্যমে আমরা হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছেছি। লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছেও পৌঁছে যেতে পারবো।

এপ্রিল ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কোম্পানির মালিককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা জানালেন রূপঙ্কর

একজন কোম্পানির মালিককে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নাটকীয় ভাবে উধাও হয়ে গেলেন। কিন্তু বাস্তবে এমন তো হতেই পারে।কোনো ষড়যন্ত্র নাকি ইচ্ছে করেই গা ঢাকা দিয়েছেন এখনো বোঝার উপায় নেই।এই কোম্পানির বাকি কর্মীরাই কি এর পেছনে রয়েছেন!কিন্তু এখানে রূপঙ্কর বাগচী কি করছেন!!! এই সব প্রশ্নের উত্তর বা এই ধাঁধার সমাধান মিলবে কৃষ্টি পটুয়ার আগামী নাটকের প্রিমিয়ারে। চাঁদমারি, এই নাটকে করোনা কালের একটি দীর্ঘ সময় পর আবার মন্চে রূপঙ্করের নাটকের দল নতুন প্রযোজনা নিয়ে হাজির হচ্ছে নিরঞ্জন সদনে আগামী ২০ মার্চ।এর আগে জেহাদ, হীরালাল বায়োস্কোপ এর মতো সফল প্রযোজনা কৃষ্টি পটুয়ার কাজের মান এবং শৈলির জনসমাজে এক ছাপ ছেড়েছে। সেই ট্র্যাডিশনকে মাথায় নিয়েই আবার নতুন নিটক চাঁদমারি-এর আগমন।এর আগে নাটকে গান এবং আবহসঙ্গীত লাইভ করা হতো তবে এই নতুন প্রযোজনায় সেটা রেকর্ড করা হয়েছে। নাটকটা পরিচালনা করছেন দেবদাস ঘোষ। রূপঙ্কর বললেন, লকডাউনের পর এই প্রথম নতুন প্রযোজনা নিয়ে আসছি।এখানে আমি রূপঙ্কর নই, চৈতালিও অন্য ভূমিকায়। আসলে গল্পটা একটা কোম্পানির। কোম্পানির বস হঠাৎ বেপাত্তা হয়ে যান। কোম্পানির কর্মীদের মধ্যে নানা সমীকরণ বদলাতে থাকে। কোথায় গেলেন বস। নানা প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমাদের এই নাটক চাঁদমারি। এই প্রথম আবহসঙ্গীত রেকর্ড করলাম নাটকের জন্য। চৈতালি বললেন, এখানে আমি প্রমিলা,আর রূপঙ্করের পরিচয় নাটক দেখলে জানবেন। মাঝে অনেকদিন নাটকের কোনো কাজ করতে পারিনি। তাই ভালো লাগছে আবার মঞ্চে ফিরছি এই ভেবেপরিচালক তথা সহ অভিনেতা দেবদাস ঘোষ বললেন, আসা করি এই নতুন প্রযোজনাটা কৃষ্টি পটুয়ার আগের প্রযোজনা গুলোর মতোই সবার ভালো লাগবে। আবহসঙ্গীত নির্মানে আর্যা,রৌনক,আয়শ্রী,সুদীপ সবাই সহযোগিতা করেছেন। কৃষ্টি পটুয়ার চাঁদমারি নাটকটি প্রথম মঞ্চস্থ হবে আগামী ২০ মার্চ, নিরঞ্জন সদন,সন্ধ্যা ৬টায়।

মার্চ ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ফসিলসের মেগা কনসার্টে উপচে পড়া অনুরাগী

স্টাফ রিপোর্টারঃ তিন ঘন্টার ফসিলস ঝড় উঠল কলকাতার নিকো পার্কে। অনুষ্ঠানের আয়োজক থিজম ইভেন্টস। ২০১৯ এর ১ বৈশাখ নজরুল মঞ্চে প্রথম ফসিলস ঝড় অনুষ্ঠিত হয়। মাঝে করোনার কারণে এই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্যায়ের অয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এই অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ অবশ্যই ছিল তিন ঘন্টার ফসিলস এর গানের ঝড়। থিজম ইভেন্টস এর পক্ষ থেকে সংস্থার প্রধান রীতম সাহা জানান, অনেকদিন আগেই এই অনুষ্ঠান করা সম্ভব হতো যদি মাঝে এই দুবছর করোনার জন্য আমাদের সময় নষ্ট না হতো। এবারে আরো বড় জায়গায় আয়োজন ছিল। অভাবনীয় সাড়া পেয়ে আমরা খুব খুশি। অন্যদিকে ফসিলস এর পক্ষে জানানো হয়েছে, ফসিলস ঝড় সিজন টু একটা মহা কনসার্ট। এই শো এর প্রথম অধ্যায় ২০১৯ এর পয়লা বৈশাখের দিনে নজরুল মঞ্চে আয়োজিত হয়েছিল। এবার নিক্কো পার্ক বিগ লনে আয়োজিত হল। প্রচুর ফ্যান শো দেখেছেন। আমরা মানে ফসিলস খুব এক্সাইটেড ছিলাম এই শো নিয়ে এবং তিন ঘন্টার এই স্পেশাল শো আমরা উপহার দিলাম সকল শ্রোতাকে, যারা ফসিলসকে ভালোবাসে, তাদের গান শোনে। দুবছর পর কলকাতায় এরকম এক মহা কনসার্টে দেখা হোলো সবার সাথে। থিজম ইভেন্টস নিবেদন করল ফসিলস ঝড়-দুই। অনেক বছর পরে এরকম একটা গ্রাউন্ড ইভেন্ট দেখে উচ্ছ্বসিত ব্যান্ডের ভক্তরা। ফসিলসের বিপুল জনপ্রিয় গানের মধ্যে আরো একবার, একলা ঘর, নীল রঙ ছিল ভীষণ প্রিয় উল্লেখযোগ্য।

মার্চ ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রথমবার অনুপম রায়ের মিউজিক ভিডিওতে ঋদ্ধি-সুরঙ্গনা

সারেগামার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করলেন অনুপম রায়। আর সারেগামার হাত ধরেই ২০২২ এ নতুন কাজ শুরু করলেন অনুপম রায়। তাঁর নতুন প্রোজেক্টটি একটি মিউজিক ভিডিও। যার নাম পুতুল আমি। আগামীকাল ভ্যালেন্টাইন্স ডে অর্থাৎ ভালোবাসার দিনে মিউজিক ভিডিওটি মুক্তি পাবে। প্রথমবার ঋদ্ধি সেন ও সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এখানে অভিনয় করতে দেখা যাবে। এই মিউজিক ভিডিও সংক্রান্ত একটি সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। প্রকাশিত হল মিউজিক ভিডিওর টিজার। অভিনেতা ঋদ্ধি সেন এই মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে জানালেন, অনুপম দার ফ্যান আমরা সবাই। অনুপম দার সঙ্গে সিনেমায় আমি কাজ করেছি। কিন্তু এটা অনুপম দার নিজের গান, সিনেমার নয়। এই মিউজিক ভিডিওতে ফিচার করতে পারাটা আমার আর সুরঙ্গনার জন্য খুবই আনন্দের। অনুপম দার প্রচুর গান শুনে সময় কেটেছে। সেই জায়গা থেকে আই অ্যাম ভেরি হ্যাপি। সুরঙ্গনা জানালেন, অনুপম দা-র সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা খুব ভালো। আর ঋদ্ধির সঙ্গে আমি প্রথম মিউজিক ভিডিওতে কাজ করছি। সেটা আবার ভ্যালেন্টাইন্স ডের দিন বেরোবে। আমার গান টা খুব ভালো লেগেছে। কাজটা খুব আনন্দ করে করেছি। আমি আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগবে কাজটা।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশিত হল রুপম ইসলামের প্রথম উপন্যাস

রুপম ইসলামের প্রথম উপন্যাস অনামিকা বলে ডাকতে পারি কি তোমায় প্রকাশিত হল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। উপস্থিত ছিলেন রুপম ইসলাম, দীপ প্রকাশনের কর্ণধার দীপ্তাংশু মণ্ডল এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক গৌতম ভট্টাচার্য। এদিন ঔপন্যাসিক হিসাবে নতুন জার্নি নিয়ে অনেক কথা শেয়ার করলেন রুপম। আর উপরি পাওনা ছিল তাঁর সুরেলা কণ্ঠ।আমি তোমার চোখের কালো চাই, তাই তোমার দিকে তাকাই গানটা গেয়ে সকলের মন জয় করলেন তিনি। প্রেস ক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে বই প্রকাশের আগে ১২০০ কপি ইতিমধ্যে অনলাইনে বিক্রি হয়ে গেছে। এদিনও অনেকেই তাঁর বি কিনলেন। রুপম সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জানালেন, অনামিকা বলে ডাকতে পারি কি তোমায়? যার মধ্যে দুটি উপন্যাস আছে। আমার উপন্যাসের প্রথম বই বেরোল। দ্বিতীয় উপন্যাসের নামেই আমার বইটির নাম। আনুষ্ঠানিকভাবে বই প্রকাশের আগে ১২০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। দীপ প্রকাশনের কর্ণধার জানিয়েছেন এটা একটা অভূতপূর্ব ঘটনা। আমি এই ভালোবাসায় নিজে ধন্য বলে মনে করছি।পাঠকরা তাদের বই পাঠের প্রতিক্রিয়া জানালে আমি খুব খুশি হব এবং পরবর্তী বইটায় যাতে আরও ভালো কাজ করতে পারি তার একটা সুযোগ পাবো।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

১ লা এপ্রিল বড়পর্দায় 'আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা'

দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। এই বছর ১ এপ্রিল বড়পর্দায় দর্শকরা আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পাবেন। রাজর্ষি দের পরিচালনায় এই ছবিতে অভিনয় করেছেন গৌরব চক্রবর্তী, তনুশ্রী চক্রবর্তী, রূপঙ্কর বাগচী, কৌশিক সেন, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় সহ আরো অনেক তারকা। সত্যজিৎ রায়ের কাঞ্চনজঙ্ঘার স্মরণে এই ছবি। তবে এটি কোনো সিক্যুয়াল নয়।যৌথ পরিবারের মামা-মামী, দাদু-দিদা, ভাই-বোনদের নিয়ে ভরা সংসার। অ্যাডভোকেট নিশীথ দেবের বড় ছেলে ত্রিদিব, তিন ভাই সুদেব, দেবেশ, রোহিত ও বোন সেমন্তী তাঁদের দার্জিলিং-এর পৈতৃক বাড়ি অভিলাষে ছুটি কাটাতে আসে। এই বাড়ি দেখাশোনার দায়িত্ব রয়েছেন জগদীশ তামাং ও তাঁর মেয়ে সুরিটা। একটা পরিবারের ভাই-বোনেদের রিইউনিয়ন। সবাই মিলে তাঁরা বেড়াতে গিয়েছেন দার্জিলিঙে। বেড়াতে গিয়েই সম্পর্কের জট খুলবে। সম্পর্কের ঘূর্ণিপাকে তরতরিয়ে এগোবে ছবির গল্প। একটা বড়দিনের ছুটি কী মেটাতে পারবে সব পারিবারিক সমস্যা? আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা সব সমস্যার উত্তর দেবে।এই ছবির চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন রাজর্ষি দে। চিত্রনাট্য ও সংলাপ পদ্মনাভ দাশগুপ্তর। প্রযোজনা করেছেন শিল্পী এ পাণ্ডে ও আকর্ষণ কে পাণ্ডে।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

সেচ দফতরের জমি দখলের অভিযোগ তৃণমূলের উপপ্রধানের বিরুদ্ধে

তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের মদতে ঘটেছে সেচ দফতরের সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এমনই অভিযোগ এনে সোচ্চার হলেন পঞ্চায়েতেরই দুই সদস্যর। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের বৈকুন্ঠপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের গোপালনগর এলাকায়। পঞ্চায়েত সদস্যা মিতা দাসের অভিযোগ, গোপালনগর এলাকার সেচ দপ্তরের জায়গা পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের মদতে স্থানীয় তৃণমূল নেতা মহম্মদ হোসেন রাতারাতি বাঁশ দিয়ে ঘিরে ফেলেছেন। শাসকদলের তকমা লাগিয়ে অর্থের লোভে অবৈধভাবে কাগজপত্র তৈরী করে এই সরকারি জায়গাটি বিক্রি করে দেওয়ার চক্রান্ত করছে তারা। এই বিষয়ে বৈকুন্ঠপুর-২ পঞ্চায়েতের সদস্য মিতা দাস ও আরেক সদস্য হেমন্ত খাঁ প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এই বিষয়ে দুই সদস্য বর্ধমান সেচ দপ্তর ও বৈকুন্ঠপুর পঞ্চায়েতে অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁদের দাবী, প্রশাসন সরকারি জায়গাটি অসাধু প্রমোটারদের হাত থেকে পুনরুদ্ধার করুক। সেই সঙ্গে এই জায়গায় শিশুদের জন্য পার্ক বা স্বচ্ছ জল প্রকল্পের মতো পরিকল্পনা গ্রহন করুক যাতে গ্রামবাসীরা উপকৃত হয়। ঘটনার খবর পেয়ে এদিন ঘটনাস্থলে যায় বর্ধমান থানার পুলিশ। পঞ্চায়েত সদস্য হেমন্ত খাঁ পুলিশ কে বলেন, উপপ্রধানের মদতেই এলাকায় নানা অনৈতিক কাজ হচ্ছে । বৈকন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত মাঝেমধ্যেই গোষ্ঠী কোন্দলের কারণে খবরের শিরোনামে আসে। এই পঞ্চায়েতের প্রধান আসনটি তপশিলি মহিলা সংরক্ষিত। গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে পদত্যাগ করেছেন আগের প্রধান। বর্তমানে উপপ্রধানই সমস্ত কার্যভার সামলাচ্ছেন। যদিও দলের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ গোষ্ঠী কোন্দলের কথা অস্বীকার করেন। বর্তমানে সমস্ত দ্বায়িত্ব সামলানো উপপ্রধান গোপাল বিশ্বাস তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পঞ্চায়েত সদস্যরা তাঁর নামে কেন অভিযোগ করছেন এবিষয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি। পাশাপাশি ওই সদস্যদের জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগ পেয়েছেন এবং ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানান তিনি। যার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ সেই স্থানীয় তৃণমূল নেতা মহঃ হোসেন টেলিফোনে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখছি। তবে বেআইনী কিছু করা যাবে না।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Rituparna Sengupta : করোনায় আক্রান্ত ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। দার্জিলিং-এ পরিচালক অতনু বসুর অচেনা উত্তম ছবির শুটিং-এ গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে তাঁর পরিবারও ছিল।ফিরে এসে ঠাণ্ডা লাগে। টেস্ট করার পর তাঁর স্বামী সঞ্জয় ছাড়া সকলেরই কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, দার্জিলিং থেকে ফিরে বিজ্ঞাপনের কাজ ছিল। তার পরেই ঠান্ডা লাগে। পরীক্ষা করে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আমার শাশুড়ির ভাগ্যিস হয়নি। ওকে অন্য বাড়ি পাঠিয়েছি। আমরা বাড়ির সবচেয়ে উঁচু তলায় নিজেদের বন্দি করেছি।করোনার প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিগত কয়েকদিনের মধ্যে অনেক টলি তারকাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়, জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রীজাত, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী, রুদ্রনীল, পরমব্রত, মিমি চক্রবর্তী, সোহম, দেব, রুক্মিণী, বনি একাধিক টলি তারকার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

U-10 Asia Cup: অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে ভারতীয় দলে সুযোগ পেলেন বাংলার দুই ক্রিকেটার

ভারতীয় অনূর্ধ্ব ১৯ দলে জায়গা করে নিলেন বাংলার দুই বোলার অমৃত রাজ উপাধ্যায় ও রবি কুমার। এই মাসের তৃতীয় সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন এই দুই ক্রিকেটার। ২৩ ডিসেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বসবে অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপের আসর। এই প্রতিযোগিতার জন্য শুক্রবার ২০ সদস্যের ভারতীয় দল বেছে নিয়েছে জাতীয় জুনিয়র নির্বাচক কমিটি। সেখানে বাংলার মুখ দুই বোলার অমৃত রাজ উপাধ্যায় ও রবি কুমার। দলকে নেতৃত্ব দেবেন যশ ঢুল। এবছর ভিনু মানকড় ট্রফিতে তিনি সর্বোচ্চ রান করেছেন। ৫ ম্যাচে তাঁর মোট রান ৩০২। ২০ জন ক্রিকেটারকে বেছে নেওয়া ছাড়াও ৫ জনকে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত ২০ জনের দলে সুযোগ পেয়েছেন : হার্নুর সিং পান্নু, অঙ্কৃশ রঘুবংশী, অংশ গোসাই, এস কে রশিদ, যশ ঢুল (অধিনায়ক), অন্নেশ্বর গৌতম, সিদ্ধার্থ যাদব, কুশল তাম্বে, নিশান্ত সিন্ধু, দীনেশ বানা (উইকেটকিপার), আরাধ্য যাদব (উইকেটরক্ষক), রাজাঙ্গদ বাওয়া, রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকর, গর্ব সাঙ্গওয়ান, রবি কুমার, রিশিত রেড্ডি, মানব পারেখ, অমৃত রাজ উপাধ্যায়, ভিকি ওস্তাবাল, বাসু ভাটস (ফিটনেস পরীক্ষার ওপর নির্ভর করছে)। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন: আয়ূষ সিং ঠাকুর, উদয় সাহারান, শাশ্বত ডাঙ্গওয়াল, ধানুস গৌড়া, পিএম সিং রাঠৌর।সংযুক্ত আরব আমিরশাহি উড়ে যাওয়ার আগে ১১ থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বেঙ্গালুরুতে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে প্রস্তুতি শিবির হবে। কিছুদিন আগে ইডেনে অনু্ষ্ঠিত ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতায় অমৃত রাজ উপাধ্যায় জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। কিন্তু রবি কুমারের কাছে এটাই প্রথম জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া। জাতীয় দলে সুওদ পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত রবি কুমার। এই বাঁহাতি স্পিনার বলেন, একসময় স্বপ্ন দেখতাম দেশের হয়ে খেলব। সেই স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে। আমি দারুণ খুশি। একই সঙ্গে উত্তেজিত। আমার সব কোচদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অন্যদিকে, অমৃত রাজ উপাধ্যায় বলেন, দেশের হয়ে ইডেনে ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতায় খেলেছি। এশিয়া কাপে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই। দেবাং স্যার আমাকে যেভাবে সাহায্য করেছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Lara Dutta : মেয়ের কাছ থেকে ডিভোর্স শুনে অবাক হন লারা, জানালেন সেই সত্যি

চার বছরের মেয়ের মুখে ডিভোর্স শব্দ শুনেছিলেন লারা দত্ত। এত ছোট মেয়ের মুখ থেকে এই কথাটা শুনতে হবে বিশ্বাস করতে পারেননি বলিউড অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেদিনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন তিনি। সঙ্গে জানানা, তাঁর স্বামী টেনিস লেজেন্ড মহেশ ভূপতি তাঁদের মেয়েকে ওই অত ছোট বয়সে শিখিয়েছিল ডিভোর্সের মানে! আর এটা জানতে পেরে প্রথমে একটু রাগও হয়েছিল অভিনেত্রীর। সম্প্রতি নিজের ডিজিট্যাল সিরিজ হিকআপ অর হুকআপশুরু করেছেন লারা। আর সেই সময়তেই সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন তাঁর মেয়ে সায়রা মাত্র চার বছর বয়স থেকে ফ্রেন্ডসদেখে। আসলে মহেশের সবথেকে প্রিয় শো ফ্রেন্ডস। আর তাই মাত্র চার বছর বয়সেই সায়রাও বাবার সঙ্গে এই শো দেখতে শুরু করে। বেল বটমের অভিনেত্রী জানিয়েছেন, আমি এরপর মেয়ের কাছে জানতে চাই তোমাকে এগুলো কে শিখিয়েছে? আর ও উত্তর দেয়, কেন বাবা! শুনে আমার আরও রাগ হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে মহেশকে ফোন করি। আর বলি, তুমি কীভাবে এসব শেখালে ওকে এই বয়সে। যাতে হেসে মহেশ আমায় বলে, আমরা একসাথে বসে ফ্রেন্ডস দেখছিলাম। আর ও তখন আমার কাছে জানতে চায় কেন রস তিন বার বিয়ে করেছে। তাহলে ভাবুন আমরা কেমন বাবা-মা!

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rupankar Bagchi : চাকরি পেলেন রূপঙ্কর, কিন্তু কিসের?

রূপঙ্কর বাগচী কে এবার দর্শকরা শুনতে পাবেন রেডিওতে। গত মার্চ মাসে অল ইন্ডিয়া রেডিও তে আধুনিকগানের ক্যাটাগরিতে অডিশন দেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী শিল্পী। সদ্য তার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। সেই আনন্দের খবরটা সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। পাকা হল তার মাসিক ৭৪০০ টাকার চাকরি।ফেসবুকে ফলাফলের ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে সংগীত শিল্পী লিখেছেন, অল ইন্ডিয়া রেডিওর অডিশন দিইনি আগে কোনওদিন। গত বছর লকডাউনে এক ওলটপালট অবস্থায় দিয়ে ফেলেছিলাম। আজ রেজাল্ট বেরোলো! দিব্য লাগছে।রূপঙ্করের পোস্টে শুভেচ্ছার বন্যা। জীবনে অপরিকল্পিত যে অনেক কিছু ভালো হয়, তা সংগীত শিল্পীর পোস্টেই ধরা পড়েছে।রূপঙ্কর বাগচীর গান সকলেরই প্রিয়। তার গান খারাপ সময়ে মন ভালো করে দেয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে তার স্বাভাবিক জীবনের ছন্দপতন হয়েছে। যদিও তার মধ্যে একটি মন ভালো করার কথা সকলের সঙ্গে শেয়ার করলেন তিনি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Upasana Maitra: কালীপুজোর আড্ডায় জনতার কথায় অভিনেত্রী উপাসনা মৈত্র

তার অভিনয় শুরু হয় মডেলিং ও র্যাম্প ওয়াক দিয়ে। সেখান থেকে বাংলা ফিচার ফিল্ম খুঁজে বেড়াই তারে তে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ভোজপুরি ছবি করেছেন। বর্তমানে শুভেন্দু দাসের পরিচালনায় ওম্যান পাওয়ার এ অভিনয় করছেন। যার শুটিং খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। অভিনেত্রী উপাসনা মৈত্র জনতার কথার মুখোমুখি। সাক্ষাৎকারের মূল বিষয় ছিল কালীপুজো ও ভাইফোটায় তার কি প্ল্যান। জনতার কথাঃ কেমন আছো?উপাসনাঃ আপাতত একটু ব্যালেন্স করেছি। করোনার জন্য যা ছিল এখন একটু ব্যালেন্স করেছি। জনতার কথাঃ এবারে কালীপুজোয় কি প্ল্যান?উপাসনাঃ আমার বাড়ির কালী হচ্ছে প্রতিষ্ঠিত কালী। তো আমাদের এটা প্রপিতামহর আমল থেকে চলে আসছে। কালীপুজো আমার বাড়িতেই হয়। তো ওটাই করবো।জনতার কথাঃ কালীপুজোয় বাজি ফাটাতে ভালো লাগে? না কি প্রদীপ জ্বালানো পর্যন্তই ঠিক আছে?উপাসনাঃ না, আমি একটু আগাগোড়াই ডানপিটে টাইপের মেয়ে। তো আমি একটু কালীপটকা, বোম এগুলো ফাটাতে বেশি পছন্দ করি। তারাবাতি আমার খুব একটা ভালো লাগে না। এখন তো নিউজে শুনলাম হাইকোর্ট থেকে অর্ডার দিয়েছে এবছর শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। ঠিক আছে হাইকোর্ট যেটা অর্ডার দিয়েছে সেটাই মানবো। কিছু করার নেই। জনতার কথাঃ এবারে ভাইফোঁটায় কি করবে?উপাসনাঃ আই অ্যাম দ্য অনলি চাইল্ড অফ মাই পেরেন্টস। ভাই, বোন বলে তো কিছু নেই। তাই ভাইফোঁটা ব্যাপারটা নেই।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Supari Killer: মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় চেন্নাই থেকে গ্রেফতার সুপারি কিলার

তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার তিন মাস পর সুপারি কিলারকে গ্রেফতার করলো সিআইডি। ধৃতের নাম মহম্মদ সুরজ মানালি। তাঁর বাড়ি বীরভূম জেলার ঘিদহ গ্রামে। সিআইডি দল চেন্নাই থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। সিআইডির দাবি, চলতি বছরের ১২ জুলাই গুলি করে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি আসীম দাসকে খুন করে চেন্নইয়ে পালিয়েছিল কুখ্যাত সুপারি কিলার সুরজ। সিআইডি সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ধৃতকে কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশকরে সিআইডি হেপাজতে নেওয়া হবে।সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১২ জুলাই সন্ধ্যায় মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাস বাইকে চেপে পার্টি অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময়ে স্থানীয় শিউর গ্রামের মোড়ে দুস্কৃতীরা খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে খুন করে পালায়। ঘটনার চার দিনের মাথায় এই খুনের ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় সিআইডি। তদন্তে নেমে সিআইডি আধিকারিকরা নিশ্চিৎ হন মঙ্গলকোটে অজয় নদে অবৈধ বালির কারবারে অসীম দাস বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তার কারণেই তাঁকে খুন হতে হয়। গ্রেফতার হয় খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত তথা অবৈধ বালির কারবারি শেখ রাজু। তাকে জেরা করে সিআইডি গত ১৩ আগস্ট বীরভূম জেলার ঘিদহ গ্রামের বাসিন্দা পেশায় কাঠমিস্ত্রী শেখ খোকন ওরফে বাবুলকে গ্রেফতার করে। এবার গ্রেফতার হল সুপারি কিলার মহম্মদ সুরজ মানালি। এই নিয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় সিআইডির জালে ধরা পড়লো আট জন।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌S Dhoni : মেগা নিলামের জন্য ধোনির আগেও চেন্নাই কর্তাদের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন ঋতুরাজ!‌‌

মহেন্দ্র সিং ধোনির আগেও গুরুত্ব পাচ্ছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন্দ্র জাদেজারা! শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তব। সামনের বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে যদি পুরনো দল থেকে দুজন ক্রিকেটারকে রাখতে হলে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবীন্দ্র জাদেজাকে ধরে রাখতে চায় চেন্নাই সুপার কিংস। তিনজন ক্রিকেটারকে ধরে রাখার সুযোগ থাকলে সেক্ষেত্রে মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও রেখে দেওয়া হবে। অর্থাৎ টিম ম্যানেজমেন্টের প্রথম পছন্দের তালিকায় নেই ক্যাপ্টেন কুলএর নাম। তবে ধোনিকে দলে নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ঝাঁপাবে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তারা। তবে সবকিছু নির্ভর করছে রিটেশন নিয়মের ওপর। সামনের বছর আইপিএলের নিলামের জন্য অধিকাংশ ক্রিকেটারকে ফ্রি করে দেওয়া হবে। আগের ৮টি দলের সঙ্গে আরও দুটি দল বাড়বে। ফলে ক্রিকেটারদের পুলের সংখ্যাও বাড়াতে হবে। নিলামও আগের থেকে অনেক বেশি জমজমাট হবে। সব দলই চাইবে মেগা নিলাম থেকে আগামী কয়েক বছরের জন্য সেরা দল তৈরি করে নেওয়া। ফলে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের মতো প্রতিভাসম্পন্ন তরুণ ক্রিকেটাররা যে সব দলেরই টার্গেট হবেন, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুক্রবার আইপিএল ফাইনালের পর মহেন্দ্র সিং ধোনি বলেছিলেন, সামনের মরশুমের জন্য আইপিএলের মেগা নিলামের সময় অগ্রাধিকার হবে এমন ক্রিকেটারদের দলে নেওয়া যাতে তাঁদের দীর্ঘদিন দলে ধরে রাখা যায়। সেই পথেই হাঁটার পরিকল্পনা চেন্নাই সুপার কিংস কর্তৃপক্ষর। কর্তাদের লক্ষ্য এমন দল গড়া যাতে আগামী ১০ বছরের জন্য অবদান রাখতে পারে। সেটা মাথায় রেখে ভবিষ্যতের দল গড়তে চান তাঁরা। তাই তরুণ ক্রিকেটারদের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আর তার জন্যই মহেন্দ্র সিং ধোনির আগে ভেসে উঠছে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন্দ্র জাদেজাদের নাম। তবে ধোনি যে চেন্নাই কর্তাদের পরিকল্পনায় নেই, এমন নয়। চেন্নাই সুপার কিংসের এক কর্তা বলেছেন, যে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিই ধোনির মতো ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে চাইবে। সামনের মরশুমে আইপিএলে দুটি নতুন দল যুক্ত হচ্ছে। অনেক পরিবর্তন হবে। আমাদেরও লক্ষ্য আছে ধোনিকে ধরে রাখা। তার জন্য চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না। তবে ঋতুরাজের মতো ক্রিকেটারকেও ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এবছর চেন্নাই সুপার কিংসের ক্রিকেটারদের বয়স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বেশির ভাগ ক্রিকেটারই ছিলেন বয়স্ক। তা সত্ত্বেও আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, শার্দূল ঠাকুর, দীপক চাহারের মতো তরুণ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ডোয়েন ব্র্যাভো, ফাফ ডুপ্লেসি, অম্বাতি রায়ডু, রবিন উথাপ্পার মতো বয়স্করাও জ্বলে উঠেছিলেন। তাই মেগা নিলামে শার্দূল, চাহারদের পাশাপাশি কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে ধরে রাখার জন্য ঝাঁপাবে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তারা। সামনের বছর আইপিএলেও খেলার ইঙ্গিত দিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি চান চেন্নাইয়ে ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনে খেলে অবসর নিতে চান। এখন দেখার তাঁর মনোবাসনা পূর্ণ হয় কিনা।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rupankar : কোন রহস্য উদ্ঘাটন করতে মহিলার রূপ ধরলেন রূপঙ্কর?

রূপঙ্কর বাগচী, যার গানের গলা আমাদের সবসময় মুগ্ধ করে। সোলো অ্যালবাম থেকে শুরু করে সিনেমার গান সবেতেই রূপঙ্করের গান অভিনবত্বের ছাপ রাখে। সেই রূপঙ্কর হঠাৎ এমন কাজ করে বসলেন যা সবাইকে অবাক করেছে। অনেকে আবার খুব হেসেছেনও। কিন্তু কি এমন করলেন তিনি?নিজের ফেসবুক পেজে শাড়ি পড়ে একটি ছবি পোস্ট করেছেন রূপঙ্কর। শুধু শাড়ি পড়াই নয়, মাথায় আবার ঘোমটাও দিয়েছেন। ক্যাপশনে লেখেন,রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে।দেখতে বাড়ির নতুন বউয়ের মতো লাগছে। যা দেখে অনেকেই হাসি থামাতে পারেননি। বেশ মজাদার কমেন্টও এসেছে অনেকের থেকেই। তাঁর বিশেষ বন্ধু, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী মনোময় ভট্টাচার্য্য এহেন ছবি দেখে কমেন্ট করেন একই অঙ্গে এত রূপ।পোস্ট করার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কমেন্ট ও লাইক-এ ভর্তি হয়ে যায় তাঁর পোস্টটি। কমেন্টগুলোর মধ্যে লেখক বিনোদ ঘোষাল লিখেছেন, একাকী ঘরে ঘোমটা দিয়ে এ কী করলেন গায়ক রূপঙ্কর! মুহুর্তে ভাইরাল হল সেই দৃশ্য। সঙ্গীতশিল্পী জোজো মজা করে লেখেন, ও রূপু বৌদি। আজ যেহেতু আবার কন্যা দিবস এক শুভান্যুধ্যায়ী কমেন্টে লিখেছেন, শুভ কন্যা দিবস। তন্ময় রায় নামে জনৈক ব্যাক্তি আবার লিখেছেন, বধুয়া আমার চোখে জল এনেছে বিনা কারণে। এরকম আরও অনেক হাসির ও মজাদার কমেন্ট এসেছে তার ছবির কমেন্ট বক্সে। সবচেয়ে মজার কমেন্টটি করেছেন মিঠে কোরা নামের এক ব্যাক্তি, তিনি বর্তমান রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় এক প্রকল্প-এর তুলনা টেনে লিখেছেন রহস্য উন্মোচিত হয়েছে,লক্ষ্মী ভান্ডারের বিজ্ঞাপনে....ছবি তোলার আগের মুহূর্ত।আসলে শোনা যাচ্ছে একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন তিনি। আর তার জন্যই এমন পোষাকে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। তবে এটা রূপঙ্করের প্রথম অভিনয় নয়। এর আগেও বিদায় ব্যোমকেশ, আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা তে অভিনয় করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Marriage : দুর্গাপুজোয় মল্লিকবাড়িতে বিয়ের আসর

দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির কাছে একটা ইমোশন। আর পুজোর সময় যদি বিয়েবাড়ি থাকে তাহলে তো কথাই নেই। পুজোর সময় বিয়ে হলে শুধু বিয়েবাড়ির নিমন্ত্রিত অথিতিরাই নন, যে দুজন মানুষের চার হাত এক হচ্ছে তাদের মধ্যেও একটা আলাদা এক্সাইটমেন্ট কাজ করে। করোনার মধ্যে পরিস্থিতি একটু চেঞ্জ হলেও দুর্গাপুজোর সময় বিয়ে করা এটা বন্ধ হয়ে যায়নি। তাই এবারের দুর্গাপুজো শুরু ঠিক আগেই বিয়ের পিড়িতে বসতে চলেছেন মল্লিকবাড়ির ছোট ছেলে দেবজয় মল্লিক। যাকে আমরা সর্বজয়া ধারাবাহিকে খলনায়কের চরিত্রে দেখতে পাচ্ছি। পাত্রী রুপশ্রী চক্রবর্তী। যিনি পেশায় একজন পুষ্টিবিদ (নিউট্রিশন কনসাল্টেন্ট)। মল্লিকবাড়িতে প্রতিবছরই জাঁকজমকভাবে দুর্গাপুজো হয়। এবার আবার বিয়ের সানাই বাজবে। তাই আলাদাই উন্মাদনা রয়েছে। তবে কোভিড প্রটোকল মেনেই পুরো অনুষ্ঠান হবে। ৮ অক্টোবর গোলপার্কের বাড়িতে বিয়ে এবং রিসেপশন দুটোই একসাথে করে নেওয়া হবে কোভিডের জন্য। তবে প্রচলিত নিয়ম মেনে ১০ অক্টোবর চারু মার্কেটের মল্লিক বাড়িতে বৌভাত। সেখানে পরিবারের খুব ক্লোজ যারা তারাই থাকবে। বিয়ের আগেই সর্বজয়া ধারাবাহিকের খলনায়কের চরিত্রটা পেয়েছেন দেবজয়। এই চরিত্রের জন্য দেবজয় স্নেহাশিস চক্রবর্তী, ব্লুস প্রোডাকশন ও জি বাংলাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।মল্লিকবাড়ির বৌমা হতে চলেছেন রূপশ্রী। তাই স্বাভাবিকভাবেই খুব এক্সাটেড তিনি। ফোনে বলছিলেন,একদম পুজোর মুখে বিয়ে। দেবীপক্ষে বিয়ে। বাড়িতে মা আসা মানে আমেজই বদলে যাওয়া। এই পাঁচটা দিন সবাই সবার কাজ ভুলে এখানে আসে। অনেক মজা হয়, আনন্দ হয়। কোভিডের মধ্যে পরিস্থিতি একটু চেঞ্জ হলেও আফটার হল বিয়ে। আমি পার্সোনালি খুব লাকি ফিল করছি। খুব আনন্দের বিষয়। বাড়ির সব বড়রা খুব এনকারেজ করছে। সবাই অসম্ভব খুশি। এই প্রজন্মের সবথেকে ছোট ছেলে ও। যখন কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি তখন বেঙ্গল ম্যাট্রিমনি থেকে আলাপ। বাবার ভারী পছন্দ হয়েছিল। আমি বাবার খুব ওবিডিয়েন্ট ডটার। বাবা বলেন বিয়ে হবে। আমি তখন বলি আমার এস্টাব্লিশড হতে একটু টাইম লাগবে। তবে থেকেই আমাদের আলাপ। খুব ভালো বন্ধুত্ব। ওর সাথে শুধু নয়, ওর মা-বাবার সাথে আরও বেশি ভালো বন্ধুত্ব।দুটো প্রফেশনই আলাদা। কোনও সমস্যা হয়েছে কি? ফোনের ওপ্রান্ত থেকে রূপশ্রী জানালেন,প্রফেশন আলাদা হলেও কোনও জায়গায় কমন ফ্রেন্ডসগূলো এক হয়ে গেছে। ওর প্রফেশনে ওর যারা কলিগ তারা আমার পেশেন্ট বা ক্লায়েন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে।রিল লাইফ খলনায়ক রিয়েল লাইফ কেমন? হাসতে হাসতে রূপশ্রী জানালেন,অসম্ভব একজন সিম্পল পার্সন উনি। ভেরি গ্রাউন্ডেড হি ইস। রিল লাইফে দেবজয় কে যেরকম ক্রুয়েল দেখায় রিয়েল লাইফে একদমই ও সেটা নয়। অসম্ভব ফ্রেন্ডলি এবং অসম্ভব ফ্যামিলি পার্সন।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

অনুদান নিলেই মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বীরভূমে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন দিলীপ

দুর্গাপুজোর আগে বীরভূমে সরকারি অনুদান এবং পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাঁইথিয়ায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। ছবি না লাগালে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন বলে অভিযোগ।মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। পুজোর মুখে সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর বিষয়টি কীভাবে যুক্ত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের তরফেও এই মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়।বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও নির্দেশ বর্তমান সরকার দেয়নি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে এমন শর্ত দেওয়া হত। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে অনুদান পাওয়া যেত না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বর্তমান সরকার এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেয়নি। তাঁর কথায়, পুজো কমিটিগুলি যেন ভালোভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোকে বাধ্যতামূলক করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।দিলীপ ঘোষের সুরেই বক্তব্য রাখেন বিজেপির আর এক শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি অনুদান পাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের কোনও শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি জানান।প্রসঙ্গত, আগের সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি প্রচারের ছবি দেখা যেত। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিরাপদে গাড়ি চালানোর প্রচার-সহ নানা সরকারি বার্তা পুজোর মণ্ডপে তুলে ধরা হত। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে বীরভূমের বিজেপি নেতার মন্তব্য এবং দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এক দিকে জেলা স্তরের নেতার তরফে ছবি লাগানোর কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এমন কোনও সরকারি নির্দেশ নেই।ফলে সরকারি অনুদান নিলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আপাতত জিইয়ে রইল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal