• ৫ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UP

বিনোদুনিয়া

জন্মদিনে খুশির খবর শোনালেন কৌশানি

মঙ্গলবার ছিল টলিউডের গ্ল্যামারাস অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। ৩০ বছরে পা দিলেন তিনি। ভক্তদের সঙ্গে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করলেন অভিনেত্রী। সঙ্গে ছিলেন কৌশানির কাছের মানুষ, মনের মানুষ বনি সেনগুপ্ত। জন্মদিনে খুশির খবরও দিলেন অভিনেত্রী।বনি ও কৌশানি প্রযোজনা সংস্থা খুলে ফেললেন। প্রযোজনা সংস্থার নাম বি কে এন্টারটেইনমেন্ট। প্রকাশ্যে এসেছে এই প্রযোজনা সংস্থার লোগো ও। কৌশানি জানিয়েছেন বি কে এন্টারটেইনমেন্ট ছবি নির্মাণ করবে হল রিলিজের জন্য। যে কজন মানুষই হলে গিয়ে তাদের ছবি দেখুক না কেন সেটুকুই তার সবচেয়ে বড় সাফল্যতা। বনি সেনগুপ্ত জানিয়েছেন এই প্রোডাকশন হাউসের শুরুর কাজে বনি ও কৌশানি দুজনেই অভিনয় করবেন। তবে নতুনদের নিয়েও ভালো কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সিনেমা দিয়েই বি কে এন্টারটেইনমেন্ট এর জার্নি শুরু হচ্ছে। তবে আগামী দিনে ওয়েব সিরিজ বানানোর ও পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। বনি ও কৌশানির নতুন জার্নির জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

মে ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

৭৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম, ব্যাডমিন্টনের বিশ্বকাপে সেরা ভারত

ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করল ভারত। ৭৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার ব্যাডমিন্টনের বিশ্বকাপে সেরার তকমা ছিনিয়ে নিল। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে কিদাম্বী শ্রীকান্তরা ৩০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছেন ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়াকে। ফেবারিটের তকমা নিয়েই এবারের টমাস কাপে খেলতে নেমেছিল ইন্দোনেশিয়া। ফাইনালে ওঠার পথে একটা ম্যাচও হারেনি। প্রচন্ড শক্তিশালী দল। ফাইনালে ওঠার পথে ভারতকে গ্রুপ লিগে চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে হারতে হয়েছিল। সেই অর্থে কিছুটা পিছিয়ে থেকেই ফাইনালে কোর্টে নেমেছিল ভারতীয় দল। কিন্তু ফাইনালে তার প্রভাব দেখা যায়নি। ফাইনালে ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে এদিন প্রথম সিঙ্গলসে কোর্টে নেমেছিলেন লক্ষ্য সেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিশ্বের ৪ নম্বর তারকা অ্যান্টনি সিনিসুকা জিনটিং। এবছর মার্চে জার্মান ওপেনে ইন্দোনেশিয়ার এই তারকাকে হারিয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। সেই জয়ই এদিন লক্ষ্যর কাছে অনুপ্রেরণার কাজ করেছিল। তাই প্রথম গেম হেরে গিয়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন লক্ষ্য। প্রথম গেমে লক্ষ্যকে দাঁড়াতেই দেননি বিশ্বের ৪ নম্বর তারকা অ্যান্টনি সিনিসুকা জিনটিং। ২১৮ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন জিনটিং। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন লক্ষ্য সেন। ২১১৭ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেম ২১১৬ পয়েন্টে জিতে ভারতকে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিশ্বের ৪ নম্বর তারকার বিরুদ্ধে লক্ষ্য সেনের জয় চাগিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় ব্যাডমিন্টন দলকে। চিরাগ শেট্টি ও সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডির কাছে টনিকের মতো কাজ করেছিল। ডাবলসে এই ভারতীয় জুটি খেলতে নেমেছিল মহম্মদ এহসান ও সুকামুলিয়োর বিরুদ্ধে। প্রথম গেমে ১৮২১ ব্যবধানে হেরে যায় চিরাগ শেট্টি ও সাত্ত্বিকসাইরাজ জুটি। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান চিরাগরা। দুর্দান্ত লড়াই করে ২৩২১ ব্যবধানে বিতীয় গেম জিতে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেমে চিরাগরা জেতেন ২১১৯ ব্যবধানে। ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত।তৃতীয় গেমে প্রতিযোগিতায় দুরন্ত ছন্দে থাকা কিদাম্বি শ্রীকান্ত কোর্টে নামেন বিশ্বের ৮ নম্বর তারকা জোনাথন ক্রিস্টির বিরুদ্ধে। প্রথম গেমে ২১১৫ ব্যবধানে জেতেন শ্রীকান্ত। দ্বিতীয় গেমে জোনাথান ক্রিস্টি প্রতিরোধ গড়ে তুললেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ২৩২১ ব্যবধানে জিতে ভারতকে প্রথমবারের মতো টমাস কাপ জেতার স্বাদ এনে দেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। ভারত ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ায় বাকি দুটি সিঙ্গলস খেলার প্রয়োজন হয়নি।

মে ১৫, ২০২২
নিবন্ধ

অলংকরণ কর্মশালার মাধ্যমে উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্মজয়ন্তী পালন

রাজার ঘরে যে ধন আছে টুনির ঘরেও সে ধন আছে - আমাদের অনেকের শৈশবের গল্পের বই পড়ার শুরু এখানেই। বরেণ্য শিশু সাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্মজয়ন্তী ছিল ১২ই মে। শিশু কিশোর আকাদেমি এবং তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ, পশ্চিমবঙ্গ সরকার-এর যৌথ উদ্যোগে একদিনের একটি অলংকরণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল পুর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে, জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, পূর্ব বর্ধমান-এর সহযোগিতায়।উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্মজয়ন্তী পালনকর্মশালা পরিচালনা করতে এসেছিলেন শিল্পী শ্রী আলয় ঘোষাল। সঙ্গে ছিলেন আরেক শিল্পী শ্রী বিভূতি চক্রবর্তী। সারাদিন একশ বিশ কচি-কাঁচা কে নিয়ে চলল গুপী-বাঘা, ভুতের রাজা, বাঁশ বনের টেক্সচার, গাধার উচ্চতা, রাজা মশাই এর পাগড়ির শেপ ইত্যাদি নিয়ে রঙ্গিন আলোচনা। আলয় ঘোষাল মহাশয়ের কথায় কথায় আসছিল ক্যামেরার চোখে কম্পোজিশন দেখার কথা। আঁকা আর অলংকরণের পার্থক্য। বার বার বলছিলেন ছোটদের বই পড়ার কথা। গল্প পড়ে তাঁর চিত্রকল্প তৈরী করার অভ্যেস। এক সময় আভিবাবকদের ঘরে ডেকে এনে বললেন ছোটদের মনোযোগ মোবাইল আর টেলিভিশন থেকে সরাতে তাদের হাতে বই তুলে দিতে। এক ফাঁকে ওনার সাথে কথা বলছিলাম ইলাস্ট্রেসন আর ফটোগ্রাফি নিয়ে।উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্মজয়ন্তী পালনউনি বলছিলেন ওনার ছবি তোলার মজার মজার অভিজ্ঞতা। খুব ইচ্ছে করছিল ওনার হাতের কয়েকটা লাইন সংগ্রহে রাখতে। কথাটা বলতেই আমার হাতের নোট বইটা টেনে নিলেন, কয়েকটা পেনের আঁচড় দিয়ে বললেন আমায় একটু জল রঙ এনে দাও। একজনের রঙ ধার করে দিলাম। শেষে হাতে পেলাম একপাতা আনন্দ। কত বড় মাপের মানুষ কিন্তু কত কাছের। আনন্দ আর কৃতজ্ঞতায় মন ভরে গেল। অনুষ্ঠানে আরও যোগ দেন শিশু কিশোর আকাদেমির প্রকাশনা বিভাগের প্রধান ড. শর্বাণী বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মশালা শেষে সকলের হাতে শংসাপত্র আর বই উপহার তুলে দেওয়া হয়। সব শেষে আমার সারপ্রাইজ গিফট। জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক মশাই এর কাছ থেকে আর এক খুব প্রিয় মানুষ শ্রীমতী জয়া মিত্রের বই। জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক ও তাঁর দপ্তরের প্রত্যেক কর্মীকে আনেক ধন্যবাদ। শেষ কথা-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্মদিনে একগুচ্ছ কচি প্রাণের সঙ্গে সারাটা দিন কাটানোর থেকে ভাল উদ্যাপন আর কিছু হয় না।

মে ১৪, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ শয়ে শয়ে ভুয়ো নিয়োগ, এসএসসিতে বড়সড় দুর্নীতি! আদালতে রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির রিপোর্ট

এসএসসি গ্রুপ সি দুর্নীতিতে শিক্ষা পর্ষদের উপাদেষ্টা-সহ কর্তাদের নাম জড়িয়ে গেল। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটি এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে। ১৮ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির পক্ষে আইনজীবী অরুনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৩৮১ জনের নিয়োগে নানা দুর্নীতি রয়েছে। তার মধ্যে ২২২জন পরীক্ষায় অংশই নেননি।বিচারপতি বাগ রিপোর্টে জানিয়েছে, ৫ জনের কমিটি বেআইনিভাবে গঠন করা হয়েছে। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সুপারিশে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আদৌ তা আইনসম্মত কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। বড়সড় দুর্নীতি হওয়ায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে এদিন।সূত্রের খবর, বাগ কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ভুয়ো সুপারিশপত্রের সঙ্গে জড়িয়েছেন কল্যানকুমার গঙ্গোপাধ্যায়। মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পর ৩৯১ জনকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছে। ২২২ জনের কোনও প্যানেলে বা ওয়েটিং লিস্টে নাম ছিল না। তাঁদের পার্সোনালিটি টেস্টই হয়নি। এরা কেউ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এরা সুপারিশপত্র পেয়ে নিয়োগপত্র হাতে পান। তাঁদের নিয়োগও করা হয়েছে।আদালত সূত্রে খবর, শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়, অশোককুমার সাহারা এই কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর পাশাপাশি আরও একাধিক নামের উল্লেখ রয়েছে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে। শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়,অশোককুমার সাহাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মামলায় এফআইআর করা যেতে পারে বলে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে।

মে ১৩, ২০২২
দেশ

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে সুপ্রিম রায়, তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে অন্তর্বর্তী রায় দিয়ছে সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের শুনানিতে বলেছে, কেন্দ্র পুনর্বিবেচনা না করা পর্যন্ত এই আইনে নতুন কোনও মামলা নয়। কেন্দ্রীয় সরকার যত দিন না ১২৪ এ ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহ আইন পুনর্বিবেচনা করছে ততদিন পর্যন্ত এই ধারায় কোনও মামলা করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। একদিকে বিজেপি রাষ্ট্রদ্রোহ আইন থাকা নিয়ে গলা ফাটাচ্ছে অন্যদিকে কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি ওই আইন তুলে দেওয়া নিয়ে জোরালো দাবি তুলেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি তো এই আইন পুরোপুরি তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।এদিন রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলিকে এই ধারায় কোনও এফআইআর, তদন্ত বা কড়া পদক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে। আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি টুইটে বলেছেন, সত্যি কথা বলা সব সময় দেশভক্তির পরিচয় দেয়। আর সত্যি কথা শোনার ক্ষমতা রাখা কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। সত্যকে অস্বীকার করা ঔদ্ধত্যের লক্ষ্মণ। কাজেই এই নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, সত্যের জয় হবেই। এর পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুখেন্দুশেখর রায় এদিন বলেছেন, রাষ্ট্রদ্রোহ আইন তুলে দেওয়া উচিত।এদিনের রায়ে চাপে পড়ে গিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা কিরণ রিজিজু বলেছেন, একটা বিষয় আমাকে অবশ্যই বলতে হবে, আমরা আদালত এবং আদালতের স্বাধীনতাকে সম্মান করি, তবে তার একটি লক্ষ্মণ রেখা রয়েছে। উষ্মা প্রকাশ করেছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য।এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলি বহুকাল থেকেই এই আইন তুলে দেওয়ার পক্ষে আন্দোলন করে চলেছে। তারাও আপাতকালীন এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। তাঁরা চাইছেন সম্পূর্ণভাবে যেন এই আইন তুলে দেওয়া হয়। ব্রিটিশরা নেই অথচ তাঁদের আইন বইছে দেশ। খোদ ইংল্যান্ডে এই আইন তুলে দেওয়া হয়েছে। ঔপনিবেশিক শাসনমুক্ত বেশিরভাগ দেশ এই আইন তুলে দিয়েছে।

মে ১১, ২০২২
রাজ্য

বাবুল শপথ নিলেও বিতর্ক পিছু ছাড়ল না, রাজ্যপালকে খোঁচা ডেপুটি স্পিকারের

বিধায়ক পদে শপথ নিলেন বালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়। তবে বিধায়ক পদে শপথ নিলেও শপথগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক থেকেই গেল। শপথ বাক্য পাঠ নিয়ে ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না। রাজ্যপাল বিভেদ চাইছনে বলে ডেপুটি স্পিকার দাবি করেছেন।প্রায় ১ মাস হতে চলল বাবুল সুপ্রিয় বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে জয় পেয়েছেন। কিন্তু তাঁর শপথগ্রহণ নিয়ে জটিলতা শুরু হয়। প্রথমে শপথের ফাইলে সই না করেই ফেরত পাঠিয়ে দেন রাজ্যপাল। বিতর্ক বাড়লে রাজ্যপাল জানিয়ে দেন শপথবাক্য পাঠ করাবেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বাবুলকে শপথ বাক্য পাঠ করাতে চাননি। ফের বিতর্ক শুরু হয়। শেষমেষ এদিন শপথ বাক্য পাঠ করান তিনি। যদিও শপথ অনুষ্ঠানের সময় বিধানসভায় নিজের ঘরে বসেছিলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিকে ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি শপথ বাক্য পাঠ করাতে চাইনি। রাজ্যপাল আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে চাইছেন। অর্থাৎ বাবুলরে বিধায়ক পদে শপথ হওয়ার পরও বিতর্ক কিন্তু পিছু ছাড়ল না।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এএফসি কাপে এটিকে মোহনবাগানকে চরম সমস্যায় ফেলতে পারে এই ক্লাবটি

এবছর এএফসি কাপের মূলপর্বে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে গ্রুপ ডিতে রয়েছে বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস, ধিবেহী প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস রিক্রিয়েশন ক্লাব এবং গতবছর আই লিগ চ্যাম্পিয়ন দল মাজিয়া। ১৮ মে থেকে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হবে গ্রুপ ডির ম্যাচ। এই গ্রুপে এটিকে মোহনবাগানকে চরম সমস্যায় ফেলতে পারে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস। ২১ মে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলবে বসুন্ধরা।গত মাসেই এএফসি কাপের প্লে অফে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচে দারুণ জয় তুলে নিয়েছিল জুয়ান ফেরান্দোর ছেলেরা। কিন্তু এএফসি কাপের মূলপর্বে গ্রুপ ডির ম্যাচে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে এবার লড়াইটা সহজ হবে না। এবছর বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে রয়েছে বসুন্ধরা কিংস। লিগে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করছে অস্কার ব্রুজোনের ফুটবলাররা। এএফসি কাপের মূলপর্ব আপাতত তাদের পাখির চোখ। সেই লক্ষ্যে আবাসিক শিবির করে আধুনিক পরিকাঠামোর সুবিধা নিয়ে বিশেষ প্রস্তুতি সারছে বসুন্ধরা কিংস।এএফসি কাপের মূলপর্বে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে বসুন্ধরা কিংসের যে দল খেলেছিল, সেই দলে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছে। এএফসি কাপের জন্য গতমাসে বসুন্ধরাতে যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মিগুয়েল ফেরেইরা ও জাম্বিয়ার স্ট্রাইকার নুহা মারোং। এছাড়া কদিন আগেই বসুন্ধরা কিংস সই করিয়েছে ম্যাথু চিনোডোকে। বাংলাদেশ লিগে প্রথম পর্বে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে হ্যাটট্রিকসহ ৭ গোল করেছিলেন এই নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার। হাঁটুর চোটের জন্য মাঝে তিনি মাঠে নামতে পারেননি। চোট সারিয়ে ফিরলেও ধানমন্ডি তাঁকে আর দলে রাখেনি। এই নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার বসুন্ধরাতে যোগ দিয়েছেন।ইতিমধ্যেই বসুন্ধরার হয়ে দারুণ পারফর্ম করছেন ব্রাজিলীয় উইঙ্গার রবসন রবিনহো ও ইরানীয় ডিফেন্ডার খালেদ শাফিয়েই। চলতি বাংলাদেশ লিগে ১১টি গোল করেছেন বসুন্ধরা কিংস অধিনায়ক রবিনহো। এছাড়া গোলের মধ্যে রয়েছে নয়া মারোং ও মিগুয়েলও। মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলে তিনটি গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল। তবে বসুন্ধরার কাছে স্বস্তির খবর হল এলিটা কিংসলেকে পাওয়া। তিনি বাংলাদেশী হয়েই মাঠে নামতে পারবেন। নাইজেরীয় বংশোদ্ভূত এলিটা গত বছর বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। গতবছরের মার্চে নাগরিকত্ব পেলেও বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার জন্য ফিফা ও এএফসি থেকে ছাড়পত্র মিলছিল না কিংসলের। অবশেষে মিলেছে ছাড়পত্র। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন্স (এএফসি) থেকে জানানো হয়েছে, বসুন্ধরা কিংসের হয়ে এএফসি কাপে খেলতে পারবেন তিনি। এরইমধ্যে এএফসি কাপের জন্য এলিটা কিংসলের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে বসুন্ধরা কিংস।

মে ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শেষ হল 'সর্বজয়া'-র শুটিং, বিষন্ন শিল্পীরা

সবকিছু শুরুরই একটা শেষ থাকে। কোনো জার্নি যখন শুরু হয় তখন আস্তে আস্তে সেই জার্নিটা শেষ ও হয়। এইভাবেই শেষ হল জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক সর্বজয়া-র শুটিং। টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী দেবশ্রী রায়কে অন্য রূপে সর্বজয়া ধারাবাহিকে দেখতে পেয়েছেন দর্শকরা। তাঁর সর্বজয়া চরিত্রটা কয়েকমাসের মধ্যেই দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে। শুধু দেবশ্রী রায় নন, বাকি অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও এই ধারাবাহিকে নিজ গুণে সফল। অভিনেতা দেবজয় মল্লিক হার্ডকোর ভিলেন মনোসীজ-এর চরিত্রে অভিনয় করে কিছু দর্শকদের কাছে খারাপ হলেও এত সুন্দরভাবে মনোসীজ কে ফুটিয়ে তুলেছেন তা সত্যিই অনবদ্য। তবে ধারাবাহিকটা শেষ হয়ে যাওয়ায় সকলের মনেই একটা বিষণ্ণতার ছাপ। দেবজয় সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, কোনো কিছুর শেষ একটা নতুন শুরুর কথা বলে। সর্বজয়া ধারাবাহিক শেষ হল। মনোসীজ চরিত্রটির জন্য তিনি স্নেহাশিস চক্রবর্তী কে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। দেবজয় লিখেছেন, স্নেহাশিস চক্রবর্তী দাদা তোমার কাছে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো। এই প্রোজেক্টটা আমাকে শিল্পী হিসাবে পরিচিতি দিয়েছে। পরপর দুটো অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। মনোসীজ তোমায় মিস করবো। এই চরিত্রটার জন্য দেবজয় তাঁর স্ত্রী রূপসা চক্রবর্তীকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।জনতার কথা-র পক্ষ থেকে সর্বজয়া-র সকল সদস্যদের জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা। আগামী প্রোজেক্টগুলো তাদের খুব ভালো হোক।

মে ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশ্যে "পরিচয় গুপ্ত"-র প্রথম লুক, ভিন্ন চরিত্রে ঋত্বিক চক্রবর্তী

পরিচয় গুপ্ত সিনেমার চরিত্রদের ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এল। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, অয়ন্তিকা ব্যানার্জী, জয় সেনগুপ্ত। ছবির পরিচালনার দ্বায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক রন রাজ। ছবিতে দেখা যাবে ১৯৫০ সালের ঘটনায় এক জমিদার ও তার প্রিয় বন্ধু আর্কেলজিস্ট এর গল্প।পরিচালক রন রাজ জানান পরিচয় গুপ্ত এই নাম টা থেকে বোঝা যাচ্ছে কোনো কিছুর সিক্রেট আইডেন্টিটি। সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে এই সিক্রেট আইডেনটিটি থেকে থাকে। কিন্তু হয়তো পরিবারের চাপে, সমাজের চাপে সেই প্রতিভাকে নিজেরা আটকে রাখে।পরিচয় গুপ্ত ছবিতে দেখা যাবে থ্রিলার এর ছোঁয়া। যার প্রতিটি বাকে রয়েছে টুইস্ট। ছবিতে সঙ্গীতের দায়িত্বে রয়েছেন সঙ্গীত পরিচালক সুভেন্দু অধিকারী। ছবিটি মুক্তি পাবে পূর্ণাঞ্জলী মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এর ব্যানারে।তবে ছবির আরো একটু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল ছবিতে গান গাইছেন অরিজিৎ সিং। ইতিমধ্যে অরিজিৎ সিং এর সঙ্গে কথা বলা হয়ে গিয়েছেন পরিচালক ও মিউজিক ডিরেক্টর এর। ইতিমধ্যে ছবির অনেকটা পার্ট শ্যুটিং শেষ হয়ে গিয়েছে আউটডোরে।

মে ০৬, ২০২২
দেশ

জোর করে করোনার টিকাকরণ নয়, বিধিনিষেধও ঠিক নয়, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

কাউকে করোনা টিকাকরণে জোর করা যাবে না। সোমবার করোনার টিকা সংক্রান্ত মামলায় এই রায় ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, টিকাকরণ নীতিকে অযৌক্তিকও বলা যায় না। আদালতের পর্যবেক্ষণ, টিকা না নেওয়ার ফলে জনগণকে যে সব বিধিনিষেধের মুখোমুখি হতে হয়, তা ঠিক নয়।কেন্দ্র টিকাকরণ বাধ্যতামূলক করেছিল, ওই নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে জনৈক চিকিৎসক মামলা দায়ের করেন। এদিন সেই মামলার রায়দান ছিল। বেশ কয়েকদিন ধরেই মামলার সওয়াল-জবাব চলছিল। তার প্রেক্ষিতে এদিন এই রায় দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও এবং বিআর গাভাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেন।জনবহুল এলাকায় টিকাহীন ব্যক্তিদের প্রবেশের উপর কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে ঘোষণা করেছে আদালত। এই ধরনের নির্দেশ জারি থাকলে তা এখনই সরকারকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, বৃহত্তর জনকল্যাণের জন্য কিছু শর্ত আরোপ করতে পারে সরকার। আদালত রায়ে বলেছে, টিকাকরণের ফলে কোনও ব্যক্তি অসুস্থ হলে সেই বিষয়টা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। এর আগে দেখা গিয়েছে করোনার টিকা না নিলে অনেক জায়গায় ঢোকা নিষেধ ছিল। টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলকও ছিল। রায়ের পর এই ধরনের বিধিনিষেধ রইল না।

মে ০২, ২০২২
রাজ্য

অবশেষে জটিলতা কাটল বাবুলের শপথের, ডেপুটি স্পিকারকে বিশেষ ক্ষমতা রাজ্যপালের

শেষমেশ তৃণমূল সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র শপথের জটিলতা কাটল। প্রায় দুই সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বাবুল। জানা গিয়েছে, বাবুল সুপ্রিয়র শপথবাক্য পাঠ করাবেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছেন।আসানসোলের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়ে প্রথম সাংবাদিক বৈঠকে বাবুল সুপ্রিয় বলেছিলেন, তিনি প্রথম একাদশে খেলতে চান। শেষমেশ বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বিধায়কপদে শপথ নিয়ে জটিলতা বেড়ে যায়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বাবুলের শপথের ফাইল ফেরত পাঠিয়ে দেন। তাঁর শপথ নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। সূত্রের খবর, রাজ্যপালের বক্তব্য ছিল, রাজ্য সরকার রাজভবনের কোনও প্রশ্নের জবাব দিচ্ছে না। যাই হোক শেষমেশ বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারকে ক্ষমতা দেওয়ায় এবার শপথ নিতে চলেছেন বাবুল। বাংলায় প্রবাদ আছে। মচকাবেন কিন্তু ভাঙবেন না। নিজে না করে ডেপুটি স্পিকারকে শপথের দায়িত্ব দিয়েছেন রাজ্যপাল। অর্থাৎ শপথ হলেও নিজে হাজির থাকবেন না। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যপাল এই সিদ্ধান্ত দ্বারা বুঝিয়ে দিলেন তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরছেন না। রাজ্য সরকারের নানা কর্মকান্ডে তিনি যে সন্তুষ্ট নয়, তা এর আগে নানা মন্তব্য করে স্পষ্ট করেছেন জগদীপ ধনখড়।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নূপুর ডান্স একাডেমির বার্ষিক উৎসব

কৃষ্ণনগর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে সম্প্রতি হয়ে গেলো কৃষ্ণনগর নূপুর ডান্স অ্যাকাডেমির বার্ষিক উৎসব। শহর জুড়ে তার প্রস্তুতি ছিল তুঙ্গে। উক্ত অনুষ্ঠানের জন্যে কৃষ্ণনগর নূপুর ডান্স অ্যাকাডেমি ও উড়ান মানুষের কাছে আবেদন করেছিলো এটি কে যাতে শহরের একটা বড় উৎসব করে তোলা যায়। উৎসবের জন্যে এসে হাজির হয়েছিলেন বলিউডের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার কুমার শর্মা এবং তার টিম কত্থক রকার্স । এবং তাঁরা হাজির করলেন ত্রিনাদ, যা এর আগে দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত হলেও দেশে এই প্রথম। কৃষ্ণনগর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ কানায় কানায় দর্শক পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে নির্দিষ্ট দিন। প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। মঞ্চ থেকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে কুমার শর্মা জি কে বরণ করে নেন ইন্ট্রোলিঙ্ক-এর কর্ণধার শ্রী তন্ময় সাহা। নূপুর ডান্স অ্যাকাডেমির একাধিক ছাত্র ছাত্রীরা শুরুতেই করেন নৃত্য পরিবেশন, নৃত্য এবং গানের মধ্য দিয়ে উঠে আসে ধর্ষণের বিরুদ্ধে স্বর। এরপর শুরু হয় কাঙ্খিত সেই ত্রিনাদ। নাচ, গান, তাল মিলিয়ে সে এক অদ্ভূত আবেশ মেতে ওঠেন দর্শকরা। কত্থক রকার্স বুঝিয়ে দেয় বিদেশের মাটিতে তাঁরা যেমন জমিয়ে এসেছেন, দেশের মাটিতেও তার অন্যথা হবে না। শব্দ, আলোর এক মায়াবী পরিবেশে মোহিত হয়ে ওঠেন দর্শকাসনের প্রতিটি মানুষ। এক দর্শকের কথায়, যারা আসেন নি তাঁরা বুঝতেও পারলেন না কত বড় একটা ইতিহাস মিস করে গেলেন তাঁরা। ধর্ষণের উপর তৈরি হওয়া কাজ টি দেখে, দর্শক হিসেবে আসা এক ডাক্তার বাবুর কথায়, আমার দুই মেয়ে আছে, বেনাকাব প্রযোজনা টি দেখার পর মুখ লুকিয়ে আমি হাও হাও করে কেঁদে ফেলেছি। এই সময়ে দাঁড়িয়ে কতটা প্রাসঙ্গিক কাজ হয়েছে এটি।আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে গোপা মুখার্জি বলেন, দীর্ঘ দিন অপেক্ষা করে তারপর উৎসবটি সম্পন্ন করা গেলো । নূপুর এর এই পার্বন পুরো শহরের উৎসব হয়ে উঠবে সেই কামনা করেছিলাম, এবং সবাই কে আহবান করেছিলাম! মানুষ যে এভাবে এরকম অভাবনীয় সাড়া দেবেন আমি ভাবতেই পারি নি! আগামী দিনে শহরের তথা জেলার জন্যে আরো কিছু ভালো ভালো উপহারের পরিকল্পনা করছি আমরা।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
দেশ

টাটাদের সাতটি অত্যাধুনিক ক্যানসার হাসপাতাল অসমে, অনুপমের খোঁচা

অসমে সাতটি অত্যাধুনিক ক্যানসার হাসপাতাল তৈরি করছে টাটা। এই প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টাটাদের অসমের প্রকল্প বাংলাতেও হতে পারত বলে মনে করছে প্রাক্তন সাংসদ ও বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক ড. অনুপম হাজরা। সিঙ্গুর থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর থেকে টাটারা পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে বলে অনুপম মনে করেন।সিঙ্গুর কাণ্ডের পর এরাজ্য থেকে পুরোপুরি দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করে টাটা গোষ্ঠী। নতুন কোনও প্রকল্পের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ দেখা যায়নি। শুধু টাটা নয়, অন্য শিল্পগোষ্ঠীও বাংলায় আসতে অস্বস্তি প্রকাশ করেছে। তবে রাজ্য সরকার শিল্প সম্মেলন করে আদানিসহ বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীকে এরাজ্যে হাজির করেছে। শিল্প পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সিঙ্গুরের শিল্পে ব্যাঘাত নিয়ে এখনও খোঁচা মারতে ছাড়েন না বিরোধীরা। সম্প্রতি এসএসকেএম হাসপাতালে টাটাদের সঙ্গে রাজ্যের ক্যানসার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রকল্পের কথা জানিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শ্রী রতন টাটার উদ্যোগে আসামে আজ সাতটি অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন মাননীয় শ্রী @narendramodi; বাংলাতেও হতে পারতো যদি না বাংলার মানুষ 500 টাকা ভাতার টোপে পা দিয়ে পুনরায় তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনতো বা যদি না মাননীয়া আন্দোলন করে রতন টাটা কে বাংলা থেকে বিতাড়িত করতেন pic.twitter.com/RDxyvjqKdg Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 28, 2022অনুপম হাজরা টুইটে লিখেছেন, শ্রী রতন টাটার উদ্যোগে আসামে আজ সাতটি অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন মাননীয় শ্রী @narendramodi; বাংলাতেও হতে পারতো যদি না বাংলার মানুষ 500 টাকা ভাতার টোপে পা দিয়ে পুনরায় তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনতো বা যদি না মাননীয়া আন্দোলন করে রতন টাটা কে বাংলা থেকে বিতাড়িত করতেন{

এপ্রিল ২৯, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাতের জের, বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়র শপথ কবে?

বিজেপির সাংসদ হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন। মন্ত্রীত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর বিজেপি ছেড়ে দেন। রাজনীতি ছেড়ে দেব ঘোষণা করেও তৃণমূলে যোগ দেন। বালিগঞ্জের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয়ী হন। কিন্তু এখনও বিধায়ক হয়ে শপথ নিতে পারেননি বাবুল সুপ্রিয়। প্রায় ১০ দিন পেরিয়ে গিয়েছে এখনও জয়ী প্রার্থী হিসাবেই রয়ে গিয়েছেন বাবুল। কবে শপথ হবে তার দিনক্ষণও ঠিক হয়নি।রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাত যেন কিছুতেই কমছে না। এবার সংঘাতের বলি হলেন বালিগঞ্জ উপনির্বাচনে নবনির্বাচিত বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়। তার শপথগ্রহণ সংক্রান্ত ফাইল ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। তবে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, শপথের বিষয়ে রাজ্যপাল সাংবিধানিক ভাবে দায়বদ্ধ। তিনি কোনও শর্ত আরোপ করতে পারেন না। সূত্রের খবর, এবার একেবারে শপথের তারিখ উল্লেখ করে ফাইল পাঠাচ্ছে পরিষদীয় দফতর।বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব রাজ্যের কাছ থেকে মেলেনি রাজ্যপালের। সূত্রের খবর, এই কারণেই নাকি গোঁসা হয়েছে রাজ্যপালের। যদিও সরকারি ভাবে রাজ্যপাল বা রাজভবন থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। রাজ্য অপেক্ষা করে আছে রাজ্যপাল কী সিদ্ধান্ত নেন তার ওপর। অন্যদিকে নয়া বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয় হতাশ। বিধায়ক না হলে বিধানসভার কোনও কমিটিতেও থাকতে পারছেন না। আবার মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ থাকলেও বিধায়ক পদে শপথ নিতে হবে বাবুলকে।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু দুজনের, সিবিআই তদন্ত দাবি অনুপমের

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনা নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। গতকাল রাতে বীরভূমের ইলামবাজারে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষীর গাড়ির সঙ্গে ডাম্পারের ধাক্কা লাগে। মৃত্যু হয় শিশু কন্যাসহ দুজনের। ঈদের বাজার সেরে ওই দেহরক্ষী বাড়ি ফিরছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে সায়গল হোসেন। গরুপাচার কাণ্ডে এই দেহরক্ষীও সিবিআইয়ের নজরে রয়েছেন। তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই।অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। এদিন টুইটে বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক লিখেছেন, আশা করব সিবিআইয়ের সঙ্গে লুকোচুরি খেলাকালীন ওনার আর কোনও খুবই কাছের দেহরক্ষীর এরকম দুর্ঘটনা ঘটবে না। অতিশীঘ্রই সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবিতে আমার চিঠি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পৌঁছাবে।গরুপাচার কাণ্ডে ইতিমধ্য়ে সিবিআই ৬ বার তলব করেছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে। পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁকে সিবিআই তলব করেছে। এর আগে সিবিআই তলবের দিন অনুব্রত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর চিনার পার্কে নিজের ফ্লাটে যান। তাঁর আইনজীবী সিবিআইকে জানিয়ে দেয় তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে বলেছেন চিকিৎসকরা। তারপর ফের অনুব্রতর তরফে জানানো হয় মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তিনি সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন। সেখানে তিনি কয়েকটি শর্তও আরোপ করেছেন। এসবের মধ্যেই তাঁর দেহরক্ষীর গাড়ি গতকাল, মঙ্গলবার দুর্ঘটনার কবলে পরে। মৃত্যু হয় তার এক শিশু সহ দুজনের। দেহরক্ষীর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক।pic.twitter.com/jhRl42VtXD Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 27, 2022এদিন অনুপম হাজরা টুইটে আরও লেখেন, গতকাল রাতে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটে। সায়গলের মেয়ে মারা যায় ঘটনাস্থলেই। সায়গল হোসেনের অবস্থা সংকটজনক। যতদূর জানি, ওনার সবথেকে বিশ্বস্ত এবং কাছের দেহরক্ষী হলেন সায়গল হোসেন ....যাঁর ঘারে হাত রেখে বেশিরভাগ সময় উনি হাঁটাচলা করতেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে কেন আমন্ত্রণ জেটেনি? কী জানালেন শ্রীলেখা

সোমবার সন্ধ্যায় নজরুল মঞ্চে জমকালো ভাবে শুরু হল কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসব। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২৭তম বছরে পদার্পণ করল। গতবছর করোনা বিধিনিষধের কারণে এই উৎসব বাতিল করা হয়েছিল। তারকা-খচিত ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার তথাকথিত বিশিষ্ট শিল্পীরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। স্বনামধন্য চিত্র পরিচালক সন্দীপ রায়, গৌতম ঘোষ এছাড়াও অভিনেতা রঞ্জিৎ মল্লিক, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সাংসদ ও অভিনেত্রী নুসরত জাহান, শতাব্দী রায়, অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার, অভিনেত্রী ও যুব তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সায়নী ঘোষ, সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়-সহ অন্যান্যরা।এবছর বিশেষ অতিথি হিসাবে আমন্ত্রিত ছিলেন সদ্য আসানসোল উপ-নির্বাচনে জয়ী তৃণমূল সাংসদ সস্ত্রীক শত্রুঘ্ন সিনহা। বিগত কয়েকবছর ধরেই কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সুরটা একটা অন্য মাত্রায় বেঁধে দিয়ে গিয়েছিলেন বাংলার জামাই ভারতীয় চলচিত্রের শাহেনশা অমিতাভ বচ্চন। তাঁর উদ্বোধনী ভাষণ ছিল এক সুত্রে বাঁধা চলচিত্র ইতিহাসের মালা। চলচিত্র সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞ্যান না থাকা ব্যাক্তিও ভারতীয় চলচিত্রের ইতিহাস অবলীলায় গলধকরণ করে ফেলতে পারতেন। এবছরের অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন না, ছিলেন না বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বেসাডার শাহরুখ খান।মে মাসের প্রথম দিন পর্যন্ত চলবে চলচ্চিত্র উৎসব। চল্লিশটি দেশের মোট ১৬৩টি চলচিত্র দেখানো হবে শহরের ১০টি প্রেক্ষাগৃহে। ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ফোকাস কান্ট্রি ফিনল্যান্ড। ফিনল্যান্ডের সাতটি ছবি এবারের উৎসবে দেখানো হবে। এছাড়াও ভারতবর্ষের স্বাধীনতার হীরকজয়ন্তী পূর্তির জন্য কয়েকটি বিশেষ ছবি রাখা হয়েছে।  চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে শতবর্ষ উপলক্ষে সম্মান জানানো হচ্ছে দুই কিংবদন্তী সত্যজিৎ রায় ও চিদানন্দ দাশগুপ্তকে।ভেনিস চলচিত্র উৎসবউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলকাতার খ্যাত / অখ্যাত চিত্র ও টেলিভিশন দুনিয়ার নামী বা উঠতি অভিনেতা অভিনেত্রীদের উপস্থিতি দেখা গেলেও, উল্লেখযোগ্য অনুপস্থিতি শ্রীলেখা মিত্র। নব্বইয়ের দশকে যাঁর অভিনয় যাত্রা শুরু, প্রচুর জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিয়ালে তিনি সাফল্য ও যোগ্যতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন। একাধিক পুরস্কারের বিজয়িনী শ্রীলেখা ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়ে গেছেন। কিন্তু তাঁর প্রাণের শহর মনের শহরে অনুষ্ঠিত কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রণ-ই পেলেন না শ্রীলেখা! সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী- লিখেছেন এটা কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? প্রশ্ন অভিনেত্রীর।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসব থেকে কোনও ইনভাইট আসেনি। এমনকি একটা ফোন পর্যন্ত না। এটা কি আমার পলিটিক্যাল ওপিনিয়ান-এর কারণে না অন্য কোনও অজ্ঞাত কারণ আছে? টিএমসি সরকার কি ভিন্ডিক্টটিভ মাইরি! অভিনেত্রী জনতার কথা কে জানিয়েছেন তাঁর বামপন্থী মনোভাবাপন্নতার জন্যই সংগঠকরা প্রতিহিংশাপরায়ণ হয়ে তাঁকে ব্রাত্য করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, তিনি সেই ভাবে তোষামোদ করতে পারেন না বলেই তাঁকে কাজ দেওয়া হয় না। শ্রীলেখা জনতার কথা কে আরও বলেন, সমগ্র বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে শিল্পীর কোনও রাজনৈতিক সত্ত্বা দেখা হয় না। সেটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত। কিন্তু এই চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চের মানুষজনকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে এটা তৃণমূল সরকারের প্রোগ্রাম।সামাজিক মাধ্যমে তাঁর কোনও এক গুনাগ্রাহীর প্রশ্নের প্রত্যুত্তরে তিনি লেখেন যে আন্তর্যাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মঞ্চে উঠেছে তাঁর কাছে এই মঞ্চ...। তাঁর এই শ্লেষ থেকে এটুকু বুঝতে অসুবিধা হয় না, তিনি আমন্ত্রণ পেয়ে উপস্থিত হওয়ার থেকে তাঁর কাছে অনেক মূল্যবান তাঁর শিল্পী সত্তার সন্মান। কিছুদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের রেড কার্পেটে হেঁটে এসেছেন। যে চলচিত্র উৎসবকে বিশ্বের সেরা তিন চলচ্চিত্র উৎসবের মধ্যে একটি ধরা হয়। তিনি নিউইয়র্ক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছেন পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা সিনেমার জন্য। আর কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেই স্বনামধন্য অভিনেত্রীকেই তাঁর নিজের রাজ্যের চলচ্চিত্র উৎসবে নিমন্ত্রণ করা হল না!নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টলিপাড়ার ছোট বড় মাঝারি বহু তারকার দেখা মিললেও, শ্রীলেখার দেখা মেলেনি। শ্রীলেখা বরাবরই বামপন্থী রাজনীতির সমর্থক। এমনকী গত বিধানসভা নির্বাচনে চিত্র জগতের যখন ফুলমেলা চলছিল, কে কোন ফুল হাতে নেবে তাঁর প্রতিযোগিতা চলছিল, তখনও তিনি তাঁর মতাদর্শ আঁকড়ে কাস্তেকেই বেছে নিয়েছিলেন। শ্রীলেখা মিত্র ওই নির্বাচনে সারা বাংলা জুড়ে বাম শিবিরের হয়ে প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন। তিনি বরাবরই প্রতিবাদী, শ্রীলেখা টলি-ইন্ড্রাস্ট্রির স্বজনপোষণ ও নানা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়েও সরব হয়েছেন একাধিকবার। অভিজ্ঞ মহলের মতে, হয় তো তারই মাশুল গুণতে হল অভিনেত্রীকে!

এপ্রিল ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ধাওয়ান, রানের শিখরে পাঞ্জাব কিংস

দুরন্ত ছন্দে শিখর ধাওয়ান। একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন করার করার সঙ্গে সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে গেলেন। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তুলল পাঞ্জাব কিংস। ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন শিখর ধাওয়ান।মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন মুখোমুখি হয়েছিল পাঞ্জাব কিংস ও চেন্নাই সুপার কিংস। প্লে অফে যাওয়ার জন্য দুই দলের কাছেই এদিনের ম্যাচ ছিলই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিন মাঠে নামার আগে ৭ ম্যাচ খেলে পাঞ্জাব কিংসের পয়েন্ট ছিল ৬। চেন্নাই সুপার কিংসের পয়েন্ট ছিল ৪। অষ্টম স্থানে থাকা পাঞ্জাবের পরেই চেন্নাই সুপার কিংস রয়েছে নবম স্থানে।এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় চেন্নাই সুপার কিংস। পাঞ্জাবের প্রথম উইকেট পড়ে ৩৭ রানের মাথায়। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২১ বলে ১৮) তুলে নেন মহেশ থিকসানা। এরপরই দলকে দারুণভাবে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও ভানুকা রাজাপক্ষে। নিজের ২০০ তম আইপিএল ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগ তিনি এদিন দেননি। ভানুকা রাজাপক্ষর সঙ্গে জুটিতে শিখর ধাওয়ান তোলেন ১১০ রান। এই জুটিই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়।১৭.২ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এক ওভার পরেই লিয়াম লিভিংস্টোনকেও তুলে নেন ডোয়েন ব্র্যাভো। ৭ বলে ১৯ রান করেন লিভিংস্টোন। শিখর ধাওয়ানকে অবশ্য থামাতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ধাওয়ান। ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কার সাহায্যে তিনি এই রান করেন। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন জনি বেয়ারস্টো। ৩ বলে তিনি করেন ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস।এদিন ৩৭ বলে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় তথা আইপিএল কেরিয়ারে ৪৬ তম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শিখর ধাওয়ান। চলতি আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ধাওয়ান করেছিলেন ৪৩। এরপর নাইট রাইডার্স ম্যাচে ১৬, লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৩৩, গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৩৫, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৭০ রান করেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচে ৮ ও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৯ রানে আউট হয়েছিলেন। তারপর আজ দুরন্ত হাফ সেঞ্চুরি।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

খোলা চিঠি, বিরাট কোহলিকে এ কী পরামর্শ দিলেন এক ভক্ত!

চলতি আইপিএলে ব্যাটে রান নেই বিরাট কোহলির। হতাশ কোহলিভক্তরা। চারিদিকে সমালোচনার ঝড়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই কোহলিকে নিয়ে মিম ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ কেউ আবার লিখেছেন, এক বলের খদ্দের। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভক্ত আবার কোহলিকে উদ্দেশ্য করে খোলা চিঠি লিখেছেন।কোহলির উদ্দেশ্যে ওই ভক্ত লিখেছেন, বিরাট ভাই, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের তাড়াহুড়ো এবং মুম্বাইয়ের প্রচণ্ড উত্তাপ একটানা ম্যাচ খেলতে অনেক সমস্যা তৈরি করছে। এই সবের মাঝে, করোনার কারণে দলগুলির জন্য তৈরি বায়ো বাবলটিও একটি কঠিন বিষয়, যেখানে আপনি আপনার পরিবার এবং কাছের মানুষদের থেকে দূরে রয়েছেন। করোনার মাঝামাঝি সময়ে অনেকেই এমন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও আপনি একটানা ক্রিকেট খেলছেন, যেটা একটা দারুণ ব্যাপার।কিন্তু আইপিএলের এই মরশুমে ব্যাট নিয়ে যা হয়েছে তা দেখার মতো নয়। টানা দুই ম্যাচে গোল্ডেন ডাকে আউট হওয়া কোনও ব্যাটারের জন্য সাধারণ ব্যাপার নয়। আমরা ক্রিকেট ভক্ত, আমরা সমালোচক, আমরা দুঃখ বোধ করি, কিন্তু আমরা জানি আপনি নিশ্চয়ই এর থেকেও বেশি কষ্ট, কষ্ট ও যন্ত্রণা ভোগ করছেন।এই ঘটনা শুধু চলতি আইপিএলের কথা নয়। এটা ২০১৯ সাল থেকে চলছে। যখন আপনি আপনার শেষ আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি করেছিলেন। আপনার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটজীবন যখন শুরু হয়েছিল, তখন থেকেই সেঞ্চুরির ঝাপটা ছিল। তখন সবাই বলত এই ছেলেটা একদিন শচীন তেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙবে। তখন আমরা বিশ্বাস করিনি। কিন্তু আপনি আমাদের সকলকে ভুল প্রমাণ করেছেন।পরপর দুই ম্যাচে প্রথম ম্যাচেই গোল্ডেন ডাকে আউট হওয়া কোনও ব্যাটারের জন্য সাধারণ ব্যাপার নয়। বিশেষ করে আপনার মতো ব্যাটারের জন্য তো নয়ই। ২০১৯ এবং ২০২২ এর মধ্যে যা কিছু ঘটেছে তা সেই বিশ্বাসের ভিত্তিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। সবকিছু সবসময় এক রকম থাকে না, সকাল হলে সন্ধ্যাও হবে। ব্যাটার ভালো ফর্মে থাকলে খারাপ সময়ও আসবে। যা আপনার প্রিয়জনরা অনুভব করছেন।আপনাকে আর আগের মতো মাঠের মধ্যে আবেগে ভাসতে দেখা যায় না। আপনার অধিনায়কত্ব চলে যাওয়ার পর এটি আরও দৃশ্যমান হয়েছে। সেই রকম উৎসাহ, সেই রকম আবেগ মাঝে মাঝে মাঠে দেখা যায়। কিন্তু রানের জন্য ক্ষুধার্ত বিরাটকে আর প্রতিপক্ষ দলে দেখা যাচ্ছে না। খারাপ ফর্মের চেয়েও, এটি একজন ভক্তের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ, আমরা যে রাজা কোহলিকে চিনি তা হারিয়ে গেছে।টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে আপনার সাথে কাজ করেছেন এবং আরও অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন যে আপনার বিরতি নেওয়া উচিত। লম্বা বিরতি. বর্তমান যুগে যে সমস্ত ক্রিকেট হচ্ছে তার মাঝে আপনি ঘন ঘন বিরতি নিচ্ছেন। তবে এটা একটা সিরিজ, কয়েকটা ম্যাচ, তার মধ্যেও আপনি একটা অ্যাড ফিল্মের শুটিংয়ে ব্যস্ত। এই পর্বটি শেষ করতে, আপনার রবি শাস্ত্রী এবং অন্য সবার কথা শোনা উচিত, সম্ভবত এটি আরও ভাল প্রমাণিত হবে।আপনাকে অবশ্যই বিজ্ঞাপন ফিল্মের জগৎ থেকে বিরতি নিতে হবে, ক্রিকেট মাঠ থেকে দূরে। যেখানে শুধু আপনি, আপনার স্ত্রী, কন্যা এবং পরিবারের সদস্যরা আছেন। জনগণের তাড়াহুড়ো বা আমাদের মতো ভক্তরাও নয় যারা আপনার প্রতিটি কাজের উপর নজর রাখছে। এই বিরতি সম্ভবত আপনার ফর্ম, আপনার মনোবল এবং ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য একটি লাইফলাইন হবে। যাই হোক, একটা কথা প্রচলিত আছে যে সিংহ যখন দুই পা পিছিয়ে যায় তার মানে এই নয় যে সে হেরে যাচ্ছে, বরং সে তার লক্ষ্যের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।এই আইপিএলে এখন পর্যন্ত ৮ ম্যাচে ১১৯ রান করেছেন। আমরা যদি সমস্ত ইনিংসের দিকে তাকাই, আপনার স্কোর হল ৪১, ১২, ৫, ৪৮, ১, ১২, ০, ০। প্রথম ম্যাচে আপনাকে রান করতে দেখে আশা জাগে এবং মনে হয়েছিল এই আইপিএলে ইতিহাস তৈরি হবে। কিন্তু ইতিহাসের ভাষা বদলে গেছে। এটা একজন আন্তর্জাতিক স্তরের ব্যাটারের সঙ্গে ঘটে। কিন্তু আপনি আলাদা এবং আপনি যেভাবে আউট হন এবার সেটা একেবারেই আলাদা। আপনি রানে ফিরবেন আমরা নিশ্চিত। আমাদের থেকে আপনি নিজের ওপর বেশি বিশ্বাস রাখুন।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন! এ কী করলেন শিখর ধাওয়ান!

চলতি আইপিএলে একই দিনে তিনটি মাইলস্টোন। দুর্দান্ত নজির গড়লেন শিখর ধাওয়ান। এদিন চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২০০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন শিখর ধাওয়ান। এটা একটা মাইলস্টোন। আর আইপিএলে ২০০ তম ম্যাচ খেলার দিনেও আরও দুটি নজির গড়লেন পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনার। এদিন তিনি আইপিএলে ৬০০০ রানের সীমা অতিক্রম করে গেলেন। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। শুধু তাই নয়, টি২০ ক্রিকেটে ৯০০০ রানের মাইলস্টোনেও পৌঁছে গেলেন শিখর ধাওয়ান। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার পর তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন।টি২০ ক্রিকেটে বিরাট কোহলির মোট রান ১০৩৯২। আর রোহিত শর্মা টি২০ ক্রিকেটে করেছেন ১০০৪৮ রান। চলতি আইপিএলেই তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন। আর শিখর ধাওয়ান সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৯ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছলেন। এদিন মহেশ থিকসানাকে স্লগসুইপ করে ছক্কা মেরে টি২০ ক্রিকেটে ৯ হাজার রানে পৌঁছন শিখর ধাওয়ান।চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আইপিএলে ৪৫টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন শিখর ধাওয়ান। সবথেকে বেশি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড ডেভিড ওয়ার্নারের দখলে। তিনি করেছেন ৫২টি হাফ সেঞ্চুরি। হাফ সেঞ্চুরির দিক দিয়ে শিখর ধাওয়ান রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। সবথেকে বেশি বাউন্ডারি মারার রেকর্ড অবশ্য পাঞ্জাব কিংসের এই ওপেনারের দখলে। তিনি মোট ৬৭৫টি বাউন্ডারি মেরেছেন। ২০১৯ সাল থেকে আইপিএলের প্রতিটা সংস্করণে ৫০০র বেশি রান করেছেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে ৭ ম্যাচে শিখর ধাওয়ানের সংগ্রহ ছিল ২১৪ রান। সর্বাধিক ৭০। গড় ৩০.৫৭, স্ট্রাইক রেট ১২৬.৬৩। আইপিএলে শিখরের দুটি সেঞ্চুরি রয়েছে শিখর ধাওয়ানের। দুটিই সেঞ্চুরিই এসেছিল ২০২০ সালে। এবছরও খুব একটা খারাপ ফর্মে নেই। বছরের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ম্যাচগুলিতে ধারাবাহিকভাবে রানের মধ্যে থাকলে আবার জাতীয় দলে জায়গা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হবে ধাওয়ানের।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
রাজ্য

ছাত্র-মৃত্যুতে বিশ্বভারতীর উপাচার্যের মানবিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা

বিশ্বভারতীর উপাচার্যের মানবিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অধ্যাপক অনুপম হাজরা। বিশ্বভারতীর দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র অসীম দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের আবেদন ছিল উপাচার্য যেন একবার কথা বলেন তাঁদের সঙ্গে। সেই আবেদন রাখেননি উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্য়াপক অনুপম হাজরা সোশাল মিডিয়ায় উপাচার্যের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।গতকাল, শুক্রবার রাতে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে মৃত ছাত্র অসীম দাসের দেহ শববাহী গাড়িতে রেখে চলে তুমুল বিক্ষোভ চলে। তাঁর বাড়িতে ঢোকার বড় ফটক ভেঙে ঢোকে বিক্ষোভকারীরা। তবে পরের গেটটি আর ভাঙতে পারেনি। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, উপাচার্য বেরিয়ে এসে একবার কথা বলুন মৃতের পরিবারের সঙ্গে। কিন্তু মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেননি উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এই ঘটনার জেরে উপাচার্য নিরাপত্তা চেয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছেন। এদিকে, উপাচার্যের এই মনোভাবের বিরুদ্ধে সরব বিভিন্ন মহল। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক তথা প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এব্যাপারে সরব হয়েছেন।গত বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতীর পাঠভবনের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র অসীম দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। ছাত্রাবাসের একটি ঘর থেকে ওই ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। অসীমের পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে খুন করা হয়েছে। অসীমের শরীরের একাধিক জায়গায় ক্ষতচিহ্ন মিলেছে বলেও তাঁদের দাবি। পুলিশ আসার আগেই মৃতদেহ নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পিছনে ষড়যন্ত্র দেখছে ছাত্রের পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, মৃত্যুর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বিশ্বভারতী কতৃপক্ষ। শান্তিনিকেতন থানায় খুন, প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।#Death_of_student_in_VisvaBharati #বিশ্বভারতীতে_ছাত্রের_মৃত্যু pic.twitter.com/OBT9CokNNM Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 23, 2022শুক্রবার অসীমের পরিবারের সদস্যরা উপাচার্যের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছিলেন। তাঁরা একবারের জন্য উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলতে চাইছিলেন। বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের একাংশ তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। তারপর রাত শববাহী গাড়ি জোর করে গেট খুলে উপাচার্যের বাড়ির সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। তবুও দেখা মেলেনি উপাচার্যের। এই ঘটনার পর উপাচার্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে নিরাপত্তার আর্জি জানিয়েছেন। শনিবার সকাল থেকে তৎপর হয়েছে পুলিশ।বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক তথা বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা বলেন, বিশ্বভারতীর ছাত্র মৃত্যু যথেষ্ট বেদনাদায়ক। সদ্য সন্তানহারা বাবা-মায়ের ব্যাকুল আর্তির কথা মাথায় রেখে উপাচার্যের উচিত ছিল অন্তত একবার ছাত্রের পরিবারের সঙ্গে দেখা করা। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে অন্তত এটুকু মানবিকতা কাম্য।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • ...
  • 51
  • 52
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

অনুদান নিলেই মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বীরভূমে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন দিলীপ

দুর্গাপুজোর আগে বীরভূমে সরকারি অনুদান এবং পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাঁইথিয়ায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। ছবি না লাগালে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন বলে অভিযোগ।মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। পুজোর মুখে সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর বিষয়টি কীভাবে যুক্ত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের তরফেও এই মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়।বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও নির্দেশ বর্তমান সরকার দেয়নি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে এমন শর্ত দেওয়া হত। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে অনুদান পাওয়া যেত না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বর্তমান সরকার এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেয়নি। তাঁর কথায়, পুজো কমিটিগুলি যেন ভালোভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোকে বাধ্যতামূলক করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।দিলীপ ঘোষের সুরেই বক্তব্য রাখেন বিজেপির আর এক শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি অনুদান পাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের কোনও শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি জানান।প্রসঙ্গত, আগের সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি প্রচারের ছবি দেখা যেত। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিরাপদে গাড়ি চালানোর প্রচার-সহ নানা সরকারি বার্তা পুজোর মণ্ডপে তুলে ধরা হত। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে বীরভূমের বিজেপি নেতার মন্তব্য এবং দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এক দিকে জেলা স্তরের নেতার তরফে ছবি লাগানোর কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এমন কোনও সরকারি নির্দেশ নেই।ফলে সরকারি অনুদান নিলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আপাতত জিইয়ে রইল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal