• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UN

রাজ্য

সিভিকদের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ মালদায়, চালককে বেধরক মারধরের ভিডিও ভাইরাল

এর আগেও নানা ক্ষেত্রে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। আরজি কর কাণ্ডে সিভিক দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। এবার ঘটনার ক্ষেত্র মালদা। সিভিক ভলেন্টিয়ারের দাদাগিরি চলল!তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা না দেওয়ায় গাড়ি চালককে টেনেহিঁচড়ে গাড়ি থেকে নামিয়ে ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কর্তব্যরত তিন সিভিক ভলেন্টিয়ার্সের বিরুদ্ধে।সামাজিক মাধ্যমে সেই ভিডিও ভাইরাল। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেলাবাড়ি নাকা পয়েন্টে। জখম গাড়ি চালক। হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন চালক। জখম গাড়ি চালকের নাম রুহুল আলী। তার বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের বাংরুয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,গাড়ি চালক ব্যবসায়ীদের গরু ডালখোলা হাট থেকে নিয়ে আসছিলেন। সঙ্গে ছিল গাড়ির মালিক। ভেলা বাড়ি নাকা পয়েন্টে তিন সিভিক গাড়ি আটকান। এক হাজার টাকা দাবি করেন। চালক পাঁচশ টাকা দিতে চাইলে সেই টাকা নিতে অস্বীকার করেন সিভিক। এরপর তিন জন সিভিক চালককে গাড়ি থেকে নামিয়ে নাকা পয়েন্টের ভিতরে ঘরে ঢুকিয়ে বেধড়ক মারধর করে। চালকের হাতে আঘাত লাগে। হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতালে চিকিৎসা করান চালক।

মার্চ ০৮, ২০২৫
রাজ্য

মতুয়া মেলা উপলক্ষ্যে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে দুই পরিবারের আলাদা আলাদা নিশান উত্তোলন

প্রতিবছর হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি (মধু কৃষ্ণ ত্রাদশীতে ) উত্তর ২৪ পরগনা ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ির কামনা সাগরে পুন্য স্নান হয়। স্নান উপলক্ষ্যে দূরদূরান্ত থেকে মতুয়া ভক্তরা এই দিনে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে আসেন। পুন্য স্নান উপলক্ষ্যে ঠাকুরনগরে বসে মতুয়া ধর্ম মহামেলা। এবছর মার্চ মাসের ২৭ তারিখে সেই পুন্য স্নান পড়েছে। বুধবার ঠাকুরবাড়িতে মতুয়া নিশান উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মেলার সূচনা হয়। তবে মমতা ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ এবং শান্তনু ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা নিশান উত্তোলন হয়েছে। আর সেখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে এবছর মতুয়া ধর্ম মহামেলার রাশ কার হাতে থাকবে। তবে মমতাবালা ঠাকুর বলেন, তিনি চাইছেন মতুয়াদের দুটি সংগঠন একত্রিতভাবে ধর্ম মহামেলা করুক। একত্রিত হবে মেলা করার বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। আলোচনা কোন পর্যায়ে পৌঁছাবে সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। শান্তনু ঠাকুরের অল ইন্ডিয়া মতুয়া সঙ্গে সভাপতি রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, দুই পরিবার একত্রিতভাবে মেলা করা নিয়ে একটা কানাঘুষা চলছে। আশা করা যায় সমস্ত অসুবিধা মিটে যাবে।

মার্চ ০৫, ২০২৫
কলকাতা

রণক্ষেত্র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ভাঙচুর, জখম ছাত্র-অধ্যাপক

হুলস্থুল কাণ্ড যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে, শিক্ষা মন্ত্রীর গাড়ির চাকার হওয়া খুলে দিল ছাত্রছাত্রীরা একেবারে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। আটকে পড়লেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বাম ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তুমুল ধস্তাধস্তি চলে। ক্যাম্পাসের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলতা। অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির চাকার হাওয়া খুলে দেওয়া হয়েছে। মূলত, ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দাবিকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ভাষণ চলাকালীন সেখানে ঢুকে পড়ে বাম সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের কয়েকজন সদস্য। তারপর চেয়ার ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কির জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপকদের অনেকেই বলে অভিযোগ। ব্রাত্যের গাড়ির চাকার হাওয়া খুলে দেওয়া হয়। চোর-চোর এবং গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়। মন্ত্রীর গাড়ির বেনেটেও উঠে পড়ে ছাত্ররা। ওয়েবকুপার বার্ষিক সভা শুরুর আগে ছাত্র ভোট চেয়ে সভাগৃহের বাইরে এসএফআইয়ের সদস্যরা হোর্ডিং, পোস্টার টাঙিয়ে দিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার দাবি জানাতে থাকেন। এরপরই ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির জন্য টিএমসিপি (TMCP) প্রতিবাদ করতেই দুই ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় তিন নাম্বার গেট দিয়ে ওয়েব কুপার মিটিংয়ে নিয়ে যাওয়া হয় শিক্ষামন্ত্রীকে। ছাত্র বিক্ষোভে আটকে থাকা অবস্থায় ব্রাত্য বসু বলেন, এটাই হচ্ছে এই সব (বাম-অতিবাম) ছাত্র সংগঠনের গণতন্ত্র। এরাই রাস্তায় নেমে অসভ্যতা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধৈর্যে বিশ্বাস করেন। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন। আমরা সহিষ্ণুতার পাঠ জানি। আমি ওদের বললাম আপনারা দুজন আসুন। ওরা বলল চল্লইস জন যাব। আর এতজন মিলে কথা হয়। এরপরই ওরা বাধা দেয়। আমাদের প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে যাতে পুলিশ ডাকি। কিন্তু সেটা করব না।দুপক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় বেশ কয়েকজন পড়ুয়া ও অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেই খবর। এদিকে বৈঠক ছেড়ে বেরোনোর সময় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গাড়িতে ভাংচুর চালানো হয়। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গাড়ির কাঁচ। যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড-এ অবস্থান SFI-এর। এদিকে গোটা ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী। তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় SSKM হাসপাতালে। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেঁড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে গিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ আজকের হামলাকে প্রাণঘাতী হামলা বলে উল্লেখ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এক পোস্টে লিখেছেন, তৃণমূলের সৌজন্য মানে দুর্বলতা নয়। গায়ে হাত দেবে কেন? শাসক বলে সংযত নিশ্চয় থাকা উচিত। কিন্তু বাঁদরামি সীমা পার করলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া উচিত।

মার্চ ০১, ২০২৫
রাজ্য

দুএকটি ওয়ার্ড ছাড়া বর্ধমান শহরের কোনও ওয়ার্ডে উন্নয়ন হয়নি, বিস্ফোরক তৃণমূল কাউন্সিলর

বর্ধমান পুরসভার উন্নয়ন নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন তৃণমূল কাউন্সিলর বসির আহমেদ ওরফে বাদশা। তাঁর দাবি, দুএকটি ওয়ার্ড ছাড়া পুর এলাকার কোনও ওয়ার্ডে উন্নয়ন হয়নি। রাস্তা হয়নি বেশিরভাগ ওয়ার্ডে। বরং না নোটিশ দিয়ে ফুটপাতের দোকান ভাঙতে মরিয়া। বসির আহমেদ বলেছেন,বর্ধমান পুরসভা এলাকায় ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাড়া কোনও ওয়ার্ডে উন্নয়ন হয়ৃনি। ৩৩টা ওয়ার্ডে কোনও কাজ হয়নি। দেখাতে পারবেন কোথায় কি রাস্তা হয়েছে? এক ঘন্টা বৃষ্টিতে বাবুরবাগ ডুবে গিয়েছে। প্রতিবছর লহর সংস্কার হয়। এবছর লহর সংস্কার হয়নি। নিকাশি ব্যবস্থা কিছু হয়নি। চেয়ারম্যান ও বিধায়কদের জানিয়ে কিছু হয়নি। শুধু ফুটপাতের দোকানদারদের ওপর হিংসা। তাদের উচ্ছেদ করতে কোনও নোটিশ দেওয়া হয়নি। অন্ধকারে এসে দোকান বন্ধ ছিল ভেঙে চলে গিয়েছো। এর ফল পাবে। আমরা কিছু করতে করতে পারব না। বিধানসভা ভোটেই পাবে। লোকসভা ভোটে এই ওয়ার্ডে তৃণমূল লিড পেয়েছে। কিন্তু এরপর জনগন কি করবে জানি না। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, মাস পিটিশন করে বিষয়টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাবেন। কোথাও হকার উচ্ছেদ নেই অথচ ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে হকার উচ্ছেদ হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনে পালিত হবে না আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস

শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনে এবার পালিত হবে না আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস। তবে বিশ্বভারতীতে যথারীতি মর্যাদার সঙ্গে পালিত হবে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস। বিশ্বভারতী সূত্রে খবর, বাংলাদেশ ভবনের সংস্কার চলছে। তাই এবছর বাংলাদেশ ভবনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্থগিত থাকছে।এদিকে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর, সে দেশে টালমাটাল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশ ভবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। যদিও, এর প্রভাব বাংলাদেশ ভবনের উপর আদৌ পড়বে না বলে বাংলাদেশ ভবন আধিকারিক সূত্রে খবর।এ ব্যাপারে বিশ্বভারতীর জনসংযোগ আধিকারিক (ভারপ্রাপ্ত) এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানান, অন্যান্য বছরের মতো এবছরও যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে ২১ ফেব্রুয়ারি ইউনেস্কো-ঘোষিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে বিশ্বভারতী। ওইদিন সকাল সাড়ে আটটায় আন্তর্জাতিক অতিথি নিবাসের সামনে থেকে (পূরবী গেট) একটি সাংগীতিক পরিক্রমা পৌঁছোবে ইন্দিরা গান্ধী কেন্দ্রে। সেখানে ভাষাশহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।২০১৭ সালে শান্তিনিকেতনে পূর্বপল্লীর পিছনের মাঠে ১ লক্ষ ৪০ হাজার বর্গ ফুট জায়গাজুড়ে তৈরি হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ ভবন ৷ বাংলাদেশ সরকারের ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল এই ভবন ৷ দুই বাংলার সংহতির প্রতীক এই ভবনের নকশা নিজে হাতে তৈরি করেছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৷ ২০১৮ সালের ২৫ মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ভবনের উদ্বোধন করেছিলেন৷ সেই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
দেশ

নির্মলা সীতারামনের বাজেটে মধ্যবিত্তের কতটা সুরাহা হোল? জানুন

সংক্ষেপে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬গড় মাসিক আয় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কোন আয়কর নয়; লক্ষ্য মধ্যবিত্ত পরিবারের সঞ্চয় এবং ভোগ ব্যয় বাড়ানো।নতুন কর কাঠামোয় বেতনভোগী বর্গের বার্ষিক ১২.৭৫ লক্ষ টাকা আয়ে করের পরিমাণ শূন্য।কেন্দ্রীয় বাজেটে উন্নয়নের চারটি চালিকাশক্তি চিহ্নিত কৃষি, অণু-ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্প, বিনিয়োগ এবং রপ্তানি।কৃষকদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী ধন-ধান্য কৃষি যোজনা-র আওতায় আসবে কৃষি উৎপাদনশীলতায় পিছিয়ে থাকা ১০০টি জেলা।তুর, অড়হর এবং মুশুর ডালের উৎপাদন বাড়াতে মিশন ফর আত্মনির্ভরতা ইন পালসেস।পুনর্মাজিত সুদ ছাড় প্রকল্পের মাধ্যমে কেসিসি-র আওতায় ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ।অর্থবর্ষ ২৫-এ আর্থিক ঘাটতি ৪.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান, অর্থবর্ষ ২৬-এ তা ৪.৪ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য।ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্রে ঋণের সংস্থান বৃদ্ধি, জামিনযুক্ত ঋণের সীমা ৫ কোটির বদলে ১০ কোটি টাকা।মেক ইন ইন্ডিয়ায় গতি আনতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শিল্প ক্ষেত্রকে নিয়ে আসা হচ্ছে জাতীয় উৎপাদন অভিযানের আওতায়। সরকারি স্কুলগুলিতে আগামী ৫ বছরে ৫০,০০০ অটল টিঙ্কারিং ল্যাব।শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উৎকর্ষ কেন্দ্র, মোট বরাদ্দ ৫০০ কোটি টাকা।পিএম স্বনিধি-র আওতায় ব্যাঙ্ক থেকে আরও ঋণ, ইউপিআই সংযুক্ত ক্রেটিড কার্ডের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বসীমা ৩০,০০০ টাকা।গিগ কর্মীদের পরিচয়পত্র, ই-শ্রম পোর্টালে নিবন্ধন এবং পিএম জন আরোগ্য যোজনার আওতায় স্বাস্থ্য পরিষেবা।উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে শহর কর্মসূচির আওতায় নগরাঞ্চলের সমস্যা দূর করতে ১ লক্ষ কোটি টাকা।ছোট মডিউলার রিঅ্যাক্টার নিয়ে গবেষণার জন্য পরমাণু শক্তি মিশন বাবদ ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে পুনর্মাজিত উড়ান প্রকল্পের আওতায় নতুন ১২০টি গন্তব্য।১ লক্ষ আবাসন নির্মাণে গতি আনতে ১৫,০০০ কোটি টাকা এসডাব্লুএএমআইএইচ তহবিল গড়ে তোলা হবে।গবেষণা এবং উদ্ভাবনমূলক উদ্যোগে বেসরকারি ক্ষেত্রের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে বরাদ্দ ২০,০০০ কোটি টাকা।১ কোটিরও বেশি প্রাচীন লিপি ও লেখ সংরক্ষণে জ্ঞান ভারতম মিশন।বীমা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের সীমা ৭৪ থেকে বেড়ে ১০০ শতাংশ।বিভিন্ন আইনের ১০০-রও বেশি সংস্থানকে অপরাধের তকমামুক্ত করা।আপডেটেড আয়কর রিটার্নের সময়সীমা ২ বছর থেকে বেড়ে হচ্ছে ৪ বছর।টিসিএস প্রদানে বিলম্বকে অপরাধের তকমামুক্ত করা।ভাড়াবাবদ টিডিএস ২.৪ লক্ষ থেকে বেড়ে ৬ লক্ষ টাকা।ওপেন সেলের ক্ষেত্রে আইপিএফডি-র ওপর শুল্কে রেহাই।ব্যাটারি উৎপাদনে গতি আনতে বৈদ্যুতিক যানের এবং মোবাইল ব্যাটারি উৎপাদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মূলধনে কর রেহাই।জাহাজ নির্মাণে কাঁচামাল এবং উপকরণের ওপর ১০ বছরের জন্য শুল্কে ছাড়।হিমায়িত মাছের পেস্টে শুল্কের হার ৩০ থেকে কমে ৫ শতাংশ, মাছ থেকে তৈরি তরল সারের ক্ষেত্রে শুল্কের হার ১৫ থেকে কমে ৫ শতাংশ।সংসদে আজ ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তার সংক্ষিপ্তসার বিভাগ - কবাজেটে সকলের বিকাশ-এর মন্ত্র অনুযায়ী প্রত্যেকটি অঞ্চলের সুষম উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিকশিত ভারতের মূল নীতিগুলি তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী :১. সম্পূর্ণ দারিদ্র্য দূরীকরণ;২. বিদ্যালয়ে শিক্ষার উৎকর্ষমান সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়া;৩. সকলের জন্য সার্বিক, উন্নত এবং সুলভ চিকিৎসা পরিষেবা;৪. উপযুক্ত নিয়োগ এবং শ্রমশক্তির দক্ষতাকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাওয়া;৫. অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে মহিলাদের অংশগ্রহণ ৭০ শাতংশে নিয়ে যাওয়া; এবং৬. দেশকে সারা বিশ্বের খাদ্য থালি করে তুলতে কৃষকদের ভূমিকায় অগ্রাধিকার।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬-এ বিকাশ হার বৃদ্ধি, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্খাকে মর্যাদা দেওয়া এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্তবর্গের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। দরিদ্র, তরুণ প্রজন্ম, কৃষক এবং মহিলাদের উন্নয়নে বিশেষ সংস্থান রয়েছে এই বাজেটে। কর, বিদ্যুৎ, নগরোন্নয়ন, খনি, আর্থিক ক্ষেত্রে সংস্কার ও নিয়ন্ত্রণমূলক কাঠামোকেও পরিমার্জিত করে ভারতের বিকাশের যাবতীয় সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার এবং বিশ্বের বাজারে এদেশের পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা বাড়ানোর বিষয়গুলিও বাজেটে প্রাধান্য পেয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেট বলেছে যে কৃষি, ক্ষুদ্র-মাঝারি ক্ষেত্র, বিনিয়োগ এবং রপ্তানি বিকশিত ভারতের পথে যাত্রার মূল চালিকাশক্তি।প্রথম চালিকাশক্তি : কৃষি বাজেটে প্রধানমন্ত্রী ধন-ধান্য কৃষি যোজনা-র ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এর আওতায় আসবে ১০০টি জেলা। লক্ষ্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শস্যের বৈচিত্র্য, ফসল পরবর্তী মজুত ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্প মেয়াদি ঋণের সংস্থান সহজতর করা। সূচনা হবে বহুক্ষেত্রিক গ্রামীণ সমৃদ্ধি এবং স্থিতিস্থাপকতা কর্মসূচির। রাজ্যগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই কর্মসূচির আওতায় দক্ষতায়ন, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের প্রসারের পাশাপাশি সামগ্রিক ভাবে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ ত্বরান্বিত হবে। বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে গ্রামের মহিলা, তরুণ কৃষক, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এবং ভূমিহীন পরিবারগুলিকে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যে সরকার ৬ বছরের মিশন ফর আত্মনির্ভরতা ইন পালসেস নামে একটি কর্মসূচি চালু করবে। এখানে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে তুর, অড়হর এবং মুশুর ডালের ওপর। নাফেড এবং এনসিসিএফ-এর মতো কেন্দ্রীয় সংস্থা আগামী ৪ বছর কৃষকরা যতটা পরিমাণে এই সব ডাল বিক্রি করতে চান, ততটাই কিনে নেবে। শাক-সব্জি এবং ফলমূলের উৎপাদন বৃদ্ধির একটি সার্বিক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হয়েছে বাজেটে। উচ্চফলনশীল শস্য বীজের জাতীয় মিশন এবং তুলোর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৫ বছরের একটি বিশেষ কর্মসূচির কথাও বলা হয়েছে। পুনর্মার্জিত সুদ রেহাই কর্মসূচির আওতায় কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণের ঊর্ধ্বসীমা ৩ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করা হবে। দ্বিতীয় চালিকাশক্তি : ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্র ভারতের রপ্তানিতে ৪৫ শতাংশ অবদান এই ক্ষেত্রের। প্রযুক্তিগত বিকাশ, দক্ষতায়ন, মূলধনের সংস্থান প্রভৃতি ক্ষেত্রে সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতার নিরিখে এই সব সংস্থার আর্থিক আদান-প্রদানের সীমা আড়াই থেকে দুই গুণ বাড়ানো হয়েছে। জামিনযুক্ত ঋণের ঊর্ধ্বসীমাও বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। মহিলা, তপশিলি জাতি ও উপজাতি বর্গের ৫ লক্ষ নতুন উদ্যোগপতিকে সহায়তার জন্য অর্থমন্ত্রী একটি নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। এর আওতায় আগামী ৫ বছর ২ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে। খেলার সরঞ্জাম উৎপাদনে মেক ইন ইন্ডিয়া ব্র্যান্ডকে বিশ্বের বাজারে আরও জনপ্রিয় করতে চায় সরকার। মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ছোট-বড় সব শিল্পকে আওতায় এনে সূচনা হবে জাতীয় উৎপাদন মিশনের। তৃতীয় চালিকাশক্তি: বিনিয়োগ অর্থমন্ত্রী মানবসম্পদ, অর্থনৈতিক পরিমণ্ডল এবং উদ্ভাবন ক্ষেত্রে বিনিয়োগে জোর দিয়েছেন। মানবসম্পদে বিনিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেছেন সরকারি স্কুলগুলিতে আগামী ৫ বছরে ৫০,০০০ অটল টিঙ্কারিং ল্যাব গড়ে তোলা হবে। গ্রামীণ এলাকায় সরকারি স্কুল এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে ব্রডব্যান্ড সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হবে ভারত নেট প্রকল্পের আওতায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভারতীয় ভাষায় ডিজিটাল বইয়ের সংস্থানে রূপায়িত হবে ভারতীয় ভাষা পুস্তক প্রকল্প। মানবসম্পদের দক্ষতায়ন ও উৎকর্ষমানের বিকাশে জাতীয় স্তরে চারটি আন্তর্জাতিক মানের উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এর লক্ষ্য মেক ফর ইন্ডিয়া, মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড কর্মসূচিকে জোরদার করা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে। গিগ কর্মীদের (ডেলিভারি বয় বা এই ধরনের কাজে নিযুক্ত) দেওয়া হবে পরিচয়পত্র। ই-শ্রম পোর্টালে তাঁদের নিবন্ধন হবে। পিএম জন আরোগ্য যোজনার আওতায় চিকিৎসার সুযোগ পাবেন তাঁরা। অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলে বিনিয়োগের বিষয়ে শ্রীমতী সীতারমন বলেছেন যে পরিকাঠামো সংক্রান্ত মন্ত্রকগুলি সরকারি, বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ৩ বছরের একটি রূপায়ণ সংক্রান্ত উদ্যোগ হাতে নেবে। মূলধনী বিনিয়োগ এবং সংস্কারের জন্য রাজ্যগুলিকে ৫০ বছর বিনাসুদে ঋণ দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রী ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা বলেছেন। নতুন প্রকল্পগুলির অর্থায়নের প্রশ্নে মূলধন বাবদ ১০ লক্ষ কোটি টাকার সংস্থানে অর্থমন্ত্রী দ্বিতীয় সম্পদ মুদ্রাকরণ পরিকল্পনা ২০২৫-৩০-এর ঘোষণা করেছেন। জল জীবন মিশনের মেয়াদ ২০২৮ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। জন অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই কাজে পরিকাঠামো ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হবে। সিটিস অ্যাজ গ্রোথ হাবস- সামগ্রিক ভাবে নগর বিকাশ এবং জল ও শৌচালয় পরিষেবা উন্নত করতে সরকার ১ লক্ষ কোটি টাকার একটি তহবিল গড়ে তুলবে। উদ্ভাবন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের বিষয়ে ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা হয়েছে। বেসরকারি উদ্যোগে গবেষণার কাজে গতি আসবে এর ফলে। অর্থমন্ত্রী ন্যাশনাল জিওস্প্যাশিয়াল মিশনের ঘোষণা করেছেন এসংক্রান্ত পরিকাঠামো জোরদার করতে। এর থেকে পাওয়া তথ্যাদি নগর পরিকল্পনার কাজ সহজ করবে। ১ কোটি প্রাচীন লিপি ও লেখ সংরক্ষণে জ্ঞান ভারতম মিশনের ঘোষণা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সামিল হবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার, এমনকি বেসরকারি পক্ষও। ভারতীয় জ্ঞান ধারার ভান্ডার নিয়ে গড়ে উঠবে একটি জাতীয় ডিজিটাল রেপোজেটরি। চতুর্থ চালিকাশক্তি : রপ্তানি এক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করবে বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি এবং অর্থমন্ত্রক। রপ্তানির বাজার ধরতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি সংস্থাগুলির সহায়তায় কাজ করবে রপ্তানি প্রসার মিশন। ডিজিটাল জনপরিকাঠামো সমৃদ্ধ ভারতট্রেডনেট এক্ষেত্রে তথ্য ও অর্থ সংস্থানে কাজ করবে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের প্রসার এবং বিশ্বের সরবরাহ শৃঙ্খলে সংযুক্তির প্রসারে একাধিক পদক্ষেপের কথা বলছেন অর্থমন্ত্রী। শিল্প ৪.০ সংক্রান্ত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার দেশে বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নির্মাণ ক্ষেত্রকে সহায়তা করবে। টায়ার ২ শহরগুলিতে গড়ে তোলা হবে গ্লোবাল কেপেবিলিটি সেন্টার। পচনশীল বাগিচা পণ্যের বিমানে পরিবহণ এবং মজুত ব্যবস্থাকে জোরদার করতে পরিকাঠামো উন্নত করা হবে। জ্বালানি হল সংস্কার অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে সংস্কারের বিষয়টিকেই জ্বালানি হিসেবে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী। বিগত ১০ বছরে সরকার কর ক্ষেত্রে বিস্তৃত সংস্কার কর্মসূচিতে হাত দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। এসংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবারও বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস ভিত্তিক কর প্রশাসন গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার। আর্থিক ক্ষেত্রে সংস্কার এবং বিকাশ ইজ অফ ডুয়িং বিজনেসকে জোরদার করতে অর্থমন্ত্রী সমগ্র পরিমণ্ডলে ব্যাপক পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। বীমা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৭৪ থেকে ১০০ শতাংশ করা হবে। কর সহ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রগুলিকে নাগরিক কেন্দ্রিক করে তোলার ওপর আবারও জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী : ১. নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক সংস্কারে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি এর কাজ হবে আর্থিক নয় এমন ক্ষেত্রগুলির নিয়ন্ত্রণ, শংসাপ্রদান এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা। পারস্পরিক বিশ্বাস ভিত্তিক নানা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জোরদার করা হবে ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস-কে কমিটি সুপারিশ পেশ করবে ১ বছরের মধ্যে। এই কাজে সামিল হতে রাজ্যগুলিকে উৎসাহিত করা হবে।২. রাজ্যগুলির বিনিয়োগ সহায়তা সূচক ২০২৫-এ সূচনা হবে এই কর্মসূচির, জোরদার হবে প্রতিযোগিতামূলক সহযোগিতার পরিমণ্ডল।৩. আর্থিক সুস্থিতি ও বিকাশ পরিষদ (এফএসডিসি)-এর আওতায় ব্যবস্থাপনা এই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বর্তমানে প্রযোজ্য আর্থিক নিয়ন্ত্রণবিধি ইত্যাদি খতিয়ে দেখা হবে। এই সব বিধির কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে গড়ে তোলা হবে একটি ব্যবস্থাপনা।৪. জন বিশ্বাস বিল ২.০ বিভিন্ন আইনের ১০০টি সংস্থানকে অপরাধের তকমা মুক্ত করা হবে।আর্থিক শৃঙ্খলা অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন জিডিপি-র অনুপাতে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণ নিম্নমুখী রাখতে সরকার সচেষ্ট। এক্ষেত্রে আগামী ৬ বছরের পরিকল্পনা রূপরেখা বিশদ ভাবে রয়েছে এফআরবিএম-এর বিবৃতিতে। পুনর্মার্জিত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫-এ আর্থিক ঘাটতি জিডিপি-র ৪.৮ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা। ২০২৫-২৬-এর বাজেট হিসাব অনুযায়ী তা হতে পারে জিডিপি-র ৪.৪ শতাংশ। পুনর্মার্জিত হিসাব ২০২৪-২৫ পুনর্মার্জিত হিসাব অনুযায়ী ঋণ বাদ দিয়ে সরকারি কোষাগারের ৩১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা আসতে পারে। এর মধ্যে কর সংগ্রহ দাঁড়াবে ২৫.৫৭ লক্ষ কোটি টাকা। মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৪৭.১৬ লক্ষ কোটি টাকায় যার মধ্যে মূলধনী ব্যয় ১০.১৮ লক্ষ কোটি টাকা। বাজেট হিসেব ২০২৫-২৬ এক্ষেত্রে ঋণ ব্যতিত সংগ্রহের পরিমাণ ৩৪.৯৬ লক্ষ কোটি টাকা হতে পারে। ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৫০.৬৫ লক্ষ কোটি টাকায়। কর বাবদ ২৮.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা পেতে পারে সরকার।বিভাগ খদেশ গঠনে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ভূমিকার কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫-২৬-এ নতুন কর সীমার ও হারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বছরে ১২ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে না। এক্ষেত্রে অবশ্য মূলধনী লাভের দিকটি বাদ থাকছে। ৭৫ হাজার কোটি টাকা স্ট্যান্টার্ড ডিডাকশনের কথা মাথায় রাখলে দেখা যাচ্ছে বেতনভোগী কর্মীদের বার্ষিক ১২.৭৫ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে না। নতুন এই কর কাঠামো এবং প্রত্যক্ষ কর সংক্রান্ত নানা প্রস্তাবের দরুণ সরকারের রাজস্ব প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা কমবে। পুনর্মার্জিত আয়কর সীমা অনুযায়ী ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করের হার শূন্য, ৪ থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ, ৮ থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ, ১২ থেকে ১৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, ১৬ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ, ২০ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ২৫ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য হবে। বার্ষিক ২৪ লক্ষ টাকার বেশি আয়ের ক্ষেত্রে করের হার ৩০ শতাংশ। টিডিএস টিসিএস প্রণালীতে যুক্তিযুক্ত করতে প্রবীণ নাগরিকদের সুদ বাবদ আয় কর ছাড়ের পরিমাণ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে টিডিএস-এর সীমা বছরে ২.৪ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। টিডিএস মতো টিসিএস প্রদানের ক্ষেত্রেও বিলম্ব এবার থেকে আর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। নাগরিকরা যাতে স্বেচ্ছায় কর দিতে আরও উৎসাহী হয়ে ওঠেন সেজন্য মূল্যায়ন বর্ষের ভিত্তিতে আপডেটেড রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সময়সীমা ২ বছর থেকে বাড়িয়ে ৪ বছর করা হচ্ছে। আয়ের আপডেট বাবদ ৯০ লক্ষ করদাতা বাড়তি কর দিয়েছেন। ছোট সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় তাদের নিবন্ধনের সময়সীমা ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়েছে। এছাড়াও করদাতারা এখন নিজের দখলে থাকা দুটি সম্পত্তির ক্ষেত্রে বার্ষিক মূল্য শূন্য বলে দাবি করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোন শর্ত থাকছে না। গত বাজেটের বিবাদ থেকে বিশ্বাস কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। ৩৩ হাজার করদাতা এর সুযোগ নিয়েছেন। প্রবীণ এবং অতিপ্রবীণদের আরও সহায়তার লক্ষ্যে ২৯ আগস্ট ২০২৪ কিংবা তার পরে ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে করে রেহাই দেওয়া হবে। এনপিএস বাৎসল্য খাতার ক্ষেত্রেও একই সুবিধা পাওয়া যাবে। ইজ অফ ডুয়িং বিজনেসের বিষয়টি জোরদার করতে আন্তর্জাতিক আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারিত মূল্যমান অপরিবর্তিত রাখার মেয়াদ ৩ বছর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভিত্তিতে করের ক্ষেত্রে নিশ্চয়তার লক্ষ্যে সেলফ হার্বার রুলের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগের প্রসারে, অনাবাসী ভারতীদেরে কথা মাথায় রেখে একটি অনুমান ভিত্তিক কর ব্যবস্থাপনার কথা ভাবা হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ জলপথে চলাচলকারী জলযানগুলির ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রযোজ্য টন ভিত্তিক কর ব্যবস্থাপনা চালু হবে। স্টার্টআপ পরিমণ্ডলকে বিকশিত করতে নিগমায়নের সময়সীমা বাড়িয়ে ৫ বছর করা হয়েছে। পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়াতে সভারেন ওয়েল ফান্ড এবং পেনশন ফান্ডে বিনিয়োগের সময়সীমা আরও ৫ বছর বাড়িয়ে ২০৩০-ের ৩১ মার্চ করা হয়েছে। শিল্পপণ্যের শুল্ক প্রণালীকে যুক্তিযুক্ত করতে বাজেটে ৭টি শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা হয়েছে। এর পাশাপাশি সেস প্রয়োগের ক্ষেত্রেও সংবেদনশীলতার কথা বলা হয়েছে বাজেটে। ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রে ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধ, ক্যান্সার ও বিশেষ ধরনের রোগের একাধিক ওষুধের ওপর সীমাশুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। রোগীদের বিনামূল্যে প্রদান করা হলে মেধাস্বত্ব সহায়তা কর্মসূচির আওতায় থাকা ১৩টি নতুন ওষুধে ভিত্তি সীমাশুল্ক কার্যকর হবে না। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও মূল্যসংযোজনের প্রসারে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ খনিজে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে ২০২৪-এর জুলাইয়ে। আরও ১২টি খনিজের ক্ষেত্রেও এই নীতি কার্যকর হবে। দেশে বস্ত্র উৎপাদনে গতি আনতেও বিভিন্ন পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক তুলে নেওয়া হয়েছে কিংবা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। মেক ইন ইন্ডিয়ার প্রসারে ব্যাটারি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন উপকরণে কর সংক্রান্ত সুবিধা মিলবে। রপ্তানি ক্ষেত্রের প্রসারে বিশেষ জোর দেওয়া হবে হস্তশিল্প সামগ্রীর ওপরে। হিমায়িত মাছের পেস্টে শুল্ক ৩০ থেকে কমে ৫ শতাংশ হবে। মাছ থেকে উৎপাদিত তরল সারের ক্ষেত্রে শুল্কের হার ১৫ শতাংশ থেকে কমে হবে ৫ শতাংশ। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বিকশিত ভারতের যাত্রায় মূল স্তম্ভগুলি হল গণতন্ত্র, জনবিন্যাস এবং চাহিদা। মধ্যবিত্ত শ্রেণীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা মাথায় রেখে কর কাঠামোয় ধারাবাহিক পরিমার্জন করে চলেছে সরকার। নতুন কর কাঠামোর সুবাদে মধ্যবিত্তদের হাতে টাকা আসবে। বাড়বে ভোগ ব্যয়, সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

স্কুলের পরিকাঠামোতে মুগ্ধ 'আলভিটো '-র বর্ধমানে কোচিং করানোর প্রস্তাব!

মাত্র কয়েকদিন আগেই বর্ধমানের ছেলের গোলে সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলা। চুড়ান্ত ফাইনালে গোল করে আপামর বাঙ্গালী ফুটবল প্রেমীর নয়নের মনি হয়ে গেছেন রবি হাঁসদা। সেই রবির বাড়ির কাছেই বর্ধমান শহরে ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় এলেন একজোড়া কিংবদন্তি ফুটবলার।বর্ধমান মডেল স্কুলে ১৭ই জানুয়ারি শুক্রবার দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার সূচনা হয়। প্রথম দিনের প্রধান অথিতি ছিলেন কলকাতা ময়দানের তিন প্রধানের অন্যতম মোহনবাগানের কিংবদন্তি ফুটবলার মানস ভট্টাচার্য। ৭০-র দশকের কলকাতা ময়দানের মাঝমাঠের মানস-বিদেশ জুটির নাম শোনেনি, এরকম মানুষ খুঁজে পাওয়া দুস্কর।বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় দ্বিতীয় দিন ১৮ই জানুয়ারি শনিবার প্রধান অতিথি হিসাবে আমন্ত্রিত হয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন কিংবদন্তি গোয়ানিজ ফুটবলার আল্ভিটো রোনাল্ডো কোরিয়া ডিকুনহা। আল্ভিটো তাঁর ফুটবলার হিসাবে কেরিয়ার শুরু করেন গোয়ার বিখ্যাত ক্লাব সেসার হয়ে। তারপর কয়েক মরসুম গোয়ান ফুটবলের নামজাদা ক্লাব সালগাওকার-র হয়ে খেলে কলকাতা ময়দানে প্রবেশ ২০০৩-এ। সেই থেকে কোলকাতা ময়দানের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র-র পরিণীত আল্ভিটো। তাঁর ঝরঝরে বাংলা শুনে তাঁকে গোয়ানিজ ভাবতে দুবার ভাবতে হবে।আল্ভিটো রিমোটের সাহায্যে সম্প্রীতির বার্তা জানিয়ে একঝাঁক গ্যাস বেলুন আকাশে ওড়িয়ে এদিনের স্পোর্টস মিটের সুচনা করেন। তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই আক্ষেপের সাথে জানান, এই প্রজন্মের মাঠমুখো না-হওয়ার প্রবনতার কথা। তিনি জানান খেলার মাঠে যাওয়ার প্রবণতা এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের ক্রমশই হ্রাস পাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের ছাত্রাবস্থায় আমরা এত বেশী খেলতাম যে অবিভাবকদের কাছে বেশী খেলার জন্য বকুনি খেতাম, আর এখন ঠিক তার উলটপুরাণ। আল্ভিটো বলেন, এখনও এতটাও খারাপ হয়ে যায়নি পরিবেশ, এখনও সময় আছে। অবিভাবকেরা বাচ্ছাদের হাত ধরে মাঠমুখী করুন। দেখবেন ছেলে-মেয়েরা খেলতে খেলতে পড়াশোনাতেও উন্নতি করতে শুরু করছে। তিনি বলেন, মাঠে এলে শুধুমাত্র শরীর স্বাস্থ্য সুস্থ হয়, তা নয়। মাঠ মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে, দলবদ্ধ ভাবে কোনও কাজ করার মানসিকতা গড়তে ও প্রতি পদক্ষেপের জেতার জেদ তৈরি করতে সাহায্য করে।আল্ভিটো বর্ধমানের এই স্কুলের ক্রীড়া পরিকাঠামো-র ভুয়াসী প্রশংসা করে বলেন, আমরা ছোটো বেলায় এরকম পরিকাঠামো পাইনি। এখানে দুইটি প্রমান মাপের মাঠ, একটি প্রসস্ত ইন্ডোর অডিটোরিয়াম সবই আছে শুধুমাত্র অভাব একঝাঁক উৎসাহী ক্রীড়াপ্রেমী ছাত্র-ছাত্রী। তিনি স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডলকে জানান, স্কুলের ক্রীড়ার উন্নয়নে বিশেষ করে ফুটবলের জন্য তাঁকে কোনও প্রয়োজন লাগলে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা দিয়ে যথাযত সাহায্য করতে প্রস্তুত।আল্ভিটো স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বাচ্ছাদের সাথে বেশ কিছুক্ষন সময় কাটান। বল নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন। আল্ভিটো-র সাথে এদিন উপস্থিত ছিলেন কোলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক সংগঠনের সহ-সভাপতি ও আজকাল পত্রিকার বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক নজরুল ইসলাম উপস্থিত সোহেল। এছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন জেলার পিওবিসিডাবলু আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু কুমার মন্ডল ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ডঃ শিবকালি গুপ্ত।স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথাকে বলেন, আমাদের স্কুল ক্রীড়া পরিকাঠামোতে কোনও কার্পণ্য করে না। দু-দুটি প্রমান সাইজের মাঠ পরে আছে ছেলেদের জন্য। বর্ষা-তেও যদি খেলতে অসুবিধা হয় তার জন্য ইন্ডোর স্টেডিয়াম বানানো হয়েছে। ক্রিকেটের জন্য কোলকাতা থেকে কোচ আসছে ছেলেদের কোচিং দিতে। এনসিসি-র ট্রেনিং-এর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো সহ মাঠ বানানো হয়েছে। তিনি জানান, তাঁর বিশ্বাস খেলার মাঠ কখনো খারাপ মানুষ তৈরি করে না। খেলাধুলা একজন কে অপরকে সাহায্য করতে শেখায়। ফুটবলে একা-একা যেমন গোল করা যায় না ঠিক তেমন-ই রিলে রেসে সঠিক ভাবে ব্যাট্ম বদল না করলে জেতা যায় না, আবার ক্রিকেটে ক্যাচ না ধরলে বোলার উইকেট পায়না। একে অন্যকে সাহায্য করে কি ভাবে জয়লাভ করা যায় তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ খেলার মাঠ।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৫
রাজ্য

বিধাননগর গোয়েন্দা অফিসারের নামে ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার একাদশ শ্রেণির ছাত্র

বিধাননগর গোয়েন্দা বিভাগের এসিপি সম্পীতি চক্রবর্তীর নাম করে ফেসবুকে ভুয়ো একাউন্ট খুলে একাধিক ব্যক্তিকে মেসেঞ্জারে এসএমএস পাঠিয়ে টাকা চেয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক ছাত্রকে হাওড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ৯ নভেম্বর বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। তাতে বলা হয়, গোয়েন্দা শাখার উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকের নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে তাঁর ছবি ব্যবহার করে একাধিক ব্যক্তির থেকে মেসেঞ্জারে টাকা চাওয়া হচ্ছে। এরপরই বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ তদন্তে নামে তার পরবর্তী ক্ষেত্রে হাওড়া এলাকা থেকে ওই ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়। হাবড়ার বাসিন্দা এই ছাত্রকে আজ আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৫
রাজ্য

খাঁচাবন্দি মৈপিঠের বাঘ, সুন্দরবন থেকে জঙ্গলমহল, রয়েলবেঙ্গল টাইগারের দাপদাপিতে আতঙ্ক বাড়ছে

সুন্দরবন থেকে পশ্চিমের জঙ্গলমহল, রাজ্যে বাঘের আনাগোনা বেড়েছে। যেন দুয়ারে রয়েল বেঙ্গল টাইগার। বাঁকুড়ার পর মৈপিঠের বাঘ ধরা পড়েছে। কিন্তু জঙ্গলমহল লাগোয়া এলাকায় রেডিও কলার ছাড়া আরেকটা বাঘ ঘোরাফেরা করছে। বাঘ মামার আতঙ্ক যেন কিছুতে কাটছ না সাধারণে। শেষেমশ খাঁচাবন্দি হয়েছে মৈপিঠের বাঘ৷ বাঘ পুরোপুরি সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভাগীয় বনাধিকারিক নিশা গোস্বামী৷ ইতিমধ্যে বাঘটির প্রাথমিক চিকিৎসা হয়েছে৷ যে বাগটি ধরা পড়েছে সেটি পূর্ণ বয়স্কর পুরুষ বাঘ বলে জানা গিয়েছে৷ এই বাঘটিই বারবার লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় চলে আসছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে বনদপ্তর৷ বাঘকে গভীর জঙ্গলে ছাড়া হবে বলে জানিয়েছে বনদপ্তর৷ বাঘটিকে ফের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে গভীর জঙ্গলে। এই বাঘ ধরার অভিযানে নেমেছিল বনদপ্তরের প্রায় ৮০ জনের টিম। লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় বাঘের খবর পেলেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান নিশা গোস্বামী ৷ রবিবার গভীর রাতে অবশেষে খাঁচাবন্দি মৈপিঠের বাঘ। বারবারই একই বাঘ জঙ্গল থেকে বেরিয়ে লোকালয়ে চলে আসছিল। রবিবার সকালে কিশোরিমোহনপুর এলাকায় বাঘ আসার খবরে নজরদারি চালানোর পর জঙ্গলের চারিদিক ঘিরে দেয় বনদপ্তরের কর্মীরা। তাতেই বাঘের গতিবিধি সীমাবদ্ধ হয়। ঘেরা জায়গার মধ্যে পাতা হয় খাঁচা। টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয় ছাগল। রাতেই সেই খাঁচায় অবশেষে বন্দী হল বাঘ। আজ বাঘটির শারীরিক পরীক্ষা করা হবে। তারপর তাকে গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে বনদপ্তর সুত্রে জানানো হয়েছে। এক সপ্তাহের নধ্যে তিন তিনবার বাঘের হানা মৈপিঠে। রবিবার সকালে কিশোরিমোহনপুর এলাকায় ফের দেখা গেল বাঘের পায়ের ছাপ। ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বনদপ্তর। বাঘের গতিবিধি লক্ষ্য করে জঙ্গলের মধ্যে প্রায় ১ কিলোমিটার মত জায়গা ঘেরা হয়। তারপর খাঁচা পেতে সাফল্য পায় বনদপ্তর। ৬ই জানুয়ারি সোমবার সকালে কিশোরীমোহনপুর এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়া যায়। ৮ তারিখ বুধবার ভোররাতে বাঘ ফিরে যায় জঙ্গলে। পরেরদিনই ৯ তারিখ বৃহস্পতিবার সকালে ফের বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়া যায় মৈপিঠের নগেনাবাদে। জাল দিয়ে ঘিরে ফেলায় ১০ তারিখ ভোর রাতে ফের বাঘ ফিরে যায় জঙ্গলে। ১২ তারিখ রবিবার সকালে মৈপিঠের কিশোরিমোহনপুর এলাকায় গঙ্গার ঘাটে বাঘের পায়ের ছাপ দেখে আতঙ্কিত বাসিন্দারা। এবারও আজমলমারির জঙ্গল থেকে বাঘ এসেছে লোকালয়ে বলে জানা গিয়েছে। মুড়িগঙ্গা নদী পেরিয়ে বাঘ লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় চলে আসায় আতঙ্ক ছড়ায়। অবশেষে বাঘ খাঁচাবন্দী হওয়ায় স্বস্তিতে এলাকার বাসিন্দারা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৫
বিদেশ

বাংলাদেশে জামিন হল না ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের, বাড়ছে উদ্বেগ

গ্রেফতার চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের জামিন না মঞ্জুর করল চট্টগ্রাম আদালত। অর্থাৎ ইসকনের সন্ন্যাসীকে জেলবন্দি থাকতে হবে। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা ঝুলছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অপূর্ব ভট্টাচার্যের নেতত্বের ১১ জন আইনজীবী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের হয়ে আদালতে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁরা আদালতে সওয়াল জবাবে অংশ নেন। আমরা খুব আশায় ছিলাম। আমার কিছু বলার নেই। সারা বিশ্বের নজর ছিল। একজন সন্ন্যাসীকে এভাবে ৪২ দিন জেলে রেখে দিয়েছে। আমরা আশায় ছিলাম জামিন পেয়ে যাবেন। দেখতে হবে কেন জামিন দিল না। এর আগে চট্টগ্রাম আদালতে বাংলাদেশের একপক্ষ আইনজীবীরা সরাসরি হুমকি দিয়েছিলেন চিন্ময়কৃষ্ণের হয়ে যাঁরা আদালতে দাঁড়াবেন তাঁদের মারধর করা হবে। এর আগের শুনানিতে আদালতে চিন্ময়কৃষ্ণের হয়ে কেউ সওয়াল জবাবে অংশ নেননি। সরকারি পক্ষের আইনজীবীরা বলেন, শান্তিপূর্ণ ভাবে শুনানি হয়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহিতার সাজা যাবজ্জীবন। তবে হাইকোর্টে যাওয়ার পথ রয়েছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২৫
রাজনীতি

বিধায়ক অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের ৬ লক্ষের মেডিক্যাল বিল নিয়ে বিতর্ক, ব্যাট ধরলেন কুণাল

বিবাহ বিচ্ছেদ, বিধায়ক, তারপর সন্তান। এবার সন্তান হওয়ার পরও বিতর্ক যেন কিছুতে পিছু ছাড়ছে না বিধায়ক অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিককে। এবার বিতর্কে তাঁর সন্তান হওয়ার মেডিক্যাল বিলের অর্থের পরিমান ও বিধানসভায় বিল জমা নিয়ে। কাঞ্চন ইস্যুতে এবার মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। যতটা পেরেছেন কাঞ্চন মল্লিকের হয়ে ব্যাট ধরতে।কুণাল টুইটে বলেছন, কাঞ্চন মল্লিক তাঁর সন্তান হওয়ার বিষয়ে বিধানসভায় মেডিকেল বিল জমা দিয়েছেন বলে ট্রোলিং চলছে। এটা আপত্তিকর। কাঞ্চন কোনো বিল জমা দেননি। কাঞ্চন জনপ্রিয় মুখ। আরও নানা কারণে সম্প্রতি খবরে। সোশ্যাল মিডিয়াতে চর্চার কেন্দ্র। কিন্তু তাই বলে ঘটনা না জেনেবুঝে তাঁকে আক্রমণ, কটাক্ষ চলতে পারে না। বিধায়করা বিধানসভা থেকে মেডিকেল বিল পান। এটা নিয়ম বহির্ভূত নয়। কাঞ্চন শ্রীময়ীর সন্তানের জন্য ভাগীরথী নেওটিয়া দুলক্ষ টাকা বিল করেছে। ডাঃ প্রণব দাশগুপ্তর টিমের বিল চার লক্ষ টাকা। এই ছলক্ষ টাকার বিল নিয়ে কাঞ্চন বিধানসভায় খোঁজ নিয়েছেন উনি জমা দিতে পারেন কিনা। আলোচনা করেছেন। নিয়ম জেনেছেন। কিন্তু বিল জমা দেননি, Repeat, বিল জমা দেননি। তার আগেই তিনি বিল জমা দিয়েছেন বলে সমালোচনা শুরু।বিধানসভায় কাঞ্চন যে মেডিক্যাল বিল জমা দিয়েছেন বলে বিতর্ক দেখা দিয়েছে, তা খন্ডন করেছেন কুণাল ঘোষ। পাশাপাশি বিল জমা নিয়ে খোঁজ নেওয়া বা বিল যদি দিতেন তাও কোনও দোষের নয় বলেই দাবি কুণালের। প্রাক্তন রাজ্যসভার সদস্যরে বক্তব্য, এখানে দুটো কথা। এক, যদি ডাক্তারবাবুদের বিল বেশি হয়, তাহলে কাঞ্চন বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কী করবেন? বিধানসভায় এসংক্রান্ত কোনো নিয়ম আছে কি না। দুই, এর আগে ওই হাসপাতাল এবং ওই ডাক্তারটিমের ক্ষেত্রে যদি কোনো বিল জমা পড়ে থাকে, তাহলে বিধানসভা কী করেছিল? আচমকা অত বেশি টাকার বিল পেয়ে বিধায়ক কাঞ্চন যদি বিধানসভায় খোঁজ নিয়ে থাকেন, দোষের নয়। জমা দিলেও দোষ হত না। বিধানসভা স্ক্রুটিনি করতে পারত। নিয়মনীতি অনুযায়ী চলত। কিন্তু কাঞ্চন বিল জমা দেননি, তাতেই এই খবর এবং কাঞ্চনকে সমালোচনায় বিদ্ধ করা অনুচিত। কেন মেডিকেল বিল এত বেশি হবে, আলোচনাটা সেদিকে হওয়াটা জরুরি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৪
রাজনীতি

জামালপুরে মিঠুন চক্রবর্তীর সভায় বিশৃঙ্খলা, বর্ধমানে বিজেপির সংগঠন নিয়ে প্রশ্ন মুম্বাইয়ের সুপারস্টারের

বাংলায় বিজেপির সদস্যতা অভিযান চলছে। সদস্যকরণ অভিযান কর্মসূচি সফল করলে ঘুরে বেরাচ্ছেন বিজেপি নেতা মুম্বাইয়ের সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতাকে আসরে নামিয়ে বাজিমাত করতে চায় কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কর্মসূচি অংশ নিতে সোমবার দুপুরে মিঠুন চক্রবর্তী প্রথমে পৌঁছান পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে পাঁচরা এলাকার একটি সভাগৃহে । সেখানে সভা শুরু হতে না হতে বিশৃঙ্খলা দেখে বিতশ্রদ্ধ মিঠুন চক্রবর্তী ১০ মিনিটের মধ্যে সভাঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে পড়েন। সেখান থেকে তিনি সোজা রওনা দেন বর্ধমানের জেলা দলীয় কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে। জেলা অফিসে সাংবাদিক বৈঠকেও বিজেপির আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে ক্ষোভের কথা উগরে দেন মিঠুন। তিনি বলেন, আমি বিজেপির সংগঠন নিয়ে ১০০ শতাংশ সন্তুষ্ট নই। এটা বলতে আমি ভয় পাই না। আমি খোলাখুলি বলছি, বঙ্গ বিজেপিকে আরো শক্তিশালী হতে হবে।। নিজেদের মধ্যে খিটিমিটি যা আছে, তা সব মিটিয়ে নিয়ে সবাইকে এক হয়ে লড়তে হবে। মিঠুন চক্রবর্তীর কথায়, এখন দেখা যাচ্ছে বিজেপির লোকজনের পার্টিকে ভালোবাসা কম, পাওয়ারের ইচ্ছেটা বেশি দেখাচ্ছে। তবে এসব ঠিক হয়ে যাবে বলে মিঠুন চক্রবর্তী আশা প্রকাশ করেছেন।বাংলাদেশের ভারত বিদ্বেষ এবং বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর হয়ে চলা নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন মিঠুন চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ থেকে একের পর এক জঙ্গি ধরা পড়া নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মতো মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, বাংলা জঙ্গিদের স্বর্গ রাজ্য হয়ে গিয়েছে, এটাতো আমাদের জন্য বিশাল গর্বের ব্যাপার! কাশ্মীরের জঙ্গি এখানেই আসবে, এখানেই ট্রেনিং নেবে। ট্রেনিং নিয়ে আবার অন্য কোথাও হামলা করবে। সকলকে এক হয়ে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন মিঠুন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২৪
বিদেশ

বিকল্প বাজার দেখতে তৎপর বাংলাদেশ! তবে এখনও ভারতীয় পন্যেই নির্ভরশীল ইউনুস সরকার

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার নির্যাতনের অভিযোগে তোলপাড় সারা বিশ্ব। উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আমেরিকা থেকে গ্রেট ব্রিটেন। এদিকে ভারতের পন্য বয়কট নিয়ে লাগাতার প্রচার চলছে বাংলাদেশে। এখন তো বিএনপি নেতৃত্ব সরাসরি সাংবাদিক বৈঠক করে ভারতীয় দ্রব্য়সামগ্রী বয়কটের ডাক দিয়েছে। তবে এখনও ভারতে থেকে সীমান্ত পার হয়ে স্বাভাবিক ভাবেই পন্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। তা এখনও বন্ধ করতে উদ্যোগ নেয়নি বাংলাদেশের ইউনুস সরকার। এদিকে পেঁয়াজ ও আলুর বিকল্প বাজার খুঁজতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। কালের কন্ঠে পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ ও আলুর বাজার স্থিতিশীল করতে ভারতের বিকল্প বাজার থেকে আমদানি এবং বাজার মনিটরিংয়ের জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আজ বৃহস্পতিবার পেঁয়াজ ও আলুর স্থানীয় বাজার স্থিতিশীল করা নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অংশীজনদের নিয়ে সভায় তারা এই তাগিদ দেন।এ ছাড়া আলুর শুল্ক মেয়াদ নভেম্বর থেকে বাড়িয়ে আরো দুই মাসের জন্য বাড়ানোর সুশারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। বাণিজ্যসচিব মোহা. সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভা সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের পর আলুর বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। যদিও দাম বেশি হলেও নতুন আলু ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে বাজারে আসবে। এই সময় সংকট মোকাবেলায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে জানিয়েছে তারা। এ ছাড়া পেঁয়াজের ও আলু সঠিক তথ্য না থাকায় বাজার স্থিতিশীল করা যাচ্ছে। এ জন্য কৃষি বিপণন অধিদপ্তরকে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তারা। পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য সরকারের হিমাগার করার জন্য পাইলট প্রকল্প নিতে পারে। যেখানে কম সুদে ঋণ, জমি দিতে পারে উদ্যোক্তাদের।এদিকে ট্যারিফ কমিশনের ওই সভায় একটি পর্যবেক্ষণ ও দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ ও আলুর অন্যতম উৎস ভারত। ভারতের বাজারের পণ্য দুটির দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।২০২৩-২৪ অর্থবছরে আলু আমদানি করা হয়েছে এক লাখ ৫৫ হাজার ৫৬৮ টন। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গত ৫ মাসে (১ জুলাই - ৩০ নভেম্বর) আমদানি করা হয়েছে ৫৬ হাজার ৭৬৩ টন। ভারত থেকে এসব আলু এসেছে।২০২৩-২৪ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে ৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৭০ টন। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৫২ টন। ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, চীন ও মিয়ানমার থেকে এসব পেঁয়াজ এসেছে।বাংলাদেশের সংবাদপত্রে এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে মুখেই ভারতীয় পন্য বয়কটের কথ বলা হচ্ছে। কোনওরকম ভারতীয় পন্যবাহী ট্রাক ভারত থেকে আসা বন্ধ করেনি। শেখ হাসিনা গদি ছাড়ার পরও একই ভাবে আলু, পেঁয়াজ, মাছসহ একাধিক পন্য ভারত থেকেই নিচ্ছে বাংলাদেশ। তাতেই বাংলাদেশের বাজারদর কিছুটা হলেও স্থিতিশীল রয়েছে। পন্য বয়কটের অযথা রাজনীতি করছে বাংলাদেশ। বেনোপোল সীমান্তে প্রতিদিন শয়ে শয়ে ভারতীয় কম্বল কিনছে বাংলাদেশীরা।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৪
বিদেশ

সংঘাতের পথে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক? ঢাকায় তলবে সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনের

তবে কি সংঘাতের পথ বেছে নিল ইউনুসের বাংলাদেশ সরকার? ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে বাংলাদেশ সরকারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সরকারি সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বিকেল চারটের কিছু আগে প্রণয় ভার্মা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গেছেন। বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব রিয়াজ হামিদুল্লাহর সঙ্গে দেখা করেছেন প্রণয় ভার্মা। জানা যাচ্ছে, আগরতলায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে তলব করা হয় ভারতের হাই কমিশনারকে। কূটনৈতিক মহল এই সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের তরফে সংঘাতের বার্তা বলে অনেকে মনে করছে। আগরতলার ঘটনায় ভারত সরকার দুঃখ প্রকাশ ও নিন্দা করার পাশাপাশি কর্তব্যরত পুলিশকে বরখাস্ত করেছে। তারপরও হাই কমিশনারকে তলব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পরিপন্থী বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল। এর ফলে দুইদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও তলানিতে ঠেকতে পারে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার আক্রমণের অভিযোগ উঠছে। এদিকে আজ ইউনুস সরকারের হাতে গ্রেফতার চিন্ময়কৃষ্ম দাসের হয়ে কোনও আইনজীবী আদালতে দাঁড়াননি। এর আগে তাঁর হয়ে সওয়াল করা আইনজীবীর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। প্রায় এক মাস পিছিয়ে গিয়েছে তাঁর শুনানি। তাঁর প্রাণ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে ইসকন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

পায়েল চৌধুরীর ইংরাজি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির ট্রেলার মুক্তি পেল

পায়েল চৌধুরীর চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় জয়দীপ চক্রবর্তী ও সাবিত্রী প্রোডাকশন প্রযোজিত ইংরাজি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি দ্য ফোনেক্স। জয়দীপ চক্রবর্তীর লেখা এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়দীপ চক্রবর্তী, বোধিসত্ত্ব মজুমদার ও ত্রিপর্ণা বর্ধন। অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন রোশনি, পায়েল, ইন্দ্রজিৎ, সরোজ, সৌমিত ও সুকন্যা। কলকাতা প্রেস ক্লাবে ছবিটির ট্রেলার ও গান মুক্তি পেল। উপস্থিত ছিলেন পায়েল চৌধুরী, জয়দীপ চক্রবর্তী, বোধিসত্ত্ব মজুমদার সহ অন্যান্যরা। কলাকুশলীদের এদিন খোশমেজাজেই দেখা গেল।কলকাতা, তার পাশ্ববর্তী এলাকা ও মন্দারমনিতে শুটিং হয়েছে ছবিটির। সাবিত্রী প্রোডাকশনের ইউটিউব চ্যানেলে ছবিটির টিজার প্রকাশের পর এই ছবির ট্রেলার প্রকাশিত হল।ছবির প্রয়োজক ও অভিনেতা জয়দীপ চক্রবর্তী বর্তমানে আবুধাবির বাসিন্দা। তাই দুবাইতেও এই ছবি মুক্তির পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

ট্যাবের টাকা কোথায়? মালদা থেকে সাইবার ক্যাফের মালিককে গ্রেফতার বর্ধমান পুলিশের

পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের হাতে ধরা পড়লো মালদার সাইবার ক্যাফের এক মালিক। অভিযুক্ত যুবকের ট্যাব কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার ঘটনা জানাজানি হতে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সোমবার গভীর রাতে মালদার বৈষ্ণবনগর থানার কৃষ্ণপুর এলাকার বাড়ি থেকেই সাইবার ক্যাফের মালিক হাসেম আলীকে গ্রেফতার করে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার মালদা আদালতের মাধ্যমে ধৃতকে সাত দিনের জন্য ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছে তদন্তকারী পুলিশকর্তারা। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ট্যাব কেলেঙ্কারির পান্ডা এই হাসেম আলীর মাধ্যমে প্রচুর সূত্র বেরিয়ে আসতে পারে। কারা এতদিন ধরে ছাত্রদের লক্ষ লক্ষ টাকা গায়েব করার পিছনে যুক্ত রয়েছে, সেটিও জানতে তৎপর তদন্তকারী পুলিশকর্তারা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈষ্ণবনগর থানার কৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা হাসেম আলী। তার বৈষ্ণবনগরের এমএলএ মোড়ে রাস্তার ধারে ছোট্ট একটি সাইবার ক্যাফের দোকান রয়েছে। উচ্চমাধ্যমিক পাশ ওই যুবক যে বিশেষ কায়দায় পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক বিষয়ে পারদর্শী তা জানতে পেরেও হতবাক হয়েছে পুলিশ। ধৃত হাসেম আলীর কাছ থেকে তিন বছরের একটি কম্পিউটার সার্টিফিকেট উদ্ধার করেছে পুলিশ ।জেলার পুলিশ সুপার সায়ক দাস জানিয়েছেন, ট্যাব কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে গত জুলাই মাসে হাসেম আলি একটি মোবাইল ফোন মাধ্যমে বাংলার শিক্ষা পোর্টাল অ্যাকসেস করে। সাথে সাথে হাসেম নিজেও একটি অ্যাকাউন্ট মোডিফাই করেছিল। এই কাজে হাসেম যে মোবাইলটি ব্যবহার করতো সেটিও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। এই ঘটনায় হাসেমের সঙ্গে আরও কিছু জন জড়িত থাকতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথাও পুলিশ সুপার জানিয়েছেন। বর্ধমান জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে হাসেম আলী তার মোবাইল ফোনে বাংলা শিক্ষা পোর্টালে ঢুকে। এরপরই পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টের তথ্য বদলে দেয় বলে পুলিশ এখনও পর্যন্ত জানতে পেরেছে। তারপরে ধীরে ধীরে এই চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে ধৃত হাসেম আলী। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ট্যাব কেলেঙ্কারিতে শুধু হাসেম আলী একা জড়িত নয়। এর পিছনে অনেক বড় বড় মাথা রয়েছে। সেইসব পান্ডাদের সন্ধান পেতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মালদা আদালতের কাছে ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে বর্ধমান পুলিশ। ধৃত হাসেম আলির মা নুরজাহান বেগম বলেন, আমার ছেলেকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। ও যদি সত্যি এই কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে থাকত, তাহলে আজকে আমাদের আধা কাঁচা, আধা পাকা বাড়িতে থাকতে হত না। আমার ছেলের কোনওরকম বিলাসবহুল জীবনযাত্রাও ছিল না। সাদামাটা ভাবেই থাকতো। তারপরেও হঠাৎ করে পুলিশ এসে ছেলেকে ভিত্তিহীন অভিযোগে ধরে নিয়ে গিয়েছে। আমার ছেলে নির্দোষ। উল্লেখ্য, পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রায় শতাধিক পড়ুয়ার পাশাপাশি মালদার গাজোল, হবিবপুর এবং হরিশ্চন্দ্রপুরের তিনটি বিদ্যালয়ের প্রায় দেড়শ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে ঢুকে যায়। ঘটনাটি সামনে আসতেই মালদার জেলাশাসকের নির্দেশে শুরু হয় তদন্ত। তিনটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামে এফআইআর করে জেলা শিক্ষা দপ্তর। এরই মধ্যে সোমবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ মালদায় হানা দিয়ে ট্যাব কেলেঙ্কারিতে হাসেম আলী নামে ওই যুবককে গ্রেফতার করে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তার সেই মোবাইল ফোনও।

নভেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

আরও এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার, এবার বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অপরাধে

হাতির দাঁত পাচারের ঘটনায় কলকাতা পুর এলাকার এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতারের পর এবার বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র সহ মালদার সংখ্যালঘু সেলের এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে দুটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ রাউন্ড কার্তুজ। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে মোথাবাড়ি থানার পুরাতন পটলডাঙ্গা এলাকায়।বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র মজুত, এই অভিযোগে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ধৃতের নাম আব্দুস সালাম। তার বাড়ি মোথাবাড়ি থানার পুরাতন পটলডাঙা এলাকায়। তিনি তৃণমুলের সংখ্যালঘু সেলের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে মোথাবাড়ি থানার পুলিশ ধৃতের বাড়িতে অভিযান চালায়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে উদ্ধার করেছে দুটি আগ্নেয়য়াস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়। কি কারণে আগ্নেয়াস্ত্রগুলি বাড়িতে মজুত করেছিল ওই তৃণমূল নেতা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, একজনকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। রাজ্য তৃণমূলের সহ-সভাপতি কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেছেন, বিরোধীরা কি বলল তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। তবে দলের নেতা বা কর্মী যেই হোক অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী শাস্তি পাবে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

দাবি আদায়ে এবার আমরণ অনশনে জুনিয়র চিকিৎসকরা, মঞ্চে থাকছে সিসি ক্যামেরা

আমরণ অনশনে বসছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রথম দফায় ৬ জন এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বাকি জুনিয়র চিকিৎসকরা হাসপাতালে রোগী দেখবেন। রাজ্য সরকার তাঁদের দাবি না মানা পর্যন্ত অনশন চলবে। গতকালই জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়েছিল ২৪ ঘন্টারর মধ্যে তাঁদের দাবি মানতে হবে। তা নাহলেই অনশনে বসবেন। সেই মতো শনিবার অনশনের কথা ঘোষণা করেন।জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, কোনও অনশনকারী অসুস্থ হলে তার দায় রাজ্য সরকারের। এদিন ধর্মতলায় মঞ্চ বাধতে পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। নিজেরাই আন্দোলনের মঞ্চ তৈরি করেন। এদিকে এদিন অভিযুক্ত ১০ জন চিকিৎসক পড়ুয়াকে আরজি কর থেকে এক্সপেল করেছে। আরজি করের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের বিচারের দাবি আদায়ে প্রথম থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। এর সঙ্গে আরও একাধিক দাবি রয়েছে তাদের। মোট ১০ দফা দাবি রয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের। সেই দবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে তাঁরা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

দাদাসাহেব পুরস্কার মিঠুন চক্রবর্তী ছাড়া আর কোন কোন বাঙালির ঝুলিতে আছে?

দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার পাচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তী। সিনেমাটিক কেরিয়ার অনবদ্য তাই এই পুরস্কার জুটেছে গৌরাঙ্গর। এর আগে তিনি তিন তিনটে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। পেয়েছিলেন পদ্ম ভূষণ পুরস্কার। এর আগেও একাধিক কৃতী বাঙালি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। রইল সেই তালিকা:বীরেন্দ্রনাথ সরকারঃ চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং পরিচালক হিসেবে জনপ্রিয় ছিলেন বীরেন্দ্রনাথ সরকার। ১৯৭০ সালে তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান। কলকাতার হেয়ার স্কুলের অধ্যক্ষ পেয়ারী চরণ সরকারের প্রপৌত্র। তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়াশোনা করেন। তারপরই ভারতে ফিরে সিনেমা নির্মাণে মনোযোগ দেন। পুনর্জন্ম, জিন্দা লাশ, কপালকুণ্ডলা, পল্লীসমাজ, মাসতুতো ভাই, সীতা আরও অনেক ছবির জন্য বিখ্যাত। পঙ্কজ মল্লিকঃ মহিষাসুরমর্দিনী অনুষ্ঠানের কম্পোজার পঙ্কজ মল্লিক ১৯৭২ সালে পেয়েছিলেন দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার। বহু ছবিতে তিনি সুরকার হিসেবে কাজ করেছেন। তবে দেবী দুর্গার আহ্বানে তাঁর যে সুর বাঙালির মনে রয়ে গিয়েছে, সেটি ভোলার নয়।ধীরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলিঃ পরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলি ১৯৭৫ সালে পেয়েছিলেন এই পুরস্কার। হিন্দি এবং বাংলা ছবিতে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে ভূষিত করা হয় দাদা সাহেব ফালকে সম্মানে। তাঁর পরিচালিত ছবির মধ্যে, বিলেত ফেরত, চরিত্রহীন, রাজিয়া বেগম, ইন্দ্রজিৎ, বিমাতা, চিন্তামনি আরও উল্লেখযোগ্য।কানন দেবীঃ বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র কানন দেবী। তাঁর সৌন্দর্যের সঙ্গে সঙ্গে অভিনয় দক্ষতা ছিল অতুলনীয়। ১৯৭৬ সালে তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেয়েছিলেন। মুক্তি, বিদ্যাপতি, জওয়াব, শেষ উত্তর, মেজদিদি, রাজলক্ষী ও শ্রীকান্ত, ঋষির প্রেম ছবির জন্য বিখ্যাত।নীতিন বসু এবং রাইচাঁদ বড়ালঃ নীতিন বসু এই পুরস্কার পান ১৯৭৭ সালে। বাঙালি এই পরিচালক এবং সিনেমাটোগ্রাফার দিদার, ধুপ ছায়ো, ওয়ারিস, ভাগ্যচক্র, চণ্ডীদাস ছবির জন্য বিখ্যাত। অন্যদিকে ঠিক তাঁর পরের বছর ১৯৭৮ সালে এই পুরস্কার পান রাইচাঁদ বড়াল। তিনি মিউজিক কম্পোজার।সত্যজিৎ রায়ঃ বাংলা ছবিকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে গিয়েছেন সত্যজিৎ রায়। তিনি১৯৮৪ সালে এই পুরস্কার পান। পথের পাঁচালী ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় সিনেমার অন্যন্য রূপ তুলে ধরেন। তারপর, শাখা প্রশাখা, কাঞ্চনজঙ্ঘা, জলসাঘর, গুপি গাইন বাঘা বাইন, সোনার কেল্লা, নায়ক, চিড়িয়াখানা, আরও অনেক ছবি। অস্কারও পেয়েছেন এই কালজয়ী পরিচালক।মৃণাল সেনঃ বাংলা ছবির আরেক পরিচালক, আন্তর্জাতিক স্তরে বেশ জনপ্রিয়। মৃণাল সেন এই পুরস্কার পান, ২০০৩ সালে। ভুবন সোম, আকালের সন্ধানে, চালচিত্র, মৃগয়া, একদিন প্রতিদিন, কলকাতা ৭১ ছাড়াও নানা ছবির পরিচালক তিনি। মান্না দেঃ মান্না দে, যার সুরেলা কন্ঠে ভেসেছে বাংলা তথা গোটা ভারতবর্ষ, তাঁকে ২০০৭ সালে দেওয়া হয়েছিল এই পুরস্কার। একের পর এক গান তো বটেই, তাঁর সঙ্গে দুটি ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন মান্না দে।তপন সিনহাঃ খ্যাতনামা পরিচালক তপন সিনহা ২০০৮ সালে পেয়েছিলেন এই পুরস্কার। কাবুলিওয়ালা থেকে শুরু করে ঝিন্দের বন্দী, আপনজন, বাঞ্ছারামের বাগান, অতিথির মত ছবি তিনি উপহার দিয়েছেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ঃ বাংলা ছবির ফেলুদা, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে দেওয়া হয়েছিল দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার। তিনি ২০১১ সালে এই পুরস্কার পান। ভারতীয় সিনেমায় তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য, এমনকি সত্যজিৎ রায়ের চরিত্রকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার যে পারদর্শিতা তিনি দেখিয়েছেন, তা অকল্পনীয়।এবার ওই তালিকায় আরেক নাম যোগ হলঃ মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর ভক্ত মহল আনন্দে উল্লাসিত।

অক্টোবর ০১, ২০২৪
রাজ্য

প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ কুনার হেমব্রম প্রয়াত

প্রয়াত প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ কুনার হেমব্রম। শনিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি, ভুগছিলেন কিডনির অসুখে। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন সাংসদ। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ৬২ বছর বয়সি কুনার হেমব্রম ২০১৯ সালে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে আর টিকিট দেয়নি বিজেপি। ফলে দল ছেড়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেই যোগদান নিয়ে বলেছিলেন, ভেবেচিন্তেই দল বদল করেছেন। পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের প্রশংসা করে তাঁর এও বক্তব্য ছিল, জঙ্গলমহলে রাজ্য সরকার যা কাজ করেছে, যে উন্নয়ন করেছে তার তুলনা হয় না। সেই কুনার শনিবার চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 59
  • 60
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal