• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ২৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UIT

কলকাতা

'দিদিমা' বলে ডেকে গলা কেটে খুন! শহরের বুকে ফের প্রবীণ নাগরিকদের ওপর হামলা

দক্ষিণ কলকাতার নেতাজিনগর এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় একা থাকা এক বৃদ্ধার উপর নৃশংস হামলা চালিয়ে বাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে এক পরিচিত ফল বিক্রেতার বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তিনি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্ত বৃদ্ধার নাম কৃষ্ণা রায়চৌধুরি। তাঁর বয়স ছিয়াত্তর বছর। তিনি একাই বাড়িতে থাকতেন। এলাকার পরিচিত ফল বিক্রেতা সুকুমার বৈদ্য প্রায়ই তাঁর বাড়িতে যেত। বৃদ্ধা তাঁর কাছ থেকে ফল কিনতেন এবং গাছের প্রতি শখ থাকায় সুকুমার মাঝে মধ্যে গাছও এনে দিত।এই পরিচয়ের সুযোগ নিয়েই অভিযুক্ত বাড়ির ভিতরে যাতায়াত শুরু করে। দিদিমা বলে ডাকত সে। কিন্তু তার নজর ছিল বৃদ্ধার সোনার গয়নার দিকে। গত শুক্রবার কাজের অছিলায় একটি ছুরি নিয়ে বাড়িতে ঢোকে সুকুমার। সেই সময় বৃদ্ধা রান্নাঘরে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ পিছন থেকে গলায় ছুরি চালায় সে। গুরুতর জখম হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন বৃদ্ধা। এরপর তাঁর গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।প্রায় কুড়ি মিনিট পরে বাড়ির পরিচারিকা এসে দরজা খোলা দেখে সন্দেহ করেন। ভিতরে ঢুকে রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধাকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরা দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রথমে সরকারি হাসপাতালে এবং পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।ঘটনার খবর পেয়ে তদন্তে নামে নেতাজিনগর থানার পুলিশ এবং গোয়েন্দারা। আশেপাশের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। তবে ঘটনার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ ছিল।পুলিশ তার খোঁজে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায়। প্রথমে নিজের বাড়ি ছেড়ে সে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে সেখান থেকেও পালিয়ে যায়। নামখানা, বকখালি ঘুরে শেষ পর্যন্ত বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় পৌঁছয় সে।অবশেষে পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে তাকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে লুট করা সোনার গয়নাও উদ্ধার হয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং একা থাকা বয়স্কদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

ইউজিসির নতুন নিয়মে ব্রেক! ‘৭৫ বছর পরেও কি বিভাজনের পথে দেশ?’ প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

ইউজিসি বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চালু করা নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশন-এ স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই নির্দেশিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও কি দেশ আবার জাতিগত বিভাজনের পথে ফিরছে।সম্প্রতি দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ইউজিসির নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশন কার্যকর করা হয়। কেন্দ্রের দাবি ছিল, এই নিয়মের উদ্দেশ্য হল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকলের জন্য সমান, নিরাপদ এবং সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করা। তবে নতুন বিধিতে জাতিভিত্তিক বৈষম্যের সংজ্ঞা এমনভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যেখানে শুধুমাত্র তফসিলি জাতি, উপজাতি ও ওবিসি শ্রেণির বিরুদ্ধে হওয়া বৈষম্যকেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে সাধারণ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই সংজ্ঞা প্রযোজ্য নয় বলে অভিযোগ ওঠে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি সুযোগ-সাম্য কেন্দ্র গঠন করার কথাও বলা হয়েছে। এই কেন্দ্রকে পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। এই বিধি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। বিশেষ করে সাধারণ শ্রেণিভুক্ত পড়ুয়াদের একাংশ এই নিয়মের বিরোধিতা করে সরব হন।এই বিতর্কের জেরেই বিষয়টি পৌঁছয় সুপ্রিম কোর্টে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ ইউজিসির নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশনে স্থগিতাদেশ দেয়। আদালত জানায়, আপাতত ২০১২ সালে চালু থাকা ইউজিসির আগের ইক্যুইটি রেগুলেশনই কার্যকর থাকবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এত বছর ধরে জাতিহীন সমাজ গড়ার যে চেষ্টা হয়েছে, এই নতুন নিয়মে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।যদিও কেন্দ্রের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, এই বিধি কোনওভাবেই বিভাজনের জন্য নয়। বরং বৈষম্য দূর করাই এর মূল লক্ষ্য। নতুন প্রোমোশন অফ ইক্যুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশন আইন, ২০২৬-এ ধর্ম, লিঙ্গ বা জাতির ভিত্তিতে সব ধরনের বৈষম্য রোধের কথাই বলা হয়েছে। ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৯-২০ সালে যেখানে ১৭৩টি অভিযোগ ছিল, সেখানে ২০২৩-২৪ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৮। এই পরিস্থিতিতেই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে বৈষম্য রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
স্বাস্থ্য

কোলকাতায় ডেঙ্গুর দেরিতে ঊর্ধ্বগতি, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে!

কোলকাতায় মৌসুমের শেষের দিকে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে, যার ফলে শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।সূত্রের খবর থেকে জানা যাচ্ছে যে, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (KMC) এলাকায় গত তিন সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩২ থেকে বেড়ে ১,১০৬ হয়েছে। বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC) জানিয়েছে, বিধাননগরএলাকায় নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই ৩২টি নতুন কেস ধরা পড়েছে; চলতি বছরের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩৭।বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও ভর্তি বাড়ছে জানা গিয়েছে, পিয়ারলেস হাসপাতালে বর্তমানে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।ম্যানিপাল হাসপাতাল (ঢাকুরিয়া) তে গত এক সপ্তাহে ৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ২ জনের অবস্থা গুরুতর এবং তারা আইসিইউতে আছেন।কেন বাড়ছে সংক্রমণ?বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমের শেষ দিকেও অবিরাম ও ছিটেফোঁটা বৃষ্টি মশার প্রজননের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করছে। ফলে, সাধারণত অক্টোবরের শেষের দিকে যেখানেই সংক্রমণ কমে আসে, এ বছর সেটি নভেম্বরেও অব্যাহত রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহ ধরে শহরে গড়ে প্রতিদিন সামান্য বৃষ্টি হয়েছে, যা মশার প্রজননস্থল নষ্ট করতে বাধা দিচ্ছে।চিকিৎসকরা বলছেন, বেশিরভাগ ডেঙ্গু রোগী হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার জ্বরে আক্রান্ত হলেও, উপেক্ষা করলে তা গুরুতর হতে পারে।ডাঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেনঃঅনেকেই জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর ভেবে অবহেলা করছেন। কিন্তু জ্বরের সঙ্গে শরীর ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা বা র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত।ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে কি কি সতর্কতা অবলম্বন করবেন?১) KMC ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যৌথভাবে মশা দমন অভিযান শুরু করেছে। নাগরিকদের প্রতি তাদের আহ্বান ২) ঘর ও আশপাশে জমে থাকা জল ফেলে দিন,৩) জলের পাত্র সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করুন,৪) পুরো দেহ ঢাকা পোশাক পরুন,৫) এবং দিনের বেলায় মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচান।স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নজরদারি দল কাজ করছে এবং আক্রান্ত এলাকায় বিশেষ স্প্রে অভিযান চলছে বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই সাবধান না হলে শহরে ডেঙ্গুর প্রভাব আরও বাড়তে পারে। তাই সাধারণ মানুষকে সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে কারণ ডেঙ্গুর কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ নেই, তবে সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই একমাত্র কার্যকর প্রতিরোধ।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

'সতীদাহের নামে নারীদের যেমন চিতায় তুলত, আমরাও তেমনই অগ্নিপরীক্ষায়', কালো পোশাকে প্রতিবাদে পরীক্ষাকেন্দ্রে মেহবুবরা

কালো পোশাকে প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে নিলেন চাকরিহারাদের একাংশ। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষক মেহবুব মণ্ডল। কালো পাঞ্জাবি পরে পরীক্ষাকেন্দ্রে হাজির হলেন তিনি। বারুইপুরের বাসিন্দা মেহবুবের পরীক্ষা পড়েছে সোনারপুর বিদ্যাপীঠ স্কুলে। সকালেই রওনা দিয়ে পৌঁছে যান কেন্দ্রে। ক্ষোভ চেপে রাখেননি, সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে সোজাসুজি উগরে দেন মনের কথা। তাঁর অভিযোগ, যেভাবে সতীদাহের নামে নারীদের জোর করে চিতায় ঠেলে দেওয়া হত, কিংবা গ্যালিলিওকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ আর বিচার বিভাগের সহায়তায় আজ আমাদেরও ঠিক তেমনভাবেই আবার নতুন অগ্নিপরীক্ষায় ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এর ফল কী হবে, আমরা জানি না।সেই বহুল আলোচিত প্যানেলই এর কেন্দ্রে। রাতারাতি প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক চাকরি হারিয়েছিলেন। এরপর থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হয়েছে অসংখ্য শুনানি, দরবার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি ফেরাতে না পেরে নতুন পরীক্ষাতেই বসতে হচ্ছে তাঁদের। এবার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ হবে ৩৫ হাজার ৭৫২ শূন্যপদে।দুই দফায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম ধাপ ৭ সেপ্টেম্বরযেখানে নবম-দশম শ্রেণির জন্য পরীক্ষা দেবে ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ প্রার্থী। দ্বিতীয় ধাপ ১৪ সেপ্টেম্বরএকাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য বসবেন আরও ২ লক্ষ ৪৬ হাজার চাকরিপ্রার্থী। ফলে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। রাজ্যজুড়ে প্রথম দিনে ৬৩৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে, আর দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্রে বসবেন পরীক্ষার্থীরা।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

'এসএসসি-র নয়া নিয়োগ পরীক্ষায় ফের দাগিদের সুযোগ', বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

নয় বছর পর আবারও হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার আগেই উঠছে একাধিক প্রশ্নআসন্ন পরীক্ষা কি সত্যিই হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ? আর কি দেখা যাবে না অনিয়ম, কারও চোখের জল? প্রায় ৬ লক্ষ প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই পরীক্ষার ওপর। তবু রাজনৈতিক মহলে সংশয় কাটছে না।এই পরিস্থিতিতেই আসানসোলে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এখনও ১৫২ জন দাগি প্রার্থীকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাঁরা পরীক্ষায় অংশ নেবেন। যদিও তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি। শুভেন্দুর কথায়, ১৯৫৮ জন দাগি শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে ১৮০৬ জনের নাম প্রকাশ করেছে কমিশন। কিন্তু ১৫২ জনকে বাদ রাখা হয়েছে না, বরং তাঁদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ এক প্রহসনের পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, টাকা নিয়ে কেন্দ্র ঠিক হয়েছে, তৃণমূল নেতারা পুলিশের সহযোগিতায় গোটা প্রক্রিয়াকে ভণ্ডুল করছে। এর ফল কিছুই হবে না, হবে কেবল অশ্বডিম্ব।অন্যদিকে, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনি জানান, এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে ৭ সেপ্টেম্বর নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসবেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী। আর ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশের জন্য বসবেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার জন। প্রথম দিনে গোটা রাজ্যে থাকছে ৬৩৬টি পরীক্ষা কেন্দ্র, দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্র।অর্থাৎ, দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হতে চলা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে প্রশাসন আশাবাদী হলেও বিরোধীরা মনে করছে এর মধ্যেও লুকিয়ে আছে অনিয়মের ছাপ

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর! সরকারি স্কুলে হাজার-হাজার শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি

পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন (WBSSC) ১ম State Level Selection Test (SLST) 2025এই মাধ্যমে সরকারি-অনুদানপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ে নন-টিচিং স্টাফ বা শিক্ষাকর্মী নিয়োগ শুরু হচ্ছে। গতকাল ২৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে মোট ৮,৪৭৭টি শূন্যপদ ঘোষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে: Group C (ক্লার্ক)-এর ২,৯৮৯টি শূন্যপদ রয়েছে এবং Group D (নন-টিচিং স্টাফ)-এর ৫,৪৮৮টি শূন্যপদ রয়েছে।এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সুপ্রিম কোর্ট-এর ৩ এপ্রিল ২০২৫-এর আদেশ অনুযায়ী জারি হয়েছে এবং WBSSC-এর ২০২৫ নিয়মাবলীর অধীনে এই গোটা প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে।এই প্রায় সাড়ে ৮ হাজার শূন্যপদে অনলাইন আবেদন শুরু হবে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বিকাল ৫টা থেকে।আবেদনের শেষ তারিখ, আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২৫, বিকাল ৫টা পর্যন্ত। ফি জমার শেষ সময়, ৩১ অক্টোবর ২০২৫ রাত ১১:৫৯ পর্যন্ত। বিশদ বিজ্ঞপ্তি এবং আবেদন পদ্ধতি সংক্রান্ত তথ্য ৩১ আগস্ট ২০২৫ থেকে WBSSC-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.westbengalssc.com) পাওয়া যাবে।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
রাজ্য

নির্ধারিত দিনেই SSC-এর পরীক্ষা, দাগিরা সুযোগ পেলে 'ফল' ভুগবে রাজ্য, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

বেআইনি নিয়োগ-কেলেঙ্কারির কারণে দাগি (অযোগ্য) প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) আসন্ন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, নিয়োগ পরীক্ষার নির্ধারিত দিন ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর বজায় রেখে পরীক্ষা বাধা ছাড়াই সম্পন্ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এক জন দাগি অযোগ্য প্রার্থীও যেন পরীক্ষায় বসতে না পারে তা নিশ্চিত করা SSC কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব ।SSC-এর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, প্রায় ১,৯০০ জন প্রার্থী দাগি বা অযোগ্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত ।সুপ্রিম কোর্ট SSC-কে এক সপ্তাহের মধ্যে (৭ দিনের মধ্যে) অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়; তা না হলে SSC-কে ফল ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়।কলকাতা হাইকোর্ট আগেই দাগি প্রার্থীদের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন, যা upheld হয় ডিভিশন বেঞ্চের মাধ্যমে ।একই সঙ্গে এদিন আদালত জানিয়েছে, অযোগ্যদের পুনরায় সুযোগ দেওয়ার SSC ও রাজ্য সরকারের যুক্তিও দ্বিগুণ শাস্তির সমতুল্য হবে। আদালত ত আরো জানিয়েছে, সমাজে প্রতারণার জন্য কোন স্থান নেই।স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, এসএসসির আইনজীবী এদিন জানিয়েছেন দাগী প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ১,৯০০ জন।SSC-কে সেই নামের তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।বিধি লঙ্ঘনের ফল SSC-কে ভোগ করতে হবে বলেও এদিন স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এই বক্তব্যের পর এসএসসি-র তরফে আইনজীবী জানিয়েছেন, সম্ভব হলে আগামীকাল অর্থাৎ শনিবারই দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে স্পষ্ট যে, নিয়োগে স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করতে দাগি প্রার্থীরা কোনোভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবে না, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সময়মতো, আইনগত ও নৈতিক মানদণ্ড অনুসারে সম্পন্ন করতে হবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

এসএসসির ২৬হাজার শিক্ষকের রিভিউ পিটিশন, বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় ফের বড় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টে রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে ছিল রাজ্য সরকার, স্কুল সার্ভিস কমিশন, চাকরিহারাদের একাংশ-সহ নানা পক্ষ। সেই মামলার শুনানি শেষ হয় গত ৫ অগস্ট। দুই বিচারপতির বেঞ্চ এ বার জানিয়ে দিল, পুনর্বিবেচনার আর্জির আদালতে শুনানির দরকার নেই। পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতিরা। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দুর্নীতি এবং একাধিক অনিয়মের অভিযোগে গত ৩ এপ্রিল এসএসসির প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ অনিয়মের অভিযোগে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করে দেয়। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল, সঠিক তথ্য না থাকায় যোগ্য এবং অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে পুরো প্যানেল বাতিল করা হল। নতুন করে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয় এসএসসিকে। দাগি বা চিহ্নিত অযোগ্যদের বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেয় আদালত। পরবর্তীতে এসএসসি এবং রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানায়। আবেদন জানায় চাকরিহারাদের একাংশও। কিন্তু রিভিউ পিটিশন বাতিল হওয়ায় চাকরি ফিরে পাওয়ার তেমন কোনও সম্ভাবনা থাকল না বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। ইতিমধ্যে চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিতে কলকাতার রাস্তায় বহু আন্দোলন সংগঠিত করেছে যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষকরা।

আগস্ট ১৯, ২০২৫
রাজ্য

বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য মন্ত্রিসভার, সাময়িক সুরাহা, চাকরিহারা শিক্ষা কর্মীদের জন্য মাসিক ভাতা ঘোষণা মমতার

পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি একটি নতুন ভাতা প্রকল্প চালু করেছে, যার মাধ্যমে চাকরি হারানো গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি শিক্ষাকর্মীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এই সিদ্ধান্তটি ২০২৫ সালের ১৪ মে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত হয়েছে।এই প্রকল্পের নাম ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভলিহুড এন্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি ইন্টেরিম স্কিম (West Bengal Livelihood and Social Security Interim Scheme),ভাতা পরিমাণ:গ্রুপ সি কর্মীদের জন্য মাসিক ₹২৫,০০০, গ্রুপ ডি কর্মীদের জন্য মাসিক ₹২০,০০০, এই স্কিম কার্যকরের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২৫ থেকে এবং এই প্রকল্পের তত্ত্বাবধান করবে রাজ্য শ্রম দফতরের।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার সাংবাদিক সন্মেলনে জানিয়েছেন এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি হারানো ২৫,৭৫২ জন স্কুল কর্মচারীর আর্থিক দুর্দশা লাঘব করা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, এই ভাতা প্রদান চলবে যতদিন না পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা রিভিউ পিটিশনের নিষ্পত্তি হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগটি মানবিকতার দিক বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে, যাতে চাকরি হারানো কর্মীরা তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।যদিও অনেক কর্মী এই ভাতা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন, তবুও তাদের মূল দাবি চাকরিতে পুনর্বহাল হওয়া। একজন প্রাক্তন কর্মী কৌশিক রঞ্জন মণ্ডল বলেন, ভাতা সমাধান নয়। আমি মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের প্রশংসা করি, তবে আমরা চাই আমাদের চাকরি ফিরে আসুক।তৃণমূল কর্মী সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবী করা হচ্ছে যে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্য সরকার প্রমাণ করেছে যে তারা চাকরি হারানো কর্মীদের পাশে রয়েছে এবং তাদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মে ১৫, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের বর্বরোচিত র‌্যাগিং, ২ অভিযুক্তর পুলিসি হেফাজত

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ ইউনিভার্সিটি ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি-তে (UIT) র্যাগিংয়ের অভিযোগে দুই ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইউনিভার্সিটি ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি-র দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র অনিরুদ্ধ শর্মা এবং তাঁর রুমমেটদের উপর তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের কয়েকজন ছাত্র শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান বলে অভিযোগ। রবিবার ভোররাতে অনিরুদ্ধকে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়, যার ফলে তাঁর হাত ও ঘাড়ে গুরুতর চোট লাগে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আরও কয়েকজন ছাত্র জখম হন। এই ঘটনার পর অনিরুদ্ধ বর্ধমান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ পীযূষ কুমার এবং সৌরভ কুমার নামে দুই অভিযুক্ত ছাত্রকে গ্রেফতার করে। তাঁরা তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তদন্তকারী অফিসার ৭ দিনের হেফাহত চাইলে আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকেই ২ দিনের পুলিশি হেফাজতের অনুমতি দিয়েছেন। পুলিসের তদন্তকারী দল এই ঘটনার সাথে যুক্ত আরও অভিযুক্তদের খুঁজে বের করতে এবং অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, অনিরুদ্ধ জানিয়েছেন যে এই ঘটনায় প্রথম নয়, এর আগেও তাঁরা হোস্টেলে হেনস্থার শিকার হয়েছেন, কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনওরূপ ব্যবস্থা নেয়নি। এই ধরনের ঘটনায় কলেজ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা র্যাগিংয়ে জড়িতদের উৎসাহিত করে।শহরের বিশিষ্ট শিক্ষক অনন্তদেব গুহ জনতার কথাকে জানান, শিক্ষাক্ষেত্রে র্যাগিং একটি গুরুতর অপরাধ, যা শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির উচিত আরও কঠোরভাবে এই ধরনের আচরণ দমন করা এবং নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা।

মে ১৩, ২০২৫
রাজ্য

এবার নিয়োগের দাবিতে বিরাট বিক্ষোভ টেট উত্তীর্ণদের, গাড়ি আটকালেন পর্ষদ সভাপতির

পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালকে অফিসে ঢুকতে বাধা ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের। পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি। বুধবার দুপুর থেকে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদের অফিসের সামনে ইন্টারভিউ এর দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে 2022 উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা। রাস্তার উপরে বসে তারা তাদের বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। বিক্ষোভ চলাকালী প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল গাড়ি করে অফিসে আসেন। বিধান নগর পুলিশের পক্ষ থেকে থাকে সার্ভিস রোড দিয়ে যাবার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। গৌতম পালের গাড়ি যখন পশ্চিমবঙ্গ অফিসের সামনে এসে পৌঁছায়, তখন কয়েকজন আন্দোলনকারী তার গাড়ির সামনে এসে গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করে। পুলিশের পক্ষ থেকে তাদেরকে দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সভাপতি গৌতম পালকে প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদের অফিসে প্রবেশ করার সুযোগ করে দেওয়া হয়। পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি আন্দোলনকারীদের। এক মহিলা আন্দোলনকারীর দাবি তাকে সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন মহিলা পুলিশ এগিয়ে আসেনি।

এপ্রিল ২৪, ২০২৫
কলকাতা

হাড়হিম ঘটনা কলকাতার কুমোরটুলি ঘাটে! ট্রলি ব্যাগে মৃতদেহ, পাকড়াও দুই মহিলা

একের পর এক হাড়হিম ঘটনা। মঙ্গলবার এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকলো কলকাতার কুমোরটুলি। দুই মহিলা একটি ট্রলিব্যাগে মুণ্ডহীন দেহ নিয়ে গঙ্গায় ফেলার চেষ্টা করেন। সেই সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, তাঁরা হাতেনাতে পাকড়াও করেন ট্রলি ব্যাগ সমেত দুই মহিলাকে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়রা পুলিশের খবর দেয়, দুই মহিলাকে আটক করে পুলিশ। ধৃতরা প্রথমে দাবি করেছিল দেহটি কুকুরের। যদিও এলাকাবাসীদের অভিযোগ, ট্রলিব্যাগে যে দেহ পাওয়া গিয়েছে সেটি একজন মহিলার। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে ওই ব্যাগে কার দেহ ছিল? ব্যাগ খুলতেই আঁতকে ওঠেন পুলিশ ও স্থানীয়রা। ঘটনার তদন্ত শুরু করতেই এবার খুন হওয়া মহিলার পরিচয় জানতে পারে পুলিশ। মৃতের নাম সুমিতা ঘোষ। অন্যদিকে যে দুই মহিলাকে আটক করা হয়েছে তাদের নাম ফাল্গুনী ঘোষ এবং আরতি ঘোষ। মৃত সুমিতা ঘোষ অভিযুক্ত ফাল্গুনী ঘোষের সম্প্রকে পিসি শাশুড়ি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকাল ৭টা নাগাদ ট্যাক্সি করে গঙ্গার ঘাটে আসেন মাস্ক পরা দুই মহিলা। ভারী ব্যাগ টেনে ঘাটে আনতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। মহিলারা দাবি করেন, ব্যাগে পোষ্য কুকুরের মৃতদেহ রয়েছে। খবর যায় উত্তর বন্দর থানায়। পুলিশ এসে ট্রলিব্যাগ খুলতেই ভিতরে মেলে পচাগলা রক্তাক্ত দেহ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, ফাল্গুনি-সুমিতাদের বাড়ি মধ্যমগ্রামে। গতকাল রাতে মা-মেয়ের সঙ্গে পিসি শাশুড়ির বিবাদ হয়। তার জেরে ভারী কিছু দিয়ে পিসি শাশুড়ির মাথায় আঘাতের জেরেই মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে। জেরায় মা-মেয়ে জানিয়েছেন, ট্রলিব্যাগে দেহ পুরে তাঁরা মধ্যমগ্রাম স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন। এরপর কুমোরটুলি ঘাটে এনে ব্যাগ সমেত দেহ গঙ্গায় ফেলার ছক ছিল। তবে স্থানীয়দের দাবি, ওই মহিলাদের কাছে মিলেছে শিয়ালদা-হাসনাবাদ শাখার কাজিপাড়া স্টেশনের টিকিট। বারাসাতের কাছে কাজিপাড়া থেকেই কি এসেছিলেন মহিলারা?

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
শিক্ষা

SC-2016 নিয়োগ, যোগ্যদের চাকরি বহাল রাখতে, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষের দাবি

সল্টলেকের আচার্য সদনে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার এর কাছে ডেপুটেশন জমা দেন।(১) যোগ্য অযোগ্য প্রার্থীদের পৃথকীকরণ (সেগ্রিগেশন) এবং যোগ্যদের চাকরি বাঁচানোর জন্য স্কুল সার্ভিস কমিশন কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, তা অবিলম্বে প্রকাশ করতে হবে।(২) আগামী ১৬ই জুলাই, ২০২৪ তারিখ স্কুল সার্ভিস কমিশনকে মাইগ্রেশন লিস্ট মহামান্য সুপ্রিমকোর্টে জমা দিতে হবে।(৩) মহামান্য সুপ্রিমকোর্টর নির্দেশ অনুযায়ী, ইতিমধ্যে চিহ্নিত অযোগ্যদের থেকে যে মুচলেকা নেওয়ার কথা ছিল তা এখনো পর্যন্ত কেনো কার্যকর হলো না?অতিদ্রুত উক্ত নির্দেশ কার্যকর করতে হবে।(৪) যে সকল পোস্টের (বিশেষত: XI-XII) শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীনের OMR এখনও পর্যন্ত প্রকাশ হয়নি, অভিদ্রুত তা প্রকাশ করতে হবে।(৫) সকল যোগ্য ও বৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের চাকরি সুনিশ্চিত করতে কমিশনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বার্তা সহ লিস্ট প্রকাশ করতে হবে।(৬) যোগ্য ও বৈধ টিচারদের মধ্যে কতজন ইন-সার্ভিস (IN-SERVICE) টিচার ২০১৬ পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত হযেছেন ও স্কুল শিক্ষা দপ্তরের নিয়মানুযায়ী কন্টিনিউশপন (Continuation) পেয়েছেন তাদের নাম ও পোস্ট সহ সুস্পষ্ট লিস্ট প্রকাশ করতে হবে। এইরকম বহু সংখ্যক শিক্ষক- শিক্ষিকা সুপ্রিম কোর্টে SLP ও করেছেন।(৭) কর্মরত বহু সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী এমন আছেন যারা রেকমেন্ডেশন ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে স্কুলে গিয়ে দেখেন সেখানে ভ্যাকেন্সি প্রবলেম রয়েদে ও যোগ দিতে পারেন না। পুনরায় আবেদন করেন এবং নতুন রেকমেন্ডেশন ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার নিয়ে নতুন স্কুলে যোগদান করেন। এই সমস্যার জন্য স্কুলে যোগদানের ক্ষেত্রে কিছুটা দেরি হয়েছে। এবিষয়ে অতিরিক্ত এপয়েন্টমেন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তথ্য সহ স্কুল সার্ভিস কমিশনকে সুনির্দিষ্ট রিপোর্ট দিতে হবে।(৮) Rank জাম্প, ফাঁকা OMR, প্যানেল উত্তীর্ণ, প্যানেল বর্হিভূত, CBI লিস্টে নাম থাকা যে সকল অবৈধ ও অযোগ্য কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের লিস্ট অবিলম্বে প্রকাশ করে তাদের চাকরি বাতিল করে সেই স্নানে যথাযথ ও স্বচ্ছভাবে নিয়োগ করতে হবে।(৯) সিবিআই রিপোর্ট, বাগ কমিটি রিপোর্ট ও SSC রিপোর্ট অনুযায়ী Rank Jumping, Out of Panel, OMR Manipulation, Excess Appointment এর ক্ষেত্রে কোথাও যাদের নাম নেই সেই List প্রকাশ করা হোক।(১০) যোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের মেডিকেল টেস্ট ও VR মাধ্যমে Service Confirmation প্রক্রিয়া নিয়ে কোন Adverse Report নেই। এই বিষয়টিকে সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরতে হবে। সর্বপরি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এই ভয়ংকর দুর্নীতি যা পশ্চিমবঙ্গের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে তার সাথে যুক্তসকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের পদক্ষেপ নিতে হবে।

জুলাই ০৫, ২০২৪
রাজ্য

সাগর পেরিয়ে হিম-সাগর! দুবাই, ইংল্যান্ডে বসেই মালদার হিমসাগরের স্বাদ

বিদেশে রপ্তানি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে মালদার আম। এই বছর হিমসাগর প্রজাতির আম বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে আম পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। গতদুই বছর আগে মালদহের আম বিদেশে রফতানি হয়েছিল। বিভিন্ন কারণে গতবছর মালদহের আম বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়নি। এই বছর মালদহের আম বিদেশে পাঠাতে প্রথম থেকে উদ্যোগ নিয়েছেন বেশ কিছু রফতানিকারক। তাঁদের প্রচেষ্টাতেই মালদহের আমের গুনগত মান যাচাই করে ভাল আম বিদেশে পাঠাতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে হিমসাগর আমকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। সমস্ত কিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহে মালদহের হিমসাগর বিদেশে পাড়ি দিবে।উদ্যান পালন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মরশুমে মালদহে আমের ফলন অনেকটাই কম হয়েছে। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার জন্য এবার আমের ফলনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে এমনটাই দাবি উদ্যান পালন দফতরের। স্থানীয় বাজারে আমের দাম এবার চড়া। তারপরেও বেশ কিছু রফতানিকারক সংস্থা এবছর মালদহের আম বিদেশে পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ওয়েস্ট বেঙ্গল এক্সপোর্টার কো-অর্ডিনেশন কমিটির সম্পাদক উজ্জ্বল সাহা বলেন, দুবাই ও ইউকেতে প্রথম পর্যায়ে আম পাঠানো হবে। এই দুটি দেশে প্রথমে ১৩০০ কেজি আম পাঠানো হবে। সমস্ত আম হিমসাগর প্রজাতির। প্রথম পর্যায়ের আম দুটি দেশে ভাল বিক্রি হলে আগামীতে ধাপে ধাপে আরও আম পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে বিদেশে আম রফতানির সমস্ত রকম প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বেছে বেছে জেলার যে সমস্ত বাগানে ভাল মানের আম রয়েছে সেগুলি পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সমস্ত কিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম পর্যায়ের আম বিদেশে পাড়ি দিবে।

জুন ২৮, ২০২৪
রাজ্য

আদৌ কি বন্ধ হচ্ছে ব্রিটানিয়ার তারাতলা ইউনিট, অমিত মিত্রকে ফোন করে কি জানালেন সংস্থার কর্তা?

ব্রিটানিয়া হল বাংলার আবেগ। ব্রিটানিয়ার কলকাতার কারখানা বন্ধের খবরে গোটা বাঙালি সমাজ যেন অতীত রোমন্থন করতে শুরু করে দিয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার ব্রিটানিয়া কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ড বরুণ বেরি মুখ্যমন্ত্রীর আর্থিক উপদেষ্টা অমিত মিত্রকে ফোন করেছেন। তারপরেই সেই ফোনালাপ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। কলকাতার তারাতলায় প্রায় ১০০ বছরের পুরনো ব্রিটানিয়া বিস্কুট কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর নিয়ে গতকাল রাজ্যজুড়ে তোলপাড় হয়েছে। বাংলার আরেক আবেগের নাম ব্রিটানিয়া বিস্কুট। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন আমিত মিত্র, ব্রিটানিয়া কোম্পানি এ রাজ্য থেকে অন্যত্র সরে যাচ্ছে না বা বন্ধও হচ্ছে না। অমিত মিত্র বলেন, বরুন বেরি আমাকে জানিয়েছেন, ভারতবর্ষের মধ্যে এরাজ্যে ব্রিটানিয়ার সবচেয়ে বড় বাজার। শুধু তাই নয় মিস্টার বেরি বলেছেন,পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ব্রিটানিয়া কোম্পানি ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাই ব্রিটানিয়া কোম্পানির ফুল টিম পশ্চিমবঙ্গে এসে সরকারের সঙ্গে এবিষয়ে আলোচনায় বসবেন।অমিত মিত্র আরও বলেন, এ রাজ্যে ব্রিটানিয়া কোম্পানি ১০০০ থেকে ১২০০ কোটি টাকার প্রোডাকশন করে। ভারতের মধ্যে সব থেকে বড় মার্কেট ওদের এরাজ্যে। ব্রিটানিয়া কোম্পানির ভারতের মধ্যে রেজিস্টার্ড অফিস এই পশ্চিম বাংলাতেই রয়েছে। শেয়ার হোল্ডারদের বৈঠকও এই বাংলাতেই হয়। অমিত মিত্র জানিয়েছেন, ব্রিটানিয়া কোম্পানি মুম্বই ও চেন্নাইয়ের প্ল্যান্ট এর আগেই বন্ধ করে দিয়েছে। ১৯৪৭ সালে তারাতলায় এই কোম্পানিটি গড়ে উঠেছিল। করোনাকালের আগে ব্রিটানিয়া কোম্পানির কর্ণধাররা রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন আলোচনায় বসার জন্য। পরে করোনার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। তাই ব্রিটানিয়া কোম্পানির আরও গুণগত মান বাড়ানোর জন্য ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে আবার আলোচনায় বসতে চলেছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্থিক উপদেষ্টা অমিত মিত্র। অভিজ্ঞ মহলের মতে, করোনা কালের মিটিং এখনও সম্ভব হয়নি। এদিকে ব্রিটানিয়ার তারাতলা ইউনিটের কর্মীদের ভিআরএস দিতে চলেছে সংস্থা। তবে তারাতলা ইউনিটের কারখানা থাকবে না স্টক পয়েন্ট করবে তা এখন নিশ্চিত করে জানায়নি সংস্থা। তবে এই বন্ধের খবর উত্তাল হয়েছে বাংলা। এখনও ২৪ বছরের লিজচুক্ত রয়েছে বন্দরের সঙ্গে। পার্মানেন্ট কর্মীদের সরিয়ে চুক্তি ভিত্তিক কর্মীদের কাজ করাতে বলে মনে করছে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

জুন ২৫, ২০২৪
রাজ্য

হাইকোর্টে চাকরি বাতিল, উচ্চ আদালতে যাওয়ার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রায়গঞ্জের চাকুলিয়ায় সোমবার নির্বাচনী জনসভা করেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুলোধোনা করেন বিজেপিকে।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে যদি বিষাক্ত বিজেপি পুনরায় ক্ষমতায় আসে তাহলে না থাকবে নির্বাচন, না থাকবে গণতন্ত্র, না বেঁচে থাকবে সংবিধান। ধর্মের উস্কানি দিয়ে সকলের মধ্যে বিভেদের বীজ বুনে দিচ্ছে এই বিজেপি। আমি বেঁচে থাকতে এনআরসি, সিএএ এবং ইউনিফর্ম সিভিল কোড হতে দেবো না বাংলায়। এই বিজেপির সঙ্গী এখন সিপিআইএম এবং কংগ্রেস। এদেরকে ভোট দেওয়া মানেই, বিজেপিকে সুবিধে করে দেওয়া। কংগ্রেসের এই নীতির উপর বীতশ্রদ্ধ হয়েই আজ রায়গঞ্জের চাকুলিয়ার সভামঞ্চে কংগ্রেসের ৩ জন ব্লক সভাপতি যোগদান করলেন জোড়াফুলের পরিবারে। এই বৃহৎ লড়াইয়ে তাঁদের সকলকে স্বাগত।এদিন কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৬ সালের এসএসসির সব নিয়োগ বাতিল করে দিয়েছে। চাকরি গিয়েছে প্রাশ ২৬ হাজার জনের। এই জনসভায় মমতা বলেন, আজ হাইকোর্টের একটি নির্দেশ প্রকাশ পেয়েছে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায়। আমরা এই রায়কে কেন্দ্র করে উচ্চ-আদালতে যাবো। কেউ যদি চাকরি প্রার্থীদের পাশে না থাকে, আমি শেষ অব্দি থেকে যাবো। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের শক্তি। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়বো।আগামী ২৬ এপ্রিল রায়গঞ্জ কেন্দ্রের জোড়াফুলের প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণীকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এপ্রিল ২২, ২০২৪
রাজ্য

এসএসসি নিয়ে নজিরবিহীন রায় আদালতের, বাতিল ২০১৬-র পুরো প্যানেল

এসএসসি নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৬ সালে নিয়োগ হওয়া প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল আদালত। পুরো প্যানেল রাতিল করেছে আদালত। পাশাপাশি সিবিআইকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই রায়ের পর তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করেছেন। আন্দোলনকারীরা এই রায়ের পর আশার আলো দেখছেন। প্রায় সাড়ে ৩ মাসের শুনানি শেষে সোমবার এসএসসি মামলার রায় ঘোষণা হল। ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর কোনও চাকরি বৈধ হওয়া উচিত নয়। এসএসসি মামলায় ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের। ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটিই বাতিল করেছে দিল উচ্চ আদালত। SSC-র সমস্ত নিয়োগ বাতিল করল হাইকোর্ট। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি প্রাপকদের আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে ১২ শতাংশ সুদ সমেত বেতন ফেরতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।এরই পাশাপাশি ফের নতুন করে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে এসএসসিকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। SSC গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি, নবম-দ্বাদশ পর্যন্ত ২০১৬ সালে হওয়া সব নিয়োগ অবৈধ বলে স্পষ্ট জানাল হাইকোর্ট। ২০১৬ সালের সেই গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়াই এদিন বাতিল করেছে উচ্চ আদালত।নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগের পাশাপাশি এসএসসি গ্রুপ সি ও গ্রুপ-ডি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছিল। সেই সব মামলার শুনানি শেষের পর আজই রায় ঘোষণা আদালতের। এরই পাশাপাশি CBI এই গোটা নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। প্রয়োজনে এই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত যে কাউকে হেফাজতে নিয়েই তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন বিচারপতিরা। এসএসসি-কে সমস্ত OMR শিটের কপি তাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করতে নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। ওই ওএমআর শিট পর্যবেক্ষণ করে নতুন করে প্যানেল প্রকাশ করতে হবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৪
টুকিটাকি

তীব্র গরমে কি খাবেন কি আর কি খাবেন না, জেনে নিন

২০২৪ র উষ্ণতম মাস এপ্রিল। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে জনজীবন। ভয়ঙ্কর দাবদহে রাস্তাঘাট শুনশান। পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় অতিরিক্ত আদ্রতার কারনে এই সময় শরীর থেকে প্রচুর ঘাম ঝড়ে। অতিরিক্ত ঘামের কারনে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে শরীরে ক্লান্তি, অস্বস্তি, মাথা যন্ত্রণা, মাথা ঘোড়ার মতো একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। তাই শরীরের জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে জল বা পানীয় এবং জল যুক্ত ফল খেতে হবে।এই তীব্র গরমে কী কী ধরনের খাবার আমাদের শরীরের জন্য উপাদেয়, সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুষ্টিবিদ অতসী সাহা দত্ত এই গরমেও শরীরকে সুস্থ্য রাখতে বেশ কিছু খাবারের কথা উল্লেখ করেছেন, যা এই তীব্র দাবদহেও শরীরকে সুস্থ রাখবে। দেখে নেওয়া যাক সেই সমস্ত খাবারের তালিকাঃজলঃপূর্ণবয়স্ক একজন নারীর সারাদিনে অন্তত ২.৫লিটার থেকে ৩ লিটার ও একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মানুষের দিনে ৩ লিটার থেকে ৩.৫ লিটার পরিশুদ্ধ জল পান করা উচিত। যাঁরা কিডনি রোগে ভুগছেন তাঁরা চিকিৎসকের সাথে কথা বলে তাঁর পরামর্শমত জল পান করবেন।এই তীব্র দাবদহে পাতিলেবু বা অন্য যেকোনও ফলের শরবত খাওয়া যেতে পারে। ডাবের জল, তরমুজ খুবই কার্যকর এইসময়ে। এই ধরনের ফল খুব সহজেই মানুশের শরীরের জলের চাহিদা পূরণ করে। ডাব বা ফলের শরবত খেলে জলের সাথে সাথে আমাদের শরীরের যে খনিজ লবণের প্রয়োজন তার চাহিদাও পূরণ হয়।সবজিঃফল বা জলের সাথে সাথে বেশ কিছু সব্জীও আমাদের শরীরে জলাভাব কাটাতে সাহায্য করে। যেমন, কাঁচা পেঁপে, পটল, ধুন্দুল, ঝিঙ্গে, শসা, চিচিঙ্গা, গাজর, কুমড়ো, লাউ, পালংশাক, টমেটোতেও জলের পরিমাণ বেশি থাকে। শরীরে জলাভাব কমাতে এই ধরনের সব্জী আমাদের অবশ্যই খাবার তালিকায় রাখাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, এই সময় রান্না যেন কোনোমতেই রিচ না হয়। এইসময়, আম বা তেঁতুল দিয়ে রান্না করা টক ডাল, সজনে ডাঁটা দিয়ে ডাল শরীর ঠান্ডা রাখতে খুব সাহায্য করে।মরসুমি ফলঃআমঃ এই সময় বাজারে খুব-ই সহজলভ্য কাঁচা আম। কাঁচা আম দিয়ে তৈরি ডাল, শরবত, বা কাঁচা আম পুড়িয়ে শরবত, আম পান্না শরীরের জল শূন্যতা দূর করার জন্য খুব উপকারি। কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। এছাড়া কাঁচা আমে ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন সি ও আছে, যা মানব দেহ ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।তরমুজঃ এছাড়া এই সময় বাজারে প্রচুর পরিমাণে তরমুজ পাওয়া যায়, এই তরমুজ ও শরীর ঠান্ডা করার জন্য খুব উপকারি। তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও খনিজ লবণ, যা এই গরমে শরীরের জন্য ভীষণ দরকার।পেঁপেঃ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এবং যারা শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান (ওবেসিটি) তাদের জন্য ভিটামিনের একটি চমৎকার উৎস হতে পারে পেঁপে। কোলেস্টেরল কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ বাড়াতেও এই ফলের জুড়ি মেলা ভার। পেঁপেতে আছে ভিটামিন সি, ফাইবার এবং ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে।আখের রসআখের রস-ও শরীরকে ঠান্ডা রাখতে খুবই কার্যকরী। আখের রসের সাথে বিট নুন, পুদিনাপাতা এবং পাতি লেবুর রস মিশিয়ে খেলে এর স্বাদও বৃদ্ধি পায়, সাথে সাথে পুষ্টিগুণও অনেকগুন বেড়ে যায়।বেলের শরবতবেলের আরেক নাম অমৃত ফল। একটি পাকা বেল রোজ খেলে বহু রোগ নিরাময় হয় বলে জানা যায়। বেলে আছে বিটা-ক্যারোটিন, প্রোটিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-১ এবং বি-২, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ফাইবার। বেলের শরবত পাকস্থলী ঠান্ডা রাখতে খুব কার্যকর।পুদিনার শরবতশরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে ও পাকস্থলীতে গ্যাস নিয়ন্ত্রণে পুদিনার জুড়ি মেলা ভার। শরীর সতেজ রাখার জন্য পুদিনার শরবত অতুলনীয়।যা খাবেন নাকোনও ভাবেই তীব্র দাবদাহ মাথায় নিয়ে ঠান্ডা পানীয় পান করবেন না। সাময়িক আরাম আপনার ভয়ঙ্কর বিপদ ডেকে আনতে পারে। এই ধরনের কার্বনেটেড বেভারেজ (স্ফট ড্রিঙ্ক) আমরা গরমের সময় প্রচুর খেয়ে থাকি, যা একেবারেই স্বাস্থ্য সম্মত নয়। রোদ্দুরে দাঁড়িয়ে গরম চা বা কফি বা গরম কোনও খাবার এই সময় না খেলেই মঙ্গল।খাবেন নাঃ# বাইরের খোলা শরবত,# ঝাল মশালা যুক্ত খাবার,# ফাস্ট ফুড / জাঙ্ক ফুড# ভাজা বা পোড়া খাবার

এপ্রিল ১৯, ২০২৪
রাজ্য

পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে রাজ্য পুলিশের এফআইআর, অভিযুক্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃনাঙ্কুর সহ একাধিক তৃণমূল ছাত্র নেতা

এই প্রথম কোন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের তরফ থেকে দায়ের করা হল এফআইআর। পার্থ চ্যাটার্জির নামে এফআইআর দায়ের করলো ডিপার্টমেন্ট অফ স্কুল এডুকেশন। এফ.আই.আরে নাম রয়েছে বিনয় তামাং, তৃনাঙ্কুর ভট্টাচার্য সহ শাসক দলের বেশ কিছু নেতানেত্রীদের।কলকাতা হাইকোর্ট পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিতেই তড়িঘড়ি রাজ্য শিক্ষা সচিবের অভিযোগের ভিত্তিতে ৮ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল রাজ্য পুলিশ। এঁদের মধ্যে রয়েছে প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পাহাড়ের তৃণমূল নেতা বিনয় তামাং, রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি ত্রিনাঙ্কুর ভট্টাচার্য্য, ছাত্র নেতা প্রান্তিক চক্রবর্তী সহ আরও ৪ জনের নাম রয়েছে। এফআইআর এ দুর্নীতি ছাড়াও অর্থ তছরুপ, হুমকি ও সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির চিঠির অভিযোগ এফ.আই.আর হিসেবে গ্রহন করার আবেদন এর আগে জানানো হলে, তাতে বিধান নগর উত্তর থানা গুরুত্ব না দেওয়ায়,এই চিঠির বিষয়ে অনুসন্ধানের দায়িত্ব আদালত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়। যদিও সিঙ্গেল বেঞ্চের সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করেছে ডিপার্টমেন্ট অফ স্কুল এডুকেশন।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
কলকাতা

সাত সকালে নিউটাউনে লাল সুটকেসে কি? বিরাট চাঞ্চল্য

নিউটাউনের পার্শ্ববর্তী এলাকা ধর্মতলা পাচুরিয়ার ছোট খালে একটি লাল রঙের সুটকেশ প্রথমে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পুলিশে খবর দেওয়া হলে টেকনো সিটি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে, শুটকেসের তালা খুলতেই দেখে এক ব্যক্তির মৃতদেহ। অনুমান করা হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ বছর বয়স ওই মৃত ব্যক্তির। সেই মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত নেমেছে পুলিশ উদ্ধার হওয়া মৃত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানার পাশাপাশি, কিভাবে তার মৃত্যু হল তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান তাকে খুন করে কেউ বা কারা এখানে ফেলে রেখে গেছে। তবে সামনেই লোকসভায় নির্বাচন তার আগে সুটকেস বন্দী এই মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

মার্চ ২৩, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রতিটি বুথে নজরদারি, এবার ভোটে থাকবে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। এবার প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। বুথের ভিতরে এবং বাইরে দুজায়গাতেই ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি বুথে অন্তত দুটি ক্যামেরা থাকবে এবং তার সঙ্গে ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্যধারণ করতে সক্ষম বিশেষ ক্যামেরাও বসানো হবে।কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের শতভাগ বুথেই এই নজরদারি চালানো হবে। ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থায় এই পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রথম স্তরে রিটার্নিং অফিসার, দ্বিতীয় স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং তৃতীয় স্তরে মুখ্য নির্বাচনী দফতর থেকে সবকিছু দেখা হবে। একাধিক স্ক্রিনে এই সমস্ত ফুটেজ নজরদারি করা হবে এবং প্রতিটি স্ক্রিনের সামনে দুইজন করে পর্যবেক্ষক থাকবেন, একজন নজর রাখবেন এবং অন্যজন তথ্য নথিভুক্ত করবেন।এছাড়াও ভোটযন্ত্র বহনকারী গাড়িগুলির উপরও নজর রাখা হবে। সেই গাড়িগুলিতে জিপিএস থাকবে, যাতে তারা নির্দিষ্ট পথেই যাচ্ছে কি না তা বোঝা যায়। কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির মাধ্যমে সবকিছু রেকর্ড করা হবে। ভোটের এক থেকে দুই দিন আগে থেকেই বুথগুলিতে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে এবং হাজার হাজার মাইক্রো পর্যবেক্ষক এই কাজে যুক্ত থাকবেন।সংবেদনশীল বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে বুথের ভিতরে একাধিক ক্যামেরা বসানো হবে। যদি কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটে, তাহলে সেই ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।কমিশন আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়, ভোটারদের ভোট দিতে না দেয় বা জোর করে বুথ দখল করে, তাহলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। এই ধরনের অপরাধে জেল ও জরিমানার শাস্তি হতে পারে। সরকারি কর্মচারী কেউ এই ধরনের কাজে যুক্ত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্ট নয়, পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারের রিপোর্টও গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। নিরাপত্তার দিক থেকেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয় সেখানে অতিরিক্ত কর্মী রাখা হবে, যারা বুথের বাইরে নজর রাখবেন।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘বিচারাধীন’ থেকে সরাসরি বাদ, প্রাক্তন সাংসদের নাম ঘিরে চাঞ্চল্য

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত নতুন তালিকায় বড় চমক সামনে এল। আগে যার নাম বিচারাধীন হিসেবে ছিল, দ্বিতীয় দফার তালিকায় সেই নামই সম্পূর্ণ বাদ পড়ে গেল। এই ঘটনায় জড়িত প্রাক্তন সাংসদ ও এসইউসি নেতা তরুণ মণ্ডল। তাঁর স্ত্রীর নামও আগে বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফার তালিকা প্রকাশ করে। তবে কত নাম রাখা হয়েছে বা কত নাম বাদ গেছে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এর মধ্যেই জানা যায়, তরুণ মণ্ডলের নাম আর তালিকায় নেই।এক সময় রাজ্য রাজনীতিতে পরিচিত মুখ ছিলেন তরুণ মণ্ডল। তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জয়নগর কেন্দ্র থেকে সাংসদ হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে হাওড়ায় থাকেন। তাঁর নাম দক্ষিণ হাওড়া এলাকার একটি বুথে ছিল।প্রথম তালিকায় দেখা গিয়েছিল, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দুজনেই বিচারাধীন তালিকায় রয়েছেন। পরে শুনানির সময় তিনি একাধিক নথি জমা দেন। তারপর তাঁর নাম বিবেচনাধীন তালিকায় ওঠে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার তালিকায় তাঁর নাম সম্পূর্ণ বাদ পড়ে যায়।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তরুণ মণ্ডল। তিনি বলেন, তিনি সরকারি চাকরি করেছেন, পেনশন পান এবং সাংসদও ছিলেন। তিনি একাধিক নথি জমা দিয়েছেন। তবুও কেন তাঁর নাম বাদ গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি ও লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি লিখবেন। তাঁর মতে, একজন প্রাক্তন সাংসদের যদি এই পরিস্থিতি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া বার্তা কমিশনের, থানার ওসিদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশ

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে হিংসামুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে একাধিক কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের পক্ষ থেকে থানার ওসিদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।নির্দেশ অনুযায়ী, আগের নির্বাচনের সময় হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং কোনও পরোয়ানা ১০ দিনের বেশি ফেলে রাখা যাবে না। থানাগুলিকে পলাতক ও ওয়ান্টেড আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।এছাড়া, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে পুলিশকে। অতীতে যেখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে, সেই সব এলাকা চিহ্নিত করে আগে থেকেই নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অপরাধপ্রবণ এলাকা ও মাদক চক্র সক্রিয় এমন জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত টহল চালাতে হবে। সন্দেহজনক হোটেল, লজ বা অন্য জায়গায় তল্লাশি চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কোনও অশান্তির খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে হবে।আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে দিনরাত নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সব গাড়িতে তল্লাশি বাড়াতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সবসময় চালু রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজনৈতিক সভা, রোড শো এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। যেসব ব্যক্তি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন বা ঝুঁকিতে থাকতে পারেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভোট সংক্রান্ত সমস্ত আধিকারিক কমিশনের অধীনে কাজ করবেন এবং নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলকে আক্রমণ, বাম শাসনের প্রশংসা শাহর, রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতায় এসে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তিনি দাবি করেন, বর্তমান তৃণমূল সরকারের তুলনায় বাংলায় বামফ্রন্টের শাসন অনেক ভালো ছিল। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।কলকাতায় বিজেপির চার্জশিট প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, বাংলায় সোনার বাংলা গড়ার নামে হিংসা ও অরাজকতা বেড়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছে এবং সিন্ডিকেট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, তোষণের রাজনীতি করা হচ্ছে এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।শাহ দাবি করেন, পরিবর্তনের আশায় বাংলার মানুষ একসময় তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছিল। কিন্তু এখন অনেকেই মনে করছেন, আগের বাম শাসনই ভালো ছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি তৃণমূল সরকারের সঙ্গে বাম আমলের তুলনা টানেন।এদিন তিনি তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রকাশ করেন। সেখানে দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ ইস্যুতে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এবারের নির্বাচনে বাংলার মানুষকে ভয় আর ভরসার মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে।শাহ আরও দাবি করেন, গত কয়েক বছরে দেশের একাধিক রাজ্যে বিজেপি প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে। এবার বাংলাতেও বিজেপি বড় জয় পাবে বলে তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, অঙ্গ, বঙ্গ এবং কলিঙ্গে একই দলের সরকার গঠনের সময় এসে গেছে।এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় এসে বিস্ফোরক চার্জশিট অমিত শাহর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

বাংলায় এসে তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে চার্জশিট প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নিউ টাউনের একটি হোটেলে এই চার্জশিট প্রকাশ করেন তিনি। শাহর দাবি, এটি শুধু বিজেপির চার্জশিট নয়, বাংলার মানুষের অভিযোগের প্রতিফলন।তিনি বলেন, দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, শিল্প ও স্বাস্থ্যসব ক্ষেত্রেই তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরা হয়েছে এই নথিতে। তাঁর কথায়, গত ১৫ বছরে বাংলায় ভয়, সন্ত্রাস, দুর্নীতি এবং বিভেদের রাজনীতি চলেছে। এবার মানুষকে ঠিক করতে হবে তারা ভয়ের পক্ষে থাকবে, না উন্নয়নের পক্ষে।অমিত শাহ অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন। তিনি অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে এবং এর ফলে দেশের নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের জীবিকা দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছে না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অল্প সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় জমি দেওয়া হবে এবং সীমান্ত সুরক্ষিত করা হবে।বাংলায় বিজেপির ভোটের বৃদ্ধি নিয়েও তথ্য দেন শাহ। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে বিজেপির ভোটের হার অনেক বেড়েছে এবং রাজ্যে একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে।অমিত শাহ বলেন, এই নির্বাচন বাংলার মুক্তির নির্বাচন। অনেক মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং পরিবর্তন চান।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, তিনি বারবার সহানুভূতি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল নেন। তবে বাংলার মানুষ এখন সেই রাজনীতি বুঝে গিয়েছেন।নারী নিরাপত্তার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন শাহ। তিনি দাবি করেন, বাংলায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় সমস্যা রয়েছে এবং বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণও তুলে ধরেন।এছাড়া তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় একই দলের সরকার গঠন হতে পারে। তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার শুভেন্দু অধিকারীর নামও উঠে আসে, যা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সভা শেষে হঠাৎ আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা অভিষেকের

শনিবার বীরভূমের লাভপুরে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা শেষে হঠাৎ মঞ্চের একাংশে আগুন লাগে। এই ঘটনায় সভাস্থলে উপস্থিত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুত দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই আগুন লাগে। তিনি তখন হেলিপ্যাডের দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারকে একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেন। রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথাও জানান।সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎ মঞ্চের উপরের অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কাপড়ে আগুন ধরে যায়। সেখানে উপস্থিত দমকল কর্মীরা দ্রুত মঞ্চে উঠে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। নিরাপত্তার জন্য এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কীভাবে আগুন লাগল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল ও পুলিশ।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও একটি সভা করার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে তিনি কলকাতায় ফিরে ভারচুয়াল মাধ্যমে প্রচার করবেন বলে জানা গেছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

রঘুনাথগঞ্জে সংঘর্ষে বিস্ফোরক মমতা, সরাসরি কমিশন ও বিজেপিকে দায়ী

মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ঘটনায় বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অফিসারদের সরিয়ে দিয়ে দাঙ্গা বাধানো হয়েছে। তাঁর হুঁশিয়ারি, এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, কাউকেই ছাড়া হবে না।শনিবার রানিগঞ্জের খান্দরা ফুটবল মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কারা দাঙ্গা বাধানোর অধিকার দিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে টাকা ঢোকানো হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাম নবমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্র নিয়ে বের হওয়া হয়েছে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এই ঘটনার জন্য তিনি দুঃখপ্রকাশও করেন। বলেন, প্রশাসন বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকায় কিছু ক্ষেত্রে গা ছাড়া মনোভাব দেখা গিয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখবেন।নির্বাচন ঘোষণার পর শীর্ষ স্তর থেকে জেলা প্রশাসনের একাধিক অফিসার বদলি করা হয়েছিল। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। তৃণমূলের দাবি, রঘুনাথগঞ্জের ঘটনা সেই আশঙ্কাকেই সত্যি প্রমাণ করেছে।প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মতো এবারও রঘুনাথগঞ্জে রাম নবমীর শোভাযাত্রা বের হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল ম্যাকাঞ্জি পার্কের দিকে যাচ্ছিল। সিসাতলা এলাকায় একটি মিছিল পৌঁছলে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।মিছিলে ইট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে এবং এলাকা মুহূর্তে অশান্ত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে বড় শোভাযাত্রা ফুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছলে আবারও উত্তেজনা ছড়ায়। দুই পক্ষের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি চলতে থাকে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন লাগিয়ে দেয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ। তাদের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
বিদেশ

গোপন ফোনালাপে তৃতীয় ব্যক্তি, মোদি-ট্রাম্প কথোপকথনে কেন মাস্ক

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ হয়। সেই ফোনালাপে অপ্রত্যাশিতভাবে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলা উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্প মোদিকে ফোন করেন। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ অভিযানের পর এই প্রথম দুই নেতার মধ্যে কথা হয়। সেই আলোচনায় মাস্কের উপস্থিতিকে অস্বাভাবিক বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ যুদ্ধের সময় এমন উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় তৃতীয় কোনও ব্যক্তির থাকা খুবই বিরল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, মাস্ক ফোনালাপে ছিলেন ঠিকই, তবে তিনি কথা বলেছেন কি না তা স্পষ্ট নয়। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ভালো এবং তাঁদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।এই ফোনালাপে হরমুজ প্রণালী নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। দুই দেশনেতাই মনে করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে খোলা ও নিরাপদ রাখা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই পথ বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, গত বছর প্রশাসন ছাড়ার পর ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal