• ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজ্য

নাড্ডা ডায়মন্ড হারবারে গাড্ডায় পড়েছেঃ অভিষেক

আজ বিজেপির জেপি নাড্ডা ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে গাড্ডায় পড়েছে। তা আমি কী করতে পারি? সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশের দায়িত্ব তো আমার নয়। বৃহস্পতিবার নাড্ডার কনভয় লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া দিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন মানুষের ক্ষোভ, তার ব্যাখ্যাও দেন অভিষেক। বলেন,লকডাউনের সময় মানুষের খোঁজ নেননি। জিএসটি, নোটবন্দি করে মানুষের জীবনে অন্ধকার এনেছেন আপনারা। আরও পড়ুন ঃ উত্তরকন্যার দেওয়ালে এবার পড়ল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্টার একদিনও খোঁজ নেননি। লকডাউনের সময় কোন নেতাকে খোঁজ নিতে দেখেছেন আপনারা? কবার লকডাউনে মানুষের পাশে দেখতে পেয়েছেন? একমাত্র যদি কেউ দাঁড়িয়ে থাকে, কালীঘাটে টালির ছাদেরতলায় সেই মহিলা। তিনি আরও বলেন,মানুষকে হিসাব দিতে হবে না। আসল বন্ধু কে, তা মানুষ ভালো করে জানে। সিপিএম-বিজেপি কংগ্রেস এক। যত কম বলা যায় তত ভালো।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

উত্তরকন্যার দেওয়ালে এবার পড়ল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্টার

শুভেন্দুর পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্টার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। রাজ্যের মিনি সেক্রেটারিয়েট উত্তরকন্যার দেওয়ালে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে পোষ্টার দেখা যায়। পোষ্টারে লেখা আমরা দাদার ভক্ত। জলপাইগুড়ির পর শিলিগুড়িতে এই পোষ্টার পড়ায় রীতিমত গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। উত্তরকন্যায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকা সত্বেও কে বা কারা এভাবে উত্তরকন্যার সীমানা প্রাচীরে পোস্টার ছড়াল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আরও পড়ুন ঃ স্রেফ মা দুর্গার কৃপায় সভায় পৌঁছতে পেরেছি , নাড্ডা দক্ষিনবঙ্গের পর এবার প্রাক্তন মন্ত্রীর কায়দায় এবার উত্তরবঙ্গেও পোস্টার বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেওয়া ফ্লেক্সে লেখা ছিল আমরা দাদার অনুগামী। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া ফ্লেক্সে লেখা আমরা দাদার ভক্ত। বৃহস্পতিবার সকালে শিলিগুড়ি লাগোয়া ফুলবাড়ি এলাকায় রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া এমন বেশ কয়েকটি ফ্লেক্স দেখতে পাওয়া যায় ফুলবাড়ি এলাকায়। এমনকি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া ফ্লেক্স ঝুলতে দেখা গিয়েছে উত্তরবঙ্গের মিনি সচীবালয় উত্তরকন্যার সীমানা প্রাচীরে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় শিলিগুড়ির রাজনৈতিক মহলে। গত দুদিন আগে এমন ফ্লেক্স লাগানোর খবর পাওয়া গিয়েছিল জলপাইগুড়িতে। শুভেন্দুর পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া আমরা দাদার ভক্ত লেখা ফ্লেক্স শিলিগুড়িতে পড়ায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তৃনমূল শিবিরে। উত্তরকন্যায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকা স্বত্বেও কে বা কারা সচীবালয়ের সীমানা প্রাচীরে ফ্লেক্স লাগাল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি নিজেই নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালিয়েছেঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায়

জেপি নাড্ডা যখন গাড়ি করে যাচ্ছিলেন, তখন তার গাড়ির ভেতর থেকে ভিডিও করে প্ররোচনা তৈরি করা হচ্ছিল। এটা পরিকল্পনামাফিক করা হয়েছে। জ়েপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করলেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পাবলিসিটির নেওয়ার জন্য এসব করা হয়েছে। রাজনীতির নাম করে শান্তিপ্রিয় পশ্চিম বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। আরও পড়ুন ঃ বাংলার পার্টি তৃণমূল, বিজেপি দিল্লির দলঃ মমতা এই পরিকল্পনা সফল হবে না। যদি কেউ অন্যায় করে থাকে তা যদি তৃণমূল কংগ্রেসের দলের কেউ হয়, আমরা খতিয়ে দেখব শাস্তি হবে। দলের কর্মীরা যাতে ফাঁদে পা না দেয়, সেই জন্য সতর্ক থাকতে অনুরোধ করব। তিনি আরও বলেন, আমি অবাক হব না, যদি বিজেপির নেতারা এটা করে থাকেন। আমরা অনেক জায়গায় দেখেছি , ওদের লোকেরা কিছু করে আমাদের নামে দোষ দেয়। যখন ওদের দলের কোনো নেতা আসেন নিজেরা নিরাপত্তা নিয়ে আসেন। আমরাও নিরাপত্তার দিই।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

বাংলার পার্টি তৃণমূল, বিজেপি দিল্লির দলঃ মমতা

যদুবাবুর বাজারের দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলা ১২টা নাগাদ যদুবাবু বাজারে যান তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে তিনি সরকারি প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন। কীভাবে আমজনতার সেই প্রকল্পের অংশ হতে পারবেন, তাও বুঝিয়ে দিলেন। মমতার কথায়, বাংলার পার্টি তৃণমূল। বিজেপি দিল্লির দল। ভোটার কার্ডে নাম না তুললে এনআরসি করে বিজেপি নাগরিকত্ব কেড়ে নিতে পারে। আরও পড়ুন ঃ ১০ বছরের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ তৃণমূলের নাড্ডার সফরে একাধিকবার হামলার অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়ে তৃণমূল নেত্রীর কটাক্ষ, ওদের একজন ভদ্রলোক এসেছেন। রেগুলার কেউ না কেউ আসে। শুনলাম উনি নাকি ভয় পাচ্ছেন মিটিংয়ে যেতে। বাবা এত ভয়? ওনার সঙ্গে বিএসএফ, সিআরপিএফ, আইবি এত লোক এত গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। দিল্লির বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গিয়েছে। কাজ করব আমরা আর ওঁরা খালি কৈফিয়ত চাইবে। রাজ্যের সমস্ত টাকা লুঠ করে। বদলে খালি লাঞ্ছনা আর বঞ্চনা পাই। এদিন তিনি আরও বলেন, ওরা বলে এখানে আইন-শৃঙ্খলা নেই, আমার মা-বোনেরা কি রাস্তায় বেরোতে পারেন না? বলুন। এখানে শিক্ষা নেই, স্বাস্থ্য নেই, খাদ্য নেই? ওদেরকে জিজ্ঞাসা করুন দিল্লির কুঠুরিতে কি আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, মালা রায়।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

১০ বছরের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ তৃণমূলের

রাজ্যে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সভার দিনই গত দশ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান পেশ করল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রিপোর্ট কার্ড এ কথাই তুলে ধরলেন দলীয় নেতৃত্ব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মতো রাজ্যের একাধিক দফতরের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা। বৃহস্পতিবার দলের সদর দফতর তৃণমূল ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হল বঙ্গধ্বনি যাত্রা কর্মসূচির। আগামীকাল থেকে এই রিপোর্ট কার্ড নিয়ে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছাবেন তৃণমূলকর্মীরা। রাজ্যের মানুষ গত দশ বছরের মধ্যে যা যা সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন তাই তুলে ধরা হয়েছে রিপোর্ট কার্ডে। এদিনের অনুষ্ঠানে রাজ্যের দুয়ারে সরকার কর্মসূচিকেও তুলে ধরা হয়। এই কর্মসূচির সাফল্য নিয়ে কথা বলেন দলের নেতারা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যের ১১টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুবিধা দিতে সাধারণ মানুষের বাড়ির দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছে সরকার। এদিন দলের মহাসচিব ও রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই সরকার দশ বছরের মধ্যে ৮ বছর কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। করোনার জন্যে এক বছর, উপনির্বাচনের জন্যে বাকি ১ বছর কাজ করার সম্ভব হয়নি। তাও সরকার সমস্ত রকম ভাবে মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছে। আর সেই কাজের খতিয়ান নিয়েই মানুষের দোরগোড়ায় এবার পৌঁছবে তৃণমূল কংগ্রেস। শুধুমাত্র শিক্ষাক্ষেত্রের যে উদাহরণ তিনি টেনেছেন সেখানে উল্লেখ রয়েছে, ২০১১ সাল থেকে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ তিন গুণ বেড়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য ও খাদ্য এই দুটি ক্ষেত্রেও বেড়েছে বরাদ্দ। যা উল্লেখ রয়েছে রিপোর্ট কার্ডের মধ্যে। গত দশ বছর ধরে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার কী কী কাজ করেছে বাংলার মানুষের জন্যে, তার যাবতীয় খতিয়ান তুলে ধরা হয়েছে এই রিপোর্ট কার্ডের মাধ্যমে। যাকে এদিন সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায় বলেন, এটা আসলে শ্বেতপত্র। দিদিকে বলো, বাংলার গর্ব মমতার পরে চালু হচ্ছে নয়া প্রকল্প বঙ্গধ্বনি। যার মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছবেন জনপ্রতিনিধি থেকে সাংগঠনিক পদের ব্যক্তিরা। তারাই মানুষের কাছে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে দেবেন। সেই উন্নয়নের চেহারাই প্রকাশ পাবে এই রিপোর্ট কার্ড পেশের মাধ্যমে। বারবারই মমতা বন্দোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র প্রাপ্য টাকা দিচ্ছে না। কিন্তু আর্থিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও উন্নয়নের গতি থামেনি। আর্থিক সঙ্কটের মধ্যেও প্রতি মাসে সরকারি কর্মীদের বেতন ও পেনশন দেওয়া হয়। এছাড়াও বিনাপয়সায় চিকিত্সার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা তুলে ধরা হয়েছে রিপোর্ট কার্ডে। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার সফরে পুলিশি নিরাপত্তায় ঢিলেমির অভিযোগ, শাহকে চিঠি দিলীপের পাশাপাশি, গত ১০ বছরে রাস্তা থেকে পানীয় জল। বিদ্যুৎ থেকে সকলের জন্যে খাদ্যসাথী। স্বাস্থ্যসাথীর মতো বিশেষ সুবিধাও এনেছে রাজ্য সরকার। বিরোধীরা উন্নয়ন ইস্যুতে একাধিকবার আক্রমণ শানালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর দলের নেতা মন্ত্রীরা একপ্রকার নিশ্চিত মানুষের কাছে তাঁদের উন্নয়নের খতিয়ান পৌঁছে যাবে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ আস্থা রাখবে সেই উন্নয়নের উপরেই। তাই আজ থেকেই এই প্রচারে কোমর বেঁধে নেমে পড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর জেলা নেতৃত্ব সেই বিষয়ে নিজেদের জেলায় কেন্দ্রীয়ভাবে প্রচার করবেন। শুক্রবার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে সাংবাদিক সম্মেলন এবং মিছিল করে শুরু হবে বঙ্গধ্বনি যাত্রার প্রচার অভিযান। আগামী দশ দিনে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে তিন থেকে পাঁচটি দল যাত্রা শুরু করবে ধারাবাহিকভাবে। জানা গিয়েছে, ওই যাত্রায় চার হাজার নেতা ৯৫০টি দলে ভাগ হয়ে ২৭ হাজার ৫০০ এলাকায় যাবেন। রাজ্যের প্রায় আড়াই লক্ষ কিলোমিটার জুড়ে ১ কোটি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করবেন ওই প্রচারের দায়িত্বে থাকা নেতানেত্রীরা। তৃণমূলের দশ বছরের রিপোর্ট কার্ড বাংলার প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়াই হচ্ছে মূল লক্ষ্য। সেই সঙ্গে দেওয়া হবে ২০২১ সালের দিদিকে বলো পকেট ক্যালেন্ডার।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

স্রেফ মা দুর্গার কৃপায় সভায় পৌঁছতে পেরেছি , নাড্ডা

এ রাজ্যে জঙ্গলরাজ চলছে, আইনের শাসন বলে কিছু নেই। শুধু কাটমানি আর কাটমানি। বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে এমনই কথা বললেন বিজেপির সর্ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, মোদিজি অর্থ দিচ্ছেন আর কাটমানিতেই সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। ডায়মন্ড হারবারে কার্যকর্তাদের বৈঠকে আসার পথে আমার কনভয় হামলা হয়েছে। মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র উপরও আক্রমণ হয়েছে। দেখুন, তাঁরা জখম। এই আক্রমণের তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। পুলিশ প্রশাসনেরও রাজনীতিকরণ হয়ে গিয়েছে, বোঝা যাচ্ছে। এরপর সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের নাম নিয়ে নাড্ডার হুঙ্কার, মমতাজির দিন শেষ। বর্বর সরকার উৎখাত হবেই। এখানে পদ্ম ফুটবে। মমতাজি, আপনি বিশ্রাম নিন। এবার বিজেপিকে বাংলার উন্নয়নে কাজ করতে দিন। তিনি আরও বলেন, আমরা আসার সময় যে দৃশ্য দেখলাম তাতে বোঝা যাচ্ছে, মমতাজির আমলে বাংলায় অরাজকতা ও অসহিষ্ণুতার শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। আমার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী না থাকলে কী অবস্থা হত কে জানে। এখানকার বিজেপি কর্মীদের কী অবস্থা তাও আন্দাজ করতে পারছি। মা দুর্গার কৃপায় ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছেছি। তৃণমূলের ক্যাডাররা আটকানোর কোনও চেষ্টা বাদ দেয়নি। কিন্তু এই গুন্ডারাজের পতন অনিবার্য। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে এরপরই তিনি সরাসরি মমতাকে তোপ দেগে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী ভাষায় কথা বলছেন! তুইতোকারি করে বিরোধীদের আক্রমণ করছেন, এটা কি বাংলার সংস্কৃতি! মমতার পরই নাম না করে ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন নাড্ডা। এই ডায়মন্ডহারবারের সাংসদকে পার্লামেন্টে দেখাই যায় না, বলে কটাক্ষ করেন তিনি। এছাড়াও সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, কৃষকদের পাওনা ৬ হাজার টাকা মমতাজি আটকে দিয়েছেন। বলেছেন, কৃষকদের নয় আমাকে দিয়ে দাও, কৃষকদের নয় আমাকে দাও। এদিকে, ডায়মন্ড হারবারের পথে কনভয়ে হামলার কথা নিজেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জানিয়েছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আর সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে রাজ্যের কাছে এ বিষয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

নাড্ডার কনভয়ে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ডায়মন্ড হারবার যাওয়ার পথেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হল। ঘটনাটি ঘটেছে সরিষা এলাকায়। এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কনভয়ে থাকা গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ। অন্যদিকে শিরাকোল-ডায়মন্ড হারবার রোডের উপরে বিজেপির সভায় আসা তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের সামনেই তৃণমূল কর্মীরা বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালায় বলে অভিযোগ। ওই গাড়িগুলির মধ্যে বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ, কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও অনুপম হাজরা ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা বলেন, পরিকল্পনা করে বাস জ্যাম করে কনভয় আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। জঙ্গল্ রাজত্ব চলছে। ঘটনার প্রতিবাদে আজ বিকেল ৪টে থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত রাজ্য়জুড়ে অবরোধ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন রাজ্যের যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। হামলায় কয়েকজনের আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ। চারদিকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীকে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পিকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বৈশালী ডালমিয়া বিজেপি রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আইনকানুন নেই। এইভাবে সরকার চলছে। পুলিশের সামনেই গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আমাদের একাধিক নেতার চোট লেগেছে। ২০২১ সালে তৃণমূল সরকার ভেঙে দেব। রাজ্য পুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়, নিরাপদেই সভায় যোগ দেন জে পি নাড্ডা। তাঁর কনভয়ে কিছুই হয়নি। কনভয়ের পিছনে কয়েকটি গাড়ি লক্ষ্য করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ ইট-পাথর ছোড়েন। সকলেই সুরক্ষিত। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রয়েছে। আদতে ঠিক কী হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল প্রকাশিত হবে তৃণমূলের রিপোর্ট কার্ড

আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে প্রকাশিত হবে দলের রিপোর্ট কার্ড। গত দশ বছরে রাজ্যের সাধারণ মানুষের জন্য কি কি উন্নয়ন হয়েছে, তা এই রিপোর্ট কার্ডের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। রিপোর্ট কার্ডটি সাংবাদিকদের সামনে ব্যাখ্যা করার জন্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদরা । প্রসঙ্গত, আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা ভোট। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের পরিবারটাই দল, আর বিজেপির দলই পরিবারঃ নাড্ডা তার আগেই বিরোধীরা রাজ্য সরকার কোন উন্নয়ন করেনি বলে প্রচারে নেমে পড়েছে। জেলা সফরে বেরিয়ে উন্নয়নের ফিরিস্তি দিচ্ছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার দলের তরফ থেকেও সেই কাজ শুরু হতে চলেছে। রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করেই সাধারণ মানুষের উদ্দেশে প্রচারের কাজে ঝাপিয়ে পড়বে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

দুর্গাপুরে কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে একযোগে কাজের বার্তা মমতার

দ্বন্দ্ব ভুলে উন্নয়নের স্বার্থে কাউন্সিলরদের একসঙ্গে চলার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দুর্গাপুর থেকে বনগাঁ উড়ে যাওয়ার ঠিক আগে ভগৎ সিং ক্রীড়াঙ্গনে দুর্গাপুরের প্রতিটি কাউন্সিলরকে জরুরি তলব করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তথা বিশ্বনাথ পাড়িয়াল, পশ্চিম বর্ধমান জেলার সহ সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নব্বই সাল থেকে সিপিএমের হাতে মার খেয়ে খেয়ে কোমর ভেঙে গেছে। হাত ভাঙা আছে। কোমরে বেল্ট ছাড়া হাটাচলা করতে পারি না। মাথায় ৬৫ টি স্টিচ আছে। এখন যারা ছোট তারা জানো না। তোমরা একসঙ্গে কাজ করো। আরও পড়ুন ঃ মতুয়ারা সকলেই নাগরিক, ঘোষণা মমতার সূত্রের খবর, তিনি নির্দেশ দিয়েছেন কারখানাগুলোতে যাতে স্থানীয় বেকার যুবকদের চাকরি হয় সেই বিষয়টি দেখতে। মেয়র পারিষদ সদস্য প্রভাত চট্টোপাধ্যায়কে আসানসোল সংগঠন নিয়ে ফের সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এলাকার উন্নয়ন নিয়ে যেন আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ এবং দুর্গাপুর নগর নিগম যৌথভাবে দুর্গাপুর শহরের বিভিন্ন কাজ করে সে নির্দেশও দেন। যেমন, রাস্তা, জল, আলো, নিকাশি সমস্যার দ্রুত সমাধান করা। দুর্গাপুর নগর নিগমে ট্রেড লাইসেন্স বা অন্যান্য কাজ যেন বাকি না থাকে সে বিষয়ে দুর্গাপুরের মেয়রকে বলেন। এবং ওই আলোচনা থেকেই দুর্গাপুরের প্রাক্তন মেয়র তথা বিধায়ক অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সাথে ফোনে কথা বলে পুরনো দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়েে ফের সক্রিয় হয়ে ময়দানে নামার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

কেউ আমার মতো কাজ করে দেখাক, পদত্যাগ করবঃ মমতা

রাজ্যের সাড়ে ৯ কোটি মানুষ সরকারের কোনও না কোনও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। ১০ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পাবেন। জীবন থেকে মৃত্যু প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে সরকার। তাঁরপরেও কুৎসা ছড়াচ্ছে বিজেপি। কেউ আমার মতো কাজ করে দেখাক, পদত্যাগ করব। বনগাঁর জনসভা থেকে কিছুটা অভিমানী সুরে এমন কথাই জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সভা চলাকালীন কয়েকজন মহিলা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে নিজেদের দাবি জানাতে থাকেন। এই ঘটনায় কিছুটা ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী। পরে তিনি কিছুটা সামলে নিয়ে বলেন, এরকম ভাবে আমার দলীয় পাবলিক মিটিংয়ে দাবি জানাবেন না। কিছু বলার থাকলে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে যান। আমাদের চিঠি দিন। সবটা করা সম্ভব নয়, যতটা পারি করে দেব। অন্যায় দাবি করবেন না। সরকারেরও কিছু লিমিটেশন আছে, নিয়ম মেনে চলতে হয়। এরকম ঘটনায় কিছুটা দুঃখই পেলাম। আরও পড়ুন ঃ দিলীপ ঘোষ একটা ফোর টোয়েন্টি, দালালঃ অনুব্রত এদিনের সভা থেকে কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে বলেন, মোদিবাবু গায়ের জোরে তিনটি কৃষি আইন করেছেন। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে আলুর দাম ৬০টাকা কেজি, পেঁয়াজের দাম ১৮০ টাকা কেজি হয়ে যাবে। ডাল, আলুভাতও খাওয়া যাবে না। কিছু করার থাকবে না। কৃষকদের জিনিস কেড়ে বিজেপি চাইছে কর্পোরেটদের দিয়ে দিতে। মজুতদার, মুনাফাখোড়েদের সুবিধা করে দিতে। কৃষকরা ফসলের কত দাম পাবে তার কোনও গ্যারান্টি নেই। কৃষকদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। রাজ্যে ফের তৃণমূল সরকার আসবে এবং বিনামূল্যেই রেশন দেওয়া হবে সবাইকে বলেও এদিন জানিয়েছেন মমতা। মমতা এদিন বলেন, আমফানের পর হেলিকপ্টারে চড়ে নাটক করতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কোনও টাকা দেয়নি। আমাদের টাকাই এক হাজার কোটি অ্যাডভান্স দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। আমাদের টাকাই আমাদের দিয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

মতুয়ারা সকলেই নাগরিক, ঘোষণা মমতার

ক্যা ক্যা বলে প্রতারণা করা হচ্ছে। এদের একবার সুযোগ দিলেই ঠাকুমার বাবা, ঠাকুরদাদার জন্ম তারিখ চাইবে। দিতে পারবেন? রাজ্য সরকার আপনাদের নাগরিক বলে দিয়েছে। বনগাঁর গোপালনগরের সভা থেকে কেন্দ্রকে পালটা জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, রাজ্য সরকার উদ্বাস্তু কলোনিগুলিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দাঁড়িয়ে বলছি মতুয়ারা সকলে নাগরিক। রাজ্যে যারা থাকেন, তাঁরা সবাই এরাজ্যের বাসিন্দা। আপনাদের কোনও প্রমাণপত্রের প্রয়োজন নেই। এনআরসি, এনপিআর করতে দেব না। মতুয়াদের উন্নয়নের স্বার্থেও রাজ্য সরকার অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, এর আগেই ১০ কোটি টাকা মতুয়াদের উন্নয়নের স্বার্থে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আপনারা কমিটি তৈরি করলেই কাজ শুরু হবে। মমতা বলেন, ৩০ বছর ধরে বড়মার চিকিৎসা করিয়েছেন। মতুয়া মন পেতে এদিন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেচ্ছেন হরিচাঁদ ঠাকুর, গুরুচাঁদ ঠাকুরের জীবনী স্কুল পাঠ্যের অন্তর্ভুক্ত হবে। গুরুচাঁদ-হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথিতে ছুটি ঘোষণা করবে রাজ্য সরকার। এদিনের সভা থেকে একথাও তিনি ঘোষণা করেন। মমতা এদিন বলেন, রাজ্যে কে থাকবে তা রাজ্য ঠিক করবে। এটা রাজ্যের বিষয়। বিজেপি বাংলা থেকে বাঙ্গালীদের তাড়িয়ে গুজরাত বানাতে চাইছে। কিন্তু বহিরাগত গুন্ডা নয় বাংলায় বাংলার বাসিন্দারাই থাকবেন। বাইরে থেকে আরএসএসের গুণ্ডাদের নিয়ে আসছে বিজেপি। নজর রাখতে হবে। সিপিএম এর হার্মাদ, বিজেপির ওস্তাদ। আরও পড়ুন ঃ কৈলাস-দিলীপের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের দলনেত্রী আরও বলেন, আমরা কথা দিলে কথা রাখি। আমরা বিজেপি পার্টি নয় যে ভোটের সময় কথা দিয়ে পালিয়ে যাব। বাইরে থেকে আরএসএস নিয়ে এসেছে। তারা মতুয়াদের ধর্ম সম্পর্কে শেখাচ্ছে। হিন্দু ধর্ম কী তা স্বামী বিবেকানন্দের থেকে শিখব। তোমরা কোন হরিদাস? পাড়ায় পাড়ায় বহিরাগত দেখলে এফআইআর করবেন। না নিলে আমাদের কার্যালয়ে জানাবেন।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

দিলীপ ঘোষ একটা ফোর টোয়েন্টি, দালালঃ অনুব্রত

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ফের নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করলেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের আলিগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ ভিত্তিক কর্মী সম্মেলন ছিল। এদিন আউশগ্রাম ১ ব্লকের গুসকরা-২, দিগনগর-১, দিগনগর-২ এবং বিল্বগ্রাম এই চারটি অঞ্চলের কর্মীদের নিয়ে বুথ সম্মেলন হয়। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, দিলীপ ঘোষ একটা ফোর টোয়েন্টি দালাল। জানোয়ার, মহিলাদের সম্মান করতে জানে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোংরা ভাষায় আক্রমণ করে। আরও পড়ুন ঃ এবার শুভেন্দুর সঙ্গে বর্ধমানের সাংসদের ছবি, তুঙ্গে বিতর্ক কয়েকদিন আগে দিলীপ ঘোষ স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন ওই কার্ড কোন কাজ করবে না।সাংবাদিকরা এই প্রসঙ্গ তুলতেই তিনি মেজাজ হারান। তিনি বলেন ও পাগল ছাগল লোক। এদিনও তিনি ঘোষণা করেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২০০ থেকে ২২০ টা আসনে জয়লাভ করবে। তিনি কেন্দ্রীয় কৃষিবিল নিয়েও তোপ দাগেন। রাজ্যে মমতা ব্যানার্জীর সরকার না থাকলে স্বাস্থ্য সাথী, সবুজসাথী, কন্যাশ্রী থাকবে না। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা মাটি মানুষের সরকারকে প্রয়োজন। একথা মানুষ জানেন। শুরু থেকেই সভা নরমে গরমে চলছিল।তার মধ্যে বেশ কয়েকজন দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সভায় বিষোদগার করেন বীরভূম জেলা সভাপতি। সম্মেলনে নেতা কর্মীদের বারে বারে নির্দেশ দেন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর।পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের কথা সুবিধার কথা বলতে হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজনীতি

এবার শুভেন্দুর সঙ্গে বর্ধমানের সাংসদের ছবি, তুঙ্গে বিতর্ক

ফের পোস্টার। এবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের ছবি দিয়ে পোস্টার পড়ল দুর্গাপুরে। সেখানে লেখা আছে, শুভেন্দুর সঙ্গে তোমাকেও চাই। মঙ্গলবার সকালে দুর্গাপুরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিধাননগরের বিভিন্ন জায়গায় সুনীল মণ্ডল ও শুভেন্দু অধিকারীর এই পোস্টার দেখা যায়। আর এই পোস্টার নিয়ে পালটা দলেরই তুমুল সমালোচনা করেন সাংসদ সুনীল মণ্ডল। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগত ইস্যুতে ফের বিজেপিকে তোপ মমতার তিনি বলেন, পোস্টার লিখতে কাকে বারণ করব ? পোস্টার পরেছে জানি। কিন্তু কারা কিভাবে এগুলো দিচ্ছে তা জানি না। এগুলো মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। যে যাকে ভালবাসে তার নামেই পোস্টার পড়ছে। দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। দলের এটা দেখা উচিত। নেতাদেরই মাথাব্যথা বেশি হওয়া উচিত। সবাইকে নিয়ে লড়তে হবে। দলটাতে তাড়াতাড়ি ভাঙন ধরবে। গুরুত্ব দিয়ে না দেখলে বিপদ বাড়বে। দলের পরিকাঠামোগত সমস্যার জন্যেও ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানান তিনি। এর আগে শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়েছে। যা এখনও থামার কোনও লক্ষণ নেই। এবার সুনীল মণ্ডলের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর একসঙ্গে পোস্টার পড়ায় তা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার সৃষ্টি করল বলে মত রাজনৈ্তিক মহলের।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজনীতি

বহিরাগত ইস্যুতে ফের বিজেপিকে তোপ মমতার

বিজেপি ঝড়ের বেগে কুৎসা ছড়াচ্ছে, আমরা ঝড়ের বেগে উন্নয়ন করব। মঙ্গলবার রানিগঞ্জের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে বিজেপির উদ্দেশে এভাবেই আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী ্মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রচারে আসতে নিজেদের লোককে মেরেছে বিজেপি। ওদের মিছিলে লোক হয় না, ওরা মিছিল করে নিজেদের লোক মারে। ছররা গুলি পুলিশ ব্যবহার করে না। ছরড়া দিয়ে মানুষ মারছে বিজেপি। এদিন ফের বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বহিরাগত বলেছেন মমতা। বলেছেন, ওরা বাংলা ভাগ করতে চাইছে। বাংলায় এনআরসি করতে চায় ওরা। বাংলাকে বলছে গুজরাট করবে। বাংলাকে গুজরাত হতে দেব না। একাধিক কেন্দ্রীয় সংস্থা বেসরকারিকরণ ইস্যুতে কড়া ভাষায় মোদি সরকারকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সভায় উপস্থিত সাধারণ মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিজেপি কিছু দেবে না। ভোটের আগে অনেক কিছু বলবে। ওদের কাছে প্রচুর টাকা রয়েছে। একদিন ভোটের জন্য ৫ হাজার টাকা দেবে। বাকি ৩৬৪ দিন কীভাবে চলবে? কোনওদিন খেতেও দেবে না। রাস্তায় বেরতেও দেবে না। মঞ্চ থেকে সবর্ধম সমন্ময়ের ডাক দেন তিনি। ধর্ম-বর্ন নির্বিশেষে একসঙ্গে বাংলায় বাস করার আহ্বান করেন। প্রতিশ্রুতি দেন কর্মসংস্থানের। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানে রণক্ষেত্র শিলিগুড়ি, মৃত্যু এক কর্মীর মমতার ঘোষণা, পিপিপি মডেলে তৈরি পশ্চিম বর্ধমানের অন্ডাল বিমানবন্দরের অধিকাংশ শেয়ার নিজেদের হাতে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এর ফলে এই বিমানবন্দরের ৪৮ শতাংশ শেয়ার রাজ্যের হাতে এল। আগে যা ছিল ২৬ শতাংশ। এদিন অন্ডাল বিমানবন্দরের জন্য যাঁরা জমি দিয়েছেন, তাঁদের ক্ষতিপূরণ বাবদ নতুন জমির দলিল দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এদিন ১ হাজার ৫২৯টি কৃষক পরিবারকে জমি দেওয়া হল। বাকিরা আর্থিক সাহায্য পেলেন। আরও কয়েকজন জমিদাতাকে পরে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি নিজে খুন করে বলছে পুলিশ মেরেছেঃ মমতা

আসানসোলের রানীগঞ্জে প্রশাসনিক সভা শেষ করে ফেরার পথে দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারে নবনির্মিত সার্কিট হাউসের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ এরপর সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এটা তো তোমাদের অতিথিশালা। খড়্গপুর ও আসানসোলেও অতিথিশালা। তিনি আরও বলেন, ধংসাত্মক রাজনীতি করলে তা স্থায়ী হয় না। উন্নয়নমূলক রাজনীতি করলে তা স্থায়ী হয়। ধংসাত্মক রাজনীতি মানুষকে সর্বনাশের পথে নিয়ে যায়। আর উন্নয়নমূলক রাজনীতি মানুষের মন ভাল রাখে। তিনি আরও বলেন, বিজেপি পরিকল্পনা করে রাজ্যজুড়ে হিংসা করছে। আরও পড়ুন ঃ মেদিনীপুরে হঠাৎই দুয়ারে সরকার কর্মসূচির ক্যাম্প পরিদর্শনে মমতা আমার কোনও বড় কর্মসূচি থাকলে ওরা এই ধরণের পরিকল্পনা করে। আমি ময়নাতদন্তের রিপোর্টে পুলিশ ওই ধরণের বন্দুক ব্যবহার করে না। প্রচার করার জন্য লোককে মেরে ফেলল। একটা রাজবংশী ভাইকে মেরে ফেলল। মেরে ফেলে বলছে পুলিশ মেরেছে। বাংলায় গুন্ডারাজ চালাচ্ছে বিজেপি। আজকে সেইল, রেল বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। বিএসএনএল এবং অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, করোনা আমাদের গৃহবন্দি করেছে। এখন আমাদের জীবনবন্দি করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। সংগ্রামী আমার জীবন। এই সংগ্রাম জারি থাকবে ৷ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূল সমর্থকদের সাথে তিনি রাস্তায় নেমে হেঁটে এসে কর্মীদের সাথে তিনি কথা বলেন ৷

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

কৃষি আইনের বিরোধিতায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ তৃণমূলের

কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় সরব কৃষকরা। অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি উঠেছে। কৃষকদের আন্দোলনকে সমর্থন করেছে ১৬টি বিরোধী দল। কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে তৃণমূলও। সেই মতো কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনের বিরোধিতায় মঙ্গলবার পথে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় সোমবারই ধর্ণা কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছিলেন। আরও পড়ুন ঃ পুলিশ নয়, নিজেদের শট গানের ছররা গুলিতেই মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি সুব্রতর নেত্রীর নির্দেশ মতো আজ থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে শুরু হল তৃণমূলের কর্মসূচি। তৃণমূলের কিষাণ ক্ষেত মজদুর সংগঠনের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন হচ্ছে। ৮ ডিসেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর, অর্থাৎ টানা তিনদিনের কর্মসূচি রয়েছে। শেষদিন ১০ তারিখ বিকেলে এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী। মঞ্চের সামনে ঝুড়ি করে বিভিন্ন সবজি রেখে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে মাটিতে ধান ছড়িয়ে লেখা হয়েছে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলবে। রাখা হয়েছে একটি কোদালও।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

মেদিনীপুরে হঠাৎই ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির ক্যাম্প পরিদর্শনে মমতা

দুয়ারে সরকার প্রকল্পের কাজই সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসকের দপ্তরে পৌঁছে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বললেন স্থানীয়দের সঙ্গে। এদিন রানিগঞ্জের সভামঞ্চে যোগ দিতে যাওয়ার সময় মেদিনীপুর জেলাশাসকের দপ্তরে ঢুকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় সেখানে দুয়ারে সরকার প্রকল্পের কাজ চলছিল। আচমকা রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের উপস্থিতিতে অবাক হয়ে যান সরকারি আধিকারিকরা। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর প্রাণসংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা কনিষ্ক পন্ডার আদৌ দুয়ারে সরকার প্রকল্পের সুযোগসুবিধা ঠিকমতো সকলে পাচ্ছেন কিনা, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় ক্যাম্পে উপস্থিত বেশিরভাগ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সকলকে বোঝান তিনি। পরিদর্শনের পর ফের রানিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

পুলিশ নয়, নিজেদের শট গানের ছররা গুলিতেই মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি সুব্রতর

বিজেপির নিজেদের দুষ্কৃতীদের শটগানের ছররা গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এই দাবি করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এদিন তিনি শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট এর পাঠানো রিপোর্ট সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেন। সেই রিপোর্টে জানানো হয়েছে, শটগানের ছোট ছোট গুলি বুকে লেগে মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানান,পুলিশের কাছে কখনোই ছোট গুলি থাকে না। পুলিশের গুলি আকারে একটু বড় হয়। শটগানের গুলি আকারে ছোট হয়। সেইগুলি বুকে লেগেই বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট। শটগান পাখিমারা থেকে শুরু করে খেলনা পিস্তল হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ এর থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে উত্তর কন্যা অভিযানে আন্দোলনের নামে বিজেপি বহিরাগত দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে এসেছিল।সুব্রত বাবু আরো জানান,তৃণমূল কংগ্রেস কখনোই গুলির রাজনীতি করে না। এই ঘৃণ্য রাজনীতি একটা সময় করেছিল সিপিএম। সেই সময় তারা বহু মানুষকে গুলি করে খুন করেছিল। তাই তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল রাজ্য থেকে। এবার সেই গুলির রাজনীতি করছে বিজেপি। তাই তাদেরও আগামী বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলা থেকে বিদায় করে দেবে সাধারণ মানুষ। আরও পড়ুন ঃ সাংবাদিকদের সম্পর্কে মহুয়া মৈত্রর মন্তব্যকে মান্যতা দিল না তৃণমূল কারণ, বাংলার মানুষ অত্যন্ত শান্তিপ্রিয়। তারা কখনোই গুলির রাজনীতি পছন্দ করে না। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে বিজেপির গুলির রাজনীতি অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি বলেন, ওইদিন বিজেপি প্রথম থেকেই প্ররোচিত করছিল পুলিশকে। হাজারও প্ররোচনা সত্বেও গুলি করা হয়নি। লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করেছেন মাত্র। এর বেশি আর কিছুই হয়নি। আমরা বারবার দেখেছি পুলিশের কোনও ভুল ছিল কিনা। পুলিশ মার খেয়েও লাঠি চালায়নি। উত্তরবঙ্গে যা হচ্ছে তা সত্য নয়। অসত্য প্রচার করে ধর্মঘট ডেকেছেন। পাশাপাশি কৃষি বিল নিয়ে কৃষকদের ডাকা বনধকে এদিন নৈতিকভাবে সমর্থন করেন সুব্রতবাবু। তিনি জানান, বনধ সমর্থন করি না। কিন্তু কৃষকদের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছি। পাশে আছি আমরা। বনধ শান্তিপূর্ণভাবে হচ্ছে। আন্দোলনকে সমর্থন করে আজ থেকে পরপর তিনদিন মিছিল হবে। গান্ধীর মূর্তির পাদদেশে জমায়েত হবে। অনেক কৃষকভাই এসেছে। এই আন্দোলনের জয় হবেই। কৃষক আন্দোলনের বার্তা দিতে ব্লকে ব্লকে আন্দোলন হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

সাংবাদিকদের সম্পর্কে মহুয়া মৈত্রর মন্তব্যকে মান্যতা দিল না তৃণমূল

দু পয়সার প্রেস। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে চারদিকে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গেছে। সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কলকাতা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকেও তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। কথা যে তিনি একেবারেই ভুল বলেননি, তাতে অনড় থেকেই দায়সারাভাবে ক্ষমাপ্রকাশ করেছিলেন টুইটে। তারপর থেকেই তাঁকে বয়কটের ডাক সংবাদমাধ্যমের একাংশের। আরও পড়ুন ঃ উত্তরকন্যা অভিযানে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি পুলিশের মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মহুয়া মৈত্রর বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সাংবাদিকদের সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাসী। আমরাও তাই বিশ্বাস করি। তাই সাংবাদিকদের প্রতি এমন মন্তব্য শুনে খারাপ লাগছে। তবে একটা কথা বলতে পারি। এটা ওর ব্যক্তিগত কথা, দলের নয়। আমরা প্রেসের সঙ্গে হৃদ্যতা রেখে চলি। তারা আমাদের বিরুদ্ধে লিখলেও রাখি। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মন্তব্য থেকে পরিস্কার, সাংসদের মন্তব্যের দায় নিচ্ছে না দল।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর প্রাণসংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা কনিষ্ক পন্ডার

তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর প্রাণসংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন কনিষ্ক পন্ডা। রাজনীতিতে তিনি শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার তিনি এই আশঙ্কা প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন, কুণাল ঘোষের সঙ্গে লক্ষণ শেঠকে একই মঞ্চে দেখা গেছে। জামিন পেয়েছেন সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারের জন্য কেউ কেউ আমার মৃত্যুকামনা করছে। সে কথা শুনে বৈঠকের মাঝে সুব্রত বক্সি কেঁদে ফেলেন বলে জানা গেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে কে খুন করার চেষ্টা করবে বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির ডাকে উত্তরবঙ্গ বনধে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি এরপরেই তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা হতে পারে। আমরা রাজ্যপালের কাছে দাবি জানাব, যাতে তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই মন্ত্রীত্ব ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। দলের সঙ্গে বেড়েছে দূরত্বও। তিনি তৃণমূলে থাকবেন না বিজেপিতে যাবেন, তা নিয়ে জল্পনা চরমে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কনিষ্ক পন্ডার এদিনের মন্তব্য সেই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 52
  • 53
  • 54
  • 55
  • 56
  • 57
  • 58
  • ...
  • 63
  • 64
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিমের সঙ্গে ঝুলছে রক্তমাংস! তারাতলা বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি কাঁপিয়ে দিল শহর

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও পুলিশ।উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশাল লোহার বিম। ধসের পর সেগুলি দুমড়ে-মুচড়ে একের উপর এক চাপা পড়ে রয়েছে। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে পৌঁছতে যথেষ্ট সময় লাগছে। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভার্টিকাল ড্রিলিং করে বিম কেটে ধাপে ধাপে এগোচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।এখনও পর্যন্ত একাধিক আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে একাধিক ভারী ক্রেন মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। ড্রোনের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের অবস্থান খোঁজার চেষ্টা চলছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে গুদামটি তৈরি হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নির্মাণের মান এবং ব্যবহৃত সামগ্রীর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা ধসের পর বড় ঝাঁকুনি! রাজ্যজুড়ে নির্মীয়মাণ ইমারতে কাজ বন্ধের নির্দেশ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

তারাতলার ভয়াবহ নির্মাণ বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আপাতত নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারতের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী একত্রিশে জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পগুলির স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও নকশা যাচাই করা হবে। সবুজ সংকেত মিললেই আবার শুরু হবে কাজ।বুধবার তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে নিয়ে একটি বিশেষ পরিদর্শন দল গঠন করা হবে। এই দল নির্মীয়মাণ ইমারতের নকশা, নির্মাণের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। কোথাও ত্রুটি ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ও হিমঘর ধসে পড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রাণহানির খবর সামনে এসেছে। বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েন। খবর পাওয়ার পরই উদ্ধারকাজে নামে পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসে পড়া নির্মাণের নকশায় ত্রুটি ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক প্রকল্পের নকশা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা নতুন করে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে।তারাতলার এই মর্মান্তিক ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, এই বিপর্যয়ের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী।

জুন ২৪, ২০২৬
দেশ

চলন্ত লোকালে রক্তাক্ত মৃত্যু! দরজা বন্ধ করা নিয়ে ঝগড়া, যাত্রীর বুকে পরপর কোপ

চলন্ত লোকাল ট্রেনে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়াল মুম্বইয়ে। দরজা বন্ধ করা নিয়ে দুই যাত্রীর মধ্যে শুরু হওয়া বচসা শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত খুনে পরিণত হল। ট্রেনের মধ্যেই ছুরির আঘাতে মৃত্যু হল বাইশ বছরের যুবক মায়াঙ্ক রমেশ লোহারের।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে চার্চগেট থেকে নাল্লাসোপারা অভিমুখী দ্রুতগতির লোকাল ট্রেনে ওঠেন মায়াঙ্ক। আন্ধেরি স্টেশন থেকে ট্রেনে চড়ার পরই আর এক যাত্রীর সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি শুরু হয়। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ট্রেনের দরজা বন্ধ রাখা হবে কি না, তা নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।প্রথমে বচসা হলেও পরে তা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। অভিযোগ, আচমকাই ধারালো অস্ত্র বের করে মায়াঙ্কের উপর একের পর এক আঘাত করতে শুরু করে অভিযুক্ত। ট্রেনের কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি এত দ্রুত বদলে যায় যে কেউ তাঁকে রক্ষা করতে পারেননি।ট্রেন বোরিভেলি স্টেশনে পৌঁছতেই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে যাত্রীরা কামরার ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মায়াঙ্ককে দেখতে পান। রেল পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়ে গিয়েছিল। পরে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।ঘটনার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। চলন্ত ট্রেনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখতে শুরু করে।অবশেষে বুধবার বিকেলে অভিযুক্ত রোশান সুবর্ণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিম রেলও জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।চলন্ত ট্রেনের মধ্যে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ফের একবার যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিল। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, ভিড়ভাট্টার লোকালে যদি এমন ঘটনা ঘটে, তবে নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

সকালেই বাঁকতে শুরু করেছিল বিম! তবু কেন চলল ঢালাই? তারাতলা কাণ্ডে বড় প্রশ্ন

কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি বহুতল কাঠামো ভেঙে পড়ার ঘটনায় শোক এবং আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনায় একাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থা।দুর্ঘটনার পর থেকেই নির্মাণকাজের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যে কাঠামোটি তৈরি করা হচ্ছিল, সেখানে শুরু থেকেই বিভিন্ন ত্রুটি ছিল। নির্মাণস্থলে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান এবং কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে দাবি, দুর্ঘটনার আগে থেকেই কয়েকটি লোহার বিমে অস্বাভাবিক চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবু কাজ বন্ধ না করে নির্মাণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, বিপদের ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হয়নি।উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের পরিস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, ভারী কংক্রিটের চাপ বহন করতে গিয়ে কাঠামোর বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এর ফলেই গোটা নির্মাণ অংশ ভেঙে পড়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি বা নিয়মভঙ্গ হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই দুর্ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং কাজের মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

চিৎকার, ধুলো আর ধ্বংসস্তূপ! তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কন্ট্রোলরুম খুলল নবান্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গোডাউনের ছাদ ধসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রশাসন দ্রুত তৎপর হয়। নবান্নের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি জানান, দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রাথমিক লক্ষ্য হল আটকে থাকা মানুষদের যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে উদ্ধার করা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবহণ দফতরের জন্য একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই কয়েকটি লোহার বিম নড়ে যায় এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপরও কাজ বন্ধ না করে কাঠামো মেরামতের চেষ্টা চলছিল। সেই সময় আচমকাই গোটা ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়ে।ঘটনার সময় বহু শ্রমিক ভিতরে কাজ করছিলেন। সেখানে একটি অস্থায়ী অফিসও ছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।বর্তমানে ক্রেন, গ্যাস কাটার এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির সাহায্যে লোহার বিম কেটে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকর্মীদের সহায়তা করছেন। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চললেও এখনও বহু মানুষের খোঁজ মেলেনি বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। তারাতলার এই দুর্ঘটনা ঘিরে গোটা এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুহূর্তে মাটিতে মিশে গেল বিশাল শেড! তারাতলায় ধ্বংসস্তূপের নীচে কতজন, উঠছে ভয়াবহ প্রশ্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি কারখানার গোডাউন ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল। ঘটনায় বহু শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসের সময় ভিতরে প্রায় চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ জন উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। আহতদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারও হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের অবস্থা উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় একটি বড় গোডাউন তৈরির কাজ চলছিল। নির্মাণের সময় একবার কাঠামোর একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল। পরে সেটি মেরামত করে ফের কাজ শুরু করা হয়। সেই সময় শ্রমিকরা ভিতরে থেকে কাজ করছিলেন। আচমকাই গোটা টিনের শেড ও লোহার কাঠামো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে।এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, দুর্ঘটনার সময় বহু মানুষ ভিতরে ছিলেন। শ্রমিকদের পাশাপাশি সেখানে একটি অস্থায়ী অফিস থেকেও কাজ পরিচালনা করা হচ্ছিল। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকেই আটকে পড়েন। বিশাল এলাকা জুড়ে তৈরি হওয়া কাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।বর্তমানে ক্রেনের সাহায্যে লোহার বিম সরিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার ভাইকে ঘিরে যা দাবি করলেন এক প্রবীণ মহিলা

রাজ্যের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর জনসাধারণের অভিযোগ শোনার কর্মসূচিতে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দা রঞ্জনা হাজরা দাবি করেছেন, তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির একাধিক অংশ দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রাখা হয়েছে। এই অভিযোগ তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন।রঞ্জনা হাজরা জানান, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তাঁদের পরিবারের কিছু পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বহু বছর ধরে সেই সম্পত্তিগুলি দখলের চেষ্টা চলেছে এবং কয়েকটি জায়গা দখলও হয়ে গিয়েছে। তিনি দাবি করেন, একটি জায়গা দখল করে সেখানে প্রথমে ব্যবসা এবং পরে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। আরও কয়েকটি সম্পত্তি নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে বলে অভিযোগ তাঁর।অভিযোগকারিণীর দাবি, তিনি বারবার প্রতিবাদ করেছেন। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হয়নি। উল্টে বিভিন্ন সময় তাঁকে হেনস্তা ও চাপের মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে অতীতে পুলিশের কাছেও গিয়েছিলেন। তবে তাঁর দাবি, কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে গিয়ে তিনি সমস্ত অভিযোগ লিখিতভাবে জমা দেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর রঞ্জনা হাজরা জানান, তাঁর অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রতিনিধি পাঠানো হবে বলেও তাঁকে জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পর আবারও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের সম্পত্তি বিতর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি। এখন প্রশাসন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেফতারের আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন মানস ভুঁইঞা! হঠাৎ কী এমন ঘটল?

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে মানস ভুঁইঞা। চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসতেই এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। সম্ভাব্য গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই তিনি আদালতের কাছে রক্ষাকবচ চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, এক মহিলাকে সেচ দফতরের বাংলোয় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর বিনিময়ে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয় বলেও দাবি অভিযোগকারীর। পরে ওই মহিলা কিছুদিন কাজও করেন। এমনকি বেতনও পান। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁকে আর কাজে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়।এই পরিস্থিতিতেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মানস ভুঁইঞা। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর পক্ষ থেকে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই আগাম আইনি সুরক্ষা চাওয়া হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক তৃণমূল নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। সেই আবহে মানস ভুঁইঞার আদালতের দ্বারস্থ হওয়া নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়িয়েছে। এখন আদালত এই আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনিক সূত্রের।

জুন ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal