• ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজনীতি

Rajyasabha: রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

রাজ্যসভার আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রাক্তন আমলা ও প্রসারভারতীর প্রাক্তন সিইও রাজ্যসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হচ্ছেন। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস টুইট করে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এর আগে কে প্রার্থী হবেন তা নিয়ে অনেকের নাম নিয়েই জল্পনা চলছিল। যশবন্ত সিনহা, মুকুল রায়ের নাম নিয়ে যথেষ্ট গুঞ্জন ছড়িয়ে ছিল।নাম ঘোষণার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জহর সরকার। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, এটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য। আমার ৪২ বছরের সরকারি চাকরি জীবনে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না, এখনও নেই। তবুও আমাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।We are delighted to nominate Mr. @jawharsircar in the Upper House of the Parliament.Mr. Sircar spent nearly 42 years in public service was also the former CEO of Prasar Bharati. His invaluable contribution to public service shall help us serve our country even better! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) July 24, 2021নির্বাচন কমিশন গত ১৬ জুলাই এরাজ্যে রাজ্যসভার একটি আসনে ভোটের দিন ঘোষণা করেছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ২৯ জুলাই। ভোটগ্রহণ ৯ অগাস্ট। দীনেশ ত্রিবেদীর ছেড়ে যাওয়া আসনে নির্বাচন হবে। কিন্তু এখনও মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভার আসনেের ভোটের দিন ঘোষণা হয়নি।তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী পদত্যাগ করায় এরাজ্য থেকে একটি আসন শূন্য হয়। পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। সেই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল। যশবন্ত সিনহা, মুকুল রায়ের নাম নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে ছিল।

জুলাই ২৪, ২০২১
দেশ

Rajya Sabha: বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড শান্তনু সেন

বাদল অধিবেশনের বাকি দিনগুলির জন্য রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেনকে। শুক্রবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু অগণতান্ত্রিক এবং অসংসদীয় আচরণের জন্য শান্তনুকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেন।শুক্রবার সকালে রাজ্যসভার নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল সাক্ষাৎ করেন বেঙ্কাইয়ার সঙ্গে। ওই বৈঠকে রাজ্যসভায় সরকারপক্ষের সহকারী দলনেতা মুখতার আব্বাস নকভি এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ভি মুরলীধরনও হাজির ছিলেন। এরপর অধিবেশন শুরু হলে শান্তনুর শাস্তির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন বেঙ্কাইয়া। তিনি বলেন, অগণতান্ত্রিক এবং অসংসদীয় আচরণের জন্য অভিযুক্ত সাংসদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৩ অগস্ট পর্যন্ত বাদল অধিবেশন চলবে। ততদিন সাসপেন্ড থাকবেন শান্তনু।আরও পড়ুনঃ রাজভবনে স্পিকারকে তলব রাজ্যপালেরবৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণোর হাত থেকে বক্তৃতার কাগজ ছিনিয়ে নিয়েছিলেন শান্তনু। তারপর তা ছিঁড়ে ফেলে ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিংয়ের আসনের দিকে ছুড়ে দেন। সে সময় পেগাসাস স্পাইওয়্যারের সাহায্যে ফোনে আড়িপাতার অভিযোগ নিয়ে বক্তৃতা করছিলেন অশ্বিনী।শান্তনুকে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ওব্রায়েন অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার কাগজ ছেঁড়ার ঘটনার পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী নিজের আসন ছেড়ে শান্তনুর দিকে তেড়ে গিয়েছিলেন। অসংসদীয় বাক্যও প্রয়োগ করেছিলেন। ডেরেকের প্রশ্ন, অন্য অভিযুক্ত (হরদীপ) কেন ছাড় পেলেন? তৃণমূল-সহ বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে শুক্রবারও মুলতুবি হয় রাজ্যসভার অধিবেশন।

জুলাই ২৩, ২০২১
দেশ

Rajya Sabha: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর হাতের কাগজ ছিঁড়লেন শান্তনু সেন

পেগাসাস স্পাইওয়্যার বিতর্কে বৃহস্পতিবারও উত্তাল হল সাংসদ। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেন তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের বক্তব্য রাখার সময় তাঁর হাত থেকে কাগজ কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন। ফলে বক্তব্য শেষ করতে পারেননি তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী। এর বদলে তিনি বক্তব্য জমা দেন।এদিন রাজ্যসভায় তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী বক্তব্য শুরু করতেই ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলির সাংসদরা। এরই মধ্যে মন্ত্রী বলতে শুরু করেন, ১৮ জুলাই, ২০২১-তে একটি ওয়েব পোর্টালে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে অনেক অভিযোগ আনা হয়েছে। বাদল অধিবেশন শুরু হওয়ার আগের দিন সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়। এটা কাকতালীয় হতে পারে না। সংশ্লিষ্ট সবপক্ষই এই প্রতিবেদনের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। আমি সব সদস্যকে বিস্তারিত রিপোর্ট দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। এরপরেই মন্ত্রীর হাত থেকে কাগজ কেড়ে নেন তৃণমূল সাংসদ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল ও বিজেপি সাংসদদের মধ্যে তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মার্শালদের হস্তক্ষেপ করতে হয়। রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ সব সদস্যকেই অসংসদীয় আচরণ থেকে বিরত থাকতে বলেন। এরপর হট্টগোলের জেরে অধিবেশন মুলতুবি করে দেন তিনি। আরও পড়ুনঃ ফের লাগামহীন সংক্রমণ, একদিনে আক্রান্ত ৪১ হাজার২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে এই ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আজও বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। মমতা বলেছেন, পেগাসাস ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির চেয়েও বড় কেলেঙ্কারি। এভাবে হিটলারি কায়দায় কতদিন মানুষকে ভয় দেখিয়ে রাখবে? কাউকে কথা বলতে দেওয়া হয় না। শুনেছি, আরএসএসের অনেকের ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে। ফোনে প্লাস্টার লাগিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ করছি। কালীঘাটের অফিসে সুব্রত বক্সি, অভিষেক, পিকের সঙ্গে মিটিং করছিলাম। আমরা ফোনে কথা বলিনি, তাও পুরো বিষয়টি রেকর্ড হয়ে গিয়েছে। পিকের ফোন অডিট করে দেখেছে, মিটিংয়ে কী আলোচনা হয়েছে, সব রেকর্ডিং হয়েছে। আমরা ফোনে কথা বলিনি, তাও সব রেকর্ডিং হয়ে গিয়েছে। অভিষেক, পিকে, আমারও ফোন ট্যাপ করা হয়েছে। এত কিছুর পরেও লজ্জা নেই। তৃণমূলকে পাল্টা আক্রমণ করেছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধেই ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ করেছেন।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Memari: মেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে ২১জুলাই পালন

তৃতীয়বার বাংলা বিজয়ের পর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ২১ জুলাই শহিদ দিবস পালন করার কথা ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। করোনা পরিস্থিতিতে গতবছরের মতো এবারও ভার্চুয়ালি পালন করা হয় শহিদ দিবস। ভার্চুয়াল বক্তব্যে দিল্লি জয়ে বিরোধীদের সার্বিক জোটের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় বড় এলইডি স্ক্রিণের মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর ভাষণ। সেখানেই ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।আরও পড়ুনঃ শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবসেই পদ্মশিবিরে বড়সড় ভাঙন, জামালপুরে যোগ তৃণমূলেমেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভার্চুয়াল বক্তব্য সম্প্রচারের ব্যবস্থা করে। সেখানে শহরের যুব নেতৃত্ব হাজির ছিলেন। এদিন দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। নেতৃত্ব শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করেন। মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরা জানান, ২১ জুলাই উপলক্ষ্যে মেমারী বামুনপাড়া মোড়ে শতাধিক বাচ্চাকে দুধ, বিস্কুট প্রদান করা হয়েছে। তৃণমুল কংগ্রেসের চোটখণ্ড গ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি পল্লব সিংহরায় জনতার কথাকে জানান, মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরার উদ্যোগে দুঃস্থ ও কর্মহীন অসহায় মানুষদের কম্যুনিটি-কিচেন তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন। যুব তৃণমূলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে মেমারীবাসী।

জুলাই ২২, ২০২১
কলকাতা

Birati Murder: একুশের রাতে বিরাটিতে তৃণমূল কর্মী খুনে চাঞ্চল্য

একুশে জুলাইয়ের রাতে খুন তৃণমূল কর্মী। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বিরাটির বণিক মোড়ে। মৃত তৃণমূল কর্মীর নাম শুভ্রজিত দত্ত ওরফে পিকুন, বয়স ৩৮। তাকে গুলি করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠছে বিজেপির দিকে। জানা গিয়েছে, ঘটনার ওই তৃণমূল কর্মী উত্তর দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎই বাইকে করে একদল দুষ্কৃতী এসে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। মাথা ও বুক লক্ষ্য করে চার থেকে পাঁচটি গুলি করে। সেখানেই লুটিয়ে পড়েন শুভ্রজিৎ দত্ত। এই ঘটনার পরেই এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়েই সেখানে যায় নিমতা থানার বিশাল পুলিশ। উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে পুলিশ। সেখানে পৌঁছয় ব্যারাকপুর ও বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ বাহিনীও। আহত অবস্থায় তাকে উত্তর দমদম পুরসভার হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। রাতেই তাঁর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আরজিকর হাসপাতালে পাঠানো হয়। আরও পড়ুনঃ ফোন ট্যাপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চান মমতাএলাকায় চাপা উত্তেজনা থাকায় পুলিশ পিকেটিং বসানো হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে নিমতা থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকার দুষ্কৃতী বাবুলাল সিংয়ের নাম উঠে আসছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওইদিন দুপুরে বাবুলাল সিংকে মারধর করে কয়েকজন। এতে বাবুলালের মাথায় আঘাত লাগে। সেই সময় নিমতা থানার পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে বাইপাসের ধারে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাবুলাল। আর এরপর রাতেই গুলিবিদ্ধ হন তৃণমূল কর্মী। এই ঘটনার সঙ্গে দুপুরের ঘটনার কোন যোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে নিমতা থানার পুলিশ।

জুলাই ২২, ২০২১
দেশ

TMC Mamata: দিল্লি অভিযানে মমতার নতুন স্লেগান

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রায় এক বছর আগে জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছিল তৃণমূল। পুরো নির্বাচনী প্রচারে এই স্লোগান দিয়েছে তৃণমূল শিবির। দিল্লি অভিযানের ডাক দিয়ে ২১ জুলাই শহিদ দিবসে তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে নতুন স্লোগান। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে জয় হিন্দুস্থান স্লোগান। বাংলা ছাড়িয়ে জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে নতুন করে ঝাঁপিয়ে পড়ার আগে নতুন স্লোগান বেঁধে দিলেন মমতা।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তিএবারও করোনা আবহে ২১ জুলাই শহিদ স্মরণের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রেখেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বক্তব্য শুরু করলেন জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম, জয় বাংলা, জয় হিন্দুস্থান ধ্বনি দিয়ে। ভাষণের শেষেও ছিল জয় হিন্দুস্থান ধ্বনি। একেবারে নতুন ধ্বনির স্লোগান দিয়েই মোদীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন মমতা। তিন বার টানা বাংলা দখল সম্পূর্ণ করে এবার তাঁর নজর দিল্লির মসনদ। বিজেপি বিরোধী শক্তিকে এক জোটে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ফোন ট্যাপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চান মমতাপ্রথম থেকেই জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে টানা প্রবল বিরোধিতা করে বিজেপি। গেরুয়া শিবির দাবি তোলে এটা বাংলাদেশের স্লোগান। বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে জুড়তে চাইছে তৃণমূল, তাই এই স্লোগান। এমনই দাবি ছিল বিজেপির। যদিও এই স্লোগান বিরোধী কোনও মন্তব্যকে পাত্তা দেয়নি তৃণমূল। প্রতিটি জনসভায় জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে দেশব্যাপী লড়াইয়ে জয় হিন্দুস্থান ধ্বনিকে সঙ্গী করেই এগোতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। শহিদ দিবসে সেই সুর বেঁধে দিলেন তৃণমূলনেত্রী।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজনীতি

’শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি’ দিবসেই পদ্মশিবিরে বড়সড় ভাঙন, জামালপুরে যোগ তৃণমূলে

তৃণমূল কংগ্রেসের শহীদ দিবস পালনের পাল্টা বুধবার শহীদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালন করে বিজেপি। আর বিজেপি নেতৃত্ব যখন শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালনে ব্যস্ত সেই ফাঁকে খেলা হবে শ্লোগান তুলে বিজেপি শিবিরে বড়সড় ভাঙন ধরালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে তৃণমূল নেতূত্ব। চোদ্দশোর আধীক বিজেপি কর্মী ও সমর্থক এদিন আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস দলে যোগদান করলেন। যা নিয়ে তৃণমূল শিবির উৎফুল্ল। তবে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, সন্ত্রাসের হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই এখন তৃণমূলের ভিড়তে বাধ্য হচ্ছেন। আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেয়েও প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামলেন না কোহলি, রাহানেরাতৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দলের তরফে প্রতিবছর ২১ জুলাই পালিত হয়ে আসছে শহিদ দিবস। পূর্বে কলাকাতায় সমাবেশ করে শহিদ স্মরণ সভা হলেও এবছরও অতিমারির কারণে দল আর সমাবেশ করেনি। এই বছর ভার্চুয়াল মাধ্যম দল শহিদ স্মরণ করেছে। জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ের সামনের প্রাঙ্গনে এদিন ১৯৯৩ সালে নিহত হওয়া শহিদদের স্মরণে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে হাজির হন ব্লকের চোদ্দশোর বেশী বিজেপি কর্মী ও সমর্থক। তাদের মধ্যে মহিলার সংখ্যাই ছিল বেশী। বড় স্ক্রিনের সামনে বসিয়ে প্রথমে তাদের তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ শোনানো হয়।এরপর শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠান স্থলেই ওই বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করানো হয়। জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেহেমুদ খাঁন ও যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক দলত্যাগীদের হাতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে দলে বরন করে নেন।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?মেহেমুদ খাঁন বলেন ,বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে রাজ্যের অন্যান জায়গার পাশাপশি জামালপুরের অনেক মানুষজন বিজেপি নেতাদের কথায় বিজেপিতে গিয়েছিলেন। ভোটে বিজেপির ভরাডুবির পর সেইসব বিজেপি নেতারা নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বর্ধমানে থাকা জেলা পার্টি অফিসে প্রায় দিনই ওরা নিজেরা হাতাহাতি মারামারিতে জড়াচ্ছে। দলের কর্মী ও সমর্থকদের দিকে বিজেপি নেতারা এখন ফিরেও তাকাচ্ছেন না। এইসব দেখে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা ঘেন্নায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করতে চেয়ে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের করা আবেদনের বিষয়টি জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে জানানো হয়। দলের সবুজআরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?সংকেত মেলার পর এদিন চোদ্দশোর বেশী বিজেপি কর্মী ও সমর্থককে আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করানো হয়েছে। বিজেপি ত্যাগীদের মধ্যে মহাদেব মুর্মু এদিন বলেন, রান্নার গ্যাস সহ সমস্ত পেট্রোপণ্যের দাম প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে। বাজারে সমস্ত জিনিসও অগ্নিমূল্য । অথচ কেন্দ্রে বিজেপি সরকার এইসব নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না। সংসার চালাতে তাঁদের মতো গরিব মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। তাই ধিক্কারে তারা বিজেপি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে সামিল হতে তাই এদিন তাঁরা সবাই তৃণমূল কংগ্রেস দলে যোগদান করেছেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীজামালপুর বিধানসভার বিজেপি আহ্বায়ক জীতেন ডকাল বলেন ,মনে প্রাণে কেউ বিজেপি ছাড়েনি, ছাড়ছেনও না । তৃণমূলের সন্ত্রাসের হাত থেকে বাঁচতে সর্বত্র বিজেপির লোকজন এখন তৃণমূলে ভিড়তে বাধ্য হচ্ছেন। জীতেন বাবু দাবি করেন ,জামালপুরের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি বলেই তিনি মনে করছেন।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Harowa: হাড়োয়ায় শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানে গুলি, নিহত ২

তৃণমূলের শহিদ দিবসে পতাকা তোলাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার-কাণ্ড হাড়োয়ায়। দলেরই দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক মহিলা-সহ ২ জনের। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন উভয়পক্ষের ১২ জন।বুধবার গোটা রাজ্যের সঙ্গে হাড়োয়ার ট্যাংরামারি গ্রামেও আয়োজন করা হয়েছিল শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান। সেখানেই পতাকা তোলাকে কেন্দ্র করে দলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এর মধ্যেই চলে গুলি। পুলিশ সূত্রের খবর, নিহতরা হলেন লক্ষ্মী সর্দার(৬২) ও সন্যাসী সর্দার(৩৮)।আরও পড়ুনঃ শশাঙ্কের সঙ্গে কফি ডেটে গেলেন শ্রীলেখা, তারপর!পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার বেশ কয়েকজন তৃণমূলের নেতা-কর্মী বিজেপিতে যোগ দেয়। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ফের তারা দলের এক প্রভাবশালী নেতার হাত ধরে তৃণমূলে ফিরে আসে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে হাড়োয়ার বাছড়া মোহনপুর পঞ্চায়েত এলাকায় দলের আদি এবং নব্যদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। গুলি-বোমার লড়াইয়ে উত্তপ্ত ছিল এলাকা। তারই মধ্যে এ দিন সকালে এক পক্ষ দলীয় পাটি অফিসের সামনে ২১ শে জুলাই উপলক্ষে দলের পতাকা তোলায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়।এদিন দলীয় পতাকা তোলা হয়ে গেলে হইহুল্লোড় করার পর খাওয়া শেষে দুপুর আড়াইয়ে নাগাদ এক পক্ষ যখন বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দেয় সে সময়ে অতর্কিতে তাদের উপর আক্রমণ অন্য গোষ্ঠীর সমর্থকেরা। শুরু হয় মুড়িমুড়কির মত গুলি ও বোমা বৃষ্টি। বাড়ি ফেরার পথে ওই সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে যান লক্ষ্মী মণ্ডল। গুলি এসে লাগে লক্ষ্মীর পেটে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। বুকে গুলি লাগে সন্যাসী সর্দারের। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

জুলাই ২১, ২০২১
কলকাতা

Pegusas: ফোন ট্যাপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চান মমতা

শহিদ দিবসের মঞ্চে ভাষণের শুরু থেকেই পেগাসাস কাণ্ডে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে রীতিমতো খড়গহস্ত হয়ে ওঠেন মমতা। সবার ফোনে সর্বক্ষণ আড়িপাতা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। ভাষণ চলাকালীন একসময় হাত জোড় করে তিনি বলেন, সম্মানীয় শীর্ষ আদালতের কাছে আমার বিনীত আবেদন, দেশের সকলে আপনাদের ভীষণ সমীহ করে। যখন বিচারপতিদের ফোনও ট্যাপ করা হচ্ছে, তখন আপনারা কি একটা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করতে পারেন না? আমি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের কাছে এই আবেদন জানাচ্ছি। একমাত্র আপনারাই পারেন দেশকে বাঁচাতে। উল্লেখ্য, ফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে নজর রাখা হচ্ছে বলে মমতা নিজের ফোনের ক্যামেরা লিউকোপ্লাস্ট দিয়ে আটকে দিয়েছেন বলেও জানান। এমনকী, তা তুলেও দেখান।আরও পড়ুনঃ অগস্টের প্রথমেই ৫ কেন্দ্রের ভোটযন্ত্র পরীক্ষার নির্দেশমমতা বলেন, সকল রাজনৈতিক দলের ফোনও ট্যাপ করা হচ্ছে। ফোনটাই এখন রেকর্ডার হয়ে গিয়েছে। আপনারা যদি ঘরে থাকা স্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেন সেটাও রেকর্ড করা হচ্ছে। স্যর, দয়া করা এই দেশকে, এই গণতন্ত্রকে রক্ষা করুন। একটা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করুন। না হলে একটি তদন্তকারী দল গঠন করে দিন। যে আপনাদের অধীনে কাজ করবে। যারা মনিটর করবে যে কার কার ফোনে আড়িপাতা হয়েছিল। আমার ফোনে তো হয়েছে স্যর।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?ফোন ট্যাপিং নিয়ে মমতার যুক্তি, যদি অভিষেকের ফোন ট্যাপ হয়ে থাকে, তবে তো আমার ফোনও হয়েছে। পিকে-র ফোনে হয়েছে। তাহলে তো আমি ওঁর সঙ্গে কথা বলি, আমারও হয়েছে। এমন বহু সাংবাদিক আছেন যাঁরা আমার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন, তাঁদেরও হয়েছে। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের উদাহরণ টেনে তাঁর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদেরও রেয়াত করা হচ্ছে না। তাই এই অবস্থায় গণতন্ত্রকে যদি কেউ রক্ষা করতে পারে সেটা একমাত্র দেশের বিচারব্যবস্থা, বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

জুলাই ২১, ২০২১
রাজনীতি

21st July: শহিদ দিবসেই দেশ তথা বিশ্বের বাঙালি পাঠকের উদ্দেশে যাত্রা শুরু 'জাগো বাংলা'র

প্রতিবছরই ২১ জুলাই দিনটিকে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে তৃণমূল। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও এই দিন পালন করেছিল তারা। এবারও তার অন্যথা হবে না। যদিও জনসভা না করে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই দিন পালন করা হবে। ভার্চুয়াল মাধ্যমেই বক্তব্য রাখবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার তাঁর বক্তব্য শুধুমাত্র রাজ্যের গণ্ডির মধ্যেই থাকবে না। তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে রাজধানী দিল্লি-সহ ত্রিপুরা, অসম, গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, ওডিশা, বিহার এবং পঞ্জাবে।আরও পড়ুনঃ বৃষ্টির মধ্যেও শুটিং করছেন অক্ষয়আর এদিনই তৃণমূলের দলীয় মুখপত্রকে সাপ্তাহিক থেকে দৈনিক করার আনুষ্ঠানিক সূচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে কালীঘাটে তৃণমূলের ২১ জুলাই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তার লোগো উদ্বোধন করবেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে সামনে আসবে নতুন সংস্করণের প্রথম দিনের ইপেপার। কবে থেকে দৈনিক হিসাবে তা ছেপে বেরোবে, মমতা নিজে তার ঘোষণা করবেন।আরও পড়ুনঃ ছাত্রীর শ্লীলতাহানী, শ্রীঘরে ঠাই কীর্তিমান শিক্ষকেরদলের মুখপত্রের দৈনিক সংস্করণ শুরু করার কথা জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখেই এই দৈনিক সংস্করণ নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাঠক হবেন গোটা দেশ তথা বিশ্বের বাঙালিরা। এ রাজ্যের পাশাপাশি থাকবে জেলার খবর, দলের প্রতিদিনের কর্মসূচি এবং তা নিয়ে খবর, প্রবন্ধ, দলের সাংসদবিধায়কদের লেখা। প্রতিদিন আলাদা আলাদা বিষয় নিয়ে থাকবে ফিচার পাতা। শনি ও রবিবার বিশেষ ক্রোড়পত্র। খেলার পাতাকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হবে। থাকবে দলের স্লোগান। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে সাপ্তাহিক জাগো বাংলার প্রকাশ শুরু হয়। প্রথমে এই মুখপত্রের সম্পাদক ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। বর্তমানে তার সম্পাদক পার্থ চট্টোপাধ্যায়।আরও পড়ুনঃ উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযান কর্মসূচিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। সেই কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মমতা নিজেই। সেই সময় তিনি ছিলেন যুব কংগ্রেস নেত্রী। এরপর কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল গড়েন তিনি। কিন্তু, সেই দিনের কথা স্মরণ করে তৃণমূল গড়ার পরও শহিদ দিবস পালন করেন নেত্রী। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ব্রিগেড ময়দানে বড় করে ওই সমাবেশ করেছিলেন তিনি। তবে করোনার জন্য এবার আর তা জনসভা করে পালন করা হবে না। ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখবেন মমতা।;আরও পড়ুনঃ ২১ জুলাই থেকে দৈনিক হচ্ছে তৃণমূলের মুখপত্রআর এবার সেই দিবসের পাল্টা কর্মসূচির করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। একুশের নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ করে আসছে তারা। এই কর্মসূচিকে সফল করতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। রাজ্যের সব জায়গায় ইতিমধ্যেই বার্তা পাঠানো হয়ে গিয়েছে। প্রতিটি জেলা দপ্তরে বড় স্ক্রিন লাগিয়ে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করতে বলা হয়েছে। সব জায়গাতে এই কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তৃণমূলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এই কর্মসূচি তারা কতটা সফল করতে পারে এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

21st July: ২১ জুলাই এবার শহিদ স্মরণে বঙ্গ বিজেপি-ও

বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর ব্রিগেডে ২১ জুলাই বিজয় দিবস পালন করার ডাক দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে ভার্চুয়ালি কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ২১ জুলাই শহিদ স্মরণ করবে বিজেপিও। একদিকে দিল্লির রাজঘাটে ধরনায় বসবেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষসহ অন্য সাংসদরা। অন্যদিকে রাজ্যব্যাপী শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি পালন করবে বিজেপি।এদিন বিজেপির রাজ্য মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য্য বলেন, গত পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত মোট ১২৪ জন বিজেপি কর্মী খুন হযেছেন। তারপর ২ মে থেকে এখনও পর্যন্ত আরও ৩৮ জন খুন হয়েছেন। এখনও বহু মানুষ ঘরছাড়া। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ নেওয়ার পর থেকে ৩০ জন খুন হয়েছেন। গতকাল রায়গঞ্জের বিজেপি কর্মী দেবেন বর্মনকে খুন করা হযেছে। মানুষকে ভীত সন্ত্রস্ত করার জন্য খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে।২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের মিছিলের ওপর গুলি চালিয়েছিল বামফ্রণ্ট সরকার। ওই দিনটা তৃণমূল কংগ্রেস শহিদ দিবস হিসাবে পালন করে থাকে। এবার একই দিনে শহিদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাবে বিজেপি নেতৃত্ব। শমীক ভট্টাচার্য্য বলেন, শহিদ স্মরণে ২১ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টার সময় রাজঘাটে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে ধরনায় বসবেন সাংসদরা। এদিকে হেস্টিংস অফিস, 6, মুরলিধর সেন অফিস ও রাজ্যের সর্বত্র আমরা শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালন করব। হেস্টিংসে রাজ্য নেতৃত্ব বক্তব্য রাখবেন। রাজ্যের সমস্ত জেলা, মন্ডল অফিস ও বুথে ভার্চুয়ালি সকলকে এক জাযগায় নিয়ে আসার চেষ্টা করব। ফেসবুক ও ইউটিউবের মধ্যমে সারা দেশে ও সারা বিশ্বের বাঙালীর কাছে এরাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Attempt Murder: বিজেপি করায় দম্পতিকে মারধর করে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা, অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের

বিজেপি করার অপরাধে এক দম্পতিকে মারধর করে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠলো শাসক দলের লোকজনের বিরুদ্ধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার পিন্ডিরা পঞ্চায়েতের কৈগড়িয়া গ্রামে। মারধরের বিষয়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী স্বপন দাস কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। কালনার তৃণমূল নেতৃত্ব যদিও ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা গিয়েছে, স্বপন দাস কালনা ২ ব্লকের কৈগড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।স্বপনবাবু পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি বিজেপি পার্টি করেন। সেই কারণে রবিবার সকালে তিনি যখন কাজে যাচ্ছিলেন তখন তৃণমূলের ৬ জন তাঁর উপরে হামলা চালায়। স্বপনবাবু দাবি করেছেন, তাঁকে খুন করার উদ্দেশ্যেই লোহার রড, বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা। সেই সময়ে তাঁর স্ত্রী বাঁধা দিতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। স্বপনবাবুর অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকে অর্ধনগ্ন করা হয়।এরপর তাঁদের পুড়িয়ে মারার জন্য কেরোসিন তেল নিয়ে আসে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা। বাঁচার জন্য তাঁরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন।আরও পড়ুনঃ শ্রীময়ীর পোস্ট নিয়ে ধোঁয়াশাবিজেপির পূর্ব বর্ধমান কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, রাজ্য জুড়েই তৃণমূল সন্ত্রাস জারি রেখেছে। ওদের মন্ত্রীও এখন সেই সন্ত্রাসের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, স্বপন দাস ও তাঁর স্ত্রীকে মারধরের বিষয়ে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে জানানো হবে। বিজেপি কর্মীর এই অভিযোগ প্রসঙ্গে কালনা ২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি প্রণব রায় বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এইসব অসত্য অভিযোগ আনা হচ্ছে।

জুলাই ১৯, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর-লুট, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তৎপর হতেই গ্রেপ্তার চার

বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন ৪ ব্যক্তি। ধৃতরা হলেন রহিম শেখ, শেখ হারুন আলি, সামন্ত মণ্ডল ও নাসিরউদ্দিন মল্লিক ওরফে আনন্দ। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার দৈয়র গ্রামে ধৃতদের বাড়ি। সূত্রের খবর, এই হামলার ঘটনায় খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি অপার্থিব ইসলামের নামও জড়িয়েছে। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে অপার্থিব ইসলাম বাদে চারজনকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার চার ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সূত্রের খবর, লুটপাট হওয়া সামগ্রী উদ্ধারের জন্য পুলিশ ধৃতদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন আদালতে জানায়নি। সিজেএম ধৃতদের বিচারবিভাীয় হেপাজতে পাঠিয়ে মঙ্গলবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, খণ্ডঘোষের দৈয়র গ্রামে বাড়ি বিজেপি সমর্থক আব্বাসউদ্দিন মিদ্যার। তাঁর অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশ হওয়ার পরদিন তৃণমূলের লোকজন তাঁর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। তাঁর বাড়ি থেকে ৩টি গরু, সোনার গয়না ও ৮০ হাজার টাকা লুট করা হয়। মারধরের ভয়ে ওই দিনই আব্বাসউদ্দিন ও তাঁর ছেলে ঘরছাড়া হন। হাইকোর্টের নির্দেশের পর পুলিশ আব্বাসউদ্দিন ও তাঁর ছেলেকে ঘরে ফিরিয়ে দেয়। অভিযোগ, এরপর ২৫ জুন সন্ধ্যায় তৃণমূলের লোকজন ফের তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। ভয়ে ফের ঘরছাড়া হন আব্বাসউদ্দিন ও তাঁর ছেলে। তাঁদের না পেয়ে আব্বাসউদ্দিনের স্ত্রী আনুশা মিদ্যা ও মেয়ে রেহেনা খাতুনকে বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। আগের দিনের হামলায় আনুশার পা ভাঙে। দ্বিতীয় হামলার দিন সেই অবস্থার মধ্যেই তাঁকে ফের মারধর করা হয়। মারধরের পর তৃণমূলের লোকজন পালিয়ে যায়।জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের টিমকে আনুশা ঘটনার কথা জানানোর পাশাপাশি কমিশনের কাছেও অভিযোগ দায়ের করেন। কমিশন বিষয়টি দেখার জন্য জেলা গোয়েন্দা দপ্তরকে জানায়। গোয়েন্দা দপ্তরের নির্দেশে খণ্ডঘোষ থানা মামলা রুজু করে চার জনকে গ্রেপ্তার করে। হাইকোর্টের নির্দেশে পুলিশ আনুশা এবং তাঁর মেয়ের গোপন জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নথিভুক্ত করায়।খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি অপার্থিব ইসলাম যদিও দাবি করেছেন, হামলার অভিযোগ মিথ্যা। এখন বিজেপি ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের বদনাম করতে ওরা এখন বিভিন্ন জায়গা ঘুরে মিথ্য মামলা রুজু করছে। এ ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
কলকাতা

Sadhan Pandey: ভেন্টিলেশনে সাধন পাণ্ডে

ফের অসুস্থ তৃণমূল বিধায়ক সাধন পাণ্ডে (Sadhan Pandey)। সূত্রের খবর, শুক্রবার শ্বাসকষ্ট ও অস্বাভাবিক রক্তচাপের সমস্যা শুরু হয় মানিকতলার বিধায়কের। তড়িঘড়ি তাঁকে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কাশি ও ফুসফুসের গুরুতর সংক্রমণে ভুগছিলেন সাধন পাণ্ডে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর শারীরিক অবস্থায় আচমকা অবনতি হয়।আরও পড়ুনঃ বিহারে বিষমদের বলি ১৬জানা গিয়েছে, প্রবীণ তৃণমূল নেতা সাধনবাবু হার্টবিট এবং রক্তচাপ অস্বাভাবিক। তাছাড়া শ্বাসকষ্টেরও সমস্যা দেখা যায় তাঁর। এর পরই তাঁকে এদিন সন্ধেবেলা কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখন আচ্ছন্ন অবস্থায় আইসিইউ-তে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। সংকটজনক হলেও আপাতত সাধনবাবুর শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে খবর। জানা গিয়েছে, সাধন পাণ্ডের চিকিৎসার জন্য চার সদস্যের মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। সেখানে ফুসফুসরোগ বিশেষজ্ঞ ছাড়াও রয়েছেন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট, মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন দীর্ঘদিন ধরেই বিধায়কের সিওপিডি (COPD) রয়েছে। তাঁর ফুসফুস সম্পূর্ণ কাজ করে না। রয়েছে কিডনির সমস্যা।

জুলাই ১৭, ২০২১
রাজ্য

Human Skulls: বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ, মিললো মানুষের মাথার আস্ত খুলি

বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে চক্ষু তো প্রায় চড়কগাছ। সেখানে মিললো মানুষের মাথার আস্ত খুলি। শুক্রবার বিকেলে হাওড়ার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। সেইসময় তৃণমূল কর্মীদেরই প্রথমে নজরে আসে বিষয়টি। পাওয়া যায় মানুষের আস্ত একটা খুলি।খবর রটে যেতেই দালালপুকুর সংলগ্ন ওই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। লোকজন ছুটে আসেন। তৃণমূলের কর্মীরাই চ্যাটার্জিহাট থানায় খবর দেয়। এরপর পুলিশ আসে। খুলিটি পুলিশ উদ্ধার করে। এরপর আশপাশের এলাকায় তল্লাশি শুরু হয়। শরীরের আর কোনও অংশ পাওয়া যায় কিনা তা তল্লাশি করে দেখা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এরপর একটি ব্যাগের মধ্য থেকে উদ্ধার হয় পচাগলা কিছু অংশ। যদিও পুলিশের দাবি, শুধু একটা মানুষের মাথার খুলি উদ্ধার হয়েছে। আর বাকি কিছু পাওয়া যায়নি। তবে ওই জনবহুল এলাকায় মানুষের মাথার খুলি কিভাবে এলো তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। খুলিটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
রাজনীতি

Mukul -Suvendu: মুকুল রায়ের বিধায়কপদ খারিজ শুনানি: "এবার আদালতেরও আশ্রয় নেব", বললেন শুভেন্দু

দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকরী করতে মরিয়া শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের শুনানিতে বিধানসভার অধ্যক্ষে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে হাজির ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন শুনানি চলে সাড়ে ৩ মিনিট। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ৩০ জুলাই।আরও পড়ুনঃ পিএসি নিয়ে রাজনীতিকরণ-্এর বিরুদ্ধে রাজভবনে শুভেন্দু, প্রচার চলবে গোটা দেশেওঅধ্যক্ষের ঘর থেকে বেরিয়ে এসে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাঁর সদস্য পদ বাতিলের জন্য আবেদন করেছিলাম। এখানে ভূয়ো ভ্যাকসিন চলে, শাসকের আইন এখানেই চলে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এখানে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকরী হয় না। আমরা আইনের আশ্রয় নেব। তথ্যপ্রমান, অডিও, ভিডিও, টুইটার হ্যান্ডেল সব প্রমাণ রয়েছে দলত্যাগের। তৃণমূলের ১৪ জন সদস্যের মধ্য থেকেই তিনি পিএসি কমিটির চেয়ারম্যান হন।কৃষ্ণনগরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায় তৃণমূল ভবনে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেন। তারপর ৬৪ পাতার নথি বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে জমা দিয়ে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন করেন শুভেন্দু অধিকারী। তারই প্রেক্ষিতে শুক্রবার ছিল প্রথম শুনানি। অধ্যক্ষের ডাকা সেই শুনানিতে হাজির হয়েছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর কাছে আরও নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।আরও পড়ুনঃ মুকুলই পিএসির চেয়ারম্যানএদিন বিরোধী দলনেতা বলেন, এর আগে দলবদলু এক বিধায়কের দলত্যাগের আবেদনের ২৩ বার শুনানি হয়েছিল। আগামী ৩০ জুলাই ফের শুনানিতে হাজির হলেও আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব। এরাজ্যে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকরী করে ছাড়ব।

জুলাই ১৬, ২০২১
রাজ্য

CID: মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-র

মঙ্গলকোটে তৃণমূলের লাখুরিয়া অঞ্চল সভাপতি অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় তদন্তভার হাতে নিল সিআইডি।আজই মঙ্গলকোটে ৫ সদস্যের সিআইডির একটি দল তদন্তে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনায় দুই দলীয় কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, সোমবার লাখুড়িয়ায় নিজের বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হন স্থানীয় তৃণমূল সভাপতি অসীম দাস। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁকে গুলি করা হয়। তৃণমূল নেতার মৃত্যুতে কার্যত বিজেপির বিরুদ্ধে সুর তোলে শাসক দল। যদিও সেই অভিযোগ বরাবর নস্যাৎ করে আসে গেরুয়া শিবির। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্পষ্টই জানান, তৃণমূলের লোকেরাই খুনের ঘটনায় জড়িত। পরবর্তীতে খোদ মৃত নেতার পরিবার দাবি করে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূলের বি গোষ্ঠী।জানা গিয়েছে, এদিন সিআইডির তদন্তকারীরা মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবেন। মূলত কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তা জানবার চেষ্টা করবেন। উল্লেখ্য এর আগেও অসীমবাবুকে আক্রমণ করা হয়েছিল। সেই চেষ্টা বৃথা যায়। সিআইডির দলটি ঘটনাস্থলেও যাবেন।

জুলাই ১৬, ২০২১
রাজ্য

Mangalkote: মঙ্গলকোটে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ দলীয় কর্মীই

গুলি করে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দলেরই দুই সক্রিয় কর্মী। ঘটনা জানাজানি হতেই বৃহস্পতিবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের রাজনৈতিক মহলে। গত সোমবার মঙ্গলকোটের লাখুরিয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাসকে খুনের ধৃতরা হলেন সাবুল শেখ ও সামু শেখ। প্রথমজনের বাড়ি মঙ্গলকোটের কল্যাণপুর গ্রামে। অপর ধৃত মঙ্গলকোটের কোটালঘোষ গ্রামের বাসিন্দা। সাবুল ও সামু দুজনেই সক্রিয় তৃণমূল কর্মী বলে এলাকায় পরিচিত। ধৃত সাবুলের দাবি সে লাখুরিয়া অঞ্চল তৃণমূলের সহ-সভাপতি। পুলিশ দুই ধৃতকেই এদিন পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার এদিন দুই ধৃতকেই ১২ দিনের জন্য নিজেদের হেপাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতদের ৭ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটমঙ্গকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাস গত সোমবার সন্ধ্যায় বাইকে চেপে সিউর গ্রামে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে সিউর মোড়ে দুস্কৃতিরা অসীম দাসের বাইক দাঁড় করিয়ে খুব কাছ থেকে তার বুক লক্ষ করে গুলি চালিয়ে পালায়। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসক অসীম দাসকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর দিন মৃতর ছেলে সুনন্দ দাস অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীদের নামে মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর পুলিশের পাশাপাশি সিআইডির দলও ঘটনার তদন্তে নামে। খুনের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্ত কমিটি সিট গঠন করা হয়। এদিন রাজ্যের ফরেনসিক দলের বিশেষজ্ঞ চিত্রাক্ষ সরকার ও অভিজিৎ মাণ্ডির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্য সিউর এলাকার খুনের ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেন। তাঁরা ঘটনাস্থল সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি তাঁরা ওই দিনের ঘটনা পুনর্নির্মাণ করেন।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?অঞ্চল সভাপতি অসীম দাস খুন হওয়ার পর মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছিলেন খুনের ঘটনায় বিজেপি জড়িত। কিন্তু মৃতের পরিবারের লোকজনই সেই দাবিকে কার্যত নস্যাৎ করে দিয়েছিলেন। তাঁরা অভিযোগ করেছিল, দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই অসীম দাস খুন হয়েছেন। বুধবার নিহত অসীম দাসের পরিবার সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, অপরাধীরা যে দলেরই হোক ছাড়া হবে না। পুলিশকে তিন দিনের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে হবে।আরও পড়ুনঃ নতুন মেগা আসছে পিয়ালীরপুলিশ জানিয়েছে, ২০১৬ সাল থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ধৃত দুজনের বিরুদ্ধে মঙ্গলকোট থানায় আটটি করে অভিযোগ রয়েছে। মাদক পাচারের ঘটনায় দীর্ঘদিন জেলে ছিল খুনের ঘটনায় ধৃত সামু শেখ। মাস খানেক আগে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সামু গ্রামে ফেরে। পুলিশের দাবি জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত দুজনই খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা কবুল করেছে। ঘটনার এই দুই ধৃত ছাড়াও আরও অনেকের জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পুলিশ কর্তারা মনে করছেন।আরও পড়ুনঃ ইচ্ছে ছবির ১০ বছর, আবেগে ভাসলেন পরিচালকমঙ্গলকোট ব্লকের তৃণমূল সভাপতি তথা বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী এদিন যদিও দাবি করেন, সাবুল তাঁদের দলের কোনও পদাধিকারী নয়। সমর্থক হতে পারে। অপর ধৃত সামুর সঙ্গে বিজেপির যোগ রয়েছে। তবে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা (কাটোয়া) সহ-সভাপতি রাণাপ্রতাপ গোস্বামী বলেন, আমরা ঘটনার পর থেকেই বলছিলাম তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। দুজন গ্রেপ্তার হওয়ার পর সেটাই পরিষ্কার হয়ে গেল।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজ্য

Galsi: গলসিতে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম আনিসুর মণ্ডল ওরফে কালো, চণ্ডীচরণ দাস ও শেখ নূর আলম। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার বোলপুর গ্রামে চণ্ডীদাসের বাড়ি। অপর দুই ধৃত গলসির কড়কডাল গ্রামের বাসিন্দা। গলসি থানার পুলিশ বুধবার রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।আরও পড়ুনঃ বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম বিজেপি নেত্রীপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁশের তৈরি বসার মাচা ভেঙে দেওয়া নিয়ে বুধবার বিকালে কড়কডাল গ্রামে শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ৪ মহিলা-সহ উভয়পক্ষে ১০ জন জখম হন।জখমদের মধ্যে ৭ জনকে পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। আঘাত গুরুতর থাকায় সেখান থেকে কয়েকজনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।আরও পড়ুনঃ কেন দ্বিতীয় বিয়ে করলেন না পূজা ভাট!আক্রান্ত শেখ নূর আলম পুলিশকে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন বিকাল ৪টে নাগাদ লাঠি, রড, শাবল প্রভৃতি নিয়ে তাঁর বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁর বোন, মা, স্ত্রী ও অন্যান্য আত্মীয়দের মারধর করার পাশাপাশি তারা তাঁর বাড়িতে থাকা ২ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে পালায়। অপরদিকে সফিকুল মল্লিকের অভিযোগ, ঘটনার দিন বিকাল সাড়ে ৪টে নাগাদ তিনি বাড়ি থেকে খলসেগড় বাজারে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। তাঁর আর্তনাদ শুনে ভাই ছুটে আসেন। তাঁকেও মারধর করা হয়। দুই পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে গলসি থানার পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজ্য

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে মারধরে গ্রেপ্তার ২ বিজেপি কর্মী

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন বিজেপির দুই কর্মী। ধৃতদের নাম মুক্তিপদ কোলে ও চরণ দাস। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার বেরুগ্রাম অঞ্চলের হৈবতপুর গ্রামে তাদের বাড়ি। জামালপুর থানার পুলিশ সোমবার রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনার জেরে হৈবতপুর গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়েছে। বেরুগ্রাম অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি সেখ আব্দুস সালাম যদিও দাবি করেছেন, ধৃত দুইজনই তৃণমূলের কর্মী। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাঁদের বিজেপি কর্মী তকমা দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ গুগল পিসেমশাই জন্মদিনের তারিখ ভুল বলছে মনামীরপুলিশ জানিয়েছে, জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা অঞ্জনা দলুই সোমবার রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ ১০০ দিনের কাজ নিয়ে এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। অভিযোগ সেই সময় বিজেপির লোকজন রড, লাঠি প্রভৃতি নিয়ে তাঁদের উপর হামলা চালায়। পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে মারধর করা হয়। চোখে আঘাত লাগলে তিনি সংজ্ঞা হারান। তাঁর সোনার হার, কানের দুল ও মোবাইল খোয়া যায়। আক্রান্ত পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করায় দলের কর্মীরা। ঘটনার কথা জানিয়ে ওই রাতেই অঞ্জনা দলুই জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিজেপির দুজনকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তকারী অফিসারের কাছে সপ্তাহে ১ দিন হাজিরা এবং অভিযোগকারী ও ঘটনার সাক্ষীদের ভীতি প্রদর্শন না করার শর্তে সিজেএম ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।

জুলাই ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • ...
  • 66
  • 67
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরে মমতার গাড়িতে কাদা-জুতো! ‘চোর’ স্লোগানের পর পানিহাটি থেকে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দুর

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, রবিবার তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। মমতাকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে দাবি।পানিহাটিতে তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথেষ্ট ব্যবস্থা করেছিল। টেলিভিশনের ছবিতে তিনি এক জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দেখেছেন বলেও জানান শুভেন্দু।শুভেন্দুর আরও দাবি, ঘটনাস্থলে বিজেপির কোনও পরিচিত মুখ বা দলীয় পতাকা তিনি দেখতে পাননি। একই সঙ্গে তিনি মমতার হালিশহর সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ছুটির দিনে এক জন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে মমতা সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যথাসম্ভব নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। তবে তাঁর পরামর্শ, কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই সাহায্য করা উচিত। কিন্তু এমন কোনও জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।হালিশহরের ঘটনার সূত্রপাত থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মৃত ব্যক্তি তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। রবিবার তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। কাদা ও জুতো ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গেই মমতাকে তিলোত্তমার বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়কার একাধিক অভিযোগ তুলে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এক দিকে হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও কাদা-জুতো ছোড়ার অভিযোগ, অন্য দিকে সেই ঘটনার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যসব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দু’মাস কোথায় ছিলেন? ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত, জানালেন সব

দুমাস ধরে পুলিশের খোঁজের বাইরে ছিলেন তিনি। তাঁর সন্ধানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। পরপর দুদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার তদন্তকারীদের দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি প্রতারণার মামলায় শনিবার সুমিতকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি। রবিবারও তাঁকে ফের ডাকা হয়। এদিন প্রায় আট ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। ভবানী ভবন থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সুমিত। তবে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে বেশির ভাগ বিষয়েই মন্তব্য করতে চাননি তিনি।গত দুমাস কোথায় ছিলেন, সাংবাদিকেরা এই প্রশ্ন করলে প্রথমে সুমিত বলেন, আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না। পরে একই প্রশ্ন করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, এদিকে, আশপাশেই ছিলাম। তাঁর এই মন্তব্যের পর তিনি কলকাতাতেই ছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।এত দিন আত্মগোপনে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে সুমিত বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও মুখ খুলতে চাননি তিনি। সেবাশ্রয়-সহ একাধিক বিষয়ে তাঁর নাম জড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে বলেন, মন্তব্য করতে পারব না।তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুমিত বলেন, হতে পারে। তবে কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, মামলা আদালতে বিচারাধীন। পুলিশ যখনই ডাকবে, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন।তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে সুমিত বলেন, বাজে কথা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলিকে মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।এর আগে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেতে দেখা যায়। তৃণমূলের গাড়িতে করে সেখানে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। তার জবাবে সুমিত বলেন, যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।এদিকে সুমিত নিজেই জানিয়েছেন, তাঁকে আগামী দিনেও তদন্তকারীদের সামনে হাজির হতে হবে। চাকরি দুর্নীতি সংক্রান্ত ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের ডাকা হয়েছে। তাঁর কথায়, কাল ১১টার সময় ডেকেছে। তবে এদিন কোনও নথি সঙ্গে আনতে বলা হয়নি বলেও জানান তিনি।শালবনীর জমি প্রতারণা মামলা-সহ সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিসও জারি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তদন্তে সহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। পরপর দুদিন ভবানী ভবনে জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমিতের দুমাস কোথায় ছিলেনএই প্রশ্নের উত্তর ঘিরেই এখন নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘লম্বা লড়াই, তবে তিলোত্তমাই জিতবে’, পানিহাটিতে শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা, ফের তদন্তের নির্দেশ

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের দুবছর পূর্ণ হল। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার পানিহাটিতে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু-রহস্য আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সভায় শুভেন্দু বলেন, লম্বা দুবছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিত ভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা থাকবে না। ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সূত্রে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনা গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তদন্তে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তিলোত্তমার পরিবার দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণাকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে তিলোত্তমার পরিবার। তাঁদের আশা, এত দিন যে প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি, নতুন তদন্তে তার কিছুটা হলেও স্পষ্ট হবে।তিলোত্তমার মৃত্যুর দুবছরের স্মরণসভায় নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে বলেন, রাখিপূর্ণিমার দিন অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছিল। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামী দিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে। ফলে তিলোত্তমাকাণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্তে ঠিক কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এবং পুরনো কোনও প্রশ্নের নতুন উত্তর মেলে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
রাজ্য

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা? ‘টার্গেট ছিল মমতাকে শেষ করা’, বিস্ফোরক দাবি কল্যাণের

হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো, ইট ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।মমতার সঙ্গে এদিন ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, হালিশহরে যাওয়ার সময় মমতার গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। পরিস্থিতির জেরে কিছু সময় গাড়ি আটকে থাকে বলে তৃণমূলের দাবি।হালিশহর থেকে ফিরে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং গাড়ির সামনে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে জমায়েত করা হয়েছিল এবং প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের আটকে রাখা হয়।কল্যাণের আরও দাবি, মমতার গাড়িতে যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছে, তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে শেষ করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তাঁর দাবি, গাড়ি লক্ষ্য করে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।মমতার বক্তব্য, তাঁকে এভাবে থামানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, তিনি মানুষের কাছে যাবেন এবং কোনও বাধাতেই পিছিয়ে আসবেন না।হালিশহর থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তিকে তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন মমতা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই হালিশহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফর ঘিরে বিক্ষোভ, গাড়িতে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ এবং পাল্টা রাজনৈতিক আক্রমণে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, বিক্ষোভ কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং গাড়ি লক্ষ্য করে সত্যিই ইট-পাথর ছোড়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত ছবি সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal