• ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজ্য

কোন সমীকরণে বালিগঞ্জের 'জয়'-এ চিন্তায় ঘুম উড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের?

বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে বিজেপি ফেরত বাবুল সুপ্রিয়র নাম ঘোষণার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। মুসলিম ভোটারদের একাংশ ভ্রু কুঁচকাতে থাকে। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আসানসোলের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ শিল্পাঞ্চলের দাঙ্গায় মদত দিয়েছিলেন। মুসলিমদের একাংশ বাবুলকে ভোট দিতে বেকে বসেন। দু-একটা মুসলিম সংগঠন প্রকাশ্যে বিবৃতিও দেয়। তারওপর আনিস খুন, বগটুইয়ের গণহত্যার মতো জ্বলন্ত ইস্যু রয়েছে। শনিবার ভোটের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় দুটি ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী এগিয়ে গিয়েছেন, তিন ওয়ার্ডে ব্যাপক ভোট কমেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। মোদ্দা কথা জয়ের ব্যাপক মার্জিন কমেছে তৃণমূল কংগ্রেসের।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায় মোট প্রাপ্ত ভোটের ৭০.৬০ শতাংশ পেয়েছিলেন। এবার বাবুল সুপ্রিয় পেয়েছেন প্রায় ৪৯.৬৯ শতাংশ ভোট। গত বিধানসভায় তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান ছিল ৫০ শতাংশের বেশি ভোট। দ্বিতীয় বিজেপি তখন পেয়েছিল ২০.৬৮ শতাংশ ভোট। এবার মোট ভোট কম পড়লেও শতাংশের হিসাবই দেখিয়ে দিয়েছে গতবারের থেকে এবারের উপনির্বাচনে ভোটপ্রাপ্তির ফারাক। জয়ের ব্যবধানেও ব্যাপক ফারাক হয়েছে। ৭৫ হাজারের ওপর ব্যবধান নেমে এসেছে ২০ হাজারে। দুই আসনে সবুজ ঝড়ের কথা বলা হলেও কার্যত বালিগঞ্জে তৃণমূল ভোট হারিয়েছে। এর পিছনে মুসলিম ভোটই প্রধান কারণ বলে জানিয়ে দিয়েছে বেঙ্গল ইমাম অ্যাসোসিশন। তাঁদের বক্তব্য, বালিগঞ্জে মুসলিম ভোটারদের একটা বড় অংশ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব আত্মসমীক্ষা করে দেখতে পারে। মুসলিমদের একাংশের ভোট তৃণমূল না পাওয়ায় ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই সংগঠনের কর্তারা।রাজনৈতিক মহলের মতে, উপনির্বাচনে শাসকদলের অ্যাডভান্টেজ থাকে এটা অতীতের ফলাফলে প্রমানিত। কিন্তু বালিগঞ্জের ক্ষেত্রে এবার অন্তত সেকথা খাটছে না। সিপিএম এখানে ৩০.০৬ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। কংগ্রেস ৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। অর্থাৎ কংগ্রেস ও সিপিএমের মিলিত ভোট প্রায় ৩৬ শতাংশ। সামনে ২০২৩-এ পঞ্চায়েত ভোট, ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন, ২০২৬-তে বিধানসভা ভোট। বালিগঞ্জের ধারা অব্যাহত থাকলে ভোট রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক-এ সংকট হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
রাজনীতি

আসানসোলে সবুজ ঝড়ে উড়ল গেরুয়া শিবির, বালিগঞ্জে জয়েও আতঙ্কে তৃণমূল

রাজ্য়ের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনেই জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আসানসোলে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে পরপর দুবারে জয় পাওয়া বিজেপিকে। প্রায় ২ লক্ষের ওপর ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালকে পরাজিত করেছেন তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। অন্যদিকে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় জয় পেয়েছেন ২০ হাজারের ওপর ভোটের ব্যবধানে। এখানে এবার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম। কিন্তু এই কেন্দ্রে যে ভাবে তৃণমূলের ভোট কমেছে তাতে ঘাসফুল নেতৃত্বের যথেষ্ট আতঙ্কের কারণ রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে ২০১৪ ও ২০১৯-এ জয় পেয়েছিল বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় প্রায় ১,৯৭,৬৩৭ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনকে পরাজিত করেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হওয়ার পর আসানসোল কেন্দ্রে জয় পায়নি। এই প্রথম সেখানে জয় পেয়েছে তৃণমূল। শত্রুঘ্ন সিনহা ভোট পেয়েছেন ৬,৪৬,৬৬১ ভোট পেয়েছেন শত্রুঘ্ন। প্রায় ৫৬ শতাংশ ভোট। অগ্নিমিত্রা পাল ভোট পেয়েছেন ৩,৫০,০১৫। শতাংশের হিসাবে ৩০%। বিজেপির প্রায় ২২ শতাংশ ভোট কমেছে গতবাবের তুলনায়।এদিকে বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপিকে সরিয়ে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে সিপিএম। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় ২০হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে। বাবুল পেয়েছেন ৫০,৯৯৬ ভোট। সায়রার প্রাপ্ত ভোট ৩০,৯৪০ ভোট। বিজেপি গতবারে তুলনায় ৭ শতাংশ কম ভোট পেয়েছে। বিজেপি প্রার্থী কেয়া ঘোষ পেয়েছেন ১৩,১৭৪ ভোট। তবে এই কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোট প্রাপ্তি কমেছে তৃণমূলের। রাজনৈতিক মহলের মতে, গতবারের থেকে প্রায় ২০ শতাংশ ভোট কমায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ঘাসফুল শিবিরের।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
দেশ

কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন প্রশান্ত কিশোর?

কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। শনিবার দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধী, মল্লকির্জুন খাড়গে সহ কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করলেন পিকে। সম্প্রতি পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফল করেছে কংগ্রেস। ক্ষমতা হারিয়েছে পঞ্জাবে। এছাড়া সামনেই নির্বাচন রয়েছে গুজরাটে, তাছাড়া ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন, নানা কারণেই এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় খারপ ফল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তখন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রশান্ত কিশোরে দ্বারস্থ হয়েছিল। তারপরই তৃণমূলের কৌশল রচনার দায়িত্ব নেন পিকে। আই প্যাকের সঙ্গে জনসংযোগের নানান পন্থা অবলম্বন করে তৃণমূল। তার ফল পায় ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে। ২১৩টি আসনে জয় পেয়ে তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। পরবর্তীতে ফের আইপ্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের চুক্তি হয়েছে। সম্প্রতি নজরুল মঞ্চে তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে হাজির ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। তৃণমূলের সঙ্গে পিকের মত-বিরোধের জল্পনার অবসান হয়। সেই ভোটকুশলী এবার দিল্লিতে বৈঠক করছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কী তিনি কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন? নাকি আগামি নির্বাচনগুলিতে কংগ্রেসের হয়ে ভোটের কৌশল রচনা করার দায়িত্ব নিচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর? আগামিদিন এই প্রশ্নের জবাব মিলবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
রাজ্য

'ডান্ডা দিয়ে ঠান্ডা করে দেব', তৃণমূল ব্লক সভাপতির হুমকি ভিডিও ভাইরাল

হাঁসখালি থেকে বোলপুর-শান্তিনিকেতনসহ রাজ্যের নানা প্রান্তে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড়। ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায় মিছিল করে সিপিএম। এরপরই তৃণমূল কংগ্রেসের ভগবানগোলা এক নম্বর ব্লক প্রেসিডেন্ট আফরোজ সরকারের হুমকি ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিও-তে স্পষ্ট শোনা যায়, তিনি বলছেন, ডান্ডা দিয়ে ঠান্ডা করে দেব। (যদিও এই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা)।আফরোজ সরকারকে ওই ভিডিও-তে বলতে শোনা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরানো যাবে না। রাজ্যের মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছে। আমরা আছি। ধর্ষণ হলে বড়বাবু, এসপিকে বলব গ্রেফতার করার কথা। প্রমান দেখাক ধর্ষণ করেছে। সিপিএম একটা মিছিল বের করে দিয়েছে। যদি বেশি বাড়াবাড়ি করে তাহলে ঠান্ডা করে দেব। তার জন্য ডান্ডার দরকার। বেশি যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যাপারে উল্টোপাল্টা কথা বলে তবে ডান্ডা দিয়ে ঠান্ডা করে দবে। আমি পদের ভয় করি না। যুব সভাপতিসহ নানা পদে ছিলাম, সিপিএম যদি উল্টোপাল্টা বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ছেলে আছি আফরোজ সরকার। এমন ঠান্ডা করে দেব বাড়ি থেকে বের হতে পারবে না।তৃণমূল ব্লক সভাপতির এই হুমকির পর সুড় চড়িয়েছে বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য, হুমকি ছাড়া কথাই বলছেন না তৃণমূলীরা। এমন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছে সিপিএম।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
রাজ্য

হাঁসখালির ঘটনা নিয়ে তৃণমূল সাংসদের বিষ্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি

হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ডে বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়। হাঁসখালির ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। বিরোধীরা এই বিষয় নিয়ে রাজ্য সরকারের তুলোধোনা করছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, সরকারকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে। পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার দক্ষিণেশ্বরে এক অনুষ্ঠানে পুলিশ আধিকারিকদের মঞ্চে বসিয়ে দমদমের সাংসদ সৌগত রায় বলেন, যে রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, সেখানে একটা ঘটনাও সকলের কাছে লজ্জার। সৌগতর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। তবে তৃণমূল সাংসদের এমন মন্তব্যকে বিতর্ক সৃষ্টির প্রচেষ্টা বলে মনে করেন বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, ঘটনার দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতেও এমন মন্তব্য করতে পারেন।তৃণমূল সাংসদ এদিন বলেন, রাজ্যে মহিলাদের ওপর অত্যাচার নিয়ে সকলেই চিন্তিত। এক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স করতে হবে। কোনও ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব বরদাস্ত করা যাবে না। যে রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, সেখানে একটা ঘটনাও লজ্জার। পুলিশ প্রশাসন এই বিষয়ে নজর রাখবেন। বিরোধীদের দাবি, একথা বলে রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনা স্বীকার করে নিলেন তৃণমূল সাংসদ। একইসঙ্গে সাংসদের এমন মন্তব্য তৃণমূল কংগ্রেসের কৌশলও হতে পারে।দেগঙ্গা, মাটিয়া, ইংরেজবাজার ও বাঁশদ্রোণীর ঘটনার তদন্ত ভার আদালত দিয়েছে আইপিএস দময়ন্তী সেনকে। আদালতের তদারকিতে হাঁসখালির ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। এই পরিস্থিতিতে সৌগত রায়ের এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
রাজ্য

সিবিআইতে হাজিরাঃ ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে আপতত স্বস্তিতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী

আপতত স্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব। এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সিবিআইতে হাজিরার হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল আজ, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেসের দফতরে হাজির হতে হবে। এমনকী এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডেও ভর্তি হতে পারবেন না বলে নির্দেশ দেয় আদালত। প্রয়োজনে গ্রেফতার করা যেতে পারে। আগামিকাল সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ফের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে।এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাজিরা সংক্রান্ত বিষয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ কোনও মন্তব্য করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, কী আইনি প্রক্রিয়া চলছে তা শুনেছি। কিন্তু এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। এর আগে এসএসসি দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় প্রক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করুন বলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে বলেছিলেন কুণাল। সেই বক্তব্যের জের বহুদূর পর্যন্ত গড়িয়েছিল। পাল্টা কুণালের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এদিকে বিজেপির বক্তব্য, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা খুবই জরুরি। তা হলেই সত্যের উদ্ঘাটন হবে।

এপ্রিল ১২, ২০২২
রাজনীতি

কাশীনাথ মিশ্রের আদর্শ মেনে চলার আহ্বান আশিসলালের

বাঁকুড়া বিধানসভা থেকে পাঁচবার বিধায়ক হয়েছিলেন। কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন কাশীনাথ মিশ্র। ২০১২-এর ১০ এপ্রিল এসএসকেএম হাসপাতালে প্রয়াণ হয়েছিল এই জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের। যিনি নিয়মিত বিধানসভার অধিবেশনে হাজির হতেন। সাধারণের জন্য রাজনীতি করতেন। রবিবার তাঁর প্রয়াণ দিবসে একাধিক কর্মসূচি পালিত হয় বাঁকুড়ায়। সমস্ত অনুষ্ঠানেই যোগ দিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।রবিবার সকালে কাশীনাথ মিশ্রের দশম মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তারপর তাঁর স্মরণে ছিল রক্তদান শিবির। এই অনুষ্ঠানে মূল পৃষ্ঠপোষক ছিলেন প্রয়াত কাশিনাথ মিশ্রের স্ত্রী মিনতি মিশ্র। রবীন্দ্র ভবনে ওই অকৃতদার নেতার স্মৃতিচারণা করেন প্রাক্তন সাংসদ অভিজিত মুখোপাধ্যায়, ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি আশিসলাল সিং, রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি, জেলা নেতা অরূপ চক্রবর্তী ও অরূপ খাঁ, অলোক মুখোপাধ্যায়, তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা সাংগঠনিক সভাপতি দিব্যেন্দু সিনহা মহাপাত্র, সমাজসেবী অচিন্ত্য ঘোষ, লড়াকু নেত্রী বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার মহিলা সভানেত্রী মৌ সেনগুপ্ত, ৬ বারের কাউন্সিলর রাখী রজক, মূল আয়োজক রাহুল সেন, জেলা পরিষদের পূর্ত ও পরিবহণ কর্মাধক্ষ শিবাজী ব্যানার্জী, প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের রাজ্য নেতা পলাশ সাধুখাঁ।ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্য আশিসলাল সিং বলেন, কাশীনাথ মিশ্রকে আমরা ভুলতে পারব না। তাঁর কর্মপদ্ধতি থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে। তাঁর আদর্শে আমরা চলতে চেষ্টা করব। তাঁর সম্বন্ধে জানতে পারলে আগামী প্রজন্মের অনেক কাজে আসবে। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বক্তারা বলেন, কাশীনাথ মিশ্রের সঙ্গে বিরোধী দলের নেতৃত্বের সঙ্গেও সদ্ভাব ছিল। বিধানসভায় তাঁর অংশগ্রহণ থেকে অনেকেই শিক্ষা নিতে পারেন।

এপ্রিল ১০, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল নেতাদের বিক্রী করা ওভারলোড মাটি বোঝাই ডাম্পারের চাকায় পিষ্ট নিরীহ গ্রামবাসী, বিক্ষোভ

প্রশাসন ও ভূমি দফতরকে অন্ধকারে রেখেই পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের জৌগ্রামে চলছিল পুকুরের মাটি কেটে পাচার। তৃণমূলের নেতারাই পুকুরের মাটি কেটে পাচার করাচ্ছে বলে আগে থেকেই এলাকায় গুঞ্জনও ছড়িয়ে ছিল। সেই গুঞ্জনই শেষ পর্যন্ত সত্যি প্রমানিত হয় শনিবার সকালে ওভার লোড মাটি বোঝাই ডাম্পারের ধাক্কায় এলাকার প্রৌঢ় বরুণ রক্ষিত(৫৮) এর মৃত্যুর ঘটনার পরেই।ঘটনা জানাজানি হতেই জৌগ্রামের শীতলাতলা এলাকায় বাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা বরুণ রক্ষিতের দেহ ও ঘাতক ডাম্পারটি আটকে রেখে দুর্ঘটনাস্থল এলাকায় বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন। খবর পেয়ে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সুপ্রভাত চক্রবর্তীর নেতৃত্বে জামালপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছায়।মৃতদেহ উদ্ধার করতে গিয়েও পুলিশ মৃতর পরিবার ও ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর বাধার মুখে পড়ে। প্রায় ঘন্টা তিনেক ধরে মৃতদেহ আটকে রেখে চলে বিক্ষোভ।পুলিশ অনেক বুঝিয়ে সুজিয়ে ক্ষোভ বিক্ষোভ সামাল দিয়ে বেলা পৌনে ১২ টা নাগাদ মৃতদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই মৃত ব্যক্তির দেহ পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে।ঘাতক ডাম্পার আটক করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পাশাপাশি পুলিশ ডাম্পারের চালক ও খালাসির সন্ধানও চালাচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত বরুণ রক্ষিতের বাড়ি জৌগ্রামের উত্তর পাড়ায়। এদিন সকালে তিনি সাইকেলে চেপে বাজার যাচ্ছিলেন। জৌগ্রাম শীতলাতলা এলাকায় তিনি দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। মৃতর ভাগ্নে সুরজিত রক্ষিত ও এলাকাবাসী শিবু পোড়েল জানান, জৌগ্রামের জলেশ্বর তলা এলাকায় রয়েছে প্রাচীন শিব মন্দির। সেই মন্দিরের কাছেই রয়েছে বড় দেবত্তর পুকুর। বিগত তিন চারদিন যাবৎ জেসিবি মেসিন দিয়ে ওই পুকুরের মাটি তুলে ডাম্পারে লোড করে পাচার করা হচ্ছে।অজস্র মাটি বোঝাই ডাম্পার এখন সারাদিন ধরে জৌগ্রাম- রাণাপাড়া রোড দিয়ে যাতাযাত করছে। সুরজিত রক্ষিত অভিযোগে বলেন,এদিন সকালে আমার মামা বরুণ রক্ষিত সাইকেলে চেপে বাজারে যাচ্ছিলেন। তখন বেপরোয়া গতীতে চলা ওভারলোড মাটি বোঝাই একটি ডাম্পার আমার মামাকে ধাক্কা মারে। মামা মাটিতে পড়ে গেলে ডাম্পারের চাকা মামার মাথা উপর দিয়ে চলে যায়। মামা ঘটনাস্থলেই মারা যায়।মৃতর আত্মীয় পরিজন ও ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযোগে জানিয়েছেন,এলাকার ঐতিহ্যশালী জলেশ্বর শিব মন্দিরের দেবত্তর সম্পতির মধ্যেই পড়ে ওই পুকুরটি। ওই দেবত্তর সম্পত্তির অন্যতম সেবাইত অরবিন্দ ভট্টাচার্য্য তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। তিনি ইতিপূর্বে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি পদেও দায়িত্ব সামলেছেন। এখনও অরবিন্দ ভট্টাচার্য্য জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। বাকি সেবাইত গণ অরবিন্দ বাবুদেরই আত্মীয়।এলাকাবাসীরঅভিযোগ প্রশাসন ও ভূমি দফতরকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে সেবাইত অরবিন্দ ভট্টাচার্য্য ও জৌগ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের সদস্য মৃদুল কান্তি মণ্ডল এবং এলাকার তৃণমূল কর্মী আফজল মোল্লা নিজেদের মধ্যে রফা করে পুকুরের মাটি তুলে চড়া দামে বিক্রী করে দিচ্ছে। ২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজের জন্য যাঁরা মাটি কিনছে তাঁদেরকেই এই তৃণমূল নেতারা জলেশ্বরের পুকুরের মাটি কেটে বিক্রী করেছে বলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযোগে জানিয়েছেন।এই বিষয়ে জানতে তৃণমূল নেতা তথা জৌগ্রামের জলেশ্বর শিব মন্দিরের সেবাইত অরবিন্দ ভট্টাচার্য্যর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় । তিনি বলেন,আমি ছাড়াও আমার পরিবারে আরও তিন জন জলেশ্বর শিব মন্দিরের দেবত্তর সম্পত্তির সেবাইত।জৌগ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য মৃদুল কান্তি মণ্ডল ও আফজল মোল্লার সঙ্গে আমাদের সকল সেবাইতের একটা রফা চুক্তি হয়। সেই চুক্তিপত্রে আমিও সই করি।চুক্তি অনুযায়ী ঠিক হয়েছিল পুকুরের পাড় বাঁধিয়ে দিয়ে বাকি পুকুরের মাটি ওরা বিক্রী করবে।কত টাকার রফা চুক্তি হয় সেই বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানাতে চান নি অরবিন্দবাবু। তবে তিনি এই কথা কবুল করেন,২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজের জন্য যাঁরা মাটি কিনছে তাঁদেরকেই মৃদুলরা মাটি বিক্রী করবে বলে শুনেছিলেন। পুকুরের মাটি তুলেনিয়ে বিক্রীর ব্যাপারে ভূমি দফতরের অনুমোদন নেওয়ার ব্যাপরাটা মৃদুল দেখে নেবে বলেছিল।শেষ অবধি ভূমি দফতরের অনুমোদন মৃদুল নিয়েছিল কিনা তা জানেন না বলে অরবিন্দ ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।পঞ্চায়েত সদস্য মৃদুল কান্তি মণ্ডল যদিও কোন রাখঢাক না রেখে স্বীকার করে নেন, জলেশ্বর শিব মন্দিরের দেবত্তর পুকুরের মাটি জেসিবি দিয়ে কেটে ডাম্পারে লোড করে তাঁরা ২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসানের কাজের জায়গায় বিক্রীর জন্য তিন দিন হল পাঠাচ্ছেন। ভূমি সংস্কার দপ্তর এর অনুমোদন নেননি বলে মৃদুল কান্তি মন্ডল স্বীকার করে নেন। এই ঘটনা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে জামালপুর ব্লকের বিজেপি নেতা জীতেন্দ্র নাথ ডকাল বলেন, বালি ,মাটি সবকিছু থেকেই অবৈধ ভাবে মুনাফা লোটার জন্য এখন দৌড়াচ্ছেন তৃণমূলের নেতারা।আর মুনাফালোভী নেতাদের ঠিক করা ওভারলোড মাটিবাহী ডাম্পারের চাকায় পিষে মরতে হল নিরীহ গ্রামবাসীকে। এটাই এখন বাংলার সাধারণ মানুষের ভবিতব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২২
রাজ্য

অভিষেকের ভাষণের সময় পাশে ঠায় দাঁড়িয়ে কল্যান, আপশোষ তৃণমূল কখনও আসানসোল জেতেনি

দলের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত মতামত হতে পারে না বলে তোপ দেগেছিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। এবার আসনসোলে তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার প্রচারে কল্যানের পাশে দাঁড়িয়েই বক্তব্য রাখলেন অভিষেক। হুঙ্কার ছাড়লেন বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিষেকের আপশোষ তৃণমূল কংগ্রেস কোনও দিন আসানসোল লোকসভা আসনে জয় পায়নি।এবার আসানসোল কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন বিহারীবাবু শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁকে বহিরাগত বলে দাবি করছে বিজেপি। অন্য দিকে এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে বহিরাগত তত্বে অনড় বলতে শোনা গেল অভিষেকর ভাষণে। বরং শত্রুঘ্ন সিনার সঙ্গে আসানসোলের দীর্ঘ বছরের সম্পর্ক বলে তিনি ঘোষণা করলেন। অভিষেক বলেন, এই আসন থেকে তৃণমূল কোনও দিন জিততে পারেনি। এবার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। একটা ইডি, সিবিআইয়ের নোটিশ ধরিয়ে কিছু করতে পারবে না।শ্রীলঙ্কায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে লঙ্কাকান্ড ঘটে চলেছে। ওই দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। ভারতের অর্থনীতির হাল যে শ্রীলঙ্কার থেকেও খারাপ, বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, ১৫৫ লক্ষ কোটি টাকা ঋণগ্রস্ত নরেন্দ্র মোদি সরকার। শ্রীলঙ্কার থেকে ভারতের ২০ গুন খারাপ অবস্থা। ৬৭ বছরে ভারতের ঋণের পরিমান ছিল ৫৪ লক্ষ কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদী ৭ বছরে ১০২ কোটি টাকা ঋণ করেছে।বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসায় বাবুল সুপ্রিয়র প্রশাংসা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আসানসোল জয়ের পর ফের খেলা শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, বাবুল সুপ্রিয় চলে গিয়েছে তৃণমূলে। গায়ে লাগছে। যে করে হোক সিটটা জিততে হবে! আমি বলছি খেলা এখনও শুরু হয়নি। আসানসোল জেতার পর খেলা শুরু হবে। তারপর দরজা খুলব, কে কে আসবে আর কে কোথায় জিতবে আপনারা দেখবেন। তৈরি থাকুন। কী ভাবছেন তৃণমূলকে দমিয়ে রাখবেন। তাঁর ভাষণের সময় সারাক্ষণ পাশে ঠায় দাঁড়িয়েছিলেন কল্যান।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
রাজ্য

কুণালের পাল্টা দিলেন ফিরহাদ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে থাকার বার্তা

রাজ্যের নানা ক্ষেত্রে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত চলছে। বগটুইয়ের দুটি ঘটনা, ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের পাশাপাশি এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও তদন্ত করছে সিবিআই। শুক্রবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এসএসসি নিয়ে সিবিআইয়ের তদন্ত প্রসঙ্গে বলেছেন, যা বলার পার্থদা বলবেন। তিনি সে সময় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তাঁর মন্তব্যে এই শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কুণালের বক্তব্যের সঙ্গে সহমত নয় বলে শনিবার স্পষ্ট জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।কী বলেছেন ফিরহাদ হাকিম? তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও মন্ত্রী-নেতা অন্যায় করেনি? অন্যায় করবে না{ অন্যায় হয় না{ প্রসিডিওর মিসটেক হয় কিনা তা তদন্ত সাপেক্ষ। পার্থদার ক্যাবিনেটে আমিও মন্ত্রী। যদি কোনও জায়গায় হয়, তাহলে যতটা দায়িত্ব পার্থদার ততটা দায়িত্ব আমারও। সুতরাং একটা কালেক্টিভ পরিবার। ওটা আমরা কারও কাছে কারও দায় ঠেলতে পারি না। আমি আমার মন্তব্য বললাম।কোনও আড়াআড়ি ভাঙার ব্যাপার না। ক্যাবিনেটের মেম্বার কুণাল নয়। আমরা যৌথ দায়িত্ব পালন করি। সেই দায়িত্ব ক্যাবিনেটের, এটা পার্থদার ব্যাপার নয়। এতবড় ক্যাবিনেট চলে কোথায় কী হচ্ছে সেটা একজন মন্ত্রীর পক্ষে জানা সম্ভব? আমি কর্পোরেশনে থাকি কোথায় অ্যাসেসমেন্টে ঘুস নিলে আমার পক্ষে জানা সম্ভব? কোথাও ট্রেড লাইসেন্সে বেনিয়ম হচ্ছে সেটা আমার পক্ষে জানা সম্ভব? পার্থদার সঙ্গে কী সম্পর্ক আছে। হয় ডিপার্টমেন্টাল এনকোয়ারি হবে। যে এনকোয়ারি হচ্ছে তা হবে।এর আগে অনুব্রত মন্ডল প্রসঙ্গেও কুণাল কটাক্ষ করেছিলেন। সেদিন তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন, সিবিআই বা কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা তলব করলে প্রয়োজনে ৫ মিনিট আগে গিয়েছি। অনুব্রত প্রসঙ্গে তাঁর চিকিৎসক বা আইনজীবী বলবেন বলে তিনি থেমে যাননি। শুক্রবার বলেছেন, ব্রাত্য এখন শিক্ষামন্ত্রী। তখন শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি যা বলার বলতে পারবেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বা মুখপাত্র মানে তিনি দলের কথাই বলছেন এটাই স্বাভাবিক। অর্থাৎ পার্টি লাইন বলাই তাঁর দায়-দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাহলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াতে তা পরখ করে নিতেই এমন মন্তব্য করেছেন দলের মুখপাত্র?

এপ্রিল ০৯, ২০২২
দেশ

থমকে ত্রিপুরা তৃণমূলের গতি, বিধানসভা ভোটের আগে অন্য দলে ঝুঁকছে দলের বড় অংশ

বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে রোড শো করার পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফের ত্রিপুরা, মেঘালয়ে নির্বাচনে লড়াইয়ের কথা বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে ২৬ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল। যদিও কোনও আসনেই জয় পায়নি ঘাসফুল শিবির। এবার লক্ষ্য উত্তর পূর্ব ভারত। কিন্তু ত্রিপুরার সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে আশাহত সেখানকার তৃণমূলের বড় অংশ।তিন দিন আগে ত্রিপুরায় তৃণমূলের মহামিছিলে তেমন জনসমাগম হয়নি বলেই ওই অংশ দাবি করেছে। ওই মিছিলে অংশ নেননি ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি তথা কোর কমিটির সদস্য আশিসলাল সিং, প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস, দলের সংখ্যালঘু নেতা জহিরুদ্দিন শেখসহ নেতৃত্বের বড় অংশ। কয়েকদিন আগেই ত্রিপুরায় তৃণমূলের একমাত্র কাউন্সিলর যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামি ২০২৩-এ বিধানসভা নির্বাচন, তার আগে সংগঠনের এমন দশা হলে লড়াই তো দূরের কথা তৃণমূল হালে পানি পাবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু বাংলায় বিপুল জয়ের পর ত্রিপুরা অভিযানে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বহু মানুষ তৃণমূলে যোগও দিয়েছিল। কিন্তু কী এমন হল যে দলের বিস্তার না হয়ে, ক্রমশ সঙ্কুচিত হচ্ছে কার্যকলাপ? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে।ত্রিপুরা তৃণমূলের একাংশের দাবি, সম্মান না পেয়ে দল ছেড়েছেন একমাত্র কাউন্সিলর সুমন পাল। এমনকী দলের সংগঠন বৃদ্ধি করতে গিয়ে বিজেপির হাতে যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের পাশেও সেভাবে নেতৃত্ব দাঁড়ায়নি বলেই তাঁদের অভিযোগ। ত্রিপুরার ৮ জেলার মধ্যে ৪ জেলায় দল আশিসলাল সিংকে দায়িত্ব দিয়েছিল। অথচ মারধর খেয়ে দিল্লিতে চিকিৎসা করতে চলে যান তিনি। তাঁকেও সামান্য মর্যাদা দেওয়া হয়নি বলে দলের একাংশে অভিযোগ।জানা গিয়েছে, ২১ দিনের নোটিশে ২০১৪-এ ত্রিপুরার দুটি লোকসভা আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেদিন দলের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ত্রিপুরা পশ্চিম কেন্দ্রে ১ লক্ষ ১৭ হাজারের বেশি ভোট পায় তৃণমূল প্রার্থী রতন চক্রবর্তী। ত্রিপুরা পূর্বে ভৃগুরাম রিয়াং ৭৭ হাজারের বেশি ভোট পায়। দুটি আসনেই তৃণমূল ছিল তৃতীয়, তারপরে চতুর্থ স্থানে ছিল বিজেপি প্রার্থী। ২০১৭-এ ত্রিপুরা তৃণমূলের সভাপতি করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিং-পুত্র আশিসলালকে। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে জোট গড়ে ত্রিপুরায় প্রার্থী দেয় তৃণমূল। সব আসনেই হেরে যায় তৃণমূল।দলের বিক্ষুব্ধ অংশের বক্তব্য, দলবদলুরা ত্রিপুরায় তৃণমূলের দায়িত্ব নেওয়ায় সংগঠন তলানিতে পৌঁছেছে। দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। বিজেপি থেকে আসা প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস সামাজিক মাধ্যমে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট কথা, দল তাঁকে ত্রিপুরায় দায়িত্ব দিলে বিজেপি-সিপিএমকে টেক্কা দেবে তৃণমূল। পাঁচ-পাঁচবার বিজেপি আশিসলাল সিংয়ের ওপর হামলা করেছে বলে অভিযোগ। তিনি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না। আশিসবাবুর দাবি, কোনও উপজাতিকে ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে। তাহলেই বাজিমাত করতে পারবে দল। তিনি চান ত্রিপুরা তৃণমূলের হাল ধরুক আশিস দাস। রেললাইনের পথ ঘুরিয়ে জনজাতিদের উচ্ছেদ রুখে ছিলেন আশিসলাল। সিপিএম সরকার রেললাইনের ম্যাপিং করেছিল। কিন্তু তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় ১০ হাজার জনজাতিকে উচ্ছেদ হতে হয়নি। সেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল-পুত্র। মাছমারায় বাঁশের সেতু লোহার সেতু হয়েছে, তাঁরই উদ্যোগে হাসপাতাল হয়েছে।এই মুহূর্তে ত্রিপুরার পাহাড়ী এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে ত্রিপ্রা মথা। তবে সমতলেও প্রভাব বাড়ছে দুবছর আগে তৈরি হওয়া এই দলের। সূত্রের খবর, শচীন্দ্রলাল-কন্যা নন্দিতা সিং, শ্যামাচরণ ত্রিপুরার মেয়ে অদিতি ত্রিপুরা, শচীন্দ্রলাল সিংয়ের মন্ত্রীসভার প্রাক্তন জনপ্রিয় মন্ত্রী তসলমফা ওরফে রাজপ্রসাদ চৌধুরী-র পুত্র ভৃগুরাম রিয়াং ত্রিপ্রা মাথায় যোগ দিতে পারেন। সূত্রের খবর, তৃণমূলে বসে যাওয়া নেতা-কর্মীদের একটা বড় অংশ নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন ত্রিপ্রা মথার সঙ্গে। বছর গড়ালেই বিধানসভা ভোট। তাই অনেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। সূত্রের খবর, আশিসলাল ব্যক্তিগত ভাবে দল ছাড়তে চাইছেন না। কিন্তু কর্মীরা ক্ষিপ্ত। সংখ্যালঘু ও পাহাড়ের তৃণমূলীরা কি সিদ্ধান্ত নেবে তা নিয়ে ব্যাপক সংশয় আছে। তাঁরা মনে করছে, এমন চলতে থাকলে আশিসবাবুও তাঁদের পথ ধরতে পারেন।ত্রিপুরার পাহাড়ের কোনায় কোনায় ঘাসফুলের পতাকা উড়েছে। এবার তা বন্ধ হতে বসেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল কর্মী মুজিবর মারা গিয়েছেন। তাঁকে জখম অবস্থায় নেতৃত্ব ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ। মুজিব ও তাঁর স্ত্রী সেদিন টোটো করে বাড়ি যায়। জানা গিয়েছে, মামন খানকে বেধরক মারধর করা হয়েছিল। এসএসকেএম থেকে ফিরে আসছে তাঁরও খোঁজ নেয় না দল। ত্রিপুরার নন্দীগ্রামে দলের পতাকা উচিঁয়ে রেখেছে বেচারাম দাস। তাঁকে ১৫ অগাস্ট বেধরক মারধর হয়। তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেয়, অথচ দল খবরই নেয়নি বলে অভিযোগ। আশিসলাল সিং বিজেপির কাছে মার খেল, ত্রিপুরা তৃণমূল নাকি তখনও চুপ ছিল। তৃণমূলের মহিলা নেতৃত্বও নিগৃহীত হয়েছেন। অমরপুর পাহাড়ের জঙ্গলে বাচ্চা কোলে অবস্থায় এক মহিলাকে গুলি মারা হয়েছিল। সেখানে কর্মীদের নিয়ে রাতেই পৌঁছে গিয়েছিলেন আশিসলাল। তাছাড়া খুমলুঙে মদ্য়পরা ছাত্রদের ব্যাপক মারধর করেছিল। খুমলুঙ জ্বলছিল। অশান্ত খুমলুঙে গিয়েছিলেন আশিসবাবু। যে পার্কে সেদিন ঘটনা ঘটেছিল তা দাবি জানিয়ে বন্ধ করিয়েছিলেন তিনি। সেদিনও আগরতলা শহর থেকে কেউ যায়নি।কার্যত ত্রিপুরার দলের কর্মীরা নেতৃত্বের ওপর ভরসা হারাচ্ছে বলেই খবর। দলের ওই অংশের বক্তব্য, পার্টি অফিস হয়নি বরং বাড়িতে বাড়িতে দলের অফিস গড়ে উঠছে। সেসব জায়গায় অনেকে যেতেও পারছেন না। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের এমন দশা থাকলে ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় কোনও আশা না করাই ভাল। অল্প সংখ্যক ভোট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে ঘাসফুল শিবিরকে।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর সিবিআইয়ে গরহাজিরা, 'খোঁচা' খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণালের

গরুপাচার কান্ডে এবারও সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ এড়ালেন অনুব্রত মন্ডল। এবার বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি ভর্তি হয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডে। তাঁর আইনজীবীরা সিবিআইকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন অনুব্রত অসুস্থ তাই আসতে পারছেন না। এদিকে অনুব্রতর সিবিআই হাজিরা নিয়ে খোঁচা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি কখনও জেরা এড়িয়ে যাননি বলে স্পষ্ট দাবি করেছেন।অনুব্রতর সিবিআইতে হাজির না হওয়া প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, ওনার শরীর অসুস্থ বা কেন সিবিআইতে যাননি তা তাঁর আইনজীবীরা বলতে পারবেন। তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। তবে আমি বলতে পারি, সিবিআই, ইডি, এসএফআইও, থানা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যখনই ডেকেছে গিয়েছি। বরং নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট আগে হাজির হয়েছি। কারণ আমি কোনও অন্য়ায় করিনি। আমাদের দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইডি দফতরে হাজির হচ্ছেন। মাথা উঁচু করে বেরিয়ে আসছেন।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সরাসরি কিছু না বললেও অনেক কিছুই স্পষ্ট করে দিয়েছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, অনুব্রত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি শুধু ওই বিষয়টা বলেই থেমে যেতে পারতেন। সেখানে কুণাল পাঁচ মিনিট আগে হাজির হওয়ার কথা, নিজে অন্যায় না করার কথা ঘোষণা করেছেন, পাশাপাশি অভিষেকের মাথা উঁচু করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিস থেকে বেরিয়ে আসার কথা বলেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক। কেন অনুব্রতর সিবিআই-হাজিরা নিয়ে নিজের ও অভিষেকের প্রসঙ্গ টানলেন কুণাল ঘোষ, তা নিয়েই জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

উডবার্ন না নিজাম প্যালেস', অনুব্রতর গন্তব্য নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে

মঙ্গলে ঊষা বুধে পা......। তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে বুধবার গরুপাচার-কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তলব করেছে। সুত্রের খবর, মঙ্গলবার বারবেলায় সেই উদ্দেশ্যেই তিনি বোলপুরের বাসভবন থেকে কলকাতার উদ্দশ্যে রওনা দেন। অনুব্রত কলকাতায় পৌঁছতেই কৌতূহলী মানুষজনের একটাই প্রশ্ন। তাহলে কি অবশেষে সিবিআইয়ের ডাকে সারা দিতেই কলকাতায়? না চিকিৎসার জন্য এসএসকেএমের উডবার্ন! তাঁর ঘনিষ্ঠমহলের ধারণা, বুধবার নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআই তদন্তকারীদের সামনে তিনি হাজিরা দেবেন।অনুব্রত সন্ধ্যা ছটার সামান্য পরে চিনার পার্কের একটি আবাসনে আসেন। তাঁর বুধবার সিবিআইয়ের কাছে হাজিরা দেওয়ার কথা। কলকাতায় অনুব্রত মন্ডলের উপস্থিতি ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে। চিনার পার্কের সেই আবাসনের বাইরে সাংবাদমাধ্যমের যঠেষ্ট ভিড় ছিল। তিনি এখনও পর্যন্ত কারও সঙ্গে কোনও কথা বলেননি। একটা বড় অংশের মতে, অনুব্রত চিকিৎসার কারণেই কলকাতায় এসেছেন। এর আগে তিনি শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সিবিআই হাজিরা এড়িয়ে গেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন অনুব্রত দলের কাজে কলকাতায় এসেছেন। এটি গরুপাচার মামলায় তাঁর চতুর্থ সমন। উডবার্ন না নিজাম প্যালেস বুধবারে মিডিয়ার অভিমুখ কোন দিকে থাকে তাঁর দিকেই তাকিয়ে বাংলার কৌতূহলী জনতা।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি সরকারকে তুলোধনা করে বিতর্কে রাজ্যের মন্ত্রী

সোমবার বর্ধমান শহরের লোক সংস্কৃতি মঞ্চে এক সভায় পুর্ব বর্ধমান জেলার ছয় (৬) পুরসভার এম সি আই সি (MCIC) ঘোষণা করেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলা পরিষদের সভাপতি সম্পা কুণ্ডু, বর্ধমান ডেভলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান কাকলি তা গুপ্তা, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি,প্রানি সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি দেবু টুডু বর্ধমান দক্ষিণ ও উত্তরের বিধায়ক খোকন দাস ও নিশিথ মালিক এবং ছটি পুরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান।বক্তব্য রাখে গিয়ে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন, একটা মানুষ তিল তিল করে বাংলাকে গড়ে চলেছেন। সৃষ্টিকারী যদি কেউ হোন,তার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সৃষ্টি করছেন। আর কেউ যদি ধ্বংসকারী হয়ে থাকে তাহলো বিজেপি সরকার,নরেন্দ্র মোদীর সরকার। আজ ভারতবর্ষ বলুন, ভারতবর্ষের সমাজ ব্যবস্থা বলুন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলুন সব ধ্বংস করে দিচ্ছে বিজেপি সরকার। সরকারি মঞ্চে বক্তব্য রখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে একহাত নেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি আরো বলেন আগে একটা সার্টিফিকেট পেতে গেলে জুতোর শুকতলা ক্ষয়ে যেত। তবুও তা পাওয়া যেত না। আর এখন মুখমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন। একেই বলে পাড়ায় সমাধান।সোমবার বর্ধমানের লোক সংস্কৃতি মঞ্চে জেলার উপভোক্তাদের হাতে বিধবা ভাতা সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের পরিষেবা প্রদান করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সরকারি মঞ্চে এভাবে বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করায় ক্ষোভ উগড়ে দেন জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র। তিনি বলেন সরকারি মঞ্চে যেভাবে মন্ত্রী বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। তা খুবই দুঃখজনক।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
দেশ

ত্রিপুরা তৃণমূলে অশনি সংকেত, বিক্ষুব্ধরা কি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন ভিন রাজ্যে তাঁরা শুধু লড়াই করতে যাবেন না, ক্ষমতা দখল করাই তাঁদের লক্ষ্য। ইতিমধ্যে গোয়া বিধানসভায় নির্বাচন হয়েছে। মহুয়া মৈত্রের মতো লোকসভায় ভাষন দিয়ে তোলপাড় করা নেত্রীসহ অনেকের উপরই গুরুদায়িত্ব ছিল গোয়াতে। প্রার্থীও দিয়েছিল তৃণমূল। একটিও আসন জোটেনি ঘাসফুল শিবিরের। সূত্রের খবর, এবার পরশি রাজ্য ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিস্তারে বড়সড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। ৬ এপ্রিল ত্রিপুরায় দলের মহামিছিলে কারা পা মেলাবেন তাতেও সংশয় রয়েছে।বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরাতে তৃণমূল অনেক বছর আগেই অভিযান শুরু করেছিল। তবে ২০২১-এ বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সাফল্যের পর ফের ত্রিপুরা অভিযান শুরু করে ঘাসফুল শিবির। এরাজ্য থেকে দলে দলে নেতৃত্বস্থানীয়রা ত্রিপুরায় যাতায়াত শুরু করে। পুরসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের ফসল একজন মাত্র কাউন্সিলরের জয়। সেই জয়ী সুমন পালও বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, ত্রিপুরা তৃণমূলের বড় অংশই এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছে। ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি আশিসলাল সিং দীর্ঘ কয়েক মাস দলীয় সংগঠনের সংস্পর্শেই ছিলেন না। তাঁর সঙ্গে কেউ যোগাযোগও করতে পারেননি। বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস মাথা ন্যাড়া করে তৃণমূলে যোগ দেন। হইচই পড়ে যায় ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে। সেই আশিস দাসও তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাজকর্মে চরম ক্ষুব্ধ। তাঁর ক্ষোভের প্রকাশ তিনি ফেসবুকেও স্পষ্ট লিখেছেন। এবার প্রশ্ন হল তৃণমূলের ওই অংশ কী তাহলে দলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করতে চলেছেন? সারা ত্রিপুরায় এমন জল্পনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।দীর্ঘ দিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন আশিসলাল সিং। পুরভোটের সময় বিজেপি তাঁর ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ। তারপর তিনি দিল্লির দুটি নার্সিংহোমে দীর্ঘ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিছু দিন ছিলেন বিদেশেও। তিনি অন্তরালে চলে যান। দলের সঙ্গে কেন তিনি দীর্ঘ সময় যোগাযোগ রাখেননি? তাহলে তিনিও কী দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কার্যকলাপ মেনে নিতে পারছেন না? সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্দরমহলে। ত্রিপুরা তৃণমূলে কান পাতলেই শোনা যাবে দলের বর্তমান রাজ্য নেতৃত্বকে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। সব থেকে বড় প্রশ্ন, এভাবেই যদি পরশি রাজ্যে সংগঠন চলতে থাকে তাহলে দলের বিক্ষুব্ধ অংশ কী নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নেবে?রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৩-এ ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। সেই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না দলের বড় অংশ। সেক্ষেত্রে বড়সড় দলবদলের সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। তবে তাঁরা কোন দলে যাবেন তা-ও চর্চার বিষয়। বিজেপিতে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণই। সিপিএম-কংগ্রেসে যোগ দেওয়াতেও সমস্যা রয়েছে। যদিও রাজনীতিতে কিছুই অসম্ভব নয়। তবে তিপ্রা মথা এই মুহূর্তে সেখানে উদীয়মান শক্তি। তাহলে কী ওই সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন তৃণমূলের একাংশ? তা নিয়েও জোরদার জল্পনা চলছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বিতর্কের রেশ রেখেই কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হল

মঙ্গলবার কালনার মহকুমাশাসকের দফতরে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে কালনা পৌরসভার চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান পদে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল। ১৬ই মার্চ কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার ঘটনা ঘটে। কালনার সমস্ত কাউন্সিলররা সেদিন শপথগ্রহণ করলেও চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়নি সেদিন।পরবর্তী সময় তৃণমূলেরই দুই বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীকে কলকাতায় তলব করে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। এরপর সেই পুরনো সিদ্ধান্তেই সিলমোহর পড়ে তৃণমূল দলের তরফে। চেয়ারম্যান হিসেবে আনন্দ দত্ত এবং ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে তপন পোড়োলের নাম ঘোষিত হয়।মঙ্গলবার কালনা মহকুমাশাসকের দফতরে চেয়ারম্যান পদে আনন্দ দত্ত এবং ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে তপন পোড়েল শপথগ্রহণ করেন। যদিও চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান শপথগ্রহণের আগে দলেরই বিক্ষুব্ধ এগারো জন কাউন্সিলর এদিন একটি সাংবাদিক সম্মেলনও করেন। সেখানে তাঁরা জানান মুখ্যমন্ত্রীর কথা চিন্তা করেই তারা এ সিদ্ধান্ত মানছেন। এরপর শপথগ্রহণ শেষে বেশ কিছু কাউন্সিলার এদিন পৌরসভায় হাজির হবেন না বলে চেয়ারম্যানকে সরাসরি জানিয়ে দেন। যদিও উভয় পক্ষই এ বিষয়ে সেইভাবে কোনো বিতর্ক বাড়াইনি।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান পদে আইনুল হক

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত হলেন আইনুল হক। এদিন বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার দফতরে চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত আইনুল হকের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দিয়ে স্বাগত জানান। এর আগে বর্ধমান পুরসভার প্রশাসনিক পদে ছিলেন তিনি। তার আগে ছিলেন বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যানও।বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী রবীরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় প্রয়াত হওয়ার পর বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থা তথা বিডিএ-র চেয়ারম্যান পদটি ফাকা ছিল। পরে কাকলি গুপ্তাকে চেয়ারম্যান করা হয়। এবার আইনুল হককে ভাইস চেয়ারম্য়ান করা হল। বর্ধমানবাসী মনে করছে, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে বর্ধমানে এবার প্রকৃত উন্নয়ন হবে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

এবার ডিভিশন বেঞ্চে 'রক্ষাকবচ'-এর আবেদন খারিজ, অস্বস্তি বাড়ল অনুব্রতর

গরু পাচার মামলায় অস্বস্তি কাটছে না তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মণ্ডলের। প্রথম দফায় হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ অনুব্রতর আবেদন নাকচ করে দিয়েছিল। এবার রক্ষাকবচ-এর আবেদন খারিজ করল ডিভিশন বেঞ্চেও। একাধিকবার বীরভূম জেলা তৃণমূবল কংগ্রেসের সভাপতিকে তলবি নোটিশ পাঠায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। শেষ নোটিশ পাঠায় গত ৪ মার্চ। সিবিআইয়ের দেওয়া নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অনুব্রত। দুবারই রক্ষাকবচের আর্জি খারিজ হওয়ায় দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতার সমস্যা বাড়ল বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।গরু ও কয়লা পাচার নিয়ে সিবিআই তদন্ত করছে। বেআইনি ভাবে কোটি কোটি টাকার কারবার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বিনয় মিশ্র বিদেশে আত্মগোপন করেছেন। সেখান থেকে এদেশে আনার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে সিবিআই। গরু ও কয়লা পাচার চক্রের কোটি কোটি টাকা ঘুর পথে প্রভাবশালীদের কাছে যায়। জিজ্ঞাসাবাদে নাম উঠে আসে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তাঁকে বারে বারে ডেকে পাঠালেও আদালতের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। এদিন সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ বহাল রাখে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।বোলপুরে বা তাঁর বাড়ির কাছাকাছি কোনও জায়গায় যাতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সেই ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন অনুব্রত মণ্ডল। এমনকী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেও তিনি জিজ্ঞাসাবাদে হাজির থাকতে রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন। সিবিআই মনে করছে, সর্বত্র অনুব্রত যাতায়াত করছেন। অথচ সিবিআই দফতরে তিনি আসতে চাইছেন না। সেটাই তো বড় প্রশ্ন। আদালতে রক্ষাকবচ খারিজ হওয়ায় ফের অস্বস্তিতে পড়েছেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজনীতি

বিধানসভায় তৃণমূল-বিজেপি বিধায়কদের তুমুল হাতাহাতি, জখম বেশ কয়েকজন, সাসপেন্ড ৫ বিজেপি বিধায়ক

রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডের ঢেউ আছড়ে পড়ল বিধানসভায়। সোমবার দিনের শুরুতেই বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য বিধানসভার অন্দর। বগটুইতে নিরীহ মানুষজনের অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুতে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। স্পিকার তাঁদের থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বেড়ে যায় বিক্ষোভ। সেই সময় ওয়েলে যুযুধান দুই শিবির। হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় বিজেপি ও তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে। পরে জয় শ্রীরাম স্লোগান তুলে অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান বিজেপি বিধায়করা। তৃণমূল বিধায়কদের সঙ্গে বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের কার্যত হাতাহাতিতে গেরুয়া শিবিরের ১০ বিধায়ক আহত হয়েছেন বলে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। জানা গিয়েছে, বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা মনোজ টিগ্গার জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয়। চশমা ভেঙে যায় এক বিধায়কের। চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদারের নাক ফেটে গিয়েছে। এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে। অসিতবাবুর অভিযোগ, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দ্বারা প্রহৃত হয়েছেন তিনি।Absolute pandemonium in the West Bengal Assembly. After Bengal Governor, TMC MLAs now assault BJP MLAs, including Chief Whip Manoj Tigga, as they were demanding a discussion on the Rampurhat massacre on the floor of the house.What is Mamata Banerjee trying to hide? pic.twitter.com/umyJhp0jnE Amit Malviya (@amitmalviya) March 28, 2022সোমবার বিধানসভা অধিবেশন চলাকালীন তৃণমূল ও বিজেপি বিধায়কদের মধ্যে তুমুল হাতাহাতির অভিযোগ ওঠে। একে অপরের উপর হামলে পড়েন বলে অভিযোগ। জামা ধরে টানাটানি, হাত চালানোর পাশাপাশি কারও কারও মুখের কথাও আগলহীন হয়ে পড়ে। রাজনৈতিক মহলের মতে বিধানসভার মত প্রতিষ্ঠানে দাঁড়িয়ে রাজ্যের জনপ্রতিনিধিদের এমন আচরণ নিঃসন্দেহে প্রশ্নের অবকাশ রাখে। বিধানসভায় যে ঘটনা ঘটেছে ইতিমধ্যেই তা প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এই ঘটনার জেরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, বিধায়ক মনোজ টিগ্গা-সহ পাঁচজনকে সাসপেন্ড করা হয়।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে ফোন করেন। গোটা বিষয়টি জানতে চান। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের একজন বিধায়ককে এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তিও করা হয়েছে। ২১০ নম্বর কেবিনে ভর্তি রয়েছেন অসিত মজুমদার। এই সমস্ত বিষয়ে খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী শিবিরের উদ্দেশে বলেন, যে ঘটনা ঘটল সেটা অনভিপ্রেত। বিধানসভার নিয়মকানুন নিয়ে পড়াশোনা করেন না। বিধানসভার গুরুত্ব তাঁরা বোঝেন না। সূত্রের দাবি, ইতিমধ্যেই বিধানসভার সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কী কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার তালিকা তৈরি হবে। কীভাবে সেই ক্ষতিপূরণ আদায় করা যায় সেটাও দেখা হবে বলে জানান বিধানসভার অধ্যক্ষ।

মার্চ ২৮, ২০২২
রাজ্য

বগটুই নিয়ে হাইকোর্টের রায়, তৃণমূল কী বলছে?

বগটুই কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এই রায়ের কোনও বিরোধিতা করবে না তৃণমূল কংগ্রেস, জানিয়েছেন দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তবে তদন্ত নিয়ে রাজনীতি হলে গণ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন কুণাল।তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সমস্ত অ্যাকশন হয়েছে। আমরা সিবিআই তদন্তের নির্দেশের বিরোধিতা করব না। আমরা সহযোগিতা করব। আমরা বলব সঠিক বিচার হোক। বিজেপির আর এক ভাই সিবিআই। সিবিআই বিজেপির পক্ষে। রাজ্য সরকার তো ব্যবস্থা নিয়েছে। রবীন্দ্রনাথের নোবেল চুরি, নন্দীগ্রামের ঘটনায় সিবিআই বিচার দিতে পারেনি। এ টু জেড সবই বিজেপির কেনা। দুদিন আগেই রাজ্যপাল বলেছেন, এবার কী হয় দেখতে পাবেন।এখনও সারদা, নারদা কাণ্ডের তদন্ত শেষ করতে পারেনি সিবিআই। তৃণমূল মুখপাত্রের হুঁশিয়ারি, যদি দেখা যায় ন্যায় বিচার হয়নি, নির্দিষ্ট ঘটনার পরিধি পার করে অন্য রাজনীতি করে তাহলে গণ আন্দোলন হবে। বৃহত্তর ষড়য়ন্ত্রের আড়াল করছে তার প্রতিবাদ হবে।

মার্চ ২৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • ...
  • 66
  • 67
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরে মমতার গাড়িতে কাদা-জুতো! ‘চোর’ স্লোগানের পর পানিহাটি থেকে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দুর

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, রবিবার তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। মমতাকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে দাবি।পানিহাটিতে তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথেষ্ট ব্যবস্থা করেছিল। টেলিভিশনের ছবিতে তিনি এক জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দেখেছেন বলেও জানান শুভেন্দু।শুভেন্দুর আরও দাবি, ঘটনাস্থলে বিজেপির কোনও পরিচিত মুখ বা দলীয় পতাকা তিনি দেখতে পাননি। একই সঙ্গে তিনি মমতার হালিশহর সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ছুটির দিনে এক জন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে মমতা সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যথাসম্ভব নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। তবে তাঁর পরামর্শ, কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই সাহায্য করা উচিত। কিন্তু এমন কোনও জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।হালিশহরের ঘটনার সূত্রপাত থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মৃত ব্যক্তি তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। রবিবার তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। কাদা ও জুতো ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গেই মমতাকে তিলোত্তমার বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়কার একাধিক অভিযোগ তুলে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এক দিকে হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও কাদা-জুতো ছোড়ার অভিযোগ, অন্য দিকে সেই ঘটনার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যসব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দু’মাস কোথায় ছিলেন? ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত, জানালেন সব

দুমাস ধরে পুলিশের খোঁজের বাইরে ছিলেন তিনি। তাঁর সন্ধানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। পরপর দুদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার তদন্তকারীদের দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি প্রতারণার মামলায় শনিবার সুমিতকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি। রবিবারও তাঁকে ফের ডাকা হয়। এদিন প্রায় আট ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। ভবানী ভবন থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সুমিত। তবে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে বেশির ভাগ বিষয়েই মন্তব্য করতে চাননি তিনি।গত দুমাস কোথায় ছিলেন, সাংবাদিকেরা এই প্রশ্ন করলে প্রথমে সুমিত বলেন, আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না। পরে একই প্রশ্ন করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, এদিকে, আশপাশেই ছিলাম। তাঁর এই মন্তব্যের পর তিনি কলকাতাতেই ছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।এত দিন আত্মগোপনে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে সুমিত বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও মুখ খুলতে চাননি তিনি। সেবাশ্রয়-সহ একাধিক বিষয়ে তাঁর নাম জড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে বলেন, মন্তব্য করতে পারব না।তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুমিত বলেন, হতে পারে। তবে কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, মামলা আদালতে বিচারাধীন। পুলিশ যখনই ডাকবে, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন।তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে সুমিত বলেন, বাজে কথা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলিকে মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।এর আগে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেতে দেখা যায়। তৃণমূলের গাড়িতে করে সেখানে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। তার জবাবে সুমিত বলেন, যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।এদিকে সুমিত নিজেই জানিয়েছেন, তাঁকে আগামী দিনেও তদন্তকারীদের সামনে হাজির হতে হবে। চাকরি দুর্নীতি সংক্রান্ত ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের ডাকা হয়েছে। তাঁর কথায়, কাল ১১টার সময় ডেকেছে। তবে এদিন কোনও নথি সঙ্গে আনতে বলা হয়নি বলেও জানান তিনি।শালবনীর জমি প্রতারণা মামলা-সহ সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিসও জারি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তদন্তে সহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। পরপর দুদিন ভবানী ভবনে জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমিতের দুমাস কোথায় ছিলেনএই প্রশ্নের উত্তর ঘিরেই এখন নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘লম্বা লড়াই, তবে তিলোত্তমাই জিতবে’, পানিহাটিতে শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা, ফের তদন্তের নির্দেশ

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের দুবছর পূর্ণ হল। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার পানিহাটিতে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু-রহস্য আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সভায় শুভেন্দু বলেন, লম্বা দুবছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিত ভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা থাকবে না। ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সূত্রে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনা গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তদন্তে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তিলোত্তমার পরিবার দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণাকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে তিলোত্তমার পরিবার। তাঁদের আশা, এত দিন যে প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি, নতুন তদন্তে তার কিছুটা হলেও স্পষ্ট হবে।তিলোত্তমার মৃত্যুর দুবছরের স্মরণসভায় নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে বলেন, রাখিপূর্ণিমার দিন অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছিল। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামী দিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে। ফলে তিলোত্তমাকাণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্তে ঠিক কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এবং পুরনো কোনও প্রশ্নের নতুন উত্তর মেলে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
রাজ্য

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা? ‘টার্গেট ছিল মমতাকে শেষ করা’, বিস্ফোরক দাবি কল্যাণের

হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো, ইট ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।মমতার সঙ্গে এদিন ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, হালিশহরে যাওয়ার সময় মমতার গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। পরিস্থিতির জেরে কিছু সময় গাড়ি আটকে থাকে বলে তৃণমূলের দাবি।হালিশহর থেকে ফিরে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং গাড়ির সামনে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে জমায়েত করা হয়েছিল এবং প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের আটকে রাখা হয়।কল্যাণের আরও দাবি, মমতার গাড়িতে যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছে, তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে শেষ করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তাঁর দাবি, গাড়ি লক্ষ্য করে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।মমতার বক্তব্য, তাঁকে এভাবে থামানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, তিনি মানুষের কাছে যাবেন এবং কোনও বাধাতেই পিছিয়ে আসবেন না।হালিশহর থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তিকে তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন মমতা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই হালিশহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফর ঘিরে বিক্ষোভ, গাড়িতে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ এবং পাল্টা রাজনৈতিক আক্রমণে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, বিক্ষোভ কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং গাড়ি লক্ষ্য করে সত্যিই ইট-পাথর ছোড়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত ছবি সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal