• ৬ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজ্য

সন্দেশখালিতে তদন্তে গিয়ে রক্তাক্ত ইডি আধিকারিক, চরম রাজনৈতিক চাপান-উতোর

রণক্ষেত্র, ধুন্ধুমার সন্দেশখালি। রেশন দুর্নীতির তদন্তে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে রক্তাক্ত হয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। হামলা চালানো হয় সংবাদকর্মী ও সংবাদমাধ্যমের গাড়ির উপরেও। বেনজির এই ঘটনায় উত্তাল রাজ্যরাজনীতি। তৃণমূলের তরফে অবশ্য এই ঘটনায় দায় চাপানো হয়েছে ইডি-র উপরই। নিশানা করা হয়েছে বিজেপিকেও।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ শুক্রবার বলেছেন, সন্দেশখালিতে যা ঘটেছে তা উদ্বেগজনক। এমনটা না হলেই ভাল হত। কিন্তু বুঝতে হবে যে কেন এমন হয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সি বেছে বেছে রোজ তৃণমূল নেতাদের বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে। সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছে সংবাদমাধ্যমের একাংশকে। তার পর সেখানে গিয়ে প্ররোচনা দিচ্ছে।বিজেপির উদ্দেশেও তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন কুণাল। শুভেন্দু অধিকারীকে রেজিস্টার্ড চোর বলে কটাক্ষ করেছেন কুণাল। বলেছেন, বিজেপি নেতাদের বাড়ি তল্লাশি হয় না। কিন্তু যেখানেই বিজেপি সংগঠনে পাল্লা দিতে পারছে না, সেই জায়গায় গিয়ে গিয়ে সাধারণ মানুষকে প্ররোচিত করা হচ্ছে, গন্ডগোল তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। তবে ইডি ও বিজেপির প্ররোচনায় সাধারণ মানুষকেও প্ররোচনায় পা না দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তৃণণূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক।পাল্টা সন্দেশখালির ঘটনার কড়া নিন্দা করে এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। গোটা বিষয়টিকে টেলিফোনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জানিয়েছেন, বর্বরোচিত। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা তলানিতে ঠেকেছে। তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে হামলা মুখে পড়তে হল ইডি এবং সিআরপিএফ আধিকারিকদের। এর পরই তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সেই এক্স বার্তা ট্যাগ করে সন্দেশখালির এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন। সেই এক্স বার্তায় তিনি জুড়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল, ইডির অধিকর্তা এবং সিআরপিএফকেও।প্রদেশ কংগ্রেস মুখপাত্র সৌম্য আইচ বলেছেন, এরা চুরি, লুঠ করবে, আর যখন তল্লাশি হবে তখন হানাহানি চালাবে। এরা তৃণমূলের সুভবিধাভোগী। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে তৃণমূল বাংলায় অপরাধের জগৎ তৈরি করেছেন। ইডি-র তরফে জানানো হয়েছে যে, সন্দেশখালির ঘটনা দিল্লির কর্তাদের জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৪
রাজনীতি

মমতাকে বড় চ্যালেঞ্জ অধীর চৌধুরীর, ইন্ডিয়া জোটে কি অশনি সংকেত?

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বিবাদে কি অশনি সংকেত? তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আগামী লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়া বা আসন রফার বিরোধিতা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলে নেত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতার।২০১৯ লোকসভা ভোটে বাংলায় বহরমপুর ও মালদা দক্ষিণ আসনটি হাত শিবিরের দখলে গিয়েছিল। তৃণমূলের প্রস্তাব ওই দুই আসনই শুধু কংগ্রেসকে ছাড়া হবে। মমতা এবং কংগ্রেস হাই কমান্ডের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কথা জানিয়ে তৃণমূলের প্রস্তাব বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যেই বলেছেন অধীর। রাজ্যের শাসক শিবিরের এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয় পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস নেতৃত্ব। অধীর চৌধুরীর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, কংগ্রেসকে দুটো আসন (লোকসভা) দেব। কোন দুটো আসন (আসন) দেবেন? ওঁকে ও বিজেপিকে হারিয়েই তো ওই দুটো আসন নিয়েছি আমরা। ওরা আমাদের কি উপকার করছে? কে তাঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বিশ্বাস করবে? আমাদের নিজেদের ক্ষমতায় আরও অনেক আসনে আমরা লড়তে পারি।অধীর চৌধুরী বলেছেন, কংগ্রেসকে জেতাতে মমতার দরকার নেই। কংগ্রেস নিজের দমে লড়তে পারে এবং এর থেকে (দুটো) বেশি আসন জিততে সক্ষম। আমরা দেখাবো। আমাদের এই দুটো আসনে মমতার দয়ার দরকার নেই।বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরারে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই প্রসঙ্গেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন অধীর চৌধুরী। বলেছেন, আসুন, আপনি নিজে আসুন। আপনি প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে বলছেন মোদীর বিরুদ্ধে লড়তে। আমি আপনাকে বলছি, আপনি আসুন এখানে আমার বিরুদ্ধে লড়তে। যে কোনও মামুকে এখানে পাঠিয়ে দাও। যদি হারাতে পারে, রাজনীতি ছেড়ে দেব। কত তাগদ আছে দেখছি আপনার। মালদায় চলুন দেখছি। আপনার দয়ায় আমরা এ সব আসন জিতিনি। কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতার দাবি, মমতা জোটে থাকতে পারবেন না, কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অপছন্দ করেন এমন কিছু তিনি কখনই করবেন না।বহরমপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) রাজ্যে জোটের সম্ভাবনা নষ্ট করছেন। তিনি যা বলেছেন তা শুনলে বোঝা যাবে তিনি জোট চাননি। তাঁর দল বলছে যে তারা জাতীয়ভাবে জোটে আগ্রহী, কিন্তু বাংলায় নয়। এটা স্পষ্ট যে মুখ্যমন্ত্রী এখানে জোট চান না।তৃণমূলের তরফে দেওয়া দুটি আসনের প্রস্তাব উড়িয়ে অধীর চৌধুরী। বহরমপুর, মালদা উত্তর ছাড়াও প্রদেশ কংগ্রেসের নজরে রয়েছে রায়গঞ্জ, পুরুলিয়া, দার্জিলিং, বসিরহাট সহ আরও বেশ কয়েকটি বাংলার লোকসভা আসন।অধীরের চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, অধীর চৌধুরী কেন এত দিন দক্ষিণ কলকাতায় এসে দাঁড়াননি? সুতরাং এ সব কথা অর্থহীন। আর ২০২১ সালে তৃণমূল আলাদা লড়ে সরকার গড়েছে। সিপিএমের সঙ্গে জোট করে অধীর পেয়েছিলেন শূন্য।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই আত্মীয় তৃণমূলে, দলবদলের বদলায় জমজমাট বঙ্গ রাজনীতি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই আত্মীয় যোগ দিলেন তৃণমূলে। গত ৩১ ডিসেম্বর শীতলকুচির লালবাজার এলাকায় তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল কমিটির দুই পদাধিকারী বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। দলবদলুদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক। ঘটনার পর ৭২ ঘন্টাও পুরোপুরি কাটেনি। এবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন খোদ নিশীথ প্রামানিকেরই দুই তুতো ভাই।বুধবার বিজেপি ছেড়ে নিশীথ প্রামানিকের দুই তুতো ভাই সুনীল ও জগদীশ বর্মন যোগ দপন রাজ্যের শাসক শিবিরে। তাঁদের হাতে জোড়া ফুলের পতাকা ধরিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এরপরই উদয়ন বলেছেন, বিজেপি মানুষের হয়ে কোনও কাজ করে না। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই তুতো ভাই তৃণমূলে যোগ দিলেন।সদ্য তৃণমূলে নাম লেখানো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ভাই সুনীল বর্মন বলেছেন, বিজেপিতে থেকে মানুষের কাজ করতে পারছিলাম না। দলে যোগ্য সম্মানও পাচ্ছিলাম না। তাই তৃণমূলে যোগ দিলাম। যার প্রেক্ষিতে উদয়ন গুহ বলেন, অন্যের ঘর ভাঙার স্বপ্ন দেখলে এমনই হয়। সুনীল ও জগদীশ বর্মনের বাড়ি দিনহাটার পুটিমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে।এই শিবির বদল ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহারে। লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসবে এই ধরণের ঘর ভাঙনের ঘটনাও আরও বাড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৪
রাজ্য

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তমত রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি হলেন রাজীব কুমার, শুভেচ্ছা জানিয়েও খোঁচা তৃণমূল নেতার

রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আইপিএস রাজীব কুমার। বুধবার মমতা মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রাজীব কুমারকে নিয়ে বহু বিতর্ক হয়েছে তিনি কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন। এহেন আইপিএসকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিজি পদমর্যাদায় উন্নীত করায় বিরোধীরা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে কসুর করছেন না। ইউপিএসসি-র কিছু নিময়ের ফেরে, আপাতত রাজীব কুমার ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে কাজ করবেন।কলকাতা পুলিসের প্রাক্তন কমিশনার রাজীব কুমার তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের প্রধান সচিবের পদে কর্মরত ছিলেন। বুধবার মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজীবের এই পদন্নোতির কথা জানানো হয়। রাজীব কুমার কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন তাঁর নাম একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছিল। ২০১৩ তে বহু চর্চিত সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলায় তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট গঠন করে রাজ্য সরকার। সে সময় সরকারের পক্ষ থেকে বিধাননগর পুলিস কমিশনারের দায়িত্বে থাকা রাজীব কুমারকে সিট-এর দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।২০১৩ তে সারদাকাণ্ডে প্রাক্তন সাংবাদিক ও তৎকালীন তৃণমূলের সাংসদ এবং বর্তমানে ওই দলেরই মুখপাত্র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে গ্রেফতার করেছিলেন রাজীব কুমার। এবং ২০১৯ সালে সেই সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলাতেই রাজীব কুমারকে অভিযুক্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সিবিআই রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে সারদা মামলার তথ্য প্রমান লোপাটের মত ভয়ানক অভিযোগ তোলে। বেশ কিছুদিন লুকোচুরি খেলার পর রাজীব কুমারকে সেই সময় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিতে হয়। ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি মাসে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাঁর বাসভবনে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তার প্রতিবাদে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় সিবিআই দাবি করে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারদা-সহ একাধিক অর্থ লগ্নি সংস্থার টাকা ও সুবিধা কারা ভোগ করেছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সে সময় সিবিআই আরও জানায়, তাঁরা তদন্তে রাজীব কুমারের থেকে কোনও রকম সহযোগিতা পাননি।প্রসঙ্গ: রাজীব কুমার ডিজি।উনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্যবিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনো নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) December 27, 2023রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল-র (ডিজি) পদে বসানোর খবরে তৃণমূলের দলীয় মুখপাত্র ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েও তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় খোঁচা দিতেও ছাড়েননি। রাজীবকে দক্ষ আইপিএস অফিসার বলার পরমুহুর্তেই কুণালের কটাক্ষঃউনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্য বিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনও নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

কল্যাণের মিমিক্রি নিয়ে চরম কটাক্ষ দিলীপের, জানালেন কেন শহরে শাহ-নাড্ডা

তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট জগদীপ ধনকরের মিমিক্রি নিয়ে ইতিমধ্যে দেশ জুড়ে বিতর্ক হয়েছে। মঙ্গলবার এবিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপির সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন, মানুষের বয়সের এবং শিক্ষার সঙ্গে পরিবর্তন আসে। সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। কার সম্পর্কে কোথায় কি বলছেন। সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা হয়তো ওনারা হারিয়ে ফেলেছেন। প্রতিনিয়ত এরকম কেন ঘটছে? এটা কারুর জীবন পদ্ধতি হতে পারে। সমাজ কি এটা মেনে নেবে? আমাদের পরের প্রজন্মের কাছে এটা কি কোনো ভালো উদাহরণ?অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা শহরে। নয়া কৌশল? দিলীপ ঘোষ বলেন, দল এই রাজ্যকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে সেটা স্পষ্ট। শীর্ষ নেতা, বিশেষত অমিত শাহ, যার নেতৃত্বে বিজেপি এ রাজ্যে বেড়ে ১৮ হয়েছে। তিনি বারবার রাজ্যে আসেন। সঙ্গে সভাপতি এসেছেন। এই দলের জন্ম পশ্চিমবঙ্গে। সব সময় টার্গেট একটু বেশি বেঁধে দেন। আগের বার ২২ দিয়েছিলেন। আমরা ১৮ টা করে দেখিয়েছি। আশা আছে বাংলা বিমুখ করবে না। তাই বারবার আসছেন। মাঝে কয়েক বছর লাগাতার অত্যাচারে কর্মীরা মনোবল হারিয়েছেন। সেটা ফেরাতেই তাদের বারবার আসা।অর্জুন সিং দাবি করেছেন ক্ষমতায় আসবে ইন্ডিয়া। প্রধানমন্ত্রী হবেন মমতা। কি বলবেন? দিলীপের কথায়, স্বাভাবিক ব্যাপার। মমতা যাতে খুশি হবে উনি সেটাই বলবেন। যখন বিজেপিতে ছিলেন, তখন বিজেপির হয়ে বলতেন। কিন্তু দেখতে হবে বাস্তব পরিস্থিতি কি? আজ উনি কোথায়? পার্টিতে ওনার কি গুরুত্ব? উনি কি এরকম বলে এবার পার্টির টিকিট পাবেন? পার্টির ভবিষ্যত নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেছে। যতক্ষণ সব ঠিক আছে, আছে। তির আপনার দিকে ঘুরলেই প্রশ্ন ওঠে। ওনার ওখানেই প্রচুর বিরোধী আছে। আমরা তাকে জিতিয়ে সাংসদ করেছি। ওনার নিজের অস্তিত্ব রক্ষা কঠিন হয়ে গেছে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩
রাজনীতি

ইন্ডিয়া জোটের শোক সভা হবে, বৈঠকের পর গোয়ায় পিন্ড দান হবে, কটাক্ষ শুভেন্দুর

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠককে শোক সভা বলে কটাক্ষ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার সন্ধ্যায় বীরভূমের সাঁইথিয়ায় কিষাণ মোর্চার ডাকে প্রকাশ্য সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন বিজেপি নেতা। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, মঙ্গলবার শোক সভা হবে। নীরবতা পালন হবে। সেমিফাইনালে হেরেছে। ছত্রিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে হেরেছে। মিটিংয়ের শেষে সবাই যাবে গয়ায় পিণ্ড দিতে।সোমবার বিকেলে সাঁইথিয়ায়র সভায় বক্তব রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, চোর মমতার মন্ত্রী সভার সদস্যরা গোটা রাজ্য জুড়ে কয়েক বছরে লক্ষ লক্ষ কৃষকের ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে ধান চুরি করেছে। গতবছর ২৯ লক্ষ কৃষকের নাম নথিভুক্ত হয়েছিল। এবার ১১ লক্ষ কৃষকের নাম নথিভুক্ত হয়েছে। এক বছরে ১৮ লক্ষ কৃষক ভুত হয়ে গেল? তার মানে গত বছর ১৮ লক্ষ ভুয়ো আকাউন্ট খুলে ভারত সরকারের পাঠানো পাঁচ হাজার কোটি টাকার বড় অংশ লুঠ করেছে এই চোর মন্ত্রী সভা। গোঘাটে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে পথ অবরোধ করায় এক পুলিশ অফিসার কৃষককে গালি দিয়েছিলেন। কথা দিচ্ছি বিজেপি ক্ষমতায় এলে ওই পুলিশ অফিসারকে ঘাড় ধরে নিয়ে গিয়ে কৃষকের পা ধুইয়ে ঘটি জল খাওয়াব।শুভেন্দু বলেন, আমাকে হারাতে নন্দিগ্রামে গিয়ে হেরে এসেছেন উনি। আপনারা আমার উপর ভরসা রাখুন উনাকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং ভাইপোকে জেলে পাঠাবই।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া নিয়ে শুভেন্দু কটাক্ষ করে বলেন, মোদি বাবার পা ধরতে দিল্লিতে গিয়েছে গাই-বাছুর। গিয়ে বলবেন মোদীবাবা টাকা দাও। তবে পিসি ভাইপো কোম্পানি দিল্লিতে গিয়ে কোন লাভ করতে পারবে না।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩
দেশ

এবার অভিষেককে নিয়ে মোদীর দরবারে মমতা, নয়া কৌশল তৃণমূলের

বুধবার বাংলার বকেয়া পাওনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রবিবারই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই দিনই রাজধানী যাবেন দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতে মমতার নেতৃত্বে তৃণমূলের যে প্রতিনিধি দল যাবে তাতে থাকছেন অভিষেক।বাংলার বকেয়া নিয়ে সরব তৃণমূল। দাবি আদায়ে পুজোর আগে দিল্লি ও কলকাতায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ধরনা কর্মসূচি হয়েছে। কিন্তু, পুজো মিটতেই সেই আন্দোলন গতি হারায়। বদলে শাসক দলের অন্দরের বিবাদ মাথাচাড়া দেয়। চর্চায় আসে জোড়া-ফুলের অন্দরের এক ব্যক্তি এক পদ ও বয়সসীমা বিতর্ক। স্পষ্টতই তৃণমূলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে মতপার্থক্য ধরা পড়ে। আর তাতেই তোলপাড় হয় বঙ্গ রাজনীতি। গুঞ্জন চলে ঘাস-ফুলের অন্দরেও।নভেম্বরের শেষে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে দেখা যায়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। চোখে রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর গড়হাজিরা বলে দাবি করেছিলেন খোদ দলনেত্রী। এরপর কুণাল ঘোষের মন্তব্যে বিতর্কের শুরু। তিনি বলেছিলেন, কারা এটা করেছেন, আমি বলতে পারব না। তবে এটা ঠিক হয়নি। এখন অভিষেকের ছবি ছাড়া তৃণমূলের মঞ্চ অসম্পূর্ণ। এটা হতে পারে না। যা মমতা-অভিষেককে ঘিরে দলের অন্দরে নেতৃত্বের আড়াআড়ি টানাপোড়েনের ইঙ্গিত জোড়াল করেছিল। তারপর কুণাল বলেছিলেন, ব্যাপারটা কখনওই মমতাদি বনাম অভিষেক নয়। ব্যাপারটা মমতাদি এবং অভিষেক। একজনকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। আর একজন সময়ের কথা বিবেচনা করে দলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা দেখছেন। কিন্তু এতে বিতর্কের ইতি ঘটেনি।এরপর মমতা-অভিষেককে একসঙ্গে নজরে পড়েনি। উল্টে খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়েতে দার্জিলিং যাওয়ার পথে অভিষেক রাজনীতিতে প্রবীণদের প্রোডাক্টিভিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাজনীতিতে তারুণ্যের পক্ষে সওয়াল করেন। তার আগে নেতাজি ইন্ডোরের সভায় অবশ্য আশি ছুঁইছুইঁ সৌগত রায়ের নাম করেই তাঁকে আগামিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরও দলে বয়সসীমা ও এক ব্যক্তি এক পদ নিয়ে নিজের অবস্থান অনড় থাকেন। যা পিসি-ভাইপোর প্রকট মতভেদের প্রকাশ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজনীতি

কাউন্সিলরকে 'বিয়ের প্রস্তাব' ঘিরে বিরাট বিবাদ গড়াল থানা পর্যন্ত, পাল্টা অভিযোগ তৃণমূল নেতার

দলেরই কাউন্সিলরকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ শেষমেশ এলাকারই দাপুটে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, তা থানা পর্যন্ত গড়িয়েছে। তরুণী কাউন্সিলর তাঁর এই অভিযোগ দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। এদিকে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই তৃণমূল নেতা। উল্টে তাঁর দলেরই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগণার রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১৫ নং ওয়ার্ডের।এই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর পাপিয়া হালদার। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এলাকারই তৃণমূল নেতা প্রতীক দের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ করেছেন তিনি। পাপিয়া বলেন, প্রতীক দে আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিভিন্নভাবে আমাকে অপদস্থ করেছেন। আমি প্রতিবাদ করতে গেলে প্রতীক দে ও তাঁর সঙ্গীরা আমাকে ওয়ার্ড থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়। আমার বাড়ির সামনে গালিগালাজ করে ও আমাকে পদত্যাগ করতে বলে। আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে। গভীর রাতে আমার বাড়িতে হামলার প্রমাণ আছে আমার কাছে। আমি সেই ভিডিও দলের উচ্চ নেতৃত্বকে পাঠিয়েছি। প্রতীক দে আমাকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা করে ভাগ দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। আমি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি। স্থানীয় প্রশাসনকে আমি বিষয়টি জানিয়েছি।যদিও কাউন্সিলরের তোলা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা প্রতীক দে। তাঁকে ফাঁসাতেই কাউন্সিলরের এই অভিযোগ বলে পাল্টা দাবি তাঁর। এব্যাপারে দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কিংবা প্রশাসনের তদন্তেই আস্থা রয়েছে তাঁর।তৃণমূল নেতা প্রতীক দের কথায়, অভিযোগ যে কেউ করতেই পারেন। ওঁর অভিযোগের কি সত্যতা আছে সেটা ওঁকেই প্রমাণ করতে হবে। দলের উচ্চ নেতৃত্ব ওঁকে ডেকেছিল উনি যাননি। দল তদন্ত করুক। আমি যে কোনও তদন্তের জন্য তৈরি আছি। আমাকে অপদস্থ করার চেষ্টা হচ্ছে। ওয়ার্ড কমিটিকে মাসে ১ লক্ষ টাকা করে পৌরমাতা তুলে দিতে বলেছিলেন। টাকা না তুলে দিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি পর্যন্ত উনি দিয়েছেন। গত তিন মাস ধরে পার্টি অফিসে দলের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। পার্টিকর্মীদের সঙ্গে ওঁর বিরোধিতা তৈরি হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

তৃণমূল বিধায়ক বাবাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন, নিম্ন আদালতে আবেদনের নির্দেশ বিচারপতির

জেলবন্দি মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবকৃষ্ণ সাহা। চলতি বছর এপ্রিলে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে কান্দির বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে সিবিআই। জীবনকৃষ্ণের বাড়িতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের তল্লাশির সময় মহানাটক হয়েছিল। নিজের ফোন পাঁচিল বেয়ে উঠে বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ছিল শাসক দলের এই বিধায়কের বিরুদ্ধে। জীবনের গ্রেফতারের পরই অনেকে বিদায়কের প্রতাপ ও প্রভাব নিয়ে অনেক কথা বলেছিলেন। সেই তালিকায় ছিলেন জীবনকৃষ্ণের বাবা বিশ্বনাথ সাহাও। তাঁর দাবি নিয়ে শোরগোল পড়েছিল। বিশ্বনাথ সাহার দাবি ছিল, ছেলে বিধায়ক হওয়ার পর তাঁকে মারধর করে কান্দির বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে।ছেলের গ্রেফতারির পর নিজের কান্দির বাড়ি ফেরৎ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে অভিযোগ জানিয়ে একটি মামলা করেছিলেন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের বাবা বিশ্বনাথ। বুধবার সেই মামলা শুনলেন না বিচারপতি। উল্টে তা ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন নিম্ন আদালতে। এ দিন মামলাটি কলকাতা হাইোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে উঠলে তাঁর পরামর্শ ছিল, এটি একান্তই পারিবারিক একটি বিষয়। নিম্ন আদালতে আবেদন করা হোক।কান্দির বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের বাবা বিশ্বনাথ সাহা অভিযোগ করেছিলেন যে, ২০২৩-য়ের প্রথম দিকে তাঁকে মারধর করে ছেলে বাড়ি থেকে বের করে দেন। ওই বাড়িতে তাঁর রেশন ডিলারশিপ অফিস ছিল। ছেলের ভয়ে এখন সেটা খুলতে পারছেন না তিনি। স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানালেও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। পাল্টা পুলিশের দাবি, ওই বাড়িটি ভাড়ার, ওটার মালিকানা নিয়ে জটিলতা রয়েছে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক শিক্ষামন্ত্রীর, চলে এল আদালত প্রসঙ্গ

শিক্ষক নিয়োগ জট কাটাতে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠক করলেন এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের ৭ প্রতিনিধি। বৈঠকে ছিলেন কুণাল ঘোষও। ঘটা করে বৈঠক চলল ২ ঘন্টা। ফলাফল কী হল? সোমবার বিকাশ ভবনের বৈঠকের পরও বাস্তবে অবস্থার তেমন বদল হচ্ছে কি? সেটাই মূল প্রশ্ন। এ দিনের বৈঠক শেষে বেরিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা দাবি করেছেন, তাঁরা নিয়োগের আশ্বাস পেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রীর থেকে। আইনি জট কাটানোর নির্দেশ দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। ২২ ডিসেম্বর আবারও শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হবে।এসএলএসটি আন্দোলনের হাজারতম দিনে মাথার চুল কামিয়ে শিরোনামে আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থী রাসমনি পাত্র। এদিনের বৈঠকে ছিলেন তিনি। বৈঠক শেষে রাসমনি বলেছেন, কোথায় জট, তা জানতে এসেছিলাম। আমাদের বলা হয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে নিয়োগ দিয়ে বাড়ি পাঠানো হবে। কবে নিয়োগ সেটা ২২ তারিখ জানতে পারব। মাননীয়ার উদ্যোগে আশা করি আমরা দ্রুত স্কুলে ফিরতে পারব। জীবনটা বাঁচবে। আমরা খুবই খুশি হয়েছি আজকে।বৈঠকে উপস্থিত আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের এক প্রতিনিধি মতিউর রহমান বলেন, ১৬ মাস পর বৈঠক হল। কিছু দিন আগে অবধি বিভিন্ন দফতরের মধ্যে যোগাযোগের সমস্যা হচ্ছিল। আজকের বৈঠকে বুঝলাম দফতরগুলির মধ্যে সংযোগ হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আইনি জট কাটিয়ে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা এখন জানতে চাই সেই ফল কবে পাবো তার তারিখ চাই। আলোচনায় বলা হয়েছে, আগামী ১০ দিনের মধ্যে এ ব্যাপারে কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, তার রিপোর্ট দিতে হবে। আপাতত ২২ ডিসেম্বর সেই রিপোর্ট পেশের দিন ঠিক হয়েছে। ওই দিন মিটিংয়েই আমরা এ বিষয়ে জানতে পারবো। পাশাপাশি তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছে, সমস্ত আইনি জটিলতা কাটিয়ে যেন নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। মোট ৫৫৭৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সরকার কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সমস্যার জট খুলবে।শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, আইনি জটিলতা দ্রুত কাটবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাকরি দিতে পারবেন। উনিই চাকরি দেবেন। আমার জট কাটানোর চেষ্টা করছি। আদালত যা বলবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে নিয়োগ দিতে শুরু করব। সুপ্রিম কোর্টের একটি তারিখ পাওয়া নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। সেই জট কাটলেই নিয়োগ দেওয়া শুরু হবে।তবে নিয়োগপত্র হাতে না পাওয়া পর্যন্ত ধর্মতলার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের ধর্না আন্দোলন চলবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।নিয়োগের প্যানেলের মেয়াদ ১ বছর থাকে বলে জানিয়েছিলেন হাইকোর্টের আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এ প্রসঙ্গ উঠতেই চাকরিপ্রার্থীরা মেনে নেন যে কোনও স্বচ্ছ প্যানেলের মেয়াদ ১ বছরই থাকে। তবে একইসঙ্গে তাঁদের বক্তব্য, যে প্যানেল বিচারাধীন, তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় না। সে কারণে চলতি মাসেও এই প্যানেল থেকেই চাকরি হয়েছে। তাই এ নিয়ে তাঁরা চিন্তিত নন। আন্দোলনকারীদের দাবি, এ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। কথা হয়েছে আইনি জটিলতা কাটানো নিয়ে। আমরা খুশি বৈঠকে। এই সমন্বয় থাকলে সমস্যা মিটবে। আমরাও দ্রুত নিয়োগ পাব।চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিনিধি হয়ে সোমবার বিকাশ ভবনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুণাল ঘোষ। বৈঠক শেষে তিনি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী চান, অভিষেক চান জটিলতা কাটুক। কিছু জটিল জায়গা রয়েছে। আইনের মাধ্যমে কাটাতে হবে। ওঁরা দাবি রাখছিলেন, সরকারের কিছু বাধ্যবাধকতা ছিল। আজকের বৈঠক ইতিবাচক, ফলপ্রসূ। আইনি জট কাটাতে সরকারের তরফে এসএসসির তরফে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আশা করা যায় জটিলতা কাটবে। কোথাও না কোথাও ভুল হয়েছিল। তার জন্য জটিলতা। অনেক ছেলেমেয়েকে ভুগতে হয়েছে। সমস্ত দিক সামলে সমাধানের পথ বার করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

চা বাগানে বিশেষ ভূমিকায় মমতা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

চা বাগানে ভিন্ন মেজাজে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরের পাহাড়-পর্বত হোক বা সমতলের জঙ্গলমহল কলকাতা ছেড়ে অন্য কোথাও গেলেই একেবারে অন্য মেজাজে ধরা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূলস্তরে নেমে তৃণমূল নেত্রীর জনসংযোগ তাক লাগায়। এর আগে দীঘার সমুদ্রসৈকতের দোকানে দাঁড়িয়ে তাঁকে চা বানাতে দেখা গিয়েছে। এর আগে ঝাড়গ্রামে গিয়ে চপ ভেজেছিলেন। বোলপুর সংলগ্ন এলাকায় ভাতের হোটেলে তরকারি রান্না করতেও দেখা গিয়েছিল মমতাকে। তিনি দার্জিলিং সফরে গিয়ে মোমো তৈরি করেছেন। আর এবার পাহাড় সফরে ভিন্ন দৃশ্য! দেখা গেল চা কর্মীদের মত পোশাক পড়ে তাঁদের মত করেই গাছ থেকে চা-পাতা তুলছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।বৃহস্পতিবার মকাইবাড়ি চা বাগানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুক্ষণেই সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে পড়েন দিদি। দেখা যায়, চা-বাগান কর্মীদের মতই পোশাক মুখ্যমন্ত্রীর পরণে। চা বাগানের শ্রমিকরা ঠিক যেভাবে মাথা দিয়ে পিঠের দিকে ঝুড়ি ঝুলিয়ে চা তোলেন, সেইভাবে চা পাতা তুলছেন মমতা। এরপর স্থানীয় চায়ের দোকানে চা শ্রমিকদের পাশে বসেই চা-ও খান মুখ্যমন্ত্রী৷ চা চুমুক দিতে দিতেই শ্রমিকদের কাছ থেকে জানতে চান, জমির পাট্টা পেয়েছেন? বলেন, আমাদের পাহাড় ভালো থাকুক,চা বাগান ভাল থাকুক। আপনারা জানেন আমাদের বাড়ির বিয়ে হচ্ছে পাহাড়ের মেয়ের সঙ্গে৷মমতাকে সামনে পেয়ে চা বাগানের শ্রমিকরা তাঁদের নিজস্ব ভাষায় গান শুরু করেন। এক ফাঁকে দেখা যায়, পাহাড়ী শিল্পীদের সঙ্গে নাচের তালে পা মিলিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এসবে আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে বলতে শোনা যায়, পাহাড় এবং সমতলের মধ্যে ঐক্যের বাঁধন তৈরি হয়েছে। আমি মনে করি সকলে একসঙ্গে আমরা কাজ করব। আমি কিন্তু মুখে বলি না। আমি রক্তের সম্পর্ক দিয়ে করে দেখাই। আমি খুব খুশি আজ।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৩
রাজ্য

ফের নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইয়ের হানা, লক্ষ লক্ষ উদ্ধার বিধায়কের বাড়ি থেকে

নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে আবারও টাকা পাহাড় মিললো। এবার মুর্শিদাবাদের ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে মিলল কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। টাকা গুণতে মেশিন আনেন তদন্তকারীরা। বিপুল পরিমাণ এই টাকার উৎসের খোঁজ শুরু করেছে সিবিআই। তবে বিধায়কের দাবি, একটি জমি বিক্রি করেই এই টাকা পেয়েছেন তিনি। জাফিকুল ইসলামের এই দাবির পিছনে সত্যতা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।রাজ্যজুড়ে আজ ফের একবার ম্যারাথন তল্লাশি অভিযানে নামে সিবিআই। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলকাতার একাধিক এলাকার পাশাপাশি কোচবিহার ও মুর্শিদাবাদে তল্লাশি অভিযানে নামে সিবিআই। রাজ্যে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তেই দিকে দিকে চলে এই অভিযান। মুর্শিদাবাদের ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা।সেই বাড়িতেই তল্লাশিতে মোট ২৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রের দাবি। তবে বিধায়ক নিজে দাবি করেছেন, এই টাকা একটি জমি বিক্রি মাধ্যমে তাঁর কাছে এসেছে। যদিও তৃণমূল বিধায়কের এই দাবির পিছনে আদৌ সত্যতা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা নাগা জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে ঢোকেন তদন্তকারীরা।জানা গিয়েছে, জাফিকুল ইসলামের বেশ কয়েকটি কলেজ রয়েছে। বিএড এবং ডিএড-এর পাশাপাশি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে তাঁর। এদিন বেশ কিছুক্ষণ তাঁর বাড়িতে তল্লাশির পর ওই বাড়িতে ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের ডাকে সিবিআই। আনা হয় টাকা গোনার মেশিন। সূত্রের খবর মোট ২৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে তৃণমূল বিধায়কের বাড়ি থেকে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল জাফিকুলের।

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলর থেকে বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি সিবিআইয়ের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে আবারও নড়াচড়া শুরু করেছে সিবিআই। বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলপর প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর ও কলকাতা পুরসভার তৃণমূলের মুখ্যসচেতক বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে সিবিআই হানা দেয়। এদিন সকালে কলকাতার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যায় সিবিআই। এদিন একইসঙ্গে তল্লাশি চলে রাজারহাটে বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতেও। এছাড়াও এদিন মুর্শিদাবাদের ডোমকলে তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়ি ও কোচবিহারেও একাধিক ঠিকানায় হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা।কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতে সিবিআই অভিযান চলে। শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তেই এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে খবর। বৃহস্পতিবার তা্র বাড়িতে পৌঁছনোর পর বেশ কিছুক্ষণ বাইরেই অপেক্ষা করতে হয় সিবিআই আধিকারিকদের। বাড়ির ভিতর থেকে কেউ দরজা না খোলায় বাধ্য হয়ে প্রায় কুড়ি মিনিট বাড়ির বাইরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে সিবিআই অফিসারদের। প্রায় কুড়ি মিনিট পর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত নিজে এসে দরজা খুলে দেন। তিনিই সিবিআই আধিকারিকদের বাড়ির ভিতরে নিয়ে গিয়েছেন।এরই পাশাপাশি আজ সকালে রাজারহাটে বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতেও সিবিআই হানা দেয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যায় তদন্ত সংস্থা। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। দেবরাজ তৃণমূলের দমদম-বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি। শহর কলকাতা ও তার আশেপাশের এলাকা ছাড়াও এদিন মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার-সহ একাধিক জেলায় ম্যারাথন তল্লাশি অভিযানে নেমেছে সিবিআই। ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা।

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

বিধানসভা চত্বর চোর চোর স্লোগানে হুলুস্থুল, মুখোমুখি মমতা-শুভেন্দু দ্বৈরথ

একদিকে মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল বিধায়করা, কিছুটা দূরে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা। দুপক্ষের চোর চোর স্লােগানে বিধানসভা চত্বরে কান পাতাই যেন দায়। বুধবার বিকেলে বিধানসভা চত্বরে নজিরবিহীন সংঘাতের আবহ তৈরি হয়। মাত্র ৩০ ফুট দূর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে চোর চোর বলে স্লোগান দেন শুভেন্দু অধিকারী। তার আগেই শুভেন্দু ধর্মতলায় অমিত শাহর সভায় হাজির ছিলেন। শুভেন্দুর সঙ্গে গলা মেলান অন্য পদ্ম বিধায়করাও। সেই সময়, বিধানসভার আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন প্রায় সব তৃণমূল বিধায়ক। ওই ধর্না থেকেও পাল্টা বিজেপিকে চোর বলে স্লোগান দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে উত্তপ্ত হয় বিধানসভার পরিবেশ। পরে বিরোধী দলনেতা সহ বিজেপি বিধায়কদের তোলা ধ্বনি নিয়ে মুখ খোলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।অমিত শাহর সভা শেষ হতেই বুধবার বিকেলে বিধানসভায় প্রবেশ করেন শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি বিধায়করা। সেই সময় বিধানসভার আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল বিধায়করা। বিজেপির সবাই চোর বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন জোড়াফুল বিধায়করা। যা শুনেই উল্টোদিকে বিধানসভা ভবনের সিঁড়ি ও লবিতে উত্তেজিত হয়ে পড়েন বিরোধী দলনেতা। সরাসরি তৃণমূলের ধর্নার দিকে তাকিয়ে বলতে থাকেন, ডিএ চোর মমতা, চাকরি চোর মমতা। গলা মেলান শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ সহ অন্য বেশ কয়েকজন গেরুয়া বিধায়ক। পরে লবিতেই বসে পড়েন তাঁরা।এরপরই ধর্না অবস্থানে ইতি টানার কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির আচরণ নিয়ে মুখ খোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এটা নোংরামি, গুণ্ডামি। বিধানসভায় অসভ্যতা করছে, স্পিকারকে বলবো সব ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নিতে। আমাকে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ দেখিয়ে লাভ নেই। সারা জীবন লুঠ করেছে, গদ্দারদের আমাদের কেউ ভয় পায় না। আমাদের এই ধর্না স্পিকারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে করা হচ্ছে। কেউ কোনও কর্মসূচি নিলে আমরা কেউ বাধা দিই না। ভোটে পাত্তা পায়নি, গোহারা হেরেছে, তাই এসব করছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২৩
রাজনীতি

নতুন বছরে সিবিআইয়ের নেমত্তন্ন কে পাবেন? দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে ক্ষিপ্ত তৃণমূল

এবার দিলীপ ঘোষের নিশানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি। এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়কেও কেন্দ্রীয় সংস্থার তলব করা উচিত বলে মনে করেন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ইডির ডাক পেয়েছেন। আমাদের দিদি কেন ডাক পাবেন না? দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যে বিরাট আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তৃণমূলের।নেতা-মন্ত্রী, বিধায়করা গিয়েছেন। দিল্লিতে দুজন মন্ত্রী গিয়েছেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীও ডাক পেয়েছেন। আমাদের দিদি কেন ডাক পাবেন না। তাঁর এত গুণধর ভাই-বোন, বাড়ির লোক সবাই যদি ডাক পানআসল জায়গাটা তো ওটাই। উনি কেন ডাক পাবেন না? এখন ডেকে সিবিআই চা খাওয়াক। কেমন চা দেখে আসুক।তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয় নতুন বছরে সেই সুযোগ আসবে। সিবিআইয়ের নেমত্তন্ন পাবেন দিদি। কেউ যেন বাইরে না থাকে। পার্থ-বালু বলছেন সব দিদি জানেন। ভাইরা দিদিকে ভালো করে জানেন। নতুন বছরের আগে আরও কিছু লোককে জেলের ভাত খেতে হবে।এদিকে, দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ তৃণমূল। দলের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এবিষয়ে সংবাদমাধ্যমে বলেন, বিজেপির বিভিন্ন নেতারা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কী করবে তার আগাম পূর্বাভাস দিচ্ছেন। শুভেন্দু অধিকারী আগেই বলে দিচ্ছেন কার বাড়িতে কখন ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স যাবে। অনেক ক্ষেত্রে সেই পূর্বাভাস মিলেও যাচ্ছে। দিলীপবাবু বলছেন ইডির চিঠি পাবেন দিদি। এতে প্রমাণিত হচ্ছে যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি, সিবিআইকে দলীয় সংগঠনে পরিণত করেছে বিজেপি।

নভেম্বর ২৬, ২০২৩
রাজ্য

২১ জুলাইয়ের সমাবেশও তাহলে বন্ধ করতে হয়, ভিক্টোরিয়ার সামনে বিজেপির সভা নিয়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

ধর্মতলায় বিজেপির সভা নিয়ে বিরাট নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের। আগামী ২৯ নভেম্বর কলকাতায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভা করতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিল বঙ্গ বিজেপি। সেই সভায় অনুমতি দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। আজ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চও সিঙ্গল বেঞ্চের আগের নির্দেশই বহাল রাখল। অর্থাৎ আগামী ২৯ নভেম্বর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভা করতে আর বাধা নেই বিজেপির কাছে। গেরুয়া দলের ওই সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত থাকতে পারেন।হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশের পরই এক্স-বার্তায় মমতা সরকারকে কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, পিসিমনি এবং ভাইপোর নির্দেশে গণতন্ত্রকে স্তব্ধ করার জন্য মমতার পুলিশের সম্মিলিত অপপ্রচেষ্টা কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় প্রধান বিচারপতি প্রত্যাখ্যান করেছেন। মমতা পুলিশ পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে কাজ করছিল, সেই কারণে মাননীয় প্রধান বিচারপতি ২১শে জুলাই তৃণমূলের (আঞ্চলিক) সমাবেশ নিষিদ্ধ করার ভাবনার কথা বলেছেন। কলকাতার হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি-র পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতীয় জনতা পার্টির মেগা সমাবেশ ২৯শে নভেম্বর একই জায়গায় অনুষ্ঠিত হবে, যেটিকে তৃণমূল তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলে মনে করে। তৃণমূলের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ধর্মতলা চোলো।এর আগে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। সভার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। গত ২০ নভেম্বর বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা শর্তসাপেক্ষে বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দেন। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। এবার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চও বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। তবে কলকাতা হাইকোর্টের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে রাজ্য, এমন আশঙ্কা করে ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে বিজেপি।সিঙ্গল বেঞ্চের পর ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা রাজ্যের। যে যুক্তি দেখিয়ে আগামী ২৯ নভেম্বরের সভার অমুমতি বাতিল করেছিল কলকাতা পুলিশ, তা আর ধোপে টিকল না। এই ধরনের সভা করতে গেলে ২-৩ সপ্তাহ আগে পুলিশের অনুমতি নিতে হয়। সেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিজেপি ২ বার সভার জন্য লালবাজারের অনুমতি চেয়েছিল বলে সূত্রের খবর। কিন্তু গেরুয়া দলের আবেদনে কান পাতেনি পুলিশ। সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি।এবারও সভার অনুমতি বাতিল চেয়ে একাধিক যুক্তি দেখিয়েছিলেন রাজ্যের আইনজীবী। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের উদ্দেশ্যে তাঁর যুক্তি ছিল, ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে যে সভা হবে সেটা শহরের কেন্দ্রবিন্দু। শহর স্তব্ধ হয়ে যাবে। পাল্টা ২১ জুলাই ওই একই জায়গায় সভার কথা ওঠে। সেপ্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, ওখানে ২১ জুলাই ছাড়া আর কোনও সভা হয় না।রাজ্যের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতি বলেন, বন্ধ করার হলে সব করতে হবে। সবাইকে সমান চোখে দেখতে হবে। তাহলে ২১ জুলাইয়ের সভা বন্ধ করে দিন। ২১ জুলাই তৃণমূল সভা করে। সেই সভা বাতিল হলে অন্যরাও আর সভা করতে চাইবে না। পশ্চিমবঙ্গে এটা নতুন কিছু নয়, কেউ সাধারণ মানুষকে নিয়ে ভাবেন না। সরকারী কর্মচারী, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, রাজনৈতিক দল সবাই রাস্তা আটকে সভা করে। পুলিশ অনুমতি দিয়ে দেয়। এমনকী এক্ষেত্রে তাঁর নিজেরও কয়েকটি অভিজ্ঞতার কথা এদিন জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩
দেশ

এবার আর অভিষেক নয়, সাংসদদের নিয়ে ডিসেম্বরেই দিল্লি অভিযানের ডাক মমতার

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেকও উপস্থিতি ছিলেন। রাজ্যের পাওনাগণ্ডা আদায়ে গত অক্টোবরে রাজধানীর বুকে আন্দোলনে নেমেছিলেন তৃণমূল। যার নেতৃত্বে ছিলেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তাঁকে পুলিশের হাতে হেনস্থাও হতে হয়েছে। দুমাসের মধ্যে ফের একবার দিল্লি অভিযানে নামছে জোড়া-ফুল। তবে এবার আর অভিষেক নয়, অভিযানের নেতৃত্বে থাকবেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নেতাজী ইন্ডোরে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে এই ঘোষণা করেছেন সুপ্রিমো।আগামী মাসেই দিল্লি চলো-র ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুর চড়াতে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন। নেতাজী ইন্ডোরে এ দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে আমরা দিল্লিতে যাব। সেই সময় সংসদে অধিবেশন চলবে। আমি দলের সব সাংসদদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখার করার সময় চাইব। যদি সময় দেন ভাল, নাহলে রাস্তাই আমাদের পথ দেখাবে। যদি আমাদের মারে, মারুক অসুবিধা নেই। সিপিএমের কাছে অনেক মার খেয়েছি। আপনাদের কাছেও না হয় একটু মার খেলাম। মার খেলে শক্তি বাড়ে, চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। এখন থেকে তৈরি হতে হবে।গত ৩ অক্টোবর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দিল্লিতে ধর্নায় বসেছিল তৃণমূলের সাংসদ-মন্ত্রীরা। অভিষেক তখনই জানিয়েছিলেন, এই আন্দোলনে দিল্লির সরকার বকেয়া টাকা না মেটালে আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল। সেইমতই দিল্লির অভিযানের সময় ঘোষণা করলেন দলনেত্রী। তবে এখনও দিনক্ষণ জানাননি। আগামী দিনে রাজধানীতে কি তোলপাড় হয় সেদিকেই এখন নজর।বকেয়া থেকে ইন্ডিয়া জোট- একাধিক ইস্যুতে এ দিন মোদী সরকারকে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ইন্ডিয়া জোট প্রসঙ্গে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা বলেছেন, দিল্লি এবার দখল হবে। আর তিন মাস ওঁদের মেয়াদ। কিন্তু আমাদের ১০০ দিনের কাজ, বাংলা আবাস ও রাস্তার টাকা দিতেই হবে। এটা তোমাদের টাকা নয়, জনগণের টাকা। জনগণের টাকা ফেরত দাও, নইলে বিদায় নাও। এর বাইরে আর কোনও কথা নেই।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩
রাজনীতি

মমতার মুখে কেষ্ট, পার্থ, বালু, মানিকের নাম, নেত্রীর হুঙ্কার গ্রেফতারের বদলা দ্বিগুন হবে

নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে কেষ্ট, বালু, পার্থ, মানিকের নাম। একদা ঘনিষ্ঠ এই চারজনের জেলবন্দি দশায় এখনও বেজায় ক্ষিপ্ত তৃণমূল সুপ্রিমো। একইসঙ্গে বেশ কিছুদিন পর এবার বদলার কথা তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় দলের মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের পাশাপাশি দলের সভাপতি, ব্লক সসভাপতি-সহ অন্য নেতা-কর্মীরাও হাজির ছিলেন।লোকসভা ভোটের কয়েক মাস আগে বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে ২০২৪-এর লক্ষ্য স্থির করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কোন কোন ইস্যু তুলে ধরে লোকসভার লড়াইয়ে ঝাঁপাতে হবে, দলনেত্রীর তরফে স্পষ্ট নির্দেশ এল মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদ ও অন্য নেতাদের কাছে। এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের দিকে ধেয়ে আসা তিরের পাল্টা হামলার রূপরেখাও ঠিক করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য, অনুব্রত মণ্ডল ও সব শেষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারি যে এখনও তাঁকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, এদিন তাঁর কথায় তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে।আমাদের লোকেরা সবাই চোর? দুর্নীতি দেখাচ্ছে। টাকা দিয়ে বলা হচ্ছে চোর বলতে। তৃণমূলকে চোর না বললে ইডি-সিবিআই রেড করবে। খুব হাসছেন! পার্থ জেলে, কেষ্ট জেলে, মানিক জেলে, বালু জেলে। আরও অনেকেই জেলে আছেন। গদ্দার বলছে, অমুক দিন ওর বাড়িতে যাবে। লুঠ করে নিয়ে চলে এল। সিজার লিস্টও দিল না। দিল্লির সরকার সবাইকে আন্ডার গান রেখে দিয়েছে।গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এখনও রাজ্যের বনমন্ত্রী। মানিক ভট্টাচার্য দলীয় বিধায়ক। পার্থ চট্টোপাধ্যায় দল থেকে বহিষ্কৃত। তবুও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে এনেছেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এঁদের নাম নিয়ে মমতা বোজাতে চেয়েছেন কেউ বিপদে পড়লে দল ভুলে যায় না।

নভেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

'ক্রিকেটে ইন্ডিয়া হেরে গিয়েছে, বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোটের অবস্থা আরও খারাপ,' দাবি দিলীপ ঘোষের

ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে শিল্প সম্মেলন নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি। এদিন কি বলেছেন তিনি?রাজ্যপালকে বাদ দিয়ে বাণিজ্য সম্মেলন:ওনাকে বাদ দিয়ে যদি শিল্প আসে তাহলে ভালো। উনি সবাইকে নিয়ে চলার ডাক দিচ্ছেন। উনি বলেছেন প্রয়োজনে বিরোধীদের সঙ্গে নিতে। এর আগে যে ৭ বার সম্মেলন হয়েছে তার নেট ফল তো কিছু দেখতে পাচ্ছি না। উনি দুটি কুমির ছানা বারবার দেখান। তাজপুর বন্দর এবং দেউচা পাঁচামি। এখনও টেন্ডার পাল্টানো হচ্ছে। আদানি হাত তুলে নিয়েছে। আর কি কেউ করবে?লোকসভার লক্ষ্যে আজ বৈঠকে তৃণমূল:দলের ভিতরের ব্যাপার। দলে কজন আছে। পার্টি কিভাবে চলবে, এই নিয়েই কথা হবে।অমিত শাহর সভা রুখতে ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য:রাজ্য ভাবছে সভা আটকে বিজেপি কে আটকাবে। এভাবে বিজেপিকে আটকানো যায়না।রাজ্যে নিয়মিত শ্যুট আউট:এ রাজ্যে জীবন ও সম্পত্তির কোনো নিশ্চয়তা নেই। সেখানে শিল্প সম্মলেন করে কি হবে? কে আসবে রাজ্যে? আগে ইমেজ ঠিক করুন।বামেদের ব্রিগেডে রাজ্যের আপত্তি:কে কার জোট? ক্রিকেট ইন্ডিয়া হেরে গেছে। এই ইন্ডিয়া জোটের অবস্থা আরও খারাপ। কেউ সভা করতে চাইলে আটকাতে চেষ্টা করেন ও কোর্টে গিয়ে হেরে যান। এভাবে গণতান্ত্রিক দেশে কাউকে আটকানো যায় না।

নভেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজনীতি

তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের সভাস্থলে বিজেপির সমাবেশ, থাকতে পারেন অমিত শাহ

অবশেষে আদালত থেকে কলকাতায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলেই জনসভা করার অনুমতি আদায় করল রাজ্য বিজেপি। বারবার আবেদনের পরও, সভা করার আবেদন বাতিল করে দিয়েছিল কলকাতা পুলিশ। অবশেষে সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট বিজেপিকে ২৯ নভেম্বর কলকাতায় সভা করার অনুমতি দিল। সোমবার মামলাটি উঠেছিল বিচারপতি রাজশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চে। সেখানেই বিচারপতি মান্থার সভা করার অনুমতি দিয়েছেন।এই ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার বলেন, আপনারা বলছেন যে অন্তত দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে সভার আবেদন করতে হয়। এখানে তো দুই সপ্তাহ আগেই আবেদন করা হয়েছে বলে দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু, তারপরও তো সিস্টেম জেনারেটেড মেসেজ পাঠিয়ে আবেদন নাকচ করা হয়েছে বলে দেখতে পাচ্ছি। আপনারা এভাবে যতই আটকাবেন, ততই সন্দেহ বাড়বে। এটি একটি স্বাধীন দেশ। এখানে এভাবে বাধা দেওয়া যায় না।আগামী বছরই লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে সেই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। রাজ্য বিজেপিও কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে এরাজ্যে সভা করাতে চাইছে। কিন্তু, বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসন অনুমতি দিচ্ছে না-বলে অভিযোগ। তারই মধ্যে ২৯ নভেম্বর, অমিত শাহকে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একুশে জুলাইয়ের সভার স্থানেই সভা করাতে চাইছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশের কাছে বারবার আবেদন করার পরও অনুমতি দেয়নি। বাধ্য হয়েই আমাদের আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল। অবশেষে আদালত ২৯ নভেম্বর সভা করার জন্য অনুমতি দিয়েছে। তৃণমূলের তরফে সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, বিজেপিশাসিত রাজ্যে এয়ারপোর্ট থেকেই ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু, এখানে অনুমতি দেওয়ার জন্যই বিভিন্ন সময় বিজেপির নেতা-নেত্রীরা এরাজ্যে এসে সভা করে গিয়েছেন। তবে, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। প্রশাসন না-চাইলে, কাউকে অনুমতি না-দিতেই পারে।

নভেম্বর ২০, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ...
  • 67
  • 68
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বাংলার কোচ থেকে ঋষভদের ব্যাটিং গুরু! ইরানি কাপে বড় দায়িত্বে লক্ষ্মীরতন শুক্ল

শ্রীনগরে জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের ম্যাচে ব্যাটিং কোচের ভূমিকায় বাংলার কোচ | অধিনায়ক ঋষভ পন্থ, দলে সুদীপ ঘরামি-আকাশদীপ-মুকেশ কুমারবর্ধমান: বাংলার ক্রিকেটে কোচ হিসেবে সাফল্যের পর এবার আরও বড় মঞ্চে দায়িত্ব পেতে চলেছেন লক্ষ্মীরতন শুক্ল। আসন্ন ইরানি কাপে অবশিষ্ট ভারত (Rest of India) দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন বাংলার বর্তমান কোচ। অর্থাৎ, ঋষভ পন্থের নেতৃত্বাধীন তারকা-সমৃদ্ধ দলের ব্যাটিং বিভাগ সামলানোর দায়িত্ব উঠতে চলেছে বাংলার প্রাক্তন অধিনায়কের কাঁধে।যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, ক্রিকেটমহলে খবর, লক্ষ্মীরতনের দায়িত্ব পাওয়া কার্যত নিশ্চিত। খুব শীঘ্রই বিসিসিআই এ বিষয়ে সরকারি ঘোষণা করতে পারে।ইরানি কাপে সাধারণত আগের মরসুমের রঞ্জি ট্রফি জয়ী দলের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয় অবশিষ্ট ভারত। সেই নিয়ম অনুযায়ী এবার অবশিষ্ট ভারতের প্রতিপক্ষ জম্মু-কাশ্মীর। আগামী ১ থেকে ৫ অক্টোবর শ্রীনগরের শের-এ-কাশ্মীর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের।এই ম্যাচেই নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে লক্ষ্মীরতনকে। তবে তিনি দলের প্রধান কোচ হিসেবে নয়, ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন। তাঁর সঙ্গে বোলিং বিভাগে কাজ করতে পারেন ওড়িশা ও ভারতের প্রাক্তন পেসার দেবাশিস মোহান্তি। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট কোনও প্রধান কোচ ছাড়াই কোচিং ইউনিটের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।বাংলার কোচ হিসেবে লক্ষ্মীরতন শুক্লর কাজ নজর কেড়েছে। তাঁর কোচিংয়ে সাম্প্রতিক রঞ্জি মরসুমে বাংলার পারফরম্যান্সও ছিল উল্লেখযোগ্য। সেই অভিজ্ঞতা এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই ইরানি কাপে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।এবারের অবশিষ্ট ভারত দলে রয়েছে একাধিক পরিচিত মুখ। দলের নেতৃত্বে থাকছেন ভারতের তারকা উইকেটকিপার-ব্যাটার ঋষভ পন্থ। সহ-অধিনায়ক সরফরাজ খান। বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য আরও বড় আকর্ষণ, দলে রয়েছেন বাংলার সুদীপ ঘরামি, আকাশদীপ এবং মুকেশ কুমার।তবে আকাশদীপের খেলা এখনও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করছে। চিকিৎসকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই মাঠে নামতে পারবেন তিনি।ইরানি কাপ বরাবরই ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। রঞ্জি ট্রফির সেরা দলের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের এই লড়াইয়ে জাতীয় দলের একাধিক ক্রিকেটারের পাশাপাশি উঠে আসা ঘরোয়া ক্রিকেটারদেরও নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ থাকে। সেই মঞ্চেই এবার ঋষভ পন্থদের ব্যাটিং শক্তিকে আরও ধারালো করার দায়িত্ব পেতে চলেছেন বাংলার লক্ষ্মীরতন শুক্ল।অবশিষ্ট ভারত দলের সম্ভাব্য সদস্যরাঋষভ পন্থ (অধিনায়ক), সনৎ সাঙ্গোয়ান, শিখর মোহন, সুদীপ ঘরামি, সরফরাজ খান (সহ-অধিনায়ক), স্মরণ রবিচন্দ্রন, মানব সুতার, সারাংশ জৈন, আকাশদীপ, মুকেশ কুমার, মুকেশ চৌধরী, আরিয়ান জুয়াল, আরিয়ান পান্ডে, অনুকূল রায়, আয়ুষ দোসেজা।সব মিলিয়ে, বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লর জন্য ইরানি কাপ হতে চলেছে আরও একটি বড় পরীক্ষা। এবার তাঁর ব্যাটিং-পরামর্শে ঋষভ পন্থদের অবশিষ্ট ভারত শ্রীনগরের মাটিতে রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে কতটা সফল হয়, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটমহলের।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal