• ৬ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ২০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজ্য

৫৬ দিনের মাথায় কুনাল ঘোষের ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান

অবশেষে গ্রেফতার হলেন সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান। ৫৫ দিনের টালবাহানার শেষ, ৫৬ দিনের মাথায় ভোর ৫টায় নিখোঁজ শাহজাহানকে মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হল, পুলিশ সূত্রে এরকমই দাবি করা হচ্ছে।শেখ শাহজাহানকে বসিরহাট আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত তাঁকে বসিরহাট আদালতের লকআপে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবারই শাহজাহানকে আদালতে হাজির করানো হবে। পুলিস সুত্রে জানা গেছে, সকাল ৯ টায় রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার মিনাখাঁ থানায় সাংবাদিক বৈঠক করবেন বিশদে জানাবেন।শেখ শাহজাহানের গ্রেপ্তারী প্রসঙ্গে সন্দেশখালির প্রাক্তন বাম বিধায়ক নিরাপদ সর্দার জানান, দলনেত্রী মনে করেছেন ওঁর গ্রেফতারি প্রয়োজন তাই হয়েছে, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারনা আদালতে উপস্থিত হয়ে ইডি ও শেখ শাহজাহানকে তাঁদের হেফাজতে চাইতে পারে।বিস্তারিত আসছেঃ

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
রাজনীতি

লোকসভা নির্বাচনের আগে উলোট-পুরান, তৃণমূল ছেড়ে ঘরে ফিরলেন বিজেপি বিধায়ক

উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক সৌমেন রায় বিজেপিতে ফিরলেন। বুধবার শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে ফের গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন সৌমেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই দল পরিবর্তনে নড়েচড়ে বসেছে রাজনৈতিক মহল। ২০২১-এর ভোটে কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে জিতেছিলেন বিজেপির সৌমেন রায়। কিন্তু, মাস ছয়েকের মধ্যেই বিধায়ক পদ্মফুল ছেড়ে জোড়াফুলে নাম লিখিয়েছিলেন। তবে, বিধায়ক পদ ছাড়েননি। ফলে খাতায়-কমলে থেকে যান বিজেপির বিধায়ক হয়েই। তাঁর বিরুদ্ধে দলত্যাগ আইনে বিধায়ক পদ খারিজের আবেদনও অধ্যক্ষের কাছে জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। কিন্তু তা এখনও কার্যকর হয়নি। উল্টে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দলবদলুরা বিজেপির-ই বিধায়ক।এসবের মধ্যেই এদিন সল্টলেকের বিজেপি দফতরে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা যায় কালিয়াগঞ্জের বিধায়ককে। পরে সাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা জানান, সৌমেন রায় ফের বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দুবাবুর পাশেই বসেছিলেন বিধায়ক সৌমেন। তাঁকে জোর করে ভয় দেখিয়ে বিজেপি করতে দেওয়া হয়নি বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন বিরোধী দলনেতা।দলবদল সৌমেন রায়ের কাছে নতুন নয়। সৌমেন রায় প্রথমে তৃণমূলেই ছিলেন। কিন্তু বাকি দলবদলুদের মতো একুশের বিধানসভা ভোটের আগে তিনিও বিজেপিতে যোগ দেন। পদ্ম প্রতীকে কালিয়াগঞ্জ থেকে লড়াই করে জয় পান। এরপর ২০২১ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বিধায়ক পদ না ছাড়লেও তৎকালীন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টপাধ্যায়ের হাত থেকে জোড়াফুল পতাকা তুলে নেন। তৃণমূলে যোগ দিয়ে বলেছিলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই তৃণমূলে আছি। ঘটনাচক্রে আমি বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়ে জয়লাভ করি। কিন্তু আমার মন-প্রাণ তৃণমূল কংগ্রেসেই পড়ে ছিল।তাহলে কেন লোকসভার আগে ফের মন বদল সৌমেনের? কেন ফিরলেন বিজেপিতে? এদিন আর তা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি কালিয়াগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক।তবে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন যে, বিজেপির আদর্শের বিরুদ্ধে গত আড়াই বছরে বিধায়ক সৌমেন কিছু বলেননি। যতটুকু পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল বলিয়েছে সেটাই বলেছিল। অন্যদের সঙ্গে এক্ষেত্রে ওঁর তফাৎ রয়েছে। এছাড়া সাংসদ অনন্ত মহারাজ সৌমেনকে বুঝিয়েছে বিজেপি করার জন্য। রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে আজ বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক রয়েছে। আমি সৌমেনকে সেই বৈঠকে যোগ দিতে বলেছিলাম। ওই যোগদানের কথা দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ও প্রদেশ নেতৃত্বকেও জ্ঞাত করা হয়েছে। তবে সকল দলবদলু বিধায়কদের এভাবে বিজেপিতে ফেরানো হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪
রাজ্য

গ্রামবাসীদের ক্ষোভের আগুন জ্বলছেই সন্দেশখালিতে, এবারও লক্ষ্য তৃণমূল নেতাদের বাড়ি

সন্দেসখালিতে ক্ষোভের আগুন অব্যাহত। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখর গ্রামের মহিলারা। রবিবার আটকের পর ইতিমধ্যেই গ্রেফতার তৃণমূল নেতা ও শিবপ্রসাদ হাজরাদের অনুগামী বলে পরিচিত অজিত মাইতি। সোমবার সকালে বেড়মজুরের তৃণমূল নেতা হলধর আড়ির বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ গেলেও পরিস্থিতি থমথমে। বেলা গড়াতেই ফের অশান্ত বেড়মজুর। স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য শঙ্কর সর্দারের বাড়িতে ভাঙচুর চালালেন সন্দেশখালির বিক্ষোভকারী মহিলাদের একাংশ।অভিযোগ, শাসক দলের প্রতাপে অনেকের স্বামীকে খুন পর্যন্ত করেছেন শঙ্কর সর্দার। এছাড়াও রয়েছে, আদিবাসীদের জমি দখল, জব কার্ডের টাকা আত্মসাতের বহু অভিযোগ।শঙ্কর সর্দারের বাড়িতে হামলার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছায় পুলিশ। মারমুখী গ্রামবাসীদের পুলিশ বাধা দিতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তুমুল বচসা হয়। আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার জন্য সতর্ক করে পুলিশ। কিন্তু, গ্রামবাসীদের দাবি, শঙ্কর সর্দারকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত এই বিক্ষোভ চলবে।৫৩ দিন পরও এখনও বেপাত্তা শেখ শাহজাহান। এরপর পুলিশ শাহজাহান সহযোগী উত্তম সর্দার ও শিবপ্রসাদ হাজরাকে গ্রেফতার করে। পরে উত্তম জামিনে মুক্ত হলেও এখনও গারদে শিবপ্রসাদ। এঁদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও মহিলাদের সম্মানহানির অভিযোগে গর্জে ওঠেন সন্দেশখালির মহিলা। লাঠি, ঝাঁটা হাতে পথে নামেন তারা। ক্ষোভের আগুন আঁচ করে এসবের মধ্যে অজিত মাইতিকে দলীয় পদ থেকে সরায় তৃণমূল। কিন্তু, তাতে রেহাই মেলেনি। রবিবার প্রাণ বাঁচাতে অজিত মাইতি নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরে তাঁকে আটক করে পুলিশ সোমবার সকালে গ্রেফতার করা হয় এই তৃণমূল নেতাকে। যদিও তাতে ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। গ্রামবাসীদের রোষে এবার সন্দেশখালির হলধর আড়ি ও শঙ্কর সর্দার।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
রাজ্য

৭ দিনের মধ্যে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান? কুণাল ঘোষের বক্তব্যে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি

সন্দেশখালির বাঘ শেখ শাহজাহান কি এবার পুলিশের জালে ধরা পড়তে চলেছে? ৫৩ দিন ধরে বেপাত্তা সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা। তবে এখনও তিনি রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি। শেখ শাহজাহানের গ্রেফতার নিয়ে হাইকোর্ট স্পষ্ট করার পর এদিন টুইট করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। এদিন শাহজাহান নিয়ে আদালতে ঘোষণার পর কুণালের টুইট, সাত দিনের মধ্যে শাহজাহান গ্রেফতার হবে। তৃণমূল নেতৃত্বের এই ঘোষণায় তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। তাহলে এখন কোথায় আছেন শেখ শাহজাহান? কোন ঘেরাটোপে রয়েছেন সন্দেশখালির বাঘ? এটাই সব থেকে বড় প্রশ্ন।কুণালের বক্তব্য, শেখ শাজাহান গ্রেফতার নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সঠিক বলেছিলেন। আদালতের আইনি জটেই বিষয়টা আটকে ছিল। তার সুযোগে রাজনীতি করছিল বিরোধীরা। আজ হাইকোর্ট সেই জট খুলে পুলিশকে পদক্ষেপে অনুমোদন দেওয়ায় ধন্যবাদ। সাত দিনের মধ্যে শাজাহান গ্রেফতার হবে।কুণালের টুইট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধীরা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, শেখ শাহজাহানের মত দুষ্কৃতী তৃণমূলের সম্পদ। তাই তাঁকে কেউ ধরতে পারে না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এসব হচ্ছে। আসলে কাগজপত্র লোপাটের জন্য এতদিন শেখ শাহজাহানকে বাইরে রাখা হয়েছে।এদিকে সোমবার শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারে কোনও স্থগিতাদেশ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। এছাড়া সন্দেশখালি মামলায় শেখ শাহজাহানকে পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সুতরাং, সন্দেশখালির একদা বেতাজ বাদশাকে গ্রেফতারে যে আইনি বাধার কথা বিভিন্ন মহল থকে বলা হচ্ছিল তা কার্যত নস্যাৎ করে দিল খোদ উচ্চ আদালতই। আগামী সাত দিনে সন্দেশখালির দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
রাজনীতি

মার্চে তৃণমূলের জণগর্জন ব্রিগেডে, কে শাহজাহান? কেন গ্রেফতার নয়? খোলসা করলেন অভিষেক

১০ মার্চ ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই সভার নাম দেওয়া হয়েছে জণগর্জন। আবাস যোজনার টাকা বন্ধ সহ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ করবে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করেছেন। তবে এই সমাবেশে অন্য কোনও বিজেপি বিরোধী নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না বলে অভিষেক জানিয়েছেন।অভিষেকের দাবি, এটা ট্রেলর। সিনেমা দেখা যাবে ভোটের সময়। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ। একাধিক প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। বিজেপি ভোটের সময় মানুষকে ভুল বোঝাতে চাইছে।এদিন সন্দেশখালি নিয়ে মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে তিনি বলেছিলেন শাহজাহান কি করেছে? আজ বলেছেন, কে শাহজাহান? অভিষেক বলেন, কে শেখ শাহজাহান? পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে রেয়াত করেনি। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি ব্যবস্থা নিয়েছি। আদালত স্টে অর্ডার দিয়েছে তাই পুলিশ গ্রেফতার করতে পারছে না শেখ শাহজাহানকে। শেখ শাহজাহানকে জুডিশিয়ারি গার্ড করছে। বিজেপিকে ফুটেজ দিতে এই কাজ করছে। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন। কেউ যদি অন্যায় করে তৃণমূল কংগ্রেস রেয়াত করবে না।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজ্য

শাহজাহান, সিরাজুদ্দিন সঙ্গী অজিত মাইতিকে জনরোষ থেকে উদ্ধার করল পুলিশ, ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি

শেখ শাহজাহান, শেখ সিরাজউদ্দিনদের বিরুদ্ধে ক্ষোভের পাহাড় সন্দেশখালিতে। তাদেরই দোসর এলাকার এক তৃণমূল নেতাকে গত শুক্রবারের পর আজ রবিবারেও ঝাঁটা-জুতো নিয়ে তাড়া গ্রামের মহিলাদের। কয়েকশো জনতার রোষের হাত থেকে বাঁচতে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিলেন তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি। সাংবাদিকদের সামনেই শেষমেশ সুর বদল সন্দেশখালির বেড়মজুরের তৃণমূল নেতার। শেষমেশ ৪ ঘন্টা পরে অজিত মাইতিকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। গত শুক্রবারেও সন্দেশখালির বেড়মজুর গ্রামের তৃণমূল নেতা অজিত মাইতির বাড়িতে চড়াও হয়েছিলেন কয়েকশো গ্রামবাসী, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন মহিলা। শেখ শাহজাহান, সিরাউদ্দিনদের সঙ্গে অজিত মাইতি ভয় দেখিয়ে জমি দখলে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। সেদিন তাঁর বাড়ির বাইরে ভাঙচুরের পাশাপাশি তাঁকে মারধরও করা হয়।এরপর থানায় নালিশ করেছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। রবিবার এলাকায় তাঁকে দেখে আবারও তেড়ে যান গ্রামবাসীরা। ধাওয়া করে বেশ কিছু দূর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাণভয়ে শেষমেশ এলাকারই এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন ওই তৃণমূল নেতা। সেখানে ৪ ঘন্টা লুকিয়ে ছিলেন। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তালা লাগানো গেটের ভিতর থেকে তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি বলেন, জমি দখলের বিষয়ে কিছু জানতাম না। আমি নির্দোষ। ওরা আইনের দ্বারস্থ হোক। আইন যা সাজা দেবে মেনে নেব। আমি কারও জমি নিইনি। এটা তদন্ত করে দেখা হোক। শেখ শাহজাহান, সিরাউদ্দিনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও বলেন, আগে আমি BJP করতাম। আমাকে মারধর করে নিয়ে এসেছিল। শেখ শাহজাহান, সিরাউদ্দিন শেখের নেতৃত্বে এই কাজ হয়েছিল। তবে আটক অজিত মাইতিকে আদৌ পুলি গ্রেফতার করে কিনা তা এখনও জানা যায়নি।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজনীতি

মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ, জণগর্জনের ডাক অভিষেকের

১০ মার্চ ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই সভার নাম দেওয়া হয়েছে জণগর্জন। আবাস যোজনার টাকা বন্ধ সহ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ করবে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করেছেন। তবে এই সমাবেশে অন্য কোনও বিজেপি বিরোধী নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না বলে অভিষেক জানিয়েছেন।অভিষেকের দাবি, এটা ট্রেলর। সিনেমা দেখা যাবে ভোটের সময়। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ। একাধিক প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। বিজেপি ভোটের সময় মানুষকে ভুল বোঝাতে চাইছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজনীতি

ফের তৃণমূলের দুুই মন্ত্রী সন্দেশখালিতে, ড্যামেজ কন্ট্রোলে মরিয়া চেষ্টা

৫১ দিনেও ধরা গেল না সন্দেশখালির ত্রাস শেখ শাহজাহানকে। ফুঁসছে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। অগ্নিগর্ভ বেড়মজুর, ঝুপখালি অঞ্চল। ডিজি গেলেও কিন্তু ল গ্রামবাসীদের ক্ষোভে প্রলেপ পড়েনি। এলাকায় বিশাল পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বেশ কয়েকটি জায়গায় বসানো হয়েছে সিসিটিভি। সন্দেশখালির ঘটনায় শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা গারদে থাকলেও তৃণমূলের অস্বস্তি ক্রমেই যেন ঊর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে শনিবার সকালে ফের সন্দেশখালি গিয়েছেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। সঙ্গে রয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। এদিকে, সন্দেশখালিতে ঢুকতে এদিন ডিওয়াইএফআই নেত্রী মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ বাম কর্মী, সমর্থকদের আটকে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েছেন এই বাম যুবনেত্রী। ১৪৪ ধারা জারির কারণেই মিনাক্ষীদের ঢুকেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাচনের অভিযোগে সোচ্চার সন্দেশখালি ও সংলগ্ন অঞ্চলের মহিলারা। লাঠি, বাঁশ হাতে তাঁদের চরম বিক্ষোভ দেখা গিয়েছে। অভিযোগ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ দুই তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরা, উত্তম সর্দাররা বহু স্থানীয়র জমি, ভেড়ির অংশ দখল করেছে। এমনকী সেচের খালও তাদের কব্জায়। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ খতিয়ে দেখে সেসব ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ক্ষোভের আগুন তাতে কমছে না।শনিবার সকালে ফের সন্দেশখালি গিয়েছেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। সঙ্গে রয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত সেচের কোন খাল, জমি শাহজাহান বাহিনী দখল করেছে তা দেখতেই দুই মন্ত্রীর সেখানে য়াওয়া বলে সূত্রের খবর। এসবের মধ্যেই শেখ শাহজাহানের কথা উঠতেই দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু বলেছেন, আমাদের দল কাউকে রেয়াত করে না, এক্ষেত্রেও করবে না। তৃণমূল অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। ইতিমধ্যেই আমাদের কাছে আড়াইশো অভিযোগ জমা পড়েছে। দেড়শোর কাছাকাছি অভিযোগের তদন্ত হয়েছে। একশোটি অভিযোগের সমাধান আমরা করেছি। জমি ফেরত দিয়েছি। এখন গ্রাবাসীদের সঙ্গে কথা বলছি। জানছি কার কিসে ক্ষোভ।এদিকে পুলিশকে লুকিয়ে এদিন ঘুরপথে সন্দেশখালিতে ঢোকার চেষ্টা করেন বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ধৃত প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান তিনি। এরপর সন্দেশখালিতে ঢোকার মুখে বাধা দেওয়া হয় তাঁকে। পুলিশ জানায় ১৪৪ ধারা জারি থাকায় তাঁদের আর যেতে দেওয়া হবে না। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন মিনাক্ষী। পুলিশকে তিনি প্রশ্ন করেন, কেন ভয় দেখাচ্ছেন? পার্থ ভৌমিক, সুজিত বসুরা কীভাবে সন্দেশখালিতে ঘুরছেন। কীভাবে ধানি জমিতে ভেড়ি হল? এতদিন কেন জমি ফেরৎ দেওয়া হল না? দুয়ারে সরকারে কেন এগুলো হল না? দুই মন্ত্রী হলেন শিবু, শাহজাহান, উত্তমদের দলের লোক। সিপিএম আমলে এরা মাথাচাড়া দেয়নি। তৃণমূলের বারো বছরে এইসব দুষ্কৃতীরা মাথায় উঠেছে। মানুষ অতিষ্ট।সন্দেশখালিতে ব্যাকফুটে তৃণমূল? জানা গিয়েছে, এদিন তৃণমূল নেতা বিনয় সর্দারের বাবা ও ভাইকে দেখেই তেড়ে যান গ্রামবাসীরা। উত্তেজনা ছড়ায়। এরপরই পুলিশ গিয়ে দুই গ্রামবাসীকে আটক করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

আধার বাতিল বিতর্ক, এবার প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চিঠি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আধার কার্ড নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক জোরদার। তার মাঝেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই চিঠিতে সমস্যা সমাধানে হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মমতা। তুলে ধরা হয়েছে মানুষের বিড়ম্বনার বিষয়টিও।মুখ্যমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, আমি আধার কার্ডের বেপরোয়া বাতিলের তীব্র নিন্দা করছি, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের তপশিলি জাতি ও উপজাতি এবং পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে নিশানা করা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও পূর্ব তদন্ত বা পরামর্শ ছাড়াই আধার কার্ড নিষ্ক্রিয় করার কেন্দ্রের একতরফা সিদ্ধান্ত। লোকসভা নির্বাচনের আগে নির্ধারিত উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি থেকে যোগ্য সুবিধাভোগীদের বঞ্চিত রাখতেই এই অশুভ চক্রান্ত। আমরা সবাই ভারতের নাগরিক। প্রতিটি বাসিন্দা রাজ্য সরকারের উন্নয়মূলক প্রকল্পের সুবিধাগুলি পেতে পারেন, তাদের আধার কার্ড থাকুক বা না থাকুক।হঠাৎ আধার বাতিলে মতুয়ারা সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ বলে দাবি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। সোমবার বিকেলে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই তাঁর দাবি, মতুয়াদের সবচেয়ে বেশি আধার কার্ড বাতিল করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তফশিলি এবং সংখ্যালঘুদের ওপরও অত্যাচার হচ্ছে। মমতার অভিযোগ, অসমের মতো ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরির ভাবনা নিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু তিনি বাংলায় এনআরসি করতে দেবেন না। পশ্চিমবঙ্গে ডিটেইনশন ক্যাম্প হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন মমতা।আধার বাতিলের সমস্যা নিয়ে তফশিলি ফেডারেশন তাঁকে চিঠিও লিখেছে। মতুয়া থেকে শুরু করে অনেকক্ষেত্রে রাজ্যকে না জানিয়ে ডিএম-কে না জানিয়ে আধার কার্ড বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার গুণ্ডামি করে এনআরসি করার পরিকল্পনা করেই আধার কার্ড বাতিল করছে বলে আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জাতীয় নির্বাচন কমিশনে একটি দল পাঠানোর ভাবনাও রয়েছে জোড়া-ফুলের।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজ্য

অবশেষে গ্রেফতার শিবু হাজরাও, উত্তম সরদারের বিরুদ্ধেও গণধর্ষণের ধারা, পুলিশে রদবদল

এবার ন্যাজাট থেকে পুলিশ গ্রেফতার করল শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবপ্রসাদ হাজরাকে। এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই সন্দেশখালি হামলার অন্যতম অভিযুক্ত শিবপ্রসাদ হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে একাধিক ভয়ঙ্কর অভিযোগ সামনে এসেছে। শেখ শাহজাহানের এই দুই শাগরেদের গ্রেফতারির দাবিতে লাঠিসোঁটা ঝাঁটা দিয়ে রাস্তায় প্রতিবাদ দেখান কয়েকশো মহিলা। সন্দেশখালি থানায় ঘেরাও করেন। পরদিন রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছিল স্থানীয় তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দারকে। পরে জামিনে মুক্ত হলে ফের গ্রেফতার করা হয়। এসবের মধ্যেই নির্যাতিতাদের গোপন জবানবন্দি নিয়েছিল পুলিশ। তার ভিত্তিতেই সন্দেশখালির ২০ নম্বর মামলায় শিবপ্রসাদ হাজরা ও উত্তর সর্দারের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। সঙ্গে যোগ করা হয়েছে খুনের চেষ্টার ধারাও। সন্ধ্যায় বসিরহাট পুলিশ জেলার এসপি জেবি থমাস এই তথ্য জানিয়েছেন।এদিন পুলিশ সুপার বলেছেন, সন্দেশখালির পরিস্থিতি আপাতত শান্ত। কেউ শান্তিভঙ্গ করলে তার বা তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। পুলিশ কিছু লুকনোর চেষ্টা করছে না। নির্যাতিতাদের গোপন জবানবন্দির প্রেক্ষিতে সন্দেশখালির ২০ নম্বর মামলায় গণধর্ষণের মামলা রুজু করা হয়েছে।বসিরহাট মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী অরুণ পালের দাবি, সন্দেশখালির এক নির্যাতিতা অভিযোগ করে বলেছেন যে দুই তৃণমূল নেতা শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দার তাঁকে গণধর্ষণ ও খুনের চেষ্টা করেছেন। ইতিমধ্যে তাঁর গোপন জবানবন্দি বসিরহাট মহকুমা আদালতে নেওয়া হয়। সেই জবানবন্দির প্রেক্ষিতেই পুলিশের পক্ষ থেকে গণধর্ষণ এবং খুনের চেষ্টা-এই নতুন দুটি ধারা যুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে।এরপরও নির্যাতিতাদের দাবি, শুধু গণধর্ষণের মামলা রুজু করলেই চলবে না। শিবু ও উত্তমকে গ্রেফতার করতে হবে। না হলে এলাকায় শান্তি ফিরবে না। সুবিচার হবে না।এদিকে, সন্দেশখালি বিতর্কের মধ্যেই মাত্র ১৭ দিনের মাথায় দক্ষিণবঙ্গের এডিজি পদ থেকে সরানো হল সিদ্ধনাথ গুপ্তকে। ওই জায়গায় আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে নিয়োগ করল রাজ্য সরকার। সন্দেশখালি এলাকা বারাসত ডিআইজির নিয়ন্ত্রণাধীন। সেই বারাসত ডিআইজি পদে থাকা সুমিত কুমারকে সরিয়ে আনা হচ্ছে আইপিএস ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে।শুরু থেকেই সন্দেশখালি কাণ্ডে কাঠগড়ায় পুলিশের ভূমিকা। অস্বস্তিতে রাজ্য প্রশাসন। ড্যামেজ কন্ট্রোলে তাই তড়িঘড়ি দক্ষিণবঙ্গের এডিজি পদে আদলবদল করা হল বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালির শাহজাহানকে ক্লিনচিট মমতার, আরএসএসকে দিকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

সন্দেশখালিতে উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় মহিলাদের মারাত্মক অভিযোগে পারদ চড়ছে বঙ্গ রাজনীতিতে। অস্বস্তি বাড়ছে রাজ্যের শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের। এসবের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি নিয়ে বিধানসভায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানকার তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখকে নিয়েও কথা বললেন। কেন সন্দেশখালিতে এত ঝামেলা তা স্পষ্ট করলেন মমতা।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওখানে আরএসএস-এর একটা বাসা আছে। ৭-৮ বছর আগেও ঝামেলা হয়েছিল ওখানে। কতগুলি ঝামেলার জায়গার মধ্যে ওটাও একটি। সেখানে মুখে মাস্ক পরে গোলমাল করা হচ্ছে। বহিরাগতরাই সন্দেশখালিতে এত গোলমাল পাকাচ্ছে। সন্দেশখালিতে এমন ঘটনা প্রথম না বলেই এদিন দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আগের গন্ডগোলের সময়ে সরকার কড়া পদক্ষেপ করেছিল, তাই পরিস্থিতি খারাপ হয়নি। কিন্তু বিজেপির অনেক পরিকল্পনা ছিল বলেও অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ সন্দেশখালির ঘটনার জন্য বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোপুরি বিজেপি-কে দায়ী করেন।সন্দেশখালিতে হামলার নেপথ্যে অভিযুক্ত সেখানকার তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। কিন্তু তা মানতে নারাজ মমতা। বললেন, সন্দেশখালিতে শাহজাহানকে টার্গেট করে ইডি ঢুকেছিল। সেই নিয়ে গোলমাল করে সংখ্যালঘু এবং আদিবাসীদের মধ্যে ঝামেলা লাগানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। তবে পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। ১৭ জন-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি জীবনে অন্যায়কে প্রশ্রয় দিই না। কোনও সমস্যা থাকলে তার সমাধান হবে।রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের খোঁজে সেখানে গিয়েছিল ইডি। তবে তাঁর বাড়িতে ঢুকতে পারেনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। উল্টে অভিযোগ, শাহজাহানের অনুগামীদের হাতে হেনস্থা হতে হয় ইডি আধিকারিকদের। সেই ঘটনার পর থেকেই ফেরার শাহজাহান। তাঁর দুই অনুগামী শিবু হাজরা এবং উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধেও স্থানীয়দের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। উত্তম বর্তমানে জামিনে মুক্ত, কিন্তু বাকিদের কোনও খোঁজ মেলেনি। প্রায় দেড় মাস ধরে উত্তপ্ত সন্দেশখালি। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে অত্য়াচারের অভিযোগে সরব গ্রামবাসীরা। বিশেষত সেখানে বিক্ষোভের ঘটনায় প্রথম সারিতে মহিলারা। তাঁদের যাবতীয় অভিযোগ যথেষ্ট স্পর্শকাতর। মমতার দাবি সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করছে রাজ্য প্রশাসন। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যেমন সক্রিয় পুলিশ প্রশাসন, তেমনই রাজ্য মহিলা কমিশনও সেখানে গিয়ে মহিলাদের অভিযোগ খতিয়ে দেখেছে। তা নিয়ে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারকে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যসভায় তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণায় চমক, বাদ পুরনো ৩ সাংসদ

আসন্ন রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করে দিল তৃণমূল। রবিবার তৃণমূলের এক্স হ্যান্ডলে রাজ্যসভার নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। বিদায়ী ৩ সাংসদকে নতুন তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তাঁদের বদলে নতুন মুখকে রাজ্যসভায় নিয়ে যেতে চান তৃণমূল সুপ্রিমো।রাজ্যসভার ভোটে তৃণমূলের নতুন তিন প্রার্থী হলেন প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেব, মতুয়া মহাসংঘের সঙ্ঘাতিপতি তথা প্রাক্তন লোকসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর ও সাংবাদিক সাগরিকা ঘোষ। রাজ্যসভায় আগেই সাংসদ থাকা নাদিমুল হককে এবারও মনোনয়ন দিয়েছে তৃণমূল। পুরনোদের মধ্যে রাজ্যসভার নির্বাচনে দাঁড়ানোর ছাড়পত্র মেলেনি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূলের সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তীর। মনোনয়ন পাননি সাংসদ আবীররঞ্জন বিশ্বাস ও শান্তনু সেন।রাজ্যসভায় তৃণমূলের এই প্রার্থী ঘোষণায় যথেষ্ট চমক দেখছে রাজনৈতিক মবহল। একদিকে মমতাবালা ঠাকুরকে রাজ্যসভায় নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে মতুয়া ভোটারদের আরও কাছে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে শাসক শিবিরের।অন্যদিকে, সুস্মিতা দেবের কাজেও যথেষ্ট খুশি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষমোহন দেবের কন্যা সুস্মিতা তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকেই দলের হয়ে ভিনরাজ্যেও নানা কাজ করে চলেছেন। এমনকী রাজ্যসভায় তাঁর ভাষণও ফি দিন চর্চায় থাকে। ফের একবার তাঁকেই রাজ্যসভায় মনোনয় দিয়ে সোজা ব্যাটে খেললেন তৃণমূলনেত্রী। এছাড়াও সাংবাদিক সাগরিকা ঘোষকেও এবার রাজ্যসভার ভোটে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। প্রখ্যাত সাংবাদিক রাজদীপ সরদেশাইয়ের স্ত্রী সাগরিকা ঘোষ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪
রাজ্য

শেষমেশ সাসপেন্ড সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা উত্তম সরদার গ্রেফতার, ধৃত স্থানীয় বিজেপি নেতাও

সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা উত্তম সরদারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর এদিন রাতেই এই তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আগামিকাল তাকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে। শনিবার সন্দেশখালি তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তথা উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সদস্য উত্তম সরদারকে ৬ বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করার ঘোষণা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা পার্থ ভৌমিক। দলের অভ্যন্তরীণ তদন্ত রিপোর্ট এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।শনিবার কলকাতার রেড রোডে তৃণমূলের ধরনা মঞ্চ থেকে পার্থ ভৌমিক বলেন, আমাদের দলীয় রিপোর্ট অনুসারে দল ব্যবস্থা নিয়েছে। কেন শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে এখনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না দল?, এপ্রসঙ্গে পার্থ ভৌমিক বলেন, এখানে শাহজাহান আলোচ্চ বিষয় নয়। যাঁকে নিয়ে কেউ কিছু বলেনি খামোকা তাঁকে নিয়ে আলোচনা করব কেন?এদিকে, উত্তম সরদারকে সাসপেন্ড ইস্যুতে মুখ খুলেছে বিরোধীরা। সংবাদমাধ্যমে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটা লোকদেখানো ব্যাপার। ওরা আদিবাসীদের জমি কেড়ে নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়ে অত্যাচার করেছে। তৃণমূল কী এতদিন জানত না? ওরা তো দুষ্কৃতী। ওদের আবার সাসপেন্ড কীসের?সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, এটা সম্পূর্ণ লোকদেখানো সাসপেনশন। শেখ শাহাজাহানের গ্রেফতারের কী হল? উত্তম সরদার, শিবু হাজরারা টাকা তুলে শাহজাহানেক দিত। শাহজাহান দিত জ্যোতিপ্রিয়কে। জ্যোতিপ্রিয় সেই টাকা পাঠাত কালীঘাটে।এদিকে, সন্দেশখালিতে বুধবার থেকে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন গ্রামবাসীরা। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ উত্তম সরদার, শিবু হাজরার একাধিক সম্পত্তিতে ভাঙচুর-আগুন লাগানো চলছে অহরহ। আইনের শাসন হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে নড়েচড়ে বসেছে নবান্ন। শুক্রবার রাত ৯.৩০ থেকে সন্দেশখালি ২ নং ব্লকের ৮টি পঞ্চায়েত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সন্দেশখালির প্রতিটি দ্বীপে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

নথি নিয়ে ইডি দপ্তরে হাজির প্রাক্তন মন্ত্রী ঘনিষ্ট কলকাতা কাউন্সিলর

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে নথি নিয়ে হাজির হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট কলকাতা পৌরসভার ১০১ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাসগুপ্ত। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁর ভূমিকা কি ছিল, সম্পত্তির হিসেব ও ব্যাংকের ডিটেলস নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে খবর।গত বছরের নভেম্বর মাসে নিয়োগকাণ্ডে নাম জড়ায় বাপ্পাদিত্যের। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চাকরি সংক্রান্ত নথি পাওয়া গিয়েছিল বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের দাবি।কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের স পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নিয়মিত ওঠাবসা ছিল। সেই কারণে নিয়োগ মামলায় পার্থের ভূমিকা সম্পর্কে বাপ্পাদিত্য অনেকটাই জানেন বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। প্রাথমিকের নিয়োগে পার্থের কী ভূমিকা ছিল, তা-ও খতিয়ে দেখতে চাইছে ইডি। সেই কারণেই ইডি মনে করছে ব্যাপাদিত্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে আসবে। তাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য এদিন তলব করা হয়।ইডি দফতরে প্রবেশ করার সময় ব্যাপাদিত্য বলেন, আজকে ইনকাম স্টেটমেন্ট, আই টি রিটার্ন, এসেট ৱ্যাবিলিটি ডিটেলস এই কাগজ গুলো চেয়েছে সেগুলো নিয়ে এসেছি। দেখা যাক কথা বলি। আইটি রিটার্ন রয়েছে ১২ বছরের। যা যা কাগজ চেয়েছে সেই গুলো নিয়ে এসেছি। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট সেই কারণে ডাকা হচ্ছে হয়তো। প্রাথমিকের নিয়োগের সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই। সিবিআই যখন বাড়িতে রেড করে যে এডমিট কার্ড পেয়েছে একটাও প্রাথমিকের নয়। সেগুলো আজ জমা করে দেব।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজ্য

অভিষেক-মমতা বৈঠক, রাজ্যসভার প্রার্থী নিয়ে আলোচনা? চর্চা রাজনৈতিক মহলে

আগেই রাজধানী সফর বাতিল করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানিয়েছেন আজ এক দেশ এক ভোট বৈঠকে যোগ দেবেন তৃণমূলের অভিজ্ঞ দুই সাংসদ সুদীপ ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কৌতুহল ছিল কিন্তু কোথায় গেলেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? এই জল্পনার মাঝেই মঙ্গলবার দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরলেন সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক! এরপর বিমানবন্দর থেকে অভিষেক সোজা পৌঁছে যান কালীঘাটে তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে।মমতা-অভিষেক দ্বৈরথ নিয়ে নানা জল্পনা। এসবের মধ্যেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ ও বকেয়ার দাবিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেড রোডে ধর্না আন্দোলনে বসেন। সেই ধর্না মঞ্চের দুদিনই হাজির হননি দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। যা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। সোমবার প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় দাবি করেছিলেন, শারীরিক অসুস্থতার জেরেই সম্ভবত ওই ধর্নায় অনুপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। দলীয় মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছিলেন, দিল্লিতে কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনের রূপরেখা তৈরিতে ব্যস্ত অভিষেক, পাশাপাশি তাঁর চোখের সমস্যাও রয়েছে।বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে গত সপ্তাহে দিল্লি গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাজেট পেশের পর দলীয় বহু সাংসদ বাংলায় ফিরলেও দিল্লিতেই ছিলেন অভিষেক। এসবের মধ্যেই এদিন দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গেলেন মমতার বাড়িতে। কেন হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটে গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? তা এখনও স্পষ্ট নয়। মুখ্যমন্ত্রী সোমবার তাঁর দিল্লি সফর বাতিলের কারণ হিসাবে বাজেট অধিবেশনের কথা বলেছিলেন। তাহলে কী রাজ্য বাজেট নিয়েই মমতা-অভিষেক কথা হয়েছে?তৃণমূল সূত্রের খবর, রাজ্যের পাঁচটি রাজ্যসভা আসন ফাঁকা হচ্ছে। বিধায়ক সংখ্যার নিরিখে চারটি পাবে তৃণমূল। একটিতে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী জিতবেন। প্রার্থী তালিকা নিয়েই মমতা-অভিষেকের কথা হয়ে থাকতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৪
রাজ্য

দিল্লির বৈঠকে থাকছেন না মুখ্যমন্ত্রী, কেন এই সিদ্ধান্ত?

এক দেশ এক ভোট সংক্রান্ত বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি সফরের কথা থাকলেও যাচ্ছেন না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লি সফর বাতিল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে সাড়ে পাঁচটা নাগাদ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই।কেন দিল্লি সফর বাতিল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য, ৮ই ফেব্রুয়ারি রাজ্য বাজেট রয়েছে। ফলে দিল্লি যাওয়ার বিষয়টি আমি আপাতত বাতিল করছি।সোমবার ছিল রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। তারপরই দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। ওই বৈঠকের পরেই নবান্নে সাংসবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, তিনি দিল্লি সফর বাতিল করেছেন। রাজ্য বাজেটের কারণে তাঁর এই সফর বাতিল বলে জানিয়েছেন মমতা। পাশাপাশি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার এক দেশ এক ভোট সংক্রান্ত বৈঠকে তাঁর বদলে তৃণমূলের তরফে দুই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন।এক দেশ এক ভোট সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমি অপারগতার কথা রামনাথ কোবিন্দজিকে জানাতে ফোন করেছিলাম। উনি প্রথমে ছিলেন না। উনি খুব সজ্জন ব্যক্তি। পরে জানাতে উনি বলেছেন, ঠিক আছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হঠাৎ দিল্লি যাত্রা বাতিলের ঘোষণায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকস্তরে প্রবল আলোড়ন পড়েছে। ৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বাজেট পেশ হবে তা আগে থেকেই অবগত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরও তাঁর দিল্লি সফরের বিষয়টি পাকা ছিল। তাহলে কেন এই আচমকা বাতিলের সিদ্ধান্ত? অনেকের মতে, সোমবার দিল্লিতে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেছেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে বলেছি, ইতিমধ্যে বরাদ্দ টাকার হিসাব না পেলে নতুন বরাদ্দ করবেন না। ফলে নতুন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই কৌশলগত কারণেই কি এদিন মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি যাত্রা এড়িয়ে গেলেন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৪
রাজ্য

ফের বসন্তের কোকিল বলে নাম না করে রাহুলকে তোপ মমতার

২৪-এর লোকসভা ভোটের কাউন্টডাউন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। একদিকে এনডিএ অন্যদিকে ইন্ডিয়া জোট। শুরু থেকে আক্রমনাত্মক ভঙ্গিতে বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারে নামলেও বারে বারে ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি বিরোধী জোট। জোটের দলগুলির মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে চর্চার মাঝেই ইন্ডিয়া জোট ছেড়ে এনডিএ জোটের হাত ধরে বিহারে সরকার গড়েছে নীতীশ কুমার। এদিকে বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কোনরকম জোট করবে না সেকথা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ফের জোটের অন্যতম শরিক কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন মমতা। ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, দেশের প্রাচীনতম দল কংগ্রেস আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ৪০ টি আসনও জিততে পারবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তৃণমূল কংগ্রেস ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের সবকটি আসনে একা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার কয়েকদিন পরেই কংগ্রেসকে এভাবে নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৪০টি আসন জিতবে কিনা তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। আমি কংগ্রেসকে দুটি আসন অফার করছিলাম এবং বলেছিলাম দুটি আসনেই তাদের জিতিতে দেব। কিন্তু তারা আরও বেশি আসন চেয়েছিল। আমি সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করি। এরপর থেকে কংগ্রেসের সঙ্গে আর কোনওরকম আলোচনা হয়নি।ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় আমন্ত্রণ নেইএর আগে, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন এই যাত্রা সম্পর্কে হতাশা প্রকাশ করে মমতা বলেছিলেন, ইন্ডিয়া জোটের সদস্য হিসাবে যাত্রার কথা আমাকে জানানো হয়নি। এমনকী যাত্রায় আমাকে কোনও আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। আমি প্রশাসনিক সূত্রে যাত্রার কথা জানতে পেরেছি।সাহস থাকলে বেনারসে বিজেপিকে হারান উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে ভারতীয় জনতা পার্টিকে হারাতে কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জও ছুঁড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেছেন, সাহস থাকলে উত্তরপ্রদেশ, বেনারস, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে বিজেপিকে হারান। টিএমসি বারবার কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা বিলম্বিত করার অভিযোগ করেছে।রাহুলের নাম না নিয়ে মমতা বলেন, আজকাল ফটোশুটের নতুন ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। যারা কখনও চায়ের স্টলে যাননি, তারাই এখন বসে বিড়ি শ্রমিকদের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত। আসলে, ভারত জোড়ে ন্যায় যাত্রার সময়, রাহুল গান্ধী বাংলার বিড়ি শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করে তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন। এবার তা নিয়ে মমতার তোপের মুখে পড়তে হল রাহুল গান্ধীকে।রাহুলের ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, বসন্তের কোকিল ফটোশ্যুট করছে। যাঁরা কোনওদিন চা বানাতে জানেইনি। বাচ্চাদের আদর করেই না। বিড়ি বাঁধতে জানেই না।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৪
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে কলকাতায় ধরনা মুখ্যমন্ত্রীর, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদীকে চিঠি

এর আগে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ঘরে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটেছে। কলকাতায় রাজভবনের সামনে মঞ্চ বেঁধে ধরনা চলেছে। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে রেড রোডের পাশে ধর্নায় বসেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সেই মঞ্চ থেকেই ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য সব মিথ্যা বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।গত বুধবার মমতার আর্থিক বঞ্চনার জবাব দিতে আসরে নামে বিজেপি। ওইদিন সকালে সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে বাংলার বকেয়া টাকার দাবি জানান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরে সুদীপকে ক্যাগ রিপোর্ট পড়ে দেখতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত।কী আছে সেই ক্যাগ রিপোর্টে, যা দেখে কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে? গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সুকান্তর দাবি, পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট-এ সরকারি প্রকল্পের টাকা নেওয়া হয়েছে, এমন কথাই রয়েছে ক্যাগ রিপোর্টে। সুকান্তর দাবি ছিল, এটা দুর্নীতির নতুন পন্থা। সাধারণের টাকা কোথায় খরচ করা হয়েছে, তা কারও জানা নেই। বঙ্গ বিজেপি সভাপতির দাবি, রাজ্য সরকারকে যে কোনও প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিতে হয়। তাতে বোঝা যায়, যে টাকা বরাদ্দ হয়েছিল, সেই টাকা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজেই খরচ হয়েছে। কিন্তু ক্যাগ রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ১.৯৫ লক্ষ কোটি টাকার কোনও ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা দেয়নি রাজ্য সরকার।বিজেপি নেতাদের ওই অভিযোগের বিরুদ্ধে এদিন ধরনা মঞ্চেই মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা জানান, এখান থেকেই ক্যাগ রিপোর্টের মিথ্যাচার নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীকে স্ট্রং চিঠি দিচ্ছি এখান থেকে। ক্যাগ রিপোর্টে ২০০৩ সাল থেকে রিপোর্ট দিয়েছে। তখন কি আমরা ছিলাম? আমরা ক্ষমতায় এসেছি ২০১১ সালে। তাহলে কেন ওই সময়ের দায়িত্ব নেব? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সব ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিয়েছি। ক্যাগ রিপোর্টে সব মিথ্যা কথা। সত্য কখনও চাপা থাকে না। ক্যাগ রিপোর্ট বিকৃত সত্য ও বিজেপি লিখেছে। রাজ্যের পাওনা আটকে রেখে ক্যাগ কথা বলছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৪
রাজ্য

অত্যাচারী সিপিএমের সঙ্গে কংগ্রেস, লোকসভায় একাই লড়বে তৃণমূল, মালদায় ঘোষণা মমতার

কংগ্রেসকে মালদায় লোকসভা নির্বাচনে দুটি আসন ছাড়ার কথা বলেছিলাম। কিন্তু ওরা আরও চাইছে। তাই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল একাই লড়বে। কোনও জোটে যাব না। মালদার ইংরেজবাজারের সরকারি পরিষেবা প্রদানমূলক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিম মমতা ব্যানার্জি। বুধবার দুপুরে ইংরেজবাজারের জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠের এই কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপি তিন দলকেই নিশানা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে সিপিএম এতদিন অত্যাচার চালিয়েছে, তাদের সঙ্গে জোট করে চলতে চাইছে কংগ্রেস। আর এই জোটের মাধ্যমে এক প্রকার বিজেপিকে সাহায্য করা হচ্ছে। এটা কোন রকম মানবো না। তৃণমূল একলা চলার রাজনীতিতেই বিশ্বাসী, তাই একাই লড়বো। মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের বক্তব্যে প্রয়াত প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা এবিএ গণিখান চৌধুরীর নাম উঠে আসে। তিনি বলেন, বরকতদার সময় তৈরি হয়েছিল গৌর ভবন। আজকে মালদার সেই গৌড় ভবনের কি অবস্থা। এতদিন মালদায় কংগ্রেস সাংসদ থেকেও কোন কাজই করতে পারেনি। তারাই আবার অত্যাচারী সিপিএমকে নিয়ে লোকসভার ভোটে সামিল হয়েছে। বিজেপি অনেক কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু আপনারাই বলুন কোন প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। আর সেই বিজেপিকে কংগ্রেস ও সিপিএম জোট করে সাহায্য করতে চাইছে। আমরা এই জোটে নেই, একাই লড়বো একাই জিতবো।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, মালদার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে বিএসএফ একরকম গ্রামবাসীদের জন্য কার্ড চালু করেছে। এটা আবার কিসের কার্ড। সাধারণ মানুষের পরিচয়পত্র ভোটার কার্ড, আধার কার্ড সবই রয়েছে। নতুন করে বিএসএফের এই নির্দেশ কোনরকম ভাবেই মানা যাবে না। কেন্দ্রের অধীনস্থ বিএসএফ যদি কোনরকম অসুবিধা তৈরি করে, তাহলে লোকাল থানায় অভিযোগ জানান। বিডিওর কাছে নিজের পরিচয় পত্র তুলে ধরুন। সঠিক অভিযোগ পেলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। বিজেপি যতই বলুক এই রাজ্যে কোন রকম ভাবেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) চালু করতে দেব না। আপনারা ভরসা রাখুন। এদিন কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে বার্তা দেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেসকে বলেছিলাম মালদার দুটি আসন আমরা দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু ওদের আরও অনেক আসনের দাবি। সুতরাং তৃণমূল একাই লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করবে। কারও সমর্থনের দরকার নেই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৪
রাজ্য

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ঘোষণার পর এবার শুভেন্দু, বাংলায় শীঘ্রই লাগু সিএএ

আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সিএএ ঘোষণা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইঙ্গিতে আগেই সিএএ ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্দ্রী শান্তনু ঠাকুর। সোমবার, সেই সুরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সিএএ-র ডেটলাইন ঘোষণা করে দিলেন। বিরোধী দলনেতা জানালেন, ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চালু করা হবে সিএএ।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল সিএএ। রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিএএ চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। পালটা, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছিল, বিজেপি বাঙালি-বিরোধী। তাই বিজেপি বাঙালিদের নাগরিকত্বের অধিকার কাড়তে চাইছে। সেই কারণে এরাজ্যে সিএএ ঘোষণা করতে চাইছে বিজেপি। কিন্তু, তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে কোনওমতেই পশ্চিমবঙ্গে সিএএ লাগু করতে দেবে না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অমিত শাহ জি শিলিগুড়ির সভা থেকেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, সিএএ কারও নাগরিকত্ব হরণের আইন নয়। এটা নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এই ইস্যুতে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, ২০২১ সালে সিএএ নিয়ে মিথ্যা প্রচার করেই তো বেরিয়ে গেলেন। সিএএ আর এনআরসির মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই। এবার পারলে সিএএ লাগু হওয়া আটকান! দেখবেন, আর লুচির মত ফুলবেন।পরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, শান্তনু কিছু জানেন, সেই জন্যই বলেছেন। এর আগে অমিত শাহও বলেছিলেন, সিএএ আইন বাক্সবন্দি করে রাখার জন্য তৈরি করা হয়নি। সেই কারণে আমি যতটা জানি যে সাত থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সিএএ লাগু করার চেষ্টা হচ্ছে। যেখানে উদ্বাস্তুরা সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। খুবই তাড়াতাড়ি লাগু হবে। গোটা বাংলায় বিজয় মিছিল করার প্রস্তুতি চলছে। ফেব্রুয়ারিতেই লাগু হবে। কারণ, মার্চে নির্বাচন ঘোষণা হবে। তখন আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হয়ে যাবে। সেই কারণেই আমাদের আশা, ফেব্রুয়ারিতেই লাগু হবে।শুভেন্দু আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২ ফেব্রুয়ারি ধরনার ডাক দিয়েছেন। তিনি ধরনা করলে বিজেপি পালটা ধরনা দেবে। নেতা-মন্ত্রীদের পরিবারের সদস্যদের ছেলেমেয়েরা ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়েন। কিন্তু, সাধারণ অটো এবং টোটোচালকদের ঘরের ছেলেমেয়েরা বাংলামাধ্যম স্কুলে পড়ে। সেই কারণেই বৃহত্তর স্বার্থে আমি এই ধরনা দিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে বারণ করব।এর আগে রবিবার রাহুল গান্ধী সম্পর্কে কটূক্তি করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী! রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তার বিরুদ্ধে কংগ্রেস পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে। নিন্দায় সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও। সোমবার এই প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী নিজের বক্তব্যে অটল থাকেন। তিনি বলেন, বোকাকে যে ভাষায় বলা হয়, সেই কথাই বলেছি। শুভেন্দুর অভিযোগ, রাহুল গান্ধী বিভিন্ন সময়ে যে ধরনের মন্তব্য করেছেন, তা তাঁর মর্যাদার সঙ্গে মানানসই নয়। সেই কারণেই তিনি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ...
  • 58
  • 59
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিজেপির দ্বিতীয় তালিকায় বড় চমক! কে কোথা থেকে লড়ছেন জানলে অবাক হবেন

দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এর আগে প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার আরও ১১১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫৫টি আসনে প্রার্থী ঠিক করেছে দল। বাকি রয়েছে আরও ৩৯টি আসন।বুধবার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব একাধিক বৈঠক করে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই বৈঠক হয়। আগে শোনা যাচ্ছিল প্রায় ৪৫টি আসনে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল এখনও ৩৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি।এই তালিকায় একাধিক চমক রয়েছে। হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে, তবে খড়গপুর সদর থেকে নয়। সেখানে আগে থেকেই দিলীপ ঘোষের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল হিরণ আদৌ টিকিট পাবেন কি না। শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে।এগরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দিব্যেন্দু অধিকারীকে। মানিকতলা থেকে তাপস রায় এবং টালিগঞ্জ থেকে পাপিয়া অধিকারীকে প্রার্থী করা হয়েছে।লোকসভা নির্বাচনের পর আবারও বিধানসভা ভোটে সুযোগ পেলেন রেখা পাত্র। আগে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে লড়লেও তিনি হেরে গিয়েছিলেন। এবার তাঁকে হিঙ্গলগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জমে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নামছেন তিলোত্তমার মা? বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হওয়ার জল্পনায় চাঞ্চল্য

তিলোত্তমার মাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, তিনি বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়তে পারেন। দলের তরফে তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি তাতে সম্মতিও জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তিলোত্তমার বাড়িতে যান। সেখানে তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তিলোত্তমার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। সেই সাক্ষাতের পর থেকেই তিলোত্তমার মায়ের বিজেপিতে যোগ দেওয়া এবং প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সূত্রের খবর, পানিহাটি কেন্দ্র থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে।তিলোত্তমার বাবা জানিয়েছেন, বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপির উপরই তাঁদের ভরসা রয়েছে। তাঁর মতে, এই দলই ক্ষমতায় এসে পরিবর্তন আনতে পারে এবং রাজ্যে নারী সুরক্ষার পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।অন্যদিকে তিলোত্তমার মা জানিয়েছেন, নিজের গভীর দুঃখ ও যন্ত্রণার মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তিনি নিজেই ফোন করে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁর মেয়ের ঘটনাকে কেউ যেন ভোটের স্বার্থে ব্যবহার না করে, সেই কারণেই তিনি নিজে সামনে আসতে চান।এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, তিলোত্তমার বিচার সবাই চান, কিন্তু নির্বাচনে দাঁড়ানো তার একমাত্র পথ নয়। তাঁর মতে, ভোটে জয় বা পরাজয়ের সঙ্গে বিচার পাওয়ার সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।সব মিলিয়ে তিলোত্তমার মায়ের সম্ভাব্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আঁচে কাঁপছে বাজার! এক ধাক্কায় ১৬০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ক্রমশই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ইরান এবং কাতারের গ্যাস ভাণ্ডারে হামলার ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বড়সড় ধস নামে।সকাল প্রায় ৯টা ১৬ মিনিট নাগাদ বোম্বে শেয়ার বাজারের প্রধান সূচক সেনসেক্স ১৬০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। প্রায় ২ শতাংশের বেশি পতন হয়ে সূচক নেমে আসে ৭৫ হাজারের কিছু উপরে। অন্যদিকে নিফটিও প্রায় ৫০০ পয়েন্ট কমে যায়। বিভিন্ন বড় সংস্থার শেয়ারের দাম ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক অস্থিরতা। প্রথমে ইরানের সাউথ পারস গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা হয়। পরে কাতারের রাস লাফান গ্যাস ভাণ্ডারে পাল্টা হামলার খবর সামনে আসে। এই ঘটনার ফলে বিশ্বজুড়ে গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকলে ভারতের মতো তেল আমদানিকারক দেশের অর্থনীতির উপর তার খারাপ প্রভাব পড়বে। দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম বেশি থাকলে দেশের বৃদ্ধি এবং সংস্থাগুলির আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।এদিকে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে এ বছর খুব বেশি সুদের হার কমানো হবে না বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার বাজারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার জেরে শেয়ার বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

প্রচারের শুরুতেই বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘ডেবরায় আসার কথা ছিল না’—বলেই বিতর্কে রাজীব

নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই অস্বস্তিতে পড়লেন ডেবরা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বালিচকের দলীয় কার্যালয়ে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক ছড়িয়েছে। সেখানে তিনি বলেন, তাঁর ডেবরায় আসার কথা ছিল না।এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এতে তৃণমূলের অন্দরে দীর্ঘদিনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। প্রার্থীর এমন মন্তব্যে সাধারণ কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, কর্মীদের সামনে রাজীব বলছেন, দল তাঁকে এই দায়িত্ব দিয়েছে। তবে এর আগে তাঁকে অন্য একটি জায়গার কথা বলা হয়েছিল। পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলানো হয়। তাঁর কথায়, প্রথমে ডেবরায় আসার কথা ছিল না, অন্যত্র যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।এদিকে দলের তরফেও এই বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়নি। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজিত মাইতি স্বীকার করেছেন, দলের মধ্যে কিছু মতভেদ রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, এটি বড় সমস্যা নয় এবং খুব দ্রুত সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করা হবে। তাঁর মতে, নির্বাচনে সবাই একসঙ্গে লড়াই করবে।উল্লেখ্য, এতদিন ডেবরার বিধায়ক ছিলেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক হুমায়ুন কবীর। এবার তাঁকে অন্য কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। ২০২১ সালে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং একটি আসনে প্রার্থীও হয়েছিলেন। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপিও আক্রমণ শানিয়েছে। দলের এক নেতা দাবি করেছেন, ডেবরার মানুষ স্থানীয় প্রার্থীই চান। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের মধ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, অনেকেই প্রার্থী হতে চাইছেন না। তাই বাইরে থেকে প্রার্থী আনতে হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটের শুরুতেই এই মন্তব্য ঘিরে ডেবরা কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা বিমানবন্দরে সিনেমার মতো গ্রেফতার! কে এই বিদেশি ‘চর’ ম্যাথু?

কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মার্কিন নাগরিক ম্যাথু ভ্যানডাইককে। তিনি কলকাতা থেকে দুবাই যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার আগে তিনি মায়ানমার ঘুরে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চরবৃত্তি এবং জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগ উঠেছে।গত ১২ মার্চ কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। ওই দিন রাতে তিনি দুবাই যাওয়ার জন্য বিমানে উঠেছিলেন। সেখান থেকে তাঁর পোল্যান্ড যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। বিমান ছাড়ার কিছুক্ষণ আগেই তাঁকে নাটকীয়ভাবে নামিয়ে আনা হয়।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, সমস্ত নিয়ম মেনে তিনি বিমানে উঠেছিলেন এবং তাঁর লাগেজও বিমানে তুলে দেওয়া হয়েছিল। রাত প্রায় একটা নাগাদ তিনি বিমানে বসে ছিলেন। সেই সময়ই গোপন সূত্রে খবর আসে যে তিনি একজন সন্দেহভাজন বিদেশি চর।তারপরই নিরাপত্তা বাহিনী এবং অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা বিমানে গিয়ে তাঁকে নামিয়ে নিয়ে আসেন। বিমানবন্দরের একটি ঘরে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। পরে দিল্লি থেকে গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।১২ মার্চ রাত থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে কলকাতায় আটক রাখা হয়। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি প্রথমে দিল্লিতে আসেন, তারপর কলকাতা হয়ে মিজোরাম যান এবং সেখান থেকে মায়ানমারে প্রবেশ করেন। অভিযোগ, সেখানে তিনি বিদ্রোহীদের অস্ত্র এবং ড্রোন চালানোর প্রশিক্ষণ দিতেন।এছাড়াও জানা গিয়েছে, তিনি সিরিয়ার সংঘর্ষে যুক্ত ছিলেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ দিতেন। গেরিলা কৌশলেও তিনি দক্ষ বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আশঙ্কা, এই ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছয়, তাহলে উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

একাধিক কোপ, বিকৃত মুখ! তৃণমূল কর্মীর নৃশংস খুনে তোলপাড় এলাকা

প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মাঝেই এবার এক তৃণমূল কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।মৃত যুবকের নাম মশিউর কাজি, বয়স ৩৮। তিনি হাড়োয়া বিধানসভার গাংনিয়া গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।মিনাখাঁর সোনাপুকুর শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুঝুরগাছা গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম দেহটি দেখতে পান। রাস্তার ধারে পড়ে থাকা দেহে একাধিক জায়গায় ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাড়োয়া থানার পুলিশ। পরে দেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মৃতের পরিবারের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুন। মৃতের ভাই জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর অভিযোগ, নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে এবং এর পিছনে রাজনৈতিক শত্রুতা থাকতে পারে। তিনি দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, দেহের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে প্রথমে চেনা যায়নি। পরে অনেকক্ষণ দেখে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তিনি আরও বলেন, মৃত যুবক তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আগের দিন রাতে তিনি কাজের কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু আর ফেরেননি। সকালে তাঁর দেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়।এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং খুনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিমান ভাঙল? অসিতের বাড়িতে দেবাংশু, সামনে এল নাটকীয় মুহূর্ত

প্রার্থী না হওয়ায় নিজের অভিমান ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এমনকি জানিয়েছিলেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে চান। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করলেন দেবাংশু। তারপর থেকেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর অসিত স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি আপাতত রাজনীতি থেকে বিশ্রাম নেবেন এবং প্রয়োজনে আবার আইন পেশায় ফিরবেন। অন্যদিকে দেবাংশু আগে থেকেই বলেছিলেন, অসিত তাঁর কাছে পিতৃসম। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু সম্পর্ক ভাঙার নয়। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, খুব শীঘ্রই দেখা করবেন।শেষ পর্যন্ত সেই সাক্ষাৎ হল বুধবার সন্ধ্যায়। প্রিয়নগরে অসিতের বাড়িতে পৌঁছে যান দেবাংশু। গিয়ে প্রথমেই প্রণাম করেন। অসিতও তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। তারপর দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হয়।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুজনেই নিজেদের মতামত জানান। সেখানে সৌজন্যের একটি মুহূর্তও সামনে আসে। বড় চেয়ার ছেড়ে দেন দেবাংশু। অসিত তাঁকে বসতে বললেও তিনি তা মানেননি। শেষে অসিতের পাশেই একটি সাধারণ চেয়ারে বসেন তিনি। দেবাংশু জানান, অসিতের কাছ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিয়েছেন এবং সেই পরামর্শ তাঁর নির্বাচনী লড়াইয়ে কাজে লাগবে। তিনি আরও বলেন, অসিত তাঁর পাশে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন।তবে অসিতের বক্তব্যে এখনও অভিমানের সুর স্পষ্ট। তিনি বলেন, দলের কর্মীরা নিশ্চয়ই প্রার্থীকে জেতাতে কাজ করবেন এবং তিনি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু দেবাংশুকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি বলেন, দেবাংশুকে আলাদা করে পরিচয় করানোর প্রয়োজন নেই। তাঁর পিছনে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছে। নিজের প্রসঙ্গে অসিত বলেন, তিনি তৃণমূলের একজন সামান্য কর্মী।এই মন্তব্যের পরই দেবাংশু তাঁর হাত ধরে বলেন, অসিত নিজেকে যতটা ছোট ভাবছেন, তিনি ততটা ছোট নন। তাঁর মতে, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যেমন রয়েছেন, তেমনই চুঁচুড়ায় অসিতও তাঁদের অভিভাবক হিসেবে প্রয়োজন।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, অসিতের অভিমান কি সত্যিই কেটেছে, নাকি এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

রাতারাতি বড় নির্দেশ! বাংলার ১৫ পুলিশ অফিসারকে ভিনরাজ্যে পাঠানোয় চাঞ্চল্য

আবারও গভীর রাতে এল নতুন নির্দেশ। যাঁদের কিছুদিন আগেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল, সেই পুলিশ অফিসারদেরই এবার পাঠানো হচ্ছে ভিনরাজ্যে। বুধবার রাতেই এই নির্দেশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। মোট ১৫ জন পুলিশ অফিসারকে অন্য রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে।এবার তামিলনাড়ু ও কেরলে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই কারণে আগেই এ রাজ্যের কয়েকজন অফিসারকে সেখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। ভোট ঘোষণার আগে যিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব ছিলেন, সেই জগদীশ প্রসাদ মিনাকেও তামিলনাড়ুতে অবজারভার হিসেবে পাঠানো হয়েছে।এবার আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিককে ওই দায়িত্ব দেওয়া হল। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা এবং শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজাকেও তামিলনাড়ুতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার এবং আমনদীপ সিংকেও পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে মোট ১৫ জন অফিসারকে তামিলনাড়ু ও কেরলে পাঠানো হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন রাশিদ মুনির খান, সন্দীপ কারা, প্রিয়ব্রত রায়, প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী, মুকেশ, মুরলীধর শর্মা, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার, সি সুধাকর, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, আমনদীপ সিং, আকাশ মাঘারিয়া, অলোক রাজোরিয়া এবং সৈয়দ ওয়াকার রাজা।এই অফিসারদের অনেককেই সম্প্রতি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল। এবার তাঁদেরই আবার ভিনরাজ্যে পাঠানো হল। শুধু তাই নয়, পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করার জন্য যে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন, সেই প্রশিক্ষণও এই ১৫ জনের অধিকাংশের নেই বলে জানা যাচ্ছে। ফলে এত তাড়াহুড়ো করে তাঁদের পাঠানো হল কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal