• ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ০৫ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Test

খেলার দুনিয়া

মান বাঁচালেন ঋষভ, উত্তেজক পরিসমাপ্তির দিকে তৃতীয় টেস্ট

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে কেপ টাউনে কি আদৌও ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? তবে দুই দেশের তৃতীয় টেস্ট যে উত্তেজক পরিসমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে, সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছে ১০১/২। জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ১১১ রান। আর ইতিহাস তৈরি করতে গেলে ভারতকে তুলতে হবে ৮ উইকেট। পেন্ডুলামের মতো দুলছে ম্যাচের ভাগ্য। তৃতীয় টেস্টে ভারতকে লড়াইয়ে ফেরানোর কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন ঋষভ পন্থ। জোহানেসবার্গে তাঁর আউট হওয়ার ধরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অনেক সমালোচনা হজম করতে হয়েছিল ঋষভকে। এদিন দায়িত্বশীল ব্যাটিং। ১৩৯ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের প্ল্যাটফর্ম এনে দেন ভারতের এই উইকেটকিপারব্যাটার। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের সংগ্রহ ১৯৮। তার মধ্যে ঋষভের একারই ১০০। বাকি ৯ ব্যাটার মিলে তোলেন ৭০। শ্রীযুক্ত অতিরিক্তর দৌলতে আসে ২৮। তিনিই ভারতীয় ইনিংসের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ১৪৩ বল খেলে তিনি করেন ২৯। আগের দিনের ৫৭/২ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই জানসেনের বলে ফিরে যান পুজারা (৯)। পরের ওভারেই রাবাডা তুলে নেন রাহানেকে (১)। এরপর ভারতকে টেনে নিয়ে যান বিরাট কোহলি ও ঋষভ পন্থ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ১৩০/৪। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ পর কোহলি (২৯) আউট হতেই ধস নামে ভারতীয় শিবিরে। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ঋষভ। টেল এন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। মার্কো জানসেন ৩৬ রানে ৪টি, রাবাডা ৫৩ রানে ও এনগিডি ৩৩ রানে ৩ টি করে উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এগিয়ে যায় ২১১ রানে। জয়ের জন্য ২১২ রানে লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে অষ্টম ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এইডেন মার্করামকে (১৬) তুলে নেন মহম্মদ সামি। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। দুজনে মিলে ৭৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। এলগারকে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন বুমরা। এলগার আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনের খেলার পরিসমাপ্তি ঘটে। কিগান পিটারসেন ৪৮ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
কলকাতা

চাকরি না হলে স্বেচ্ছামৃত্যু, করোনাবিধি শিকেয় তুলে ফের বিক্ষোভ এসএসসি প্রার্থীদের

আট বছর পরেও কেন নিয়োগ হল না, এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ শুরু করেন ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট উর্ত্তীর্ণরা। আন্দোলনকারীদের মুখে শোনা গেল নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ। অবিলম্বে চাই নিয়োগ। না হলে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হোক। এদিন দুপুর থেকে এমমনই দাবি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সামনে তীব্র আন্দোলনে এসএসসি প্রার্থীরা।বারবার আদালতে উঠেছে এসএসসি মামলা। তাতে যেমনি উঠেছে প্রাইমারি নিয়োগ মামলা তেমনি উচ্চ প্রাথমিকও। এদিকে সদ্য এসএসসি-র চেয়ারম্যান বলদল হয়েছে। এতদিন শুভশঙ্কর সরকার এসএসসির চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। তিনি জানান, তাঁর সময়ে এসএসসি নিয়োগে কোনও অনিয়ম হয়নি। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার ব্যাপারেও অভিমত জানান। অন্যদিকে নতুন চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার তিনিও জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করতে হবে।কোনও হবু শিক্ষকের কোলে একরত্তি শিশু, কারও হাতে পোস্টার, রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে তাঁরা জড়ো হয়েছেন সল্টলেকের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র ভবনের সামনে। চাকরি প্রার্থীদের দাবি, তাঁরা টেট উর্ত্তীর্ণ হয়েছেন, ডিএলএড রয়েছে, তার পরেও দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বঞ্চিত। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ করে প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন এঁরা। তাঁদের বক্তব্য, বারবার সরকারের দ্বারস্থ হয়েও কাজের কাজ কিছু হয়নি। এমতাবস্থায় তাঁরা বাধ্য হয়েছেন আন্দোলনে নামতে। উঠল এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবিও করেন আন্দোলনকারীরা।এদিকে করোনা অবস্থায় এমন জমায়েত ও আন্দোলন ঠেকাতে পথে নামে পুলিশ। তারা আন্দোলনকারীদের কাছে আবেদন করেন দাবিদাওয়া নিয়ে এসএসসি কর্তাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বুমরার হাতে রচিত হল ইতিহাস তৈরির পটভূমি

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আগে কখনও সিরিজ জিতে ফেরেনি ভারত। এবার ইতিহাস তৈরির সুযোগ। ভারতের সিরিজ জয়ের পটভূমি রচনা করলেন যশপ্রীত বুমরা। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সুবাদে ভারতের ২২৩ রানে জবাবে প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ ২১০ রানে। ৪২ রানে ৫ উইকেট নিলেন বুমরা। ১৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে তুলেছে ২ উইকেটে ৫৭।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেটআগের দিনের ১৭/১ হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম সেশনেই আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটারকে হারায়। দিনের প্রথম ওভারেই বুমরার অসাধারণ ডেলিভারিতে বোল্ড হন এইডেন মার্করাম (৮)। কেশব মহারাজ ও কিগান পিটারসেন দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ২৫ রান করে উমেশ যাদবের বলে বোল্ড হন কেশব মহারাজ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ১০০/৩।আরও পড়ুনঃ আদালতের নির্দেশ মেনে গঙ্গাসাগর মেলা করার বার্তা মমতারমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর পিটারসেন ও ভ্যান ডার ডুসেনের জুটি ভাঙেন উমেশ যাদব। ২১ রান করে স্লিপে কোহলির হাতে ক্যাচ দেন ডুসেন। এরপর পিটারসেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাভুমা। ২৮ রান করে কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে বাভুমা আউট হন। পরের বলেই কট বিহাইন্ড হন ভেরেইন (০)। ১৫৯ রানেই পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চা বিরতির আগে শেষ ওভারে যশপ্রীত বুমরা বোল্ড করেন মার্কো জানসেনকে (৭)। একের পর এক উইকেট পড়লেও দলকে টেনে নিয়ে যান কিগান পিটারসেন। শেষ পর্যন্ত ৭২ রান করে তিনি বুমরার বলে পুজারার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শেষদিকে রাবাডা (১৫) ও অলিভিয়ের (অপরাজিত ১০) দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২০০ রানের গন্ডি পার করে দেন।আরও পড়ুনঃ অমার্জনীয় সাংবিধানিক অপরাধ করেছেন ডিজি ও মুখ্যসচিব, ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল১৩ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসেও রান পেলেন না মায়াঙ্ক আগরওয়াল (৭)। রাবাডার বলে তিনি স্লিপে এলগারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। লোকেশ রাহুলও (১০) ব্যর্থ। তিনি মার্কো জানসেনের শিকার। ক্রিজে রয়েছেন চেতেশ্বর পুজারা (৯) ও বিরাট কোহলি (১৪)।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌ভামিকার জন্মদিনে সেঞ্চুরি হাতছাড়া, রান পেলেও ‘‌ব্যর্থ বাবা’‌ কোহলি

স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অনুরাগীদের। স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন পরিবারকে। সেঞ্চুরি করে মেয়ে ভামিকার জন্মদিনে উপহার দেওয়া। একই সঙ্গে ৯৯ তম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখা। ব্যর্থ বাবা বিরাট কোহলি। সেঞ্চুরি না পেলেও তাঁর ব্যাটই কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ঢাল হয়ে দাঁড়াল অধিনায়ক কোহলির ব্যাট। তাঁর ৭৯ রানের সুবাদে প্রথম ইনিংসে ভারত তুলল ২২৩। কাগিসো রাবাডামার্কো জানসেনদের সুইংয়ে বেসামাল ভারতীয় ব্যাটাররা।আরও পড়ুনঃ লিটন যেন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, তবু লড়াই জমাতে পারল না বাংলাদেশকেপ টাউনের নিউল্যান্ডসের উইকেট বরাবরই বোলারদের সহয়তা করে এসেছে। এই মাঠে ভারতের পরিসংখ্যানও ভাল নয়। তার ওপর সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। জোরে বোলারদের আদর্শ এইরকম পরিবেশেও টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোহলি। তাঁর সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল না, ভারতের ২২৩ রানে গুটিয়ে যাওয়াতেই প্রমাণ।আরও পড়ুনঃ চীনা নয়, আইপিএলের স্পনসর এবার ভারতীয় গোষ্ঠীটস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খুব একটা খারাপ করেনি ভারত। দুই ওপেনার সতর্কভাবে ব্যাট করছিলেন। মনে হচ্ছিল ওপেনিং জুটি বড় রান আসবে ভারতের। কিন্তু দ্বাদশ ওভারে ধাক্কা খায় ভারত। ডোয়েন অলিভিয়েরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লোকেশ রাহুল। ৩৫ বলে তিনি করেন ১২। পরের ওভারেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তুলে নেন কাগিসো রাবাডা। শূন্যরানে একবার জীবন পেয়েও ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তুলে নেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও চেতেশ্বর পুজারা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ৭৫/২।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়ে জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেরমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর আউট হন পুজারা। ৭৭ বলে ৪৩ রান করে তিনি মার্কো জানসেনের বলে উইকেটের পেছনে ভেরেইনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। কোহলি ও পুজারার জুটিতে ওঠে ৬২। দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ অজিঙ্কা রাহানেও। ১২ বলে মাত্র ৯ রান করে তিনি রাবাডার বলে ভেরেইনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সতর্কভাবে ব্যাট করলেও ঋষভ পন্থও (২৭) বড় রান পেলেন না। রবিচন্দ্রন অশ্বিন (২), শার্দূল ঠাকুরের (১২) মতো টেল এন্ডাররাও ব্যর্থ। বিপর্যয়ের মধ্যে একা কুম্ভর মতো লড়াই করে গেলেন কোহলি। যদিও সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৭৩ রানে ৪টি, মার্কো জানসেন ৫৫ রানে ৩ উইকেট নেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

Chotkhanda: 'কথা দিয়ে' বিধায়ক না আসায় মেমারির দুর্গাপুর পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভে উত্তাল

গ্রামে পানীয় জলের সংকট মেটানো নিয়ে সোমবার গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠক করবেন বলে গিয়েছিলেন বিধায়ক। কিন্তু কথা দিয়েও পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে এদিন যাননি তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য। তা নিয়ে এদিন বিকালে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে দাড়িয়ে থাকা চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা পঞ্চায়েত প্রধান ও বিধায়কের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। পাশাপাশি তাঁরা অভিযোগ করেন, বিধায়কের সঙ্গে কথা বলার জন্য পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হয়েছিলেন বলে তাঁদের পুলিশ দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। তাঁকে ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে। ক্ষুব্ধ চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা এরপরেই হুঁশিয়ারি দেন, তাঁদের গ্রামে পানীয় জলের সংকট সমাধানে পঞ্চায়েত দ্রুত ব্যবস্থা নি নিলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।বিধায়ক যদিও দাবি করেছেন, কোভিড বিধির কথা মাথায় রেখেই তিনি এদিন পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠকে করতে যাননি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অবশ্যই তিনি বৈঠক করবেন বলেন জানিয়ে দেন।আরও পড়ুনঃ ঝঞ্ঝার দাপটে আজ থেকে শুরু বৃষ্টিএলাকা সূত্রে খবর, বিধানসভা ভেটের সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতো চোটখণ্ড গ্রামে পানীয় জলের সমস্যার সমাধান হয়নি। এমনকি গ্রামের রাস্তা-ঘাট ও নিকাশী-ব্যবস্থারও কোন উন্নতি হয়নি। তা নিয়ে চোটখণ্ড সহ আশেপাশের বনশেঁকরা, তালগেঁড়া প্রভৃতি গ্রামের বাসিন্দা মহলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে গত বৃহস্পতিবার দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত গিয়ে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। পর তিনি পঞ্চায়েত অফিস লাগোয়া চোটখণ্ড গ্রামেও যান। ওই দিন চোটখণ্ড গ্রামের মানুষজন বিধায়ককে বিধানসভা ভোটের সময়ে তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন।আরও পড়ুনঃ করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্নপ্রথমে প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করলেও পরে বিধায়ক তাঁর প্রতিশ্রূতির কথা স্বীকার করে নেন। ওই দিনই তিনি গ্রামবাসীদের বলে যান গ্রামের মানুষজনের দাবিদাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সোমবার তিনি দুর্গাপুর পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠকে বসবেন। সেই মতো এদিন গ্রামের বাসিন্দারাও দুপুর থেকে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হন। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে গেলেও বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য আর পঞ্চায়েত অফিসে না আসায় গ্রামবাসীরা পঞ্চায়েত অফিসের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। গ্রামের বাসিন্দা অনাথ ক্ষেত্রপাল, বাপি ক্ষেত্রপাল বলেন, বিধায়ককে সমস্যার কথা জানাবেন বলে তাঁরা পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হয়েছিলেন বলে তাঁদের পুলিশের হুমকির মুখে পড়তে হয়। এমনটি তাঁরা প্রত্যাশা করেননি। তাই তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর আবেদন নিবেদন নয়। গ্রামে পানীয় জলের সংকট নিরসন ও এলাকার উন্নয়নে পঞ্চায়েত দ্রুত ব্যবস্থা নি নিলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Kohli-Rishabh : কেপ টাউন টেস্টের আগে ঋষভকে কেন সতর্ক করলেন কোহলি?‌

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও ভারতীয় দল সিরিজ জিতে ফিরে আসতে পারেনি। বিরাট কোহলির দলের সামনে সেই সুযোগ। প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। জোহানেসবার্গে জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। মঙ্গলবার থেকে কেপ টাউনে শুরু হচ্ছে তৃতীয় টেস্ট। দুই দলের মধ্যে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।আরও পড়ুনঃ এসটিএফের অভিযানে ৬৫ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, ব্যাপক চাঞ্চল্য বর্ধমানেতৃতীয় টেস্টে মাঠে নামার আগে প্রথম একাদশ নিয়ে দ্বিধায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সিরিজে প্রথমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রথম একাদশ খোলসা করেননি ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। জোহানেসবার্গে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে তৃতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন মহম্মদ সিরাজ। তাঁর জায়গায় উমেশ যাদব, না ইশান্ত শর্মাকে খেলানো হবে তা এখনও ঠিক করে উঠতে পারেনি ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে ইশান্তের পাল্লাই ভারি। চোটের জন্য আগের টেস্টে খেলতে পারেননি বিরাট কোহলি। এই টেস্টে তিনি ফিরছেন। কোন ব্যাটার বাদ যাবেন, এখন সেটাই দেখার। তবে হনুমা বিহারীর প্রথম একাদশ থেকে বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ঋষভ পন্থকে নিয়েও জল্পনা রয়েছে। দ্বিতীয় টেস্টে তিনি যেভাবে আউট হয়েছেন, স্বয়ং ভারতীয় দলের হেডস্যার খুশি নন। বিরাট অবশ্য মহেন্দ্র সিং ধোনির পরামর্শর কথা উত্থাপন করে ঋষভকে সতর্ক করে দিয়েছেন। ধোনি একবার কোহলিকে বলেছিলেন, একই ভুল যেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬৭ মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার না ঘটে।আরও পড়ুনঃ আইএসএলে ইতিহাস গড়তে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। কীভাবে দেখে নিনমঙ্গলবার কন্যা ভামিকার জন্মদিন। মেয়ের জন্মদিনেই ৯৯ তম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখতে চান কোহলি। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। মেয়ের জন্মদিনে সুযোগ পেলে সেঞ্চুরি করে স্মরণীয় করে রাখতে চান। তবে তাঁর সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে যেভাবে চারিদিকে চর্চা হচ্ছে তা নিয়ে একেবারে চিন্তিত নন কোহলি। তিনি জানিয়েছেন, কারও কাছে তাঁর নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করার কিছু নেই।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনন্য কৃতিত্ব ট্রেন্ট বোল্টেরকেপ টাউনে ভারতের পরিসংখান একেবারেই ভাল নয়। এর আগে নিউল্যান্ডসে ৫টি টেস্ট খেলেছে ভারত। ৩টিতে হার, দুটি ড্র। এবার ইতিহাস বদলানোর সুযোগ ভারতীয় দলের সামনে। কিন্তু ভারতের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে নিউল্যান্ডসের বাইশ গজ ও কেপ টাউনের আবহাওয়া। জোহানেসবার্গের মতো এখানেও বৃষ্টির হানা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

MLA Protests: পানীয় জলের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ, পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

প্রতিশ্রুতি মত গ্রামে পানীয় জলের সমস্যার সমাধান হয়নি। একই ভাবে হয়নি গ্রামের রাস্তা-ঘাট ও নিকাশী-ব্যবস্থার উন্নতিও। এরই প্রতিবাদে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দাদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য। ভোটের সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে বিধায়ক প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কথা স্বীকার করে নেন। তা নিয়ে এখন মেমারিতে শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের রাজনৈতিক চাপান-উতোর।মেমারি-১ পঞ্চায়েত সমিতির আন্তর্গত দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস চোটখণ্ড গ্রামে অবস্থিত। গ্রামের বাসিন্দা অনাথ ক্ষেত্রপাল বলেন, এই গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলেরও সমস্যা রয়েছে। গ্রামের অধিকাংশ রাস্তাই কাঁচা। নিকাশী বাবস্থা ভালো না থাকায় বর্ষায় চোটখণ্ড গ্রামের মানুষজনের দুর্ভোগ চরমে ওঠে। তিনি জানান বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়ে মধুসূদন ভট্টাচার্য্য আমাদের চোটখণ্ড গ্রামে প্রচারে আসেন। ওই সময়ে গ্রামের জগৎগৌরি মন্দির তলায় বসে মধুসূদন বাবু প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান ভোটে জিতলে তিনি হয় সজল ধারা প্রকল্পে চোটখণ্ড গ্রামে পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেবেন। পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নেও উদ্যোগ নেবেন বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ভোটে জিতে বিধায়ক হওয়ার পর মধুসূদনবাবু তাঁর দেওয়া সব প্রতিশ্রুতির কথা সব ভুলে গিয়েছেন। পানীয় জলের হাহাকার আজও চোটখণ্ড গ্রামে রয়েই গিয়েছে। তাই বৃহস্পতিবার বিকালে বিধায়ক মধুসূদনবাবু যখন চোটখণ্ড গ্রামে আসেন তখন গ্রামের সকলে তাঁর কাছে পানীয় জলের ব্যবস্থা না হওয়ার কথা তুলে ধরেন। ভোটের সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথাও বিধায়ককে স্মরণ করিয়ে দেন গ্রামবাসীরা। ওই সময়ে বিধায়ক প্রথমে প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করেও পরক্ষণেই তা স্বীকার করে নিয়ে বিধায়ক পানীয় জলের সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে যান। গ্রামবাসীদের অভিযোগের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান নিতাই ঘোষ। শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানান, চোটখণ্ড ছাড়াও হঠাৎপাড়া, বনশেঁকরা তালগেঁড়া প্রভৃতি এলাকায় রাস্তা ঘাট সত্যি অত্যন্ত খারাপ রয়েছে। ওইসব গ্রামে পানীয় জলের সমস্যাও রয়েছে। এইসব সমস্যার সমাধান কোন ভাবেই করা যাচ্ছে না। গ্রামবাসীদের একটু ধৈর্য্য ধরার কথা বলা হয়েছে। বিধায়ককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানোর কারণ প্রসঙ্গে উপ প্রধান বলেন, গ্রামবাসীরা বলছে বিধানসভা ভোটের সময়ে মধুসূদনবাবু নাকি চোটখণ্ড গ্রামে সজল ধারা প্রকল্পে পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেওয়ার ও গ্রামের রাস্তা-ঘাটের উন্নতি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু পানীয় জলের ব্যবস্থা আজ আবধি হয়নি। তাই তাঁরা বৃহস্পতিবার বিধায়ককে কাছে পেয়ে বিক্ষোভ দেখান।বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য বলেন, ভোট বৈতরণী পার হবার জন্য আমরা নির্দিষ্ট কিছু করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষের কাছে ভোট চাই না। ওই গ্রামে টিউবওয়েল আছে। জলস্তর নীচে থাকা বা অন্য কোনও কারণে ওইসব কল থেকে হয়তো ঠিকঠাক জল উঠছে না। গ্রামবাসীরা পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছে। সমস্যার দ্রুত সমাধান কি করে করা যায় সেই বিষয়টি দেখা হচ্ছে।এই বিষয়ে সিপিএম মেমারি ১ (পূর্ব) এরিয়া কমিটির সদস্য অভিজিৎ কোঙার বলেন, বাম আমলে ওই পঞ্চায়েতটি রাজ্যের সেরা ও দেশের সের পঞ্চায়েতের স্বীকৃতি পেয়েছিল। এখন ওই পঞ্চায়েতটি করে খাওয়ার জায়গা হয়ে উঠেছে। রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে বলে তৃণমূলের তরফে যে প্রচার করা হয় তা যে আসলে ভাঁওতা সেটা চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দাদের ক্ষোভ-বিক্ষভেই প্রমাণ করে দিয়েছে। মেমারির বিজেপি নেতৃত্বও দাবি করেছে, তৃণমূল উন্নয়নের নামে যা প্রচার করে তা আসলে ধাপ্পা ছাড়া আর কিছুই নয়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : ওয়ান্ডারার্সে ‘‌ওয়ান্ডারফুল’‌ ব্যাটিং এলগারের, দূর্গে ফাটল ভারতের

জোহানেসবার্গ নাকি ভারতের দূর্গ বলে পরিচিত। এই টেস্টের আগে ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে ৫টি ম্যাচ খেলেছে ভারত। দুটি জয়, তিনটি ড্র। গত ৩০ বছরে ভারতকে এই মাঠে হারাতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের সেই প্রিয় মাঠেই এবার জয় ছিনিয়ে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়ান্ডারার্সে টেস্টে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভেঙে গেল ভারতের। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে ঐতিহাসিক জয় এনে দিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার।আরও পড়ুনঃ সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকের২০১৮ সালে এই মাঠেই টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছিল বিরাট কোহলির ভারত। সেবার ২৪১ রান তাড়া করতে নেমে ১৭৭ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ২৪০ বলে ৮৬ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেও দলের হার বাঁচাতে পারেননি এলগার। ৪ বছরের পুরনো স্মৃতি এবার আর ওয়ান্ডারার্সে ফিরতে দিলেন না প্রোটিয়া অধিনায়ক। এবার ৯৬ রানে অবিস্মরণীয় ইনিংস খেলে দলকে দুর্দান্ত জয় এনে দিলেন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ কমিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রাজোয়ানেসবার্গে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। প্রথম ইনিংসে ভারত তুলেছিল ২০২। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা তোলে ২২৯। ২৭ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তোলে ২৬৬। জয়ের জন্য ২৪০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছিল ২ উইকেটে ১১৮। দরকার ছিল ১২২ রান। হাতে ছিল ৮ উইকেট। চতুর্থ দিন বৃষ্টির জন্য প্রথম দুই সেশন নষ্ট হলেও দক্ষিণ আফ্রিকার জয় আটকায়নি।আরও পড়ুনঃ রক্ষণ সামলাতে পুরনো ডিফেন্ডারকে ফেরাল এটিকে মোহনবাগানআবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস ছিল, চতুর্থ দিন বৃষ্টি ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এদিন সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়। এদিন খেলা আদৌও হবে কিনা, তা নিয়ে একসময় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। বৃষ্টি থামায় অবশেষে চা পানের বিরতির পর খেলা শুরু হয়। শুরু থেকেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে আক্রমণে নিয়ে এসেছিলেন লোকেশ রাহুল। কাজের কাজ কিছু হয়নি। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরা, শার্দূল ঠাকুররাও দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ব্যাটার ডিন এলগার ও ভ্যান ডার ডুসেনকে বিব্রত করতে পারেননি। অবশেষে মহম্মদ সামি জুটি ভাঙেন। ৫৪ তম ওভারের শেষ বলে ডুসেনকে (৪০) যখন তুলে নেন দক্ষিণ আফ্রিকা পৌঁছে গিয়েছিল ১৭৫ রানে। এলগার ও ডুসেনের ৮২ রানের জুটি ভারতকে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অধিনায়ক ডিন এলগার ও তেম্বা বাভুমা। ২৪৩/৩ তুলতে দক্ষিণ আফ্রিকার লাগে ৬৭.৪ ওভার। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে এলগার ৯৬ রানে ও বাভুমা ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : জ্বলে উঠলেন পুজারা–রাহানে, তবু জোহানেসবার্গে ব্যাকফুটে ভারত

টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর জন্য এটাই ছিল চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানের কাছে শেষ সুযোগ। ব্যর্থ হলেই অন্ধকার ঘনিয়ে আসত এই দুই ভারতীয় মিডল অর্ডার ব্যাটারের টেস্ট জীবনে। প্রবল চাপের মুখে জ্বলে উঠলেন পুজারা ও রাহানে। তাঁদের ১১১ রানের জুটি শুধু নিজেদের টেস্ট কেরিয়ারে লাইফলাইন এনে দিল না, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের জয়ের পথও প্রশস্ত করে দিয়েছিল। শেষ বেলায় ভারতকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দিলেন এলগার ও ডুসেন। জয়ের জন্য ২৪০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ১১৮/২। বাকি দায়িত্ব এখন ভারতীয় বোলারদের হাতে।আরও পড়ুনঃ বাংলা পক্ষের চাপে পড়ে বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বিভাগেরআগের দিনের ৮৫/২ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে। টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর ইনিংসে অনেক ইতিবাচক ছিলেন পুজারা। দিনের প্রথম ঘন্টাতেই হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেন ভারতের দুই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ১০টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬২ বলে ৫০ রানে পৌঁছে যান পুজারা। বিদেশের মাটিতে এটাই তাঁর দ্রুততম অর্ধশতরান। রাবাডা, এনগিডিদের বিরুদ্ধে একেবারে চরিত্রবিরোধী ব্যাটিং করে গেলেন পুজারা। আসলে টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর চাপেই তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। অবশেষে ৮৬ বলে ৫৩ রান করে রাবাডার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান পুজারা। তাঁর এই লড়াকু ইনিংস আপাতত বাঁচিয়ে দিল টেস্ট কেরিয়ার।আরও পড়ুনঃ কামড় দিলেই তেতুল জলের বদলে বাটারস্কচ আইসস্ক্রিম, ভিন্ন স্বাদের ফুচকায় মেতেছে বর্ধমানপুজারার পাশাপাশি অজিঙ্কা রাহানের কথাও বলতে হবে। তিনিও প্রবল চাপের মুখে ছিলেন। জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় ইনিংসে রান না পেলে পুজারার মতো তাঁরও টেস্ট কেরিয়ার শেষ হয়ে যেত। জ্বলে উঠলেন রাহানে। ৭৮ বলে ৫৮ রান করে শুধু টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর লাইফলাইন পেলেন না, ভারতকে লড়াই করার জায়গায় পৌঁছে দিল। পুজারা ও রাহানের ১১১ রানের জুটি ভারতে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেয়। তবে হনুমা বিহারী (অপরাজিত ৪০), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (১৬), শার্দূল ঠাকুরদের (২৮) লড়াই ভারতকে ২৬৬ রানে পৌঁছে দেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৭৭ রানে, লুঙ্গি এনগিডি ৪৩ রানে ও মার্কো জানসেন ৬৭ রানে ৩টি করে উইকেট পান।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয়বার কোভিডে আক্রান্ত রাজ-শুভশ্রীপ্রথম ইনিংসে ২৭ রানে এগিয়ে থাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪০। দ্বিতীয় ইনিংসে ভাল শুরু করেছিলেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার এইডেন মার্করাম ও ডিন এলগার। চা পানের বিরতির আগেই ৭ ওভারে দুজনে তোলেন ৩৪। তৃতীয় সেশনের শুরুতেই ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে। মার্করামকে (৩১) তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু দেন শার্দূল ঠাকুর। এরপর এলগারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন কিগান পিটারসেন। পিটারসেনকে (২৮) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন অধিনায়ক ডিন এলগার (অপরাজিত ৪৬) ও ভ্যান ডার ডুসেন (অপরাজিত ১১)। জিততে গেলে প্রোটিয়াদের এখনও তুলতে হবে ১২২। হাতে ৮ উইকেট।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bangladesh Win: ইতিহাস গড়ে মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ের ড্রেসিংরুমে বেঙ্গল টাইগারদের গর্জন, ভিডিও ভাইরাল

মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ের ড্রেসিংরুমে একঝাঁক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গর্জন। মোমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, এবাদত হোসেনদের কন্ঠে আমরা করব জয় একদিন। টেস্টের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট জয় স্বপ্ন বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ শিবিরে।আরও পড়ুনঃ টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে রূপকথা বাংলাদেশেরভোরের আলো ফোটার আগেই দেশবাসী টিভির সামনে। ইতিহাসের সাক্ষী থাকার অপেক্ষায়। মোমিনুলরা জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছনোর পরই আবেগে ভেসে যান কোটি কোটি বাঙালী। এতো গেল দেশের কথা। মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ের ড্রেসিংরুমে অন্য ছবি। ধরা পড়েছে বাঙালির আবেগ। মোমিনুল, মুশফিকুরদের কন্ঠে আমরা করব জয় একদিন। আগামীর শপথ। হার না মানা জেদের বহিঃপ্রকাশ। টেস্ট ক্রিকেটে ইতিহাস তৈরির সূচনা নিউজিল্যান্ডের মাটিতেই যেন তৈরি করলেন মোমিনুলরা। নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে নতুন প্রভাতের দিশা দেখালেন।Bangladesh Team dressing room celebrations following the historic win at Mount Maunganui.#BCB #cricket #BANvsNZ pic.twitter.com/78pGFQ30wP Bangladesh Cricket (@BCBtigers) January 5, 2022টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বসেরাদের তাদের মাটিতেই হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করে আবেগে ভাসছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। একসময় ভলি খেলতেন। সেখান থেকে ক্রিকেটে উত্তরন এবাদত হোসেনের। বাংলাদেশের জয়ের নায়ক তিনিই। ম্যাচের সেরা এবাদত হোসেন বলছিলেন, আমি বাংলাদেশ বায়ুসেনার একজন সৈনিক। কীভাবে স্যালুট করতে হয় জানি। ভলিবল খেলোয়াড় থেকে টেস্ট ক্রিকেটার হওয়ার পেছনে লম্বা ইতিহাস রয়েছে। গত ১১ বছরে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে আমরা কখনও জিতিনি। আমাদের দলও কখনও জেতেনি। কিন্তু নিউজিল্যান্ড আসার আগে আমরা একটা লক্ষ্য স্থির করে নিয়েছিলাম। আমরা প্রত্যেকেই হাতে হাত মিলিয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, আমাদের জিততেই হবে। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে আমরা এটা করে দেখাতে পারি। সেটাই করে দেখিয়েছি। এবাদত আরও বলেন, আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়েছি। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মও আশা করছি জিতবে।আরও পড়ুনঃ গাঙ্গুলি পরিবারে আবার করোনার হানা, আক্রান্ত সৌরভের কন্যা সানাটেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়েছেন, বিশ্বাসই করতে পারছেন না বাংলাদেশের অধিনায়ক মোমিনুল হক। তিনি বলেন, আমার কাছে সত্যিই অবিশ্বাস্য লাগছে। এই জয় আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। আগের রাতে ঘুমাতে পারিনি। কী হবে এটা ভেবেই টেনশনে ছিলাম। গত দুবছরে আমরা খুব বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলিনি। আমরা টেস্ট ক্রিকেটে উন্নতি করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bangladesh vs New Zealand : ‌টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে রূপকথা বাংলাদেশের

বাংলাদেশের আকাশে তখনও সূর্য ওঠেনি। ফোটেনি ভোরের আলো। তবুও জেগে উঠেছিল আপামর কোটি কোটি বাঙালী। ইতিহাসের সাক্ষী থাকার অপেক্ষায়। দেশবাসীকে হতাশ করেননি মোমিনুল হকরা। মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে তৈরি করলেন রূপকথা। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টেস্ট জিতে ইতিহাস বাংলাদেশের। কিউয়িদের ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেলেন মোমিনুলরা। বাংলাদেশের ইতিহাস তৈরির মূল কারিগর এবাদত হোসেন। ধুলোয় মিশে গেল টেস্ট ক্রিকেটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সম্মান। টানা ১৭ ম্যাচ পর টেস্ট ক্রিকেটে অপরাজিত থাকার তকমা হারাল কিউয়িরা।বাংলাদেশর জয় যে সময়ের অপেক্ষা, চতুর্থদিন শেষবেলাতেই ইঙ্গিতটা পাওয়া গিয়েছিল। এবাদত হোসেনের দুরন্ত বোলিংয়ে ভেঙে পড়েছিল নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। চতুর্থ দিনের শেষে নিউজিল্যান্ডের রান ছিল ১৪৭/৫। ক্রিজে ছিলেন রস টেলর ও রাচিন রবীন্দ্র। আগের দিন যেখানে শেষ করেছিলেন পঞ্চম দিন সকালে সেখান থেকেই শুরু করেছিলেন বাংলাদেশর জোরে বোলার এবাদত হোসেন। এদিন কিউয়িদের প্রথম ধাক্কা দেন তিনিই। সকালেই রস টেলরকে (৪০) তুলে নেন। এক ওভার পরেই ফেরান কাইল জামেসনকে (০)। টেলর আউট হওয়ার পরপরই এটা পরিস্কার হয়ে যায় যে কিউয়িরা আর বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারবে না। নিউজিল্যান্ডের বাকি লেজটুকু ছাঁটেন তাস্কিন আমেদ ও মেহেদি হাসান। তাস্কিন তুলে নেন রাচিন রবীন্দ্র (১৬) ও টিম সাউদিকে (০)। অন্যদিকে মেহেদি হাসান ফেরান ট্রেন্ট বোল্টকে (৮)। ৭৩.৪ ওভারে ১৬৯ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। এবাদত হোসেন ৪৬ রানে ৬টি এবং তাস্কিন আমেদ ৩৬ রানে ৩ উইকেট নেন।প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড তুলেছিল ৩২৮। জবাবে বাংলাদেশ তুলেছিল ৪৫৮। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪০। দ্বিতীয় ওভারেই সাদমান ইসলামকে (৩) তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম ধাক্কা দেন টিম সাউদি। দলের ৩৪ রানের মাথায় আউট হন নাজমুল হোসেন (১৭)। ততক্ষনে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৬.৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৪২ রান তুলে মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে ইতিহাস তৈরি করে ফেলেন মোমিনুলরা। মোমিনুল ১৩ ও মুশফিকুর রহিম ৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : জীবনের সেরা বোলিং, শার্দূলের দুর্দান্ত প্রত্যাঘাতে ম্যাচে ফিরল ভারত

জোহানেসবার্গে সিরিজ জিতে কি ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? প্রথম ইনিংসে লোকেশ রাহুলরা ২০২ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে। দ্বিতীয় দিনে শার্দূল ঠাকুরের হাত ধরে দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত। জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল। তুলে নিলেন ৬১ রানে ৭ উইকেট। ভারতের ২০২ রানে জবাবে ২২৯ রানে শেষ হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ২৭ রানের বেশি লিড পেল না প্রোটিয়ারা।আরও পড়ুনঃ টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে পারবে বাংলাদেশ? সামনে সুবর্ণ সুযোগআগের দিনের ১ উইকেটে ৩৫ রানে হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম বল থেকেই দারুণ সতর্ক ছিলেন ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। যশপ্রীত বুমরার বলে এলগারকে একবার আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। এলগার রিভিউ নিয়ে যে যাত্রায় বেঁচে যান। তার পরেও বড় রান করতে ব্যর্থ হন প্রোটিয়া অধিনায়ক। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরারা সুবিধা করতে না পারায় শার্দূল ঠাকুরকে আক্রমণে নিয়ে আসেন লোকেশ রাহুল। এলগারকে (২৮) তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু দেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত লক্ষ্মীরতন শুক্লা এখন কেমন আছেন? জানতে পড়ুনপ্রথম দিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগেই ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটেছিল ভারতের। দক্ষিণ আফ্রিকারও সেই একই অবস্থা। শার্দূল ঠাকুরের ধাক্কায় মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগে ব্যাটিং বিপর্যয় প্রোটিয়াদের। উইকেটে জমে যাওয়া কিগান পিটারসেন (৬২) ও ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) তুলে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন শার্দুল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তেম্বা বাভুমা ও কাইল ভেরেইন। জুটিতে ওঠে ৬০। জুটি ভাঙতে সেই শার্দূলের দ্বারস্থ হন লোকেশ রাহুল। অধিনায়ককে হতাশ করেননি শার্দূল। ভেরেইনকে (২১) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন। এক ওভার পরেই তুলে নেন বাভুমাকে (৫১)। এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পরই বড় ইনিংসের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার। শেষদিকে মার্কো জানসেন (২১) ও কেশব মহারাজের (২১) সৌজন্যে ২২৯ রানে পৌঁছয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৬১ রানে ৭ উইকেট নেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে এদিন একাই ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল ঠাকুর। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রিসবেনে ৬১ রানে ৪ উইকেট নেওয়াটা ছিল টেস্ট জীবনের সেরা বোলিং। ওই টেস্টে দুইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন শার্দূল। ব্রিসবেনে ভারত টেস্ট জিতেছিল। শুধু বোলিংয়েই নয়, ব্যাটিংয়েও দারুণ অবদান রেখেছিলেন। জোহানেসবার্গ টেস্টে তাঁর খেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁর পরিবর্তে উমেশ যাদবকে খেলানোর কথা ভেবেছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত শার্দূলেই আস্থা রাখে।আরও পড়ুনঃ কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি২৭ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তুলেছে ২ উইকেটে ৮৫। লোকেশ রাহুল ৮ রান করে মার্কো জানসেনের বলে আউট হন। মায়াঙ্ক আগরওয়াল ২৩ রান করে আউট হন। চেতেশ্বর পুজারা ৩৫ ও অজিঙ্কা রাহানে ১১ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bangladesh VS New Zealand : টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে পারবে বাংলাদেশ?‌ সামনে সুবর্ণ সুযোগ

টি২০ বিশ্বকাপে জঘন্য পারফরমেন্সের কারনে বাংলাদেশ দলকে নিয়ে দেশে সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল। বিশ্বকাপে চূড়ান্ত ব্যর্থতার পর লাল বলের ক্রিকেটে উল্টোপুরান। নিউজিল্যান্ডের ঘরের মাঠে ইতিহাস তৈরির হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে চালকের আসনে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বেকায়দায় নিউজিল্যান্ড। মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে অনুষ্ঠিত দুদেশের মধ্যে প্রথম টেস্টে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। ডেভন কনওয়ের ১২২ রানের উপর ভর করে নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংসে তোলে ৩২৮। জবাবে বাংলাদেশ তোলে ৪৫৮। তৃতীয় দিনের শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৬ উইকেটে ৪০১। বাকি ৪ উইকেট হারিয়ে এদিন ৫৭ রান যোগ করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন মোমিনুল হক। তিনি করেন ৮৮। লিটন দাস করেন ৮৬। ট্রেন্ট বোল্ট ৮৫ রানে ৪ উইকেট নেন। নিল ওয়াগনার নেন ৩ উইকেট। ১৩০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় কিউয়িরা। ১৪ রান করে ফিরে যান অধিনায়ক টম লাথাম। প্রথম ইনিংসে শতরানকারী ডেভন কনওয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যর্থ। মাত্র ১৪ রান করে তিনি এবাদত হোসেনের বলে আউট হন। এরপর দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন উইল ইয়ং ও রস টেলর। দিনের শেষ বেলায় আবার জ্বলে ওঠেন এবাদত হোসেন। ধস নামান নিউজিল্যান্ড শিবিরে। ৫৪ তম ওভারের তৃতীয় বলে তুলে নেন উইল ইয়ংকে। ১৭২ বলে ৬৯ রান করে তিনি আউট হন। ২ বল পরেই এবাদত ফেরান হেনরি নিকোলসকে (০)। এক ওভার পরে টম ব্লান্ডেলকে (০) তুলে নিয়ে নিউজিল্যান্ডকে গভীর সঙ্কটে ফেলে দেন। ১৩৬ রানেই ৩টি উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। দিনের শেষে তাদের সংগ্রহ ১৪৭/৫। ক্রিজে রয়েছেন রস টেলর (৩৭) ও রাচিন রবীন্দ্র (৬)। দুই ইনিংস মিলিয়ে নিউজিল্যান্ড ১৭ রানে এগিয়ে। ৩৯ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন এবাদত হোসেন। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে এই টেস্ট জিতে ইতিহাস তৈরি করতে পারে বাংলাদেশ।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : কোহলির না থাকার ধাক্কা সামলাতে ব্যর্থ ভারত, দ্বিতীয় টেস্টে কেন ব্যাটিং বিপর্যয়?‌

ওয়ান্ডারার্সে ইতিহাসের হাতছানি ভারতীয় দলের সামনে। দ্বিতীয় টেস্ট জিতলেই দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পাবে। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে চোটের জন্য ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি? যতই ফর্মে না থাকুন, কোহলির খেলা আর না খেলার মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য রয়েছে। যেটা প্রমাণ হয়ে গেল জোহানেসবার্গে। ওয়ান্ডারার্সে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের। ৬৩.১ ওভারে গুটিয়ে গেল মাত্র ২০২ রানে। সর্বোচ্চ রান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের।জোহানেসবার্গের উইকেট বরাবরই জোরে বোলারদের সহায়ক। যার ফায়দা তুলে নিলেন ডোয়েন অলিভিয়ের, মার্কো জানসেন, কাগিসো রাবাডারা। যদিও উইকেট দেখে শুরুর দিকে কিছুটা ফ্ল্যাট মনে হয়েছিল। টসে জিতে লোকেশ রাহুল ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভাল শুরু করেছিলেন ভারতীয় দলের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩৬। পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২৬) তুলে নেন মার্কো জানসেন। ক্রিজে নেমে সতর্কভাবে ব্যাট করছিলেন চেতেশ্বর পুজারা। মাথার ওপর বাদ যাওয়ার খাঁড়া ঝুলছে। চাপ নিতে পারলেন না। ডোয়েন অলিভিয়েরের বলে বাভুমার হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে আউট হন পুজারা (৩)। পরের বলেই খোঁচা দিয়ে ড্রেসিংরুমের পথে অজিঙ্ক রাহানে (০)। নিজেদের টেস্ট কেরিয়ার বাঁচাতে আর মাত্র একটা ইনিংস সুযোগ পাবেন ভারতীয় দলের এই দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার।বিরাট কোহলি চোটের জন্য ছিটকে যাওয়ায় সুযোগ পেয়েছেন হনুমা বিহারী। কারণ শ্রেয়স আয়ারও অসুস্থ। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না বিহারী। ব্যক্তিগত ২ রানের মাথায় একবার জীবন পেয়ে ৫৩ বলে ২০ রান করে রাবাডার বলে আউট হন। ঋষভ পন্থ ১৭ রান করে মার্কো জানসেনের ভেতরে ঢুকে আসা বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।নেতৃত্বের ব্যাটন দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দিয়েছিল লোকেশ রাহুলের। শুরু থেকেই সতর্কভাবে ব্যাট করে দলকে টানছিলেন। অর্ধশতরান পূরণ করার পর মনসংযোগ হারান। মার্কো জানসেনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল পুল করতে গিয়ে ফাইন লেগে কাগিসো রাবাডার হাতে ধরা পড়েন। ১৩৩ বলে ৫০ রান করেন লোকেশ রাহুল। লোকেশ রাহুল আউট হওয়ার পরই ভারতের বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। পরের দিকে সঙ্গী পাবেন না ভাবেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৫০ বলে ৪৬)। তাঁর ও যশপ্রীত বুমরার (অপরাজিত ১৪) সৌজন্যে ২০০ রানের গন্ডি পার হয় ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে মার্কো জানসেন ৩১ রানে ৪টি, কাগিসো রাবাডা ও ডোয়েন অলিভিয়ের ৬৪ রানে ৪টি করে উইকেট পান।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : কেন জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি?‌ জানুন গোপন রহস্য

জোয়ানেসবার্গে লোকেশ রাহুলকে টস করতে যেতে দেখেই অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। বিরাট কোহলি কোথায়? বিতর্কে জেরবার হয়ে তিনি কি মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন? ওয়ান্ডারার্সে টেস্ট জিতলেই ইতিহাস তৈরি হবে। এই রকম পরিস্থিতিতে কিনা প্রথম একাদশ থেকে সরে দাঁড়ালেন অধিনায়ক! আসল কারণটা জানা গেল ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের মুখে। পিঠের ওপরের দিকে ব্যাথার জন্য বিরাট কোহলি খেলতে পারছেন না। তিনি ফিজিওর পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।বিরাট কোহলি জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ানোয় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সত্যিই কি তিনি চোটে কাবু? না, ব্যর্থতার আতঙ্কে সরে গেলেন। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। আগের টেস্টে যেভাবে আউট হয়েছেন, তা নিয়ে সমালোচনার বন্যা বয়ে গেছে। ওয়ান্ডারার্সের সবুজ উইকেটে যদি আবার ব্যর্থ হন। সেই আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে অন্য কারণ জোরালোভাবে সামনে এসে পড়েছে।জোহানেসবার্গে মাঠে নামলে ৯৯ তম টেস্ট খেলা হয়ে যেত বিরাট কোহলির। কেপটাউনে শততম টেস্ট খেলতে নামতেন। কিন্তু জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ানোয় দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে শততম টেস্ট খেলতে হচ্ছে না বিরাট কোহলিকে। দক্ষিণ আফ্রিকার পর ভারত টেস্ট সিরিজ খেলবে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। দুর্বল শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ফর্মে ফেরার দারুণ সুযোগ পাবেন কোহলি। একদিকে ফর্মে ফেরার সুযোগ, অন্যদিকে ঘরের মাঠে শততম টেস্ট খেলার হাতছানি। এইরকম সুযোগ কেউ কি হাতছাড়া করতে চাই? এই প্রশ্নটাই জোরালো হয়ে দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, ঘরের মাঠে দুর্বল শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে বড় ইনিংস খেলে শততম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখতে চান বিরাট কোহলি। তাই পিঠের ব্যাথার অজুহাতে জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন বিরাট কোহলি।কোহলির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে জল্পনা অব্যাহত। নেতৃত্ব বিতর্ক নিয়ে কয়েকদিন আগেই বিরাট কোহলির বক্তব্য খন্ডন করেছেন নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা। তারপর কোহলি জোহানেসবার্গ থেকে সরে দাঁড়ালেন। তাহলে কি অভিমানেই অধিনায়কের এই সিদ্ধান্ত। কোহলি সরে দাঁড়ানোয় দ্বিতীয় টেস্টে ভারতকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। সহঅধিনায়কের দায়িত্বে যশপ্রীত বুমরা। আর কোহলির পরিবর্তে প্রথম একাদশে হনুমা বিহারী।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India Vs SA: ওয়ান্ডারার্সে ‘‌ওয়ান্ডার’‌ ঘটাতে পারবে ভারত?‌ ইতিহাস তৈরির লক্ষ্যে নামছে কোহলি ব্রিগেড

সেঞ্চুরিয়ন নাকি দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্জয় ঘাঁটি। সেই মাঠেই প্রোটিয়াদের হারিয়ে সিরিজে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ভারত। সোমবার থেকে জোয়ানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু। এই মাঠে ভারতের পরিসংখ্যান দারুণ চমকপ্রদ। ৫টেস্টে একটাও হারেনি ভারত। ২টিতে জয়, তিনটি ড্র। ৪ বছর আগে এই জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্সেই টেস্ট জিতেছিল বিরাট কোহলি ব্রিগেড। পয়া মাঠে ভারতের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্ট জিতলে ইতিহাস তৈরি করবে কোহলির দল। কারণ এর আগে কোনও ভারতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সিরিজ জিতে ফেরেনি।ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে গতি আছে। তবে সেঞ্চুরিয়নের মতো বাউন্স নেই। ভারতীয় ব্যাটারদের কাছে এটাই বাড়তি সুবিধা। এটাই স্বপ্ন দেখাচ্ছে ভারতীয় শিবিরকে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ভারত প্রথম টেস্ট জিতেছিল ২০০৬ সালে। সেবার দলের অধিনায়ক ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। এবার তিনিই দলের হেড কোচ। জোয়ানেসবার্গে ভারতীয় ব্যাটাররা যে চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি, সেকথা জানিয়েছেন দ্রাবিড়। তিনি বলেছেন, ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে গতি আছে। তবে বাউন্স কম। সেই কারণে ভারতীয় ব্যাটাররা এখানে ভাল খেলে। এখানকার উইকেট যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। তবে আমরা তৈরি। আশা করছি দল ভাল ক্রিকেট উপহার দিতে পারবে।প্রথম টেস্টে বোলাররা ভাল বোলিং করলেও প্রত্যাশাপূরণে ব্যাটাররা। চেতেশ্বর পুজারা, অজিঙ্ক রাহানে রান পাননি। তা সত্ত্বেও তাঁদের বাদ দিয়ে প্রথম একাদশ ভাবছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে দ্রাবিড়ের কথায়। তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার পরিবেশে ব্যাট করা যথেষ্ট কঠিন। তাছাড়া দলের সবাই একসঙ্গে রান করবে, এটা ভাবাও ঠিক নয়। অনেকেই ভাল শুরু করে বড় ইনিংস খেলতে পারছে না। আশা করছি সামনের ম্যাচে ওরা বড় ইনিংস খেলবে।ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে প্রচুর ঘাস রয়েছে। স্পিনারদের কার্যকরী ভুমিকা নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। সেই কথা মাথায় রেখেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে ব্যাটিং শক্তি বাড়ানোর কথা ভাবছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেক্ষেত্রে হনুমা বিহারীকে খেলানো হতে পারে। বিহারীকে খেলালে তিনি অফস্পিনও করতে পারবেন। শার্দূল ঠাকুরের জায়গায় উমেশ যাদবকে খেলানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India SA: জোহানেসবার্গে রানে ফিরবেন বিরাট কোহলি?‌ কী বললেন ভারতীয় দলের হেডস্যার

কয়েকদিন আগেই নেতৃত্ব বিতর্ক নিয়ে বিরাট কোহলির সমালোচনা করেছিলেন জাতীয় নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা। জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামার আগে বিরাট কোহলির পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর নেতৃত্বে ভূয়সী প্রশংসা করলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়। শুধু পাশে দাঁড়ানোই নয়, কোহলির মতো অধিনায়কের সঙ্গে কাজ করে দারুণ খুশি তিনি।ওয়ান্ডারার্সে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামার আগে রবিবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। সেই সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, কোহলি দলকে অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়েছে। মাঠ ও মাঠের বাইরে নিজেকে দুর্দান্ত নেতা হিসেবে মেলে ধরেছে। ওর নেতৃত্বের জন্যই প্রথম টেস্টে আমরা ভাল জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলাম। কোহলির মতো অধিনায়কের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি দারুণ খুশি।প্রায় ২ বছর হতে চলল বিরাট কোহলির ব্যাটে বড় রান নেই। সেঞ্চুরিয়নে দুই ইনিংসেই ভাল শুরু করেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ। রাহুল দ্রাবিড়ের আশা জোয়ানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্টেই বড় রানে ফিরবেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। দ্রাবিড় বলেন, কোহলি ভাল শেপে রয়েছে। দুই ইনিংসেই দারুণ শুরু করেছিল। কিন্তু বড় রান করতে পারেনি। ওকে নেটে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। ভাল ছন্দে রয়েছে। আশা করছি এই টেস্টেই রানে ফিরবে।একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্ব বিতর্কে যথেষ্ট চাপে রয়েছেন বিরাট কোহলি। তা সত্ত্বেও ফোকাস হারাননি ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক। কোহলির এই মনোবলের প্রশংসা শোনা গেছে ভারতীয় দলের হেডস্যারের মুখে। কোহলি সম্পর্কে দ্রাবিড় বলেন, গত ২০ দিন ধরে বিতর্কের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে কোহলিকে। ওকে নিয়ে নানা কথা উঠেছে। তা সত্ত্বেও যেভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করে চলেছে, এককথায় অসাধারণ। দলকে দুর্দান্ত নেতৃত্ব দিয়েছে। প্রথম টেস্টে দলকে জয় এনে দিয়েছে। দুটি টেস্টের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে আসেননি কোহলি। কেপটাউনে জীবনের শততম টেস্ট খেলবেন। তার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে কোহলি আসবেন বলে জানিয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

I‌ndia Vs SA: সেঞ্চুরিয়নে জিতেও সমস্যায় ভারত, কেন পয়েন্ট কাটা গেল কোহলিদের?‌

সেঞ্চুরিয়নের সুপার স্পের্টস পার্ক দক্ষিণ আফ্রিকার দূর্গ হিসেবে পরিচিত। সেই মাঠেই প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে ভারত। তিনটি টেস্ট খেলে প্রথম জয়। সেঞ্চুরিয়নে জিতেও অবশ্য স্বস্তিতে নেই ভারত। বিরাট কোহলিদের বুকে কাঁটার মতো বিঁধছে পয়েন্ট কাটা। মন্থর বোলিংয়ের জন্য ১ পয়েন্ট কাটা গিয়েছে ভারতীয় দলের। একই সঙ্গে দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারের ম্যাচ ফি কাটা গেছে ২০ শতাংশ করে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ১ ওভার বল কম করেছিল ভারত। এর জন্য জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে গোটা দলকে। তবে বড় ধাক্কা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট কাটা যাওয়া। ২০২০ সালে মেলবোর্ন টেস্টে ভারতের বিরুদ্ধে মন্থর বোলিংয়ের জন্য ৪ পয়েন্ট কাটা গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। এই পয়েন্ট কাটা যাওয়ার জন্য ভুগতে হয়েছিল অসিদের। যার জন্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে পারেননি টিম পাইনরা।ভারতের পয়েন্ট কাটা যাওয়ার ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজেও ১ পয়েন্ট কাটা গেছে বিরাট কোহলির দলের। নটিংহ্যাম টেস্টে মন্থর বোলিংয়ের জন্য এই পয়েন্ট কাটা গিয়েছিল। এই নিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণে দ্বিতীয়বার পয়েন্ট কাটা গেল ভারতের। ভবিষ্যতে সতর্ক না হলে এর মাশুল দিতে হতে পারে বিরাট কোহলি ব্রিগেডকে। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়ম অনুযায়ী কোন দুটি দল ফাইনাল খেলবে তা ঠিক হয় সংগৃহীত পয়েন্টের শতাংশের হিসেবের ভিত্তিতে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২১ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে থাকলেও কিংবা নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সিরিজ জিতলেও এই মুহূর্তে ভারতের ওপরে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। করোনা পরিস্থিতিতে সব দেশ সমান সংখ্যক টেস্ট খেলতে পারছে না। ফলে সংগৃহীত পয়েন্টের শতাংশের হিসেব কষেই পয়েন্ট তালিকার ক্রমপর্যায় ঠিক হচ্ছে। ফলে ওভার রেটের দিকে বাড়তি নজর রাখতে হবে বিরাটদের। ভবিষ্যতে পয়েন্ট কাটা গেলে সমস্যায় পড়তে হবে।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Devon Conway : বিদেশ ও দেশের মাঠে জীবনের প্রথম টেস্টেই সেঞ্চুরি করে অনন্য নজির কনওয়ের

গত বছরের শেষ দিকটা একেবারেই ভাল যায়নি ডেভন কনওয়ের কাছে। টি২০ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে রান পাননি। ব্যর্থতায় এতটাই হতাশ হয়েছিলেন যে, ড্রেসিংরুমে ফিরে ব্যাট আছড়ে ফেলতে গিয়ে হাতে চোট পান। ফাইনালে খেলতে পারেননি। এমনকি ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ থেকেও ছিটকে গিয়েছিলেন। পুরনো বছরের হতাশা কাটিয়ে নতুন বছরটা দারুণভাবে শুরু করলেন নিউজিল্যান্ডের এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টেই দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে দলকে বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দিলেন। তাঁর সেঞ্চুরির সুবাদে প্রথম দিনের শেষে নিউজিল্যান্ড ৫ উইকেটে তুলেছে ২৫৮।মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ে বাইশ গজ ঘাসে ভরা। টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। চতুর্থ ওভারেই নিউজিল্যান্ডকে ধাক্কা দেন শরিফুল ইসলাম। তুলে নেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিনায়ক টম লাথামকে (১)। এরপরই উইল ইয়ংকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দাঁড়ান ডেভনন কনওয়ে। শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামলে দেন এই দুই ব্যাটার। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে দুজনে মিলে তোলেন ১৩৮ রান। এরপর কনওয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ৫২ রান করে রান আউট হন ইয়ং। রস টেলর (৩১) খুব বেশিক্ষণ কনওয়েকে সঙ্গ দিতে পারেননি। তাঁকেও ফেরান শরিফুল ইসলাম। দলের ২২৭ রানের মাথায় মোমিনুল হকের বলে উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন কনওয়ে। ২২৭ বলে তিনি করেন ১২২। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ১৬টি চার ও ১টি ছয়। জীবনের চতুর্থ টেস্টে সপ্তম ইনিংসে এটি কনওয়ের দ্বিতীয় শতরান। অভিষেকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনি লর্ডসে দ্বিশতরান করেছিলেন। টেস্টে তাঁর দুটি অর্ধশতরানও রয়েছে, ব্যাটিং গড় ৭১.৫৭। দেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেই সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরি করে দারুণ অনুভূতি কনওয়ের। কৃতিত্ব দিয়েছেন রস টেলরকে। কনওয়ে বলেন, ব্যাট করার সময় ক্রিজে রস টেলরের নানা ইতিবাচক পরামর্শে সেঞ্চুরি করেত পেরেছি। এই সেঞ্চুরি দীর্ঘদিন মণিকোঠায় থাকবে। চ্যালেঞ্জিং উইকেটের কথাও স্বীকার করেছেন কনওয়ে। তিনি বলেন, উইকেটে ঘাস আছে। সকালের দিকে ব্যাট করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল। সকালের কঠিন সময় কাটিয়ে দিতে পারলে পরের দিকে ব্যাট করা সহজ হয়ে যাবে এটা জানতাম। সেটাই হয়েছে। দিনের শেষে নিউজিল্যান্ড তুলেছে ২৫৮/৫। হেনরি নিকোলস ৩২ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

I-Glam : আই-গ্ল্যামের বিজয়ীদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি ক্রাউন পরিয়ে দেওয়া হল

বেহালায় এনএসএইচএম-এ আই-গ্ল্যাম প্রতিযোগিতার সকল বিজয়ীদের শুভেচ্ছা জানালেন কর্ণধার দেবযানী মিত্র। এই উপলখ্যে একটি সাংবাদিক সম্মেলনেরও আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন গ্রুপের বিজয়ীরা এদিন আই-গ্ল্যাম নিয়ে তাদের জার্নির কথা তুলে ধরেন। স্পেশাল দিনে বিজয়ীদের ক্রাউন পরিয়ে সম্মানিত করা হয়। স্পেশাল ডে তে সকলকে বেশ খোশমেজাজেই পাওয়া যায়। এবারের আই-গ্ল্যাম খুব ভালোভাবেই আয়োজন করা হয়। বিশেষ আকর্ষণ ছিল মদন মিত্রর উপস্থিতি। এছাড়া অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, সাগর ঝা, নিক রামপাল, জিত চক্রবর্তী, শুভদীপ মিত্র, অ্যাডোলিনা গাঙ্গুলি সহ আরও অনেকে। মদন মিত্র জানিয়েছেন আই-গ্ল্যামের পাশে রয়েছেন। সল্টলেকের হায়াতে অনুষ্ঠিত ২০২১ এর আই-গ্ল্যাম প্রতিযোগিতায় মিস বেঙ্গল থেকে ৬০ জন প্রতিযোগী, মিসেস বেঙ্গল থেকে ৪০ জন, জুনিয়র বেঙ্গল থেকে ৩০ জন এবং ২০ জন স্পেশাল চিলড্রেন এবারের আই-গ্ল্যামে অংশ নিয়েছিলেন। বিজয়ীরা জাতীয় স্তরে রুবারু মিস ইন্ডিয়া এলিট, রুবারু মিস্টার ইন্ডিয়া ও রুবারু মিস ইন্ডিয়াতে পারফর্ম করার জন্য মনোনীত হয়েছেন।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

হারের হ্যাটট্রিকে চাপে শ্রেয়স, বৈভবের অভিষেক রঙহীন; ইংল্যান্ডের কাছে হেরে সিরিজে পিছিয়ে ভারত

ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের দুর্দশা যেন কাটছেই না। বিশ্বকাপজয়ী দলের আত্মবিশ্বাস কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে। নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের নেতৃত্বেও সেই হতাশার ছবিই আরও স্পষ্ট হল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৯০ রান করেও জয় ছিনিয়ে আনতে ব্যর্থ হল ভারত। এক ওভার হাতে রেখেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলল স্বাগতিকরা। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে অধিনায়ক হিসেবে টানা তিনটি ম্যাচ হেরে সমালোচনার মুখে পড়লেন শ্রেয়স আয়ার।এই ম্যাচে সবচেয়ে বেশি নজর ছিল তরুণ বৈভব সূর্যবংশীর দিকে। আয়ারল্যান্ড সিরিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সুযোগ না পাওয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। অবশেষে দ্বিতীয় ম্যাচে সঞ্জু স্যামসনের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পান বৈভব। ভারতের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের নজির গড়লেও ব্যাট হাতে সেই অভিষেক স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না তিনি।তবে শুরুটা ছিল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। জফ্রা আর্চার ও জশ টংয়ের মতো অভিজ্ঞ পেসারদের বিরুদ্ধে দুটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান বৈভব। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারলেন না। উইল জ্যাকসের বলে ক্রিজ ছেড়ে বড় শট খেলতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন তিনি। মাত্র ১০ বলে ১৪ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয় এই তরুণ ব্যাটারকে।অন্য প্রান্তে অভিষেক শর্মা নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। আগ্রাসী মেজাজে খেলতে খেলতে মাত্র ২৪ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। কিন্তু অর্ধশতরানের দোরগোড়ায় পৌঁছে স্যাম কারেনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন। তাঁর বিদায়ের পর ভারতের ইনিংসে কিছুটা গতি কমে যায়।মধ্যক্রমে ঈশান কিশন ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টা করলেও কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ঈশান ৪৯ এবং শ্রেয়স ৩৭ রান করেন। ইংল্যান্ডের বোলাররা চমৎকার পরিকল্পনায় ভারতের ব্যাটারদের বড় বাউন্ডারির দিকে শট খেলতে বাধ্য করেন। ঝুঁকিপূর্ণ সেই শট খেলতে গিয়ে একের পর এক উইকেট হারায় ভারত।শেষের দিকে তিলক বর্মা মাত্র ১১ বলে ২৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেও শিবম দুবে ও অক্ষর পটেল ব্যর্থ হন। ফলে একসময় ২০০ রানের সম্ভাবনা তৈরি হলেও ভারত থামে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানে। হার্দিক পাণ্ড্য না থাকায় অতিরিক্ত বোলার খেলাতে গিয়ে ব্যাটিং গভীরতায় ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা ভারতের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। অর্শদীপ সিংহ প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন দুই বিধ্বংসী ওপেনার ফিল সল্ট এবং জস বাটলারকে। ম্যাচের শুরুতে ভারতের দিকেই পাল্লা ভারী ছিল।কিন্তু সেখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। মাত্র ১৫ বলে ৩৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে চাপ সরিয়ে দেন তিনি। পরে টম ব্যান্টন ৩৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। তবে ম্যাচের আসল নায়ক হয়ে ওঠেন জেকব বেথেল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শতরান করেও ভারতের বিরুদ্ধে দলকে জেতাতে পারেননি বেথেল। এবার সেই আক্ষেপ মুছে দিলেন তিনি। ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে মাত্র ৪৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। শেষের দিকে তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সামনে কার্যত অসহায় দেখায় ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে।ভারতের বোলাররা শুরুতে সাফল্য পেলেও মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলতে ব্যর্থ হন। ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা বড় জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায়। শেষ দিকে কয়েকটি উইকেট পড়লেও তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। এক ওভার হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় এই জয় ইংল্যান্ডকে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিল। এখন সিরিজে ফিরতে হলে বাকি তিনটি ম্যাচের প্রতিটিতেই জিততে হবে ভারতকে। তবে বর্তমান ফর্ম, ব্যাটিংয়ের অনিয়মিত পারফরম্যান্স এবং মাঝের ওভারে বোলিংয়ের ধারহীনতা দেখে সেই কাজ মোটেও সহজ মনে হচ্ছে না।নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের জন্যও পরিস্থিতি ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। অধিনায়ক হিসেবে এখনও জয়ের মুখ দেখেননি তিনি। টানা তিনটি পরাজয়ের পর তাঁর নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগামী ম্যাচগুলোয় ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে শুধু সিরিজ নয়, দলের আত্মবিশ্বাসও আরও বড় ধাক্কার মুখে পড়তে পারে।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

শিক্ষক নিয়োগে বড় বিস্ফোরক সিদ্ধান্ত! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ঘোষণায় চমকে রাজ্য, বদলে গেল সব হিসাব

শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ফেরাতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ এবং হাজার হাজার চাকরি বাতিলের ঘটনার পর এবার নতুন বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার তিনি ঘোষণা করেন, রাজ্যের বরিষ্ঠ আইএএস আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিয়োগ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে সরকার আরও এক ধাপ এগোল বলে দাবি করা হয়েছে।শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গত কয়েক বছরে রাজ্যের রাজনীতি উত্তপ্ত ছিল। নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় আদালতের নির্দেশে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই স্বচ্ছ নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বর্তমান সরকার। এবার সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ হিসেবে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শীর্ষ পদে অভিজ্ঞ প্রশাসনিক আধিকারিককে বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সরকার শুরু থেকেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করা হবে এবং নিয়োগ কমিশনগুলিকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হবে। সেই লক্ষ্যেই নিয়োগ কমিশনগুলিকে সর্বভারতীয় মানের কাঠামোয় গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও কমিটিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাখা হবে না।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই বরিষ্ঠ আইএএস আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালার হাতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিজ্ঞতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে বলেই সরকারের আশা।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভবিষ্যতে চাকরি পাওয়ার একমাত্র মাপকাঠি হবে মেধা এবং যোগ্যতা। অতীতের মতো কোনও ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মকে বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করে তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়াই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।সরকারের এই ঘোষণার পর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আশাবাদী হয়েছেন বহু চাকরিপ্রার্থী। এখন নজর থাকবে নতুন কমিশনের অধীনে নিয়োগ কতটা স্বচ্ছ ও দ্রুত সম্পন্ন হয়, সেদিকেই।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা মমতার শিবিরে! পদ ছাড়তেই বিস্ফোরক দাবি চন্দ্রিমার, পাল্টা কড়া বার্তা দলনেত্রীর

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও প্রকাশ্যে এল চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে। কালীঘাট শিবিরের রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছেড়ে দেওয়ার পর একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি। অন্যদিকে, তাঁর ইস্তফার পরই সরাসরি প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে মমতা জানিয়েছেন, এই পদত্যাগের ইঙ্গিত তিনি অনেকদিন ধরেই পাচ্ছিলেন।ফেসবুকে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চন্দ্রিমা অনেকদিন ধরেই পদ ছাড়ার কথা জানাচ্ছিলেন। তাঁর দাবি, চন্দ্রিমার ছেলে ইতিমধ্যেই অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছেন। সেই সিদ্ধান্ত তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। তবে তিনি নিজে কোনও সমঝোতার পথে হাঁটবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন। মমতার কথায়, নেতা নয়, তিনি কর্মীকেই বেশি গুরুত্ব দেন। একজন চলে গেলে দলের কোনও ক্ষতি হবে না বলেও তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংগ্রামই তাঁর জীবনের শক্তি এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের জন্যই তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।বিদ্রোহীদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন দল থেকে সব সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার পর এখন অনেকেই অন্য পথে হাঁটছেন। মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পরে সেই মানুষের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করা উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সুব্রত বক্সির অসুস্থতার কারণেই চন্দ্রিমাকে অস্থায়ীভাবে রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান মমতা। তিনি ঘোষণা করেন, এবার থেকে রাজ্যের সাংগঠনিক দায়িত্ব নিজেই সামলাবেন। পাশাপাশি দলের কাজ আরও শক্তিশালী করতে মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান।অন্যদিকে, পদত্যাগের পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, তিনি সবসময় দলের প্রতি অনুগত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তৃণমূল ভবন নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনায় তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়। চন্দ্রিমার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি ভবন অন্য শিবিরের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই অভিযোগে তিনি অত্যন্ত আঘাত পান। তাঁর কথায়, তিনি কোনওভাবেই এমন কিছু করেননি। সেই কারণেই আত্মসম্মানের জায়গা থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়েও তিনি মুখ খোলেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত মতের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।এদিকে চন্দ্রিমাকে স্বাগত জানিয়েছে ঋতব্রত শিবির। ওই শিবিরের নেতা সন্দীপন সাহার দাবি, কালীঘাটে এখন এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে অনেকেই স্বস্তি পাচ্ছেন না। তাঁর বক্তব্য, সেই কারণেই চন্দ্রিমার মতো অভিজ্ঞ নেত্রীও শেষ পর্যন্ত সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাই হবেই! রিকশায় দাঁড়িয়ে সভার হুঁশিয়ারি মমতার

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালনকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, কোনও বাধাই তাঁদের শহিদ দিবস পালন আটকাতে পারবে না। প্রয়োজন হলে রিকশায় দাঁড়িয়েও শহিদ দিবস পালন করা হবে।শনিবার সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি বাতিল হবে না। তাঁর অভিযোগ, মধ্য কলকাতায় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে তাঁদের রাজনৈতিক কর্মসূচি আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে কোনও বাধাই তাঁদের থামাতে পারবে না। কোথায় অনুষ্ঠান হবে, সেই সিদ্ধান্ত পুলিশের অনুমতির পর জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে মমতা বলেন, কোনও উদ্বেগের কারণ নেই। দল আগেও ছিল, এখনও আছে এবং ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকবে। মানুষের ভালোবাসাই তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও দাবি করেন তিনি।এদিন তৃণমূলের মেট্রোপলিটন পার্টি অফিসে তালা পড়ার ঘটনাও তুলে ধরেন মমতা। তিনি বলেন, ওই দফতরটি দল নিয়ম মেনে ভাড়ায় নিয়েছিল এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভাড়ার চুক্তিও রয়েছে। প্রতি মাসে নিয়মিত ভাড়া ও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। সমস্ত নথিও দলের কাছে রয়েছে। তাঁর দাবি, একটি অফিসে তালা ঝোলানো যেতে পারে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তালা লাগানো সম্ভব নয়। এই ঘটনায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে, মমতার বক্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, কালীঘাটে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে বহু নেতা স্বস্তি পাচ্ছেন না। সেই কারণেই একের পর এক বর্ষীয়ান নেতা অন্য শিবিরে চলে আসছেন। তাঁর আরও দাবি, তাঁদের শিবিরে যে সাংগঠনিক কাঠামো ঠিক করা হয়েছে, সেটাই এখনও বহাল রয়েছে। অন্যদিকে কালীঘাট শিবিরে বারবার সাংগঠনিক দায়িত্বে পরিবর্তন হচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় এবং কীভাবে হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও রাজনৈতিক সংঘাত যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চন্দ্রিমাকে নিয়ে বিস্ফোরক কুণাল! ‘সব পেয়েও তখন অভিমান হয়নি, এখন হঠাৎ কী হল?’

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ইস্তফাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে বিতর্ক আরও তীব্র হল। এবার তাঁকে সরাসরি আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। চন্দ্রিমার সিদ্ধান্ত নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলানোর সময় কোনও অভিমান ছিল না। তাহলে এখন হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত, সেই প্রশ্নই তুলেছেন তিনি।সম্প্রতি দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শুক্রবারও তিনি দলীয় সভানেত্রী হিসেবে তৃণমূল ভবনে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু পরের দিনই দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন। নিজের সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, তাঁর আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। সেই মন্তব্যে তিনি মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন বলেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এই ঘটনার পর কুণাল ঘোষ বলেন, চন্দ্রিমার পরিবারের কয়েকজন আগেই অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। তবুও তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ছিল। কিন্তু তৃণমূল ভবনের ঘটনাদিন তিনি যদি আরও কিছুক্ষণ সেখানে থাকতেন, তাহলে পরিস্থিতি অন্য রকম হতে পারত বলে দাবি করেন কুণাল। তাঁর কথায়, দলীয় কর্মীরাও চন্দ্রিমাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি সেই অনুরোধ না মেনে সেখান থেকে চলে যান। কুণালের দাবি, দলের দায়িত্বে থাকা একজন নেতার কাছে এমন আচরণ প্রত্যাশিত ছিল না।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি কাউকে ভবনের দখল নিতে সাহায্য করেননি। তাঁর দাবি, তিনি নিজের দায়িত্ব পালন করেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি ভবন অন্য পক্ষের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই মন্তব্যেই তিনি অপমানিত বোধ করেন। তাঁর মতে, সেই কথার মধ্য দিয়ে তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। আর সেই কারণেই তিনি দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন।এর জবাবে কুণাল ঘোষ আরও কড়া ভাষায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন চন্দ্রিমা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তখন কোনও অভিমান ছিল না। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই হঠাৎ অসন্তোষ প্রকাশ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর। কুণালের কথায়, ক্ষমতায় থাকাকালীন সব সুবিধা নেওয়া আর পরে অন্য শিবিরের দিকে ঝুঁকে পড়া রাজনৈতিকভাবে অকৃতজ্ঞতার পরিচয়। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবে নেবেন না।চন্দ্রিমাকে এক সময় স্বাস্থ্য, অর্থ এবং আইন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পর্কের পর এই প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

জুলাই ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মারাদোনার রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের শিখরে মেসি! গোলেও একের পর এক নজির

বয়স যত বাড়ছে, ততই যেন নতুন নতুন ইতিহাস লিখে চলেছেন লিওনেল মেসি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের দুরন্ত ফর্ম অব্যাহত। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুধু দলকে জেতাতেই বড় ভূমিকা নেননি, একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসে এমন একটি রেকর্ড গড়েছেন, যা এতদিন ছিল আর্জেন্টিনার আর এক কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনার দখলে।ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপে নিজের মোট অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড় করালেন ৯-এ। এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক অ্যাসিস্টের মালিক এখন এককভাবে লিওনেল মেসি। এতদিন ৮টি অ্যাসিস্ট নিয়ে এই রেকর্ডটি ছিল দিয়েগো মারাদোনার নামে। সেই নজির ভেঙে আরও একবার নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখে ফেললেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।গোল করাতেও অতুলনীয় মেসিফুটবল বিশ্বে মেসিকে সাধারণত অসাধারণ গোলদাতা হিসেবেই বেশি চেনা হয়। তবে তাঁর খেলার অন্যতম বড় শক্তি হল সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। নিখুঁত পাস, অসাধারণ ভিশন এবং ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বোঝার ক্ষমতা তাঁকে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্লেমেকারেও পরিণত করেছে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে সেই দক্ষতারই আরও একটি উজ্জ্বল প্রমাণ মিলল।বিশ্বকাপে ৯টি অ্যাসিস্টের রেকর্ড শুধু তাঁর ব্যক্তিগত কৃতিত্বই নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সেরও প্রতীক।গোলেও নতুন মাইলফলকঅ্যাসিস্টের পাশাপাশি গোল করেও ইতিহাস গড়েছেন মেসি। ম্যাচের ২৯ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের বাড়ানো বল থেকে দুরন্ত ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। এটি ছিল বিশ্বকাপে তাঁর ২০তম গোল।এই গোলের সুবাদে আরও একটি অনন্য নজির গড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা আটটি ম্যাচে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, দুটি পৃথক বিশ্বকাপে সাত বা তার বেশি গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবেও নিজের নাম লেখান মেসি।গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে২০২৬ বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই সাতটি গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন মেসি। তবে লড়াই এখনও শেষ হয়নি। ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপে ছয় গোল করে খুব কাছেই রয়েছেন। ফলে টুর্নামেন্ট যত এগোবে, ততই জমে উঠবে সর্বোচ্চ গোলদাতার প্রতিযোগিতা।নাটকীয় লড়াইয়ের শেষে আর্জেন্টিনার জয়কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে দুই দলই ২-২ গোলে সমতায় ছিল। অতিরিক্ত সময়েও দুই দলের লড়াই ছিল সমানে সমান।শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় এক আত্মঘাতী গোলে। অতিরিক্ত সময়ে মেসির নেওয়া একটি শট বিপদমুক্ত করতে গিয়ে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার দিনে বোরজেস নিজের জালেই বল জড়িয়ে ফেলেন। সেই আত্মঘাতী গোলেই ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।এই জয়ের সুবাদে লিওনেল স্কালোনির দল নিশ্চিত করে শেষ ষোলোর টিকিট। আর ব্যক্তিগতভাবে লিওনেল মেসি আরও একবার প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু গোল করার জন্যই নন, দলের আক্রমণ গড়ে তোলা এবং ইতিহাস সৃষ্টিদুই ক্ষেত্রেই অনন্য। প্রতিটি ম্যাচে নতুন রেকর্ড গড়ে তিনি যেন নিজের কিংবদন্তিকে আরও সমৃদ্ধ করে চলেছেন।

জুলাই ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'কোথায় গেল ঘানার সেই তান্ত্রিক?' আর্জেন্টিনার জয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা, ভবিষ্যদ্বাণী উল্টে দিল লা অ্যালবিসেলেস্তে

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই চমক, নাটকীয়তা আর নানান ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী। কখনও অক্টোপাসের ভবিষ্যদ্বাণী, কখনও আবার কার্টুন সিরিজ The Simpsons-এর কাকতালীয় মিলপ্রতিটি বিশ্বকাপেই এমন নানা ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। তবে এবার সবকিছুকে ছাপিয়ে ভাইরাল হয়ে ওঠেন ঘানার এক স্বঘোষিত তান্ত্রিক।বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে তিনি দাবি করেছিলেন, লিওনেল মেসিদের দল নাকি কেপ ভার্দের কাছেই আটকে যাবে এবং প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে পারবে না। তাঁর এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। কেউ সেটিকে নিছক বিনোদন হিসেবে নিলেও, অনেকেই আবার ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হবে বলেই ধরে নিয়েছিলেন।কিন্তু মাঠে নেমে সব হিসেবই বদলে দেয় আর্জেন্টিনা। ১২০ মিনিট ধরে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে কেপ ভার্দেকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬-তে জায়গা নিশ্চিত করে লা অ্যালবিসেলেস্তে। কঠিন লড়াইয়ের পর পাওয়া এই জয় শুধু আর্জেন্টিনার সমর্থকদেরই উচ্ছ্বসিত করেনি, একইসঙ্গে ঘানার সেই তান্ত্রিকের দাবিকেও সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করেছে।আর্জেন্টিনার জয়ের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে হাস্যরসের ঝড়। ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইনস্টাগ্রামসব জায়গাতেই একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, কোথায় গেল ঘানার সেই তান্ত্রিক? কেউ লিখছেন, ধরে আন ব্যাটাকে! আবার কেউ মিম বানিয়ে দেখাচ্ছেন, ভবিষ্যদ্বাণী ব্যর্থ হতেই তিনি নাকি গায়েব হয়ে গিয়েছেন। মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার মিম এবং ট্রোল ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়।ঘটনার মজার দিক আরও একটি। যে ঘানার তান্ত্রিক আর্জেন্টিনার বিদায়ের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, সেই ঘানার দলই শেষ পর্যন্ত কলম্বিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়। ফলে সমর্থকদের একাংশ কটাক্ষ করে বলছেন, অন্যের ভাগ্য গণনা করতে গিয়ে নিজের দলের ভবিষ্যৎই দেখতে পেলেন না!ফুটবল যে শেষ বাঁশি বাজার আগে কোনও ফলাফল মেনে নেয় না, আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচ যেন তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ। কুসংস্কার, অলৌকিক দাবি কিংবা ভাইরাল ভবিষ্যদ্বাণীর চেয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠের লড়াই, কৌশল এবং ফুটবল দক্ষতাই যে আসল কথাতা আরও একবার প্রমাণ করলেন মেসিরা।এখন শেষ ১৬-র লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে মিশর। তবে এই মুহূর্তে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় একটাইঘানার সেই তান্ত্রিক এখন

জুলাই ০৪, ২০২৬
রাজ্য

রাজ্যের কোষাগার চাঙ্গা করতে দিল্লি অভিযান! বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতে ও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়াতে বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। বাংলার বাড়ি প্রকল্প ও অন্যান্য সামাজিক প্রকল্প নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে এবং কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। আসন্ন সংসদের বাদল অধিবেশনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দফতরের মন্ত্রীদের দিল্লিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া ও অতিরিক্ত বরাদ্দ আদায়ই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বাড়ছে আর্থিক চাপবর্তমানে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য প্রায় ১,৯২০ কোটি টাকা রাজ্যের কোষাগার থেকে ব্যয় হচ্ছে। পূর্ববর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগের জেরে কেন্দ্রীয় অর্থপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাজ্য নিজস্ব তহবিল থেকেই প্রকল্পটি চালিয়ে আসছিল।এবার নতুন সরকার চাইছে, এই প্রকল্পকে আবার প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা (PMAY-G)-র আওতায় ফিরিয়ে আনা হোক অথবা অন্তত এক বছরের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হোক। সেই দাবিতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রীয় অংশের দাবিসূত্রের খবর, প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রের প্রাপ্য অর্থ দ্রুত ছাড় করার আবেদন জানানো হবে। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প ব্যয়ের ৬০ শতাংশ বহন করে কেন্দ্র এবং ৪০ শতাংশ দেয় রাজ্য। সেই কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুর করার আবেদনই জানাবে রাজ্য সরকার।সামাজিক প্রকল্পে বাড়তি ব্যয়রাজ্যে বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, মহিলাদের সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত-সহ একাধিক সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে। পাশাপাশি পূর্ববর্তী সরকারের সময় নেওয়া বিভিন্ন ঋণের কিস্তিও পরিশোধ করতে হচ্ছে। ফলে রাজ্যের কোষাগারের উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতেই বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার।গুরুত্বপূর্ণ বিষয়* বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে যাবেন বিভিন্ন দফতরের রাজ্য মন্ত্রীরা।* কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা।* বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আর্থিক সহায়তার আবেদন।* প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য PMAY-G-এর কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুরের দাবি।* সামাজিক প্রকল্প ও ঋণ পরিশোধের কারণে রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতেই এই উদ্যোগ।

জুলাই ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal