• ১৫ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Temple

দেশ

Modi In Varanasi: কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডর উদ্বোধনে আবেগঘন মোদি

সোমবার প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন করে সজ্জিত কাশী বিশ্বনাথ ধামের প্রথম পর্বের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । বললেন, ঐতিহ্য ও আধুনিকীকরণের মিশেলে নতুন করিডর তৈরি করা হয়েছে। এদিন প্রথমে কাল ভৈরব মন্দিরে পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী। ললিতা ঘাটে গঙ্গায় ডুব দিয়ে জল সংগ্রহ করেন। সূর্য নমস্কার করে গঙ্গা পুজোও দেন। আলোকানন্দা ক্রুজে চড়েও কাশী দর্শন করেন।উল্লেখ্য, কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরে ৪০টি মন্দিরের সংস্কার ও ২৩টি নতুন ভবন তৈরি করা হয়েছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আশেপাশে। সোমবার গঙ্গাতীরে ছিল কাতারে কাতারে দর্শনার্থীর ভিড়। শিবের ডমরু বাজিয়েই ললিতা ঘাটে স্বাগত জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে।Varanasi: Prime Minister Narendra Modi takes a boat ride from Lalita Ghat to Ravidas Ghat. CM Yogi Adityanath also present with him. pic.twitter.com/wPS7TpObEI ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021এদিন মোদি বলেন, আগে গঙ্গার পাশেই কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ছিল। বাবা বিশ্বনাথকে যখন প্রণাম করা হত, একইসঙ্গে মা গঙ্গার দর্শনও হয়ে যেত। কিন্তু সময়ের প্রবাহে সেই পথের মাঝে অনেক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এবার ঐতিহ্য ও আধুনিকীকরণের মিশেলে নতুন করিডর তৈরি করা হয়েছে।I want three resolutions from you, not for yourself, but for our country - cleanliness, creation innovation and continuous efforts to create a self-reliant India: PM Modi at Varanasi pic.twitter.com/yPS0yFJWGf ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021কাশী নিয়ে বলতে গিয়ে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, কাশী যুগ যুগ ধরে নানা পরিবর্তন দেখেছে। বিভিন্ন সময়ে ঔরঙ্গজেব থেকে ব্রিটিশ শাসক, সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমণের মুখেও পড়েছে। তবুও কাশীর উন্নয়ন থেমে থাকেনি। আজ উন্নয়ন, উৎকর্ষের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল কাশী।Varanasi: PM Narendra Modi had lunch with the workers involved in construction work of Kashi Vishwanath Dham Corridor pic.twitter.com/OxJm3uZI2I ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021করোনাকালে যে শ্রমিকরা করিডর তৈরির কাজ চালিয়ে গিয়েছে, তাঁদের ধন্যবাদ জানান মোদি। বলেন, কাশীতে মহাদেবের ইচ্ছে ছাড়া কিছুই হয় না। শ্রমিকদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে খাবারও খান তিনি। মোদির দাবি, ২০০-২৫০ বছর আগে কাশীর সংস্কারের কাজ হয়েছিল। তারপর এই প্রথম বিশ্বনাথ ধামের সংস্কারে এত কাজ হল।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
দেশ

Mamata-Siddhi Binayak: মুম্বই পৌঁছেই সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে মমতা

মঙ্গলবার বিকেলে মায়ানগরীতে পা রেখেই তিনি সোজা চলে যান মহারাষ্ট্রের বিখ্যাত সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে। সেখানে পুজো দিয়ে বেরিয়েই মুম্বইবাসীর উদ্দেশে বললেন জয় মরাঠা। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন সেই কামনাও করেছেন তিনি।এ দিন সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে গিয়ে রীতি মেনে পুজো দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। ফুল- ফলে পুজো করেন তিনি। কড়া নিরাপত্তায় ঘেরা হয় মন্দির চত্বর। মন্দির থেকে বেরিয়ে মমতা জানান, আগেও একাধিকবার মুম্বই এসেছেন তিনি, কিন্তু কখনই সিদ্ধি বিনায়ক দর্শন করা হয়নি। ভালোভাবে পুজোর ব্যবস্থা করার জন্য, মহারাষ্ট্রের পুলিশ প্রশাসন তথা সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় মমতার তাঁর সঙ্গে দেখা করা হচ্ছে না। তবে মন্দিরে গিয়ে উদ্ধব ঠাকরের সুস্থতা কামনা করতে ভোলেননি তিনি। মমতা জানান, উদ্ধব যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন ভগবানের কাছে সেই প্রার্থনা করেছেন তিনি। এ দিন মন্দির থেকে বেরিয়ে জয় বাংলার পাশাপাশি জয় মরাঠাও বলতে শোনা যায় তাঁকে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জয় বাংলা স্লোগানে বিশেষ জোর দিয়েছিলেন মমতা।এ দিকে, উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে দেখা না করতে পারলেও মমতার সঙ্গে দেখা হচ্ছে তাঁর ছেলে আদিত্য ঠাকরের। মমতার সঙ্গে হোটেলেই দেখা করতে আসছেন আদিত্য ঠাকরে ও শিব সেনা নেতা সঞ্জয় রাউত। তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা। তৃণমূল সুপ্রিমো জানিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরের অস্ত্রোপচার হয়েছে, তিনি হাসপাতাল চিকিৎসাধীন। তাঁকে দেখতে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির জেরে দেখা করার অনুমতি মেলেনি।

নভেম্বর ৩০, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: মমতার মুম্বই সফরসূচিতে কী কী রয়েছে?

বাংলায় তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল শিবিরের সামনে একটাই লক্ষ্য, ২০২৪। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরোধিতায় একজোট হতে একাধিকবার বিরোধী দলগুলিকে আহ্বান জানিয়েছেন মমতা। ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা, গোয়ার মতো রাজ্যে ভোটের বিধানসভা ভোটে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল। মেঘালয়েও তৈরি হচ্ছে সংগঠন। এই পরিস্থিতিতে মমতার মুম্বই সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে রাজনৈতিক মহল। দু দিনের সফরে মায়ানগরীতে উড়ে গিয়েছেন দলনেত্রী, সঙ্গী দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শরীর খারাপের জন্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে দেখা করতে না পারলেও তাঁর ছেলে আদিত্য ঠাকরে দেখা করবেন। মঙ্গলবার দুপুরে মুম্বই রওনা হওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন এ কথা। কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, উদ্ধব ঠাকরে অসুস্থ। তাই ওঁর সঙ্গে দেখা হবে না। তবে ওঁর ছেলে আদিত্য দেখা করতে আসবেন। এ ছাড়া এনসিপি প্রধানে শরদ পওয়ারের সঙ্গেও দেখা হওয়ার কথা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক করব। বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে আমন্ত্রণও জানাব। সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে যাব।মঙ্গলবার রাতে মুম্বই পৌঁছনোর কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ঘোষিত উদ্দেশ্য শিল্প সম্মেলনে উপস্থিতি হলেও, মমতার মুম্বই সফরের রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।সাম্প্রতিক দিল্লি সফরে সনিয়া গান্ধির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তৃণমূল নেত্রীর সপাট জবাব ছিল, দিল্লি এলে সনিয়ার সঙ্গে দেখা করা কি বাধ্যতামূলক? সেই সঙ্গেই তিনি জানিয়েছিলেন, নভেম্বরের গোড়ায় মুম্বই যাচ্ছেন শিল্প সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়ে। মুম্বইয়ে মমতা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে ও এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করবেন বলে তখনই জানিয়ে দিয়েছিলেন। অতঃপর মুম্বই রওনা হলেন তৃণমূল নেত্রী। উদ্ধব অসুস্থ হলেও তাঁর পুত্রের সঙ্গে কথা হবে।

নভেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Protest: আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ তা থেকে সুরক্ষিত আছে। এখানকার বাঙালি নিজেদের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে ধর্ম নির্বিশেষে। বিগত বিধানসভা নির্বাচনে তার প্রমাণ আমরা পেয়েছি। মৌলবাদী রাজনীতিবিদ আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় অবিলম্বে পদক্ষেপ করার আবেদন করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে বাংলা পক্ষ। অপরাধীদের কোনও ধর্ম হয় না এই বলে নিন্দা করে লিখিত বিবৃতি জারি করেছেন তিনি। আর তাঁর এমন বিবৃতিতেই রাজনৈতিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতঘটনার নিন্দা করে অধীর চৌধুরী জানিয়েছেন,গতকাল আব্বাস সিদ্দিকির উক্তি অত্যন্ত নিন্দনীয়। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি কংগ্রেস কোনোদিন বরদাস্ত করেনি, তার বিরুদ্ধে শতাব্দীব্যাপী লড়াই করে যাচ্ছে আগামী দিনেও করবে, শেষ রক্তবিন্দু অবধি লড়ে যাবে কংগ্রেস, ভোটের অঙ্ক-এর চেয়ে বাংলা তথা দেশের সম্প্রীতি রক্ষা কংগ্রেসের কাছে অনেক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির তরফে রাজ্যজুড়ে আজ ও আগামীকাল (১৭.১০.২০২১- ১৮.১০.২০২১) পার্শ্ববর্তী দেশের বাঙ্গালী হিন্দু ভাই বোনদের ওপর নাটকীয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে ও করবে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
বিদেশ

Bangladesh: বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত

বাংলাদেশ দুর্গাপুজো মণ্ডপ ও ইস্কনের মন্দিরে দুষ্কৃতী হামলা নিয়ে ঢাকার সঙ্গে কথা বলেছে নয়াদিল্লি। সূত্রের খবর, বাংলাদেশ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত বিক্রম দোরাইস্বামী-সহ আরও ৪ আধিকারিক।বাংলাদেশের সংবাদপত্র কালের কণ্ঠ-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রদায়িক হিংসাকে কেন্দ্র করে ফুটছে বাংলাদেশ। ধর্মীয় উন্মাদনার জেরে আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দুরা। একের পর এক মন্দিরে চলে ভাঙচুর। সংকটকালে ইসকন মন্দিরেও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে খবর। নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে মন্দিরের এক সদস্যকে।বাংলাদেশে গুজব রটিয়ে একাধিক দুর্গামণ্ডপে হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। শেখ হাসিনার সরকার যে ব্যবস্থা নিয়েছে তাতে সন্তোষপ্রকাশ করেছে বিদেশ মন্ত্রক। মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানান,বাংলাদেশে ধর্মীয়স্থানে হামলার বেশ কিছু বিরক্তিকর ছবি পেয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সে দেশের সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্তা দিয়েছেন, আশা করছি নিজেদের দেশে যে কোনওরকম প্রতিক্রিয়ার মোকাবিলায় পদক্ষেপ করবে ভারত। যাতে বাংলাদেশে পরিস্থিতির অবনতি না হতে পারে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, কুমিল্লায় ধর্মদ্রোহের অভিযোগে দুর্গামণ্ডপে হামলা করে দুষ্কৃতীরা। ওই ঘটনার পর একাধিক এলাকায় মৌলবাদিদের আক্রমণের মুখে পড়েছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা। প্রাথমিকভাবে এর পিছনে জামাত-ই-ইসলামির পরিকল্পনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শেখ হাসিনা বার্তা দেন, আমরা আশা করছি ভারতে এমন কোনও ঘটনা ঘটবে না যা বাংলাদেশের পরিস্থিতি বা হিন্দু সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করবে। সব ঘটনার তদন্ত করা হবে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। এক্ষেত্রে ধর্ম দেখা হবে না। তাদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেব।এই হিংসাত্মক ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন এপার বাংলার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কুণাল ঘোষ। ঘটনার প্রতিবাদ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিকে বেঙ্গল ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের তরফে ঘটনার তীব্র নিন্দা করে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের তুমুল আনন্দোৎসবের জায়গা দখল করেছে ভয়ভীতি আর আশঙ্কা। ৩২ হাজারের বেশি পুজো হয় বাংলাদেশে। পূজো মণ্ডপকে কেন্দ্র করে যেখানে প্রতিটি পরিবারের প্রতিটি সদস্যের অনাবিল আনন্দে মেতে ওঠার কথা ছিল সেখানে কুমিল্লার একটি পুজো মণ্ডপের অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা। আমরা অসহায়, আমাদের তেমন করণীয় নেই। তবুও শর্তহীনভাবে ভাষা, সম্প্রদায়, সীমানা নির্বিশেষে সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক কর্তব্য।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Sarbamangala Temple: ৩০০ বছরের পুরনো বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট প্রতিষ্ঠার সঙ্গেই রাঢ়বঙ্গে দামামা বাজল শারদ উৎসবের

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মায়ের ঘট উত্তোলন ও প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে মহালয়ার পরদিন থেকে শারদ উৎসবের সূচনা হয়ে গেল রাঢ়বঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে নবমী পর্যন্ত চলবে পুজো। তবে রাজ আমলের রীতি মেনে পুজো হলেও কোভিড বিধি মেনে এবারও সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ভক্তদের ভিড় জমানোয় নিষেধাঞ্জা বলবৎ রেখেছে সর্বঙ্গলা ট্রাস্টি বোর্ড। বৃহস্পতিবার রীতি মেনে বর্ধমান শহরের কৃষ্ণসায়র থেকে রুপোর ঘটে জল ভরে সেই ঘট ঘোড়ার গাড়িতে চাপিয়ে শোভাযাত্রা ও বাদ্যযন্ত্র সহযোগে নিয়ে যাওয়া হয় সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দিরের পুরোহিত অরুণ কুমার ভট্টাচার্য বলেন, মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে দেবী সর্বমঙ্গলার জন্য ঘটে জল ভরে আনার নিয়ম রয়েছে। কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী ঘাট থেকে ঘটে জল ভরে সেই ঘট মন্দিরে নিয়ে গিয়ে এদিন প্রতিষ্ঠা করা হল। কৃষ্ণসায়র থেকে ঘট আনার জন্য শোভাযাত্রা করা হলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরোহিত জানান, ঘটস্থাপনের পর থেকে নবমী পর্যন্ত পুজো চলবে। সঙ্গে হবে চণ্ডীপাঠ ও দেবীকে ভোগ নিবেদন। সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজো শুরু নিয়ে বর্ধমানে নানা কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। প্রচলিত কাহিনী অনুসারে জানা যায়, বহুকাল পূর্বে বর্ধমানের বাহিরসর্বমঙ্গলা অঞ্চলে জেলেদের জালে একটি অদ্ভূত দর্শন পাথর উঠে আসে। কিছুটা শিলার মত দেখতে ওই পাথর দিয়েই তখনকার দিনে গুগলি, শামুক থেঁতো করতেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই শিলা যে আদতে দেবী মূর্তি, তা পরে বুঝতে পারেন এলাকার এক পুরোহিত। কাহিনী অনুসারে আরও জানা যায়, সেই সময় দামোদর নদ লাগোয়া চুন তৈরির কারখানার জন্য শামুকের খোলা নেওয়ার সময় শিলামূর্তিটি চলে যায় চুন ভাটায়। তখন শামুকের খোলের সঙ্গে শিলামূর্তিটি পোড়ানো হলেও মূর্তির কোনো ক্ষতি হয়নি। সেই রাতে দেবীর স্বপ্নাদেশ পাওয়া মাত্রই বর্ধমানের তৎকালীন রাজা শিলামূর্তিটিকে নিয়ে এসে সর্বমঙ্গলা নামে পুজো শুরু করেন। ঐতিহাসিক মতে বর্ধমানের মহারাজা শ্রী কীর্তিচাঁদ ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজোর জন্য মন্দিরটি নির্মাণ করান। কিন্তু এই মন্দিরে থাকা মাতা সর্বমঙ্গলার মূর্তিটি মন্দিরের থেকেও বেশি প্রাচীন। অনেকের মতে মূর্তিটি ১০০০ বছর পুরোনো, আবার কারও মতে ২০০০ বছরের পুরনো। এই মূর্তিটি হল কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভূজা সিংহবাহিনী মহিষমর্দিনী। যাঁর দৈর্ঘ্যে বারো ইঞ্চি, প্রস্থে আট ইঞ্চি। মন্দিরে রুপের সিংহাসনে দেবী আসীন থাকেন। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হবার পরে বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজা উদয় চাঁদ ১৯৫৯-তে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেন, তাঁদের হাতে এই প্রাচীন মন্দিরটি পরিচালনার দায়িত্ব দেন ও তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সেই ট্রাস্টি বোর্ডই এই মন্দিরের দেখাশোনা করে। আগে সন্ধি পুজোয় কামান দাগা হতো, মেষ, মহিষ ও ছাগ বলি হতো। এখন আর হয় না। পূর্বে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে সন্ধিপুজোয় কামানের আওয়াজ শুনে আশেপাশের সমস্ত জমিদার বাড়িতে সন্ধিপুজো শুরু হতো। নবমীতে নব কুমারি মায়ের পুজোর রীতি আজও চালু রয়েছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Campaign: 'এই তো সবে শুরু, দেখুন কি হয়', ভবানীপুরে প্রচারে গিয়ে আত্মবিশ্বাসী অভিষেক

ভবানীপুর উপনির্বাচনের দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জনসংযোগ ও প্রচার শুরু করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শরৎ বোস রোডে বিখ্যাত লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন তিনি। মূলত হিন্দিভাষী অবাঙালি মানুষজনের সঙ্গে মিলিত হন অভিষেক। নিজের বক্তব্যের পর তাঁদের প্রশ্নের জবাব দেন।আরও পড়ুনঃ বল ভেবে খেলতে গিয়েই কেঁপে উঠল পরিত্যক্ত বাড়ি, ছিটকে পড়ল রক্তবৈঠক শেষে অভিষেক বেরিয়ে উপস্থিত সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের বাবুল সুপ্রিয়র তৃণমূলে যোগদান নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। আর কারা লাইনে আছে, মুচকি হেসে অভিষেকের ছোট্ট জবাব, এই তো সবে শুরু। দেখুন কী হয়! প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক মহলকে চমকে দিয়ে শনিবার অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে তৃণমূলে যোগ দেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়ান। গোটা যোগদানপর্ব কার্যত গোপন রাখা হয়েছিল। এরপর তৃণমূলের অফিসিয়াল টুইট পেজে ছবি সহকারে তা প্রকাশ করা হয়। রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন পড়ে যায়। তারপর সন্ধ্যায় লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরের অনুষ্ঠান শেষে অভিষেকের ছোট্ট প্রতিক্রিয়া, এই তো সবে শুরু, দেখুন কী হয়!এদিন লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে হিন্দিভাষীদের বৈঠকেও অভিষেক বাবুল সম্পর্কে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেটা বলে সেটা করে দেখায়। তাই তো বাবুল সুপ্রিয়ের মতো সাংসদরাও এখন মুখ্যমন্ত্রী হাত ধরছে। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চাইছে। এটা শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা ভারতের ছবি।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Kalighat Temple: কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশে লাগু নতুন নিয়ম

এবার থেকে জোড়া করোনা টিকা নিলেই প্রবেশ করা যাবে কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কালীঘাট টেম্পল কমিটি। করোনা সংক্রমণে তৃতীয় ঢেউ আগামী অক্টোবর মাসে চূড়ান্ত আকার নিতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এমন পূর্বাভাসই দেওয়ার পরেই, মন্দিরের সেবায়েতদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেয় কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষ। সেই মর্মে সোমবার রাতে বৈঠকে বসে তাঁরা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আলিপুর জেলা বিচারক চৈতালি দাস চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যসভার সাংসদ তথা টেম্পল কমিটির সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী প্রমুখ। সূত্রের খবর, বৈঠকে আলিপুর জেলা বিচারক মন্দির কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্ত সদস্যদের কাছে জানতে চান, সরকারি কোভিডবিধি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা। টেম্পল কমিটির কয়েকজন সদস্য জানান, কোভিড সংক্রমণ রুখতে গত এক বছরে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্দিরের নিজস্ব তহবিল থেকে যাবতীয় পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু বাইরে থেকে মন্দিরে আসা ভক্তকুলের চাপে বহু ক্ষেত্রেই সেইসব জিনিসের ক্ষতি হয়েছে।আরও পড়ুনঃ পূর্ণদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্রে জীবনযুদ্ধের গল্প নিয়ে শুভেন্দুপ্রসঙ্গত, কালীঘাট মন্দির পরিচালনার প্রশাসনিক দায়িত্ব আলিপুর জেলা বিচারকের হাতে। তাই তিনি এই বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন। সরকারি বিধিনিষেধের মধ্যেই ২২ জুন খুলে দেওয়া হয়েছিল কালীঘাট মন্দিরের দরজা। ২১ জুন কালীঘাট টেম্পল কমিটির সিদ্ধান্ত নেয়, সকাল ছটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খোলা জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে মন্দির। পরে বিকেল চারটে থেকে ছটা পর্যন্ত খোলার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত এখনও বলবৎ রয়েছে। কিন্তু, তখনও মন্দিরের গর্ভগৃহে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছিল কমিটি। সংক্রমণের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বৈঠকে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে মন্দিরের প্রশাসনিক তথা পুজো সংক্রান্ত কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের জোড়া টিকা দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে। সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যারা জোড়া টিকা নেবেন, শুধুমাত্র তাঁরাই কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন। সরকারি কোভিডবিধি যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রেখে চলতে হবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
দেশ

Puri: খুলছে পুরীর মন্দির, কী কী নিয়ম মানতে হবে জানুন

ভক্তদের দর্শন দেবেন প্রভু জগন্নাথ। আগামী ১৬ অগস্ট থেকে খুলছে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির। প্রথমে ১৬ অগস্ট থেকে শুধুমাত্র স্থানীয়দের জন্য খোলা হচ্ছে মন্দির। সবার জন্য খোলা হবে ২৩ অগস্ট থেকে। বুধবার শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। তবে মন্দিরে ঢুকতে গেলে মানতে হবে অনেক নিয়ম। তৈরি করা হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল বা এসওপি।আরও পড়ুনঃ বুমরা, সামির ঝড়ে বেসামাল ইংল্যান্ড, গুটিয়ে গেল ১৮৩ রানেমন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, পুণ্যার্থীদের হয় টিকাকরণের সংশাপত্র, নয়তো কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট দেখাতে হবে। প্রতি সপ্তাহে শনি ও রবিবার বন্ধ থাকবে মন্দির। কারণ ওই দুদিন পুরীতে লকডাউন থাকে। শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান কৃষ্ণ কুমার বলেন, আমরা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল তৈরি করেছি। সেই নিয়ম মানতে হবে। মন্দিরের বাইরে কিয়স্ক তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ভক্তদের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট বা টিকাকরণের সংশাপত্র দেখাতে হবে। শনি ও রবিবার ছাড়াও বিশেষ বিশেষ দিনে ভিড় এড়াতে মন্দির বন্ধ থাকবে। মন্দির দর্শনের সময়ও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভগবান দর্শন করা যাবে। ভক্তদের মন্দিরের ভিতরে ভোগ প্রদান করতে বা প্রদীপ জ্বালাতে নিষেধ করা হয়েছে। মন্দিরের মধ্যে কোনও বিগ্রহ স্পর্শ করতেও নিষেধ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পরে গত ২৪ এপ্রিল থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল জগন্নাথ মন্দির। রথযাত্রা উপলক্ষেও ভক্তদের উপস্থিত থাকার অনুমতি ছিল না।

আগস্ট ০৫, ২০২১
কলকাতা

Kalighat: আজ থেকে দুবেলা খোলা কালীঘাট মন্দির

আজ থেকে দুবেলার জন্যই খুলে দেওয়া হচ্ছে কালীঘাট মন্দির। পাশাপাশই গর্ভগৃহে ঢোকা থেকেও উঠে যাচ্ছে নিষেধাজ্ঞা। সেখানে ঢুকেই পুজো দিতে পারবেন দর্শনার্থীরা। তবে করোনা বিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে। পুজো দেওয়া ঘিরে যাতে ভিড় না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষকে।এর আগে, গত ২২ জুন মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয় দর্শনার্থীদের জন্য। তবে করোনা পরিস্থিতিতে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্তই মন্দির খোলা রাখা হচ্ছিল। নিষেধ ছিল গর্ভগৃহে প্রবেশ। সোমবার থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। মন্দির কমিটির সভাপতি বিদ্যুৎ হালদার জানিয়েছেন, সোমবার থেকে দুবেলা মন্দির খোলা থাকছে, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা। তবে একসঙ্গে ১০ জনের বেশি ঢোকা যাবে না।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজ্য

Jamalpur: মন্দিরে ভক্ত সেজে সোনার হার ছিনতাই, গ্রেফতার ৬ সুন্দরী মহিলা

দেবতার দরবারে হাজির হয়েছিল ছয় সুন্দরী চোর ও তাঁদের গাড়ির চালক। একেবারে ফিল্মি কায়দায় তারা এক মহিলা ভক্তকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে তার গলায় থাকা সোনার হার ছিনতাই করে নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে অবশ্য শেষ রক্ষা আর হয়নি। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার জামালপুরের বুড়োরাজের মন্দিরে ভক্তসেজে হাজির হওয়া ৬ মহিলা ও তাদের গাড়ি চালককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আটক করা হয়েছে ধৃতদের ব্যবহৃত চারচাকা গাড়িটি। ধৃতরা সকলেই হুগলী জেলার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের কাছ থকেই উদ্ধার হয়েছে চুরি হওয়া সোনার হারটি।পুলিশের অনুমান, ধৃতরা আন্তরাজ্য চুরি চক্রে জড়িত। মঙ্গলবার ৭ ধৃতকে কালনা মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ তদন্তের প্রয়েজনে ৬ দিনের জন্য তাদর নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগের প্রিকোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় তরুণদীপ রাইয়েরপুলিশ জানিয়েছে, সোমবার পূর্বস্থলীর জামালপুরের বুড়োরাজের মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য অনেক ভক্ত লাইনে দাঁড়ান। তাদের মধ্যে ধৃত ছয় মহিলাও ছিল। দুপুরে হঠাৎই লাইনে হুড়োহুড়ি ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। কয়েকজন ভক্ত মাটিতে পড়ে যান। সেই ফাঁকে পড়ে যাওয়া মহিলা স্বপ্না দাসের গলা থেকে সোনার হার ছিনতাই করে নিয়ে গাড়ি চেপে পালিয়ে যায় ভক্ত সেজে আসা মহিলা ছিন্তাইবাজদের দল। স্বপ্না দাস চোরেদের টাটা সুমো গাড়ির নম্বর ও রঙের বিষয়টি তৎক্ষণাৎ মন্দির চত্ত্বরে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ারদের জানায়। সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ ওই টাটাসুমো গাড়িটির খোঁজে নেমে পড়ে। গাড়ি সহ সুন্দরী মহিলা চোরের দলটি ধরা পড়ে পুলিশের হাতে।আরও পড়ুনঃ আজও দিনভর হেভিওয়েট বৈঠকে মমতাকালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, পুলিশি তৎপরতায় বুড়োরাজের মন্দিরে ভক্ত সেজে এসে মহিলার হার ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়া ৬ মহিলা সহ ৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া সোনার হারটি। মনে করা হচ্ছে এই চোরের দলটি বিভিন্ন জায়গায় এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে সবিস্তার খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
দেশ

Temple Stamped: মহাকালেশ্বর মন্দিরে পদপিষ্ট বহু মহিলা ও শিশু

মহাকাল মন্দিরে অত্যধিক ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু মহিলা ও শিশু।জানা গিয়েছে, উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর শিব মন্দিরে গিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উমা ভারতী-সহ কয়েক জন ভিআইপি ব্যক্তি। তাঁরা যাওয়ার পরেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভক্তদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। ভিড় সামলাতে পারেনি পুলিশ। পদপিষ্ট হয়ে আহত হয়েছেন বহু ভক্ত। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েক জন মহিলা, শিশুও রয়েছে। শুধু তাই নয়, মন্দিরে করোনাবিধিও ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলেরসোমবার মহাকাল মন্দিরের চার নম্বর প্রবেশ দ্বারের বাইরে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পরে ভক্তরা অধৈর্য হয়ে যান। ফলে তাঁদের ভিতরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার পরেই সবাই একসঙ্গে ঢুকতে যান। তখনই পড়ে যান অনেকে। পদপিষ্ট হয়ে আহত হন তাঁরা। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পরে কয়েক জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উল্লেখ্য, করোনার কারণে অনেক দিন বন্ধ থাকার পরে গত মাসেই খুলেছে মহাকাল মন্দির। যদিও মন্দিরে যাওয়ার জন্য ভক্তদের কোভিড পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট বা একটি টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার ভক্তকে মন্দিরে ঢোকার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন।

জুলাই ২৭, ২০২১
ভ্রমণ

Rakhal Raja: রাখাল রাজের দেশে, বিস্তীর্ণ প্রান্তর যেথায় দিগন্তে গিয়ে মেশে

বহু দিন ধরে বহু ক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়াএকটি ধানের শিষের উপরেএকটি শিশিরবিন্দু।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকবির প্রকৃতি প্রেম খুব সুন্দর করে এই পংক্তি গুলির মধ্যে ফুটে উঠেছে। সত্যিই তো আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান, প্রকৃতি যেখানে জিঅকৃপণ ভাবে নিজেকে সাজিয়ে রেখেছে, তার কতটুকুই বা আমরা জানি। লকডাউনের বিধিনিষেধ দূর ভ্রমণে বাধা হলেও, অদূর ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছে। মুক্তির স্বাদ খুব অল্প সময়ের হলেও তা প্রাপ্তির ভাণ্ডার কে পরিপূর্ণ করে তোলে। প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গিয়ে অপার আনন্দ অনুভব করার এমনই এক ঠিকানা রাখাল রাজার মন্দির।প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মন্দিরময় স্থান কালনা। কালনার ই বৈদ্যপুর রথতলা থেকে মিনিট ১৫ গেলেই গোপালদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এই রাখাল রাজ মন্দির। নিরিবিলি পরিবেশ, চারদিকে বিস্তীর্ণ সবুজ প্রান্তর, পাখির কলকাকলিতে মুখরিত, তার মাঝখানে লাল ইটের তৈরি প্রাচীন মন্দিরে রাখাল রাজ বিরাজমান। প্রকৃতি এখানে রাখাল রাজের খেলার উপযুক্ত স্থান হিসাবেই নিজেকে সাজিয়ে রেখেছে। মন্দির এর সামনে বিস্তৃত নাট মন্দির, তার দেয়ালে শ্রীকৃষ্ণের বাল্য লীলার নানান কাহিনী যেমন পুতনা বধ, ননী চুরি, কংস বধ ইত্যাদি ছবির মাধ্যমে বর্ণিত আছে।মন্দিরের গর্ভগৃহে তিনটি মূর্তি রয়েছে, সবচেয়ে বড় রাখাল রাজের মূর্তি, আকাশী নীল গায়ের রঙ, বড় বড় টানা চোখ, বাম হাতে নাড়ু আর ডান হাতে লাঠি নিয়ে গোপবালকদের দলপতির মত সমস্ত কিছু পরিচালনা করছেন। দুপাশে সাদা গাভী। তাঁর ডানদিকে ছোট রঘুনাথ মূর্তি, গায়ের রঙ সবুজ আর বামদিকে গোপীনাথজী আকাশী নীল গায়ের রঙ। মূর্তিগুলি অপরূপ মায়াময়, তাকিয়ে থাকলে প্রশান্তিতে মন ভরে যায়। পুরোহিতের সাথে কথা বলে যা ইতিহাস জানা গেল তা প্রায় ৫০০ বছর আগের, বেশিরভাগটাই জনশ্রুতির উপর ভিত্তি করে।কাহিনীটি অনেকটা এরকম, বর্ধমানের খাতুন্দীর বাসিন্দা গোপীনাথ ভক্ত রামকানাই গোস্বামী বর্গী আক্রমণের ভয়ে বা পারিবারিক কলহের কারণে আরাধ্য দেবতাকে সাথে নিয়ে বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।পথে ঘন জঙ্গল পড়ে, এদিকে গোপীনাথকেও ও ভোগ দেওয়ার সময় হয়ে আসায়, রামকানাই গোস্বামী জঙ্গলেই কাঠ কুটো জ্বালিয়ে রান্নার ব্যবস্থা করেন। এই সময়েই রাজা গোপালদাস তার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে মৃগয়া করতে এসেছিলেন, পথে ক্লান্ত হয়ে ফেরার সময় দেখলেন জঙ্গলে এক জায়গা থেকে ধোঁয়া উঠছে। রাজা সেখানে সপারিষদ উপস্থিত হতে, গোস্বামী মহাশয় তাদের সাদর অভ্যর্থনা জানান, ও খেয়ে যেতে বলেন। গোপীনাথজী র অসীম কৃপায় একটা ছোট হাঁড়ির ভোগেই সবাই পরিতৃপ্তির সাথে খাওয়া সম্পূর্ণ করেন। রাজা গোপীনাথ এর মাহাত্ম্য বুঝতে পারেন এবং উনি রামকানাই গোস্বামীকে কিছু জমি দান করেন। মন্দির নির্মাণ করেন। তার নামানুসারে এই গ্রামের নাম গোপালদাসপুর।সেই দিন রাত্রে রামকানাই গোস্বামী স্বপ্নাদিষ্ট হন যে রাখাল রাজ বালকের বেশে তাকে বলছেন তার আর বৃন্দাবন যাত্রার প্রয়োজন নেই। পরের দিন পাশের যমুনা পুষ্করিণী তে যে কাঠ ভেসে থাকবে তাই নিয়ে নদীয়ার বাঘনাপারার এক পাঁচ বছরের বালকের কাছে গেলে, সে রাখাল রাজার মূর্তি তৈরি করে দেবে। স্বপ্নাদেশ পেয়ে রামকানাই পরের দিন পুষ্করিনী থেকে কাঠ সংগ্রহ করে, বাঘনাপাড়ায় গিয়ে সেই বালক, নাম মহাদেব, কে দিয়ে মূর্তি তৈরি করান, সেই মূর্তিই আজও পূজিত হয়ে আসছে। সেই বালকের বংশধরেরাই এখনো মাঘী পূর্ণিমার দিন মূর্তির অঙ্গরাগ করেন। পাশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন গোপীনাথ।রামনবমী ও জন্মাষ্টমী তে বড় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়, প্রচুর ভক্ত সমাগম ঘটে। মূল মন্দিরের পাশে আছে দোল মন্দির এখানে দোল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। একটু দূরে আছে সাধক রামকানাই গোস্বামী র সমাধি মন্দির।সকাল থেকে মোট চারবার ভোগ নিবেদন করা হয়। দুপুরে থাকে অন্নভোগ। মন্দিরে এসে আগে থেকে কুপন কেটে রাখলে ভোগ খাবার ব্যবস্থা আছে।বিকেল বেলা শীতল ভোগ হয়ে গেলে, মন্দির ও তার চারপাশে কেউ যায়না, মানা হয় এই সময় রাখাল রাজা স্বয়ং তার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে খেলা করেন। ভক্তজনের বিশ্বাস আর ভক্তিতেই তিনি সদা জাগ্রত। এই সব কাহিনী শুনতে শুনতেই রাখাল রাজের লাঞ্চ এর সময় হয়ে গেল। আরতির পর তিনি খেতে বসলেন, সাথীদের নিয়ে। আরতি দর্শন করে ও দুপুরের ভোগ খেয়ে পরিপূর্ণ হৃদয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলাম আমরা।প্রকৃতি ও ঈশ্বরকে অনুভব করার অপূর্ব অনুভূতি মনের মণিকোঠায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে অনেকদিন।ডঃ ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়সহকারী অধ্যাপকচন্দ্রপুর কলেজ (বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়)কিভাবে যাবেনবর্ধমান থেকে হাওড়া গামী মেন লাইন লোকাল ট্রেন ধরে নামতে হবে বৈঁচি স্টেশনে। সেখান অম্বিকা কালনা অভিমুখে যে বাস যাচ্ছে সেই বাসে উঠে নামতে হবে বৈদ্যপুর বাজার। সেখান থেকে গোপালদাসপুর যাওয়ার টোটো ধরতে হবে। গোপালদাসপুরে যে কেউ দেখিয়ে দেবে রাখালরাজার মন্দির। কেউ যদি থাকতে চান তাহলে বৈদ্যপুরে হোটেল বা লজে থাকতে পারেন। বৈদ্যপুর থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে কালনা শহরে থাকার জন্য অনেক হোটেল আছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
কলকাতা

আজ থেকে খুলল কালীঘাট মন্দির

রাজ্যের করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতির একটু উন্নতি হতেই বিভিন্ন মন্দির খুলছে ভক্তদের জন্য। মঙ্গলবার থেকে খুলে গেল কালীঘাট মন্দিরের (Kalighat Temple) দুয়ার। সকাল ৬টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দির। এই সময়ের মধ্যে ভক্তরা পুজোর ডালা নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। পুজো দেওয়ায় কোনও বাধা নেই। তবে যথাযথ কোভিড বিধি মেনেই হবে মা কালীর আরাধনা। মাস্ক ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ। শারীরিক দূরত্ব মেনে পুজোর লাইনে দাঁড়াতে হবে। এমনই বেশ কয়েকটি নিয়ম মেনে তবেই ভক্তদের জন্য মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে বেশ খুশি দর্শনার্থীরা। অনেকদিন পর পুজো দেওয়ার সুযোগ পেয়ে এদিন সকালেই ভক্তরা ভিড় করেন মন্দির চত্বরে।আরও পড়ুনঃ এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রীকরোনা আবহে রাজ্যে মে মাসের ৫ তারিখ থেকে কড়া বিধিনিষেধ লাগু হওয়ার পরপরই প্রসিদ্ধ মন্দিরগুলি একে একে বন্ধ হতে থাকে। তার আগে ভক্তদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল বেশ কয়েকটি মন্দিরে। সংক্রমণ এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেয় বিভিন্ন মন্দির কর্তৃপক্ষ। তবে মাস দুই পর রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি একটু নিয়ন্ত্রণে এলে ফের কোভিড (COVID-19) বিধি মেনে মন্দির খুলতে থাকে। তারকেশ্বর এবং তারাপীঠের মন্দির খোলা হয়েছিল গত সপ্তাহেই। চলতি সপ্তাহে আবার তারকেশ্বরের মন্দিরে ভক্তদের প্রবেশের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। জানানো হয়, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকেল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দুদফায় মন্দিরে ঢুকতে পারবেন ভক্তরা। গর্ভগৃহে প্রবেশেও অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

জুন ২২, ২০২১
রাজ্য

Tarapith Temple: ১৬ জুন থেকে ভক্তদের জন্য খুলতে চলেছে তারাপীঠ মন্দির

অপেক্ষার অবসান। রাজ্যে করোনার সংক্রমণ (Corona Pandemic) অনেকটাই নিম্নমুখী। আর তাই আগামী ১৬ জুন থেকে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে বীরভূমের (Birbhum) তারাপীঠের মন্দির (Tarapith Temple)। সোমবার সেবাইতদের বৈঠকের পর এমনটাই জানানো হয়েছে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে। তবে জারি থাকবে করোনা সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ। ৩৩ দিন পর খুলতে চলেছে মন্দির।করোনার (Corona Virus) দ্বিতীয় ঢেউয়ে রাজ্যের অন্যান্য মন্দিরের পাশাপাশি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তারাপীঠের মা তারার মন্দিরও। সংক্রমণ রুখতে রাজ্যের তরফে কড়া বিধিনিষেধ জারি করার পরই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল। এই সময় কেবল সেবাইতদেরই পালা করে মায়ের পুজো করার অনুমতি ছিল। তবে মন্দিরের দ্বার বন্ধ থাকলেও ভিডিও কলের মাধ্যমেই মায়ের দর্শন করছিলেন ভক্তরা। এজন্য উদ্যোগ নিয়েছিল তারাপীঠ মন্দিরের সেবাইত সংঘই। সেবাইতরাই ভক্তদের ভিডিও কল করে মায়ের দর্শনের ব্যবস্থা করছিলেন। এমনকী পুণ্যার্থীদের দাবি মেনে ভিডিও কল করে তাঁদের নাম, গোত্র ধরে পুজোও দিয়ে দেন তাঁরা। এখানেই শেষ নয়, দূর-দূরান্তের পুণ্যার্থীদের কাছে সংকল্প করা পুজোর ফুলও পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল ডাকযোগে। তবে শেষপর্যন্ত রাজ্যে সংক্রমণের গ্রাফ কমতেই মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।তবে ১৬ তারিখ থেকে মন্দির খুললেও ভক্তদের জন্য জারি থাকবে একাধিক বিধিনিষেধ। প্রত্যেককেই সেই বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। মন্দিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গর্ভগৃহে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। তোলা যাবে না কোনওপ্রকার সেলফি। মায়ের বিগ্রহকে স্পর্শ করা কিংবা জড়িয়ে ধরা যাবে না। এছাড়া করোনা সংক্রান্ত অন্যান্য সতর্কতাও মেনে চলতে হবে।

জুন ১৪, ২০২১
কলকাতা

মমতার গড়ে জনসংযোগ নাড্ডার, পুজো দিলেন কালীঘাটে

বাংলায় দুদিনের সফরে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আজ বিমানবন্দরে অবতরণের পর হেস্টিংসে আসলে কালো পতাকা দেখানো হয় তাঁকে। তা উপেক্ষা করে অগ্রবাল ভবনে স্থিত দলীয় কার্যালয়ের মধ্য়ে গঠিত নতুন নির্বাচনী দফতরের উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর যান মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধায়ের গড় ভবানীপুরে। সেখানে গৃহ সম্পর্ক অভিযানে যোগদান করেন নাড্ডা। গিরিশ মুখার্জি রোডের বস্তিতে কয়েকটি বাড়িতে গিয়ে আর নয় অন্যায় এর লিফলেট বিলি করেন সর্বভারতীয় সভাপতি। তবে তাঁর ৪৫টি বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে সেই কর্মসূচি বাতিল করা হয়। একেবারে কাছ থেকে জেপি নাড্ডাকে দেখে উচ্ছ্বসিত বস্তিবাসীরা। নাড্ডা তাদের সমস্যার কথা শোনেন এমনটাও জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মমতা, করলেন দ্রুত আরোগ্য কামনা এরপর সেখান থেকে বেড়িয়ে কালীঘাটে পুজো দিতে যান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। মায়ের মন্দিরে পুজো দিয়ে আইসিসিআর-এ দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন নাড্ডা। পাশাপাশি আগামীকালও ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যপাধ্যায়ের গড় ডায়মন্ড হারবারে যাবেন তিনি। সেখানে স্থানীয় মৎসজীবীদের সঙ্গে কথা বলবেন জেপি নাড্ডা। তাঁদেরই একজনের বাড়িতে খেতে পারেন দুপুরের খাবারও এমনটাই বিজেপি সূত্রে খবর।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
উৎসব

আজ কালীপুজো, মন্দিরে মন্দিরে ভক্তের ঢল

কালীপুজো উপলক্ষে সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন সতীপীঠ ও সিদ্ধপীঠে নেমেছে ভক্তদের ঢল। তবে প্রায় প্রতিটি মন্দিরেই করোনাজনিত বিধিনিষেধ মেনে পুজো চলছে। পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মন্দিরে মন্দিরে যাতে করোনাজনিত বিধিনিষেধ মেনে চলা হয় সে বিষয়ে কঠোর দৃষ্টি রাখা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই দক্ষিণেশ্বর ও তারাপীঠের কালী মন্দিরে ছিল ভক্তের বিপুল সমাগম। শনিবার ভোর থেকেই দক্ষিণেশ্বর মন্দির চত্বরে মানুষের যেন তিল ধারণের জায়গা নেই। নাটমন্দির থেকে শুরু করে আঁকাবাঁকা লাইন এগিয়ে গিয়েছে গঙ্গার উপর বালি ব্রিজে। তবে ভক্তরাও এদিন যথেষ্ট সুশৃঙ্খলভাবে পুজো দিচ্ছেন। তাঁরাও ধৈর্য ধরে লাইনে অপেক্ষা করছেন। মেনে চলছেন করোনাজনিত দূরত্ব। আরও পড়ুন ঃ জল থেকে কাঠামো তোলার জন্য এজেন্সি নিয়োগ হাওড়া পুরনিগমের এদিন দেখা গিয়েছে, দক্ষিণেশ্বরে পুরোহিতরাও পিপিই কিট পরে পুজো করছেন। ভক্তদের বলা হয়েছে, পুজো দেওয়ার পর তাঁরা যেন দ্রুত মন্দির ছেড়ে চলে যান।দক্ষিণেশ্বর মন্দির চত্বরে এ দিন একসঙ্গে ২০০ জনকে দাঁড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে গঙ্গার ঘাটে স্নান করে সরাসরি মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না। এমনকি গঙ্গার ঘাটে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতেও দিচ্ছে না পুলিশ। গর্ভগৃহে অবশ্য কোনো ভক্তকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এবার করোনাজনিত কারণে অনলাইনেও মায়ের পুজো দেখা যাবে। করোনাজনিত কারণে এবার প্রসাদ দেওয়া হবে না। পুজো চলছে কালীঘাট মন্দিরেও। সেখানেও সকাল থেকেই মানুষের লম্বা লাইন। অন্যদিকে তারাপীঠ মন্দিরেও সকাল থেকেই ছিল ভক্তের বিপুল সমাগম। এখানেও দেখা গিয়েছে পুরোহিতরা যথারীতি নিয়ম মেনে পুজো করছেন। কোনওভাবেই মানুষ যাতে করোনাজনিত বিধিনিষেধ না ভাঙে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়েছে। বোলপুরে কঙ্কালীতলাতেও এদিন সকাল থেকেই ছিল ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ

বাংলায় তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার তিনি পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১ টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন। তাঁর জন্য গোটা মন্দির চত্বরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মন্দিরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বঙ্গ বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। পুজো দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন , পুজো দিয়ে আমি আপ্লুত। তিনি আরও বলেন , বাংলার এই পবিত্র ভূমি রামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, প্রণবানন্দ ঠাকুর, শ্রী অরবিন্দের। কিন্তু এখানেই তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে। তোষণের রাজনীতিতে ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আধ্যাত্মিক-ও ধর্মীয় চেতনায় দেশের শীর্ষে ছিল বাংলা। সেই গৌরব আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজ্যবাসীকে বিচার-বিবেচনার উপর বিশেষ নজর দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাব। আরও পড়ুন ঃ বালি বোঝাই লরি উলটে দুর্ঘটনা , মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের এছাড়াও তিনি আরও বলেন, মা কালীর কাছে গোটা দেশ তথা বাংলার মঙ্গল কামনা করেছি। মোদীর নেতৃত্বে দেশ এক নম্বরে পৌঁছক তাই চাই। দক্ষিণেশ্বরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ দিন ছিলেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বাবুল সুপ্রিয়, অনুপম হাজরা-সহ আরও অনেকে। এছাড়াও মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরে ছিলেন বিজেপির মহিলার মোর্চার সদস্যারাও।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

তমলুক বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিলেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার তিনি তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। এদিন পুজো ্দেওয়ার পর সন্ধ্যা আরতিতে অংশগ্রহণ করে মায়ের আশীর্বাদ নেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত সঞ্জিত সিংয়ের প্রসঙ্গত , গত কয়েকদিন আগে তিনি করো্নায় আক্রান্ত হন। তাঁর আরোগ্য ্কামনায় অনুগামীরা যজ্ঞের আয়োজন করেন। করো্নার সঙ্গে অনেকদিন লড়াই করার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠে্ন। এরপর এদিন তিনি বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিতে আসেন।

অক্টোবর ১০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal