• ৩ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tap

কলকাতা

Pegusas: ফোন ট্যাপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চান মমতা

শহিদ দিবসের মঞ্চে ভাষণের শুরু থেকেই পেগাসাস কাণ্ডে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে রীতিমতো খড়গহস্ত হয়ে ওঠেন মমতা। সবার ফোনে সর্বক্ষণ আড়িপাতা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। ভাষণ চলাকালীন একসময় হাত জোড় করে তিনি বলেন, সম্মানীয় শীর্ষ আদালতের কাছে আমার বিনীত আবেদন, দেশের সকলে আপনাদের ভীষণ সমীহ করে। যখন বিচারপতিদের ফোনও ট্যাপ করা হচ্ছে, তখন আপনারা কি একটা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করতে পারেন না? আমি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের কাছে এই আবেদন জানাচ্ছি। একমাত্র আপনারাই পারেন দেশকে বাঁচাতে। উল্লেখ্য, ফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে নজর রাখা হচ্ছে বলে মমতা নিজের ফোনের ক্যামেরা লিউকোপ্লাস্ট দিয়ে আটকে দিয়েছেন বলেও জানান। এমনকী, তা তুলেও দেখান।আরও পড়ুনঃ অগস্টের প্রথমেই ৫ কেন্দ্রের ভোটযন্ত্র পরীক্ষার নির্দেশমমতা বলেন, সকল রাজনৈতিক দলের ফোনও ট্যাপ করা হচ্ছে। ফোনটাই এখন রেকর্ডার হয়ে গিয়েছে। আপনারা যদি ঘরে থাকা স্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেন সেটাও রেকর্ড করা হচ্ছে। স্যর, দয়া করা এই দেশকে, এই গণতন্ত্রকে রক্ষা করুন। একটা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করুন। না হলে একটি তদন্তকারী দল গঠন করে দিন। যে আপনাদের অধীনে কাজ করবে। যারা মনিটর করবে যে কার কার ফোনে আড়িপাতা হয়েছিল। আমার ফোনে তো হয়েছে স্যর।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?ফোন ট্যাপিং নিয়ে মমতার যুক্তি, যদি অভিষেকের ফোন ট্যাপ হয়ে থাকে, তবে তো আমার ফোনও হয়েছে। পিকে-র ফোনে হয়েছে। তাহলে তো আমি ওঁর সঙ্গে কথা বলি, আমারও হয়েছে। এমন বহু সাংবাদিক আছেন যাঁরা আমার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন, তাঁদেরও হয়েছে। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের উদাহরণ টেনে তাঁর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদেরও রেয়াত করা হচ্ছে না। তাই এই অবস্থায় গণতন্ত্রকে যদি কেউ রক্ষা করতে পারে সেটা একমাত্র দেশের বিচারব্যবস্থা, বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

জুলাই ২১, ২০২১
কলকাতা

'বঙ্গে আসছে বিজেপিই'! পিকে-র অডিও টেপ ফাঁস

চতুর্থ দফার ভোটপর্ব শুরুর আগেই প্রশান্ত কিশোরের (পিকে) একটি অডিও টেপ সামনে আনলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। সেখানে তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ভোট কুশলীকে বলতে শোনা গিয়েছে, রাজ্যের ভোটে নরেন্দ্র মোদি, হিন্দুত্ব, মেরুকরণ, অবাঙালি ভোট বড় ফ্যাক্টর। বলতে শোনা গিয়েছে, মতুয়া ভোটের দুই তৃতীয়াংশ এবং সামগ্রিক হিন্দু ভোটের অর্ধেক বা তার বেশি বিজেপি-র পক্ষে পড়বে। অমিতের দাবি, ওই অডিওটি পিকের ক্লাবহাউস চ্যাটের অংশ। পিকে অবশ্য কার্যত মেনে নিয়েছেন চ্যাটের কণ্ঠস্বরটি তাঁরই।এ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রশান্ত শনিবার টুইটারে লিখেছেন, আমি খুশি, বিজেপি তাদের নেতার কথার চেয়ে আমার চ্যাটকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। কথার নির্দিষ্ট কিছু অংশ তুলে ধরে উত্তেজিত না হয়ে তাদের পুরো চ্যাটটি প্রকাশ্যে আনা উচিত। আমি আগেও বলেছি, আবার বলছি, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ১০০ পেরোবে না। তিনি দাবি করেছেন, অডিও ক্লিপটিতে তাঁর ক্লাবহাউস চ্যাটের অংশবিশেষ কেটে নিয়ে প্রকাশ করেছে। পুরো চ্যাটটি প্রকাশ করা হলে পরিষ্কার হবে তিনি ঠিক কী বলতে চেয়েছিলেন।অডিও ক্লিপে প্রশান্তকে বলতে শোনা গিয়েছে, ভোট থাকলে তা মোদির নামে রয়েছে। ভোট থাকলে হিন্দুত্বের নামে রয়েছে। মেরুকরণ, মোদি, হিন্দিভাষী, দলিত এগুলোই ফ্যাক্টর। শুভেন্দু গেল, কী প্রশান্ত কিশোর এল, তা এখানে ধর্ত্যব্যের বিষয়ই নয়। মোদি এখানে জনপ্রিয়। ১ কোটি হিন্দিভাষী এবং ২৭ শতাংশ দলিত ভোটার পুরোপুরি বিজেপি-র সঙ্গে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ধর্মীয় মেরুকরণের গুরুত্বের কথাও।সেই সঙ্গে চ্যাটে একটি প্রশ্নের উত্তরে মতুয়া ভোটের গুরুত্বের কথা জানিয়ে প্রশান্ত বলেছেন, আমাদের সমীক্ষার হিসেব বলছে, লোকসভা নির্বাচনের মতো একতরফা না হলেও এখনও মতুয়া ভোটের ৭৫ শতাংশ বিজেপি-র পক্ষে এবং ২৫ শতাংশ তৃণমূলের পক্ষে যাবে।তাঁদের সমীক্ষার ফল সম্পর্কে প্রশান্ত বলেন, আমরা ভোটারদের কাছে মূলত দুটি বিষয় জানতে চেয়েছিলাম প্রথমত, আপনি কাকে ভোট দেবেন। দ্বিতীয়ত, কে সরকার গড়বে। কে সরকার গড়বে এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে অধিকাংশই উত্তর দিয়েছেন, বিজেপি। কেন এমন উত্তর এসেছে তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রশান্ত। তাঁর কথায়, যাঁরা বিজেপি-কে ভোট দেবেন, তাঁরা তো বলছেনই, এমনকি বামেদের পক্ষে যে ১০-১৫ শতাংশ ভোটদাতা রয়েছেন তাঁদেরও দুই-তৃতীয়াংশ মনে করেন, বিজেপি সরকার গড়তে চলেছে। ওই বাম ভোটদাতাদের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর প্রশ্নটাই প্রধান বলে দাবি প্রশান্তের। কারণ, ওই বাম ভোটদাতারা মনে করেন,বিজেপি সরকার গড়লে বামেদের সুদিন ফিরবে।চ্যাটে তিনি বলেছেন, তৃণমূল স্তরে বিজেপি-র প্রচুর নিষ্ঠাবান কর্মী আছেন। হতে পারে তাঁরা বাম থেকে বিজেপি-তে এসেছেন। কিন্তু এখন তাঁরা একনিষ্ঠ ভাবে বিজেপি-র হয়েই কাজ করছেন। একটি-দুটি জায়গা বাদ দিলে পশ্চিমবঙ্গের এমন কোনও এলাকা নেই, যেখানে বিজেপি-র প্রচুর নিষ্ঠাবান কর্মী নেই। কিন্তু এমন পরিস্থিতি হলে তৃণমূল কত ভোট পেতে পারে? প্রশান্তের জবাব, আমার হিসেবে বিজেপি ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ হিন্দু ভোট পাবে।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

এবার গেরুয়া শিবিরের পথে হলদিয়ার সিপিএম বিধায়ক

দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে দলত্যাগের ইঙ্গিত দিলেন হলদিয়ার সিপিএম বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। জানালেন, কাজ করতে পারছেন না। ইঙ্গিতে বোঝালেন বিজেপি শিবিরে যোগদানের ইচ্ছেও। তিনি বলেন, মানুষের হয়ে কাজ করতে চান, কিন্তু তা করতে পারছেন না। আরও পড়ুন ঃ বোলপুরে বিজেপির পোস্টার, অমিত শাহের ছবির নীচে স্থান পেলেন রবি ঠাকুর! এতে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা শুরু হয়েছে তাঁর দলত্যাগ নিয়ে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর স্বামীর বিজেপি যোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে স্পষ্টভাবে তিনি জানান, একইবাড়ির দুজন মানুষ আলাদা রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে চললে সাধারণ মানুষের কাছে ভুল বার্তা যায়। তাই তাপসীদেবী মনে করেন, স্বামীর সঙ্গে একসঙ্গে চলাই তাঁর উচিত। এতেই কার্যত স্পষ্ট যে, দল ছাড়তে চলেছেন তিনিও। বিধায়কের মনোভাব প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে বহিষ্কার করেছে দল।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

রাশমি রকেট ছবির ফার্স্টলুক প্রকাশ্যে আনলেন তাপসী পান্নু

সদ্য শুরু হয়েছে রাশমি রকেটের শুটিং। শুটিং শুরুর দিন কয়েকের মধ্যেই সিনেমার ফার্স্টলুক প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। এই ছবিতে তিনি একজন ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের ভূমিকায় অভিনয় করছেন। ছবির ঘোষণার পর অনেকেই অপেক্ষা ্করছিলেন , এই ছবিতে তাপসী পান্নুর লুক কেমন হবে ? সদ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই লুক প্রকাশ করেছেন তাপসী। সেই পোস্টে একটি নীল রঙা স্পোর্টস আউটফিটে দেখা যাচ্ছে তাপসীকে। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল ট্র্যাকিওস্টমি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের এই ছবির জন্য তিনি যে নিজেকে বেশ ধরে প্রস্তুত করেছেন, তা ছবি দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ইন্সটাগ্রামে ফার্স্টলুক শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, লেটস ডু দিস , রাশমি রকেট। তাপসী পান্নুর আগের ছবিগুলির মতো এই ছবিও দর্শকদের মনোরঞ্জন করবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাজনীতি

রাজ‌্য নেতৃত্বকে উপেক্ষা? মন্ত্রীর সভামঞ্চে হাতের লাঠি বহিষ্কৃত নেতা!

হুগলি জেলায় তৃণমূলের কমিটি গঠন নিয়ে বেড়ে চলা অসন্তোষের মধ্যেই ফের চাঞ্চল্য। এবার দল থেকে বহিষ্কৃত নেতাকেই দেখা গেল মন্ত্রীর সভামঞ্চে। শুধু তাই নয়, তাঁকে বেশ কিছু দায়িত্বও দিলেন মন্ত্রী‌! স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, জেলা বা রাজ্য নেতৃত্বকে কি মন্ত্রী তোয়াক্কা করছেন না? বিতর্ক শুরু হয়েছে রবিবার ৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় সপ্তগ্রাম বিধানসভার ডানলপ তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনীতে। এদিন হুগলি জেলা কমিটি ঘোষণায় তৃণমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত মিলেছে। অনেক নেতা-কর্মীই নন্দীগ্রাম যেতে প্রস্তুত‌। তাঁদের সাফ কথা, শুভেন্দুবাবু আমাদের দলের নেতা, তাঁর সভায় যেতে দল তো নিষেধ করেনি। আর জেলা ও ব্লক কমিটিতে দুর্নীতিবাজরা ঠাঁই পাওয়ায় সিঙ্গুরের বিধায়ক-সহ অনেকেই অসম্মানিত বোধ করে দলত্যাগের কথা ভাবছেন। এর মধ্যেই বহিষ্কৃত নেতা মন্ত্রীর হাতের লাঠি কীভাবে হতে পারেন তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। মন্ত্রী তপন দাশগুপ্তের ঘনিষ্ঠ সত্যরঞ্জন ওরফে সোনা শীলকে আর্থিক অনিয়ম ও দলবিরোধী কাজের জন্য বহিষ্কার করার কথা ঘোষণা করেন হুগলিতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব। শুক্রবার ৬ নভেম্বর তিনি বলেন, সোনা শীলের সঙ্গে দলের কেউ যোগাযোগ রাখতে পারবেন না। অথচ রবিবার সাহাগঞ্জ ডানলপ মাঠে বিজয়া সম্মিলনীতে মঞ্চে দেখা যায় সোনা শীলকে। তিনি বাঁশবেড়িয়ার প্রশাসক অরিজিতা শীলের স্বামী। নতুন পদাধিকারী-সহ দলের বিভিন্ন শাখা সংগঠনের মাথারাও ছিলেন মঞ্চে। মন্ত্রী ভাষণে বলেন, এখানে কিছু কল দরকার। সত্যরঞ্জনকে বলছি সব দেখে আমাকে বিস্তারিত জানাতে। পুরসভাকে আমি টাকা দিয়ে দেব, ওই টাকায় কাজ হবে। প্রশ্ন উঠছে, দল যাঁকে দলবিরোধী কাজ ও আর্থিক অনিয়মের জেরে বহিষ্কার করেছে তাঁকে মন্ত্রী কীভাবে মাথায় তুলে রাখতে পারেন? তাহলে কি পিকের রিপোর্টে ভিত্তি করে কমিটি ঘোষণা, বহিষ্কার সবটাই নাটক। রাজ্য বা জেলা নেতৃত্বকে উপেক্ষার সাহস কীভাবে পেলেন তপন? দলের নীচুতলায় উপরমহলের রাশ কি তবে আলগাই হচ্ছে?

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

তপনে একই পরিবারের পাঁচজনের রহস্যমৃত্যু

একই পরিবারের পাঁচজনের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল। ঘটনাটি ঘটেছে , দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন থানা এলাকার দক্ষিণ জামালপুরে। মৃতদের নাম কুলো বালা বর্মন (৬০), তাঁর ছেলে অনু বর্মন (৩২), অনু বর্মনের স্ত্রী মল্লিকা বর্মন (২৮), দুই শিশু সন্তান বিউটি বর্মন (১০) ও স্নিগ্ধা বর্মন (৭)। জানা গিয়েছে , রবিবার সকালে ওই বাড়ি থেকে কাউকে বের হতে দেখা যায়নি। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি , রণক্ষেত্র হাওড়া প্রতিবেশীরা জানান, অনেক ডাকাডাকি করা হলেও সাড়া মেলেনি। এরপর তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে ৫টি মৃতদেহ উদ্ধার করে। ৪ জনের দেহ ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় থাকলেও, অনু বর্মণের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ময়নাতদন্তের জন্য দেহগুলি পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে , তদন্ত শুরু হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাড়িতে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। ঘটনাটিকে খুন বলে অনুমান করছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

উল্টানো দলীয় পতাকা! হুগলির হেভিওয়েটদের ফ্লপ সভায় প্রতিফলিত অনৈক্যের ছবিই

হুগলি জেলার বলাগড় আসন এখনও তৃণমূলের দখলে। তবে একুশে কী হবে? প্রতিবাদ সভার মঞ্চে তৃণমূলের উল্টানো পতাকাতেই কি সেই আভাস? এমনিতেই লোকসভা নির্বাচনে এই বিধানসভা ক্ষেত্রে ৩৪ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। তৃণমূলের ছন্নছাড়া দশায় দলীয় কর্মীরাই আশার আলো দেখছেন না। তাঁদের আশঙ্কা, হয়তো কোর কমিটিই থাকবে, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কর্মীরাই গুরুত্ব না পেয়ে আর থাকবেন না। হুগলি জেলায় চরমে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মনে করায় নচিকেতার সেই গানের কথা, ...সবার হাতেই কাঠি। প্রশান্ত কিশোরের টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে গঠিত নতুন জেলা কমিটি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমানোর বদলে বাড়িয়ে দেয়। সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে জেলা নেতাদের সঙ্গে পিকের বৈঠকে পরিস্থিতি আরও ঘেঁটে ঘ হয়েছে। কোর কমিটি হয়েছে, ১০টি বিধানসভায় কোর কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ সভার ডাক দেওয়া হয়। তার প্রথম সভা ছিল রবিবার ১ নভেম্বর, বলাগড় বিধানসভার ডুমুরদহের শেরপুর মাঠে। হেভিওয়েটরা অনেকে ছিলেন, কিন্ত সভা ডাহা ফ্লপ। সভা আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন বিধায়ক অসীম মাঝি। বক্তারা যেখানে ভাষণ দেবেন তার সামনেই দলের উল্টানো পতাকা কীভাবে নজর এড়িয়ে গেল? একে ছোট মাঠ, ব্যারিকেড দিয়ে তারও তিন ভাগের এক ভাগে সভা হলো। তবু মাঠ ভরল না। প্রধান বক্তা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যে একমাত্র বক্তা হবেন কে ভেবেছিল? মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত, অসীমা পাত্র থেকে শুরু করে বিধায়ক বেচারাম মান্না, সুবক্তা স্নেহাশিস চক্রবর্তী, জেলা সভাপতি দিলীপ যাদবরা বলার সুযোগই পেলেন না। কল্যাণ একাই একদা গাভাসকারের মতো ৬০ ওভার ধরে বিরক্তিকর ইনিংস খেলায়! রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে তিনিই যে একমাত্র লড়াই করছেন, নানা অঙ্গভঙ্গি করে তা বোঝানোর চেষ্টা চালালেন দেড় ঘণ্টার ভাষণে। যা মেরেকেটে হাজার খানেক লোক হয়েছিল তাঁরাও বিরক্তি নিয়ে ভাষণ চলাকালীন ঘরমুখো হতে থাকলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের এক জেলা পদাধিকারীর কথায়, এই বলাগড়েই বিভিন্ন শাখা সংগঠনের কর্মীদের নিয়ে বহু বড়ো মিছিল, সভা হয়েছে। আজ সত্যিই মাথা হেঁট হয়ে গেল। কর্মীরা কেউ কল্যাণবাবুর নিজেকে জাহিরের কথা শুনতে আসেননি। উনি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাও সেভাবে বললেন না। কর্মীরা দিদির বার্তা, উন্নয়নের কথা, ভোটের আগে হেভিওয়েট দলীয় নেতৃত্বর কাছ থেকে দিশা পেতে এসেছিলেন। তাঁদের হতাশ হয়েই ফিরতে হলো। জেলার রাজনীতিতে ব্লক সভাপতি বদলের হাওয়া ওঠায় বর্তমান ব্লক সভাপতি শ্যামাপ্রসাদ রায় বন্দ্যোপাধ্যায় আসেননি এদিনের সভায়। প্রচারের হোর্ডিংয়ে নাম থাকা বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ব্লকের অনেক নেতাই আসেননি। আসেননি বলাগড়ের ১৩টি অঞ্চলে বুথ স্তরে কাজ করা কয়েক হাজার কর্মী। তাঁদের একজন বললেন, ২৩ মে ফল বেরোনোর পর যাঁরা পুলিশের নিরাপদ আশ্রয়ে ঘরে ছিলেন তাঁরাই এখন কোর কমিটিতে। আর যাঁরা সে সময় বিজেপির আক্রমণ উপেক্ষা করে কর্মীদের আগলে রেখেছিলেন, তাঁদের আজ দুর্নীতিগ্রস্ত বলে সরানো হচ্ছে। পদে বসানো হচ্ছে আসল দুর্নীতিবাজদের। আমফান বা লকডাউনের সময়েও বিপন্ন মানুষের পাশে দেখা যায়নি কোর কমিটির সদস্যদের। আর আরামবাগে তো এখনও দলের যুব সভাপতিই নেই! জেলায় ইতিমধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে ব্যানার পড়তে শুরু করেছে। জেলার রাজনীতির চিত্র না বদলালে ভাঙন রোধ সম্ভব হবে না। তৃণমূলের এই দশা দেখে মুচকি হাসছে বিজেপি। দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার লক্ষ্যে যে কোর কমিটির সভা আয়োজন তার প্রথমটাতেই এমন অনৈক্যের ছবি কিন্তু তৃণমূল নেতৃত্বকে উদ্বেগে রাখবে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। বিধানসভা ভোটের আগে যে আভাস একেবারেই ভালো নয়। প্যানিক অ্যাটাকেই কি দলের উল্টো পতাকা হেভিওয়েটরা দেখতে পেলেন না? ভোটের আগে সব প্ল্যান উল্টো হওয়ার কি ইঙ্গিত এটাই? এককাট্টা হয়ে ভোটে লড়তে না পারলে জেলায় হতে পারে সবচেয়ে খারাপ ফল। দলের কাজকর্মে বিরক্ত অনেকে দলনেত্রীর উপর এখনও আস্থা রাখলেও পূর্ব মেদিনীপুরের দিকেও চোখ রাখছেন। তাসের ঘরের মতো দল ভেঙে পড়ুক, মন থেকে কেউ চাইছেন না। প্রশান্ত কিশোরের টিমের বিরুদ্ধে নানা প্রামাণ্য নথিও পৌঁছে দিচ্ছেন উপর মহল অবধি। যার ফলের উপরই নির্ভর করছে সেই প্রশ্নের উত্তর, হুগলিতে এবার ক'টা আসন পাবে তৃণমূল?

নভেম্বর ০১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal