• ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC,

রাজনীতি

নওশাদকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ফলতার কি বললেন তিনি?

লোকসভা ভোট ঘোষণার আগে থেকেই ডায়মন্ড হারবার ঘিরে চড়তে শুরু করেছে উত্তেজনার পারদ। ২০১৪ সাল থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চব্বিশে তাঁকে হারাতে মরিয়া বিরোধী দলগুলো। ইতিমধ্যেই ওই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। শুক্রবার বিকেলে ফলতা দাঁড়িয়ে সেই কড়া টক্কর তিনি গ্রহণ করছেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক। পাশাপাশি হুঁশিয়ারির সুরেই করে দিয়েছেন বড় অভিষ্যদ্বাণী।এদিকে ইন্ডিয়া জোটে নেই আইএসএফ। তবে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি ডায়মন্ড হারবার লোকসভা আসন থেকে লড়াইয়ের ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন দিন কয়েক আগেই। সূত্রের খবর, সেকথা ইতিমধ্যেই আইএসএফের বিধানসভা ভোটের জোট সঙ্গী সিপিআইএম নেতৃত্বকে জানিয়েছেন তিনি। আলিমুদ্দিন এ নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি। তবে, চাইলে নওশাদকে ডায়মন্ড হারবারে কংগ্রেসের সমর্থনে বাধা নেই বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। ফলেঅন্যদিকে বিজেপিও এবার অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়াকু প্রার্থী দিতে কোমর বাঁধছে বলে জানা গিয়েছে। তাই ভোটযুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারে এবার কাঁটে কি টক্কর দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।শুক্রবার বিকেলে ফলতার একটি বস্ত্র বিতরণী অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলব, বিজেপির ধর্মীয় ভেদাভেদের রাজনীতি, ডায়মন্ড হারবারের তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী নিয়ে মুখ খোলেন।কোনও নাম উচ্চরাণ না করেই অভিষেক বলেছেন, শুনেছি, অনেকেই এখন ডায়মন্ড হারবার থেকে দাঁড়াতে চাইছেন। দাঁড়াতেই পারেন। এটাই তো ভারতীয় গণতন্ত্রের রীতি নীতি, ঐতিহ্য। খুব ভালো। গুজরাটের, উত্তর প্রদেশের নেতারাও ডায়মন্ড থেকে দাঁড়াতে পারেন। ডায়মন্ড হারবারে যে কেউ দাঁড়াতে পারেন। মানুষ একপক্ষকে বেছে নেবে, অন্যদের বর্জন করবে।গতবার এই কেন্দ্র থেকে ৩ লাখ ২১ হাজারের ব্যবধানে জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। শুধুমাত্র ফলতা কেন্দ্র থেকেই ব্যবধান ছিল ৪৫ হাজার। সেই টার্গেট এবার ৭০ হাজার করতে হবে। আজকে যে পরিমাণ মানুষ এখানে এসেছেন, রাস্তায় ৫০ হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন। এই মানুষরা ভোট দিলেই তো উড়ে যাবে। মানুষই ভো-কাট্টা করে দেবে। টাকা ছড়িয়ে কোনও লাভ হবে না। বড় ফুল টাকা দিলে নেবেন, কিন্তু ভোটটা জোড়াফুলেই দেবেন। ভোটের সময় আগেও সংখ্যালঘু তাস খেলেছিল সিপিএম। কিন্তু, যাঁরা সংখ্যালঘু তাস খেলেছিল, তাদের এখন কী অবস্থা সবাই জানে। আমাদের এখানে কাউকে ভাতে মারতে পারবে না কেন্দ্র।

নভেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ইডির তলব অভিষেকের আপ্ত সহায়ককে, আদালতে আবেদন

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ডাক পড়ল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের। আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় সুমিতকে সল্টলের সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। যদিও ইডির ওই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন অভিষেকের আপ্ত সহায়ক। দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। তবে শুক্রবার মামলার শুনানি হয়নি। আগামী সোমবার বেলা ১২টায় এই মামলার শুনানি হবে। অবশ্য এদিন ইডির আইনজীবীকে বিচারপতি ঘোষ জানিয়েছেন, ওইদিনই সুমিতের আর্জির প্রেক্ষিতে শুনানি রয়েছে। তাই সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার পরিবর্তে তাঁকে দুপুর ১২টার পর সিজিও কমপ্লেক্সে ডাকা হোক।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় উঠেছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নাম। ওই সংস্থার সিইও খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নাম ও বাবা রয়েছেন সংস্থার ডিরেক্টর পদে। তা নিজেই জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অভিষেককে। মা লতা ও বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ইডি তলব করেছে। কিন্তু নির্ধারিত দিনে তাঁরা হাজিরা এড়িয়েছেন। গত পরশু সিজিও-তে ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেকপত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসবের মধ্যেই এবার ইডির গোয়েন্দাদের নজরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়।ইতিমধ্যেই লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস ও তাঁর সম্বন্ধে ইডির চাওয়া সব নথি অভিষেক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আদালতে জমা করেছেন। ইডি নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের সঙ্গে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের যোগ দেখলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার দাবি করেছেন, নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই। দুর্নীতির ১০ পয়সাও লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অ্যাকাউন্টে ঢোকার প্রমাণ দেখানো যাবে না। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অ্যাকাউন্টে পুরনো লেনদেন কখনও কয়লা কেলেঙ্কারির সঙ্গে জুড়তে ইডি মরিয়া বলেও তোপ দেগেছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ।

অক্টোবর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টানা সাড়ে ৮ ঘন্টা ইডির জেরা অভিষেক পত্নী রুজিরাকে

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গতকাল, মঙ্গলবার রাতে নথি জমা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক তার পরের দিন এই মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে সাদা ইনোভাতে চেপে হাজির অভিষেক-পত্নী রুজিরা। এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত সপ্তাহে ইডির সমন পেয়েছেন রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন টানা সাড়ে ৮ ঘণ্টা ইডি জেরা করে অভিষেকের স্ত্রীকে। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ সিজিওতে ঢুকেছেন রুজিরা। বাইরে বেরিয়েছেন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে। এদিন তিনি সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে সিজিওর গেটের সামনে থেকেই গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যান। গাড়ির জানলার কাচ তুলে দেওয়ায় ভিতরটা অস্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।এদিন সকাল থেকে সিজিও কমপ্লেক্স ঘিরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ। এমনকী চারিদিকে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। এই প্রথম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তলব করল রুজিরাকে। এর আগে অন্য মামলায় রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। তাঁকে জেরা করে লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডস মামলার হদিশ পেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। সেই সংস্থার সিইও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক। পরে অভিষেককে তলব করে ইডি। তাঁকে ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। বেরিয়ে অভিষেক বলেছিলেন ৯ ঘণ্টা জেরার নিট ফল শূন্য। ২০২২ সালের জুন মাসে শিশুপুত্রকে কোলে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির হয়েছিলেন রুজিরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার জন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সির কড়া সমালোচনা করেছিলেন। কয়লা পাচার কাণ্ডে তাঁকে তলব করেছিল ইডি। পরে তাঁকে দিল্লিতেও তলব করা হয়। রুজিরা যদিও ইডির ডাকে দিল্লি যাননি। তার বদলে কলকাতার ইডির দফতরে যান তিনি। পরে কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলাতে রুজিরার বিদেশে যাওয়ার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিসও জারি করা হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই নোটিস তুলে নিতে হয়েছিল ইডিকে।

অক্টোবর ১১, ২০২৩
কলকাতা

সিবিআইয়ের দিনভর তল্লাশি চেতলার বাড়িতে, ক্ষোভ উগরে দিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম

এর আগে নারদাকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রবিবার পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই ১০ ঘণ্টা তল্লাশি চালালো ফিরহাদের চেতলার বাড়িতে। সেই বাড়ি থেকে সিবিআই আধিকারিকরা চলে যেতেই ক্ষোভ উগরে দিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র। তিনি বলেন, এভাবে আমার সম্মানহানি করা হচ্ছে। আজ আমার ভাইয়ের শ্রাদ্ধ ছিল। সেখানে আমাকে যেতে দেওয়া হল না। কেন এভাবে আমাকে ও আমার পরিবারকে হেনস্তা করা হবে? রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়িতে আচমকা হানা দেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। সেই অভিযান ১০ ঘণ্টা পর শেষ হয় সন্ধে সাড়ে ৬টায়। তদন্তকারীরা বাড়ি ছাড়তেই ফিরহাদ মেয়ে প্রিয়দর্শিনী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন যে, তাঁদের ওপর, মানসিক নির্যাতন চলছে।মেয়র ফিরহাদ হাকিম স্ত্রী রুবি ও কন্যা প্রিয়দর্শিনীকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সাংবাদিক বৈঠকে ফিরহাদ হাকিম অভিযোগ করেন, দীর্ঘ বছর ধরে চেতলার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে আসছেন। তাঁরা আমাকে কাউন্সিলর বানিয়েছেন। বিধায়ক বানিয়েছেন। আজ অবধি কেউ বলতে পারেনি যে আমি দুর্নীতি করেছি। তার পরও কেন আমাকে এই ভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে? বিজেপিকে বলব, আমাকে জেলে রাখুন। কিন্তু, আমাকে এই ভাবে সম্মানহানি করবেন না। একটা অসভ্য, বর্বর দল। এদের কাছে মাথানত করব না।তাঁর বিরুদ্ধে নারদা মামলা প্রসঙ্গে ফিরহাদ বলেন, ওই একটা মামলাতেই আমি অভিযুক্ত। জেলেও গেছি। কিন্তু, জেলে না-গিয়ে অসুস্থ বলে হাসপাতালে শুয়ে থাকিনি। কিন্তু, ওই একই মামলায় তো শুভেন্দু অধিকারীও অভিযুক্ত। কোথায়, ওকে তো ডাকাই হল না? আমি ২৫ বছর ধরে কাউন্সিলর। কখনও দুর্নীতির সঙ্গে হাত মেলাইনি। বামফ্রন্ট আমলেও মার খেয়েছি। আমার বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু, এভাবে আমাকে কখনও হেনস্তা করা হয়নি। এদিন সিবিআই তল্লাশি চালায় প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রের বাড়িতেও।

অক্টোবর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বকেয়া আদায়ে তৃণমূলের লক্ষ লক্ষ চিঠি মোদি সরকাকে

এবার দিল্লির বুকে বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে চলেছে তৃণমূল। একশো দিনের কাজের বকেয়া টাকা এবং আবাস যোজনার কাজের টাকা মিলিয়ে বাংলার মোট ১৫ হাজার কোটি বকেয়া টাকা মোদী সরকার আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। জোড়া-ফুলের দাবি, এ জন্য পশ্চিমবঙ্গের বহু গরিব মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। এবার প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে সেই ভুক্তভোগী মানুষদের চিঠি দিল্লিতে নিয়ে যেতে চলছে তৃণমূল।মঙ্গলবার তৃণমূলের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডলার থেকে বান্ডিল বান্ডিল চিঠির ছবি পোস্ট করা হয়েছে। ছবির সঙ্গেই লেখা রয়েছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলছে বাংলার মানুষ! বিজেপি মনরেগা এবং আবাস যোজনার অধীনে বাংলার জন্য ১৫ হাজার কোটি টাকা নির্মমভাবে আটকে রেখেছে। এর ফলে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন তাদের ন্যায্য পাওনার দাবিতে। ন্যায়বিচার পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত বাংলা লড়াই করবে।দলের সেই এক্সবার্তা শেয়ার করে পরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ, যা আমাদের অধিকার তা দাবি করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। গণতন্ত্রে জনগণের ক্ষমতাই সর্বোচ্চ। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে বঞ্চিত মানুষদের সব চিঠি এসে জমা হয়েছে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে। এই চিঠিগুলিই পাঠানো হচ্ছে দিল্লিতে।গান্ধী জয়ন্তীতে রাজধানীর বুকে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে চাইছে তৃণমূল। আগামী ২ ও ৩ অক্টোবর দিল্লি চলোর ডাক দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এখনও পর্যন্ত যা খবর, ১ অক্টোবরই রাজধানীতে পৌঁছে যাবেন তৃণমূলের বিধায়ক ও সাংসদরা। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে অবস্থান বিক্ষোভ চালাবে ঘাসফুল শিবির। সেই আন্দোলনের মাত্রা কেমন হবে? এ দিন চিঠির ছবি প্রকাশ করে যেন সেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজনীতি

প্রবীণ সিপিএম নেতার বাড়িতে তৃণমূল বিধায়ক, কি নিয়ে আলোচনা?

দোর্দদণ্ডপ্রতাপ সিপিআইএম নেতা তরিৎ তোপদার, ব্যারাকপুরের বেশ কয়েকবারের সাংসদ। আরেজন রাজ চক্রবর্তী, চিত্র পরিচালক। পরে রাজনীতিতে যোগদান। ২০২১ সালে তৃণমূলের প্রতীকে ব্যারাকপুরেরই বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। রাজনীতির পরিসরে এই দুজন যুযুধান দুই শিবিরের। এবার ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ তড়িৎবরণ তোপদারের বাড়িতে আচমকা দেখা গেল তৃণমূলের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে। হঠাৎ কেন এই সাক্ষাৎ? তা নিয়েই আপাতত জল্পনা তুঙ্গে।তবে এই সাক্ষাৎ রাজনৈতিক নয়, নেহাতই সৌজন্য বলে দাবি দুতরফেরই। কিন্তু, দাপুটে সিপিএম নেতার বাড়িতে তৃণমূল বিধায়কের যাওয়া নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।শুক্রবার প্রবীণ বাম রাজনীতিবিদ তড়িৎবরণ তোপদারের বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের কথা হয়েছে। কী নিয়ে কথা হল?প্রাক্তন সাংসদ তড়িৎ তোপদারের পুত্র নীলাদ্রি সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, চিত্রপরিচালক তথা বিধায়ক রাজ ব্যারাকপুর নিয়ে একটি ছবি তৈরি করতে আগ্রহী। সেইসব নিয়ে আলোচনার জন্যই রাজ তড়িৎবাবুর বাড়িয়ে গিয়েছিলেন। নীলাদ্রি তোপদারের কথায়, উনি (রাজ চক্রবর্তী) একটি তথ্যচিত্র তৈরি করবেন। তাতে বাবার নানা কাজের কথা থাকবে।সেসব নিয়ে কথা বলতেই উনি এসেছিলেন। বাবা বাড়িতেই ছিলেন। তবে ঠিক কী কথা হয়েছে তা বলতে পারব না। অফিস থেকে ফিরে এসে জানতে পারি বাবার সঙ্গে ব্যারাকপুরের রাজনীতি নিয়ে কথা হয়েছে রাজের। ব্যারাকপুরের আগে কী পরিস্থিতি ছিল, তারপর কীভাবে অবস্থার বদল ঘটলো, এসবই কথা হয়েছে বলে জেনেছি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তৃণমূলের কর্মীর স্বামীকে নৃশংসভাবে খুন করায় এলাকায় চাঞ্চল্য

বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ উঠলো দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুরে মৃতের বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এরপরই তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি ঘটেছে পুখুরিয়া থানার শ্রীপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের চাতরা এলাকায়। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, ত্রিস্তর পঞ্চায়েত থেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন তাদের পরিবারের সদস্যরা। তৃণমূল করার অপরাধেই দুষ্কৃতীরা এই খুনের ঘটনাটি ঘটিয়েছে। যদিও এই ঘটনার পিছনে কোন দলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা যুক্ত রয়েছে, সেব্যাপারে অবশ্য স্পষ্ট করেননি মৃতের পরিবার। মৃতদেহটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম সাদেক আলি (৫০)। শ্রীপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা আনোয়ারা বিবির স্বামী ছিলেন তিনি পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট তৃণমূল অঞ্চল কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদের দায়িত্বে ছিলেন মৃত ওই তৃণমূল নেতা। এদিন সকালে পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর এমন রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অপহরণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে খাওয়া দাওয়া করে বাড়ির বাইরেই দাঁড়িয়ে ছিলেন সাদেক আলি। সেই সময় অন্ধকারের মধ্যে কেউ বা কারা সাদেক আলিকে মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। রাতে খোঁজাখুঁজি করেও কোনও হদিস না পাওয়ায় তারা পুলিশের দ্বারস্থ হন। পুলিশ ও তৎপরতার সাথে খোঁজাখুঁজি চালাচ্ছিলেন। বুধবার দুপুরে চাতরা এলাকার একটি জঙ্গলের মধ্যে ওই ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ মধ্যে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর যায় পুলিশ সহ পরিবারের কাছে। তৎপরতার সঙ্গে পুখুরিয়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পরিবারের দাবি, রাতে ফোন করে কেউ বা কারা এক লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। অপহরণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যারা আমাদের দলের ওই কর্মীকে খুন করেছেন তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছি। পুখুরিয়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। মোবাইলে যেসব নম্বর থেকে ফোন এসেছিল, তার সূত্র ধরেও তদন্ত চলছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৩
রাজ্য

টানা ৮ ঘন্টা ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তৃণমূল নেতা অভিষেক, ফের তলব করা হতে পারে!

৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)-এর দফতরে। একেবারে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ। ইডির তলবে সাড়া দিয়ে বুধবার সকাল প্রায় সাড়ে ১১টায় সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশ কিছু নথি নিয়ে যান তিনি। তারপর থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা অতিক্রান্ত। প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। জানা গিয়েছে, দুপুর সাড়ে ১২টা ১০ মিনিট থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। আধ ঘন্টা পর অভিষেকের দেওয়া বয়ান নিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল বৈঠক করে। তারপর থেকে এখনও দুদফায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। অভিষেকের বয়ান রেকর্ড করা হয়।I.N.D.I.A-এর বৈঠকে দিল্লি যাননি। ইডি-র তলবে সাড়া দিয়ে এদিন ইডির দফতরে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমাণ্ড। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার অভিষেককে তলব করে ইডি। এদিন তলবেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দেখছে তৃণমূল। দলের এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই অভিষেককে তলব, যাই হোক না কেন আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাব। আজ আদালতে ইডির মৌখিক রক্ষাকবচ নিয়ে সিজিও-তে এসেছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ড ও কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেককে। কুন্তল ঘোষের চিঠিতেও অভিষেকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। উল্লেখ্য দলের ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবসে তিনি নিজেই ওই সংস্থাকে আমার কোম্পানি বলে দাবি করেছিলেন, সেই কারণে ইডি আধিকারিকরা তাঁর কাছ থেকে ওই সংস্থার কার্যকলাপ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী বলে জানা গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল, পর্যটন দফতর হাতছাড়া বাবুলের, সমবায় গেল অরূপের

নবান্নের আনাচে-কানাচে কয়েকদিন করেই চলছিল জল্পনা। অবশেষে সোমবার তা সত্যি হল। প্রথম একাদশে থাকবেন বলে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। ডানা ছাঁটা হল মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র। পর্যটন দফতর থেকে সরানো হল বালিগঞ্জের বিধায়ককে। পর্যটন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হল ইন্দ্রনীল সেনকে। বাবুল সুপ্রিয়কে তথ্য-প্রযুক্তি ও অচিরাচরিত শক্তি দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে তথ্য-সংস্কৃতি ও কারিগরি দফতরের সঙ্গেই বাড়তি পর্যটন দফতর সামলাতে হবে ইন্দ্রনীল সেনকে।বাবুল সুপ্রিয় সঙ্গেই দায়িত্ব ছাঁটা হয়েছে প্রবীণ মন্ত্রী অরূপ রায়েরও। সমবায় দফতর থেকে সরানো হয়েছে অরূপ রায়কে। তাঁকে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি এদিনের রদবদলে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও প্রদীপ মজুমদারের দায়িত্ব বেড়েছে। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বনদফতরের পাশাপাশি শিল্প পুনর্গঠন দফতরের দায়িত্ব পাচ্ছেন। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে সমবায় দফতর সামলাতে বলা হয়েছে পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারকে। এছাড়া, বিপ্লব মিত্র আপাতত ক্রেতা সুরক্ষা দফতর সামলাবেন।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, মন্ত্রিসভার রদবদলের সিদ্ধান্তেট অনুমোদন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস দিয়েছেন। এছাড়াও বাকিটা পরে করে দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৩
রাজনীতি

উনি (রাজ্যপাল!) ছোটো ছোটো পুতুল নিয়ে খেলছেন: ব্রাত্য বসু

শুক্রবার বিকালে বিকাশ ভবনে রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যালয়ের রেজিস্টারদের নিয়ে বৈঠক করলেন শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এদিন বিকাশ ভবনে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ১২টা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টাররা। ছিলেন আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, কাজী নজরুল, মহাত্মা গান্ধী, নেতাজি ওপেন, মুর্শিদাবাদ, রায়গঞ্জ, যাদবপুর, পঞ্চানন বার্মা, ডায়মন্ড হারবার, কন্যাশ্রী, কল্যাণী ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিরা।ব্রাত্য বসু বলেন, রেজিস্টারদের সঙ্গে রুটিন বৈঠক করেছি। এর আগেও ভিসিদের বৈঠক সঙ্গে করেছি। ইউনিভার্সিটিতে কি কি সমস্যা আর কিকি প্রয়োজন। আর পড়াশোনা কেমন চলছে? সেই নিয়েই মূলত বৈঠক।রাজ্যপালে ভূমিকা প্রসঙ্গে ব্রাত্য বসু বলেন, উনি ছোট ছোট পুতুল নিয়ে খেলছেন। যারা পুতুল হয়ে থাকতে চান তাদের বলবো একাডেমীর কথা ভাবুন। রাজ্য যে সম্মান দিচ্ছে সেটা ভাবুন। আপনারা কালকে যোগী নন। উচ্চ শিক্ষাকে নষ্ট করে দিয়ে যায় এই খেলায় কেন আপনারা সামিল হবেন। উনি বাংলার শ্রেষ্ঠত্ব ভাঙতে চাইছেন। মমতা ব্যানার্জি যতদিন আছেন এই মেরুদন্ড উনি ভাঙতে পারবেন না।আজ গোয়ালিয়র ঘাটে রাজ্যপালের সঙ্গে যে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যরা ছিলেন তাদের বলব একবার ভেবে দেখুন, আপনারা কিন্তু কালকা যোগী নন। পুতুল নাচের ইতিকথা কবে শেষ হবে জানি না। বলেন শিক্ষামন্ত্রী।রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ করায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। যার বিরোধিতা করেছে রাজ্য সরকার। শিক্ষামন্ত্রীর কথায়, উনি বলতে চান উনি নিজে যাঁদের নিয়োগ দিয়েছেন। তাঁরা ধোয়া তুলসী পাতা বাকি সব অসৎ। মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু অর্থনৈতিক অবরোধের কথা বলেছেন , কোনও অধ্যাপকের বেতন বন্ধ হবে বলে জানাননি। সিপিএম এমন হলে হয়তো সন্তোষ দত্তের মত সমস্ত উপাচার্যকে বাড়ি থেকে কাজ করতে হতো কিন্তু আমরা তা করছি না তবে ধৈর্যের একটা সীমা আছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

ধূপগুড়ি উপনির্বাচনের প্রচার সভায় বিরাট প্রতিশ্রুতি অভিষেকের, সমালোচনা বিরোধীদের

ইন্ডিয়া জোট গঠন প্রক্রিয়ার মধ্যেই জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার চলছে। এখানে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও কংগ্রেস সমর্থিত সিপিএম প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই। আগামী ৫ই সেপ্টেম্বর ধুপগুড়ি বিধানসভার উপনির্বাচন। রবিবারই শেষ হচ্ছে প্রচারের মেয়াদ। শুক্রবার সেখানে জনসভায় বক্তব্য রেখেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ও সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দলের হয়ে লাগাতার প্রচার করছেন উত্তরবঙ্গের এই বিধানসভার উপনির্বাচনে। শনিবার ধুপগুড়িতে প্রচার করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ধুপগুড়ি মহকুমা হবে বলে প্রচার মঞ্চ থেকে ধুপগুড়িবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সাফ ঘোষণা, এর সঙ্গে মহকুমা হাসপাতালও হয়ে যাবে।বক্তব্য রাখার সময় স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানতে চান, আপনাদের কি দাবি রয়েছে। তখন ধূপগুড়িকে পৃথক মহকুমা করার দাবি ওঠে উপস্থিতিদের মধ্য থেকে। প্রচার মঞ্চেই সেই দাবি মেনে নেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। অভিষেক বলেন, আমি কথা দিয়ে কথা রাখি। আমি কথা রাখার ছেলে। আমি দাবি শুনে বলতে পারতাম, ১ বছর, দেড় বছর, ২ বছর পর হবে। দেখছি দেখবো বলতে পারতাম। বলতে পারতাম মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানাবো। কিন্তু আমি নিজের কাঁধে দায়িত্ব নিচ্ছি। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছি যে ধুপগুড়ি মহকুমা হবে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ধুপগুড়ি মহকুমা হিসাবে ঘোষণা হবে। এখন থেকে সবুজ আবির খেলতে শুরু করুন।ভোটমুখী ধুপগুড়িতে অভিষেকের এই ঘোষণার পরই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। দলের রাজ্য মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, প্রশাসনের অংশ নন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এটা তাঁর সংসদীয় এলাকাও নয়। কিন্তু তাও তিনি প্রশাসনিক প্রতিশ্রুতি দিলেন কী করে? কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী বলেন, অভিষেক এই ঘোষণা করে নিজের পিসি তথা মুখ্যমন্ত্রীকেই চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করালেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

স্ত্রীর হাতে 'অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের' ছবির রিল ভাইরাল, চর্চায় প্রাক্তন তৃণমূল নেতা

বিবাহবার্ষিকীতে স্ত্রীর হাতে অত্যাধুনিক মেশিনগান ধরিয়ে রিল তৈরি করে ফেসবুকে পোষ্ট করল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন নেতা। প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতার নাম রিয়াজুল হক। তাঁর বাড়ি বীরভূমের রামপুরহাট থানার বগটুই গ্রামে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের রামপুরহাট এক নম্বর ব্লকের সভাপতি ছিলেন।মাস দুয়েক আগে তিনি পদ থেকে ইস্তফা দেন। আজ বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ তিনি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের হাতে একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে রিল তৈরি করে পোষ্ট করেন। একদা বগটুই এলাকার দাপুটে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতার এই পোষ্টে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।এই আগ্নেয়াস্ত্র খেলনা কিনা তা অবশ্য বলা হয়নি। বিশেষ করে বগটুই গণহত্যা কাণ্ডের পর বগটুই গ্রামের প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতার এই পোষ্টে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। কারণ, রাজ্যের ডেপুটি স্পিকার তথা রামপুরহাটের বিধায়ক আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত রিয়াজুল হক। তাছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাজ্য ও জেলার বিভিন্ন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সঙ্গেও তাকে দেখা যেত।

আগস্ট ৩০, ২০২৩
কলকাতা

যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি সিপিএমের ছাত্র ইউনিয়নকে নিশানা মমতার

যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যু ইস্যুতে সিপিএমকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নেতাজি ইন্ডোরে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সভায় যাদবপুরের সিপিএম অনুমোদিত ইউনিয়নকে আক্রমণ করেন। সমালোচনা করেন সিপিএম এবং তাদের ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির। সম্প্রতি যাদবপুরে এক ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে রাজ্য তোলপাড়। যাদবপুর ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ। বিভিন্ন সংগঠন ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। ঘটছে হাতাহাতি, সংঘর্ষের ঘটনা।সোমবার নেতাজি ইন্ডোরের সভায় যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাদবপুর নিয়ে আগে আমরা গর্ববোধ করতাম। যাদবপুরে কীভাবে একটা ছাত্রকে সিপিএমের ইউনিয়ন মেরে ফেলল। এরা জীবনে বদলাবে না। এত রক্ত নিয়েও এরা বদলায়নি। বছরের পর বছর রক্ত নিয়ে খেলেও এদের শান্তি নেই।সভায় সিপিএমের পাশাপাশি বিজেপিকেও একহাত নেন। ডাক দেন, বিজেপি হঠাও ইন্ডিয়া বাঁচাও। কংগ্রেস বা সিপিএম তাঁকে যতই বিজেপিপন্থী বলুক না-কেন, গেরুয়া শিবিরকে তোপ দেগে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাকে ভাতে মারতে চায় মোদী সরকার। একদলের সরকারের নীতি চলবে না। আমরা সকলের উন্নতির পক্ষে। মোদী সরকার আর ৬ মাস থাকবে। আর একটু ৬ মাস কষ্ট করতে হবে আপনাদের, তারপর সব ম্যানেজ করে নেব।২৬টি বিরোধী রাজনৈতিক দলের ইন্ডিয়া জোটে রয়েছে জোটে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেসও। কিন্তু, তারপরও জোটসঙ্গী বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসকে সোমবারের বক্তব্যে রেয়াত করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপির সঙ্গে তিনি এই দুই সর্বভারতীয় জোটসঙ্গী দলকেও এক আসনে নিশানায় রেখে বুঝিয়ে দেন, জোট শুধু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে। রাজ্যে তৃণমূল আছে তাদের একলা চলো নীতিতেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একসঙ্গে বোর্ড গঠন করছে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি। হিংসা লাগানোর জন্য টাকা দেওয়া হচ্ছে। বাংলায় সিপিএম-কংগ্রেসকে আমাদের বিরুদ্ধে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।

আগস্ট ২১, ২০২৩
রাজ্য

জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ককে নাম না করে কটাক্ষ সাংসদ অর্জুন সিংয়ের

বর্ষা এলে মশা, মাছি, মৌমাছির উৎপাত বাড়ে। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। ওষুধ দিলে ঠিক হয়ে যায়। নাম না করে দলীয় কার্যালয়ের জবরদখলের ঘটনায় এভাবেই জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকে কটাক্ষ করলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। কয়েকদিন আগেই ভাটপাড়া পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাটাডাঙ্গায় সম্মেলনী ক্লাব সন্নিহিত তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের দখলদারী নিয়ে আচমকা বির্তকের অভিযোগ উঠেছিল দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে। এমনকি ওই কার্যালয়ে তৃণমূলের শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই খবর পৌঁছেছিল সাংসদ অর্জুন সিং এর কাছে। দিল্লি থেকে ফিরে শনিবার সাংসদ পৌছলেন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সেই দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর দেবপ্রসাদ সরকার। এছাড়াও ছিলেন তৃণমূল নেতা মন্নু সাউ ও অন্যরা। এদিন অর্জুন সিং বলেন, সিপিএম আমলে যখন কোথাও কোনও বসার জায়গা ছিল না এটাই ছিলো আমাদের দলীয় কার্যালয়। তখন কোনও তৎকাল তৃণমূল নেতাকে সেখানে দেখা যায়নি। শ্রমিক ইউনিয়নের পার্টি অফিস মিলের গেটের সামনে হয়। এখানে কারা এরকম ঘটনা করাচ্ছে সেই বিষয়ে আমি কিছু জানি না। কিছু অ্যাকসিডেন্টাল তৃণমূল নেতার জন্য দলের এভাবে বদনাম হচ্ছে বলে দাবি অর্জুন সিংয়ের। যদিও বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের প্রতিক্রিয়া জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার সাড়া মেলেনি। জানা গিয়েছে, তিনি এদিন শনি পুজো দিতে ব্যাস্ত ছিলেন।

আগস্ট ১৩, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে ‘দালাল’, সম্বোধন করে নিশানা মমতার

ফের নবান্ন রাজভবন সংঘাত চরমে। একদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিষয়ে রাজযপালের একের পর এক সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের লাগাতার আক্রমণ। আজ, বুধবার ঝাড়গ্রাম থেকে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে বেনজির আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা। দালাল বলতেও ছাড়লেন না সিভি আনন্দ বোসকে।বুধবার ঝাড়গ্রামে বিশ্ব আদিবাসী দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করতে থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের বকেয়া অর্থ না পাওয়া, ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে বাংলাকে টাকা না দেওয়া, আবাস যোজনা নিয়ে এদিন আগাগোড়া মোদী সরকারকে তোপ দাগতে থাকেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপালকে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কোনও উপাচার্য নেই। নেই রেজিস্ট্রারও। কৃতী পড়ুয়ারা সার্টিফিকেট পাচ্ছেন না। এ জন্য আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, আমি জানি ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যেটা তরি হয়েছে আমাদের গভর্নর মহাশয়, তিনি এখন কালো চশমা পড়ে- সেটা অবশ্য তিনি পড়তেই পারেন একটার জায়গায় দশটা, জ্ঞান দিয়ে বেরাচ্ছেন। আমরা পাঠালেও করেনা। নিজের ইচ্ছামত কেরালা থেকে লোক এনে ঢুকি দিচ্ছে (উপাচার্য)। কেরালার অনেক বন্ধু আমার এখানে থাকে, তাতে আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে ভিসি হতে গেলে ১০ বছর তাঁর প্রফেসর হিসাবে অভিজ্ঞতা থাকা উচিত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে একজনকে ভিসি করেছেন যিনি কেরালায় আইপিএস ছিলেন, যাঁর এডুকেশনের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। এখানে ঝাড়গ্রাম ইউনিভার্সিটি করে দিয়েছি। কিন্ত না আছে কোনও উপাচার্য, না আছে কোনও রেজিস্ট্রার। তার কারণ পাঠালেই উনি উনি ওনার মত বিজেপির একটা লোককে বসিয়ে দেবেন। এরপরই মুখ্যসচিবকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ যে, ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নির্বাচনের জন্য উচ্চ শিক্ষা দফতর থেকে যেন অবিলম্বে তিনটি সুপারিশ করে দেওয়া হয়।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আমি সব করে দিচ্ছি, আর উনি (রাজ্যপাল) দালালি করে সব আটকে দিচ্ছেন। আমরা এটা মানবো না। স্ট্রেট মানবো না।এদিন রাজ্যপাল আনন্দ বোসকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি আপনার সৎ সাহস থাকে যেটা বিধানসভায় পাস হয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী সব রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হবে তবে সেটা পাস করিয়ে দিন।

আগস্ট ০৯, ২০২৩
রাজনীতি

বাংলায় ক্ষমতায় থাকার কৌশল বদলেছে সময়ের তালে, রাজনৈতিক সংঘর্ষের বীজ লুকিয়ে অতীতের ছায়ায়

বিশেষজ্ঞদের মতে মনিপুর মেইতি আর কুকিদের মধ্যে সংঘর্ষ দুই সম্প্রদায়ের ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়। সারা দেশে যে সংখ্যাগুরুবাদের রাজনীতির প্রতিষ্ঠা হচ্ছে তারই ফল। অনেকেই এখন পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার ঘটনার সঙ্গে মনিপুরের তুলনা টানছেন। আমার মতে এই তুলনা স্থান-কাল বিচারে অত্যন্ত ভুল। কয়েক দশক ধরেই এই রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর উৎস খুঁজতে হলে ফিরতে হবে ছয়ের দশকের শেষ দিকে। অনেকেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসার উৎস খুঁজতে গিয়ে নকশাল আন্দোলনের কথা বলেন। এই দিকচিহ্নেও অনেক ভ্রান্তি রয়েছে। এই রাজ্যের রাজনৈতিক হিংসার উৎস মুখ রয়েছে ছয়ের দশকের গ্ৰাম বাংলায় অর্থ সামাজিক ও সামাজিক রাজনৈতিক পরিবেশের এক বড় পরিবর্তনের মধ্যে।১৯৪২সালে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গনদেবতা উপন্যাসে এই পরিবর্তনের ভিত্তিভূমির ছবিটি নিপুণ শৈলীতে এঁকেছিলেন। তাঁর উপন্যাসে যে জনপদের পরিচয় পাওয়া যায় সেখানে প্রকৃতি অফুরান সম্পদ নিয়ে ছড়িয়ে আছে আর সমাজকাঠামো এক কঠিন নিগড়ে বাঁধা। সেই জনপদে আদিগন্ত বিস্তৃত জমি আছে আর সে জমিতে যারা খাটে তাদের কারো সামান্য জমিও নেই। সেখানে নাপিত সারাদিন খেটেও পেট ভরার অন্ন যোগাতে পারে না। ধাইমা সম্পন্ন ঘরের সাস্থবান পুত্র-কন্যার জন্মের সহায়ক কিন্তু তার সন্তানদের শরীর অপুষ্টিতে ভরা। কামার উদয়াস্ত খাটে তবু তার পেট চালাতে মহাজনের কাছে চড়া সুদে ধার নিতে হয়। ছুতর এর অবস্থা আরওই বেহাল।এমন এক নির্মম আর্থসামাজিক ব্যাবস্থার সামনে আমাদের দাঁড় করায় তারাশঙ্করের গনদেবতা উপন্যাস। এই উপন্যাস লেখকের কল্পনা থেকে জন্ম নেয়নি, আজকের টেলিভিশনের ভাষায় গ্রাউন্ড জিরোতে দাঁড়িয়ে লেখা। ছয়ের দশকের কথায় ফিরি। যুগান্তর সংবাদ পত্রে ১৯৬৩ সালে ২৭শে জুলাই থেকে ১৯৬৮ সালের ২৭শে মে পর্যন্ত প্রকাশিত হয় তারাশঙ্করের গ্রামের চিঠি, সেখানে গ্ৰাম বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের যে রিপোর্টিং রয়েছে তার অনেক নামী সাংবাদিক কে লজ্জায় ফেলবে। গ্রাম বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের যে লেখচিত্র তারাশঙ্করের গ্রামের চিঠিতে রয়েছে তার উপরিকাঠামোয় রাখতে হবে ১৯৬৭ সালের রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে।১৯৬৭ সালে বামপন্থীরা প্রথম ক্ষমতায় আসে। তার পেছনে ছিল ১৯৫১সাল থেকে একটার পর একটা আন্দোলনের ইতিহাস। ১৯৬৭ সালে শেষবারের মতো একসঙ্গে লোকসভা ও সমস্ত রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। ১৯৫১ সাল থেকে যে গত আন্দোলনগুলিতে রাজ্য উত্তাল হয়েছিল তার পেছনে ছিল তারাশঙ্করের উপন্যাসের গ্রাম বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের একটি বড় অংশ। এই আন্দোলনগুলো কংগ্রেস নামের মহীরুহকে ধাক্কা দিতে শুরু করেছিল। যার ফলে ১৯৬৭ থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে পাঁচ বছরে রাজ্যে চারবার বিধানসভা ভোট হয়।১৯৬৭ থেকে ৭২ এই চার বছরে চার বার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। যা ভারতের আর কোথাও হয়নি। ১৯৬৭ সাল থেকে রাজনৈতিক ভারসাম্যের পরিবর্তন শুরু হলেও তখন শাসক শাসিতের দ্বন্দ্ব ছিল পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধী রাজনীতির। এই দ্বন্দ্বে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের হিংসাত্মক সংঘর্ষের চেহারাটা প্রথম ধরা পড়ে ৭০ সালে বাংলায় হরতালের দিনে। ১৯৭০ সালের ১৭ই মার্চ বাংলায় হরতাল হয়েছিল। নৈহাটির গৌরিপুর চটকলে সিপিএম - আইএনটিউসির সংঘর্ষে চার জনের মৃত্যু হয়। সেদিনই বর্ধমানে সাঁই বাড়ির ঘটনা হয়। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে একদিনে চৌত্রিশ জনের মৃত্যু হয়। কংগ্রেস বনাম বামপন্থীদের রাজনৈতিক সংঘর্ষে সেখান থেকেই ক্রমশ জটিল আকার নেয়। এই হিংসার আবহে নতুন মাত্রা যোগ করে নকশালপন্থিরা।তবে গ্রাম বাংলায় বামপন্থীরা কংগ্রেসী আধিপত্যের বেদী ইউনিয়ন বোর্ডে ধাক্কা দিতে শুরু করে। কংগ্রেস সমর্থক জোতদার, জমিদার ও গ্রামীন ব্যাবসায়ী দের আধিপত্যে ভিত ও বামপন্থীদের নেতৃত্বে আন্দোলনে কাঁপতে শুরু করে। এই উত্তাল সময় বিস্তৃত আলোচনা সংক্ষিপ্ত পরিসরে সম্ভব নয়। তাই চলে আসি ১৯৭৭ সালে। সেই বছর জুন মাসে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসে। ভাগ চাষীদের উচ্ছেদ রুখতে ও ফসলের ন্যায্য ভাগ দিতে সরকার শুরু করে অপারেশন বর্গা। শুরু হয় হাজার হাজার একর বেনামী জমি উদ্ধার করে ভূমিহীন চাষীদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া। ১৯৭৩ সালে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের সরকার পঞ্চায়েত আইন করলেও তারা পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে পারেনি। ১৯৭৮ সালের ৪ঠা জুন বামফ্রন্ট সরকার প্রথম পঞ্চায়েত নির্বাচন করে। পঞ্চায়েত ভোটের পরে গ্রাম বাংলার গরীব ও প্রান্তিক মানুষের যে রাজনৈতিক, সামাজিক ও আর্থিক ক্ষমতায়নের পর্ব শুরু হয় তা সারা দেশে আগে দেখা যায় নি। এর দুই তিন দশক পরে গ্রাম বাংলায় কম্যুনিস্ট পার্টি হয়ে ওঠে দাতা, আর সাধারণ মানুষ হয় গ্রহীতা। সেদিন থেকেই রাজ্যের মানুষের সিটিজেন থেকে বেনিফিসিয়ারী তে পরিণত হওয়া শুরু। একটি দলের রাজনৈতিক আধিপত্য সর্বগামী হওয়ায় কোথাও কোথাও মানুষের স্বাধীন পছন্দের উপরে নির্ভরতা কমে পেশীবলে ক্ষমতা দখলের পর্ব শুরু হয়। এর ফলে শুধু বিরোধী দল নয় বামফ্রন্টের শরিক দলের সঙ্গে ও সিপিআইএম এর রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। এরই মাঝে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক বরাদ্দ বিপুল হারে বাড়তে থাকা ক্ষমতা ব্যবহার করে পঞ্চায়েত দখলে রাখা দস্তুর হয়ে পড়ে।সাতের দশক থেকে রাজ্যের যুবশক্তি ব্যবহারেও পরিবর্তন আসে। বামপন্থী ছাত্র যুব দলের মোকাবিলায় রাজ্যের নব কংগ্রেস যুব কংগ্রেস ও ছাত্রপরিষদের ছাতার তলায় যুবকদের সংঘটিত করে। এই যুবশক্তি কে আর্থিক সুবিধা দিতে পথে নামে মিনিবাস। সিদ্ধার্থ সরকারের বদান্যতায় রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের ঋনে মিনিবাসের মালিক হয় তারা। জানা যায়, সেই ঋনের প্রায় নব্বই শতাংশই ফেরত পায়নি ব্যাঙ্ক। এর পরে বামফ্রন্টের আমলে বাম দলের ছাতার তলায় থাকা বেকার, অল্পশিক্ষিত বা অশিক্ষিত যুবকের সংখ্যা পথে নামে অটো রিক্সা ও টোটো। বর্তমানে তৃনমূলের আমলে এই সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বাড়ায় সেই জায়গা নিয়েছে অবৈধ বালি খাদান, পাথর খাদান, কয়লা খাদান ও সিন্ডিকেট ব্যবসা। এরই পাশাপাশি বেড়ে উঠেছে বামফ্রন্ট আমলে সৃষ্টি হওয়া প্রোমোটার রাজ। যার অবসম্ভাবী ফল রাজনীতিতে পেশীশক্তি ব্যাবহারের প্রথমাবস্থা পার করে পর্বতের আকার নেওয়া।এখন এই রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখতে এবং এই সব সুবিধা পাইয়ে দিতে গ্রাম বাংলায় ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত জোরালো হাতিয়ার। তাই রাজনৈতিক দলমত নির্বিশেষে আদর্শ নয় ক্ষমতা ধরে রাখাই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সংঘর্ষের জন্ম দিয়ে চলেছে। এর শেষ কোথায়, কী ভাবে হবে সেই প্রশ্নের উত্তর রয়েছে ভবিষ্যতের গর্ভে। তবে রাজনীতি তো সমাজ নিরপেক্ষ নয়। আমরা যারা সমাজে বাস করি, সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নই তারাও এর দায় এড়াতে পারি না। আমাদের এড়িয়ে চলার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে ক্ষমতার দর্শনের মান্যতা। আমরা মুখে বলি ভারতবর্ষ শান্তির পথ যাত্রী আমরা বুদ্ধদেব, মহাবীর, শিবের পূজারী। অথচ এই উচ্চারনে বিপরীত মেরুতে আমাদের অবস্থান।প্রাক্তন রাজ্যপাল ও প্রখ্যাত কূটনীতিবিদ গোপালকৃষ্ণ গান্ধী সম্প্রতি এক দৈনিক ইংরেজি সংবাদপত্রে তাঁর লেখা আমাদের দ্বিচারিতার ছবিটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, রোজ সকালে যে পার্কে তিনি হাঁটতে যান সেখানে অনেক দুর্লভ প্রজাতির গাছ রয়েছে। তার পাশাপাশি রয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর অস্ত্রাগারে থাকা বিভিন্ন ক্ষেপনাস্ত্র, বিবিধ ট্যাঙ্ক ও অস্ত্রের রেপ্লিকা। সেখানে তিনি দেখেন অনেক বাবা-মায়েরা ছেলেমেয়েদের নিয়ে ওই পার্কে আসেন। পার্কে এসে তাঁরা সন্তানদের সেই সব রেপ্লিকার সামনে দাঁড় করিয়ে গর্বিত মুখে ছবি তোলেন। অনেকে সেলফি ও তোলেন। কিন্তু কেউই পার্কে থাকা দূর্লভ বনানীকুলের কাছে ছেলেমেয়েদের নিয়ে গিয়ে পরিচয় করান না। মহাত্মা গান্ধীর বংশধরের এই অনুভব কি আমাদের কিছু শিখতে বলে? আমরা কি তাঁর সেই অনুভবের সামনে মনের দরজা খুলে দাঁড়াবো?

জুলাই ৩১, ২০২৩
দেশ

মনিপুরে বিরোধী জোটের প্রতিনিধি দল, বৈঠক সারলেন রাজ্যপালের সঙ্গে

হিংসাদীর্ণ মণিপুরে পরিদর্শন করছেন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা। মূলত বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের প্রতিনিধিরা মনিপুর গিয়েছেন। এদিন সেখানে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিদল। মোদি সরকারকে মণিপুর পরিস্থিতির জন্য দায়ী করে আক্রমণ শানিয়েছেন ওই দলের সদস্য়রা। পাশাপাশি রাজ্যপালকে পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আনার জন্য দাবি জানান। রবিবার কংগ্রেসের লোকসভার নেতা তথা ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম প্রতিনিধি অধীর চৌধুরী বলেন, গতকাল থেকে সাধারণ মানুষের যন্ত্রনা-দুর্দশা দেখছি। যাবতীয় বিষয় নিয়ে আমি রাজ্যপালকে বলেছি। আমার সব কথাতেই মান্যতা দিয়ে সহমত প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। কেন্দ্রীয় সরকারের যে খামতি আমার চোখে পড়েছে, সাধারণ মানুষের সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ রয়েছে, এই সমস্ত ইস্যু আমরা রাখব। দ্রুত মণিপুরের সমস্যার সমাধান বার করার জন্য আলোচনার দাবি জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী।দীর্ঘ সময় ধরে মণিপুরে হিংসা চলছে। এই সপ্তাহেও এলোপাথারি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। একাধিক বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। সম্প্রতি দুই মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানোর ভিডিও সর্বত্র ভাইরাল হয়ে যায়। যা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। হিংসার জেরে গ্রাম ছেড়েছেন বহু মানুষ। পাশাপাশি ওই রাজ্যে চলছে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক লুটপাট। এখনও পর্যন্ত ১৬০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হওয়ার নির্মম ঘটনা মনিপুরের সর্বত্র। মহিলাদের ওপর নির্যাতন বাড়ছে। মনিপুরের ঘটনা নিযে সংসদের বাদল অধিবেশন উত্তাল হয়ে উঠেছে।

জুলাই ৩০, ২০২৩
রাজ্য

উনি (মমতা) মেদিনীপুরের নেতা করে রেখেছিলেন, বিজেপি রাজ্যনেতা করেছে, বললেন শুভেন্দু

একসময় দুজনই একদলে ছিলেন। জনগণ মনো অধিনায়কা বলে বক্তব্য শুরু করতেন। এখন ২ জন সম্মুখ সমরে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী নিশানা করতেই ওয়াকআউট করে পরে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী নজিরবিহীন আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।শুভেন্দুর বক্তব্য, উনি আমাকে মেদিনীপুরের নেতা করে রেখেছিলেন। বিজেপি আমাকে রাজ্যে নেতা করে দিয়েছে। বিরোধী দলনেতাকে হজম করা মুশকিল তাই ভাববাচ্যে কথা বলছেন। ২০১৮ সালে আমার এলাকা কাঁথিতে ভোট লুঠ করতে দিইনি বলেই উনিশের নির্বাচনে কাঁথি-তমুলকে আপনাকে জিতিয়েছিলাম।২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলেই ছিলেন। বাবা শিশির অধিকারী ও ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী তৃণমূলের সাংসদ হয়েছিলেন। তার আগে ২০১৮-তেও ঘাসফুল ভোট লুট করেছিল বলে ফের সরব বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেছেন, ২০১৮ সালে ভোট লুঠ করেছিলেন বলেই উনিশের লোকসভা ভোটে মেদিনীপুর, মালদহ উত্তর, বালুরঘাট, রানাঘাট, ব্যারাকপুর, বর্ধমান, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রামে হেরেছিলেন। যাদের ভোট দিতে আটকেছেন তাঁরাই বদলা নেবে।শুভেন্দুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে জেলার নেতা করে রেখেছিলেন। বিজেপি তাঁকে রাজ্যের নেতা করেছে।

জুলাই ২৭, ২০২৩
দেশ

জোট ‘ইন্ডিয়া’: মোদীর ‘পছন্দের'! জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদী দুজনেরই লক্ষ্য ২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। আগামী লোকসভা ভোটে বিজেপিকে কুপোকাত করতে উদ্যোগী বিরোধীরা। ইন্ডিয়া জোট গড়ে লোকসভার লড়াইয়ে বিজেপি নেতৃত্এবাধীন নডিএ-কে নাস্তানাবুদ করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে জোট ইন্ডিয়া।তবে বিরোধী জোটের ইন্ডিয়া নামে ঘোরতর কটাক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিরোধী জোটের সঙ্গে জঙ্গি গোষ্ঠীরও তুলনা পর্যন্ত টেনেছেন নরেন্দ্র মোদী। এবার সেই প্রসঙ্গেই প্রধানমন্ত্রীকে সটান জবাব দিলেন বিজেপি বিরোধী জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার বিকেলে রাজভবনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজভবন থেকে বেরিযে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানেই মোদীর ইন্ডিয়া জোটকে কটাক্ষ করা ইস্যুতে মুখ খোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ইন্ডিয়া জোটের নাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাঁকা মন্তব্য প্রসঙ্গে এদিন পাল্টা সোজা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে অনেক ধন্যবাদ। আমার মনে হয় ইন্ডিয়া নামটা ওঁর পছন্দ হয়েছে। উনি মন থেকেই গ্রহণ করেছেন। জনসাধারণও এই নাম গ্রহণ করেছেন। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে কিছু তো বলতে হবে, তাই বলেছেন। ইন্ডিয়া টিম যখন খেলতে নামে তখন কি কেউ মুজাহিদিন বলে? দেশটার নামই তো ইন্ডিয়া। আমাদের মাতৃভূমি ইন্ডিয়া। যত এই নাম নিয়ে যত বাজে কথা বলবে তত মনে হবে এই নাম ওদের পছন্দ হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেলে রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। আধ ঘন্টারও বেশি সময় তিনি বৈঠক সেরেছেন রাজ্যপালের সঙ্গে।

জুলাই ২৫, ২০২৩
রাজ্য

আপাতত মুক্তি মিলল মালদার দুই নির্যাতিতার, সংবর্ধনা সমাজসেবী সংস্থার

জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর মালদার দুই নির্যাতিতা মহিলাকে সংবর্ধনা জানানো হল। মঙ্গলবার মালদা শহরের রথবাড়ি এলাকায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁদের সম্বর্ধনা জানানো হয়। নতুন শাড়ি, ফুলের মালা এবং কিছু খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়ে মালদার দুই নির্যাতিতা মহিলাকে সংবর্ধনা জানানো হয় এদিন। উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী মধুময় সরকার। উল্লেখ্য, মালদার পাকুয়াহাট এলাকায় চোর সন্দেহে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর করার ঘটনার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। এই ঘটনার পর পাল্টা দোষীদের গ্রেপ্তার না করে ওই দুই নির্যাতিতা মহিলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ বলে অভিযোগ। যদিও পুলিশ দুই মহিলাকে মারধরের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পরে। এদিকে পাকুয়া পুলিশ ফাঁড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ দিয়ে জেলে পাঠানো হয় দুই মহিলাকে বলে জানা যায়। ঘটনার প্রতিবাদে ঝড় উঠে গোটা জেলা জুড়ে। অবশেষে সোমবার মালদা জেলা আদালত তাঁদের জামিন মঞ্জুর করে। মঙ্গলবার মালদা জেলা সংশোধনাগার থেকে ছাড়া পান তাঁরা। জানা গিয়েছে, এরপর মালদা শহরের রথবাড়ি এলাকায় নির্যাতিতা এই দুই মহিলাকে সংবর্ধনা জানানো হয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে।

জুলাই ২৫, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • ...
  • 43
  • 44
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময়ের থেকে এগিয়ে’—প্রয়াণে আবেগঘন শ্রীলেখা মিত্র

দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার মধ্যে ছিল আধুনিকতা, স্মার্টনেস আর এক আলাদা ফ্রেশনেসমিঠুকে স্মরণ করে লিখলেন শ্রীলেখাবর্ধমান: সত্তর-আশির দশকের বাংলা ছবির পরিচিত মুখ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা চলচ্চিত্রমহল। ৭১ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী। প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রজগতের বহু মানুষ। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠুকে স্মরণ করে তাঁর লেখা দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে উঠে এসেছে এক দর্শকের ব্যক্তিগত মুগ্ধতাযে মুগ্ধতা শুধু অভিনয়ে নয়, মিঠুর পর্দার উপস্থিতি এবং নিজস্ব ব্যক্তিত্বকে ঘিরেও।শ্রীলেখার কথায়, মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময় থেকে এগিয়ে থাকা এক অভিনেত্রী। তাঁর চোখে মিঠুর আকর্ষণ ছিল এমন এক স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বে, যা পর্দায় আলাদা করে নজর কাড়ত। শ্রীলেখা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সত্তরের দশক থেকে আশি এবং নব্বইয়ের গোড়ার দিক পর্যন্ত মিঠু একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌচাক, মর্জিনা আবদুল্লাহ, স্বয়ংসিদ্ধার মতো ছবিতে তাঁর উপস্থিতি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।মিঠুর সৌন্দর্য নিয়েও অকপট শ্রীলেখা। বড় বড় চোখ, সেই চোখের অভিব্যক্তি, শিফন শাড়িতে তাঁর পর্দার উপস্থিতিসব মিলিয়ে মিঠুর মধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন এক দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার পরিচিত ছাঁচের বাইরে থাকা এক আধুনিক মুখ। শ্রীলেখার মতে, সেই সময়ের অনেক অভিনেত্রী যেখানে নির্দিষ্ট একটি ইমেজ-এর মধ্যে নিজেদের আটকে রাখতেন, সেখানে মিঠু ছিলেন অনেকটাই অন্যরকম।তাঁর ভাষায়, মিঠু যেন সেই সময়ের পর্দায় এক ঝলক fresh airআধুনিক, স্মার্ট, চুলবুলি এবং নিজের মতো করে থাকা এক অভিনেত্রী।শুধু সৌন্দর্য নয়, মিঠুর স্বাভাবিক আকর্ষণকেও বিশেষভাবে মনে করেছেন শ্রীলেখা। তাঁর সঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু সিংয়েরও কোথাও একটা মিল খুঁজে পেয়েছেন তিনি। দুজনের মধ্যেই ছিল এমন এক effortless charm, যা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রয়োজন পড়ত নাস্বাভাবিকভাবেই যা দর্শকের চোখে ধরা দিত।১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর শেষ পর্ব ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লাহ, নিশিকন্যা, মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, হোটেল স্নো ফক্স-সহ একাধিক ছবিতে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেন বাংলা ছবিতে। উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিকের মতো অভিনেতাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন মিঠু।তবে জীবনের পরের পর্বে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রজগতের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু। মুম্বইয়ে অনেকটাই অন্তরালে কাটছিল তাঁর জীবন। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ অসুস্থতার পর থেমে গেল সেই জীবনযাত্রা।শ্রীলেখার পোস্টের শেষটুকু তাই হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্য। প্রিয় অভিনেত্রীকে বিদায় জানিয়ে তাঁর লেখামিঠু মুখোপাধ্যায় তাঁর খুব পছন্দের একজন অভিনেত্রী ছিলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন শ্রীলেখা, পাশাপাশি সমবেদনা জানিয়েছেন মিঠুর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি।পর্দার আলো নিভে গিয়েছে। কিন্তু বড় বড় চোখ, স্বতঃস্ফূর্ত হাসি আর সেই স্বতন্ত্র freshnessস্মৃতির পর্দায় হয়তো আরও অনেকদিন জ্বলজ্বল করবেন মিঠু মুখোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

উৎসবের মরসুমের পুণ্যার্থীদের জন্য জ্যাকপট, তারাপীঠ যাবেন? বিরাট ঘোষণায় ছক্কা হাঁকাল পূর্ব রেল

উৎসবের মরসুমের আগে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকার ট্রেনযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল পূর্ব রেল। দীর্ঘদিনের দাবির পর শিয়ালদহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ব্যারাকপুরে এবার পরীক্ষামূলকভাবে থামবে ১৩১৮৭/১৩১৮৮ শিয়ালদহরামপুরহাটশিয়ালদহ মা তারা এক্সপ্রেস। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে এই নতুন স্টপেজ কার্যকর হবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাটগামী ১৩১৮৭ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে ব্যারাকপুর স্টেশনে পৌঁছবে। সেখানে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে রামপুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেবে।অন্যদিকে, রামপুরহাট থেকে শিয়ালদহগামী ১৩১৮৮ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে ব্যারাকপুরে পৌঁছবে। এক মিনিটের বিরতির পর বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে শিয়ালদহের উদ্দেশে যাত্রা করবে।এই স্টপেজ চালু হওয়ায় ব্যারাকপুরের পাশাপাশি টিটাগড়, খড়দহ, পলতা-সহ আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন তারাপীঠ বা বীরভূমের অন্যান্য এলাকায় যেতে হলে অনেক যাত্রীকে প্রথমে শিয়ালদহ যেতে হত। কেউ কেউ নৈহাটি বা ব্যান্ডেল হয়ে সংযোগকারী ট্রেনের উপর নির্ভর করতেন। এবার ব্যারাকপুর থেকেই সরাসরি রামপুরহাটগামী ট্রেন ধরার সুযোগ মিলবে।বিশেষ করে তারাপীঠের মা তারার দর্শনে যাওয়া পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা সুবিধাজনক হবে। এতে যাতায়াতের সময় এবং অতিরিক্ত খরচ, দুটিই কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।রেল সূত্রে খবর, আপাতত যাত্রীদের চাপ এবং টিকিটের চাহিদা পর্যালোচনা করতে পরীক্ষামূলকভাবে এই স্টপেজ চালু করা হচ্ছে। স্থানীয় যাত্রী সংগঠন এবং নিত্যযাত্রীদের তরফেও রেলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির সঙ্গে দূরপাল্লার যোগাযোগ বাড়ানোই এই ধরনের সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য। ব্যারাকপুরে মা তারা এক্সপ্রেস-এর স্টপেজ চালু হলে প্রতিদিনের যাত্রীদের পাশাপাশি উৎসবের মরসুমে তারাপীঠগামী যাত্রীদেরও সুবিধা হবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

ছেলেকে হারিয়ে শোকে বুকে পাথর চেপে প্রচারে ঝড়! দেড় লাখের বেশি ভোটে জয়ে আত্মবিশ্বাসী ‘ঘরের মেয়ে’ হাসিরানি রথ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার যত জোরদার হচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। রবিবার প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের কাছে বিজেপির পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দলের প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি তুলে ধরলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন পর্বত ধারণের প্রসঙ্গ। তাঁর বক্তব্য, শ্রীকৃষ্ণ যেমন এক আঙুলে গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন, তেমনই ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের শক্তি দেখাতে হবে।নন্দীগ্রামে প্রচার চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন হাসিরানি। নন্দীগ্রামকে নিজের বাড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এলাকার মানুষ তাঁকে যেভাবে আপন করে নিয়েছেন, তাতে তিনি অভিভূত। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটের দিন ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন জানান তিনি।প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীকে একাধিকবার হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সভা করার অনুমতি পেতেও তাঁকে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন হাসিরানি।এরপরই ৬ অক্টোবরের ভোটকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি নেতৃত্ব এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি সমর্থন জানানোর আবেদনও করেন তিনি।নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে ঘরের মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেন হাসিরানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি খুশি বলেও জানান বিজেপি প্রার্থী।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হওয়ার পর ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে হাসিরানি রথকে। তিনি প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। বিজেপি, তৃণমূলের দুই শিবির, কংগ্রেস এবং বাম-সহ একাধিক রাজনৈতিক শক্তি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

একসময় পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন, তারপর আচমকাই অন্তরালে! প্রয়াত মিঠু মুখোপাধ্যায়

বিনোদন জগতে ফের শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল সাতের দশকের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর পারিবারিক বন্ধু প্রবীর রায়। তাঁর কথায়, প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর সঠিক সময় সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।অভিনেত্রীর প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মিঠু মুখোপাধ্যায়ের ছবি ভাগ করে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর স্মৃতি এবং তাঁর কাজ দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকবে।সাতের দশকের বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ১৯৭২ সালে একটি বাংলা ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লা ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, নিশিকন্যা-সহ একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল। পরে হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সৌন্দর্য ও পর্দায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিও দর্শকদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল। সেই সময় অনেকেই তাঁর সঙ্গে বলিউডের অভিনেত্রী রেখার তুলনা করতেন। বাংলা ছবির দর্শকদের একাংশের কাছে তিনি কলকাতার রেখা নামেও পরিচিত হয়ে ওঠেন।তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেই ধীরে ধীরে সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। পরবর্তী জীবনে তাঁকে খুব বেশি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলও ছিল দর্শকদের মধ্যে।তাঁর অভিনয়জীবন খুব দীর্ঘ না হলেও বাংলা সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রেমিকা থেকে শুরু করে প্রাণবন্ত তরুণী, নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।শেষ জীবনে অবশ্য সিনেমার আলো থেকে অনেক দূরে ছিলেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর রবিবার রাতে মুম্বইয়ে তাঁর মৃত্যু হল। তাঁর প্রয়াণে বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অধ্যায়ের ইতি ঘটল।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

এসআইআরের জট কাটতে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে বিস্ফোরক দাবি নির্বাচন কমিশনের

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া জট এখনও কাটেনি। এসআইআরের সময় নাম বাদ পড়া এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মোট ৩৮ লক্ষের বেশি আপিল জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিপুল সংখ্যক আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে কাজ চললে সব আপিলের নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, মোট ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজারের মতো আপিল জমা পড়েছে। এর মধ্যে এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের ২২ লক্ষ ২১ হাজার ১১৮টি আবেদন রয়েছে। তাঁরা ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম ফেরানোর আবেদন করেছেন। অন্য দিকে, প্রায় ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করা হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে।এই বিপুল সংখ্যক আপিলের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র এক লক্ষের কিছু বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আরও সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পক্ষে সিদ্ধান্ত গিয়েছে এবং তাঁদের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্য দিকে, ৮ হাজার ৬৪৯টি আপিলে আবেদনকারীরা হেরে গিয়েছেন।কমিশনের হিসাব বলছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। বর্তমান গতিতে মাসে গড়ে প্রায় ২৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। সেই হিসাবেই বাকি আবেদন শেষ করতে ১৪৬ মাসের মতো সময়, অর্থাৎ ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে আপিলের শুনানি দ্রুত শেষ করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের ভিত্তিতে একটি করে ট্রাইব্যুনাল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শুধু ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো নয়, অনলাইনেও শুনানি করার অনুমতি চেয়েছে কমিশন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা যাতে নিজেদের বাসভবন বা অন্য নির্দিষ্ট জায়গা থেকে অনলাইনে শুনানি করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সংশোধনের কথাও হলফনামায় জানানো হয়েছে।এসআইআরের সময় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল বলে কমিশনের তথ্য। তাঁদের মধ্যে ২২ লক্ষের বেশি ভোটার নিজেদের নাম ফেরানোর জন্য আপিল করেছেন। অর্থাৎ বাদ পড়া ভোটারদের একটি বড় অংশই এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাম পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।ফলে এখন মূল নজর আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব এবং অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা কার্যকর হলে মামলার গতি কতটা বাড়ে, সেটাই এখন দেখার। একই সঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের শুনানি এবং ভোটার তালিকায় নাম পুনর্বহালের প্রক্রিয়া নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ! মমতার মামলায় জরুরি শুনানির আর্জি মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সোমবার বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।নির্বাচন কমিশন গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী নির্দেশে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং দলের নির্দিষ্ট নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী উপনির্বাচনের জন্য দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁর আবেদনে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। সেই মামলাটিই দ্রুত শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানান কপিল সিব্বল।সোমবার আদালতে মামলাটি উল্লেখ করে কপিল সিব্বল কমিশনের সিদ্ধান্তের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের প্রক্রিয়া জুন মাসে শুরু হয়েছিল এবং জুলাইয়ে তাঁদের তরফে জবাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির পর প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।সিব্বলের আরও বক্তব্য, নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তাই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন বলেও আদালতে জানান।এর পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, মামলাটি তালিকাভুক্ত হলে সব পক্ষই নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবে। আদালত বিষয়টি দ্রুত তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করবে বলেও জানানো হয়। অর্থাৎ জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করা হলেও সেই মুহূর্তে শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর জন্য একটি নতুন নাম ও নতুন প্রতীক এবং অপর গোষ্ঠীর জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকর করা হয়েছে।ফলে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর এবার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। মামলাটি কবে তালিকাভুক্ত হয় এবং শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সমর্থন পাওয়ার পরেই গ্রেফতার, এবার হাইকোর্টে মিলন! কী চাইছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে আইনি জটিলতায় পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর আইনজীবী মামলাটি উল্লেখ করেছেন। আগামীকাল মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা সামনে এসেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। আদালত মামলাটি শুনে অভিযোগগুলির গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে।মিলন প্রধানের গ্রেফতারিও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো খুনের মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, ওই মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন।এ ছাড়াও মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র আইনের মতো ধারায় মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন করে আরও একটি মামলা যুক্ত হওয়ার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন। তাঁর আইনজীবী নির্বাচনের আগে রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে আদালত এই আবেদন গ্রহণ করে কী নির্দেশ দেয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একদিকে প্রার্থীর গ্রেফতারি, অন্য দিকে পাঁচ মামলায় হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদনদুই ঘটনাতেই নতুন করে নজর পড়েছে এই কেন্দ্রের দিকে। আগামীকাল শুনানি হলে মিলন প্রধানের আবেদনে আদালতের অবস্থান কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal