• ৯ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ২৩ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu Adhikari,

কলকাতা

বৃষ্টিভেজা সকালেই কালীঘাটে শুভেন্দু! ভবানীপুরে লড়াইয়ের আগে মায়ের আশীর্বাদ নিলেন

শনিবার সকালে মেঘলা আকাশ আর হালকা বৃষ্টির মধ্যেই কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গেরুয়া পতাকা হাতে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে শোভাযাত্রা করে তিনি মন্দিরে পৌঁছন। মন্দিরে ঢোকার আগে তিনি বলেন, তিনি আজ কালীঘাটে এসেছেন এবং মা কালী তাঁর সঙ্গে থাকবেন।কালীঘাট মন্দিরে পুজো দেওয়ার মধ্য দিয়েই ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। মন্দির চত্বরে সেই সময় ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত ছিলেন বহু সাধুসন্ত ও সাধারণ মানুষ।উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামের পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই কেন্দ্র থেকেই লড়ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে ভবানীপুর কেন্দ্র ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার ভবানীপুরের একটি ওয়ার্ডে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ে বৈঠক করে প্রচার শুরু করেছিলেন শুভেন্দু। সেই সময় তাঁকে ঘিরে স্লোগানও ওঠে। পরে আচমকাই ভবানীপুর থানায় গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানান তিনি। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে অকারণে মামলা করা হচ্ছে।সেই ঘটনার পর শনিবার আবার ভবানীপুরে ফিরে এসে কালীঘাটে পুজো দিয়ে প্রচারের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই কেন্দ্রের লড়াই এবার বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
কলকাতা

আবার মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু? ভবানীপুর ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যের নজর ছিল নন্দীগ্রামে। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত জয় পাননি তিনি। পাঁচ বছর পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। কিন্তু এবারও হয়তো একই ধরনের রাজনৈতিক লড়াই দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।কারণ বিজেপি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই ধারণা, এবারও ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই লড়তে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় একাধিক কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সরস্বতী পুজোর সময় ভবানীপুরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপেও ঘুরতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর পর থেকেই জল্পনা আরও বাড়তে থাকে।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী নিজে নন্দীগ্রাম থেকেই লড়তে আগ্রহী ছিলেন। তবে বিজেপির তরফে তাঁকে ভবানীপুরে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কেন্দ্রে কেন শুভেন্দুকে প্রার্থী করা হল।২০২১ সালের নির্বাচনের আগে দীর্ঘদিন নন্দীগ্রামে থেকে প্রচার করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অন্য অনেক কেন্দ্রে প্রচারে যেতে পারেননি। তবে তৃণমূল নেত্রী প্রায়ই বলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেরই প্রার্থী। সেই হিসেবে রাজ্যের সব জায়গায় তাঁর প্রচার করাও গুরুত্বপূর্ণ।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই মনে করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ব্যস্ত রাখতেই বিজেপি এই কৌশল নিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ঝন্টু বরাইকও প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধীরা কি মমতাকে ওই কেন্দ্রেই ব্যস্ত রাখতে চাইছে। যাতে তিনি সেখানেই বেশি সময় দেন, সেটাই কি উদ্দেশ্য।তবে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হবেন কি না। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ভবানীপুরের বিধায়ক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই আবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় বাবাকে টেনে তুমুল লড়াই! উদয়ন–শুভেন্দু সংঘাতে উত্তাল অধিবেশন

দুজনের বাবাই দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিধি। নিজেরাও রাজনীতির প্রথম সারির মুখ। একজন বর্তমানে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী, অন্যজন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। সেই উদয়ন গুহ ও শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে শুক্রবার বিধানসভায় তীব্র বাক্যুদ্ধ শুরু হল একে অপরের বাবাকে টেনে। বাজেট অধিবেশনের মাঝেই এই সংঘাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা।শুক্রবার বাজেট বিতর্কের সময় বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ী বক্তব্য রাখছিলেন। তিনি ওড়িশা সরকারের উন্নয়ন কাজের উদাহরণ দিচ্ছিলেন। সেই সময় তৃণমূল মন্ত্রী উদয়ন গুহ মন্তব্য করেন, ওরা তো বাঙালিদের মারছে। সেটা বলুন। এই মন্তব্যের পরেই বিজেপির বেঞ্চ থেকে প্রবল হইচই শুরু হয়।এরপর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী উদয়ন গুহকে লক্ষ্য করে বলেন, আপনি তো আপনার বাবাকেই চোর বলেছেন। এই কথা শোনা মাত্র তৃণমূল বিধায়করা প্রতিবাদে সরব হন। দুপক্ষের মধ্যে শোরগোল এতটাই বেড়ে যায় যে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপ করে সবাইকে শান্ত হতে বলেন এবং আলোচনায় ফিরতে নির্দেশ দেন।স্পিকারের অনুমতি নিয়ে পরে উদয়ন গুহ বলেন, আমার বাবা কমল গুহ সাতবার বিধায়ক ছিলেন। টানা ১৯ বছর মন্ত্রী ছিলেন। আমি তাঁর রাজনৈতিক কাজকর্ম নিয়ে কিছু সমালোচনা করতেই পারি। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী প্রমাণ করে দেখান, আমি কোথায় আমার বাবাকে চোর বলেছি।এরপরই উদয়ন গুহ আরও তীব্র আক্রমণ করে বলেন, আপনি তো শিশিরবাবুর ছেলে। অথচ নিজেকে বলেন মোদীর ব্যাটা। তাহলে আপনি আসলে কার ছেলে? এই মন্তব্যের পরেই বিধানসভায় ফের তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তৃণমূল ও বিজেপি বিধায়করা একে অপরের দিকে আঙুল তুলে স্লোগান দিতে থাকেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে দেখে স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বিষয় নিয়ে কারও বক্তব্যই বিধানসভার কার্যবিবরণীতে রাখা হবে না। তবে বাবাকে কেন্দ্র করে এমন প্রকাশ্য ব্যক্তিগত আক্রমণ রাজ্য বিধানসভার ইতিহাসে বিরল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
রাজ্য

১৬৩ ধারা জারি, তবু শুভেন্দুকে অনুমতি—আনন্দপুর কাণ্ডে নাটকীয় মোড়

আনন্দপুরের জতুগৃহ কাণ্ড ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর মিছিল নিয়ে তৈরি হল নতুন জট। পুলিশের তরফে প্রথমে শুভেন্দুর প্রস্তাবিত মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। নরেন্দ্রপুর থানার পক্ষ থেকে একটি ইমেলে জানানো হয়, যে রুটে মিছিল করার আবেদন করা হয়েছিল, সেখানে একাধিক হাসপাতাল ও স্কুল রয়েছে। মিছিল হলে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধারকাজে যুক্ত জরুরি পরিষেবার গাড়ি ও কর্মীদের যাতায়াতও ওই রুট দিয়েই চলছে। সেই কারণে মিছিল করলে সমস্যা হতে পারে বলে জানিয়ে পুলিশের তরফে অনুমতি বাতিল করা হয়।এর পাশাপাশি ঘটনাস্থলের গুদামের চারপাশে ১০০ মিটারের মধ্যে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। ওই এলাকায় মিছিল ও জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশের নোটিসে বলা হয়েছে, তথ্যপ্রমাণ লোপাট, তদন্তের কাজে বাধা বা উদ্ধারকাজে সমস্যা এড়াতেই এই ধারা জারি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগুন লাগার চার দিন পর এই নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নিজেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, দানবীয় নির্দেশ জারি করে আটকানোর লজ্জাজনক চেষ্টা চলছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে শুনানির পর কিছুটা স্বস্তি পেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ তাঁকে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় যাওয়ার অনুমতি দেন। তবে শর্ত দেওয়া হয়েছে, মিছিলের রুট পরিবর্তন করতে হবে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, শুভেন্দু প্রায় দুই হাজার সমর্থককে নিয়ে গড়িয়া শীতলা মন্দির থেকে ইএম বাইপাস হয়ে নরেন্দ্রপুর থানার আগেই মিছিল শেষ করবেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত এই মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।রাজ্য সরকার রুট পরিবর্তন করে অনুমতি দিতে চাইলে বিজেপির তরফে কোনও আপত্তি জানানো হয়নি। এরপরই আদালতের নির্দেশে মিছিলের ছাড়পত্র মেলে। ফলে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা ও ১৬৩ ধারা জারি ঘিরে যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল, তা আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল রাজনৈতিক ময়দানে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজ্য

আনন্দপুর কাণ্ডে দুর্নীতির বিস্ফোরক অভিযোগ, দমকলমন্ত্রীর পদত্যাগ চান শুভেন্দু

আনন্দপুরের ভয়াবহ কারখানা দুর্ঘটনার পর ক্রমশ বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। থানায় জমা পড়ছে একের পর এক নিখোঁজ ডায়েরি। ঘটনার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও এলাকায় যাননি দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। প্রায় ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় পরে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছন। এখনও পর্যন্ত এলাকায় যাননি রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও আগেই কেন তিনি যাননি, সেই ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। বুধবার ফের সাংবাদিক বৈঠকে সেই প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী গোটা ঘটনার জন্য রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি তোলেন। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে চরম দুর্নীতি। শুভেন্দুর দাবি, স্থানীয় বিধায়ক, থানা, পৌরসভা এবং অবৈধ কারখানার মালিকের যোগসাজশে জলাজমি ভরাট করে সম্পূর্ণ বেআইনি পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। তাঁর কথায়, গত কয়েক বছরে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটলেও রাজ্য সরকার ও দমকল দফতর কোনও শিক্ষা নেয়নি।এই প্রসঙ্গেই সরাসরি দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর পদত্যাগ দাবি করেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, কর্পোরেশন, নরেন্দ্রপুর থানা, স্থানীয় কাউন্সিলর, এলাকার তৃণমূল বিধায়ক এবং শাসকদলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা এই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন।এ দিনের বৈঠক থেকেই আগামী দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে ২০ জনের একটি দল ঘটনাস্থলে যাবে। কেন এতদিন পরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা ব্যাখ্যা করে শুভেন্দু বলেন, দগ্ধ হয়ে যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের দেহ উদ্ধারের কাজ যেন সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, সেই কারণেই তারা অপেক্ষা করেছেন। উদ্ধারকাজে যাতে দমকল, ফরেন্সিক দল, পুলিশ বা উদ্ধারকারীদের কোনও রকম বাধা না আসে, সেই কারণেই বড় দল নিয়ে আগে যাননি বলে জানান তিনি।শুভেন্দু আরও বলেন, এই কদিন শুধুমাত্র অশোক দিন্দা-সহ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বরা এলাকায় সহযোগিতার কাজ করেছেন। বৃহস্পতিবার পরিদর্শনের পরে একটি প্রতিবাদ মিছিল করা হবে এবং নরেন্দ্রপুর থানার দিকে যাওয়া হবে। তাতেও যদি প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা না নেয়, তবে নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আরও বড় আন্দোলনের পথে হাঁটবে বিজেপি। প্রয়োজন হলে সচিবালয়ের সামনে গিয়ে ধর্না অবস্থানেও বসা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বিরোধী দলনেতা।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা? রিপোর্ট চাইল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল রাজ্যে। ঘটনার রেশ পৌঁছে গেল দিল্লিতেও। শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা-র অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, অমিত শাহের মন্ত্রকের তরফে বিরোধী দলনেতার অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট ও ভিডিয়ো ফুটেজ চাওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর অফিসের পক্ষ থেকে সেই সব ফুটেজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হচ্ছে।শনিবার পুরুলিয়ায় কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোডে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর গাড়ি যাওয়ার সময় রাস্তার এক পাশে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাস্তার উল্টো দিকে তৃণমূলের পতাকা হাতে কয়েক জন দাঁড়িয়েছিলেন বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর গাড়ি আসতেই আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, ১২ থেকে ১৫ জন মিলে তাঁর গাড়িতে হামলা করেছে। পুলিশের মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর আরও দাবি, হামলাকারীদের হাতে পেট্রল ও ডিজেল ছিল।ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারী চন্দ্রকোনা পুলিশের বিট হাউসে পৌঁছে যান। সেখানে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন তিনি। আইসির ঘরে মেঝেতে বসে পড়ে তিনি জানান, দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তিনি বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তৃণমূলকে নিশানা করে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পর থেকেই বারবার শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা হচ্ছে। পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, শুভেন্দুর গাড়িতে কোনও হামলা হয়নি। জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল, সেটাই তিনি সামলাতে পারেননি। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করে লেখেন, চন্দ্রকোনায় ভুল করে বিজেপি কর্মীদেরই পেটানো হয়েছে কেন, তার জবাব কেন্দ্রীয় বাহিনী দিক।এদিকে, শুভেন্দুর গাড়িতে হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে রাজ্যের একাধিক জেলায় বিক্ষোভে নামেন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা। বাঁকুড়ার লালবাজারে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রি শেখর দানার নেতৃত্বে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন কর্মীরা। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থানার সামনেও বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা।এই পরিস্থিতির মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক শুভেন্দু অধিকারীর অফিসের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। পাঠানো ভিডিয়ো ফুটেজ খতিয়ে দেখে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজনীতি

চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে ফাঁড়িতে ধর্না বিরোধী দলনেতার

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ ঘিরে শনিবার রাত থেকে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরাই এই হামলার সঙ্গে যুক্ত। ঘটনার প্রতিবাদে চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে মেঝেতে বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় পুরুলিয়া থেকে একটি জনসভা সেরে ফিরছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। পথে গড়বেতা থানার অন্তর্গত চন্দ্রকোনা রোড বাজার এলাকায় তাঁর কনভয় পৌঁছতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাত প্রায় সাড়ে ৮টা নাগাদ চৌরাস্তার কাছে কনভয়ের পথ আটকানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, লাঠি ও বাঁশ নিয়ে একদল তৃণমূল কর্মী শুভেন্দুর গাড়ির উপর চড়াও হন এবং আঘাত করা হয়।ঘটনাস্থলে দুপক্ষের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান শুরু হয়। প্রকাশ্য রাস্তায় দীর্ঘ সময় ধরে উত্তেজনা চললেও পুলিশের তৎপরতা চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ বিজেপির। পরিস্থিতি সামাল না পেয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে পড়েন এবং সেখানেই অবস্থানে বসেন।ফাঁড়িতে বসেই তিনি পুলিশ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে উঠবেন না। এসপি-সহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকদের বিষয়টি জানাতে বলেন তিনি। ফাঁড়ির মেঝেতেই বসে আইনজীবী ডেকে অভিযোগপত্র লেখানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। যদিও অভিযোগপত্র গ্রহণ ও এফআইআর নথিভুক্ত করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা বেঁধে যায়।প্রায় দুঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফাঁড়িতে অবস্থান করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি স্পষ্ট জানান, এফআইআর নম্বর হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এবং কোন কোন ধারায় মামলা রুজু হচ্ছে তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি থানা ছাড়বেন না। খুনের চেষ্টার অভিযোগ-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজুর দাবিও তোলেন তিনি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, খড়্গপুর ও ডেবরায় তাঁকে একাধিকবার আটকানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু সফল হয়নি। চন্দ্রকোনায় এসে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে রাজ্যে নির্বাচিত বিধায়করাও নিরাপদ নন।ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থল ও ফাঁড়িতে পৌঁছয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।এই ঘটনার জেরে চন্দ্রকোনায় রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে, ফলে এলাকায় নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

আইপ্যাকের মাধ্যমে গোয়ায় খরচ কোটি কোটি টাকা! মেদিনীপুর থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

মেদিনীপুরে বিজেপির সংকল্প যাত্রা থেকে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী সেখানে গিয়ে একটি ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়েই সরব হন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আইপ্যাকের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা গোয়ার নির্বাচনে খরচ করা হয়েছে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অথচ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশের পর ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর বক্তব্য, খসড়া তালিকার পরে আর তৃণমূলের সঙ্গে কোনও পার্থক্য নেই। এই নির্বাচন বাংলাকে বাঁচানোর নির্বাচন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সভা থেকে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, রাজ্যে আদিবাসীদের উপর নানা ভাবে অত্যাচার চলছে। তিনি দাবি করেন, গত ১৫ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ১৯ হাজার স্কুল বন্ধ করেছেন এবং ৬,৮৮৮টি শিল্প রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, শেষ এসএসসি নিয়োগ হয়েছিল ২০১৫ সালে এবং ৫১টি কর্মসংস্থান কেন্দ্রে তালা ঝুলছে।কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী একশো দিনের কাজে ৫৪ হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ তা পাননি। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৩০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ৪০ লক্ষ বাড়ি তৈরির কথা বলা হলেও সেই টাকা কোথায় গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।২০২২ সালের কয়লা কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, ওই দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা আইপ্যাকের মাধ্যমে গোয়ার নির্বাচনে খরচ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, ইডির কাজে বাধা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রমাণ করেছেন যে তাঁর আর এক মুহূর্তও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে থাকা উচিত নয়। শুভেন্দু বলেন, আইপ্যাক একটি কর্পোরেট সংস্থা, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে কয়লা কেলেঙ্কারির টাকা তৃণমূলের তহবিলে ঢুকেছে এবং হাওয়ালার মাধ্যমে বিপুল অর্থের লেনদেন হয়েছে।সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হওয়ার সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর আশীর্বাদ ছিল। তখন পরিবর্তনের জন্য বিজেপির সাহায্য নেওয়া হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তখন তিনি দিদি ছিলেন, এখন পিসি হয়ে গিয়েছেন।আগামী দিনে সনাতনী ও আদিবাসীদের একজোট হয়ে তৃণমূলকে সরানোর ডাক দেন শুভেন্দু। ইডি হাইকোর্টে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলা এখন অ্যাকশন দেখতে চায়। চোরদের নির্মূল করতে হবে। আইপ্যাক ও ইডি সংক্রান্ত ঘটনায় বিজেপি এক ইঞ্চিও ছাড়বে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। শেষমেশ নন্দীগ্রাম ও নেতাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সেই আন্দোলন না হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও দিন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার আগুনে ঘি! জল জীবন মিশনের টাকা নিয়ে বড় অভিযোগ বিরোধী দলনেতার

আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার দুপুরে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। তার আগেই এই ঘটনায় বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিসে ইডির তল্লাশিকে ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছড়ায়। তল্লাশির মাঝেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাতে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার ছবি ঘিরে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, এই ঘটনা একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। সেই অভিযোগেই ইতিমধ্যেই হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে ইডি।শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী আইপ্যাকের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের জল জীবন মিশন প্রকল্পে বাংলাকে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা দিয়ে বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি। শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০২১ সালে এই প্রকল্পের কাজের বরাত পেয়েছিল একটি সংস্থা, যার মোট বরাতের অঙ্ক ছিল ১৭০ কোটি টাকা।বিরোধী দলনেতার দাবি, ওই সংস্থার কাছ থেকে কাকদ্বীপের একটি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ১৬ কোটি টাকা আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছিল। এমনকি ওই লেনদেনের চেক নম্বরও প্রকাশ করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, এই টাকা দুর্নীতির টাকা।একই সঙ্গে শুভেন্দু দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রী আদতে কোনও গুরুত্বপূর্ণ নথি বা তথ্য নিয়ে যেতে পারেননি। তাঁর মতে, যে প্রস্তাবিত প্রার্থী তালিকা মুখ্যমন্ত্রী নিয়ে গিয়েছেন বলে বলা হচ্ছে, তার কপি অনেকের কাছেই রয়েছে। আর যে ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাতে কী তথ্য ছিল, তা কেউই জানে না।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
কলকাতা

তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ! মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি শুভেন্দু অধিকারীর

আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি ঘিরে বৃহস্পতিবার রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলার সূত্র ধরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে আসে। তল্লাশি চলাকালীন প্রথমে সেখানে পৌঁছন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা। তাঁর কিছুক্ষণের মধ্যেই আচমকা সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী তল্লাশির মধ্যেই প্রতীক জৈনের বাড়িতে ঢোকেন। কিছুক্ষণ পর তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন হাতে একটি সবুজ রঙের ফাইল নিয়ে। বেরিয়েই তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা এবং রাজনৈতিক পরিকল্পনার হার্ড ডিস্ক হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই তল্লাশি চালিয়েছেন।প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রওনা দেন গডরেজ ওয়াটারসাইডে আইপ্যাকের অফিসের দিকে। সেই সময়ই মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই এবার পদক্ষেপ করা।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এর আগেও কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপ করেছেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২১ সালে নিজাম প্যালেসে ইডির দফতরের সামনে মুখ্যমন্ত্রী ধরনায় বসেছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও মদন মিত্রদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে। সারদা মামলায় রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশির সময়ও কলকাতায় ধর্মতলায় ধরনায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য, একজন মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এই ধরনের আচরণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ এবং তদন্তে সরাসরি বাধা দেওয়ার শামিল। তাঁর দাবি, ইডির কাছে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এবং সেই ক্ষমতাবলেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা উচিত। মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ কমিশনারের তল্লাশির সময় সেখানে যাওয়াকে তিনি অসাংবিধানিক ও অনৈতিক বলেও মন্তব্য করেন।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
রাজ্য

মমতা কি ফের নন্দীগ্রামে লড়বেন? শুভেন্দুর মন্তব্যে তুঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা

নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে ফের একবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হন, তা হলে তাঁকে ২০ হাজার ভোটে হারাবেন।শুভেন্দু বলেন, তিনি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার নন্দীগ্রাম থেকেই ভোটে দাঁড়ান। তাঁর কথায়, আগে যেমন হিন্দু ভোট পেয়েছিলেন, এখন সেই সঙ্গে মুসলিমদের মধ্যেও সমর্থন বাড়ছে। গরিব মুসলমানদের একাংশও বিজেপিকে ভোট দেবে বলে তাঁর দাবি। এই মন্তব্যের পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তৃণমূলের মুসলিম ভোটব্যাঙ্কেও কি এবার থাবা বসাতে চাইছে বিজেপি।রাজনৈতিক মহলের মতে, নন্দীগ্রাম-সহ গোটা রাজ্যের রাজনীতিতে ধীরে ধীরে সমীকরণ বদলাচ্ছে। এক সময় বিজেপি মূলত হিন্দুত্বের রাজনীতির উপর ভর করেই রাজ্যে শক্তি বাড়িয়েছিল। ২০২১ সালের আগে পর্যন্ত সেই কৌশলে সাফল্যও এসেছিল। তবে তার পর বিজেপির রাজনীতি নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। অনেকের মতে, তখন বিজেপি শুধু হিন্দুত্বের কথা বলেই থেমে থাকেনি, বরং মুসলিম বিরোধী অবস্থানও নিয়েছিল।এর আগে শুভেন্দু অধিকারীকেই বলতে শোনা গিয়েছিল, যারা বিজেপির সঙ্গে নেই, বিজেপিও তাদের সঙ্গে নেই। তিনি প্রকাশ্যে বলেছিলেন, বিজেপির হাতে ৩৯ শতাংশ ভোট রয়েছে এবং আরও ৫-৬ শতাংশ হিন্দু ভোট একজোট হলেই ক্ষমতায় আসা সম্ভব। সেই সময় বিজেপির রাজনীতিতে মুসলিম ভোটের প্রয়োজন নেই বলেই ইঙ্গিত মিলেছিল।তবে রাজ্য বিজেপির সভাপতির দায়িত্ব শমীক ভট্টাচার্যের হাতে যাওয়ার পর থেকেই দলের সুরে বদলের আভাস মিলতে শুরু করে। সংখ্যালঘুদের কাছে পৌঁছনোর বার্তাও শোনা যায়। সেই সঙ্গে শুভেন্দুর বক্তব্যেও ধীরে ধীরে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। কিছুদিন আগেই তিনি বলেন, তিনি কখনও বলেননি যে মুসলিমদের ভোট চান না, তিনি শুধু বলেছেন যে বিজেপি সেই ভোট পায় না। তাঁর দাবি, ২০১৯, ২০২১ এবং ২০২৪এই তিনটি বড় নির্বাচনে বিজেপি এক শতাংশেরও কম মুসলিম ভোট পেয়েছে।শুভেন্দুর নন্দীগ্রামের বক্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক ও জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেওয়া হল না শুভেন্দুকে, ফের উত্তপ্ত রাজনীতি

যুবভারতী স্টেডিয়াম কাণ্ডের পর ফের উত্তেজনা। বুধবার সকালে স্টেডিয়ামে ঢুকতে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঢুকতে না পেরে তিনি ফিরে যান। তাঁর অভিযোগ, যুবভারতীর সমস্ত গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।এদিন বেলা বারোটা নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী একাধিক বিজেপি বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে যুবভারতী স্টেডিয়ামে পৌঁছন। কিন্তু গেটের বাইরে দাঁড়িয়েই থাকতে হয় তাঁদের। ঢোকার অনুমতি মেলেনি। এর আগেই রাজ্য সরকারের গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলের শীর্ষ পুলিশ কর্তারা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে চলে যান বলে সূত্রের খবর।ঘটনাস্থলেই শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্য সরকার যে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, তা তাঁরা মানেন না। সেই কারণেই বিষয়টি আদালতে গিয়েছে। তাঁর দাবি, তদন্ত কমিটি রাজ্য সরকারের প্রভাবমুক্ত হওয়া উচিত। কারণ এই ঘটনায় মূল অভিযোগ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেই। তাঁর অভিযোগ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পুলিশের ছিল, অথচ সেই পুলিশের বিরুদ্ধেই প্রশ্ন উঠছে। পাশাপাশি ক্রীড়া দফতরের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ তোলেন তিনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে শীর্ষ পুলিশ কর্তা পীযূষ পান্ডের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল যুবভারতী স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে। সেই দলে ছিলেন জাভেদ শামিম, সুপ্রতীম সরকার ও মুরলীধর শর্মা। তাঁরা প্রথমে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে যান, পরে স্টেডিয়ামে পৌঁছে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন। তাঁদের পরিদর্শনের পরই যুবভারতীর সমস্ত গেট বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে জানা যাচ্ছে।স্টেডিয়ামের বাইরে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যপালকেও আগে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। রাজ্যপালের সঙ্গে যদি এমন আচরণ করা যায়, তাহলে বিরোধী দলনেতার ক্ষেত্রেও তা করা হতে পারে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দরজা বন্ধ করে সবাই ভিতর থেকে পালিয়ে গিয়েছে।উল্লেখ্য, ঘটনার দিন শনিবার সন্ধ্যাতেও রাজ্যপাল যুবভারতী স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন। সেবারও গেট বন্ধ থাকায় তাঁকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ফিরে যেতে হয়। পরদিন ফের স্টেডিয়ামে যান রাজ্যপাল। যুবভারতী কাণ্ডকে কেন্দ্র করে ক্রমশ রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়ছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
রাজ্য

মেসি-কাণ্ডে কড়া পদক্ষেপ, তবু ‘আইওয়াশ’ বিতর্ক! অরূপের গ্রেফতারি দাবি শুভেন্দুর

যুবভারতী-কাণ্ডে ছবি বিতর্কের জেরে আগেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন অরূপ বিশ্বাস। এর মধ্যেই মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গঠিত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীমকুমার রায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি রিপোর্ট জমা দেয়। রিপোর্ট জমা পড়ার পরই রাজ্য পুলিশের ডিজিপি রাজীব কুমারকে শোকজ করা হয়। সব মিলিয়ে যুবভারতী-কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর একের পর এক কড়া পদক্ষেপ সামনে এসেছে।তবে এই সব পদক্ষেপকে আইওয়াশ বলে কটাক্ষ করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, শুধু অব্যাহতি নয়, অরূপ বিশ্বাস ও সুজিত বসুকে গ্রেফতার করতে হবে। শুভেন্দুর বক্তব্য, যুবকদের আবেগে আঘাত করা হয়েছে। যাঁরা টিকিট কেটেছিলেন, তাঁদের টাকা ফেরত দিতে হবে। পুলিশের লাঠিচার্জে যাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁদের অবিলম্বে জামিন দেওয়া উচিত।অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ আবারও বলেছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থেই অরূপ বিশ্বাস ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। তাঁর মতে, মুখ্যমন্ত্রী রাজধর্ম পালন করেছেন। তবে যুবভারতীতে যে দিন বিশৃঙ্খলা হয়েছিল, সেই ঘটনার বিতর্ক এখনও থামেনি। কারণ ওই দিন স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত ছিল যে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হয়।এই ঘটনার মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে মেসির সঙ্গে অরূপ বিশ্বাসের একাধিক ছবি। দর্শকদের অভিযোগ, মেসিকে ঘিরে এত অনাকাঙ্ক্ষিত লোকজন রাখা হয়েছিল যে হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আসা সাধারণ দর্শকরা তাঁকে দেখতেই পাননি। ক্ষোভ থেকেই পরে ভাঙচুর এবং বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে আসে।মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যাওয়ার ঘটনাকেই বড় ইস্যু করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বছরের মধ্যে এই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেছেন, মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে কয়েকশো কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে।ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে আয়োজকদের গাফিলতির কথা স্বীকার করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই ডিজিপি রাজীব কুমারকে শোকজ করা হয়েছে। তবে শুভেন্দু অধিকারীর মতে, এই শোকজও শুধুই লোক দেখানো। তাঁর কটাক্ষ, রাজীব কুমার এই রাজ্যের অলিখিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
কলকাতা

কাজ না হলেও প্রচার চাই! জেলাশাসকদের ‘বিশেষ নির্দেশ’—বোমা ফাটালেন শুভেন্দু, ভোটের মুখে দলে ঢল বিজেপিতে

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, জেলায় জেলায় উন্নয়নমূলক কাজ না হলেও সরকারের তরফে জেলাশাসকদের প্রচার বাড়ানোর বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যজুড়ে ৯১১৪টি প্রকল্পে সাত হাজার কোটি টাকার টেন্ডার করা হচ্ছে, অথচ সেই টাকার মাত্র দশ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, সরকার জানে বাকি টাকা দেওয়া সম্ভব নয়, তাই জেলাশাসকদের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের মাধ্যমে প্রচার বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুভেন্দুর অভিযোগ, কাজ না হলেও এলাকায় দৃশ্যমান প্রচার চালিয়ে যেতে হবে বলে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের শিলান্যাসের পরে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরেও মিটিং করতে বলা হয়েছে। সেখানে অন্তত ৫০০ জনকে উপস্থিত রাখতে হবে এবং তার অর্ধেকই হতে হবে মহিলাএমন নির্দেশ এসেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।এদিন শুভেন্দু আরও বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বহু মানুষ বিজেপিতে যোগ দিতে আগ্রহী। বিজেপির লক্ষ্য৩৯ শতাংশ ভোটকে বাড়িয়ে ৫১ শতাংশে নিয়ে যাওয়া। এই দিনই তিনজন বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী অধ্যাপক অজয় কুমার দাস, যিনি আগে আইএসএফের প্রার্থী ছিলেন। যোগ দিয়েছেন অধ্যাপক সঞ্জীব হাঁসদা, যিনি আদিবাসী সমাজ নিয়ে কাজ করেন। আরও যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন পুলিশ অফিসার বঙ্কিম বিশ্বাস, যিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে পদত্যাগ করেছেন।ভোটের আগে সরকারের নির্দেশ, প্রশাসনের ভূমিকা এবং দলে যোগদানসব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

মসজিদে আপত্তি নেই, তবু ‘বাবরি’ নাম নিয়ে আগুন—শুভেন্দু থেকে মৌলানা, বিতর্ক তুঙ্গে

মসজিদ নির্মাণে আপত্তি নেই, কিন্তু বাবরি নাম নিয়েই আপত্তিএই অবস্থান আগেই জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই প্রশ্ন তুলেছিলেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রধান কার্তিক মহারাজও। এবার সেই সুর মিলিয়েই কথা বলতে শুরু করেছেন বেশ কয়েকজন মৌলানা। তাঁদের মতে, মসজিদ তৈরি হতেই পারে, কিন্তু নাম নিয়ে সংঘাত তৈরি হওয়া ঠিক নয়।একজন মৌলানা উদাহরণ টেনে বলেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় অমুসলিমদের আপত্তিতে হজরত মহম্মদ নিজের নামের সঙ্গে থাকা রসুলুল্লাহ শব্দটি সরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, একটি শব্দ বাদ গেলে যদি শান্তি বজায় থাকে, তাতে অসুবিধা নেই। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই অনেক মৌলানার মত, বাবরি নাম নিয়ে আপত্তি উঠলে নাম পরিবর্তন করলেই ভালো হত। মসজিদকে তাঁরা সমর্থন করছেন, কিন্তু নাম নিয়ে তাঁদের আপত্তি থেকেই যাচ্ছে।মৌলানাদের একাংশ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, মসজিদ হোক বা মন্দিরসরকারের টাকায় এগুলো কেন তৈরি হবে? তাঁদের বক্তব্য, সরকার চাইলে হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ তৈরি করুক; সেটাই মানুষের উপকারে লাগবে।এই বিতর্কের মধ্যেই হুমায়ুন কবীর তাঁর পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাবরি মসজিদের পাশাপাশি হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ও তৈরি হবে। পুরো প্রকল্পের বাজেট আপাতত ৩০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। এই টাকার একটিও সরকারের কাছ থেকে নেওয়া হবে না বলেই দাবি তাঁর। আগামী এক মাসের মধ্যে একজন ব্যক্তি ৮০ কোটি টাকা অনুদান দেবেন বলেও জানান হুমায়ুন, যদিও সেই দাতার নাম তিনি গোপনই রেখেছেন।এদিকে স্থানীয় কিছু মৌলানা ওয়াকফ আইন নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, ওয়াকফ আইন কেন্দ্রের, তাই রাজ্যকে তা মানতেই হয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে বলেছিলেন আইন কার্যকর করবেন না, তখন তাঁরা সমর্থন করেছিলেন। পরে রাজ্যের অবস্থান পাল্টানোয় তাঁরা কিছুটা হতাশ। তাঁদের কথায়, বিজেপির ভয় দেখিয়ে মুসলিম সমাজকে বারবার সমর্থন পাওয়ার আশা ভুল। তাঁরা নিজেরাই নিজেদের মসজিদ, কবরস্থান রক্ষা করতে সক্ষম।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানের জেলাশাসককে বেনজির হুঁশিয়ারি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর

মেমারির এক জনসভা থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরসারি আক্রমণ শানালেন বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েষা রানীর বিরুদ্ধে। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, বর্ধমানের জেলাশাসক এখানে আছেন বেআইনি ভাবে। ইলেকশন কমিশনের গাইড লাইন অনুযায়ী ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার হওয়ার যোগ্য়তা তাঁর নেই। বর্ধমানের জেলাশাসক তৃণমূলের বিধায়ক, নেতাদের ডেকে ডেকে বলছেন বিজেপি ভালো ভোটার লিস্ট করছেন আপনারা করছেন না কেন? এটা আয়েষা রানীর কাজ? তবে এখানেই থামেননি শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে বর্ধমানের দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের বিরুদ্ধেও মারাত্মক অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, কয়েকদিন আগে তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ৫টাকার খাওয়ার উদ্ধোধন করতে গিয়েছিলেন জেলাশাসক। আমি জেলাশাসকের কাছ থেকে জানতে চাই খোকন দাসের সোর্স কি। এই ৫টাকার খাবার দিচ্ছে ব্যক্তিগত ভাবে, তার সোর্স কি? বালির টাকা না তোলার টাকা? সোর্স না জেনে ডিএম চলে যেতে পারেন? ইনকাম ট্যাক্স দফতর জানতে চাইলে দেখাতে পারবেন তো? ডিএম এখানে অবৈধ কাজের সঙ্গ যুক্ত। তিনি বলেন, আমি জেলাশাসকের কাছে জানতে চাই সোর্স না জেনে তিনি কি যেতে পারেন? ডিএম কবে অবৈধ কাজের জন্য় যুক্ত হলেন? এদিন পূর্ব বর্ধমান ছাড়া হুগলি ও পূর্ব মেদিনীপুরের ডিএমদের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এই জেলাশাসকরা কিছু বিএলও কে ডেকেছেন ওটিপি দেওয়ার জন্য়। এটা হ্যান্ডওভার করার জিনিস নয়। ওটিপির নম্বর আই প্যাকের কাছে দিয়ে দিচ্ছে। বিএলওরা আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। বিএলওর নাম দিয়ে আজ ইলেকশন কমিশিনের কাছে জেলাশাসকের নামে অভিযোগ করেছি। মাননীয়া আয়েষা রানী এসব কাজ করবেন না। আপনাকে আগে থেকে চিনি। এসব করলে বিপেদে পড়বেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

অপারেশন সূর্যোদয় থেকে রাজনৈতিক সূর্যাস্ত? নন্দীগ্রামে ফের মুখোমুখি তৃণমূল ও বিজেপি

নন্দীগ্রামের সকালটা সোমবার ফের রাজনীতিতে গরম হয়ে উঠল। একই মাঠে পাশাপাশি দুটি মঞ্চ একদিকে তৃণমূল, অন্যদিকে বিজেপি। দুটির দূরত্ব কয়েক হাত মাত্র। যেন রাজনৈতিক সৌজন্যের আড়ালে তীব্র এক নীরব যুদ্ধ। স্থানীয়রা বলছেন, ২০২০ সাল থেকে এ দৃশ্য নতুন নয়। প্রতি বছরই দেখি তৃণমূল আর বিজেপির শহিদ দিবস-এর টানাপোড়েন।বাম আমলে ১০ নভেম্বর ছিল অপারেশন সূর্যোদয়-এর দিন। আজ তা নন্দীগ্রামের শহিদদের স্মরণে পরিণত হয়েছে। কিন্তু কে আগে শহিদ বেদীতে পুষ্পার্পণ করবে, তৃণমূল না বিজেপি এই নিয়েই এখন বছরের পর বছর চলেছে রাজনৈতিক তরজা। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও প্রকট।পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না যায়, তাই প্রশাসন প্রতি বছরই দুই দলের কর্মসূচির জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়। এ বছর সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত সময় বরাদ্দ ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জন্য। এরপরই শুরু হবে তৃণমূলের অনুষ্ঠান, যেখানে উপস্থিত ছিলেন পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী।নির্দিষ্ট সময় মেনেই সকাল সকাল শহিদ বেদীতে পৌঁছে যান শুভেন্দু। তাঁর হাতে ছিল না দলীয় পতাকা, বরং কালো পতাকা অপারেশন সূর্যোদয়-এর বিরোধিতার প্রতীক হিসেবে। শহিদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানিয়ে মঞ্চে উঠে তিনি স্মরণ করান, নন্দীগ্রাম আন্দোলনে বিজেপি ছিল। লালকৃষ্ণ আডবাণীর অবদান ভোলার মতো নয়। তিনিই তো অবরোধ তুলেছিলেন।তবে শহিদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে শুভেন্দু সময়ও মেনে চলেন। বলেন, এটা নাগরিক কর্তব্য, রাজনীতি নয়। এবং নির্দিষ্ট সময়েই মঞ্চ থেকে নেমে যান।কিন্তু শহিদ দিবসের দিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষোভও লুকোলেন না। বক্তব্যে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের, আজও হয়নি। আপনাকে উদ্বোধনে ডাকিনি বলে রেগে গিয়েছিলেন। কিন্তু আপনাকে কেন ডাকব? ফিরোজা বিবি আর রাধারাণী আড়িকে দিয়েছি তাঁরা তো শহিদ পরিবার।তিনি আরও অভিযোগ তোলেন, শহিদ পরিবারের কয়েকজন আজও মৃত্যুসনদ পাননি। চারজন পরিবার এখনো ক্ষতিপূরণ পায়নি, কারণ তারা বিজেপিতে এসেছে। কিন্তু আমি তাঁদের টাকা দিয়েছি। আপনি সবার মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি। আসল পরিবর্তন ২০১১-তে হয়নি আমরা জনগণকে নিয়েই আসল পরিবর্তন আনব।শুভেন্দুর এমন মন্তব্যে ফের নন্দীগ্রামের রাজনীতি উথাল-পাথাল। একদিকে তৃণমূলের অনুষ্ঠান, অন্যদিকে বিজেপির জবাবি কর্মসূচি এক মাঠে দুই রঙের মঞ্চ যেন ফের মনে করিয়ে দিল নন্দীগ্রামের পুরনো দিনগুলো। স্থানীয়দের মতে, আজ সৌজন্য আছে বটে, কিন্তু ভিতরে ভিতরে যুদ্ধের আগুন এখনও জ্বলছে।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

'এসএসসি-র নয়া নিয়োগ পরীক্ষায় ফের দাগিদের সুযোগ', বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

নয় বছর পর আবারও হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার আগেই উঠছে একাধিক প্রশ্নআসন্ন পরীক্ষা কি সত্যিই হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ? আর কি দেখা যাবে না অনিয়ম, কারও চোখের জল? প্রায় ৬ লক্ষ প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই পরীক্ষার ওপর। তবু রাজনৈতিক মহলে সংশয় কাটছে না।এই পরিস্থিতিতেই আসানসোলে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এখনও ১৫২ জন দাগি প্রার্থীকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাঁরা পরীক্ষায় অংশ নেবেন। যদিও তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি। শুভেন্দুর কথায়, ১৯৫৮ জন দাগি শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে ১৮০৬ জনের নাম প্রকাশ করেছে কমিশন। কিন্তু ১৫২ জনকে বাদ রাখা হয়েছে না, বরং তাঁদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ এক প্রহসনের পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, টাকা নিয়ে কেন্দ্র ঠিক হয়েছে, তৃণমূল নেতারা পুলিশের সহযোগিতায় গোটা প্রক্রিয়াকে ভণ্ডুল করছে। এর ফল কিছুই হবে না, হবে কেবল অশ্বডিম্ব।অন্যদিকে, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনি জানান, এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে ৭ সেপ্টেম্বর নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসবেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী। আর ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশের জন্য বসবেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার জন। প্রথম দিনে গোটা রাজ্যে থাকছে ৬৩৬টি পরীক্ষা কেন্দ্র, দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্র।অর্থাৎ, দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হতে চলা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে প্রশাসন আশাবাদী হলেও বিরোধীরা মনে করছে এর মধ্যেও লুকিয়ে আছে অনিয়মের ছাপ

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

'২৬-এর নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম থেকেই লড়বেন মমতা? BJP নেতার দাবি জোর চর্চায়!

বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ২০২৬-এর বিধানসভা ভোট। নন্দীগ্রামের রাজনীতি আবারও সরগরম। গতবছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর কঠিন লড়াইয়ে নন্দীগ্রাম হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান। যদিও এবার ভোটে কিছুই নিশ্চিত নয়, কিন্তু সময় পেরোতেই মঞ্চ সাজাতে শুরু করেছেন দুই পক্ষের অনুগামীরা।গত নির্বাচনের পর তৃণমূলের অভিযোগলোডশেডিং করে ভোট কারচুপিএখনও বিচারাধীন। সেই মামলার ফলাফল না এলেও, নতুন লড়াইয়ের প্রস্তুতি আগেই শুরু হয়েছে। প্রশ্ন জাগেকি এবারও মমতা নন্দীগ্রাম থেকেই নামবেন?তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কৌশলের বাইরেতমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি প্রলয় পাল দাবি করেছেন, ২০২৬-তেও মমতা নন্দীগ্রাম থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সেই সঙ্গে তিনি BJPর জয়ী হওয়ার চ্যালেঞ্জ দিয়ে রেখেছেন।বিপরীতে, নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের TMC সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ দাবি করেছেন, দলের মনোনয়ন বিষয়ে শুধু দলই জানে। তবে তিনি নিশ্চিতশুভেন্দু অধিকারী এবার নন্দীগ্রাম থেকে আসন ছাড়বেন। তার যুক্তি, শুভেন্দুর নিজের বুথ তালিতায় তৃণমূল জিতেছে, লোকসভা ক্ষেত্রেও তিনি তৃণমূলকে ৪১২ ভোটে এগিয়ে রেখেছেন, আর পঞ্চায়েত সমিতিতেও প্রায় ২৫০০ ভোটের লিড দিয়েছেনএসব তথ্য দিয়ে তিনি প্রমাণ করতে চেয়েছেন, শুভেন্দুর এখন নন্দীগ্রামে যা শক্তি সেটা তৃণমূলের পক্ষেই যাবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক! শিলিগুড়িতে মোদীর রোড শো, জোর প্রস্তুতি বিজেপির

ভোটের মুখে বাংলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়াল বিজেপি। আগামী সপ্তাহেই রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দলীয় সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে শিলিগুড়িতে সাত অথবা আট এপ্রিল রোড শো করতে পারেন তিনি। একই সঙ্গে একাধিক জনসভাও করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই সফর ঘিরে শিলিগুড়িতে বৈঠকে বসেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। উত্তরবঙ্গের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে কেন্দ্রীয় নেতারা ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালাচ্ছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে মোট চারটি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সূচি চূড়ান্ত করতে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব।এদিকে খুব শীঘ্রই রাজ্যে আসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি এলে মূলত সাংগঠনিক বৈঠকের ওপর জোর দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করে দলীয় সংগঠন নিয়ে আলাদা আলাদা বৈঠক করতে পারেন তিনি। যদিও তাঁর পূর্ণ সূচি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে কয়েকটি জনসভাও করতে পারেন তিনি।এই নির্বাচনে বিজেপি দুইশোর বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার এই লক্ষ্য সামনে রেখে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করছেন। এর আগেই অমিত শাহ বাংলায় এসে এই লক্ষ্য স্পষ্ট করেছিলেন। তাঁর দাবি, এবার বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে চায়।অন্যদিকে, বিজেপির এই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা আরও বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দুই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা এই নির্বাচনে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।মোটের উপর ভোটের আগে বাংলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতার সফর ঘিরে এখন তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং জল্পনা।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

দেওয়াল মুছতেই হামলা! ভোটের আগে দুর্গাপুরে কমিশনের কর্মীদের উপর চড়াও অভিযোগ

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই দুর্গাপুরে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল। সরকারি দেওয়ালে লেখা রাজনৈতিক প্রচার মুছতে গিয়ে আক্রান্ত হন তাঁরা।নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সরকারি কোনও দেওয়াল বা জায়গায় রাজনৈতিক প্রচার করা যাবে না। সেই নির্দেশ মেনেই এসডিও দপ্তরের নির্দেশে কমিশনের কর্মীরা এলাকায় পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন। দুর্গাপুরের কলোনিপাড়ায় পোস্ট অফিসের দেওয়ালে লেখা প্রার্থীর নাম মুছতে যান তাঁরা। অভিযোগ, সেই কাজ শেষ করে গাড়িতে ওঠার পর আচমকাই তাঁদের গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।আক্রান্ত এক কর্মীর দাবি, তাঁরা সরকারি নির্দেশ মেনেই কাজ করছিলেন। নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। স্থানীয় কিছু মানুষ নিজেদের শাসকদলের সমর্থক বলে দাবি করে তাঁদের উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের দাবি, মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বরং বিরোধী দলের কর্মীরাই বাইরে থেকে লোক এনে নিজেরাই দেওয়াল মুছছিল এবং উত্তেজনা তৈরি করছিল।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে কড়া হুঁশিয়ারি! বুথ দখল হলেই অ্যাকশন, কঠোর বার্তা অজয় নন্দার

ভোটের আগে কঠোর বার্তা দিল পুলিশ প্রশাসন। বুথ দখল, ভুয়ো ভোট বা কোনও রকম কারচুপি বরদাস্ত করা হবে না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। রবিবার ভাঙড় থানায় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নির্দেশ কঠোরভাবে মানার নির্দেশ দেন।নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ রাখতে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার জানান, বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং ও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। ভোটের আগে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এদিন শুধু ভাঙড় নয়, দক্ষিণ শহরতলীর একাধিক থানাতেও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়। প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি কঙ্কর প্রসাদ বারুই নরেন্দ্রপুর, সোনারপুর ও বারুইপুর থানায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তিনি পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরতলীর এই এলাকাগুলিতে গ্রামীণ অঞ্চলের বহু বুথ রয়েছে। সেই সব বুথে নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পুলিশকর্মী থেকে হোমগার্ডসকলকেই ভোটের আগে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।কঙ্কর প্রসাদ বারুই জানান, নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথায় কী ব্যবস্থা নিতে হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভয়মুক্ত নির্বাচনই এখন প্রধান লক্ষ্য।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

জয় শ্রীরাম স্লোগানে উত্তাল, মাঝপথেই থামাল পুলিশ! হিরণের প্রচারে চরম উত্তেজনা

ভোটের আগে প্রচার ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হল শ্যামপুরে। বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রচার কর্মসূচি চলাকালীন বাইক মিছিল আটকায় পুলিশ। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।রবিবার শ্যামপুরে প্রচার শুরু করেন হিরণ। তাঁর সঙ্গে বহু কর্মী ও সমর্থক গেরুয়া পতাকা নিয়ে বাইক করে এগোচ্ছিলেন। সেই সময় শ্যামপুর-বাগনান রোডে পুলিশ মিছিলটি আটকায়। পুলিশের দাবি, আদর্শ আচরণবিধি জারি থাকার কারণে কোনও মিছিল বা জমায়েতের জন্য আগে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু এই কর্মসূচির জন্য সেই অনুমতি নেওয়া হয়নি।ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। হিরণ নিজেও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক মিছিল নয়, তাঁরা মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর কথায়, সমর্থকেরা ধর্মীয় পতাকা নিয়ে এসেছিলেন, তাই এটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি বলা ঠিক নয়।তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রার্থী উপস্থিত থাকলে সেটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবেই ধরা হয় এবং সে ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে মিছিলটি এগোতে দেওয়া হয়।এদিন রাজ্যের অন্য জায়গাতেও উত্তেজনার খবর সামনে এসেছে। নানুরে পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বচসা ও বিক্ষোভ হয়। দুর্গাপুরে সরকারি দেওয়াল থেকে প্রচার মুছতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মী আক্রান্ত হন বলেও অভিযোগ উঠেছে।ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনাগুলি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর গড়ে চ্যালেঞ্জ! নন্দীগ্রামে অভিষেকের টানা সভা ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রামকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। এই কেন্দ্রকে সামনে রেখে এবার জোর প্রচারে নামতে চলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দু অধিকারীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নন্দীগ্রামে এবার তৃণমূল প্রার্থী করা হয়েছে পবিত্র করকে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গতবারের পরাজয়ের পর এবার এই কেন্দ্র দখলে মরিয়া তৃণমূল।জানা গিয়েছে, আগামী পঁচিশে মার্চ নন্দীগ্রামে একটি কর্মীসভার মাধ্যমে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। এরপর সাতাশে মার্চ পাঁশকুড়া পূর্বে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। ত্রিশে মার্চ কাঁথি এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও করবেন তিনি।এই সফরকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়ছে। দলের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই ধারাবাহিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। সেই লড়াইয়ে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার আবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই তৃণমূল নতুন করে কৌশল সাজাচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পবিত্র করকে প্রার্থী করে তৃণমূল একটি কৌশলী পদক্ষেপ নিয়েছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হওয়ায় তিনি ভোটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। আর তাঁর পাশে থেকে প্রচার জোরদার করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে নন্দীগ্রামের লড়াই এবার আরও জমে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
বিদেশ

ইজরায়েলের পরমাণু কেন্দ্রের কাছে ভয়াবহ হামলা! আতঙ্কে বিশ্ব, তেজস্ক্রিয়তার আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষের আবহে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠল। ইজরায়েলের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে পালটা হামলা চালিয়েছে ইরান। ডিমোনা এবং আরাদ এলাকার দুই পরমাণু কেন্দ্রের কাছাকাছি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। হামলার পর থেকেই তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতে প্রথমে ডিমোনার শিমন পেরেস নেগেভ পরমাণু কেন্দ্রের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। কিছুক্ষণ পর আরাদ এলাকার আর একটি পরমাণু কেন্দ্রের দিকেও হামলা চালানো হয়। তবে সরাসরি পরমাণু কেন্দ্র লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি ক্ষেপণাস্ত্রগুলি। তার বদলে কাছাকাছি বহুতল আবাসনে আঘাত হানে, ফলে বহু বাড়ি ভেঙে পড়ে প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।এই হামলার পর ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে যায় জরুরি পরিষেবার কর্মীরা। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর খবর পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও তার সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তা সফল হয়নি। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি আছড়ে পড়ে। এই হামলা নিয়ে এখনও পর্যন্ত ইজরায়েল সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।প্রসঙ্গত, এর আগে ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। সেই ঘটনারই পালটা জবাব হিসেবে এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রে শীতের কামড়! এক ধাক্কায় ১১ ডিগ্রি কমে তাপমাত্রা, কাঁপছে বাংলা

চৈত্র মাসের শুরুতেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। গরমের বদলে হঠাৎ করেই ফিরে এসেছে শীতের আমেজ। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বহু জায়গায় রাতে আবার কম্বল টানতে হয়েছে মানুষকে। ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে টানা ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই নেমে গিয়েছে।শুক্রবার রাত থেকে কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে তাপমাত্রায়। প্রথমে প্রায় পাঁচ ডিগ্রি কমার পর শনিবার তা আরও কমে গিয়ে মোট প্রায় এগারো ডিগ্রি নেমে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমে এসেছে তেইশ দশমিক দুই ডিগ্রিতে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল উনিশ দশমিক সাত ডিগ্রি।আবহাওয়া দফতরের মতে, রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে শুরু করবে। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। তবে এখনও কিছু জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। অন্য জেলাগুলিতেও আংশিক মেঘলা আকাশের সঙ্গে মাঝে মাঝে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতাতেও মেঘলা আকাশ থাকবে এবং এক-দুবার বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার থেকে এই পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ কমে গিয়ে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও দুর্যোগ কাটেনি। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় আগামী বুধবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও খুব ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও সপ্তাহের শেষে আবারও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সব মিলিয়ে আবহাওয়ার এই আচমকা বদলে চৈত্রের শুরুতেই অবাক বাংলার মানুষ।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

অভয়ার মাকে জেতাতে সিপিএমকে প্রার্থী প্রত্যাহারের অনুরোধ! বামমনস্ক চিকিৎসকের মন্তব্যে বাড়ছে রাজনৈতিক পারদ

এক সময় বামপন্থী মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বামেদের হয়ে প্রচার করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে সম্প্রতি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানে বদল এসেছে। ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তাঁকে দেখা যাওয়ার পর থেকেই তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এবার পানিহাটির নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী অভয়ার মায়ের সমর্থনে সরাসরি বাম প্রার্থীকে আক্রমণ করলেন তিনি।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্তর উচিত প্রার্থীপদ থেকে সরে দাঁড়ানো। তাঁর মতে, ভোট কাটাকুটির ফলে যাতে অভয়ার মা কোনওভাবে হার না যান, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কলতান তাঁর ঘনিষ্ঠ বলেও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে অনুরোধ করবেন প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করতে।কলতান দাশগুপ্ত আর জি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত। আন্দোলনের সময় তিনি জেলেও ছিলেন। নির্বাচনের আগে অভয়ার বাবা-মায়ের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। তবে অভয়ার মা-বাবা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কলতান এবং বামেদের বিরুদ্ধে তাঁদের সুর চড়েছে। তাঁদের দাবি, রাজ্যে বামেদের কোনও শক্তি নেই এবং তাদের ভোট দিলে তা শেষ পর্যন্ত তৃণমূলেরই সুবিধা করে দেবে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যেও সেই একই সুর শোনা গিয়েছে। তিনি মনে করেন, তৃণমূলকে ঠেকাতে হলে বিরোধী ভোট এক জায়গায় থাকা দরকার। শুধু কলতান নয়, তাঁর বাবার কাছেও আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ছেলেকে বোঝানো উচিত যাতে সে প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়ায়। একই সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীরও সরে দাঁড়ানো উচিত বলে মত তাঁর।অন্যদিকে, অভয়ার মা-বাবা বিজেপির প্রার্থী হতে চাওয়ায় বাম মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সেই সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তাঁরাও বামেদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, মেয়ের বিচার বিলম্বিত হওয়ার পিছনেও বামেদের ভূমিকা রয়েছে। যদিও এই সব মন্তব্যে নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ নন। তিনি বলেন, অভয়ার মা-বাবা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনি তার পাশে থাকবেন। তাঁর মতে, রাজ্যে এখন পরিবর্তনের দাবি জোরালো হয়েছে এবং সেই লক্ষ্যেই সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।সব মিলিয়ে পানিহাটির নির্বাচন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে এবং এই ইস্যুতে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal