• ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ১৩ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu Adhikar

রাজনীতি

মন্ত্রিত্ব ছেড়ে কী বললেন শুভেন্দু?

জল্পনার অবসান। শুক্রবার ২৭ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি লিখে সব মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি নিরাপত্তা ছেড়ে অন্যান্য পদগুলিও তিনি ছেড়েছেন বলে খবর। রাজ্যপালকেও অবিলম্বে পদত্যাগপত্র অনুমোদন দিতেও আর্জি জানান শুভেন্দুবাবু। রাজ্যবাসীর সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন তিনি। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি শুধু বলেছেন, চাপমুক্ত হলাম। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় টুইটে লিখেছেন, সংবিধান মেনেই পদক্ষেপ করব। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, শুভেন্দু দল ছাড়েননি। দল তাঁর সঙ্গে কথা বলার যে দায়িত্ব আমাকে দিয়েছিল তাও তুলে নেয়নি। দুবার কথা বলেছি। নেত্রীকেও জানিয়েছি। আবার তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করব। মন্ত্রিত্ব ছাড়া ওঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। গতকাল এইচআরবিসি-র পদ ছাড়ার পর জেড ক্যাটেগরি-সহ সরকারি নিরাপত্তাও ছেড়েছেন শুভেন্দুবাবু।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে কী বললেন সৌগত?

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সোমবার ২৩ নভেম্বর ২০২০ দ্বিতীয়বার বৈঠক করেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায়। তারপরেও নন্দীগ্রামের বিধায়ককে নিয়ে সংবাদমাধ্যমে জল্পনা থামেনি। বৈঠকের পর আশাবাদী কিনা এ প্রশ্নের উত্তরে সৌগতবাবু বলেছিলেন, নিরাশাবাদী নন। আজ, মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একবার কেন দশবার আলোচনায় বসতে পারি। আপনাদের মুখোমুখিও হতে পারি দশবার। কিন্তু বৈঠকে কী হয়েছে বা ফের কবে বৈঠক হবে কিনা সে ব্যাপারে কিছু বলব না। আর উনি তো দলেই আছেন। দলবিরোধী কিছু বলেননি। এ থেকে বুঝে নিন উনি দলবিরোধী কিছু বলতে চান না। গতকালও উনি পরিবহণ দফতরে গিয়েছিলেন। উঠে আসে সাধন পান্ডে-পরেশ পাল বাকযুদ্ধ ও অনুব্রত মণ্ডলকে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির মানতে না চাওয়ার প্রসঙ্গ। সৌগতবাবু বলেন, দলের মধ্যে থেকে কেউ কাউকে নিয়ে কিছু বলুন সেটা কাম্য নয়। তবে রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে বিষয়টি নতুন নয়। দলে যাঁরা এগুলি সামলান তাঁরা নিশ্চিত দেখবেন। তবে এ সব অ্যাডজাস্ট করে নিতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে তা দ্রুত হয়ে যায়, কিছু ক্ষেত্রে সময় লাগে। সৌগতবাবু বলেন, আমি সংবাদমাধ্যমকে গতকাল বলি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলব। মনে হয় ভুল করেছিলাম জানিয়ে। কেন না তারপর যেভাবে সংবাদমাধ্যম আমার গাড়ির পিছু নিল তাতে এই বয়সে আমি অভ্যস্ত নই। তা সত্ত্বেও বলেছি, বৈঠক হয়েছে, উনি মেদিনীপুরে চলেও গিয়েছেন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

খেজুরিতে শুভেন্দুর কী বার্তা? কর্মসূচি বাতিল তৃণমূলেরও

২৪ নভেম্বর খেজুরির হার্মাদমুক্ত দিবসে বিশাল পদযাত্রা করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বাঁশগোড়া থেকে কামারদা বাজার পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার পদযাত্রায় পা মেলান কয়েক হাজার মানুষ। শুভেন্দুবাবু বলেন, ২০১১ সাল থেকে এই দিনটি স্মরণ করতে প্রতি বছর এখানে আসি। ভালোভাবে একসঙ্গে মানুষের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে হবে। শান্তি, গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা চিরস্থায়ী হোক, সেটাই চাই। ২০১০-এ হার্মাদদের খেজুরি দখল করার ঘটনার কথা উল্লেখ করে শুভেন্দুবাবু বলেন, সে ভয়ঙ্কর দিন ছিল। ভোর ৩টে ২০ নাগাদ এখানে ৩০০ হার্মাদ বন্দুকবাজ হামলা চালায়। সাড়ে তিনটেয় খবর পেয়েও প্রতিরোধ করতে পারিনি। তখন খেজুরিতে গণতন্ত্র বলে কিছু ছিল না। হার্মাদদের সাহায্য করেছিল পুলিশ। মা-বাবা, ভগবানের আশীর্বাদ নিয়ে বেলা ১২টায় কামারদা পৌঁছাই। আমাকে দেখে হার্মাদবাহিনী হতচকিত হয়ে গিয়েছিল। মনের জোর সম্বল করে ওদের তাড়া করি। তা দেখে পিলপিল করে মানুষ আমার সঙ্গে এসে রুখে দাঁড়ান। তাড়া খেয়ে হার্মাদরা শুনিয়ার চরে গিয়ে আশ্রয় নেয়, বেলা আড়াইটে নাগাদ খেজুরি হার্মাদমুক্ত হয়েছিল। এদিকে, শুভেন্দুবাবুর এই পদযাত্রা শুরুর আগে খেজুরিতে কর্মসূচি বাতিল করেছে তৃণমূল। নন্দীগ্রাম দিবসে পাল্টা সভা করায় বিতর্কের পর এদিন কর্মসূচি বাতিল করে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব বার্তা দিল, মত রাজনৈতিক মহলের। ফোনে এবং মুখোমুখি বসে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সাংসদ সৌগত রায়। সেই বৈঠক নিয়ে দুজনের কেউ সংবাদমাধ্যমে কিছু খোলসা করেননি। এই আবহে বিকেলে খেজুরিতে তৃণমূলের কর্মসূচি বাতিল ইঙ্গিতবহ বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যম

কলকাতার মিডিয়ায় নতুন চ্যানেল আসতেই এদিক-ওদিক আসা-যাওয়া চলছে। অনেকে নতুন পদ পাচ্ছেন। সবাই নিজেদের সিঁড়ি হিসেবে বেছে নিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী সংক্রান্ত ব্রেকিং নিউজ! কেউ বলছেন, নিরাপত্তারক্ষী না নিয়ে অন্যের গাড়ি চড়ে কলকাতায় এসে বৈঠক করছেন শুভেন্দুবাবু! যা দেখে শুধুই হাসছেন শুভেন্দুবাবুর ঘনিষ্ঠরা। একটি আধা কমল মার্কা চ্যানেল তো নিজেরাই কনফিউজড। একবার দাবি করছে, শুভেন্দুবাবুকে আলটিমেটাম দিয়েছে দল, হয় এসপার, নয় ওসপার! পরক্ষণেই ওই চ্যানেল বলছে, শুভেন্দুবাবু নাকি তাঁর পর্যবেক্ষকের পদ ফিরিয়ে দিতে বলেছেন, শর্তও দিয়েছেন! শুভেন্দু অধিকারীকে যাঁরা কাছ থেকে বছরের পর দেখেছেন বা দেখছেন তাঁদের কথায়, এই চ্যানেলগুলো খবর না পেয়ে যা খুশি তাই বলে দিচ্ছে। শুভেন্দুবাবুকে এরা জানে না, বোঝে না। নিজের পদ চাওয়ার লোক আর যে হোন না কেন, জননেতা তা করবেন না। এমনকী তাঁকে পদ ফেরালে তিনি তা নেবেন কিনা সেটাও দেখার। ফলে তৃণমূল নেতৃত্ব সংবাদমাধ্যমের একাংশকে খবর খাওয়াচ্ছে আর শুভেন্দুবাবু ওই সাংবাদিকদের কিছু বলার প্রয়োজন বোধ না করায়, বাংলার সংবাদমাধ্যমগুলি গল্পের গরুকে গাছে তুলছে। শুভেন্দুবাবু যখন নিজে বলছেন, আমি যখন যা বলব তার আগে কিছু বিশ্বাস করবেন না। এরপরেও জল্পনা চলে কীভাবে?

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

বাঁকুড়া সফরে শুভেন্দুকে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত মমতার?

বাঁকুড়া সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার তাঁর বাঁকুড়া সফরে সঙ্গী ছিলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এবার দলনেত্রী নিয়ে গিয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলাও করে সরকারি বিজ্ঞাপনে তাঁর নামও ছাপা হয়েছে। সেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁর সঙ্গে বাগযুদ্ধ চলছে শুভেন্দুবাবুর। তাঁর মতো জননেতাকে কল্যাণের বিলো দ্য বেল্ট লাগাতার আক্রমণ ভালোভাবে নিচ্ছেন না তৃণমূলের অনেকেই। বিশেষ করে যখন সৌগত রায়ের আরও একবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা। শুভেন্দুবাবু দলনেত্রী সম্পর্কে কিছু বলেননি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেননি। তবে গাড়ি বা হেলিকপ্টারে তাঁর সঙ্গীদের দেখে অনেক বার্তা বোঝা যায়। কল্যাণকে সঙ্গে নিয়ে জেলা সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দিলেন তা নিয়েই চর্চা চলছে।আরও পড়ুন- শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যমরবিবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দলের অনেকেই দোদুল্যমান। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথার উপর না থাকলে কার কত দম সেটাও বোঝা যাবে গোছের নাম না করে একটা বার্তা দেন তৃণমূল মহাসচিব। তারপরেই মমতা-কল্যাণ বাঁকুড়ায়। প্রশ্ন উঠছে, কল্যাণ যে শুভেন্দুবাবুকে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন (যা নিয়ে শেরপুরের সভায় নাম না করে কল্যাণকে অনিল বসুর সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্ন রাখেন, এই কালচার আপনারা সমর্থন করেন?), তাহলে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন করছেন? অভিজ্ঞমহলের মতে, নীরবতা এমনিতেই সম্মতি লক্ষ্মণ। সুব্রত বক্সী, ফিরহাদ হাকিম, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুভেন্দুবাবুকে নিয়ে বিবৃতি প্রত্যাহার করেনি দল। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি তৃণমূল শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে বিচ্ছেদ চাইছে?আরও পড়ুন- বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরশুভেন্দুবাবুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বাঁকুড়ার দুটো লোকসভা আসনে হারে তৃণমূল। শুভেন্দুবাবু কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে তৃণমূলের যে ঢাকিশুদ্ধ বিসর্জন হবে সে বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নিশ্চিত। বিভিন্ন জেলা থেকেও তেমন ভাঙনের আভাস মিলছে। অনেকে বলছেন, দিদির ম্যাজিক যদি থাকত তাহলে বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ ২২-এ থমকাতো না। এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। ভোটের ফলের চাবিকাঠি থাকবে পান্তা খাওয়া, গামছা পরা গ্রামের ছেলে নন্দীগ্রামের বিধায়কের হাতেই।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

শুধু শুভেন্দু নয় , সৌগত রায় সহ আরও ৫ তৃণমূল সাংসদ যোগ দেবেন বিজেপিতেঃ অর্জুন

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। এরমধ্যেই এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নয়, সৌগত রায়-সহ অন্তত ৫ জন তৃণমূল সাংসদ যে কোনও সময়ে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য প্রস্তুত। এটা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। শনিবার সকালে ছটপুজো উপলক্ষে নৌকায় করে গঙ্গা ভ্রমণের সময়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপিতে স্বাগত। উনি যেদিন বিজেপিতে যোগ দেবেন সেদিই সরকার ভেঙে যাবে। রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে শুভেন্দুর দূরত্ব বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ অনেকেই মনে করছেন , রাজ্যে ৩৫৬ প্রয়োগ হোকঃ দিলীপ এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিজেপি সাংসদ বলেছেন, শুভেন্দু একজন জননেতা। সচেতন মানুষ। ওনাকে তৃণমূলে ক্রমাগত অপমান করা হচ্ছে। ওনার তৃণমূল ছেড়ে চলে আসা উচিত। বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকে স্বাগত জানাতে সবসময় প্রস্তুত। যদিও অর্জুনের দাবি খণ্ডন করে সৌগত রায় জানিয়েছেন, রাজনীতি ছেড়ে দেব, মরে যাব, তবু বিজেপিতে যাব না। রাজ্যে এসে এসব শিখিয়ে দিয়ে গেছেন অমিত মালব্যরা।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুভেন্দুর

অতীতে সিপিএম সাংসদ অনিল বসু ব্যক্তিগত কটু কথার রাজনীতি করতেন বলে মানুষ সমর্থন করত না। সমালোচনা হতে পারে। আমরা কেউ তার উর্ব্ধে নই। কিন্তু যদি কোনও জনপ্রতিনিধি আমাকে বা আমার পরিবারকে ব্যক্তিগত কটূকথা বলে, আপনারা কি তাঁকেও সমর্থন করবেন? এনিয়ে জনতার মতামত নেন শুভেন্দু। জনতা তাঁকে সমর্থন করেন। শুক্রবার হুগলির বলাগড়ে জনসভা থেকে নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভক্তদের জন্য বন্ধ বেলুড়ের সারদা পিঠ প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দুর নাম না করে এক দলীয় সভায় বলেছিলেন, হিসাবটা আমরা বুঝে নেব। চলে যা বিজেপিতে। কোনও অসুবিধা নেই। যাবি কংগ্রেসে, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। সিপিএমে যাবি, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। দাদার অনুগামী হলে দাদার সঙ্গে চলে যা। তৃণমূল কংগ্রেস করে বেইমানি করলে বাড়ি ঢুকতে দেব না। দেখি কত বড়। দেখতে চাই কত হিম্মত রয়েছে। বাংলার মাটিতে দেখতে চাই, কোন দাদার কত অনুগামী? লড়াই করতে এসেছি। লড়ে যাব। লড়াইয়ের ময়দানে এক ইঞ্চিও ছাড়ব না। বেইমানদের আগামী দিনে বুঝিয়ে দেব।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামের গাছের তলায় বড় হয়েছিস। ৪টে মন্ত্রিত্ব পেয়েছিস, ৪ খানা চেয়ারে আছিস। কত পেট্রোল পাম্প করেছিস! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে মিউনিসিপ্যালিটিতে আলু বিক্রি করতিস রে, আলু বিক্রি করতিস।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে

পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হোর্ডিং এবার হাওড়া শহরে। হাওড়ার কোনা এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন বেলেপোল এর হ্যাংস্যাং ক্রসিংয়ে লাগানো হয়েছে ওই বিশাল হোর্ডিং। নিচে লেখা আমরা দাদার অনুগামী। হোর্ডিংয়ের উপরে লেখা চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির। এছাড়াও শুভেন্দুকে একজন দক্ষ প্রশাসক, দক্ষ সংগঠক, উদার ও নির্ভীক জননেতা এবং বঙ্গের বন্ধু হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হোর্ডিংয়ে রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবিও। আরও পড়ুন ঃ বাবা-মাকে খুনের ঘটনায় ধৃত ছেলের ২ দিনের পুলিশ হেফাজত এই হোর্ডিংয়ের কিছুটা দূরেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফ থেকে লাগানো হয়েছে আরও একটি হোর্ডিং। তাতে লেখা যার কাছে সবকিছু বলা যায়। যাকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। যাকে আপন বলে ভাবা যায়। যার কাছে বিশ্বাসটুকু রাখা যায়। সেইতো জননেতা। তুমি আমাদের সেই নেতা। আমাদের এই সম্পর্ক যেন থাকে চির অটুট। স্বাভাবিকভাবেই হাওড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে এই দুই হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কে বা কারা এই হোর্ডিং দিয়েছে তা অবশ্য জানা যায়নি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজনীতি

রামনগরের মেগা শোয় কী বললেন শুভেন্দু?

আমি একটি দলের প্রাথমিক, সক্রিয় সদস্য, মন্ত্রিসভার সদস্য। মুখ্যমন্ত্রী তাড়াননি, আমিও ছাড়িনি। নিয়ন্ত্রকরা তাড়াননি, আমিও ছাড়িনি। মতভেদ থেকে বিচ্ছেদ হয়, কিন্তু বিদ্যাসাগরের জেলার লোক এত অনৈতিক নই যে এই মঞ্চে দলবদলের কথা বলব। ইন্দিরা গান্ধীর জন্মদিনে তাঁর ছবিতে মাল্যদান করছিলাম দেখে এক সাংবাদিক বললেন, মিডিয়া নাকি এ থেকে দলবদলের কথা ভাবছে। টিআরপির জন্য যা খুশি করতে পারেন। বৃহস্পতিবার ১৯ নভেম্বর রামনগরে সমবায় সপ্তাহের মেগা শো-র মঞ্চ থেকে এ কথা বললেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, আমি বসন্তের কোকিল নই। সব সময় ভোট চাই ভোট দাও, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও বলি না। স্থান, কাল, পাত্র, ব্যানার জানে শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের মঞ্চে যেমন রাজনৈতিক কথা বলি না, তেমন মন্ত্রিসভার সদস্য থেকে রাজনৈতিক কথা এখানে বলা যায় না। হাইপ তুলে এসেছিল মিডিয়া, দায়িত্ব তাদের। এটা সমবায়ীদের মেগা শো। কোনও রাজ্য বা দেশ এতো বড়ো সমবায় সভা করতে পারবেন না। দশকের পর দশক এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বলেই করতে পারি। অন্তত ৫ লক্ষ পরিবারের সঙ্গে সমবায়ের মাধ্যমেই আমার সম্পর্ক আছে। সবার সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক। হলদিয়ায় ছটপুজোর অনুষ্ঠানে যাব, ৫ হাজার হিন্দিভাষী ওখানে আছেন। নন্দকুমার থেকে পুরুলিয়া অবধি জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধন করব। সমবায় সমাবেশ শেষে জয়তু সমবায় স্লোগান দেন শুভেন্দুবাবু।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে মান-অভিমান চলছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের মোদির উপর ভরসা আছে। মোদি তো বাংলার লোক নন। আমরা সর্বভারতীয় পার্টি আমাদের সিস্টেম অনুযায়ী পার্টি চলে। বৃহস্পতিবার সকালে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এভাবেই তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যাদের নেতারা আজকে ভয় পাবলিকের সামনে যাচ্ছে না, তারাই একথা বলবে। তাদের কোন মুখ নেই। সব মুখে কালি লেগে গিয়েছে। তারা এ কথা বলবে বাংলার বিজেপি কর্মীরা লড়াই করছে বলে একশ কুড়িজন বিজেপি কর্মী প্রাণ দিয়েছেন। আজও আমি বর্ধমান যাচ্ছি একটা কেসের জামিন নিতে। আমরা লড়াই করছি তাতে তৃণমূলের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিশ্চয়ই দেখতে আসবেন। আমাদের সারাদেশে পার্টি চলে। বাংলার বিজেপি সঙ্গে সারাদেশের বিজেপি আছে, বাংলায় পরিবর্তন হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছেঃ সুখেন্দুশেখর রায় এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারীর মানভঞ্জনের প্রসঙ্গে টেনে দিলীপ ঘোষ বলেন, কে কাকে বোঝাবে এটা ওদের ঘরের ব্যাপার। মান অভিমান চলছে। আজকে কেন বোঝাতে হচ্ছে? পার্টির যারা বফাদার সৈনিক প্রাণ হাতে করে লড়াই করেছে তাদের মন বদলে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের ভাবনা চিন্তা বদলে যাচ্ছে। ধোঁকা দিয়ে বেশি দিন চলে না। এই রাজনীতি সারা ভারতে বন্ধ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ করে দেব। এদিন ছটপুজো প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এই সব জায়গাতেই ছটপুজো একটাই বড় উৎসব হিন্দি ভাষীদের। বহু মানুষ নিষ্ঠার সঙ্গে এই পুজো পালন করেন। এতদিন সরকারের ছট নিয়ে কোন চিন্তা ছিল না। কোর্ট যেহেতু রায় দিয়েছে সরোবরে ছট পুজো বন্ধ করা নিয়ে, তাই সরকার এই সব দেখাচ্ছে। আসলে হিন্দিভাষী ভোটের জন্য এই সব করছে। ছট পুজো যাঁরা করেন তাঁরা বহু বছর ধরে পূজো করে আসছেন। এতদিন সামাজিকভাবে লোকেরাই ব্যবস্থা করত। আজ সরকারের কেন মাথা ব্যথা হয়েছে? হিন্দি ভাষীদের ভোটের দরকার আছে। এতদিন হিন্দি ভাষীদের কথা মনে পড়েনি। এতদিন তাদেরকে বাইরের লোক বলে চালিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠেলার নাম বাবাজি ভোট বড় বালাই তার জন্যই এত কিছু করছেন। প্রসঙ্গত গতবছর ছট পূজাকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রসরোবরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গেও সরব হন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, সরকার সফল নয় সব জায়গায়। সরকারের ধারণা থাকা উচিত কত মানুষ সেখানে আসেন। তাতে ধর্মীয় ভাবাবেগে যাতে আঘাত না আসে সেটা দেখা উচিত। এত বছর ধরে এই পরম্পরা আমরা করে আসছি। হঠাৎ করে বললে মানুষ এগুলো মেনে নেবে না বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। ছট পূজাতো হবেই। সেটা ভালো করে ব্যবস্থা করা করার দায়িত্ব সরকারের। অন্যান্য জলাশয়কে পরিস্কার করে সেখানে ব্যবস্থা করা উচিত। আমরা চাই যাঁরা এই পুজো করেন তাঁরা যেন নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করতে পারেন।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

 আমি 'নমিনেটেড' নই , ইলেকটেডঃ শুভেন্দু

কেন্দ্রের কাছে পৃথক সমবায় দফতরের দাবি জানালেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন , আমি নমিনেটেড নই! সমবায় জীবনের শুরু থেকেই আমি ইলেকটেড। কালীপুজো ও ভাইফোঁটার কারণে ১৪ নভেম্বরের থেকে উদযাপনের দিন পিছিয়েছে। সমবায় আন্দোলনের ইতিহাস থেকে আজকের সমবায় ব্যবস্থার পোক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে থাকা প্রসঙ্গ টেনে জওহরলাল নেহেরু , সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেন শুভেন্দু । আরও পড়ুন ঃ বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদক খুন , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি আরও বলেন , সমবায় বিকল্প অর্থনীতি। সেই প্রসঙ্গে তিনি অবিভক্ত মেদিনীপুরের কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি , সমবায় স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর রেজিস্ট্রি এক জায়গায় হলেও মা - বোনেরা সমান গুরুত্ব পান না। তিনি মা - বোনেদের আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা তুলে ধরেন ওই মঞ্চ থেকে। এদিন শুভেন্দুর পরণে ছিল নীল-সাদা উত্তরীয়। দলীয় সাংসদের সঙ্গে গোপন বৈঠকের পর তাঁর সঙ্গে দলের দূরত্ব কি মিটে যেতে চলেছে , এমনই জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে আমাদের কোনও কথাবার্তা হয়নিঃ দিলীপ

ওদের পার্টির মধ্যে ভাঙা-গড়া চলছে। পরস্পরের মান ভঞ্জন চলছে। এটা ওদের সমস্যা। শুক্রবার মানিকতলায় শিবাজি সিংহ রায়ের উদ্যোগে হওয়া কালীপুজোর উদ্বোধন করে একথা বলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন , তবে এতে ওদের দলের কর্মীরা হতাশ। যে পার্টি ক্ষমতায় আছে তা আজ ভেঙে যাচ্ছে। শুভেন্দু বড় নেতা,মন্ত্রী তিনি কী করবেন সেটা ওনার ব্যাপার। সবাই বলছে, উনি বিজেপিতে আসছেন। কিন্তু আমার জানা নেই। পিকে এখন ড্যামেজ কন্ট্রোলার হয়েছে। পার্টি এখন আড়াআড়ি ভাবে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে , সিদ্ধান্ত রেল-রাজ্য বৈঠকে এরপর শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগের জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিজেপি সাংসদ বলেন, আমাদের সঙ্গে কোনও কথাবার্তা হয়নি। সেটা নিয়ে আপনারা চিন্তা করবেন না। অনেক মানুষ আসছেন, আসবেন। কেউ এলে আমরা নেব, আমাদের পার্টির যে কার্য পদ্ধতি আছে, আদর্শ আছে তা নিয়েই বাংলা পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। কেউ যদি এই লড়াইয়ে শামিল হতে চায়। আমরা স্বাগত জানাব। বৃহস্পতিবার হামলা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন , পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। গতকাল আমার উপর আক্রমন করে ওরা বুঝিয়ে দিল প্রধানমন্ত্রী যা বলছেন তা ঠিক।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছেঃ ফিরহাদ

আমরা কেউই হেলিকপ্টারে নামিনি। সিঁড়ি দিয়ে উঠেছি। আর সেই সিঁড়িটা তৈ্রি করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে ছিল শুভেন্দু অধিকারীর সভা। তাঁর সভার পর পালটা সভা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি কারও নাম না করে বলেন, থাকে , মীরজাফররাও থাকে। ফিরহাদ বলেন , সকালে ডাকেননি কেন ? ডাকলে আসতাম। মালা দিতাম শহিদ তর্পণে। ডাকা হবে না , আসতে দেওয়া হবে না। আবার আমি আমি করে আমিত্ব দেখিয়ে কথা বলা হবে। এ কেমন কথা । আমি না বলতে হবে আমরা। তিনি আরও বলেন , মমতাদি কাজের সুযোগ না দিলে আমরা কেউ কিছু নই। আরও পড়ুন ঃ নন্দীগ্রামের আন্দোলনকে স্মরণ করে টুইট মমতা , অভিষেকের তিনি বলেন, যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছে। সিপিএম খুব খারাপ ছিল। বিজেপি আরও খারাপ পার্টি। এমন কিছু করবেন না যাতে তাদের সুবিধা হয়। বাংলায় বিজেপির জায়গা নেই। ওরা মমতাকে সরাতে চায় ভাঙন ধরিয়ে। জন নেত্রী বাংলাকে ঠিক পথে রেখেছেন। বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরোধিতা করেন। বিজেপি এলে ধর্মের নামে সন্ত্রাস ফিরবে। এসব হতে দেবেন না।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুর সঙ্গে তৃণমূলের বিভাজন? সভা-পাল্টা সভায় সরগরম নন্দীগ্রাম

রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে প্রতি বছর ১০ নভেম্বর শহিদদের স্মরণ করে থাকে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। এবারও শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বেই সেই কর্মসূচি, তবে সমাবেশের ব্যাপ্তি বাড়ায় বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই কর্মসূচির দিকে সকলের নজর। এর মধ্যেই শুভেন্দুর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর ইঙ্গিত দিল তৃণমূল কংগ্রেস। গোকুলনগরের পাল্টা সভা করবে তৃণমূল, নন্দীগ্রামের হাজরাকাটায়। সেখানে সভার দায়িত্বে অধিকারী পরিবারের বিরোধী গোষ্ঠী বলে পরিচিত অখিল গিরি, সুপ্রকাশ গিরি এবং শেখ সুফিয়ান। প্রধান বক্তা ফিরহাদ হাকিম। আরও কয়েকজন সাংসদ, মন্ত্রী থাকতে পারেন। ফিরহাদ বলেন, শুভেন্দুর ব্যাপার জানি না। দল নজর রাখছে। নন্দীগ্রাম আমাদের আন্দোলন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলন। তাই তৃণমূল সভা করবে। ওই সভাস্থলের দেড়-দু কিলোমিটার দূরে চৌরঙ্গী বাজারে পাল্টা সভা করবে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি, একই সময়ে। কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের বলেন, ফিরহাদ হাকিম আমার নেতৃত্ব, সে ব্যাপারে কিছু বলছি না। তবে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জানতে হবে। ১০ নভেম্বর, জানুয়ারির ৩ ও ৭ তারিখ এবং ১৪ মার্চ এই চারটি দিন আমরা কালো পতাকা নিয়ে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সভা করি, ১২ বছর ধরে। সারা বছর দলীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচি হলেও এই চারটি দিন হয় না। কারণ, ওই আন্দোলনে কংগ্রেস, এসইউসিআই, জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দ ছিল। ফলে আমরা কীভাবে দলীয় পতাকা নিয়ে সভা করব? প্রতি বছর করপল্লীতে শহিদদের উদ্দেশ্যে মাল্যদানের পর আমরা যেখানে সভা করি সেখানে বাড়ি-ঘর হয়েছে। তাই তেখালিতে গোকুলনগর স্কুল মাঠে সমাবেশ হচ্ছে। বিকেলে হাজরাকাটাতেও সভা হয়। এবার ওই ১০ নভেম্বর গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ রেজাউল করিমের স্মৃতির উদ্দেশ্যে চৌরঙ্গী বাজারে বিকেল ৪টেয় সমাবেশ হবে। সেখানে থাকবেন ভূমি উচ্ছেদ কমিটির নেতৃত্ব ও শহিদ পরিবারের সদস্যরা।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

জেলায় জেলায় দাদার অনুগামীদের হোর্ডিং-ব্যানার, শুভেন্দুর মুর্শিদাবাদে সভা কি অন্য জায়গায়?

মোস্ট আনপ্রেডিক্টেবল। শুভেন্দু অধিকারীর জনসংযোগের ধরন দেখে এ কথা মানছেন তৃণমূলের একাংশ নেতৃত্ব ও প্রশাসনের কর্তারা। এর মধ্যেই জেলায় জেলায় বাড়ছে আমরা দাদার অনুগামীদের ব্যানার-হোর্ডিংয়ের সংখ্যা। সেখানে যেমন দাদার পথেই চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে, তেমনই রয়েছে নন্দীগ্রাম চলোর ডাক‌। খড়দহ-সহ উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গা এবং নদিয়ার চাকদহ, কৃষ্ণনগরে জাতীয় সড়কের ধারে লাগানো হয়েছে এমন হোর্ডিং, ব্যানার, পোস্টার। ১০ নভেম্বর বাংলার সব পথ মিশবে শহিদ তীর্থ নন্দীগ্রামে। রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে ওইদিন সভার আয়োজক ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটিই, যার প্রধান বক্তা 'নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক' শুভেন্দুবাবু। লাখো অনুগামী সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় জননেতার বার্তা যাতে সভাস্থলে পৌঁছাতে না পেরেও সকলে শুনতে পান তার জন্য অনেক জায়ান্ট স্ক্রিন লাগানো হয়েছে। এর মধ্যে ৬ নভেম্বর দলের কাউকে না জানিয়ে শুভেন্দুবাবু বেলডাঙা গিয়ে বিসর্জন দিতে গিয়ে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারানো পাঁচজনের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ শুধু গোটা বিষয়টি জানত। রাজনৈতিক কাউকে জানাতে বারণ করেছিলেন খোদ মন্ত্রী। ফের ৮ নভেম্বর তাঁর মুর্শিদাবাদ যাওয়ার কথা। প্রয়াত বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ মফিজউদ্দিন মণ্ডলের স্মরণসভা নিয়ে জেলা তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল সামনে এসেছে। দলের জেলা কমিটি শুভেন্দুবাবুকে কার্যত উপেক্ষা করে ওই অনুষ্ঠান হাইজ্যাকে মরিয়া হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, জেলা সভাধিপতি মোশারফ হোসেন মধু শুভেন্দুবাবুর সভার স্থান বদলে ফেলছেন এ কারণেই‌। তৃণমূলের ব্যানারে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন হবে বলে যেখানে দলের জেলা সভাপতি আবু তাহের খান বার্তা দিয়েছেন সেখানে শনিবার ৭ নভেম্বর সাংবাদিক বৈঠকে মোশারফ ঘোষণা করেন, খড়গ্রামের বদলে সভা হবে মাড়গ্রাম হাই মাদ্রাসাতে। রবিবার সেখানে থাকবেন মাড়গ্রাম গ্রামের বাসিন্দারা এবং প্রয়াত মফিজউদ্দিন মণ্ডলের পরিবারের সদস্যরা এবং থাকবেন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে দলের ব্যানারে ওই সভা হবে না বলেও জানান জেলা সভাধিপতি, যিনি শুভেন্দুবাবুর অনুগামী।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

আচমকাই এই জেলা সফরে শুভেন্দু

শুভেন্দু অধিকারী ৮ তারিখ মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে যাবেন জেলা পরিষদের এক কর্মাধ্যক্ষর স্মরণসভায়, এটা আগে জানা ছিল। তেমন প্রচার করেছিলেন তৃণমূলের একাংশ। ৭ তারিখ শুভেন্দুবাবুর পুরুলিয়া জেলায় যাওয়ার বিষয়টিও পূর্ব নির্ধারিত ছিল বলে জানা যায়। কিন্তু আচমকাই আজ, শুক্রবার ৬ নভেম্বর মুর্শিদাবাদ জেলায় হাজির মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বেলডাঙা ভারত সেবাশ্রম সংঘে যান তিনি। মন্দিরে পুজো দেন। এরপর শুভেন্দু পাশে দাঁড়ালেন পাঁচ পরিবারের। গত ২৬ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিন ঠাকুর বিসর্জন দিতে গিয়ে বেলডাঙাতে ডুমনিতলা ঘাটে পাঁচ জন যুবক নৌকাডুবিতে মারা যান। আজ শুভেন্দুবাবু তাঁর প্রাক্তন সাংসদ সদস্য তহবিল থেকে পাঁচজন মৃত যুবকের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করলেন এবং সবরকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন। জানা গিয়েছে, শুভেন্দুবাবুর এই সফরের কথা তৃণমূলের অনেক নেতাই আগে জানতে পারেননি।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে কয়েক হাজার বাস-গাড়িতে লাখো অনুগামী-সমাগম

জননেতা শুভেন্দু অধিকারী মানেই এক অন্য আবেগ। রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে নন্দীগ্রামে প্রতি বছর কর্মসূচি থাকে শুভেন্দুবাবুর। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এবার রাজনৈতিক মহলের নজরে থাকছে ১০ নভেম্বরের নন্দীগ্রাম। জননেতার ডাকে এবার সেখানে গোকুলনগর হাই স্কুল মাঠে সমাবেশ। শুভেন্দুবাবু বলেও দিয়েছেন নন্দীগ্রামের কারা কোথায় কীভাবে সেদিন কর্মসূচি পালন করবেন। কিন্তু সে তো গেল নন্দীগ্রাম বা জেলার কথা। জানা গিয়েছে, সেদিন বাংলার সব পথ মিশবে নন্দীগ্রামেই। যেমনটা হয় ধর্মতলা বা ব্রিগেডে। করোনাকে জয় করে শুভেন্দুবাবু নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। সক্রিয় তাঁর অনুগামীরাও। কটাক্ষ উপেক্ষা করে বাংলার নানা জায়গায় রোজ বাড়ছে আমরা দাদার অনুগামীদের পোস্টার, হোর্ডিং। জননেতার ছবি, সঙ্গে আকর্ষণীয় ক্যাপশন। অনুগামীদের কথায়, সেগুলি কোথাও ঈর্ষায় ছিঁড়ে দেওয়া হলেও জননেতা তো হৃদয়ে, বুকের মাঝে। তাঁর পথই পথ। শুভেন্দুবাবু আজ যাবেন খড়গপুরে। এরপর ৭ তারিখ পুরুলিয়া ও ৮ তারিখ বাঁকুড়া যাওয়ার কথা। তারপরেই নন্দীগ্রাম, ১৩ তারিখ বাঁকুড়া। শুভেন্দুবাবুর দলত্যাগ বা মন্ত্রিত্ব ছাড়া নিয়ে নানা কথা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খাওয়ানো হলেও ১০ তারিখ সে সংক্রান্ত কোনও ঘোষণার অপেক্ষায় যাঁরা, তাঁদের হতাশ হতে হবে। তবে দলের কাজকর্ম, বিশেষ করে পিকে ও তাঁর টিমের উপর ক্ষুব্ধ কিছু মন্ত্রী, বিধায়ক ভেবেই রেখেছেন শুভেন্দুবাবু যা বলবেন তাই করবেন তাঁরা। এটা ঠিক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যারিশমা অগ্রাহ্য করা না গেলেও আসন্ন ভোটের ফলাফলের ক্ষেত্রে বড় ফ্যাক্টর শুভেন্দু অধিকারীই, কলকাতার কোনও নেতা নন। এটা দলের অনেকেই বিশ্বাস করেন। দলে যাঁরা অন্যায়ভাবে কোণঠাসা হয়েছেন বা কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না, প্রতি জেলা থেকে এমন হাজার হাজার কর্মী নন্দীগ্রাম যেতে প্রস্তুত। উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ, জঙ্গলমহল থেকে কয়েক হাজার বাস, গাড়িতে করে তাঁরা যাবেন। হুগলি জেলা থেকে সবচেয়ে বেশি নেতা-কর্মী যাবেন আরামবাগ মহকুমা থেকে। বলাগড়, ডানকুনি, শ্রীরামপুর, চণ্ডীতলা-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে ইতিমধ্যেই শতাধিক বাস, গাড়ি বুক করা হয়েছে। বারাসত, বসিরহাট, দমদম, ব্যারাকপুর-সহ উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গা থেকেও অনুগামীরা যাবেন। শুভেন্দুবাবু যে জেলাগুলির পর্যবেক্ষক ছিলেন এবং বিপদে আপদে রং না দেখে যাঁদের পাশে থেকেছেন সব জেলা থেকে তাঁর অনুগামী, ভক্তদের ঢল নামবে। লাখো জনসমাগম নিশ্চিত। হয়তো সিংহভাগ অনুগামী সভাস্থলে ঢুকতেই পারবেন না। তবু জননেতার ডাকে সকলেই যাবেন। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একুশের আগে এক নয়া ইতিহাস রচিত হবে ১০-এর নন্দীগ্রামে, এগারোয় বাংলার পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা ছিল ভূমিপুত্রের নেতৃত্বে যেখানকার আন্দোলনের।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে 'অসম্মান' করে কেন নানা বিবৃতি? অসন্তোষ বাড়ছে তৃণমূলের অন্দরেই

দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ শীর্ষ নেতৃত্ব যখন কিছু বলছেন না, তখন ফিরহাদ হাকিম, মানস ভুঁইয়া, অখিল গিরিদের মতো নেতারা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে যেসব মন্তব্য করছেন তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরেই দলের একমাত্র জননেতার প্রতি অসম্মান প্রদর্শন। তৃণমূলের অন্দরে এতে অনেকের ক্ষোভ বাড়ছে। শুভেন্দুবাবু নিজেও দলের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। তাঁর মতো দায়িত্বশীল নেতা, মন্ত্রী এটা করবেনও না। এখানেই তো বাকিদের চেয়ে তিনি আলাদা। তৃণমূল সূত্রে খবর, মিডিয়ায় গল্পে গরু গাছে ওঠার মতো জল্পনায় ইতি টানতে উদ্যোগী হয়েছেন খোদ তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছু পদক্ষেপ তিনি করেওছেন দলের স্বার্থে। আজ অবধি অভিষেক নিজে 'শুভেন্দুদা' সম্পর্কে খারাপ কিছু বলেননি। তৃণমূলের অনেকেই মনে করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শুভেন্দু-অভিষেক জুটি কাজ করলে ভোটে বড় জয় তো নিশ্চিত, দলের অনেক হেভিওয়েট আর কল্কে পাবেন না। তাই বিভিন্নভাবে তাঁরাই শুভেন্দু বনাম অভিষেক তত্ত্ব জিইয়ে রেখে নিজেদের জায়গা পাকা করতে চাইছেন। প্রশান্ত কিশোরের টিম 'পারচেজড' হয়ে দলকে ভুলভাল রিপোর্ট দিচ্ছে বলেও খবর। দুর্নীতিগ্রস্ত বলে পদাধিকারীদের সরিয়ে যাঁদের কমিটিতে আনা হচ্ছে তাঁদের ইমেজ জঘন্য। জেলা নেতারা শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টাও করছেন। আরামবাগ লোকসভা এলাকার এক বিধানসভায় একজনকে নতুন ব্লক সভাপতি করা হয়েছে, অথচ তাঁর নারদ কাণ্ডে যোগ আছে। তাঁর বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশিও চালিয়েছে সিবিআইয়ের দল। তৃণমূলের অনেকে মনে করছেন, পিকে আবার বিজেপির টাকা খেয়ে দলের সর্বনাশ করতে তো আসেননি! বাস্তবে পিকের টিমের উপর ক্ষোভে দলের জন্য নিবেদিত, লড়াকু অনেক কর্মীই নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূলের অনেকেই চান, শুভেন্দুবাবুকে দল যোগ্য সম্মান দিক। বিরোধীদের ফুলটস বল দেওয়ার কোনও মানে নেই। শুভেন্দুবাবুর ওই কথাটাও সকলের কানে বাজছে। অতীত ভোলা ছোটলোকদের দিয়ে অনেক কিছু বলানো হচ্ছে, তার জবাব দেওয়ার লেভেল নাকি আমার? শিশির অধিকারী বলেছেন, শুভেন্দুবাবু দলে নেই কেন মনে হচ্ছে? তিনি মন্ত্রী, প্রদেশ নেতা। রোজ সভা করছেন, কর্মসূচি রাখছেন। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের অনেকেই চাইছেন, শুভেন্দুবাবুকে নিয়ে কিছু বলার থাকলে শীর্ষ নেতৃত্ব বলুক, যে সে নয়। আর দলের আত্মসমালোচনামূলক কথাকে কেন দলবিরোধী বলে দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে? এই কাজটাই তো দলবিরোধী!

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

বিরাজমান শুভেন্দু, নেই অভিষেক! খোদ কলকাতায় ব্যানার ঘিরে চাঞ্চল্য

'যুবরাজ' নেই, আছেন 'দাদা'। খোদ কলকাতার বুকেই শারদ শুভেচ্ছার এমন ব্যানার দেখে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তবে বিভিন্ন জেলার মতো এগুলি 'দাদার অনুগামী'দের নামে লাগানো হয়নি। শুভেন্দু অধিকারীর অরাজনৈতিক জনসংযোগ নিয়ে নানারকম জল্পনা চলছে। শুভেন্দুবাবু নিজে বলেছেন, যতক্ষণ আমার মুখ থেকে কিছু না বেরোচ্ছে বাজারি সংবাদমাধ্যমকে উপেক্ষা করে নিজের কাজ চালিয়ে যান। যদিও তাতে জল্পনা থামছে না, বিশেষ করে রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে শুভেন্দুবাবু ১০ নভেম্বর বড় সমাবেশের ডাক দেওয়ায়। কলকাতায় যে পোস্টার, ব্যানার নিয়ে শোরগোল তা ২ নং ওয়ার্ডে। একটি দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতি সৃজন বোসের নামে, অপরটিতে বাপ্টু ঘোষ, লাবণী দত্ত, ইমন বোস, সুকল্যাণ ঘোষ, রাহুল ঘোষ, তপন দাশ, রাজু ঘোষ, রূপশ্রী বর্ধনদের মতো তৃণমূলের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-নেত্রীদের নাম রয়েছে প্রচারকদের তালিকায়। দুটিতেই দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির সঙ্গে রয়েছে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, সাধন পাণ্ডে, সুজিত বোস, শান্তনু সেন, মালা সাহা, জীবন সাহার ছবি। ওয়ার্ড সভাপতি সৃজন বোসের ছবি রয়েছে। নেই শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এটাই সকলকে অবাক করেছে। বিশেষ করে পূর্ব মেদিনীপুর-সহ যে সব জেলায় অভিষেক বন্দ‌্যোপাধ্যায়ের ছবি বিশেষ দেখা যেত না, সেখানেও এখন যুবরাজের ছবি দেওয়া ব্যানার, পোস্টার লাগানো হচ্ছে। ছেঁড়া হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি। তৃণমূল এ জন্য বিজেপিকে দায়ী করলেও বিরোধীরা বিষয়টিকে তৃণমূলের দ্বন্দ্বের ফল বলেই দাবি করছে। এর আগে তৃণমূলের তরফে বারবার বলা হয়েছে, পোস্টার, ব্যানারে দলনেত্রীর ছবি ছাড়া কারও ছবি থাকবে না। কিন্তু কে শোনে কার কথা? শুভেন্দুবাবু ইদানীং যে সব অনুষ্ঠান করছেন সেখানে দলীয় পতাকা নেই, নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। আবার শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধী শিবির তাঁর জেলাতেই দলনেত্রীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রেখে, শুভেন্দুকে বাদ দিয়ে পোস্টার, ব্যানার নিয়ে রাস্তায় নামছেন। এই অবস্থায় খোদ কলকাতাতেই শুভেচ্ছা-বার্তায় অভিষেক বাদ, আছেন শুভেন্দু! বিষয়টি ভাবাচ্ছে অনেককেই। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, কলকাতার অনেক তাবড় নেতা, কাউন্সিলর শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। কিন্তু তাঁর ছবি দিয়ে ব্যানার, পোস্টার, হোর্ডিং কেউ করেননি। এই অবস্থায় অভিষেককে বাদ দিয়ে শুভেন্দুবাবুর ছবি রেখে দুঃসাহসই দেখিয়েছেন ২ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতৃত্ব। অবশ্য এই ওয়ার্ডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কার্যকরী সভানেত্রী রূপশ্রী বর্ধন জানালেন, এতে বিতর্কের কিছু নেই। এখানকার নেতৃত্বর সঙ্গে শুভেন্দুবাবুর ছবি রাখা হয়েছে স্রেফ তাঁকে আমরা ভালোবাসি বলে। যদিও চর্চায় নয়া ইন্ধন দেওয়ার পরিস্থিতিতে এমন বিবৃতি কি সত্যিই যথেষ্ট, না অন্য কিছুর ইঙ্গিত? প্রশ্ন থাকছেই।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

ঝাড়গ্রামের রাজকিরণের কাছে ভগবান শুভেন্দু অধিকারী

রাজকিরণ পাত্র। সাকিন ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ১ নং ব্লকের আঠাঙ্গী গ্রাম। রাজকিরণের বাবা অপ্রকৃতিস্থ, মা নেই। অভাবের সংসারের ভার রাজকিরণেরই কাঁধে। সেই যুবকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে দিয়েছিল এক দুর্ঘটনা। যে অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে রাজকিরণের কাছে এখন ভগবান রাজ্যের মন্ত্রী তথা জঙ্গলমহলের কুটুম শুভেন্দু অধিকারী। গত ২৯ আগস্ট রাজকিরণের মোটরবাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। রাজকিরণের চোয়াল ভেঙে যায়। গোপীবল্লভপুর হাসপাতাল রেফার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু বড় সার্জারির প্রয়োজন থাকায় রাজকিরণকে কলকাতায় নিয়ে যেতে বলা হয়। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকায় রাজকিরণকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। বেশ কিছু দিন ওই অবস্থাতেই বাড়িতে পড়ে থাকেন রাজকিরণ, দিন দিন অবস্থার অবনতিও হচ্ছিল। ১৩ সেপ্টেম্বর অনুগামীদের কাছ থেকে সেই খবর জানতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। পরের দিনই রাজকিরণের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গোপীবল্লভপুর থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আর্থিক সাহায্য পাঠান তিনি। এমনকী ওইদিন থেকে কলকাতায় তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে এসএসকেএমে অপারেশন- সমস্ত ব্যবস্থা করেন শুভেন্দুবাবু। নিজে যখন কোভিড আক্রান্ত তখনও নিয়মিত রাজকিরণের চিকিৎসার যাবতীয় খবর নিয়েছেন মন্ত্রী। গত ৫ অক্টোবর সফল অপারেশন হয়েছে রাজকিরণের। ৭ অক্টোবর বাড়িও ফিরেছেন, এখন তিনি ভালোই আছেন। বিপদে এভাবে পাশে পেয়ে শুভেন্দুবাবুর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাজকিরণের বন্ধু ও প্রতিবেশীরা। খুশি আমরা দাদার অনুগামীর সদস্যরাও, যাঁরা জেলায় জেলায় এভাবেই শুভেন্দু অধিকারীকে আদর্শ মেনে সমাজসেবার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

অক্টোবর ১০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটে হারের পর ডিগবাজি? ভাইরাল অডিওতে ‘বিজেপি নেতা’ খোকন দাস, বর্ধমানে তোলপাড়

বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে। সেই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমিও এখন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধী বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।বিজেপির দাবি, কাঞ্চননগরের একটি দুর্গামন্দির নির্মাণের কাজ করেও এক রাজমিস্ত্রি প্রাপ্য টাকা পাননি। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই ফোনে তাঁকে ধমক দেন খোকন দাস। ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, মন্দিরের হিসেব, ট্রাস্টের টাকা এবং ভোটে হারের প্রসঙ্গ তুলে কথা বলছেন তিনি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, তুই এখন সুযোগ নিয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছিস। আমরাও এখানে আছি। আর শুনে রাখ, আমিও এখন বিজেপি নেতা।যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই কথোপকথনে স্পষ্টভাবে প্রাক্তন বিধায়কের হুমকির সুর ধরা পড়েছে। জেলা বিজেপির মুখপাত্র কল্যাণ মাজি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা হারিয়েও খোকন দাস এখনও প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তাই কখনও এফআইআরের ভয় দেখাচ্ছেন, আবার কখনও নিজেকে বিজেপি নেতা বলছেন।অন্যদিকে খোকন দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অডিও নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানো তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মন্দির ও ট্রাস্টের নামে অপপ্রচার রোখার জন্যই পুলিশে জানানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজমিস্ত্রি হিসেব না দেওয়ায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি অডিওর প্রথম অংশে নিজের কণ্ঠস্বর স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাহলে একই অডিওতে থাকা আমিও বিজেপি নেতা মন্তব্যকে অস্বীকার করা হচ্ছে কেন? এই নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তে কাঁটাতারের সিদ্ধান্তেই চাঞ্চল্য, হাই এলার্টে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাংলাদেশে। সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে হাই এলার্টে রাখা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকারের আশঙ্কা, সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ শেষ হলে অনুপ্রবেশ রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে ভারত। বিশেষ করে পুশব্যাক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও জোরদার হতে পারে বলেই মনে করছে ঢাকা। সেই কারণেই সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে।বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের পদক্ষেপের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী প্রচারে পুশব্যাক নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যে কড়া মন্তব্য করেছিলেন, সরকার পরিচালনায় সেই অবস্থান হয়তো এতটা কঠোর হবে না।অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি শুরু থেকেই সরব ছিল। বাংলায় অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা আগেই দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি নিয়ে আগের সরকারের আপত্তির কারণে বহু এলাকা দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় ছিল। নতুন সরকার জানিয়েছে, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার কিছু মন্তব্য নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করেছিল বাংলাদেশ সরকার। সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়, হঠাৎ সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা

আরজি কর কাণ্ড সংক্রান্ত মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার শুনানি চলাকালীন নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিচারপতি। এর ফলে মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন, এই মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে।শুনানির সময় বিচারপতি মান্থা জানান, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে আলাদা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠনের পথে এগোচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শোনার প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেই তিনি মনে করছেন।মামলার গুরুত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, এই মামলা শুধু আবেদনকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, গোটা রাজ্য এবং দেশের বহু মানুষের নজর রয়েছে এই মামলার দিকে।এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। রাজ্য সরকারের তরফে তদন্ত কমিশন গঠনের ইঙ্গিত মিলতেই মামলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নিজে থেকেই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান। মামলার সমস্ত নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন নজর রয়েছে, এই মামলার জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করা হবে নাকি আরও বড় কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মে ১২, ২০২৬
দেশ

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে বড় সিদ্ধান্ত, বাতিল নিট ইউজি পরীক্ষা

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠতেই বাতিল করে দেওয়া হল নিট ইউজি পরীক্ষা। গত ৩ মে দেশজুড়ে ডাক্তারি পড়ার এই প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়েছিল। প্রায় তেইশ লক্ষ পড়ুয়া পরীক্ষায় বসেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষার পর থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। সোমবার বিষয়টি আরও বড় আকার নেয়। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। এর পরেই নড়েচড়ে বসে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, নিট ইউজি পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই।তদন্তে উঠে এসেছে, রাজস্থানে পরীক্ষার অন্তত এক মাস আগে কিছু পড়ুয়ার হাতে একটি সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল। অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল বিশাল বনশন জানিয়েছেন, ওই সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রে মোট চারশো দশটি প্রশ্ন ছিল। পরীক্ষার পরে দেখা যায়, তার মধ্যে একশো কুড়িটি রসায়নের প্রশ্ন আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন নয়, উত্তরের বিকল্পও একই ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।অন্য একটি সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রের মোট দুশো একাশি প্রশ্নের মধ্যে একশো পঁয়ত্রিশটি প্রশ্ন আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গিয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন পরীক্ষার দিন কবে ঘোষণা করা হবে, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকেরা।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের হানা, ভিতরে যা মিলল তাতে হতবাক সবাই

শিবপুরে তৃণমূল নেতা মহম্মদ শামিম ওরফে বরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চমকে উঠল পুলিশ। বাইরে থেকে সাধারণ বাড়ি মনে হলেও ভিতরে ঢুকতেই সামনে আসে একের পর এক গোপন ব্যবস্থা। বাড়ির ভিতরে রয়েছে একাধিক সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় নীচের ফ্লোরে। সেখানে তৈরি করা হয়েছে বিলাসবহুল ঘর। দামী কাঠের আসবাব, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা, ফ্রিজ-সহ নানা আধুনিক সুবিধায় সাজানো এই বাড়ি দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এলাকায়।জানা গিয়েছে, হাওড়া পুরসভার ছত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সামিমা বানোর স্বামী মহম্মদ শামিম। তিনি তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর গত বৃহস্পতিবার শিবপুরে বিজেপির জেলা সংখ্যালঘু মোর্চার আহ্বায়কের বাড়িতে হামলা, গুলি ও বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্তে শামিমের নাম সামনে আসে।বোমাবাজির ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পলাতক ছিলেন শামিম। শুক্রবার তাঁর খোঁজে শিবপুরে বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানেই এই বিলাসবহুল বাড়ির ভিতরের ছবি সামনে আসে। স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার এমন জীবনযাপন দেখে বিস্মিত তদন্তকারীরাও।যদিও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও শামিমের খোঁজ মেলেনি। তিনি এখনও পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এর আগেও একাধিক অসামাজিক কাজের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছে। শিবপুরে রামনবমীর মিছিল ঘিরে অশান্তির ঘটনাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার মামলাতেও তাঁর নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। বিজেপির অভিযোগ, সমাজবিরোধীদের আশ্রয় দিচ্ছে শাসক দল। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথ হত্যা তদন্তে নতুন মোড়, রাজ্য পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার নিল সিবিআই

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় তদন্তে বড়সড় মোড় এল। বহু আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের হাতে তুলে নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সুপারিশের পর মঙ্গলবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থা এই মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হচ্ছে। কলকাতা অঞ্চলের যুগ্ম নির্দেশকের নেতৃত্বে এই সিট কাজ করবে। তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ আধিকারিকদের এই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই মামলার যাবতীয় নথিপত্র, প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট এবং গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের সংক্রান্ত তথ্য সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তঃরাজ্য চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তে নেমে রাজ্য পুলিশ উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন জন সন্দেহভাজন শার্পশুটারকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি। তাঁদের সঙ্গে এই হত্যার মূলচক্রীদের যোগাযোগ ছিল কি না, কার নির্দেশে তারা কলকাতায় এসেছিল এবং খুনের পেছনে রাজনৈতিক না কি অন্য কোনও ব্যক্তিগত বা আর্থিক কারণ রয়েছে সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার সরাসরি মাঠে নামছে সিবিআই।সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালানো হতে পারে। ধৃতদের কল রেকর্ড, আর্থিক লেনদেন, যাতায়াতের রুট এবং স্থানীয় যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের সাহায্যও নেওয়া হবে।চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। বিরোধী শিবির থেকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছিল। সেই আবহেই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ায় মামলার রহস্যভেদে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর সিবিআইয়ের তদন্তে এই খুনের নেপথ্যে থাকা আসল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ কবে খুলে যায়, সেটাই দেখার।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

রেস্তোরাঁ না কালো টাকা সাদা করার আড্ডা? সুজিতকে ঘিরে ইডির বিস্ফোরক দাবি

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সোমবার দীর্ঘ সাড়ে দশ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেফতার করে ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, পুরসভায় নিয়োগে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বিশেষ করে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তদন্ত আরও গভীরে গিয়েছে।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন অয়ন শীল। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েই পুর নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক তথ্য হাতে আসে ইডির। সেই সময় তদন্তকারীরা বলেছিলেন, তাঁরা যেন সোনার খনির সন্ধান পেয়েছেন। এরপর থেকেই তদন্তের নজরে আসেন সুজিত বসু।পরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোরাঁয় তল্লাশি চালায় ইডি। তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, কোনও খাবার টেবিল বা রান্নাঘরের স্পষ্ট ব্যবস্থা ছাড়াই কীভাবে রেস্তোরাঁ চলছিল। ইডির অভিযোগ, ওই রেস্তোরাঁর আড়ালেই কালো টাকা সাদা করার কাজ চলত।শুধু তাই নয়, তারাতলায় সুজিত ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় তিন কোটি টাকা উদ্ধার হয় বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেই ঘটনার পর থেকেই তদন্ত আরও জোরদার হয়।সিবিআইয়ের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে পুর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে মামলা শুরু করে ইডি। তদন্তে উঠে এসেছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় প্রায় তিনশো ঊনত্রিশ জন অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি চালক, ঝাড়ুদার ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।তদন্তকারীদের দাবি, অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে কারচুপি করা হয়েছিল। নম্বর বদলে দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই মামলায় দক্ষিণ দমদম পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়কে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধেও চার্জশিট জমা পড়েছে।অভিযোগ, পাঁচু রায় ও সুজিত বসুর প্রভাবেই অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে নম্বর বদল করা হয়েছিল। এমনকি মৌখিক পরীক্ষায় শূন্য নম্বর পাওয়া প্রার্থীদেরও চাকরি নিশ্চিত করা হয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাথরুমে পড়ে গুরুতর অসুস্থ সুব্রত বক্সী, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ! কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার আচমকাই বাড়ির বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একাধিক শারীরিক পরীক্ষা ও স্ক্যানের পর চিকিৎসকেরা জানতে পারেন, মাথায় আঘাতের জেরে তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং সেখানে রক্ত জমাট বেঁধেছে।হাসপাতাল সূত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ না হলেও ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, চিকিৎসকদের একটি অংশ মনে করছেন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। আপাতত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বর্ষীয়ান এই নেতাকে।এই খবরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অন্যতম সংগঠক মুখ হিসেবে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন সুব্রত বক্সী। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং প্রার্থী তালিকা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে তাঁর প্রভাব আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, দলীয় অন্দরের এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি তাঁকে মানসিকভাবে কিছুটা হতাশ করেছিল। যদিও রাজনৈতিক সমীকরণ যাই থাকুক না কেন, তাঁর অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা ইতিমধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।এখন চিকিৎসকদের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। সুব্রত বক্সীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি কামনায় প্রার্থনা করছেন তাঁর অনুগামী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

মে ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal