• ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ১২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu ADhikari

রাজনীতি

Assembly: বিধানসভার স্পিকারকে বেনজির আক্রমণ শুভেন্দুর

বিজেপির আনা মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ করায় তুমুল হট্টগোল বিধানসভায়। রাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে বলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করলেন বিজেপি বিধায়করা। মঙ্গলবার বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের উপর জবাবি ভাষণ দেন বিধায়করা। বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় অধিবেশন শুরু করতেই বিরোধী দলের তরফে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব আনার কথা বলা হয়। যদিও অধ্যক্ষ সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন। রাজ্যপালের ভাষণের পর এই প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়ে দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরই বিধানসভার ভিতরে বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভ শুরু হয়। সাংবাদিক সম্মেলন করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন দলদাস স্পিকার আগে দেখিনি। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে চাইছেন। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।আরও পড়ুনঃ ফের শহরে গ্রেপ্তার ভুয়ো অফিসারবিধানসভার অধিবেশনের বয়কট করার পর স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিক সম্মেলন তিনি বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছেন। তাঁর দল জিতেছে। যিনি তাঁকে হারিয়েছেন, তিনি বিরোধী দলনেতা হয়েছে। একথা বিধানসভায় বলা যাবে না! মমতার চোখে ইশারায় রে রে করে উঠলেন তৃণমূল বিধায়করা। শুভেন্দুর কথায়, আইনমন্ত্রী কানে কানে গিয়ে বলল। তারপর স্পিকার বলছে, বিষয়টি সাব জুডিস। কিন্তু কোনও অন্তর্বর্তীকালীন রায় নেই। প্রশ্ন তুললেন, তাহলে আমি এখানে থাকব কেন? আমাকে বের করে দিন।বিরোধী দলনেতার আরও বক্তব্য, বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের হইচই, আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতা বিজেপি বিধায়কের আছে। তাহলে ওয়াকআউট কেন? শুভেন্দুর সাফ কথা, স্পিকার বিরোধীদের সংরক্ষণ দেবেন, আইন মেনে চলবেন। তাঁর শাসকদলের প্রতি, যে দলের প্রতীকে জিতেছেন, সেই দলের প্রতি দূর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। সেকারণেই আমরা বিধানসভা বয়কট করলাম। আমরা সাধারণ মানুষকে জানাতে চাই, বিধানসভায়ও বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা হচ্ছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রধান হাতিয়ার ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ড

ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে যখন সরব রাজ্য রাজনীতি। ঠিক তখনই এই ভ্যাকসিন-কাণ্ডকেই শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে প্রধান হাতিয়ার করে তুলতে তৎপর বিজেপি শিবির। ভোট পরবর্তী হিংসার ইস্যু আগে থেকেই ছিল। বাড়তি হাতিয়ার হিসেবে এ বার ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড হাতে পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। তার মধ্যে আবার বেনজির সংঘাতের আবহে শুরু হয়েছে রাজ্যের বিধানসভা অধিবেশন। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও মোটামুটি পরিষ্কার করে দিয়েছেন, আসন্ন সময় এই ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডই প্রধান অস্ত্র হতে চলেছে গেরুয়া শিবিরের। ধৃত দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে রাজ্যের শাসকদলের ঘনিষ্ঠতা অভিযোগ তুলে বিধান ভবনের ভিতরে এবং বাইরে, তৃণমূলের যাত্রাপথ যতটা সম্ভব দুর্বিসহ করা বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি।আরও পড়ুনঃ প্রেম-বিরহ-সম্পর্কের জটিল বীজগণিত X=প্রেমশনিবার সকাল থেকে হেস্টিংসে বিজেপির কার্যালয়ে শুরু হয়েছে বিধায়কদের কর্মশালা। প্রথমবার নির্বাচিত একাধিক বিধায়কদের আচরণ বিধানসভার অন্দরে ও বাইরে কেমন হওয়া প্রয়োজন, সেই বিষয় নিয়েই চলছে এই কর্মশালা। স্যারের ভূমিকায় রয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের দুজনেরই একটা দীর্ঘ সময় কাটানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে বিধানসভায়। এ দিনের বৈঠকে প্রথমে বিধায়কদের ক্লাস নেন দিলীপবাবু। এরপর ওঠেন শুভেন্দু। আগামী সময় রাজনৈতিকভাবে ঠিক কোন ইস্যুতে শাসকদের নিশানায় নিতে হবে, সেটা স্পষ্ট করে দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।শুভেন্দুর সাফ করে দেন, ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডই আগামী সময় মূল আক্রমণের হাতিয়ার হতে চলেছে বিজেপির। তিনি বিধায়কদের জানান, ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে সুর সপ্তমে তুলতে হবে বিধায়কদের। তাঁর কথায়, ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে এমন তীব্র আন্দোলন করতে হবে, যাতে শাসকদের কান ঝালাপালা হয়ে যায়।

জুলাই ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek-Tweet: তুষার মেহতার অপসারণ চেয়ে মোদিকে চিঠি তৃণমূলের

দিল্লি সফরে গিয়ে নারদকাণ্ডে সিবিআইয়ের আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু! আর এখান থেকেই শুরু বিতর্ক। অবিলম্বে সলিসিটর জেনারেলকে অপসারণের দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে তৃণমূল। যদিও তৃণমূলের এমন দাবিকে অস্বীকার করেছেন মেহতা। তাঁর দাবি, শুভেন্দু এসেছিলেন, কিন্তু তাঁর সঙ্গে দেখা করেননি।মেহতার এই সাফাই মানতে নারাজ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁর দাবি, তুষার মেহতার বাসভবনে শুভেন্দু অধিকারী থাকাকালীন সিসিটিভি প্রকাশ্যে আনা হোক। আগাম না জানিয়ে কি শুভেন্দু তাঁর বাসভবনে গিয়েছিলেন? Reports state that Mr Adhikari entered Honble SGs residence in the presence of a cavalcade of officers and stayed there for nearly 30 minutes. Does that imply that a meeting was indeed due?As the episode gets murkier, one can only hope that the truth shall surface. (2/2) pic.twitter.com/MiVeCz5CB1 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) July 2, 2021টুইটারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) লেখেস, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে গোপন বৈঠকের জল্পনা খারিজ করেছেন মেহতা। অধিকারী মহাশয় থাকাকালীন তাঁর বাড়ির নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ করলেই তা বিশ্বাসযোগ্য হবে। সর্বোপরি সলিসিটর জেনারেলকে আগাম না জানিয়ে কি তাঁর বাড়িতে চলে গেলেন শ্রীযুক্ত অধিকারী? অভিষেক (Abhishek Banerjee) আরও লেখেন, জানতে পেরেছি আধিকারিকদের সঙ্গে সলিসিটর জেনারেলের অফিসে প্রায় ৩০ মিনিট কাটিয়েছেন শ্রীযুক্ত অধিকারী। বৈঠক কি আগে থেকে ঠিক করা ছিল? পুরো ঘটনাই অস্পষ্ট। আশা করি সত্য প্রকাশ্যে আসবে। আরও পড়ুনঃ ফের জম্মুর আকাশে পাক ড্রোনসলিসিটর জেনারেল পদ থেকে তুষার মেহতার অপসারণ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে,সারদা ও নারদ মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। ওই মামলায় সিবিআইয়ের আইনজীবী তুষার। দুই মামলায় অভিযুক্তের সঙ্গে কেন সাক্ষাৎ করেছেন তিনি? গোটা ঘটনায় শুক্রবার সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta) বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন,আগে থেকে না জানিয়ে গতকাল দুপুর ৩টে নাগাদ আমার বাসভবনে উপস্থিত হন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকে ব্যস্ত থাকায় আমার কর্মীরা তাঁকে অপেক্ষা করতে বলেন। তাঁকে চা পানের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বৈঠক শেষের পর আমার ব্যক্তিগত সচিব তাঁর আসার খবর দেন। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারব না বলে শুভেন্দু অধিকারীকে অনুরোধ করার কথা জানিয়ে দিই ব্যক্তিগত সচিবকে। সে কারণে ক্ষমাও চাই। আমার ব্যক্তিগত সচিবকে ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু। জোরাজুরি না করে রওনা দেন। ফলে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

জুলাই ০২, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণে সত্যি উল্লেখ ছিল না, তাই বাধা

বিধানসভার অধিবেশনের শুরুতে রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসার বিষয়টি উল্লেখ করেনি শাসকদল। বরং সরকারের লেখা ওই ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগগুলোকে মিথ্যে বলে দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার এমনই অভিযোগ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আরও অভিযোগ, রাজ্যে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল সরকার।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপালবিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যপালের ভাষণে দাবি করা হয়েছে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজ্যে কোনও ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থাকাকালীন হিংসার ঘটনা ঘটেছে। ফলে তার দায় নির্বাচন কমিশনের। এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দু অধিকারীর আরও দাবি, রাজ্যের অবস্থা উদ্বেগজনক। বিরোধীদের রাজ্য থেকে সমূলে উৎপাটন করার চেষ্টা করছে সরকার। স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েমের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, ভোট পরবর্তী হিংসার উল্লেখই ছিল না রাজ্যপালের ভাষণে। তৃণমূলের গুন্ডা ও নিষ্ক্রিয় পুলিশের ভূমিকার উল্লেখ নেই। সেই কারণেই আমরা বাধা দিয়েছি।ভাষণের কোথাও হিংসার উল্লেখ নেই। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এসেছে। হাইকোর্টের টিপ্পনি রয়েছে। ৯০০০ এফ আই আর হয়েছে। সাড়ে ৭ হাজার বাড়ি পুড়িয়েছে। লাখ লাখ মানুষ ও ভোটার ঘরছাড়া। তবে রাজ্যপাল কেন ভাষণ সম্পূর্ণ করেননি, সে ব্যাপারে তাঁর জবাব, এর উত্তর মহামহিম রাজ্যপালই দিতে পারবেন।ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যপাল যেভাবে সরব হয়েছেন, এদিন সেজন্য জগদীপ ধনখড়কে কৃতজ্ঞতা জানান শুভেন্দু অধিকারী। তবে সংসদীয় গণতন্ত্রে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। হুঁশিয়ারির সুরে তিনি জানান, বিধানসভায় আগামিদিনেও ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সারা দিনের আলোচনা চাইবে বিজেপি। ভ্যাকসিন দুর্নীতি নিয়েও সরকারকে আলোচনা করতে হবে।

জুলাই ০২, ২০২১
কলকাতা

Assembly: বড় খবর: বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল

বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজই। তার আগে এমন যে কিছু একটা ঘটবে তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল আগে থেকেই। ঘটলও ঠিক তাই। মাত্র সাত মিনিটে ভাষণ শেষ করে বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল। আর এমন নজিরবিহীন ঘটনার পিছনে রয়েছে বিরোধীদের তুমুল হইহট্টগোল। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রাজ্যপাল বললে বিজেপি বিধায়করা হইচই করতে পারেন। দলের পরিষদীয় বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর ছিল। কিন্তু, রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত কোনও কিছু না থাকার কারণেই বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলে থমকে যায় রাজ্যপালের ভাষণ। প্রথমে স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ফের শুরু হয় ভাষণ। কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চলেনি। সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েই বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। রাজ্যপাল ভাষণ শুরু করতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের পোস্টার নিয়ে আসন ছেড়ে ওয়েলে নেমে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য বিধায়করা। উল্লেখ্য, এর আগে বিধানসভা অধিবেশনে এরকম বিরোধী হট্টগোলের অনেক নজির রয়েছে। কিন্তু রাজ্যপালের এরকম ভাষণ না দিয়ে বেরিয়ে আসার ঘটনা পরিষদীয় ইতিহাসে প্রথম। আশ্চর্যজনকভাবে এদিন বিরোধীদের হট্টগোলের পালটা কোনও ঝামেলা করতে দেখা যায়নি সরকারপক্ষের কাউকেই।

জুলাই ০২, ২০২১
কলকাতা

BJP Meeting: বিধানসভা ভোটের হারের কারণ খু্ঁজতেই মরিয়া শুভেন্দু

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-র বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে বার করতে বিধানসভা ধরে-ধরে ফলাফলের কারণ জানতে চাইলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপি-র কার্যকারিণী বৈঠকে এই কথাই বলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তবে দাবি আকারে নয়, পরামর্শ দেওয়ার সুরেই হারের কারণ খোঁজা উচিত বলে নিজের বক্তব্যে জানিয়েছেন তিনি। এ নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করতে চান বলেও বৈঠকে জানান শুভেন্দু। বিজেপি সূত্রের খবর, শুভেন্দু জানিয়েছেন, যিনি যত বড় নেতাই হোন না কেন, তাঁকে নিজের এলাকায় সময় দিতে হবে। নিজের বুথে যেন দল জয় পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।আরও পড়ুনঃ এক দেশ এক রেশন কার্ড নিয়ে রাজ্যগুলোকে কী নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট, জেনে নিনএদিনের বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করা। সেই বিষয়টিও জায়গা পায় শুভেন্দুর বক্তব্যে। বিজেপি সূত্রের খবর, শুভেন্দু জানান, খুব তাড়াতাড়ি বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে একটি একদিনের প্রশিক্ষণ শিবির করতে চান তিনি। নতুন বিধায়কদের বিধানসভার নিয়ম এবং কী ভাবে শাসকদলের মোকাবিলা করতে হবে, তা শেখানোর জন্য ওই প্রশিক্ষণ শিবির হবে হেস্টিংসে রাজ্য বিজেপি-র সদর দপ্তরে। সেই শিবিরের উদ্বোধনে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে উপস্থিত থাকার অনুরোধও করেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে বলেন, শিবিরে প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি ছাড়াও কয়েকজন প্রাক্তন বিধায়ক থাকবেন। তাঁদের মধ্যে ২০১৬ সালে বিজেপি-র টিকিটে জয়ী বিধায়ক মনোজ টিগ্গা যেমন থাকবেন, তেমনই থাকবেন তৃণমূল থেকে আসা সব্যসাচী দত্ত, জটু লাহিড়িরা। ঘটনাচক্রে, যাঁরা দুজনেই বিধানসভা ভোটে হেরে গিয়েছেন।বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পর দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে হাজির থাকলেও এই প্রথম বিজেপি-র সংবিধান অনুসারে কোনও সাংগঠনিক বৈঠকে হাজির থাকলেন শুভেন্দু। এই ধরনের বৈঠক সাধারণত নিয়মমাফিক হয়ে থাকে। বড় কিছুর আকর্ষণ ছিলও না। তবে আকর্ষণ ছিল শুভেন্দুর উপস্থিতি নিয়ে। প্রথমবারের সাংগঠনিক বৈঠকে তিনি কী বলেন, তার দিকে নজর ছিল রাজ্য থেকে জেলা নেতৃত্বের।যদিও বৈঠকে দেখা মেলেনি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও কৈলাস বিজয়বর্গীয়র।

জুন ২৯, ২০২১
কলকাতা

BJP all party meeting: বিধানসভায় সর্বদলে বৈঠকে বিজেপি বিধায়করা, গরহাজির শুভেন্দু

জল্পনা উড়িয়ে সোমবার বিধানসভায় সর্বদল বৈঠকে উপস্থিত হলেন একঝাঁক বিজেপি বিধায়ক। সম্প্রতি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-র চেয়ারম্যান পদের মনোনয়ন নিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপি-র টানাপড়েনের আবহ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এক সময় শোনা গিয়েছিল, বিজেপি বিধায়করা সর্বদল বৈঠক বয়কট করতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে সোমবার সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দিতে দেখা গেল গেরুয়াশিবিরের বেশ কয়েক জন বিধায়ককে। তবে বিধানসভায় থাকলেও তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ওই বৈঠকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা যায়নি।আর তা নিয়েই নতুন করে উস্কে উঠছে একাধিক জল্পনা।আরও পড়ুনঃ পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় শহিদ সপরিবার পুলিশ আধিকারিকবিধানসভায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে সোমবার সর্বদলীয় বৈঠকে শাসকদলের তরফে উপস্থিত ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুজিত বসু, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, নির্মল ঘোষ, অরূপ বিশ্বাস, সন্ধ্যারানি টুডু, পার্থ ভৌমিক-সহ অনেকেই। তৃণমূল বিধায়কদের পাশাপাশি ওই ঘরেই দেখা যায় একঝাঁক বিজেপি বিধায়ককেও। ছিলেন দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, মিহির গোস্বামী, অম্বিকা রায়, বিমান ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, তাপসী মণ্ডলরা। সূত্রের খবর, সোমবারের সর্বদল বৈঠকে শুভেন্দুর উপস্থিতি নিয়ে আগেই জলঘোলা হচ্ছিল। তিনি অংশ নিতে নাও পারেন, এমন গুঞ্জন উঠেছিল। তবে সোমবার সকালে দেখা গেল, বিধানসভায় এসেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)। সর্বদলের আগে বিজেপি পরিষদীয় দল তাঁর নেতৃত্বেই নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসে। সূত্রের খবর, আসন্ন অধিবেশনে ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে বিজেপি সরব হবে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে, তেমনই স্ট্র্যাটেজি ঠিক করা হয়েছে। বিধানসভায় হাজির রয়েছেন মনোজ টিগ্গা, সুদীপ মুখোপাধ্যায়-সহ একাধিক বিধায়ক। আগে মনোজ টিগ্গাই ছিলে বিজেপি পরিষদীয় দলনেতা।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

Suvendu- Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে স্বাস্থ্য ভবনে শুভেন্দু, হতে পারে জনস্বার্থ মামলাও

ভুয়ো টিকা কাণ্ড নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, টিকাকাণ্ড নিয়ে যদি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত না করা হয়, তা হলে জনস্বার্থ মামলার পথে হাঁটবেন তাঁরা। বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে বলেও শুক্রবার জানিয়েছেন শুভেন্দু। কসবায় ভুয়ো টিকা কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে গোটা রাজ্যে। এই কাণ্ডে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন মূল পাণ্ডা দেবাঞ্জন দেব। কী ভাবে এই টিকা আনা হল, কোন দোকান থেকে সেই টিকা নেওয়া হয়েছে, সব কিছু নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাতে শুক্রবার আচমকাই দলের বিধায়কদের নিয়ে স্বাস্থ্যভবনে হাজির হয়েছিলেন শুভেন্দু। তিনি উল্লেখ করেন, গোটা বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনকেও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মমতার আবেদনে সাড়া সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টকে হলফনামা জমা নেওয়ার নির্দেশভুয়ো টিকাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র ফাঁস করতে এবার গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এদিন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে দেখা করে ভুয়ো টিকাকাণ্ড নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। এই ঘটনায় দোশীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য সবিচের কাছে আবেদন রেখেছেন শুভেন্দু। এমনকী, এটাও জানিয়ে দিয়েছেন, স্বাস্থ্য দফতর যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে তাঁরা আদালতে যাবেন।স্বাস্থ্যভবন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু বলেন, এই ভুয়ো, প্রতারক চিটিংবাজ, প্রভাবশালীদের সঙ্গ দেওয়া দেবাঞ্জন দেব যে কাণ্ডটা করেছে, তাতে মানুষ আতঙ্কিত। এই টিকা শিবিরে টিকা নিয়ে যদি কারও কিছু হয়ে যেত, তা হলে বলা হত মোদীর পাঠানো টিকার জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। এটা একটা বড় ষড়যন্ত্র বলে আমরা মনে করছি।শুভেন্দুর অভিযোগ, গত ২-৩ সপ্তাহ ধরে দেবাঞ্জন গাড়ি গাড়ি করে লোক নিয়ে এসে টিকা দিয়েছেন। সেই কর্মসূচিতে কোথাও দেখা গিয়েছে শাসকদলের সাংসদ গিয়ে টিকা নিচ্ছেন। কোথাও দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী নেতারা এই প্রতারককে দিনের পর দিন সঙ্গ দিয়েছে। এটা নিয়ে একটা বড় এজেন্সির তদন্তের প্রয়োজন। প্রয়োজনে সিবিআইকে দিয়েও তদন্ত করানো উচিত। এদিন স্বাস্থ্য ভবন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জানান, এটা বড় ষড়যন্ত্র। ভুয়ো ভ্যাকসিনে মৃত্যু হলে কেন্দ্রকে দোষারোপ করা হত। আর ওই প্রতারককে দিনের পর দিন সঙ্গ দিয়েছে রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে বিপদে ফেলেছেন। গুরুতর বিষয় এটা। শুধু কলকাতা পুলিশ দিয়ে তদন্ত করালে হবে না। আমরা চাই বড় এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করা হোক। সিবিআই-কে দিয়ে তদন্ত করা যেতে পারে। এই দাবি করেছি। ব্যবস্থা না নিলে আমরা আদালতে যাব। বিধানসভা খুললে এ বিষয়ে প্রস্তাব আনব। আলোচনা হওয়া দরকার। যেখান থেকে টিকা কিনল, তার লাইসেন্স রাজ্য সরকার দিয়েছে। প্রতারক সরকারের অতি ঘনিষ্ঠ। মানুষের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করা যাবে না। অন্যদিকে, লকেট চট্টোপাধ্যায়ও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, শাসক দলের তাবড় নেতা ও মন্ত্রীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের। এমনকী, নীল সাদা বেলুন দিয়ে ক্যাম্প সাজিয়ে কলকাতা পুর নিগমের নীল লোগো লাগানো গাড়ি নিয়ে প্রতারণা চালিয়ে গিয়েছে সে। প্রায় দুহাজারের বেশি লোককে যে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে তার দায় রাজ্য সরকারের।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

PAC: পিএসি সদস্য পদে মুকুলের মনোনয়ন, কটাক্ষ শুভেন্দুর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-র (PAC) সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিজেপি-র বিধায়ক এবং অধুনা তৃণমূল নেতা মুকুল রায়। বুধবার বিধানসভায় চিঠি পাঠিয়ে মনোনয়ন দাখিল করেছেন তিনি। বিষয়টিকে পাত্তা না দিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বুধবারই দাবি করলেন, বিধায়ক থাকলে তবে তো পিএসি-র চেয়ারম্যান হবেন উনি।আরও পড়ুনঃ ফের ভাঙন বিজেপিতেশুভেন্দু জানিয়েছেন, আগামী ১৬ জুলাই মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের প্রথম শুনানি স্পিকারের কাছে। সেখানে শুভেন্দু সব তথ্য ও নথি তুলে ধরবেন তাঁর যুক্তির স্বপক্ষে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের কথায়, সদ্য তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এখন আবার তৃণমূলই তাঁর নাম পিএসি কমিটিতে প্রস্তাব করেছে। গত বৃহস্পতিবার আমি ৬৪ পাতার একটি অভিযোগ জমা দিয়েছিলাম স্পিকারের কাছে। বুধবার আমার সেই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়ে গেল। ওঁর বিধায়ক পদই থাকবে না। বিধায়ক না থাকলে পিএসি-র চেয়ারম্যান হওয়ার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে! শুভেন্দুর আরও বলেন, স্পিকার আমাকে ১৬ তারিখে ডেকেছেন শুনানির জন্য। আমি সেই শুনানিতে আসব, সব তথ্য নথি জমা দেব। তার পর তো আর বেশি দিন অপেক্ষা করব না। আদালতে চূড়ান্ত হয়ে যাবে। বিধায়কই থাকবেন না, তা হলে আর বিধায়ক কী? আর পিএসি কী?এ প্রসঙ্গে বিধানসভার উপ মুখ্য সচেতক তাপস রায় বলেন, পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি-সহ বিধানসভার সমস্ত কমিটির চেয়ারম্যান ঠিক করার অধিকার রয়েছে স্পিকারের। এখানে সরকার পক্ষের কোনও হাত নেই। তৃণমূল যদিও দাবি করেছে, মুকুলের মনোনয়নে তাদের কোনও হাত নেই। যদিও, প্রস্তাবক হিসেবে মুকুলের মনোনয়নে সই করেছেন কার্শিয়াঙের তৃণমূল সমর্থিত মোর্চার বিধায়ক রুদেন সাদা লেপচা ও এগরার বিধায়ক তরুণ মাইতি।এ নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্য, ভাবের ঘরে বসে চুরি করে লাভ নেই। খুব সুন্দর কাজ করেছেন ওঁরা। কালীদাসের মতো কাজ করেছেন। তাই আমার কাজ অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আমার লড়াই আইনগত, বিধায়ক পদ খারিজের লড়াই। সেই লড়াইয়ে আরও এক ধাপ আমি এগিয়ে গেলাম। সেই সুযোগটা করে দিয়েছে শাসকদল।

জুন ২৩, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu-Dhankhar: হিংসা নিয়ে রাজ্যপালকে নালিশ শুভেন্দুর

চারদিনের দিল্লি সফর সেরে শনিবারই কলকাতায় ফিরেছেন রাজ্যপাল জনগদীপ ধনখড়। আর রবিবার বিকেলেই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে পৌঁছে গেলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন সন্ধেয় উভয়ের সাক্ষাৎ হয়। শুভেন্দু তাঁকে ফের রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে নালিশ জানান বলে টুইটে জানিয়েছেন ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। ইতিমধ্যেইএই একই ইস্যুতে বেশ কয়েককবার তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন শুভেন্দু। রাজ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপের আবেদন তিনি জানিয়েছেন, সূত্রের খবর এমনই।LOP alleged complicity of state machinery @WBPolice @KolkataPolice in perpetration of gruesome violations of human rights. In barbaric and dastardly criminal acts there has been no investigation, much less arrest of culprits @MamataOfficial. pic.twitter.com/zRf3AKB9US Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) June 20, 2021কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) সঙ্গে জোড়া বৈঠক সেরে দিল্লি থেকে শনিবার ফিরেছেন রাজ্যপাল। এমনিতেই ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে ধনকড়ের সঙ্গে অমিত শাহর বৈঠক নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ঠিক কী বিষয়ে কথা হয়েছে উভয়ের, তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। ধনখড় নিজেই জানিয়েছেন, রাজ্যের ভোট পরবর্তী (Post Poll Violence) পরিস্থিতি নিয়ে তিনি চিন্তিত। সে কথাই প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। এরপর তিনি সোমবার আবার এক সপ্তাহের জন্য চলে যাচ্ছেন উত্তরবঙ্গ সফরে। তাই রবিবার সন্ধেবেলায় তড়িঘড়ি সময় চেয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিষয় একটাই রাজ্যের ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা পরিস্থিতি। বিরোধী দলনেতা হিসেবে তা নিয়ে এই মুহূর্তে বেশ উদ্বিগ্ন শুভেন্দু। রাজ্য সরকার শান্তিরক্ষায় ব্যর্থ, এই অভিযোগ তুলে তিনি রাজ্যপালকেই এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন।Unrelenting pursuit of justice for the opposition workers affected by the post poll violence. Met Honourable Governor @jdhankhar1 to further discuss the ways to put an end to it.#PoschimbongoDibos pic.twitter.com/KG9yv4Ws0U Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) June 20, 2021আরও পড়ুনঃ খুনের আগে অপহরণের নাটক, আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার আসিফের দুই বন্ধুরবিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, এই মুহূর্তে রাজ্যের পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েই চলেছে। বিরোধী দলের কর্মী, সমর্থকদের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিয়ে জেলবন্দি করা হচ্ছে। নতুন সরকার নির্বাচিত হওয়ার পর এর চেয়ে খারাপ পরিস্থিতি আগে কখনও হয়নি পশ্চিমবঙ্গে, একথাও মনে করেন শুভেন্দু অধিকারী।

জুন ২০, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে শুভেন্দুর চিঠি স্পিকারকে

অবশেষে মুকুল রায়ের (Mukul Roy) বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জমা পড়ল। শুক্রবার বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Biman Banerjee) চিঠি দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে। ওই চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। উল্লেখ্য, বিজেপির টিকিটে কৃষ্ণনগর উত্তর আসনে জয় লাভ করেছেন মুকুল রায়। কিন্তু শিবির বদলে ফের তৃণমূলে (TMC) ফেরেন তিনি। এরপরই দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবিষয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন। শুভেন্দু সাফ জানিয়েছিলন, মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করবেন তিনি। জানা গিয়েছে, ওই চিঠিতে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আর্জি জানানো হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবারই মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আরজির আবেদন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিজেপি। চিঠি লেখাও হয়েছিল কিন্তু বিধানসভায় তা জমা পড়েনি। কারণ হিসেবে জানা গিয়েছিল, স্পিকার না আসায় এবং রিসিভিং সেকশন বন্ধ থাকায় চিঠি জমা করা যায়নি। এছাড়াও চিঠিতে কিছু ভুলত্রুটিও ছিল, যা আরও একটি কারণ। গতকালই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, শুক্রবার অধ্যক্ষের কাছে চিঠি জমা দেওয়া হবে। একান্তই যদি জমা না দেওয়া যায়, সেক্ষেত্রে অধ্যক্ষকে মেল করা হবে। সেই মতোই এদিন জমা পড়ল চিঠি।

জুন ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Dhankhar: শুভেন্দুদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিস্ফোরক রাজ্যপাল

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সংঘাত লেগেই রয়েছে রাজ্যপালের। বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2021) পরবর্তী পরিস্থিতিতে সেই সংঘাত যেন আরও জোরাল হয়েছে। রাজ্যে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেই অভিযোগ বিরোধীদের। সোমবার বিরোধী দলেনতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে চা-চক্রের পর একই অভিযোগে রাজ্য সরকারকে ফের কড়া ভাষায় দুষলেন রাজ্যপাল। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আরও একবার প্রশ্ন তুললেন তিনি।রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে সোমবারই রাজভবনে যাওয়ার কথা ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ (Suvendu Adhikari) একঝাঁক বিজেপি বিধায়কের। টুইটেই সেকথা জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও। ঠিক সেইমতো সোমবার বিকেলে বিধানসভা থেকে পায়ে হেঁটে শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়করা রাজভবনে পৌঁছন। রাজ্যপালের সঙ্গে চা চক্রে যোগ দেন তাঁরা। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অভিযোগ করেন বিরোধী বিজেপি বিধায়করা। তাঁদের অভিযোগ, ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে।এরপর শুভেন্দু অধিকারীর পাশে বসে রাজ্যপাল সাংবাদিক বৈঠক করেন। কড়া ভাষায় আরও একবার রাজ্য সরকারকে খোঁচা দেন তিনি। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, ভোট পরবর্তী রাজ্যে একাধিক জায়গায় অশান্তি হয়েছে। সেই জায়গাগুলিতে কেন মুখ্যমন্ত্রী গেলেন না? ভোট পরবর্তী অশান্তি, দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের খোঁচা, বাংলায় গণতন্ত্র শ্বাস নিতে পারছে না। আরও একবার রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেও আঙুল তুলেছেন জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। তাঁর দাবি, উর্দিধারীরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করছেন না। তৃতীয়বারের জন্য বিপুল ভোটে জিতে বাংলার মসনদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। মানুষের রায়ে বাংলা দখল হওয়া সত্ত্বেও রাজ্য প্রশাসন কোনও কাজ করছে না বলেও অভিযোগ জগদীপ ধনখড়ের। রাজ্যে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর হবে বলেও হুঁশিয়ারি তাঁর। রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সম্পর্ক যে সুমধুর নয়, তা একের পর টুইট-পালটা টুইটেই স্পষ্ট। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকের পর দুপক্ষের সম্পর্কের যে আরও অবনতি হল, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুন ১৪, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: একাধিক ইস্যু নিয়ে আজ রাজভবনে যাচ্ছেন বিজেপি বিধায়করা

বিজেপি বিধায়করা আজ বিকেলে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের (Governor Jagdeep Dhankhar) সঙ্গে দেখা করবেন। সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে (Suvendu Adhikari) সঙ্গে রাজভবনে যাবেন বিজেপি বিধায়করা। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও করোনা টিকা দুর্নীতিকরণ নিয়ে আলোচনা করবেন বিজেপি বিধায়করা।এর আগেও রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর আচমকাই রাতারাতি শুভেন্দু অধিকারীকে তলব করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। গত সোমবার দিল্লিতে যান শুভেন্দু অধিকারী। দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। দিল্লিতে অমিত শাহের বাসভবনে প্রায় ১৫ মিনিট বৈঠক করেন তিনি। সেখানে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা করেন।তারপর দিনই দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। সেখানেই রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। এরপর আবার অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এরপর বাংলায় ফিরে আসেন। উল্লেখ্যযোগ্য ভাবে, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ডাকা হয় তিন সাংসদ- নিশীথ প্রামাণিক, অর্জুন সিং ও সৌমিত্র খাঁকেও। তাঁদের সঙ্গে এবিষয়ে আলোচনা করা হয়। আজ, রাজ্যপালের সঙ্গে এই পরিস্থিতি নিয়েই বৈঠক করবেন বিজেপি বিধায়করা। তবে নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে যেভাবে দলবদলের হিড়িক পড়েছে, তাতে এদিনের বৈঠকের যথেষ্ট রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জুন ১৪, ২০২১
দেশ

Suvendu Adhikari: মোদির সঙ্গে ৪৫ মিনিটের বৈঠক, দিল্লিতে হাজির আরও ৩ সাংসদ

দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে আজই বৈঠক হল বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছন তিনি। প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে বৈঠক হয় দুজনের। সূত্রের খবর, ভোট পরবর্তী বাংলার হিংসা নিয়েই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়। এছাড়া বিধানসভা নির্বাচনে আশানুরূপ ফলও হয়নি বিজেপির। সেক্ষেত্রে কীভাবে বিজেপি আগামী দিনে এগোবে, সেই স্ট্র্যাটেজি নিয়েও আলোচনা হয় ওই বৈঠকে। এদিকে, শীর্ষ নেতৃত্বের ডাকে বুধবারই দিল্লি পাড়ি দেন অর্জুন সিং, সৌমিত্র খাঁ এবং নিশীথ প্রামাণিক। তবে কী বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা হবে সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানা যায়নি।আরও পড়ুন: বেসরকারি হাসপাতালে ৩ টিকার দাম বাঁধল কেন্দ্র, দেখুন কার কত দামরাজ্যে বিজেপির (BJP) ভরাডুবির কারণ খুঁজতে মঙ্গলবার কলকাতায় বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে গরহাজির মুকুল রায় (Mukul Roy) এবং বেসুরো রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (Rajib Banerjee)। তা নিয়ে কার্যত অস্বস্তিতে বিজেপি। শোনা যাচ্ছে, ওই বৈঠকেই আবার বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2021) দলের নীতির বিরোধিতা করেছেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)। আবার দিনকয়েক আগে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) ডাকা বাঁকুড়ার সাংগঠনিক বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan)। যদিও তিনি দাবি করেন, করোনা মোকাবিলায় রাজ্যে একাধিক বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। তাই এই সময়ে কোনও বৈঠকে যোগ দিতে যাবেন না। তবে মুকুল রায়ের স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে সল্টলেকের বিডি ব্লকের বাড়িতে দেখা যায় সৌমিত্রকে। দিলীপের বৈঠক এড়ালেও কেন মুকুল রায়ের বাড়িতে দেখা গেল তাঁকে, তা নিয়ে জল্পনা মাথাচাড়া দেয়। নিশীথ প্রামাণিকের (Nishith Pramanik) দলীয় অবস্থান নিয়ে অবশ্য তেমন কোনও জটিলতা চোখে পড়েনি কারও।

জুন ০৯, ২০২১
রাজনীতি

করোনায় মৃতের পরিবারে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি চাই, কেন এমন দাবি শুভেন্দুর?

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের পরিবারের একজনকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর সপক্ষে যুক্তিও খাঁড়া করেছেন তিনি। গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে। শুভেন্দুর বক্তব্য নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে।সম্প্রতি কোভিড আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বিশিষ্ট সাংবাদিক অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অঞ্জন ও আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় দুই ভাই। ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। এখন মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা। শুভেন্দুর অভিযোগ, অঞ্জনের স্ত্রী তথা আলাপনের ভ্রাতৃবধূ অদিতি বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পর্যটন উন্নয়ন দফতরে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা বেতন দিয়ে নিয়োগ করা হয়েছে। ২৪ মে ওই দফতরে তাঁকে অ্যাডভাইসর করা হয়েছে। যে প্রশাসনিক বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তার পৌরোহিত্য করেছেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়োগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু। অঞ্জনবাবুকে তিনি পছন্দ করতেন বলেও জানিয়েছেন। তবে একইসঙ্গে তাঁর দাবিও রেখেছেন।এই প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দুর দাবি, রাজ্যে পুলিশ, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের কোভিড-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা জারি রয়েছে। মৃতের প্রতি পরিবারের একজন সদস্যকে ১ লক্ষ ১০ হাকার টাকা বেতনের চাকরি দিতে হবে।

জুন ০৩, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বাড়ি ভাড়া নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, বানাবেন কুঁরে ঘর

সবার প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়েছে নন্দীগ্রামে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে। সম্মুখ সমরে মমতা-শুভেন্দু। জমি আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির উত্তাপে দগ্ধ নন্দীগ্রাম। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সব থেকে নজরকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলার সভা থেকে প্রচারে ঝড় তুললেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে সেখানে দুই কামরার বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন। স্মৃতি আওড়ালেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের।একসময় বামপন্থীরা স্লোগান তুলছিল ভুলতে পারি বাপের নাম, ভুলবো নাকো ভিয়েতনাম। এদিন মমতা বলেন, ভুলতে পারি সবার নাম, ভুলবো নাকো নন্দীগ্রাম। এভাবেই নন্দীগ্রামকে সম্মান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিঙ্গুরে আন্দোলন শুরু হয় নন্দীগ্রামের আগে। সিঙ্গুর আন্দোলন না হলে নন্দীগ্রামের আন্দোলনে তুফান হত না। আমি নিজেও গ্রামের মেয়ে। শহরে মানুষ হয়েছি। সেটাও ভালবাসার জায়গা। ছোটবেলা গ্রামেই কেটেছে। আলে আলে ঘুরে বেড়াতাম। ধান কাটতাম। সর্ষে ক্ষেতে যেতাম। গ্রামের প্রতি আমার টান আছে। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামে যে কোনও এক জায়গায় আমি প্রার্থী হতাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবেই গ্রামের আবেগ ছুঁতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।আন্দোলনের স্মৃতি উসকে মমতা বলেন, গন্ডগোলের সময় একবার তাহের(আবু তাহের) ফোন করছে, একবার সুফিয়ান(সেখ সুফিয়ান) ফোন করছে। গুলির শব্দ শোনাচ্ছেন ফোনে। যাঁদের থাকার কথা ছিল তাঁরা একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়েও ছিলেন না। ১০ নভেম্বর সূর্য উদয়। ১০ জনকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে কেটে ভাসিয়ে দিয়েছে না কী করেছে কেউ জানে না। তেখালিতে গুলি চালাচ্ছে, আমার গাড়িতে গুলি লেগেছে। গোকুলনগর, তেখালি, সোনাচূড়া বিভিন্ন গ্রামের নাম বলতে থাকেন মমতা। মমতার বক্তব্য, তাঁকেও বাইরের লোক বলে অভিহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।বেশ কয়েকটি জনসভায় বামেদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাম দলেও অনেক ভাল মানুষ আছেন বলেও মন্তব্য করেছিলেন। এদিন নন্দীগ্রামে মমতা বলেন, পুরনো অত্যাচারী সিপিএম চলে এসেছে। বিজেপি এদের নিয়ে এসেছে। নন্দীগ্রামে লক্ষ্মণ শেঠের সঙ্গে কাজ করছে। সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি এক। হুমকি দিচ্ছে তোমার বিরুদ্ধে কেস আছে! এসব দুমাস করে নাও। সাতদিন পরে তোমরা কোথায় যাবে?এদিনের সভায় নন্দীগ্রামের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম ও হলদিয়াকে জুড়তে সেতু তৈরি করা হবে। মডেল নন্দীগ্রাম করব। বেকারদের চাকরি হবে। নন্দীগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় করব। আমি চাই এখানকার ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করুক। মমতা জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রামে রুইয়া পাড়ায় দুটি রুমের একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। পরে একটা কুঁড়ে ঘর বানিয়ে নেব। এখানে ভোট পয়লা এপ্রিল। ওদের এপ্রিল ফুল করে দেবেন। পয়লা এপ্রিল নন্দীগ্রামে খেলা হবে। তিন মাস অন্তর তিনি নন্দীগ্রামে আসবেন বলেও জানিয়ে দেন।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

স্কুটি নিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী, কী বললেন শুভেন্দু-রাজীব!

পেট্রল-ডিজেল-রান্নার গ্যাসের গাড়িতে মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে স্কুটার চেপে নবান্ন গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন বিজেপির দুই নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।ব্যারাকপুরের সভা থেকে তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন, আজ একটা নাটক দেখেছেন সকাল বেলায়। মাননীয়া স্কুটি চেপে গিয়েছেন নবান্নে। ৬০টা মোটর সাইকেল ছিল। তার মধ্যে দুটি ছিল ব্যাটারি চালিত। ৫৮টা পেট্রল চালিত। পেট্রল দেওয়া গাড়ি নিয়ে গিয়েছেন নাটক করতে। পেট্রলের ৩৬ টাকা আপনি নিচ্ছেন, একটাকা ছাড় দিলেন কেন পুরো ৩৬ টাকা ছাড় দেন। তাহলে তো বলব মাননীয়া মানবিক। কম পয়সায় পেট্রল ও ডিজেল দিতে চাইছেন। আসল কথা হল ভোটের আগে গিমিক।ব্যাটারি চালিত স্কুটি প্রসঙ্গে সমালোচনা করতে গিয়ে কলকাতার বিদ্যুৎ পরিচালন সংস্থার বিল নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, স্কুটি চালিয়েছেন ব্যাটারিতে। ব্যাটারি চার্জ হয় ইলেকট্রিকে। আপনার আমলেই সব থেকে বেশি ইলেকট্রিকের বিল দিতে হয়।এদিন বিকেলে হাওড়ার গোলাবাড়িতে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রীর স্কুটিযাত্রাকে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা রাজীব বন্দোপাধ্যায়। রাজীব বন্দোপাধ্যায় বলেন, দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে হলে রাজ্যের ট্যাক্স কমিয়ে দিলে মানুষের উপকার হবে। এইভাবে কয়েক ঘণ্টা রাস্তা আটকে বহু বাইক ও গাড়ি নিয়ে মিছিল করে কিছুই হবে না।পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে রাজীব বলেন, তৃণমূলের গোড়া কেটে দেব। মাথা কাটার দরকার নেই, গোড়া কেটে দিলেই কাজ হয়ে যাবে। পাশাপাশি, বিজেপির গোড়া শক্ত করতে দল যা করতে বলবে সব কিছুই করবেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজনীতি

"বাড়ির পাঁচ কিলোমিটার দূরে দাঁড়িয়ে আছি", কাঁথির জনসভায় হুঙ্কার অভিষেকের

সভা পাল্টা সভায় সরগরম বাংলা। তোপ পাল্টা তোপ চলছেই। এবার শুভেন্দুগড়ে হানা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের যুবরাজ। রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিলেন। সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মূলত কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে মানুষ এখানে এসেছেন। আপনারা যদি ভোট দেন তাহলেই তো মীরজাফর এন্ড কোম্পানির জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে। এই মাঠে যা লোক এই মাটিকে প্রণাম জানাই। এই মেদিনীপুরে মাটি লড়াই সংগ্রামের মাটি। যারা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মাটি, মাতঙ্গিনী হাজরার মাটি, সতীশ সামন্তের মাটিকে কলুষিত করেছে তাদের কিন্তু এই মেদিনীপুরের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করবেন।তোর বাপকে গিয়ে বল বাড়ির পাঁচ কিলোমিটার দূরে দাঁড়িয়ে আছি। যা করার কর। আয়, আয়, আয়। হিম্মত আছে। হিম্মত আছে। অভিষেকের এই ভিডিও পোস্ট করে শুভেন্দু লিখেছেন, কাঁথির জনসভা থেকে বাংলা সংস্কৃতি !!!এদিনও অভিষেক দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেস ২৫০ এর বেশি আসন পেয়ে এই বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসবে। মানুষ বিজেপিকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন। আমি এদের রাজনৈতিক ভাবে দেউলিয়া করে ছাড়ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাকে ভরসা করেছিলেন তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। পাঁচ বছরে কতবার মোদী অমিত শাহ মেদিনীপুর এসছেন। হলদিয়া আসছেন মোদী। কিন্তু তাও আমরা ৫০,০০০ এর বেশি ভোটে জিতব। এই মেদিনীপুরের মাটি থেকে দাঁড়ালে মেদিনীপুরের মানুষ ৫০,০০০ ভোটে হারাবে।কাঁথিতে দাঁড়িয়ে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের হুঙ্কার, কীসের অধিকারী গড়? এই জেলা মানুষের, কোনও পরিবারের নয়। এই গড় ক্ষুদিরাম বসু সুশীল ধাড়ার গড়। আমাকে ভয় দেখাবেন বলেছিলেন। চার আনার নকুলদানা তার আবার ক্যাশমেমো। জামানত বাজেয়াপ্ত করব। কথা দিলাম এদের ছুঁড়ে ফেলে দেবে এই মেদিনীপুরের মানুষ।বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী নতুন দলে যোগ দেওয়ার পর টানা ভাইপো সম্বোধন করে আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছেন। এমনকী অভিষেকপত্নীকে নিয়েও অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। অভিষেক বলেন, ভাইপো আর ভাইপো। ওরা আতঙ্কিত। এখন আমার স্ত্রীর কথা বলছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি সোনা পাচারের ঘটনায় ওদের সিআইএসএফ কী করছিল? সিসিটিভি ফুটেজ দাও। আমার তোলাবাজির প্রমাণ দেখাতে পারলে নিজে ফাঁসি যাব। সুদীপ্ত সেন নিজের হাতে কোর্টকে লিখেছেন শুভেন্দু অধিকারী ৬ কোটি টাকা নিয়েছেন। শুভেন্দু রাখাল বলে একজনের সাথে আলাপ করিয়েছেন। কে এই রাখাল? এই রাখালের সাথে এনামুলের কী সম্পর্ক সব জানি আমরা, সব তথ্য আছে? রাখালের সাথে এই গরু পাচারকারীদের কী সম্পর্ক? যারা স্বর্বস্বান্ত হয়েছেন তারা এই গদ্দারদের বাড়ি ঘিরে দিন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
রাজ্য

অভিষেকগড়ে শুভেন্দুর হানা, তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে

বারুইপুরের জনসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিলেন ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদার। তাঁর সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার আরও প্রায় ১৬ জন তৃণমূল নেতা। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই যোগদানের মাধ্যমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ডায়মন্ডহারবারে তৃণমূলের সংগঠনে বড় ধস নামল, যা বিধানসভা ভোটের আগে নিঃসন্দেহে ধাক্কা তৃণমূল শিবিরের কাছে। সভায় চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দ। বেশ কয়েকদিন ধরেই ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদারকে নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। চলতি বছরের প্রথমে তিনি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমান বিজেপির কলকাতা সংগঠনের পর্যবেক্ষক শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ এই সৈনিক নিজের রাজনৈতিক শিবির বদল নিয়ে মুখে কার্যত কুলুপ এঁটেছিলেন। তা সত্ত্বেও তাঁর গতিপ্রকৃতি বুঝতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের। ১ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল ছাড়ার কথা জানিয়ে দেন। স্পিডপোস্টে নিজের ইস্তফা পাঠান দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে। আর পুরনো পরিচয় থেকে বেরিয়ে এসে ২ তারিখই নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে পা রাখলেন দীপক হালদার।মঙ্গলবার বারুইপুরে বিজেপির যোগদান মেলায় মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের উপস্থিতিতে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন দীপক হালদার।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

"পূর্ব বর্ধমানে করোনার টীকা ঝেড়েছে তৃণমূল কোম্পানি", কালনার জনসভায় তোপ শুভেন্দুর

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সোমবার ২০২১-২২ অর্থ বর্ষের বাজেট পেশ করেছেন। এদিন পূর্ব বর্ধমানের কালনায় বিজেপির জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা করলেন তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, করোনা অতিমারির জন্য মোদি সরকার বাজেটে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। আগামী এক বছর ধরে সমস্ত ভারতবাসীকে টিকা দেওয়ার কথাও বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে। স্বাস্থ্য খাতে ৬৫ হাজার কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে এইমস(AIIMS)-এর মত হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত সমস্ত চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন আধুনিক পর্বের ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বাজেটে বলা হয়েছে।কালনার এই জনসভায় বিজেপির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মুকুল রায় বলেন, দীর্ঘ দিন রাজনীতি করছি। এর আগে সরকার পরিবর্তন দেখেছি। একই উচ্ছাস ২০২১ সালেও দেখছি। এবারও মানুষের উচ্ছাসও যে সরকার পরিবর্তন করার উচ্ছাস তা পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে বলে মকুলবাবু মন্তব্য করেন।বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু দাবি করেন, ৭৫ উর্ধ্ব বয়সের প্রবীন নাগরিকদের ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করতে হবে না বলে বাজেটে যা ঘোষণা করা হয়েছে সেটা বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছরে দেশের সিনিয়র সিটিজেনদের এই বিশেষ উপহার দিয়েছে মোদি সরকার।বাজেটের প্রসঙ্গ সামনে এনে তৃণমূল কংগ্রেসকেও বেনজির ভাষায় আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলকে লকডাউনে চালচুরি, আমফানে ত্রিপল চুরি করতে দেখা গেছে। এখন দেখা যাচ্ছে টিকাও চুরি করছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য যে টিকা এসেছিল তার থেকে ১৫ টি টিকা ঝেড়ে নিয়েছে তৃণমূল কোম্পানির লোকেরা। তার মধ্যে রয়েছে ২ বিধায়ক ও একজন প্রাক্তন বিধায়ক। তৃণমূল জানিয়ে দিয়েছিল এঁরা হাসপাতালের সঙ্গে যিক্ত। শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন ,কালনা, কাটোয়া,পূর্বস্থলী এলাকা হল শস্যভাণ্ডার। সেই কারণে বিজেপি কৃষক সুরক্ষা যাত্রা এখান থেকে শুরু করেছে । শুভেন্দুবাবু কালনার সভামঞ্চ থেকে জেলার চাষিদের উদ্দেশ্যে বলেন, পশ্চিম বাংলার চাষিরা বাদে সবাই তিন বছরে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনায় ২০ হাজার টাকা পেয়ে গিয়েছে। রবিবার অমিত শাহজি বলেছেন ,পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুধুমাত্র সংখ্যা পাঠিয়ে দিয়ে রাজ্য সরকারের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলেছে । কিন্তু মোদিজি বলে দিয়েছেন , না - এই ভাবে টাকা দেওয়া যাবে না। কাটমানি খেতদেওয়া হবে না। সরাসরি কৃষকদের অ্যাকউন্টে টাকা পাঠানো হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।কালনার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে খালিস্তানিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ আনেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, কেন্দ্রের সরকার যখন দেশকে শক্তিশালী করতে চাইছে তখন এই রাজ্যের সরকার দেশকে দুর্বল করতে চাইছে। লালকেল্লা থেকে খালিস্তান জিন্দাবাদ বলছে। শুভেন্দু বাবু দাবি করেন, খালিস্তানি মদতপুষ্ট আন্দোলনকে আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সমর্থন জানাচ্ছেন। রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়েও কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, বিধানসভা ভোটের জন্য স্বাস্থ্যসাথী করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের চাপে তিন মাস রোগীদের এখন নার্সিংহোমগুলি ফেরাবে না। সিপিএম নেতাদের উদ্দেশ্যে শুভেন্দু বলেন ,তৃণমূল সরকারের আমলে পঞ্চায়েত ভোটে নমিনেশন জমা দিতে পারেননি, পঞ্চায়েত ভোটে লড়তে পারেননি। বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় না এলে অবাধ পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে না।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে অরূপের রক্ষাকবচ বাড়ল, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বড় পদক্ষেপে নিষেধ! আদালতে কী হল?

মেসি-কাণ্ডে আপাতত স্বস্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ নভেম্বর।অরূপ বিশ্বাসকে আগেই রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাই কোর্টের একক বেঞ্চ। সেই নির্দেশই আপাতত বহাল রাখল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। অরূপের রক্ষাকবচ বাতিলের দাবিতে শতদ্রু দত্ত যে মামলা করেছিলেন, তাতেও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।মঙ্গলবার শুনানিতে মেসি-কাণ্ডের তদন্ত সংক্রান্ত দুটি রিপোর্ট আদালতে জমা দেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র। তিনি জানান, তদন্তে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী সবরকম সহযোগিতা করছেন। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, পুলিশ অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। তদন্ত শেষ হলে চার্জশিটও জমা দেওয়া যাবে। তবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করা যাবে না।গত ডিসেম্বর মাসে ভারতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁকে সামনে থেকে দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক ফুটবলপ্রেমী যুবভারতীতে জড়ো হয়েছিলেন। অনেকেই মোটা টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছিলেন। কিন্তু অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যুবভারতী ছেড়ে বেরিয়ে যান মেসি। এরপর ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ ব্যাপক ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার পরই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার দিন মেসির সঙ্গে একাধিক বার তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সমাজমাধ্যমে মেসির সঙ্গে অরূপের ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠদের সঙ্গেও মেসির ছবি প্রকাশ্যে আসে।অব্যবস্থার অভিযোগে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মেসির ভারত সফরের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি ছিল, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ মেসির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।এই মামলায় অরূপ বিশ্বাস ইতিমধ্যেই একাধিক বার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দিয়েছেন। পুলিশের তলবে সাড়া দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করার বিষয়টিও আদালতে উল্লেখ করা হয়েছে। আপাতত সেই কারণেই তাঁর রক্ষাকবচ বহাল থাকল বলে মনে করা হচ্ছে।এখন প্রশ্ন, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অরূপের বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ না করার নির্দেশের পর মেসি-কাণ্ডের তদন্ত কোন দিকে এগোয়। আগামী ১৭ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে ফের তৎপরতা, অভয়ার সঙ্গে ডিনার করা বন্ধুদের তলব! জেরার তালিকায় আর কারা?

খুলল কি ফের অভয়া ফাইলস? আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। নতুন করে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল এবং তার আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেছে। এবার ঘটনার রাতের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকায় রয়েছেন অভয়ার সঙ্গে রাতে ডিনার করা বন্ধুরাও।শুধু অভয়ার বন্ধুদেরই নয়, ঘটনার সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা নার্স, চিকিৎসক, নিরাপত্তারক্ষী এবং আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া হাসপাতালের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে জেলবন্দি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও ফের জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।আর জি কর-কাণ্ডে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট সাতজন এবং কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে সেই পরীক্ষা এবং তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে নতুন তদন্তকারীরা সন্তুষ্ট নন বলে সূত্রের দাবি। সেই কারণেই মামলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ফের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে কারা ডিনারে ছিলেন, সেই বিষয়টিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক, নার্স এবং নিরাপত্তারক্ষীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হতে পারে। একই সঙ্গে ফের পরীক্ষা করা হবে সিসিটিভি ফুটেজও। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষকে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।অভয়ার মা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন, ঘটনার রাতে তাঁর মেয়ের সঙ্গে যাঁরা ডিনার করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকা যথাযথ ভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তিনি একাধিক বার জানিয়েছেন। আদালতের তরফেও ঘটনার রাতে ডিনারে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের ভূমিকা কী ছিল, তা নিয়ে তদন্তের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানা যায়।এর মধ্যেই তদন্তকারী আধিকারিক বদল করা হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব থেকে সীমা পাহুজাকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্দীপনী গর্গকে। কয়েক দিন আগে দিল্লি থেকে চার সদস্যের একটি বিশেষ দলও আর জি কর হাসপাতালে পৌঁছয়। জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে ওই দলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই জায়গা ফের খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। নির্যাতিতার মায়ের আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে তদন্তকারীদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এবার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের তলব করার খবর সামনে আসায় আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে থাকা বন্ধু, হাসপাতালে উপস্থিত চিকিৎসক ও নার্স এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, কর্মীদের বেতনও আটকে! সুপ্রিম কোর্টে কপিল সিব্বলের বিস্ফোরক সওয়াল

তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সব তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরছে না বলে অভিযোগ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়।শুনানিতে তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে দলের নিয়মিত খরচের হিসাব আদালতের সামনে তুলে ধরেন কপিল সিব্বল। তিনি জানান, তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে। এর ফলে দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং কর্মীদের বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।ইডির তরফে আদালতে বলা হয়, যে অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়নি, সেগুলি থেকে টাকা নিয়ে দল কাজ চালাতে পারে। তার জবাবে কপিল সিব্বল জানান, ওই অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি স্থায়ী আমানত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মোট ৩৬টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩১টি স্থায়ী আমানত এবং বাকি পাঁচটি সাধারণ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।সিব্বলের দাবি, স্থায়ী আমানত ভাঙলে সেই টাকা ফের ফ্রিজ করে রাখা অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও জানান, পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে চারটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছে না।তৃণমূলের আইনজীবী আরও দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থার মামলায় অপরাধলব্ধ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। কেন এত বেশি অর্থ আটকে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্নও আদালতে তোলেন তিনি।দলের কর্মীদের বেতন নিয়েও আদালতে বিস্তারিত তথ্য দেন সিব্বল। তাঁর দাবি, তৃণমূলের প্রায় ২৫০ জন কর্মী রয়েছেন। চলতি মাসে তাঁদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বেতন-সহ অন্যান্য খরচ মেটাতে প্রায় ৫৩ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা প্রয়োজন বলে আদালতে জানান তিনি।এর পাশাপাশি দলের বিভিন্ন অফিসের খরচের কথাও আদালতে তুলে ধরেন সিব্বল। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের ১৭টি অফিস চালাতে প্রতি মাসে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হয়। নিরাপত্তা সংস্থা এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও টাকা দিতে হয়। নির্বাচনের সময়ে যাঁরা কাজ করেছিলেন, তাঁদেরও কিছু টাকা এখনও বাকি রয়েছে বলে জানান তিনি।সিব্বল আরও জানান, দৈনন্দিন কাজ চালানোর জন্য কলকাতা হাই কোর্টের একক বেঞ্চের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে বিশেষ আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করে নির্দিষ্ট অর্থ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, যখনই অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের বিষয়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তখনই আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।তৃণমূলের হয়ে নেওয়া পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিষয়টিও আদালতে তোলেন সিব্বল। তাঁর দাবি, ওই সংস্থা থেকে তৃণমূল একটি বিমান নিয়েছিল। সেই সংস্থার অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে বলে আদালতে জানান তিনি। তবে কী কারণে ওই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে, তা তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট করেনি বলে অভিযোগ করেন সিব্বল।মামলায় তদন্তকারী সংস্থা এবং তৃণমূলের আইনজীবীর বক্তব্যের মধ্যে যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, মঙ্গলবারের শুনানিতে তা স্পষ্ট হয়েছে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ রাখার যৌক্তিকতা, দলের দৈনন্দিন খরচ এবং কর্মীদের বেতন দেওয়ার বিষয়টি এখন আদালতের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

২৬ হাজার চাকরির ভবিষ্যৎ কি ফের অন্ধকারে? ডেডলাইনের আগেই বড় সিদ্ধান্ত স্কুল সার্ভিস কমিশনের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বড় জট তৈরি হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।দুর্নীতি ও বেনিয়মের অভিযোগের জেরে আদালতের নির্দেশে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। এরপর শূন্যপদগুলিতে নতুন করে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রক্রিয়া ৩১ অগস্টের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় পর্যন্ত চাকরিহারাদের বেতন দেওয়ার নির্দেশও ছিল।এর মধ্যেই নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। চাকরিহারা শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডলের দাবি, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগের ভেরিফিকেশন চলছিল। পাশাপাশি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের কাউন্সেলিংও চলছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।কেন ভেরিফিকেশন বন্ধ করা হল, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম কার্যকর করার বিষয়টি নিয়েই এই মুহূর্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকারের নতুন সংরক্ষণ বিধি কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কমিশন।মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে স্কুল সার্ভিস কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, ৩১ অগস্টের মধ্যে ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই নিয়োগ সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না।কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে। কতদিন সময় চাওয়া হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সংরক্ষণ নীতি কী ভাবে কার্যকর করা হবে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।নতুন করে নিয়োগের জন্য যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও এখন সংশয় তৈরি হয়েছে। ভেরিফিকেশন এবং কাউন্সেলিং থেমে যাওয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা স্পষ্ট নয়।ফলে একদিকে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি নিয়ে প্রশাসনিক ও আইনি জটদুইয়ের মাঝে আটকে রয়েছে ২৬ হাজার নিয়োগের ভবিষ্যৎ। এখন সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে অতিরিক্ত সময় দেয় কি না, সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরের পর কলকাতাতেও মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, ভিড়ের মধ্যে থেকে উঠল সেই স্লোগান

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফের বিক্ষোভের অভিযোগ। হালিশহরের ঘটনার পর এবার খাস কলকাতায় একই ধরনের স্লোগান শুনতে হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। মঙ্গলবার শ্যামবাজারে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে চোর, চোর স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি।নেতাজির মূর্তির পাদদেশে ক্ষুদিরাম বসুর ছবি হাতে নিয়ে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী এবং মাতঙ্গিনী হাজরার কথাও স্মরণ করেন তিনি। মমতা বলেন, এই সংগ্রামীদের কোনও দিন ভোলা যাবে না। তাঁর দাবি, শুধু দেখানোর জন্য নয়, হৃদয় থেকেই এই সমস্ত মহান ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির মূর্তিতে মালা দেওয়ার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। আচমকা ভিড়ের মধ্যে থেকে চোর, চোর স্লোগান উঠতে শুরু করে বলে অভিযোগ। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কর্মীরাই মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। যদিও ঘটনাস্থলে থাকা এক ব্যক্তির বক্তব্য, মমতা মালা দেওয়ার সময় তাঁরা কোনও স্লোগান দেননি। পরে তাঁরা স্লোগান দেন বলে জানান তিনি।বিক্ষোভের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। তবে তাঁর গাড়ি চলে যাওয়ার পরেও কিছুক্ষণ স্লোগান ও বিক্ষোভ চলতে দেখা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।এই ঘটনার আগে রবিবার হালিশহরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভের অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা করেছিল, তবে তিনি জনরোষের মুখে পড়েছিলেন।হালিশহরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার শ্যামবাজারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতে একই স্লোগান ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হল। ঘটনাটি ঘিরে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গলমহল নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচায় নতুন আইন, আর কী করতে চলেছে সরকার?

বাঁকুড়ায় সাত জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জঙ্গলমহলের উন্নয়ন থেকে সীমান্তবর্তী এলাকার সমস্যা, আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন তিনি।মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় সাতটি জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গত তিন মাসে তাঁর সরকার কী কী কাজ করেছে এবং আগামী দিনে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে, তার একটি হিসাব তুলে ধরেন তিনি।জঙ্গলমহল এবং প্রান্তিক ও সীমান্তবর্তী এলাকার উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে জঙ্গলমহলের আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিদেশি অর্থের সাহায্যে ধর্মান্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন এবং এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।সাংবাদিক বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। সীমান্ত এলাকায় জমি হস্তান্তর, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকা সংশোধন, ইমাম-মোয়াজ্জেম ভাতা বাতিল এবং গো-সুরক্ষার মতো একাধিক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি। মহরমের সময় তলোয়ার নিয়ে মিছিল বা প্রদর্শনের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।এরপরই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কিছুদিনের মধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবে। একইসঙ্গে এক দেশ, এক প্রধান, এক রাজ্য, এক মুখ্যমন্ত্রী, এক আইন-এর কথাও বলেন তিনি।ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা নিয়েও নতুন আইনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আরও দুটি কাজ তাঁর বাকি রয়েছে। তার মধ্যে ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত আইন আনার বিষয়টি রয়েছে।তবে শুধু আইন বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, জঙ্গলমহলের উন্নয়নকেও আগামী দিনের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। আগামী তিন মাসের জন্য এই এলাকার উন্নয়ন নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরির কথাও জানিয়েছেন তিনি।বাঁকুড়ার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচা নিয়ে প্রস্তাবিত আইন কেমন হবে এবং কবে তা কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজের ‘১০০ কোটির’ সম্পত্তির হদিশ! তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে এবার নজরে ৩০টি সম্পত্তি

দেবরাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে তদন্তে আরও তথ্য সামনে আসছে। সিন্ডিকেট চক্র চালানো এবং তোলাবাজির মতো একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এই তৃণমূল নেতার প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানানো হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে ঘিরে গ্রেপ্তারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অদিতিকে আপাতত গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে দেবরাজ কোনও রক্ষাকবচ পাননি বলে জানা যায়। এরপর বেশ কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের অভিযোগ, রাজারহাট এবং আশপাশের এলাকায় সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে বিপুল টাকা তোলা হয়েছিল। গত কয়েক বছরে সেই টাকা ব্যবহার করে দেবরাজ বিপুল সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে দমদম, নিউটাউন এবং বাগুইআটির মতো এলাকায় সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। উত্তরবঙ্গেও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই সম্পত্তিগুলির সবকটি সরাসরি দেবরাজের নামে রয়েছে কি না, তা এখনও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের অনুমান, পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠদের নাম ব্যবহার করে বেশ কিছু সম্পত্তি কেনা হয়ে থাকতে পারে। গত পাঁচ বছরে, অদিতি মুন্সি বিধায়ক থাকার সময়ে এই সম্পত্তিগুলির বেশিরভাগ তৈরি হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, ওই প্রায় ৩০টি সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা হতে পারে। সম্পত্তিগুলির মালিকানা, কেনার সময়, অর্থের উৎস এবং লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই সংক্রান্ত তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।দেবরাজের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে। সেই অভিযোগের সঙ্গে তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধির কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিই এখন তদন্তকারীদের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একই সঙ্গে কার নামে সম্পত্তি কেনা হয়েছিল এবং সেই সম্পত্তি কেনার টাকা কোথা থেকে এসেছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর মধ্যেই বারাসত আদালতে দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা বলে জানা গিয়েছে। এবার সম্পত্তির নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal