• ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Subrata Mukherjee

রাজ্য

কোন সমীকরণে বালিগঞ্জের 'জয়'-এ চিন্তায় ঘুম উড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের?

বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে বিজেপি ফেরত বাবুল সুপ্রিয়র নাম ঘোষণার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। মুসলিম ভোটারদের একাংশ ভ্রু কুঁচকাতে থাকে। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আসানসোলের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ শিল্পাঞ্চলের দাঙ্গায় মদত দিয়েছিলেন। মুসলিমদের একাংশ বাবুলকে ভোট দিতে বেকে বসেন। দু-একটা মুসলিম সংগঠন প্রকাশ্যে বিবৃতিও দেয়। তারওপর আনিস খুন, বগটুইয়ের গণহত্যার মতো জ্বলন্ত ইস্যু রয়েছে। শনিবার ভোটের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় দুটি ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী এগিয়ে গিয়েছেন, তিন ওয়ার্ডে ব্যাপক ভোট কমেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। মোদ্দা কথা জয়ের ব্যাপক মার্জিন কমেছে তৃণমূল কংগ্রেসের।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায় মোট প্রাপ্ত ভোটের ৭০.৬০ শতাংশ পেয়েছিলেন। এবার বাবুল সুপ্রিয় পেয়েছেন প্রায় ৪৯.৬৯ শতাংশ ভোট। গত বিধানসভায় তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান ছিল ৫০ শতাংশের বেশি ভোট। দ্বিতীয় বিজেপি তখন পেয়েছিল ২০.৬৮ শতাংশ ভোট। এবার মোট ভোট কম পড়লেও শতাংশের হিসাবই দেখিয়ে দিয়েছে গতবারের থেকে এবারের উপনির্বাচনে ভোটপ্রাপ্তির ফারাক। জয়ের ব্যবধানেও ব্যাপক ফারাক হয়েছে। ৭৫ হাজারের ওপর ব্যবধান নেমে এসেছে ২০ হাজারে। দুই আসনে সবুজ ঝড়ের কথা বলা হলেও কার্যত বালিগঞ্জে তৃণমূল ভোট হারিয়েছে। এর পিছনে মুসলিম ভোটই প্রধান কারণ বলে জানিয়ে দিয়েছে বেঙ্গল ইমাম অ্যাসোসিশন। তাঁদের বক্তব্য, বালিগঞ্জে মুসলিম ভোটারদের একটা বড় অংশ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব আত্মসমীক্ষা করে দেখতে পারে। মুসলিমদের একাংশের ভোট তৃণমূল না পাওয়ায় ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই সংগঠনের কর্তারা।রাজনৈতিক মহলের মতে, উপনির্বাচনে শাসকদলের অ্যাডভান্টেজ থাকে এটা অতীতের ফলাফলে প্রমানিত। কিন্তু বালিগঞ্জের ক্ষেত্রে এবার অন্তত সেকথা খাটছে না। সিপিএম এখানে ৩০.০৬ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। কংগ্রেস ৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। অর্থাৎ কংগ্রেস ও সিপিএমের মিলিত ভোট প্রায় ৩৬ শতাংশ। সামনে ২০২৩-এ পঞ্চায়েত ভোট, ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন, ২০২৬-তে বিধানসভা ভোট। বালিগঞ্জের ধারা অব্যাহত থাকলে ভোট রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক-এ সংকট হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Director : সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে শেষ শ্রদ্ধা পরিচালকের

মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়ানে শোকস্তব্ধ আপামোর জনগণ। তাঁর এই ভাবে চলে যাওয়াকে মেনে নিতে পারেনি রাজনীতির আঙিনার মানুষ থেকে সাধারণ মানুষ। নবীন পরিচালক ইন্দিরা ধর মুখোপাধ্যায় তাঁর সুব্রত জেঠুকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নিজের তৈরি পোনে তিন মিনিটের ছবিতে। ছবির সঙ্গীত আয়োজনে বিক্রম ঘোষ। ব্যবহৃত রবীন্দ্রসঙ্গীত আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে গেয়েছেন উজ্জয়িনী মুখোপাধ্যায়।পরিচালক ইন্দিরা জানালেন,কিছুদিন আগেই জেঠুর সঙ্গে দেখা হল। সেই সময় কথা দিয়েছিলেন আমার তৈরি গ্রীন উইন্ডো দেখবেন। সেটা হল না। জেঠুর চলে যাওয়া সবার সঙ্গে আমার পরিবারের কাছেও দুঃখের। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা জেঠুকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ইন্দিরার এক গভীর পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। ইন্দিরার বাবার প্রায় দীর্ঘ ৫০ বছরের বন্ধু ছিলেন তিনি। ইন্দিরাকে মেয়ের মতো দেখতেন। তাঁর কাছে কন্যাসম ছিলেন।

নভেম্বর ১২, ২০২১
কলকাতা

Mamata Bannerjee: 'সুব্রত দা'কে মিস করছেন শোকবিহ্বল মমতা

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত হন মমতা। আজ বিশ্ববাংলা শারদসম্মান পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে বারবার তাই সুব্রত দার কথাই মনে পড়ল মমতার। শুধু নেতা কিংবা মন্ত্রীই নন, শহরের অন্যতম বড় পুজো একডালিয়া এভারগ্রিনের উদ্যোক্তাও ছিলেন তিনি। তাই এ দিনের অনুষ্ঠানে শহরের পুজো উদ্যোক্তাদের মাঝে দাঁড়িয়ে মমতা বললেন, আজ সুব্রত দা-কে সবথেকে বেশি মিস করছি।এ দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই অনুষ্ঠানে আর কেউ আসুক না আসুক সুব্রত দা সবসময় আসতেন। সুব্রত দার মৃত্যুর খবর শুনে আমার প্রথমেই মনে হয়েছে, এবার এভারগ্রিন কার হাতে। চিরকাল যিনি এভারগ্রিন, তিনি আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন।এদিন স্মৃতি হাতড়ে মমতা বলেন, আমার সঙ্গে পুজোর ১৫ দিন আগে থেকে ঝগড়া হত। বলতেন, কবে সময় দিবি, আর বলতেন স্তোত্রটা একবার বলে দিস। আমি জিজ্ঞেস করতাম সুব্রত দা থিম করেন না কেন? বলতেন, আমি সাবেকি পুজো করি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সবাই জানি জন্মালে মৃত্যু হবেই। কিন্তু সুব্রত দার যাওয়ার বয়স হয়নি, সময়ও হয়নি। ভাল থাকতে থাকতে হঠাৎ করেই চলে গেলেন। আমরা তাই মেনে নিতে পারছি না।আজ বিধানসভায় তাঁর স্মৃতিচারণাতেও যোগ দিতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
কলকাতা

Assembly: সুব্রত-স্মরণ দিয়েই শুরু বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন

শীতকালীন অধিবেশনে আর যোগ দেওয়া হল না পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানিয়েই আজ শুরু হচ্ছে বিধানসভার অধিবেশন। প্রয়াত মন্ত্রীর প্রতি শোকবার্তা পাঠ করবেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার বিধানসভায় প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণায় উপস্থিত থাকবেন সব দলের বিধায়করা। এমনকী বিজেপি বিধায়কদেরও অনেকে উপস্থিত থাকবেন বিধানসভায়। এর আগে বঙ্গ বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল, ১৩ নভেম্বরের আগে বিধানসভার অধিবেশনে দলের কোনও বিধায়ক যোগ দেবেন না। কিন্তু এখন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের হঠাৎ প্রয়াণে সেই সিদ্ধান্তে কিছুটা বদল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সুব্রত বাবুর স্মরণ সভায় বিধানসভায় আসবেন বিজেপি বিধায়কদের অনেকেই। বঙ্গ বিজেপির তরফে তেমনটাই স্থির করা হয়েছে।জানা গিয়েছে প্রয়াত মন্ত্রীর স্মৃতিচারণায় এক ঘণ্টা থেকে দেড় ঘণ্টার আলোচনা হবে বিধানসভা ভবনে। সোমবার বিধানসভায় থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Subrata Mukherjee: সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ছোটবেলা কেটেছে বর্ধমানে, শোকে পাথর জন্ম স্থানের গ্রাম

প্রবীণ রাজনীতিবিদ সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকে বিহ্বল নাদনঘাটের নওপাড়া। অধুনা বর্ধমানের নওপাড়ায় ছোটবেলা কেটেছে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। স্থানীয় সুষমা সুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করেছেন তিনি। তারপর বাবা চাকরিসূত্রে সপরিবারে নওপাড়া ছেড়ে বজবজে বসবাস শরু করেন। এখনও অনেকেরই অজানা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের জন্ম স্থান পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাটের নওপাড়ায়। নওপাড়ায় বর্ষীয়াণ এই রাজনীতিকের মূর্তি স্থাপন করা হবে বলে এদিন ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।নওপাড়ায় সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শৈশবের বন্ধুরা তাঁকে সন্টু বলে ডাকতেন। সেকথা জানালেন শামসুল শেখ, তিনকরি বৈরাগ্যরা। তাঁরা অতীতের পাতা থেকে স্মৃতি তুলে ধরলেন। প্রাথমিক স্কুলে পড়ার সময় পেয়ারা পারতে গিয়ে বোলতার কামড় খেয়েছিলেন সুব্রত, জানালেন তিনকরি। মন্ডা খেতে খুব ভালবাসেন। শামসুলের কথায়, খুব ভাল হাডুডু খেলতেন। এককথায় মন্ত্রী হলেও গ্রামকে কখনও ভোলেননি সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গ্রামের জলপ্রকল্প, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উন্নয়নেও সুব্রতবাবুর ভূমিকা ছিল বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।এখন মুখোপাধ্যায় পরিবারের ভিটে বলতে উঁচু মাটির ঢিভি। ঘর-বাড়ির কোনও চিহ্ন নেই। তাছাড়া গ্রামে তাঁদের কয়েক বিঘে চাষের জমি আছে। তা ভাগে চাষ চলছে বংশ পরম্পরায়। আগে ভাগের চাল নিতেন মুখোপাধ্যায় পরিবার। এই গ্রামেই সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বাবা শিক্ষক অশোক মুখোপাধ্যায়ের মূর্তি বসেছে। গ্রামে রয়েছে সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মন্দির। গ্রামে ঢোকার আগে সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মন্দিরে পুজো দিতেন সুব্রত। একথা জানালেন গ্রামের বাসিন্দারা। আজ নওপাড়ার বাসিন্দারা শোকে মুহ্যমান। তাঁর গ্রামের বন্ধুমহলও শোকে পাথর।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
কলকাতা

Subrata-Bhaiduj: ভাইফোঁটার নাড়ু আর খাওয়া হল না সুব্রতর

১১ দিনের লড়াই শেষে না ফেরার দেশে পঞ্চায়েতমন্ত্রী। ভাইফোঁটায় নাড়ু খাওয়া আর হল না। হাসপাতালে যাওয়ার দিন কয়েক আগে নারকেল নাড়ু খেতে চেয়েছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। সুব্রতর বোন বুলবুল চট্টোপাধ্যায় কথা দিয়েছিলেন, ভাইফোঁটার দিন নাড়ু খাওয়াবেন। এক কৌটো নাড়ু বানিয়েও রেখেছিলেন। কিন্তু ফোঁটা নেওয়ার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন দাদা।শুক্রবার রাতে হাসপাতাল থেকে ফেরার কথা ছিল সুব্রতর। ভাইফোঁটার ঠিক আগের দিন। তিন বোন ঠিক করেছিলেন, দাদা বাড়ি ফিরলে দেখা করতে যাবেন। সুব্রতর বাড়ির কাছাকাছি থাকতেন তাঁরা। তনিমা চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর বাড়িতেই দাদার জন্মদিন থেকে ভাইফোঁটা পালন করা হত। হত ঢালাও খাওয়া দাওয়াও। সাবেকি খাবার পছন্দ করতেন সুব্রত। পছন্দ করতেন পোস্তর বড়া, মাছের টক, পাঠার মাংস। এ বার অবশ্য খাবারের সেই বিপুল আয়োজন ছিল না। যেহেতু সুব্রত অসুস্থ এবং হয়তো তাঁর খাওয়াদাওয়ার উপর চিকিৎসকের নিষেধ থাকবে, তাই এ বছর বড় খাওয়াদাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছিলেন বোনেরা। তবে যেহেতু সুব্রত খেতে ভালবাসতেন তা-ই নারকেল নাড়ুর মতো ইচ্ছেপূরণের ব্যবস্থা রেখেছিলেন বোনেরা। তবে সেই ইচ্ছে অপূর্ণই রয়ে গেল।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
কলকাতা

Office Flag: সুব্রতর প্রয়াণে সরকারি দপ্তরে আজ অর্ধনমিত পতাকা

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে, তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে রাজ্য সরকার আজ, সরকারি কার্যালয়গুলিতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কালীপুজোর রাতে গোটা রাজ্যে নেমে আসে অন্ধকার। প্রয়াত হন রাজ্যের বর্ষীয়ান মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ৭৫ বছরে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের জীবনাবসান। সকাল ১০টা থেকে মরদেহ রয়েছে রবীন্দ্রসদনে। রবীন্দ্রসদন থেকে মরদেহ আসবে বালিগঞ্জের বাড়িতে।সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকবিহ্বল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকাল ১০টা-দুপুর ২টো পর্যন্ত রবীন্দ্রসদনে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে। তারপর বিধানসভা হয়ে দুপুর ২টোর পর বাড়ি নিয়ে যাওয়া হবে দেহ। একডালিয়া ক্লাব হয়ে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে প্রয়াত রাজনীতিকের শেষ কৃত্য। আজ, শুক্রবার সরকারি দপ্তরে অর্ধনমিত থাকবে জাতীয় পতাকা। প্রয়াত মন্ত্রীর শ্রদ্ধায় রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
রাজনীতি

Big Breaking: দীপাবলিতেই নিভল জীবনপ্রদীপ, প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়

৭৫-এই নিভল জীবনপ্রদীপ।প্রয়াত হলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুব্রতবাবু। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানান, রাত ৯টা ২২ নাগাদ সিভিয়ার কার্ডিয়াক অ্যারাস্ট হয় তাঁর।এসএসকেএমে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই জানান, সুব্রত মুখোপাধ্যায় প্রয়াত। কালীপুজোতে এ ভাবে আলো নিভে যাবে ভাবতে পারিনি। আমি সুব্রতদার মৃতদেহ দেখতে পারব না। ফিরহাদ হাকিমও উপস্থিত ছিলেন এসএসকেএমে। ফিরহাদ হাকিম বলেন, মমতাদি আসতে আসতে পুরো ভেঙে পড়েছিলেন। বলছিলেন জীবনে অনেক ঝড় ঝাপ্টা দেখেছি। কিন্তু এরকম ভাবে সুব্রতদার চলে যাওয়া ভাবতে পারি না। আজ আমাদের বিরাট ক্ষতি। ৯টা ২২-এ সুব্রতদা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। সিভিয়ার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। স্টেন্ট বসে গিয়েছিল। বাথরুম থেকে ঘরে ঢোকার সময় একটা সিভিয়ার হার্ট অ্যাটাক। পরে আবারও হার্ট অ্যাটাক।২৪ অক্টোবর, রবিবার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে এসএসকেএম হাসপাতালে যাওয়ার পর সুব্রতকে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। শ্বাসকষ্ট বাড়ায় উডবার্ন ওয়ার্ডের আইসিসিইউ-তে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। I am deeply anguished pained by the passing away of veteran politician senior WB Cabinet Minister Shri Subrata Mukherjee.My thoughts are with his bereaved family members, admirers supporters.May his soul attains eternal peace. Om Shanti 🙏🏻 Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) November 4, 2021মন্ত্রীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে টুইট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শোকপ্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর মতে, রাজনৈতিক মহীরুহের পতন হল।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
কলকাতা

Subrata Mukherjee: আপাতত স্থিতিশীল সুব্রত মুখোপাধ্যায়

আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোমবার রাতে আর নতুন করে তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনও অবনতি হয়নি। হৃদরোগের পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবিটিস রয়েছে বর্ষীয়ান এই নেতার। তবে আপাতত বাইপ্যাপেই রাখা হয়েছে তাঁকে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় ছয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড বৈঠকে বসবে।ছয় সদস্যর মেডিক্যাল বোর্ডে কার্ডিওলজির বিভাগীয় প্রধান সরোজ মণ্ডল রয়েছেন। সঙ্গে সিসিইউ স্পেশালিস্ট, মেডিসিন, রেসপিরেটরি মেডিসিন, এন্ডোক্রিনোলজি, নেফ্রোলজির বিশেষজ্ঞ নিয়ে বোর্ড। সকলেই সকালে দেখেছেন। সেই অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু হয়েছে। বিকেলেও তাঁরা প্রত্যেকেই রিভিউ করেন। সেই মতোই ওষুধ ও অন্যান্য চিকিৎসা চলছে।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোমবার রাতে নতুন করে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি। ভালই ঘুম হয়েছে তাঁর। মেডিক্যাল বোর্ডের বৈঠকে মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে পরবর্তী চিকিৎসা পদ্ধতি স্থির করা হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
কলকাতা

Subrata Mukherjee: সংকটজনক সুব্রত মুখোপাধ্যায়

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হল রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে। সোমবার তাঁকে হাসপাতালের সিসিইউ-তে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রবল শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি।জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই সিওপিডি-তে আক্রান্ত সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এই রোগে মাঝেমধ্যেই শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা যায়। সেই সমস্যা আগে থেকেই ছিল। হৃদরোগের কারণে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। জানা গিয়েছেষ মন্ত্রীর অবস্থা সংকটজনক। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।পরিবার সূত্রে খবর, পুজোর সময় খুব একটা বিশ্রামের সুযোগ পাননি মন্ত্রী। আর তার পর থেকেই ধীরে ধীরে তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করে। এমনিতেই তিনি সিওপিডি-র রোগী। রবিবার সকালে তাঁকে প্রথমে এসএসকেএম-এর কার্ডিয়োলজি বিভাগে ভর্তি করানো হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে আইসিসিইউ-তে ভর্তি করানো হয়।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

কোটি টাকার পিকের টিমকে বাদ দিয়ে সুব্রত কেন? প্রশ্ন তুললেন বৈশাখী

কোটি কোটি টাকার ঠিকাদার সংস্থা পিকের টিমকে বাদ দিয়ে কেন নন্দীগ্রামে রেইকি করতে যাচ্ছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়? দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবারের জনসভায় এই প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, একসময় যারা দিদির জেলযাত্রার কামনা করত, যাঁরা তাঁকে বেদের মেয়ে জোসনা বলত, তাঁদের উপর ভরসা রাখছেন। কোটি কোটি টাকা দিয়ে পিকের টিম এতদিন কি করল?উল্লেখ্য বুধবার সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তিন দিন থাকবেন এবং সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। অভাব-অভিযোগ শুনবেন। সেখানে তিনি একটা সার্ভে করবেন। এরপর বিভিন্ন মহলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। রাজনৈতিক মহল মনে করে, ১৯৮৪-তে কংগ্রেস নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই আসনে বিশিষ্ট সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে পরাজিত করে সংসদীয় রাজনীতিতে পা রাখেন কংগ্রেসের তৎকালীন যুব নেত্রী। এবার সেই সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেই নন্দীগ্রামের দায়িত্ব দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে এরপরেই কটাক্ষ শুরু করেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।এই জনসভায় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে একহাত নেন তৃণমূল যুব সর্বভারতীয় সভাপতি তথা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৈশাখী বলেন, ৪২টি গাড়ি নিয়ে ঘুরলেই ভাইপো উন্নয়ন হয় না। উন্নয়ন হয়নি তোমার জেলায়। আজ গ্রামে গিয়ে বুঝলাম। ওই মায়ের চোখের জল দেখে বুঝলাম। রাস্তা দেখে বুঝলাম। ওই ৪২টা গাড়ির একটা থেকে জনতার মাঝে নেমে দেখাও। থাপ্পড় মেরে বের করে দেবে বাংলার জনতা। তিনি সরাসরি আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
কলকাতা

বিজেপি নিজেই নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালিয়েছেঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায়

জেপি নাড্ডা যখন গাড়ি করে যাচ্ছিলেন, তখন তার গাড়ির ভেতর থেকে ভিডিও করে প্ররোচনা তৈরি করা হচ্ছিল। এটা পরিকল্পনামাফিক করা হয়েছে। জ়েপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করলেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পাবলিসিটির নেওয়ার জন্য এসব করা হয়েছে। রাজনীতির নাম করে শান্তিপ্রিয় পশ্চিম বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। আরও পড়ুন ঃ বাংলার পার্টি তৃণমূল, বিজেপি দিল্লির দলঃ মমতা এই পরিকল্পনা সফল হবে না। যদি কেউ অন্যায় করে থাকে তা যদি তৃণমূল কংগ্রেসের দলের কেউ হয়, আমরা খতিয়ে দেখব শাস্তি হবে। দলের কর্মীরা যাতে ফাঁদে পা না দেয়, সেই জন্য সতর্ক থাকতে অনুরোধ করব। তিনি আরও বলেন, আমি অবাক হব না, যদি বিজেপির নেতারা এটা করে থাকেন। আমরা অনেক জায়গায় দেখেছি , ওদের লোকেরা কিছু করে আমাদের নামে দোষ দেয়। যখন ওদের দলের কোনো নেতা আসেন নিজেরা নিরাপত্তা নিয়ে আসেন। আমরাও নিরাপত্তার দিই।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
শিক্ষা

পুত্রশোকের যন্ত্রণাবিদ্ধ বাবার শিক্ষাদানের অনন্য উদ্যোগ

সালটা ২০১১। সেন্ট জেমসের ছাত্র আতিফ জাহিদ ১৬ বছর বয়সে এক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। পুত্রশোকের যন্ত্রণাবিদ্ধ তপসিয়ার বাসিন্দা মহম্মদ জাহিদ এবার শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালেই নিলেন এক অনন্য উদ্যোগ। জীবনে চলার পথে বহু চড়াই-উতরাইয়ের সাক্ষী থেকেছেন, উপলব্ধি করেন অভাবের যন্ত্রণা। তাঁর কথায়, আমার খুব ছোটবেলায় বাবা মারা যান। কিন্তু বাবা জীবিত থাকাকালীন আমাদের কোনও অভাব রাখেননি। তিনি জাহাজে কাজ করতেন। আয়-রোজগারও তাঁর ভালোই ছিল। কিন্তু বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় আমাদের পরিবারটা এক ধাক্কায় পথে বসে গিয়েছিল। আত্মীয় স্বজনদের তখন চিনতে শুরু করলাম। কেউ বললেন আমাদের মাসের সংসার খরচের চাল দেবেন, কেউ বললেন অন্য খরচ দেবেন। কিন্তু সেটা দেওয়া নিয়েও চলতে শুরু করল নানা রসিকতা। আমি তখন নিতান্ত ছোট। তাও বলে দিলাম, কাউকে কিছু দিতে হবে না। আমাদের খাওয়ার পয়সা আমিই জোগাড় করে নিতে পারব। শুরু হলো আমার জীবনের আর একটা অধ্যায়। বাজারে গিয়ে সায়া, ব্লাউজ বিক্রি শুরু করলাম। কোনও দিন খাওয়া জুটতো, কোনও দিন জুটতো না। সেই ব্যবসা ভালো চলত না। তাই একদিন সব বিক্রি করে দিয়ে এক ভদ্রলোকের মাধ্যমে চামড়ার ব্যবসা শুরু করলাম। তখন এক পিস চামড়া বিক্রি করতে পারলে ৫ টাকা কমিশন পেতাম। আজ আমি চু লি ট্যানারি, মুমতাজ লেদার ওয়ার্কস, আথিফ লেদার ইন্ডাস্ট্রি এবং স্ট্যান্ডার্ড লেদার -এর মালিক। কয়েক কোটি টাকার টার্নওভার, সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে সোজা পথেই আমার ব্যবসা চলছে। তবে এরই মধ্যে আমার ছেলে আতিফ চলে গেল। পুত্রশোক আমায় অনেকটাই থমকে দেয়। পুত্র আতিফের স্মরণেই শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ দুঃস্থ শিশুদের জন্য নিখরচায় কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের স্কুল খুললেন মহম্মদ জাহিদ। কলকাতার ৬০ নম্বর ওয়ার্ডে। লকডাউনে ৯ হাজার মানুষের অন্নসংস্থান, বস্ত্রদানের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি এবার মহরমেও প্রতি বছরের মতো তিন হাজার মানুষকে অন্নদানের ব্যবস্থা করেছেন মহম্মদ জাহিদ। তবে সবচেয়ে তৃপ্তি পেলেন কম্পিউটার শিক্ষাদানের স্কুল করতে পেরে। ক্লাস ফোর থেকে বিভিন্ন ক্লাসের পড়ুয়ারা ৬ মাসের সার্টিফিকেট কোর্সে ভর্তি হতে আবেদন করেছে। বছরখানেকের মধ্যে ১০০টি কম্পিউটার বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে যেখানে রেস্তোরাঁকে তিনি রূপান্তরিত করেছেন কম্পিউটার স্কুলে। দুঃস্থ, নিম্নবিত্ত আয়ের পরিবারের সন্তানদের নিখরচায় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিতে চারজন প্রশিক্ষক রেখেছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই প্রতি ব্যাচে ২০ জন করে শিক্ষার্থী নেওয়া হবে। তাদের মধ্যে থেকে মেধাবিদের শিক্ষার সমস্ত খরচও বহন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মহম্মদ জাহিদ। এখানকার শিক্ষার্থীদের মধ্যেই নিজের সন্তানকে খুঁজে পেতে চান সন্তানহারা যন্ত্রণাবিদ্ধ স্নেহশীল এই পিতা। ইন্ডিয়ান স্কুল অফ কম্পিউটার লার্নিং, ১২, জাননগর রোড, কলকাতা-৭০০০১৭

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেষ মুহূর্তে বড় সিদ্ধান্ত! ইরানে হামলা স্থগিত, আচমকা কী ঘোষণা করলেন ট্রাম্প?

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হলেও শেষ মুহূর্তে পরিস্থিতিতে বড় মোড় এল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। তাঁর এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। বাহরিন, ইরাক, ইজরায়েল, জর্ডন, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের প্রয়োজন হলে দ্রুত দেশ ছাড়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। এই সতর্কবার্তার পরই সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের জল্পনা তীব্র হয়ে ওঠে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তাঁর দাবি, সম্ভাব্য চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত সামরিক অভিযান থেকে সরে এসেছে আমেরিকা।ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ আমেরিকাকে হামলা না করার অনুরোধ জানিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি থেকে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা উদ্বেগের সমাধান নিয়ে আলোচনা এগোচ্ছে। তবে এই দাবিগুলির স্বাধীনভাবে সরকারি বা আন্তর্জাতিক সূত্রে পূর্ণ নিশ্চিতকরণ তখনও পাওয়া যায়নি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের বৃহত্তর স্বার্থ এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই তিনি সামরিক অভিযান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর আশা, দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।এর আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা ছড়িয়েছিল, আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও পরমাণু পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালাতে পারে। সেই আশঙ্কার মধ্যেই ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা সাময়িক স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোবে, তা নির্ভর করবে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার ফলাফলের উপর।

আগস্ট ০২, ২০২৬
কলকাতা

জঙ্গি দমনে বড় পদক্ষেপ! রাজ্যে আসছে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী, নজরে একাধিক জেলা

রাজ্যে জঙ্গি দমনে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট এবং দিল্লির ধাঁচে একটি নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ভাবনা-চিন্তা চলছে। এই নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠকও হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।বর্তমানে রাজ্য পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের আলাদা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স রয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় এই দুই বাহিনীকে একত্রিত করে আরও শক্তিশালী কাঠামো তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লক্ষ্য, জঙ্গি কার্যকলাপ, স্লিপার সেল এবং নাশকতার সম্ভাবনা আরও দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।সম্প্রতি হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগী অর্পিতা সরকারকে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দাদের নজর আরও তীক্ষ্ণ হয়েছে। তদন্তে উঠে আসা বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে গোয়েন্দারা মনে করছেন, জঙ্গি সংগঠনগুলির নেটওয়ার্ক, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং অনলাইন যোগাযোগের উপর আরও কড়া নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্ত এলাকা ও সংবেদনশীল জেলাগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সূত্রের খবর, নতুন বাহিনীর নেতৃত্বে একজন আইজি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক থাকতে পারেন। তাঁর অধীনে ডিআইজি, এসপি-সহ বিভিন্ন স্তরের অফিসাররা কাজ করবেন। মূল দপ্তর কলকাতা বা তার আশপাশে তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলায় শাখা দপ্তর খোলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।গোয়েন্দাদের প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী এবং অতীতে জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্তে উঠে আসা কয়েকটি জেলা বিশেষ নজরদারির আওতায় থাকতে পারে। সেখানে নতুন বাহিনীর শাখা তৈরি হলে স্থানীয় স্তরে তথ্য সংগ্রহ, সন্দেহজনক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় আরও দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।রাজ্যের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা এবং সম্ভাব্য জঙ্গি নেটওয়ার্ক দ্রুত চিহ্নিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। তবে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠন নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কোনও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা হতে পারে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

ইনস্টাগ্রামের প্রেম থেকে জঙ্গি জাল! হামিম-অর্পিতার সম্পর্ক ঘিরে বিস্ফোরক তথ্য তদন্তে

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে তদন্তকারীরা। সেই তদন্তেই উঠে এসেছে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের নাম। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় হয় এবং পরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বড় নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডল ও ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের সম্পর্ক ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, সোশাল মিডিয়ায় পরিচয়ের পর তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সেই সম্পর্ককে ব্যবহার করে হানিট্র্যাপ, ব্ল্যাকমেল এবং অপহরণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হাওড়ার এক মন্ত্রীর ছেলেকে দীর্ঘ সময় ধরে সোশাল মিডিয়ায় যোগাযোগের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, সেই সূত্রে টাকা আদায় এবং পরে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের সব দিক এখনও তদন্তাধীন।এসটিএফের প্রাথমিক অনুমান, শুধু একজন নয়, আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকেও একইভাবে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল। হামিম ও অর্পিতার মাধ্যমে একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। সম্ভাব্য টার্গেটদের গতিবিধির উপর নজর রাখার কাজও চলছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা অর্পিতা সরকার সোশাল মিডিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ভিডিও তৈরি করতেন। প্রায় চার বছর আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। হামিম নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে তাঁদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ শুরু হয় এবং সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।তদন্তকারীদের দাবি, হামিমের মাধ্যমে অর্পিতার পরিচয় পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে হয়। এরপর তাঁকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা এখন খতিয়ে দেখছে, এই নেটওয়ার্কে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না এবং একই ধরনের হানিট্র্যাপের ঘটনায় অন্য কোনও ব্যক্তি জড়িয়ে পড়েছিলেন কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের একাধিক বহুতলে সতর্কতা! সেখানেই লুকিয়ে থাকতে পারে হামিমরা

জঙ্গি কার্যকলাপে ভাড়া বাড়ির ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রাজ্যে। পূর্ব বর্ধমান থেকে জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিভিন্ন আবাসনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া ফ্ল্যাটকে ব্যবহার করে কোনও নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছিল কি না।হামিম মণ্ডলকে পূর্ব বর্ধমানের একটি আবাসনের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার পর দুর্গাপুর ও কাঁকসা এলাকার বড় বড় আবাসনগুলিতেও সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রশাসনের মতে, ভাড়াটিয়াদের পরিচয় যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা রাখা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।দুর্গাপুরের অন্যতম বড় আবাসন তপোবন সিটিতে বহু পরিবার বসবাস করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মসূত্রে বহু মানুষ এখানে ভাড়া থাকেন। সেই কারণে আবাসনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় আবাসনের বাসিন্দাদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন, কেউ ফ্ল্যাট ভাড়া দিলে ভাড়াটিয়ার আধার, ভোটার পরিচয়পত্র-সহ প্রয়োজনীয় নথির অনুলিপি স্থানীয় থানায় জমা দিতে হবে। পাশাপাশি কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে হবে।উল্লেখ্য, এর আগেও কাঁকসা এলাকা থেকে বাংলাদেশভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ। সেই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। এবার হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর আবারও ভাড়া আবাসনগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া বাড়িকে ব্যবহার করে কোনও সংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
কলকাতা

রবীন্দ্রসদনে নজিরবিহীন ঘটনা! জয় গোস্বামীকে ঘিরে দর্শকদের আপত্তি, পরে মুখ খুললেন তসলিমা

রবীন্দ্রসদনে তসলিমা নাসরিনকে সংবর্ধনা এবং তাঁর বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে এমন একটি ঘটনা ঘটল, যা নিয়ে সাহিত্য ও সংস্কৃতি মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বক্তব্য রাখতে উঠে তসলিমা দর্শকাসনে বসে থাকা কবি জয় গোস্বামীকে মঞ্চে আসার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু জয় গোস্বামী আসন ছেড়ে মঞ্চের দিকে এগোতেই দর্শকদের একাংশ আপত্তি জানাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি বুঝে তিনি আর মঞ্চে না উঠে নিজের আসনে ফিরে যান।ঘটনার পরে নিজের বক্তব্যে তসলিমা নাসরিন বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মুক্ত চিন্তার গুরুত্বের কথা বলেন। যদিও মঞ্চে দাঁড়িয়ে জয় গোস্বামীর ফিরে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে কোনও মন্তব্য করেননি। পরে সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি জানান, তিনি আন্তরিকভাবেই জয় গোস্বামীকে মঞ্চে ডাকেন। তাঁর কথায়, একজন বড় কবি হিসেবে জয় গোস্বামীর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা রয়েছে। রাজনৈতিক মতের মিল না থাকলেও সাহিত্যিককে সম্মান জানানো উচিত বলেই তিনি মনে করেন।তসলিমা আরও বলেন, তিনি এমন পরিবেশের পক্ষপাতী নন যেখানে মতের অমিল থাকলেই কাউকে বর্জন করা হবে। তাঁর মতে, ভিন্ন রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত মত থাকলেও একই মঞ্চে উপস্থিত থাকা এবং পরস্পরকে সম্মান করা গণতান্ত্রিক সমাজের লক্ষণ।রবীন্দ্রসদনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, একজন প্রখ্যাত কবিকে এভাবে মঞ্চে উঠতে না দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক। আবার অন্য একটি অংশের দাবি, জয় গোস্বামীর অতীত অবস্থানের কারণেই দর্শকদের একাংশ এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তবে এই ঘটনার পর তসলিমার মন্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।এই ঘটনার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্যও এখন আলোচনায়। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তসলিমা নাসরিন বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের পক্ষে জোরালো বার্তা দেন। সেই অনুষ্ঠানেই জয় গোস্বামীকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
দেশ

যুব সমাজকে ঘিরে বড় সতর্কবার্তা মোদীর! কেন বললেন, শত্রুরা নেশার ফাঁদে ফেলতে চাইছে ভারতকে?

দেশের ভবিষ্যৎ যুব সমাজের হাতেই। তাই তরুণ প্রজন্মকে নেশার কবল থেকে দূরে রাখতে দেশজুড়ে বড় উদ্যোগ নিল কেন্দ্র সরকার। রবিবার নেশা মুক্ত যুব কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, নেশা শুধু একজন মানুষের জীবন নষ্ট করে না, ভেঙে দেয় একটি পরিবারের স্বপ্ন এবং দুর্বল করে দেশের ভবিষ্যৎ।বিকশিত ভারত সংকল্প অভিযান-এর অংশ হিসেবে দেশজুড়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একযোগে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেশা একজন মায়ের মুখের হাসি কেড়ে নেয়, বাবার আশা ভেঙে দেয় এবং পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে কষ্ট দেয়। তাই যুব সমাজকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শত্রুরা শুধু সীমান্তে নয়, সমাজের ভিতরেও আঘাত হানার চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, মাদক ছড়িয়ে দিয়ে যুব সমাজকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্রও চলছে। মাদকের অবৈধ ব্যবসা থেকে বিপুল অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি দেশের শক্তিকে দুর্বল করাও তাদের উদ্দেশ্য হতে পারে। তাই প্রত্যেক যুবক-যুবতীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।দেশজুড়ে এই কর্মসূচি উপলক্ষে প্রায় আটাশ হাজারের বেশি স্থানে অনুষ্ঠান হচ্ছে। আয়োজকদের দাবি, এক কোটিরও বেশি যুবক-যুবতী এতে অংশ নিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত রয়েছেন। তরুণদের নেশামুক্ত জীবন গড়ে তোলার বার্তা দিতে একাধিক আধ্যাত্মিক নেতা, সমাজসেবী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বক্তব্য রাখছেন।এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও অংশ নিয়েছে। ব্রহ্ম কুমারী, ইসকন, চিন্ময় মিশন, অরোভিল-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা যুব সমাজকে সচেতন করার উদ্যোগে শামিল হয়েছেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বহু তরুণ নেশামুক্ত সমাজ গড়ার শপথও নেন।ভারতে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে কেন্দ্র সরকার গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নিয়মিত প্রচার, সচেতনতা অভিযান ও পুনর্বাসন কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই নেশা মুক্ত যুব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, যুব সমাজকে সচেতন করে তুলতে পারলেই সুস্থ, শক্তিশালী এবং উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্য আরও সহজ হবে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়ায় মিলল হামিমের গোপন ঘাঁটি! জামার ট্যাগের দোকানের আড়ালে চলত কী ভয়ঙ্কর খেলা?

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে গ্রেপ্তার হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে ফের বড় তথ্য সামনে এসেছে। এবার হাওড়ার পিলখানায় তার ব্যবহৃত একটি ঠিকানার খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সেখানে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির কাজ হত। তবে এই ব্যবসার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঠিকানা থেকেই বিভিন্ন পরিকল্পনা পরিচালিত হত কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কয়েক দিন আগে পূর্ব বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি চক্রের সঙ্গে তার যোগাযোগের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের গতিবিধি নজরদারির অভিযোগও সামনে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই হামিমের অতীত এবং তার ব্যবহৃত বিভিন্ন ঠিকানা নিয়ে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে।প্রথমে জানা গিয়েছিল, হামিমের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। কিন্তু সুনির্দিষ্ট ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তদন্তে আলম মিস্ত্রি লেনের একটি বহুতলের খোঁজ মেলে। ওই বহুতলের একতলায় ভাড়া নেওয়া দুটি ঘরেই থাকত হামিম বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে একটি ছোট ব্যবসা পরিচালিত হত।স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি ঘরে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির মেশিন বসানো ছিল। অন্য ঘরে কম্পিউটারের মাধ্যমে অফিসের কাজ করা হত। হামিমের বাবা মনিরউদ্দিন মণ্ডলও সেখানে থাকতেন বলে জানা গিয়েছে। তবে হামিমের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা কোনওদিনও এমন সন্দেহ করেননি।বহুতলের মালিক জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে ঘর দুটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। একটি ঘরের মাসিক ভাড়া ছিল সাত হাজার টাকা এবং অন্যটির চার হাজার টাকা। তাঁর দাবি, গত প্রায় দুই মাস ধরে হামিমকে এলাকায় দেখা যায়নি। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে তার বাবাকেও আর এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর দাবি, হামিমের বাবার সঙ্গে মাঝে মধ্যে দেখা হলেও হামিমের সঙ্গে তেমন কোনও যোগাযোগ ছিল না। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ওই ব্যবসা শুধুই ব্যবসা ছিল, নাকি তার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত। পাশাপাশি হামিমের সঙ্গে যিনি বাবা পরিচয়ে থাকতেন, তিনি সত্যিই তার বাবা ছিলেন কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় এসেছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
টুকিটাকি

বর্ষাকালে চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা? শ্যাম্পু থেকে চালের জল, জানুন সমাধানের ঘরোয়া টোটকা

বর্ষাকালে অনেকেরই চুল পড়া বেড়ে যায়। এর প্রধান কারণ হলো বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় মাথার ত্বকে ঘাম ও তেল জমে, খুশকি বাড়ে, চুলের গোড়া দুর্বল হতে পারে। এছাড়া ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ রাখা, সঠিক খাবারের অভাব, মানসিক চাপ ও ঘুমের সমস্যাও চুল পড়ার কারণ হতে পারে।বর্ষায় চুল পড়া কমানোর ঘরোয়া যত্ন১) নিয়মিত মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখুনসপ্তাহে ২৩ দিন মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন। ঘাম বা বৃষ্টিতে ভিজে গেলে চুল শুকিয়ে নিন। ভেজা চুল আঁচড়াবেন না, এতে চুল সহজে ভেঙে যায়।২) তেলের হালকা মালিশনারকেল তেল বা বাদাম তেল হালকা গরম করে সপ্তাহে ১২ দিন মাথায় মালিশ করতে পারেন। ১২ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। অতিরিক্ত তেল দিয়ে সারারাত রেখে দিলে বর্ষায় কারও কারও খুশকি বাড়তে পারে।৩) মেথি ও দইয়ের প্যাক১২ চামচ ভেজানো মেথি বেটে তার সঙ্গে সামান্য দই মিশিয়ে চুলে লাগানো যায়। ২০৩০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে।৪) অ্যালোভেরাখাঁটি অ্যালোভেরা জেল মাথার ত্বকে ২০ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন। শুষ্কতা ও চুলকানি কমাতে সাহায্য করতে পারে।চালের জল (Rice Water) চুলের যত্নে কিছুটা উপকারী হতে পারে, তবে এটি চুল পড়া পুরোপুরি বন্ধ করার প্রমাণিত ওষুধ নয়। অনেকেই ঘরোয়া উপায় হিসেবে ব্যবহার করেন, কারণ এতে কিছু অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি, মিনারেল ও স্টার্চ থাকে, যা চুলকে সাময়িকভাবে মসৃণ ও শক্ত মনে করতে সাহায্য করতে পারে।চালের জল চুলে কীভাবে উপকার করতে পারে?✅ চুলের রুক্ষতা কমাতে সাহায্য করতে পারে✅ চুলে চকচকে ভাব আনতে পারে✅ চুলের গোড়া ও স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করতে পারে✅ চুল ভাঙা কিছুটা কম মনে হতে পারেকীভাবে ব্যবহার করবেন?১ কাপ চাল ভালো করে ধুয়ে ২৩ কাপ জলে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।সেই জল ছেঁকে নিন।শ্যাম্পুর পরে চুলে ও মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১০১৫ মিনিট রাখুন।তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট।গবেষকদের মতে চুল ভালো রাখতে যা জরুরি✅ প্রোটিনযুক্ত খাবার খানডিম, মাছ, ডাল, দুধ, বাদাম।✅ ভিটামিন ও খনিজ পেতে শাকসবজি ও ফল খান।✅ পর্যাপ্ত জল পান করুন।✅ প্রতিদিন ৭৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।✅ খুব টাইট করে চুল বাঁধা, অতিরিক্ত হেয়ার ড্রায়ার বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট এড়িয়ে চলুন।বর্ষায় পুরোপুরি চুল পড়া বন্ধ করা সম্ভব নয়, কারণ প্রতিদিন কিছু চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে নিয়মিত পরিচর্যা, পুষ্টিকর খাবার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখলে চুল পড়া অনেকটাই কমানো যায়।

আগস্ট ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal