• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Srilanka

রাজ্য

শ্রীলঙ্কায় তাণ্ডবের পর ভারতের দিকে ঘূর্ণিঝড়! বাংলায় কী প্রভাব পড়বে দিতওয়াহার?

শ্রীলঙ্কার উপকূলে তাণ্ডব চালিয়ে ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহা এখন ভারতের দিকে এগোচ্ছে। তবে আবহাওয়া দফতর স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ঝড়ের সরাসরি কোনও প্রভাব বাংলায় পড়বে না। ঝড়টি তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি উপকূলের কাছাকাছি এসে সমুদ্রের মধ্যেই শক্তি হারাবে। স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে হাওয়ার গতিপথ বদলাচ্ছে, যার ফলে বাংলায় তাপমাত্রার ওঠানামা শুরু হয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে কমছে রাতের তাপমাত্রা। রাতের দিকে সামান্য উষ্ণতা থাকলেও সকালবেলা হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। দু-একটি জায়গায় দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারের কাছাকাছি নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে কলকাতার তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে পারদ ১৫ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবারের পর ধীরে ধীরে আরও নামবে তাপমাত্রা। শুক্র ও শনিবার নাগাদ কলকাতায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রিতে এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১১ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে। উইকেন্ডে শীতের আমেজ ফের জোরালো হতে পারে।উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় আপাতত তাপমাত্রার বড় কোনও পরিবর্তন নেই। বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই। শুষ্ক আবহাওয়াই থাকবে। তবে মালদহ ও দুই দিনাজপুরে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সপ্তাহের মাঝামাঝি আবার পারদ নামতে শুরু করবে।দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া দিতওয়াহা উপকূলের কাছে এলেও সমুদ্রেই শক্তি হারাবে। ঝড়টি স্থলভাগ থেকে ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে। এর প্রভাবে দক্ষিণ ভারতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে হরিয়ানার উপর একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনাও আছে।কলকাতায় আগামী কয়েকদিন সকালে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা একটু বেশি থাকায় সকাল-সন্ধ্যায় শীতের আমেজ কিছুটা কম থাকবে। দিনের বেলাতেও শীত বিশেষ অনুভূত হবে না। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে, কোথাও আংশিক মেঘ দেখা যেতে পারে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকবে। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৯ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৪৮ থেকে ৯৪ শতাংশের মধ্যে।দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা তাপমাত্রার খুব একটা বদল হবে না। মঙ্গলবারের পর থেকে পরের দু-তিন দিনে প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতে পারে। শুক্রবার নাগাদ কলকাতা ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভালো রকম ঠান্ডা পড়তে পারে। আগামী কয়েক দিন রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে ভোরের দিকে। উপকূলের জেলাগুলিতে কুয়াশার প্রভাব বেশি হতে পারে। তবে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গেও শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ থাকবে, কিন্তু দিনের দিকে শীত অনেকটাই কম অনুভূত হবে। দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রির কাছে থাকতে পারে। মালদহে পারদ থাকবে প্রায় ১৭ ডিগ্রির ঘরে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে সকালের দিকে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। উইকেন্ডে পাহাড়ি এলাকাতেও কুয়াশা বাড়তে পারে

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
বিদেশ

এক রাতেই বদলে গেল দেশের চেহারা, শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব

ক্রমে ভয়াল রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় দেতোয়া। শ্রীলঙ্কা জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে এই শক্তিশালী ঝড়। বহু বছর পর এমন ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। একের পর এক প্রাণহানির খবর সামনে আসছে। এখনও পর্যন্ত সরকারি হিসেবে মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের, তবে উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ২১ জন। টানা ভারী বৃষ্টিতে একাধিক এলাকায় ধস নেমেছে। শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র বন্যার জল ঢুকে পড়েছে। বহু ঘরবাড়ি ভেসে গিয়েছে। প্রায় ৪৪ হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়ে পড়েছেন। জলস্তর এখনও বাড়ছে।দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনকে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কাজে নামার নির্দেশ দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমারা দিশানায়েকে। ২০২৫ সালের বাজেট থেকে জরুরি ত্রাণের জন্য ১.২ বিলিয়ন টাকা তাৎক্ষণিক সাহায্যের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে আরও ৩০ বিলিয়ন টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রশাসনিক কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য নতুন নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা সদর দফতরে খোলা হয়েছে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, চালু করা হয়েছে দশটি জরুরি হটলাইন।ভারি বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত পরিবহন ব্যবস্থা। রাজধানী কলম্বোর বহু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ এক্সপ্রেসওয়ের একাধিক অংশে যান চলাচল বন্ধ। খারাপ দৃশ্যমানতার কারণে বেশ কিছু বিমান তিরুঅনন্তপুরম, কোচিন ও মাত্তালায় ঘুরিয়ে দিতে হয়েছে।এই বিপদের সময়ে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। শুরু হয়েছে অপারেশন সাগর বন্ধু। শুক্রবার ভারতের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী ও জরুরি সাহায্য পাঠানো হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শ্রীলঙ্কাকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় দেতোয়ার কারণে যাঁরা প্রিয়জন হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি তাঁর গভীর সমবেদনা রইল। সব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নিরাপত্তা ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি।শ্রীলঙ্কা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, খারাপ আবহাওয়ার জেরে ১২,৩১৩টি পরিবারের ৪৩,৯০০ জনেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দেশজুড়ে এখনও চলছে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে এএফসি কাপের মূলপর্বে সবুজমেরুন

আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এএফসি কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল এটিকে মোহনবাগান। ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের ঢাকা আবহনীকে ৩-১ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ৬ মিনিটে বাদিক থেকে জনি কাউকোর বাড়ানো ক্রস থেকে এটিকে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৭ মিনিট পর সমতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ এসেছিল আবহনীর সামনে। কিন্তু জালে বল রাখতে পারেননি ড্যানিয়েল কলিন্ড্রেস।প্রথম গোল খাওয়ার পর চাপে পড়ে যায় ঢাকা আবাহনী। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেশ কয়েকবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসেন এটিকে মোহনবাগানের কাউকো-লিস্টনরা। তবে আবাহনীর রক্ষণের তৎপরতায় গোল মুখ খুলতে পারেনি সবুজমেরুন। ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় প্রবীর দাসের সেন্টার থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো। তাঁর শট বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দেওয়া সবুজমেরুন ২৯ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের গোলে ব্যবধান বাড়ায়। প্রবীর দাসের সাজিয়ে দেওয়া বল থেকে গোল তুলে আনতে কোনও ভুল করেননি ডেভিড উইলিয়ামস। প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক পুর্ণ করতে পারতেন এই অস্ট্রেলীয় স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে তিনি আবহনী গোলরক্ষকের গায়ে মারেন।দ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান হঠাৎই খেলা থেকে হারিয়ে যায়। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেয় আবহনী। ঢাকা আবহনী একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। পর পর সুযোগ তৈরি করেও সবুজমেরুনের বক্সের মধ্যে গিয়েই খেই হারিয়ে ফেলছিল ঢাকার দল। প্রায় দুটি ক্ষেত্রে নিশ্চিত গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আবহনী। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনার সুফল পায় ৬১ মিনিটে। রাকিব হোসেনের ডান পায়ের ফ্লিক ধরে বিশ্বমানের গোল করে যান কোস্টা রিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। ম্যাচের ৭০ মিনিটের পর আবার ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে এটিকে মোহনবাগান। আবহনীর মরিয়া লড়াই রুখে ফের আক্রমণাত্মক মেজাজে ফিরে আসে সবুজমেরুন। এই সময়ে দুটি সহজ সুযোগ মিসও করে বাগান জনতার প্রিয় ক্লাবটি। গোল নষ্টের মহরার মধ্যে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে ঢাকা আবহনীর কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ডেভিড উইলিয়ামস।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Sunil Chetri: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ভারত, পেলের কৃতিত্বের সামনে সুনীল ছেত্রি

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ড্র করায় বেশ বিপাকে ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে গেলে লিগের বাকি ম্যাচগুলোতে জিততে হবে ইগর স্টিম্যাকের দলকে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন সুনীল ছেত্রিরা।আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে ১০ জনে পেয়েও হারাতে পারেনি ভারত। সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স নিয়ে চারিদিকে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশের কাছে আটকে যাওয়াটা এখনও মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না কোচ থেকে ফুটবলাররা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। আগের ম্যাচ ড্র করে মনোবলে আঘাত লাগছেও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। আর আত্মবিশ্বাসের মূল কারণ বাংলাদেশের থেকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল শ্রীলঙ্কা। শক্তির বিচারে ভারতীয় দলের তুলনায় শ্রীলঙ্কা অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তা সত্ত্বেও বিপক্ষ শিবিরকে একেবারেই হালকা ভাবে নিচ্ছে ভারতীয় শিবির। পচা শামুকে পা কাটতে পারে, এই আশঙ্কায় ভুগছে ভারতীয় শিবির। তবে আগের ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে গোটা দল নতুনভাবে ঝাঁপাতে চাইছে। ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাকও বাংলাদেশ ম্যাচের কথা এখনও মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারছে না। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে আমাদের ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে। এবার আমাদের সামনে তাকাতে হবে। গ্রুপ লিগে এখনও তিনটে ম্যাচ বাকি। এই ম্যাচগুলিতে আমাদের আরও ভাল খেলতে হবে। বাকি ম্যাচগুলো জিতলে আমাদের ফাইনালে যেতে সমস্যা হবে না। ফুটবলারদের ধৈর্য ধরতে হবে।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের খেলায় হতাশ ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচে প্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। তবে প্রথম একাদশ খোলসা করেননি। এই ব্যাপারে তিনি বলেন, আমাদের হাতে এখনও অনেকটা সময় আছে। ম্যাচের আগে প্রথম একাদশ ঠিক করব। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে ফুটবলারদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমাদের বেশ কয়েকটা জায়গায় উন্নতি করতে হবে। রক্ষণ আরও মজবুত করতে হবে।স্টিম্যাক আরও বলেন, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয়ের জন্য যা কিছু করা সম্ভব, সবই করব। দল হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে সমীহ করতেই হবে। তবে একটা কথা বলব, দুই ম্যাচ খেলে ওরা ২ পয়েন্ট পেয়েছে ঠিকই। কিন্তু ওদের ১ পয়েন্টও পাওয়া উচিত ছিল না। এটাই ফুটবল। এদিকে, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পেলের মাইলস্টোন ছোঁয়ার লক্ষ্যে নামছেন সুনীল ছেত্রি। আর ১ গোল করলেই তিনি দেশের হয়ে পেলের করা ৭৭ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করবেন।

অক্টোবর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

P‌ak Cricket : পাকিস্তানে খেলার প্রস্তাব নাকচ বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার?‌ কেন

পাকিস্তান ক্রিকেটের সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না। কয়েকদিন আগেই নিরাপত্তা ও সুরক্ষার স্বার্থে সিরিজ না খেলেই দেশে ফিরে গেছে নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডও পাকিস্তানে সিরিজ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরমধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিল সে দেশে গিয়ে সিরিজ খেলার। কিন্ত এই দুই দেশ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের পক্ষে এই মুহূর্তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলা সম্ভব নয়।পাকিস্তানে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার কথা ছিল নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড দলের। নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার স্বার্থে পাকিস্তানে ক্রিকেট খেলতে রাজি হয়নি দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড। তাতেই দারুণ ক্ষুব্ধ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আইসিসিতে লড়াই করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান রমিজ রাজা পাকিস্তানকে ব্যবহার করার জন্য অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডসহ পশ্চিমের দেশগুলিকে ব্লক করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।নিউজিল্যান্ড দল পাকিস্তানের সিরিজ থেকে সরে যাওয়ার পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সংক্ষিপ্ত সিরিজের জন্য শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছে প্রস্তাব রেখেছিল। কিন্তু আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে দুই দেশেই সিরিজ খেলতে রাজি হয়নি। যদিও বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, পাকিস্তানে ক্রিকেট দল পাঠাতে তাদের কোনও অসুবিধা নেই। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও ওয়াসিম খান জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তান সফরে ইচ্ছুক ছিল। কিন্তু তাদের কাছে অন্য প্রতিশ্রুতি থাকায় এই সংক্ষিপ্ত নোটিশে সিরিজ খেলা সম্ভব নয়।ওয়াসিম খান এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান দুই দেশের বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছিলেন যাতে সংক্ষিপ্ত সিরিজ খেলতে আসে। দুই দেশের বোর্ড জানিয়েছে, পাকিস্তানে খেলতে তাদের কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু পূর্ব পরিকল্পিত সিরিজ বাতিল করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলা সম্ভব হয়নি।বাংলাদেশ মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পরপর দুটি সিরিজ খেলার পর খেলোয়াড়দের সময় ছিল না। তাই পাকিস্তান যাওয়া সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন যে, সরকারের কাছ থেকে কোনও ধরনের ছাড়পত্র পাওয়ার আগে বোর্ড জাতীয় স্তরের কোনও দল পাকিস্তানে পাঠাতে পারেনি। অন্যদিকে ঘরের মাঠে দুই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল হওয়া ভারতের বিরুদ্ধে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ এনেছে পাকিস্তানের কিছু মহল।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : ‌টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারত

একদিনের সিরিজের পর টি২০ সিরিজেও ভারতের দাপট অব্যাহত। প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৩৮ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। দুরন্ত বোলিং করে দলকে জেতালেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২২ রানে তুলে নিলেন ৪ উইকেট। ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন সূর্যকুমার যাদবআরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরটসে জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকা। মেঘলা আবহাওয়া ও মন্থর উইকেটের কথা মাথায় রেখেই তিনি প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অধিনায়কের সিদ্ধান্তর মর্যাদা দেন দুষ্মন্ত চামিরা। দিনের প্রথম বলেই তুলে নেন টি২০ ক্রিকেটে অভিষেককারী পৃথ্বী শকে (০)। শুরুর ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান ও সঞ্জু স্যামসন। সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই ফিরে যান সঞ্জু (২০ বলে ২৭)। ভারতের রান তখন ৫১/২।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেধাওয়ানের সঙ্গে পরে সূর্যকুমারের জুটি বেশ জমে উঠেছিল। মন্থর উইকেটে নিজেদের সেরা শট খেলতে পারছিলেন না ধাওয়ান ও সূর্যকুমার। ৩৬ বলে ৪৬ রান করে করুণারত্নের বলে আউট হন ধাওয়ান। পরের ওভারেই হাসারাঙ্গার বলে ফেরেন সূর্যকুমার। ৩৪ বলে তিনি করেন ৫০। সূর্যকুমারের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ২টি ৬। টি২০ সিরিজেও খারাপ সময় কাটিয়ে উঠতে পারলেন না হার্দিক পান্ডিয় (১২ বলে ১০)। ১৪ বলে অপরাজিত ২০ রান করে ভারতকে ২০ ওভারে ১৬৪/৫ রানে পৌঁছে দেন ঈশান কিশান।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। মিনোড ভানুকাকে (৭ বলে ১০) তুলে নিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে (১০ বলে ৯) ফেরান যুজবেন্দ্র চাহাল। আভিস্কা ফান্দান্দোকে (২৩ বলে ২৬) তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ৫০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। চরিথ আসালঙ্কা ও আশেন বান্দারা দলকে টেনে নিয়ে যান। বান্দারাকে (১৯ বলে ৯) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন হার্দিক পান্ডিয়া। আসালঙ্কাকে (২৬ বলে ৪৪) দীপক চাহার তুলে নিতেই শ্রীলঙ্কার জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। ১৮.৩ ওভারে ১২৬ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs Sri Lanka Match : ‌দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারত

এই মুহূর্তে ভারতীয় রিজার্ভ বেঞ্চের যা শক্তি, প্রথম সারির দলকেও হারানোর ক্ষমতা রাখে। শ্রীলঙ্কা তো কোন ছাড়। সমস্যায় জর্জরিত সিংহলীদের সেই সুদিন আর নেই। রণতুঙ্গা, ডিসিলভা, জয়বর্ধনে, ঙ্গাকারাদের কথা বাদ দিন, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ, কুশল মেন্ডিস, নিরোসান ডিকওয়েলার মতো ব্যাটসম্যানও দলে নেই। এইরকম তৃতীয় সারির ব্যাটিং লাইনের বিরুদ্ধেও উইকেট তুলতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হচ্ছে ভুবনেশ্বর কুমার, কুলদীপ যাদবদের। মান বঁাচালেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তিনি জ্বলে না উঠলে ৩০০ রানের গন্ডি টপকে যেত শ্রীলঙ্কা। যদিও দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে ৩ উইকেটে জিতল ভারত। ২০ ব্যবধানে সিরিজও জিতে নিল।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেয়েও প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামলেন না কোহলি, রাহানেরাটসে জিতে এদিনও প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। নতুন বল হাতে ব্রেক থ্রু দিতে ব্যর্থ ভুবনেশ্বর কুমার ও দীপক চাহার। এই দুই বোলারের বিরুদ্ধেও শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার দাপট দেখিয়ে গেলেন। ওপেনিং জুটিতে ১৩.২ ওভারে ৭৭ তুলে ফেলেন আভিস্কা ফার্নান্ডো ও মিনোন্দ ভানুকা। চাহালের হাত ধরে ব্রেক ব্রেক থ্রু। পরপর দুবলে ভানুকা (৪২ বলে ৩৬) ও রাজাপক্ষকে (১ বলে ০) তুলে নেন। ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে নিয়ে দলেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন আভিস্কা (৭১ বলে ৫০)। হাফ সেঞ্চুরির পরপরই মনসংযোগ হারিয়ে বাজে শট খেলে ভুবনেশ্বরকে উইকেট উপহার দিয়ে যান। ধনঞ্জয়ও (৪৫ বলে ৩২) আবিস্কার মতো বাজে শট খেলে আউট হন। চাহালের বলের লেংথ বুঝতে না পেরে শনাকা (২৪ বলে ১৬) বোল্ড। হাসারাঙ্গাকে (১১ বলে ৮) নাক্ল বলে তুলে নেন দীপক চাহার। আসালঙ্কার ৬৮ বলে ৬৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। করুণারত্নের ৩৩ বলে ৪৪ রানের ইনিংস শ্রীলঙ্কাকে ২৭৫/৯ রানে পৌঁছে দেয়। আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?প্রথম ম্যাচে টপ অর্ডার জ্বলে ওঠায় বেশ ঝকঝকে মনে হয়েছিল ভারতীয় ব্যাটিংকে। পৃথ্বী শর ঝোড়ো ব্যাটিং দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল। এদিন হাসারাঙ্গার গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড পৃথ্বী (১১ বলে ১৩)। ঈশান কিষানও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি। শট নির্বাচনে ভুল করে রাজিথার বলে বোল্ড ঈশান (৪ বলে ১)। তবে ভারতের কাছে বড় ধাক্কা অধিনায়ক শিখর ধাওয়ানের (৩৮ বলে ২৯) উইকেট। ৬৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। কিন্তু দ্রাবিড়ের এই দলের ব্যাটিং গভীরতা এতটাই যে সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। মণীশ পান্ডে ও সূর্যকুমার যাদবের জুটি দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। দুর্ভাগ্যের শিকার মণীশ (৩১ বলে ৩৭)। সূর্যর শট শনাকার হাতে লেগে যখন ননস্ট্রাইকিং প্রান্তের উইকেটে আঘাত করছে, ক্রিজ থেকে অনেক দুরে। হার্দিক পান্ডিয়াও (০) দ্রুত ফেরেন।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নজির গড়তে চলেছেন সানিয়া মির্জা, অবসর নিয়ে কী ভাবছেন?একসময় ১১৬ রানে ৫ উইকেট হারায় ভারত। এরপর হাল ধরেন সূর্যকুমার যাদব (৪৪ বলে ৫৩)। সান্দাকানের বলে তিনি এলবিডব্লিউ হতেই জয়ের স্বপ্ন ক্রমশ ফিকে হয়ে যায়। কিন্তু ক্রুনাল পন্ডিয়া (৫৪ বলে ৩৫ ), দীপক চাহারের ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন জেগে ওঠে। দুরন্ত ব্যাটিং চাহারের (৮২ বলে অপরাজিত ৬৯)। জীবনের সেরা ইনিংস খেলে দলকে জয় এনে দেন। ভুবনেশ্বরের (২৮ বলে অপরাজিত১৯) অবদানও অস্বীকার করা যাবে না। ৫ বল বাকি থাকতে ২৭৭/৭ তুলে ম্যাচ ও সিরিজ জিতে নেয় ভারত।

জুলাই ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kuldeep Yadav : ‌‌সাদা বলের ক্রিকেটজীবন এখনও শেষ হয়নি, মনে করছেন কুলদীপ

২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ভারতীয় দলে তিনি ছিলেন অটোমেটিক চয়েস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতিও বদলেছে। সাদা বলের ক্রিকেটে জাতীয় দলে নিজের জায়গা হারিয়েছেন কুলদীপ যাদব। এই মুহূর্তে টিম ম্যানেজমেন্টের ভাবনায় তিনি প্রথম একাদশে নেই। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তবুও নিজের ওপর বিশ্বাস হারাননি কুলদীপ যাদব। ভারতীয় দলের এই চাইনাম্যান বোলার মনে করছেন, তাঁর কেরিয়ার এখনও শেষ হয়ে যায়নি।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিকুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর আমি মনে করি না যে সাদা বলের ক্রিকেটে আমার কেরিয়ার শেষ হয়ে গেছে। একটাদুটো খারাপ ম্যাচে কেরিয়ার শেষ হয়ে যায় না। এমন অনেক পরিস্থিতি আসে যখন হাত থেকে রান বেরিয়ে যায়। আমি কখনও কখনও ৪৫ উইকেটও পেয়েছি। আমার মনে হয় মানুষ যদি এই সাফল্যগুলো নিয়ে কথা বলে তাহলে ভাল হবে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার কারণ প্রসঙ্গে কুলদীপ বলেন, ইংল্যান্ড সিরিজে পুনের উইকেট ব্যাটিং সহায়ক ছিল। বোলারদের জন্য উইকেটে কিছুই ছিল না। রাহুল স্যার আমাকে দারুণ সাহায্য করছেন। অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। আশা করছি এই সিরিজে নিজেকে মেলে ধরতে পারব।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেলমঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। শিখর ধাওয়ানদের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। প্রথম ম্যাচে বোলাররা সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে কোনও পরীক্ষানিরীক্ষায় যেতে চাইছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বোলিংয়ে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।আরও পড়ুনঃ দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?ব্যাটসম্যানদের দাপটেই প্রথম ম্যাচে সহজ জয় এসেছে। শিখর ধাওয়ানের ব্যাট থেকে এসেছে অধিনায়কোচিত ইনিংস। অভিষেক ম্যাচেই দারুণ নজর কেড়েছেন ইশান কিষান। শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন পৃথ্বী শ। সূর্যকুমার যাদবের ছোট ইনিংসেও ছন্দে থাকার ইঙ্গিত। ব্যাটিং লাইনে কিছুটা বেমানান ছিলেন মণীশ পান্ডে। বাকিদের মতো জ্বলে উঠতে পারেননি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। তবুও ব্যাটিং অর্ডারে বদলের কোনও সম্ভাবনা নেই।

জুলাই ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ishan Kishan : জন্মদিনে অভিষেকে হাফসেঞ্চুরি করে নজির ইশান কিষানের, জিতল ভারত

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে সেই সুদিন আর নেই। সমস্যায় জর্জরিত একসময়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে দল গড়তেই হিমসিম থেকে হয়েছে। অনভিজ্ঞ, দুর্বল শ্রীলঙ্কা যে শিখর ধাওয়ানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে না, প্রত্যাশিতই ছিল। শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারিয়ে একদিনের সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। জন্মদিনে দেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে অর্ধশতরান করে নজির গড়লেন ইশান কিষান। টি২০ অভিষেকেও হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই নজির গড়লেন। একদিনের ম্যাচে অভিষেক হল সূর্যকুমার যাদবেরও। অধিনাকোচিত ইনিংস খেলে দলকে জেতালেন শিখর ধাওয়ান।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরকলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। ভালই শুরু করেছিলেন শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্ডো ও মিনোন্দ ভানুকা। দুজনে ওপেনিং জুটিতে তোলেন ৪৯। ভারতের অভিজ্ঞ জোরে বোলার ভুবনেশ্বর কুমার একেবারেই প্রভাব ফেলতে পারেননি। ভারতকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তুলে নেন আভিস্কা ফার্নান্ডোকে (৩৫ বলে ৩২)। ভানুকাকে (৪৪ বলে ২৭) ফেরান কুলদীপ যাদব। একসময় ১৬ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ছিল ৮৫/১। সেখান থেকে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। দুর্দান্ত বোলিং করে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখেন রাহুল চাহার (১/২৬)।A comprehensive 7-wicket win for #TeamIndia to take 1-0 lead in the series🙌How good were these two in the chase! 👏👏8⃣6⃣* runs for captain @SDhawan25 👊5⃣9⃣ runs for @ishankishan51 on ODI debut 💪Scorecard 👉 https://t.co/rf0sHqdzSK #SLvIND pic.twitter.com/BmAV4UiXjZ BCCI (@BCCI) July 18, 2021শ্রীলঙ্কার লোয়ার মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান দীপক চাহার। ২০১৯ সালে দেশের হয়ে শেষ একদিনের ম্যাচ খেলেছিলেন দীপক চাহার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জীবনের চতুর্থ একদিনের ম্যাচ খেলতে নেমে তুলে নিলেন ২টি উইকেট। প্রথমে ফেরান ক্রিজে জমে ওঠা আসালঙ্কাকে (৬৫ বলে ৩৮)। পরে তুলে নেন হাসারাঙ্গাকে (৭ বলে ৮)। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ২৬২/৯ তোলে শ্রীলঙ্কা। করুণারত্নে ৩৫ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদব ২টি করে উইকেট পান।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে ভারত। ওপেনিং জুটিতে মাত্র ৫.২ ওভারে ৫৮ তোলেন পৃথ্বী শ এবং শিখর ধাওয়ান। ২৪ বলে ৪৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন পৃথ্বী। অভিষেক ম্যাচে সফল ইশান কিশান। ব্যাট করতে নেমে তিনিও ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৫৯ রান করে তিনি আউট হন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও মণীশ পান্ডে। ধনঞ্জয় ডিসিলভার বলে ২৬ রান করে আউট হন মণীশ পান্ডে। ৯৫ বলে অপরাজিত ৮৬ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শিখর ধাওয়ান। সূর্যকুমার যাদব ২০ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩৬.৪ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত (২৬৩/৩)।

জুলাই ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : নজিরের সামনে দাঁড়িয়েও শিখর ধাওয়ানের মুখে দেশের কথা

রবিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে সিরিজ। এই প্রথম দেশকে নেতৃত্ব দেবেন শিখর ধাওয়ান। দেশের হয়ে ১৪২ ম্যাচ খেলার পর দেশকে প্রথম নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এই ওপেনার। সব থেকে বেশি বয়সে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার নজির গড়তে চলেছেন শিখর ধাওয়ান। আর ২৩ রান করলেই দ্রুততম ৬ হাজার রান করার দিক দিয়ে সৌরভকে টপকে যাবেন। ৬০০০ হাজার রানের মালিক হয়ে যাবেন শিখর। সৌরভ ৬ হাজার রান করতে ১৪৭ ম্যাচ খেলেছিলেন। আর শিখর খেলবেন ১৪২ ম্যাচ।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকনজিরের সামনে দাঁড়িয়েও নির্বিকার ধাওয়ান। তাঁর মুখে শুধু দেশের কথা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে তিনি বলেন, দেশের হয়ে খেলার গুরুত্বই আলাদা। দেশের হয়ে মাঠে নামতে পারছি, এর থেকে বড় কিছু আর হতে পারে না। সিরিজ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। বিপক্ষ শিবির অপেক্ষাকৃত দুর্বল হলেও খুব বেশি পরীক্ষানিরীক্ষা করতে চাইছেন না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রথম ম্যাচ খেলতে নামার আগে ধাওয়ান বলেন, আমাদের প্রথম লক্ষ্য সিরিজ জেতা। কোন ক্রিকেটারকে কোন ম্যাচে খেলানো হবে তা ঠিক হয়নি। সিরিজ জয় নিশ্চিত করে তবেই পরীক্ষানিরীক্ষার রাস্তায় হাঁটব। আর দলে থাকলেই যে সবাইকে খেলাতে হবে, এমন কোনও ব্যাপার নয়। শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় দলে ৬ জন স্পিনার রয়েছেন। সবাইকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলানো হবে কিনা নিশ্চিত নয়।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরশ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজে টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ক্রিকেটারদের দেখে নেওয়া হবে। দীর্ঘদিন তেমন ফর্মে নেই যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদব। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ এই জুটির কাছে অগ্নিপরীক্ষা। বিশ্বকাপের দলে থাকতে গেলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতেই হবে। রাহুল চাহারের কাছেও বড় পরীক্ষা। এই তিন স্পিনার সম্পর্কে ধাওয়ান বলেন, কুলদীপ ও চাহালের মধ্যে বোঝাপড়া খুবই ভাল। নেটে ভাল ছন্দে রয়েছে। রাহুল চাহারও নেটে নজর কেড়েছে। আশা করছি ম্যাচেও সাফল্য পাবে।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংঅন্যদিকে, একেবারে অনভিজ্ঞ দল নিয়ে মাঠে নামছে শ্রীলঙ্কা। কোভিড বিধি ভাঙায় নির্বাসনে রয়েছেন কুশল মেন্ডিস ও নিরোসান ডিকওয়েলা। তাই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে অনভিজ্ঞ দাসুন শনাকার হাতে। তরুণ দল নিয়েই লড়াই করার অপেক্ষায় শ্রীলঙ্কা।

জুলাই ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia-Srilanka: ভারত–শ্রীলঙ্কা সিরিজ কি অনিশ্চিত?‌ আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে এসেছে

নাসরীন সুলতানাভারতশ্রীলঙ্কা সীমিত ওভারের সিরিজ শেষ পর্যন্ত হবে তো? আশঙ্কার কালো মেঘ ক্রমশ ঘনীভূত হয়ে উঠছে। ১৩ জুলাই থেকে সিরিজ শুরু হওয়ার কথা। চারদিন আগেও দল ঘোষণা করতে পারল না শ্রীলঙ্গা। করোনায় জেরবার গোটা শিবির। যা পরিস্থিতি, শেষ পর্যন্ত হয়তো দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে শিখর ধাওয়ানদের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে হবে শ্রীলঙ্কাকে।ইংল্যান্ড সফর থেকে ফিরেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার। এবার দলের ডেটা অ্যানালিস্ট জি টি নিরোশানেরও করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ারের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসতেই গোটা দলকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। কোয়ারিন্টন পর্ব কাটিইয়ে শুক্রবারই জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে যাওয়ার কথা ছিল গোটা দলের। কিন্তু জি টি নিরোশানের রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আরও কয়েকদিন ক্রিকেটারদের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এর মধ্যে আবার করোনা পরীক্ষা করা হবে। তারপরই দল ঘোষণা করা হবে। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের কথা ভেবে দুটি দলকে আলাদা জায়গায় কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারইংল্যান্ড সফর চলাকালীন শ্রীলঙ্কার ৩ ক্রিকেটার কুশল মেন্ডিস, নিরোশান ডিকওয়েলা এবং ধানুষ্কা গুনথিলাকা জৈব সুরক্ষা বলয় ভেঙেছিলেন। আপাতত তাঁদের সাময়িক নির্বাসনে পাঠিয়েছে শ্রীলঙ্কা বোর্ড। এই তিনজনের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট জমা না পড়া পর্যন্ত তাঁদের দলে নেওয়া হবে না। এমনিতেই সমস্যার মধ্যে রয়েছে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট। চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বোর্ডের ঝামেলা চলছে। জোড়াতালি দিয়ে দল গড়ে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। ভারতের বিরুদ্ধে ব্যর্থ হলে দেশে সমালোচনার ঝড় উঠবে। উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের।আরও পড়ুনঃ রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভারএদিকে, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচে যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদবকে একসঙ্গে খেলানো উচিত বলে মনে করছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ভি ভি এস লক্ষ্মণ। তিনি মনে করছেন, এই দুজন নিয়মিত খেলার সুযোগ পেলে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে। ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতীয় বোলিং আক্রমণের বড় অস্ত্র ছিল কুলদীপচাহাল জুটি। লক্ষ্মণ বলেন, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজে ভারতীয় দলে ৬ জন স্পিনার রয়েছে। ওদের যত বেশি বোলিং করতে দেওয়া হবে, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে। চাহাল অভিজ্ঞ বোলার। ওর ছন্দে ফিরতে সময় লাগবে না। কুলদীপকে ছন্দে ফেরানো জরুরী।

জুলাই ০৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal