• ১ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

South Africa

খেলার দুনিয়া

সেমিফাইনালের টিকিট পাবে ভারত?‌ জটিল অঙ্ক মিতালিদের সামনে

কদিন আগেই মহিলাদের বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ভারতের সুবিধা করে দিয়েছিল পাকিস্তান। আর বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে ভারতের সেমিফাইনালে ওঠার কাজ কঠিন করে দিল। পাকিস্তানকে উড়িয়ে নেট রান রেট বাড়িয়ে নিয়ে লিগ টেবিলে ভারতের ওপরে উঠে গেল ইংল্যান্ড। এখন সেমিফাইনালে যেতে গেলে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই মিতালি রাজদের। ভারতের সেমিফাইনালের ওঠার সমীকরণ বদলে দিল বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। ৬ ম্যাচে ১২ পয়েন্টে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগেই তারা সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেয়ে গেছে। ৬ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট পেয়ে সেমিফাইনালে নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকা। ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্টে তৃতীয় স্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ ছিল। বৃষ্টির জন্য ম্যাচ ভেস্তে যায়। দুই দলই ১ পয়েন্ট করে পায়। যদি এই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারত, তাহলে ভারতের সুবিধা হয়ে যেত। কিন্ত তা হল না। ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট পাওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা রইল। শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ড খেলবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। এই মুহূর্তে ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট ইংল্যান্ডের। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিতলে ৭ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট হবে ৮। ফলে জিতলে তারাও সেমিফাইনালে চলে যাবে। কারণ নেট রান রেটে ভারতের থেকে এগিয়ে ইংল্যান্ড। ভারত যদি শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় তাহলে তাহলে ৭ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। সেক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আর শেষ চারের টিকিট পাওয়া সম্ভব হবে না। ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ ভেস্তে গেলেও মিতালি রাজরা সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। কারণ ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট তখন সমান হয়ে গেলেও নেট রান রেটে ক্যারিবিয়ানদের তুলনায় ভারত এগিয়ে। মিতালি রাজরা অবশ্য আশাবাদী, দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েই শেষ চারের টিকিট পাবেন।

মার্চ ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সিরিজ জিতে ইতিহাস বেঙ্গল টাইগারদের

দক্ষিণ আফ্রিকা মাটিতে প্রথম একদিনের ম্যাচ জিতে ইতিহাস তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। বুধবার আরও একটা ইতিহাস তৈরি করলেন সাকিব আল হাসানরা। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে প্রোটিয়াদের ৯ উইকেটে হারিয়ে এই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে একদিনের সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। যদিও বিদেশের মাটিতে সিরিজ জয় এই প্রথম নয়। এর আগে ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে সিরিজ জিতেছিল বেঙ্গল টাইগাররা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে ৩৮ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ৭ উইকেটে জিতে সিরিজে সমতা ফেরায় দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে রীতিমতো প্রোটিয়াদের উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ।সেঞ্চুরিয়ানের সুপারস্পোর্টস পার্কে এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভাল শুরু করেছিলেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার জানেমান মালান ও কুইন্টন ডিকক। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪৬। ডিকক (১২) আউট হতেই ধস দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে। পরপর ফিরে যান ভেরেইনে (৯), জানেমান মালান (৩৯), অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা (২) ও ভ্যান ডার ডুসেন (৪)। ডেভিড মিলার (১৬), প্রিতোরিয়াস (২০), কেশব মহারাজের (২৮) সৌজন্যে ৩৭ ওভারে ১৫৪ রান তুলতে সমর্থ হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন ডানহাতি জোরে বোলার তাসকিন আহমেদ। ৩৫ রানে তিনি তুলে নেন ৫ উইকেট। জয়ের জন্য ১৫৫ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না বাংলাদেশের কাছে। দারুন শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। ওপেনিং জুটিতে ১২৭ রান তুলে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেন। কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিডি, তাবারেজ সামসি, কেশব মহারাজরা বাংলাদেশের দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি। ৫৭ বলে ৪৮ রান করে কেশব মহারাজের বলে আউট হন লিটন দাস। ৮২ বলে অপরাজিত ৮৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সাকিব আল হাসান ২০ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৬.৩ ওভারে ১৫৬/১ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ।

মার্চ ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‌বিশ্বকাপ জেতেনি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার?‌ কী বললেন শাস্ত্রী

মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড পাওয়ার পর ভারতীয় দলকে অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। লালবলের ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্বেই দীর্ঘদিন শীর্ষে ছিল ভারত। একদিনের ক্রিকেটেও দুর্দান্ত সাফল্য। তবে একটাই আক্ষেপ, কখনও আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। এরজন্য কোহলিকে অনেকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। বিশ্বকাপ জেতেননি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার, এমনটা মনে করছেন না রবি শাস্ত্রী। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন হেডস্যার বলেন, একজন ক্রিকেটারকে বিশ্বকাপ জয়ের মাপকাঠি দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে সেই ক্রিকেটার কেমন খেলছে, আইকন হয়ে উঠেছে কিনা সেটা দেখতে হবে। অনেক বড় বড় ক্রিকেটারও বিশ্বকাপ জেতেনি। সৌরভ, কুম্বলে, দ্রাবিড়, লক্ষ্মণও তো বিশ্বকাপ জেতেনি। তাহলে এরা খারাপ ক্রিকেটার হয়ে গেল? বিশ্বকাপ জেতার জন্য শচীন তেন্ডুলকারকে ৬টি বিশ্বকাপ খেলতে হয়েছে। আমাদের দেশে মাত্র দুজন অধিনায়ক বিশ্বকাপ জিতেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাদা ও লালবলের ক্রিকেটে সিরিজ হারতে হয়েছে ভারতকে। ভারতের তুলনায় অনেক কম শক্তিশালী ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এইরকম দলের কাছে টেস্ট ও একদিনের সিরিজে পরাজয় অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। শাস্ত্রী অবশ্য মনে করছেন, এই হারে সমর্থকদের বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, ভারতের এই ব্যর্থতা সাময়িক। সব ম্যাচ কখনোই জেতা সম্ভব নয়। ৫ বছর ধরে ভারত বিশ্বের একনম্বর দল ছিল। সাফল্যের অনুপাত ৬৫ শতাংশ। হঠাৎ করে তাদের পারফরমেন্স নেমে যাবে? এই ব্যর্থতা কাটিয়ে খুব তাড়াতাড়ি ভারত ঘুরে দাঁড়াবে। গতবছরই টি২০ নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন জাতীয় নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হারের পরের দিনই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কোহলির ব্যক্তিগত ব্যাপার। ওর এই সিদ্ধান্তকে সবাইকে সম্মান জানাতেই হবে। সুনীল গাভাসকার, শচীন তেন্ডুলকার, মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়করাও ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য নেতৃত্ব ছেড়েছিল।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

একদিনের সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ ভারত, বিতর্কে বিরাট কোহলিও

পার্লের বোল্যান্ড পার্কে পরপর দুম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ পকেটে ভরে নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতকে হোয়াইট ওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়েই তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছিল প্রোটিয়া শিবির। অন্যদিকে, ভারতের লক্ষ্য ছিল হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাঁচানো। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৪ রানে হারল ভারত। হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাঁচাতে পারলেন না লোকেশ রাহুলরা। ভারত যেমন হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাঁচাতে পারল না, তেননই তৃতীয় একদিনের ম্যাচে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন বিরাট কোহলি। ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় সব ক্রিকেটার গলা মিলিয়েছিলেন। টিভি ক্যামেরায় দেখা যায় জাতীয় সঙ্গীতে গলা না মিলিয়ে চুইংগাম চিবোচ্ছেন কোহলি। জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় তাঁর এই চুইংগাম চিবোনোর ছবি দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় তোলেন নেট নাগরিকরা। অনেকেই কোহলির আচরণ নিয়ে কটাক্ষ করেন। ব্যাটিংয়েও যেভাবে দায়সারা শট খেলে আউট হয়েছেন, তাও অনেকে মেনে নিতে পারছেন না।এদিন প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল ভারত। ব্যাটিং শক্তি বাড়াতে ভেঙ্কটেশ আয়ারের পরিবর্তে সূর্যকুমার যাদবকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হয়। ছন্দে না থাকে ভুবনেশ্বর কুমারের জায়গায় দীপক চাহার, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের জায়গায় জয়ন্ত যাদব, শার্দূল ঠাকুরের পরিবর্তে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে নিয়ে মাঠে নেমেছিল ভারত। কেপ টাউনের নিউল্যান্ডে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। তৃতীয় ওভারে জানেমান মালানকে (১) তুলে নিয়ে প্রোটিয়া শিবিরকে প্রথম ধাক্কা দেন দীপক চাহার। বাভুমাও (৮) দ্রুত ফিরলেও দক্ষিণ আফ্রিকাকে চাপে ফেলতে পারেনি ভারত। কুইন্টন ডিকক ও এইডেন মার্করাম চাপ কাটিয়ে দেন।ত্রয়োদশ ওভারে মার্করামকে (১৫) তুলে নিয়ে দীপক চাহার জুটি ভাঙলেও ডিকককে টলাতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। রাসি ভ্যান ডার ডুসেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ডিকক। ভারতকে সামনে দেখলেই যেন জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই প্রোটিয়া উইকেটকিপারব্যাটার। ডুসেনের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১৪৪ রান। যশপ্রীত বুমরাকে মাঠের বাইরে পাঠাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে শিখর ধাওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ডিকক। ১৩০ বলে ১২৪ রান করেন তিনি। ডিককের ইনিংসে রয়েছে ১২টি ৪ ও ২টি ৬। ডিকক আউট হওয়ার পরের ওভারেই ফিরে যান ডুসেন। ৫৯ বলে ৫২ রান করেন তিনি। ফেলুকায়ো (৪) আউট হওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকাকে টানেন ডেভিড মিলার ও প্রিটোরিয়াস। ২০ রান করে প্রিটোরিয়াস প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। ডেভিড মিলারও (৩৯) প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর শিকার। শেষ পর্যন্ত ৪৯.৫ ওভারে ২৮৭ রানে শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ৫৯ রানে ৩ উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। দীপক চাহার, যশপ্রীত বুমরা ২টি করে উইকেট নেন। যুজবেন্দ্র চাহাল নেন ১ উইকেট। ব্যাট করতে নেমে ভারতও শুরুতে ধাক্কা খায়। নেতৃত্বের চাপ যে তাঁর ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তিনটি ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন লোকেশ রাহুল (৯)। এদিনও লুঙ্গি এনগিডির অফস্টাম্পের বাইরের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ভারতের রান তখন ১৮। শুরুর ধাক্কা সামলে দলকে ভালোই টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি। ৭৩ বলে ৬১ রান করে ফেলুকায়োর বলে আউট হন ধাওয়ান। একই ওভারের ঋষভ পন্থকেও (০) তুলে নেন ফেলুকায়ো। ৩২তম ওভারে কেশব মহারাজের বলে দায়সারা শট খেলে আউট হন কোহলি। ৮৪ বলে ৬৫ রান করেন তিনি। ১৫৬ রানে ৪ উইকেট হারায় ভারত।এরপর জয়ের জন্য শ্রেয়স আয়ার ও সূর্যকুমার যাদবের দিকে তাকিয়ে ছিল গোটা দল। ৩৪ বলে ২৬ রান করে মাগালার বলে ফেলুকায়োর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন শ্রেয়স। জয়ন্ত যাদব (২) ব্যর্থ হলেও ভারতকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান দীপক চাহার। ৩৪ বলে ৫৪ রান করে এনগিডির বলে প্রিটোরিয়াসের হাতে চাহার ধরা পড়তেই চাপে পড়ে যায় ভারত। ১৫ বলে ১২ রান করে ফেলুকায়োর বলে আউট হন বুমরা। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৬ রান। প্রিটোরিয়াসের বলে চাহাল (২) আউট হতেই ভারতের সম্মান রক্ষার লড়াই শেষ।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হোয়াইট ওয়াশ কি বাঁচাতে পারবে ভারত?‌ দেখে নিন প্রথম একাদশে কারা ফিরতে পারেন

টেস্ট সিরিজের পর একদিনের সিরিজও হাতছাড়া। সামনে হোয়াইট ওয়াশের আশঙ্কা। ভারত কি পারবে একদিনের সিরিজের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে মুখ রক্ষা করতে? লোকেশ রাহুলদের প্রথম দুটি ম্যাচের পারফরমেন্সে আশাবাদী হতে পারছেন না ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। সমস্যায় শেষ নেই ভারতীয় শিবিরে। প্রথম দুটি ম্যাচেই মিডল অর্ডার ব্যাটিং ডুবিয়েছে ভারতকে। লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থ বড় পার্টনারশিপ গড়ে তুললেও জয় আসেনি। শ্রেয়স আয়ার, ভেঙ্কটেশ আয়াররা দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ। বোলিংয়েও হতশ্রী চেহারা ফুটে উঠেছে। যশপ্রীত বুমরা ছাড়া কোনও ভারতীয় বোলার সেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি প্রোটিয়া ব্যাটারদের ওপর। সবথেকে করুণ অবস্থা ভুবনেশ্বর কুমার, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও যুজবেন্দ্র চাহালের। অশ্বিন, চাহালের থেকে ভাল বোলিং করেছেন তিন প্রোটিয়া স্পিনার তাবরেজ সামসি, কেশব মহারাজ ও এইডেন মার্করাম। এই অবস্থায় সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে প্রথম একাদশে পরিবর্তনের পরিকল্পনা ভারতীয় শিবিরে। শ্রেয়স আয়ারের জায়গায় প্রথম একাদশে জায়গা পেতে পারেন সূর্যকুমার যাদব। ঈশান কিশানকে সুযোগ দিয়ে লোকেশ রাহুলেরও ব্যাটিং অর্ডারে পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বোলিং বিভাগে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। যশপ্রীত বুমরাকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। তাঁর জায়গায় খেলানো হতে পারে মহম্মদ সিরাজকে। প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়তে পারেন ভুবনেশ্বর কুমারও। দেখে নেওয়া হতে পারে দীপক চাহারকে। সব মিলিয়ে সম্মান বাঁচানোর লড়াইয়ে মরিয়া ভারত বেশ কয়েকটি বদল করে মাঠে নামতে চলেছে।সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল পার্লের বোল্যান্ড পার্কে। সিরিজের শেষ ম্যাচ কেপ টাউনে। এই মাঠে প্রোটিয়াদের একদিনের ম্যাচের পরিসংখ্যান যথেষ্ট ভাল। ৩৭ টি ম্যাচের মধ্যে ৩১টিতে জয় পেয়েছে। ফলে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজ জিতে যাওয়ায় শেষ ম্যাচে পরীক্ষানিরীক্ষার রাস্তায় হাঁটতে চলেছে প্রোটিয়া টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হতে পারে ডোয়েন প্রিটোরিয়াসকে। লুঙ্গি এনগিডির জায়গায় ফিরতে পারেন মার্কো জানসেন।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কার ওপর নির্ভর করছে সিরিজে ভারতের সমতা ফেরানোর ভাগ্য?‌

টেস্ট সিরিজের পর একদিনের সিরিজেও কি হারতে হবে ভারতকে? পার্লের বোল্যান্ড পার্কে প্রথম ম্যাচে হারে সেই আশঙ্কাই তৈরি হয়েছে ভারতীয় দলের সামনে। সিরিজ বাঁচাতে গেলে ঘুরে দাঁড়ানো ছাড়া রাস্তা নেই লোকেশ রাহুলদের। সমতা ফরানোর জন্য ব্যাটারদের দিকেই তাকিয়ে ভারতীয় দলের অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক। সিরিজের প্রথম ম্যাচে পরাজয় ভারতীয় দলকে নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন তুলে দিয়ে গেছে। অধিনায়ক লোকেশ রাহুল পর্যন্ত প্রথম ম্যাচের পর মেনে নিয়েছেন ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্যই ডুবতে হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার তেম্বা বাভুমা ও রাসি ভ্যান ডার ডুসেন মিডল অর্ডারে যেরকম বড় পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছিলেন, ভারতীয় দলের মিডল ও লোয়ার মিডল অর্ডারে সেরকম বড় কোনও পার্টনারশিপ গড়ে ওঠেনি। শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি আউট হওয়ার পর ধস নামে ভারতীয় শিবিরে। সব থেকে বড় কথা, ২০১৯ বিশ্বকাপের পর ২ বছরেও বেশি সময় অতিক্রান্ত, এখনও চার নম্বর জায়গায় উপযুক্ত ব্যাটার খুঁজে পেল না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ঋষভ পন্থকে খেলানো হয়েছিল। তিনিও ব্যর্থ।প্রশ্ন উঠেছে প্রথম ম্যাচে লোকেশ রাহুলের নেতৃত্ব নিয়েও। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে অলরাউন্ডার হিসেবে ভেঙ্কটেশ আয়ারকে দলে নেওয়া হয়েছে। অথচ প্রথম ম্যাচে তাঁকে ১ ওভারও বল দেওয়া হয়নি। বুমরা, অশ্বিনরা যখন বাভুমাডুসেনের জুটি ভাঙতে পারছিলেন না, তখন ভেঙ্কটেশকে দেখে নিতেই পারতেন লোকেশ রাহুল। মাঠের মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেটারদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজও ইতিবাচক ছিল না। তার ওপর পরের দিকে উইকেট মন্থর হয়ে যাওয়ায় ভারতীয় ব্যাটারদের শট খেলতেও অসুবিধা হয়েছে। সিরিজে সমতা ফেরাতে গেলে ব্যাটারদের যেমন দায়িত্ব নিতে হবে, জ্বলে উঠতে হবে বোলারদেরও। বিশেষ করে দুই স্পিনারকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। বোলিং বিভাগে কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা না থাকলেও ব্যাটিং অর্ডারে বদল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সূর্যকুমার যাদবকে প্রথম একাদশে খেলানোর ভাবনা টিম ম্যানেজমেন্টের। একটা ম্যাচে ব্যর্থ বলে ভেঙ্কটেশ আয়ারকেও আবার বসানোর পক্ষপাতি নয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সব মিলিয়ে প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়ে দ্বিধা রয়েছে। তবে ঘুরে দাঁড়াতে গেলে ভারতীয় ব্যাটারদের বাড়তি দায়িত্ব নিতেই হবে। পাশাপাশি সঠিক পরিকল্পনা করতে হবে লোকেশ রাহুলকেও।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নেতৃত্ব ছেড়েও রানে কোহলি, তবু হার ভারতের

অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচে কতটা নম্বর পাবেন লোকেশ রাহুল? ৭ বছর পর সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে মাঠে নেমে কতটা জ্বলে উঠতে পারবেন বিরাট কোহলি? নেতার আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নেমে প্রথম ম্যাচে দলকে জয় এনে দিতে পারলেন না লোকেশ রাহুল। তবে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন বিরাট কোহলি। মরণবাঁচন ম্যাচে রান শিখর ধাওয়ানেরও। তবু জয় অধরা থেকে গেল ভারতের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হারতে হল ৩১ রানে।জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে টস ভাগ্য এদিন সহায় ছিল না লোকেশ রাহুলের। পার্লের বোল্যান্ড পার্কের মন্থর উইকেটের কথা মাথায় রেখে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। পঞ্চম ওভারেই ধাক্কা খায় প্রোটিয়ারা। যশপ্রীত বুমরার বলে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন জ্যানম্যান মালান। ১০ বলে তিনি করেন ৬। এরপর দলকে ধীরে ধীরে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক ও অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ১৬তম ওভারে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের প্রথম বলেই বোল্ড হন ডিকক। ৪১ বলে ২৭ রান করে তিনি আউট হন। ২ ওভার পরেই ভেঙ্কটেশ আয়ারের দুর্দান্ত থ্রোতে রান আউট হন এইডেন মার্করাম (৪)।৬৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান তেম্বা বাভুমা ও ভ্যান ডার ডুসেন। দুজনে দারুণ পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। অশ্বিন, চাহাল, বুমরারা এই দুই প্রোটিয়া ব্যাটারকে টলাতে পারছিলেন না। অশ্বিন, চাহালদের একের পর এক সুইপ করে নির্বিষ করে দেন বাভুমা ও ডুসেন। এই দুই প্রোটিয়া ব্যাটার যখন উইকেটে জমে গিয়েছেন তখন জুটি ভাঙতে কেন ভেঙ্কটেশ আয়ারকে লোকেশ রাহুল ব্যবহার করলেন না, বোধগম্য নয়। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে বাভুমা ও ডুসেন তোলেন ২০৪। ১৩৩ বলে একদিনের ক্রিকেটে জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বাভুমা। ৮৩ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডুসেন। অবশেষে জুটি ভাঙেন যশপ্রীত বুমরা। তুলে নেন বাভুমাকে। ১৪৩ বলে ১১০ রান করে আউট হন প্রোটিয়া অধিনায়ক। ভ্যান ডার ডুসেনও জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পেলেন। ৯৬ বলে ১২৯ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৫০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ উইকেটে তোলে ২৯৬। ৪৮ রানে ২ উইকেট নেন বুমরা। ৫৩ রানে ১ উইকেট নেন অশ্বিন।ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও শিখর ধাওয়ান। এদিন পার্টটাইম অফস্পিনার এইডেন মার্করামের হাতে নতুন বল তুলে দিয়ে চমক দিয়েছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক বাভুমা। তাঁর হাত ধরেই প্রথম সাফল্য পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। নবম ওভারে তুলে নেন লোকেশ রাহুলকে (১২)। এরপর বাইশ গজে আগমন বিরাট কোহলির। শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ ধাওয়ানের কাছে অগ্নিপরীক্ষা। ব্যর্থ হলেই দল থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়ে উঠবে। মরণবাঁচন ম্যাচে রীতিমতো জ্বলে উঠলেন ধাওয়ান। ৮৪ বলে ৭৯ রান করে তিনি কেশব মহারাজের বলে বোল্ড হন। ধাওয়ান আউট হওয়ার ৩ ওভারে পরেই ফেরেন বিরাট কোহলি। ৬৩ বলে ৫১ রান করে তিনি তাবরেজ শামসির বলে বাভুমার হাতে ক্যাচ দেন। কোহলি আউট হওয়ার পরপরই ধস নামে ভারতীয় ইনিংসে। শ্রেয়স আয়ার (১৭), ঋষভ পন্থরা (১৬) ব্যর্থ। জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচে রান পেলেন না ভেঙ্কটেশ আয়ারও (২)। শেষ দিকে শার্দূল ঠাকুর (অপরাজিত ৫০) জ্বলে উঠলেও জয় অধরা থেকে যায় ভারতের। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ২৬৫/৮ রান তোলে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এনগিডি, শামসি ও ফেলুকায়ো ২টি করে উইকেট নেন।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইতিহাস তৈরি করতে ব্যর্থ কোহলিরা, ভারত নেমে গেল পাঁচে

পটভূমি তৈরি হয়েও ইতিহাস সৃষ্টি হল না। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সিরিজ জয় অধরাই থেকে গেল ভারতের কাছে। কেপ টাউনে তৃতীয় টেস্টে ৭ উইকেটে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট হেরে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন জোহানেসবার্গে। আর কেপ টাউনে এসে সিরিজ জয়। ২০১৮ সালের পুনরাবৃত্তি ৪ বছর পরেও।আরও পড়ুনঃ এবার পাড়ায় সমাধান-এর প্রতিশ্রুতি তৃণমূলেরতৃতীয় দিন ঋষভ পন্থের দুরন্ত সেঞ্চুরি আশা জাগিয়েছিল ভারতীয় শিবিরে। কিন্তু দিনের শেষ বেলায় এলগার, পিটারসেনদের ব্যাটিংয়ে অ্যাডভান্টেজ পজিশনে চলে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশেষজ্ঞরা পর্যন্ত মনে করছিলেন কেপ টাউনে চতুর্থ ইনিংসে ২১২ রান তাড়া করা যথেষ্ট কঠিন হবে। পরিসংখ্যানও সেই ইঙ্গিত দিচ্ছিল। বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যতবানীকে বুড়ো আঙুল দেখালেন প্রোটিয়া ব্যাটাররা। এর আগে ওয়ান্ডারার্সে যত টেস্ট হয়েছে, ২০০ রান তাড়া করে মাত্র তিনটি টেস্টে জয় এসেছে। ৬টি ড্র। আর ১৪ বার পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে রান তাড়া করা দলকে।আরও পড়ুনঃ কোভিড পরীক্ষা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরেরজয়ের জন্য ২১২ রান তাড়া করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ১০১/২। শেষ দিনে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১১১ রান। চতুর্থ দিন শুরু থেকেই দুরন্ত ছন্দে ব্যাট করতে থাকেন কিগান পিটারসেন ও ভ্যান ডার ডুসেন। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৫৪ রান তুলে ভারতকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন দুজনে। ৫৯ রানের মাথায় বুমরার বলে স্লিপে পিটারসেনের ক্যাচ ফেলেন চেতেশ্বর পুজারা। শেষ পর্যন্ত ৮২ রান করে শার্দূল ঠাকুরের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন পিটারসেন। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ১৫৫। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় প্রোটিয়াদের রান ছিল ১৭১/৩। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ পরই ৬৩.৩ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা (২১২/৩)। ৯৫ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন ভ্যান ডার ডুসেন। তেম্বা বাভুমা ৫৮ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে বুমরা, সামি ও শার্দূল ১টি করে উইকেট নেন।আরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরাভারতের এই পরাজয়ের ফলে ফিরে এল ২০০৭ সালের স্মৃতি। সেই বছর রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে ভারত সিরিজে এগিয়ে গিয়েও ২১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছিল। কেপ টাউন টেস্টে ভারতকে ৪ দিনে হারিয়ে আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্ট তালিকায় ৪ নম্বরে উঠে এল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারত নেমে গেল পাঁচ নম্বরে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মান বাঁচালেন ঋষভ, উত্তেজক পরিসমাপ্তির দিকে তৃতীয় টেস্ট

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে কেপ টাউনে কি আদৌও ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? তবে দুই দেশের তৃতীয় টেস্ট যে উত্তেজক পরিসমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে, সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছে ১০১/২। জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ১১১ রান। আর ইতিহাস তৈরি করতে গেলে ভারতকে তুলতে হবে ৮ উইকেট। পেন্ডুলামের মতো দুলছে ম্যাচের ভাগ্য। তৃতীয় টেস্টে ভারতকে লড়াইয়ে ফেরানোর কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন ঋষভ পন্থ। জোহানেসবার্গে তাঁর আউট হওয়ার ধরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অনেক সমালোচনা হজম করতে হয়েছিল ঋষভকে। এদিন দায়িত্বশীল ব্যাটিং। ১৩৯ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের প্ল্যাটফর্ম এনে দেন ভারতের এই উইকেটকিপারব্যাটার। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের সংগ্রহ ১৯৮। তার মধ্যে ঋষভের একারই ১০০। বাকি ৯ ব্যাটার মিলে তোলেন ৭০। শ্রীযুক্ত অতিরিক্তর দৌলতে আসে ২৮। তিনিই ভারতীয় ইনিংসের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ১৪৩ বল খেলে তিনি করেন ২৯। আগের দিনের ৫৭/২ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই জানসেনের বলে ফিরে যান পুজারা (৯)। পরের ওভারেই রাবাডা তুলে নেন রাহানেকে (১)। এরপর ভারতকে টেনে নিয়ে যান বিরাট কোহলি ও ঋষভ পন্থ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ১৩০/৪। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ পর কোহলি (২৯) আউট হতেই ধস নামে ভারতীয় শিবিরে। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ঋষভ। টেল এন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। মার্কো জানসেন ৩৬ রানে ৪টি, রাবাডা ৫৩ রানে ও এনগিডি ৩৩ রানে ৩ টি করে উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এগিয়ে যায় ২১১ রানে। জয়ের জন্য ২১২ রানে লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে অষ্টম ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এইডেন মার্করামকে (১৬) তুলে নেন মহম্মদ সামি। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। দুজনে মিলে ৭৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। এলগারকে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন বুমরা। এলগার আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনের খেলার পরিসমাপ্তি ঘটে। কিগান পিটারসেন ৪৮ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বুমরার হাতে রচিত হল ইতিহাস তৈরির পটভূমি

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আগে কখনও সিরিজ জিতে ফেরেনি ভারত। এবার ইতিহাস তৈরির সুযোগ। ভারতের সিরিজ জয়ের পটভূমি রচনা করলেন যশপ্রীত বুমরা। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সুবাদে ভারতের ২২৩ রানে জবাবে প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ ২১০ রানে। ৪২ রানে ৫ উইকেট নিলেন বুমরা। ১৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে তুলেছে ২ উইকেটে ৫৭।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেটআগের দিনের ১৭/১ হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম সেশনেই আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটারকে হারায়। দিনের প্রথম ওভারেই বুমরার অসাধারণ ডেলিভারিতে বোল্ড হন এইডেন মার্করাম (৮)। কেশব মহারাজ ও কিগান পিটারসেন দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ২৫ রান করে উমেশ যাদবের বলে বোল্ড হন কেশব মহারাজ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ১০০/৩।আরও পড়ুনঃ আদালতের নির্দেশ মেনে গঙ্গাসাগর মেলা করার বার্তা মমতারমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর পিটারসেন ও ভ্যান ডার ডুসেনের জুটি ভাঙেন উমেশ যাদব। ২১ রান করে স্লিপে কোহলির হাতে ক্যাচ দেন ডুসেন। এরপর পিটারসেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাভুমা। ২৮ রান করে কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে বাভুমা আউট হন। পরের বলেই কট বিহাইন্ড হন ভেরেইন (০)। ১৫৯ রানেই পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চা বিরতির আগে শেষ ওভারে যশপ্রীত বুমরা বোল্ড করেন মার্কো জানসেনকে (৭)। একের পর এক উইকেট পড়লেও দলকে টেনে নিয়ে যান কিগান পিটারসেন। শেষ পর্যন্ত ৭২ রান করে তিনি বুমরার বলে পুজারার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শেষদিকে রাবাডা (১৫) ও অলিভিয়ের (অপরাজিত ১০) দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২০০ রানের গন্ডি পার করে দেন।আরও পড়ুনঃ অমার্জনীয় সাংবিধানিক অপরাধ করেছেন ডিজি ও মুখ্যসচিব, ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল১৩ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসেও রান পেলেন না মায়াঙ্ক আগরওয়াল (৭)। রাবাডার বলে তিনি স্লিপে এলগারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। লোকেশ রাহুলও (১০) ব্যর্থ। তিনি মার্কো জানসেনের শিকার। ক্রিজে রয়েছেন চেতেশ্বর পুজারা (৯) ও বিরাট কোহলি (১৪)।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌ভামিকার জন্মদিনে সেঞ্চুরি হাতছাড়া, রান পেলেও ‘‌ব্যর্থ বাবা’‌ কোহলি

স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অনুরাগীদের। স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন পরিবারকে। সেঞ্চুরি করে মেয়ে ভামিকার জন্মদিনে উপহার দেওয়া। একই সঙ্গে ৯৯ তম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখা। ব্যর্থ বাবা বিরাট কোহলি। সেঞ্চুরি না পেলেও তাঁর ব্যাটই কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ঢাল হয়ে দাঁড়াল অধিনায়ক কোহলির ব্যাট। তাঁর ৭৯ রানের সুবাদে প্রথম ইনিংসে ভারত তুলল ২২৩। কাগিসো রাবাডামার্কো জানসেনদের সুইংয়ে বেসামাল ভারতীয় ব্যাটাররা।আরও পড়ুনঃ লিটন যেন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, তবু লড়াই জমাতে পারল না বাংলাদেশকেপ টাউনের নিউল্যান্ডসের উইকেট বরাবরই বোলারদের সহয়তা করে এসেছে। এই মাঠে ভারতের পরিসংখ্যানও ভাল নয়। তার ওপর সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। জোরে বোলারদের আদর্শ এইরকম পরিবেশেও টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোহলি। তাঁর সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল না, ভারতের ২২৩ রানে গুটিয়ে যাওয়াতেই প্রমাণ।আরও পড়ুনঃ চীনা নয়, আইপিএলের স্পনসর এবার ভারতীয় গোষ্ঠীটস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খুব একটা খারাপ করেনি ভারত। দুই ওপেনার সতর্কভাবে ব্যাট করছিলেন। মনে হচ্ছিল ওপেনিং জুটি বড় রান আসবে ভারতের। কিন্তু দ্বাদশ ওভারে ধাক্কা খায় ভারত। ডোয়েন অলিভিয়েরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লোকেশ রাহুল। ৩৫ বলে তিনি করেন ১২। পরের ওভারেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তুলে নেন কাগিসো রাবাডা। শূন্যরানে একবার জীবন পেয়েও ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তুলে নেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও চেতেশ্বর পুজারা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ৭৫/২।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়ে জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেরমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর আউট হন পুজারা। ৭৭ বলে ৪৩ রান করে তিনি মার্কো জানসেনের বলে উইকেটের পেছনে ভেরেইনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। কোহলি ও পুজারার জুটিতে ওঠে ৬২। দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ অজিঙ্কা রাহানেও। ১২ বলে মাত্র ৯ রান করে তিনি রাবাডার বলে ভেরেইনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সতর্কভাবে ব্যাট করলেও ঋষভ পন্থও (২৭) বড় রান পেলেন না। রবিচন্দ্রন অশ্বিন (২), শার্দূল ঠাকুরের (১২) মতো টেল এন্ডাররাও ব্যর্থ। বিপর্যয়ের মধ্যে একা কুম্ভর মতো লড়াই করে গেলেন কোহলি। যদিও সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৭৩ রানে ৪টি, মার্কো জানসেন ৫৫ রানে ৩ উইকেট নেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Kohli-Rishabh : কেপ টাউন টেস্টের আগে ঋষভকে কেন সতর্ক করলেন কোহলি?‌

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও ভারতীয় দল সিরিজ জিতে ফিরে আসতে পারেনি। বিরাট কোহলির দলের সামনে সেই সুযোগ। প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। জোহানেসবার্গে জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। মঙ্গলবার থেকে কেপ টাউনে শুরু হচ্ছে তৃতীয় টেস্ট। দুই দলের মধ্যে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।আরও পড়ুনঃ এসটিএফের অভিযানে ৬৫ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, ব্যাপক চাঞ্চল্য বর্ধমানেতৃতীয় টেস্টে মাঠে নামার আগে প্রথম একাদশ নিয়ে দ্বিধায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সিরিজে প্রথমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রথম একাদশ খোলসা করেননি ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। জোহানেসবার্গে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে তৃতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন মহম্মদ সিরাজ। তাঁর জায়গায় উমেশ যাদব, না ইশান্ত শর্মাকে খেলানো হবে তা এখনও ঠিক করে উঠতে পারেনি ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে ইশান্তের পাল্লাই ভারি। চোটের জন্য আগের টেস্টে খেলতে পারেননি বিরাট কোহলি। এই টেস্টে তিনি ফিরছেন। কোন ব্যাটার বাদ যাবেন, এখন সেটাই দেখার। তবে হনুমা বিহারীর প্রথম একাদশ থেকে বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ঋষভ পন্থকে নিয়েও জল্পনা রয়েছে। দ্বিতীয় টেস্টে তিনি যেভাবে আউট হয়েছেন, স্বয়ং ভারতীয় দলের হেডস্যার খুশি নন। বিরাট অবশ্য মহেন্দ্র সিং ধোনির পরামর্শর কথা উত্থাপন করে ঋষভকে সতর্ক করে দিয়েছেন। ধোনি একবার কোহলিকে বলেছিলেন, একই ভুল যেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬৭ মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার না ঘটে।আরও পড়ুনঃ আইএসএলে ইতিহাস গড়তে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। কীভাবে দেখে নিনমঙ্গলবার কন্যা ভামিকার জন্মদিন। মেয়ের জন্মদিনেই ৯৯ তম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখতে চান কোহলি। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। মেয়ের জন্মদিনে সুযোগ পেলে সেঞ্চুরি করে স্মরণীয় করে রাখতে চান। তবে তাঁর সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে যেভাবে চারিদিকে চর্চা হচ্ছে তা নিয়ে একেবারে চিন্তিত নন কোহলি। তিনি জানিয়েছেন, কারও কাছে তাঁর নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করার কিছু নেই।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনন্য কৃতিত্ব ট্রেন্ট বোল্টেরকেপ টাউনে ভারতের পরিসংখান একেবারেই ভাল নয়। এর আগে নিউল্যান্ডসে ৫টি টেস্ট খেলেছে ভারত। ৩টিতে হার, দুটি ড্র। এবার ইতিহাস বদলানোর সুযোগ ভারতীয় দলের সামনে। কিন্তু ভারতের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে নিউল্যান্ডসের বাইশ গজ ও কেপ টাউনের আবহাওয়া। জোহানেসবার্গের মতো এখানেও বৃষ্টির হানা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : ওয়ান্ডারার্সে ‘‌ওয়ান্ডারফুল’‌ ব্যাটিং এলগারের, দূর্গে ফাটল ভারতের

জোহানেসবার্গ নাকি ভারতের দূর্গ বলে পরিচিত। এই টেস্টের আগে ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে ৫টি ম্যাচ খেলেছে ভারত। দুটি জয়, তিনটি ড্র। গত ৩০ বছরে ভারতকে এই মাঠে হারাতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের সেই প্রিয় মাঠেই এবার জয় ছিনিয়ে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়ান্ডারার্সে টেস্টে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভেঙে গেল ভারতের। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে ঐতিহাসিক জয় এনে দিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার।আরও পড়ুনঃ সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকের২০১৮ সালে এই মাঠেই টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছিল বিরাট কোহলির ভারত। সেবার ২৪১ রান তাড়া করতে নেমে ১৭৭ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ২৪০ বলে ৮৬ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেও দলের হার বাঁচাতে পারেননি এলগার। ৪ বছরের পুরনো স্মৃতি এবার আর ওয়ান্ডারার্সে ফিরতে দিলেন না প্রোটিয়া অধিনায়ক। এবার ৯৬ রানে অবিস্মরণীয় ইনিংস খেলে দলকে দুর্দান্ত জয় এনে দিলেন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ কমিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রাজোয়ানেসবার্গে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। প্রথম ইনিংসে ভারত তুলেছিল ২০২। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা তোলে ২২৯। ২৭ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তোলে ২৬৬। জয়ের জন্য ২৪০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছিল ২ উইকেটে ১১৮। দরকার ছিল ১২২ রান। হাতে ছিল ৮ উইকেট। চতুর্থ দিন বৃষ্টির জন্য প্রথম দুই সেশন নষ্ট হলেও দক্ষিণ আফ্রিকার জয় আটকায়নি।আরও পড়ুনঃ রক্ষণ সামলাতে পুরনো ডিফেন্ডারকে ফেরাল এটিকে মোহনবাগানআবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস ছিল, চতুর্থ দিন বৃষ্টি ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এদিন সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়। এদিন খেলা আদৌও হবে কিনা, তা নিয়ে একসময় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। বৃষ্টি থামায় অবশেষে চা পানের বিরতির পর খেলা শুরু হয়। শুরু থেকেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে আক্রমণে নিয়ে এসেছিলেন লোকেশ রাহুল। কাজের কাজ কিছু হয়নি। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরা, শার্দূল ঠাকুররাও দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ব্যাটার ডিন এলগার ও ভ্যান ডার ডুসেনকে বিব্রত করতে পারেননি। অবশেষে মহম্মদ সামি জুটি ভাঙেন। ৫৪ তম ওভারের শেষ বলে ডুসেনকে (৪০) যখন তুলে নেন দক্ষিণ আফ্রিকা পৌঁছে গিয়েছিল ১৭৫ রানে। এলগার ও ডুসেনের ৮২ রানের জুটি ভারতকে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অধিনায়ক ডিন এলগার ও তেম্বা বাভুমা। ২৪৩/৩ তুলতে দক্ষিণ আফ্রিকার লাগে ৬৭.৪ ওভার। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে এলগার ৯৬ রানে ও বাভুমা ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : জ্বলে উঠলেন পুজারা–রাহানে, তবু জোহানেসবার্গে ব্যাকফুটে ভারত

টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর জন্য এটাই ছিল চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানের কাছে শেষ সুযোগ। ব্যর্থ হলেই অন্ধকার ঘনিয়ে আসত এই দুই ভারতীয় মিডল অর্ডার ব্যাটারের টেস্ট জীবনে। প্রবল চাপের মুখে জ্বলে উঠলেন পুজারা ও রাহানে। তাঁদের ১১১ রানের জুটি শুধু নিজেদের টেস্ট কেরিয়ারে লাইফলাইন এনে দিল না, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের জয়ের পথও প্রশস্ত করে দিয়েছিল। শেষ বেলায় ভারতকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দিলেন এলগার ও ডুসেন। জয়ের জন্য ২৪০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ১১৮/২। বাকি দায়িত্ব এখন ভারতীয় বোলারদের হাতে।আরও পড়ুনঃ বাংলা পক্ষের চাপে পড়ে বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বিভাগেরআগের দিনের ৮৫/২ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে। টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর ইনিংসে অনেক ইতিবাচক ছিলেন পুজারা। দিনের প্রথম ঘন্টাতেই হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেন ভারতের দুই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ১০টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬২ বলে ৫০ রানে পৌঁছে যান পুজারা। বিদেশের মাটিতে এটাই তাঁর দ্রুততম অর্ধশতরান। রাবাডা, এনগিডিদের বিরুদ্ধে একেবারে চরিত্রবিরোধী ব্যাটিং করে গেলেন পুজারা। আসলে টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর চাপেই তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। অবশেষে ৮৬ বলে ৫৩ রান করে রাবাডার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান পুজারা। তাঁর এই লড়াকু ইনিংস আপাতত বাঁচিয়ে দিল টেস্ট কেরিয়ার।আরও পড়ুনঃ কামড় দিলেই তেতুল জলের বদলে বাটারস্কচ আইসস্ক্রিম, ভিন্ন স্বাদের ফুচকায় মেতেছে বর্ধমানপুজারার পাশাপাশি অজিঙ্কা রাহানের কথাও বলতে হবে। তিনিও প্রবল চাপের মুখে ছিলেন। জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় ইনিংসে রান না পেলে পুজারার মতো তাঁরও টেস্ট কেরিয়ার শেষ হয়ে যেত। জ্বলে উঠলেন রাহানে। ৭৮ বলে ৫৮ রান করে শুধু টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর লাইফলাইন পেলেন না, ভারতকে লড়াই করার জায়গায় পৌঁছে দিল। পুজারা ও রাহানের ১১১ রানের জুটি ভারতে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেয়। তবে হনুমা বিহারী (অপরাজিত ৪০), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (১৬), শার্দূল ঠাকুরদের (২৮) লড়াই ভারতকে ২৬৬ রানে পৌঁছে দেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৭৭ রানে, লুঙ্গি এনগিডি ৪৩ রানে ও মার্কো জানসেন ৬৭ রানে ৩টি করে উইকেট পান।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয়বার কোভিডে আক্রান্ত রাজ-শুভশ্রীপ্রথম ইনিংসে ২৭ রানে এগিয়ে থাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪০। দ্বিতীয় ইনিংসে ভাল শুরু করেছিলেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার এইডেন মার্করাম ও ডিন এলগার। চা পানের বিরতির আগেই ৭ ওভারে দুজনে তোলেন ৩৪। তৃতীয় সেশনের শুরুতেই ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে। মার্করামকে (৩১) তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু দেন শার্দূল ঠাকুর। এরপর এলগারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন কিগান পিটারসেন। পিটারসেনকে (২৮) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন অধিনায়ক ডিন এলগার (অপরাজিত ৪৬) ও ভ্যান ডার ডুসেন (অপরাজিত ১১)। জিততে গেলে প্রোটিয়াদের এখনও তুলতে হবে ১২২। হাতে ৮ উইকেট।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : জীবনের সেরা বোলিং, শার্দূলের দুর্দান্ত প্রত্যাঘাতে ম্যাচে ফিরল ভারত

জোহানেসবার্গে সিরিজ জিতে কি ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? প্রথম ইনিংসে লোকেশ রাহুলরা ২০২ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে। দ্বিতীয় দিনে শার্দূল ঠাকুরের হাত ধরে দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত। জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল। তুলে নিলেন ৬১ রানে ৭ উইকেট। ভারতের ২০২ রানে জবাবে ২২৯ রানে শেষ হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ২৭ রানের বেশি লিড পেল না প্রোটিয়ারা।আরও পড়ুনঃ টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে পারবে বাংলাদেশ? সামনে সুবর্ণ সুযোগআগের দিনের ১ উইকেটে ৩৫ রানে হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম বল থেকেই দারুণ সতর্ক ছিলেন ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। যশপ্রীত বুমরার বলে এলগারকে একবার আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। এলগার রিভিউ নিয়ে যে যাত্রায় বেঁচে যান। তার পরেও বড় রান করতে ব্যর্থ হন প্রোটিয়া অধিনায়ক। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরারা সুবিধা করতে না পারায় শার্দূল ঠাকুরকে আক্রমণে নিয়ে আসেন লোকেশ রাহুল। এলগারকে (২৮) তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু দেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত লক্ষ্মীরতন শুক্লা এখন কেমন আছেন? জানতে পড়ুনপ্রথম দিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগেই ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটেছিল ভারতের। দক্ষিণ আফ্রিকারও সেই একই অবস্থা। শার্দূল ঠাকুরের ধাক্কায় মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগে ব্যাটিং বিপর্যয় প্রোটিয়াদের। উইকেটে জমে যাওয়া কিগান পিটারসেন (৬২) ও ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) তুলে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন শার্দুল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তেম্বা বাভুমা ও কাইল ভেরেইন। জুটিতে ওঠে ৬০। জুটি ভাঙতে সেই শার্দূলের দ্বারস্থ হন লোকেশ রাহুল। অধিনায়ককে হতাশ করেননি শার্দূল। ভেরেইনকে (২১) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন। এক ওভার পরেই তুলে নেন বাভুমাকে (৫১)। এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পরই বড় ইনিংসের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার। শেষদিকে মার্কো জানসেন (২১) ও কেশব মহারাজের (২১) সৌজন্যে ২২৯ রানে পৌঁছয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৬১ রানে ৭ উইকেট নেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে এদিন একাই ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল ঠাকুর। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রিসবেনে ৬১ রানে ৪ উইকেট নেওয়াটা ছিল টেস্ট জীবনের সেরা বোলিং। ওই টেস্টে দুইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন শার্দূল। ব্রিসবেনে ভারত টেস্ট জিতেছিল। শুধু বোলিংয়েই নয়, ব্যাটিংয়েও দারুণ অবদান রেখেছিলেন। জোহানেসবার্গ টেস্টে তাঁর খেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁর পরিবর্তে উমেশ যাদবকে খেলানোর কথা ভেবেছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত শার্দূলেই আস্থা রাখে।আরও পড়ুনঃ কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি২৭ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তুলেছে ২ উইকেটে ৮৫। লোকেশ রাহুল ৮ রান করে মার্কো জানসেনের বলে আউট হন। মায়াঙ্ক আগরওয়াল ২৩ রান করে আউট হন। চেতেশ্বর পুজারা ৩৫ ও অজিঙ্কা রাহানে ১১ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : কোহলির না থাকার ধাক্কা সামলাতে ব্যর্থ ভারত, দ্বিতীয় টেস্টে কেন ব্যাটিং বিপর্যয়?‌

ওয়ান্ডারার্সে ইতিহাসের হাতছানি ভারতীয় দলের সামনে। দ্বিতীয় টেস্ট জিতলেই দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পাবে। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে চোটের জন্য ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি? যতই ফর্মে না থাকুন, কোহলির খেলা আর না খেলার মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য রয়েছে। যেটা প্রমাণ হয়ে গেল জোহানেসবার্গে। ওয়ান্ডারার্সে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের। ৬৩.১ ওভারে গুটিয়ে গেল মাত্র ২০২ রানে। সর্বোচ্চ রান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের।জোহানেসবার্গের উইকেট বরাবরই জোরে বোলারদের সহায়ক। যার ফায়দা তুলে নিলেন ডোয়েন অলিভিয়ের, মার্কো জানসেন, কাগিসো রাবাডারা। যদিও উইকেট দেখে শুরুর দিকে কিছুটা ফ্ল্যাট মনে হয়েছিল। টসে জিতে লোকেশ রাহুল ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভাল শুরু করেছিলেন ভারতীয় দলের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩৬। পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২৬) তুলে নেন মার্কো জানসেন। ক্রিজে নেমে সতর্কভাবে ব্যাট করছিলেন চেতেশ্বর পুজারা। মাথার ওপর বাদ যাওয়ার খাঁড়া ঝুলছে। চাপ নিতে পারলেন না। ডোয়েন অলিভিয়েরের বলে বাভুমার হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে আউট হন পুজারা (৩)। পরের বলেই খোঁচা দিয়ে ড্রেসিংরুমের পথে অজিঙ্ক রাহানে (০)। নিজেদের টেস্ট কেরিয়ার বাঁচাতে আর মাত্র একটা ইনিংস সুযোগ পাবেন ভারতীয় দলের এই দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার।বিরাট কোহলি চোটের জন্য ছিটকে যাওয়ায় সুযোগ পেয়েছেন হনুমা বিহারী। কারণ শ্রেয়স আয়ারও অসুস্থ। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না বিহারী। ব্যক্তিগত ২ রানের মাথায় একবার জীবন পেয়ে ৫৩ বলে ২০ রান করে রাবাডার বলে আউট হন। ঋষভ পন্থ ১৭ রান করে মার্কো জানসেনের ভেতরে ঢুকে আসা বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।নেতৃত্বের ব্যাটন দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দিয়েছিল লোকেশ রাহুলের। শুরু থেকেই সতর্কভাবে ব্যাট করে দলকে টানছিলেন। অর্ধশতরান পূরণ করার পর মনসংযোগ হারান। মার্কো জানসেনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল পুল করতে গিয়ে ফাইন লেগে কাগিসো রাবাডার হাতে ধরা পড়েন। ১৩৩ বলে ৫০ রান করেন লোকেশ রাহুল। লোকেশ রাহুল আউট হওয়ার পরই ভারতের বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। পরের দিকে সঙ্গী পাবেন না ভাবেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৫০ বলে ৪৬)। তাঁর ও যশপ্রীত বুমরার (অপরাজিত ১৪) সৌজন্যে ২০০ রানের গন্ডি পার হয় ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে মার্কো জানসেন ৩১ রানে ৪টি, কাগিসো রাবাডা ও ডোয়েন অলিভিয়ের ৬৪ রানে ৪টি করে উইকেট পান।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : কেন জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি?‌ জানুন গোপন রহস্য

জোয়ানেসবার্গে লোকেশ রাহুলকে টস করতে যেতে দেখেই অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। বিরাট কোহলি কোথায়? বিতর্কে জেরবার হয়ে তিনি কি মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন? ওয়ান্ডারার্সে টেস্ট জিতলেই ইতিহাস তৈরি হবে। এই রকম পরিস্থিতিতে কিনা প্রথম একাদশ থেকে সরে দাঁড়ালেন অধিনায়ক! আসল কারণটা জানা গেল ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের মুখে। পিঠের ওপরের দিকে ব্যাথার জন্য বিরাট কোহলি খেলতে পারছেন না। তিনি ফিজিওর পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।বিরাট কোহলি জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ানোয় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সত্যিই কি তিনি চোটে কাবু? না, ব্যর্থতার আতঙ্কে সরে গেলেন। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। আগের টেস্টে যেভাবে আউট হয়েছেন, তা নিয়ে সমালোচনার বন্যা বয়ে গেছে। ওয়ান্ডারার্সের সবুজ উইকেটে যদি আবার ব্যর্থ হন। সেই আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে অন্য কারণ জোরালোভাবে সামনে এসে পড়েছে।জোহানেসবার্গে মাঠে নামলে ৯৯ তম টেস্ট খেলা হয়ে যেত বিরাট কোহলির। কেপটাউনে শততম টেস্ট খেলতে নামতেন। কিন্তু জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ানোয় দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে শততম টেস্ট খেলতে হচ্ছে না বিরাট কোহলিকে। দক্ষিণ আফ্রিকার পর ভারত টেস্ট সিরিজ খেলবে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। দুর্বল শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ফর্মে ফেরার দারুণ সুযোগ পাবেন কোহলি। একদিকে ফর্মে ফেরার সুযোগ, অন্যদিকে ঘরের মাঠে শততম টেস্ট খেলার হাতছানি। এইরকম সুযোগ কেউ কি হাতছাড়া করতে চাই? এই প্রশ্নটাই জোরালো হয়ে দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, ঘরের মাঠে দুর্বল শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে বড় ইনিংস খেলে শততম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখতে চান বিরাট কোহলি। তাই পিঠের ব্যাথার অজুহাতে জোহানেসবার্গ টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন বিরাট কোহলি।কোহলির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে জল্পনা অব্যাহত। নেতৃত্ব বিতর্ক নিয়ে কয়েকদিন আগেই বিরাট কোহলির বক্তব্য খন্ডন করেছেন নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা। তারপর কোহলি জোহানেসবার্গ থেকে সরে দাঁড়ালেন। তাহলে কি অভিমানেই অধিনায়কের এই সিদ্ধান্ত। কোহলি সরে দাঁড়ানোয় দ্বিতীয় টেস্টে ভারতকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। সহঅধিনায়কের দায়িত্বে যশপ্রীত বুমরা। আর কোহলির পরিবর্তে প্রথম একাদশে হনুমা বিহারী।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India Vs SA: ওয়ান্ডারার্সে ‘‌ওয়ান্ডার’‌ ঘটাতে পারবে ভারত?‌ ইতিহাস তৈরির লক্ষ্যে নামছে কোহলি ব্রিগেড

সেঞ্চুরিয়ন নাকি দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্জয় ঘাঁটি। সেই মাঠেই প্রোটিয়াদের হারিয়ে সিরিজে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ভারত। সোমবার থেকে জোয়ানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু। এই মাঠে ভারতের পরিসংখ্যান দারুণ চমকপ্রদ। ৫টেস্টে একটাও হারেনি ভারত। ২টিতে জয়, তিনটি ড্র। ৪ বছর আগে এই জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্সেই টেস্ট জিতেছিল বিরাট কোহলি ব্রিগেড। পয়া মাঠে ভারতের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্ট জিতলে ইতিহাস তৈরি করবে কোহলির দল। কারণ এর আগে কোনও ভারতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সিরিজ জিতে ফেরেনি।ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে গতি আছে। তবে সেঞ্চুরিয়নের মতো বাউন্স নেই। ভারতীয় ব্যাটারদের কাছে এটাই বাড়তি সুবিধা। এটাই স্বপ্ন দেখাচ্ছে ভারতীয় শিবিরকে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ভারত প্রথম টেস্ট জিতেছিল ২০০৬ সালে। সেবার দলের অধিনায়ক ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। এবার তিনিই দলের হেড কোচ। জোয়ানেসবার্গে ভারতীয় ব্যাটাররা যে চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি, সেকথা জানিয়েছেন দ্রাবিড়। তিনি বলেছেন, ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে গতি আছে। তবে বাউন্স কম। সেই কারণে ভারতীয় ব্যাটাররা এখানে ভাল খেলে। এখানকার উইকেট যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। তবে আমরা তৈরি। আশা করছি দল ভাল ক্রিকেট উপহার দিতে পারবে।প্রথম টেস্টে বোলাররা ভাল বোলিং করলেও প্রত্যাশাপূরণে ব্যাটাররা। চেতেশ্বর পুজারা, অজিঙ্ক রাহানে রান পাননি। তা সত্ত্বেও তাঁদের বাদ দিয়ে প্রথম একাদশ ভাবছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে দ্রাবিড়ের কথায়। তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার পরিবেশে ব্যাট করা যথেষ্ট কঠিন। তাছাড়া দলের সবাই একসঙ্গে রান করবে, এটা ভাবাও ঠিক নয়। অনেকেই ভাল শুরু করে বড় ইনিংস খেলতে পারছে না। আশা করছি সামনের ম্যাচে ওরা বড় ইনিংস খেলবে।ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে প্রচুর ঘাস রয়েছে। স্পিনারদের কার্যকরী ভুমিকা নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। সেই কথা মাথায় রেখেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে ব্যাটিং শক্তি বাড়ানোর কথা ভাবছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেক্ষেত্রে হনুমা বিহারীকে খেলানো হতে পারে। বিহারীকে খেলালে তিনি অফস্পিনও করতে পারবেন। শার্দূল ঠাকুরের জায়গায় উমেশ যাদবকে খেলানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India SA: জোহানেসবার্গে রানে ফিরবেন বিরাট কোহলি?‌ কী বললেন ভারতীয় দলের হেডস্যার

কয়েকদিন আগেই নেতৃত্ব বিতর্ক নিয়ে বিরাট কোহলির সমালোচনা করেছিলেন জাতীয় নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা। জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামার আগে বিরাট কোহলির পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর নেতৃত্বে ভূয়সী প্রশংসা করলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়। শুধু পাশে দাঁড়ানোই নয়, কোহলির মতো অধিনায়কের সঙ্গে কাজ করে দারুণ খুশি তিনি।ওয়ান্ডারার্সে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামার আগে রবিবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। সেই সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, কোহলি দলকে অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়েছে। মাঠ ও মাঠের বাইরে নিজেকে দুর্দান্ত নেতা হিসেবে মেলে ধরেছে। ওর নেতৃত্বের জন্যই প্রথম টেস্টে আমরা ভাল জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলাম। কোহলির মতো অধিনায়কের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি দারুণ খুশি।প্রায় ২ বছর হতে চলল বিরাট কোহলির ব্যাটে বড় রান নেই। সেঞ্চুরিয়নে দুই ইনিংসেই ভাল শুরু করেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ। রাহুল দ্রাবিড়ের আশা জোয়ানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্টেই বড় রানে ফিরবেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। দ্রাবিড় বলেন, কোহলি ভাল শেপে রয়েছে। দুই ইনিংসেই দারুণ শুরু করেছিল। কিন্তু বড় রান করতে পারেনি। ওকে নেটে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। ভাল ছন্দে রয়েছে। আশা করছি এই টেস্টেই রানে ফিরবে।একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্ব বিতর্কে যথেষ্ট চাপে রয়েছেন বিরাট কোহলি। তা সত্ত্বেও ফোকাস হারাননি ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক। কোহলির এই মনোবলের প্রশংসা শোনা গেছে ভারতীয় দলের হেডস্যারের মুখে। কোহলি সম্পর্কে দ্রাবিড় বলেন, গত ২০ দিন ধরে বিতর্কের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে কোহলিকে। ওকে নিয়ে নানা কথা উঠেছে। তা সত্ত্বেও যেভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করে চলেছে, এককথায় অসাধারণ। দলকে দুর্দান্ত নেতৃত্ব দিয়েছে। প্রথম টেস্টে দলকে জয় এনে দিয়েছে। দুটি টেস্টের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে আসেননি কোহলি। কেপটাউনে জীবনের শততম টেস্ট খেলবেন। তার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে কোহলি আসবেন বলে জানিয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

I‌ndia Vs SA: সেঞ্চুরিয়নে জিতেও সমস্যায় ভারত, কেন পয়েন্ট কাটা গেল কোহলিদের?‌

সেঞ্চুরিয়নের সুপার স্পের্টস পার্ক দক্ষিণ আফ্রিকার দূর্গ হিসেবে পরিচিত। সেই মাঠেই প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে ভারত। তিনটি টেস্ট খেলে প্রথম জয়। সেঞ্চুরিয়নে জিতেও অবশ্য স্বস্তিতে নেই ভারত। বিরাট কোহলিদের বুকে কাঁটার মতো বিঁধছে পয়েন্ট কাটা। মন্থর বোলিংয়ের জন্য ১ পয়েন্ট কাটা গিয়েছে ভারতীয় দলের। একই সঙ্গে দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারের ম্যাচ ফি কাটা গেছে ২০ শতাংশ করে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ১ ওভার বল কম করেছিল ভারত। এর জন্য জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে গোটা দলকে। তবে বড় ধাক্কা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট কাটা যাওয়া। ২০২০ সালে মেলবোর্ন টেস্টে ভারতের বিরুদ্ধে মন্থর বোলিংয়ের জন্য ৪ পয়েন্ট কাটা গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। এই পয়েন্ট কাটা যাওয়ার জন্য ভুগতে হয়েছিল অসিদের। যার জন্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে পারেননি টিম পাইনরা।ভারতের পয়েন্ট কাটা যাওয়ার ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজেও ১ পয়েন্ট কাটা গেছে বিরাট কোহলির দলের। নটিংহ্যাম টেস্টে মন্থর বোলিংয়ের জন্য এই পয়েন্ট কাটা গিয়েছিল। এই নিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণে দ্বিতীয়বার পয়েন্ট কাটা গেল ভারতের। ভবিষ্যতে সতর্ক না হলে এর মাশুল দিতে হতে পারে বিরাট কোহলি ব্রিগেডকে। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়ম অনুযায়ী কোন দুটি দল ফাইনাল খেলবে তা ঠিক হয় সংগৃহীত পয়েন্টের শতাংশের হিসেবের ভিত্তিতে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২১ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে থাকলেও কিংবা নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সিরিজ জিতলেও এই মুহূর্তে ভারতের ওপরে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। করোনা পরিস্থিতিতে সব দেশ সমান সংখ্যক টেস্ট খেলতে পারছে না। ফলে সংগৃহীত পয়েন্টের শতাংশের হিসেব কষেই পয়েন্ট তালিকার ক্রমপর্যায় ঠিক হচ্ছে। ফলে ওভার রেটের দিকে বাড়তি নজর রাখতে হবে বিরাটদের। ভবিষ্যতে পয়েন্ট কাটা গেলে সমস্যায় পড়তে হবে।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal