• ২ কার্তিক ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sourav

খেলার দুনিয়া

‌দল নির্বাচনী বৈঠকে ছিলেন?‌ মারাত্মক অভিযোগ নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি

কয়েকদিন আগেই তাঁর বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ভারতীয় দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির থাকার অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। পরিস্কার তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এই ধরণের অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়ার কোনও দরকার নেই। এই ব্যাপারে কারও কাছে তিনি জবাবদিহি করার প্রয়োজন মনে করছেন না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ গাঙ্গুলি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ছবি দেখছি, আমি নাকি ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে রয়েছি। যে ছবিটা ভাইরাল হয়েছে, ওটা ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকেরই নয়। ওই ছবিতে যুগ্মসচিব জয়েশ জর্জ রয়েছে। ওর তো দল নির্বাচনী বৈঠকে থাকারই কথা নয়। বোর্ড প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসার আগে আমি দেশের হয়ে ৪২৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছি। ফলে আমার কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়, সেটা খুব ভালভাবে জানি। ইদানিং একটা কথা শোনা যাচ্ছে, বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে বোর্ড সচিব জয় শাহর দূরত্ব বেড়েছে। এই গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন সৌরভ। তিনি বলেন, এইসব কারা রটাচ্ছে জানি না। জয় শাহ, অরুণ ধুমল, জয়েশ জর্জের সঙ্গে তো দারুণ কাজ করছি। আমাদের মধ্যে তো কোনও সমস্যা নেই। এসব রটনা। ভারতওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ যে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হবে, সেকথাও পরিস্কার করে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমেদাবাদে তিনটি একদিনের ম্যাচ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হবে। ইডেনে টি২০ সিরিজেও দর্শকরা মাঠে ঢুকতে পারবেন না। সাধারণ দর্শকদের জন্য কোনও টিকিট বিক্রি করা হবে না। সিএবির কর্তারা ও সিএবি অনুমোদিত সংস্থার প্রতিনিধিরাই শুধু ইডেনে ঢুকতে পারবেন। এদিকে, ভারতশ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজ যে পিছিয়ে যাচ্ছে, সেকথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন সৌরভ। তিনি বলেন, আগে টি২০ সিরিজ হবে। তারপর টেস্ট সিরিজ। তাই টেস্ট সিরিজ পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগেই টেস্ট দলের অধিনায়ক বেছে নেওয়া হবে বলে জানান সৌরভ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার বিতর্কে সৌরভ গাঙ্গুলি?‌ ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ

বিরাট কোহলিকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে বিতর্কে জনিয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। আবার নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। যা নিয়ে উত্তাল ক্রিকেটমহল। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলির অবশ্য কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি।কী এমন করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলি যে তাঁকে নিয়ে আবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে? এক্তিয়ার বহির্ভূতভাবে তিনি নাকি ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে হাজির ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিনিধির টুইটে এই ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি কখনোই জাতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে থাকতে পারেন না। দল নির্বাচনের বৈঠকে আহ্বায়ক হিসেবে বোর্ড সচিব জয় শাহ থাকতে পারেন। কিন্তু বেশ কয়েকটা বৈঠকে সৌরভ গাঙ্গুলি নাকি হাজির ছিলেন।You know what else is problematic apart from the obvious Ganguly- Shah duo? The presence of Rohit Sharma.The day a leader decides to share power is the day he loses the room. So many news saying that dressing room is a divided house.Two lions never ruled a jungle together! https://t.co/dYhornzxAN Cricketjeevi (@wildcardgyan) February 1, 2022একটি সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেল একটি অনুষ্ঠানে প্রশ্ন তুলেছে কোন নিয়মে সৌরভ গাঙ্গুলি দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির থাকেন। ওই অনুষ্ঠানে দাবি করা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সব নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের অভিযোগ প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি সৌরভ। এমনকি কোনও বোর্ড কর্তাও এই ব্যাপারে মন্তব্য করেননি। তবে অনেক কর্তা এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে বিরাট কোহলি দাবি করেছিলেন, তিনি বোর্ড কর্তাদের জানিয়েই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। পরে বোর্ড কর্তারা জানান, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে তাঁরা কিছু জানতেন না। এরপর একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে বিরাট কোহলিকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এরপরই কোহলিপ্রেমীরা সৌরভের অপসারণের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়ে ওঠেন।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : সীমাবদ্ধতা নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই এসসি ইস্টবেঙ্গলের

যদি একজন ভাল মানের স্ট্রাইকার থাকতেন। কিংবা আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে নির্বাসনের যদি নির্বাসনের কবলে পড়তে না হত। নিশ্চিতভাবেই মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ত এসসি ইস্টবেঙ্গল। সীমাবদ্ধতা নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই রেনেডি সিংয়ের দলের। গতবারের চ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসিকে আটকে দিল লালহলুদ ব্রিগেড। ম্যাচের ফল গোলশূন্য।আরও পড়ুনঃ ম্যাকহিউ, বোমাস কেন চিন্তা বাড়িয়েছে জুয়ান ফেরান্দোর?মানোলো দিয়াজ চলে যাওয়ার পর ফুটবলারদের শরীরী ভাষাই বদলে গেছে। নিজেদের দক্ষতার শীর্ষে উঠে লড়াই আদিল, হাওকিপ, অঙ্কিত মুখার্জিদের। গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে এদিন এক বিদেশিকে প্রথম একাদশে রেখে দল সাজিয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রেনেডি সিং। ইগর অ্যাঙ্গুলো, মোর্তাদা ফল, আহমেদ জাহুদের বিরুদ্ধে দারুণ লড়াই করলেন হাওকিপ, আদিল খান, হীরা মণ্ডলরা।আরও পড়ুনঃ অড-ইভেন পদ্ধতিতে বর্ধমান শহরের বাজার বন্ধ থাকবে, ঘোষনা মাইক্রো কনটেইনমেন্টজোন জোনেরএদিন ম্যাচের শুরু থেকেই এসসি ইস্টবেঙ্গল প্রেসিং ফুটবলের ওপর জোর দিয়েছিল। প্রতিটা বলের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ছিলেন হাওকিপ, আদিল খান, সৌরভ দাসরা। শুরুর দিকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের আধিপত্য বেশি ছিল। তার মাঝেই ৯ মিনিটে ডানদিক থেকে ভেসে আসা বল ইগর অ্যাঙ্গুলোর হেড সরাসরি অরিন্দম ভট্টাচার্যর হাতে চলে যায়। পরের মিনিটেই হীরা মণ্ডলের থ্রো চিমার ব্যাকহেড গোলে ঢোকার মুখে বাঁচান মুম্বই সিটি এফসি গোলকিপার। ১৩ মিনিটে আবার সেই হীরা মণ্ডলের থ্রো ইন বক্সে জটলার মধ্যে সুবিধা জায়গায় পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন চিমা। ১৯ মিনিটে চোটের জন্য বেরিয়ে যেতে হয় জয়নার লরেন্সোকে। তাঁর পরিবর্তে নামেন অঙ্কিত মুখার্জি। রক্ষণকে দারুণ নির্ভরতা দিলেন অঙ্কিত। প্রথমার্ধে ইগর অ্যাঙ্গুলোদের বিন্দুমাত্র জ্বলে উঠতে দেননি।আরও পড়ুনঃ সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আজই ভার্চুয়াল বৈঠকে করতে পারেন মোদিদ্বিতীয়ার্ধেও ছবিটা বদলায়নি। শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে সমানে সমানে লড়ে গেলেন হাওকিপরা। ইস্টবেঙ্গল মাঝমাঠকে দুর্দান্ত নেতৃত্ব দিলেন সৌরভ দাস। ম্যাচের সেরাও তিনি। বিদেশিদের ভিড়ে একজন বাঙালী ফুটবলার ম্যাচের সেরা হচ্ছেন, এটাই এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে বড় প্রাপ্তি। দ্বিতীয়ার্ধে গোল করার মতো সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ড্যানিয়েল চিমা সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে এবারের আইএসএলে প্রথম জয় তুলে ননিতে পারত লালহলুদ শিবির।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Sourav-Sana : গাঙ্গুলি পরিবারে আবার করোনার হানা, আক্রান্ত সৌরভের কন্যা সানা

করোনা আতঙ্কে থরহরিকম্প গোটা দেশ। ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ আরও বেশি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট। কিছুদিন আগেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। এবার করোনায় আক্রান্ত তাঁর মেয়ে সানা গাঙ্গুলি। একই সঙ্গে আক্রান্ত সৌরভের কাকা তথা সিএবির কোষাধ্যক্ষ দেবাশিস গাঙ্গুলি, খুড়তুতো ভাই শুভ্রদীপ গাঙ্গুলি ও ভ্রাতৃবধু জুঁই গাঙ্গুলি।বেশ কিছুদিন ধরে লন্ডনে ছিলেন সৌরভের স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলি ও সানা গাঙ্গুলি। লন্ডনে বড়দিনের ছুটি কাটিয়ে কয়েকদিন আগে দেশে ফিরেছেন। বাড়িতে ফেরার পর কয়েকদিন ধরে সামান্য অসুস্থ ছিলেন সানা গাঙ্গুলি। হালকা জ্বর ছিল। করোনার অন্যান্য উপসর্গও দেখা যায়। এরপরই তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হয়। মঙ্গলবার রাতে সানার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সানার পাশাপাশি ডোনা এবং পরিবারের অন্য সদস্যদেরও করোনা পরীক্ষা করা হয়। সৌরভের খুড়তুতো ভাই শুভ্রদীপ গাঙ্গুলি, ভ্রাতৃবধু জুঁই গাঙ্গুলিরও রিপোর্ট পজিটিভ আসে। প্রত্যেকেই বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন।কিছুদিন আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে তিনি বাড়ি ফিরেছেন। সৌরভ আপাতত বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন। সৌরভের করোনা ধরা পড়ার পরপরই পরিবারের বাকি সদস্যদের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। তখন সকলেরই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। সানা অসুস্থ বোধ করায় তাঁর পরীক্ষা করা হয়। দ্বিতীয়বার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সৌরভকে নিয়ে গাঙ্গুলি পরিবারে এই নিয়ে পাঁচজনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এল। প্রত্যেকেই বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন। সৌরভ, সানা করোনায় আক্রান্ত হলেও সৌরভের স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলির রিপোর্ট অবশ্য নেগেটিভ এসেছে। গাঙ্গুলি পরিবারে আগেই সৌরভের দাদা স্নেহাশিস এবং মা নিরূপা গাঙ্গুলি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌কেমন আছেন সৌরভ? ওমিক্রন পরীক্ষার রিপোর্ট আসতে আরও একদিন বাকি

সৌরভ গাঙ্গুলি কি ওমিক্রনে আক্রান্ত? বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি চিকিৎসকরা। সৌরভের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়ে। বৃহস্পতিবার সেই রিপোর্ট আসার কথা। তারপরই জানা যাবে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। তবে এখন অনেকটাই ভাল আছেন তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন সৌরভে অবস্থা স্থিতিশীল। করোনায় আক্রান্ত হয়ে সোমবার রাতে মধ্য কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন সৌরভ গাঙ্গুলি। জ্বর না এলেও করোনার হালকা উপসর্গ ছিল। যেহেতু সৌরভের হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে, তাই কোনো ঝুঁকি নেননি চিকিৎসকরা। তাঁর চিকিৎসার জন্য তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মেডিকেল বোর্ডে রয়েছেন ডাঃ সরোজ মণ্ডল, ডাঃ সপ্তর্ষি বসু ও ডাঃ সৌতিক পাণ্ডা। হালকা সর্দি থাকায় সৌরভকে স্টিম দেওয়া হয়েছে। কাশি না থাকার জন্য আপাতত সিটি স্ক্যান করা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার সৌরভের ওমিক্রন পরীক্ষার রিপোর্ট আসার কথা। রিপোর্ট ঠিকঠাক থাকলে এদিনই সৌরভকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও বাড়ির বাইরে বার হতে পারবেন না সৌরভ। আপাতত তাঁকে বেশ কয়েকদিন নিভৃতবাসে থাকতে হবে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে বেশ খোশমেজাজেই রয়েছেন সৌরভ। টিভিতে ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ম্যাচ দেখার পাশাপাশি অফিসের জরুরি কাজও করছেন।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Sourav Ganguly: চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে স্থিতিশীল সৌরভ, স্বাভাবিক খাবার খাচ্ছেন

করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে আপাতত ভাল আছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, নতুন করে আর জ্বর আসেনি সৌরভের। কাশিও নেই। তবে সর্দি রয়েছে বিসিসিআই সভাপতির।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সর্দি থাকায় মাঝে মধ্যে স্টিম দেওয়া হচ্ছে সৌরভকে। কিন্তু কাশি না থাকায় আপাতত তাঁর সিটি স্ক্যান করা হবে না। স্বাভাবিক ভাবে খাবার খাচ্ছেন তিনি। কথাও বলছেন। বুধবার দুপুরে সৌরভের শারীরিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন চিকিৎসকরা। তার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।সৌরভের চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার তিন সদস্যের চিকিৎসক দল গঠন করা হয়েছে। সেই দলে রয়েছেন সরোজ মণ্ডল, সপ্তর্ষি বসু ও সৌপ্তিক পণ্ডা। এ ছাড়াও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে চিকিৎসক দেবী শেঠি ও আফতাব খানের।কোভিডের জন্য যে চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন অনুসরণ করা হয়, সেই মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ককটেল থেরাপি সৌরভের জন্য সোমবার রাতেই শুরু করা হয়েছে। তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে জিনের পরীক্ষার জন্য। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে সেই রিপোর্ট পাওয়া যেতে পারে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে বোঝা যাবে তাঁর ওমিক্রন সংক্রমণ হয়েছে কি না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ওমিক্রনে আক্রান্ত সৌরভ গাঙ্গুলি?‌ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হল নমুনা

করোনার তৃতীয় ঢেউ ক্রমশ চোখ রাঙাচ্ছে। ইতিমধ্যেই নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তার মধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা বর্তমান বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। আপাতত তিনি মধ্যে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রমে আক্রান্ত কিনা তা পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে। কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। করোনার কয়েকটা অপসর্গ দেখা দিয়েছিল। এরপরই তিনি নিজেই সেলফ টেস্টিং কিট দিয়ে করোনা পরীক্ষা করেন। পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সেই রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতলে আবার পরীক্ষা করান। দ্বিতীয় পরীক্ষার রিপোর্টও পজিটিভ আসে। এরপর আর ঝুঁকি না নিয়ে সোমবার রাতেই মধ্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যান। এদিনই তাঁর দাদাগিরি অনুষ্ঠানের শুটিং ছিল। রবিবার রাতে হালকা জ্বর আসায় তিনি সেই শুটিং আগেই বাতিল করে দিয়েছিলেন।এই বছরের শুরুতে বুকে অস্বস্তি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সৌরভ। পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বসাতে হয়েছিল। যেহেতু হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে, তাই চিকিৎসকরা ঝুঁকি নিতে চাননি। তাঁকে হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেন। এর আগে সৌরভের দাদা স্নেহাশিস গাঙ্গুলি, তাঁর মা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে সৌরভের করোনার কোনও উপসর্গ নেই। আজ রাতেই তঁাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। তবে বাড়িতে ফিরে আইসোলেশনে থাকতে হবে। সতর্কভাবে চলাফেরা করলেও কীভাবে সৌরভ করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। কয়েকদিন আগে তিনি টনিক সিনেমার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। অনেকের আশঙ্কা সেখান থেকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন সৌরভ। তার আগে একটা কাজে মুম্বই গিয়েছিলেন। তবে সৌরভের সংস্পর্ষে যারা এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে তাঁদেরও করোনা পরীক্ষা করা হবে। স্ত্রী ডোনা, কন্যা সানাসহ সৌরভের পরিবারের অন্য সদস্যদের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সকলেরই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
কলকাতা

Sourav Ganguly: করোনা আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ভর্তি দক্ষিণ কলকাতার হাসপাতালে

করোনা আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার সকালেই প্রাথমিক পরীক্ষায় সৌরভের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তার পরে তাঁর দ্বিতীয় পরীক্ষা করানো হয়। তাতেও রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রের খবর।আপাতত দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। তবে সৌরভ অসুস্থ হলেও তাঁর স্ত্রী ডোনা এবং কন্যা সানার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।রাতেই সৌরভকে ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সোমবার রাত থেকে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তবে শেষপর্যন্ত তাঁর চিকিৎসা হাসপাতালে হবে না বাড়িতে এনে তাঁকে নিভৃতবাসে রাখা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সৌরভ চাইছেন, বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা হোক।সোমবার সকালে অসুস্থ বোধ করায় সৌরভের টেলিভিশন শোয়ের শ্যুটিং বাতিল করা হয়। তার আগে অবশ্য তিনি কয়েকটি পণ্যের বিজ্ঞাপনী শ্যুটিং করেছেন। শ্যুটিং করেছেন তাঁর টেলিভিশন শোয়েরও। কী ভাবে এবং কোথা থেকে তিনি করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গত কিছুদিনে সৌরভ দেশ এবং বিদেশের কিছু শহরে সফরেও গিয়েছিলেন। সর্বশেষ সফরে গিয়েছিলেন মুম্বই। সেই সূত্রে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা-ও এখনও স্পষ্ট নয়। তবে করোনায় আক্রান্ত হলেও সৌরভ স্থিতিশীল রয়েছেন বলেই হাসপাতাল সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : অবশেষে মুখ খুললেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট, কোহলির মন্তব্য নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি?‌

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে বিরাট কোহলির সঙ্ঘাত নিয়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করে বুধবারই বিবৃতি দিয়েছেন কোহলি। বেশ কিছুদিন আগে সৌরভ দাবি করেছিলেন, তিনি নাকি কোহলিকে টি২০ নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাওয়ার আগে কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন, কেউ তাঁকে নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেননি। কোহলির এই বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে।কোহলির মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সকলেই তাকিয়ে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলির প্রতিক্রিয়ার দিকে। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত সৌরভ কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। নিজের বেহালার বাড়ি থেকে বার হলেও সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বার হওয়ার সময় অবশ্য আর সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যাননি সৌরভ। এদিন কোহলির মন্তব্যের ব্যাপারে মুখ খুলেছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট। সৌরভ বাড়ি থেকে বার হতেই একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। শেষ পর্যন্ত সৌরভ বলেন, বিষয়টা খুবই স্পর্শকাতর। কোহলির মন্তব্য নিয়ে আলোচনা চলছে। বিষয়টা নিয়ে যা ব্যবস্থা নেওয়ার, বোর্ড সঠিক সময়েই নেবে। এরপর প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হলেও সৌরভ কোনও উত্তর না দিয়ে নিজের অফিসে ঢুকে যান। সৌরভের এই ছোট্ট জবাবেই পরিস্কার, উল্টোপাল্টা মন্তব্য করে তিনি আর আগুনে ঘৃতাহুতি দিতে চান না। বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভারতীয় দলের এইরকম সঙ্ঘাত নজিরবিহীন। অতীতে কখনও এই ধরণের ঘটনা ঘটেননি। কোনও অধিনায়ক সরাসরি বোর্ড প্রেসিডেন্টকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করেননি। কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, টেস্ট দল নির্বাচনের বৈঠক শুরুর দেড় ঘন্টা আগে নির্বাচক কমিটির প্রধান তাঁকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরানোর কথা বলেছিলেন। নেতৃত্ব হারিয়ে কোহলি যে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছেন, তাঁর কথাতেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কারণ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অনেক কর্তাই দাবি করেছেন, কোহলি মিথ্যে কথা বলছেন। তাঁদের কাছে নাকি উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণও রয়েছে। বোর্ড কর্তাদের মতে, অধিনায়ক হিসেবে কোহলি সঠিক কাজ করেননি। সবমিলিয়ে বল কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলির কোর্টে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : ‌কোহলি প্রসঙ্গে সৌরভকেই জবাব দিতে হবে, কেন একথা বললেন গাভাসকার?‌

এইরকম নেতৃত্ব নিয়ে টানাপোড়েনের ঘটনা ভারতীয় ক্রিকেটে আগে কখনও ঘটেছে কিনা জানা নেই। কোনও অধিনায়কও নেতৃত্ব হারিয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্টকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করেছেন কিনা তাও জানা যাচ্ছে না। সৌরভ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ভাবে অভিযোগ তুলেছেন বিরাট কোহলি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সৌরভ গাঙ্গুলির প্রতি ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, ভারতীয় বোর্ড ইচ্ছে করলেই বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারত। সৌরভ বলেছিলেন, বিরাট কোহলিকে টি২০র নেতৃত্ব ছাড়তে তিনি নিষেধ করেছিলেন। কোহলি সৌরভের এই বক্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি এও দাবি করেছেন, আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে না পারায় তাঁকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিরাট কোহলির কথায় সৌরভের বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও বুধবার রাত পর্যন্ত সৌরভের কিংবা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে কোহলির বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।ভারতীয় বোর্ড ও বিরাট কোহলির মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তা নিয়ে যথেষ্ট বিরক্ত ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। তিনি মনে করছেন, কোহলির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলে যাবতীয় বিষয় পরিস্কার করে দেওয়া। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাভাসকার বলেন, কোহলি যে মন্তব্য করেছে, তাতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে অহেতুক টেনে নিয়ে আসার দরকার নেই। ও তো শুধু সৌরভের নাম করে অভিযোগ করেছে। সৌরভ দাবি করেছিল, ওর সঙ্গে নেতৃত্ব ছাড়ার ব্যাপারে বিরাট কোহলির কথা হয়েছিল। সৌরভ যেহেতু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, তাই ওকেই জিজ্ঞেস করা উচিত কেন কোহলির সঙ্গে ওর বক্তব্যের অসঙ্গতি রয়েছে। শুধু সৌরভের কাছে জবাবদিহি চেয়ে ক্ষান্ত থাকেননি সুনীল গাভাসকার। নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে দাবি করেছেন, কেন কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল তা সর্বসমক্ষে জানাতে। গাভাসকার বলেন, কারও মনে যাতে কোনও রকম সংশয় তৈরি না হয়, তারজন্য স্বচ্ছ বার্তা দেওয়া দরকার। কোনও ক্রিকেটারকে কেন নেতৃত্ব থেকে সরানো হচ্ছে, কিংবা কোনও ক্রিকেটারকে কেন বাদ দেওয়া হচ্ছে, এই ব্যাপারে নির্বাচক কমিটির চেয়্যারম্যানকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। বোর্ডের এক কর্তা দাবি করেছেন, কোহলিকে না জানিয়ে ওকে নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়নি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌সৌরভকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন কোহলির!‌ নেতৃত্ব হারানোর কথা জানতে পারেন দেড় ঘন্টা আগে

ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি কী মিথ্যাবাদী? দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাওয়ার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে বিরাট কোহলি যেরকম কথা বললেন, তাতে এটাই প্রমাণ হয় যে সৌরভ গাঙ্গুলি মিথ্যা কথা বলেছেন। তাঁকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে সঙ্ঘাত লেগেই গেল বিরাট কোহলির। টি২০ ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি যে দাবি করেছিলেন, তা উড়িয়ে দিয়েছেন কোহলি।বিরাট কোহলি টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ার পর সৌরভ দাবি করেছিলেন, কোহলিকে তিনি নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু কোহলি তাঁর সেই অনুরোধ রাখেননি। সেই প্রসঙ্গে কোহলি এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আমি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের টি২০র নেতৃত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে না ছাড়ার কথা কেউ বলেলনি। সবাই আমার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিল। তখনই আমি বোর্ড কর্তাদের বলেছিলাম, টেস্ট ও একদিনের ম্যাচে দেশকে নেতৃত্ব দিতে চাই।তাঁকে যে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে ঘূর্ণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি বিরাট কোহলি। টেস্ট দল নির্বাচনের মাত্র দেড় ঘন্টা আগে কোহলি জানতে পারেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এভাবে সরিয়ে দেওয়াটা মেনে নিতে পারছেন না কোহলি। তিনি বলেন, একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্বর ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আমার কোনও কথা হয়নি। টেস্ট দল নির্বাচনের ৯০ আগে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা আমাকে ফোন করেন। বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়। ফোন ছাড়ার আগে তিনি জানান আমাকে আর একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্বে রাখা হবে না। তার উত্তরে আমি বলি, ঠিক আছে।কেন তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়েছে, বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন কোহলি। তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারছি কেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে আমাকে সরানো হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমার কোনও কাজ দলের ক্ষতির কারণ হয়নি। আশা করছি ভবিষ্যতেও হবে না। রোহিত শর্মা ও হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় আমার পূর্ণ সহযোগিতা পাবে। সেরাটা দিয়ে দেশকে আরও উঁচু জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। সব জল্পনা উড়িয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে খেলবেন বলেও জানিয়েছেন কোহলি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : রাজনীতির শিকার কোহলি?‌ ভারতীয় ক্রিকেটের ঐতিহ্য অব্যাহত

সম্প্রতি বিরাট কোহলিকে সরিয়ে ভারতীয় একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে রোহিত শর্মার হাতে। কোহলির হাত থেকে যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড একদিনের নেতৃত্ব কেড়ে নেবে, ইঙ্গিতটা আগেই ছিল। ইংল্যান্ড সফর থেকে ফেরার পর বিরাট কোহলি জানিয়েছিলেন, ২০২১ বিশ্বকাপের পর টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। তিনি এও বলেছিলেন, বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি এইরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিসহ অন্য কর্তারা কোহলির হঠাৎ করে এই নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টা ভালভাবে নেননি। পরে তাঁরা কোহলিকে অনুরোধ করেছিলেন নেতৃত্ব থেকে না সরতে। কিন্তু কোহলি বোর্ড কর্তাদের অনুরোধ রাখেননি। তখন থেকেই কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড কর্তারা। তাই কোহলিকে একদিনের নেতৃত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হল। মাঠের বাইরে চরম রাজনীতির শিকার বিরাট কোহলি। ভারতীয় ক্রিকেটে রাজনীতি নতুন নয়। প্রাক স্বাধীনতা যুগ থেকে এই রাজনীতি চলে আসছে। কখনও নির্লজ্জভাবে সামনে চলে আসে। কখনও আবার পর্দার অন্তরালেই থেকে যায়। বোর্ড কর্তার নির্বাচকদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে কেটে পড়েন। কখনও আবার বোর্ড কর্তারা সরাসরি অধিনায়ক নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেন। একজন অধিনায়ককে শুধু মাঠের ভেতরে খেলতে হয় না, নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখতে গেলে মাঠের বাইরেও খেলতে হয়। না হলে চরম রাজনীতির শিকার হতে হয়ে হয়। যেমন বিরাট কোহলি। আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতায় দলকে হয়তো চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি, কিন্তু সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সাফল্য ঈর্ষানীয়। ৯৫ ম্যাচে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতিয়েছেন ৬৫ ম্যাচে। হার ২৭ ম্যাচে জয়ের শতকরা হার ৭০.৪৩। বিরাট কোহলির থেকেও ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে লজ্জাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ১৯৪৬ সালে। ১৯৩৬ সালে জাতীয় নির্বাচকের ভুমিকা পালন করা ইফতিকার আলি খান পতৌদিকে ১৯৪৬র ইংল্যান্ড সফরে নেতা বানিয়ে দিয়েছিল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রভাবশালী কর্তাদের সৌজন্যেই এমন ঘটনা ঘটেছিল। অতীতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের নেতা বাছার ক্ষেত্রে ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ করতে দেখা গেছে। গড ফাদার ছাড়া খুব কমজনই নেতৃত্বে থাকতে পেরেছেন। সে সৌরভ গাঙ্গুলিই বলুন, কিংবা মহেন্দ্র সিং ধোনি। সৌরভ গাঙ্গুলির মাথায় যেমন জগমোহন ডালমিয়ার হাত ছিল, তেমনই মহেন্দ্র সিং ধোনির মাথায় ছিল শ্রীনিবাসনের হাত। শ্রীনিবাসনের আগে বোর্ড প্রেসিডেন্ট শশাঙ্ক মনোহরের অত্যন্ত স্নেহভাজন ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ভারতীয় ক্রিকেটে নেতৃত্ব নিয়ে সবথেকে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছিল ১৯৫৮ সালে। সেই সময় নেতা হিসেবে সবথেকে যোগ্য ছিলেন পলি উমরিগড়। কিন্তু তাঁকে অধিনায়ক না করে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল দত্তাজিরাও গায়কোয়াড়কে। নব্বইয়ের দশকে যোগ্যতা না থাকে সত্ত্বেও তৎকালীন বোর্ড প্রেসিডেন্ট রাজ সিং দুঙ্গারপুর নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিনকে।এবারও বিরাট কোহলিকে সরিয়ে রোহিত শর্মাকে একদিনের ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়ার পেছনে মাঠের বাইরের রাজনীতিই প্রকট হয়ে উঠেছে। বিরাট কোহলি বোর্ড কর্তাদের উপেক্ষা করে টি২০র দায়িত্ব ছেড়েছেন। প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিসহ, সচিব জয় শাহ বিষয়টা ভালভাবে নেননি। তাই কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দায়িত্ব তুলে দিলেন রোহিতের হাতে। বলা যেতে পারে উপেক্ষার প্রতিশোধ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে কোহলির যদি কোনও গডফাদার থাকত, তাহলে এই পরিস্থিতিতে পড়তে হত না। টি২০, একদিনের পর বছরখানেকের মধ্যে কোহলির হাত থেকে টেস্টের নেতৃত্ব গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌কোহলিকে কেন সরানো হয়েছে?‌ ব্যাখা দিলেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি

বিরাট কোহলিকে সরিয়ে একদিনের ক্রিকেটে রোহিত শর্মাকে নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বুধবার দল নির্বাচনের পরেই সমালোচনার মুখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সোশ্যাল মিডিয়ার সরব হয়েছেন নেট নাগরিকরা। কেউ কেউ আবার আবার চ্যাপেল জমানার কথা তুলে ধরে কাঠগড়ায় তুলেছেন সৌরভ গাঙ্গুলি, জয় শাহদের। কেন বিরাট কোহলিকে সরানো হয়েছে, তার ব্যাখা দিয়েছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি।কেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে বিরাট কোহলিকে সরানো হয়েছে, সে প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, কোহলিকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল, যাতে টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব না ছাড়ে। কোহলি বোর্ডের অনুরোধ রাখেনি। ও নেতৃত্বে থাকতে চায়নি। অন্যদিকে, নির্বাচকরা চায়নি সাদা বলের ক্রিকেটে দুই ফরম্যাটে আলাদা আলাদা অধিনায়ক রাখতে। তাই টি২০র পাশাপাশি একদিনের দলের নেতৃত্বও কোহলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কোহলি টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দেবে। এই ব্যাপারে আমি কোহলির সঙ্গে কথা বলেছি।রোহিত শর্মার ওপর আস্থা রয়েছে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির। তিনি বলেন, কোহলি টেস্টের নেতৃত্বে রয়েছে। রোহিত টি২০ ও একদিনের ক্রিকেটে। ভারতীয় ক্রিকেটের দায়িত্ব যোগ্য ব্যক্তিদের হাতেই রয়েছে। রোহিতের নেতৃত্বের ওপর বোর্ডের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আশা করছি হতাশ করবে না। অধিনায়ক হিসেবে সাদা বলের ক্রিকেটে কোহলি প্রচুর অবদান রেখেছে। তারজন্য ওকে ধন্যবাদ। অন্যদিকে বিরাট প্রসঙ্গে রোহিত বলেছেন, বিরাটের মতো ব্যাটারের প্রয়োজনীয়তা দলে সবসময় রয়েছে। অনেক কঠিন পরিস্থিতিতে দারুণ দক্ষতায় দলের পরিত্রাতা হয়ে উঠেছে।কীভাবে দলকে পরিচালনা করতে চান, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন রোহিত। তিনি বলেন, দলের ভেতরেই আমার কাজ বেশি। সকলের সঙ্গে কথা বলে দায়িত্ব ভাগ করে দেব। রোহিতের সহকারীর দায়িত্ব দেওয়া হবে লোকেশ রাহুলকে। সরকারীভাবে ঘোষণা না করলেও ইতিমধ্যে এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের জঘন্য পারফরমেন্স নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি?

ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা টি২০ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলিদের নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন। আশা করেছিলেন এবছর টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে ভারত। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মতো স্বপ্ন দেখেছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। কিন্তু কোহলিদের পারফরমেন্সে তিনি খুবই হতাশ। সেই হতাশা গোপন রাখেননি সৌরভ। টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের জঘন্য পারফরমেন্স নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। বিরাট কোহলিদের টি২০ বিশ্বকাপের পারফরমেন্স প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, এই ভারতীয় দলের অনেক দক্ষতা ছিল। কিন্তু সেই ক্ষমতার ১৫ শতাংশও মেলে ধরতে পারেনি। গত ৫৬ বছরে এত খারাপ খেলতে ভারতীয় দলকে কখনও দেখিনি। সত্যি কথা বলতে ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা ২০১৯ একদিনের বিশ্বকাপেও ভারত এর থেকে অনেক ভাল খেলেছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ভারত হেরেছিল। তখন আমি ধারাভাষ্যকারের ভুমিকায় ছিলাম। ২০১৯ একদিনের বিশ্বকাপেও সব দলকে হারিয়েছিলাম। সেমিফাইনালে অবশ্য নিউজিল্যান্ডের কাছে হারতে হয়েছিল। একটা বাজে দিনে দুমাসের কঠোর পরিশ্রমের জলাঞ্জলি হয়েছিল।এবারের টি২০ বিশ্বকাপে কেন ভারতের এই ব্যর্থতা? এই প্রসঙ্গে সৌরভ অবশ্য নির্দিষ্ট কোনও কারণের কথা উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কোনও একটা কারণ বলা খুবই কঠিন। তবে ক্রিকেটারদের দেখে মনে হয়েছে ওরা স্বাধীনভাবে খেলতে পারছিল না। কখনও কখনও এমন হয়ে থাকে। পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আমরা গুটিয়ে ছিলাম। এই দুটি ম্যাচে ক্রিকেটাররা ১৫ শতাংশর বেশি দিতে পারেনি। বড় প্রতিযোগিতায় এইরকম খারাপ সময় আসে।সৌরভের আশা, এই বিশ্বকাপে ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দল ঘুরে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, আমাদের সময় দীর্ঘদিন পরপর বড় প্রতিযোগিতা হত। আর এখন প্রায় প্রতিবছর বিশ্ব খেতাব জেতার মতো প্রতিযোগিতা হয়। আগামী ৮ বছরে আটটি বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আশা করছি এবারের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে সামনের বছর অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপে ভাল ফল করবে। এই ভারতীয় দলে অনেক প্রতিভা রয়েছে। সব ক্রিকেটারের প্রচুর দক্ষতা রয়েছে। কিন্তু নিজেদের সঠিকভাবে মেলে ধরতে পারেনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এবছর সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে প্রথম ম্যাচে ১০ উইকেটে হারতে হয়েছিল ভারতকে। দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হার ৮ উইকেটে। গ্রুপ লিগের বাকি ৩ ম্যাচে জিতলেও সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি বিরাট কোহলি ব্রিগেড। গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিতে হয় ভারতকে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌সামনের বছর ভারতেই আইপিএল আয়োজনের প্রতিশ্রুতি সৌরভের

রবিবার ইডেনে ভারতনিউজিল্যান্ড টি২০ সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচ। উত্তেজনার পারদে কাঁপছে গোটা শহর। শুরু হয়েছে টিকিটের হাহাকার। ম্যাচ ঘিরে ইডেনে ব্যস্ততা তুঙ্গে। কর্তাদের নিঃশ্বাস ফেলার সময় নেই। যেন বিয়ে বাড়ির ব্যস্ততা। কখনও পরিদর্শনে আসছে দমকল বিভাগ, কখনও আবার পূর্ত বিভাগ। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকেও শুক্রবার ইডেনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হল। এর মধ্যেই সন্ধেয় ইডেনে হাজির ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। দুবাই থেকে শুক্রবার সকালেই কলকাতা ফিরেছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ। নিজের শহরে ভারতনিউজিল্যান্ড টি২০ সিরিজের শেষ ম্যাচ। সুতরাং বাড়িতে যে বসে থাকবেন সে উপায় নেই। তাই ম্যাচের চূড়ান্ত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সন্ধেয় ইডেনে চলে আসেন। ইডেন ঢুকে সোজা মাঠে চলে যান। তখন মাঠ কর্মীদের নিয়ে পিচ পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত ছিলেন সিএবির কিউরেটর সুজন মুখার্জি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে বাইশ গজ পরিদর্শন করেন। তারপর ইডেনের কিউরেটর সুজন মুখার্জি ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের হেড কিউরেটর আশিষ ভৌমিকের সঙ্গে কথা বলেন। দীর্ঘদিন পর আবার ইডেনে ক্রিকেট ফিরছে। গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতে পারবেন দর্শকরা। খুশি ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। ইডেনের ম্যাচ প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, দীর্ঘদিন পর ইডেনে ম্যাচ হচ্ছে। দর্শকরা মাঠে বসে খেলা দেখতে পারবে। এটা দারুণ ইতিবাচক দিক। রাতের ম্যাচে শিশির একটা বড় ফ্যাক্টর। জয়পুরে প্রথম টি২০ ম্যাচ ও রাঁচিতে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচেও শিশিরের প্রভাব দেখা গেছে। ইডেনেও শিশির বড় ফ্যাক্টর হবে বলে মনে করছেন সৌরভ। যদিও সিএবি চেষ্টা করছে প্রে করে শিশিরের প্রভাব কমাতে। করোনার জন্য পরপর দুবছর আইপিএল সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও এবছর ভারতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছিল। কয়েকজন ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হতেই আইপিএল স্থগিত হয়ে যায়। পরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে অনুষ্ঠিত হয়। সামনের বছর ভারতেই আইপিএল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান সৌরভ। তিনি বলেন, সামনের বছর আইপিএল ভারতের মাটিতেই হবে। অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মা ও কোচ হিসেবে রাহুল দ্রাবিড় প্রথম দুটি ম্যাচেই সফল। রোরা জুটির সাফল্যে অবাক নন সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনি বলেন, জানতাম ভাল করবে। আশা করছি ভবিষ্যতেও সাফল্য পাবে। কয়েকদিন আগেই বাড়তি দায়িত্ব ঘাড়ে চেপেছে সৌরভ গাঙ্গুলির। তাঁকে ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান করেছে আইসিসি। নতুন দায়িত্ব চাপের হলেও ভালভাবে সামাল দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী সৌরভ।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ভবিষ্যতে আইসিসি–র চেয়ারম্যান সৌরভ?‌ দরজায় কড়া নাড়া শুরু

সিএবির পর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। একের পর এক ক্রিকেট সংস্থায় উত্তরণ সৌরভ গাঙ্গুলির। এবার কি তাহলে আইসিসির প্রশাসনে দেখা যাবে মহারাজকে? ভবিষ্যতে যদি আইসিসির চেয়ারম্যান পদে সৌরভ গাঙ্গুলিকে দেখা যায়, অবাক হাওয়ার কিছু থাকবে না। তার আগেই আইসিসির গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন সৌরভ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টকে পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নিয়েছে আইসিসি। আর এক ভারতীয় অনিল কুম্বলের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি। বুধবার আইসিসির গভর্নিং বডির বৈঠকে সৌরভ গাঙ্গুলিকে সর্বসম্মতভাবে বেছে নেওয়া হয়েছে।সৌরভ গাঙ্গুলির আগে আইসিসির পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন অনিল কুম্বলে। ২০১২ সালে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ৩ টার্মে ৯ বছর ধরে কুম্বলে এই পদে ছিলেন। আইসিসির সংবিধান অনুসারে কোনও ক্রিকেটার ৯ বছরের বেশি ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান পদে থাকতে পারবেন না। ফলে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করলেও অনিল কুম্বলেকে এই দায়িত্বে রাখতে পারছিল না আইসিসি। তাই সৌরভ গাঙ্গুলিকে নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সৌরভকে চেয়ারম্যান করার বিষয়ে আইসিসির চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে বলেছেন, সৌরভ গাঙ্গুলিকে আইসিসির পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিতে পেরে খুশি। নতুন পদে সৌরভ গাঙ্গুলিকে স্বাগত জানাচ্ছি। বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার সৌরভের অভিজ্ঞতা এবং ক্রিকেট ছাড়ার পর প্রশাসক হিসেবে ওর দক্ষতা আইসিসির ক্রিকেট সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ও তার রূপায়ন ঘটাতে সাহায্য করবে। অনিল কুম্বলে গতস ৯ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মানোন্নয়নে অনিল কুম্বলে যেভাবে কাজ করেছে এবং ডিআরএসের তার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ডিআরএসের নিয়মিত প্রয়োগ এবং সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের ব্যাপারে দারুণ যে পদক্ষেপ গ্রহন করেছে, তা এককথায় অসাধারণ।এদিকে, তালিবানরা ক্ষমতায় আসার পর আফগানিস্তানের ক্রিকেটের বর্তমান পরিস্থিতি যাচাই করে সে দেশের ক্রিকেটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি। আফগানিস্তানের ক্রিকেট সংক্রান্ত বিষয় দেখাশোনার জন্য একটা ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করেছে আইসিসি। এই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে ইমরান খোয়াজাকে। গ্রুপের বাকি সদস্যরা হলেন রস ম্যাককলাম, লসন নাইডু ও রামিজ রাজা। আগামী মাসেই আইসিসি বোর্ডকে আফগানিস্তানের ক্রিকেট নিয়ে রিপোর্ট দেবে এই ওয়ার্কিং গ্রুপ। আফগানিস্তানে পুরুষ ও মহিলাদের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে আইসিসি যে সবরকম সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বার্কলে।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : বিরাট কোহলির মিথ্যাচার! ফাঁস করলেন সৌরভ

কয়েকমাস আগে বিরাট কোহলি ঘোষণা করেছিলেন,বিশ্বকাপের পর টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। কোহলি দাবি করেছিলেন, নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সাথে কথা বলেছিলেন। কিন্তু কোহলি যে মিথ্যা কথা বলছেন, ফাঁস হয়ে গেল সৌরভ গাঙ্গুলির কথাতে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে সৌরভ দাবি করেছেন, কোহলির টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে তিনি অবাক হয়েছেন। বিষয়টি তিনি একেবারেই জানতেন না।সৌরভ বলেছেন, কোহলির সিদ্ধান্তে আমি অবাক। বিষয়টি নিয়ে আগে কোনও দিনই আলোচনা হয়নি। নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকেও বিরাটের ওপর কোনও চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। ইংল্যান্ড সফর থেকে ফিরে আসার পরই কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সৌরভ আরও বলেন, আমিও ৬ বছর দেশের ক্যাপ্টেন ছিলাম। দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া দারুণ সম্মানের ব্যাপার। দেশকে নেতৃত্ব দিতে দিতে হয়তো মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।সম্প্রতি খুব একটা ভাল ছন্দে নেই বিরাট কোহলি। আইপিএলে তেমন রান পাননি। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও ব্যর্থ। বিশ্বকাপের আসরে কতটা জ্বলে উঠতে পারবেন, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ভারতীয় দলের অধিনায়কের ব্যাটিং ফর্ম নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন সৌরভ। তিনি বলেন, প্রায় ১০-১১ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলছে কোহলি। প্রতি বছরই যে রান পাবে, এমন কোনও কথা নেই। উত্থান-পতন থাকবেই। আমি নিশ্চিত, টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলি ছন্দে ফিরে আসবে। টি২০ বিশ্বকাপের আগে আইপিএল না হলেও সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশে ভারতীয় দলের মানিয়ে নিতেও কোনও সমস্যা হত না বলে মনে করেন সৌরভ। তাঁর যুক্তি, সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশ ভারতের মতোই। সুতরাং আমার মনে হয় না কোনও সমস্যা হত।এখনও পর্যন্ত একবারই টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত, ২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে। তারপর এই ফরম্যাটে একবারই সেমিফাইনালে উঠেছে, ২০১৬ সালে। এবছর ট্রফি খরা কাটার ব্যাপারে আশাবাদী সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর কথায়, টি২০ ক্রিকেটে যে কোনও দলই চ্যাম্পিয়ন হতে পারে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে বড় ম্যাচ জেতা জরুরি। ভারতের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিউজিল্যান্ড প্রতিবারই আন্ডারডগ হিসেবে খেলতে নামে। বেশ কয়েক বছর ধরে দারুন ধারাবাহিতা দেখাচ্ছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : টি২০ বিশ্বকাপের আগে কোহলিদের কী পরামর্শ দিলেন সৌরভ?‌

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের খেলা শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। ২০০৭এ মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারপর থেকে খেতাব অধরা থেকে গেছে। প্রতিবারই অন্যতম ফেবারিট হিসেবে প্রতিযোগিতায় খেলতে নামে ভারত। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। অধিনায়ক হিসেবে এবছরই শেষ টি২০ বিশ্বকাপ বিরাট কোহলির। খেতাব জিততে মরিয়া কোহলি। এবছরও অন্যতম ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে ভারত। মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলকে সতর্ক করে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। নিজের দেশকে অন্যতম ফেবারিট হিসেবে অভিহিত করে একগুচ্ছ পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। সৌরভ গাঙ্গুলি ভারতীয় দলকে সতর্ক করে বলেছেন, ভারতীয় দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো প্রতিভা রয়েছে। তবে একটু পরিণতিবোধ দরকার। বিশ্বকাপে একগুচ্ছ ম্যাচ খেলতে হবে। ক্রিকেটাররা যদি শুরু থেকেই ভেবে নেয় যে চ্যাম্পিয়ন হতে এসেছে, সেটা বোকামি হবে। একেকটা ম্যাচ ধরে এগোতে হবে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ফাইনালে জিততে হবে। তার জন্য ধাপে ধাপে এগোতে হবে। কাজটা কিন্তু ততটা সহজ নয়। কোনও টুর্নামেন্টে নামলেই চ্যাম্পিয়ন হওয়াও যায় না। একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। নিজেদের খেলায় পরিণতভাব দেখানোটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুরু থেকেই যদি চ্যাম্পিয়নের কথা মাথায় ঢুকে যায়, তাহলে ফোকাস ঠিক রাখতে পারবে না। সৌরভ আরও বলেছেন, ভারতের এই দলে প্রতিভার কোনও অভাব নেই। রান করা বা উইকেট নেওয়ার দক্ষতাসম্পন্ন ক্রিকেটাররাই বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পেয়েছে। মানসিকভাবে ভাল অবস্থায় থাকলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব। ভারতীয় দলে যে প্রতিভার ছড়াছড়ি, সেকথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সৌরভ। তঁার কথায়, দলে প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অভাব নেই। প্রত্যেকের ব্যাট হাতে রান তোলার দক্ষতা রয়েছে, বল হাতে উইকেটও তুলে নিতে পারে। বিশ্বকাপ জিততে এসেছি এমন মানসিকতা নিয়ে ব্যাটিংয়ের সময় গার্ড নেওয়া উচিত নয়। তাতে গোটা প্রক্রিয়াটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যায়। যে বলের মুখোমুখি হতে হচ্ছে সেটা কতটা সঠিকভাবে খেলা যায় তার ওপর ফোকাস রাখা উচিত। ফাইনালে ওঠা না পর্যন্ত এমনটাই করতে হবে। আইপিএলের পরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি২০ বিশ্বকাপ। আইপিএলের ম্যাচগুলি যেখানে খেলা হয়েছে সেখানেই হবে বিশ্বকাপের খেলা। তবে তাতে পিচগুলি মন্থর হবে না বলেই ধারণা সৌরভের। তবে শারজার উইকেট মন্থর আচরণ করতে পারে মনে করছেন তিনি। সৌরভের কথায়, শারজার উইকেটে একটু কম রান উঠতে পারে। দুবাইয়ে সেই সমস্যা নেই। আইপিএল ফাইনালেও উইকেট ভাল আচরণ করেছে। তবে সবথেকে ভাল উইকেট আবু ধাবিতে। বিশ্বকাপের আদর্শ উইকেট।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Indian Coach: সৌরভ চাইলেও বাকি বোর্ড কর্তারা কুম্বলেকে কোচ হিসেবে চান না

টি২০ বিশ্বকাপের পরেই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁর জায়গায় নতুন কোচ নেওয়ার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শাস্ত্রীর উত্তরসূরি হিসেবে অনিল কুম্বলেকে পছন্দ বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির। শোনা যাচ্ছে ভিভিএস লক্ষণের নাম। অনিল কুম্বলেকে সৌরভের পছন্দ হলেও বাকি বোর্ড কর্তারা কুম্বলেকে হেড কোচ হিসেবে চান না। কুম্বলেও নাকি বিরাট কোহলিদের কোচ হতে রাজি নন।রবি শাস্ত্রীর আগে অনিল কুম্বলের হাতেই ভারতীয় দলের দায়িত্ব ছিল। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি চেয়েছিলেন কুম্বলে জাতীয় দলের কোচিং চালিয়ে যান। কিন্তু ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর কুম্বলে কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। সৌরভ এবারেও চেয়েছিলেন শাস্ত্রীর পর আবার একবার জাতীয় দলের কোচিংয়ের ব্যাটন তুলে নিন তাঁর একদা সতীর্থ। তবে সৌরভ বাদে বোর্ডের অন্যান্য কর্তারা কুম্বলেকে ফেরাতে আগ্রহী নন। বোর্ডের এক কর্তা বলেছেন, সৌরভ বাদে বাকি বোর্ডের সদস্যরা যেমন কুম্বলেকে ফেরাতে চান না, তেমনই কুম্বলে নিজেও আর জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী নয়। বোর্ডের অন্য কর্তারা শাস্ত্রীর জায়গায় বিদেশি কোচ নিয়োগ করতে চায়। কুম্বলে জানে, কোহলিসহ জাতীয় দলে সেই পুরনো মুখদেরই কোচিং করাতে হবে। নতুন মুখ তেমন নেই। তাহলে আবার কেন ফিরবে? সবথেকে বড় কথা, সৌরভ কুম্বলের নাম সুপারিশ করলেও বোর্ডের বাকিরা এতে সম্মত হয়নি।সৌরভ ছাড়া বোর্ডের বাকি সদস্যরা কুম্বলেকে কোচ হিসেবে না চাওয়ার অন্যতম কারণ হল কুম্বলের ট্র্যাক রেকর্ড। অতীতে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে সাফল্য পাননি। আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের দায়িত্বে রয়েছেন। একবারও নিজের ফ্র্যাঞ্চাইজিকে প্লে অফেও তুলতে পারেননি। তাই অন্য বোর্ড কর্তাদের তাঁকে নিয়ে আপত্তি রয়েছে। কুম্বলের সঙ্গেই সম্ভাব্য কোচ হিসেবে ভেসে উঠেছিল ভিভিএস লক্ষ্মণের নাম। তবে জানা গিয়েছে, লক্ষ্মণও কোচ হচ্ছেন না। তাই বিদেশি কোচের পথেই হাঁটতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়বর্ধনেকে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য নাকি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনিও নাকি রাজি নন।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে না

ম্যাঞ্চেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বাতিল হওয়া ভারতইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্টের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিরাট কোহলিরা খেলতে না চাওয়ায় তাঁদের সিদ্ধান্ত নিয়ে চারিদিকে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচনা হলেও ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি অবশ্য ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকী রবি শাস্ত্রীদের বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যাওয়াতে কোনও ভুল দেখছেন না। কোনও শাস্তির রাস্তাতেও হাঁটছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কোহলিদের পাশে দাঁড়িয়ে সৌরভ বলেছেন, করোনা আতঙ্কেই ক্রিকেটাররা খেলতে চায়নি। ওদের দোষ দেওয়া যায় না। নীতিন প্যাটেল আইসোলেশনে যাওয়ার পর দলের একমাত্র ফিজিও হিসেবে ছিলেন যোগেশ পারমার। স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটাররা ওর সংস্পর্শে এসেছিল। এমনকী ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষাও পারমারই করিয়েছিল। সব ক্রিকেটারদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করছিল পারমারই। পারমার করোনা আক্রান্ত হতেই দলের ক্রিকেটাররা বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দেয় তারাও সংক্রমিত হয়েছে কিনা। সেই ভাবনা থেকেই ভীতির সঞ্চার হয়। জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা এমনিতেই খুব কঠিন। তাই ক্রিকেটারদের অনুভূতিকে মর্যাদা দিতেই হত। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরও পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় বোর্ড। প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন, ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট বাতিল হওয়ায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এটা সামাল দেওয়া সহজ নয়। আগামী বছরও যদি টেস্টটি আয়োজন করা হয় তাহলে সেটি একটি টেস্ট হিসেবেই গণ্য করা হবে। এই সিরিজের অন্তর্গত হবে না। বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই ক্রিকেটারদের নিয়ে টিম হোটেলে বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন রবি শাস্ত্রী। সেই প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য শাস্ত্রী, কোহলিরা বোর্ডের কাছ থেকে অনুমতি নেয়নি। কতদিন হোটেলের ঘরে আবদ্ধ থাকা যায়? দিনের পর দিন একই ঘরে আটকে থাকা সম্ভব নয়। হোটেল থেকে মাঠ, মাঠ থেকে হোটেলের ঘরে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখা দীর্ঘদিন চলতে পারে না। বায়ো বাব্লে দীর্ঘ সময় থাকা সম্ভব নয়। এক বছর ধরে ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফরা জৈব সুরক্ষা বলয়ে রয়েছেন। এটা মজার ব্যাপার নয়। শরীর ও মনের উপর প্রভাব পড়ে। ভারতীয় দলের সকলেই মানুষ এটা তো অস্বীকারের উপায় নেই। ইংল্যান্ড থেকে আবার সংযুক্ত আমিরশাহীর জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়েছে ক্রিকেটাররা। আবার কোয়ারান্টিন, আবার বায়ো বাবল। এরপর টি ২০ বিশ্বকাপের বায়ো বাবল। এটা সহজ ব্যাপার নয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আসারও প্রয়োজন রয়েছে। ভারতীয় বোর্ড শাস্ত্রীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবে না বলেও জানিয়েছেন সৌরভ। এদিকে, ম্যাঞ্চেস্টারে পঞ্চম টেস্ট বাতিল হওয়ায় বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ক্ষতি পুষিয়ে দিতে পরের বছর নির্ধারিত ম্যাচ ছাড়াও ২টি অতিরিক্ত টি২০ ম্যাচ খেলার প্রস্তাব দিল ভারতীয় বোর্ড। ২০২২এর জুলাইয়ে ৩টি করে একদিনের ও টি২০ খেলতে ইংল্যান্ড যাবে ভারত। সে সময় টি২০ সিরিজ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ভারতের পক্ষ থেকে। বিষয়টি সম্প্রচারকারী টিভি চ্যানেলের ওপর নির্ভর করছে। ম্যাঞ্চেস্টার টেস্টের জন্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল তারা। ২টি টি২০তে সেই টাকা ওঠার সম্ভাবনা কম।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal