• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sourav Ganguly

কলকাতা

Sourav Ganguly: চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে স্থিতিশীল সৌরভ, স্বাভাবিক খাবার খাচ্ছেন

করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে আপাতত ভাল আছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, নতুন করে আর জ্বর আসেনি সৌরভের। কাশিও নেই। তবে সর্দি রয়েছে বিসিসিআই সভাপতির।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সর্দি থাকায় মাঝে মধ্যে স্টিম দেওয়া হচ্ছে সৌরভকে। কিন্তু কাশি না থাকায় আপাতত তাঁর সিটি স্ক্যান করা হবে না। স্বাভাবিক ভাবে খাবার খাচ্ছেন তিনি। কথাও বলছেন। বুধবার দুপুরে সৌরভের শারীরিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন চিকিৎসকরা। তার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।সৌরভের চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার তিন সদস্যের চিকিৎসক দল গঠন করা হয়েছে। সেই দলে রয়েছেন সরোজ মণ্ডল, সপ্তর্ষি বসু ও সৌপ্তিক পণ্ডা। এ ছাড়াও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে চিকিৎসক দেবী শেঠি ও আফতাব খানের।কোভিডের জন্য যে চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন অনুসরণ করা হয়, সেই মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ককটেল থেরাপি সৌরভের জন্য সোমবার রাতেই শুরু করা হয়েছে। তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে জিনের পরীক্ষার জন্য। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে সেই রিপোর্ট পাওয়া যেতে পারে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে বোঝা যাবে তাঁর ওমিক্রন সংক্রমণ হয়েছে কি না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ওমিক্রনে আক্রান্ত সৌরভ গাঙ্গুলি?‌ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হল নমুনা

করোনার তৃতীয় ঢেউ ক্রমশ চোখ রাঙাচ্ছে। ইতিমধ্যেই নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তার মধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা বর্তমান বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। আপাতত তিনি মধ্যে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রমে আক্রান্ত কিনা তা পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে। কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। করোনার কয়েকটা অপসর্গ দেখা দিয়েছিল। এরপরই তিনি নিজেই সেলফ টেস্টিং কিট দিয়ে করোনা পরীক্ষা করেন। পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সেই রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতলে আবার পরীক্ষা করান। দ্বিতীয় পরীক্ষার রিপোর্টও পজিটিভ আসে। এরপর আর ঝুঁকি না নিয়ে সোমবার রাতেই মধ্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যান। এদিনই তাঁর দাদাগিরি অনুষ্ঠানের শুটিং ছিল। রবিবার রাতে হালকা জ্বর আসায় তিনি সেই শুটিং আগেই বাতিল করে দিয়েছিলেন।এই বছরের শুরুতে বুকে অস্বস্তি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সৌরভ। পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বসাতে হয়েছিল। যেহেতু হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে, তাই চিকিৎসকরা ঝুঁকি নিতে চাননি। তাঁকে হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেন। এর আগে সৌরভের দাদা স্নেহাশিস গাঙ্গুলি, তাঁর মা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে সৌরভের করোনার কোনও উপসর্গ নেই। আজ রাতেই তঁাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। তবে বাড়িতে ফিরে আইসোলেশনে থাকতে হবে। সতর্কভাবে চলাফেরা করলেও কীভাবে সৌরভ করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। কয়েকদিন আগে তিনি টনিক সিনেমার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। অনেকের আশঙ্কা সেখান থেকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন সৌরভ। তার আগে একটা কাজে মুম্বই গিয়েছিলেন। তবে সৌরভের সংস্পর্ষে যারা এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে তাঁদেরও করোনা পরীক্ষা করা হবে। স্ত্রী ডোনা, কন্যা সানাসহ সৌরভের পরিবারের অন্য সদস্যদের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সকলেরই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
কলকাতা

Sourav Ganguly: করোনা আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ভর্তি দক্ষিণ কলকাতার হাসপাতালে

করোনা আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার সকালেই প্রাথমিক পরীক্ষায় সৌরভের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তার পরে তাঁর দ্বিতীয় পরীক্ষা করানো হয়। তাতেও রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রের খবর।আপাতত দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। তবে সৌরভ অসুস্থ হলেও তাঁর স্ত্রী ডোনা এবং কন্যা সানার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।রাতেই সৌরভকে ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সোমবার রাত থেকে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তবে শেষপর্যন্ত তাঁর চিকিৎসা হাসপাতালে হবে না বাড়িতে এনে তাঁকে নিভৃতবাসে রাখা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সৌরভ চাইছেন, বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা হোক।সোমবার সকালে অসুস্থ বোধ করায় সৌরভের টেলিভিশন শোয়ের শ্যুটিং বাতিল করা হয়। তার আগে অবশ্য তিনি কয়েকটি পণ্যের বিজ্ঞাপনী শ্যুটিং করেছেন। শ্যুটিং করেছেন তাঁর টেলিভিশন শোয়েরও। কী ভাবে এবং কোথা থেকে তিনি করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গত কিছুদিনে সৌরভ দেশ এবং বিদেশের কিছু শহরে সফরেও গিয়েছিলেন। সর্বশেষ সফরে গিয়েছিলেন মুম্বই। সেই সূত্রে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা-ও এখনও স্পষ্ট নয়। তবে করোনায় আক্রান্ত হলেও সৌরভ স্থিতিশীল রয়েছেন বলেই হাসপাতাল সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : অবশেষে মুখ খুললেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট, কোহলির মন্তব্য নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি?‌

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে বিরাট কোহলির সঙ্ঘাত নিয়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করে বুধবারই বিবৃতি দিয়েছেন কোহলি। বেশ কিছুদিন আগে সৌরভ দাবি করেছিলেন, তিনি নাকি কোহলিকে টি২০ নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাওয়ার আগে কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন, কেউ তাঁকে নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেননি। কোহলির এই বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে।কোহলির মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সকলেই তাকিয়ে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলির প্রতিক্রিয়ার দিকে। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত সৌরভ কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। নিজের বেহালার বাড়ি থেকে বার হলেও সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বার হওয়ার সময় অবশ্য আর সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যাননি সৌরভ। এদিন কোহলির মন্তব্যের ব্যাপারে মুখ খুলেছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট। সৌরভ বাড়ি থেকে বার হতেই একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। শেষ পর্যন্ত সৌরভ বলেন, বিষয়টা খুবই স্পর্শকাতর। কোহলির মন্তব্য নিয়ে আলোচনা চলছে। বিষয়টা নিয়ে যা ব্যবস্থা নেওয়ার, বোর্ড সঠিক সময়েই নেবে। এরপর প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হলেও সৌরভ কোনও উত্তর না দিয়ে নিজের অফিসে ঢুকে যান। সৌরভের এই ছোট্ট জবাবেই পরিস্কার, উল্টোপাল্টা মন্তব্য করে তিনি আর আগুনে ঘৃতাহুতি দিতে চান না। বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভারতীয় দলের এইরকম সঙ্ঘাত নজিরবিহীন। অতীতে কখনও এই ধরণের ঘটনা ঘটেননি। কোনও অধিনায়ক সরাসরি বোর্ড প্রেসিডেন্টকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করেননি। কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, টেস্ট দল নির্বাচনের বৈঠক শুরুর দেড় ঘন্টা আগে নির্বাচক কমিটির প্রধান তাঁকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরানোর কথা বলেছিলেন। নেতৃত্ব হারিয়ে কোহলি যে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছেন, তাঁর কথাতেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কারণ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অনেক কর্তাই দাবি করেছেন, কোহলি মিথ্যে কথা বলছেন। তাঁদের কাছে নাকি উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণও রয়েছে। বোর্ড কর্তাদের মতে, অধিনায়ক হিসেবে কোহলি সঠিক কাজ করেননি। সবমিলিয়ে বল কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলির কোর্টে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : ‌কোহলি প্রসঙ্গে সৌরভকেই জবাব দিতে হবে, কেন একথা বললেন গাভাসকার?‌

এইরকম নেতৃত্ব নিয়ে টানাপোড়েনের ঘটনা ভারতীয় ক্রিকেটে আগে কখনও ঘটেছে কিনা জানা নেই। কোনও অধিনায়কও নেতৃত্ব হারিয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্টকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করেছেন কিনা তাও জানা যাচ্ছে না। সৌরভ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ভাবে অভিযোগ তুলেছেন বিরাট কোহলি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সৌরভ গাঙ্গুলির প্রতি ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, ভারতীয় বোর্ড ইচ্ছে করলেই বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারত। সৌরভ বলেছিলেন, বিরাট কোহলিকে টি২০র নেতৃত্ব ছাড়তে তিনি নিষেধ করেছিলেন। কোহলি সৌরভের এই বক্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি এও দাবি করেছেন, আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে না পারায় তাঁকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিরাট কোহলির কথায় সৌরভের বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও বুধবার রাত পর্যন্ত সৌরভের কিংবা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে কোহলির বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।ভারতীয় বোর্ড ও বিরাট কোহলির মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তা নিয়ে যথেষ্ট বিরক্ত ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। তিনি মনে করছেন, কোহলির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলে যাবতীয় বিষয় পরিস্কার করে দেওয়া। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাভাসকার বলেন, কোহলি যে মন্তব্য করেছে, তাতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে অহেতুক টেনে নিয়ে আসার দরকার নেই। ও তো শুধু সৌরভের নাম করে অভিযোগ করেছে। সৌরভ দাবি করেছিল, ওর সঙ্গে নেতৃত্ব ছাড়ার ব্যাপারে বিরাট কোহলির কথা হয়েছিল। সৌরভ যেহেতু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, তাই ওকেই জিজ্ঞেস করা উচিত কেন কোহলির সঙ্গে ওর বক্তব্যের অসঙ্গতি রয়েছে। শুধু সৌরভের কাছে জবাবদিহি চেয়ে ক্ষান্ত থাকেননি সুনীল গাভাসকার। নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে দাবি করেছেন, কেন কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল তা সর্বসমক্ষে জানাতে। গাভাসকার বলেন, কারও মনে যাতে কোনও রকম সংশয় তৈরি না হয়, তারজন্য স্বচ্ছ বার্তা দেওয়া দরকার। কোনও ক্রিকেটারকে কেন নেতৃত্ব থেকে সরানো হচ্ছে, কিংবা কোনও ক্রিকেটারকে কেন বাদ দেওয়া হচ্ছে, এই ব্যাপারে নির্বাচক কমিটির চেয়্যারম্যানকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। বোর্ডের এক কর্তা দাবি করেছেন, কোহলিকে না জানিয়ে ওকে নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়নি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌সৌরভকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন কোহলির!‌ নেতৃত্ব হারানোর কথা জানতে পারেন দেড় ঘন্টা আগে

ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি কী মিথ্যাবাদী? দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাওয়ার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে বিরাট কোহলি যেরকম কথা বললেন, তাতে এটাই প্রমাণ হয় যে সৌরভ গাঙ্গুলি মিথ্যা কথা বলেছেন। তাঁকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে সঙ্ঘাত লেগেই গেল বিরাট কোহলির। টি২০ ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি যে দাবি করেছিলেন, তা উড়িয়ে দিয়েছেন কোহলি।বিরাট কোহলি টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ার পর সৌরভ দাবি করেছিলেন, কোহলিকে তিনি নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু কোহলি তাঁর সেই অনুরোধ রাখেননি। সেই প্রসঙ্গে কোহলি এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আমি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের টি২০র নেতৃত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে না ছাড়ার কথা কেউ বলেলনি। সবাই আমার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিল। তখনই আমি বোর্ড কর্তাদের বলেছিলাম, টেস্ট ও একদিনের ম্যাচে দেশকে নেতৃত্ব দিতে চাই।তাঁকে যে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে ঘূর্ণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি বিরাট কোহলি। টেস্ট দল নির্বাচনের মাত্র দেড় ঘন্টা আগে কোহলি জানতে পারেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এভাবে সরিয়ে দেওয়াটা মেনে নিতে পারছেন না কোহলি। তিনি বলেন, একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্বর ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আমার কোনও কথা হয়নি। টেস্ট দল নির্বাচনের ৯০ আগে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা আমাকে ফোন করেন। বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়। ফোন ছাড়ার আগে তিনি জানান আমাকে আর একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্বে রাখা হবে না। তার উত্তরে আমি বলি, ঠিক আছে।কেন তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়েছে, বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন কোহলি। তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারছি কেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে আমাকে সরানো হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমার কোনও কাজ দলের ক্ষতির কারণ হয়নি। আশা করছি ভবিষ্যতেও হবে না। রোহিত শর্মা ও হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় আমার পূর্ণ সহযোগিতা পাবে। সেরাটা দিয়ে দেশকে আরও উঁচু জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। সব জল্পনা উড়িয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে খেলবেন বলেও জানিয়েছেন কোহলি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : রাজনীতির শিকার কোহলি?‌ ভারতীয় ক্রিকেটের ঐতিহ্য অব্যাহত

সম্প্রতি বিরাট কোহলিকে সরিয়ে ভারতীয় একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে রোহিত শর্মার হাতে। কোহলির হাত থেকে যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড একদিনের নেতৃত্ব কেড়ে নেবে, ইঙ্গিতটা আগেই ছিল। ইংল্যান্ড সফর থেকে ফেরার পর বিরাট কোহলি জানিয়েছিলেন, ২০২১ বিশ্বকাপের পর টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। তিনি এও বলেছিলেন, বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি এইরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিসহ অন্য কর্তারা কোহলির হঠাৎ করে এই নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টা ভালভাবে নেননি। পরে তাঁরা কোহলিকে অনুরোধ করেছিলেন নেতৃত্ব থেকে না সরতে। কিন্তু কোহলি বোর্ড কর্তাদের অনুরোধ রাখেননি। তখন থেকেই কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড কর্তারা। তাই কোহলিকে একদিনের নেতৃত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হল। মাঠের বাইরে চরম রাজনীতির শিকার বিরাট কোহলি। ভারতীয় ক্রিকেটে রাজনীতি নতুন নয়। প্রাক স্বাধীনতা যুগ থেকে এই রাজনীতি চলে আসছে। কখনও নির্লজ্জভাবে সামনে চলে আসে। কখনও আবার পর্দার অন্তরালেই থেকে যায়। বোর্ড কর্তার নির্বাচকদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে কেটে পড়েন। কখনও আবার বোর্ড কর্তারা সরাসরি অধিনায়ক নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেন। একজন অধিনায়ককে শুধু মাঠের ভেতরে খেলতে হয় না, নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখতে গেলে মাঠের বাইরেও খেলতে হয়। না হলে চরম রাজনীতির শিকার হতে হয়ে হয়। যেমন বিরাট কোহলি। আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতায় দলকে হয়তো চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি, কিন্তু সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সাফল্য ঈর্ষানীয়। ৯৫ ম্যাচে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতিয়েছেন ৬৫ ম্যাচে। হার ২৭ ম্যাচে জয়ের শতকরা হার ৭০.৪৩। বিরাট কোহলির থেকেও ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে লজ্জাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ১৯৪৬ সালে। ১৯৩৬ সালে জাতীয় নির্বাচকের ভুমিকা পালন করা ইফতিকার আলি খান পতৌদিকে ১৯৪৬র ইংল্যান্ড সফরে নেতা বানিয়ে দিয়েছিল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রভাবশালী কর্তাদের সৌজন্যেই এমন ঘটনা ঘটেছিল। অতীতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের নেতা বাছার ক্ষেত্রে ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ করতে দেখা গেছে। গড ফাদার ছাড়া খুব কমজনই নেতৃত্বে থাকতে পেরেছেন। সে সৌরভ গাঙ্গুলিই বলুন, কিংবা মহেন্দ্র সিং ধোনি। সৌরভ গাঙ্গুলির মাথায় যেমন জগমোহন ডালমিয়ার হাত ছিল, তেমনই মহেন্দ্র সিং ধোনির মাথায় ছিল শ্রীনিবাসনের হাত। শ্রীনিবাসনের আগে বোর্ড প্রেসিডেন্ট শশাঙ্ক মনোহরের অত্যন্ত স্নেহভাজন ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ভারতীয় ক্রিকেটে নেতৃত্ব নিয়ে সবথেকে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছিল ১৯৫৮ সালে। সেই সময় নেতা হিসেবে সবথেকে যোগ্য ছিলেন পলি উমরিগড়। কিন্তু তাঁকে অধিনায়ক না করে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল দত্তাজিরাও গায়কোয়াড়কে। নব্বইয়ের দশকে যোগ্যতা না থাকে সত্ত্বেও তৎকালীন বোর্ড প্রেসিডেন্ট রাজ সিং দুঙ্গারপুর নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিনকে।এবারও বিরাট কোহলিকে সরিয়ে রোহিত শর্মাকে একদিনের ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়ার পেছনে মাঠের বাইরের রাজনীতিই প্রকট হয়ে উঠেছে। বিরাট কোহলি বোর্ড কর্তাদের উপেক্ষা করে টি২০র দায়িত্ব ছেড়েছেন। প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিসহ, সচিব জয় শাহ বিষয়টা ভালভাবে নেননি। তাই কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দায়িত্ব তুলে দিলেন রোহিতের হাতে। বলা যেতে পারে উপেক্ষার প্রতিশোধ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে কোহলির যদি কোনও গডফাদার থাকত, তাহলে এই পরিস্থিতিতে পড়তে হত না। টি২০, একদিনের পর বছরখানেকের মধ্যে কোহলির হাত থেকে টেস্টের নেতৃত্ব গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌কোহলিকে কেন সরানো হয়েছে?‌ ব্যাখা দিলেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি

বিরাট কোহলিকে সরিয়ে একদিনের ক্রিকেটে রোহিত শর্মাকে নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বুধবার দল নির্বাচনের পরেই সমালোচনার মুখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সোশ্যাল মিডিয়ার সরব হয়েছেন নেট নাগরিকরা। কেউ কেউ আবার আবার চ্যাপেল জমানার কথা তুলে ধরে কাঠগড়ায় তুলেছেন সৌরভ গাঙ্গুলি, জয় শাহদের। কেন বিরাট কোহলিকে সরানো হয়েছে, তার ব্যাখা দিয়েছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি।কেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে বিরাট কোহলিকে সরানো হয়েছে, সে প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, কোহলিকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল, যাতে টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব না ছাড়ে। কোহলি বোর্ডের অনুরোধ রাখেনি। ও নেতৃত্বে থাকতে চায়নি। অন্যদিকে, নির্বাচকরা চায়নি সাদা বলের ক্রিকেটে দুই ফরম্যাটে আলাদা আলাদা অধিনায়ক রাখতে। তাই টি২০র পাশাপাশি একদিনের দলের নেতৃত্বও কোহলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কোহলি টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দেবে। এই ব্যাপারে আমি কোহলির সঙ্গে কথা বলেছি।রোহিত শর্মার ওপর আস্থা রয়েছে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির। তিনি বলেন, কোহলি টেস্টের নেতৃত্বে রয়েছে। রোহিত টি২০ ও একদিনের ক্রিকেটে। ভারতীয় ক্রিকেটের দায়িত্ব যোগ্য ব্যক্তিদের হাতেই রয়েছে। রোহিতের নেতৃত্বের ওপর বোর্ডের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আশা করছি হতাশ করবে না। অধিনায়ক হিসেবে সাদা বলের ক্রিকেটে কোহলি প্রচুর অবদান রেখেছে। তারজন্য ওকে ধন্যবাদ। অন্যদিকে বিরাট প্রসঙ্গে রোহিত বলেছেন, বিরাটের মতো ব্যাটারের প্রয়োজনীয়তা দলে সবসময় রয়েছে। অনেক কঠিন পরিস্থিতিতে দারুণ দক্ষতায় দলের পরিত্রাতা হয়ে উঠেছে।কীভাবে দলকে পরিচালনা করতে চান, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন রোহিত। তিনি বলেন, দলের ভেতরেই আমার কাজ বেশি। সকলের সঙ্গে কথা বলে দায়িত্ব ভাগ করে দেব। রোহিতের সহকারীর দায়িত্ব দেওয়া হবে লোকেশ রাহুলকে। সরকারীভাবে ঘোষণা না করলেও ইতিমধ্যে এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের জঘন্য পারফরমেন্স নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি?

ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা টি২০ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলিদের নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন। আশা করেছিলেন এবছর টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে ভারত। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মতো স্বপ্ন দেখেছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। কিন্তু কোহলিদের পারফরমেন্সে তিনি খুবই হতাশ। সেই হতাশা গোপন রাখেননি সৌরভ। টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের জঘন্য পারফরমেন্স নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। বিরাট কোহলিদের টি২০ বিশ্বকাপের পারফরমেন্স প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, এই ভারতীয় দলের অনেক দক্ষতা ছিল। কিন্তু সেই ক্ষমতার ১৫ শতাংশও মেলে ধরতে পারেনি। গত ৫৬ বছরে এত খারাপ খেলতে ভারতীয় দলকে কখনও দেখিনি। সত্যি কথা বলতে ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা ২০১৯ একদিনের বিশ্বকাপেও ভারত এর থেকে অনেক ভাল খেলেছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ভারত হেরেছিল। তখন আমি ধারাভাষ্যকারের ভুমিকায় ছিলাম। ২০১৯ একদিনের বিশ্বকাপেও সব দলকে হারিয়েছিলাম। সেমিফাইনালে অবশ্য নিউজিল্যান্ডের কাছে হারতে হয়েছিল। একটা বাজে দিনে দুমাসের কঠোর পরিশ্রমের জলাঞ্জলি হয়েছিল।এবারের টি২০ বিশ্বকাপে কেন ভারতের এই ব্যর্থতা? এই প্রসঙ্গে সৌরভ অবশ্য নির্দিষ্ট কোনও কারণের কথা উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কোনও একটা কারণ বলা খুবই কঠিন। তবে ক্রিকেটারদের দেখে মনে হয়েছে ওরা স্বাধীনভাবে খেলতে পারছিল না। কখনও কখনও এমন হয়ে থাকে। পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আমরা গুটিয়ে ছিলাম। এই দুটি ম্যাচে ক্রিকেটাররা ১৫ শতাংশর বেশি দিতে পারেনি। বড় প্রতিযোগিতায় এইরকম খারাপ সময় আসে।সৌরভের আশা, এই বিশ্বকাপে ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দল ঘুরে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, আমাদের সময় দীর্ঘদিন পরপর বড় প্রতিযোগিতা হত। আর এখন প্রায় প্রতিবছর বিশ্ব খেতাব জেতার মতো প্রতিযোগিতা হয়। আগামী ৮ বছরে আটটি বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আশা করছি এবারের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে সামনের বছর অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপে ভাল ফল করবে। এই ভারতীয় দলে অনেক প্রতিভা রয়েছে। সব ক্রিকেটারের প্রচুর দক্ষতা রয়েছে। কিন্তু নিজেদের সঠিকভাবে মেলে ধরতে পারেনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এবছর সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে প্রথম ম্যাচে ১০ উইকেটে হারতে হয়েছিল ভারতকে। দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হার ৮ উইকেটে। গ্রুপ লিগের বাকি ৩ ম্যাচে জিতলেও সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি বিরাট কোহলি ব্রিগেড। গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিতে হয় ভারতকে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌সামনের বছর ভারতেই আইপিএল আয়োজনের প্রতিশ্রুতি সৌরভের

রবিবার ইডেনে ভারতনিউজিল্যান্ড টি২০ সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচ। উত্তেজনার পারদে কাঁপছে গোটা শহর। শুরু হয়েছে টিকিটের হাহাকার। ম্যাচ ঘিরে ইডেনে ব্যস্ততা তুঙ্গে। কর্তাদের নিঃশ্বাস ফেলার সময় নেই। যেন বিয়ে বাড়ির ব্যস্ততা। কখনও পরিদর্শনে আসছে দমকল বিভাগ, কখনও আবার পূর্ত বিভাগ। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকেও শুক্রবার ইডেনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হল। এর মধ্যেই সন্ধেয় ইডেনে হাজির ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। দুবাই থেকে শুক্রবার সকালেই কলকাতা ফিরেছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ। নিজের শহরে ভারতনিউজিল্যান্ড টি২০ সিরিজের শেষ ম্যাচ। সুতরাং বাড়িতে যে বসে থাকবেন সে উপায় নেই। তাই ম্যাচের চূড়ান্ত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সন্ধেয় ইডেনে চলে আসেন। ইডেন ঢুকে সোজা মাঠে চলে যান। তখন মাঠ কর্মীদের নিয়ে পিচ পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত ছিলেন সিএবির কিউরেটর সুজন মুখার্জি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে বাইশ গজ পরিদর্শন করেন। তারপর ইডেনের কিউরেটর সুজন মুখার্জি ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের হেড কিউরেটর আশিষ ভৌমিকের সঙ্গে কথা বলেন। দীর্ঘদিন পর আবার ইডেনে ক্রিকেট ফিরছে। গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতে পারবেন দর্শকরা। খুশি ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। ইডেনের ম্যাচ প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, দীর্ঘদিন পর ইডেনে ম্যাচ হচ্ছে। দর্শকরা মাঠে বসে খেলা দেখতে পারবে। এটা দারুণ ইতিবাচক দিক। রাতের ম্যাচে শিশির একটা বড় ফ্যাক্টর। জয়পুরে প্রথম টি২০ ম্যাচ ও রাঁচিতে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচেও শিশিরের প্রভাব দেখা গেছে। ইডেনেও শিশির বড় ফ্যাক্টর হবে বলে মনে করছেন সৌরভ। যদিও সিএবি চেষ্টা করছে প্রে করে শিশিরের প্রভাব কমাতে। করোনার জন্য পরপর দুবছর আইপিএল সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও এবছর ভারতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছিল। কয়েকজন ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হতেই আইপিএল স্থগিত হয়ে যায়। পরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে অনুষ্ঠিত হয়। সামনের বছর ভারতেই আইপিএল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান সৌরভ। তিনি বলেন, সামনের বছর আইপিএল ভারতের মাটিতেই হবে। অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মা ও কোচ হিসেবে রাহুল দ্রাবিড় প্রথম দুটি ম্যাচেই সফল। রোরা জুটির সাফল্যে অবাক নন সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনি বলেন, জানতাম ভাল করবে। আশা করছি ভবিষ্যতেও সাফল্য পাবে। কয়েকদিন আগেই বাড়তি দায়িত্ব ঘাড়ে চেপেছে সৌরভ গাঙ্গুলির। তাঁকে ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান করেছে আইসিসি। নতুন দায়িত্ব চাপের হলেও ভালভাবে সামাল দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী সৌরভ।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ভবিষ্যতে আইসিসি–র চেয়ারম্যান সৌরভ?‌ দরজায় কড়া নাড়া শুরু

সিএবির পর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। একের পর এক ক্রিকেট সংস্থায় উত্তরণ সৌরভ গাঙ্গুলির। এবার কি তাহলে আইসিসির প্রশাসনে দেখা যাবে মহারাজকে? ভবিষ্যতে যদি আইসিসির চেয়ারম্যান পদে সৌরভ গাঙ্গুলিকে দেখা যায়, অবাক হাওয়ার কিছু থাকবে না। তার আগেই আইসিসির গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন সৌরভ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টকে পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নিয়েছে আইসিসি। আর এক ভারতীয় অনিল কুম্বলের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি। বুধবার আইসিসির গভর্নিং বডির বৈঠকে সৌরভ গাঙ্গুলিকে সর্বসম্মতভাবে বেছে নেওয়া হয়েছে।সৌরভ গাঙ্গুলির আগে আইসিসির পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন অনিল কুম্বলে। ২০১২ সালে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ৩ টার্মে ৯ বছর ধরে কুম্বলে এই পদে ছিলেন। আইসিসির সংবিধান অনুসারে কোনও ক্রিকেটার ৯ বছরের বেশি ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান পদে থাকতে পারবেন না। ফলে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করলেও অনিল কুম্বলেকে এই দায়িত্বে রাখতে পারছিল না আইসিসি। তাই সৌরভ গাঙ্গুলিকে নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সৌরভকে চেয়ারম্যান করার বিষয়ে আইসিসির চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে বলেছেন, সৌরভ গাঙ্গুলিকে আইসিসির পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিতে পেরে খুশি। নতুন পদে সৌরভ গাঙ্গুলিকে স্বাগত জানাচ্ছি। বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার সৌরভের অভিজ্ঞতা এবং ক্রিকেট ছাড়ার পর প্রশাসক হিসেবে ওর দক্ষতা আইসিসির ক্রিকেট সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ও তার রূপায়ন ঘটাতে সাহায্য করবে। অনিল কুম্বলে গতস ৯ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মানোন্নয়নে অনিল কুম্বলে যেভাবে কাজ করেছে এবং ডিআরএসের তার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ডিআরএসের নিয়মিত প্রয়োগ এবং সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের ব্যাপারে দারুণ যে পদক্ষেপ গ্রহন করেছে, তা এককথায় অসাধারণ।এদিকে, তালিবানরা ক্ষমতায় আসার পর আফগানিস্তানের ক্রিকেটের বর্তমান পরিস্থিতি যাচাই করে সে দেশের ক্রিকেটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি। আফগানিস্তানের ক্রিকেট সংক্রান্ত বিষয় দেখাশোনার জন্য একটা ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করেছে আইসিসি। এই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে ইমরান খোয়াজাকে। গ্রুপের বাকি সদস্যরা হলেন রস ম্যাককলাম, লসন নাইডু ও রামিজ রাজা। আগামী মাসেই আইসিসি বোর্ডকে আফগানিস্তানের ক্রিকেট নিয়ে রিপোর্ট দেবে এই ওয়ার্কিং গ্রুপ। আফগানিস্তানে পুরুষ ও মহিলাদের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে আইসিসি যে সবরকম সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বার্কলে।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : বিরাট কোহলির মিথ্যাচার! ফাঁস করলেন সৌরভ

কয়েকমাস আগে বিরাট কোহলি ঘোষণা করেছিলেন,বিশ্বকাপের পর টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। কোহলি দাবি করেছিলেন, নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সাথে কথা বলেছিলেন। কিন্তু কোহলি যে মিথ্যা কথা বলছেন, ফাঁস হয়ে গেল সৌরভ গাঙ্গুলির কথাতে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে সৌরভ দাবি করেছেন, কোহলির টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে তিনি অবাক হয়েছেন। বিষয়টি তিনি একেবারেই জানতেন না।সৌরভ বলেছেন, কোহলির সিদ্ধান্তে আমি অবাক। বিষয়টি নিয়ে আগে কোনও দিনই আলোচনা হয়নি। নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকেও বিরাটের ওপর কোনও চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। ইংল্যান্ড সফর থেকে ফিরে আসার পরই কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সৌরভ আরও বলেন, আমিও ৬ বছর দেশের ক্যাপ্টেন ছিলাম। দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া দারুণ সম্মানের ব্যাপার। দেশকে নেতৃত্ব দিতে দিতে হয়তো মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।সম্প্রতি খুব একটা ভাল ছন্দে নেই বিরাট কোহলি। আইপিএলে তেমন রান পাননি। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও ব্যর্থ। বিশ্বকাপের আসরে কতটা জ্বলে উঠতে পারবেন, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ভারতীয় দলের অধিনায়কের ব্যাটিং ফর্ম নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন সৌরভ। তিনি বলেন, প্রায় ১০-১১ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলছে কোহলি। প্রতি বছরই যে রান পাবে, এমন কোনও কথা নেই। উত্থান-পতন থাকবেই। আমি নিশ্চিত, টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলি ছন্দে ফিরে আসবে। টি২০ বিশ্বকাপের আগে আইপিএল না হলেও সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশে ভারতীয় দলের মানিয়ে নিতেও কোনও সমস্যা হত না বলে মনে করেন সৌরভ। তাঁর যুক্তি, সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশ ভারতের মতোই। সুতরাং আমার মনে হয় না কোনও সমস্যা হত।এখনও পর্যন্ত একবারই টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত, ২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে। তারপর এই ফরম্যাটে একবারই সেমিফাইনালে উঠেছে, ২০১৬ সালে। এবছর ট্রফি খরা কাটার ব্যাপারে আশাবাদী সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর কথায়, টি২০ ক্রিকেটে যে কোনও দলই চ্যাম্পিয়ন হতে পারে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে বড় ম্যাচ জেতা জরুরি। ভারতের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিউজিল্যান্ড প্রতিবারই আন্ডারডগ হিসেবে খেলতে নামে। বেশ কয়েক বছর ধরে দারুন ধারাবাহিতা দেখাচ্ছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : টি২০ বিশ্বকাপের আগে কোহলিদের কী পরামর্শ দিলেন সৌরভ?‌

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের খেলা শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। ২০০৭এ মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারপর থেকে খেতাব অধরা থেকে গেছে। প্রতিবারই অন্যতম ফেবারিট হিসেবে প্রতিযোগিতায় খেলতে নামে ভারত। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। অধিনায়ক হিসেবে এবছরই শেষ টি২০ বিশ্বকাপ বিরাট কোহলির। খেতাব জিততে মরিয়া কোহলি। এবছরও অন্যতম ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে ভারত। মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলকে সতর্ক করে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। নিজের দেশকে অন্যতম ফেবারিট হিসেবে অভিহিত করে একগুচ্ছ পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। সৌরভ গাঙ্গুলি ভারতীয় দলকে সতর্ক করে বলেছেন, ভারতীয় দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো প্রতিভা রয়েছে। তবে একটু পরিণতিবোধ দরকার। বিশ্বকাপে একগুচ্ছ ম্যাচ খেলতে হবে। ক্রিকেটাররা যদি শুরু থেকেই ভেবে নেয় যে চ্যাম্পিয়ন হতে এসেছে, সেটা বোকামি হবে। একেকটা ম্যাচ ধরে এগোতে হবে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ফাইনালে জিততে হবে। তার জন্য ধাপে ধাপে এগোতে হবে। কাজটা কিন্তু ততটা সহজ নয়। কোনও টুর্নামেন্টে নামলেই চ্যাম্পিয়ন হওয়াও যায় না। একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। নিজেদের খেলায় পরিণতভাব দেখানোটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুরু থেকেই যদি চ্যাম্পিয়নের কথা মাথায় ঢুকে যায়, তাহলে ফোকাস ঠিক রাখতে পারবে না। সৌরভ আরও বলেছেন, ভারতের এই দলে প্রতিভার কোনও অভাব নেই। রান করা বা উইকেট নেওয়ার দক্ষতাসম্পন্ন ক্রিকেটাররাই বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পেয়েছে। মানসিকভাবে ভাল অবস্থায় থাকলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব। ভারতীয় দলে যে প্রতিভার ছড়াছড়ি, সেকথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সৌরভ। তঁার কথায়, দলে প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অভাব নেই। প্রত্যেকের ব্যাট হাতে রান তোলার দক্ষতা রয়েছে, বল হাতে উইকেটও তুলে নিতে পারে। বিশ্বকাপ জিততে এসেছি এমন মানসিকতা নিয়ে ব্যাটিংয়ের সময় গার্ড নেওয়া উচিত নয়। তাতে গোটা প্রক্রিয়াটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যায়। যে বলের মুখোমুখি হতে হচ্ছে সেটা কতটা সঠিকভাবে খেলা যায় তার ওপর ফোকাস রাখা উচিত। ফাইনালে ওঠা না পর্যন্ত এমনটাই করতে হবে। আইপিএলের পরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি২০ বিশ্বকাপ। আইপিএলের ম্যাচগুলি যেখানে খেলা হয়েছে সেখানেই হবে বিশ্বকাপের খেলা। তবে তাতে পিচগুলি মন্থর হবে না বলেই ধারণা সৌরভের। তবে শারজার উইকেট মন্থর আচরণ করতে পারে মনে করছেন তিনি। সৌরভের কথায়, শারজার উইকেটে একটু কম রান উঠতে পারে। দুবাইয়ে সেই সমস্যা নেই। আইপিএল ফাইনালেও উইকেট ভাল আচরণ করেছে। তবে সবথেকে ভাল উইকেট আবু ধাবিতে। বিশ্বকাপের আদর্শ উইকেট।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Maharajer Darbare : দাদার বায়োপিক নিয়ে উচ্ছ্বসিত মহারাজের দরবারের প্রেসিডেন্ট

দাদার বায়োপিক নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যথেষ্ট উন্মাদনা রয়েছে। বাঙালির আবেগ সৌরভ গাঙ্গুলি। তাই সাধারণ মানুষের মতো দাদার জনপ্রিয় ফ্যান্স ক্লাব মহারাজের দরবারের প্রেসিডেন্ট মানস চট্টোপাধ্যায় বেশ উচ্ছ্বসিত। জনতার কথার প্রতিনিধি সায়ন্তন সেনকে ফোনে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন।জনতার কথাঃ দাদার বায়োপিক হবে এটা আমরা অনেক আগেই খবর পেয়েছি। অবশেষে দাদা সই করে বায়োপিকে অফিশিয়াল শিলমোহর দিলেন। কতটা উচ্ছ্বসিত?মানসঃ খুব ভালো লাগছে। এর আগে মহেন্দ্র সিং ধোনি, শচীন তেন্ডুলকরের বায়োপিক হয়েছে। এবার দাদার বায়োপিক হচ্ছে। দাদা মানেই ইন্ডিয়ান ক্রিকেটের অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে। আমরা জানিনা বায়োপিকে অ্যাকচুয়াল কি দেখানো হবে বা কতটা দেখানো হবে। তবে আমরা আশা করছি তাঁর জীবনের ওঠা-পড়া অনেকটাই দেখানো হবে। সো এক্সাইটেড আমরা। দেখা যাক কি হয়। জনতার কথাঃ দাদার বায়োপিকে ঋত্বিক রোশন না রণবীর কাপুর কাকে দেখতে চান? মানসঃ আমার পছন্দ সৌরভ গাঙ্গুলি। সৌরভ গাঙ্গুলি নিজেই এই চরিত্রে সবথেকে কমফরটেবল। কিন্তু সেটা তো হবেনা। বাট যেই হোক তিনি কিভাবে সবটা ফুটিয়ে তোলেন, কিভাবে এক্সপ্রেশন দেন সেটা দেখার।জনতার কথাঃ দাদার বায়োপিক হচ্ছে। আপনাদের কোনও সেলিব্রেশন বা অনুষ্ঠান করার ভাবনা রয়েছে?মানস- আপাতত কিছু নেই। তবে বায়োপিক যখন বেরোবে তখন ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো দেখতে যাবো সবাই। তবে সবকিছুই রয়েছে পরিকল্পনার মধ্যে।জনতার কথাঃ অনলাইনে কিছু প্ল্যান কি আছে?মানসঃ অনলাইনে একটা ভিডিও করবো।আট থেকে আশি কি বলতে চাইছে তাদের মতামত নিয়ে একটা ভিডিও করবো।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : সৌরভের টুইট মানতে না পেরে কী বললেন মাইকেল ভন?‌

ভারতীয়দের সাফল্য কখনও মেনে নিতে পারেননি উন্নাসিক ইংরেজরা। ওভাল টেস্টে বিরাট কোহলিদের দুরন্ত জয় যে হজম করতে পারেননি ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটাররা, সোশ্যাল মিডিয়ায় তার প্রমাণ। টুইটারে তরজা লেগে গেছে। ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্টের টুইটারের পাল্টা জবাব ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। ওভাল টেস্টে বিরাট কোহলিদের জয়ের পর ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি টুইট করেছিলেন, দুর্দান্ত জয়। দুই দলের দক্ষতায় অবশ্যই পার্থক্য রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় পার্থক্য চাপ সামলানোর ক্ষমতায়। এই কারণেই বিরাট কোহলির এই দল বাকিদের থেকে অনেক এগিয়ে। সৌরভের এই টুইট মেনে নিতে পারেননি ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিনি সেই টুইটেই সৌরভের ভুল ধরিয়ে রিটুইট করে লিখেছেন, টেস্ট ক্রিকেটে হতে পারে, সাদা বলের ক্রিকেটে নয়। মাইকেল ভনের ইঙ্গিতটা যে দুবছর আগে একদিনের বিশ্বকাপ নিয়ে, তা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তাই সব ধরণের ক্রিকেটে ভারতকে সেরা বলাটা মানতে পারছেন না তিনি। কথাটা অবশ্য ভুল বলেননি ভন। লাল বলের ক্রিকেটে দাপট দেখালেও সাদা বলের ক্রিকেটে বিরাট কোহলিদের সাফল্য নেই। ওভাল টেস্টে ফিরে এসেছে ১৯৭১ সালের সোনালি স্মৃতি। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এই মাঠে টেস্ট জিতল ভারত। ৫০ বছর আগে অজিত ওয়াদেকরের নেতৃত্বাধীন ভারত ওভালে জিতে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছিল। কোহলিরাও সিরিজ জয়ের পথে একধাপ এগিয়ে গেছে। যদিও ওল্ড ট্রাফোর্ডের পরিসংখ্যান কিছুটা চিন্তায় রাখছে ভারতকে। সিরিজে আপাতত ২১ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত। কোহলিদের কাছে ৩১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের আব্দার রেখেছেন শচীন তেন্ডুলকার। ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডে রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে শেষবার টেস্ট সিরিজ জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। ওই দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন শচীন তেন্ডুলকর। তিনি কোহলিদের জয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত। গোটা দলকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ১৪ বছর পর ইংল্যান্ডে ফের টেস্ট সিরিজ জয়ের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারত। ৫০ বছর পর ওভালে টেস্ট জয়ের পর সিরিজে ২১ ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে টিম বিরাট। এই অবস্থায় কেবল সিরিজ নয়, চাই ৩১ হোক। একইসঙ্গে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে ভারতের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের প্রশংসা করেছেন মাস্টার ব্লাস্টার। চতুর্থ ইনিংসে ৩৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে ৭৭ রানে ব্যাটিং করছিলেন ব্রিটিশ ওপেনাররা। পঞ্চম দিনে ভারতীয় বোলারদের প্রত্যাবর্তন দেখে মুগ্ধ হয়েছেন শচীন। শেন ওয়ার্নও কোহলিদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly: কোহলি নাকি অক্সফোর্ড স্ট্রিটেও জামা ছাড়া ঘুরতে পারেন?‌ এ কী বললেন সৌরভ!‌

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে জেতার পর লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি খুলে উড়িয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর সেই জার্সি ওড়ানোর ঘটনায় গর্বিত হয়েছিল গোটা দেশ। এখনও সকলের মুখে মুখে ঘোরে সৌরভের সেই জার্সি ওড়ানোর ঘটনা। অনেকেই মনে করেন, তিনি সাহসী ছিলেন বলেই লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি খুলে ওড়াতে পেরেছিলেন। বিরাট কোহলি যে তাঁকে ছাপিয়ে যেতে পারেন, এই ব্যাপারে নিশ্চিত সৌরভ। কৌন বনেগা ক্রোড়পতির অনুষ্ঠানে অমিতাভ বচ্চনকে পর্যন্ত সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি কোহলিকে চ্যালেঞ্জ না জানানোর জন্য।সৌরভ গাঙ্গুলি ও বীরেন্দ্র শেহবাগকে নিয়ে কৌন বনেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানের বিশেষ এপিসোড ছিল। সেই অনুষ্ঠানে লর্ডসের ২০০২ সালে লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি ওড়ানোর প্রসঙ্গে সৌরভ প্রথমে বলেন, আমার মেয়েও একবার জিজ্ঞাসা করেছিল কেন ওই কাজ করেছিলাম। সঠিক উত্তর দিতে পারিনি। পরে অনেকেই জিজ্ঞেস করেছিল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০ হাজারের বেশি রান করেছি, এত কভার ড্রাইব মেরেছে, অথচ লোকে এখনও লর্ডসের ব্যালকনির ওই জামা ওড়ানোর দৃশ্য নিয়ে প্রশ্ন করে। অমিতাভ এরপর সৌরভকে বলেন, তিনি যা করেছিলেন তারজন্য গোটা দেশ এখনও গর্বিত। সৌরভ বিশ্বাস করেন, কোহলিরও লর্ডসে জার্সি খুলে ওড়ানোর সাহস আছে। এরপরই তিনি অমিতাভ বচ্চনকে বলেন, কোহলিকে জার্সি ওড়ানো নিয়ে কোনও দিন চ্যালেঞ্জ করবেন না। লর্ডস তো দূরের করা, কোহলি অক্সফোর্ড স্ট্রিটেও জামা ছাড়া ঘুরে বেড়াতে পারে। সেই সাহস ওর রয়েছে। সৌরভের এই কথা শুনে অমিতাভ ও শেহবাগ দুজনেই হাসিতে ফেটে পড়েন। জার্সি খুলে ওড়ানোর সময় সৌরভ কী বলেছিলেন সে সম্পর্কে অমিতাভ বচ্চন জানতে চাইলে সৌরভ বলেন, পরে বলব। অমিতাভ তখন বলেন, আমি আন্দাজ করতে পেরেছি, কী বলেছিলে। তবে যেটা বলেছিলে, ঠিকই বলেছিলে। অনুষ্ঠানে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালের আরও মজার প্রসঙ্গ উঠে আসে। শেহবাগ ওই ম্যাচে কতটা অবাধ্য হয়েছিলেন, সে কথা তুলে ধরেন সৌরভ। তিনি বলেন, আমরা দুজনেই ওপেন করতে নেমেছিলাম। ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালটা আমাদের কাছে জেতা জরুরী ছিল। কারণ, তার আগে কয়েকটা ফাইনালে হেরেছিলাম। ফাইনালে প্রথম ৮ ওভারে ভাল রানও ওঠে। রনি ইরানি বল করতে এলে শেহওয়াগকে ঝুঁকি নিতে বারণ করি। আমার কথায় সম্মতি দিলেও পরের বলই মিড অনের ওপর দিয়ে বাউন্ডারি মারে। ওকে গিয়ে বলি, একটা বাউন্ডারি এসে গিয়েছে তুলে শট মারার দরকার নেই। সম্মতি জানিয়ে পরের বল মিড অফ দিয়ে মাঠের বাইরে। তৃতীয় বলের আগে আবার সতর্ক করেও লাভ হয়নি। এরপর ওকে আর কিছু বলিনি। পরের দুটো বলেও চার মেরে শেষ বল হয়তো আমার কথা রাখার জন্য ডিফেন্স করেছিলেন।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন?‌ জানতে পড়ুন

ভারতইংল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্ট ১২ আগস্ট থেকে শুরু হবে লর্ডসে। দ্বিতীয় টেস্টে হাজির থাকতে লন্ডন উড়ে যাচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। যদিও তাঁকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না।কেন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন পর্ব থেকে ছাড় পাচ্ছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? ব্রিটিশ সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রোটেকল অনুযায়ী ভ্যাকসিন নেওয়া আছে ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্টের। তাই তাঁকে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না। সৌরভ সরাসরি মাঠে হাজির থাকতে পারবেন। বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ইংল্যান্ড না গেলেও সিরিজ চলাকালীন যে কোনও টেস্টে হাজির থাকতে পারেন বোর্ড সচিব জয় শাহ, ভাইসপ্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা, কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমলও।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিএদিকে, দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে সোমবারই নটিংহাম থেকে লন্ডন পৌঁছল ভারতীয় দল। সূর্যকুমার যাদব, পৃথ্বী শরাও দলের সঙ্গে লন্ডন গেছেন। তবে তাঁরা এখন অনুশীলনে নামতে পারবেন না। ১২ আগস্ট লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু। ১৩ আগস্ট এই দুই ক্রিকেটারের ১০ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হবে। পরের দিন থেকে তাঁরা অনুশীলনে নামতে পারবেন। ফলে দ্বিতীয় টেস্টে খেলার কোনও সুযোগ নেই। তৃতীয় টেস্ট থেকে সূর্যকুমার ও পৃথ্বী খেলার জন্য বিবেচিত হবেন।এদিকে, ট্রেন্ট ব্রিজে প্রথম টেস্টে সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও বৃষ্টির জন্য জয় আসেনি। চূড়ান্ত হতাশ অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তবে প্রথম টেস্টে বেশকিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন। টেল এন্ডারদের ব্যাটিংয়ে তিনি খুশি। যশপ্রীত বুমরা জীবনের সর্বোচ্চ ২৮ রান করেছেন। মহম্মদ সামির অবদান ১৩। মহম্মদ সিরাজ ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?টেল এন্ডারদের ব্যাটিং প্রসঙ্গে কোহলি বলেন, ওরা নেটে নিয়মিত ব্যাট করে। ব্যাটিংয়ে সবসময় অবদান রাখতে চায়। ট্রেন্ট ব্রিজে সফল হয়েছে। দলের এই তিন টেল এন্ডারের কাছ থেকে ৫০র বেশি রান পাওয়াটা দলের কাছে অনেকটা সোনা পাওয়ার মতো। আমরা ৪০ রানের আশেপাশে এগিয়ে যাওয়ার আশা করেছিলাম। টেল এন্ডারদের প্রয়াসে শেষ পর্যন্ত ৯৫ রানে এগিয়ে গিয়েছিলাম।

আগস্ট ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sourav Ganguly : সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক ফাইনাল‌, অভিনয়ে বলিউড তারকা

গতবছর ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক হওয়া নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু সৌরভ এই সংক্রান্ত সবকিছুই নাকচ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু এবার স্মৃতি সত্যিই তাঁর বায়োপিক হচ্ছে। নিউজ 18 বাংলা কে তাঁর বায়োপিক হওয়ার বিষয়ে সিলমোহর দিয়েছেন দাদা। ভারতের অন্যতম নামী ব্র্যান্ড ভায়াকমের ব্যানারে নির্মিত হবে এই বায়োপিক। ছবির বাজেট প্রায় ২০০-২৫০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে বায়োপিকের অনেকটা কাজই এগিয়ে গেছে।আরও পড়ুনঃ হইচই তে মুক্তি পাচ্ছে হীরালালতবে এই বায়োপিকে কে অভিনয় করবেন সেটা এখনও ফাইনাল হয়নি। তবে শোনা যাচ্ছে মহারাজা কে রূপোলি পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে পারেন রণবীর কাপুর। শোনা যাচ্ছে, বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হওয়া পর্যন্ত রূপোলি পর্দায় সৌরভের জার্নিটা তুলে ধরা হবে।

জুলাই ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

এবার দুটি স্টেন্ট বসল সৌরভের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

বুকে ব্যথা নিয়ে গতকাল অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ব্লকেজের জন্য তাঁর দুটি স্টেন্ট বসানো হয়েছে। সৌরভ সুস্থ আছেন। স্টেন্ট বসান ডা. আফতাব খান। তত্বাবধানে ছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেবী শেঠি ও অশ্বিন মেহতা। তাছাড়া চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।এদিন বিকেলে সৌরভকে দেখতে হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌরভকে দেখে বেরিয়ে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সৌরভের দুটি স্টেন্ট বসেছে। সৌরভ ভাল আছেন। সকালে তাঁকে দেখতে এসেছিলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য। গত ২ জানুয়ারি বুকে ব্যথা হওয়ায় ক্রিকেটের মহারাজকে উডল্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তখন একটি স্টেন্ট বসাতে হয়েছিল। ৭ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন তিনি। তারপর বাড়িতেই বিশ্রামে ছিলেন। ফের বুকে ব্যথা হওয়ায় বুধবার প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ককে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ফের বুকে ব্যথা, হাসপাতালে ভর্তি সৌরভ

বুকে ব্যথা অনুভব করায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দিলেন চিকিৎসকরা। বুধবার তাঁকে ভর্তি করা হয় বাইপাসের ধারে এ্যাপেলো হাসপাতালে। গ্রিন করিডোর করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে তাঁর বিভিন্ন শারীরিক টেস্ট করেছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। ডা. সরোজ মন্ডল, ডা. আফতাব খান সহ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি কলকাতার বাইরের বিশিষ্ট চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। এর আগে ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা বোধ করায় ভর্তি করা হয়েছিল উডল্যান্ড হাসপাতালে। হার্টে ব্লকেজ ধরা পরায় তখন একটি স্টেন্ট বসানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ৭ জানুয়ারি তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তারপর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বাড়িতেই বিশ্রামে ছিলেন।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে বিসিসিআই সভাপতির শারীরিক অস্বস্তি শুরু হয়। তারপর আজ, বুধবার দুপুরে বুকে ব্যথা অনুভব করেন সৌরভ। তখন চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। তাই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় অ্যাপোলো হাসপাতালে। যদিও এখন তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানানো হয়েছে। গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেঁটেই হাসপাতালে ঢুকেছেন সৌরভ। হাসপাতালে এসেছেন সৌরভের স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়, দাদা স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়, বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সৌরভের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal