• ১৪ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Smuggling

কলকাতা

ইডির চার্জশিটে বিস্ফোরক তথ্য, বালি পাচারে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

বালি পাচার মামলায় চার্জশিট জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অভিযুক্ত অরুণ শারফ-সহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অরুণ শারফের সংস্থা জিডি মাইনিংয়ের নামেও চার্জশিট জমা পড়েছে। বিচারভবনে এই চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।গত ৬ নভেম্বর ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন অরুণ শারফ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওয়েস্টবেঙ্গল স্যান্ড মাইনিং, ট্রান্সপোর্ট, স্টোরেজ ও সেল সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম উপেক্ষা করে বালি তোলা এবং তা বিক্রি করা হত। এই অবৈধ কারবারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ রোজগার করা হয়েছে বলে ইডির দাবি। মোট ১৪৫ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অরুণ শারফ ছাড়াও তাঁর সংস্থার চার কর্মীর বিরুদ্ধেও চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারের ৫৭ দিনের মাথায় এই চার্জশিট পেশ করল ইডি।এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর বালি পাচার কাণ্ডের তদন্তে নামে ইডি। ওই দিন ঝাড়গ্রাম ও বেহালায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকরা। সেই সময় জিডি মাইনিংয়ের বিভিন্ন জায়গাতেও তল্লাশি হয়।ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে শেখ জহিরুল আলির বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে সুবর্ণরেখা নদী থেকে নিয়ম না মেনে দেদার বালি তোলার অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরে সৌরভ রায় নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইডির দাবি, এঁরা সকলেই অবৈধ বালি কারবারের সঙ্গে যুক্ত। শেষ পর্যন্ত তাঁদের বিরুদ্ধেই চার্জশিট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
রাজ্য

আইসিকে কদর্য ভাষা অনুব্রতর, FIR, শেষমেশ ক্ষমা প্রার্থনা

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় পড়ে যায়। সেই অডিওর শোনা যাচ্ছে, বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির অন্যতম সদস্য অনুব্রত মণ্ডল বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। দুদিন আগে এই অডিও ক্লিপটি যে কোনও কারণেই ভাইরাল হয়ে যায়। তারপরেই জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ সিং, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার বোলপুর রানা মুখোপাধ্যায় বৈঠক ডেকে আইসি লিটন হালদারকেও ডেকে পাঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোলপুর এসডিপিও রিকি আগরওয়াল সহ চার পুলিশ কর্তা। উল্লেখ্য, গতকালই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার নাগরিক কমিটির ডাকে বোলপুর থানায় এক বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীরা। অভিযোগ, আইসি লিটন হালদার বিভিন্ন জনের কাছ থেকে তোলাবাজি অর্থ দাবি করেন। অনুব্রত মণ্ডলকেও, এ ব্যাপারে সোচ্চার হতে দেখা যায়। যদিও এ ব্যাপারে পুলিশের তরফে কোন বক্তব্য জনসমক্ষে আসেনি। অনুব্রতর কদর্য বক্তব্য সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরই তীব্র নিন্দা হয় বিভিন্ন মহল থেকে। এমনকি বিজেপির রাজ্য শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব শাসকদলকে আক্রমণ করার হাতিয়ার পেয়ে যায়। একইসঙ্গে তৃণমূল দল থেকে নিজস্ব হ্যান্ডেলে অনুব্রত মণ্ডলের ঘটনার নিন্দা করা হয়। বলা হয় যে, অনুব্রত মণ্ডল একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তার সঙ্গে আমাদের দল সম্পূর্ণ দ্বিমত প্রকাশ করছে। এবং এই মন্তব্যকে ও সমর্থন করছে না। পাশাপাশি, দল তাকে নির্দেশ দেয় যে আগামী চার ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে দল শোকজ নোটিশ জারি করবে। ইতিমধ্যে, পুলিশের তরফে একটি মুখবন্ধ খামে চিঠি এসে পৌঁছায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে। অন্যদিকে, বোলপুর থানায় বিএনএস এর ৭৫, ১৩২, ২২৪ ও ৩৫১ ধারায় অনুব্রতর বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। পাশাপাশি, অডিও ক্লিপটি কিভাবে ভাইরাল হল তা নিয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানান, বীরভূমের পুলিশ সুপার আমানদীপ সিং। অবমাননাকর মন্তব্যের তদন্ত শুক্রবার বোলপুর দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডল একটি ভিডিও বার্তায় সকলের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, যে নানুরের শিঙ্গিতে তার এক দলীয় কর্মীর পা ভেঙে গুড়ো করে দেওয়া হয় সে ব্যাপারে তিনি আইসিকে দেখার অনুরোধ করেন। অনুব্রত বলেন, যে নুরুল নামে সেই দলীয় কর্মী গুরুতর অবস্থায় আহত হন। তারপর সেখান থেকে তাকে ফোন করা হয়। রাত্রি দশটায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। ফোনে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর, তিনি আইসিকে বলেন যে, ওই আহত ব্যক্তিকে বাঁচানোর জন্য আপাতত হাসপাতালে ভর্তি করুন। একইভাবে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ ও আইসিকে অনুরোধ করেন। কিন্তু আইসি তাকে একটি খারাপ কথা বলেন। যেটা তিনি আর বলতে চাইছেন না। তার পক্ষে (অনুব্রতর) এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত হয়নি। তিনি ক্ষমা চাইছেন।

মে ৩০, ২০২৫
রাজ্য

কলকাতা পুলিশ সেজে সোনা গয়না লুট, দুই পান্ডা গ্রেফতার

কোলকাতা পুলিশ পরিচয় দিয়ে লুট। এই ঘটনায় কর্নাটকের কুখ্যাত বিদর গ্যাংয়ের দুই পন্ডা গ্রেফতার। গত ৯ ই মার্চ একটি ছিনতাইয়ের ঘটনার অভিযোগ দায়ের হয় বাগুইআটি থানায়। তদন্ত নেমে পুলিশ বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে এবং সনাক্ত করে অপরাধীদের। বেশ কিছু তথ্য ধরে পুলিশ জানতে পারে মহারাষ্ট্রের লাটুর জেলায় ইউসুফ আলী এবং হাসলি নাসের দুজন গা ঢাকা দিয়েছে। পুলিশ সেখানে হানা দেয় এবং এই দুজনকে গ্রেফতার করে পরবর্তী ক্ষেত্রে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। বাগুইআটি থানায় হেফাজতে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে এরা কর্নাটকের কুখ্যাত বিদর গ্যাংয়ের অন্যতম পন্ডা। এখনও পর্যন্ত এদের নামে কলকাতা এবং জেলা মিলিয়ে ত্রিশটিরও বেশি এরকম অভিযোগ জমা হয়েছে। কিন্তু কোনও ভাবে তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে এরা বয়স্ক মানুষজনদের কলকাতা পুলিশের পরিচয় দিত এবং নির্জন জায়গায় গাড়ি আটকে বয়স্ক মানুষজনদেরকে বলতো আপনাদের কাছে যে সোনা গয়না এবং টাকা পয়সা আছে সেগুলো আমাদের ব্যাগে দিয়ে দিন। সামনে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে আমরা কলকাতা পুলিশের সদস্য নির্দিষ্ট জায়গায় এগিয়ে গিয়ে দাঁড়ান আপনারা আপনাদের জিনিস ফেরত পেয়ে যাবেন। এই ভাবেই গায়ের অলংকার থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু হাতিয়ে নিত এই গ্যাং। এবং এই গ্যাংয়ের পক্ষ থেকেই প্লাস্টিক দেয়া হতো বলতো এই প্লাস্টিকের মধ্যে রাখতে। এইভাবে দেখত বাইকে করে দুজন কখনও তিনজন যুবক পুলিশ লেখা স্টিকারে এই চক্র চালাতো। বাইকে করে একটু এগিয়ে যেতেই চার চাকা গাড়ি আসতো জামা পাল্টিয়ে তারা গাড়িতে উঠে যেত। গাড়ি থেকে অন্য ব্যক্তি নেমে সেই বাইক নিয়ে চম্পট দিয়ে পালিয়ে যেত। কলকাতা এবং জেলা মিলিয়ে একাধিক থানায় এই অভিযোগ জমা হয়েছে। দিনের পর দিন এই চক্র সক্রিয় হচ্ছে অথচ পুলিশ তাদের খোঁজ পাচ্ছিল না। শেষমেশ বাগুইআটি থানার পুলিশ এই চক্রে দুই পাণ্ডাকে গ্রেফতার করে বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৫
রাজ্য

অনুব্রতর বাড়ির দরজায় আটকে গেলেন মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, কান্নায় ভাসলেন সকন্যা "বীরভূমের বাঘ"

গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল জামিন পাওয়ার পর আজ সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা রওয়ানা দেন বোলপুরের নীচুপট্টির বাড়ির দিকে। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন অসংখ্য অনুগামী।এরই মধ্যে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীকে অনুব্রত তাঁর বাড়িতে ঢোকার অনুমতি না দেওয়ায়। তাঁদের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সাংসদ অসিত মালকেও দরজার বাইরে থেকে ফিরে আসতে হচ্ছে। অনুব্রত মন্ডল ও তাঁর কন্যা সুকন্যাকে দেখা গেল হাত দিয়ে চোখের জল মুছতে। আবেগি অনুব্রত দু হাত দিয়ে চোখ চেপে ছিলেন। আজ বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক করবেন। অনুব্রতর সঙ্গে দেখা হয়নি দলনেত্রীর। বাড়িতে ঢোকার সময় অনুব্রত এদিন বলেন, তিনি দিদির সঙ্গেই আছেন। পায়ে ব্যথা রয়েছে। শরীর ভালো থাকলে তিনি দেখা করবেন দিদির সঙ্গে। কাজল এখন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি। অনুব্রত তিহাড় জেলে থাকলেও তিনিই দলের সভাপতি পদে বহাল রয়েছেন। ফলে তাঁর প্রত্যাবর্তনে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দেবে কিনা তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বরাবরই অনুব্রতর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হয়েছে, কেড়ে নেওয়া হয়েছে দলের সাংগঠনিক পদ। তবে তাঁরা বিধায়ক রয়েছেন। অনুব্রত জেলে থাকলেও দলের সভাপতিই থেকে গিয়েছেন।অনুব্রত বাড়ি ফেরার পর তাঁরা দেখা করতে গিয়েছিলেন দলের জেলা সভাপতির সঙ্গে। যদিও কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের মাধ্যমে তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়, বাড়িতে প্রবেশাধিকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে সেখান থেকে ফিরে যান চন্দ্রনাথ, বিকাশ, অসিত মাল। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ পেয়েছেন জেলা নেতা সুদীপ্ত ঘোষ, নলহাটির বিধায়ক, বোলপুরের পুর প্রধান। অনুব্রতর সঙ্গে জেলা কোর কমিটির সদস্য সুদীপ্ত ঘোষ দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছিলেন। সেখানে ছিলেন অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা। ছিলেন আরও কয়েকজন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

সরানো হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মহম্মদবাজারের আইসিকে, তলব করা হয়েছিল গরুপাচার কাণ্ডে

বীরভূমের মহম্মদ বাজার থানার আইসি মহম্মদ আলিকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁকে পশ্চিম মেদিনীপুরে পাঠানো হয়েছে ডিইবি-তে। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে সরানো হয়েছে আলিকে।সম্প্রতি, গরুপাচার কাণ্ডে মহম্মদ আলির নাম জড়়িয়েছিল। এই আইসিকে তলবও করেছিল ইডি। সূত্রের খবর, গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের ঘনিষ্ঠ এই পুলিশ অফিসার। তিনি অনুব্রতর মামলার টাকার যোগানও দিয়েছেন বলে ইডি সূত্রে খবর। তাঁকে তলব করায় পুলিশ মহলে কানাঘুষো চলছিল। এবার তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
রাজ্য

এবার গরু পাচার তদন্তে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডলের হিসেবরক্ষক

গরু পাচার মামলায় এবার ইডি গ্রেফতার করল অনুব্রত মন্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাংলা থেকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মণীশ কোঠারিকে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা। এদিকে, বুধবার দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডলের কন্য সুকন্যাকেও তলব করেছে ইডি।এর আগে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গলকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তের স্বার্থে সায়গালকে আগেই দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার ইডির জালে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। এর আগেও তাঁকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সূত্রের খবর, কোঠারির কাছ থেকে নয়া তথ্য় মিলেছে। গরু পাচার কাণ্ডে তদন্তে নামে-বেনামে অনুব্রত, তাঁর কন্যা, দেহরক্ষী সকলেরই বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। এসব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন তাঁর হিসেবরক্ষক।বীরভূমে একাধিক চালকলের সন্ধান মিলেছে। মিলেছে মেডিক্যাল কলেজের তথ্য়। যেসব জায়গায় কোটি কোটি টাকা লগ্নি করেছে অনুব্রত মন্ডল। সেই টাকা কোথা থেকে পেলেন তিনি? সেই খোঁজ নিচ্ছে ইডি। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে কেষ্টর নামে-বেনামে থাকা অ্যাকাউন্টে কোটি-কোটি টাকার লেনদেনের তথ্যও পেয়েছে ইডি।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

এবার অনুব্রতকে গ্রেফতার ইডির, সায়গল, সুকন্যার মতো দিল্লিতে জেরার উদ্যোগ

গরু পাচার মামলায় এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট গ্রেফতার করল তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে। গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। বৃহস্পতিবার আসানসোল জেলে গিয়ে টানা সাড়ে পাঁচ ঘন্টা অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। জিজ্ঞাসাবাদের সময় অনুব্রত সহযোগিতা করেনি বলেই সূত্রের খবর। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে গরুপাচার মামলায় কোটি কোটি টাকার লেনদেনের কথা জানতে পারে সিবিআই। তার মেয়ের নামেও একাধিক ব্যবসা ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। মিলেছে ফিক্স ডিপোডিট। একাধিক রাইস মিলের খোঁজ মিলেছে মন্ডল পরিবারের মালিকানায়। এই সব টাকা কোথা থেকে এসেছে জানতে চায় ইডি। অনুব্রত সদুত্তর দিচ্ছিল না বলে সূত্রের খবর। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। ইতিমধ্যে অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে জেরা করার জন্য দিল্লি নিয়ে গিয়েছে ইডি। সিবিআই গ্রেফতারের সময়ই অনুব্রত নিজে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারে তদন্তের জন্য। দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চাইছে ইডি।

নভেম্বর ১৭, ২০২২
রাজ্য

নামি কোম্পানির নকল চাল পাচার করার অভিযোগে একটি চালবোঝাই লরি বাজেয়াপ্ত

একটি চালবোঝাই লরি বাজেয়াপ্ত করেছে পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহি থানার পুলিস। একটি নামি কোম্পানির ব্যাণ্ডেড নকল চাল লরিতে করে পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। বস্তায় অন্য কোম্পানির ছাপ মারা নকল চাল পাচারের অভিযোগে লরিটির চালককে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের নাম কৃষ্ণগোপাল ঘোষ। কেতুগ্রাম থানা এলাকায় তার বাড়ি। পুলিস জানিয়েছে, রবিবার রাতে মাধবডিহি থানা এলাকার একটি রাইস মিল থেকে চাল লোড করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সন্দেহ হওয়ায় পুলিস সেটিকে আটকায়।চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিসের সন্দেহ হয়, একটি নামি কোম্পানির নকল চাল লরিতে করে পাচার করা হচ্ছিল। এর সঙ্গে বর্ধমান শহরের বাদামতলা এলাকার এক ব্যবসায়ী জড়িত। ধৃত চালককে সোমবার বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতের আইনজীবী জানান, চালকের পক্ষে কোনটি আসল চাল, আর কোনটি নকল চাল তা জানা সম্ভব নয়। মূল অভিযুক্তকে পুলিস ধরতে পারেনি। চালককে গ্রেপ্তার করে কোর্টে চালান করেছে।ধৃতকে হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদনও জানায়নি পুলিস। সরকারি আইনজীবী অবশ্য জামিনের বিরোধিতা করেন। দুপক্ষের সওয়াল শুনে মূল অভিযুক্ত ধরা না পড়া এবং ধৃত লরির চালক ও হেফাজতে নেওয়ার আবেদন না জানানোর কথা উল্লেখ করে তদন্ত শেষ না পর্যন্ত সপ্তাহে ৩ দিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরার শর্তে ধৃতের জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে অবৈধ বালি পাচার রুখল বর্ধমান জেলা পুলিস

রাতের অন্ধকারে অবৈধ ভাবে পাচার হচ্ছিল বালি পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে চারটি বালি বোঝায় ট্রাক বাজেয়াপ্ত করেছে গলসি থানার পুলিশ। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অতিরিক্ত বালি বোঝায় ট্রাক আটক করে পরিবহন দপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনার জেরে আবারও গলসি এলাকায় বালি চুরি প্রকাশ্যে এসেছে।পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গোহগ্রাম গলসি রোডে হানা দেয় গলসি থানার পুলিশ। ওই সময় গাড়িগুলি গোহগ্রামের দিক থেকে আসছিল। পথেই পুলিশ ট্রাকগুলিকে থামালে চালকরা বালির কোন বৈধ্য কাগজ দেখাতে পারেনি। ঘটনায় অভিযুক্ত চারজন ট্রাক চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবী, পুলিশের নজর এড়িয়ে রাতের অন্ধকারে পাচার করা হচ্ছিল বালি। তারা জানায়, কদিন আগে গোহগ্রামের পাশে গোপডাল এলাকায় সরকারি অনুমোদন নিয়ে একটি ঘাট চালু হয়েছে। আর এতেই এলাকার কিছু অসাধু চক্র অবৈধভাবে বালি পাচার শুরু করেছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

নিষিদ্ধ মাদক দ্রব্য রাখার অপরাধে বর্ধমান শহর থেকে গ্রেফতার এক মহিলা

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার ভোরে লক্ষ্মীপুর মাঠ এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে সুনীতা সাউ ওরফে লেংড়ি নামে এক মহিলাকে গ্রেফতার করে। ধৃতের কাছ থেকে বেশ কিছু মাদক দ্রব্য বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুনীতা সাউয়ের ছেলেকে বছর খানেক আগে মাদক দ্রব্য রাখা ও বিক্রির অপরাধে গ্রেফতার করেছিল বর্ধমান থানার পুলিশ।ছেলে গ্রেফতার হওয়ার পর মা সুনীতা সাউ আবার ঐ অবৈধ ব্যবসা চালাচ্ছিল বলে পুলিশের কাছে খবর ছিল। আজ ভোরে এ এস আই বন্দনা মোদকের নেতৃত্বে তল্লাশি চালায় পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় সুনীতাকে। আজ তাকে জেলা আদালতে পেশ করা হয়।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

বেআইনিভাবে পাচারের সময় গাড়িভর্তি রেশন সামগ্রী সহ পাচারকারীদের গ্রেফতার করলো পুলিশ

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের কুবাজপুর এলাকার ঘটনা। পুলিশ জানায় ধৃতদের নাম শেখ সালাম ও শেখ হাসিবর। বাড়ি ভাতারের বিজিপুর এলাকায়।ভাতারের কুবাজপুর বাসস্ট্যাণ্ডে দোকান রয়েছে সালামের। দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে রেশন সামগ্রী ক্রয় বিক্রয়ের কারবার চালাতে সে। কয়েক মাস আগেও তাঁর দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ রেশন দ্রব্য উদ্ধার করেছিল পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও রুজু করেছিল পুলিশ। বর্তমানে সে জামিনে মুক্ত ছিল। আবারও পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় বিপুল পরিমাণ রেশন দ্রব্য পাচার চক্র চালাচ্ছিল সালাম। গোপন সূত্রে খবর আসে পুলিশের কাছে। ভাতার থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে গাড়ি ভর্তি ১৩৫ বস্তা গম সহ সালাম ও হাসিবুরকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলার রুজু করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সালামকে হেফাজতে আবেদন জানিয়ে দুজনকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।ভাতার থানার ওসি অরুন কুমার সোম জানিয়েছেন, বিপুল পরিমাণ রেশনদ্রব্য কিভাবে সংগ্রহ করেছে সে এবং ওই রেশনদ্রব্য কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃত সালামকে হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

নকল সার পাচারের অভিযোগে দু'জন গ্রেফতার বর্ধমানে

নকল সার পাচারের অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করল পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয় ১৩৭ বস্তা সার।দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ওই সার আনা হচ্ছিল। দুটি গাড়ির একটিতে ৬৮ বস্তা ও অন্য আর একটি গাড়িতে ৬৯বস্তা সার ছিল। মেমারির দেউলিয়া আলিপুরে ইফকোর প্যাকেটে নকল সার আনা হয়েছে বলে সন্দেহ হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। তারা গাড়ি দুটিকে আটক করে মেমারি থানায় খবর দেয়। মেমারি থানার পুলিশ গাড়ি দুটিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পাশাপাশি দুটিঃগাড়ির চালককে গ্রেফতার করে পুলিশ । ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। আদালত তাদের চারদিন পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা থেকে ওই সার এই জেলায় নিয়ে আসা হচ্ছিল। ধৃতরা বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এখন এই সার নকল কিনা, নকল হলে তা কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, এই চক্রের সঙ্গে কারা কারা জড়িত তা জানতে ধৃতদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজ্য

দেহরক্ষী হীন কেষ্ট, সুপ্রিম-রায়ে ইডি-র ডাকে দিল্লি চলল সহগল

একদিকে মানিক ভট্টাচার্য্য ও ২৬৯ জন বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের সাময়িক স্বস্থিদানের রায় দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট ঠিক সেই সমইয়েই, গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত, জেলবন্দি বীরভূমের বেতাজ বাদশা তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী রাজ্য সরকারের কনস্টবল পদে কর্মরত সহগল হোসেনের আবেদন খারিজ করে এক অন্য বার্তা দিল শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট।পরিণাম স্বরুপ সহগলকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র আর কোনও বাধাই রইল না। উল্লেখ্য এর আগে সহগলকে দিল্লিতে ইডি-র অফিসে নিয়ে গিয়ে জেরার জন্য আসানসোলে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেছিল ইডি। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তারপর ইডি কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করে এবং কলকাতা হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাবে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে তদন্তকারী সংস্থার সেই আবেদনও বাতিল হয়ে যায়।কলকাতা হাইকোর্টে রায় জানার পর পরেই ইডি দিল্লির রউস অ্যাভিনিউ কোর্টের আবেদন করে। সেখানে সোমবার ইডির আবেদনে সম্মতি দিয়ে সহগলকে সহগলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার অনুমতি দেয়। সেই রায়ের বিরোধিতা করে সহগলের আইনজীবী দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করে, তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট রউস আদালতের এই নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ দেয়। এবং জানায়, শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সহগলের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না ইডি। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিল্লি হাই কোর্টই আবার জানায়, গরু পাচার কান্ডে ধৃত সহগলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আবার দিল্লিতে জেরা এড়াতে মড়িয়া সহগল দিল্লি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান। শুক্রবার সহগলের আর্জি খারিজ করে দিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরার আবেদনে শিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

ঝাড়খণ্ড থেকে রামপুরহাট হয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাওয়ার আগেই ৫২ টি গরু আটক করে পুলিশ

ফের গরু আটক রামপুরহাট ফের গরু আটক। এবার ঝাড়খণ্ড থেকে বীরভূমের রামপুরহাট থানা হয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাওয়ার আগেই ৫২ টি গরু আটক করে পুলিশ। সেই সঙ্গে জাহাঙ্গীর শেখ নামে এক গরু ব্যবসায়ী সহ আরও তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের বাড়ি মুর্শিদাবাদের নগর এলাকায় বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার ঝাড়খণ্ডের শিকারিপাড়া থানার সারাসডাঙ্গা এলাকায় পশু হাট ছিল। সেখান থেকে জাহাঙ্গীর শেখ গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছিল মুর্শিদাবাদে। তিনজন লোক ভাড়া করে গরু গুলি হাঁটিয়ে ঝাড়খণ্ডের দুমকা-বীরভূমের রামপুরহাটের রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। রামপুরহাট থানার পুলিশ গরু গুলি আটক করে। কারণ ব্যবসায়ী গরু কেনা বেচার কোন বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি। যদিও ধৃত ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা সারাসডাঙা পশু হাট থেকে গরু গুলি কিনে নিয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাচ্ছিল। তবে তাদের কাছে কোন বৈধ কাগজ ছিল না।প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হতেই তৎপর হয়ে ওঠে বীরভূম জেলা পুলিশ। বৈধ কাগজ ছাড়া গরু পাচার বন্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই রামপুরহাট থানার পুলিশ ১৩৭ টি গরু আটক করল।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজনীতি

গরুপাচারকান্ডে অনুব্রতকে ১৪ দিনের জেল হেফাজাতের নির্দেশ আদালতের

গরুপাচারকান্ডে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। যদিও এই নির্দেশের আগে সওয়াল-জবাব চলে দুই পক্ষের আইনচজীবীর মধ্যে। এদিন সকালে অনুব্রতকে নিজাম প্যালেস থেকে আসানসোলের উদ্দেশে নিয়ে বের হন সিবিআই আধিকারিকরা। পথে শক্তিগড়ে ব্রেকফাস্ট করেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি।আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে সওয়াল জবাব চলাকালীন অনুব্রতর আইনজীবী বলেন, তাঁর মক্কেলকে টার্গেট করা হয়েছে। যেহেতু কেন্দ্রে বিরোধী দলের সরকার রয়েছে। সিবিআইয়ের আইনজীবীর আনা প্রভাবশালী তকমা নিয়ে অনুব্রতর আইনজীবী বলেন, তাঁর মক্কেলকে মুখ্যমন্ত্রী চেনেন। তার মানেই প্রভাবশালী হতে পারে না। জামিনের আবেদন জানান তিনি। অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গলের সম্পত্তির সঙ্গে অনুব্রতর কোনও সম্পর্ক নেই বলেও আদালতে জানিয়ে দেন অভিযুক্তর আইনজীবী। এদিকে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, গরুপাচার মামলায় গোপন জবানবন্দীতে অনুব্রতর মন্ডলের নাম বলেছেন অনেকেই। প্রভাবশালী এই ব্যক্তিকে ছাড়া হলে তদন্তে প্রভাব পড়বে।

আগস্ট ২৪, ২০২২
রাজ্য

প্রশাসনের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে রাতের অন্ধকারে মাটি পাচার

রাতের অন্ধকারে মাটি চুরি! অভিযোগ মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা চাঁচল-১ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি এটিএম রফিকুল হোসেনের বিরুদ্ধে মাটি চুরির অভিযোগে সরব কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিইউসি। চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ জনিয়েছেন চাঁচল -১ নং ব্লক কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি কাজী আতাউর রহমান। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওটা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সভাধিপতি।জমি থেকে বা নদী থেকে কোনভাবেই মাটি কাটা যাবে না। প্রশাসনের এই নির্দেশকে অগ্রাহ্য করে রাতের অন্ধকারে ট্রাক্টারে করে সেই মাটি পাচার হচ্ছে মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতির বাড়ি নির্মাণের জন্য জমি ভরাটের কাজে। চাঁচলের আসরাইল এলাকার একটি চাষের জমি থেকে রাতের অন্ধকারের মাটি কেটে ট্রাক্টরের করে নিয়ে এসে সেই মাটি চাঁচলের আদর্শ পল্লী এলাকায় অবস্থিত মালদা জেলা পরিষদের সভাপতি তথা চাচল ১ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি এটিএম রফিকুল হোসেনের জমি ভরাটের জন্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। চাঁচলের আস রাইল এলাকার বাসিন্দা অনিজ উদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের নির্দেশ রয়েছে মাটি কাটা বন্ধ। সেই মাটি রাতের অন্ধকারে কেটে ট্রাক্টারে করে পাচার হচ্ছে সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেনের বাড়ি নির্মাণের জমি ভরাটের জন্য। আমরা মাটির জন্য বাড়ির কাজ করতে পারছি না সেখানে সভাধিপতি কিভাবে করছেন।ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন তিনি। আমরা চাই এই মাটি কাটা বন্ধ হোক।মাটি চুরির বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে চাঁচল এক নং ব্লক কংগ্রেস নেতৃত্ব। চাঁচল ১ নং ব্লক কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা আইএনইউসির সভাপতি কাজী আতাউর রহমান বলেন, গরু চোর,কয়লা চোরের পর এবার মাটি চোর। নির্দেশ রয়েছে মাটি কাটা বন্ধ। নিয়ম সবার জন্যই সমান। স্বয়ং জেলা পরিষদের সভাধিপতি ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। প্রশাসনের মদতে রাতের অন্ধকারে মাটি পাচার হচ্ছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতা রফিকুল হোসেন। তিনি বলেন প্রশাসনের নির্দেশে মাটিকাটা বন্ধ রয়েছে। কোথাও মাটি কাটা হচ্ছে না। বিরোধীরা অভিযোগ করতেই পারেন তবে তা সত্যি নয়। এই ঘটনায় শাসক দলের নেতাদের চোর বলে আক্রমণ করেছেন মালদা উত্তরের বিজেপি সংসদ খগেন মুর্মু। এ বিষয়ে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আগস্ট ১৬, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার অনুব্রত মন্ডল গ্রেফতার, গরুপাচার মামলায় সিবিআইয়ের জালে তৃণমূলের কেষ্ট

গরুপাচার মামলায় একাধিকবার তলব সত্ত্বেও হাজিরা এড়িয়ে চলেছেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বৃহস্পতিবার বোলপুরের বাড়িতে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করল সিবিআই। বৃহস্পতিবার সকালে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অনুব্রতর বাড়িতে পৌঁছন সিবিআই আধিকারিকরা। সকালে তাঁকে দেড় ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেফতার করা হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। তখন বাড়ির সমস্ত গেটে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।সিবিআই সূত্রে খবর, গতকাল বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারীর সঙ্গে কথা বলে অনুব্রতর শারীরিক অবস্থা নিয়ে খোঁজ করেন। তবে যে কায়দায় এদিন অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি ঘিরে রেখে সিবিআই আধিকারিকরা হানা দিয়েছেন তাতে তাঁকে গ্রেফতারের জল্পনা ক্রমশ বাড়ছিল। শিষমেশ অনুব্রতকে গ্রেফতার করে সিবিআই। জানা গিয়েছে, আসানসোলের ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে অনুব্রত মণ্ডলের। তার পর আজই হয়তো আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হবে কেষ্টকে। এদিকে অনুব্রতকে গ্রেফতারির ঘটনায় ফের চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের তৎকালীন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির এক মাসের মধ্যে আরেক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি। অনুব্রত ইস্যুতে দল পাশে থাকে দল না কিনা সেটাই দেখার।

আগস্ট ১১, ২০২২
রাজ্য

নিজাম প্যালেসে ফের তলব অনুব্রত মণ্ডলকে

গোরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে ফের তলব। ১৪ মার্চ নিজাম প্যালেসে অনুব্রত মণ্ডলকে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকাল ১১টায় তাঁকে হাজিরা থাকতে বলা হয়েছে। এই নিয়ে চতুর্থবার তাঁকে তলব করা হয়েছে। শেষবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি। সেবার তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। এর আগেও তিন বার তিনি কখনও নির্বাচনী ব্যস্ততা, কখনও আবার শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। গ্রেপ্তারি এড়াতে তিনি হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন।গোরুপাচার মামলায় ১৪ ফেব্রুয়ারি সিবিআই তলব করেছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেদিনও হাজিরা এড়িয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। ২৫ ফেব্রুয়ারি ফের তাঁকে হাজিরার নোটিস দেওয়া হয়। অনুব্রত মণ্ডলের শারীরিক অবস্থার বিষয়টি আইনজীবীরা জানান। এদিন হাজিরা এড়িয়ে যান কেষ্ট।২৫ ফেব্রুয়ারি অবশ্য অনুব্রত মণ্ডলের তরফে আইনজীবী আদালতের দ্বারস্থ হন। অনুব্রতর তরফ থেকে জানানো হয়, তিনি হাজিরা এড়াতে চান না। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছিলেন, গোরু পাচার মামলায় তদন্তে সহযোগিতা করতে রাজি তিনি। জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। কিন্তু কলকাতায় সিবিআই দপ্তরে গিয়ে হাজিরা দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়, শারীরিক অসুস্থতার জন্য। বোলপুরে বাড়ির কাছাকাছি কিংবা কাছাকাছি কোথাও ডাকা হোক তাঁকে। এই মর্মে আইনজীবী মারফৎ চিঠিও পাঠিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

মার্চ ০৭, ২০২২
কলকাতা

গোরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেপ্তার এনামুল হক

গোরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার করা হল এনামুল হককে। ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন গোরু পাচারকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এনামুল। শনিবারই দিল্লির রাউজ এভিনিউ আদালতে তোলা হবে তাঁকে। সূত্রের খবর, এদিন এনামুলকে নিজেদের হেপাজতে চাইতে পারে ইডি। এর আগে ২০২০ সালে সিবিআই এনামুলকে গ্রেপ্তার করেছিল।ইতিমধ্যেই এনামুল হকের কলকাতার বেশ কয়েকটি ঠিকানা এবং মুর্শিদাবাদের কয়েকটি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। সিবিআইয়ের দাবি ছিল, এনামুল শুধু গোরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত এমনই নয়। চালকল, আবাসন ও নির্মাণ শিল্প, পাথর খাদান, বালির কারবার-সহ একাধিক বেআইনি কারবারেও এনামুল যুক্ত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১০০ কোটির বেশি টাকা পাওয়া গিয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এছাড়াও তাঁর নামে-বেনামে বহু সম্পত্তিরও খোঁজ মেলে। বাংলা থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে এনামুলকে। এখান থেকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে আদালতে তোলা হবে শনিবারই।এর আগে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে সিবিআই তাঁকে হেপাজতে নিয়েছিল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তদন্তকারীদের হাতে একটি ডায়েরি উঠে এসেছে। সেটি এনামুলের কাছ থেকেই পাওয়া গিয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই ডায়েরি অনুযায়ী গোরু পাচারকাণ্ডে কয়েক কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। কে বা কারা এই টাকা পেয়েছেন, কোথা থেকে সেই টাকা এল, এর পিছনে আরও বড় কোনও মাথা রয়েছে কি না সমস্ত কিছু জানতেই এনামুলকে হেপাজতে নিয়ে তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান বলেই দাবি সূত্রের।সম্প্রতি এই এনামুল হকের সূত্র ধরেই তৃণমূল সাংসদ-অভিনেতা দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সিবিআই নিজাম প্যালেসে তাঁকে জেরা করেন। সূত্রের খবর, এনামুলের কাছ থেকে দেব নগদ টাকা এবং দামী ঘড়ি উপহার নিয়েছেন। যদিও দেব এই বিষয়টি ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেন। একইসঙ্গে দেবের দাবি ছিল, তিনি এনামুল হককে চেনেনই না। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই গোরু পাচারের টাকার একটা অংশ চলচ্চিত্র জগতেও লগ্নি হয়েছে। দেবকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পিন্টু মণ্ডল নামে টলিউডের এক প্রযোজককেও তলব করে সিবিআই।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
কলকাতা

এনামুলকে চিনি না, ৫ ঘণ্টা জেরার পর বেরিয়ে বললেন দেব

গোরুপাচার-কাণ্ডে অন্যতম সাক্ষী হিসাবে অভিনেতা ও সাংসদ দেবকে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার নিজাম প্যালেসের দপ্তরে মঙ্গলবার তাঁকে হাজির হতে বলা হয়। সেই মতো সকালেই তিনি হাজির হন। জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে এসে দেব বলেন, এনামুল হককে চিনি না। কোনও টাকা লেনদেন হয়নি।সূত্রের খবর, পাঁচ ঘণ্টা ধরে দুদফায় অভিনেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। নোটিস পেয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সিবিআই অফিসে পৌঁছে যান দেব ওরফে দীপক অধিকারী। জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রায় ৪টে নাগাদ তিনি নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। সে সময় কিছুটা বিধ্বস্ত লাগে তাঁকে। বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, তিনি এনামুল হককে চেনেন না। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তাঁর বয়ান খতিয়ে দেখেছ।গোরুপাচার-কাণ্ডের তদন্তে রাজ্য পুলিশের বেশ কয়েক জন কর্তা ও নিচুতলার কিছু ইনস্পেক্টরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই ও ইডি। রাজ্যের এক মন্ত্রী এবং আইনজীবীকেও তলব করা হয়েছে। নিজাম কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে দেব জানান, কিছুই হয়নি। আমাকে স্টেটমেন্ট দিতে বলল। আমি সেই স্টেটমেন্ট দিলাম। ব্যাস, এইটুকুই। এরপর সাংবাদিকদের তরফ থেকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি এনামূল হককে চিনতেন? জবাবে তারকা অভিনেতা বলেন, না আমি কাউকে চিনতাম না, সেটাই আমি বললাম। তিনি কোনও উপহার নিয়েছিলেন কিনা , সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তাও অস্বীকার করেন ঘাটালের তারকা সাংসদ। তিনি বলেন, আমি বেশি কিছু বলতে পারব না। তবে আমি একটাই কথা বলব, আমার স্টেটমেন্ট নিয়েছে। আমি যতরকমভাবে পারব সহযোগিতা করব। আমার মনে হয়, আমাকে আর ডাকা হবে না। এর থেকে বেশি আমি আর কিছু বলতে পারব না।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে মেঘ দেখছেন সঞ্জু! তিরুঅনন্তপুরমে কিউয়িদের উড়িয়ে ৪-১ সিরিজ় জয় ভারতের

বিশ্বকাপের আগে বোলার ও ফিল্ডিংয়ের বাস্তব পরীক্ষা নিতে টস জিতে আগে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শিশির বাড়লে অর্শদীপ সিংহ, বরুণ চক্রবর্তীরা রান সামলাতে পারেন কি না, সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন ঈশান কিশন। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে তিরুঅনন্তপুরমে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪৬ রানে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিতে নিল ভারত।ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৭১ রানটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে কিউয়িদের ইনিংস থামে ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে। ম্যাচে দুদল মিলিয়ে ওঠে ৪৯৬ রান ও ৩৬টি ছক্কাটি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যা নতুন নজিরের শামিল।দুবছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে ফেরা ঈশান কিশন যেন প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। তিন নম্বরে নেমে ৪৩ বলে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে কিউয়ি বোলারদের কার্যত ছেলেখেলা বানান ঈশান। তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৩০ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন সূর্য। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৫৭ বলে ১৩৭ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন।এর পর পাঁচ নম্বরে নেমে হার্দিক পাণ্ড্য করেন ১৭ বলে ৪২। শেষ দিকে রিঙ্কু সিংহ ও শিবম দুবে নামেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারতে। কিউয়ি বোলারদের মধ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন লকি ফার্গুসন (৪১ রানে ২ উইকেট), বাকিরা ভারতীয় ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় দেখিয়েছেন।লক্ষ্য তাড়ায় নিউ জ়িল্যান্ডের শুরুটা নড়বড়ে হলেও ফিন অ্যালেন (৩৮ বলে ৮০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৭ বলে ৩০) লড়াই জিইয়ে রাখেন। অ্যালেন আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে কিউয়িদের ইনিংস। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেন অর্শদীপ ও অক্ষর পটেল।চাপের মুখে ড্যারেল মিচেল চেষ্টা করলেও একা কিছু করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলারদের মধ্যে উজ্জ্বলতম পারফরম্যান্স অর্শদীপের৫১ রানে ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে এটাই তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। অক্ষর নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। হার্দিক কার্যকর হলেও বুমরাহ ও বরুণ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন, যা বিশ্বকাপের আগে ভাবনার জায়গা রেখে গেল।সব মিলিয়ে, ঈশানের শতরান আর অর্শদীপের পাঁচ উইকেটদুটোই একসঙ্গে এনে দিল ভারতের বড় জয় এবং আত্মবিশ্বাসী সিরিজ় সমাপ্তি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

২৭ জনের মৃত্যু! এখনও নিখোঁজ বহু! এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন, প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। শুক্রবার রাতের দিকে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের দেহাংশ উদ্ধার করেছে দমকল ও পুলিশের যৌথ দল। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭-এ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অবশেষে ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পরে কেন তদন্তে এই তৎপরতা।গত রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। রাত প্রায় ৩টে নাগাদ কারখানার গুদাম অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর টানা প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলে। ১২টি ইঞ্জিন নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নামেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভিতরেই আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে তাঁদের আর্তনাদ শোনার কোনও সুযোগই পাননি কেউ।ভয়াবহ এই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে অবশেষে সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় বারুইপুর জেলা পুলিশ। আগুনে পুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওই কারখানাতেই এবার তদন্ত চালাবে বিশেষ দল। পাঁচ সদস্যের এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর জেলা পুলিশের সুপার শুভেন্দু কুমার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি (ক্রাইম), ডিইবি-র এক ইন্সপেক্টর এবং আরও এক জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরেন্সিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করা, কারখানায় কী ধরনের নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং কীভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়ালসব দিকই খতিয়ে দেখবে সিট। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই নামজাদা একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জলাভূমি বুজিয়ে কারখানা তৈরির অভিযোগও সামনে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই সংস্থার ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। তদন্ত আরও গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লি যাওয়ার আগে বিস্ফোরক চিঠি মমতার! ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

সোমবার বিকেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই রবিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠির মূল বিষয়, পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া।চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, বাংলায় ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যে পদ্ধতি অনুসরণ করছে, তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়ার জেরে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। মমতার চিঠি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্যায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক মাস আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০। নতুন চিঠিতে সেই সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে।মমতা আরও লিখেছেন, ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই নিয়োগের কোনও আইনি ভিত্তি নেই। শুরু থেকেই বাংলায় নির্বাচনী রোল সংশোধনের ক্ষেত্রে ERO এবং AERO-দের ভূমিকার পক্ষে সওয়াল করে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতেও সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের একমাত্র আইনগত ক্ষমতা ERO এবং AERO-দের। অথচ সেই ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে, দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে যেখানে SIR প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে কেন এই ধরনের মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়নি। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই কেন আলাদা নিয়ম প্রয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি ত্রিপুরা ক্যাডারের চার জন আইএএস অফিসার-সহ একাধিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।মমতার অভিযোগ, কিছু পর্যবেক্ষক বেআইনিভাবে CEO অফিস থেকে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্য বদলের চেষ্টা করছেন। এর ফলে বহু যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ছে এবং তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, SIR প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। চিঠিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে এই বিষয়গুলির তাৎক্ষণিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।একই আইন সারা দেশে প্রযোজ্য হলেও পশ্চিমবঙ্গে আলাদা নিয়মে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতার দাবি, এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্র এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মানুষের আস্থা ও মানবাধিকার রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘বাঁচাও’ চিৎকার, তারপর ভয়াবহ পতন! তিনতলা থেকে ফেলে খুন বৃদ্ধা ভাড়াটিয়াকে

ভাড়াটিয়াকে তিনতলার ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর শান্তিনগরের বিবেক দল এলাকায়। মৃত বৃদ্ধার নাম শেফালী মান্না। বয়স ৭৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালী মান্না অভিযুক্ত বাসুদেব ঘোষের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই এলাকায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, দুতলার ছাদ থেকে ওই বৃদ্ধা নীচে পড়ে গিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ির মালিক বাসুদেব ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে রবীন্দ্রনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর বাসুদেব ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। অতীতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আবার এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজ্য

তদন্ত এনআইএ-র হাতে, মুর্শিদাবাদে পুলিশ সুপার বদল! নবান্নের বড় সিদ্ধান্ত

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় রদবদল। শুক্রবার ওই ঘটনার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরের দিনই বদল করা হয় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে। এর পর শনিবার নবান্ন থেকে একযোগে ২২ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। শহর ও জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধৃতিমান সরকারকে। কুমার সানি রাজকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসএসআইবি-তে। ধৃতিমান সরকার এর আগে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে কাজ করেছেন।শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটেও গুরুত্বপূর্ণ বদল হয়েছে। যুবভারতী কাণ্ডের পরে সাসপেন্ড হওয়া তৎকালীন ডিসি অনীশ সরকারের জায়গায় ডিসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন পুষ্পা। বনগাঁর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে করা হয়েছে ডিসি (উত্তর)। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতাকে পাঠানো হয়েছে বনগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন চারু শর্মা। ডিসি (পূর্ব) পদে আনা হয়েছে জসপ্রীত সিংকে। ডিসি (পূর্ব শহরতলি) হয়েছেন অমিত বর্মা এবং ডিসি (দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক সরকারকে।এছাড়াও বারাসতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখরিয়াকে দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অমিত পি জাভালগিকে পাঠানো হয়েছে আইজি, বারাসত রেঞ্জে। অলোক রাজোরিয়া পেয়েছেন ডিআইজি, বর্ধমান রেঞ্জের দায়িত্ব। মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন পুলিশ সুপার আরিশ বিলালকে পাঠানো হয়েছে এসএসআইবি-তে। প্রদীপ কুমার যাদবকে বদলি করে এসএসআইবি, উত্তরবঙ্গ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙা অশান্তির পর একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

স্কটিশ চার্চ কলেজে রহস্যমৃত্যু! হস্টেল থেকে উদ্ধার ছাত্রীর নিথর দেহ

স্কটিশ চার্চ কলেজের এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে। মৃত ছাত্রীর নাম ঋষিতা বণিক। তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং কলেজের হস্টেলেই থাকতেন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋষিতার বাড়ি ত্রিপুরায়। গত ২৪ জানুয়ারি হঠাৎই হস্টেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পেটে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হলে প্রথমে তাঁকে হস্টেলের সিক রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকেরা জানান।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিষক্রিয়ার কারণেই ছাত্রীর মৃত্যু হতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই মৃত্যু, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। পাশাপাশি, মৃত ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।সূত্রের খবর, ঋষিতা বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তিনি কোনও ওষুধ সেবন করেছিলেন বলেও প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। সেই ওষুধ থেকেই বিষক্রিয়া হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে যদি খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়ে থাকে, তা হলে অন্য কেউ কেন অসুস্থ হননি, সেই প্রশ্নও উঠছে। সব দিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত এগোচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে স্কটিশ চার্চ কলেজে একটি গুরুতর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের অশ্লীল বার্তা পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, ওই অধ্যাপক মূলত দরিদ্র পরিবারের ছাত্রীদের টার্গেট করতেন এবং কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের অনুপযুক্ত বার্তা পাঠাতেন। সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে অভিযুক্ত অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। বর্তমান ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুর ট্র্যাজেডিতে বড় ঘোষণা, মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের একটি গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনার চার দিন পর পর্যন্ত মোট ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার দুদিন পর ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে ওই গুদামের সঙ্গে যুক্ত মোমো কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। শেষ পর্যন্ত নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ ওই মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে।এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুক্রবার আনন্দপুরে মিছিল করেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, সরকারি চাকরির দাবি তোলেন। পাশাপাশি মোমো কোম্পানির মালিককে গ্রেফতার না করার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এদিকে, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেন। এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের আনন্দপুরে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এরপর তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে এবং আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃতদের পরিবারগুলির জন্য সাহায্যের ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানান, প্রত্যেক মৃতের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হবে।প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সামাজিক মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। এই আর্থিক সাহায্য শোকস্তব্ধ পরিবারগুলিকে কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি জোগাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য, এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করল যে সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পাশে রয়েছেন।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal