• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Series

খেলার দুনিয়া

ঋষভ ও হার্দিকের দাপটে একদিনের সিরিজও ভারতের

ঋষভ পন্থের অসাধারন ব্যাটিং, হার্দিক পান্ডিয়ার দুরন্ত অলরাউন্ড পারফরমেন্স। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে একদিনের সিরিজ জিতে নিল ভারত। সিরিজের ফল ভারতের পক্ষে ২১। জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪২.১ ওভারেই জযের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। একসময় ৭২ রানে ৪ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। সেখান থেকে হার্দিক পান্ডিয়া ও ঋষভ পন্থের ১১৫ বলে ১৩৩ রানের পার্টনারশিপ ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়।টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল ভারত। এদিনও পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেনি জস বাটলারের দল। ৪৫.৫ ওভারে ২৫৯ রানে গুটিয়ে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। জস বাটলার সর্বাধিক ৬০ রান করেন। হার্দিক পান্ডিয়া নেন ৪ উইকেট, যুজবেন্দ্র চাহাল ৩টি ও মহম্মদ সিরাজ দুটি উইকেট পান।শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ১২ রানে ২ উইকেট হারায়। জনি বেয়ারস্টো ও জো রুট দুজনকে ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই আউট করেন মহম্মদ সিরাজ। ইংল্যান্ডের এই দুই ব্যাটারই তিন বলে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। চার উইকেট পড়ে গিয়েছিল ৭৪ রানে। সেখান থেকে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেন মঈন আলি ও জস বাটলার। অধিনায়ক বাটলারের ৮০ বলে ৬০ রানের ইনিংসে রয়েছে তিনটি চার ও দুটি ছয়। সাতটি চারের সাহায্যে ওপেনার জেসন রয় করেন ৩১ বলে ৪১। মঈন আলি দুটি করে চার ও ছক্কার সাহায্যে করেন ৪৪ বলে ৩৪। ৩৩ বলে ৩২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন নয়ে নামা ক্রেগ ওভার্টন। বেন স্টোকস ২৯ বলে ২৭, লিয়াম লিভিংস্টোন ৩১ বলে ২৭ রান করেন। ১৫ বলে ১৮ রান করেন ডেভিড উইলি।জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। ২.১ ওভারে দলগত ১৩ রানের মাথায় শিখর ধাওয়ান রিস টপলির প্রথম শিকার হন। ৩ বলে ১ রানে শিখর ধাওয়ান আউট হন। চারটি চারের সাহায্যে ১৭ বলে ১৭ করেন রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলি ২২ বলে ১৭ রান করেন, তিনি তিনটি চার মারেন। ৮.১ ওভারে ৩৮ রানে ভারতের তৃতীয় উইকেট পড়েছিল। প্রথম পাওয়ারপ্লে-র শেষে ১০ ওভারে স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৪৩। ১৬.২ ওভারে সূর্যকুমার যাদব (২৮ বলে ১৬) ক্রেগ ওভার্টনের বলে কট বিহাইন্ড হন। ৭২ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঋষভ ও হার্দিক। ৫৫ বলে ৭১ রান করে আউট হন হার্দিক। ১১৩ বলে ১২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টপলি।

জুলাই ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ‘এনক্রিপ্টেড’, আজ থেকে ক্লিক অ্যাপে ওয়েব সিরিজটি দর্শকদের জন্য

পরিচালক সৌপ্তিক সি-এর খেলা শুরু-র পর দ্বিতীয় ওয়েব সিরিজ এনক্রিপ্টেড এর প্রিমিয়ার হয়ে গেল জাঁকজমকপূর্ণভাবে। উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। এই গল্প দুই বোনের। দিয়া ও তানিয়া। তবে নিছক সামাজিক গল্প নয়, এই ওয়েব সিরিজ মনে করিয়ে দেয় কয়েক বছর আগে উঠে আসা ব্লু হোয়েল বা মোমো-র মত আতঙ্ককে। অজানা কোনও গেমের আতঙ্কে জড়িয়ে তছনছ হয়ে যায় অনেকগুলো জীবন। এই গল্পই বলবে এনক্রিপ্টেট। এই ওয়েব সিরিজের মুখ্যভূমিকায় রয়েছেন পায়েল সরকার ও ঐশ্বর্য্য সেন । ছবি সুরের দায়িত্বে রয়েছেন অম্রাল চক্রবর্তী। কাহিনি ও পরিচালনা সৌপ্তিক সি, প্রযোজনা রণিতা দাস। অভিনয়ে পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখোপাধ্যায়, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ ও রনিতা দাস।গল্পের প্রেক্ষাপট কিছুটা এমন, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তানিয়া মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং এই আসক্তির কারণে তার প্রচুর অর্থব্যয় হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তানিয়া আর্থিক অনটনের শিকার হয় এবং খুব সহজে টাকা আয়ের উপায় খুঁজতে থাকে। ঠিক এই সময়ে একটি আইটি কোম্পানির ডার্ক ডেয়ার নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন তানিয়ার হাতে এসে পরে। এই অ্যাপ ব্যবহারকারিকে কিছু সাহসী কাজ করার নির্দেশ দেয়, যা করতে পারলে ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট অর্থ লাভ পাবে। তানিয়া নিজের মাদকের খরচ তুলতে এই অ্যাপের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং কিছু সাহসী কাজ করে ফেলে। এর মধ্যে একটি ছিল তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীকে খুন করা। উল্লেখ্য সৌপ্তিক এর খেলাশুরু দর্শকমহলে বেশ ভালো জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। তার দ্বিতীয় ওয়েব সিরিজ এনক্রিপ্টেড নিয়েও উত্তেজনা তুঙ্গে। আজ থেকে ক্লিক এ ওয়েব সিরিজটি দর্শকরা দেখতে পাচ্ছেন।

জুন ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ব্যর্থ হয়ে গেল ভুবনেশ্বরের দুরন্ত বোলিং, আবার হার ভারতের

৭ বছর আগে এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই কটকের বারাবাটি স্টেডিয়ামে বিধ্বস্ত হয়েছিল ধোনির ভারত। ঋষভ পন্থদের সামনে ছিল প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না ঋষভরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে টি২০ সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর কুমার।এদিনও টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। কাগিসো রাবাডার অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১)। এরপর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ঈশান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঈশান কিষাণ ও শ্রেয়স আইয়ার ৩৫ বলে ৪৫ রান যোগ করেন। সপ্তম ওভারে ঈশান কিষাণকে তুলে নেন আনরিখ নরটিয়ে। ২টি ছয় ও ৩টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ২১ বলে ৩৪। ৪৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত।অধিনায়ক ঋষভ পন্থও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৭ বলে ব্যক্তিগত ৫ রান করে আউট হন দলের ৬৮ রানের মাথায়। তাঁকে তুলে নেন কেশব মহারাজ। হার্দিক পাণ্ডিয়া ১২ বলে ৯ রান করে ওয়েন পার্নেলের বলে বোল্ড হলে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯০। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু ১৩.৫ ওভারে তিনি ডোয়েন প্রিটোরিয়াসের বলে কট বিহাইন্ড হন। ২টি করে চার ও ছয় মেরে শ্রেয়স ৩৫ বলে করেন ৪০। ১৭ তম ওভারের শেষ বলে অক্ষর প্যাটেলকে (১১ বলে ১০) বোল্ড করেন নরটিয়ে। ১১২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ভারতের। শেষ ৫ ওভারে ভারত ১ উইকেট হারিয়ে তোলে ৪৪ রান। দীনেশ কার্তিক শেষ দিকে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ভারতকে ১৪৮/৬ রানে পৌঁছে দেয়। ২১ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন কার্তিক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি করে ৪ ও ৬। ৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন হর্ষল প্যাটেল। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে আনরিখ নরটিয়ে ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। কাগিসো রাবাডা ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করেন, একটি উইকেট পান তিনিও।জয়ের জন্য ১৪৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ওভারেই ফিরে যান কুইন্টন ডিককের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা রেজা হেনড্রিকস (৪)। তাঁকে তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। এক ওভার পরে আবার ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকার। এবার আউট ডোয়েন প্রিটোরিয়াস (৪)। তিনিও ভুবনেশ্বরের শিকার। ষষ্ঠ ওভারে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক তেম্বা বাভুমার সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের বিপর্যয় সামাল দেন হেনরিখ ক্লাসেন। ১৩.২ ওভারে চাহালের বলে বোল্ড হন বাভুমা। ৩০ বলে তিনি করেন ৩৫। বাভুমা আউট হলেও চাপে পড়েননি ক্লাসেন। ডেভিড মিলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। ৪৬ বলে ৮১ রান করে করে আউট হন ক্লাসেন। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। ওয়েন পার্নেলকে (১) ফেরান ভুবনেশ্বর। তাসত্ত্বেও জয় আটকায়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ১০ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের লক্ষ্যে (১৪৯/৬) পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। এদিন দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি।

জুন ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিকের এনক্রিপটটেড নিয়ে উন্মাদনা

Klikk Originals এর আগামী ওয়েব সিরিজ এনক্রিপটটেড এরএর মিউজিক, টিজার ও পোস্টার মুক্তি পেল হাওড়ার অবনী মলে। ছবির পরিচালনা করেছেন সৌপ্তিক সি। সর্বপ্রথম বাংলা ওয়েব সিরিজের টাইটেল গান গেয়েছে এবং অভিনয় করেছে বাংলা রক ব্যান্ড ক্যাকটাস। এটি বাংলা ওটিটির ইতিহাসে সর্বপ্রথম সংযোজন। এর আগে নীল নির্জনে ছবিতেও ফিচার করা হয়েছিল ক্যাকটাস ব্যান্ডকে। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী ও সঙ্গীত পরিচালক অম্লান চক্রবর্তী সহ ক্যাকটাস ব্যান্ড। এদিন সদ্য প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী কেকে কে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাল ক্যাকটাস ব্যান্ড। ক্যাকটাসের লাইভ পারফরম্যান্স দেখতে মলে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল দেখার মতো। কলাকুশলীরা দর্শকদের নিজস্বীর আবদারও রাখেন। সবমিলিয়ে একটা জমজমাট সন্ধ্যার সাক্ষী থাকল অবনী মল।

জুন ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের ওয়েব সিরিজ ‘রক্তপলাশ’

কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ক্লিক এর নতুন ওয়েব সিরিজ রক্তপলাশ। প্রযোজনা করেছে ডার্ক এনার্জি।ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন শিলাজিৎ, দেবদূত ঘোষ, অনন্যা সেনগুপ্ত, উৎসব মুখার্জি, রোজা পারমিতা দে, অসীম রায় চৌধুরী, শুভজিত কর, মৌমিতা পন্ডিত, দিপঙ্কর, মৌসুমি দালাল, বেবী তামান্না, কোয়েল মিত্র, সুব্রত দাসগুপ্ত ও কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এই ওয়েব সিরিজের প্রিমিয়ার হয়ে গেল সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউটে।জঙ্গলমহলে অবস্থিত সুরম্য ফক্সহোল রিসোর্টে বেড়াতে আসা সমাজের সাতজন বিশিষ্ট উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় রক্তপলাশ সিরিজের গল্প। শুরুতে সবাই ভ্রমণবিলাসে মজে গেলেও, নৈশ আড্ডায় রিসোর্ট মালিকের প্ররোচনায় গল্পের পরতে পরতে সেই বিশিষ্টজনেদের অতীত জীবনের লুকোনো অন্যায় ও অপরাধমূলক কাজকর্মের ইতিহাস সামনে আসে দর্শকের। এরই মধ্যে জঙ্গলে নিছক ছুটি কাটাতে আসা, আপাতভাবে নিষ্পাপ মানুষগুলি হঠাৎ করেই আধাসামরিক বাহিনী ও একদল চরমপন্থীর লড়াইয়ে মাঝে পড়ে। তখনি সভ্য যাপনের শহুরে মুখোশ খুলে গিয়ে তাঁদের ভেতরে থাকা স্বার্থপর জান্তব চারিত্রিক বৈশিষ্টগুলো ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে।সাতজন ব্যক্তিমানুষের আভ্যন্তরীণ সাদা-কালোর দ্বন্দগুলো উন্মুক্ত হতে না হতেই তারা রিসোর্টে বন্দি হয়ে পড়েন মুক্তিপনের টোপ হিসেবে। প্রশ্ন ওঠে একজোট হয়ে সাতজনের বাঁচার লড়াইয়ে সামিল হবার। চরমপন্থীরা সময় দেয় ঘন্টা চারেক। প্রশাসনের তরফে নিযুক্ত হন এক সরকারি মধ্যস্থতাকারী। কিন্তু সে সাত বিশিষ্টজনের অবস্থা হয় সঙ্গিন। তাঁদের মধ্যে কেই বা করলেন বিশ্বাসঘাতকতা? কি ছিল তাঁদের পুরোনো পাপ? কেনই বা তাঁদের পণবন্দী হতে হলো চরমপন্থীদের হাতে? কিভাবে প্রশাসন পৌঁছবে তাঁদের কাছে? বন্দিরা কি আদৌ চরমপন্থীদের হাত থেকে রেহাই পাবেন? আদিম জঙ্গলের উপদ্রুত অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে এই টানটান রোমাঞ্চ ও রহস্যের গল্প আরো গভীরে গিয়ে জানা যাবে ক্লিক এর নতুন ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন ওয়েব সিরিজের মোশন লোগো প্রকাশ

সৌপ্তিক সি নির্দেশিত Sthalantar Films and Entertainment P Ltd প্রযোজিত ক্লিক ওরিজিনালসের আগামী ওয়েব সিরিজের মোশন লোগো প্রকাশ্যে এল। ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী প্রমুখ।এনক্রিপটেড সিরিজটি দিয়া ও তানিয়া নামের দুই বোনের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। যেখানে আমরা দেখতে পাই প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তানিয়া মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং এই আসক্তির কারণে তার প্রচুর অর্থব্যয় হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তানিয়া আর্থিক অনটনের শিকার হয়ে খুব সহজে টাকা আয়ের উপায় খুঁজতে থাকে। ঠিক এই সময়ে একটি আইটি কোম্পানির ডার্ক ডেয়ার শীর্ষক অ্যাপ্লিকেশন তানিয়ার হাতে এসে পরে। এই অ্যাপটি ব্যবহারকারিকে কিছু সাহসী টাস্ক করার নির্দেশ দেয়, যা করতে পারলে ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট অর্থ লাভ করে। তানিয়া নিজের মাদকের খরচ তুলতে এই অ্যাপ এর প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং কিছু সাহসী টাস্ক করে ফেলে যার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর খুন ও থাকে।যথারীতি তানিয়া গ্রেপ্তার হয় এবং পুলিশি হেফাজতে তার ওপর মাত্রাতিরিক্ত শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার হলে সে আত্মহত্যা করে। এদিকে বোনের রহস্য মৃত্যুর কারণ খুঁজতে শহরে উপস্থিত হয়, তানিয়ার দিদি দিয়া। ঘটনাচক্রে দিয়ার সাথে আলাপ হয় তদন্তকারী অফিসার এসিপি হেমা সিং ও রিপোর্টার সোহাগের সাথে। দিয়া তাদের কাছ থেকে জানতে পারে এই ডার্ক ডেয়ার অ্যাপ টি কিভাবে তাঁর বোনের মতো লক্ষ লক্ষ্য যুবক যুবতী কে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিভিন্ন তথ্য থেকে দিয়া নিশ্চিত হয় যে তাঁর বোন একটি ঘৃণ্য চক্রান্তের শিকার। সে তাঁর বোনের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর হয়ে ওঠে। এবার সে নিজেই প্ল্যান করে এই চক্রান্তের পর্দা ফাঁস করতে ময়দানে নামে। দিয়া কি পারবে এই কুখ্যাত অ্যাপ্লিকেশনটির এনক্রিপটেড কোড এর মাস্টারমাইন্ড কে খুঁজে বের করতে? এটা কি পরিকল্পিত চক্রান্ত, নাকি পূর্বতন কোনো অপরাধীর ধারাবাহিক অপরাধ! ডার্ক ওয়েব এর অন্তর্জালে জড়িয়ে পড়া এই রোমহর্ষক থ্রিলার দেখা যাবে নতুন ওয়েব সিরিজে। যে ওয়েব সিরিজ নিয়ে শুরু হয়েছে উন্মাদনা।এর আগে সৌপ্তিকের পরিচালিত খেলা শুরু ক্লিক-এ জনপ্রিয় হয়। অনেক দর্শকদেরই পছন্দ হয়েছিল এই ওয়েব সিরিজটি। এবার নতুন ওয়েবে সৌপ্তিক দর্শকদের মন কতটা জিতে নিতে পারে সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অরুণ রায়ের হাত ধরে ওয়েব সিরিজে জ্যোতি বসু

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত জ্যোতি বসুকে এবার ওয়েব সিরিজে দেখতে পাবেন দর্শকরা। পরিচালনার দায়িত্বে হীরালাল সেন, এগারো ও ৮/১২-এর পরিচালক অরুণ রায়। অরুণ রায় সবসময় ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন। এবার নতুন একটি ভাবনা নিয়ে আসছেন তিনি।জ্যোতি বসুকে নিয়ে গৌতম ঘোষের একটি তথ্যচিত্র রয়েছে। কিন্তু ওয়েব সিরিজটা এই প্রথম। জ্যোতি বসুর জীবনের গল্প কোনও সিনেমার থেকে কম নয়। জানা যাচ্ছে, সিরিজে জ্যোতি বসুর রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও আলোকপাত করছে।যদিও সিরিজ নিয়ে এখন কিছু জানা যায়নি অরুণ রায়ের কাছ থেকে। পরিচালক আর প্রযোজকের মধ্যে কথাও হয়ে গেথে। সব ঠিক থাকলে জলদি কাজ শুরু হবে। সিরিজের নাম জানিয়ে অফিসিয়াল ঘোষণাও হয়ে যাবে।ওয়েবে জ্যোতি বসুর চরিত্রে কে অভিনয় করবেন তার খোঁজ চলছে। যার হাইট, শরীর জ্যোতি বসুর সঙ্গে খাপ খায় সেরকম কোনো অভিনেতাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তবে প্রস্থেটিক ব্যবহার করার কথাও ভাবা হচ্ছে।

মে ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় করিশ্মা কাপুর, কিন্তু হঠাৎ কেন এলেন?

করিনা কাপুর খানের পর এবার বাংলায় পা রাখলেন করিশ্মা কাপুরও। একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে এসেছেন তিনি। এখন বাওয়ালির রাজবাড়িতে চলছে তার শুটিং। অভিনয় দেও-র পরিচালনায় তাঁকে দেখা যাবে ব্রাউন-এ। আর সেটার কাজেই তিনি এখন সিটি অফ জয় তে। এই সিরিজে করিশ্মাকে দেখা যাবে গোয়েন্দার চরিত্রে৷ অন্যান্যদের মধ্যে থাকছেন হেলেন। বাংলা থেকে ব্রাউন-এ কাজ করার কথা রয়েছে খরাজ মুখোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তের।ব্রাউন-এ তাঁর চরিত্র প্রসঙ্গে করিশ্মা এর আগেই জানিয়েছেন খুব জটিল মানসিকতা রয়েছে ছবিতে। যে কোনও অভিনেতার কাছেই এই কাজ যেমন আকর্ষক, তেমনই চ্যালেঞ্জিং।অভীক বড়ুয়ার লেখা সিটি অব ডেথ-এর অবলম্বনে এই সিরিজের গল্প। এই ওয়েব সিরিজ প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, আপাতত বাওয়ালির রাজবাড়িতেই চলছে শ্যুট। তবে করিশ্মার কলকাতা শিডিউল বেশ লম্বা। শহরের আরও কিছু আইকনিক জায়গায় শ্যুট করার কথা রয়েছে লোলোর।

মে ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন ওয়েব সিরিজ 'চক্র'

পরিচালক অভিষেক-এর নির্দেশনায় আসতে চলেছে নতুন বাংলা ওয়েব ধারাবাহিক। এই ওয়েব সিরিজটির নাম চক্র। অর্চি নগর নামে একটি জায়গায়, রাজনৈতিক নেতা অজয় শর্মা ক্ষমতার বলে বলীয়ান হয়ে, হয়ে ওঠেন এলাকার ভগবানজি। তাঁর অন্ধকার অতীতকে আড়ালে রেখে ক্ষমতা ও রাজনৈতিক পদ হাসিল করার লক্ষে তিনি হাজারো অপরাধ করে চলেন অবলীলাক্রমে। এবং তাঁর এই অপরাধের ধারক ও বাহক হিসাবে পাশে পান তাঁর ছেলে মহেন্দ্রকে, যে একজন দেহ ও মাদক ব্যবসায়ী। পরিবারের ব্যতিক্রম শুধু অজয়ের মেয়ে। যায় হোক, অজয়ের সঙ্গে বিপক্ষীয় দলনেতার ঝামেলা, পরে অজয়, তার দুই সন্তানের আকস্মিক মৃত্য, ও সেই অস্বাভাবিক ঘটনাগুলির তদন্ত করতে আসা পুলিশ অফিসারের কিছু অনন্য অভিজ্ঞতা নিয়ে দানা বাঁধছে এই সিরিজের কাহিনী। ওয়েব ধারাবাহিকটি মূলত থ্রিলার। মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন সাহেব ভট্টাচার্য, অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌলমী দাস, জন ভট্টাচার্য প্রমুখ। ওয়েব সিরিজটি আসছে ডিজিপ্লেক্সে। এই বিষয়ে পরিচালক অbhishek জানিয়েছেন, চক্র হল এমন একটি ওয়েব সিরিজ, সেখানে শুরু থেকে শেষ অবধি একটা টানটান উত্তেজনা, একটা থ্রিল রয়েছে। সিরিজের শেষটাও খুব অন্যরকম হতে চলেছে। পুরোপুরি অন্য ধরনের একটা গল্প। আশা করি, দর্শকদের ভালো লাগবে।

মে ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে আসছে ওয়েব সিরিজ 'লার্জ পেগ'

মুক্তি পেল অংশুমান ব্যানার্জী পরিচালিত এবং ওসেনিক মিডিয়া সল্যুশন, কলাবতী প্রোডাকশন, এবং কোয়ান্টাম অ্যান্ড শেডস প্রযোজিত আসন্ন ওয়েব সিরিজ লার্জ পেগ-এর ট্রেলার। এই ওয়েব সিরিজের ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলী থেকে পরিচালক সকলেই। এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীতমা দে, পায়েল রায়, সারা এম. নাথ সহ আরো অনেক নতুন এবং পরিচিত মুখদের। এই ওয়েব সিরিজের কাহিনী এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন সৈকত ঘোষ ও প্রত্যূষা সরকার। সংগীত নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছেন সমীক কুন্ডু এবং চিত্রগ্রহণে রয়েছেন শান্তনু ব্যানার্জী। লার্জ পেগ ওয়েব সিরিজটি একটি সাইকোলজিকাল থ্রিলার। এই ওয়েব ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে ধরা পড়েছে একজন লেখকের জীবনে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনা; তার জীবনে একাধিক নারীর আনাগোনা, এবং তাঁদের প্রভাবে তৈরী হওয়া রহস্য― এই নিয়েই এই ওয়েব ধারাবাহিকটির মূল উপজীব্য। ওয়েবটি খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পেতে চলেছে নামকরা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'রক্তপলাশ'-এর প্রথম লুক প্রকাশ্যে এল

KLIKK OTT প্ল্যাটফর্মে পরিচালক হিসাবে কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের প্রথম কাজ ওয়েব সিরিজ রক্তপলাশ আসছে সেটার ঘোষণা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার প্রকাশ্যে এল রক্তপলাশ-এর প্রথম পোস্টার। তবে এই সিরিজে সব অভিনেতা অভিনেত্রীদের দেখা না গেলেও ছবির পোস্টারে দেখা যাচ্ছে ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ছুটে যাচ্ছে একরত্তি একটি মেয়ে। তার চোখে মুখে ভয়ের ছাপ। পিছনে হাতে বন্দুক নিয়ে দাঁড়িয়ে দুজন। তাঁদের পরিচয় অবশ্য স্পষ্ট নয়।সুত্র মারফত জানা যায়, একবিংশতি-র ভয়ঙ্কর রমহর্ষক জঙ্গলমহলের ওপর আধারিত এই কাহিনি। মেদনীপুরের জঙ্গলমহলের সুরমা ফক্সহোল রিসর্টে সমাজের বিশিষ্ট সাতজন ব্যক্তি ঘুড়তে আসাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে এই কাহিনী। প্রথমদিকে সকলে বেড়ানোর আন্দে মজে গেলেও রাতের আড্ডায় তাঁদের অতীতের অনৈতিক ঘটনা একে একে সামনে আসতে থাকে ঘটনা পরম্পরায়। আর সাথে সাথেই ছুটি কাটাতে এসে সাম্রিক বাহিনী ও চরমপন্থীদের লড়াইয়ে মাঝে পড়ে তাঁদের ভালো মানুষের মুখোশ খুলে পড়ে কঙ্কাল বেড়িয়ে পড়ে। কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের এই ওয়েব সিরিজের চরিত্রায়ণেও বৈচিত্র্য রয়েছে। মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন শিলাজিৎ, দেবদূত ঘোষ, অনন্যা সেনগুপ্ত। এদের পাশাপাশি এই সিরিজে অভিনয় করছেন উৎসব মুখোপাধ্যায়, রোজা পারমিতা দে, অসীম রায় চৌধুরী, শুভজিত কর, মৌমিতা পণ্ডিত, দীপঙ্কর, মৌসুমি দালাল, বেবি তামান্না, কোয়েল মিত্র, সুব্রত দাশগুপ্ত প্রমুখ।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালোবাসার টানাপোড়েনের গল্প বলবে চরকি

মা ও তার সন্তানের ভালোবাসার টানাপোড়নের গল্প বলতে আসছে চরকি। হাওয়া বয় চরকির পাখায়,হাওয়া বয় জীবন শাখায়। জীবনের গল্প তুলে ধরা হবে চরকি-র মাধ্যমে।স্বভূমী এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে ডঃ প্রবীর ভৌমিকের প্রযোজনায় তুহিন সিনহার পরিচালনায় তৈরি হয়েছে চরকি ওয়েব সিরিজটি। হাসির রাজা খরাজ মুখার্জীকে এখানে এক অন্য রকম চরিত্রে দেখতে পাবেন দর্শকরা। রিমির চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্রেয়াসা ঘোষ,অনন্তর চরিত্রে অভিনয় করছেন ডঃ প্রবীর ভৌমিক ও চরকি চরিত্রে অভিনয় করেছে দেবকন্যা হাজরা।এছাড়াও তপন রায়,কাজু হালদার,বনশ্রী রায়,অনুসূয়া পাত্র,ইতি দাস,শতাব্দী দাস,অরিত্র আরও অনেকে এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। চিত্রগ্রহণ করেছেন পার্থ রক্ষিত। চরকি ওয়েব সিরিজটি শীঘ্রই মুক্তি পাবে এক জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পরিচালক সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়-র প্রথম ওয়েব সিরিজে অভিনয় করলেন কৌশিক গাঙ্গুলি

প্রথমবার ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করছেন পরিচালক সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে তাঁর ওয়েব সিরিজ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন। ওয়েব সিরিজের জার্নি জনতার কথা-র সঙ্গে শেয়ার করলেন পরিচালক।জনতার কথাঃ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন করা কেন?পরপর থ্রিলার হচ্ছে বলেই কি থ্রিলারে ঝোঁক?সাগ্নিকঃ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন করার পেছনে প্রাইমার্যিরলি যেটা কাজ করেছে সেটা হল প্র্যাঙ্ক। প্র্যাঙ্ক নিয়ে গোটা ভারতবর্ষের নিরিখে সিরিয়াস কাজ কোথাও হয়নি। বহুদিন ধরে আমি প্র্যাঙ্ক চ্যানেল ফলো করি। আমার ভাইরাল হয়ে যাওয়া এই বিষয়টা নিয়ে কাজ করার খুব ইচ্ছে রয়েছে। খুব সহজেই ভাইরাল হওয়া যায়। তার জন্য প্রশিক্ষণ, শিল্পবোধ এটা যে ম্যান্ডেটরি তা নয়। তাই আমি প্র্যাঙ্ক বিষয়টি বেছে নিই। তার কারণ হচ্ছে একটি প্র্যাঙ্ক ভিডিও দেখেছিলাম যে হুইলচেয়ারে বসা এক বৃদ্ধর কাছে একটি গাড়ি এসে থামে। সেখান থেকে একটি বন্দুকের নল বেরিয়ে এসে ফায়ার হতে থাকে। সেই ভয়ে ওই বৃদ্ধ হুইলচেয়ার থেকে নেমে হিঁচড়ে হিঁচড়ে মাটি দিয়ে এগোচ্ছিলেন। সেই নির্মম ভিডিও দেখে মানুষজন হাহা রিয়্যাক্ট করছেন, লাভ রিয়্যাক্ট করছেন। এই ভিডিওটা যেখানে ব্যান হওয়া উচিত ছিল বা প্র্যাঙ্কটা যারা করছিলেন তাদের জেল হওয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু সেই ভিডিওটির মিলিয়ন ভিউ হয়। হয়তো তারা এই ভিডিওটির বিনিময়ে পয়সাও পান। এই বিষয়টা আমাকে খুব নাড়া দেয়। আমার মনে হয় এই বিষয়টা নিয়ে কিছু বলা দরকার। অবশ্যই সেটা ডেটা অরিয়েন্টেড মেসেজ নয়, একটা ফিকশনের মাধ্যমে মেসেজ দেওয়া। একটা কিছু করা দরকার, একটা কিছু বলা দরকার। সেই একটা কিছু বলার জন্য আমি ভেবে দেখলাম যে থ্রিলার হচ্ছে সবথেকে ভালো মাধ্যম। মানুষকে থ্রিল করার জন্য তো তারা এই কাজগুলো করেন। তো তাদেরকেও যদি থ্রিল করতে হয় তাহলে থ্রিলার ছাড়া অপশন নেই। সেই জায়গা থেকে আমার গল্পটা থ্রিলারের আঙ্গিকে তৈরি করা।ওয়েব সিরিজে অভিনয় করলেন কৌশিক গাঙ্গুলিজনতার কথাঃ কৌশিক গাঙ্গুলিকে কিভাবে কাস্ট করা হল?সাগ্নিকঃ গল্পটা যখন প্রথম ভাবি তখন একটা সাদামাটা প্রউর কথা মাথায় আসে। যাকে আমার কাকু, জেঠু বলতে ইচ্ছে করবে এরকম একজন। সেটা যখন আমার মাথায় আসে তখন কৌশিক দা ছাড়া এই ইন্ডাস্ট্রির আর কারোর নাম আমার মাথায় আসেনি। আমি তাঁকে গল্পটা শোনাই। যেদিন উনি গল্পটা শোনেন সেইদিনই বলেন আমি কাজটা করবো।জনতার কথাঃ কৌশিক গাঙ্গুলির মতো বড় নাম রয়েছে বলেই কি প্র্যাঙ্কেনস্টাইন বেশি জনপ্রিয় হতে পারে?সাগ্নিকঃ দেখুন কৌশিক গাঙ্গুলির নামটাকে তো অস্বীকার করা যায়না। অবশ্যই তাঁর থাকা-না থাকাটা অনেকটা ম্যাটার করে। তবে শুধুমাত্র কৌশিক গাঙ্গুলিই প্র্যাঙ্কেনস্টাইনের নক্ষত্র না প্র্যাঙ্কেনস্টাইন নিজেও নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে সেটা সময় বিচার করবে।জনতার কথাঃ প্রথম ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা কেমন?সাগ্নিকঃ খুবই ভালো, খুবই থ্রিলিং বলা যেতে পারে। একটা কথা বলতে পারি আমি খুব লাকি যে প্রথম ওয়েব সিরিজটা করছি অ্যাঞ্জেল ডিজিটালের প্ল্যাটফর্ম ক্লিক এর সঙ্গে।জনতার কথাঃ ওয়েব সিরিজটি দর্শকরা কবে দেখতে পাবেন?সাগ্নিকঃ এপ্রিল মাসের শেষ দিকে এটির প্রিমিয়ার হবে। যেদিন প্রিমিয়ার হবে সেদিন থেকেই ওটিটি তে স্ট্রিম করতে শুরু করবে। তারিখটা এখনও ঠিক হয়নি তবে ধরে নিন শেষ দুটো সপ্তাহের মধ্যে প্র্যাঙ্কেনস্টাইন স্ট্রিম করবে।

মার্চ ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিকে মুক্তি পেল রাজা চন্দের প্রথম ওয়েব সিরিজ

পরিচালক হিসাবে ওয়েব সিরিজে অভিষেক হল রাজা চন্দের। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তাঁর পরিচালিত ওয়েব সিরিজ কাটাকুটি-র প্রিমিয়ার হয়ে গেল নন্দনে। ওয়েব সিরিজটি মূলত থ্রিলার। তবে বাকী থ্রিলারগুলোর থেকে ভিন্নতা রয়েছে এই ওয়েব সিরিজে। ক্লিকের এটি ১৫ তম ওয়েব সিরিজ।রাজা চন্দের পাশাপাশি সৌরভ দাস, দেবতনু, মানসী সেনগুপ্ত, পিয়ান সরকার এরাও ক্লিকের সঙ্গে প্রথম কাজ করলেন। এখানে মানসী সেনগুপ্ত-র বিপরীতে রয়েছেন ওয়েব কিং সৌরভ দাস। মানসীর বোনের চরিত্রে দেখা যাবে পিয়ান সরকার কে এবং পিয়ানের স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন দেবতনু। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিজিৎ গুহ,বিপ্লব বন্দোপাধ্যায়,শীর্ষা রক্ষিত,জ্যামি,বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রমুখ। প্রিমিয়ারে শারীরিক অসুস্থতার জন্য পরিচালক উপস্থিত থাকতে না পারলেও ছিলেন বাকিরা। হিন্দি ধারাবাহিকে কাজ করার জন্য প্রিমিয়ারে উপস্থিত থাকতে পারেননি মানসী সেনগুপ্ত। এই ওয়েব সিরিজ সকলের কাছেই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। জনতার কথা-র দর্শকদের জন্য রইল প্রিমিয়ারের বেশ কিছু ছবি।

মার্চ ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সিরিজ জিতে ইতিহাস বেঙ্গল টাইগারদের

দক্ষিণ আফ্রিকা মাটিতে প্রথম একদিনের ম্যাচ জিতে ইতিহাস তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। বুধবার আরও একটা ইতিহাস তৈরি করলেন সাকিব আল হাসানরা। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে প্রোটিয়াদের ৯ উইকেটে হারিয়ে এই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে একদিনের সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। যদিও বিদেশের মাটিতে সিরিজ জয় এই প্রথম নয়। এর আগে ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে সিরিজ জিতেছিল বেঙ্গল টাইগাররা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে ৩৮ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ৭ উইকেটে জিতে সিরিজে সমতা ফেরায় দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে রীতিমতো প্রোটিয়াদের উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ।সেঞ্চুরিয়ানের সুপারস্পোর্টস পার্কে এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভাল শুরু করেছিলেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার জানেমান মালান ও কুইন্টন ডিকক। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪৬। ডিকক (১২) আউট হতেই ধস দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে। পরপর ফিরে যান ভেরেইনে (৯), জানেমান মালান (৩৯), অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা (২) ও ভ্যান ডার ডুসেন (৪)। ডেভিড মিলার (১৬), প্রিতোরিয়াস (২০), কেশব মহারাজের (২৮) সৌজন্যে ৩৭ ওভারে ১৫৪ রান তুলতে সমর্থ হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন ডানহাতি জোরে বোলার তাসকিন আহমেদ। ৩৫ রানে তিনি তুলে নেন ৫ উইকেট। জয়ের জন্য ১৫৫ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না বাংলাদেশের কাছে। দারুন শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। ওপেনিং জুটিতে ১২৭ রান তুলে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেন। কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিডি, তাবারেজ সামসি, কেশব মহারাজরা বাংলাদেশের দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি। ৫৭ বলে ৪৮ রান করে কেশব মহারাজের বলে আউট হন লিটন দাস। ৮২ বলে অপরাজিত ৮৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সাকিব আল হাসান ২০ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৬.৩ ওভারে ১৫৬/১ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ।

মার্চ ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এপ্রিলে মুক্তি পাবে কৌশিক গাঙ্গুলীর ওয়েব সিরিজ 'প্র্যাঙ্কেনস্টাইন'

ক্লিক ওটিটি এ শুটিং শেষ হয়ে এবার রিলিজ হবে এপ্রিল মাসে মিল্কি ওয়েস ফিল্মস দ্বারা প্রযোজিত, কৌশিক গাঙ্গুলী অভিনীত এবং সাগ্নিক চ্যাটার্জী (সমু) পরিচালিত ওয়েব সিরিজ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন। বিপজ্জনক এবং বেপরোয়া প্র্যাংক ভিডিও তৈরি করে প্র্যাংকস্টার গ্রুপ প্র্যাঙ্কেনস্টাইনের আজ ভারত জোড়া নামডাক। এই ভাইরাল গ্রুপের মুকুটে সিলভার এবং গোল্ড প্লে বাটনের পরে সম্প্রতি জুড়ে গেল একটি নতুন পালক। এবছর মুম্বই শহরে সংঘটিত হতে চলা ইউটিউব ফ্যানফেস্টে তারা আমন্ত্রিত হয়েছে। সেই আনন্দ সেলিব্রেট করতে তারা কলকাতার উপকণ্ঠের কোনো শতাধিক বছর প্রাচীন রাজবাড়িতে রাত কাটানোর উদ্দেশ্যে গিয়ে উপস্থিত হয়। উদযাপন চলাকালীন মদ ফুরিয়ে যাওয়ায় দলের দুই পুরুষ সদস্য রুবেন এবং ভিকি মদ কিনতে রাজবাড়ির বাইরে বেরোয়। রাজবাড়িতে থেকে যায় দলের দুটি মেয়ে, শিরিন এবং আরু। মদ কিনে ফিরে আসার পর ঘরে ঢুকে ভিতরের দৃশ্য দেখে ছেলেদুটি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায়। তারা দেখে, তাদের বান্ধবীরা জবুথবু হয়ে ঘরের এক কোণে বসে আছে, এবং তাদের থেকে একটু দূরে চেয়ারে আরাম করে বসে আছে এক অদ্ভুৎ দর্শন প্রৌঢ়, যাকে দেখতে নিতান্তই ছা-পোষা নিরীহ মধ্যবিত্ত বাঙালির মত, কিন্তু তার হাতে উদ্যত ৯এমএম পিস্তল। লোকটির আচরণে যেন মধু ঝরে পড়ে, কিন্তু তার এই বাড়িতে আগমণের কারণ শুনে চারটি ছেলেমেয়ের বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যায়। প্রৌঢ় নিজেকে এই প্র্যাংকস্টার গ্রুপের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত বলে দাবি করে এবং তাদের সামনে একটি অদ্ভুৎ প্রস্তাব রাখে। প্রৌঢ়র প্ল্যান মাফিক একটি প্র্যাংক সেই রাতেই তাদের সংঘটিত করতে হবে। তবেই তাদের মুক্তি মিলবে প্রৌঢ়র হাত থেকে। নইলে অঘটন অবশ্যম্ভাবী। তারা বোঝে, এই প্রৌঢ় উন্মাদ। তার ওপর তার হাতে রয়েছে উদ্যত আগ্নেয়াস্ত্র। অগত্যা উপায়ান্তর না দেখে রুবেন, শিরিন এবং ভিকি বেরিয়ে পড়ে প্রৌঢ়র ইচ্ছাপূরণের উদ্দেশ্যে। আর এদিকে আরু জামিন হিসেবে রাজবাড়িতেই প্রৌঢ়র হাতে বন্দী থাকে।কিন্তু বিধি বাম। প্রৌঢ়র নির্দেশে প্র্যাংক করতে গিয়ে ঘটে যায় এক নিষ্পাপ মানুষের মৃত্যু। প্রচন্ড আতঙ্কিত হয়ে প্রৌঢ়র কাছে ফেরৎ গিয়ে তাদের আরো বড় ধাক্কা লাগে, যখন তারা প্রৌঢ়র ল্যাপটপে তাদের খানিক আগে করা অনিচ্ছাকৃত হত্যার ছবি দেখতে পায়। তারা বোঝে, তারা প্রৌঢ়র পাতা জালে ফেঁসে গেছে। পালাবার রাস্তা নেই। প্রৌঢ় তাদের বলে, একটি সফল প্র্যাংক না করে তাদের মুক্তি নেই। যত বড় অঘটনই ঘটুক, প্র্যাংক তাদের করতেই হবে। অগত্যা তারা বেরিয়ে পড়ে তাদের সেই রাতের দ্বিতীয় প্র্যাংকের লক্ষ্যে। কিন্তু ভাগ্য এবারও বিরূপ। ঘটে যায় আরেকটি অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু। যথারীতি এবারও তারা ফিরে গিয়ে প্রৌঢ়র ল্যাপটপে তাদের খানিক আগে ঘটিয়ে আসা অঘটনের ছবি দেখে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পর পর দুটি মৃত্যু ঘটিয়ে ফেলার পর, এবার প্রৌঢ় তাদের এক ভয়ানক প্র্যাংকের দিকে এগিয়ে দেয়, যা সরাসরি তাদের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। তারা কি মুক্তি পাবে এই রহস্যময় উন্মাদ প্রৌঢ়র হাত থেকে? নাকি তাদের জন্য অদ্যই শেষ রজনী?

মার্চ ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল রাজা চন্দের প্রথম ওয়েব সিরিজ কাটাকুটির ট্রেলার

প্রথমবার ওয়েব সিরিজ করলেন পরিচালক রাজা চন্দ। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম-এ আগামী ২৫ মার্চ থেকে দেখা যাবে তাঁর থ্রিলার ওয়েব সিরিজ কাটাকুটি। রাজা চন্দের পাশাপাশি সৌরভ দাস, দেবতনু, মানসী সেনগুপ্ত, পিয়ান সরকার এরাও ক্লিকের সঙ্গে প্রথম কাজ করলেন।মুক্তি পেল কাটাকুটি-র ট্রেলার। ক্লিকের এটি ১৫ তম ওয়েব সিরিজ। এখানে মানসী সেনগুপ্ত-র বিপরীতে রয়েছেন ওয়েব কিং সৌরভ দাস। মানসীর বোনের চরিত্রে দেখা যাবে পিয়ান সরকার কে এবং পিয়ানের স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন দেবতনু। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিজিৎ গুহ,বিপ্লব বন্দোপাধ্যায়,শীর্ষা রক্ষিত,জ্যামি,বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রমুখ।ছবির প্রেক্ষাপটে লাজুক আদিত্য আর স্পষ্টভাষী কৌশানি, দুজনের বিয়ে ঠিক হয় কিন্তু বিয়ের আগেই হঠাৎ কৌশানি মর্মান্তিক ভাবে খুন হয়। আর সেই খুনের কারণ বোঝা যায়, এক নৃশংস গ্যাং রেপ কেস। তার সাজানো স্বপ্নগুলি এরম নির্মম ভাবে চুরমার হতে দেখে ভেঙে পড়ে আদিত্য। ঘটনাটির আকস্মিকতাতে আদিত্য ভেঙে পড়ে।কাহিনী এগোতে ইঙ্গিত পাওয়া যায় তিনজনের নাম। যারা করেছে এই ঘৃন্য অপরাধ! ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে একজন কৌশানির পরিবারের খুব কাছের সদস্য। আদিত্য বদলে যায়। কৌশানির মৃত্যুর বিচার সে তুলে নেয় নিজের হাতে। বেছে নেয় নির্মম প্রতিশোধের পথ। এই কাহিনীর পরোতে পরোতে রয়েছে রোমহর্ষক চমক আর অনবদ্য অভিনয়।

মার্চ ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জনতার কথায় খোলামেলা আড্ডায় 'রক্তবিলাপ' র পরিচালক মণিদীপ

হইচই তে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ রক্তবিলাপ। এই ওয়েব সিরিজ ও আগামী কাজ নিয়ে জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালক মণিদীপ সাহা।জনতার কথাঃ ফিল্ম স্কুলের স্টুডেন্ট। রক্তবিলাপ নির্মাণের ক্ষেত্রে সেটা কতটা কাজে দিয়েছে?মণিদীপঃ রক্তবিলাপ এর নির্মাতা আমরা দুজন। আমি আর অর্ণিত ছেত্রী। আমরা দুজনেই রূপকলা কেন্দ্র থেকে সিনেমা নিয়ে পড়াশোনা করেছি। রূপকলা কেন্দ্র আমাকে শুধুমাত্র ফিল্মমেকিং এর প্র্যাকটিস নয়, তার সঙ্গে এমন একটা পরিবেশ দিয়েছিল যেখানে আমরা প্রোডাকশন বয় থেকে শুরু করে ডিরেকশন সবটাই করেছি। রূপকলা কেন্দ্র আমাদের ডিসিপ্লিন শিখিয়েছে। রক্তবিলাপ এর ১৬টা ড্রাফট হয়েছিল আর সেগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে করতে হয়। যদিও আমরা খুব লাকি যে আমরা ইন্ডাস্ট্রির বাইরে কল্লোল লাহিড়ীর মতো স্যার কে আমাদের মেন্টর হিসাবে পেয়েছিলাম। কল্লোল স্যার, তৃষা নন্দী, সঞ্চিতা কাঞ্জিলাল এদের পাশে না পেলে রক্তবিলাপ এর স্ক্রিপ্ট রেডি হতো কি না জানিনা।শুটিংয়ের অবসরে টিম রক্তবিলাপজনতার কথাঃ হরর সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ড্রামা রক্তবিলাপ। বাংলায় অনেক থ্রিলার ছবি/ওয়েব সিরিজ হচ্ছে। রক্তবিলাপ বাকি কাজগুলোর থেকে কোনদিক থেকে আলাদা?মণিদীপঃ তোমার প্রশ্নের মধ্যেই উত্তরটা আছে। রক্তবিলাপ এ যেমন ত্রিকোণ প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, বিসনেস পার্টনারদের মধ্যে লড়াই, বন্ধুর শত্রু হয়ে যাওয়ার মতো ড্রামাটিক এলিমেন্ট পাবে তেমনই তার সঙ্গে আছে মা-মেয়ের সম্পর্কের সাইকোলজিক্যাল থ্রিল, আর এর মাঝে আছে রক্ত, খুন আর খুনি কে? যারা মরছে, তারাই মারছে। রক্তবিলাপ হল বিয়ন্ড লজিক, আর বিয়ন্ড লজিক দেয়ার ইস অ্যা ম্যাজিক।জনতার কথাঃ তোমার প্রথম ওয়েব সিরিজ বাংলার জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচই দেখানোর আনন্দ কতটা?মণিদীপঃ আনন্দ তো আছেই। আমি আর অর্ণিত যখন এই জার্নিটা শুরু করেছিলাম সেটা এত দূরে আসবে কখনও ভাবিনি। দেবালয় স্যার (দেবালয় ভট্টাচার্য), কল্লোল স্যার (কল্লোল লাহিড়ী), তৃষা (তৃষা নন্দী), পূজা দি (সঞ্চিতা কাঞ্জিলাল) এরা আমাদের মতো নতুনদের পাশে না থাকলে এই জার্নিটা এগোত না। এছাড়া ডিওপি, মেক আপ আর্টিস্ট থেকে শুরু করে আরো অনেকে। এরা পাশে না থাকলে আমরা থাকতাম না। সবাইকে ধন্যবাদ নতুনদের পাশে থাকার জন্য। নতুনদের ভরসা করার জন্য।শুটিংয়ের অবসরে টিম রক্তবিলাপজনতার কথাঃ এখনও পর্যন্ত অডিয়েন্স রেসপন্স কেমন?মণিদীপঃ সত্যি বলতে অডিয়েন্সের থেকে মিক্স রেসপন্স পাচ্ছি। অনেকেই ভালো বলছে। আবার অনেকেই বলছে ঠিক জমেনি। আমি সবার ওপিনিয়ন কে রেসপেক্ট দিই। কারণ এই ওপিনিয়ন গুলোই আমাদের আরও ভালো কাজ করতে, আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। অডিয়েন্সকে রিকোয়েস্ট একটাই, আপনারা নিজেরা দেখুন, নিজেদের মতামত দিন। নতুনদের পাশে থাকুন। তাহলেই নতুন কিছু হবে।জনতার কথাঃ অনেক ফিল্ম স্কুলের স্টুডেন্ট ছবি/ওয়েব সিরিজ বানানোর সাহস পান না। তাদের জন্য তোমার বার্তা কি থাকবে?মণিদীপঃ আমার মনে হয় ভয় না পেয়ে সাহস দেখিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। চেষ্টা করতে হবে। এক্সপেরিমেন্ট করতে হবে। ভুল-ঠিক তো হতেই থাকবে। বাট ট্রাই টা ইম্পরট্যান্ট।জনতার কথাঃ আগামী দিনে আর কি কি কাজ আসছে?মণিদীপঃ রিসেন্টলি আমার ডিরেকশনে একটা মিউজিক ভিডিও বেরিয়েছে মন রে ফিরে আয়। দেবতনু আর ঐশ্বর্য সেন এটাতে অভিনয় করেছে। সৌমেন চ্যাটার্জি এই মিউজিক ভিডিওর প্রোডিউসার। এসি ফিল্মস এ দেখা যাচ্ছে এই মিউজিক ভিডিওটা। আর এছাড়াও দাশু নামক একটা স্ক্রিপ্টের ওপর কাজ করছি। তবে কোন প্ল্যাটফর্মে কাজটা দেখা যাবে সেটা এখনও জানিনা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নন্দনে 'শব চরিত্র'-র প্রিমিয়ারে কি হল?

নন্দনে প্রিমিয়ার হয়ে গেল পরিচালক দেবাশিষ সেন শর্মার ওয়েব সিরিজ শব চরিত্র। KLIKK ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে এই ওয়েব সিরিজ। এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন অনির্বাণ চক্রবর্তী, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ইমন চক্রবর্তী, জুধাজিৎ সরকার, পায়েল রায়, অঙ্কিতা মাঝি, দূর্বার শর্মা, অবীন দত্ত মণ্ডল, রাণা বসু ঠাকুর, দেবরাজ ভট্টাচার্য, পলাশ হক, মৌসুমী দালাল প্রমুখ। এই ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক দেবাশিষ সেন শর্মা জানালেন, একটা সুন্দর সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার শব চরিত্র। আমার মনে হয় দর্শকদের একটা নতুন প্রাপ্তি হবে। অভিনেতা অনির্বাণ চক্রবর্তী জানালেন, খুব ভালো লেগেছে। আমার ধারণা প্রত্যেক অভিনেতার ই খুব ভালো লাগে তাদেরকে সাধারণত যে চরিত্রে দেখা গেছে বা যে চরিত্র পপুলার হয়েছে তার বাইরে অন্য চরিত্র দিলে অভিনেতারা খুব খুশি হয়। আমিও খুব খুশি হয়েছি। এনজয় করেছি।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কবে থেকে দেখা যাবে 'ফ্যামিলি ম্যান থ্রি'?

দর্শকরা অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। সেই অপেক্ষার এবার অবসান হতে চলেছে। গত বছর মুক্তি পেয়েছিল দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২। তৃতীয় সিজন কবে আসবে অপেক্ষায় ছিল দর্শকরা। প্রায় এক বছর পর তাদের জন্য রয়েছে সুখবর। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক দায়িত্বপূর্ণ পদের ভার বনাম স্বামী ও বাবার কর্তব্যপালনের টানাপড়েনের কাহিনিতে মজে থাকা দর্শক এখন দ্য ফ্যামিলি ম্যান-এর তৃতীয় সিজনের দিন গুনছেন। প্রায় এক বছর বাদে সেই অপেক্ষা ফুরোনোর ইঙ্গিত দিলেন নির্মাতারা। সবকিছু ঠিক থাকলে এই বছরের শেষেই দ্য ফ্যামিলি ম্যান ৩-র শ্যুটিং শুরু হবে।অ্যামাজন প্রাইমের এই সিরিজের দ্বিতীয় সিজনে চূড়ান্ত পর্বের শেষে ছিল তৃতীয় সিজনের ঝলক। সেখান থেকেই ইঙ্গিত পাওয়া যায় করোনা অতিমারির প্রেক্ষাপটে চিন ও উত্তর পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ঘিরে এগোবে কাহিনি। সম্ভবত কলকাতাও থাকবে সেই গল্পের অলিগলিতে। কোভি়ড-যুদ্ধের নেপথ্যেই কি এ বার জঙ্গি-যোগ ঠেকাবেন ফ্যামিলি ম্যানমনোজ বাজপেয়ী? খুব তাড়াতাড়িই সব উত্তরের অবসান হতে চলেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal