• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ২৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Scam

রাজনীতি

এসএসসির চাকরি বাতিলে সুপ্রিম রায়, কি বললেন মমতা- অভিষেক

২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ার ২৫৭৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি জানান, এখনই চাকরি বাতিল হচ্ছে না। তবে এখানেই এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হচ্ছে না। ১৬ জুলাই এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি। এসএসসি আদালতকে জানিয়েছে এরমধ্যে ১৯,০০০ চাকরি বৈধ। সুপ্রিম নির্দেশের পরই এবার আসরে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে লিখলেন সত্যের জয় হল।তিনি এদিন লিখেছেন, বাংলার ভাবমূর্তি নষ্টে বিজেপির বিস্ফোরণ সুপ্রিম কোর্টে নিষ্ক্রিয়। সব প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। মানুষের পাশে থেকে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চলবে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই চলবে।🙏I am really very happy and mentally relaxed on receipt of justice at the highest Court of the land. Congratulations to the entire teaching fraternity and my humble regards to the Honble Supreme Court of India.🙏সুপ্রিম কোর্টে ন্যায় প্রাপ্তির পর আমি বাস্তবিকই খুব খুশী এবং Mamata Banerjee (@MamataOfficial) May 7, 2024এদিকে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে তাতে বেজায় খুশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর জন্য শিক্ষক সমাজকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মমতা। আর শীর্ষ আদালতকে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্টে ন্যায়প্রাপ্তির পর আমি বাস্তবিকই খুব খুশি এবং মানসিক ভাবে তৃপ্ত। সামগ্রিক ভাবে শিক্ষক সমাজকে জানাই আমার অভিনন্দন এবং মাননীয় সুপ্রিম কোর্টকে জানাই আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা।মঙ্গলবার ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ার ২৫৭৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এদিন জানান, এখনই কারও চাকরি বাতিল হচ্ছে না। যদি যোগ্য-অযোগ্য আলাদা করা সম্ভব হয়, তাহলে গোটা প্যানেল বাতিল করা ন্যায্য হবে না। তবে এখানেই এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হচ্ছে না। ১৬ জুলাই এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি। তবে এই রায়কে নিজেদের জয় হিসাবে দেখছে রাজ্যের শাসকদল। পাল্টা বিজেপির দাবি, সিবিআই তদন্ত চলবে। আর চূড়ান্ত শুনানি হবে ১৬ জুলাই। সুতরাং এখনই নিষ্পত্তি নয় এই মামলার।The Honorable Supreme Court has DEFUSED the BJPs EXPLOSIVE hurled last week to malign Bengals image and destabilize WB government.TRUTH HAS TRIUMPHED!We will continue to defy all odds and stand shoulder to shoulder with the people until our last breath.জয় বাংলা 💪🏻 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) May 7, 2024

মে ০৭, ২০২৪
রাজ্য

অযোগ্য নিয়োগ আদালতে মানলো এসএসসি, জানাল যোগ্য শিক্ষকদের সংখ্যাও

শেষমেশ অযোগ্যরা যে শিক্ষকতায় নিয়োগ করা হয়েছিল তা মেনে নিল এসএসসি। পাশাপাশি মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে যোগ্যদের সংখ্যাও জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার।চাকরিহারা যোগ্যদের পাশে দাঁড়াল SSC ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। ২০১৬ সালের প্যানেলে চাকরি পাওয়া ১৯ হাজার নিয়োগ বৈধ ও তার উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে দাবি করেছে SSC। অর্থাৎ প্রায় ৭ হাজার নিয়োগ অবৈধ বলেই কার্যত এদিন মেনে নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। এদিকে, SSC-র এই বক্তব্য শুনে বিস্মিত সুপ্রিম কোর্টও। SSC দায়িত্ববানের মতো কাজ করেনি বলে উষ্মা প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত।নিয়োগ ঘিরে রাজ্য মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত নিয়ে CBI তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এদিন রাজ্যের আইনজীবীও সওয়াল করেন শীর্ষ আদালতে। মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে বেনিয়মের কোনও প্রমাণ নেই বলে তিনি দাবি করেছেন। তাই রাজ্য মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়ে গেলে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে এদিন সওয়ালে দাবি করেছেন রাজ্যের আইনজীবী।

মে ০৭, ২০২৪
রাজ্য

হাইকোর্টে চাকরি বাতিল, উচ্চ আদালতে যাওয়ার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রায়গঞ্জের চাকুলিয়ায় সোমবার নির্বাচনী জনসভা করেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুলোধোনা করেন বিজেপিকে।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে যদি বিষাক্ত বিজেপি পুনরায় ক্ষমতায় আসে তাহলে না থাকবে নির্বাচন, না থাকবে গণতন্ত্র, না বেঁচে থাকবে সংবিধান। ধর্মের উস্কানি দিয়ে সকলের মধ্যে বিভেদের বীজ বুনে দিচ্ছে এই বিজেপি। আমি বেঁচে থাকতে এনআরসি, সিএএ এবং ইউনিফর্ম সিভিল কোড হতে দেবো না বাংলায়। এই বিজেপির সঙ্গী এখন সিপিআইএম এবং কংগ্রেস। এদেরকে ভোট দেওয়া মানেই, বিজেপিকে সুবিধে করে দেওয়া। কংগ্রেসের এই নীতির উপর বীতশ্রদ্ধ হয়েই আজ রায়গঞ্জের চাকুলিয়ার সভামঞ্চে কংগ্রেসের ৩ জন ব্লক সভাপতি যোগদান করলেন জোড়াফুলের পরিবারে। এই বৃহৎ লড়াইয়ে তাঁদের সকলকে স্বাগত।এদিন কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৬ সালের এসএসসির সব নিয়োগ বাতিল করে দিয়েছে। চাকরি গিয়েছে প্রাশ ২৬ হাজার জনের। এই জনসভায় মমতা বলেন, আজ হাইকোর্টের একটি নির্দেশ প্রকাশ পেয়েছে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায়। আমরা এই রায়কে কেন্দ্র করে উচ্চ-আদালতে যাবো। কেউ যদি চাকরি প্রার্থীদের পাশে না থাকে, আমি শেষ অব্দি থেকে যাবো। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের শক্তি। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়বো।আগামী ২৬ এপ্রিল রায়গঞ্জ কেন্দ্রের জোড়াফুলের প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণীকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এপ্রিল ২২, ২০২৪
রাজ্য

এসএসসি নিয়ে নজিরবিহীন রায় আদালতের, বাতিল ২০১৬-র পুরো প্যানেল

এসএসসি নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৬ সালে নিয়োগ হওয়া প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল আদালত। পুরো প্যানেল রাতিল করেছে আদালত। পাশাপাশি সিবিআইকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই রায়ের পর তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করেছেন। আন্দোলনকারীরা এই রায়ের পর আশার আলো দেখছেন। প্রায় সাড়ে ৩ মাসের শুনানি শেষে সোমবার এসএসসি মামলার রায় ঘোষণা হল। ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর কোনও চাকরি বৈধ হওয়া উচিত নয়। এসএসসি মামলায় ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের। ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটিই বাতিল করেছে দিল উচ্চ আদালত। SSC-র সমস্ত নিয়োগ বাতিল করল হাইকোর্ট। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি প্রাপকদের আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে ১২ শতাংশ সুদ সমেত বেতন ফেরতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।এরই পাশাপাশি ফের নতুন করে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে এসএসসিকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। SSC গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি, নবম-দ্বাদশ পর্যন্ত ২০১৬ সালে হওয়া সব নিয়োগ অবৈধ বলে স্পষ্ট জানাল হাইকোর্ট। ২০১৬ সালের সেই গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়াই এদিন বাতিল করেছে উচ্চ আদালত।নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগের পাশাপাশি এসএসসি গ্রুপ সি ও গ্রুপ-ডি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছিল। সেই সব মামলার শুনানি শেষের পর আজই রায় ঘোষণা আদালতের। এরই পাশাপাশি CBI এই গোটা নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। প্রয়োজনে এই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত যে কাউকে হেফাজতে নিয়েই তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন বিচারপতিরা। এসএসসি-কে সমস্ত OMR শিটের কপি তাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করতে নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। ওই ওএমআর শিট পর্যবেক্ষণ করে নতুন করে প্যানেল প্রকাশ করতে হবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৪
রাজ্য

টানা ৩ দিন আয়কর তল্লাশি রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাইয়ের বাড়িতে, ইডির হানা আরেক মন্ত্রীর ঘরে

একটানা ৩ দিন! রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে টানা তিন দিন ধরে আয়কর দফতরের টানা তল্লাশি। নিউ আলিপুরে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে একটানা চলছে আয়কর দফতরের তল্লাশি। স্বভাবিকভাবেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। এদিন বোলপুরে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।টানা ৩ দিন ধরে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে আয়কর তল্লাশি চলছে। সূত্রের খবর, আপাতত টানা তল্লাশিতে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন আয়কর দফতরের অফিসাররা বাজেয়াপ্ত করেছেন। একইসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্যও হাতে এসেছে আয়কর অফিসারদের।এদিকে, টানা এই তল্লাশি অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে। এপ্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য সংবাদমাধ্যমে বলেন, এটি একটি আইনি প্রক্রিয়া। আয়কর দফতর কঠিনভাবে সক্রিয় হয়েছে। তবে যতক্ষণ না পর্যন্ত কিছু জানা যাচ্ছে ততক্ষণ রাজনৈতিক বিতর্ক চাই না।এদিকে, লোকসভা নির্বাচনের ঠিক মুখে শুক্রবার একযোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হানা দিয়েছে আর এক কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বোলপুরের বাড়ির পাশাপাশি কলকাতা শহরের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দেয় ইডিনিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা ঘুরপথে বেশ কয়েকজন ব্যাবসায়ীর মাধ্যমেই সাদা করার চেষ্টা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তারই ভিত্তিতে কলকাতায় এদিন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তল্লাশি চালিয়েছে। অন্যদিকে, নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলার তদন্তে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার নাম উঠে এসেছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বাড়িতেও এদিন ইডি তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে।

মার্চ ২২, ২০২৪
কলকাতা

সোশ্যাল মিডিয়া চাকরির প্রলোভন, লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষধিক টাকা প্রতারণা। এই ঘটনায় তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করলো বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা রাজীব গোস্বামী বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন যে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া মারফত একটি চাকরির এসএমএস পান। সেই সূত্র ধরে তিনি যোগাযোগ করলে তাকে একটি সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে অ্যাড করা হয়। সেখানে তাকে বিভিন্ন প্রিপেড টাস্ক করতে বলা হয় যেখান থেকে তিনি রোজগার করতে পারবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তিনি সেই প্রিপেড টাস্ক করতে গিয়ে ১৬ লক্ষ টাকা দিয়ে দেন। এরপরই টাকা চাইতে গেলে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় প্রতারকরা।ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে অভিযোগকারীর সেই টাকা গিয়ে পৌঁছেছিল বেশকয়েকজনের অ্যাকাউন্টে। এরপরই গতকাল নোয়াপাড়া এবং জগদ্দলে হানা দিয়ে কৌশিক বোস, সন্তোষ কুমার সাউ এবং চন্দন কুমার সাউকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আজ অভিযুক্তদের বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাদেরকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই ঘটনার মূল অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
রাজ্য

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে ফের ব্যাপক তল্লাশি ইডির, জ্যোতিপ্রিয়র সম্পত্তি জানতে তৎপরতা

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার ব্যাপক তল্লাশি করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এদিন ইডি হানা দিয়েছে নিউটাউনে প্রসন্ন কুমার রায়ের অফিস ও তাঁর ফ্ল্যাটে। এর পাশাপাশি তার ঘনিষ্ট প্রদীপ সিং এর ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালায় ইডি।ইডি সূত্রে খবর মূলত এই প্রসন্ন কুমার রায়ের বিপুল পরিমান সম্পত্তির উৎস কি? নিয়োগ দুর্নীতির টাকায় কি এই বিপুল সম্পত্তি? সেই টাকা কোথা থেকে এলো? কার কার কাছে এই টাকা পাঠানো হত? সেই সব বিষয়ে নথির খোঁজে এই তল্লাশি বলে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ইডি আধিকারিকরা নিউটাউন বলাকা আবাসনে পৌঁছে যায়। সেখানে প্রসন্ন কুমার রায় ও প্রদীপ সিং এর ফ্লাট রয়েছে। এর পাশাপাশি নিউটাউন এর একটি বিল্ডিং এ তাঁর অফিসে তল্লাশি চালানো হয়।প্রসন্ন রায় এর অফিসে কাজ করতো প্রদীপ সিং। প্রথম গ্রেফতার হয় প্রদীপ সিং। তাীপর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রসন্ন কুমার রায়ের নাম উঠে আসে। তার ভিত্তিতে প্রসন্ন কুমার রায় এর ফ্লাট ও অফিসে তল্লাশি চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই । সম্প্রীতি প্রসন্ন রায় সুপ্রিম কোর্টে থেকে জামিন পায়। প্রসন্ন রায়ের ট্রাভেল ব্যবসায় প্রদীপ সিং ড্রাইভার হিসাবে কাজ করতো। প্রদীপ সিং ক্যান্ডিডেটদের সঙ্গে যোগযোগ করতো ও টাকা সংগ্রহ করতো প্রসন্ন রায়ের হয়ে। সেই টাকা প্রসন্নের নির্দেশ মত পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতো। প্রদীপ সিং আর মেইল ব্যবহার কোরে প্রসন্ন রায় বোর্ড এর উপদেষ্টা শান্তি প্রসাদ সিনহার সঙ্গে যোগযোগ রাখতো এবং নিয়োগের জন্য প্রার্থী তালিকা পাঠাতো। প্রদীপ সিংয়ের ওই মেইল থেকে ছোটু নাম ব্যবহার কোরে মেল করা হত শান্তি প্রসাদ সিনহাকে। এদিন প্রসন্ন রায়ের একাধিক বাড়ি, অফিস ও প্রদীপ সিংয়ের বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি।দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিলাসবহুল আবাসন আইডিয়াল ভিলা থেকে বেরিয়ে ইডি আধিকারিকরা পৌঁছায় পাথরঘাটা এলাকার এক বাগানবাড়িতে। ইডি সূত্রে খবর, প্রসন্ন রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই বাগান বাড়ির হদিস পাওয়া যায়।এদিকে খাদ্য দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়ি ও অফিসে হানা দিয়েছিল ইডি। সেখান থেকে প্রচুর নথির হদিস পায় ইডি। সেই সংক্রান্ত বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রেভিনিউ ডিপার্টমেন্টকে চিঠি দিয়ে ইডি জানতে চেয়েছিল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নামে কোথায়, কত সম্পত্তি আছে? তার পরিপ্রেক্ষিতে আজ ইডি দপ্তরে রেভিনিউ ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকরা বেশ কিছু নথি নিয়ে হাজির হন। সেই নথিগুলোকে ইতিমধ্যে জমা দেয়া হয়েছে ইডি দপ্তরে। এই তথ্য পাওয়ার ভিত্তিতে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নামে বেনামী আর কোথায় কত সম্পত্তি আছে তা তদন্ত করে দেখছে ইডি।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

সকালেই ইডির নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, কাকু এসএসকেএম-এর ICCU-তে

কালীঘাটের কাকুকে নিয়ে বিড়ম্বনা বেড়েই চলেছে ইডির। আদালতের নির্দেশ মতো আজ সকালেই কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে যাওয়ার কথা ছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। শুক্রবার সকালে এসএএসকেএমে পৌঁছে যায় অ্যাম্বুলেন্স। কিন্তু এসএসকেএমে পৌঁছে ইডি আধিকারিকরা জানতে পারেন কালীঘাটের কাকুকে আইসিসিইউ-তে স্থানান্তর করা হয়েছে। আজ ফের এক দফায় তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসকরা গ্রিন সিগন্যাল দিলে তবেই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নিয়ে যেতে পারবে ইডি। তবে সেটা না হলে ইডিও পরবর্তী কঠিন পদক্ষেপের জন্য তৈরি।কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীকা করে দেখতে মরিয়া ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে একটি অডিও ক্লিপিংস হাতে এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার। সেই অডিও ক্লিপিংসটির কণ্ঠস্বর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের হতে পারে বলে সন্দেহ ইডির। সেই কারণেই তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করে দেখতে চায় ইডি। তবে শারীরিক অসুস্থতার দরুণ গত ২৩ অগাস্ট থেকে এসএসকেএমে ভর্তি রয়েছেন কালীঘাটের কাকু। ইডি বারবার এসএসকেএমে গিয়েও তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে পারেনি। এক্ষেত্রে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেই অসহযোগিতার অভিযোগ এনেছে ইডি।শেষমেশ আদালতের নির্দেশে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর ভার এসেছে ইডির হাতেও। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার অধীনস্থ জোকা ইএসআই হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যেতে চায় ইডি। শুক্রবার সকালেই তাঁকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল।ইডি সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্তও এসএসকেএম-এর সাধারণ কেবিনে রাখা হয়েছিল কালীঘাটের কাকুকে। কিন্তু শুক্রবার সকালে তাঁরা হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন গতরাতেই তাঁকে কার্ডিওলজি বিভাগের আইসিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ইডির আশঙ্কা, এক্ষেত্রে গভীর চক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে।কালীঘাটের কাকুকে নিয়ে যেতে শুক্রবার সকালেই এসএসকেএম-এর বাইরে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে যায় ইডি। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নিয়ে যেতে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয় ইডির অফিসারদের। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ ফের এক দফায় কালীঘাটের কাকুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। চিকিৎসকরা গ্রিন সিগন্যাল দিলে তবেই তাঁকে নিয়ে জোকা ইএসআই হাসপাতালে যেতে পারবে ইডি। তবে ইডি সূত্রেরও খবর, আজ এসএসকেএম থেকে কালীঘাটের কাকুকে বের করা না গেলে ফের তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হবেন।এদিকে এদিন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দপ্তরে এলেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়। ইডি দপ্তরে ঢোকার সময় তিনি জানান, ইডি রেড করার সময় তার বাড়ি থেকে সিজ করে নিয়ে আসা জিনিস তাকে দেখানোর জন্যই ডাকা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

কালীঘাটের কাকুর গলার স্বর এখনও অধরা, পিজির বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

কালীঘাটের কাকুর গলার স্বরের নমুনা এখনও জোগাড় করতে পারেনি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন নিয়োগ দুর্নীতি ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। হাসপাতালে তাঁর মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এমনই যে ইডি এখনই তাঁর গলার স্বরের নমুনা নিতে গেলে সেই চাপ আরও বেড়ে গিয়ে তাঁর অসুস্থতাও নাকি বেড়ে যেতে পারে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন দাবিতে বেজায় প্যাঁচে ইডি। আদালতে এব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে এসএসকেএম হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ডের নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার মাস্টারমাইন্ড কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র, এমনই দাবি ইডির। গ্রেফতার হলেও বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন কালীঘাটের কাকু। এদিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে একটি গলার স্বরের নমুনা পেয়েছে ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, ওই গলার স্বরটি সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। যদিও এটি প্রমাণ সাপেক্ষ। সেই কারণেই কালীঘাটের কাকুর গলার স্বরের নমুনা চায় ইডি।একাধিকবার এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়েও ফিরে আসতে হয়েছে ইডির আধিকারিকদের। কালীঘাটের কাকুর গলার স্বরের নমুনা নিতে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এদিকে, এসএসকেএমের পরিবর্তে ইএসআই হাসপাতালে কালীঘাটের কাকুর চিকিৎসার জন্য সওয়াল করেছে ইডি। সিবিআই বিশেষ আদালত নির্দেশে জানায় সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের গলার স্বরের নমুনা নেওয়া সম্ভব কিনা তা পরীক্ষা করে দেখবে ইএসআই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।যদিও এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যুক্তি, বর্তমানে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের শারীরিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই গলার স্বরের নুমনা সংগ্রহে সায় দেওয়া যাচ্ছে না। মানসিক চাপে রয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। এই পরিস্থিতিতে গলার স্বরের নমুনা নেওয়া হলে সেই চাপ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে হাসপাতার কর্তৃপক্ষ। যদিও ইডির পাল্টা দাবি, তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা দিতেই এই পদক্ষেপ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

নভেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কড়া নির্দেশ, নিজাম প্যালেস ছুটলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি

নির্দেশ ছিল। শেষমেশ সেই নির্দেশ কার্যকরী করতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে পৌঁছেও গিয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গৌতম পালকে সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নির্দেশ না মানলে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারিও ছিল। শেষমেশ নির্ধারিত সময়েই চতুর্থীর ভিড় ঠেলে নিজাম প্যালেসে পৌঁছান পর্ষদ সভাপতি।শুধু গৌতমবাবু নয়, পাশাপাশি পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে সিবিআই জেরা করতে পারেন বলে নির্দেশে উল্লেখ করা হয়।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি চলে। ওএমআর শিট সংক্রান্ত মামলায় এদিন সিবিআইকে আদালতে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। জানা গিয়েছে, সেই রিপোর্টে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। উল্লেখ রয়েছে, এস বসু রায় এণ্ড কোম্পানি এমনভাবে ওএমআর শিট তৈরি করেছিল যাতে প্রার্থীর নাম, রোল নম্বর কোনও কিছু স্পষ্ট বোঝা না যায়। এমনকী পর্ষদের কাছে ওএমআর শিট সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হলেও তাঁরা নতুন প্রিন্ট করা কপিকেই ডিজিটাইজ ডাটা হিসাবে দাবি করছেন।এরপরই বিচারপতি জানান, সিবিআইয়ের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ওএমআর শিট দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন। এই দুর্নীতি সামনে আসার পরও বর্তমান বোর্ড সদস্যরা কীভাবে এস বসু রায় এণ্ড কোম্পানিকেই ওএমআর শিট তৈরির দায়িত্ব দিলেন? এ জন্যই পর্ষদ সভাপতিকে জিজ্ঞসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তারপরই পর্ষদের বর্তমান সভাপতি গৌতম পাল ও সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকে আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করার জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দেন বিচারপতি। ফলে গৌতম পালকে বুধবার সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে হবে। নির্দেশে বলা হয়েছে, সিবিআই চাইলে সেক্রেটারিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। তারপর বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। যদি বোর্ড সদস্যেদের কেউ সহযোগিতা না করেন তাহলে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই।

অক্টোবর ১৮, ২০২৩
রাজ্য

পুর-নিয়োগে পরীক্ষায় বাংলা ভাষা বাধ‍্যতামূলক করার দাবিতে কমিশনের দপ্তরে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি জমা বাংলা পক্ষর

যখন রাজ্য জুড়ে ইডি-সিবিআই এর সাঁড়াশি আক্রমণে পুর-নিয়োগে বেনিয়ম নিয়ে তোলপাড় রাজ্য, ঠিক সেই সময়-ই মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনে সাব-অ্যাসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগের যে প্রক্রিয়া এই মুহুর্তে চলছে তাতে ইন্টারভিউতে ডাক পাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের তালিকায় বহিরাগতদের সংখ্যা দেখে চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার আশঙ্কা করছে বাংলা পক্ষ। বাংলা ও বাঙালির স্বার্থে এই সংগঠন যেখানেই বেনিয়মের কবলে বাঙ্গালি গর্জে উঠেছে। তাঁদের দাবী, বাঙালি আজ নিজ ভুমেই পরবাসী। বাঙালি নিজের মাটিতেই রাজ্য সরকারি চাকরিতে বঞ্চিত বলে দামি বাংলা পক্ষের।বাংলা পক্ষের সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, বাংলায় মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনে-র চাকরির পরীক্ষা শুধুমাত্র ইংরেজিতে হয়, বাংলায় হয় না। বাংলার মাটিতে রাজ্য সরকারি চাকরির পরীক্ষা বাংলা ভাষায় হয় না। তাঁর আরও দাবী, বাংলায় ৮৬% মানুষ বাঙালি। বাংলা রাজ্য বাংলা ভাষার ভিত্তিতে তৈরি রাজ্য৷ কিন্তু বাংলায় সরকারি চাকরির পরীক্ষা বাংলায় দেওয়ার সুযোগ নেই। অথচ সব রাজ্যে রাজ্য সরকারি চাকরিতে সেই রাজ্যের মূল ভাষার পেপার বাধ্যতামূলক থাকে। রাজ্যের মূল ভাষা বাধ্যতামূলক করার ফলে চাকরিতে ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত হয়।বাংলা পক্ষ সংগঠন মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনে-র পরীক্ষায় বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে ২০২২ এর ২৬ শে ডিসেম্বর কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে ডেপুটেশন দেয়। কিন্তু আজ অবধি এর কোন সদর্থক পদক্ষেপ না হওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে পুনরায় ডেপুটেশন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী সংগঠিত হল আজ মৌলালিতে কমিশনের অফিসে। বাংলা পক্ষর সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় তথ্য সহ তুলে ধরেন, সাম্প্রতিক কলকাতা কর্পোরেশনের সাব-অ্যাসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার-র পদের পরীক্ষায় অন্যরাজ্যের পরীক্ষার্থীদের সংখ্যাধিক্যের কথা। বাঙালি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার বা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার হন। গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন আমাদের কাছে খবর আছে বাংলা বাধ্যতামূলকের ফাইল দীর্ঘদিন আটকে রেখেছেন পৌর দপ্তরের উর্দুভাষী সচিব খলিল আহমেদ। অবিলম্বে এই ফাইলের বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে বলে জানান তিনি। যাদব পদবীর কেউ বাংলায় এসটি কিভাবে হন সে প্রশ্ন করতে হবে। তিনি আরও জানান, তাঁরা FIR করবেন। বাঙালি ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যত এভাবে ধ্বংস কিছুতেই হতে দেবে না বাংলা পক্ষ।সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে বলেন, দশ মাস পেরিয়ে গেছে প্রথম ডেপুটেশনের, বাঙালি চাকরিপ্রার্থীদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে। পৌর পরিসেবা সরাসরি বাঙালি নাগরিকের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত। বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশের ফলে যেমন চাকরির সুযোগ কমছে, তেমনি পরিষেবার ক্ষেত্রেও অসুবিধা হচ্ছে। এটা চলতে পারে না। অবিলম্বে বাংলা ভাষার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।এছাড়াও এদিনের বিক্ষোভ সভায় উপস্থিত ছিলেন, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চ্যাটার্জী, উত্তর ২৪ পরগণা (শহরাঞ্চল) এর সম্পাদক পিন্টু রায়। উপস্থিত ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা গ্রামীন সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার ও।প্রতিবাদ সভার শেষে মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান মাননীয় রজত কুমার বসুর সাথে গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল কথা বলে। আলোচনা সদর্থক হয়েছে বলে জানানো হয়। WBCS এর মতো এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাতেও বাংলা বাধ্যতামূলক করাতে তারা সক্ষম হবেন বলে বাংলা পক্ষ নেতৃত্ব আশাবাদী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টানা সাড়ে ৮ ঘন্টা ইডির জেরা অভিষেক পত্নী রুজিরাকে

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গতকাল, মঙ্গলবার রাতে নথি জমা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক তার পরের দিন এই মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে সাদা ইনোভাতে চেপে হাজির অভিষেক-পত্নী রুজিরা। এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত সপ্তাহে ইডির সমন পেয়েছেন রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন টানা সাড়ে ৮ ঘণ্টা ইডি জেরা করে অভিষেকের স্ত্রীকে। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ সিজিওতে ঢুকেছেন রুজিরা। বাইরে বেরিয়েছেন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে। এদিন তিনি সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে সিজিওর গেটের সামনে থেকেই গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যান। গাড়ির জানলার কাচ তুলে দেওয়ায় ভিতরটা অস্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।এদিন সকাল থেকে সিজিও কমপ্লেক্স ঘিরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ। এমনকী চারিদিকে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। এই প্রথম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তলব করল রুজিরাকে। এর আগে অন্য মামলায় রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। তাঁকে জেরা করে লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডস মামলার হদিশ পেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। সেই সংস্থার সিইও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক। পরে অভিষেককে তলব করে ইডি। তাঁকে ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। বেরিয়ে অভিষেক বলেছিলেন ৯ ঘণ্টা জেরার নিট ফল শূন্য। ২০২২ সালের জুন মাসে শিশুপুত্রকে কোলে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির হয়েছিলেন রুজিরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার জন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সির কড়া সমালোচনা করেছিলেন। কয়লা পাচার কাণ্ডে তাঁকে তলব করেছিল ইডি। পরে তাঁকে দিল্লিতেও তলব করা হয়। রুজিরা যদিও ইডির ডাকে দিল্লি যাননি। তার বদলে কলকাতার ইডির দফতরে যান তিনি। পরে কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলাতে রুজিরার বিদেশে যাওয়ার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিসও জারি করা হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই নোটিস তুলে নিতে হয়েছিল ইডিকে।

অক্টোবর ১১, ২০২৩
রাজ্য

শুভেন্দু ও কৌস্তভ পাশাপাশি পা মেলালেন, বিকল্প রাজনীতির বড় ইঙ্গিত?

দিন কয়েক আগেই বাংলায় বিকল্প রাজনীতির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি। প্রশংসা করেছিলেন বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারীর। বঙ্গ রাজনীতিতে জল্পনা উস্কে দিয়েছিলেন কৌস্তভ। আর বুধবার কংগ্রেসের তরুণ নেতা কৌস্তভ বাগচী ও বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী হাঁটলেন একই মিছিলে। একেবারে পাশাপাশি! আবার এই মিছিল হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের সামনে দিয়েই। তবে, এদিনের মিছিলে কংগ্রেস বা বিজেপির পতাকা দেখা যায়নি। দুজনের হাতে ফ্ল্যাগও ছিল এক। মমতাকে কটাক্ষ করে লেখা ছিল তাতে- আই লাফ ইউ ডাই।দিন কয়েক আগেই বাংলায় বিকল্প রাজনীতির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা কৌস্তভ বাগচি। প্রশংসা করেছিলেন বিরোধী দলনেতার। বঙ্গ রাজনীতিতে জল্পনা উস্কে দিয়েছিলেন। আর বুধবার কংগ্রেসের তরুণ নেতা কৌস্তভ বাগচী ও বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী হাঁটলেন একই মিছিলে। একেবারে পাশাপাশি! আবার এই মিছিল হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের সামনে দিয়েই। তবে, এদিনের মিছিলে কংগ্রেস বা বিজেপির পতাকা দেখা যায়নি।কী বলছেন কৌস্তভ?বিজেপি নেতার সঙ্গে একসঙ্গে মিছিলে হাঁটায় কংগ্রেসের আপত্তি নেই? মিছিলে হাঁটার আগে কৌস্তভ বাগচি বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা এই মিছিলে হাঁটলেও আমার আপত্তি ছিল না। কারণ এটা বঞ্চিতদের চাকরির দাবিতে আন্দোলন। দলীয় অনুশাসন নিয়ে কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, এখানে কোনও দলের পতাকা নেই। এছাড়া, কংগ্রেস করার বাইরেও আমার একটা ব্যক্তি সত্ত্বা আছে, আইনজীবী সত্ত্বা আছে। তবে মনে হয় না এতে দলের কোনও আপত্তি থাকবে।শুভেন্দুর বক্তব্য-এটা অরাজনৈতিক আন্দোলন। আন্দোলনকারীরা কাকে মিছিলে ডাকবেন সেটা ও দের ব্যাপার। আমার মতাদর্শের বিরুদ্ধে যাঁরা মমতা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন তাঁদের মধ্যে কৌস্তভ বাগচি একজন। আজ মিছিলের জন্য আদালত থেকে যে অনুমতি মিলেছে তার নেপথ্যেও কৌস্তভ বাগচির অবদান রয়েছে। তাই একসঙ্গে হাঁটতে আপত্তি নেই। তাহলে কী এবার বিজেপির পথে কৌস্তভ? শুভেন্দু অবশ্য এ নিয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। বিরোধী দলনেতার কথায়, বগটুই, ঝালদা সহ যেখানেই রাজ্য সরকারের অত্যাচার, বঞ্চনার বিষয়গুলো চোখে পড়েছে সেখানেই বিজেপি গিয়েছে। এখানেই একই বিষয়।শুভেন্দু ও কৌস্তভের বক্তব্যের সাদৃশ্যতা রাজ্য রাজনীতিতে ফের চর্চার রসদ জুগিয়েছে।শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, আগামী ৩রা অক্টোবর গ্রুপ ডি বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আমার মিটিং রয়েছে। আমরা ওদের সবচেয়ে ভাল আইনজীবী দিয়ে আইনি সহায়তা দেব। আর আর্জি জানাব বঞ্চিত সব চাকরি প্রার্থীরা নবান্ন অভিযান করুন। হিসাব হবে ওখানেই।অবশ্য, গত জুন মাসে ডিএ আন্দোলনকারীদের মঞ্চে শুভেন্দু অধিকারী ও কৌস্তভ বাগচিকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। চাকরির দাবিতে এ দিন কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে গ্রুপ ডি-র বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীরা মিছিল করেন। সেই মিছিলেই প্রথমবার দেখা যায় বিরোধী দলনেতাকে হাঁটতে। কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচিও অংশ নেন ওই মিছিলেই।হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযাই, থিয়েটার রোড-ক্যামাক স্ট্রিটের সংযোগস্থল থেকে শুরু হয় গ্রুপ ডি-র বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের মিছিল। নিজাম প্যালেসের সামনে দিয়ে রবীন্দ্র সদন মোড় , এস পি মুখার্জি রোড হয়ে মিছিল এগোয়। অর্থাৎ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের সামনে দিয়ে এই মিছিল যায়। হাজরা মোড়ে এসে এই মিছিলের সমাপ্তি।উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবারই কৌস্থভ বাগচি বলেছিলেন যে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমার কাছে শুভেন্দু অধিকারী অচ্ছুৎ নন। মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বিরোধী দলনেতা হিসাবে ওনার পারফরমেন্স ছোট করা যাবে না। অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। এমনকী আমি তো বলি যে, বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকেই শেখা উচিত। তৃণমূল বিরোধী লড়াইয়ের কোনও মঞ্চে একসঙ্গে থাকতেও আপত্তি নেই বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন কংগ্রেসের এই আইনজীবী নেতা।বঙ্গে বিকল্প রাজনীতি প্রসঙ্গে বলেছিলেন, বার বার বলছি, তৃণমূলকে বাংলা থেকে উৎখাত করতে হলে বিকল্প রাজনীতি প্রয়োজন। শুভেন্দু অধিকারী মাঝে মধ্যে যেসব মন্তব্য করেন তাতে ইঙ্গিত পাচ্ছি যে উনি বিজেপিতে থেকে শাসক দলের বিরুদ্ধে সবটা করতে পারছেন না। তাই বিকল্প রাজনীতিটা খুবই দরকার।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

টানা ৮ ঘন্টা ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তৃণমূল নেতা অভিষেক, ফের তলব করা হতে পারে!

৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)-এর দফতরে। একেবারে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ। ইডির তলবে সাড়া দিয়ে বুধবার সকাল প্রায় সাড়ে ১১টায় সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশ কিছু নথি নিয়ে যান তিনি। তারপর থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা অতিক্রান্ত। প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। জানা গিয়েছে, দুপুর সাড়ে ১২টা ১০ মিনিট থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। আধ ঘন্টা পর অভিষেকের দেওয়া বয়ান নিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল বৈঠক করে। তারপর থেকে এখনও দুদফায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। অভিষেকের বয়ান রেকর্ড করা হয়।I.N.D.I.A-এর বৈঠকে দিল্লি যাননি। ইডি-র তলবে সাড়া দিয়ে এদিন ইডির দফতরে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমাণ্ড। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার অভিষেককে তলব করে ইডি। এদিন তলবেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দেখছে তৃণমূল। দলের এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই অভিষেককে তলব, যাই হোক না কেন আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাব। আজ আদালতে ইডির মৌখিক রক্ষাকবচ নিয়ে সিজিও-তে এসেছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ড ও কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেককে। কুন্তল ঘোষের চিঠিতেও অভিষেকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। উল্লেখ্য দলের ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবসে তিনি নিজেই ওই সংস্থাকে আমার কোম্পানি বলে দাবি করেছিলেন, সেই কারণে ইডি আধিকারিকরা তাঁর কাছ থেকে ওই সংস্থার কার্যকলাপ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী বলে জানা গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

গ্রেফতারির পালা ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের, এবার তলব বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে

ঘুষ দিয়ে বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি। এমন অভিযোগে ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদের চার শিক্ষক গ্রেফতার হয়েছেন। এবার বাঁকুড়ায় কর্মরত ৭ জন প্রাথমিক শিক্ষক নুয়ে ধন্দ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার ৭ জন প্রাথমিক শিক্ষককে বুধবার নিজাম প্যালেসে তলব করেছে সিবিআই। এই সাত জনের বিরুদ্ধে ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। তলব পাওয়া সাত শিক্ষক ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেট পাশ করে চাকরি পেয়েছিলেন। মূলত ২০১৪-র টেট দুর্নীতির অভিযোগ মামলাতেই সোমবার প্রাথমিকের ৪ শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। শিক্ষকের চাকরি পেতে এঁরা প্রত্যেকে ৫-৬ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের ধৃত ওই ৪ জন অযোগ্য প্রাথমিক শিক্ষক জেরায় নিজেরা দোষ কবুল করেছে।সোমবার নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে প্রথম টাকার বিনিময়ে চাকরি মেলার অভিযোগে ৪ শিক্ষককে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। গ্রেফতার হওয়া ৪ শিক্ষক মুর্শিদাবাদ জেলার। সিবিআই-এর চার্জশিটে এই ৪ ধৃত শিক্ষকের নাম ছিল সাক্ষী হিসাবে। কিন্তু বিচারক প্রশ্ন তোলেন যে চার্জশিটে কেন সাক্ষী হিসেবে নাম রয়েছে তাদের? এরপরই এই ৪ জন অযোগ্য শিক্ষিককে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন বিচারক। ৪ ধৃত অযোগ্য শিক্ষিক হলেন- জাহিরউদ্দিন শেখ, সায়গল হোসেন, সীমার হোসেন ও সৌগত মণ্ডল। বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায় জন ধৃত ৪ শিক্ষককে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এবার বুধবার বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে সিবিআই তলবের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বদলি ইডির মূল তদন্তকারী আধিকারিক সহ চার

শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি তদন্ত মামলায় আপাতত সরতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তদন্তকারী আধিকারিক সহ চারজনকে। সূত্রের খবর, শিক্ষা সংক্রান্ত নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দিল্লি বদলি হচ্ছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিক রামধরম দাগর। তিনি এত দিন এই তদন্তে ইডির দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। একইসঙ্গে এই মামলার সঙ্গে যুক্ত আর জনা তিন জন আধিকারিকের বদলির অর্ডার চলে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, এই মামলায় নতুন করে তদন্তকারী দল সাজাবে ইডি।ইতিমধ্যে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, রাজ্যের শিক্ষা দফতরের একাধিক আমলা, তৃণমূল নেতা, তাঁদের ঘনিষ্ট ব্যক্তিরা গ্রেফতার জেলবন্দি রয়েছে। সূত্রের খবর, এই মামলার প্রধান তদন্তকারী আধিকারিকের বদলির অর্ডার এসেছে। তাঁর সঙ্গে আর ৩ জনের বদলি হতে চলেছে বলে খবর।ইতিমধ্যে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সের সাত তলায় ইডি নতুন লকআপ তৈরির কাজ শুরু করেছে। ৩০০ স্কোয়ার ফুটের লক-আপ তৈরি হচ্ছে। সিসি ক্যামেটা তো থাকছেই তারসঙ্গে অত্যাধুনিক ব্যবস্থা থাকবে। জানা গিয়েছে পুজোর আগেই এই লক-আপের কাজ শেষ হয়ে যাবে। এই ভবনের ৬ তলায় আরেকটা লকআপ আগে থেকে তৈরি আছে। আর্থাৎ তদন্ত আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।জানা গিয়েছে, মূল তদন্তকারী আধিকারিক সহ চারজনের বদলি হলে নতুন করে দল সাজানো হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচন মিটে গিয়েছে। আবার তলব করা শুরু করতে চলেছে ইডি। ইতিমধ্যে তৃণমূলের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষকে তলব করলেও নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকায় ইডি দফতরে যেতে পারেননি তিনি।

জুলাই ১৩, ২০২৩
রাজ্য

কুন্তলের চিঠি মামলায় ধাক্কা অভিষেকের, এখনই হস্তক্ষেপ নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

তৃণমূলের সাসপেন্ডেন্ট যুব তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশের উপর এখনই হস্তক্ষেপ করতে চায়নি সুপ্রিম কোর্ট। কুন্তলের চিঠির ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একদফা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)। পরে ওই মামলার তদন্তেই তৃণমূলের নবজোয়ার যাত্রার মাঝেই দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে ফের তলব করেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তিনি জানিয়েছিলেন পঞ্চায়েত ভোটের পর যাবেন। কেন্দ্রীয় এজেন্সি তাঁকে হেনস্থা করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন অভিষেক। সুপ্রিম কোর্টে মামলাও দায়ের করেছিলেন তিনি। সেই আর্জি মামলায় এদিন দেশের প্রদান বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ছিল। সোমবারের শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি আদালতে জানান যে, তাঁর মক্কেলকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রান করা হচ্ছে। এতে অভিষেকের ব্যক্তি স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হচ্ছে।তবে সর্বোচ্চ আদালত অভিষেকের আইনজীবীর যুক্তি শুনতে চায়নি। সোমবারের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছেন, বেআইনি লেনদেন মামলার সূত্রে কাউকে জেরা করার অধিকার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের রয়েছে। তদন্তে সহযোগিতা করতে অসুবিধা কোথায়? তবে প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, অভিষেক চাইলে নতুন করে মামলা করতে পারেন। মামলাটি ফের কলকাতা হাইকোর্টে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও আর্থিক জরিমানার বিষয়টি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।গত মার্চের শেষে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শহিদ মিনারে দলের ছাত্র-যুবদের সভা থেকে অভিযোগ করেছিলেন যে, কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি তার নাম বলানোর জন্য গ্রেফতার হওয়াদের উপর চাপ দিচ্ছে। প্রায় একই অভিযোগ উঠে আসে কুন্তলের মুখেও। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত ফেব্রুয়ারিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষকে। তারপরই এপ্রিলে কুন্তল দাবি করেছিলেন, অভিষেকের নাম বলানোর জন্য জেরার সময় তাঁর উপর চাপ তৈরি করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সির গোয়েন্দারা। এই মর্মে নিম্ন আদালতের বিচারকের কাছে একটি চিঠি দিয়েছিলেন কুন্তল।কুন্তলের ওই চিঠির প্রেক্ষিতেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় অভিষেককে জেরা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে সেই মামলা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অন্য বেঞ্চে সরানো হয়। বিচারপতি অমৃতা সিনহা পুরনো নির্দেশই বহাল রাখেন।

জুলাই ১০, ২০২৩
রাজ্য

এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির তলব তৃণমূল নেত্রী অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এবার ইডির নজরে যুব তৃণমূল সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। টলিউডের এই অভিনেত্রীকে জিজ্ঞাসাবদের জন্য তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর, শুক্রবার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নোটিসে।সূত্রের খবর, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ের তদন্তে নাম উঠে এসেছে সায়নীর নাম। সম্পত্তি কেনাবেচাতেও নাম জড়িয়েছে সায়নীর, এমনটাই দাবি ইডির। সেই প্রসঙ্গে যুব সভানেত্রীকে জেরা করতে চায় ইডি। জানা গিয়েছে, আরেক গ্রেফতার যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ও সায়নীর সঙ্গে কুন্তলের যোগের কথা তদন্তকারীূের জানিয়েছেন।চলতি বছরের মার্চ মাসে কুন্তলের সঙ্গে পরিচিতি থাকায় ইডির নজরে এসেছিলেন অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। অভিযোগ ছিল, কুন্তলের টাকায় গাড়ি কিনেছিলেন তিনি। তা নিয়ে গোয়েন্দাদের প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ইডির হাতে কুন্তলের গ্রেফতারির পর তাঁর এক ঘনিষ্ঠের সঙ্গে যোগসূত্র মেলে বনির প্রেমিকা অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের।কুন্তল ঘনিষ্ঠ সোমা চক্রবর্তীর নেল পার্লারে মডেলিংয়ের কাজ করেছিলেন অভিনেত্রী। এর পর নাম আসে বনিরও। কুন্তল জেরার মুখে ইডি আধিকারিকদের কাছে দাবি করেছিলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে বাজার থেকে তোলা টাকার মধ্যে তিনি বনিকে ৪০ লক্ষ দিয়েছিলেন গাড়ি কিনতে। বনি পরে সেই টাকা ইডিকে ফেরতও দিয়েছে। ভোট বাজারে সায়নী ইডি দফতরে যায় কিনা তাই এখন দেখার।

জুন ২৮, ২০২৩
রাজ্য

রুজিরাকে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ, আগামী সপ্তাহে তলব অভিষেককে

সাড়ে চার ঘন্টা পর সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলাকে। কয়লা পাচার মামলায় ইডি তলব করেছিল অভিষেক-জায়াকে। বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনি প্রবেশ করেন সিজিওতে। দিল্লি থেকে আসা ইডি অফিসাররা রুজিরাকে প্রশ্ন করেছেন। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে রুজিরাকে দিল্লির সদর দফতরে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। তবে সেক্ষেত্রে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। আদালতের নির্দেশেই রুজিরাকে কলকাতার দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বলা হয়েছিল ইডিকে।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, আমার পারিবারিক বিষয় নিয়ে কোনও কথা বলব না। ও (রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়) ভালো মেয়ে, নিরাপরাধ মেয়ে, সৎ মেয়ে, প্রাপ্ত বয়স্কা। শুধু বলব ইডি বাঘ নাকি? ইডি দেশের জনগণের সেবার জন্য, বিজেপির সেবা করার জন্য নয়।এরপরই এদিন বিকালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)। আগামী মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। প্রসঙ্গত, ওইদিনই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের।আজ, বৃহস্পতিবারই ইডির নোটিস, মঙ্গলবার অভিষেককে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি । কুন্তলের চিঠি ছাড়াও একাধিক তথ্যকে সামনে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চায় ইডি। গত ২০ মে কুন্তলের চিঠির প্রেক্ষিতে অভিষেককে প্রায় ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই।সমন পাওয়ার পর অভিষেক জানিয়ে দিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোট শেষ হওয়ার পর ইডি তলব করলে তিনি যাবেন। এখন ১০-১২ ঘন্টা সময় নষ্ট করতে পারবেন না।

জুন ০৯, ২০২৩
রাজ্য

বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হবেন অভিষেক, তদন্তেেও সহযোগিতা

আইনের উপর আমার সম্পূর্ণ আস্থা আছে। আমি যে কোন তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার সকালেই হাইকোর্টের বিচারপতি বিচারপতি অমৃতা সিনহা রায় দেন যে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। এর পাশাপাশি আদালতে সময় নষ্টের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও ধার্য করা হয়। আদালতের এদিনের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্গাপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান আইনের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে, যে কোনও তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে তিনি প্রস্তুত। এর পাশাপাশি অভিষেক জানান, ডিভিশন বেঞ্চ কিংবা সুপ্রিম কোর্টের দরজা খোলা রয়েছে, তিনি অবশ্যই সেই আদালতের দ্বারস্থ হবেন। জরিমানা প্রসঙ্গে কার্যত তিনি বিচার ব্যবস্থাকে বিঁধলেন। তিনি বলেন, যাঁরা কথায় কথায় পিআইএল করে তাদের কোন জরিমানা করা হয় না, কনভয়ে মানুষের মৃত্যু হলে যাঁরা রক্ষাকবচের আবেদন করে , তাঁদের জরিমানা করা হয় না। আমি অধিকারকে সামনে রেখে বিচার ব্যবস্থার দ্বারস্থ হয়েছি বলে আমায় জরিমানা করা হল। প্রয়োজনে কর্মসূচি স্থগিত রেখে তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত বলেও জানিয়ে দেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।

মে ১৮, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রতিটি বুথে নজরদারি, এবার ভোটে থাকবে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। এবার প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। বুথের ভিতরে এবং বাইরে দুজায়গাতেই ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি বুথে অন্তত দুটি ক্যামেরা থাকবে এবং তার সঙ্গে ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্যধারণ করতে সক্ষম বিশেষ ক্যামেরাও বসানো হবে।কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের শতভাগ বুথেই এই নজরদারি চালানো হবে। ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থায় এই পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রথম স্তরে রিটার্নিং অফিসার, দ্বিতীয় স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং তৃতীয় স্তরে মুখ্য নির্বাচনী দফতর থেকে সবকিছু দেখা হবে। একাধিক স্ক্রিনে এই সমস্ত ফুটেজ নজরদারি করা হবে এবং প্রতিটি স্ক্রিনের সামনে দুইজন করে পর্যবেক্ষক থাকবেন, একজন নজর রাখবেন এবং অন্যজন তথ্য নথিভুক্ত করবেন।এছাড়াও ভোটযন্ত্র বহনকারী গাড়িগুলির উপরও নজর রাখা হবে। সেই গাড়িগুলিতে জিপিএস থাকবে, যাতে তারা নির্দিষ্ট পথেই যাচ্ছে কি না তা বোঝা যায়। কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির মাধ্যমে সবকিছু রেকর্ড করা হবে। ভোটের এক থেকে দুই দিন আগে থেকেই বুথগুলিতে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে এবং হাজার হাজার মাইক্রো পর্যবেক্ষক এই কাজে যুক্ত থাকবেন।সংবেদনশীল বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে বুথের ভিতরে একাধিক ক্যামেরা বসানো হবে। যদি কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটে, তাহলে সেই ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।কমিশন আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়, ভোটারদের ভোট দিতে না দেয় বা জোর করে বুথ দখল করে, তাহলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। এই ধরনের অপরাধে জেল ও জরিমানার শাস্তি হতে পারে। সরকারি কর্মচারী কেউ এই ধরনের কাজে যুক্ত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্ট নয়, পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারের রিপোর্টও গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। নিরাপত্তার দিক থেকেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয় সেখানে অতিরিক্ত কর্মী রাখা হবে, যারা বুথের বাইরে নজর রাখবেন।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘বিচারাধীন’ থেকে সরাসরি বাদ, প্রাক্তন সাংসদের নাম ঘিরে চাঞ্চল্য

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত নতুন তালিকায় বড় চমক সামনে এল। আগে যার নাম বিচারাধীন হিসেবে ছিল, দ্বিতীয় দফার তালিকায় সেই নামই সম্পূর্ণ বাদ পড়ে গেল। এই ঘটনায় জড়িত প্রাক্তন সাংসদ ও এসইউসি নেতা তরুণ মণ্ডল। তাঁর স্ত্রীর নামও আগে বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফার তালিকা প্রকাশ করে। তবে কত নাম রাখা হয়েছে বা কত নাম বাদ গেছে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এর মধ্যেই জানা যায়, তরুণ মণ্ডলের নাম আর তালিকায় নেই।এক সময় রাজ্য রাজনীতিতে পরিচিত মুখ ছিলেন তরুণ মণ্ডল। তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জয়নগর কেন্দ্র থেকে সাংসদ হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে হাওড়ায় থাকেন। তাঁর নাম দক্ষিণ হাওড়া এলাকার একটি বুথে ছিল।প্রথম তালিকায় দেখা গিয়েছিল, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দুজনেই বিচারাধীন তালিকায় রয়েছেন। পরে শুনানির সময় তিনি একাধিক নথি জমা দেন। তারপর তাঁর নাম বিবেচনাধীন তালিকায় ওঠে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার তালিকায় তাঁর নাম সম্পূর্ণ বাদ পড়ে যায়।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তরুণ মণ্ডল। তিনি বলেন, তিনি সরকারি চাকরি করেছেন, পেনশন পান এবং সাংসদও ছিলেন। তিনি একাধিক নথি জমা দিয়েছেন। তবুও কেন তাঁর নাম বাদ গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি ও লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি লিখবেন। তাঁর মতে, একজন প্রাক্তন সাংসদের যদি এই পরিস্থিতি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া বার্তা কমিশনের, থানার ওসিদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশ

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে হিংসামুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে একাধিক কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের পক্ষ থেকে থানার ওসিদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।নির্দেশ অনুযায়ী, আগের নির্বাচনের সময় হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং কোনও পরোয়ানা ১০ দিনের বেশি ফেলে রাখা যাবে না। থানাগুলিকে পলাতক ও ওয়ান্টেড আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।এছাড়া, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে পুলিশকে। অতীতে যেখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে, সেই সব এলাকা চিহ্নিত করে আগে থেকেই নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অপরাধপ্রবণ এলাকা ও মাদক চক্র সক্রিয় এমন জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত টহল চালাতে হবে। সন্দেহজনক হোটেল, লজ বা অন্য জায়গায় তল্লাশি চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কোনও অশান্তির খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে হবে।আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে দিনরাত নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সব গাড়িতে তল্লাশি বাড়াতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সবসময় চালু রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজনৈতিক সভা, রোড শো এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। যেসব ব্যক্তি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন বা ঝুঁকিতে থাকতে পারেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভোট সংক্রান্ত সমস্ত আধিকারিক কমিশনের অধীনে কাজ করবেন এবং নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলকে আক্রমণ, বাম শাসনের প্রশংসা শাহর, রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতায় এসে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তিনি দাবি করেন, বর্তমান তৃণমূল সরকারের তুলনায় বাংলায় বামফ্রন্টের শাসন অনেক ভালো ছিল। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।কলকাতায় বিজেপির চার্জশিট প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, বাংলায় সোনার বাংলা গড়ার নামে হিংসা ও অরাজকতা বেড়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছে এবং সিন্ডিকেট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, তোষণের রাজনীতি করা হচ্ছে এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।শাহ দাবি করেন, পরিবর্তনের আশায় বাংলার মানুষ একসময় তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছিল। কিন্তু এখন অনেকেই মনে করছেন, আগের বাম শাসনই ভালো ছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি তৃণমূল সরকারের সঙ্গে বাম আমলের তুলনা টানেন।এদিন তিনি তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রকাশ করেন। সেখানে দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ ইস্যুতে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এবারের নির্বাচনে বাংলার মানুষকে ভয় আর ভরসার মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে।শাহ আরও দাবি করেন, গত কয়েক বছরে দেশের একাধিক রাজ্যে বিজেপি প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে। এবার বাংলাতেও বিজেপি বড় জয় পাবে বলে তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, অঙ্গ, বঙ্গ এবং কলিঙ্গে একই দলের সরকার গঠনের সময় এসে গেছে।এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় এসে বিস্ফোরক চার্জশিট অমিত শাহর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

বাংলায় এসে তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে চার্জশিট প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নিউ টাউনের একটি হোটেলে এই চার্জশিট প্রকাশ করেন তিনি। শাহর দাবি, এটি শুধু বিজেপির চার্জশিট নয়, বাংলার মানুষের অভিযোগের প্রতিফলন।তিনি বলেন, দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, শিল্প ও স্বাস্থ্যসব ক্ষেত্রেই তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরা হয়েছে এই নথিতে। তাঁর কথায়, গত ১৫ বছরে বাংলায় ভয়, সন্ত্রাস, দুর্নীতি এবং বিভেদের রাজনীতি চলেছে। এবার মানুষকে ঠিক করতে হবে তারা ভয়ের পক্ষে থাকবে, না উন্নয়নের পক্ষে।অমিত শাহ অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন। তিনি অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে এবং এর ফলে দেশের নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের জীবিকা দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছে না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অল্প সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় জমি দেওয়া হবে এবং সীমান্ত সুরক্ষিত করা হবে।বাংলায় বিজেপির ভোটের বৃদ্ধি নিয়েও তথ্য দেন শাহ। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে বিজেপির ভোটের হার অনেক বেড়েছে এবং রাজ্যে একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে।অমিত শাহ বলেন, এই নির্বাচন বাংলার মুক্তির নির্বাচন। অনেক মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং পরিবর্তন চান।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, তিনি বারবার সহানুভূতি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল নেন। তবে বাংলার মানুষ এখন সেই রাজনীতি বুঝে গিয়েছেন।নারী নিরাপত্তার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন শাহ। তিনি দাবি করেন, বাংলায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় সমস্যা রয়েছে এবং বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণও তুলে ধরেন।এছাড়া তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় একই দলের সরকার গঠন হতে পারে। তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার শুভেন্দু অধিকারীর নামও উঠে আসে, যা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সভা শেষে হঠাৎ আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা অভিষেকের

শনিবার বীরভূমের লাভপুরে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা শেষে হঠাৎ মঞ্চের একাংশে আগুন লাগে। এই ঘটনায় সভাস্থলে উপস্থিত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুত দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই আগুন লাগে। তিনি তখন হেলিপ্যাডের দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারকে একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেন। রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথাও জানান।সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎ মঞ্চের উপরের অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কাপড়ে আগুন ধরে যায়। সেখানে উপস্থিত দমকল কর্মীরা দ্রুত মঞ্চে উঠে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। নিরাপত্তার জন্য এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কীভাবে আগুন লাগল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল ও পুলিশ।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও একটি সভা করার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে তিনি কলকাতায় ফিরে ভারচুয়াল মাধ্যমে প্রচার করবেন বলে জানা গেছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

রঘুনাথগঞ্জে সংঘর্ষে বিস্ফোরক মমতা, সরাসরি কমিশন ও বিজেপিকে দায়ী

মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ঘটনায় বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অফিসারদের সরিয়ে দিয়ে দাঙ্গা বাধানো হয়েছে। তাঁর হুঁশিয়ারি, এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, কাউকেই ছাড়া হবে না।শনিবার রানিগঞ্জের খান্দরা ফুটবল মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কারা দাঙ্গা বাধানোর অধিকার দিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে টাকা ঢোকানো হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাম নবমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্র নিয়ে বের হওয়া হয়েছে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এই ঘটনার জন্য তিনি দুঃখপ্রকাশও করেন। বলেন, প্রশাসন বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকায় কিছু ক্ষেত্রে গা ছাড়া মনোভাব দেখা গিয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখবেন।নির্বাচন ঘোষণার পর শীর্ষ স্তর থেকে জেলা প্রশাসনের একাধিক অফিসার বদলি করা হয়েছিল। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। তৃণমূলের দাবি, রঘুনাথগঞ্জের ঘটনা সেই আশঙ্কাকেই সত্যি প্রমাণ করেছে।প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মতো এবারও রঘুনাথগঞ্জে রাম নবমীর শোভাযাত্রা বের হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল ম্যাকাঞ্জি পার্কের দিকে যাচ্ছিল। সিসাতলা এলাকায় একটি মিছিল পৌঁছলে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।মিছিলে ইট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে এবং এলাকা মুহূর্তে অশান্ত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে বড় শোভাযাত্রা ফুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছলে আবারও উত্তেজনা ছড়ায়। দুই পক্ষের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি চলতে থাকে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন লাগিয়ে দেয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ। তাদের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
বিদেশ

গোপন ফোনালাপে তৃতীয় ব্যক্তি, মোদি-ট্রাম্প কথোপকথনে কেন মাস্ক

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ হয়। সেই ফোনালাপে অপ্রত্যাশিতভাবে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলা উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্প মোদিকে ফোন করেন। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ অভিযানের পর এই প্রথম দুই নেতার মধ্যে কথা হয়। সেই আলোচনায় মাস্কের উপস্থিতিকে অস্বাভাবিক বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ যুদ্ধের সময় এমন উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় তৃতীয় কোনও ব্যক্তির থাকা খুবই বিরল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, মাস্ক ফোনালাপে ছিলেন ঠিকই, তবে তিনি কথা বলেছেন কি না তা স্পষ্ট নয়। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ভালো এবং তাঁদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।এই ফোনালাপে হরমুজ প্রণালী নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। দুই দেশনেতাই মনে করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে খোলা ও নিরাপদ রাখা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই পথ বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, গত বছর প্রশাসন ছাড়ার পর ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal