• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ২২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sam

রাজ্য

২৬৩ বছরের পুরানো কালনার ভবানন্দপুরে বিচারক হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায়'র "মুখার্জী বাড়ি"র পুজো

কালনা শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি গ্রাম ভবনন্দাপুর। সেই সময়ে শহর থেকে দূরে এই প্রত্যন্ত গ্রামে দুর্গা পুজো করা দূর অস্ত, ভাবনাটাই ছিলো কঠিন। বর্তমানে মুখোপাধ্যায় পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য অশোক মুখোপাধ্যায় জানালেন, সতেরশো খীষ্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কালনা মহুকুমার অন্তর্গত ভবানন্দপুর গ্রামে জমিদারী লাভ করেন। এই অঞ্চলে দুর্গা পুজোর অধিক্য সেভাবে না থাকায় তিনি দুর্গা পুজোর উদ্যোগ নেন। বহুকাল অবধি এই মুখোপাধ্যায় পরিবারের পুজো-ই গ্রামের একমাত্র পুজো ছিলো। গ্রামবাসীরা চারদিন ধরে এই মন্ডপেই আনন্দ করতেন।শারদ সন্মান নিয়ে ক্ষুদে সদস্যদের উল্লাসভবানন্দপুরে গ্রামে এই দুর্গা পুজোর প্রবর্তক ছিলেন হরিনারায়ন মুখোপাধ্যায়। তারই উদ্যোগে এই পুজোর সূত্রপাত। পরিবারের সুত্রে জানা যায়, হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায় ১৭৫৯ এ (ইংরাজী) এই পুজো শুরু করেন। সাবেকি ঘরানার প্রতিমা, প্রথা মেনে মহালয়ার ভোরে দেবীর চক্ষূদান করা হয়। দেবীর গায়ে মাটি দেওয়া হয় জন্মাষ্টমীর পরেরদিন। মুখোপাধ্যায় পরিবারের সদস্য অশোক মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, অতীতে এই পুজোতে ছাগল বলিদান দেওয়া হত। উত্তরসুরীদের কাছে শোনা কথা, কোনও এক সাধক একবার এই পুজোতে আসেন, তাঁর আদেশেই ছাগল বলি দেওয়া বন্ধ হয়। বর্তমানে এই পুজোতে ছাঁচি কুমড়ো, কলা ও আখ বলি দেওয়া হয়। নবমীর দিন কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়।মুখার্জী বাড়ির কুমারী পুজোঅশোক মুখোপাধ্যায় আরও জানান, গ্রামের সকলে এসে মায়ের ভোগ প্রসাদ গ্রহণ করেন। আনুমানিক ১৫০০ থেকে ১৬০০ মানুষ মায়ের ভোগ প্রসাদ এখানে বসে খেয়ে যান। গ্রামের মানুষজনই সোৎসাহে এই ভোগ প্রসাদ বিতরণ করেন। জনতার কথার প্রতিনিধীর, দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধিতে পুজোর আচার বা মানুষজন কে নিমন্ত্রনে কোনও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে কিনা প্রশ্নের উত্তরে অশোক মুখোপাধ্যায় জানান, দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সেভাবে আমারা কোনও কিছু ত্রুটি রাখিনি, কিভাবে মায়ের পুজোর যোগার হয়ে যাচ্ছে সেটা আমরাও বুঝতে পারিনা, পরিবারের প্রত্যকেই তাঁর অর্থনৈতিক ক্ষমতা মত এগিয়ে আসেন তাই এই পুজো করতে আমাদের সেভাবে এখনও কোনও অসুবিধার মধ্যে প্ররতে হয়নি।পরিবারের আরও এক সদস্য তাপস মুখোপাধ্যায় জানান ১৭৭৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট কোলকাতা ফোর্ট উইলিয়ামে চালু হয়। হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায় সেই সময়ে সেই কোর্টে কলকাতায় বিচারক ছিলেন তাঁরই উদ্যোগে এই পুজোর শুরু। তাঁর কথায় এই পুজোর খরচ মায়-ই যোগার করে নেন। তিনি আরও বলেন পরিবারের সকলে এবং গ্রামবাসীদের নিয়ে এই পাঁচদিন আমরা মাতোয়ারা থাকি। তাঁর বিশ্বাস খুবই জাগ্রত এই পুজো।পরিবারের কনিষ্ট সদস্য কুনাল মুখোপাধ্যায় জানান, বংশ পরম্পরায় একটা লিগাসি আমরা ক্যারী করে চলেছি খুব আনন্দ সহকারে, আমরা কোনও সময়েই মনে করিনা আমরা খাওয়াচ্ছি। এই যে গ্রামবাসীদের ভোগ বিতরণ, এটা মা দুর্গা নিজেই করিয়ে নেন, এতে আমাদের কোনও ভুমিকা নেই। তিনি ও পরিবারের বাকি সদস্যরা প্যানোরামা ও জনতার কথার শারদ সন্মান সেরা বনেদী বাড়ির পুজো পুরস্কার পেয়ে খুবই আনন্দিত বলে জানান। পুরস্কার পাওয়ার মোমেন্টো নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঢাক বাজিয়ে নৃত্য করতেও দেখা যায়।

অক্টোবর ০৪, ২০২২
রাজ্য

রেল-সড়ক অবরোধের ১০০ ঘন্টা পার, দাবিতে অনড় কুড়মি সমাজ

কুড়মি সমাজের স্পষ্ট দাবি, তপসিলি জনজাতিভুক্ত করতে হবে। রেল ও সড়ক অবরোধের ১০০ ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছে। তবু মেলেনি রফাসূত্র। রাজ্য সরকার ফের চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারকে। এই চিঠি আদৌ কার্যকর হবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান আন্দোলনকারীরা। রেল ও সড়ক পথ বন্ধ থাকায় স্বভাবতই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজার হাজার মানুষকে।পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়ায় অব্যাহত কুড়মি সমাজের লাগাতার বিক্ষোভ-অবরোধ কর্মসূচি। গত মঙ্গলবার থেকে বিক্ষোভ-অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে কুড়মিরা। শনিবার তাঁদের লাগাতার এই আন্দোলন পাঁচ দিনে পড়ল। ১০০ ঘন্টা পার করেছে।পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলি ও পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশনে গত পাঁচ দিন ধরে রেললাইনের উপর বসে-শুয়ে, মঞ্চ বেধে গান গেয়ে আন্দোলন চালাচ্ছেন কুড়মিরা। একটানা রেল রোকো কর্মসূচিতে প্রতি দিন দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে বহু ট্রেন বাতিল করছে। বহু ট্রেনের গতিপথ বদল করতে বাধ্য হচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। রেললাইনের পাশাপাশি একটানা অবরোধ চলছে জাতীয় সড়কেও। পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলিতে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন কুড়মিরা।জাতীয় সড়কে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে গত মঙ্গলবার থেকে গাড়ির লাইন পড়ে গিয়েছে। চরম হয়রনির শিকার হচ্ছেন গাড়িচালক-খালাসি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। খাবারের ভান্ডারে টান পড়েছে গাড়িচালক-খালাসিদের। রেল অবরোধের জেরে দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ে আড়াইশোর বেশি ট্রেন ইতিমধ্যেই বাতিল করেছে। বহু ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। দাবি না মেটা পর্যন্ত আন্দোলন তুলবে না কুড়মিরা। তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে, প্রশাসন বলপ্রয়োগ করুক বা গুলি করুক এক পা-ও পিছবে না।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২
রাজ্য

নন্দীগ্রামে সমবায় সমিতির ভোটে বিজেপি ধরাশায়ী, বিপুল জয়লাভ তৃনমূলের

রবিবার ছিল নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের বিরুলিয়া গ্রাম-পঞ্চায়েতের হানুভুঁইয়া কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতির নির্বাচন। মোট ৫২ টি আসনের মধ্যে মনোনয়ন পর্বে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১টি আসনে জিতেছিলেন তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থী। বাকি ৫১টি আসনের ভোটে তৃণমূল সমর্থিত ৫১ জন প্রার্থী ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বিজেপি সমর্থিত ৪০ জন এবং সিপিএম সমর্থিত ২৯ জন প্রার্থী।নির্বাচনে ২৫০০ সদস্য ভোটারের মধ্যে ৯০ শতাংশ ভোটাধিকার প্র্যোগ করেন। নির্বাচনকে ঘিরে সকাল থেকেই ছিল রীতিমত টানটান উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ। ভোট শেষ হলে গণনায় দেখা যায় ৫০ টি আসনে তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। আর একটি আসনে জয়ী বাম সমর্থিত প্রার্থী।নন্দীগ্রাম ২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মহাদেব বাগ বলেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে বিরুলিয়া অঞ্চলে ১০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। বিজেপির হাত ধরার অভিজ্ঞতা হয়েছে মানুষের। তাই সমবায়ের উন্নয়নের জন্য তৃণমূলেই আস্থা রেখেছেন এলাকার মানুষজন। তাঁরা স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে ভোট দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসকে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে কেন এই ছবি, তার উত্তর খুঁজতে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে বিজেপি-র অন্দরেই। যদিও ব্যর্থতা আড়ালে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জির দাবি, চাপা সন্ত্রাসের মুখে ভোট দিয়েছেন মানুষ তাই এই ফল।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপনের প্রাক মুহুর্তে বিপ্লবীদের আস্ত্র ভান্ডারের হদিস বালুরঘাটে

বহু বিপ্লবী লড়াই, সংগ্রাম ও আত্মবলিদানের ফলে আমাদের এই দেশমাতৃকা ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করেছে। তারপর থেকে দেশের প্রবাহিত নদীগুলির মধ্যে দিয়ে বহু জল প্রবাহিত হয়েছে। দেশ স্বাধীনতা লাভের ৭৪ টি বসন্ত পার করে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে। আর সেই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বালুরঘাট শহরের প্রাচীন স্কুলগুলির মধ্যে অন্যতম প্রাচ্য ভারতি স্কুল ভাড়ার ঘর থেকে অনুশীলন সমিতির ব্যবহার করা অস্ত্রশস্ত্রের হদিস মিললো।উল্লেখ্য যে ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে বালুরঘাট ক্ষুদ্র হলেও অসামান্য অবদান রেখেছে। দেশের পঞ্চম স্থান হিসেবে স্বাধীনতার লাভের আগেই একদিনের জন্য হলেও স্বাধীনতা সংগ্রামীরা ইংরেজদের ইউনিয়ন জ্যাক নামিয়ে বালুরঘাটে তিরাঙ্গা পতাকা উড়িয়েছিলেন। আর সেই সমস্ত ইতিহাস তৈরীর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল যুগান্তর, অনুশীলন সমিতির মতো বিপ্লবী সংগঠনগুলির। প্রাচ্যভারতী প্রতিষ্ঠান যা বর্তমানে একটি ক্লাব সংগঠনের পাশাপাশি একটি বিদ্যালয়ের রূপ পেয়েছে সেই প্রাচ্য ভারতীতে ছিল যুগান্তর অনুশীলন সমিতির মতো গোপন বিপ্লবী সংগঠনের আস্তানা।বিপ্লবীদের অনেক অস্ত্র লুকানো থাকতো এই সংগঠনের বিভিন্ন বিভিন্ন জায়গায়। সেই অস্ত্রের কিছু অংশবিশেষ উদ্ধার হল প্রাচ্যভারতীর ভাঁড়ার ঘর থেকে। পাশাপাশি কিছু প্রাচীন মূর্তির ধ্বংসাবশেষ ও উদ্ধার হয় শুক্রবার দুপুরে প্রাচ্য ভারতি স্কুলের ভাড়ার ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে। বিদ্যালয় এর শিক্ষকেরা সেই অস্ত্রশস্ত্র এবং মূর্তিগুলি উদ্ধার করে সযত্নে রেখে দেন। আগামী দিনে এই অস্ত্রশস্ত্র গুলি নিয়ে তারা স্কুলেই একটি ছোট্ট মিউজিয়াম তৈরি করতে চান বলে স্কুলের শিক্ষকরা জানিয়েছেন। স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এই ধরনের স্বাধীনতার কাজের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র খুঁজে পাওয়ার ফলে স্বাধীনতা যুদ্ধে বালুরঘাটের অবদানের ইতিহাস জানতে অনেক শিক্ষকরা আশাবাদি বলে জানান।

আগস্ট ১৩, ২০২২
রাজ্য

আদিবাসীদের আন্দোলন স্মরণ জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার, জানিয়ে দিলেন সরকার তাঁদের পাশে আছে

সারা রাজ্যে মহা সমারোহে পালিত হল হুল উৎসব। ইংরেজ অপশাসনের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য যে সংগ্রাম হয়েছিল তা সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত, সেই বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণ করে পালিত হয় হুল দিবস। অলচিকি ভাষায় হুল কথার অর্থ বিদ্রোহ। ১৮৫৭ তে সিপাহী বিদ্রোহের ২ বছর আগে ১৮৫৫ তে সংগঠিত হওয়া এই বিদ্রোহ-ই আলো দেখিয়েছিলো ইংরেজদের বিরুদ্ধে ভারত ছাড়ো আন্দোলনকে জোড়ালো করতে। একই পরিবারের ভাইবোন সিধু, কানু, চাঁদ, ভৈরব,আর দুই বোন ফুলমনি এবং ঝানু মুর্মু-র এই আন্দোলন পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। এই ছয় ভাইবোনের ডাকা আন্দোলনে এককাট্টা হয়েছিল চারশোটি গ্রাম। সে ডাকে সাঁওতালরা ছাড়াও সারা দিয়েছিলো সমস্ত নির্যাতিত মানুষ।বৈদ্যপুর রথতলায় হুল উৎসব-এ উপস্থিত অতিথিবর্গপূর্ব বর্ধমান জেলার অনগ্রসর, শ্রেনীকল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার কালনা-২ ব্লকের বৈদ্যপুর রথতলায় বৈদ্যপুর রামকৃষ্ণ বিদ্যাপিঠ সংলগ্ন ময়দানে হুল উৎসব পালন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি সম্পা ধারা, জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি ও পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী শাখা সংগঠনের সভাপতি দেবু টুডু, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের মেন্টর উজ্জ্বল প্রামানিক, কালনা মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগৎ, কালনা-২ বিডিও ও জেলা অনগ্রসর শ্রেনীকল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের অধিকারিকগন।এদিনের এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়াও তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের আম্বেদকর মেধা পুরস্কার প্রদান করা হয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, আদিবাসী আন্দোলন আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামকে পথ দেখিয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষকে আমাদের আমরা ভুলতে পারি না। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা উপস্থিত সকলকে হুল দিবসের শুভেচ্ছা জানান। জেলাশাসক বলেন, বিদ্রোহের সময় যে অবদান আদিবাসীদের ছিল, আজকের সমাজেও তাদের অবদান ভোলার নয়।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা কে আদিবাসী প্রথায় বরন করা হচ্ছেতিনি আরও বলেন,আদিবাসী সমাজের সংস্কৃতি যত উদযাপন করতে পারি সেটা আমাদের পক্ষে মঙ্গল। তিনি আদিবাসীদের উদ্দেশ্যে জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য যা যা সুবিধা দেয় সেটা তাঁরা যেন ঠিক ঠিক সময় সরকারি দপ্তরে উপস্থিত হয়ে গ্রহণ করেন। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে উপস্থিত হয়ে তাঁদের জাতিগত সংসাপত্র গ্রহণ করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, জমির পাট্টা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে সরাসরি সরকারি দপ্তরে তাঁরা যেন যোগাযোগ করেন। সরকার আপনাদের পাশে আছে।কালনার-২ বৈদ্যপুর রথতলা সংলগ্ন বৈদ্যপুর রামকৃষ্ণ বিদ্যাপিঠ সংলগ্ন ময়দানের এই অনুষ্ঠানে মানুষের উপস্থিতির হার ছিল যথেষ্ট। এদিন নানারকম আদিবাসী সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ধামসা, মাদল এর ছন্দে পা মেলান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু।

জুন ৩০, ২০২২
রাজ্য

নতুন গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত গলসি, নজর রাখছে জেলা নেতৃত্ব

নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব এবং তার জেরে অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগ ঘিরে তেতে উঠেছে গলসি ১ ব্লকের রাজনৈতিক পারদ। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে তাতে রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা বড় বিপদে পড়তে পারে শাসক তৃণমূল। এমনকি ওই ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির কাজকর্ম শিকেয় উঠতে পারে।রাজনৈতিক মহলের দাবি, দিন দুয়েক আগে শাসকদলের পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পেছনে দলেরই কোন্দল রয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, কাজ না করে তৃণমূল পরিচালিত গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের টাকা পাওয়ার অভিযোগ তুলে সবর হয়েছেন ওই সমিতিরই সদস্য-সদস্যাদের একাংশ, বেশ কয়েকজন কর্মাধ্যক্ষ সহ খোদ সভাপতি রোকেয়া বেগমও। যদিও লিখিত কোন অভিযোগ নেই। তবে তাঁদের দাবি, ঠিকাদার কোন কাজ না করেই দুদফায় কাজের অনুমোদিত সমস্ত অর্থ তুলে নিয়েছে। আর তা হয়েছে ঠিকাদার অনুপবাবুর ঘনিষ্ঠ বলে। আর এই অভিযোগকে ঘিরে সরগরম গলসির রাজনীতি। কিন্তু সেই সব অভিযোগ উড়িয়ে অনুপবাবুর পাল্টা দাবি, যা হয়েছে সব নিয়ম মেনেই হয়েছে। ঘোলাজলে মাছ ধরতে নেমে দলের ভাবমূর্তি, প্রাশাসনের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইছেন অভিযোগকারীরা। কিন্তু, দলের জেলা নেতৃত্ব জানেন কোথায় কি হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, গলসি ১ ব্লকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থাকলেও তার তীব্রতা সব থেকে বেশি দেখা যাচ্ছে গত এক মাসধরে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, দলের আদিগোষ্ঠীর পরিবর্তে নতুন গোষ্ঠী মাথা চড়া দিয়েছে ওই ব্লকে। ফলে দিন যত যাচ্ছে ততই নতুন গোষ্ঠীর কোন্দল প্রকাশে চলে আসছে। এলাকায় কোন গোষ্ঠী আধিপত্য বিস্তার করবে, তা নিয়েই নতুন গোষ্ঠী-বিরোধ। যার এক দিকে রয়েছেন ব্লক তৃণমূল প্রাক্তন সভাপতি তথা জেলা সহ সভাপতি জাকির হোসেন এবং তাঁর অনুগামীরা। অন্য দিকে, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্রোপাধ্যায় ও তাঁর গোষ্ঠী।স্থীনায় সূত্রে খবর, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতিতে আধিপত্য রয়েছে অনুপবাবুর। আর সভাপতি রোকেয়া সহ বেশ কয়েকজন কর্মাধ্যক্ষ আর সদস্য রয়েছেন জাকিরের দিকে। কিন্ত এমনটা ছিল না। মাস পাঁচেক আগেও জাকিরের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিল অনুপ। আর তাঁদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল দলের ব্লক সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায়ের। এলাকার রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দলের ওই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলছে। তারই জেরে মারপিট, পার্টি অফিস ভাঙচুর, বোমাবাজির একাধিক অভিযোগ উঠছে দুই পক্ষের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই লড়াইয়ে তিতিবিরক্ত ছিলেন। কিন্ত নতুন করে জাকির আর অনুপের কোন্দল দলকে ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্ধমান সফরের আগেই গলসির এই দুই নেতার দ্বন্দ্ব ঘুম ছুটিয়েছে জেলা নেতৃত্বের।কিন্তু কেন এমন হলো?রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাকির আর অনুপের দূরত্ব বেড়েছে পারাজ-শিল্ল্যা রোডের উপর পঞ্চায়েত সমিতির টোল নিয়ে। তাঁদের দাবি, ওই টোল নিজের ঘনিষ্ঠদের পাইয়ে দেওয়ার জন্য উঠে-পরে লেগেছিলেন জাকির হোসেন। কিন্তু, পঞ্চায়েত সমিতি নিয়ম মেনে দরপত্র ডেকে দেওয়াতে তা হয়নি। এরপর যত দিন গড়িয়েছে ততই দূরত্ব বেড়েছে জাকির আর অনুপের। সম্প্রতি পারাজে কাঠের সেতুর উপর টোল আদায় বন্ধ করেছে প্রশাসন। যে কাঠের সেতুর উপর অবৈধভাবে টোল নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল জাকিরের অনুগামীদের বিরুদ্বে। এই টোল আদায় বন্ধ করার পেছনে অনুপ কলকাটি নেড়েছে বলে মনে করছেন জাকিরের অনুগামীরা। ফলে জাকির আর অনুপের সম্পর্ক পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, দলের ভেঙে দেওয়া গলসি ১ ব্লক সভাপতি পদে দুজনই দৌড়ঝাঁপ করছেন। আর সেই দৌড়ে অনুপকে পেছনে ফেলতে জাকির গোষ্ঠী অনুপ ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারকে কাজের আগে টাকা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে সবর হয়েছেনে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।জেলাস্তরে এক নেতার বক্তব্য, গলসির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অবৈধ বালি খাদান চালানো, বৈধ বালি খাদান থেকে টাকা তোলার অভিযোগ ছিলই। তারপরে নতুন করে এমন সব অভিযোগ আসছে যা দলকে ভাবিয়ে তুলছে। তবে দল এইসব বেনিয়ম বরদাস্ত করবে না। আগামীতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তৃণমূলের জেলা শীর্ষ জানিয়ে দিয়েছে।

জুন ২৩, ২০২২
দেশ

'কীর্তি'-র কীর্তি তে বন্যাবিধ্বস্ত দুর্গতদের মুখেও হাসি, এ এক অন্য আমলার কাহিনি

আসামের কাছাড় জেলায় ডেপুটি কমিশনার কীর্তি জাল্লি-র (আইএএস) সম্প্রতি বন্যাবিদ্ধস্ত এলাকা পরিদর্শনের মুহুর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ভিডিও এবং ছবিগুলিতে তাঁকে বন্যাবিদ্ধস্ত এলাকার কাদা, ঘোলা জলের মধ্যে দিয়ে খালি পায়ে হাঁটতে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিধ্বস্ত স্থানীয় মানুষের সাথে হাঁসি মুখে আলাপচারিতা করতে দেখা যায়। এই ছবিগুলি সামাজিক মাধ্যমে প্রথম ২০০৯-ব্যাচের আইএএস অফিসার অবনীশ শরণ শেয়ার করেছিলেন।কীর্তি নিজে বন্যাবিধ্বস্ত এলাকার কাদা মাটি ওপর দিয়ে খালি পায়ে হেঁটে ঘুরেছেন। সেই দৃশ্য এই ঘোর দুর্দিনেও হাঁসি ফুটিয়েছে বন্যাদুর্গত মানুষগুলোর মুখে। ২০১৩ ব্যাচের আইএএস অফিসার কীর্তি জাল্লি। অতি সম্প্রতি আরও এক আইএএস অফিসার সঞ্জীব খিরওয়ার সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিলেন তাঁর পোষ্য সারমেয়কে স্টেডিয়াম ফাঁকা করে হাঁটানোর জন্য। স্টেডিয়াম-এর ক্রীড়াবিদদের অনুশীলন থামিয়ে বার করে দিয়ে সস্ত্রীক সারমেয় নিয়ে সন্ধ্যাকালীন ভ্রমন করতেন সঞ্জীব খিরওয়ার।দুই উচ্চপদস্থ আমলার দুই মেরুর আচরণ এখন সামাজিক মাধ্যমের প্রধান আলোচ্য বিষয়। একজন পোষ্য সারমেয়কে হাঁটানোর জন্য দিল্লির ত্যাগরাজ স্টেডিয়াম ফাঁকা করে দেন। আর একজন বন্যা বিধ্বস্ত অসমের কাছাড়ে আটপৌড়ে শাড়ি পরে কাদামাখা পায়ে দাঁড়িয়ে কীর্তির অমলিন হাসি, মন জিতে নিয়েছে লাখো মানুষের।কীর্তি জাল্লি-র বন্যাবিদ্ধস্ত এলাকা পরিদর্শনপ্রসঙ্গত দিল্লির সদ্য প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি সঞ্জীব খিরওয়ার ও তাঁর আমলা স্ত্রী রিঙ্কু দুগ্গার এই কাহিনি মুহুর্তে সামাজিক মাধ্যমের আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই, কোনও কারন না দেখিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে সঞ্জীবকে লাদাখ ও স্ত্রী রিঙ্কুকে অরুণাচলে বদলি করা হয়।বন্যাবিদ্ধস্ত কাছাড়, জলে ভাসছে। হাজার হাজার মানুষ অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। পানীয় জল, খাবারের জন্য হাহাকার করছে। তাঁর সাথে বাসস্থান হাড়িয়ে হাহাকার করছেন মানুষজন। কাছাড়ের ডেপুটি কমিশনার কীর্তি এ দৃশ্য দেখার পর ঠান্ডা ঘরে আর বসে থাকতে পারেননি। বেরিয়ে পড়েছেন বন্যা বিদ্ধস্ত মানুষের পাশে থাকার জন্য। সেই ছবিই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। সেই ছবির কোনওটিতে দেখা যাচ্ছে নৌকা করে দুর্গতদের কাছে যাচ্ছেন, আবার তাঁকে খালি পায়ে কাদার উপর দিয়ে শাড়ি তুলে স্থানীয় মহিলার হাত ধরে হাঁটতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর ওই সদা হাস্যময় মুখ-ই এলাকার দুর্গত দের প্রেরণা হয়ে উঠেছে। তাঁর মুখের স্মিত হাসির মধ্যে বন্যাবিদ্ধস্ত মানুষজন নিজের আপনজনকে খুঁজে পাচ্ছেন।There are few more pics... Shes a star 🌟 pic.twitter.com/zSVeM1WP05 kzc (@kzc940) May 27, 2022২০১৩ ব্যাচের এই আইএএস অফিসার এর আগেও শিরনামে এসেছেন। করোনা অতিমারিতে তাঁর বিবাহের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে আসার জন্য তাঁকে তাঁর পরিবার থেকে অনুরোধ জানালে তিনি পরিবার এবং বন্ধুদের অবাক করে দিয়ে তাদের বলেছিলেন যে, তিনি তার গুরুত্বপূর্ণ অফিসিয়াল দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে তাঁর বিয়ের জন্য হায়দ্রাবাদে বাড়িতে আসতে পারবেন না। এহেন কীর্তি র কাছে এটাই আসা করা যায়।এখানে উল্লেখ করা দরকার যে ডিসি কাছাড় কাম জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, কীর্তি জাল্লি ভোটার সচেতনতার জন্য বেস্ট ইলেক্টোরাল প্র্যাকটিস অ্যাওয়ার্ড ২০২১ (জাতীয় পুরস্কার) পেয়েছেন। তিনি ২৫ জানুয়ারী, ২০২২-এ নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজুর কাছ থেকে এই সম্মান গ্রহণ করেন। এছাড়াও ডেপুটি কমিশনার জাল্লি রাজ্য/কেন্দ্রের স্কিম/কর্মসূচির দক্ষ ও স্বচ্ছ বাস্তবায়নের একটি উদ্ভাবনী পদক্ষেপ বিভাগের জন্য এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। হাইলাকান্দি জেলার ডেপুটি কমিশনার হিসাবে, কীরথী জলি, আইএএস অ্যানিমিয়া-মুক্ত হাইলাকান্দি প্রকল্পটি গ্রহণ করেছিলেন। হাইলাকান্দি জেলা জুড়ে অ্যানিমিয়া প্রকোপ কমাতে অ্যানিমিয়া মুক্ত হাইলাকান্দি প্রকল্পের জন্য অসামান্য প্রচেষ্টার চিহ্ন হিসাবে, রাজ্য সরকার তাকে এই সম্মান প্রদান করবে।আসামের বিধায়ক করিম উদ্দিন বারভুইয়া বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার জন্য তার আগ্রহের কোনো সীমা নেই। তিনি যেভাবে প্রত্যন্ত বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন, ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিয়েছেন এবং মানুষের দুঃখ-কষ্ট বুঝতে পেরেছেন তা অত্যন্ত সম্মানের দাবি রাখে। আর এক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, তার মানবতা দেখে আমরা খুব গর্বিত। তিনি বন্যা পরিস্থিতি দেখতে আমাদের এলাকার নোংরা রাস্তায় হাঁটেন।সেখানকার মানুষজন তাঁকে ভালোবাসা ও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে লিখছেন, কীর্তি জাল্লি ম্যাম, কাছাড়ের ডিসি বন্যা দুর্গতদের দ্বারে। এত সরল এবং গ্রাউন্ডেড। আপনি একজন সত্যিকারের অনুপ্রেরণা। এছাড়া কাছাড়ের সাধারণ মানুষ এলাকার নির্বাচিত নেতাদের অনুপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তাদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করার জন্য কীর্তি জাল্লি প্রশংসায় পঞ্চমুখ।Keerthi Jalli IAS, Deputy Commissioner Cachar.🙏 pic.twitter.com/n5CsOoAFMu Awanish Sharan (@AwanishSharan) May 26, 2022আসামের দশটি জেলা বন্যায় বিপর্যস্ত। বন্যায় ত্রিশ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫.৬ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৬২,২৮৯ জনেরও বেশি মানুষ ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন। নগাঁও জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, এর পরে কাছাড় এবং মরিগাঁও রয়েছে। আসামের বন্যা পরিস্থিতি এই মুহুর্তে কিছুটা উন্নতি হয়েছে কারণ রাজ্যের নদীগুলির জলস্তর হ্রাস পেয়েছে।

মে ২৮, ২০২২
দেশ

কংগ্রেসে বড় ধাক্কা, দলে ছাড়লেন রাজ্যসভার সদস্য কপিল সিব্বাল

চিন্তন বৈঠকরে পরও কংগ্রেসের সময় ভাল যাচ্ছে না। এবার দল ছাড়লেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও রাজ্য়সভার সাংসদ কপিল সিব্বাল। দীর্ঘ দিনের এই নেতা দল ছাড়ায় স্বভাবতই কংগ্রেসের কাছে বড় ধাক্কা।কপিল সিব্বাল জানিয়েছেন, গত ১৬ মে কংগ্রেস সভানেত্রীকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এদিন তিনি লখনৌতে রাজ্যসভার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী হিসাবে। দলের নেতা অখিলেশ যাদবের হাত ধরে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দেন তিনি।কপিল সিব্বাল ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন। কপিল জানান, বিজেপির সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য তিনি কংগ্রেস ছেড়ে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দিলেন। ২০১৪ সালে বিজেপির বিরুদ্ধে জোট গঠনে তিনি বিশেষ ভূমিকা নেবেন বলেও জানিয়েছেন।

মে ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লখনউকে হারিয়ে প্লে অফের দিকে আরও এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস

প্লে অফের স্বপ্ন এখনও পূরণ হল না লোকেশ রাহুলদের। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হেরে অপেক্ষার প্রহর এখনও বেড়ে গেল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। এদিন লখনউকে ২৪ রানে হারিয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার পাশাপাশি প্লে অফের দিকে আরও এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যাল। রাজস্থানের জয়ের নায়ক ট্রেন্ট বোল্ট। দুরন্ত বোলিং করে দলের জয়ের পথ প্রশস্ত করেন। প্রথমে ব্যাট করে লখনউর সামনে জয়ের জন্য ১৭৯ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল রাজস্থান। শুরুতে ধাক্কা খেলেও দীপক হুডা ও ক্রূণাল পান্ডিয়া জুটির হাত ধরে জয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। তখনই ধাক্কা রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। অশ্বিনের বল তুলে মেরেছিলেন ক্রূণাল। লং অফ বাউন্ডারি থেকে অনেকটা দৌড়ে বল তালুবন্দী করেন জস বাটলার। শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরে যখন বাউন্ডারি লাইন অতিক্রম করছিলেন, বল ছুঁড়ে দেন রিয়ান পরাগের উদ্দেশ্যে। সেই বল তালুবন্দী করেন রিয়ান। সাজঘরের পথে ক্রূণাল। এই উইকেটটাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। জয়ের রাস্তা থেকে দুরে সরে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস।লখনউর শুরুটাও ভাল হয়নি। তৃতীয় ওভারের প্রথম ও দ্বিতীয় বলে কুইন্টন ডিকক (৭) ও আয়ুষ বাদোনিকে (০) তুলে নিয়ে লখনউকে চাপে ফেলে দেন ট্রেন্ট বোল্ট। ষষ্ঠ ওভারে অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (১৯ বলে ১০) ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। এরপর বিপর্যয় সামলে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দীপক হুডা ও ক্রূণাল পান্ডিয়া। তখনই ধাক্কা অশ্বিনের। ২৫ রান করে আউট হন ক্রূণাল। ২ ওভার পরেই দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে লখনউর আশা একেবারে শেষ করে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ৩৯ বলে ৫৯ রান করেন হুডা। ১৭ তম ওভারে ২ বলের ব্যবধানে জেসন হোল্ডার (১) ও দুষ্মন্ত চামিরাকে (০) ফেরান ওবেদ ম্যাককয়। ১৭ বলে ২৭ রান করেন মার্কাস স্টয়নিস। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৪ তোলে লখনউ। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৮ রানে ২ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ও ওবেদ ম্যাককয়ও নেন ২টি করে উইকেট।জস বাটলারের ব্যর্থতা সত্ত্বেও এদিন লখনউর সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল রাজস্থান। তৃতীয় ওভারে আবেশ খানের বলে বোল্ড হন বাটলার (২)। ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান যশস্বী জয়সোয়াল ও অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ২৪ বলে ৩২ রান করে আউট হন সঞ্জু। তাঁকে তুলে নেন জেসন হোল্ডার। ২ ওভার পরেই ফেরেন যশস্বী জয়সোয়াল। ২৯ বলে তিনি করেন ৪১। ১৮ বলে ৩৯ রান করে তিনি রবি বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়ে জিমি নিশামও (১২ বলে ১৪) দলকে ভরসা দিতে পারেননি। রিয়ান পরাগ ১৬ বলে করেন ১৭। ৭ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ট্রেন্ট বোল্ট ৯ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। লখনউর হয়ে ২টি উইকেট নেন রবি বিষ্ণোই।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার ব্যর্থ বাটলার, তবু লখনউ–র সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজস্থান

একদলের পয়েন্ট ১২ ম্যাচে ১৬, অন্য দলের ১৪। দুই দলের সামনেই প্লে অফে যাওয়ার সুযোগ। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে জিতলেই এদিনই প্লে অফ নিশ্চিত লখনউ সুপার জায়ান্টসের, যারা ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে, লখনউর বিরুদ্ধে জিতলে রাজস্থানের সামনেও প্লে অফের টিকিট নিশ্চিত হওয়ার হাতছানি। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় রান তুলে লখনউর সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজস্থান রয়্যালস। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৭৮। এদিনও রান পেলেন না জস বাটলার। তাসত্ত্বেও বড় রান রাজস্থান রয়্যালসের। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। আগের ম্যাচে শিমরন হেটমায়ারের পরিবর্তে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল রাজস্থান। নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডুসেন। এদিন তাঁর পরিবর্তে জিমি নিশামকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় রাজস্থান টিম ম্যানেজমেন্ট। ডুসেনের ব্যর্থতা ছাড়াও বাইশ গজে ঘাসের কথা মাথায় রেখেছিল। এছাড়া কুলদীপ সেনের জায়গায় ওবেদ ম্যাককয়কে প্রথম একাদশে নেওয়া হয়।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। যার ওপর বেশি ভরসা, সেই জস বাটলার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধেও রান পেলেন না। তৃতীয় ওভারে আবেশ খানের বলে বোল্ড হন বাটলার। ৬ বলে করেন মাত্র ২ রান। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান যশস্বী জয়সোয়াল ও অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। জুটিতে ওঠে ৬৪। ২৪ বলে ৩২ রান করে আউট হন সঞ্জু। তাঁকে তুলে নেন জেসন হোল্ডার। ২ ওভার পরেই ফেরেন যশস্বী জয়সোয়াল। ২৯ বলে তিনি করেন ৪১। ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। শেষ পর্যন্ত ১৮ বলে ৩৯ রান করে তিনি রবি বিষ্ণোইয়ের বল ক্রূণাল পান্ডিয়ার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিমরন হেটমায়ারের অভাব আবার ফুটে উঠল। ভ্যান ডার ডুসেনের পরিবর্তে এদিন সুযোগ পেয়ে জিমি নিশামও ব্যাট হাতে দলকে ভরসা দিতে পারেননি। ১২ বলে মাত্র ১৪ রান করে তিনি রান আউট হন। নিশাম আউট হওয়ার ৩ বল আগেই ফিরে যান রিয়ান পরাগ (১৬ বলে ১৭)। ৭ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ট্রেন্ট বোল্ট ৯ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। লখনউর হয়ে ২টি উইকেট নেন রবি বিষ্ণোই।

মে ১৫, ২০২২
দেশ

নজরে সংগঠন, আগামিকাল অসম সফরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক

অসম সফরে যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামিকাল অসমে যাবেন অভিষেক। সেখানে প্রথমে কামাক্ষা মন্দিরে পুজো দেবেন। পুজো দিয়ে অসম তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হাজির থাকবেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। আগামিকাল বুধবার অসমে দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করবেন দলের সাধারণ সম্পাদক।কংগ্রেস নেতা রিপুন বোরা কয়েকদিন আগেই যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তাঁকে অসম তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে। এবার অসমে সংগঠন বিস্তারে ঝাঁপ দিতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। এর আগে ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ দিন ত্রিপুরা যাননি অভিষেক। উত্তরপূর্ব ভারতের অসম, ত্রিপুরা, মেঘালয়ে সংগঠন মজবুত করতে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল। মেঘালয়ে ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছিল। এখন মেঘালয়ে তৃণমূলই প্রধান বিরোধী দল।

মে ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষের স্মৃতিচারণায় বাচিকশিল্পী রুমকি গাঙ্গুলি

আবার একটি দুঃসংবাদ। প্রয়াত বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষ। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। শনিবার সকাল ৭.৩৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন জনপ্রিয় বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষ। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ পরিবার-পরিজনেরা। গত ২৬ আগস্ট পার্থ ঘোষের স্ত্রী স্বনামধন্যা বাচিকশিল্পী গৌরী ঘোষ মারা যান। এবার না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন পার্থ ঘোষ। রেডিওয় উপস্থাপক হিসেবে পেশাজীবনের শুরু করেন এই আবৃত্তিকার দম্পতি। দীর্ঘ দিন তাঁরা আকাশবাণী কলকাতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কর্ণ-কুন্তী সংবাদ-এর সুবাদে এক সময় পার্থ ঘোষ এবং গৌরী ঘোষের প্রচুর জনপ্রিয় হন। কুন্তীর ভূমিকায় ছিলেন গৌরী এবং কর্ণের ভূমিকায় ছিলেন পার্থ।পার্থ ঘোষের প্রয়াণে স্মৃতিমেদুর বাচিকশিল্পী রুমকি গাঙ্গুলি। তাঁর সঙ্গে পার্থবাবুর ভালো যোগাযোগ ছিল। জনতার কথা কে রুমকি জানালেন, খবরটা শোনার পর আমার মনটা খুব খারাপ। পার্থদার যে চেহারাটা দেখেছি সেই চেহারাটাই চোখে রাখতে চাই। ২০১৮ তে পার্থদার সঙ্গে আমার ভালোভাবে পরিচয় হয়। আমার একক অনুষ্ঠানে তিনি এসেছিলেন। গাড়ি করে নিয়ে আসা হয়েছিল। ওনার শরীর তখনও ভালো ছিল না। উনি বলেছিলেন একটু সময় থেকে চলে যাবেন। আমার একক অনুষ্ঠানে পার্থদার সঙ্গে পরিচয় গাঢ় হয়। আমার ২ ঘন্টা ৩০ মিনিটের শো শেষ হওয়ার পরে যখন লাইট জ্বলেছে তখন দেখি পার্থদা প্রথম সারিতে বসেই আছেন। অত লোকের মাঝেও আমি স্টেজ থেকে নেমে এসে বললাম দাদা তুমি যাওনি কেন? বলল আমি যেতে পারলাম না। তুই আমায় আটকে দিলি। প্রতিটা কবিতার পরেই ভাবছিলাম যাব, কিন্তু তোর কবিতা শোনার পরে উঠতে পারছিলাম না। এটা আমার জীবনের বোধহয় সবথেকে বড় পাওনা। তিনি আরও জানালেন, সেদিন চলে যাওয়ার পর রাতে আমাকে ফোন করে দাদার বাড়ি যেতে বলেন। দু-তিন দিন পর আমি পার্থদার বাড়ি যাই। আমাকে বলেছিলেন তোকে দিল্লিতে একটা অনুষ্ঠান দেবো। এই জিনিস তোকে করতে হবে। আমি বললাম ঠিক আছে। তারপর থেকেই পার্থদার শরীর খারাপ। একটা বড় অপারেশন হল। আমি তারপর দেখতে গেছি। কি ভালোবাসতেন তৈরি করে নিয়ে গেছি দু-চারবার। এত স্নেহ করতেন। আর বলতেন আমি জানি আমি মরে গেলে আর কেউ না কাঁদলেও তুই কাঁদবি। আমি বলতাম দাদা মরার কথা বলবে না। লাস্ট দিন কুড়ি আগে দাদার বাড়ি যাই। দাদার ছেল দরজা খুলে বললেন বাবা হসপিটালে রয়েছেন। চেক আপের জন্য বাবাকে কয়েকদিন ওখানে রাখা হয়েছে। আমি উনার ছেলের ফোন নম্বরটা নিয়ে যাই। দাদা বাড়িতে আসলে কথা বলে আমি আসবো। উনি বললেন হ্যাঁ ঠিক আছে। আমি লাস্ট দু একদিন ধরে ভাবছি ফোন করে দেখাটা করে আসি। আমার কপালে নেই। আজ সকালে যে এরম একটা খবর পাবো ভাবিনি।

মে ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আবৃত্তি জগতে শূন্যতার সৃষ্টি, প্রয়াত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ

প্রয়াত হলেন প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ। আবৃত্তি জগতে ফের নক্ষত্র পতন। সৃষ্টি হল শূন্যতার। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোরে এই শিল্পীর কার্ডিয়াক এরেস্ট হয়। তাঁর গলায় অস্ত্রোপচার হয়েছিল। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। শোকের ছায়া নেমে এসেছে শিল্পী মহলে। তিনি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সূত্রের খবর, হাসপাতাল থেকে মরদহে যাবে দমদমে শিল্পীর বাসভবনে। সেখান থেকে নিমতলা শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন।গতবছর অগস্টে প্রয়াত হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী আরেক প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী গৌরী ঘোষ। আবৃত্তি জগতে পার্থ ঘোষ ও গৌরী ঘোষের দ্বৈত পাঠ সাড়া জাগিয়েছিল বাংলায়। তাঁদের কন্ঠে ছিল যাদু। দুজনের নাম একসঙ্গে উচ্চারিত হত। পার্থ ঘোষ ও গৌরী ঘোষ পরবর্তী প্রজন্মের আবৃত্তিকারদের কাছে অগ্রজপ্রতিম। তাঁদের দুজনেরই অভিব্যক্তি, উচ্চারণ দক্ষতা অসাধারণ। মুগ্ধ হতেন স্রোতারা।বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জনতার কথাকে জানান আজকের সকালটা বাচিক শিল্পের সাথে জড়িত সকলের কাছে এক অন্ধকারময় সকাল। জটিলেশ্বর বাবুর কথা ধার করে বলতে হয়, এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার,ও কি সূর্য না কি স্বপনের চিতা, ও কি পাখির কুজন নাকি হাহাকার...... প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ আজ আমাদের মধ্যে নেই। প্রথাগত বাচিক শিক্ষা হয়ত কোনও দিন আমায় দেননি, কিন্তু তাঁর ও গৌরী ঘোষের অসংখ্য মঞ্চ মাতানো পরিবেশনা থেকে আমার মত বহু বাচিক শিল্পী বহু কিছু শিখেছেন। তাঁরা যেন সত্যিই কলি যুগের কর্ণ-কুন্তি ছিলেন। কুন্তি আগেই চলে গেছেন-এবার কর্ণ...। ধন্য হল পরলোক...। বাচিক শিল্পের নক্ষত্র পতন। ঘোষক / ঘোষিকা থেকে বাচিক শিল্পীর উত্তরণ যাঁদের হাত ধরে তাঁদের একজন হলেন পার্থ ঘোষ।সুদেষ্ণা আরও জানান, কয়েকটি অনুষ্ঠানে এই মহান শিল্পীর সাথে মঞ্চ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ হয়েছিল এই অধমের। একজন উদীয়মান শিল্পিকে যেভাবে উৎসাহ দিয়েছিলেন আমি কোন দিন ভুলতে পারবো না। আমার অবৃত্তি শেষে ওই রকম মহান শিল্পীরা (পার্থ ঘোষ - গৌরী ঘোষ) এসে আমার মত একজন উঠতি শিল্পীকে প্রসংশায় ভরিয়ে দিয়ে গেলেন। এই উৎসাহ ও প্রসংশাই আমাদের মত শিল্পীর কাছে পরম পাওয়া। আজ আর বলার মত কিছু নেই। মহান শিল্পীর আত্মার চির শান্তি কামনা করি।

মে ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভাবেও ফিরে আসা যায়!‌ সম্মানের লড়াইয়ে শেষ ওভারে নাটকীয় জয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের

এভাবেও ফিরে আসা যায়! মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। নিশ্চিত হারা ম্যাচ জিতল রোহিত শর্মার দল। নাটকীয় ম্যাচে গুজরাট টাইটান্সকে হারাল ৫ রানে। শেষ ওভারে নাটক জমে ওঠে। ৬ বলে গুজরাটের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৯। ড্যানিয়েল স্যামসের প্রথম বলে ওঠে ১ রান। দ্বিতীয় বলে কোনও রান হয়নি। তৃতীয় বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট রাহুল তেওয়াটিয়া (৩)। চতুর্থ বলে ১ রান। পঞ্চম বলে কোনও রান হয়নি। শেষ বলেও কোনও রান নিতে পারেননি ডেভিড মিলার (১৪ বলে অপরাজিত ১৯)। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারালেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে যেত। নাটকীয় ম্যাচে ৫ রানে হেরে প্লে অফের ছাড়পত্র ঝুলিয়ে রাখল। জয়ের জন্য ১৭৮ রান তাড়া করতে নেমে ১৭২/৬ রানে থেমে গেল গুজরাট টাইটান্স। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে শেষ ওভারে নাটকীয় জয় এনে দেন ড্যানিয়েল স্যামস।এদিন গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। প্রথমে ব্যাট করে তুলেছিল ১৭৭। মনে হচ্ছিল আগের ম্যাচে চলতি আইপিএলে প্রথম জয় পাওয়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্স গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। ব্যাটারদের লড়াই একসময় মূল্যহীন হয়ে যাচ্ছিল বোলারদের ব্যর্থতায়। শেষ মুহূর্তে দারুণ প্রত্যাবর্তন। শুরুতে গুজরাট টাইটান্সের দুই ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা ও শুভমান গিলের সামনে তেমন কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বোলাররা। ওপেনিং জুটিতে ১২ ওভারে দুজনে তোলেন ১০৬। মুরুগান অশ্বিন গুজরাটকে প্রথম ধাক্কা দেন। ১৩তম ওভারের প্রথম বলে তুলে নেন শুভমান গিলকে। ৩৬ বলে ৫২ রান করে আউট হন শুভমান। একই ওভারের শেষ বলে ঋদ্ধিমানকেও ফেরান অশ্বিন। ৪০ বলে ৫৫ রান করেন ঋদ্ধি।একই ওভারে পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় গুজরাট। চাপ আরও বেড়ে যায় সাই সুদর্শন (১১ বলে ১৪) ও হার্দিক পান্ডিয়া (১৪ বলে ২৪) ১০ বলের ব্যবধানে আউট হওয়ায়। জয়ের জন্য শেষ ২ ওভারে ২০ রান দরকার ছিল গুজরাটের। ১৯তম ওভারে যশপ্রীত বুমরার বলে ওঠে ১১।টস জিতে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে প্রথম ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রশিদ খানের বলে এলবিডব্লু হন রোহিত। প্রথমে অন ফিল্ড আম্পায়ার রোহিতকে আউট দেননি। রশিদ ডিআরএসের আশ্রয় নেন। টিভি আম্পায়র রিপ্লে দেখে রোহিতকে আউট দেওয়ার কথা বলেন অন ফিল্ড আম্পায়ারকে। ৫টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন রোহিত। তিনি আউট হওয়ার ২ ওভার পরেই সূর্যকুমার যাদবকে তুলে নেন প্রদীপ সাঙ্গোয়ান। ১১ বলে ১৩ রান করেন সূর্যকুমার। দ্বাদশ ওভারের শেষ বলে ঈশান কিষানকে তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। ২৯ বলে ৪৫ রান করেন ঈশান। ঈশান আউট হওয়ার পর রান তোলার গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। কায়রন পোলার্ড চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে নেই। এদিন ১৪ বলে মাত্র ৪ রান করে রশিদ খানের গুগলিতে পরাস্ত হয়। তিলক ভার্মা ১৬ বলে করেন ২১ রান। শেষদিকে টিম ডেভিড ঝড় তুলে মুম্বইকে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছে দেন। ২১ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন টিম ডেভিড। এদিন দারুণ বোলিং করে ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন রশিদ খান।

মে ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জীবনকৃতি সম্মান পেলেন মিউনাস নাট্যদলের কর্ণধার উৎসব দাস

সিউড়ির নাট্যদল আত্মজর পক্ষ থেকে আত্মজ জীবনকৃতি সম্মাননা ২০২২ তুলে দেওয়া হলো নাট্যকার পরিচালক অভিনেতা সংগঠক ও মিউনাস এর কর্ণধার উৎসব দাসের হাতে। সম্মাননা প্রদানের শুরুতেই আত্মজর কর্ণধার মুকুল সিদ্দিকী বলেন কেন এই মানুষটিকে তাঁরা এই সম্মাননা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, উৎসব দাস শুধু নিজের নাটক নিজের নাট্যদল নিয়েই ভাবেন নি, তিনি সমগ্র রাজ্যের নাট্য দলগুলোর মধ্যে একটা সুসম্পর্ক তৈরীর কাজ করে চলেছেন বহুদিন ধরে। সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বহু নাট্যদল আছে যাঁরা উৎসব দাসের হাত ধরে কলকাতায় তাঁদের প্রথম মঞ্চায়ন করেছেন এবং তাদের সু প্রযোজনা কলকাতার দর্শককে দেখানোর সুযোগ পেয়েছেন। কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলার নাট্যদলের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার কারিগর উৎসব দাস। মঞ্চে উপস্থিত নাট্য সমালোচক রঞ্জন গঙ্গোপাধ্যায় নাট্যকার পরিচালক বিজয় কুমার দাস ও আননায়ুধ নাট্য পত্রিকার সম্পাদক স্বপন রায় উৎসব দাসের নাটক ও নাট্য যাপন নিয়ে আলোকপাত করেন।সম্মাননা অনুষ্ঠানের পর মঞ্চস্থ হয় মিউনাস প্রযোজিত উৎসব দাস রচিত ও নির্দেশিত নাটক অপেক্ষায়। সময়োপযোগী এই নাটক সেদিন দর্শকের যথেষ্ট প্রশংসা পায়। পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে, সিউড়ির বহু নাট্যদলের ও নাট্য প্রেমীদের উপস্থিতিতে আত্মজ নাট্যদলের আয়োজিত এই অনুষ্ঠান সফল হলো।

মে ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শিল্পী মেয়ের অনুরোধে, গানের খাতা-র ধুলো ঝেড়ে ফের স্বমহিমায় সঙ্গীতশিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য

রাতের চোখে ঘুম যে নামে, চাঁদের পাশে মেঘ যে থামে, আমার পাশে নেই তো তুমি মা, তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না মা...... হ্যাঁ, ঠিক-ই ধরেছেন, মা ও মেয়ের সম্পর্কের বন্ধন নিয়ে স্টার জলসা-র জনপ্রিয় সিরিয়াল মা-এর টাইটেল সঙ্গীতের কথাই বলছি। এই মুহুর্তে বাংলা সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে জনপ্রিয়তম মধুরা ভট্টাচার্যর যেন তাঁর শিল্পী সত্ত্বার পাশে মায়ের উপস্থিতি না পেলে, তাঁর অনেক কিছুই অপূর্ণ থেকে যাচ্ছিলো।মেয়েদের বড় করে তুলতে গিয়েই সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের খাতা কবেই আলমারী তে তুলে রেখেছিলেন। তাঁর একটাই লক্ষ্য ছিলো যেভাবেই হোক সন্তানদের প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। আজ মধুরা সফল একজন সঙ্গীত শিল্পী ও বড় কন্যা সুমিত্রা একজন প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন ডিজাইনার। মঞ্চের পাটাতন শক্ত হতেই মেয়ে মধুরা টেনে ধরলেন মা শম্পা ভট্টাচার্য-র হাত। এবার আর উপেক্ষা করতে পারলেন না মা।শম্পা ভট্টাচার্য-র সঙ্গীত শিক্ষা শুরু খুব ছোটো বয়সে। তাঁর ঠাকুমা শান্তিময়ী দেবী সেই সময়ের একজন বিশিষ্ঠ শিক্ষাবিদ ছিলেন, তিনি বেশ কয়েকটি কবিতার বই লিখেছিলেন। তদকালীন সময়ে তিনি এক বিদুষী মহিলা ছিলেন। শম্পার বাবা সাধনানন্দ মিশ্র রবীন্দ্রসঙ্গীত ও পুরাতনী গানে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ছোটো বয়স থেকেই শম্পা বাড়িতে এক সুন্দর সাংগীতিক পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসংগীত ও ইতিহাসে মাস্টার্স করেন। তিনি যেকোনও ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানে অত্যন্ত পারদর্শী। তিনি ১৯৮১ সাল থেকে অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি এবং রজনীকান্তর গানের ধারায় আকাশবাণীর শিল্পী হিসেবে ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত। এছাড়াও তিনি পুরাতনী গানেও খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন কারণ তার বাবা এবং ঠাকুমার কাছ থেকে সেই গান তিনি শিখেছিলেন। তিনি একটি আদ্যন্ত সঙ্গীতীক পরিবারের বংশধর। ১৯৮৬ তে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি-র ক্যাসেট প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানের একজন বি-হাই (B-High) শিল্পী, এবং শম্পা ১৯৮১ থেকে কলকাতা দূরদর্শনের সাথে যুক্ত।শম্পা কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন জায়গা যেমন, রবীন্দ্র সদন, মধুসূদন মঞ্চ, শিশির মঞ্চ, গিরিশ মঞ্চ, মহাজাতি সদন, অহীন্দ্র মঞ্চ, উত্তম মঞ্চ, শরৎ সদন-এ অনুষ্ঠান করেছেন। তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় মেলা তে তাঁর মধুর কন্ঠের মুর্ছনা ছড়িয়ে দিয়েছেন। শম্পা বিষ্ণুপুর ঘরনার প্রবাদপ্রতিম শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত তারাপদ চক্রবর্তী-র পিঠস্থান বিষ্ণুপুর মেলা এবং বাংলার বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন।মেয়ে মধুরা সাথে মা শম্পাশম্পা ভট্টাচার্য নীহার রঞ্জন বন্দোপাধ্যায়, সিদ্ধেশ্বর ভট্টাচার্যের কাছ থেকে তার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি সুকুমার মিত্র, বিমান মুখোপাধ্যায়, মীরা দত্ত রায়-র কাছ থেকে নজরুল গীতি এবং বাংলা আধুনিক গান শেখেন। শম্পা অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি, রজনীকান্ত গীতি শিক্ষা লাভ করেন নীলা মজুমদার কাছে।তাঁর রবীন্দ্রসংগীত শিক্ষা লাভ প্রবাদ প্রতিম রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সুচিত্রা মিত্র-র কাছে এবং তিনি শ্রীমতি সুমিত্রা সেনের কাছ থেকেও রবীন্দ্র সঙ্গীত শিক্ষা লাভ করেন যখন তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রসংগীতের ছাত্রী ছিলেন। শান্তিনিকেতনে থাকাকালীন তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতের আরও দুই মহিরূহ শ্রীমতী কণিকা বন্দোপাধ্যায় ও শ্রীমতি নীলিমা সেন-র কাছে রবীন্দ্রসংগীত শেখার সুযোগ পেয়েছিলেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য সমন্ধে জনতার কথা কে কন্যা বিশিষ্ঠ সঙ্গীত শিল্পী মধুরা বলেন, মা বাবা সমন্ধে কি আর বলবো, আমি আজ যা কিছু, যেটুকু হতে পেরেছি সমস্তটাই মা এবং বাবার জন্য। আমার সঙ্গীত জীবনের প্রথম গুরু আমার মা। আমার খুব মনে পড়ে, আমি যখন ছোট ছিলাম, মা রেওয়াজ করতে বসলেই আমার বসার যায়গা ছিল মায়ের হারমোনিয়াম ও তবলা। সেগুলি কে চেয়ার ভেবে বসে পড়তাম। কেননা ওই দুটো যন্ত্র-ই আমার বসার উচ্চতায় থাকতো। আজ বুঝতে পারি মাকে কতটা বিরক্ত করতাম! আমার গানের হাতে খড়ি মায়ের কাছেই। তাঁর কাছেই আমার প্রথাগত শিক্ষা শুরু। এখনও যেকোনো ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গান যেমন, অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি যাঁর গানই হোক তোলার প্রয়োজন হলেই মায়ের স্মরনাপন্ন হতে হয়। আর রবীন্দ্রসঙ্গীতের ক্ষেত্রে বলতে গেলে তিনি চলমান গীতবিতান, যে গানই বলি সেটা তাঁর তোলা আছে। কি করে যে এত রবীন্দ্রসঙ্গীত জানেন আমি জানি না। আমরা বর্তমান প্রজন্মের শিল্পীরা নিজেদের গান গাইতে গেলেই খাতা বা ট্যাব ছাড়া গাইতে ভরসা পাই না। তিনি কি করে এত রবীন্দ্রসঙ্গীতের কথা-সুর একেবারে নোটেশন মিলিয়ে অবলীলায় গাইতে পারেন, ভাবতে অবাক লাগে। হয়ত তখনকার দিনের শিক্ষা পদ্ধতিটাও সেরকমই ছিল, তাই তিনি পারেন।মেয়ে মধুরার উৎসাহে শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য আবার জনসমক্ষে। বেতার ও দুরদর্শন ক্ষ্যাত সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের ডালি সাজিয়ে উপস্থিত সামাজিক মাধ্যমে। মধুরার উদ্যোগে তাঁর নতুন ফেসবুক পেজ গানে গানে শম্পা ভট্টাচার্য তে উঁকি দিলেই শোনা যাচ্ছে ঘরোয়া মেজাজে সেই উদাত্ত কণ্ঠের অতুল প্রসাদী, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি ও রবীন্দ্রসঙ্গীত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদী চিত্ত দুয়ার খুলিবি কবে মা - চিত্ত-কুটীরবাসিনী মন ছুঁইয়ে যায়, নেটনাগরিক দের প্রসংশায় বোঝা যায় যে সঠিকভাবে সঙ্গীত পরিবেশন করতে পারলে এই প্রজন্ম-ও ভালো গান শুনতে প্রস্তুত। কুটির বাসিনী শম্পা-র চিত্ত দুয়ার খুলতে মেয়ে মধুরা সত্যিই সফল।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
দেশ

টাটাদের সাতটি অত্যাধুনিক ক্যানসার হাসপাতাল অসমে, অনুপমের খোঁচা

অসমে সাতটি অত্যাধুনিক ক্যানসার হাসপাতাল তৈরি করছে টাটা। এই প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টাটাদের অসমের প্রকল্প বাংলাতেও হতে পারত বলে মনে করছে প্রাক্তন সাংসদ ও বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক ড. অনুপম হাজরা। সিঙ্গুর থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর থেকে টাটারা পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে বলে অনুপম মনে করেন।সিঙ্গুর কাণ্ডের পর এরাজ্য থেকে পুরোপুরি দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করে টাটা গোষ্ঠী। নতুন কোনও প্রকল্পের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ দেখা যায়নি। শুধু টাটা নয়, অন্য শিল্পগোষ্ঠীও বাংলায় আসতে অস্বস্তি প্রকাশ করেছে। তবে রাজ্য সরকার শিল্প সম্মেলন করে আদানিসহ বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীকে এরাজ্যে হাজির করেছে। শিল্প পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সিঙ্গুরের শিল্পে ব্যাঘাত নিয়ে এখনও খোঁচা মারতে ছাড়েন না বিরোধীরা। সম্প্রতি এসএসকেএম হাসপাতালে টাটাদের সঙ্গে রাজ্যের ক্যানসার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রকল্পের কথা জানিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শ্রী রতন টাটার উদ্যোগে আসামে আজ সাতটি অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন মাননীয় শ্রী @narendramodi; বাংলাতেও হতে পারতো যদি না বাংলার মানুষ 500 টাকা ভাতার টোপে পা দিয়ে পুনরায় তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনতো বা যদি না মাননীয়া আন্দোলন করে রতন টাটা কে বাংলা থেকে বিতাড়িত করতেন pic.twitter.com/RDxyvjqKdg Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 28, 2022অনুপম হাজরা টুইটে লিখেছেন, শ্রী রতন টাটার উদ্যোগে আসামে আজ সাতটি অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন মাননীয় শ্রী @narendramodi; বাংলাতেও হতে পারতো যদি না বাংলার মানুষ 500 টাকা ভাতার টোপে পা দিয়ে পুনরায় তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনতো বা যদি না মাননীয়া আন্দোলন করে রতন টাটা কে বাংলা থেকে বিতাড়িত করতেন{

এপ্রিল ২৯, ২০২২
দেশ

ফের কংগ্রেসে বড় ভাঙন, তৃণমূলে যোগ প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির

কংগ্রেসের ঘরে হানা দিয়েই চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগে গোয়ায় একাধিক কংগ্রেস নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এর আগে অসমের কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেব তৃণমূলে যোগ দিয়ে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। রবিবার অসম কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রিপুন বোরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। কয়েকদিন আগে রাজ্যসভার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন বিপুন। এদিনই পূর্বাঞ্চলের এই কংগ্রেস নেতা টুইটে কংগ্রেসের সভানেত্রীকে পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। এই তৃণমূলযোগের ফলে উত্তর-পূর্বে কংগ্রেসের ঘরে ভাঙন অব্যাহত রইল। এর আগে মেঘালয়ের ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।It gives us immense joy to welcome Shri @ripunbora, who joined the @AITCofficial family in the presence of our National General Secretary Shri @abhishekaitc pic.twitter.com/qfJka4PVIq All India Trinamool Congress (@AITCofficial) April 17, 2022উত্তর পূর্ব ভারতে কংগ্রেসের ভাঙন অব্যাহত। এদিন কলকাতায় রিপুন বোরার হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মেঘালয়ের পর এবার কংগ্রেসের ঘর ভেঙে অসমে সংগঠন বিস্তার করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিকে শনিবারই ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে সনিয়া গান্ধিসহ কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতৃত্বের বৈঠক হয়। প্রশান্ত কিশোর আবার তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ।Extending a very warm welcome to Shri @ripunbora, a stalwart and skilled politician, who joined the @AITCofficial family today.We are extremely pleased to have you onboard and look forward to working together for the well-being of our people! pic.twitter.com/Tz0Q691Egd Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) April 17, 2022অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ৩ ও ৪ মে মেঘালয়ে যাবেন। সেখানে সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। মেঘালয়ের প্রাক্তন কংগ্রেসী মুখ্য়মন্ত্রীসহ একাধিক নেতা তৃণমূলে ভিড়েছেন। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন দক্ষ রাজনীতিক রিপুন বোরাকে তৃণমূল পরিবারে স্বাগত।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে হঠাৎ একইসঙ্গে ১২ জন স্কুলপড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য

শনিবার বর্ধমান দুনম্বর ব্লকের সামন্তী উচ্চ বিদ্যালয় হঠাৎ করে একইসঙ্গে ১২ জন স্কুলপড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। প্রাথমিক অনুমান স্কুলের সামনে বিক্রি হওয়া বরফ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে তারা। এরপরে ওই স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে আসা হয় পাহাড়হাটী ব্লক প্রাথমিক হাসপাতালে।তবে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কোনওরকম খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্কুল পড়ুয়ারা। মূলত ডিহাইড্রেশনের কারণেই এ দিন তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।এদিনের এই ঘটনার পর হাসপাতালে অসুস্থ স্কুল পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করলেন মেমারি দুই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মামনি মর্মু।

এপ্রিল ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

তসমের থিম সং-এ গাইলেন রূপঙ্কর

ফ্যাশন ডিজাইনার প্রমিত মুখোপাধ্যায়ের তসম ফ্যাশন স্টুডিওর জন্য থিমসং গাইলেন রূপঙ্কর বাগচী। জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়কের গাওয়া থিম সং দিন বদলের স্বপ্ন চাই, নতুন কিছু করতে চাই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। উদ্বোধন করলেন প্রবীণ অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। থিমসং উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৌতম দে, সুচেতনা দে, তমোজ্যোতি মুখোপাধ্যায়, মডেল ও অভিনেত্রী সুচরিতা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এই থিম সং-এর কথা ও সুর অভিজিৎ পাল ও তাঁর টিমের। এই থিম সং প্রসঙ্গে প্রমিত মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানালেন, প্রতিটি কোম্পানির একটা নিজস্ব থিম সং থাকে। সেই চিন্তা থেকেই একটা থিম সং রিলিজ করা হল। নিজের ভাবনা থেকেই পুরো থিম সংটা করা। থিম সংটা শুধু শোনার জন্য নয়, দেখার জন্যও আমরা ভিডিও হিসাবে বার করেছি যাতে গানের সঙ্গে সঙ্গে আমরা ড্রেসটাকেও ডিসপ্লে করাতে পারি। এই থিম সং-এর মাধ্যমে আমরা হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছেছি। লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছেও পৌঁছে যেতে পারবো।

এপ্রিল ০৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সেক্টর ফাইভ থেকে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ! ৭৮ লক্ষ টাকার রহস্যে চাঞ্চল্য

সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসপাড়ায় ভর সন্ধেবেলায় দুঃসাহসিক অপহরণের ঘটনা ঘটল। অপহৃত যুবকের নাম অঙ্কন সাহা। পুলিশ সূত্রে খবর, ৭৮ লক্ষ টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল।ঘটনাটি ঘটেছে আরডিবি ভবনের সামনে। মঙ্গলবার বিকেল প্রায় পাঁচটা নাগাদ একটি সাদা স্করপিও গাড়িতে করে কয়েকজন এসে অঙ্কনকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে হইচই পড়ে যায়। খবর পেয়ে ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজ থেকেই সাদা স্করপিও গাড়ির নম্বর শনাক্ত করা হয়। এরপর গাড়ির মালিকের খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ড্রাইভারের ফোন নম্বর পাওয়া যায়।পরে পুলিশ ফোন ট্র্যাক করে জানতে পারে, গাড়িটি বড়জাগুলিয়া এলাকায় জাতীয় সড়ক ১২-র কাছে রয়েছে। হরিণঘাটা থানার সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গাড়িটি আটক করা হয় এবং তার ভিতর থেকে অঙ্কন সাহাকে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, অঙ্কন সাহার কাছে অভিযুক্তদের ৭৮ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল বলে দাবি। সেই টাকা আদায় করতেই তাঁকে মারধর করে সেক্টর ফাইভ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, এই অপহরণের পেছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

একুশের মঞ্চে ঋতব্রতের বড় প্রতিশ্রুতি! শহিদ পরিবার পাবে মাসে ১০ হাজার টাকা?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন যদি তাঁদের আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের শহিদদের পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।ঋতব্রতের দাবি, এই টাকা তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট থেকেই দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা অঙ্ক কষে দেখেছি, এটা সম্ভব। বর্তমানে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে আসল তৃণমূল নিয়ে বিরোধ নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত পৌঁছেছে। মঙ্গলবার দুই শিবিরই আলাদাভাবে শহিদ দিবস পালন করেছে। বিড়লা তারামণ্ডলের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল। অন্যদিকে, গান্ধী মূর্তির সামনে সভা থেকে একই দাবি করেন ঋতব্রত।তিনি বলেন, আমরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারসহ পূর্ণ বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করেছি। কেন আমরাই আসল তৃণমূল, তার সমস্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়েছি। আমরা নির্বাচন কমিশনের উপর ভরসা রাখি।ঋতব্রত আরও বলেন, যদি নির্বাচন কমিশন আমাদের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকেই আমরা শহিদ পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেব। এই টাকা তাদের জন্যই খরচ হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, আগের দিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২১ জুলাই নিয়ে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি জানান, কমিশন শহিদ পরিবারগুলিকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের সুপারিশ করেছিল।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, পূর্বতন তৃণমূল সরকার শহিদ পরিবারগুলিকে মাত্র ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে দিয়েছিল। তিনি আরও জানান, শহিদদের পরিবার আবেদন করলে রাজ্য সরকার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য দেবে।এই ঘোষণার পরদিনই ঋতব্রত শহিদ পরিবারগুলিকে মাসিক আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

দু’মাস পর অবশেষে মুখ খুললেন মোদী! নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশ্নফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার দুমাসেরও বেশি সময় পরে তিনি বলেন, এই ঘটনা ঘোর অন্যায় এবং এক ধরনের পাপ।গত ৩ মে ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু পরীক্ষার কয়েক দিনের মধ্যেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসে। পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠায় পরীক্ষা বাতিল করতে বাধ্য হয় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বহু ছাত্রছাত্রী রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও ওঠে। লাদাখের শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘদিন ধরে অনশন করছেন এই দাবিতে। সোমবার সংসদ অভিযানে ককরোচ জনতা পার্টির লক্ষাধিক সদস্য অংশ নেয়। তবে এতদিন নিট কাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।মঙ্গলবার এনডিএর সংসদীয় বৈঠকে প্রথমবার এই বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেন মোদী। তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘোর পাপ হয়েছে। তবে ঘটনা প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সরকার পদক্ষেপ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই ঘটনায় জড়িত ১৩ জন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছে।সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলেন, নিট পরীক্ষার্থীদের স্বার্থের কথা ভেবেই নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

বিরোধী ঝড়ের মাঝেই মোদীর বড় বৈঠক! এনডিএ সাংসদদের কী বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

আজ এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দির, ইথানলসহ একাধিক ইস্যুতে সংসদের ভিতরে ও বাইরে বিরোধীদের প্রতিবাদ চলছে। এর মধ্যেই সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তাই বিরোধী আন্দোলনের মোকাবিলায় এনডিএর রণকৌশল কী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার থেকেই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে। অধিবেশনের প্রথম দিনেই নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দিরে প্রণামী চুরি এবং অন্যান্য ইস্যুতে বিরোধীদের বিক্ষোভে সংসদের দুই কক্ষ বারবার মুলতুবি হয়। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করতে পারে বলে সূত্রের খবর।সরকারের লক্ষ্য, গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলিতে এনডিএ শরিক সাংসদদের শতভাগ সমর্থন নিশ্চিত করা। বৈঠকে এই বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বিরোধীদের প্রচারের পাল্টা জবাবে এনডিএ সাংসদদের একই সুরে কথা বলার পরামর্শ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।তবে এই বৈঠকে এনসিপিআইকে ডাকা হয়নি। এনডিএর শরিক হলেও স্পিকারের কাছ থেকে এখনও এনসিপিআই দলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মেলেনি। যদিও সর্বদলীয় বৈঠকে দলটি উপস্থিত ছিল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জটিলতার বাইরে প্রধানমন্ত্রীকে রাখতেই আপাতত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের ডাকা হয়নি।উল্লেখ্য, গত রবিবারও স্পিকার অফিস থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের কাছে নতুন করে একাধিক নথি চাওয়া হয়েছে।অন্যদিকে আজ ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরাও বৈঠকে বসবেন। সেই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন মল্লিকার্জুন খার্গে। উপস্থিত থাকবেন রাহুল গান্ধীও।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ঘুরছে। শোনা যাচ্ছে, শরদ পওয়ারের এনসিপি ডিলিমিটেশন বা আসন পুনর্বিন্যাস বিল নিয়ে অবস্থান বদল করতে পারে। যদি কেন্দ্র এই বিল সংসদে পেশ করে, তবে সেই বিলে শরদ পওয়ারের এনসিপি সমর্থন জানাতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

একুশের মঞ্চ থেকে ফিরতেই মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন! নতুন মোড় পুরনিয়োগ মামলায়

কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র কে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ২৯ জুলাই তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হতে বলা হয়েছে। তার আগে ২৩ জুলাই মদন মিত্রের স্ত্রীকেও তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।সূত্রের খবর, মদন মিত্র তদন্তে সহযোগিতা করবেন। এর আগে কামারহাটি পুরসভার অবৈধ নিয়োগ মামলায় তাঁর নাম জড়ায়। জুন মাসে ইডি ভবানীপুর, দক্ষিণেশ্বর-সহ তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেই তল্লাশিতে বেশ কিছু নথিপত্র উদ্ধার হয় বলে জানা গিয়েছে।গত ১৪ জুলাই ইডি মদন মিত্রের পরিবারকে নোটিস পাঠায়। সেই দিন সন্ধ্যায় তিনি এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক তথা ঋতব্রত শিবিরের সদস্য সন্দীপন সাহার বাবা, প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে যান। সেখানে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকের পরের দিন তিনি বিধানসভায় ঋত শিবিরে যোগ দেন।শিবির বদলের পর থেকেই মদন মিত্র প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করতে শুরু করেন। একুশে জুলাইয়ের সভায় তিনি বলেন, আমি মমতাকে বলছি, অভিষেক এক ঘণ্টা সময় দিয়েছে, আমি আপনাকে এক মাস সময় দিচ্ছি। অভিষেকের হাত ছেড়ে এই ছেলেদের হাত ধরুন। আপনার পার্টি এটা, অভিষেকের পার্টি নয়।শুধু তাই নয়, ১৯ জুলাইয়ের একটি লাইভ অনুষ্ঠানেও মদন মিত্র অভিষেককে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাল্টা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিরুদ্ধে ১০ কোটির নোটিস পাঠান।এই রাজনৈতিক সংঘাতের আবহেই একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে ফেরার পর মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন পৌঁছেছে। ফলে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

২১ জুলাইয়েও কি নামবে বৃষ্টি? মমতার সভা ঘিরে বড় পূর্বাভাস

গত ১৫ বছর ধরে ২১ জুলাইয়ের সভায় রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজির হতেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। বৃষ্টির মধ্যেই বহুবার মঞ্চে বক্তৃতা দিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃষ্টি নামলে মমতা একে বলতেন ঈশ্বরের আশীর্বাদ। এবার ২১ জুলাইয়ের আয়োজন বদলেছে, মঞ্চ বদলেছে, সমর্থকদের জমায়েতের ধরনও বদলেছে। কিন্তু আবহাওয়া কি আগের মতোই থাকবে? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, মঙ্গলবার সারাদিনই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। শুধুমাত্র দমদমে ১৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে, যার ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হয়েছে বীরভূম,মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও। বিকেলের পর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বৃষ্টির দাপট দেখা যায়।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মৌসুমি অক্ষরেখা এখনও সক্রিয় রয়েছে। তাই মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে কয়েক দফা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, লাগোয়া জেলা, উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবারের প্রবল বৃষ্টির পর কলকাতার বহু এলাকা এখনও জলমগ্ন। দমদম ও আশপাশের এলাকায় জল নামেনি কৈখালি ও হলদিরামের রাস্তা এখনও জলের তলায়। এর ফলে কৈখালি থেকে হলদিরাম ও চিনার পার্ক পর্যন্ত তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। সাধারণত ৩-৪ মিনিটের রাস্তা পেরোতে এখন আধ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে।আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, বুধবার দুই ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

সিকিমের টানেলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ৭ শ্রমিকের মৃত্যু, এখনও ভিতরে আটকে ১৮ জন

সিকিমের নামচি জেলায় একটি নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণের জেরে টানেলের ভিতরে ধস নামে এবং প্রবেশপথের একটি অংশ বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। আরও অন্তত ১৮ জন শ্রমিক টানেলের ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে প্রশাসন জানিয়েছে।আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফ জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে। ঘটনাস্থলে এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী দলও মোতায়েন রয়েছে।জানা গিয়েছে, নির্মীয়মাণ এই টানেলটি ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশনের তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় তৈরি হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, টানেলের প্রায় দেড় কিলোমিটার ভিতরে প্রাকৃতিকভাবে নির্গত মিথেন গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস বের করে দেওয়ার চেষ্টা চলার সময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে।বিস্ফোরণের পর টানেলের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যায়। কয়েকজন শ্রমিক কোনওরকমে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও বহু শ্রমিক ভিতরেই আটকে পড়েন।সোমবার বিস্ফোরণের সময় টানেলের ভিতরে মোট ২৫ জন শ্রমিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এনএইচপিসির কর্মীরাও ছিলেন। জেলা প্রশাসন ৭ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে। বাকি ১৮ জনকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মিথেন গ্যাস, অক্সিজেনের ঘাটতি, কম দৃশ্যমানতা এবং টানেলের সংকীর্ণ পথ। ফলে উদ্ধারকারী দল সহজে ভিতরে পৌঁছতে পারছে না।সোমবার বিকেল প্রায় ৩টা ৪০ মিনিটে জেলা প্রশাসন দুর্ঘটনার খবর পায়। এরপরই এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, জেলা পুলিশ এবং দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।প্রথমে দমকল কর্মীরা উদ্ধারকাজ শুরু করলেও মিথেন গ্যাস ও অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্ট হওয়ায় অভিযান মাঝপথে বন্ধ করতে হয়। উদ্ধারকারী দলের কয়েকজন সদস্যও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনডিআরএফ উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও একই কারণে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।সিকিম রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নামচি জেলা প্রশাসন, এনএইচপিসি, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং স্বাস্থ্য দফতর রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে। তবে এখনও আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগের রাতে চাঞ্চল্য! মঞ্চ ভাঙচুরের অভিযোগে রাতভর পাহারায় মমতা-অভিষেক

২১ জুলাইয়ের সভাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠেছে। একদিকে মেয়ো রোডে শহিদ তর্পণের কর্মসূচি নিয়েছে ঋতব্রত শিবির, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি পেয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এর মধ্যেই সভামঞ্চে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ২১ জুলাইয়ের সভামঞ্চে বিজেপির কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। শুধু অভিযোগ করেই থেমে থাকেননি তিনি। রাতভর বিড়লা তারামণ্ডল চত্বরে থেকে মঞ্চ পাহারা দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক তৃণমূল নেতা।সোমবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভাস্থল পরিদর্শনে যান। সেখানে প্রস্তুতির কাজ খতিয়ে দেখেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ তারামণ্ডল এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে ফের সভাস্থলে পৌঁছন মমতা ও অভিষেক।সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে মমতা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপির লোকজন এসে সভামঞ্চ ভাঙচুর করেছে। তিনি লেখেন, এটি শুধু একটি মঞ্চ ভাঙার ঘটনা নয়, এটি সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও আমাদের কর্মী-সমর্থকদের অনুভূতির ওপর পরিকল্পিত আক্রমণ।সভাস্থলে দাঁড়িয়ে মমতা আরও বলেন, চারিদিকে আমাদের মঞ্চ ভাঙা হচ্ছে। বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছিল। পোস্টার-ব্যানার সব ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। বিজেপির ৬০-৬৫ জন বাইক নিয়ে এসেছে। তাঁদের নেতৃত্ব দিয়েছেন এক অপরাধী, যিনি আদালতের নির্দেশে বাইরে আছেন।তাঁর অভিযোগ, কর্মী-সমর্থকদের সভাস্থলে আসতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। কালীঘাট তৃণমূল ইতিমধ্যেই এই ঘটনার অভিযোগ পুলিশের কাছে জানিয়েছে।সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির গুণ্ডারা জড়ো হয়ে আছে। সকালের আগে মঞ্চ ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু দিদি এখানে থাকবেন, আমরাও এখানে থাকব। মঞ্চ পাহারা দেব।তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও অভিযোগ করেন, আদালতের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করা হলেও নানা ভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণামতো রাত থেকেই মমতা ও অভিষেক সভাস্থলের সামনে ছিলেন। ডেরেক, মহুয়া, কল্যাণসহ একাধিক নেতা দফায় দফায় মঞ্চ পাহারা দেন। মঙ্গলবার সকালে মমতা দলের নেতাদের নিয়ে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠক করেন। পরে তিনি বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। এদিকে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে, সকাল থেকেই কর্মীরা সভাস্থলে আসতে শুরু করেছেন।

জুলাই ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal