• ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ১৩ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SP

রাজ্য

জেলাশাসকের উদ্যোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের ভিডিও প্রকাশ

পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ জেলাশাসকের মিটিং হলে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের এক তথ্যচিত্রের উদ্বোধন হল। তথ্যচিত্রটির উদ্বোধন করেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা। তিনি জানান, এই জেলার অনেক জায়গা আছে যেগুলি পর্যটকরা সেভাবে জানে না, সেই জায়গাগুলিকে এই ভিডিওর মাধ্যমে পর্যটন মানচিত্রে নিয়ে এসে মানুষের মধ্যে আরও জনপ্রিয় করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, পর্যটনে এই জেলার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ছাড়াও জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ জায়গায় প্রদর্শিত হবে।জেলাশাসক জানান, সামনেই দুর্গাপুজো, জেলার পুজো কমিটিগুলোকেও আমরা এই ভিডিও দেখানোর অনুরোধ করতে পারি। এছাড়াও জেলার ওয়েবসাইটে এই ভিডিওর লিঙ্ক দেওয়া থাকবে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, ইতিমধ্যে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দপ্তরকে এই ভিডিওটি পাঠিয়ে দিয়েছেন যাতে রাজ্যের পর্যটন নিয়ে যে সমস্ত প্রচার করা হয় সেখানে যাতে দেখনো হয়।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এদিন বলেন, পূর্ব বর্ধমান জেলার পর্যটন বৈচিত্র অনেক বেশী। এখানে যেমন উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় স্থান আছে তেমনই ডোকরা, শোলা, তাঁত, কাঠের তৈরি কারুশিল্পেও উল্লেখযোগ্য স্থান আছে। জেলায় বিস্তীর্ণ বনভূমি আছে। এছড়াও এই জেলায় কুমুদরঞ্জন মল্লিক, রাসবিহারী ঘোষ, রাসবিহারী বোস, কাসিরাম দাস, উপেন্দ্রনাথ ব্রম্ভচারী-র মতো বিশিষ্ট মানুষদের জন্মস্থান। জেলার প্রান্ত দিয়ে বয়ে চলেছে গঙ্গা, অজয়, দামোদরের মত নদ নদী।প্রিয়াঙ্কা সিংলা আরও জানান, যাঁরা এই জেলায় বেড়াতে আসতে চান, এই ভিডিও তাঁদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার বিশ্বাস, এই ভিডিওটি দেখার পরে অনেকেই এই জেলায় বেড়াতে আসার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত হবে।আজকের এই ভিডিও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলার বিশিষ্ট সাংবাদিকরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল ও টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল)। তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, এই ভিডিওটি সর্বস্তরে প্রচার করা হবে। এর ফলে দেশের ও রাজ্যের মানুষ আরও ভালো ভাবে পূর্ব বর্ধমান জেলাকে জানতে পারবে এবং এখানে বেড়াতে আসবে।টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল) জনতার কথাকে জানান, জেলাশাসক শ্রীমতি প্রিয়াঙ্কা শিংলার উদ্যোগে এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দপ্তরের আর্থিক সহযোগিতায় পূর্ব বর্ধমান জেলার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, হস্তশিল্প, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংমিশ্রনে একটি ভিডিও তৈরী করা হয় যা আজ জেলাশাসকের দপ্তর থেকে প্রকাশিত করা হলো। ভিডিওটি পূর্ব বর্ধমান জেলার অনাবিষ্কৃত পর্যটন সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে। ভিডিওটি প্রকাশের মূল লক্ষ্য জেলার পর্যটন সম্ভাবনার প্রচার করা। আগামী দিনে পর্যটনের উন্নয়নে আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দুর্গাপূজা উৎসবের আগে আমরা জেলার পর্যটনকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশ সফরের প্রাক্কালে প্রশাসনে ব্যপক রদবদল

পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার মাজি হলেন পূর্ব বর্ধমানের নতুন জেলাশাসক। বিশেষ সচিব পদমর্যাদায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওএসডি পদে থাকা তনভীর আফজলকে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক করা হলো। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলাকে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের বিশেষ সচিব করা হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পদে থাকা এস অরুণ প্রসাদ নদিয়ার নতুন জেলাশাসক হলেন। নদিয়ার জেলাশাসক শশাঙ্ক শেঠি পর্যটন দফতরের সিনিয়র বিশেষ সচিব হলেন। দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক পোন্নাবালাম এস পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক হিসেবে কার্যভার বুঝে নেবেন। উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক ড. প্রীতি গোয়েলকে দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক করা হলো। উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক শামা পরভীনকে জলপাইগুড়ির জেলাশাসক করা হয়েছে। ওই পদে থাকা মৌমিতা গোদারা বসু স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ দফতরের সচিব হলেন। হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্যকে হুগলির জেলাশাসক করা হয়েছে, হুগলির জেলাশাসক পি দীপাপ প্রিয়া হলেন হাওড়ার নতুন জেলাশাসক।দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক শিয়াদ এন হলেন বাঁকুড়ার নতুন জেলাশাসক। বাঁকুড়ার জেলাশাসক কে রাধিকা আইয়ার কেইআইআইপির প্রজেক্ট ডিরেক্টরের দায়িত্বে এলেন। উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মীনা হলেন কোচবিহারের জেলাশাসক। কোচবিহারের জেলাশাসক পবন কাদিয়ান অর্থ দফতরের বিশেষ সচিব হলেন।আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মীনাকে উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক করা হলো। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক আর বিমলা হলেন আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক করা হয়েছে স্ট্যাম্প রেভিনিউয়ের রেজিস্ট্রেশন ও কমিশনারের আইজি বালাসুব্রহ্মণ্যন টি-কে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন পশ্চিম বর্ধমানের অতিরিক্ত জেলাশাসক হরিশঙ্কর পানিকার।পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের ওএসডি আশিস কুমারকে বসিরহাটের মহকুমাশাসক করা হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের কালনার মহকুমাশাসক সুরেশকুমার জগৎ বন দফতরের যুগ্ম সচিব হলেন। কালনার মহকুমাশাসক করা হয়েছে মুখ্য সচিবের ওএসডি শুভম আগরওয়ালকে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানের বেসরকারি স্কুলের অনন্য নজির! ক্লাস রুমে উপস্থিত শ্রীহরিকোটার স্পেস সেন্টারের ডাইরেক্টর!

গৌরবময় চন্দ্রাযান ৩ এর সফল অবতরণের ঠিক পরের দিনই বর্ধমান জেলার এক বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে ভারচুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত হলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী তথা শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের ডাইরেক্টর শ্রী এ রাজারাজন।পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম কোন দেশ সফল ভাবে চন্দ্রযান চাঁদে অবতরণ করালো। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি চন্দ্রযান-৩ বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা ৪ মিনিটে চাঁদের মাটিতে পা রাখে। চন্দ্রযান-৩ সফল অবত্রণের পর বিজ্ঞানী ডঃ এ রাজারাজন, চেয়ারম্যান, লঞ্চ অথরাইজেশন বোর্ড (LAB) ISRO এবং সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার SHAR (SDSC SHAR) শ্রীহরি কোটা-র ডাইরেক্টর, গত বৃহস্পতিবার ২৪.0৮.২০২৩ এ বর্ধ্মান জেলার এক বেসরকারি ইংরাজী মাধ্যম স্কুল মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের দের সাথে এক ভারচুয়াল আলোচনায় অংশগ্রহণ করে ছিলেন। স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক দের জন্য এটি ছিল একটি অসাধারণ মুহূর্ত। কারণ তাঁর কয়েক ঘণ্টা আগেই ভারত মহাকাশে ইতিহাস তৈরি করে ফেলেছে। তাঁরা বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়ে চাঁদে প্রথম চন্দ্রযান অবতরণ করিয়েছে।এই ভারচুয়াল আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীরা অত্যুতসাহী হয়ে চন্দ্রযান-৩ সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করেন বিজ্ঞানীকে। চন্দ্রাযান-৩ অভিযানের এই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, শিক্ষার্থীদের কাছে তুলে ধরে তাঁর মূলবান মতামত এবং মাহাকাশ গবেষণায় ছাত্রদের উতসাহিত করেন।ভারতের প্রথম কোন স্কুল চন্দ্রাযান-৩ অভিযানের এর ঠিক পরেই লঞ্চ অথরাইজেশন বোর্ড (LAB) চেয়ারম্যান তথা ভারতের সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার SHAR (SDSC SHAR) শ্রীহরি কোটা এর ডিরেক্টর এর উপস্থিতিতে স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে এই ধরনের ভার্চুয়াল সভা করতে সমর্থ হয়েছে। উল্লেখ্য ইংরেজি মাধ্যম এই স্কুল সবসময় তাদের শিক্ষার্থীদের তাদের সৃজনশীলতার জন্য উত্সাহিত করেছেন।এর আগে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর মহাকাশ বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নিয়েছিল মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র অনুরাগ মান্না। গত ১৪ মে ২০২৩ থেকে ২৭শে ২০২৩ মে অবধি শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল।

আগস্ট ২৬, ২০২৩
বিদেশ

চন্দ্র অভিযানে বড় ধাক্কা রাশিয়ার, আপাতত স্বপ্ন ভেঙে খানখান

চন্দ্র অভিযানে রাশিয়ার খারাপ খবর। রাশিয়ার চন্দ্রাভিযান ব্যর্থ! চন্দ্রপৃষ্ঠে সংঘর্ষের পর চাঁদে নামার আগেই ভেঙে পড়ল রুশ চন্দ্রযান লুনা-২৫ মিশন। প্রথমে লুনা ২৫ মিশনে প্রযুক্তিগত ত্রুটি ধরা পড়ে, তারপর ঘটে দুর্ঘটনা। স্থানীয় সময় দুপুর ২.৫৭ মিনিটে লুনা-২৫-এর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় রুশ মহাকাশ সংস্থার। এর আগে রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থা Roscosmos জানিয়েছিল যে লুনা-২৫ মহাকাশযানটি চাঁদের কক্ষপথে একটি জরুরি অবস্থার সম্মুখীন হয়েছে এবং বিজ্ঞানীদের একটি দল সমস্যাটি পর্যবেক্ষণ করছে। অবশেষে রাশিয়ান বিজ্ঞানীদের সব প্রচেষ্টা বিফলে। চাঁদের মাটিতেই ধুলিস্যাৎ লুনা ২৫। রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থা রোসকসমস জানিয়েছে, তাদের মহাকাশযান লুনা-২৫ চন্দ্রপৃষ্টে ভেঙে পড়েছে। ১৯ আগস্ট শনিবার লুনা-২৫-এ বড় ধরনের প্রযুক্তিগত ত্রুটি ধরা পড়ে। ফলে রাশিয়ার চন্দ্র জয়ের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে।সোমবার চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের প্রস্তুতিতে রাশিয়ার মহাকাশযান লুনা-২৫ বিধ্বস্ত হয়েছে। রাশিয়ার স্পেস এজেন্সি রোসকসমস এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, লুনা-২৫ প্রপালশন ম্যান্যুভের সময় চাঁদের পৃষ্ঠের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে। এ কারণেই দুর্ঘটনার মুখে পড়ে লুনা-২৫। রাশিয়ার জন্য এটি একটি বড় ধাক্কা। ১৯৭৬ সালের পর প্রথম মিশন যা রাশিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়া কোনও চন্দ্র অভিযান চালায়নি। মূলত কক্ষপথ পরিবর্তন করার সময় বিপদ ঘটে। ওই সময় রাশিয়ান মুন মিশন লুনা-২৫-এ প্রযুক্তিগত ত্রুটি ধরা পড়ে, এরপরই দুর্ঘটনায় মুখে পড়ে রাশিয়ার লুনা-২৫ মহাকাশযান। চাঁদে অবতরণের ঠিক আগে ত্রুটির সম্মুখীন হয় লুনা ২৫ মহাকাশযানটি। রুশ মহাকাশ সংস্থা রোসকসমস একদিন আগে জানিয়েছিল, অবতরণের আগে কক্ষপথ পরিবর্তন করার সময় একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, যার কারণে লুনা-২৫ সঠিকভাবে কক্ষপথ পরিবর্তন করতে পারেনি।Roscosmos এর মতে, চন্দ্রযানটি একটি অফ-ডিজাইন কক্ষপথে প্রবেশ কর। এ কারণে এটি চাঁদের পৃষ্ঠের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং চাঁদের মাটিতে ভেঙে পড়ে লুনা ২৫। একটি বিশেষ তদন্ত কমিশন পুরো বিষয়টি তদন্ত করবে। ফরাসি মহাকাশ গবেষক ফ্রাঙ্ক মার্চিসের মতে, একটি সফ্টওয়্যার ত্রুটি লুনা ২৫ মুন মিশনের স্বপ্নকে ভেঙে দিয়েছে। প্রযুক্তিগত ত্রুটির পর প্রায় ১০ ঘন্টা লুনা এর সঙ্গে কোন যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এটা ছিল ৪৭ বছর পর রাশিয়ার প্রথম চন্দ্র অভিযান। সোমবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের পরিকল্পনা ছিল লুনা-২৫-এর।

আগস্ট ২০, ২০২৩
রাজ্য

হঠাৎ বুকে ব্যথা! হাসপাতালে ভর্তি সূর্যকান্ত মিশ্র

আচমকা বুকে ব্যথা! নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র।বুধবার রীতিমতো উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। স্বাস্থ্য থেকে পঞ্চায়েত, বাম জমানায় দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী, পরবর্তীতে বিরোধী দলনেতা, নানা ভূমিকায় সূর্যকান্ত মিশ্রকে দেখেছে রাজ্য রাজনীতি। আগের দিন মুজফফর আহমেদ ভবনে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র।স্বভাবতই এদিন বিভিন্ন মহল থেকে এই চিকিৎসক-নেতার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়। সেই উদ্বেগ নিরসন করে হাসপাতালের পক্ষে জানানো হয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রী বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। সিপিএমের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁদের এই পলিটব্যুরো সদস্য আরও কিছুদিন এসএসকেএমে ভর্তি থাকবেন। চিকিৎসকরা তাঁকে নজরদারিতে রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন।আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিএমের রাজ্য দফতরের কাছেই বেকবাগানে সূর্যকান্ত মিশ্রের মেয়ের বাড়ি। তিনি সেখানেই থাকেন। প্রতি বুধবার মুজফফর আহমেদ ভবনে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক হয়। কিন্তু, এদিন (বুধবার) সকাল থেকেই শরীর খারাপ থাকায় সিপিএমের এই পলিটব্যুরো নেতা বৈঠকে যোগ দেননি। বদলে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে।কিছু দিন আগেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। গত বুধবার তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। ঠিক তার একসপ্তাহ পরেই হাসপাতালে ভর্তি করাতে হল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভার এই সদস্যকে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য হাসপাতালে থাকাকালীন, দলের সঙ্গে হাসপাতালের সংযোগ রক্ষায় বড় ভূমিকা নিতেন সূর্যকান্ত মিশ্র।রাজ্য রাজনীতিতে সূর্যকান্ত মিশ্রর উত্থান ১৯৭৮ সালে। তিনি অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার সভাধিপতি হয়েছিলেন। তারপর থেকে ক্রমশ রাজ্য রাজনীতিতে তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে ওঠেন। ২০১১ সালে বামেদের পরাজয়ের পর তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হন। ২০১৫ সালে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক পদে বসেন। ২০২২ সালের মার্চ অবধি ওই দায়িত্বে ছিলেন।

আগস্ট ১৬, ২০২৩
স্বাস্থ্য

একেই ডেঙ্গি ঘুম কেড়েছে, এবার দোসর করোনা, ৩ কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু বর্ধমান হাসপাতালে!

একেই ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত। চিন্তায় ঘুম উড়েছে সাধারণ মানুষের। সরকারের নাজেহাল দশা। এরই মধ্যে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরপর ৩ দিনে ৩ করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।অন্য রোগ নিয়ে এঁরা বর্ধমান হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে। ২ জনের ছিল এনসেফ্যালাইটিস। অপরজন কিডনির সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। নিজেরাও জানতেন না তাঁরা কোভিড আক্রান্ত।মৃতদের বাড়ি- একজনের ভাতারে, একজনের কীর্ণাহারে, বরেকজন দেওয়ানদিঘির বাসিন্দা। ক্রিটিক্যাল অবস্থা হওয়ায় এঁদের সিসিইউ ভর্তির পরামর্শ দেয় চিকিৎসকরা। তখন এই রোগীদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষায় ওই তিন রোগীর করোনা ধরা পড়ে। তাঁদের প্রত্যেকের ডেথ সার্টিফিকেটে করোনার উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের কতৃপক্ষের দাবি, ওই ৩ জনের করোনায় নয়, নিউমোনিয়ায় মৃত্যু হয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ কৌস্তভ নায়েক বলেছেন, মৃতদের সবার অ্যান্টিজেন টেস্ট পজিটিভ ছিল, অন্য কারণে মৃত্যু। আরটিপিসির পজিটিভ না হলে কোভিডে মৃত্যু বলা যাবে না। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ১০-১২ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় ভাতারের বাসিন্দাা বছর ৬০-এর এক বৃদ্ধ মারা যান। তাঁর কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ ছিল। অন্যদিকে, সোমবার সকালে মারা যান দেওয়ানদিঘি থানা এলাকার বাসিন্দা ৬১ বছরের এক বৃদ্ধ। তিনি কয়েকদিন আগে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এই রেগীরও কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মঙ্গলবার সকালে ২৫ বছর বয়সী যুবকের মৃত্যু হয়। যাঁর বাড়ি কীর্ণাহারে। অন্য হাসপাতাল থেকে রেফার হয়ে এসে তাঁর চিকিৎসা চলছিল বর্ধমানে।অন্যদিকে, জ্বর নিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বেশ কয়েকজন। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, জুলাই মাসে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ২১ জন। জানয়ারি মাস থেকে জেলায় আক্রান্ত ১০৯ জনের মধ্যে ভাতারে ২৩ জন, জামালপুরে ১২, কাটোয়া-১ নম্বর ব্লকে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ জন। বর্ধমান হাসপাতালে ২০ বেডের ডেঙ্গি ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। সেখানে ভর্তি রয়েছেন ৫ জন ডেঙ্গি রোগী।

আগস্ট ০১, ২০২৩
রাজ্য

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সঙ্কটে, তবু তীব্র বিতর্ক রাজনৈতিক মহলে

এখনও সঙ্কট কাটেনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের। ভেন্টিলেশন সাপোর্টে আছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, আগামিকাল সিটি স্ক্যান করা হতে পারে। রাইলস টিউবে খাওয়ানো হচ্ছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। সুগার নিয়ন্ত্রণে তাঁকে ইনসুলিন দেওয়া হচ্ছে। সচেতন রয়েছেন, ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন। শুনতে পাচ্ছেন, জানাচ্ছে মেডাক্যাল বোর্ড। ফুসফুস ও শ্বাসনালীতে সংক্রমণ কাটাতে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। আগামিকাল আরও রক্তসহ নানা শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এদিন হঠাৎ তাঁর রক্তচাপ বৃদ্ধি পেয়ে গিয়েছিল। কিডনিতেই সমস্যা রয়েছে বুদ্ধদেববাবুর। এদিকে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তবে তাঁকে নিয়ে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, বুদ্ধদেববাবুর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। তবে যাঁরা তাঁকে মহাপুরুষ বানাচ্ছেন সেটাও ঠিক নয়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর চিকিৎসার দিকে নজর রাখছেন। তাঁর এই মন্তব্যকে তীব্র ধিক্কার জানিয়েছেন সিপিএম নেত্রী কনীনিকা ঘোষ। তিনি বলেন, জেলখাটা আসামী এমন কথা বলতেই পারেন। এরা কি মানুষ! লজ্জা হয়। আমি ধিক্কার জানাই। কুণালের বক্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কুণাল ঘোষের শিক্ষা-দিক্ষা, রুচি নিয়ে কিছু বলতে চাই না। উনি যা বলেছেন তিনি তাঁর রুচি অনুযায়ী বলেছেন। আমরা দেখতে গিয়েছি তাতে কারও যদি আদিখ্যেতা মনে হয় কিছু বলার নেই।বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভর্তি হওয়ার পর হাসপাতালে গিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারী। তাঁরা প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রীকে সৎ বলেই আখ্য়া দিয়েছেন। তারপর এদিন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষের বক্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সুত্রপাত হয়।

জুলাই ৩০, ২০২৩
রাজ্য

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, হাসপাতালে গেলেন রাজ্যপাল

অসুস্থ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে শনিবার ভর্তি করা হল হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, এদিন তাঁর অক্সিজেনের মাত্রা ৭০-এর নীচে নেমে গিয়েছিল। কমে গিয়ছিল পটাশিয়ামের মাত্রাও। এদিন সকাল ১১টা থেকেই তাঁর সমস্যা শুরু হয়। সেই কারণেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের অবস্থা স্থিতিশীল বলেই হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।চিকিৎসক কৌশিক চক্রবর্তী, ধ্রুব ভট্টাচার্য, সৌতিক পণ্ডা, সুস্মিতা দেবনাথ, আশিস পাত্র, অঙ্কন বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তর্ষি বসু ও সরোজ মণ্ডলের মত পালমোনোলজিস্ট, ক্রিটিক্যাল কেয়ার, মেডিসিন-সহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে আট সদস্যের এক মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এই মেডিক্যাল টিমই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে কথা বলেই চিকিৎসা করছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে সি-প্যাপ সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে।তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল শনিবার সংস্কৃত কলেজের অনুষ্ঠানে ছিলেন। সেখানে তিনি খবর পান। তারপর সেখান থেকে সোজা চলে যান হাসপাতালে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার পর রাজ্যপাল জানান, দক্ষ চিকিৎসকরা তাঁর দেখভাল করছেন। আশা করা যায়, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। সিপিএমের তরফে রবীন দেবও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অক্সিজেনের মাত্রা বর্তমানে স্বাভাবিকের পথে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দিকে। হাসপাতালের তরফে নিয়মিত মেডিক্যাল বুলেটিনে যাবতীয় বিষয়গুলো জানানো হবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। টুইট করেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও।দীর্ঘদিন ধরেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অসুস্থ। বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল। মাঝে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। শ্বাসকষ্ট, সিওপিডিও এবং বার্ধক্যজনিত সমস্যায় রয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর। এদিন তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটার পর পরিবারের লোকজন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে খবর দেন। তারপরই হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন পাম এভিনিউয়ের বাড়ি থেকে বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ ক্রিটিক্যাল কেয়ারের অ্যাম্বুল্যান্সে চাপিয়ে আনা হয় হাসপাতালে। অ্যাম্বুল্যান্সে ছিলেন সপ্তর্ষি বসু-সহ দুজন চিকিৎসকও। এরপর গ্রিন করিডরে অ্যাম্বুল্যান্স চালিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আনা হয় দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে। এদিন বাড়িতে রুটিন চেক আপে ধরা পড়ে মুখ্যমন্ত্রী অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে। তবে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যাপারে বরাবর অনীহা রয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের।

জুলাই ২৯, ২০২৩
দেশ

কবে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে চন্দ্রযান-৩, মহাকাশযান এখন কোথায় অবস্থান করছে?

চন্দ্রযান-৩ নিয়ে বিজ্ঞানীদের যেমন আশা রয়েছে তেমনই উৎসাহ দেশবাসীর। মঙ্গলবার চন্দ্রযান-৩ মহাকাশযান পৃথিবীর চারপাশে তার সর্বোচ্চ কক্ষপথে পৌঁছে গিয়েছে। এখানে এটি চাঁদের দিকে যাত্রা শুরু করার আগে আরও ছয় দিন থাকবে। ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ইসরো) জানিয়েছে যে পঞ্চম এবং চূড়ান্ত কক্ষপথে ওঠার কৌশলটি মঙ্গলবার বিকেলেই সেরে ফেলেছে চন্দ্রযান-৩। মহাকাশযানটি বর্তমানে রয়েছে একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে। যার দূরত্ব পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে সবচেয়ে বেশি ১,২৭,৬০৯ কিলোমিটার। আর, সবচেয়ে কাছের ২৩৬ কিলোমিটার। এর আগে, মহাকাশযানটি পৃথিবীর চারপাশে ৭১,৩৫১x২৩৩ কিলোমিটার উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ছিল।গত ১৪ জুলাই উৎক্ষেপিত হয়েছে চন্দ্রযান-৩। পরিকল্পনা অনুযায়ী এই মহাকাশযান আগামী মাসে চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবে। বর্তমানে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরছে এটি। ক্রমশই এর কক্ষপথের দৈর্ঘ্য বাড়াচ্ছে। ১ আগস্ট, এটি পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে বেড়িয়ে যাবে। আর, সরাসরি চাঁদের দিকে যেতে শুরু করবে। একবার চাঁদের কাছাকাছি যাওয়ার জন্য এই মহাকাশযান চাঁদের একের পর এক কক্ষপথে প্রবেশ করবে। সেই জন্যও বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। অবশেষে ২৩ বা ২৪ আগস্টের কাছাকাছি প্রায় ১০০ কিলোমিটার বৃত্তাকার কক্ষপথ থেকে চন্দ্রযান চাঁদের পৃষ্ঠে চূড়ান্ত অবতরণ করবে।চন্দ্রযান-৩ সমগ্র ভ্রমণকে অর্থনৈতিক দিক থেকে সাশ্রয়ী করার জন্য সরাসরি চাঁদে চলে যাওয়ার পরিবর্তে একটি বৃত্তাকার পথে সেদিকে যাচ্ছে। চাঁদে এই মহাকাশযান সরাসরি যেতেই পারত। সেজন্য এর প্রায় চার দিন বেশি সময় লাগত। কিন্তু, সেজন্য চন্দ্রযান-৩ এর অনেক ভারী রকেট এবং বিপুল পরিমাণ জ্বালানির প্রয়োজন হত। যার খরচ ছিল ব্যাপক। সেই কারণে খরচ বাঁচাতে চন্দ্রযান-৩ কে পৃথিবীর কাছাকাছি একটি কক্ষপথে প্রথম পাঠানো হয়। সেখান থেকে এই মহাকাশযান গতি অর্জনের জন্য অভিকর্ষ বল ব্যবহার করে। তারপরে ফায়ার থ্রাস্টারগুলোকে ত্বরান্বিত করে একের পর এক কক্ষপথে পৌঁছেছে। এই প্রক্রিয়ায় অনেক কম পরিমাণে জ্বালানি লাগছে। কিন্তু, চাঁদে পৌঁছতে অনেক বেশি সময়ও লাগছে।

জুলাই ২৬, ২০২৩
রাজ্য

বিজেপিকে হঠানোই লক্ষ্য, একুশের মঞ্চে ইন্ডিয়া জোটেই আস্থা মমতার

২০২৪-র লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে ২৬টি বিরোধী দলের জোট ইন্ডিয়া গঠিত হয়েছে বেঙ্গালুরুতে। শুক্রবার একুশের সভামঞ্চ থেকে মমতা বোঝালেন, ইন্ডিয়ার পাশে থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই চালিয়ে যাবে। শীঘ্রই জোটের প্রতিনিধিরা হিংসা-বিধ্বস্ত মণিপুরেও যাওয়ার উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও আগামী বছরের লোকসভা ভোটের আগে পুলওয়ামার মতো চরম কিছু ঘটারও আশঙ্কা করছেন তৃণমূলনেত্রী।আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনের আগে এবারের একুশে জুলাইয়ের শহিদ সভায় দলনেত্রীর বার্তার অপেক্ষায় ছিলেন কর্মী-সমর্থকরা। মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় বোঝালেন, এবার থেকে সব লড়াই ইন্ডিয়া জোটের ব্যানারেই তিনি করতে চান। আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যদুস্ত করতে জোট বেঁধেছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। বাম, কংগ্রেস, আপ, ডিএমকে, পিডিপি, সপা, এনসিপি-সহ একাধিক দলের সঙ্গেই জোটে রয়েছে তৃণমূলও।একুশের মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আজ ভারতবর্ষে যে লড়াই হোক, সেটাই হবে ইন্ডিয়ার ব্যানারে। জিতেগা ইন্ডিয়া, এই ব্যানারে হবে। চেয়ারের কেয়ার করি না। আমাদের কোনও চেয়ার চাই না। পরিস্কার বলছি, আমরা চাই বিজেপি দেশ থেকে রাজনৈতিকভাবে বিদায় নিক। আর বিজেপিকে সহ্য করা যাচ্ছে না। সব সীমা ওরা লঙ্ঘন করে গিয়েছে।আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যদুস্ত করার ডাক দিয়ে এদিন একুশে জুলাইয়ের সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলনেত্রী বলেন, ইন্ডিয়া লড়বে। তৃণমূল ঝান্ডা নিয়ে সৈনিকের মতো পাশে থাকবে। আমাদের চাওয়ার কিছু নেই। শুধু চাই, মোদী হারুক, ইন্ডিয়া জিতুক।এরই পাশাপাশি এদিন আরও একটি মারাত্মক আশঙ্কার কথা শোনা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপি ফেক ভিডিও তৈরি করে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এক্ষেত্রে তাঁর নিশানায় বিজেপি। গেরুয়া দলকে বিঁধে এদিন এপ্রসঙ্গে তৃণমূলনেত্রী বলেন, আমি সবাইকে বলে দিতে চাই, বিজেপি পরিকল্পনা করছে ফেক ভিডিয়ো করবে, পুলওয়ামার মতো, সিনেমার মতো। সেই ভিডিও করে বাংলাকে অসম্মান করার পরিকল্পনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর কথা থেকেই এটা স্পষ্ট। তিনি মণিপুর নিয়ে বলতে গিয়ে বাংলার, ছত্তীশগড় নিয়ে বলেছেন। এটা আগে থেকে পরিকল্পিত।

জুলাই ২১, ২০২৩
দেশ

চন্দ্রযান ‘থ্রী’ দলে সামিল বীরভূমের কৃষক পরিবারের সন্তান বাংলার গর্ব

চাঁদে যান পাঠানোর কর্মযজ্ঞে সামিল বীরভূমের প্রত্যন্ত গ্রামের বিজয় কুমার দাই। ইসরোর গবেষনাগারে বসে চন্দ্রযান থ্রীর সফল উৎক্ষেপনে অংশ নিয়েছেন মল্লারপুর থানার দক্ষিণগ্রামের দাই পাড়ার বিজয় কুমার দাই। তপশিলী দরিদ্র চাষী পরিবারে জন্ম নেওয়া বিজয় দারিদ্রতাকে জয় করে চাঁদে যান পাঠানোর কর্মযজ্ঞে সামিল হলেন তিনি। বিশ্বজোড়া খ্যাতির কর্মকাণ্ডে ছেলের অংশগ্রহণে গর্বিত বিজয়ের বাবা-মা ও তার গ্রামের মানুষজন। চন্দ্রযান টু সফল না হলেও চন্দ্রযান থ্রী সফলভাবে চাঁদের মাটিতে অবতরণ করবে বলে আশা বিজয় কুমার দাই এর বাবা ও মার।২০০০ সালে মল্লারপুর থানার দক্ষিণগ্রাম জগততারিণী বিদ্যায়তন থেকে ৮৯ শতাংশ নম্বর নিয়ে মাধ্যমিক পাশ করেন বিজয় কুমার দাই। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন বেলুড় রামকৃষ্ণ মঠ থেকে। তারপর কল্যানী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার ডিগ্রী লাভ করেন। তারপরেই চাকরি পেয়ে যান ইসরোতে। সেখানেই চন্দ্রযান ২ এবং চন্দ্রযান থ্রি উৎক্ষেপনে অংশ গ্রহন করেন তিনি। বিজয় কুমার দাই এর এই সাফল্যে খুশী দক্ষিণগ্রামের মানুষজনও। খুশী দক্ষিণগ্রাম জগততারিণী বিদ্যায়তনের শিক্ষককেরাও।মা শ্যামলী দাই বলেন, আমার তিন ছেলের মধ্যে বিজয় মেজো। বড় ছেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। বড় ছেলের দেখানো পথেই মেজো ছেলে ইসরোতে পৌঁছেছে। বড় ছেলে সব সময় ভাইকে গাইড করত। খুব ভালো লাগছে।স্কুলের প্রধান শিক্ষক উৎপল মণ্ডল বলেন, আমরা গর্বিত। আমাদের স্কুলের একজন ছাত্র ইসরো বিজ্ঞানী হয়েছে এটাতো গর্বের বিষয়। আমরা ঠিক করেছি এবার বাড়ি ফিরলে স্কুলে অনুষ্ঠান করে তাকে সম্বর্ধিত করব। পাশাপাশি তাঁর মাধ্যমে বর্তমান ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করব।

জুলাই ১৬, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

'কুপন' নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নেওয়া! এনএবিসি 'বঙ্গ সম্মেলন' নিয়ে ক্ষোভ সঙ্গীত শিল্পী মধুরা'র

এবছরে এনএবিসি বঙ্গ সম্মেলনএ গিয়ে চূড়ান্ত অপদস্থ হতে হয়েছে বাংলার শিল্পীদের। আয়োজকদের অব্যবস্থার নানা অভিযোগ শিল্পীরা তাঁদের সামাজিক মাধ্যমে করছেন। তাঁদের অভিযোগ: প্রাপ্য পারিশ্রমিক না পাওয়া, খাওয়া-দাওয়ার অব্যবস্থা, হোটেলের ঘর নির্ধারিত সময়ের আগে ছেড়ে দেওয়ার আদেশ, অনুষ্ঠানের অদ্ভুত সময়সূচী; নানাভাবে বাংলার বিশিষ্ট শিল্পীদের নানারকম অপ্রীতিকর অবস্থার মধ্যে পড়তে হয় এনএবিসি অনুষ্ঠানে এসে। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স-র বঙ্গ সম্মেলন অনুষ্ঠানের আয়োজকদের আতিথেয়তা নিয়েও! নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স-র বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমান, অসম্মান ও অবহেলা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের মধ্যেই আয়োজক সংস্থার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বাংলার নবীন থেকে প্রবীন শিল্পীরা।সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে এক খোলা চিঠিতে এই বছরের (২০২৩) আটলান্টাতে আয়োজিত নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমান ও হেনস্থায় বাংলার একঝাঁক শিল্পী প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত স্বপন চৌধুরী, তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, বিক্রম ঘোষ থেকে শুরু করে সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায়,অঞ্জন দত্ত, শ্রীকান্ত আচার্য্য, মনোময় ভট্টাচার্য্য, সৌমিত্র রায়, অনুপম রায়,অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, লোপামুদ্রা মিত্র, শুভমিতা ব্যানার্জী, জয়তী চক্রবর্তী, ইমন চক্রবর্তী, রূপম ইসলাম, মধুরা ভট্টাচার্য, তৃষা পাড়ুই ছাড়াও কবি শ্রীজাত, সুবোধ সরকার, সুরকার দেবজ্যোতি মিশ্র, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত, জয় সরকার ও টলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা/ অভিনেত্রী বিদীপ্তা চক্রবর্তী,সোহিনী সরকার ছাড়াও আরও অনেকে তাঁদের সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে এর প্রতিবাদে ফেটে পড়েন।এই মহুর্তের বাংলা সিনেমা ও টেলিভিশন-র ব্যস্ততম সঙ্গীত শিল্পী মধুরা ভট্টাচার্য এনএবিসি বঙ্গ সম্মেলনএ গিয়ে তাঁর সুমধুর অভিজ্ঞতার কথা জনতার কথা কে জানালেন। মধুরা জানান তিনি, ২০১৭ সালের এনএবিসি বঙ্গ সম্মেলনএ প্রথম বার তিনি গিয়েছিলেন, এবং ওটাই তাঁর শেষ যাওয়া! মধুরা জানান এনএবিসি সম্পর্কে এক বিশাল ধারণা নিয়ে ওখানে গিয়েছিলাম, প্রচুর মানুষ, দারুণ সুন্দর ব্যবস্থা হবে ওখানে, সবার মত এই রকমই ধারনা আমারও ছিল! ২০১৭ তে প্রথম বার ওখানে পৌঁছাবার পরই বেশীরভাগ ধারনাই ভুল প্রমাণিত হল। তিনি জানান, তিনি ছাড়াও অনেক গুণী শিল্পী সেই বারের অনুষ্ঠানে একত্রে ওখানে গিয়েছিলেন।মধুরা জানান, দীর্ঘ বিমান যাত্রায় ক্লান্ত হয়ে, ওখানে একেবারে অন্য একটা ওয়েদারে পৌঁছাবার পর অনেক্ষনের অপেক্ষা রুম এলটমেন্ট এর জন্য। সেসব না হয় মেনে নেওয়া যায়, আমরা মেনে নিইও। অনুষ্ঠানের সময়সূচীর পরিবর্তন! সেসবও ঠিক আছে। হয়েই থাকে।মধুরা আরও বলেন, তবে আমার সবচেয়ে খারাপ লেগেছিল, পৌঁছনোর পরেই, আমাদের হাতে খাবারের কুপন ধরানো! ছোট ছোট কাগজের টুকরোতে এনএবিসি লেখা কুপন। বঙ্গ সম্মেলনএ শিল্পী হিসেবে আমন্ত্রিত হয়ে গিয়ে কুপন নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে সকালের ব্রেকফাস্ট থেকে রাতের ডিনার নিতে হবে! আমার সেই ছোটোবেলার কথা মনে পড়ে গেলো, পাড়ার পুজোর প্যান্ডেলে টিফিন বা ভোগ নেওয়ার জন্য কুপন নিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর কথা। মধুরা জানান, দীর্ঘ বিমান যাত্রায় ক্লান্তি ও ধকলের পর, লাইন দিয়ে কুপন নিয়ে দাঁড়িয়ে খাবার মত মানসিকতা ছিলোনা, তাছাড়া দু-তিন দিনের মধ্যে অনেকগুলো অনুষ্ঠান ছিল, তার প্রস্তুতিও ছিল। সর্বোপরি শিল্পী হিসাবে লাইনে দাঁড়িয়ে কুপন নিয়ে খাবার নেওয়া আমার কাছে খুব-ই অপমানজনক লেগেছিল। নীরব প্রতিবাদ হিসেবে তাই বেশিরভাগ সময়েই, আমি ও আরও কয়েকজন সহশিল্পী বাইরে থেকে নিজেরাই খাবার কিনে এনে খেয়েছি। সবসময় অনুষ্ঠানের টাইট শিডিউলে সেটাও সম্ভব হয়নি যদিও। তাতে আয়োজক দের কারও মাথা ব্যথা হবে, সেটা এক্সপেক্ট করাও ভুল!তিনি বলেন,তবে বলা বাহুল্য, সেবারে গিয়ে বেশ এমন কয়েকজন শ্রোতার সাথেও আলাপ হয়েছিল, যাঁরা তাদের মতন করে যথা সম্ভব যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাদের সাথে খুবই সুন্দর হৃদ্যতার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে সেই থেকে। প্রতিবার হয়তো কোর কমিটিতে বদল হতে থাকে। তাই কিছু মানুষের কেলাসনেস এর জন্যে সবাইকে দায়ী কখনোই করবোনা।মধুরা জানান, ওই অভিজ্ঞতার পর এনএবিসি যাবার ইচ্ছা বা আকর্ষণই কমে গিয়েছিল। এর পরেও এনএবিসি থেকে অনুষ্ঠান করার প্রস্তাব এসেছে, কিন্তু আমি খুব সন্তর্পনে এড়িয়ে গেছি। তিনি জানান এই বছরেও এনএবিসি থেকে প্রস্তাব এসেছিলো, কিন্তু আমার চুক্তি যে তাদের মনমত হয়নি, এটা আমার পক্ষে খুবই মঙ্গলদায়ক হয়েছে।মধুরার জানান, এবছর যা যা ঘটেছে তাতে আয়োজকদের আরও অনেকটা বেশি সচেতন হওয়া উচিত। এতদূর থেকে এতজন শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হলে, আয়োজকদের আরও অনেকটা সময়, ভাবনা চিন্তা, বোধের প্রয়োজন। নানান খুঁটি নাটি দিক অনেক কিছু ভাবার থাকে। শিল্পীরা রোবট নন। তাদের ন্যূনতম হলেও, একটা কমফর্ট এর প্রয়োজন হয়, সুস্থ শরীরে, হাসি মুখে, দুই আড়াই ঘণ্টা শ্রোতা দের নির্ভেজাল আনন্দ দিতে। শিল্পীদের ডেকে নিয়ে গিয়ে যে ভাবে অপমানিত হতে হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে প্রবীন থেকে নবীন। সামাজিক মাধ্যমে চোখ বোলালেই তাঁর আঁচ পাওয়া যাচ্ছে।একটি খোলা চিঠি তাঁরা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন তাতে লেখা,সুধী, উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলন ২৩, আটলান্টিক সিটিতে ঘটে যাওয়া কিছু অনভিপ্রেত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিবাদপত্র। পশ্চিমবঙ্গের শিল্পী, বিদ্বজ্জনের লাগাতার হেনস্থা এখন বঙ্গ সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণীয় এক অনুষ্ঠান। পূর্বের সম্মেলনগুলিতেও এমন উদাহরণ অসংখ্য। তবে এবারের সম্মেলন বোধহয় আগের সবকিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে। অব্যবস্থা, অসৌজন্য, অমার্জিত ব্যবহার, অসহযোগিতা শিল্পীদের আত্মসম্মানবোধে আঘাত করে চলেছে ক্রমাগত, ভদ্রতাবোধকে দুর্বলতা ভেবে একের পর এক অপমানসূচক ঘটনা সম্মেলন কর্তারা ঘটিয়েই চলেছেন। অতিথি শব্দটার সঙ্গে যে বিশ্বজনীন আতিথ্যের সংযোগ, তা তারা ভুলতে বসেছেন। এই পরিস্থিতিতে, বাংলার সব শিল্পী আজ এনএবিসির যে কোনও অনুষ্ঠান নিয়ে চূড়ান্ত আতঙ্কিত, অপমানিত। তাই একজোট হয়ে আজ তীব্র প্রতিবাদ জানাই এনএবিসির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে। অপমানের আকস্মিকতায় আমরা মূক ও স্তম্ভিত। ভবিষ্যতের কর্মপন্থা কী হবে, তা অচিরেই প্রকাশ করব আমরা। ধিক্কার জানাই সংগঠকদের যারা এই রুচিহীন সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। বঙ্গ সম্মেলনের জনপ্রিয়তা বিশিষ্ট, স্বনামধন্য শিল্পীদের জন্য, অপদার্থ সংগঠকদের জন্য নয়, এ কথা যেন তারা বিস্মৃত না হন। সংস্কৃতি মঞ্চ আমাদের কাছে পবিত্র এক জানলা, তাকে নোংরা করার অধিকার আপনাদের কেউ দেয়নি। আমাদের শিল্পীজীবন আমাদের নিজস্ব, সেই আত্মসম্মানের জায়গায় কেউ হাত দিলে; সাবধান. গর্জে উঠবে বাংলার সব শিল্পীদল।

জুলাই ০৮, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

বাংলার শিল্পীদের চরম অসম্মান ও হেনস্থা বঙ্গ সম্মেলনে, সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের আগুন

আমেরিকার নিউ জার্সির আটলান্টাতে আয়োজিত ২০২৩-র নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স-র বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমানের প্রতিবাদে মুখর বাঙালি শিল্পী মহল। এবছরে উত্তর আমেরিকায় নিউ জার্সির আটলান্টাতে আয়োজিত হয়েছিল ইতিহ্যবাহী বঙ্গ সম্মেলন বা নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স। ১৯৮১ থেকে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠান মূলত জুলায় মাসেই হয়ে থাকে। বিগত প্রায় চার দশক ধরে বঙ্গ সংস্কৃতি সংঘ সামক এক সংস্থা এই বার্ষিক কনফারেন্সের আয়োজন করে আসছেন। এরপর থেকে প্রতি বছরই বাঙালি শিল্পী সমন্বয়ে (কলকাতার (ভারত) বা বাংলাদেশ) এই অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। ২০২৩-র বঙ্গ সম্মেলন অনুষ্ঠানটি ৩০ জুন থেকে ২ জুলাই অবধি হয়েছিল।এইবছরের (২০২৩) আটলান্টাতে আয়োজিত নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স বঙ্গ সম্মেলন-এ বাংলার শিল্পীদের অপমান ও হেনস্থার প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সরব বাংলার আপামর শিল্পীমহল। বাংলার একঝাঁক শিল্পী সামাজিক মাধ্যমে এর প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত স্বপন চৌধুরী, তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, বিক্রম ঘোষ থেকে শুরু করে সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায়,অঞ্জন দত্ত, শ্রীকান্ত আচার্য্য, মনোময় ভট্টাচার্য্য, সৌমিত্র রায়, অনুপম রায়,অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, লোপামুদ্রা মিত্র, শুভমিতা ব্যানার্জী, জয়তী চক্রবর্তী, ইমন চক্রবর্তী, রূপম ইসলাম, মধুরা ভট্টাচার্য, তৃষা পাড়ুই ছাড়াও কবি শ্রীজাত, সুবোধ সরকার, সুরকার দেবজ্যোতি মিশ্র, ইন্দ্রদীপ দাসগুপ্ত, জয় সরকার ও টলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা/ অভিনেত্রী বিদীপ্তা চক্রবর্তী,সোহিনী সরকার ছাড়াও আরও অনেকে তাঁদের সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে এর প্রতিবাদে ফেটে পড়েন।সমবেত ভাবে তাঁরা তাঁদের সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে লিখেছেন, সুধী, উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলন২৩, আটলান্টিক সিটিতে ঘটে যাওয়া কিছু অনভিপ্রেত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিবাদপত্র। পশ্চিমবঙ্গের শিল্পী, বিদ্বজ্জনের লাগাতার হেনস্থা এখন বঙ্গ সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণীয় এক অনুষ্ঠান। পূর্বের সম্মেলনগুলিতেও এমন উদাহরণ অসংখ্য। তবে এবারের সম্মেলন বোধহয় আগের সবকিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে। অব্যবস্থা, অসৌজন্য, অমার্জিত ব্যবহার, অসহযোগিতা শিল্পীদের আত্মসম্মানবোধে আঘাত করে চলেছে ক্রমাগত, ভদ্রতাবোধকে দুর্বলতা ভেবে একের পর এক অপমানসূচক ঘটনা সম্মেলন কর্তারা ঘটিয়েই চলেছেন। অতিথি শব্দটার সঙ্গে যে বিশ্বজনীন আতিথ্যের সংযোগ, তা তারা ভুলতে বসেছেন। এই পরিস্থিতিতে, বাংলার সব শিল্পী আজ এনএবিসির যে কোনও অনুষ্ঠান নিয়ে চূড়ান্ত আতঙ্কিত, অপমানিত। তাই একজোট হয়ে আজ তীব্র প্রতিবাদ জানাই এনএবিসির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে। অপমানের আকস্মিকতায় আমরা মূক ও স্তম্ভিত। ভবিষ্যতের কর্মপন্থা কী হবে, তা অচিরেই প্রকাশ করব আমরা। ধিক্কার জানাই সংগঠকদের যারা এই রুচিহীন সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। বঙ্গ সম্মেলনের জনপ্রিয়তা বিশিষ্ট, স্বনামধন্য শিল্পীদের জন্য, অপদার্থ সংগঠকদের জন্য নয়, এ কথা যেন তারা বিস্মৃত না হন। সংস্কৃতি মঞ্চ আমাদের কাছে পবিত্র এক জানলা, তাকে নোংরা করার অধিকার আপনাদের কেউ দেয়নি। আমাদের শিল্পীজীবন আমাদের নিজস্ব, সেই আত্মসম্মানের জায়গায় কেউ হাত দিলে; সাবধান. গর্জে উঠবে বাংলার সব শিল্পীদল।প্রতিবাদী শিল্পীদের মূল প্রতিবাদ আয়োজক সংস্থার অব্যবস্থা ও শিল্পীদের প্রতি অসন্মান! তাঁদের বক্তব্য এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে আমেরিকা পৌছানো পর থেকেই প্রতি পদে তাঁদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। শিল্পীদের অভিযোগ বিমানবন্দর থেকে যাওয়া শুরু করে, হোটেলে থাকার ব্যবস্থা,খাওয়ার মত সামান্য বিষয়েও কোনওরকম নজর দেননা আয়োজকরা। বিদেশ বিভূঁইয়ে স্বজাতির দ্বারা প্রতারিত ও হেনস্তা হয়ে প্রতি পদে বিপদে পড়েন তাঁরা। শিল্পীদের আরও অভিযোগ যে মূল করনে তাঁরা এতদূর পারি দিয়ে এসেছেন সেই অনুষ্ঠান-ই কেটেছেঁটে ছোট করে দেওয়া হয়। এছাড়া পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রেও তাঁদের প্রতারিত হতে হয়েছে নানা সময়, অনেককেই তাঁদের নুন্যতম পারিশ্রমিক টুকুও দেওয়া হয়না বলে অভিযোগ শিল্পীদের।আয়োযোগ সংস্থা নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্সর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও, তাঁদের যোগাযোগ করতে ব্যর্থ প্রতিবাদী শিল্পীরা। বিশিষ্ট প্রবীন শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী-র আয়োজকদের পাঠানো একটি ইমেল সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই ইমেলে তিনি লেখেন,অসম্ভব ভুলভাল টাইমিং তো ছেড়েই দিলাম, আমি ভাবতেই পারিনি সেখানে আমাদের জন্য কোনও গাড়ির ব্যবস্থাও থাকবে না, দুপুরের খাবার আসবে বিকেল ৪ টের সময়। তাও আমরা বাইরে থেকে খাবার কেনার পর। হোটেলের ঘরে পর্যন্ত ঢুকতে পারিনি আমরা। বাইরে অপেক্ষা করতে হয়েছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী আমায় এত সম্মান দেন, ভারতের সব থেকে প্রবীণ শিল্পী আমি সেখানে আমায় নিয়ে গিয়ে এমন অপমান! আমি আমার প্রাপ্য টাকাটুকু পাইনি। এবার বলুন আমার কী করণীয়?...শুধু অজয় চক্রবর্তী-তেই থেমে নেই, ফেসবুক লাইভে এসে বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী জয়তী চক্রবর্তী নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্সর অনুষ্ঠানে এসে তাঁর ভয়ানক অভিজ্ঞতা সকলের সাথে শেয়ার করে নেন। জয়তি বলেন, আমাদের ৫ তারিখ পর্যন্ত হোটেল বুকিং আছে বলে জানানো হয়েছে কিন্তু আজ সকাল (৪ঠা জুলাই ২০২৩) থেকে আমরা আমাদের ঘরে ঢুকতে পারিনি। বিকেল ৪ টে বেজে গেলেও আমাদের খেতে দেওয়া হয়নি। এক পরিচিত খাবার এনে দেওয়ার পর ওঁরা খাবার দেন। আমাদের অনুষ্ঠানের এক শিডিউল টাইম বলে নিয়ে আসা হয়েছিল, এখানে এসে পুরোটাই পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। আমরা অনেকেই আমাদের নিজেদের ঘরে ঢুকতে পারিনি। পরে সৌগত দা এসে আমাদের কিছু শিল্পীকে উদ্ধার করেন এই পরিস্থিতি থেকে। আমি আজ নিজের চোখে গুরুজির যে অসম্মান দেখলাম সেটা মানতে পারছি না। আমাদের যে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রাখা হয়েছিল তার দায় কে নেবে?দায়ভারের প্রশ্নই এখন শিল্পীদের মুখে মুখে তা প্রবীন সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী-ই হোক বা অভিনেত্রী সোহিনী সরকার, সকলেই এর একটা যথাযত বিহিত চাইছেন......। সঙ্গীত শিল্পী অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে লেখেন ভারতের সিনিয়র-মোস্ট কিংবদন্তি শিল্পীকে যদি এমন চিঠি লিখতে হয়,তাহলে বেঙ্গলি কনফারেন্স করে লাভ কি? এই অসম্মানটুকু পন্ডিত অজয় চক্রবর্তীর প্রাপ্য বুঝি!! বাঙালি আর কত নীচে নামবে?

জুলাই ০৭, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

২৫- শে পা দিচ্ছে কৌশিক ইভেন্টস

কৌশিক ইভেন্টস একটি অর্গানিসশন যেটি এই বছর ২৫ এ বছরে পা দিচ্ছে। তারা এতো বছর ধরে কলকাতা তথা ভারত বর্ষে বিভিন্ন জায়গায় তাদের নিজস্ব অতুলনীয় উদ্ভাবনীয় অনুষ্ঠান করে দর্শক মহলে ছাপ ফেলে দিয়েছে তাদের জার্নি শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ এর মাঝামাঝি একটা কলেজ সোশ্যাল ইভেন্ট করে। একটা দারুন বিষয় সেই কলেজে ২৫ বছর ধরে এখনো কৌশিক ইভেন্টস সুনামের সাথে কাজ করে চলেছে,এই দলের প্রধান উদ্যোক্তা কৌশিক রাহুল ঘোষ জনতার কথা কে জানিয়েছেন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে পশ্চিমবঙ্গের সংগীত ও শিল্প কর্ম সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলাম বলে এই দলটির শুরু হয়েছিল। মূলত নতুন শিল্পীদের প্লাটফর্ম দেয়ার পাশাপাশি আমরা বিখ্যাত শিল্পীদের একসাথে মঞ্চস্থ করার জন্য বহু ইভেন্ট করেছি। নজরুল মঞ্চে প্রথমবার একসাথে ভৌমিক ক্যাকটাস এবং চন্দ্রবিন্দুকে পারফর্ম করিয়েছিল এই ইভেন্টস তেমনি আবার রক সক নামে একটি রক কনসার্টের কলকাতা শহরে প্রথমবার আয়োজন করি। আমাদের ইভেন্টস যেখানে পারফর্ম করেছিল বিখ্যাত ব্যান্ড ফসিলস ক্যাকটাস এবং ক্রস উইন্স প্রথমবার একসাথে।এর পাশাপাশি তিনি জানান, কবীর সুমন একক নচিকেতা সুমন চক্রবর্তী এবং কলকাতার তথা পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত আর্টিস্টদেরকে নিয়ে করা বিভিন্ন সরকারি মেলা তার সঙ্গে সঙ্গে তাদের নিজস্ব চিন্তাধারায় অটুট বন্ধন নামে ওয়াল্ড মিউজিক ডে উদযাপন করা কৌশিক ইভেন্টস এর স্পেশালিটি,এর পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম থেকে প্রতিভা তুলে আনার জন্য তারাই প্রথম শুরু করে আগামীর তারারা অনুষ্ঠান এবং সেই অনুষ্ঠান থেকেই অনেক শিল্পী আজ বিশ্বের দরবারে সুনামের সঙ্গে কাজ করে চলেছে। নতুন প্রজন্ম পুরনো প্রজন্ম এবং তার সঙ্গে নতুন প্রতিভা দের নিয়ে কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে তারা কলকাতার বুকে বিভিন্ন থিম পুজো, ঠাকুর এবং পুজোর থিম সং এর সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিশেষ ছাপ ফেলেছে গত বছর কৌশিক ইভেন্টস ব্যাঙ্গালোরের বুকে এক অভিনব যাত্রা শুরু করে সেখানে তারা সর্বপ্রথম কলকাতায় কুমোরটুলির ঠাকুর মহিলা ঢাকি স্বনামধন্য শিল্পীদের দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সঙ্গে থিমের প্যান্ডেল এবং ডেকোরেশনের কাজ শুরু করে যেটা একটা অন্য মাত্রায় কাজের রুচির পরিচয় পাওয়া যায়. করোনা কালে কৌশিক ইভেন্টস আর্টিস্টদের পাশে দাঁড়িয়ে লিজেন্ডদেরকে সম্মান জানিয়ে আ ট্রিবিউট টু দ্য লিজেন্ডস এর কাজ বিশেষ প্রশংসনীয়। এর পাশে কৌশিক ইভেন্টস কিছু সমাজমুলক কাজ করেন তাদের বিশিষ্ট কিছু ইভেন্টস এর মাধ্যমে যেমন তারা প্রত্যেক বছর নিয়ম করে দুস্থদের সেবা এবং গরীব দুঃখীদের বস্ত্র, পড়াশোনার জিনিসপত্র বিভিন্ন হাইজেনিক প্রোডাক্ট যেগুলো আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করি তারা প্রদান করে থাকে। বৃদ্ধাশ্রম এর প্রবীণ দের পুজোর আগে নতুন জামা কাপড় পথ শিশুদের জন্য এবং তাদের পরিবারের জন্য পুজোর জামা কাপড় এবং প্রয়োজনীয় জিনিস প্রদান করে থাকে। ঠান্ডার সময় শীত বস্ত্র প্রদান এছাড়া নিয়ম করে গরীব মানুষদের জন্য তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী রেশনের ব্যবস্থা করে থাকে।ভবিষ্যতে আরো ভালো কাজ করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে কৌশিক ইভেন্টস। জনতার কথা-র পক্ষ থেকে তাদের জন্য রইল অনেক শুভকামনা।

জুন ১৫, ২০২৩
রাজ্য

ইতিহাস ছুঁয়ে পূর্ব বর্ধমানকে গর্বিত করল মেমারির কিশোর অনুরাগ

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর মহাকাশ বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেল মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র অনুরাগ মান্না। আগামী ১৪ মে ইসরোর সেন্টারে পৌঁছাবে অনুরাগ। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে ২৭ মে পর্যন্ত প্রশিক্ষণ নেবে সে। এই খবরে খুশির হাওয়া তার স্কুল ও পাড়ায়। অনুরাগের বাবা শ্যামল কুমার মান্না ও মা সাধনা মান্না জানায়, ছোটবেলা থেকেই মহাকাশ ওকে ভাবায়, ভবিষ্যতে তাঁর লক্ষ্য মহাকাশ বিজ্ঞানী হওয়া। স্বপ্নের পেছনে ছুটতে তাঁকে বরাবর অনুপ্রেরণা দিয়ে চলেছেন তার বিদ্যালয় ও বাবা মা। শিবিরে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেতে অনলাইনে বিভিন্ন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। সমগ্ৰ ভারত থেকে লক্ষাধিক ছাত্র-ছাত্রীর মধ্য থেকে মাত্র ৩৫০ জন সুযোগ পেয়েছে এই প্রশিক্ষণ শিবিরে। ফল প্রকাশিত হতে দেখা যায়, সুযোগ পেয়েছে অনুরাগ। তার স্কুলের প্রিন্সিপাল শ্রী অরুন কান্তি নন্দি বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিভাকে খুঁজে বের করা ও তাদের উদ্দীপিত করার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা। তারই আবারও ফল পেলাম।

এপ্রিল ২১, ২০২৩
রাজ্য

১০০ নয় কুন্তল একাই ৫০০ কোটি তুলেছে, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে বিষ্ফোরক তাপস

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির টাকা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন ধৃত তাপস মন্ডল। বৃহস্পতিবার আদালতে যাওয়ার মুখে তাপস সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আদালত থেকে বেরিয়ে কথা বলব। আদালত থেকে বেরিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছেন তাপস মন্ডল।তাপস বলেন, ১০০টাকা নয় কুন্তল তুলেছে ৫০০ কোটি টাকা। এই টাকা হাওলার মাধ্যমে বাইরে টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল। অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে টাকা তুলেছে কুন্তল। কুন্তল একাই ৫০০ কোটি টাকা তুলেছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিওএ সেভাবে কোনও চাপ দেয়নি।কুন্তলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের প্রক্ষিতে বিজেপির বক্তব্য়, শীর্ষ মহল না এত বড় দুর্নীতি সম্ভব নয়। যদিও কুন্তল এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ও শান্তনুর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা তৃণমূলের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতিতে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল অনেক আগেই বহিস্কার করেছে। তবে তিনি এখনও দলে বিধায়ক রয়েছেন। গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য এখনও বিধায়ক রয়েছেন। এবার শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফাতার দুই যুব নেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেস বহিষ্কার করল। যদিও গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রয়েছেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রায় ২ মাস হতে চলল গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য যুবনেতা কুন্তল ঘোষকে। কুন্তলকে গ্রেফতার করার পর নতুন নতুন নাম করেছে ইডির কাছে। তাঁদের তলব করছে ইডি। চার দিন আগে তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে ইডি। এদিন তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয় কুন্তল ও শান্তনুকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন কুন্তল। কিন্তু শান্তনু দলের সেভাবে কোনও পদে ছিলেন না বলেই জানা গিয়েছে। রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও শশী পাঁজা সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন। এদিন শশী পাঁজা বলেন, সঞ্জীব সুকুল নামে যে ব্যক্তির চাকরি খুইয়েছেন তিনি শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। বিজেপি ও সিপিএম নেতাদের পরিবারের সদস্যদেরও দুর্নীতির দায়ে চাকরি গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বাজেট ভাষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি, এক বছরেই উলোট-পূরাণ

রাজ্যপাল হায় হায় বলে স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের দেওয়া লিখিত ভাষণ পাঠ করা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। রাজ্যপালের ভাষণ চলাকালীন চোর ধরো জেল ভরো স্লাগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। ছিঁড়ে দেওয়া হয় রাজ্যপালের ভাষণের কপি। ওয়াকআউট করে বিজেপি বিধায়করা। এমনকী রাজ্যপাল বিধানসভা চত্বরে গাড়িতে ওঠার সময়ও গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন।এর আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের সময় বিপরীত দৃশ্য দেখা যেত। তখন রাজ্যপালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাত তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়করা, এখন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে বিজেপি বিধায়করা। একেবারেই উলোট-পূরাণ।গতবছর ২০২২ রাজ্য বাজেট অধিবেশনে তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় ভাষণ না পাঠ করেই বিধানসভার কক্ষ ত্যাগ করছিলেন। তখন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, শিউলি সাহারা ঘেরাও করে ফেলেছিলেন ধনকড়কে। কোনওরকম ভাবে নামকা ওয়াস্তে রাজ্য সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ করে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর চোখের ইশারায় তৃণমূলের মহিলা বিধায়করা এমন কান্ড ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এখন বিজেপির স্লোগান-বিক্ষোভের সমালোচনা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপাল বদলে যেতেই বদলে গেল বিধানসভার পরিস্থিতি। এমনকী রাজভবনকে তৃণমূল বলত বিজেপির সদর দফতর। এখন পরিস্থিতির অনেকটাই বদল ঘটেছে। জগদীপ ধনকড় রাজ্যপালের পদ ছেড়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে ভোটই দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস।২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। তখনও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে বিজেপি। তারপর সেন্ট জেভিয়ার্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডি লিট প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছিলেন রাজ্যপাল।মোদ্দা কথা রাজ্যপালের কর্মকান্ডে খুশি নয় বঙ্গ বিজেপি। এখনও অবধি রাজ্যপালের অবস্থানে তৃণমূল স্বস্তিতে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে স্কুলের ক্রীড়া পরিকাঠামো দেখে মুগ্ধ প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়কের আক্ষেপ ছাত্র-ছাত্রীদের ক্রীড়া অনিহায়

প্রতি বছরের ন্যায় এবছরেও ধুমধামের সাথে শুরু হল বর্ধমান শহরের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা। শহরের প্রান্তে অবস্থিত দেওয়ানদিঘী অঞ্চলের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলে শুক্রবার দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতযোগীতার সূচনা হয়। সম্প্রীতির বার্তা জানিয়ে একঝাঁক গ্যাস বেলুন আকাশে ওড়ানো হয়। মশাল প্রজ্জ্বলন করে ক্রীড়া প্রতিযোগীতার শুভ উদ্বধোন করেন ভারতের জাতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ও সুনামের সাথে কলকাতা ময়দানের তিন প্রধান খেলা বর্ষিয়ান গোলরক্ষক ভাস্কর গাঙ্গুলি।উদ্বোধনী ভাষণে আক্ষেপের স্বরে বর্ষীয়ান খেলোয়াড় জানান, খেলার মাঠে যাওয়ার প্রবণতা এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের ক্রমশই কমে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের সময়ে আমরা বেশী খেলতাম বলে অবিভাবকদের বকুনি খেতাম, আর এখন ঠিক তাঁর উল্টোটা। তিনি বাচ্ছাদের মাঠমুখী করার জন্য অবিভাবকদেরও এগিয়ে আসতে বলেন। তিনি বলেন, খেলাধুলা শুধুমাত্র শরীর স্বাস্থ্য সুস্থ রাখার জন্য নয়, মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে, দলবদ্ধ ভাবে কোনও কাজ করার মানসিকতা গড়তে ও প্রতি পদক্ষেপের জেতার জেদ তৈরি করতে এর কোনও বিকল্প নেই।বর্ষীয়ান খেলোয়াড় ভাস্কর গাঙ্গুলি আরও বলেন, শুধু মাত্র ক্রিকেট বা ফুটবল নয়, বাস্কেটবল, ব্যাডমিন্টন, টেবল টেনিস-খেলেও কেরিয়ার তৈরি করা যায়। তিনি বলেন, আমার পরিচিত এক প্রো-কবাডি খেলোয়ারের সাথে কয়েকদিন আগে দেখা হয়েছিলো, সে বলেছিলো একটু ভালো কবাডি খেলোয়াড় প্রো-কবাডি টুর্নামেন্ট খেলে বছরে এক কোটি টাকার কাছাকাছি আয় করে। সেই উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, শুধুমাত্র জনপ্রিয় খেলার পিছনে না ছুটে বাচ্ছার যেটা মন চায় খেলুক।তিনি বর্ধমানের এই স্কুলের পরিকাঠামো-র ভুয়াসী প্রশংসা করে বলেন, এখানে দুইটি প্রমান মাপের মাঠ, একটি প্রসস্ত ইন্ডোর অডিটোরিয়াম সবই আছে শুধুমাত্র অভাব একঝাঁক উৎসাহী ক্রীড়াপ্রেমী ছাত্র-ছাত্রী। ভাস্কর গাঙ্গুলি স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডলকে জানান, তাঁকে কোনও প্রয়োজনে লাগলে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা দিয়ে সাহায্য করতে প্রস্তুত।ভাস্কর গাঙ্গুলি স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় জয়ী বাচ্ছাদের হাতে ট্রফি ও সার্টিফিকেট তুলে দেন। উপস্থিত ছিলেন প্রবীন ক্রীড়া সাংবাদিক ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আর্কাইভ ও লাইব্রেরির কিউরেটর আরুপ পাল। স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথাকে বলেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস খেলাধুলা কখনই পড়াশোনা-কে ক্ষতি করে না বরং আরও মনোযোগী হতে ও ভবিষ্যৎ জীবনে লড়াইয়ের রসদ যোগান দেয়।

জানুয়ারি ২০, ২০২৩
রাজ্য

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ছোট্ট দেবস্মিতার পাশে দাঁড়াতে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আবেদন শ্রীলেখা মিত্রের

দূর্গা পুজোয় অনুদান আছে। ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়নে যথেচ্ছ অনুদান আছে,আছে স্বাস্থসাথীর মত মানবিক প্রকল্প, নেই বিরল রোগের আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়ানো। চিকিৎসার অধিকার থেকে কেন বঞ্চিত তাঁরা? তার কোনও সদুত্তর নেই সরকারের কাছে এমনিই অভিযোগ বিরলতম রোগে আক্রান্ত পরিবারগুলির। বিরলতম রোগের তালিকায় প্রথেমেই যে নাম মনে আসে তা স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি (এসএমএ)। রোগটির ভয়াবহতা স্মরণ করতে আগস্ট মাসটিকে এই রোগের সচেতনতা মাস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকার কতটা এই বিষয়ে সচেতন সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।গত কয়েক মাসে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে চার এসএমএ আক্রান্তের! অসহায় পিতা-মাতা-পরিবার আঙ্গুল তুলছেন সরকারি উদাসীনতার দিকে। চিকিৎসা করিয়েও তার ফলাফল নিশ্চিত হার জেনেও অদম্য মনোভাবের পরিচয় দিয়ে হার না মানা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই বিরলতম রোগের পরিবারের সদস্যরা।এসএমএ আক্রান্তের পাশে দাঁড়ানস্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি এক কথায় এসএমএ (SMA)। মানব দেহের পেশির সঞ্চালনকে নিয়ন্ত্রণ করে মোটর নিউরোন, সেই মোটর নিউরোনের কার্যকারিতা আসতে আসতে অকেজো হয়ে যাওয়াই জিনঘটিত এই বিরল রোগের মূল কারণ বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এসএমএ রোগের তীব্রতা অনুযায়ী, এটিকে টাইপ ওয়ান থেকে শুরু করে টাইপ ফাইভ পর্যন্ত ভাগ করা হয়ে থাকে। এই রোগ প্রতিকারের ওষুধ বাজারে পাওয়া গেলেও সাধারন মানুষের পক্ষে তা ক্রয় করা এক প্রকার অসাধ্য। এই কারণে সময়মত ওষুধ না পেয়ে ক্রমশ লম্বা হচ্ছে মৃতের তালিকা। অগস্ট মাস অবধি বঙ্গে চার এসএমএ (SMA)আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।এ-পর্যন্ত রাজ্যে ১০০ র ওপর এসএমএ (SMA) আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত পরিবার সুত্রে জানা গেছে,অন্য তাঁরা এই বিরলতম রোগের ওষধের জন্য স্বাস্থ্য ভবনে যোগাযোগ করলে তাঁদের জানানো হয়, যে ওষুধের জন্য তাঁরা আবেদন করেছেন, তা অনৈতিক ধরনের চড়া মূল্যের! (আনএথিকালি হাই) এবং তার সাফল্যের হারও উল্লেখযোগ্য নয়। সেই কারণে স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষজ্ঞ কমিটি এই আবেদন গ্রাহ্য করতে পারছে না। যাঁরা এই রোগের চিকিৎসার সাথে জড়িত সেই সমস্ত চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ওষুধের দাম বেশী বলা যাতেই পারে কিন্তু কোনও ভাবেই অনৈতিক বলা যেতে পারে না, আবার সেই ওষুধ যদি জীবনদায়ী হয় তাহলে তো কোনভাবেই বলা যায় না। এই ব্যাপারে কোনও ব্যাখ্যা স্বাস্থ দপ্তর থেকে পাওয়া যায়নি।ফুটফুটে দেবস্মিতাএসএমএ (SMA) আক্রান্ত পরিবারগুলির তরফে জানা গেছে, যেহেতু এসএমএ (SMA) ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা হয়নি সেই কারণে তাঁদের এই উদাসীনতা। আক্রান্ত পরিবারের এক সদস্যের আক্ষেপ, তাঁদের বাচ্চারা কি এতটা সময় পাবে! এই ওষুধ রশে(Roche) নামক এক সংস্থা তৈরি করে। চিকিৎসক সুত্র জানা যায়, এই ওষুধ খেলে এসএমএ (SMA) সেরে যায় না, নিয়ন্ত্রন করা যায়।স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি-তে আক্রান্ত বাঁশদ্রোনী-র ১২ বছরের মেয়ে দেবস্মিতা ঘোষ। ছোট্ট দেবস্মিতা ভালোবাসে গান গাইতে, পড়াশোনা করতে, আবৃত্তি করতে, খেলতে। তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষ রাস্ট্রায়ত্ত দূরভাষ সংস্থায় কর্মরত ও মা মৌমিতা চক্ষু বিশেষজ্ঞ। ছোট বেলায় দেবস্মিতা আর পাঁচটা বাচ্চদের মতই খেলত দৌড়াত গান করত। বয়স বাড়তেই শারীরিক অসুবিধা ধরা পরে। প্রথম দিকে আর পাঁচটা অবিভাবকের মতই তার বাবা-মাও ভেবেছিলেন এটা সাময়িক কোনও সমস্যা। চিকিৎসার দীর্ঘসুত্রিতা তে ধরা পড়ল এটা একটা বিরলতম রোগ। যার চিকিৎসা সরকারি সাহায্য ছাড়া কোনও সাধারণ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়। দেবস্মিতার বাবা মা তাদের শেষ সম্বল দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে আজ কপর্দক শূন্য। নিঃস্ব পিতা মাতা সরকারি সাহায্যের চেষ্টা করেও কোনও কিনারা করতে পারেননি। বহু আবেদন নিবদনের নিটফল শূন্য। এখন তাদের একমাত্র ভরসা, কোনও সহৃদয় মানুষ বা এনজিও যদি এগিয়ে আসেন। ইতিমধ্যেই অনেকে এগিয়ে এসেছেন যদিও প্রয়োজনের তুলনাই তা অপ্রতুল।গান দেবস্মিতার খুব প্রিয়দেবাশিষ দূর্গাপুর এনআইটি প্রাক্তনি। সেই প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনিরা তাঁদের সামর্থ অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। এই সাহায্যের আবেদন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও আছড়ে পড়েছে। আমেরিকাতে দেবস্মিতার জন্য তহবিল সংগ্রহের দ্বায়ীত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন এনআইটি আর এক প্রাক্তনী বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত দুর্গাপুরের সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সুরজিৎ জনতার কথাকে জানিয়েছেন, তিনি তাঁর পরিচিত জন ছাড়াও সামাজিক মাধ্যমে দুরারোগ্য এসএমএ (SMA) আক্রান্ত দেবস্মিতার চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের আবেদন রাখছেন। আবেদনে কিছু কিছু সাড়াও পাচ্ছেন।এগিয়ে এসেছেন দূর্গাপুরের বামপন্থী মনভাবাপন্ন সৌরভ দত্ত। সৌরভ দূর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের বাম শ্রমীক সংগঠন সিআইটিইউ-র জয়েন্ট সেক্রেটারি। তাঁর স্ত্রী মৌ সেন দেবস্মিতা-র বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে এনআইটি প্রাক্তনি সুত্রে পরিচিত। সমাজসেবী সৌরভ নিজের উদ্যোগে বিশিষ্ট মানুষজনদের দিয়ে আবেদন করাচ্ছেন যাতে এই আবেদনটা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছানো যায়। তিনি নিজেও বিভিন্ন ভাবে তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।নিষ্পাপ শিশু দেবস্মিতাদেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে টলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, মানসী সিনহা, দেবদুত ঘোষ সহ বিশিষ্ট গীতীকার কাজী কামাল নাসের। শ্রীলেখা মিত্র খুব তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজনৈতিক নেতাদের দেবস্মিতার পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন অনেক নেতা মন্ত্রীদের ঘর থেকে অনেক অনেক টাকা বেড়োলো, নানা জায়গায় অনেক মেলা উৎসব চলছে। তাঁর মধ্যে থেকে কোনও নেতা যদি দেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়ালে, ভিন্ন রাজনৈতিক সত্তার হলেও তাঁদের হয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভালো ভালো কথা পোস্ট করবেন। তিনি আরও জানান প্রত্যেক বাবা ময়ের কাছে তাঁদের সন্তান নয়নের মণি। সন্তান ভালো থাকুক সব বাবা মাই চায়। সেই সমস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও কেউ বাবা কেউ মা।ছোট্ট দেবস্মিতার সুস্থ থাকার জন্য এই মুহুর্তে আনুমানিক ১০ কোটি টাকা প্রয়োজন শুধুমাত্র ওষুধ কেনার জন্য। এক এক বছরে তাঁর ৭০ লক্ষ টাকার ওষুধ লাগছে। বিগত তিন বছরের ওষুধ দেবাশিষ রোচে সংস্থা থেকে বিনামুল্যে যোগার করেছেন। যা দিয়ে ২০২২ অবধি দেবস্মিতা কে সুস্থ রাখা যাবে। আগামী বছর তাঁকে সুস্থ থাকার জন্য এই পাহাড় প্রমান টাকা যোগার করতে হবে। কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা ব্যক্তিগত ভাবে যদি কেউ দেবস্মিতা কে অর্থ সাহায্য করতে চান, তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, তাঁর মোবাইল নম্বর +91 94330 00417

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 25
  • 26
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটে হারের পর ডিগবাজি? ভাইরাল অডিওতে ‘বিজেপি নেতা’ খোকন দাস, বর্ধমানে তোলপাড়

বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে। সেই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমিও এখন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধী বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।বিজেপির দাবি, কাঞ্চননগরের একটি দুর্গামন্দির নির্মাণের কাজ করেও এক রাজমিস্ত্রি প্রাপ্য টাকা পাননি। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই ফোনে তাঁকে ধমক দেন খোকন দাস। ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, মন্দিরের হিসেব, ট্রাস্টের টাকা এবং ভোটে হারের প্রসঙ্গ তুলে কথা বলছেন তিনি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, তুই এখন সুযোগ নিয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছিস। আমরাও এখানে আছি। আর শুনে রাখ, আমিও এখন বিজেপি নেতা।যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই কথোপকথনে স্পষ্টভাবে প্রাক্তন বিধায়কের হুমকির সুর ধরা পড়েছে। জেলা বিজেপির মুখপাত্র কল্যাণ মাজি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা হারিয়েও খোকন দাস এখনও প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তাই কখনও এফআইআরের ভয় দেখাচ্ছেন, আবার কখনও নিজেকে বিজেপি নেতা বলছেন।অন্যদিকে খোকন দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অডিও নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানো তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মন্দির ও ট্রাস্টের নামে অপপ্রচার রোখার জন্যই পুলিশে জানানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজমিস্ত্রি হিসেব না দেওয়ায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি অডিওর প্রথম অংশে নিজের কণ্ঠস্বর স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাহলে একই অডিওতে থাকা আমিও বিজেপি নেতা মন্তব্যকে অস্বীকার করা হচ্ছে কেন? এই নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তে কাঁটাতারের সিদ্ধান্তেই চাঞ্চল্য, হাই এলার্টে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাংলাদেশে। সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে হাই এলার্টে রাখা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকারের আশঙ্কা, সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ শেষ হলে অনুপ্রবেশ রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে ভারত। বিশেষ করে পুশব্যাক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও জোরদার হতে পারে বলেই মনে করছে ঢাকা। সেই কারণেই সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে।বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের পদক্ষেপের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী প্রচারে পুশব্যাক নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যে কড়া মন্তব্য করেছিলেন, সরকার পরিচালনায় সেই অবস্থান হয়তো এতটা কঠোর হবে না।অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি শুরু থেকেই সরব ছিল। বাংলায় অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা আগেই দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি নিয়ে আগের সরকারের আপত্তির কারণে বহু এলাকা দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় ছিল। নতুন সরকার জানিয়েছে, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার কিছু মন্তব্য নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করেছিল বাংলাদেশ সরকার। সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়, হঠাৎ সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা

আরজি কর কাণ্ড সংক্রান্ত মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার শুনানি চলাকালীন নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিচারপতি। এর ফলে মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন, এই মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে।শুনানির সময় বিচারপতি মান্থা জানান, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে আলাদা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠনের পথে এগোচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শোনার প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেই তিনি মনে করছেন।মামলার গুরুত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, এই মামলা শুধু আবেদনকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, গোটা রাজ্য এবং দেশের বহু মানুষের নজর রয়েছে এই মামলার দিকে।এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। রাজ্য সরকারের তরফে তদন্ত কমিশন গঠনের ইঙ্গিত মিলতেই মামলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নিজে থেকেই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান। মামলার সমস্ত নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন নজর রয়েছে, এই মামলার জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করা হবে নাকি আরও বড় কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মে ১২, ২০২৬
দেশ

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে বড় সিদ্ধান্ত, বাতিল নিট ইউজি পরীক্ষা

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠতেই বাতিল করে দেওয়া হল নিট ইউজি পরীক্ষা। গত ৩ মে দেশজুড়ে ডাক্তারি পড়ার এই প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়েছিল। প্রায় তেইশ লক্ষ পড়ুয়া পরীক্ষায় বসেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষার পর থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। সোমবার বিষয়টি আরও বড় আকার নেয়। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। এর পরেই নড়েচড়ে বসে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, নিট ইউজি পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই।তদন্তে উঠে এসেছে, রাজস্থানে পরীক্ষার অন্তত এক মাস আগে কিছু পড়ুয়ার হাতে একটি সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল। অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল বিশাল বনশন জানিয়েছেন, ওই সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রে মোট চারশো দশটি প্রশ্ন ছিল। পরীক্ষার পরে দেখা যায়, তার মধ্যে একশো কুড়িটি রসায়নের প্রশ্ন আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন নয়, উত্তরের বিকল্পও একই ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।অন্য একটি সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রের মোট দুশো একাশি প্রশ্নের মধ্যে একশো পঁয়ত্রিশটি প্রশ্ন আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গিয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন পরীক্ষার দিন কবে ঘোষণা করা হবে, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকেরা।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের হানা, ভিতরে যা মিলল তাতে হতবাক সবাই

শিবপুরে তৃণমূল নেতা মহম্মদ শামিম ওরফে বরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চমকে উঠল পুলিশ। বাইরে থেকে সাধারণ বাড়ি মনে হলেও ভিতরে ঢুকতেই সামনে আসে একের পর এক গোপন ব্যবস্থা। বাড়ির ভিতরে রয়েছে একাধিক সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় নীচের ফ্লোরে। সেখানে তৈরি করা হয়েছে বিলাসবহুল ঘর। দামী কাঠের আসবাব, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা, ফ্রিজ-সহ নানা আধুনিক সুবিধায় সাজানো এই বাড়ি দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এলাকায়।জানা গিয়েছে, হাওড়া পুরসভার ছত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সামিমা বানোর স্বামী মহম্মদ শামিম। তিনি তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর গত বৃহস্পতিবার শিবপুরে বিজেপির জেলা সংখ্যালঘু মোর্চার আহ্বায়কের বাড়িতে হামলা, গুলি ও বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্তে শামিমের নাম সামনে আসে।বোমাবাজির ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পলাতক ছিলেন শামিম। শুক্রবার তাঁর খোঁজে শিবপুরে বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানেই এই বিলাসবহুল বাড়ির ভিতরের ছবি সামনে আসে। স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার এমন জীবনযাপন দেখে বিস্মিত তদন্তকারীরাও।যদিও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও শামিমের খোঁজ মেলেনি। তিনি এখনও পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এর আগেও একাধিক অসামাজিক কাজের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছে। শিবপুরে রামনবমীর মিছিল ঘিরে অশান্তির ঘটনাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার মামলাতেও তাঁর নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। বিজেপির অভিযোগ, সমাজবিরোধীদের আশ্রয় দিচ্ছে শাসক দল। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথ হত্যা তদন্তে নতুন মোড়, রাজ্য পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার নিল সিবিআই

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় তদন্তে বড়সড় মোড় এল। বহু আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের হাতে তুলে নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সুপারিশের পর মঙ্গলবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থা এই মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হচ্ছে। কলকাতা অঞ্চলের যুগ্ম নির্দেশকের নেতৃত্বে এই সিট কাজ করবে। তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ আধিকারিকদের এই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই মামলার যাবতীয় নথিপত্র, প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট এবং গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের সংক্রান্ত তথ্য সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তঃরাজ্য চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তে নেমে রাজ্য পুলিশ উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন জন সন্দেহভাজন শার্পশুটারকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি। তাঁদের সঙ্গে এই হত্যার মূলচক্রীদের যোগাযোগ ছিল কি না, কার নির্দেশে তারা কলকাতায় এসেছিল এবং খুনের পেছনে রাজনৈতিক না কি অন্য কোনও ব্যক্তিগত বা আর্থিক কারণ রয়েছে সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার সরাসরি মাঠে নামছে সিবিআই।সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালানো হতে পারে। ধৃতদের কল রেকর্ড, আর্থিক লেনদেন, যাতায়াতের রুট এবং স্থানীয় যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের সাহায্যও নেওয়া হবে।চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। বিরোধী শিবির থেকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছিল। সেই আবহেই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ায় মামলার রহস্যভেদে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর সিবিআইয়ের তদন্তে এই খুনের নেপথ্যে থাকা আসল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ কবে খুলে যায়, সেটাই দেখার।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

রেস্তোরাঁ না কালো টাকা সাদা করার আড্ডা? সুজিতকে ঘিরে ইডির বিস্ফোরক দাবি

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সোমবার দীর্ঘ সাড়ে দশ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেফতার করে ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, পুরসভায় নিয়োগে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বিশেষ করে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তদন্ত আরও গভীরে গিয়েছে।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন অয়ন শীল। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েই পুর নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক তথ্য হাতে আসে ইডির। সেই সময় তদন্তকারীরা বলেছিলেন, তাঁরা যেন সোনার খনির সন্ধান পেয়েছেন। এরপর থেকেই তদন্তের নজরে আসেন সুজিত বসু।পরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোরাঁয় তল্লাশি চালায় ইডি। তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, কোনও খাবার টেবিল বা রান্নাঘরের স্পষ্ট ব্যবস্থা ছাড়াই কীভাবে রেস্তোরাঁ চলছিল। ইডির অভিযোগ, ওই রেস্তোরাঁর আড়ালেই কালো টাকা সাদা করার কাজ চলত।শুধু তাই নয়, তারাতলায় সুজিত ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় তিন কোটি টাকা উদ্ধার হয় বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেই ঘটনার পর থেকেই তদন্ত আরও জোরদার হয়।সিবিআইয়ের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে পুর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে মামলা শুরু করে ইডি। তদন্তে উঠে এসেছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় প্রায় তিনশো ঊনত্রিশ জন অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি চালক, ঝাড়ুদার ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।তদন্তকারীদের দাবি, অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে কারচুপি করা হয়েছিল। নম্বর বদলে দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই মামলায় দক্ষিণ দমদম পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়কে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধেও চার্জশিট জমা পড়েছে।অভিযোগ, পাঁচু রায় ও সুজিত বসুর প্রভাবেই অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে নম্বর বদল করা হয়েছিল। এমনকি মৌখিক পরীক্ষায় শূন্য নম্বর পাওয়া প্রার্থীদেরও চাকরি নিশ্চিত করা হয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাথরুমে পড়ে গুরুতর অসুস্থ সুব্রত বক্সী, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ! কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার আচমকাই বাড়ির বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একাধিক শারীরিক পরীক্ষা ও স্ক্যানের পর চিকিৎসকেরা জানতে পারেন, মাথায় আঘাতের জেরে তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং সেখানে রক্ত জমাট বেঁধেছে।হাসপাতাল সূত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ না হলেও ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, চিকিৎসকদের একটি অংশ মনে করছেন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। আপাতত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বর্ষীয়ান এই নেতাকে।এই খবরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অন্যতম সংগঠক মুখ হিসেবে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন সুব্রত বক্সী। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং প্রার্থী তালিকা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে তাঁর প্রভাব আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, দলীয় অন্দরের এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি তাঁকে মানসিকভাবে কিছুটা হতাশ করেছিল। যদিও রাজনৈতিক সমীকরণ যাই থাকুক না কেন, তাঁর অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা ইতিমধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।এখন চিকিৎসকদের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। সুব্রত বক্সীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি কামনায় প্রার্থনা করছেন তাঁর অনুগামী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

মে ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal