• ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SIT

রাজনীতি

Suvendu Adhikari: এই বন্যার জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী নিজে, বিস্ফোরক শুভেন্দু

এই বন্যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। বিগত বছরগুলোতে প্রাক বর্ষার যেসব কাজ হয়ে থাকে, এবার তা কিছুই করা হয়নি। আর তার কারণ, ভবানীপুরের উপনির্বাচন। আর এই নির্বাচনের কারণেই বাংলার মানুষকে বানভাসি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে। এমনই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীর ম্যান মেড তত্ত্ব খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু জানান, শুধুমাত্র ডিভিসির জল ছাড়ার জন্য বন্যা হয়নি। বানভাসি এলাকার দুর্বল বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ফান্ডের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে বাঁধ মেরামতি আর করেননি। অতিবর্ষণের ফলে সেই দুর্বল বাঁধগুলো অনায়াসে ভেঙে গিয়েছে। আজ নিজের চেয়ার বাঁচাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডুবিয়েছেন।১৫ দিন ধরে পটাশপুর, সবংয়ের লোক জলের তলায়। এই সরকারের আর কিছু নেই। এই সরকার শুধু ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেন না। এই অপরাধের জন্য ঈশ্বর তাঁকে কখনও ক্ষমা করবেন না।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-DVC: সব টাকা জলে, ডিভিসি-র কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হতে পারে: মমতা

বাংলার বানভাসি অবস্থার জন্য ম্যান মেড তত্ত্ব আগেই খাড়া করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার, ঝাড়খণ্ডের বৃষ্টিকেও দায়ী করেছেন বাংলার বন্যা পরিস্থিতির জন্য। আর এবার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ফের ডিভিসির বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগলেন তিনি। পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝালেন ঠিক কত কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। এই বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসি-র কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে বলেও উল্লেখ করলেন মমতা। এ দিন আরামবাগে গিয়ে তিনি বলেন, ডিভিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী এ দিন হেলিকপ্টারে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন মমতা। আরামবাগে নেমে এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি।এদিন মমতা আরামবাগে দাঁড়িয়ে বলেন, ডিভিসি আর ঝাড়খণ্ডের জন্যই বাংলায় এই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ডিভিসি যদি বছরে চারবার এভাবে জল ছাড়ে, তাহলে বহু মানুষের ক্ষতি হয়। সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেন, যে এলাকায় ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেখানে মানুষ সারাতে না সারাতেই আবার ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এবারের বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ লক্ষ বাড়ি। ৪ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ দিন পরিদর্শন সেরে নবান্নে ফিরে তিনি বৈঠক করবেন আধিকারিকদের সঙ্গে। নবান্ন থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলছে বলেও জানান তিনি।তবে, মমতার এই ক্ষতিপূরণের মানুষের জন্য চাইছেন নাকি দলের জন্য? সেই প্রশ্নই তুলেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, যে মানুষগুলোর ক্ষতি হয়েছে তাঁদের জন্য ক্ষতিপূরণের কথা ভাবছেন নাকি ওই টাকা আম্ফানের মতো কাটমানি হিসেবে নেবে তৃণমূল নেতারা? তিনি আরও বলেন, বৃষ্টি বেশি হলে জল ছাড়তে হবে এটাই স্বাভাবিক। আর ভৌগলিক নিয়মেই ঝাড়খণ্ডের জল বাংলায় চলে আসে। কিন্তু, গত কয়েক বছরে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির জন্য উনি কী করেছেন?

অক্টোবর ০২, ২০২১
কলকাতা

Bhawanipur: বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়তে পারেন শুভেন্দু, ভবানীপুরের ভোটপ্রচারে কেন এই চ্যালেঞ্জ?

ভবানীপুর উপনির্বাচনে পর পর সভা করে চলেছেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচারে কোনও ফাঁক রাখছেন না তিনি। বিজেপিও সমানতালে প্রচার করছে ভবানীপুরে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন ভবানীপুরের জনসভায় ঘোষনা করেছেন প্রিয়াঙ্কাকে জেতালে তিনি তাঁর পদ ছেড়ে দেবেন। একইসঙ্গে তিনি ভবানীপুরে অকাল ভোটের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। শুভেন্দু এদিন প্রশ্ন তুলেছেন কেন ভবানীপুরে নির্বাচন হচ্ছে? এখানকার তৃণমূলের জয়ী বিধায়ক কি অসুস্থ? নাকি তিনি দল বদলেছেন? নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ভবানীপুরের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সুস্থ। তিনি দলবদলও করেননি। নন্দীগ্রামে হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ভবানীপুরে ভোট চাপিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা্র জন্য জনগণের পকেট কেটে ৫ কোটি টাকা খরচ হবে নির্বাচনে।ভবানীপুরের নির্বাচনী সভায় মমতা বলেছেন, আমাকে মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাইলে সবাই আমাকে ভোট দিন। বৃষ্টি পড়লে ছাতা মাথায় দিয়ে বা বর্ষাতি পড়েও ভোট দিতে যাবেন। তিনি চেয়ার আঁকড়ে রাখতে চাইছেন বলেও এদিন কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে নিজে যে চেয়ার ছেড়ে দিতে প্রস্তুত সেকথাও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।এদিন শুভেন্দু ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে জয়ী করার জন্য আবেদন জানান। বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রী থাকবো না। তোমরা একটা একটা করে ভোট দাও। আমি শুভেন্দু অধিকারী বলে যাচ্ছি, প্রিয়াঙ্কাকে জেতান। আমি দিল্লির নেতাদের বলবো আমার চেয়ারটা ওকে দিয়ে দেওয়ার জন্য। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমার চেয়ারটা রাখতে হবে। এই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্যাক্রিফাইস।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Rome: 'প্রতিহিংসাবশত আমায় রোম যেতে দেওয়া হল না', বিদেশ মন্ত্রকের অনুমতি না মেলায় ক্ষুব্ধ মমতা

প্রধানমন্ত্রী বিদেশ গেলেন, অথচ আমাকে কেন যেতে যেওয়া হল না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোম সফর বিদেশ মন্ত্রক বাতিল করে দেওয়ার পর এই প্রশ্নই করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁ বক্তব্য, প্রতিহিংসাবশতই আমাকে আটকানো হল। উল্লেখ্য, কী কারণে এই অনুমতি দেওয়া হয়নি তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এই সফরে যেতে পারবেন না। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই সফর সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এমনটাই বক্তব্য বিদেশ মন্ত্রকের। প্রসঙ্গত, আগামী ৬ ও ৭ অক্টোবর রোমে বিশ্ব শান্তির উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বেসরকারি এক সংগঠনের উদ্যোগে এই আয়োজন। সেখানেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।আরও পড়ুনঃ ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদিসূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে একটি সংক্ষিপ্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। সেখানে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর এই রোম সফরের দরকার নেই। এর বেশি কোনও ব্যাখ্যা সেখানে নেই। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, এ ক্ষেত্রে ব্যাখ্যারও বিশেষ জায়গা থাকে না। মন্ত্রকের হ্যাঁ বা না যথেষ্ট। শনিবার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রচারসভায় এসে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। তাঁর রোম সফরে অনুমতি দেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। মমতা বলেন, কোভ্যাক্সিন নিয়ে কেউ আমেরিকা, ব্রিটেনে যেতে পারবেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভ্যাক্সিনকে মান্যতা দেয়নি। কিন্তু বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন। অথচ অনেকেই নিজের কাজে যেতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন, যেতে দাও। কিন্তু আমাকে কেন প্রতিনিধিত্ব করতে দেওয়া হল না? তিনি আরও বলেন, ওখানে আমি গিয়ে হিন্দুত্বের প্রতিনিধিত্ব করতাম। মুখে তো এত বড় বড় হিন্দুত্বের কথা বলেন। আর কিন্তু প্রতিহিংসাবশত আমাকে আটকানো হল।ক্ষোভের সুরে মমতা আরও বলেন, বিশ্ব শান্তির জন্য রোমে একটা সম্মেলন হচ্ছে। দুমাস আগে তাঁরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। জার্মান চ্যান্সেলর যাবেন, পোপ থাকবেন, মিশরের ইমাম থাকবেন, ইতালির প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। আমার কাছেও আমন্ত্রণ এসেছিল। ইতালি সরকার আমাদের বিশেষ অনুমতি দিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ভারত-বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এত বড় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন এর আগে হয়নি। কিন্তু আজ চিঠি দিয়ে অনুমতি দিতে অস্বীকার করল। বলা হল, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে যাওয়া ঠিক হবে না।এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর এমন প্রতিক্রিয়ার পর বিজেপির জয়প্রকাশ মজুমদারের বক্তব্য, বিদেশ মন্ত্রকের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম থাকে। পররাষ্ট্রনীতি বলে একটা বিষয় আছে। অকারণে এখানে রাজনীতি খোঁজা মুর্খামি ছাড়া আর কিছুই নয়।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
বিদেশ

Modi-Biden meeting: ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদি

শুক্রবারই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রথমবার মুখোমুখি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত জানুয়ারি মাসে জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট পদে বসলেও বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণের দাপটের জেরে নতুন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে যেতে পারেনননি প্রধানমন্ত্রী। শুভেচ্ছাবার্তা থেকে যাবতীয় বার্তালাপ ফোন ও ভার্চুয়াল মাধ্যমেই হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের মোট তিনবার সাক্ষাৎ হয়েছে, তবে প্রতিটিই ভার্চুয়াল মাধ্যমে। মার্চ মাসে কোয়াডের ভার্চুয়াল সামিট ও এপ্রিল মাসে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ভার্চুয়াল সামিটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের। এদিনের বৈঠককে স্মরণীয় করে রাখতে ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্বকে খাতায় কলমেও লিখে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করোনাকালে মার্কিন সফর ও প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন-র সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে হোয়াইট হাউস-এর রুজ়ভেল্ট কক্ষের ভিজিটরস বুকে স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।Prime Minister @narendramodi signs the visitor book in the Roosevelt Room of the White House. Registering the spirit of 🇮🇳 🇺🇸 friendship in ink. pic.twitter.com/E2revXyrUK Arindam Bagchi (@MEAIndia) September 24, 2021হোয়াইট হাউসের পশ্চিম ভাগে অবস্থিত এই কক্ষটি দুই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিয়োডর রুজ়ভেল্ট ও ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজ়ভেল্ট-র নামে নামাঙ্কিত। এই কক্ষেই রাখা রয়েছে অতিথিদের জন্য একটি স্বাক্ষর পুস্তিকা, যেখানে বিশেষ অতিথিরা এসে নিজেদের নাম ও কিছু কথা লিখে যান। এ বার সেই বইতে জ্বলজ্বল করবে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরও। বিদেশ মন্ত্রকের তরফেই প্রধানমন্ত্রীর এই স্বাক্ষর করার কথা জানানো হয়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী টুইটে লেখেন, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কালিতে নথিভুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হোয়াইট হাউসের রুজ়ভেল্ট কক্ষে অতিথিদের জন্য রাখা পুস্তিকায় স্বাক্ষর করেছেন।A Partnership of Trust-globally we will make a difference!Vibrant discussions between PM @narendramodi @POTUS Joseph Biden on global, regional bilateral issues. An expansive agenda including defence, security, health, education, trade, IT, economic, ST, energy P2P ties. https://t.co/ylQwOPlMD8 Arindam Bagchi (@MEAIndia) September 24, 2021শুক্রবারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, পারস্পরিক বিশ্বাস নিয়ে আলোচনা করেন। নতুন মার্কিন প্রশাসনের একাধিক উদ্য়োগের প্রশংসা করেও প্রধানমন্ত্রী জানান, কীভাবে এই উদ্যোগগুলির মাধ্যমে উপকার পাচ্ছেন মার্কিনবাসী-সহ অন্যান্য দেশের বাসিন্দারাও। বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন, প্রধানমন্ত্রী ফের একবার করোনাযুদ্ধে ভারতকে সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে আমেরিকাও যেভাবে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে, তার প্রশংসাও করেন তিনি। জলবায়ু পরিবর্তন ও কোয়াড সম্মেলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে আমেরিকা যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে, সেই উদ্যোগকেও সাধুবাদ জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Modi-Kamala Harris: প্রথম সাক্ষাতে কমলা হ্যারিসকে কী বললেন মোদি?

ভারতীয় বংশোদ্ভূরত প্রথম মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট তিনি। তাঁর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতেই মুগ্ধ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে সকলের কাছে অনুপ্রেরণা বলে অ্যাখ্যা দেন। একইসঙ্গে ভারতে আসার জন্যও আমন্ত্রণ জানান।শুক্রবার হোয়াইট হাউসে মুখোমুখি হন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দীর্ঘক্ষণ তাদের মধ্যে আলাপচারিতা চলে। কমলার প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট পদের নির্বাচনে আপনার লড়াই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক একটি অনুষ্ঠান ছিল। গোটা বিশ্বজুড়েই অনেকের কাছে আপনি অনুপ্রেরণা। আমি নিশ্চিত যে প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও আপনার নেতৃত্বে দুই দেশের মধ্যযে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে।Glad to have met @VP @KamalaHarris. Her feat has inspired the entire world. We talked about multiple subjects that will further cement the India-USA friendship, which is based on shared values and cultural linkages. pic.twitter.com/46SvKo2Oxv Narendra Modi (@narendramodi) September 24, 2021কমলা হ্যারিসকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত ও আমেরিকার মূল্যবোধ অনেকটাই একরকম, রাজনৈতিক স্বার্থও এক। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে সংযোগ ও সম্পর্কও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি আমেরিকায় যেরকম জয়লাভ করেছেন, ভারতীয়রা চান আপনি আমাদের দেশে গিয়েও সেই ধারা বজায় রাখুন। সকল ভারতীয়ই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে, সেই কারণে আমি আপনাকে ভারত সফরে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সন্ত্রাসবাদ ছাড়াও মোদি-কমলা হ্যারিসের মধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে করোনা প্রসঙ্গও। যেভাবে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছে ভারত, তার প্রশংসা করেন মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট। উল্টো পাশে থাকার জন্য কমলা হ্যারিসকেও ধন্যবাদ জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিপদের সময় পাশে দাড়ানোর জন্য আমেরিকাকে মন থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। জবাবে কমলা হ্যারিসও বলেন, যখন ভারতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছিল, সেই সময় আমেরিকা গর্বের সঙ্গে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। আমি ঘোষণা করছি যে ভারত দ্রুত টিকা রফতানির কাজ শুরু করবে। এই প্রসঙ্গেই বলে রাথা উচিত, ভারত আজই দৈনিক এক কোটি মানুষকে টিকা দিয়েছে।উল্লেখ্য, আজই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দেখা করবেন মোদি। আগে ফোনে আলাপচারিতা হলেও প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর এই প্রথম বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে প্রধানমন্ত্রীর। দুই দেশের প্রধানদের মধ্যে বৈঠক ছাড়াও কোয়াডের সদস্য দেশগুলির সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকে আফগানিস্তান পরিস্থিতি, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
বিদেশ

Modi US Visit: বিমানবন্দরে ভারতীয় আমেরিকানদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় আপ্লুত মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৩ দিনের আমেরিকা সফরে বৃহস্পতিবার পৌঁছেছেন ওয়াশিংটনে। জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রিউস-এ তাঁকে ঊষ্ণ অভ্যর্থনা জানান আমেরিকায় অবস্থিত ভারতীয়রা। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজের গাড়ি থেকে বেরিয়ে বিমানবন্দরে অপেক্ষারত ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলেন, হ্যান্ডশেক করেন। আরও পড়ুনঃ মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, কাঁদাজল থেকে উঠে আসছে পরিযায়ী শ্রমিকদের দেহদেশের বাইরেও তাঁর জনপ্রিয়তা কতটা, ফের একবার তা বুঝিয়ে দিল মার্কিন বিমানবন্দরের বাইরে জনতার ভিড়ই। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওয়াশিংটনে বসবাসকারী ভারতীয়দের গোষ্ঠী। প্রধানমন্ত্রী মার্কিন মুলুকে পা দিতেই তারা গলা ফাটিয়ে চিৎকার ও হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। ২০২০ সালে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিবেশী দেশ বাদে এই প্রথম দূরের কোনও দেশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরে তিনি কোয়াড অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। পাশাপাশি, জো বাইডেন-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাতেও বসবেন প্রধানমন্ত্রী।Grateful to the Indian community in Washington DC for the warm welcome. Our diaspora is our strength. It is commendable how the Indian diaspora has distinguished itself across the world. pic.twitter.com/6cw2UR2uLH Narendra Modi (@narendramodi) September 22, 2021এ দিকে, প্রধানমন্ত্রী আমেরিকায় পা রাখতেই উচ্ছসিত ভারতীয়-আমেরিকানরা। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই তারা সরাসরি বিমানবন্দরেই হাজির হয়েছিলেন। ভারতীয়দের এই উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রীও। তিনি গাড়ি থেকে নেমেই উপস্থিত ভারতীয়দের সঙ্গে হাত মেলান এবং কথা বলেন। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকরা। এছাড়াও আমেরিকায় ভারতীয় প্রতিনিধি তরণজিৎ সিং সান্ধু, ব্রিগেডিয়ার অনুপ সিংঘল, বায়ুসেনার কম্যান্ডার অঞ্জন ভদ্র ও নৌসেনার কম্যান্ডার নির্ভয়া বাপনা। আমেরিকায় অবস্থিত ভারতীয়রা উচ্ছসিত হলেও তারই মধ্যে একটা অংশ মোদির এই সফর সম্পর্কে খুব একটা আশান্বিত নন।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
দেশ

GST: দাম কমছে না পেট্রোপণ্যের, রাজ্যের আপত্তিতে পেট্রোল-ডিজেলে বসছে না জিএসটি

জ্বালানি তেলের দাম দিতে গিয়ে নাভিশ্বাস অবস্থা সাধারণ মধ্যবিত্তর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও খুশির খবর শোনা যায়নি জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি না এলেও, এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে কমছে না পেট্রল-ডিজ়েলের দাম।আরও পড়ুনঃ মোদির জন্মদিনে রাজ্যপালের বৃক্ষরোপণআজ জ্বালানি তেলকে জিএসটির আওতায় নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। অনেকেই আশা করে ছিলেন, পেট্রল-ডিজ়েলের উপর জিএসটি বসানো হলে, লিটার পিছু দাম অনেকটাই কমে যাবে। কিন্তু সূত্রের খবর, তেমন কিছুই হচ্ছে না। আপাতত, সেঞ্চুরির ঘর থেকে নামার কোনও লক্ষ্মণ নেই পেট্রলের।আজ সকালে লখনউতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শুরু হয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার প্রস্তাব দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। কিন্তু এই প্রস্তাবের বিরোধিতে একযোগে সরব হয়েছে সব রাজ্যগুলিই। বাদ পড়েনি খোদ বিজেপি শাসিত রাজ্যেগুলিও। তাই আপাতত পেট্রল ও ডিজেল জিএসটির আওতার বাইরেই থাকছে। যার জেরে জ্বালানির দাম কমার সম্ভাবনা আপাতত নেই বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। ৪৫তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শেষে এদিন সংবাদমাধ্যমর নির্মলা জানিয়েছেন, করোনার সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও বেশ কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দামি ওষুধে জিএসটি ছাড় দেওয়া হয়েছে। কর ছাড় দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু জীবনদায়ী ওষুধেও। একইসঙ্গে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত করোনার ওষুধে কর ছাড়ের কথাও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
শিক্ষা

NIRF: সর্বভারতীয় স্তরে মর্যাদাক্রম বাড়লো বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের

কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের মূল্যায়নে সর্বভরতীয় স্তরে মর্যাদাক্রম আরও বাড়লো বর্ধমান ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের। বৃহস্পতিবার মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব র্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক এই সংক্রান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই তালিকা অনুযায়ী গত বছর ৯২ নম্বর স্থানে থাকা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় এখন ৮৫ নম্বর স্থানে রয়েছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি এই রাজ্যের মধ্যে শুধুমাত্র কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তিন ধাপ এগিয়ে গিয়ে ৪ নম্বর স্থানে উঠে এসেছে।মর্যাদাক্রম বাড়ায় খুশি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব র্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক (এনআইআরএফ) এর বিচারে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৮ সালে বর্ধমান ৯৬ নম্বর স্থানে ছিল। ওই বছর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে দশ ধাপ এগিয়ে ছিল কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়।২০১৯ সালে সবাইকে চমকে দিয়ে মর্যাদাক্রমে কল্যাণীর থেকেও এগিয়ে যায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার এনআইআরএফ এর প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্ত নম্বর ৩৯.৯৮ থাকায় র্যাঙ্ক হয়েছে ৮৫। আর এবার র্যাঙ্ক একশোর মধ্যেও নেই প্রতিদ্বন্দ্বী কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কথায় জানা গিয়েছে, মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যে সব বিষয় পড়ানো হয় তার উপরেই এনআইআরএফ মূল্যায়ণ করে। এছাড়াও এনআইআরএফ গবেষণার পরিকাঠামো ও গবেষণাপত্র প্রকাশের উপরেও মূল্যায়ণ করে থাকে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের দাবি, এনআইআরএফ মূলত বিভিন্ন পোর্টাল ও ওয়েবসাইট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কে তথ্য যোগাড় করে। এইসব ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো ও উপাচার্যের ভূমিকার উপরেও মূল্যায়ন করা হয়। এই তিনটি বিষয়েই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় তুলনামূলকভাবে বেশি নম্বর পেয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই সাহা বলেন, সবার মিলিত সহযোগিতায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় বেশ কয়েক বছর ধরে দেশের প্রথম ১০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে। এ বার সাত ধাপ এগনোটা গর্বেরও বিষয় ।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
শিক্ষা

NIRF Ranking: ভারত সেরার তালিকায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের সেরা দশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় তালিকায় জায়গা করে নিল বাংলার দুই বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনাল র্যাং কিং ফ্রেমওয়ার্ক (এনআইআরএফ)-এর তালিকা প্রকাশ করেন। তাতে দেশের সেরা দশ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে আট নম্বরে। আগের বছরের নিরিখে অনেকটাই এগিয়ে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাং কিং। এ ছাড়াও ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, খড়গপুর আইআইটি-সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে।আরও পড়ুনঃ অভিজিতের দেহ নিয়ে পুলিশ-বিজেপি ধুন্ধুমারবৃহস্পতিবার ওই তালিকা প্রকাশের কিছুক্ষণ পরেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় তালিকাকে স্বাগত জানিয়ে একটি টুইট করেছেন। এনআইআরএফ র্যাং কিংয়ের প্রথম দশে থাকা কলকাতা ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি সেরার তালিকায় থাকা রাজ্যের অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন মমতা। এনআইআরএফ প্রতিবছরই নিয়ম করে দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করে। সার্বিক সেরা ১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকার পাশাপাশি আলাদা করে ম্যানেজমেন্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়েরও সেরার তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকায় গত বছর ১০ নম্বরে ছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। যাদবপুর একাদশে।কলেজের সেরার তালিকাতেও চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স, পঞ্চম স্থানে বেলুড়ের রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির। ম্যানেজমেন্ট এবং ইঞ্জনিয়ারিংয়ে প্রথম দশে রয়েছে আইআইএম কলকাতা এবং আইআইটি খড়্গপুরের নাম। তবে সার্বিক সেরা ১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাম রয়েছে শুধু খড়গপুর আইআইটিরই। দেশের সেরা ১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে খড়গপুরের নাম। তবে সেরার সেরা প্রতিষ্ঠানের শিরোপা পেয়েছে মাদ্রাজ আইআইটি। সূত্রের দাবি, গত কয়েক বছরে উচ্চ শিক্ষার মানদণ্ড বাড়াতে নানা পদক্ষেপ করেছিল কলকাতা এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। তারই স্বীকৃতি এল কেন্দ্রের মোদি সরকারের তরফে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Visva Bharati: বিশ্বভারতী-কাণ্ডে হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে থেকে অবস্থান বিক্ষোভ তোলার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের আরও নির্দেশ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ মিটার এলাকার মধ্যে কোন বিক্ষোভ করা যাবে না। পুলিশকে নির্দেশ, উপাচার্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দুপুর ৩টে থেকে প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের বাসস্থান-সহ যেখানে যেখানে তালা বন্ধ করা রয়েছে, সমস্ত তালা শান্তিনিকেতন থানার পুলিশকে ভেঙে ফেলতে হবে। আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিট-এর মাথায় অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুরহাইকোর্ট আরও নির্দেশ, পুলিশকে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্মীকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের যাতে স্বাভাবিকভাবে চলে তার জন্য প্রশাসনকে কড়া নজর রাখতে হবে। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কোনওরকম মাইক ব্যবহার করা যাবে না। উপাচার্যের নিরাপত্তার জন্য শান্তিনিকেতন থানার তিনজন কনস্টেবলকে নিয়োগ করতে হবে। সমস্ত সিসি ক্যামেরা চালু করতে হবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নিজের হাতে আইন তুলে নেবেন না? এটা ট্রেড ইউনিয়ন নয়। ছাত্র ইউনিয়ন। এটা ভুলে যাবেন না। বিশ্বভারতী মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের।এই নির্দেশের পর বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীরা জানিয়েছেন, তাঁরা আদালতের নির্দেশের কোনও কপি এখনও হাতে পাননি। নির্দেশ হাতে পেলে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন। একই সঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, তাঁরা কোনও গেটে তালা লাগাননি। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সেই তালা লাগিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

SIT: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিট-এর মাথায় অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর

ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিটের মাথায় বসানো হল অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুরকে। হাইকোর্টের গড়ে দেওয়া সিটের প্রধান হলেন কলকাতা এবং বম্বে হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর। উল্লেখ্য, আর কোনও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ফাঁকা না থাকার কারণে মঞ্জুলা চেল্লুরকে সিটের মাথায় বসালো হাইকোর্ট। আরও পড়ুনঃ ইডার দাপটে লন্ডভন্ড নিউইয়র্ক, মৃত অন্তত ৪৪ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, খুন, ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই। অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর অভিযোগে তদন্তে সিট গঠন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। তিন সদস্যের এই সিটের দায়িত্ব দেওয়া হয় কলকাতা পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র, আইপিএস সুমনবালা সাহু ও রণবীর কুমারকে। সম্প্রতি হাইকোর্টে এক মামলাকারী জানিয়েছিলেন, আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত করেছে। কিন্তু রাজ্য সরকার সিট গঠন করতে পারেনি এখনও। এ বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল। এরপর তড়িঘড়ি সিট গঠন করে নবান্ন।স্রেফ সিট গঠন করাই নয়, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য ১০ আইপিএস নিয়োগ করে নবান্ন। রাজ্যকে ভাগ করা হল পাঁচটি জোনে। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে ২ জন আইপিএস।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
বিদেশ

Ida: ইডার দাপটে লন্ডভন্ড নিউইয়র্ক, মৃত অন্তত ৪৪

ঘূর্ণিঝড় ইডার জেরে লন্ডভন্ড আমেরিকার নিউইয়র্ক শহর। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের জেরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেখানে। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত ইডার জেরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৪৪ জনের। এই পরিস্থিতির জন্য আবহাওয়ার পরিবর্তনকেই দায়ী করছেন আবহবিজ্ঞানীরা।রেকর্ড বৃষ্টিতে আকস্মিক বন্যা হয়েছে নিউইয়র্কে। রাস্তার অবস্থা দেখলে নদী বলে ভুলও হতে পারে। ইতিমধ্যেই লাগুয়ারদিয়া এবং জেএফকে বিমানবন্দর থেকে শতাধিক বিমান বাতিল করা হয়েছে। সেখানকার মেট্রো স্টেশনের ভিতর জল ঢোকার ছবি আগেই সামনে এসেছিল। লাইনে জল জমে যাওয়ায় বন্ধ রয়েছে মেট্রো পরিষেবাও। ইডার জেরে ম্যানহাটনের এক রেস্তরাঁর বেসমেন্টে জলে ভরেছে। ওই রেস্তরাঁর মালিক মেতোদিজা মিহাজলভ বলেছেন, আমার ৫০ বছরের জীবনে এ রকম ভারী বৃষ্টি কখনও দেখিনি। মনে হচ্ছিল সব তছনছ হয়ে যাবে। এ বছর সত্যিই অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে।আরও পড়ুনঃ আবার ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের, বুমরার দুর্দান্ত প্রত্যাঘাতনিউ জার্সি এবং ম্যানহাটনের বিভিন্ন এলাকার চিত্রটা নিউইয়র্কের মতোই। নিউ জার্সির গভর্নর ফিল মারফি জানিয়েছেন, সেখানে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২৩ জনের। গাড়ির মধ্যে আটকে পড়ার জেরেই অধিকাংশ জনেরই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মারফি। বুধবার রাত থেকেই যেন মেঘভাঙা বৃষ্টি শুরু হয়েছে আমেরিকার এই দুই শহর-সহ আরও একাধিক জায়গায়। ফলে হড়পা বান নেমে এসেছে বেশ কয়েকটি এলাকায়। এরপরই লাল সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তর। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে তৈরি পরিস্থিতির বেশ কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যে ছবি দেখার পর সত্যি তাজ্জব বনে যাওয়ার জোগাড় হয়েছে নেটিজেনদের। কারণ যে ধরনের দৃশ্য সাধারণ কলকাতা, দিল্লি বা মুম্বইয়ে বন্যা পরিস্থিতিতে দেখা যায়, তার থেকেও ভয়ঙ্কর কিছু ছবি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

SIT: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিট গড়ল রাজ্য

ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার রাজ্যকে পাঁচটি জোনে ভাগ করে মোট ১০ জন আইপিএস নিয়োগের কথা ঘোষণা করে নবান্ন।সম্প্রতি ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার এক মামলাকারী হাইকোর্টকে জানিয়েছিলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সিবিআই তদন্ত শুরু করলেও রাজ্য সরকার এখনও সিট গঠন করে উঠতে পারেনি। স্বভাবতই শুরু হয়নি সিটের কাজ। কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল উষ্মা প্রকাশ করে বলেছিলেন, বিষয়টি আদালতের নজরে আছে। তারপরই সিটের গঠনের কাজ শেষ করে ফেলল রাজ্য সরকার। আরও পড়ুনঃ স্কলারশিপ নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরকলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, খুন, ধর্ষণ ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই। পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ হিংসার মামলার তদন্ত করবেন আইপিএস সৌমেন মিত্র, সুমনবালা সাহু এবং রণবীর কুমারের নেতৃত্বাধীন সিট। সিটের কার্যকলাপ খতিয়ে দেখবেন সুপ্রিম কোর্টের এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। নবান্ন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, রাজ্যকে মোট পাঁচ ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুজন করে আইপিএস-কে।নির্দেশিকা অনুযায়ী, তদন্তের স্বার্থে রাজ্যকে চারটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। রয়েছে নর্থ জোন, সাউথ জোন, ওয়েস্ট জোন। এ ছাড়া সিটের সদর দপ্তরে থাকবেন দুজন। কলকাতা পুলিশের দুজন আধিকারিককেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হেড কোয়ার্টারের দায়িত্বে থাকছেন রেলের ডিআইজি সোমা দাস মিত্র, ডিসি শুভঙ্কর ভট্টাচার্য। নর্থ জোনে থাকবেন উত্তরবঙ্গের আইজিপি ডিপি সিং ও মালদা রেঞ্জের ডিআইজি প্রবীন কুমার ত্রিপাঠি। ওয়েস্ট জোনের দায়িত্বে থাকছেন পশ্চিমাঞ্চলের এডিজি সঞ্জয় সিং, বর্ধমান রেঞ্জের আইজিপি বি এল মীনা। সাউথ জোনে তদন্তের ভার থাকবে দক্ষিণবঙ্গের এডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত ও বারাসত রেঞ্জের ডিআইজি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। কলকাতা পুলিশের ক্ষেত্রে তদন্তে দায়িত্ব নেবেন আইপিএস তন্ময় রায় চৌধুরী ও আইপিএস নীলাঞ্জন বিশ্বাস।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Farah Khan : করোনায় আক্রান্ত ফারহা খান

করোনা ভ্যাকসিনের ডবল ডোজ নেওয়ার পরও করোনা আক্রান্ত হলেন বলিউডের কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক ফারাহ খান। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে ভক্তদের জানালেন সেই খবর।প্রিয় মানুষের এই খবর শোনার পর স্বাভাবিকভাবেই বেশ হতাশ তাঁর ভক্তরা। ফারহা নিজে জানিয়েছেন দুটো ডোজ নেওয়ার পর কিভাবে তাঁর করোনা হল বুঝতে পারছেন না। এই কয়েকদিনে তিনি যাদের সংস্পর্শে এসেছেন তাদের কোভিড টেস্ট করতে বলেছেন এবং তারা যাতে সুস্থ থাকে এমনটাই চাইছেন। যদি কাউকে ভুলে যান বয়সের জন্য তারাও যেন টেস্ট করে নেয়। তবে তিনি খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন এমনটা আশা করছেন।আরও পড়ুনঃ লাদাখে নাচের ভিডিও পোস্ট করলেন সারাতিনি এই মুহূর্তে একটি জনপ্রিয় কমেডি শো-এ বিচারকের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। হটাত অসুস্থ হওয়ার জন্য সেই কমেডি শো-র বিচারকের আসন পরিবর্তন করা হল। ফারহার পরিবর্তে জনপ্রিয় গায়ক মিকা সিংহ আপাতত বিচারকের আসন গ্রহণ করবেন।কোরিওগ্রাফার হিসাবে জনপ্রিয় ফারহা খান। এখন কত তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে আবার কাজে ফিরতে পারেন সেই আশাতেই রয়েছে সকলে। অনেকে চিন্তায় আছেন ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজের পরেও কীভাবে তাঁর করোনা হয়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Fixed Deposit Missing : গ্রাহকের অজান্তেই গায়েব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা, পুলিশের দ্বারস্থ প্রৌঢ়

গ্রাহকের আজান্তেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে গায়েব হয়ে গেল তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। ঘটনার বিহিত চেয়ে কালনা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন কালনার মধূবন পাড়ার বিডিও অফিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ধীরেন্দ্রনাথ দাস। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু না জানালেও পুলিশ অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশকে ধীরেন্দ্রনাথ দাস জানিয়েছেন, বিডিও অফিস থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি এককালীন ২ লক্ষ টাকা পান। ২০১৮ সালের ২৯ আগষ্ট ওই ২ লক্ষ টাকা তিনি কালনার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিট হিসাবে গচ্ছিত রাখেন। ২০২৩ সালের ১৯ আগষ্ট ছিল ফিক্সড ডিপোজিটের ম্যাচিউরিটি ডেট। ধীরেন্দ্রনাথ বাবু জানিয়েছেন, তাঁর ছোট মেয়ে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মেয়ের চিকিৎসার জন্য তাঁর টাকার প্রয়োজন হয়। সেই কারণে মেয়াদ উত্তির্ণ হওয়ার আগেই চলতি মাসের ১৬ তারিখ তিনি ফিক্সড ডিপোজিট সার্টিফিকেট ভাঙিয়ে টাকা তুলে নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্কে যান। তখনই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ তাঁকে জানিয়ে দেয়, ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবর তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা নাকি তুলে নেওয়া হয়েছে । ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ধীরেন্দ্রনাথ বাবুর ফিক্সড ডিপোজিট সার্টিফিকেটেও ক্লোজ বলে লিখে দেয়। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এমনটা জানিয়ে দেওয়ায় মাথায় হাত পড়ে যায় ধীরেন্দ্রনাথ বাবুর। তিনি নিশ্চিত হন জালিয়াতি করে কেউ তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এরপরেই ধীরেন্দ্রনাথবাবু ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ করে কালানা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।আক্ষেপ প্রকাশ করে ধীরেন্দ্রনাথ দাস এদিন বলেন, রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্কে জীবনের সঞ্চয়টুকু জমা রেখে এইভাবে ঠকতে হবে তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। এখন অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসা কীভাবে করবেন তা তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ম্যানেজার ইন্দ্রজিৎ মজুমদার শুধু বলেন, লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে তাঁকে কেউ কিছু জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

আগস্ট ৩১, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: বিশ্বভারতীর ছাত্র আন্দোলনে 'গুন্ডামি' দেখছেন দিলীপ

ছাত্র বিক্ষোভে উত্তপ্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। সেন্ট্রাল অফিসের পর শুক্রবার রাতভর উপাচার্যের বাড়ির সামনে বসে বিক্ষোভ দেখালেন ছাত্র-ছাত্রীরা। উপাচার্য না দেখা করলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। এদিকে বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের এ হেন আচরণকে গুন্ডামি বলে আখ্যা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার নিউ টাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটা গুন্ডামি করার জন্য নয়।আরও পড়ুনঃ নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগ, প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা সম্প্রতি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিনজন ছাত্রছাত্রীকে তিন বছরের জন্য বরখাস্ত করে। তারই প্রতিবাদে শুক্রবার প্রথমে বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল অফিস এবং পরে উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু হয়। রাতভর ঘেরাও চলে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, উপাচার্যকে তাঁদের দাবিদাওয়া মেনে নিতে হবে। অনৈতিক ভাবে পড়ুয়াদের বরখাস্তও করা চলবে না।শুক্রবার বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় যে দপ্তর তা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা। সেই বিক্ষোভ তুলতে গিয়ে কার্যত হাতাহাতি বেধে যায় বিশ্বভারতীর নিরাপত্তাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। পড়ুয়ারা অভিযোগ তোলেন, বিশ্বভারতী নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের গায়ে হাত তুলেছে। এরপরই বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদুৎ চক্রবর্তীর আপ্ত সহায়কের গাড়ি দাঁড় করিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চান পড়ুয়ারা। তখন তিনি পড়ুয়াদের গাড়ি চাপা দিতে উদ্যত হন বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন আন্দোলনকারীরা। এর পরই রাতে উপাচার্যের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন পড়ুয়াদের একাংশ। অভিযোগ, রাতভর উপাচার্যের বাড়ির সামনে বসে থাকেন তাঁরা।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Sitavog & Mihidana: বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানকে বিশেষ স্বীকৃতি ভারতীয় ডাক বিভাগের

জিআই স্বীকৃতি প্রাপ্তির পর এবার বর্ধমানের দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানাকে স্বীকৃতি দিল ভারতীয় ডাক বিভাগ। এই বিষয়ে শুক্রবার বর্ধমান মুখ্য ডাকঘরে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে সীতাভোগ ও মিহিদানার ছবি ও তথ্য সম্বলিত বিশেষ খাম ও স্পেশাল কভারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দক্ষিণবঙ্গ রিজিয়নের পোষ্ট মাষ্টার জেনারেল শশী সালিনী কুজুর। ডাক বিভাগ বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্ঠান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানাকে স্বীকৃতি দেওয়ায় খুশি বর্ধমানের মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীয়া।বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানার খ্যাতি এখন দেশ জোড়া। অনেক টানাপোড়েনের পর ২০১৭ সালে জিআই স্বীকৃতি পায় শতাব্দী প্রাচীন বর্ধমানের এই দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন। রাজ আমলের ঐতিহ্যশালী সীতাভোগ ও মিহিদানাকে এবার স্বীকৃতি দিল ভারতীয় ডাক বিভাগ। এই বিষয়ে শশী সালিনি কুজুর এদিন বলেন, বর্ধমানের এই দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টির প্রচার এবং জনপ্রিয়তা বাড়ানোর লক্ষ্যে ভারতীয় ডাক বিভাগ প্রমোট করছে। এর ফলে বর্ধমান ছাড়াও দেশের অনান্য জায়গায় সীতাভোগ ও মিহিদানার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে। অনু্ষ্ঠানে ডাক বিভাগের বর্ধমান ডিভিশনের সিনিয়র সুপারিনটেন্ডেন্ট সৈয়দ ফরজ হায়দার নবী, বর্ধমানের হেড পোস্টমাস্টার মুধুসূদন রায় ও বর্ধমান সীতাভোগ মিহিদানা ট্রেডাস ওয়েলফেয়ার এস্যোসিয়েশনের সম্পাদক প্রমোধ কুমার সিং উপস্থিত ছিলেন।প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বর্ধমানের রাজ আমলের ইতিসাস। বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন বাংলার তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য মহারাজ বিজয়চাঁদ মহতাব তাদানীন্তন বর্ধমানের নামজাদা মিষ্টি প্রস্তুতকারক ভৈরবচন্দ্র নাগকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বিশেষ মিষ্টি প্রস্তুত করতে বলেন। ভৈরবচন্দ্র নাগ তৈরি করে দেন মিহিদানা ও সীতাভোগ।জানাযায়, এই দুই মিষ্টির স্বাদ পেয়ে বড়লাট-সহ বাকি অতিথিরা খুবই খুশি হয়েছিলেন। সেই দুই মিষ্টান্নই এদিন ভারতীয় ডাক বিভাগ কর্তৃক সমাদৃত হল।বর্ধমান সীতাভোগ মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রমোধ কুমার সিং এদিন বলেন, এই প্রথম কোনও সরকারি সংস্থা বর্ধমানের মিষ্টান্নকে এই ভাবে প্রমোট করলো।এর ফলে গোটা দেশ জুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার নাম ছড়িয়ে পড়বে। পাশাপাশি গোটা দেশে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ, মিহিদানার চাহিদা আরও বাড়বে । এত কিছুর মধ্যেও প্রমোধ কুমার সিং আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৭ সালে জিআই স্বীকৃতি পাবার পর তাঁরা ভেবেছিলেন কেন্দ্র অথবা রাজ্য সরকার তাদের প্রমোট করবে। কিন্তু কোনও সরকারই এগিয়ে আসেনি। শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের পোষ্টাল বিভাগ এগিয়ে এলো।

আগস্ট ২৭, ২০২১
কলকাতা

University Of Calcutta: করোনা আবহে বড় পদক্ষেপ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের

বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের। অতিমারি পরিস্থিতির কারণে সমস্ত রকম পরীক্ষার ফি এবং টিউশন ফি মকুবের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শুক্রবার একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এ কথা জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বর্তমান অতিমারি পরিস্থিতিতে সমস্ত সেমেস্টারের পড়ুয়াদের টিউশন ফি মকুব করা হবে। পাশাপাশি, বিভিন্ন সেমেস্টারের পরীক্ষার্থীদের মার্ক শিট বা গ্রেড শিট সংগ্রহ করতেও কোনও রকম ফি দিতে হবে না।আরও পড়ুনঃ দুয়ারে তৃতীয় ঢেউ? ফের বাড়ছে সংক্রমণ, সতর্ক করল কেন্দ্রপ্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ আসার আগে, ফেব্রুয়ারি মাসে পরীক্ষার ফি এবং টিউশন ফি মকুবের দাবিতে অবস্থান-বিক্ষোভে নেমেছিলেন প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ সে সময় ফি মকুবের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এ বার একই পথে হাঁটল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পড়ুয়ারা। গত কয়েক দিনে একাধিক বার ছাত্র সংগঠনগুলিও সহ-উপচার্যের দ্বারস্থ হয়েছে। তাদের একটাই দাবি ছিল, করোনা আবহে যখন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ তখন কেন এই টিউশন ফি নেওয়া হবে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার ডিএসও একটি ডেপুটেশনও জমা দেয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই স্মারকলিপি জমা দেওয়ার আগে অবস্থান বিক্ষোভ করে তারা। সেদিনই সহ-উপাচার্য এই ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের আশ্বস্ত করেছিলেন। জানিয়েছিলেন, এই দাবি মেনেও নেওয়া হবে। সেই মতো ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রত্যেকটি সেমেস্টারের টিউশন ফি মকুবের কথা জানাল। যা বড় পদক্ষেপ বলে মনে করছেন পড়ুয়ারা।

আগস্ট ২৭, ২০২১
স্বাস্থ্য

WHO: করোনা নিয়ে সুখবর শোনালেন হু-র প্রধান বিজ্ঞানী

কিছুটা পূর্বাভাসের আকারেই সুখবর শোনাল হু। তবে এ বার আতঙ্কের বা কোনও আশঙ্কা কথা নয়। বরং করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের ভয় যখন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখনই একপ্রকার আশার কথা শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন। তিনি মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ভারত ক্রমশ সংক্রমণের এমন একটা পর্যায়ে প্রবেশ করছে যাকে এই ভাইরাসের একপ্রকার শেষের শুরু বলা যায়। ইংরাজিতে ভাইরাসের এই পর্যায়কে এন্ডেমিক স্টেজ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?ভারতীয় বংশোদ্ভূত হু-এর প্রধান বিজ্ঞানী জানাচ্ছেন, যেই সময় একটা গোটা জনজাতি ভাইরাসকে সঙ্গী করেই বাঁচতে শিখে যায়, তখন তাকে এন্ডেমিক স্টেজ বলা হয়। ভাইরাসের প্রভাব ক্রমশ বিলিন হতে শুরু হওয়ার আগের পর্যায় হিসেবে এই স্টেজ পরিচিত। অতিমারি বা এপিডেমিক পর্যায়ে সাধারণত ভাইরাস একটা জাতির উপর চেপে বসে। এন্ডেমিক পর্যায়ে এসে ভাইরাসকে সঙ্গী করেই বাঁচতে শিখে যায় মানুষ। ভারতও ক্রমশ সেই পথেই অগ্রসর হচ্ছে বলে তিনি বলেন। ঠিক যে সময় করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা বাড়ছে, তখন হু-এর প্রধান বিজ্ঞানীর এই মন্তব্যকে আশাব্যঞ্জক হিসেবেই ধরে নিতে হয়।অন্যদিকে, করোনা তৃতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় শিশুদের ক্ষতি হতে পারে বলে যতই পূর্বাভাস দেওয়া হোক না কেন, অভিভাবকদের বিন্দুমাত্র ভাবিত হতে না বলেছেন স্বামীনাথন। সেরো সার্ভেতে যে তথ্য উঠে এসেছে তাকে ভিত্তি করে হু-এর বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, শিশুদেহে সংক্রমণের ঘটনা ঘটলেও তাদের অসুস্থতা একেবারেই গুরুতর নয়। মৃত্যুর ঘটনাও প্রায় নগণ্য বলেই জানিয়েছেন তিনি। তবে মনে করিয়ে দিয়েছেন, সচেতন থাকার চেয়ে বড় ওষুধ কিছু হয় না। পূর্বাভাস ও পূর্ববর্তী তথ্য যাই বলুক না কেন, সাবধানতাই শ্রেষ্ঠ পন্থা।

আগস্ট ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

ভ্রমণ

কম খরচে কেরালা ভ্রমণ: ব্যাকওয়াটার থেকে পাহাড়, সবই হাতের নাগালে স্বর্গীয় সৌন্দর্য

ভারতের মানচিত্রে কেরালাকে বলা হয় Gods Own Country। আর এই উপাধির সবচেয়ে বড় কারণ তার অনন্য ব্যাকওয়াটার, সবুজ নারকেল বন, শান্ত গ্রাম আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য। অনেকেই মনে করেন কেরালা ভ্রমণ মানেই প্রচুর খরচ, বিলাসবহুল হাউসবোট আর দামি রিসর্ট। কিন্তু একটু পরিকল্পনা করলেই খুব কম খরচেও উপভোগ করা যায় কেরালার মনোমুগ্ধকর ব্যাকওয়াটার এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।ভোরবেলা আলাপ্পুঝা (Alappuzha) বা আলেপ্পির ঘাটে দাঁড়িয়ে মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজেই একটি জলরঙের ছবি এঁকেছে। চারদিকে শান্ত জলরাশি, তার মাঝে ভেসে চলেছে ছোট ছোট নৌকা। দূরে দেখা যাচ্ছে নারকেল গাছের সারি, মাঝে মাঝে গ্রামের মানুষ নৌকায় করে বাজারে যাচ্ছে। এই দৃশ্য দেখার জন্য লাখ লাখ পর্যটক কেরালায় আসেন। অনেকেই হাউসবোট ভাড়া করেন, যার খরচ বেশ বেশি। কিন্তু কম খরচে ব্যাকওয়াটার উপভোগ করতে চাইলে সরকারি ফেরি বা স্থানীয় নৌকায় চড়া সবচেয়ে ভালো উপায়। মাত্র কয়েকশো টাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যাকওয়াটারের বুক চিরে ভ্রমণ করা যায়। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে গল্প করতে করতে প্রকৃত কেরালাকে কাছ থেকে দেখা যায়।নৌকা যখন ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে, তখন দুপাশে চোখে পড়ে সবুজ ধানক্ষেত, ছোট্ট চার্চ, মন্দির এবং নদীর ধারে গড়ে ওঠা গ্রাম। কোথাও জেলেরা মাছ ধরছেন, কোথাও আবার শিশুরা জলে খেলছে। শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে এই শান্ত পরিবেশ মনকে এক অন্যরকম প্রশান্তি দেয়। কেরালার প্রকৃতির সৌন্দর্য শুধু ব্যাকওয়াটারেই সীমাবদ্ধ নয়। মুন্নারের পাহাড়ি অঞ্চলে গেলে দেখা যায় অসীম বিস্তৃত চা-বাগান। পাহাড়ের গায়ে সবুজের কারুকাজ যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা। সকালের কুয়াশা আর ঠান্ডা হাওয়া মুহূর্তেই মন জয় করে নেয়। কম খরচে থাকার জন্য এখানে অনেক হোমস্টে ও বাজেট হোটেল পাওয়া যায়।এছাড়া ভরকালা ও কোভালামের সমুদ্রসৈকতও পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সূর্যাস্তের সময় আরব সাগরের বুকে লাল আভা ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য জীবনের অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা হয়ে থাকতে পারে। সৈকতে বসে শুধু প্রকৃতিকে উপভোগ করলেও কোনও অতিরিক্ত খরচ হয় না। কেরালার স্থানীয় খাবারও তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। কলাপাতায় পরিবেশিত ভাত, সাম্বর, থোরান, মাছের কারি কিংবা আপ্পাম ও স্ট্যু স্বাদে যেমন অনন্য, তেমনি দামেও সাধ্যের মধ্যে। স্থানীয় রেস্তোরাঁয় খেলে খাবারের খরচ অনেকটাই কমে যায়।কম খরচে কেরালা ভ্রমণের জন্য ট্রেন সবচেয়ে ভালো মাধ্যম। কোচি বা আলাপ্পুঝা পর্যন্ত ট্রেনে পৌঁছে স্থানীয় বাস ও ফেরি ব্যবহার করলে যাতায়াতের খরচ অনেক কম হয়। অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি সময়টি ভ্রমণের জন্য আদর্শ, কারণ তখন আবহাওয়া মনোরম থাকে।কেরালার ব্যাকওয়াটারে সূর্যাস্তের সময় যখন আকাশের রং জলের ওপর প্রতিফলিত হয়, তখন মনে হয় প্রকৃতি যেন নিজের সেরা রূপটি মেলে ধরেছে। শান্ত জল, নারকেল গাছের ছায়া, পাখির ডাক আর গ্রামের সরল জীবনসব মিলিয়ে কেরালা শুধু একটি পর্যটনস্থল নয়, বরং এক অনুভূতির নাম। তাই যদি কম খরচে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কয়েকটি স্মরণীয় দিন কাটাতে চান, তাহলে কেরালার ব্যাকওয়াটার আপনার জন্য এক অসাধারণ গন্তব্য। একবার ঘুরে এলে মন বারবার ফিরে যেতে চাইবে সেই শান্ত, সবুজ আর জলময় স্বর্গরাজ্যে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

‘ককরোচ’-এর আন্দোলনে বড় ধাক্কা কেন্দ্রের! তৃতীয় বৈঠকের আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, নতিস্বীকার কি সরকারের?

নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে বড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পালাবদলের ইঙ্গিত। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র লাগাতার আন্দোলন এবং দেশজুড়ে তৈরি হওয়া প্রতিবাদের আবহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে প্রথম থেকেই সরব ছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিলশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনও সমঝোতাই সম্ভব নয়।এই পরিস্থিতিতে শনিবার কেন্দ্রের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এল কেন্দ্র?ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজেই সমাজমাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয় এবং রাষ্ট্রপতি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে সূত্রের খবর।নিট পরীক্ষাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর থেকেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সামনে এনেছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাঁদের দাবি, পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে এর জন্য রাজনৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে।এই দাবিকে কেন্দ্র করেই গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিজেপির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে মোট তিনটি প্রধান দাবি রাখা হয়েছিল। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।সরকারের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের ইতিমধ্যে দুদফা বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে সরকারের তরফে ইতিবাচক আশ্বাস দেওয়া হলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি নিয়ে কোনও সমঝোতা হচ্ছিল না। বরং কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ফের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রের তরফে আলোচনায় থাকার কথা ছিল জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের। কিন্তু বৈঠকের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা হয়ে যায়। এর ফলে আন্দোলনকারীদের প্রথম এবং মূল দাবিই কার্যত পূরণ হয়ে গেল।শনিবার সকালেই সিজেপির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কেন্দ্র যদি কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তৃতীয় দফার বৈঠকেরও কোনও অর্থ নেই। এমনকি আন্দোলনকারীদের তরফে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষোভের পরিধি আরও বাড়তে পারে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তুলতে পারে।এই আবহেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও তাঁর নিজের বক্তব্যে পদত্যাগকে সরাসরি আন্দোলনের চাপের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়নি। বরং তিনি গত কয়েকদিনের পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করে জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তাঁর দাবি, কোনও মেধাবী পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক, তা তিনি কখনও চাননি।পদত্যাগের ঘোষণা করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ৩ মে নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই তিনি বিষয়টির দায় নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, কখনও তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও শিক্ষার্থীর সঙ্গে অন্যায় না হওয়া।গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে ব্যথিত করেছে বলেও জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যন্তর মন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ যাতে কোনও দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যাতে অটুট থাকে এবং আন্দোলনে যুক্ত কোনও পড়ুয়া যাতে আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে পড়েএই বিষয়গুলিও তিনি বিবেচনায় রেখেছেন।ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁর মতে, তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, গোটা সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থারও।তাঁর পদত্যাগের ঘোষণার পর এখন নজর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আন্দোলনকারীরা কি এই সিদ্ধান্তকে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পথ হিসেবে দেখবেন, নাকি তাঁদের বাকি দাবিগুলি নিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার হবেতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনিট পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা এখন আর শুধুমাত্র একটি পরীক্ষার অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা পুনরুদ্ধার, পরীক্ষার নিরাপত্তা, প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে।ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সেই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেও, বৃহত্তর প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও বাকি। আগামী দিনে কেন্দ্র কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং শিক্ষাব্যবস্থায় আস্থা ফেরাতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

জুলাই ২৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মন ও পরিবারও

নিজস্ব প্রতিবেদন: মাসের কয়েকটি দিন। ক্যালেন্ডারের পাতায় হয়তো নিছক কয়েকটি তারিখ, কিন্তু একজন নারীর শরীর ও মনের কাছে এই দিনগুলির অর্থ অনেক গভীর। কখনও তলপেটের অসহ্য ব্যথা, কখনও কোমর ও পিঠে টান, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, বমি বমি ভাবতার সঙ্গে অকারণ মন খারাপ, বিরক্তি, কান্না পেতে থাকা, একা হয়ে যাওয়ার ইচ্ছে কিংবা অদ্ভুত এক মানসিক অবসাদ। ঋতুস্রাবের সময় অনেক নারীর কাছেই শরীর যেন নিজের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে ফেলে। আর সেই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন মিশে যায় মানসিক চাপ, তখন কয়েকটি দিন হয়ে ওঠে এক দীর্ঘ, ক্লান্তিকর পথচলা।এই সময়টিকে তাই শুধু মেয়েদের মাসিকের সমস্যা বলে হালকা করে দেখার কোনও সুযোগ নেই। কারণ ঋতুস্রাব কেবল একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া নয়; হরমোনের ওঠানামা, ব্যথা, ঘুমের ব্যাঘাত, কর্মক্ষেত্রের চাপ, সামাজিক অস্বস্তি এবং নিজের শরীর নিয়ে নানা সংকোচসব মিলিয়ে এটি অনেকের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।কখনও মনে হয়, পৃথিবীটা যেন একটু বেশি শব্দ করছে। সামান্য কথাতেও বিরক্তি আসে। যে মানুষটি প্রতিদিন হাসিমুখে সংসার সামলান, অফিস করেন, সন্তানকে স্কুলে পাঠান কিংবা জীবনের নানা দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন, তিনিই হয়তো সেই কয়েকটি দিনে নিঃশব্দে নিজের ভিতরের ক্লান্তির সঙ্গে লড়াই করেন।এই লড়াইকে বুঝতে হবে। বিচার নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা।কেন ঋতুস্রাবের সময় মন খারাপ হয়?ঋতুচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মতো হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন ঘটে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের সঙ্গে মেজাজের ওঠানামা, উদ্বেগ, বিরক্তি, মনোযোগে ঘাটতি কিংবা বিষণ্ণতার অনুভূতি দেখা দিতে পারে। এর পাশাপাশি ঋতুস্রাবের সময় ব্যথা ও শারীরিক অস্বস্তি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, যা পরোক্ষভাবে মানসিক ক্লান্তি আরও বাড়িয়ে দেয়।কারও ক্ষেত্রে উপসর্গগুলি তুলনামূলক হালকা। আবার কারও ক্ষেত্রে তা এতটাই তীব্র হতে পারে যে দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, চাকরি কিংবা সামাজিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়ে। ঋতুস্রাবের আগে ও আশপাশের সময়ে যদি প্রতি মাসেই তীব্র মানসিক পরিবর্তনযেমন গভীর বিষণ্ণতা, প্রচণ্ড খিটখিটে মেজাজ, উদ্বেগ বা আবেগের নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো সমস্যা দেখা দেয় এবং তা জীবনযাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত করে, তবে প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম (PMS) বা আরও গুরুতর ক্ষেত্রে প্রিমেনস্ট্রুয়াল ডিসফোরিক ডিসঅর্ডার (PMDD)-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করা প্রয়োজন।তবে প্রতিটি মন খারাপই যে PMS বা PMDD, তা নয়। আবার প্রতিটি শারীরিক কষ্টকেও স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যাওয়াও ঠিক নয়।শারীরিক যন্ত্রণার সঙ্গে মানসিক অবসাদের যোগসূত্রঋতুস্রাবের সময় তলপেটের ব্যথা বা ক্র্যাম্প অনেক নারীর দৈনন্দিন জীবনকে থামিয়ে দিতে পারে। কারও ব্যথা এতটাই তীব্র হয় যে বিছানা ছেড়ে ওঠাও কঠিন হয়ে পড়ে। মাথাব্যথা, দুর্বলতা, পেটের সমস্যা কিংবা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণও শারীরিক সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।এই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন কর্মক্ষেত্র বা পরিবারের প্রত্যাশা একই থাকে, তখন মানসিক চাপ আরও বাড়তে পারে।আজ শরীরটা ভালো নেইএই কথাটি বলার অধিকার একজন নারীর আছে।শরীর যখন বিশ্রাম চায়, তখন বিশ্রাম নেওয়া দুর্বলতা নয়। বরং নিজের শরীরের সংকেতকে সম্মান করা সুস্থ থাকারই একটি অংশ।মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: নিজের অনুভূতিকে অস্বীকার করবেন নামানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋতুস্রাবের সময় মেজাজের পরিবর্তন হলে প্রথমেই নিজের অনুভূতিকে অযৌক্তিক বা নাটক বলে দমন না করে তা স্বীকার করা জরুরি। যদি প্রতি মাসে একই ধরনের সমস্যা ফিরে আসে, তাহলে অন্তত দুই-তিনটি ঋতুচক্র ধরে নিজের উপসর্গের একটি ডায়েরি রাখা যেতে পারে।কোন দিনে মন খারাপ হচ্ছে, কতটা ব্যথা হচ্ছে, ঘুম কেমন হচ্ছে, ক্ষুধার পরিবর্তন হচ্ছে কি না, কাজকর্মে কতটা সমস্যা হচ্ছেএসব লিখে রাখলে সমস্যার ধরন বোঝা সহজ হয়। প্রয়োজন হলে গাইনোকলজিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করেও উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য এবং স্ট্রেস কমানোর অভ্যাস অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে উপসর্গ গুরুতর হলে শুধু মন শক্ত করুন বলা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন অনুসারে চিকিৎসা, কাউন্সেলিং বা ওষুধের সাহায্যও লাগতে পারে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথানিজে থেকে কোনও ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন এই কঠিন সময়?১. শরীরকে বিশ্রাম দিনঋতুস্রাবের সময় অতিরিক্ত ক্লান্তি থাকলে নিজের উপর অযথা চাপ দেবেন না। কাজের মধ্যে ছোট বিরতি নিন। পর্যাপ্ত ঘুমের চেষ্টা করুন। শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া মানে দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়; বরং পরবর্তী দিনগুলির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা।২. হালকা শরীরচর্চা করুনশরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী হাঁটা, স্ট্রেচিং, যোগব্যায়াম বা হালকা ব্যায়াম অনেকের ক্ষেত্রে মুড ভালো করতে এবং অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে তীব্র ব্যথা বা অসুস্থতা থাকলে জোর করে ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওসুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান। পর্যাপ্ত জল পান করুন। অতিরিক্ত ক্যাফেইন, লবণ বা অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার আগে ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।৪. নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখুনবই পড়া, গান শোনা, প্রিয় সিনেমা দেখা, ছবি আঁকা, বাগান করা কিংবা কোনও বন্ধুর সঙ্গে কথা বলাযে কাজটি মনকে শান্ত করে, সেটি করার চেষ্টা করুন। মনকে ভালো রাখার জন্য সবসময় বড় কোনও আয়োজন প্রয়োজন হয় না। কখনও এক কাপ গরম চা আর জানালার পাশে কয়েক মিনিট নীরবতাও যথেষ্ট হতে পারে।৫. অনুভূতি প্রকাশ করুনআমি ভালো নেইএই কথাটি বলতে ভয় পাবেন না। মন খারাপ হলে বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। নিজের কষ্টকে গোপন করে রাখলে অনেক সময় মানসিক চাপ আরও বেড়ে যেতে পারে।পরিবার ও বন্ধুরা কী করবেন?একজন নারীর ঋতুস্রাবের সময় তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় উপায় সবসময় কোনও বড় সমাধান নয়অনেক সময় শুধু তাঁকে বোঝার চেষ্টা করাটাই যথেষ্ট।পরিবারের সদস্যরা যদি বলেন, তোমার শরীর খারাপ? তুমি একটু বিশ্রাম নাও, আজকের কাজটা আমি করে দিচ্ছিতাহলে সেই কথাটিই হয়তো একজন ক্লান্ত নারীর কাছে হয়ে উঠতে পারে এক মুঠো স্বস্তি।তাঁর মেজাজ খারাপকে উপহাস করবেন না। এগুলো সব মাসিকের অজুহাতএই ধরনের মন্তব্য এড়িয়ে চলুন। তাঁর কথা শুনুন। প্রয়োজন হলে ঘরের কাজ ভাগ করে নিন। তাঁকে একা থাকতে চাইলে সেই ব্যক্তিগত পরিসরটুকু দিন, আবার তিনি কথা বলতে চাইলে মন দিয়ে শুনুন।বন্ধুরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। বন্ধুর মন খারাপ বুঝলে জোর করে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা না করে পাশে থাকা, ফোন করা, একটু গল্প করা কিংবা প্রয়োজন হলে শুধু নীরবে শুনে যাওয়াএসবই অনেক সময় কার্যকর সহায়তা হয়ে ওঠে।মনে রাখতে হবে, মানসিক অবসাদ কোনও মেয়েলি দুর্বলতা নয়। এটি মানুষের অনুভূতিরই একটি অংশ। আর অনুভূতির যত্ন নেওয়া যেমন ব্যক্তিগত দায়িত্ব, তেমনই সামাজিক দায়িত্বও।কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?যদি প্রতি মাসে ঋতুস্রাবের আগে বা সময়ে তীব্র বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, রাগ, হতাশা বা আবেগের পরিবর্তন দেখা দেয় এবং তা কাজ, পড়াশোনা, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, অসহ্য ব্যথা, বারবার মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ কিংবা এমন শারীরিক সমস্যা যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে থামিয়ে দেয়এসবকেও অবহেলা করা উচিত নয়।আর যদি কখনও গভীর হতাশা, নিজেকে আঘাত করার চিন্তা বা বেঁচে থাকার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলার মতো অনুভূতি তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি জরুরি হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।নারীর শরীরকে বোঝার পাশাপাশি নারীর মনকেও বুঝতে হবেঋতুস্রাব কোনও লজ্জার বিষয় নয়। এটি জীবনের স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। অথচ এখনও সমাজের বহু স্তরে এই বিষয়টি নিয়ে সংকোচ, কুসংস্কার ও নীরবতা রয়েছে। সেই নীরবতাই অনেক সময় নারীর শারীরিক ও মানসিক কষ্টকে আরও একা করে দেয়।প্রখ্যাত লেখিকা ভার্জিনিয়া উলফ লিখেছিলেন, I would venture to guess that Anon, who wrote so many poems without signing them, was often a woman.নারীর অদৃশ্য কণ্ঠস্বরের প্রসঙ্গে তাঁর এই কথাটি যেন আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ বহু নারী এখনও নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ না করে নীরবে সহ্য করে যান।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে তাই প্রয়োজন একটু বেশি মানবিকতা। প্রয়োজন প্রশ্নের বদলে বোঝাপড়া, উপহাসের বদলে সহানুভূতি, নির্দেশের বদলে পাশে থাকা।একজন নারী সেই কয়েকটি দিনে যদি বলেন, আজ আমার একটু বিশ্রাম দরকারতবে তাঁর পাশে দাঁড়ানো মানে তাঁকে দুর্বল করে দেওয়া নয়। বরং তাঁর শক্তিকে সম্মান করা।কারণ প্রতিটি মাসে শরীরের ভিতর দিয়ে যে পরিবর্তনের স্রোত বয়ে যায়, তার সঙ্গে লড়াই করে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন অসংখ্য নারী। তাঁদের এই নীরব লড়াইকে স্বীকৃতি দেওয়া, তাঁদের কষ্টকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানোএটাই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে মানবিক দায়িত্ব।ঋতুস্রাবের দিনগুলি হয়তো মাসের কয়েকটি দিন। কিন্তু সেই কয়েকটি দিনে একজন নারীর পাশে থাকাতাঁর কাছে হয়ে উঠতে পারে সারা জীবনের এক গভীর আশ্বাস।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

'ককরোচ'দের চাপেরই জের! অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

অবশেষে ককরোচদের প্রধান দাবি মেনে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আগেই ককরোচ জনতা পার্টির বেশিরভাগ দাবি মেনে নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিজেপির কাছ থেকে কেন্দ্র সময় নিয়ে নেয়। ককরোচ জনতা পার্টির দাবি মেনে অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় করা দীর্ঘ পোস্টে নিজের পদত্যাগের কারণ জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে ইতিমধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত সেই পদত্যাগ গৃহীত হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে নিজের ইস্তফা পাঠানোর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি। তাঁর দাবি, ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে। সেই কুচক্রীরা যাতে কোনওভাবেই পরিস্থিতির সুবিধা তুলতে না পারে, সেজন্যই আমার ইস্তফা। আমার এই পদত্যাগপত্র দেশের জন্য।যন্তর মন্তরে একাধিক দাবি নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন শুরু করে। তারমধ্যে প্রধান দাবি ছিল, নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র লিকের জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রথম দিকে শুধু মাত্র ককরোচ জনতা পার্টি সেই আন্দোলন করে। ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠন সেই আন্দোলনে যুক্ত হয়। দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সেই আন্দোলনে যুক্ত হতে থাকে। সেলিব্রেটি, খেলোয়াররাও আন্দোলন নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কার্যত চাপে পড়েই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন বলেই বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় ঘিরে নতুন বিস্ফোরণ! কোটি টাকার নয়, এবার সামনে এল লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়ার অভিযোগ

প্রায় দুই বছর আগে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্প খরচে চিকিৎসার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয় শিবির। সেই উদ্যোগকে ঘিরে তখন ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর এই প্রকল্প নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। এবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিষ্ণুপুর থানায় দায়ের হয়েছে নতুন অভিযোগ। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি রিসর্ট ভাড়া নেওয়া এবং লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়া বিল।অভিযোগকারী রিসর্ট মালিক জানিয়েছেন, সেবাশ্রয় শিবিরের কাজ পরিচালনার জন্য এক সময় তাঁর রিসর্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সেখানে প্রায় দেড়শো জন কর্মী থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন বলে দাবি তাঁর। অভিযোগ, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রায় তিরিশ লক্ষ টাকার বিল এখনও পরিশোধ করা হয়নি।রিসর্ট মালিকের দাবি, সেই সময় বারবার টাকা চাওয়া হলেও কোনও অর্থ দেওয়া হয়নি। বরং তাঁকে জানানো হয়েছিল, ব্যবসা করতে হলে এমন পরিস্থিতি মেনে নিতে হবে। তাঁর আরও অভিযোগ, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি তখন থানায় অভিযোগ করার সাহস পাননি। বর্তমানে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, রিসর্টে সেবাশ্রয়ের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা থাকতেন। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, সেই সময় এই ব্যবস্থার সঙ্গে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীদের নামও জড়িত ছিল বলে তাঁর দাবি। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ।শনিবার বিধানসভায় সেবাশ্রয় নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও প্রকল্পটি নিয়ে একাধিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সেবাশ্রয় সংক্রান্ত সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গোটা বিষয়টি অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

নলহাটিতে হানা দিতেই চক্ষু চড়কগাছ! একসঙ্গে উদ্ধার বিপুল বিস্ফোরক, বড় রহস্যের গন্ধ

বীরভূমের নলহাটিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। উদ্ধার হয়েছে বিশ বস্তা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং প্রচুর ডিটোনেটর। ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিপুল বিস্ফোরক কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। কলকাতা থেকে তদন্তকারী দল নলহাটিতে পৌঁছে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি শুরু করে। দীর্ঘ তল্লাশির পর একটি জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকেই এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক কী কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল, তা এখন তদন্তের মূল বিষয়। কোনও নাশকতার ছক ছিল কি না, নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে এই বিস্ফোরক মজুত করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও ডিটোনেটর পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হতে পারে বলেও তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীরা আরও খতিয়ে দেখছেন, এই বিস্ফোরক কোনও বৈধ শিল্পকারখানা বা খনির কাজে ব্যবহার করার জন্য রাখা হয়েছিল কি না। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কয়েকজনের নাম পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের খোঁজেও তল্লাশি শুরু হতে পারে। গোটা ঘটনায় তদন্ত চলেছে এবং সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাবা বিক্রি করতেন সবজি, ছেলে জিতল দেশের প্রথম পদক! ঝন্ডুর লড়াই জানলে চোখে জল আসবে

কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের পদক অভিযান শুরু হল দারুণ সাফল্যের মধ্য দিয়ে। পুরুষদের হেভিওয়েট প্যারা পাওয়ার লিফটিং বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জিতে দেশের ঝুলিতে প্রথম পদক তুলে দিলেন বিহারের ঝন্ডু কুমার। তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত গোটা দেশ।ঝন্ডু কুমারের জীবন সংগ্রামের গল্প অনুপ্রেরণার। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে পোলিও আক্রান্ত হন তিনি। ছোটবেলা থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি আর্থিক সমস্যার সঙ্গেও লড়াই করতে হয়েছে। তাঁর বাবা রাস্তার ধারে সবজি বিক্রি করেন। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ঝন্ডুও একসময় ই-রিকশা চালিয়েছেন। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিও তাঁর স্বপ্নকে থামাতে পারেনি। নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন এবং দেশের হয়ে খেলার লক্ষ্য থেকে কখনও সরে যাননি।পরবর্তীতে তাঁর প্রতিভা নজরে আসে জাতীয় কোচ রাজিন্দর সিং রাহেলুর। তাঁর উদ্যোগেই ঝন্ডু জাতীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুশীলনের সুযোগ পান। সেই সুযোগই বদলে দেয় তাঁর জীবন। এরপর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য পেতে শুরু করেন তিনি।কমনওয়েলথ গেমসে ঝন্ডু মোট একশো নব্বই কেজি ওজন তুলে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেন। শেষ প্রচেষ্টায় আরও বেশি ওজন তোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। তবুও তাঁর পারফরম্যান্সই ভারতের প্রথম পদক এনে দেয়।পদক জয়ের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় ঝন্ডু বলেন, তাঁর মনে হচ্ছে তিনি যেন আকাশে উড়ছেন। এই পদক শুধু তাঁর নয়, যাঁরা কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়েছেন, তাঁদের সকলেরও। ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও বড় সাফল্য আনার লক্ষ্য নিয়েই এগোতে চান তিনি।এর আগেও জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন ঝন্ডু। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও একাধিক পদক জিতেছেন। এবার কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম পদক জিতে তিনি প্রমাণ করে দিলেন, কঠোর পরিশ্রম, ইচ্ছাশক্তি এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে কোনও বাধাই সাফল্যের পথে শেষ কথা হতে পারে না।

জুলাই ২৫, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে ঢুকেছিল বহিরাগত? সত্তর জন চিহ্নিত, কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

ধর্মতলায় সাম্প্রতিক অশান্তি নিয়ে বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের নামে পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মসূচিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, আন্দোলনে এমন বহু ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন, যাঁদের সঙ্গে ছাত্র আন্দোলন বা নিট ইস্যুর কোনও সরাসরি সম্পর্ক ছিল না। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগতদের আনা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় পুলিশ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জলের বোতল, জুতো এবং অন্যান্য বস্তু ছোড়া হয়। তাঁর দাবি, উদ্দেশ্য ছিল পুলিশকে উসকে দিয়ে বড় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করা। তবে পুলিশ সংযম দেখিয়েছে বলেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়নি।তিনি আরও জানান, ঘটনায় আহত হয়েছেন একাধিক সাংবাদিক। ইতিমধ্যেই সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কয়েকজনের নামও বিধানসভায় উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রশাসনের দাবি, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধর্মতলার অশান্তির প্রকৃত কারণ এবং কারা এর নেপথ্যে ছিল, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal