• ৫ কার্তিক ১৪৩৩, শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SIT

রাজ্য

Home Secretary: আজ রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় কুমার ভাল্লা শুক্রবার একদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন। সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে তিনি সরাসরি বিধাননগরে হিডকো ভবনে যাবেন। সেখানে রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদি, স্বরাষ্ট্রসচিব ভগবতী প্রসাদ গোপালিকা, ডিজি মনোজ মালব্য ছাড়াও উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিক ও সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। বৈঠকে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের পরিকাঠামো ও সুরক্ষা ছাড়াও সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর এলাকা বৃদ্ধি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সন্ধ্যাতেই তার দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা। নবান্ন সূত্রে খবর, রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নজরদারির সীমানা বৃদ্ধি, সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলির সুরক্ষা এবং স্থলবন্দর নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ইতিমধ্যেই এই বৈঠকের প্রস্তুতির জন্য রাজ্যের জেলাশাসকদের জন্য পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নজরদারি টাওয়ার বসানোর জন্য বিএসএফ জমি চেয়েছে। সেই বিষয়টি কী অবস্থায় রয়েছে, তা নিয়েও জেলাশাসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্যসচিব। সীমান্তবর্তী জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন অজয় ভাল্লা।

নভেম্বর ১২, ২০২১
রাজনীতি

Goa Mamata: গোয়ায় বাধার মুখেও দিনভর ঠাসা কর্মসূচি মমতার, জেনে নিন দিনের সূচি

নতুন ভোরের আশ্বাস যে কেবলমাত্র স্লোগানে আটকে নেই, সেকথা স্পষ্ট তৃণমূল সুপ্রিমোর কন্ঠে। ৩ দিনের তাঁর সফর শুরু গোয়ায়। কিন্তু গোড়াতেই তাঁকে দেখতে হয় কালো পতাকা। আগামী ফেব্রুয়ারিতে গোয়া বিধানসভা নির্বাচন। বিজেপি আর কংগ্রেসের লড়াইয়ের মঞ্চ তৈরি। সেই মঞ্চে হঠাৎ আর্বিভাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুক্রবার একের পর এক অনুষ্ঠান ঘিরে দিনভর ব্যস্ত থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসুন জেনে নিই মমতার সারাদিনের কর্মসূচি।শুক্রবারের সূচিসকাল ১০গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের বৈঠক। ডোনাপলার ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে হবে বৈঠক।বেলা ১২ টাপানাজির বেটিমে মত্স্যজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দুপুর ১টাডোনাপোলা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠক করবেন তিনি।দুপুর ৩.৩০ মিনিটেপোন্ডায় মুঙ্গয়েশি মন্দির দর্শন করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়বিকাল ৪ টেয়গোয়ায় শ্রী মহালসা নারায়ণী মন্দির দর্শনবিকাল ৪.৩০ মিনিটপোন্ডার তপভূমি মন্দির দর্শন করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সন্ধ্যা ৫.৪৫ মিনিটনাগরিক সমাজের মুখোমুখি হবেন তিনি। ইন্টারন্যাশনার সেন্টারেই হবে এই কর্মসূচি।গোয়া সফরের শুরুতেই রাজনৈতিকভাবেও ধাক্কা খেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, তাঁর সঙ্গে দেখা করবেন না গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির নেতা বিজয় সরদেশাই। আজ গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সূত্রে এমনটাই জানানো হয়েছে। শোনা যাচ্ছিল, গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির নেতা বিজয় সরদেশাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তৃণমূল নেত্রী। বিজয় সরদেশাইয়ের দল গোয়ায় বিজেপির জোটসঙ্গী। তাই গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সঙ্গে মমতার এই বৈঠক যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু এখন গোয়ার রাজনীতির আকাশে যেমন পূর্বাভাস, তাতে তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে দেখা করছেন না বিজয় সরদেশাই।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Palsit Toll Plaza: বাস যাত্রীদের মারধোর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার পালসিট টোলপ্লাজার ২ কর্মী

টোল আদায় নিয়ে বিবাদ চলাকালীন বাসের কয়েকজন যাত্রীকে মারধর ও মহিলাদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হল টোল প্লাজার দুই কর্মী। মঙ্গলবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে জাতীয় সড়কে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির পালসিট টোল প্লাজায়। ধৃতদের নাম রাজু মুখোপাধ্যায় ও ইন্দ্রজিৎ ঘোষ। হুগলির উত্তরপাড়া থানার ভদ্রকালীতে রাজুর বাড়ি। অপর ধৃত ইন্দ্রজিৎতের বাড়ি হুগলির ডানকুনি থানা এলাকায়। বাসযাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে মেমারি থানার পুলিশ এদিনই তাদের গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের চিত্তরঞ্জন থেকে একটি বাস যাত্রী নিয়ে হাওড়ার লিলুয়ায় যাচ্ছিল। পালশিট টোল প্লাজার কর্মীরা বাসটির কাছে টোল বাবদ ২৯০ টাকা চায়। ফাস্ট ট্যাগ থাকা সত্বেও কেন বাসের টোল বাবদ নগদে টাকা চাওয়া হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বাস যাত্রীরা। তা সত্ত্বেও টাকা নিয়ে বাসটিকে তখন ছাড়া হয়। এরপর ফেরার সময় ফের বাসটির চালকের কাছে টোল বাবদ ৩০০ টাকা চায় পালসিট টোল প্লাজার কর্মীরা। কেন এত টাকা চাওয়া হচ্ছে তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তোলেন বাসের যাত্রীরা। তা নিয়ে বচসা চলাকালীন টোলের কর্মীরা লাঠি, রড প্রভৃতি নিয়ে বাসের যাত্রীদের উপর হামলা চালায়। যাত্রীদের মারধর করে। বাসের মহিলা যাত্রী ও বৃদ্ধরাও হামলাকারীদের হাত থেকে রেহাই পান না। মহিলা যাত্রীদের শ্লীলতাহানি পর্যন্ত করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার বিষয়ে রাহুল কুমার বাল্মীকি নামে বাসের এক যাত্রী মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ টোল প্লাজার দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

UttarPradesh-TMC: মোদির গড়ে মমতার প্রবেশ, উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ ২ নেতার

গত শনিবার উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, তৃণমূলের পরের টার্গেট উত্তরপ্রদেশ৷ তার ঠিক দু দিনের মাথায় উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে ভাঙন ধরালো তৃণমূল। এ দিন শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের সহ সভাপতি রাজেশপতি ত্রিপাঠী৷ তাঁর সঙ্গে তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তরপ্রদেশের আরও এক কংগ্রেস নেতা ললিত ত্রিপাঠী৷এর আগে গোয়াতেও কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন ধরিয়েছে তৃণমূল৷ এবার উত্তরপ্রদেশেও একই পথে হাঁটল তারা৷Today, eminent leaders from Uttar Pradesh Shri Rajeshpati Tripathi Former Vice President of @INCUttarPradesh Shri @LaliteshPati joined the Trinamool family in the presence of Smt. @MamataOfficial and Shri @abhishekaitc.Extending a very warm welcome to both leaders! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) October 25, 2021উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে ভাঙন ধরিয়ে থামছে না কংগ্রেস৷ ছট পুজোর পরই তিনি নিজে বারাণসী যাবেন বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দলে যোগ দিয়ে উত্তরপ্রদেশের দুই নেতাই তাঁকে সেখানে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুই নেতাই কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন৷আগামী বছর উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন৷ তৃণমূলে যোগ দেওয়া কংগ্রেস নেতা রাজেশপতি ত্রিপাঠী বলেন, কংগ্রেস দুর্বল হচ্ছে বলেই কংগ্রেস কর্মীরা বিজেপি-র সঙ্গে লড়তে পারছে না৷ তারা নিজেদের দুর্বল মনে করছে৷ আর এক নেতা ললিত ত্রিপাঠী বলেন, উত্তরপ্রদেশের মানুষ সচেতন৷ সময় সময় নতুন বিকল্প বেছে নিয়েছেন৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতৃত্ব থাকলে আমরা নিশ্চিত যে উত্তরপ্রদেশের মানুষও বিশ্বাস করবেন যে বিজেপি-র প্রকৃত বিরোধিতা করতে পারে তৃণমূলই৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের মানুষকে নিয়েই সেখানে সংগঠন গড়ে তুলবে তৃণমূল।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
কলকাতা

Subrata Mukherjee: সংকটজনক সুব্রত মুখোপাধ্যায়

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হল রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে। সোমবার তাঁকে হাসপাতালের সিসিইউ-তে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রবল শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি।জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই সিওপিডি-তে আক্রান্ত সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এই রোগে মাঝেমধ্যেই শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা যায়। সেই সমস্যা আগে থেকেই ছিল। হৃদরোগের কারণে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। জানা গিয়েছেষ মন্ত্রীর অবস্থা সংকটজনক। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।পরিবার সূত্রে খবর, পুজোর সময় খুব একটা বিশ্রামের সুযোগ পাননি মন্ত্রী। আর তার পর থেকেই ধীরে ধীরে তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করে। এমনিতেই তিনি সিওপিডি-র রোগী। রবিবার সকালে তাঁকে প্রথমে এসএসকেএম-এর কার্ডিয়োলজি বিভাগে ভর্তি করানো হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে আইসিসিইউ-তে ভর্তি করানো হয়।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
দেশ

Kashmir-Amit Shah: ৩ দিনের ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে কাশ্মীরে অমিত শাহ

২ বছর পর জম্মু-কাশ্মীর সফরে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে তিনদিনের এই সফরে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে আবহাওয়া। আবহাওয়া দপ্তর শনি ও রবিবারের জন্য জারি করেছে হাই অ্যালার্ট।এদিন সকাল সাড়ে ১১টা-১২টা নাগাদ তিনি উপত্যকায় পৌঁছন। ২০১৯ সালে ৩৭০ অনুচ্ছেদ অবলুপ্ত করে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর এই প্রথম উপত্যকায় সফর তাঁর। স্বাভাবিকভাবেই এই সফর তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।Nowgam | HM Amit Shah visits residence of slain Insp Parvez Ahmed, who was killed by terrorists last month. During his visit, HM met Ahmeds wife Fatima Akhter gave her official papers for a govt jobJK LG Manoj Sinha, Union Min Jitendra Singh DGP Dilbag Singh also present pic.twitter.com/5MCm7v4lWl ANI (@ANI) October 23, 2021তিনদিনের সফরের প্রথমদিনেই ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। পৌঁছনোর পর শহিদ পুলিশ ইন্সপেক্টরের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পরই তিনি শ্রীনগরে রাজভবনে যান। সেখানে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা নিয়ে রিভিউ বৈঠক শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রধান কুলদীপ সিং তাঁকে নিরাপত্তা বিষয়ক যাবতীয় তথ্য জানিয়েছেন। বাকি গোয়েন্দা ও তদন্তকারী সংস্থার প্রধানরাও একে একে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করবেন বলে জানা গিয়েছে।#WATCH Union Home Minister Amit Shah chairs security review meeting during his three-day visit to the Union Territory of Jammu and Kashmir pic.twitter.com/qtohyuXs2P ANI (@ANI) October 23, 2021উপত্যকায় পৌঁছেই শহিদ পুলিশকর্মীর বাড়িতে ছুটলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গত জুন মাসে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ইন্সপেক্টর পারভেজ আহমেদ দার। এদিন শ্রীনগরে পৌঁছেই প্রথমে তাঁর বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পারভেজ ও বাকি পুলিশ অফিসাররা দেশের জন্য যে আত্মবলিদান করেছেন, তা দেশবাসী কখনও ভুলবে না বলেই জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পারভেজের পরিবারের পাশে সরকার তথা গোটা দেশ রয়েছে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। একইসঙ্গে তাদের আর্থিক কষ্টের কথা শুনে পারভেজ দারের স্ত্রীকে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন অমিত শাহ।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই হাই-ভোল্টেজ সফর ঘিরে আগে থেকেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে উপত্যকা। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অমিত শাহ যাওয়ার আগে ড্রোন ও মোটরবোট ব্যবহার করে নজরদারি শুরু করেছে সিআরপিএফ। ডাল লেকে ও ঝিলম নদীর ওপর নজর রাখা হয়েছে। বিশেষ বিশেষ জায়গা চিহ্নিত করে স্নাইপার ও শার্পশুটার মোতায়েন করা হয়েছে। রাস্তা দিয়ে যাওয় সব গাড়ি চেক করা হচ্ছে। আকাশপথে চলছে নজরদারি।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Goa Visit: 'নতুন প্রভাত'-এর লক্ষ্যে গোয়া সফর মমতার

এখন আর শুধু নজরে বাংলা নয়। লক্ষ্য দিল্লিও বটে। সে কারণেই ছোট ছোট রাজ্যগুলিকে পাখির চোখ করে এগোচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরা, অসমের পর এবার তাদের নজরে গোয়া। এই পশ্চিমী রাজ্য যে কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে তা বুঝিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল সুপ্রিমোর সফর। স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাচ্ছেন সেখানে।মমতা নিজেও এই সফর নিয়ে কতটা উচ্ছ্বসিত তা বোঝালেন শনিবার সকালের একটি টুইটে। উত্তরবঙ্গ সফর সেরেই ২৮ অক্টোবর যাবেন গোয়ায়।Together, we will usher in a new dawn for Goa by forming a new govt that will truly be a govt of the people of Goa and committed to realising their aspirations! #GoenchiNaviSakal (2/2) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) October 23, 2021টুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ২৮ তারিখের গোয়া সফরের জন্য আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি সমস্ত ব্যক্তিত্ব, সংস্থা এবং রাজনৈতিক দলগুলিকে আহ্বান জানাচ্ছি বিজেপিকে হারাতে সঙ্ঘবদ্ধ হোন। গত ১০ বছর ধরে গোয়ার মানুষকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। সকলে যুথবদ্ধ হলে নতুন সরকার গঠিত হবে। যা গোয়ায় এক নতুন সকাল নিয়ে আসবে। নতুন সরকার মানুষের সরকার হোক, মানুষের সমস্যা বুঝুক এটাই কাম্য।২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আগামী সোমবার থেকেই গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের জন্য পুরোপুরি ময়দানে নেমে পড়ছে বঙ্গের শাসক দল। প্রচারের শুরুতে সৌগত রায়ের সঙ্গী হবেন বিজেপির জার্সি ছেড়ে সদ্য তৃণমূলের জার্সি পরা বাবুল সুপ্রিয়। তৃণমূল গোয়ার জন্য নতুন স্লোগানও প্রকাশ করেছে, গোয়েনচি নভি সকাল। অর্থাৎ, গোয়ায় নতুন প্রভাত।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Sitabhog Mihidana : পুজোর আগে দুই দফায় বিদেশে পাড়ি দিল বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টি মিহিদানা ও সীতাভোগ

বর্ধমানের দুটি প্রসিদ্ধ মিষ্টি সীতাভোগ ও মিহিদানা। এখন এই দুই মিষ্টির কদর ও চাহিদা সমানভাবে বেড়েছে বিদেশের বাজারে। সেই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের বড়দ্বীপ বাহরাইনে পাড়ি দিয়েছিল রাজ আমলের ঐতিহ্যবাহী বর্ধমানের শতাব্দী প্রাচীন মিষ্টি মিহিদানা। এর ঠিক এক সপ্তাহ পর মহালয়ার আগের দিনের সকালে বর্ধমান সীতাভোগ এ্যন্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের উদ্যোগে সীতাভোগ পাড়ি দিল ভিন দেশে। বিদেশের বাজারে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টির চাহিদা বাড়ায় খুশি এখানকার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা।সীতাভোগ এ্যণ্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের সহ-সম্পাদক সৌমেন দাস এদিন বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে ৩০টি প্যাকেটে মোট ১২ কেজি মিহিদানা বাইরাইনে পাঠানো হয়েছিল। সেখানকার মানুষজন বর্ধমানের মিহিদানা খেয়ে খুবই তৃপ্তি পেয়েছেন। আর এদিন গাওয়া ঘি দিয়ে তৈরী জিআই ট্যাগযুক্ত মোট ১২ কেজি সীতাভোগ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার রাজ্য বাহরাইনের দ্বীপে আলজাজিরার একটি স্টোরে উদ্দেশ্যে পাড়ি দিল।বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানা জি আই স্বীকৃতি পাওয়ার পর ভারতীয় ডাক বিভাগ এই দুই মিষ্টিকে স্পেশাল কভারেজ দিয়েছে। সীতাভোগ ও মিহিদানকে মর্যাদা দিয়ে মাস দুয়েক ভারতীয় ডাক বিভাগ বাজারে ছাড়ে বিশেষ খাম। তারপর দেশজুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার কদর আরও বাড়ে। আর এখন আন্তর্জাতিক বাজারেও এই দুই মিষ্টির চাহিদা ও কদর উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে।সীতাভোগ ও মিহিদানার উৎপত্তি নিয়ে নানা কাহিনী প্রলিত আছে। কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চন্দ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে এক বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন বাংলার বড়লাট লর্ড কার্জন বর্ধমানে আমন্ত্রিত ছিলেন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য এবং অনুষ্ঠানকে আরও উৎকর্ষপূর্ণ করার জন্য বর্ধমানের রাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে রাজ পরিবারের খাস মিষ্টি প্রস্তুত কারক ভৈরবচন্দ্র নাগ একদম নতুন দুটি মিষ্টি সীতাভোগ আর মিহিদানা তৈরি করেন। যার স্বাদ পেয়ে বেজায় খুশি হয়েছিলেন বড়লাট-সহ সকল অতিথিরা।সীতাভোগ তৈরির প্রধান উপাদান সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল। সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল থেকে প্রস্তুত হওয়ার কারণেই সীতাভোগের একটি নিজস্ব স্বাদ ও সুগন্ধ হয়। এই চাল গুঁড়ো করে তাতে ১:৪ অনুপাতে ছানা মিশিয়ে পরিমাণমত দুধ দিয়ে মাখা হয়। তারপর একটি বাসমতী চালের আকৃতির মত ছিদ্রযুক্ত পিতলের পাত্র থেকে ওই মিশ্রণকে গরম চিনির রসে ফেলা হয়। এর ফলে সীতাভোগ বাসমতীর চালের ভাতের মত দেখতে লম্বা সরু সরু দানাযুক্ত হয়। এর সঙ্গে ছোট ছোট গোলাপজাম এবং কখনও কখনও কাজুবাদাম ও কিশমিশ মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়। তবে সীতাভোগ নামটি নিয়ে বেশ দ্বন্দ্ব আছে পণ্ডিতমহলে। সুকুমার সেনের মতে, বানানটি হওয়া উচিত সিতাভোগ, সিতা অর্থে সাদা। আবার সিতা-র মানে মিছরিও হয়, তাই সাদা রঙের মিছরির মতন যে মিষ্টি বর্ধমান রাজবাড়ির হালুইকররা বানালেন, তার নাম হয়ে গেল সিতাভোগ।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
দেশ

Priyanka Arrest: গ্রেপ্তার করা হল প্রিয়াঙ্কা গান্ধিকে

৩৫ ঘণ্টা আটক করে রাখার পরে গ্রেপ্তার করা হল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধিকে। তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে সীতাপুর থানার পুলিশ। উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, শান্তিভঙ্গের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কাকে। যে গেস্ট হাউসে প্রিয়াঙ্কাকে আটক করে রাখা হয়েছিল, তাকেই অস্থায়ী জেল হিসাবে তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রিয়াঙ্কা-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কংগ্রেস নেতা দীপেন্দ্র হুডা, অজয় কুমার লাল্লুও রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। প্রিয়াঙ্কার অফিসের তরফে এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো না হলেও সূত্রের খবর, শীঘ্রই আদালতে তোলা হবে তাঁদের।বিস্তারিত আসছে-

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Galsi-2 BDO: ১৫২ তম গান্ধী জয়ন্তীতে অভিনব উদ্যোগ পূর্ব বর্ধমানের গলসী -২ ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির

জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ১৫২তম জন্ম জয়ন্তী সারা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও মহাসমারোহে পালন করা হয়। পুর্ব-বর্ধমান জেলার গলসী-২ ব্লক এমপ্লইয়ীজ রিক্রিয়েশন ক্লাব ও গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এই দিনটি মহাসমারোহে পালন করা হয়। দিনটিকে স্মরণ করে রাখতে তাঁরা অফিস প্রাঙ্গণে মহাত্মা গান্ধীর একটি আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়। মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারন) সুপ্রিয় অধিকারী।এদিন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) গলসী-২ ব্লকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট-এর উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, আমরা কর্মজীবন শুরু বিডিও হিসাবেই। সেই সময়ে সরকারি কাজের ক্ষেত্রে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে কাজ করার চেষ্টা করা হত। কিন্তু বেশীরভাগ ব্লক অফিস হয় বড় রাস্তার ধারে নাহলে রেল স্টেশনের কাছাকাছি হওয়ায়, দূরের মানুষজনকে পরিষেবা পেতে খুব-ই কষ্ট করে ব্লক অফিস আসতে হয়। তিনি বলেন, বৈদ্যুতিন ব্যবহার যত বেড়েছে ততই মানুষ যেকোনও জিনিস অতি সহজেই জানতে পারছেন, তা সে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হোক বা দুয়ারে সরকার-এর পরিষেবা। তিনি আরও বলেন, গলসী-২ এর এই ওয়েবসাইটের জন্য মানুষ খুব সহজেই বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প সম্বন্ধে বাড়িতে বসেই বিশদে জানতে পারবেন।গলসী-২ বিডিও সঞ্জীব সেন জানান, এই বিশেষ দিনে গলসী-২ ব্লক এমপ্লয়ীজ রিক্রিয়েশন ক্লাব ও গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এলাকার দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে বস্ত্র ও আবশ্যক খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ব্লক স্বাস্থ আধিকারিকের সহায়তায় স্থানীয় অপুষ্ট শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পৌষ্টিক আহার বিতরণ করা হয়। তিনি জানান, বর্তমানকালে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে বৈদ্যুতিন মাধ্যমের ব্যবহার ছাড়া কোনও গতি নেই। সেই উদ্দেশ্যেই এই ওয়েবসাইট বানানো। মানুষ ঘরে বসে ব্লকের পরিষেবা সমন্ধে অনেক কিছুই জানতে পারবে এর মাধ্যমে। করোনা ভ্যাকসিনের টোকেনের জন্য মানুষকে রাত জেগে লাইন দিতে হবে না, এখন অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। তাঁরাও অনলাইনের মাধ্যমে জানতে পেরে যাবেন তাঁর টিকা কবে কোথায় কখন পাবেন। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক, গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসুদেব চৌধুরি, গলসি-২ ব্লকের আধিকারিকগন, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ও বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপ-প্রধান।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: এই বন্যার জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী নিজে, বিস্ফোরক শুভেন্দু

এই বন্যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। বিগত বছরগুলোতে প্রাক বর্ষার যেসব কাজ হয়ে থাকে, এবার তা কিছুই করা হয়নি। আর তার কারণ, ভবানীপুরের উপনির্বাচন। আর এই নির্বাচনের কারণেই বাংলার মানুষকে বানভাসি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে। এমনই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীর ম্যান মেড তত্ত্ব খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু জানান, শুধুমাত্র ডিভিসির জল ছাড়ার জন্য বন্যা হয়নি। বানভাসি এলাকার দুর্বল বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ফান্ডের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে বাঁধ মেরামতি আর করেননি। অতিবর্ষণের ফলে সেই দুর্বল বাঁধগুলো অনায়াসে ভেঙে গিয়েছে। আজ নিজের চেয়ার বাঁচাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডুবিয়েছেন।১৫ দিন ধরে পটাশপুর, সবংয়ের লোক জলের তলায়। এই সরকারের আর কিছু নেই। এই সরকার শুধু ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেন না। এই অপরাধের জন্য ঈশ্বর তাঁকে কখনও ক্ষমা করবেন না।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-DVC: সব টাকা জলে, ডিভিসি-র কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হতে পারে: মমতা

বাংলার বানভাসি অবস্থার জন্য ম্যান মেড তত্ত্ব আগেই খাড়া করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার, ঝাড়খণ্ডের বৃষ্টিকেও দায়ী করেছেন বাংলার বন্যা পরিস্থিতির জন্য। আর এবার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ফের ডিভিসির বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগলেন তিনি। পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝালেন ঠিক কত কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। এই বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসি-র কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে বলেও উল্লেখ করলেন মমতা। এ দিন আরামবাগে গিয়ে তিনি বলেন, ডিভিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী এ দিন হেলিকপ্টারে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন মমতা। আরামবাগে নেমে এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি।এদিন মমতা আরামবাগে দাঁড়িয়ে বলেন, ডিভিসি আর ঝাড়খণ্ডের জন্যই বাংলায় এই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ডিভিসি যদি বছরে চারবার এভাবে জল ছাড়ে, তাহলে বহু মানুষের ক্ষতি হয়। সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেন, যে এলাকায় ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেখানে মানুষ সারাতে না সারাতেই আবার ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এবারের বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ লক্ষ বাড়ি। ৪ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ দিন পরিদর্শন সেরে নবান্নে ফিরে তিনি বৈঠক করবেন আধিকারিকদের সঙ্গে। নবান্ন থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলছে বলেও জানান তিনি।তবে, মমতার এই ক্ষতিপূরণের মানুষের জন্য চাইছেন নাকি দলের জন্য? সেই প্রশ্নই তুলেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, যে মানুষগুলোর ক্ষতি হয়েছে তাঁদের জন্য ক্ষতিপূরণের কথা ভাবছেন নাকি ওই টাকা আম্ফানের মতো কাটমানি হিসেবে নেবে তৃণমূল নেতারা? তিনি আরও বলেন, বৃষ্টি বেশি হলে জল ছাড়তে হবে এটাই স্বাভাবিক। আর ভৌগলিক নিয়মেই ঝাড়খণ্ডের জল বাংলায় চলে আসে। কিন্তু, গত কয়েক বছরে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির জন্য উনি কী করেছেন?

অক্টোবর ০২, ২০২১
কলকাতা

Bhawanipur: বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়তে পারেন শুভেন্দু, ভবানীপুরের ভোটপ্রচারে কেন এই চ্যালেঞ্জ?

ভবানীপুর উপনির্বাচনে পর পর সভা করে চলেছেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচারে কোনও ফাঁক রাখছেন না তিনি। বিজেপিও সমানতালে প্রচার করছে ভবানীপুরে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন ভবানীপুরের জনসভায় ঘোষনা করেছেন প্রিয়াঙ্কাকে জেতালে তিনি তাঁর পদ ছেড়ে দেবেন। একইসঙ্গে তিনি ভবানীপুরে অকাল ভোটের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। শুভেন্দু এদিন প্রশ্ন তুলেছেন কেন ভবানীপুরে নির্বাচন হচ্ছে? এখানকার তৃণমূলের জয়ী বিধায়ক কি অসুস্থ? নাকি তিনি দল বদলেছেন? নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ভবানীপুরের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সুস্থ। তিনি দলবদলও করেননি। নন্দীগ্রামে হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ভবানীপুরে ভোট চাপিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা্র জন্য জনগণের পকেট কেটে ৫ কোটি টাকা খরচ হবে নির্বাচনে।ভবানীপুরের নির্বাচনী সভায় মমতা বলেছেন, আমাকে মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাইলে সবাই আমাকে ভোট দিন। বৃষ্টি পড়লে ছাতা মাথায় দিয়ে বা বর্ষাতি পড়েও ভোট দিতে যাবেন। তিনি চেয়ার আঁকড়ে রাখতে চাইছেন বলেও এদিন কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে নিজে যে চেয়ার ছেড়ে দিতে প্রস্তুত সেকথাও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।এদিন শুভেন্দু ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে জয়ী করার জন্য আবেদন জানান। বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রী থাকবো না। তোমরা একটা একটা করে ভোট দাও। আমি শুভেন্দু অধিকারী বলে যাচ্ছি, প্রিয়াঙ্কাকে জেতান। আমি দিল্লির নেতাদের বলবো আমার চেয়ারটা ওকে দিয়ে দেওয়ার জন্য। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমার চেয়ারটা রাখতে হবে। এই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্যাক্রিফাইস।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Rome: 'প্রতিহিংসাবশত আমায় রোম যেতে দেওয়া হল না', বিদেশ মন্ত্রকের অনুমতি না মেলায় ক্ষুব্ধ মমতা

প্রধানমন্ত্রী বিদেশ গেলেন, অথচ আমাকে কেন যেতে যেওয়া হল না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোম সফর বিদেশ মন্ত্রক বাতিল করে দেওয়ার পর এই প্রশ্নই করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁ বক্তব্য, প্রতিহিংসাবশতই আমাকে আটকানো হল। উল্লেখ্য, কী কারণে এই অনুমতি দেওয়া হয়নি তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এই সফরে যেতে পারবেন না। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই সফর সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এমনটাই বক্তব্য বিদেশ মন্ত্রকের। প্রসঙ্গত, আগামী ৬ ও ৭ অক্টোবর রোমে বিশ্ব শান্তির উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বেসরকারি এক সংগঠনের উদ্যোগে এই আয়োজন। সেখানেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।আরও পড়ুনঃ ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদিসূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে একটি সংক্ষিপ্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। সেখানে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর এই রোম সফরের দরকার নেই। এর বেশি কোনও ব্যাখ্যা সেখানে নেই। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, এ ক্ষেত্রে ব্যাখ্যারও বিশেষ জায়গা থাকে না। মন্ত্রকের হ্যাঁ বা না যথেষ্ট। শনিবার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রচারসভায় এসে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। তাঁর রোম সফরে অনুমতি দেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। মমতা বলেন, কোভ্যাক্সিন নিয়ে কেউ আমেরিকা, ব্রিটেনে যেতে পারবেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভ্যাক্সিনকে মান্যতা দেয়নি। কিন্তু বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন। অথচ অনেকেই নিজের কাজে যেতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন, যেতে দাও। কিন্তু আমাকে কেন প্রতিনিধিত্ব করতে দেওয়া হল না? তিনি আরও বলেন, ওখানে আমি গিয়ে হিন্দুত্বের প্রতিনিধিত্ব করতাম। মুখে তো এত বড় বড় হিন্দুত্বের কথা বলেন। আর কিন্তু প্রতিহিংসাবশত আমাকে আটকানো হল।ক্ষোভের সুরে মমতা আরও বলেন, বিশ্ব শান্তির জন্য রোমে একটা সম্মেলন হচ্ছে। দুমাস আগে তাঁরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। জার্মান চ্যান্সেলর যাবেন, পোপ থাকবেন, মিশরের ইমাম থাকবেন, ইতালির প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। আমার কাছেও আমন্ত্রণ এসেছিল। ইতালি সরকার আমাদের বিশেষ অনুমতি দিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ভারত-বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এত বড় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন এর আগে হয়নি। কিন্তু আজ চিঠি দিয়ে অনুমতি দিতে অস্বীকার করল। বলা হল, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে যাওয়া ঠিক হবে না।এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর এমন প্রতিক্রিয়ার পর বিজেপির জয়প্রকাশ মজুমদারের বক্তব্য, বিদেশ মন্ত্রকের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম থাকে। পররাষ্ট্রনীতি বলে একটা বিষয় আছে। অকারণে এখানে রাজনীতি খোঁজা মুর্খামি ছাড়া আর কিছুই নয়।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
বিদেশ

Modi-Biden meeting: ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদি

শুক্রবারই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রথমবার মুখোমুখি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত জানুয়ারি মাসে জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট পদে বসলেও বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণের দাপটের জেরে নতুন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে যেতে পারেনননি প্রধানমন্ত্রী। শুভেচ্ছাবার্তা থেকে যাবতীয় বার্তালাপ ফোন ও ভার্চুয়াল মাধ্যমেই হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের মোট তিনবার সাক্ষাৎ হয়েছে, তবে প্রতিটিই ভার্চুয়াল মাধ্যমে। মার্চ মাসে কোয়াডের ভার্চুয়াল সামিট ও এপ্রিল মাসে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ভার্চুয়াল সামিটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের। এদিনের বৈঠককে স্মরণীয় করে রাখতে ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্বকে খাতায় কলমেও লিখে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করোনাকালে মার্কিন সফর ও প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন-র সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে হোয়াইট হাউস-এর রুজ়ভেল্ট কক্ষের ভিজিটরস বুকে স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।Prime Minister @narendramodi signs the visitor book in the Roosevelt Room of the White House. Registering the spirit of 🇮🇳 🇺🇸 friendship in ink. pic.twitter.com/E2revXyrUK Arindam Bagchi (@MEAIndia) September 24, 2021হোয়াইট হাউসের পশ্চিম ভাগে অবস্থিত এই কক্ষটি দুই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিয়োডর রুজ়ভেল্ট ও ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজ়ভেল্ট-র নামে নামাঙ্কিত। এই কক্ষেই রাখা রয়েছে অতিথিদের জন্য একটি স্বাক্ষর পুস্তিকা, যেখানে বিশেষ অতিথিরা এসে নিজেদের নাম ও কিছু কথা লিখে যান। এ বার সেই বইতে জ্বলজ্বল করবে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরও। বিদেশ মন্ত্রকের তরফেই প্রধানমন্ত্রীর এই স্বাক্ষর করার কথা জানানো হয়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী টুইটে লেখেন, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কালিতে নথিভুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হোয়াইট হাউসের রুজ়ভেল্ট কক্ষে অতিথিদের জন্য রাখা পুস্তিকায় স্বাক্ষর করেছেন।A Partnership of Trust-globally we will make a difference!Vibrant discussions between PM @narendramodi @POTUS Joseph Biden on global, regional bilateral issues. An expansive agenda including defence, security, health, education, trade, IT, economic, ST, energy P2P ties. https://t.co/ylQwOPlMD8 Arindam Bagchi (@MEAIndia) September 24, 2021শুক্রবারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, পারস্পরিক বিশ্বাস নিয়ে আলোচনা করেন। নতুন মার্কিন প্রশাসনের একাধিক উদ্য়োগের প্রশংসা করেও প্রধানমন্ত্রী জানান, কীভাবে এই উদ্যোগগুলির মাধ্যমে উপকার পাচ্ছেন মার্কিনবাসী-সহ অন্যান্য দেশের বাসিন্দারাও। বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন, প্রধানমন্ত্রী ফের একবার করোনাযুদ্ধে ভারতকে সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে আমেরিকাও যেভাবে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে, তার প্রশংসাও করেন তিনি। জলবায়ু পরিবর্তন ও কোয়াড সম্মেলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে আমেরিকা যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে, সেই উদ্যোগকেও সাধুবাদ জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Modi-Kamala Harris: প্রথম সাক্ষাতে কমলা হ্যারিসকে কী বললেন মোদি?

ভারতীয় বংশোদ্ভূরত প্রথম মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট তিনি। তাঁর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতেই মুগ্ধ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে সকলের কাছে অনুপ্রেরণা বলে অ্যাখ্যা দেন। একইসঙ্গে ভারতে আসার জন্যও আমন্ত্রণ জানান।শুক্রবার হোয়াইট হাউসে মুখোমুখি হন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দীর্ঘক্ষণ তাদের মধ্যে আলাপচারিতা চলে। কমলার প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট পদের নির্বাচনে আপনার লড়াই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক একটি অনুষ্ঠান ছিল। গোটা বিশ্বজুড়েই অনেকের কাছে আপনি অনুপ্রেরণা। আমি নিশ্চিত যে প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও আপনার নেতৃত্বে দুই দেশের মধ্যযে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে।Glad to have met @VP @KamalaHarris. Her feat has inspired the entire world. We talked about multiple subjects that will further cement the India-USA friendship, which is based on shared values and cultural linkages. pic.twitter.com/46SvKo2Oxv Narendra Modi (@narendramodi) September 24, 2021কমলা হ্যারিসকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত ও আমেরিকার মূল্যবোধ অনেকটাই একরকম, রাজনৈতিক স্বার্থও এক। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে সংযোগ ও সম্পর্কও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি আমেরিকায় যেরকম জয়লাভ করেছেন, ভারতীয়রা চান আপনি আমাদের দেশে গিয়েও সেই ধারা বজায় রাখুন। সকল ভারতীয়ই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে, সেই কারণে আমি আপনাকে ভারত সফরে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সন্ত্রাসবাদ ছাড়াও মোদি-কমলা হ্যারিসের মধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে করোনা প্রসঙ্গও। যেভাবে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছে ভারত, তার প্রশংসা করেন মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট। উল্টো পাশে থাকার জন্য কমলা হ্যারিসকেও ধন্যবাদ জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিপদের সময় পাশে দাড়ানোর জন্য আমেরিকাকে মন থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। জবাবে কমলা হ্যারিসও বলেন, যখন ভারতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছিল, সেই সময় আমেরিকা গর্বের সঙ্গে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। আমি ঘোষণা করছি যে ভারত দ্রুত টিকা রফতানির কাজ শুরু করবে। এই প্রসঙ্গেই বলে রাথা উচিত, ভারত আজই দৈনিক এক কোটি মানুষকে টিকা দিয়েছে।উল্লেখ্য, আজই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দেখা করবেন মোদি। আগে ফোনে আলাপচারিতা হলেও প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর এই প্রথম বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে প্রধানমন্ত্রীর। দুই দেশের প্রধানদের মধ্যে বৈঠক ছাড়াও কোয়াডের সদস্য দেশগুলির সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকে আফগানিস্তান পরিস্থিতি, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
বিদেশ

Modi US Visit: বিমানবন্দরে ভারতীয় আমেরিকানদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় আপ্লুত মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৩ দিনের আমেরিকা সফরে বৃহস্পতিবার পৌঁছেছেন ওয়াশিংটনে। জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রিউস-এ তাঁকে ঊষ্ণ অভ্যর্থনা জানান আমেরিকায় অবস্থিত ভারতীয়রা। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজের গাড়ি থেকে বেরিয়ে বিমানবন্দরে অপেক্ষারত ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলেন, হ্যান্ডশেক করেন। আরও পড়ুনঃ মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, কাঁদাজল থেকে উঠে আসছে পরিযায়ী শ্রমিকদের দেহদেশের বাইরেও তাঁর জনপ্রিয়তা কতটা, ফের একবার তা বুঝিয়ে দিল মার্কিন বিমানবন্দরের বাইরে জনতার ভিড়ই। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওয়াশিংটনে বসবাসকারী ভারতীয়দের গোষ্ঠী। প্রধানমন্ত্রী মার্কিন মুলুকে পা দিতেই তারা গলা ফাটিয়ে চিৎকার ও হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। ২০২০ সালে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিবেশী দেশ বাদে এই প্রথম দূরের কোনও দেশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরে তিনি কোয়াড অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। পাশাপাশি, জো বাইডেন-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাতেও বসবেন প্রধানমন্ত্রী।Grateful to the Indian community in Washington DC for the warm welcome. Our diaspora is our strength. It is commendable how the Indian diaspora has distinguished itself across the world. pic.twitter.com/6cw2UR2uLH Narendra Modi (@narendramodi) September 22, 2021এ দিকে, প্রধানমন্ত্রী আমেরিকায় পা রাখতেই উচ্ছসিত ভারতীয়-আমেরিকানরা। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই তারা সরাসরি বিমানবন্দরেই হাজির হয়েছিলেন। ভারতীয়দের এই উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রীও। তিনি গাড়ি থেকে নেমেই উপস্থিত ভারতীয়দের সঙ্গে হাত মেলান এবং কথা বলেন। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকরা। এছাড়াও আমেরিকায় ভারতীয় প্রতিনিধি তরণজিৎ সিং সান্ধু, ব্রিগেডিয়ার অনুপ সিংঘল, বায়ুসেনার কম্যান্ডার অঞ্জন ভদ্র ও নৌসেনার কম্যান্ডার নির্ভয়া বাপনা। আমেরিকায় অবস্থিত ভারতীয়রা উচ্ছসিত হলেও তারই মধ্যে একটা অংশ মোদির এই সফর সম্পর্কে খুব একটা আশান্বিত নন।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
দেশ

GST: দাম কমছে না পেট্রোপণ্যের, রাজ্যের আপত্তিতে পেট্রোল-ডিজেলে বসছে না জিএসটি

জ্বালানি তেলের দাম দিতে গিয়ে নাভিশ্বাস অবস্থা সাধারণ মধ্যবিত্তর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও খুশির খবর শোনা যায়নি জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি না এলেও, এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে কমছে না পেট্রল-ডিজ়েলের দাম।আরও পড়ুনঃ মোদির জন্মদিনে রাজ্যপালের বৃক্ষরোপণআজ জ্বালানি তেলকে জিএসটির আওতায় নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। অনেকেই আশা করে ছিলেন, পেট্রল-ডিজ়েলের উপর জিএসটি বসানো হলে, লিটার পিছু দাম অনেকটাই কমে যাবে। কিন্তু সূত্রের খবর, তেমন কিছুই হচ্ছে না। আপাতত, সেঞ্চুরির ঘর থেকে নামার কোনও লক্ষ্মণ নেই পেট্রলের।আজ সকালে লখনউতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শুরু হয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার প্রস্তাব দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। কিন্তু এই প্রস্তাবের বিরোধিতে একযোগে সরব হয়েছে সব রাজ্যগুলিই। বাদ পড়েনি খোদ বিজেপি শাসিত রাজ্যেগুলিও। তাই আপাতত পেট্রল ও ডিজেল জিএসটির আওতার বাইরেই থাকছে। যার জেরে জ্বালানির দাম কমার সম্ভাবনা আপাতত নেই বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। ৪৫তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শেষে এদিন সংবাদমাধ্যমর নির্মলা জানিয়েছেন, করোনার সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও বেশ কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দামি ওষুধে জিএসটি ছাড় দেওয়া হয়েছে। কর ছাড় দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু জীবনদায়ী ওষুধেও। একইসঙ্গে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত করোনার ওষুধে কর ছাড়ের কথাও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
শিক্ষা

NIRF: সর্বভারতীয় স্তরে মর্যাদাক্রম বাড়লো বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের

কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের মূল্যায়নে সর্বভরতীয় স্তরে মর্যাদাক্রম আরও বাড়লো বর্ধমান ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের। বৃহস্পতিবার মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব র্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক এই সংক্রান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই তালিকা অনুযায়ী গত বছর ৯২ নম্বর স্থানে থাকা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় এখন ৮৫ নম্বর স্থানে রয়েছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি এই রাজ্যের মধ্যে শুধুমাত্র কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তিন ধাপ এগিয়ে গিয়ে ৪ নম্বর স্থানে উঠে এসেছে।মর্যাদাক্রম বাড়ায় খুশি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব র্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক (এনআইআরএফ) এর বিচারে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৮ সালে বর্ধমান ৯৬ নম্বর স্থানে ছিল। ওই বছর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে দশ ধাপ এগিয়ে ছিল কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়।২০১৯ সালে সবাইকে চমকে দিয়ে মর্যাদাক্রমে কল্যাণীর থেকেও এগিয়ে যায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার এনআইআরএফ এর প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্ত নম্বর ৩৯.৯৮ থাকায় র্যাঙ্ক হয়েছে ৮৫। আর এবার র্যাঙ্ক একশোর মধ্যেও নেই প্রতিদ্বন্দ্বী কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কথায় জানা গিয়েছে, মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যে সব বিষয় পড়ানো হয় তার উপরেই এনআইআরএফ মূল্যায়ণ করে। এছাড়াও এনআইআরএফ গবেষণার পরিকাঠামো ও গবেষণাপত্র প্রকাশের উপরেও মূল্যায়ণ করে থাকে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের দাবি, এনআইআরএফ মূলত বিভিন্ন পোর্টাল ও ওয়েবসাইট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কে তথ্য যোগাড় করে। এইসব ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো ও উপাচার্যের ভূমিকার উপরেও মূল্যায়ন করা হয়। এই তিনটি বিষয়েই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় তুলনামূলকভাবে বেশি নম্বর পেয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই সাহা বলেন, সবার মিলিত সহযোগিতায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় বেশ কয়েক বছর ধরে দেশের প্রথম ১০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে। এ বার সাত ধাপ এগনোটা গর্বেরও বিষয় ।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
শিক্ষা

NIRF Ranking: ভারত সেরার তালিকায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের সেরা দশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় তালিকায় জায়গা করে নিল বাংলার দুই বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনাল র্যাং কিং ফ্রেমওয়ার্ক (এনআইআরএফ)-এর তালিকা প্রকাশ করেন। তাতে দেশের সেরা দশ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে আট নম্বরে। আগের বছরের নিরিখে অনেকটাই এগিয়ে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাং কিং। এ ছাড়াও ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, খড়গপুর আইআইটি-সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে।আরও পড়ুনঃ অভিজিতের দেহ নিয়ে পুলিশ-বিজেপি ধুন্ধুমারবৃহস্পতিবার ওই তালিকা প্রকাশের কিছুক্ষণ পরেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় তালিকাকে স্বাগত জানিয়ে একটি টুইট করেছেন। এনআইআরএফ র্যাং কিংয়ের প্রথম দশে থাকা কলকাতা ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি সেরার তালিকায় থাকা রাজ্যের অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন মমতা। এনআইআরএফ প্রতিবছরই নিয়ম করে দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করে। সার্বিক সেরা ১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকার পাশাপাশি আলাদা করে ম্যানেজমেন্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়েরও সেরার তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকায় গত বছর ১০ নম্বরে ছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। যাদবপুর একাদশে।কলেজের সেরার তালিকাতেও চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স, পঞ্চম স্থানে বেলুড়ের রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির। ম্যানেজমেন্ট এবং ইঞ্জনিয়ারিংয়ে প্রথম দশে রয়েছে আইআইএম কলকাতা এবং আইআইটি খড়্গপুরের নাম। তবে সার্বিক সেরা ১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাম রয়েছে শুধু খড়গপুর আইআইটিরই। দেশের সেরা ১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে খড়গপুরের নাম। তবে সেরার সেরা প্রতিষ্ঠানের শিরোপা পেয়েছে মাদ্রাজ আইআইটি। সূত্রের দাবি, গত কয়েক বছরে উচ্চ শিক্ষার মানদণ্ড বাড়াতে নানা পদক্ষেপ করেছিল কলকাতা এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। তারই স্বীকৃতি এল কেন্দ্রের মোদি সরকারের তরফে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ...
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত ছুটিতে ইতি! সরকারি হাসপাতালের কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বতের

২০২৭ সালের দুর্গাপুজো থেকে বদলাতে চলেছে সরকারি হাসপাতালের ছুটির রীতি। সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত বিশেষ রোস্টার, অর্ধেক থাকবেন অ-চিকিৎসক কর্মী। চিকিৎসক ও নার্সদের থাকতে হবে প্রয়োজন অনুযায়ী ডিউটিতে।কলকাতা: দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী থেকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত টানা ছুটি বা ছুটি-ছুটি মেজাজের দিন শেষ হতে চলেছে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে। স্বাধীনতার পর থেকে চলে আসা দীর্ঘদিনের এক অলিখিত রীতিতে এবার ইতি টানার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। আগামী বছর থেকে পুজোর ছুটিতে হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে আরও কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো জরুরি ক্ষেত্রে দীর্ঘ ছুটির প্রচলিত ধারণা বদলানোই সরকারের লক্ষ্য।শুক্রবার, বিজয়া দশমীর পর দ্বাদশীর দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অন্যান্য সরকারি দফতরের সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের কাজের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সরকারি অফিসে ছুটির প্রভাব এক রকম হলেও হাসপাতালের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে রোগীর চিকিৎসা, জরুরি বিভাগ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা কোনওভাবেই বন্ধ রাখা যায় না। তাই পুজোর সময়েও পর্যাপ্ত কর্মী নিয়ে হাসপাতাল চালু রাখার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ১৯৪৭ সালের পর থেকে রাজ্যে কার্যত একটি অলিখিত রীতি চলে আসছিল। ষষ্ঠী থেকেই সরকারি দফতরগুলিতে পুজোর আবহে কাজের গতি কমে যেত, আর সেই ছুটির রেশ চলত লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত। কিন্তু হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে এই দীর্ঘ ছুটি-ছুটি ভাব আর বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত ছুটি নেওয়ার প্রচলিত রেওয়াজ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।আগামী বছর থেকে কী নিয়ম চালু হবে?স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের দুর্গাপুজো থেকে সরকারি হাসপাতালগুলিতে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীএই চার দিনের জন্য বিশেষ ডিউটি রোস্টার চালু থাকবে। হাসপাতালের পরিষেবা সচল রাখতে কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। অ-চিকিৎসক কর্মীদের ক্ষেত্রে এই চার দিনে মোট কর্মীসংখ্যার প্রায় অর্ধেককে কাজে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।তবে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য আগাম নির্দিষ্ট ছুটির রোস্টার থাকবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। হাসপাতালের প্রয়োজন এবং পরিষেবার চাহিদা অনুযায়ী তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। অর্থাৎ, পুজোর দিনগুলিতে চিকিৎসক ও নার্সদের উপস্থিতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের কাজের প্রয়োজনের উপর।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর সময়েও হাসপাতালের দৈনন্দিন পরিষেবা, রোগী সামলানো এবং জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে স্বাস্থ্য দফতর।এ বছর থেকেই কাজে ফেরার নির্দেশশুধু আগামী বছরের পরিকল্পনাই নয়, চলতি বছরেও সরকারি হাসপাতালগুলিতে কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শারদ্বত। তাঁর দাবি, অন্যান্য সরকারি দফতরের মতো মেডিক্যাল কলেজগুলির শিক্ষক, অধ্যক্ষ, এমএসভিপি, নন-মেডিক্যাল সুপারিনটেন্ডেন্ট থেকে শুরু করে সাফাইকর্মীবিভিন্ন স্তরের কর্মীরা কাজে ফিরেছেন।এমনকি যাঁরা আগে থেকেই ছুটিতে ছিলেন, তাঁদের ছুটি বাতিল করে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই রীতির অবসান ঘটিয়ে হাসপাতালগুলিতে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন অগ্রাধিকার।পরিষেবা সচল রাখাই মূল লক্ষ্যদুর্গাপুজো থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত টানা ছুটির প্রচলন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত সরকারি হাসপাতালের কর্মীদের কাজের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে পুজোর সময় চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীদের সুবিধা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে নতুন রোস্টার কীভাবে কার্যকর হবে, হাসপাতালভিত্তিক কর্মী বণ্টন কীভাবে হবে এবং চিকিৎসক-নার্সদের দায়িত্ব নির্ধারণে কী পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় স্পষ্ট, আগামী বছর থেকে সরকারি হাসপাতালগুলিতে পুজোর ছুটি নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় বদল আনতে চাইছে রাজ্য সরকার। উৎসবের মরশুমেও যাতে স্বাস্থ্য পরিষেবায় কোনও শিথিলতা না আসে, সেই লক্ষ্যেই ছুটির বদলে দায়িত্ব পালনের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগান কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ পুলিশের! আতঙ্কের মাইকিংয়ে গ্রেফতার আরও এক ঘোষক, ধৃতের সংখ্যা ২

সপ্তমীর সন্ধ্যায় মণ্ডপে হুড়োহুড়ি ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে বলে ঘোষণার অভিযোগ। তদন্তে উঠে এসেছে দুই ঘোষকের নাম। কেন এমন ঘোষণা, নেপথ্যে কারও নির্দেশ ছিল কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।কলকাতার চোরবাগান দুর্গাপুজোর বিপর্যয় ঘিরে তদন্তে আরও এক ধাপ এগোল পুলিশ। মণ্ডপে দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো ঘোষণার ঘটনায় দ্বিতীয় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম কুশল মজুমদার। তাঁকে লালবাজারে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। এর আগে এই ঘটনায় চোরবাগান পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ফলে মাইকে বিভ্রান্তিকর ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই।পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে যখন দর্শনার্থীদের মধ্যে প্রবল ঠেলাঠেলি ও হুড়োহুড়ি চলছিল, তখন মাইকে ঘোষণা করা হয়, মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে। অভিযোগ, এই ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। আতঙ্কিত দর্শনার্থীরা দ্রুত বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। তাতেই বিশৃঙ্খলা আরও বেড়ে যায় বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। যদিও ওই ঘোষণার উদ্দেশ্য এবং তার সঙ্গে বিপর্যয়ের সম্পর্ক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।সিসিটিভি ফুটেজে দুই সন্দেহভাজনের খোঁজঘটনার পরই মণ্ডপে মাইক থেকে কে বা কারা ওই ঘোষণা করেছিলেন, তা জানতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মণ্ডপের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়। তাঁদের গতিবিধির উপর নজরদারি চালানোর পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছিল। অবশেষে দ্বিতীয় সন্দেহভাজন কুশল মজুমদারকেও পাকড়াও করা হল।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর থেকেই সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুর খোঁজ মিলছিল না। তাঁর বাড়িতে গিয়েও পুলিশ তাঁকে পায়নি। তদন্তকারীদের দাবি, বিপর্যয়ের পর থেকে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। তবে বিভিন্ন সময়ে অন্য নম্বর ব্যবহার করে পরিবার ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। সেই সূত্র ধরে সন্দেহভাজন আটটি মোবাইল নম্বরের উপর নজরদারি চালানো হয়। শেষ পর্যন্ত সেই সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার নদিয়া থেকে সেন্টুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।আতঙ্কের ঘোষণা ঘিরে বাড়ছে প্রশ্নচোরবাগান কাণ্ডের পর সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োতে মণ্ডপের ভিতরে ও বাইরে চরম বিশৃঙ্খলার ছবি দেখা যায়। একটি ভিডিয়োতে গ্রিল দিয়ে ঘেরা ঘোরানো উড়ালপথের উপর কয়েক জন দর্শনার্থীকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়। অন্য একটি ভিডিয়োতে মণ্ডপ থেকে বেরোনোর গেটের ভিতরে কয়েক মিটার দূরেই ঠেলাঠেলি ও ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জনকে মাটিতে পড়ে যেতে দেখা যায়। আতঙ্কিত দর্শনার্থীদের চিৎকারের মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতেও দেখা যায় এক পুলিশকর্মীকে।এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই মাইক থেকে মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘোষণার পর দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায় এবং অনেকে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি। তদন্তের স্বার্থে ভিডিয়োগুলির সত্যতা ও প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করা জরুরি। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজেও ওই ঘোষণার বিষয়টি তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে উঠে এসেছে।নির্দেশ দিয়েছিল কে? খতিয়ে দেখছে পুলিশতদন্তকারীদের সামনে এখন একাধিক প্রশ্ন। মণ্ডপে যখন ভিড়ের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তখন ঠিক কী পরিস্থিতিতে ওই ঘোষণা করা হয়? ঘোষকরা কি নিজেরাই এমন কথা বলেছিলেন, নাকি তাঁদের পিছনে অন্য কারও নির্দেশ ছিল? পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করা হলেও তা কীভাবে আতঙ্ক বাড়িয়ে দিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সঞ্জীব রাহা ও কুশল মজুমদারদুজনেরই বাড়ি অমর বসু সরণিতে, চোরবাগানের পুজোমণ্ডপ থেকে প্রায় ৫০ মিটারের মধ্যে। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হওয়া সঞ্জীবকে শুক্রবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির করানোর কথা ছিল বলে জানা গিয়েছিল। দ্বিতীয় অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পর তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও তথ্য উঠে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে পুলিশের।চোরবাগানের বিপর্যয় ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠেছে। তার মধ্যে মাইকে করা ওই ঘোষণা কেন এবং কী উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, তা তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। দুই সন্দেহভাজন ঘোষককে গ্রেফতারের পর এবার এই ঘটনার নেপথ্যে প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে তদন্ত কতদূর এগোয়, সেদিকেই নজর কলকাতার।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

পরকীয়ার সন্দেহে দাম্পত্যে অশান্তি, বাড়ি ফিরতেই চরম পরিণতি! বংশীহারিতে স্বামী খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্ত্রী

দেড় বছরের দাম্পত্যে তৃতীয় ব্যক্তিকে ঘিরে বিবাদ, ঘরের মেঝে থেকে উদ্ধার যুবকের রক্তাক্ত দেহ। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার স্ত্রী, তদন্তে পুলিশ।পুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারিতে এক যুবকের রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে ছড়াল তীব্র চাঞ্চল্য। স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী এক যুবকের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহের জেরেই স্বামীকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মৃতের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এবং কীভাবে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বিকাশ রায়। তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার এলাহাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের কড়ই কলোনির দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দেড় বছর আগে এলাকারই বাসিন্দা শিউলির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সংসার চালানোর জন্য কলকাতায় কাজ করতেন বিকাশ। সেই কারণে দীর্ঘ সময় বাড়ির বাইরে থাকতে হত তাঁকে।অভিযোগ, বিকাশ বাড়িতে না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী যুবক অনুপ দাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শিউলি। অনুপ পেশায় টোটোচালক। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এই সম্পর্কের কথা ক্রমে জানাজানি হয়ে যায়। সম্প্রতি বাড়ি ফেরার পর বিষয়টি বিকাশেরও নজরে আসে বলে অভিযোগ। এরপর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি বাড়তে থাকে। ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে বিবাদ চরমে পৌঁছেছিল বলে দাবি পরিবারের।ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিকাশ ও শিউলিকে ঘরের বাইরে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। তাঁরা বারবার ডাকাডাকি করলেও প্রথমে কোনও সাড়া মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। পরে শিউলি দরজা খুললে ঘরের মেঝেতে বিকাশের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় বংশীহারি থানায়।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। কীভাবে বিকাশের মৃত্যু হল, তার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মৃতের পরিবারের তরফে শিউলির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বিকাশের পরিবারের দাবি, স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী যুবকের সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই সংসারে অশান্তির সূত্রপাত। মৃতের ভাইয়ের অভিযোগ, নিজের সম্পর্কের পথে বাধা দূর করতেই পরিকল্পনা করে তাঁর দাদাকে খুন করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দেড় বছরের দাম্পত্যের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে এলাকায় শোক ও উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে এই ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগের পিছনে থাকা সমস্ত তথ্য ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও পুলিশি তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সঞ্জুর ব্যাটে ঝড়, নমনের অবিশ্বাস্য ফিনিশ! কিউয়িদের ২২৫ রান টপকে সিরিজে এগিয়ে ভারত

ক্রাইস্টচার্চে চার উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় টিম ইন্ডিয়ার, শেষ মুহূর্তে ম্যাচের রং বদলে দিলেন নমন ধীর। তবে ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়েও বোলিংয়ের দুর্বলতা ঢাকতে পারল না ভারত।সঞ্জুর ব্যাটে ঝড়, নমনের অবিশ্বাস্য ফিনিশ! কিউয়িদের ২২৫ রান টপকে সিরিজে এগিয়ে ভারতনিউজিল্যান্ডের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুতেই রুদ্ধশ্বাস জয় ভারতের। গ্লেন ফিলিপ্সের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ২২৫ রানের পাহাড় গড়েও শেষরক্ষা হল না কিউয়িদের। পাল্টা ব্যাট করতে নেমে সঞ্জু স্যামসনের ঝোড়ো অর্ধশতরান এবং শ্রেয়স আইয়ারের দায়িত্বশীল ইনিংসের পর শেষবেলায় ম্যাচের নায়ক হয়ে উঠলেন নমন ধীর। তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দুই বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল ভারত। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে গেলেন সূর্যকুমার যাদবরা।নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে ফিলিপ্সের দাপটটস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বড় রানের লক্ষ্যে এগোতে থাকে নিউজিল্যান্ড। ভারতের বোলাররা নিয়মিত চাপ তৈরি করতে না পারায় ক্রমশ হাত খুলে খেলার সুযোগ পান কিউয়ি ব্যাটাররা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান তোলে স্বাগতিক দল। ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সর্বোচ্চ রানের নজিরও গড়ে নিউজিল্যান্ড।কিউয়িদের ইনিংসের মূল আকর্ষণ গ্লেন ফিলিপ্স। কঠিন পরিস্থিতিতে ক্রিজে এসে দুরন্ত ব্যাটিংয়ে ভারতীয় বোলিংকে কার্যত দিশেহারা করে দেন তিনি। ৪৮ বলে ৮২ রানে অপরাজিত থাকেন ফিলিপ্স। তাঁর ইনিংসে ছিল আক্রমণাত্মক শটের সম্ভার। ইনিংসের শেষ বলেও সুইচ হিটে চার মেরে নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন এই কিউয়ি তারকা।ফিলিপ্সকে যোগ্য সঙ্গত দেন ফিন অ্যালেন। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৪৫ রান। এ ছাড়া বেভন জ্যাকবসের ৩১ এবং ড্যারিল মিচেলের ২৮ রানের ইনিংস নিউজিল্যান্ডকে বড় স্কোরে পৌঁছে দেয়। ভারতের হয়ে অর্শদীপ সিং ও ময়াঙ্ক যাদব একটি করে উইকেট নেন। তবে রান আটকানোর ক্ষেত্রে ভারতীয় বোলারদের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশেষ করে শেষের দিকে কিউয়ি ব্যাটারদের আগ্রাসন সামলাতে পারেননি তাঁরা।সঞ্জুর বিধ্বংসী শুরু, পাওয়ার প্লে থেকেই চাপে কিউয়িরা২২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতকে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন দুই ওপেনার। সঞ্জুর ব্যাটে চার-ছক্কার বন্যায় দ্রুত বাড়তে থাকে ভারতের রান। মাত্র ২৩ বলেই অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শুরুতে কিউয়ি বোলারদের কোনও সুযোগই দিতে চাননি ভারতীয় ওপেনার।অভিষেক শর্মাও ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। মাত্র ১২ বলে ২৯ রান করে দলের রানকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যান তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল দুটি চার ও তিনটি ছক্কা। ফলে পাওয়ার প্লে-র পরেও রান তোলার গতি কমেনি ভারতের। সপ্তম ওভারে মিচেল স্যান্টনারকে চার মেরে দলকে ১০০ রানের গণ্ডি পার করান সঞ্জু। আট ওভার শেষে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় এক উইকেটে ১১২।কিন্তু এই ঝোড়ো শুরুই শেষ পর্যন্ত সহজ জয় এনে দিতে পারেনি ভারতকে। স্পিনাররা আক্রমণে আসতেই বদলাতে থাকে ম্যাচের ছবি। ব্রেসওয়েলের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অভিষেক। এরপর তিলক বর্মার ব্যাট থেকেও প্রত্যাশিত রান আসেনি। ১১ বলে মাত্র ছয় রান করে আউট হন তিনি।এর মধ্যেই স্যান্টনারের বলে প্লেড-অন হয়ে সাজঘরে ফেরেন সঞ্জু। ৩৩ বলে ৬৭ রানের দুরন্ত ইনিংসে আটটি চার ও চারটি ছক্কা মারেন তিনি। ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দিলেও ম্যাচ শেষ করে যেতে পারেননি এই ওপেনার।মাঝের ওভারেই পাল্টে গেল ম্যাচের চিত্রসঞ্জু আউট হওয়ার পর ভারতের ব্যাটিংয়ে চাপ বাড়তে থাকে। তিন নম্বরের পরিবর্তে পাঁচ নম্বরে নামা ঈশান কিষাণও ব্যর্থ হন। মাত্র তিন বল খেলে এক রান করে ফেরেন তিনি। একসময় বিনা উইকেটে ৯৩ রান তুলে ফেলা ভারত অল্প সময়ের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়।এরপর অক্ষর প্যাটেল ১৪ বলে ২৪ রান করে লড়াই চালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়ায় ম্যাচের রাশ ক্রমশ কিউয়িদের হাতে চলে যাচ্ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট করলেও শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি তিনি। ২৮ বলে ৪২ রান করে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আউট হন শ্রেয়স।শেষ ১২ বলে ভারতের প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। চাপের মুখে ম্যাচ তখন কার্যত দোলাচলে। এমন পরিস্থিতিতেই ক্রিজে নিজের উপস্থিতির গুরুত্ব বুঝিয়ে দেন নমন ধীর। দ্রুত রান তুলে ম্যাচের সমীকরণ বদলে দিতে শুরু করেন তিনি। কিউয়ি বোলারদের উপর পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে ভারতকে জয়ের দরজায় পৌঁছে দেন এই ব্যাটার।শেষ ওভারে নমনের বিস্ফোরণ, জয় ভারতেরশেষ ওভারে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল আট রান। উত্তেজনায় টানটান ম্যাচে তখন সামান্য ভুলও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারত। কিন্তু নমন ধীর কোনওরকম স্নায়ুর চাপে ভেঙে পড়েননি। বরং সুযোগ বুঝে আক্রমণাত্মক শট খেলেন তিনি। ম্যাট হেনরির বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দুই বল বাকি থাকতেই ভারতের জয় নিশ্চিত করেন নমন।মাত্র ১৫ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচের অন্যতম নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি। সঞ্জুর বিধ্বংসী সূচনা এবং শ্রেয়সের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের পর নমনের এই ফিনিশিং ভারতীয় শিবিরে স্বস্তি এনে দেয়। বড় রান তাড়া করার ক্ষেত্রে ভারতীয় ব্যাটারদের আত্মবিশ্বাসও নিঃসন্দেহে বাড়াবে এই জয়।কিউয়িদের ফিল্ডিং ব্যর্থতাও ভারতের জয়ের বড় কারণতবে ভারতের জয়কে সহজ করে দিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের ফিল্ডিংয়ের একাধিক ভুল। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পাঁচটি ক্যাচ ফেলে দেন কিউয়ি ফিল্ডাররা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভারতীয় ব্যাটাররা ম্যাচে টিকে থাকার পাশাপাশি রান তোলার গতি বজায় রাখেন। শেষ পর্যন্ত ফিল্ডিংয়ের এই দুর্বলতার মূল্য দিতে হয় স্বাগতিক দলকে।যদিও ভারতের ফিল্ডিংও খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। দুই দলের ফিল্ডিংয়েই একাধিক ভুল চোখে পড়েছে। ফলে ব্যাটিংয়ে দাপট দেখিয়ে জয় এলেও ভারতীয় দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স নিয়ে কিছু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।জয় এল, কিন্তু চিন্তা বাড়াল বোলিংম্যাচ জিতলেও ভারতীয় বোলারদের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার জায়গা কম। ২০ ওভারে ২২৫ রান খরচ করে কিউয়িদের বড় স্কোরে পৌঁছতে দেওয়া নতুন করে উদ্বেগ বাড়াবে টিম ম্যানেজমেন্টের। প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের চাপে রাখার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে ডেথ ওভারে রান আটকাতে না পারা ভারতের দুর্বলতাকে সামনে এনে দিয়েছে।বড় রান তাড়া করে জয় পাওয়ার নজির আগেও রয়েছে ভারতের। তবে এই ম্যাচে ব্যাটাররা যেভাবে পরিস্থিতি সামলে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন, বোলারদের কাছ থেকেও তেমনই কার্যকর পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করবে দল। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচে সেই ঘাটতি মেটানোই হবে ভারতের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।সব মিলিয়ে ক্রাইস্টচার্চে প্রথম টি-টোয়েন্টি ভারতের কাছে একদিকে স্বস্তির জয়, অন্যদিকে সতর্কবার্তাও। সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটিং, শ্রেয়স আইয়ারের লড়াই এবং নমন ধীরের অবিশ্বাস্য ফিনিশিং ম্যাচ জিতিয়েছে ঠিকই, কিন্তু বোলিংয়ের দুর্বলতা দূর করতে না পারলে পরের ম্যাচগুলিতে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে ভারতকে। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচে নজর থাকবে সেই দিকেই।ম্যাচের সংক্ষিপ্ত ফলাফলনিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ২২৫/৪ভারত: ১৯.৪ ওভারে ২৩০/৬ফল: ভারত ৪ উইকেটে জয়ীসঞ্জু স্যামসন: ৩৩ বলে ৬৭শ্রেয়স আইয়ার: ২৮ বলে ৪২নমন ধীর: ১৫ বলে অপরাজিত ৪২গ্লেন ফিলিপ্স: ৪৮ বলে অপরাজিত ৮২

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের ঘরে নতুন লগ্নির আলো! উৎসবেই কি চমক, বিনিয়োগকারী হিসেবে উঠে আসছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম?

ইমামির বিদায়ের পর লাল-হলুদের আর্থিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে, পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সম্ভাবনায় নতুন আশার সঞ্চারইমামি গোষ্ঠীর সঙ্গে বিনিয়োগকারী হিসেবে সম্পর্কের অবসানের পর থেকেই নতুন পৃষ্ঠপোষকের সন্ধানে ছিল ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক সম্ভাব্য নাম নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই এবার লাল-হলুদের বিনিয়োগকারী হওয়ার দৌড়ে উঠে এল হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের (এইচপিএল) নাম। সূত্রের খবর, ক্লাব ও সংস্থার মধ্যে কথাবার্তা বেশ কিছুটা এগিয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে উৎসবের মরশুমেই নতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে বড় ঘোষণা করতে পারে ইস্টবেঙ্গল। যদিও চুক্তি চূড়ান্ত হওয়া এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।ইস্টবেঙ্গলের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী খুঁজে পাওয়া শুধুমাত্র আর্থিক সংস্থানের প্রশ্ন নয়, আগামী দিনের ফুটবল পরিকল্পনার সঙ্গেও তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দল গঠন, ভালো মানের ফুটবলারদের ধরে রাখা, নতুন প্রতিভা তুলে আনা এবং পরিকাঠামোর উন্নয়নসব ক্ষেত্রেই ধারাবাহিক অর্থের জোগান প্রয়োজন। সেই জায়গায় হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্ক লাল-হলুদ শিবিরকে নতুন দিশা দেখাতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সংস্থাকে ঘিরে প্রত্যাশাহলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসতেই স্বাভাবিকভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দ্য চ্যাটার্জি গ্রুপ (টিসিজি)। এই সংস্থা হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রধান উদ্যোক্তা। পাশাপাশি, সংস্থাটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারেরও অংশীদারি রয়েছে। ফলে এই সম্ভাব্য সমীকরণ বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের অন্যতম পরিচিত শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক তৈরি হতে পারে।তবে শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ক্লাবের সম্ভাব্য সম্পর্কের গুরুত্ব যতই থাকুক, চুক্তির আর্থিক কাঠামো এবং পরিচালন সংক্রান্ত শর্তগুলি কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নতুন বিনিয়োগকারী ক্লাবের দৈনন্দিন পরিচালনায় কতটা ভূমিকা নেবে, ফুটবল দলের বাজেট কতটা বাড়বে কিংবা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় কী ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যাবে, সে সবই এখন দেখার বিষয়।ইমামির বিদায়েই শুরু নতুন অধ্যায়গত ২৫ অগস্ট বিবৃতি দিয়ে ইমামি গোষ্ঠী জানিয়ে দিয়েছিল, ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারী হিসেবে তাদের ভূমিকার অবসান ঘটছে। গত আইএসএল মরশুম শেষ হওয়ার পর থেকেই এই বিচ্ছেদের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা চলছিল। ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্যের খবরও সামনে এসেছিল। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, ইমামির জায়গায় লাল-হলুদের আর্থিক দায়িত্ব সামলাবে কোন সংস্থা?চলতি মরশুমের শুরুতে ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে ইমামির লোগো না দেখা যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। যদিও ডুরান্ড কাপের ফাইনালে জার্সিতে ছোট আকারে ফিরে আসে ইমামির লোগো। তার আগে থেকেই ইঙ্গিত মিলছিল, বিনিয়োগকারীর ভূমিকা থেকে সরে গেলেও ক্লাবের সঙ্গে স্পনসর হিসেবে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী সংস্থাটি।পরে ইমামির বিবৃতিতেও সেই অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। সংস্থার তরফে জানানো হয়, বিনিয়োগকারী ও পরিচালন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরে এলেও স্পনসর হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের পাশে থাকবে তারা। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিজেদের শেয়ার এবং সংশ্লিষ্ট ভোটাধিকার ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল। অর্থাৎ, বিনিয়োগের অধ্যায় শেষ হলেও লাল-হলুদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করার পথে হাঁটেনি ইমামি।আর্থিক অনিশ্চয়তা কাটানোর অপেক্ষানতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ইস্টবেঙ্গলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। ফুটবলারদের বেতন বকেয়া থাকার খবর সামনে আসায় পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। নতুন মরশুমে দল গঠন, খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এবং অন্যান্য খরচের সংস্থান কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।এই পরিস্থিতিতে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসা লাল-হলুদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে ক্লাবের আর্থিক পরিকল্পনায় স্থিতিশীলতা ফেরানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার ক্ষেত্রেও সুবিধা মিলতে পারে।তবে নতুন বিনিয়োগকারী এলেই যে সমস্ত সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান হয়ে যাবে, এমনটা ধরে নেওয়ার অবকাশ নেই। বিনিয়োগের পরিমাণ, অর্থ প্রদানের সময়সূচি, ক্লাব পরিচালনায় অংশীদারিত্ব এবং ফুটবল বিভাগের জন্য বরাদ্দপ্রতিটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। সেই শর্তগুলির উপরেই নির্ভর করবে নতুন সমীকরণে ইস্টবেঙ্গল কতটা লাভবান হবে।উৎসবের মরশুমেই কি লাল-হলুদে নতুন সূর্যোদয়?ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী পাওয়ার সম্ভাবনা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। ঐতিহ্য, বিপুল সমর্থকগোষ্ঠী এবং সাফল্যের প্রত্যাশা থাকা সত্ত্বেও আধুনিক ফুটবলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রয়োজন শক্তিশালী আর্থিক ভিত। সেই ভিত মজবুত করার লক্ষ্যেই এখন নজর নতুন বিনিয়োগকারীকে ঘিরে।সূত্রের খবর অনুযায়ী, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে থাকায় উৎসবের মরশুমে ঘোষণার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু যতক্ষণ না চুক্তি সম্পূর্ণ হচ্ছে এবং ক্লাব বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসছে, ততক্ষণ বিষয়টিকে সম্ভাবনা হিসেবেই দেখতে হবে।শেষ পর্যন্ত হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের গাঁটছড়া বাঁধা হলে তা ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এখন অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। সেই ঘোষণাই স্পষ্ট করবে, নতুন বিনিয়োগের হাত ধরে লাল-হলুদ শিবির কতটা নতুন পথে এগোতে পারে।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগানের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা, ২০২৭-এর পুজোর আগেই আগাম প্রস্তুতি! শ্যামপুরে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর। শ্যামপুরে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন, নদীবাঁধ মেরামতি, কর্মসংস্থান ও আবাস যোজনা নিয়েও একাধিক ঘোষণা করলেন তিনি।শ্যামপুর: উৎসবের আনন্দের মধ্যে চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় যে বেদনার ছায়া নেমে এসেছে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে চায় রাজ্য সরকার। ২০২৭ সালের পুজোয় যাতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার অঙ্গীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাতে শ্যামপুরের বেলপুকুর কলেজের মাঠে বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে চোরবাগানের ঘটনা থেকে শুরু করে রাজ্যের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ পরিকাঠামো নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে এ দিন বিশেষ গুরুত্ব পায় চোরবাগানের দুর্ঘটনা। প্রথম সপ্তমীর রাতে ওই ঘটনায় প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, উৎসবের আনন্দের মধ্যেই বেদনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, এই ঘটনার তদন্ত হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন বিপর্যয় আর না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিয়েছে। আগামী বছরের দুর্গাপুজোর অনেক আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মৃত ১৮ জনের মধ্যে ১২ জনের পরিবারের সঙ্গে তিনি দেখা করেছেন। বাকি ছটি পরিবারের সঙ্গে ২৩ ও ২৪ তারিখের মধ্যে দেখা করার পরিকল্পনার কথাও জানান। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ২৫ জন সুস্থ হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। ক্ষতিপূরণ দিয়ে স্বজনহারা পরিবারের ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে এবং সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনকে আরও সতর্ক হওয়ার বার্তা দেন তিনি।শ্যামপুরের অতীত প্রসঙ্গ তুলে রাজনৈতিক আক্রমণবিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের কয়েক বছর আগের অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক সময়ে যাঁরা মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তুলেছিলেন, তাঁদেরই এখন প্রিজন ভ্যানে উঠতে হচ্ছে। দুর্গাপ্রতিমা ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে তাঁর আরও মন্তব্য, যাঁরা দুর্গাঠাকুর ভেঙেছিলেন, তাঁদের মা দুর্গাই ক্ষমতার অলিন্দ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি এ দিনের অনুষ্ঠানে এলাকার উন্নয়ন নিয়েও একাধিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।১৪ শয্যার স্বাস্থ্যকেন্দ্র হবে ১০০ শয্যারশ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে এলাকায় ১৪ শয্যার একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেটিকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার আশ্বাস দেন তিনি। শুধু শয্যা বাড়ানোই নয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও এক্স-রে পরিষেবা চালুর কথাও ঘোষণা করেন। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের চিকিৎসার জন্য দূরে যাওয়ার প্রয়োজন কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।নদীবাঁধের ভাঙন রোধে উদ্যোগ, কাঠের সেতুর বদলে পাকা ব্রিজপ্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে শ্যামপুরের পরিকাঠামোগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এই এলাকায় নদীবাঁধের ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন জায়গায় থাকা কাঠের সেতুগুলিকে পাকা সেতুতে রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। বোয়ালিয়ায় একটি বড় সেতু তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।শ্যামপুরে পর্যটনের সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদী তিনি। এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে পর্যটনকেন্দ্রিক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকাঠামোর উন্নয়ন হলে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।আগামী ৮ মে-র মধ্যে এক লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতিকর্মসংস্থান প্রসঙ্গেও এ দিন বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতিশ্রুতি, আগামী বছরের ৮ মে-র মধ্যে রাজ্যে এক লক্ষ যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করার আশ্বাসও দেন তিনি। তবে কোন কোন দপ্তরে কত পদে নিয়োগ হবে এবং তার বিস্তারিত সময়সূচি কী, সে বিষয়ে এ দিনের বক্তব্যে নির্দিষ্ট তথ্য সামনে আসেনি।পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজের নির্দেশ, আবাস যোজনায় আরও ২৫ লক্ষ বাড়িগ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও পঞ্চায়েতগুলিকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। বিকশিত ভারত ভিবি-জিরামজি প্রকল্পের প্রসঙ্গ তুলে আগামী ছমাসের মধ্যে প্রতিটি পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজ করার কথা বলেন তিনি। তাঁর দাবি, ১২৫ দিনের কর্মসূচিতে ৩৭০ ধরনের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপর জোর দেন তিনি।আবাস যোজনার পরবর্তী ধাপে আরও ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামীণ এলাকার মানুষের বাসস্থানের চাহিদা পূরণ এবং স্থানীয় পরিকাঠামোর উন্নয়নকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।চোরবাগানের দুর্ঘটনা এ দিনের অনুষ্ঠানে শোক ও সতর্কতার বার্তা নিয়ে এলেও, একই মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পর্যটন, কর্মসংস্থান এবং আবাসন নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। এখন নজর থাকবে, ঘোষিত প্রকল্পগুলির কতটা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়িত হয় এবং আগামী বছরের দুর্গাপুজোর আগে দুর্ঘটনা রোধে কী ধরনের আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশাসন।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে ‘না’, জামিনের শর্তে কী মুচলেকা দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা?

এক সপ্তাহ তিহাড়ে কাটিয়ে মুক্তি আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের, ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনজ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে এখনও অনড় দুই নেতা।এক সপ্তাহ জেলবন্দি থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। বুধবার বিকেলে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তবে মুক্তির পথ একেবারে শর্তহীন ছিল না। ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, অনুমতি ছাড়া প্রতিবাদ কর্মসূচি না করা এবং শান্তিভঙ্গকারী কোনও কাজে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকার করতে হয়েছে দুই নেতাকে। মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডেও সই করেছেন তাঁরা।প্রশাসনের নির্ধারিত বিধি উপেক্ষা করে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালানোর অভিযোগেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরেও সেখানে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ককরোচ জনতা পার্টির কর্মীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পুলিশি পদক্ষেপ এবং পরবর্তী সময়ে দুই নেতার জেলযাত্রা।জামিনের শর্তে কী জানালেন দুই নেতা?জামিনের শুনানিতে আশুতোষ ও সৌরভের বক্তব্য ছিল, দেশের আইন ও সংবিধান মেনেই তাঁরা ভবিষ্যতে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করবেন। যন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করবেন না বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে শান্তি বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুই নেতা।প্রশাসনিক বিধিনিষেধ মেনে চলার এই অঙ্গীকারের ভিত্তিতেই তাঁদের জামিন মঞ্জুর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। দুই নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া চলবে।তিন দিনের অতিরিক্ত হেফাজতের আবেদন খারিজসূত্রের খবর, আশুতোষ ও সৌরভকে আরও তিন দিন হেফাজতে রাখার আবেদন জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি। বুধবার বিকেলে জামিনের নির্দেশ দেওয়ার পর রাতের দিকে তাঁদের তিহাড় জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ফলে প্রায় এক সপ্তাহের বন্দিজীবনের অবসান ঘটে দুই নেতার।জেল থেকে বেরিয়েও অবস্থান বদল নয়জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরেও নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে আসেননি আশুতোষ ও সৌরভ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তাঁরা এখনও অনড়। ককরোচ জনতা পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিয়োয় দুই নেতাকে স্লোগান দিতেও দেখা গিয়েছে। সেখানে তাঁদের মুখে শোনা যায়, ভারতমাতা কি জয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ-এর পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে স্লোগান।অন্যদিকে, জেলজীবন নিয়ে আশুতোষের মন্তব্যও নজর কেড়েছে। মুক্তির পর তিনি জানিয়েছেন, তিহাড় জেলের খাবার বেশ ভালো। তবে জেলবন্দি হওয়ার অভিজ্ঞতা কিংবা জামিনের শর্তকোনও কিছুই যে তাঁদের রাজনৈতিক দাবিতে প্রভাব ফেলেনি, তাঁদের বক্তব্য ও স্লোগানে সেই বার্তাই স্পষ্ট।সব মিলিয়ে, জামিনে মুক্তি পেলেও ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতার আইনি লড়াই এখনও শেষ হয়নি। একদিকে জামিনের শর্ত মেনে চলার বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানএই দুইয়ের মধ্যে আগামী দিনে তাঁরা কীভাবে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যান, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal