• ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SC East Bengal

খেলার দুনিয়া

ISL Derby : ডার্বিতে হারের হ্যাটট্রিক, বড় লজ্জার হাত থেকে বাঁচল এসসি ইস্টবেঙ্গল

ডার্বিতে হারাটা যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। গত মরশুমে দুটি সাক্ষাৎকারেই জিতেছিল এটিকে মোহনবাগান। এবছর প্রথম ডার্বিতেও ছবিটা বদলাল না। গোয়ার তিলক ময়দানে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আইএসএল ডার্বি জয়ের হ্যাটট্রিক করল এটিকে মোহনবাগান। জয়ের ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। লালহলুদকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যর পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা শুভম সেন।প্রথমার্ধে তিন গোল হজম করে লাল হলুদ। এটিকে মোহনবাগানের শক্তিশালী আক্রমণভাগের বিরুদ্ধে ৩ জনকে ডিফেন্সে রাখার মাশুল দিতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। সেই সঙ্গে অরিন্দম ভট্টাচার্যের জঘন্য গোলকিপিংয়ের কথাও বলতে হবে। গত বছর আইএসএলে প্রথম সাক্ষাতে এই দিনেই ডার্বি জিতেছিল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল। কাকতালীয়ভাবে সেই একই দিনে আবার ডার্বিতে জয়।এদিন এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ৩-৪-৩ ছকে আক্রমণাত্মকভাবে শুরু করেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে হাবাস ৪-৩-৩ ছকে শুরু করেন। চেনা ছন্দে ফিরতে দেরি হয়নি এটিকে মোহনবাগানের। ১১ মিনিটের মধ্যে তিন গোল হতোদ্যম করে দেয় এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ১২ মিনিটে রয় কৃষ্ণর প্রথম গোল। মনবীর সিং ডানদিক দিয়ে উঠে এসে বল বাড়ান প্রীতম কোটালের দিকে। এটিকে মোহনবাগানের অধিনায়ক বক্সের কাছে গিয়ে বল বাড়়ান রয় কৃষ্ণকে উদ্দেশ্য করে। দর্শনীয় ভঙ্গিমায় বল জালে জড়ান রয় কৃষ্ণ। এর ঠিক দুই মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ান মনবীর। জনি কাউকোর দুরন্ত থ্রু পাস থেকে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে পরাস্ত করে সবুজ-মেরুনকে এগিয়ে দেন মনবীর। ২৩ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর গোল। দ্বিতীয় গোলের মতোই তৃতীয় গোলটিও এটিকে মোহনবাগানকে কার্যত উপহার দেন অরিন্দম। বক্সের প্রায় বাইরে গিয়ে কোলাসোর থেকে বল কেড়ে নিতে গিয়েছিলেন অরিন্দম। তাঁকে পরাস্ত করতে সময় নেননি কোলাসো।৩৩ মিনিটে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে তুলে নিতে বাধ্য হন লালহলুদ কোচ। নামান শুভম সেনকে। হলুদ কার্ড দেখা লালরিনলিয়ানা হামতেকে তুলে নিয়ে অমরজিৎ কিয়ামকে নামানো হয়। তিন গোল করার পরও প্রথমার্ধে আরও বেশ কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল সবুজ মেরুন। কিন্তু লাল হলুদের লজ্জা বিরতির আগে আর বাড়েনি।দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরে এসসি ইস্টবেঙ্গল। মানোলো দিয়াজ ডিফেন্স মজবুত করায় এটিকে মোহনবাগান আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। এদিনের জয়ের সুবাদে ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগশীর্ষে চলে গেল এটিকে মোহনবাগান। এসসি ইস্টবেঙ্গল নেমে গেল নবম স্থানে। ২ ম্যাচে লাল হলুদের ঝুলিতে ১ পয়েন্ট। মঙ্গলবার ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এটিকে মোহনবাগানের পরবর্তী ম্যাচ বুধবার মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal vs Mohun Bagan : ছন্দে থাকলেও ডার্বিতে নিজেদের এগিয়ে রাখছেন না হাবাস

গত বছর অল্পের জন্য খেতাব হাতছাড়া হয়েছে। মুম্বই সিটি এফসি-র কাছে ফাইনালে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। এবছর দারুণভাবে আইএসএল অভিযান শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল উদ্বোধনী ম্যাচেই ৪-২ গোলে হারিয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সকে। আজ কলকাতা ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই নামছে এটিকে মোহনবাগান। কারণ ছন্দ ও শক্তির বিচারে অনেক এগিয়ে সবুজমেরুণ শিবির। যদিও কোচ হাবাস নিজেদের ফেবারিট হিসেবে মানতে নারাজ।ডার্বিতে নামার আগে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সমীহ করে তিনি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলের দল এবার একেবারেই নতুন। নতুন কোচ এসেছেন। এমনিতে নতুন দলের থিতু হতে অন্তত এক বছর লাগে। কিন্তু এখানে সব কিছু দ্রুত তৈরি করে নিতে হয়। দুই দলের কাছেই ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচ কলকাতার বাইরে হচ্ছে। গ্যালারিতে দর্শক থাকবে না। ফুটবলারদের বাড়তি চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে না। ফলে এই ডার্বিতে কে এগিয়ে তা আগাম বলা যাবে না।তারকা প্রথায় কখনও বিশ্বাস করেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ। তাই হুগো বুমোস, লিস্টন কোলাসো, রয় কৃষ্ণ, জনি কাউকোদের নিয়ে সমর্থক থেকে সংবাদমাধ্যমের মাতামাতি দেখে অসন্তুষ্ট হাবাস। তিনি বলেন,তিন-চারজনকে নিয়ে দল হয় না।বঅমরিন্দর, প্রীতম, প্রবীর, তিরির মতো ফুটবলাররাও রয়েছে। আমার কাছে সব ফুটবলারই গুরুত্বপূর্ণ। গত মরশুমে দুটি ডার্বিতেই জিতেছিল এটিকে মোহনবাগান। অতীতের সাফল্যের কথা মাথায় রাখতে চাইছেন না হাবাস। তিনি বলেন, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি সবসময় হয় না। নতুন বছর, নতুন ম্যাচ।কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে দলের খেলায় গা ছাড়া মনোভাব যাতে ডার্বিতে না দেখা যায় সেজন্য ফুটবলারদের সতর্ক করে দিয়েছেন হাবাস। ডার্বিতে তিরিকে পাচ্ছে না এটিকে মোহনবাগান। তিনি বাদে সকলেই সুস্থ। রণকৌশলও গোপনই রাখলেন হাবাস। তিনি বলেন, সব ম্যাচে সমানভাবে খেলা যায় না। পরিবেশ, পরিস্থিতি অনুযায়ী বিপক্ষ কেমন খেলছে সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করাটাই স্বাভাবিক। কার হলুদ কার্ড রয়েছে, কাকে কতক্ষণ খেলানো যাবে এই সব বিষয়ও বিবেচনাধীন থাকে। তৎক্ষণাৎ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধেও তার ব্যতিক্রম হবে না।পেরোসেভিচ বা চিমাকে বাড়তি গুরুত্ব না দিয়ে গোটা এসসি ইস্টবেঙ্গলকে কীভাবে আটকাবেন সেটাই পরিকল্পনা করছেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL Derby : ডার্বিতে এগিয়ে কোন দল? নিজেদের আন্ডারডগ ভাবছেন দিয়াজ

দুই দলের মধ্যে পার্থক্য অনেকটাই। গত মরশুমের দল ধরে রাখার পাশাপাশি এটিকে মোহনবাগান শক্তি বাড়িয়েছে অনেকটাই। হুগো বোমাস যোগ দেওয়ায় আক্রমণভাগ অনেকটাই শক্তিশালী হয়েছে। অন্যদিকে, শেষ মুহূর্তে দল গড়তে নেমে তেমন ভাল দল গড়তে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আইএসএল অভিযানের শুরুতেও ছাপ রাখতে পারেনি। অন্যদিকে, দুর্দান্ত শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। শনিবার মরশুমের প্রথম ডার্বিতে ধারেভারে সবুজমেরুণ শিবিরই যে এগিয়ে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে নতুন কোচের তত্ত্বাবধানে নতুন মুখদের নিয়ে আইএসএলে এবার ডার্বি জিততে মরিয়া লাল হলুদ শিবির।কেরালা ব্লাস্টার্সকে ৪-২ গোলে হারিয়ে এবারের আই এস এল অভিযান শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। অন্যদিকে, জামশেদপুর এফসির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করলেও খুব একটা খারাপ খেলেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডার্বিতে অন্য খেলা হবে, সে কথা বুঝিয়ে দিয়েছেন লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন কলকাতা ডার্বি আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচের গুরুত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। স্পেন, মেক্সিকোতেও অনেক ডার্বি দেখেছি। ডার্বি সব সময় অন্য মাত্রা নেয়। আমাদের কাছে এটা লিগের দ্বিতীয় ম্যাচ। সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।এটিকে মোহনবাগান দারুণ সমীহ করছেন লালহলুদ কোচ। দিয়াজ বলেন, এটিকে মোহনবাগান খুবই ভালো দল। কোচও খুবই ভাল। বিপক্ষ কোচের আইএলএলেও যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। ভুলভ্রান্তি কম করে বিপক্ষের দুর্বলতাগুলোকে কাজে লাগিয়ে ভাল খেলতে হবে। সবুজমেরুণকে সমীহ করলেও প্রথম একাদশ খোলসা করেননি মানোলো দিয়াজ। ড্যারেন সিডোলকে খেলাবেন কিনা সে ব্যাপারেও নিশ্চিত করে কিছু বলেননি। দলের সব ফুটবলারই ডার্বি খেলতে প্রস্তুত বলে মানোলো দিয়াজ জানিয়েছেন।মরশুমের প্রথম ডার্বিতে নিজেদের আন্ডারডগ হিসেবে দেখছেন মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আন্ডারডগ তকমা আমাদের গায়ে লাগিয়ে দেওয়া হলেও কোনও অসুবিধা নেই। আমরা নিজেদের শক্তি অনুযায়ি খেলব। এটিকে মোহনবাগান গত মরশুমে দারুন খেলেছে। বেশ কয়েকজন ফুটবলার কয়েক মরশুম ধরে একসঙ্গে খেলছেন। আমরাও তৈরি অনেক ফর্মেশন তৈরি রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ছক বদল করব। রয় কৃষ্ণ, হুগো বুমোসদের কীভাবে আটকাতে চান সেই কৌশলও গোপন রাখলেন লাল হলুদ কোচ। তিনি বলেছেন, ম্যাচের পরিস্থিতির উপর এটা নির্ভর করবে। বল আমাদের বক্সের কাছাকাছি থাকলে ম্যান মার্কিংয়ে যাব। তবে আমরা রয়, হুগোর বিরুদ্ধে খেলছি না। তাঁরা ভালো ফুটবলার, গোল করতে পারেন। তবে তাঁদেরও সতীর্থদের সাহায্যের প্রয়োজন। ফলে শুধু দুজনকে নয়, গোটা দলকেই আটকানোর চেষ্টা করব।অভিজ্ঞতায় এটিকে মোহনবাগান কিছুটা এগিয়ে রয়েছে মানলেও খেলাটা সবুজ মেরুনের আক্রমণ বনাম লাল হলুদের ডিফেন্সের লড়াই হবে বলে মানতে নারাজ দিয়াজ। তিনি বলেন, আমাদের শক্তিশালী হতে হবে। ভালো ও নিখুঁত পাস দেওয়া-নেওয়া করতে হবে নিজেদের মধ্যে। বিপক্ষের গোল এরিয়ায় প্রচুর গোলের সুযোগ তৈরি করতে হবে। সারাক্ষণ যদি ওদের বিরুদ্ধে আমরা রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলি, তা হলে ম্যাচটা আমাদের কাছে আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : জামশেদপুরের বিরুদ্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভরসা নতুন চিমা

এবছর আইএসএলে খেলা নিয়েই একসময় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সব বিতর্ক মিটিয়ে, বাধাবিপত্তি কাটিয়ে অবশেষে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি জামশেদপুর এফসির। গতবছরের ব্যর্থতা ভুলে এবছর নতুনভাবে শুরু করতে চায় লালহলুদ ব্রিগেড। একই সঙ্গে ২৭ নভেম্বরের ডার্বির প্রস্তুতিও সেরে ফেলতে চায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট ঘরে তুলে এটিকে মোহনবাগান ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়া। আইএসএল খেলা নিয়ে টালবাহনা থাকায় এবছর অনেক দেরিতে দল গঠন করতে নেমেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ভাল মানের স্বদেশী ফুটবলার দলে নিতে পারেননি। গত বছর খেলা বিদেশিরাও কেউ নেই। কোচও নতুন। একঝাঁক নতুন স্বদেশী ফুটবলার। সব মিলিয়ে নতুন পরিবেশ। অতীত ভুলে নতুনভাবে শুরু করতে চাইছে লালহলুদ ব্রিগেড। প্রস্তুতি ম্যাচে ফুটবলাররা যেরকম পারফরমেন্স করেছে, তাতে দল নিয়ে আশাবাদী এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। লালহলুদের দায়িত্ব নেওয়ার সময়ই গত বছরের ব্যর্থতার কথা জেনেছিলেন। এবছর সাফল্য এনে দিতে তিনি মরিয়া। তবে লালহলুদ কোচের প্রাথমিক লক্ষ্য প্রথম ম্যাচ। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে আইএসএল অভিযান শুরুর আগে মানোলো দিয়াজ বলেন, গত মরশুমে কী ফল হয়েছিল, আমরা সবাই জানি। এবছর সব ফুটবলারই নতুন, নতুন কোচ। আপাতত আমাদের লক্ষ্য প্রথম ম্যাচে ভাল ফল করা। তাহলে আত্মবিশ্বাস অনেকটা বেড়ে যাবে। খুব ভাল প্রস্তুতি হয়েছে। প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতেও ভাল খেলেছি। আশা করছি ভালভাবে শুরু করতে পারব। এই প্রথম কোনও ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছেন মানোলো দিয়াজ। এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিং দারুণ উপভোগ করছেন তিনি। স্পেনের ফুটবলে সব স্তরে সাফল্য পাওয়ার পর দিয়াজের আশা ভারতীয় ফুটবলেও সাফল্য পাবেন। লালহলুদের ফুটবলে স্প্যানিশ ছোঁয়া থাকবে কিনা, সে সম্পর্কে খোলসা করে কিছু বলেননি দিয়াজ। তবে দলের ফুটবলারদের দক্ষতা বুঝে নিয়েছেন। সেইভাবেই পরিকল্পনা তৈরি করেছেন লালহলুদ কোচ। ড্যানিয়েল চিমা চুকোউ প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতে নজর কেড়েছেন। এই বিদেশির ওপর বাড়তি ভরসা মানোলো দিয়াজের। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, চিমা দারুণ স্কিলফুল ফুটবলার। নিজে যেমন গোল করতে পারে, গোল করাতেও পারে। ওর মতো ফুটবলারকে পেয়ে দলের খুব ভাল হয়েছে। তবে বাকি সতীর্থদের চিমাকে সাহায্য করতে হবে। প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ জামশেদপুর এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মানোলো দিয়াজ। কোন ৪ বিদেশিকে নিয়ে মাঠে নামবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন লালহলুদ কোচ। আক্রমণভাগে চিমা নিশ্চিত। রক্ষণে দুই বিদেশি টমিস্লাভ মার্সেলো ও ফ্রাঞ্জো পার্চেকে নিয়ে দল সাজালে মাঝমাঠে আমির দেরভিসেভিচ। আর রক্ষণে এক বিদেশি নিয়ে মাঠে নামলে মাঝমাঠে আমিরের সঙ্গে ড্যারেন সিডোয়েল।

নভেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : এসসি ইস্টবেঙ্গলের নেতৃত্ব পেয়ে গর্বিত অরিন্দম ভট্টাচার্য

আইএসএলে এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলা চূড়ান্ত হওয়ার পর জল্পনা শুরু হয়েছিল, লালহলুদে যোগ দিতে পারেন এটিকে মোহনবাগানের গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। যদিও তাঁর সঙ্গে এটিকে মোহনবাগানের আরও একবছর চুক্তি ছিল। কিন্তু এটিকে মোহনহবাগান অমরিন্দার সিংকে সই করানোর পর তিনি সবুজমেরুণ ছাড়তে তৎপর হয়ে ওঠেন। আসলে অরিন্দম চেয়েছিলেন নিয়মিত খেলার সুযোগ। এটিকে মোহনবাগানে থাকলে তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণ হত না। তাই এটিকে মোহনবাগান ছেড়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। লালহলুদে সই করে তিনি যে ভুল করেননি, প্রমাণ হয়ে গেল। এই মরশুমে তিনিই লালহলুদকে নেতৃত্ব দেবেন। শনিবার তাঁকে অধিনায়ক হিসেবে বেছে নিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গেল কর্তারা। সহঅধিনায়কের ভূমিকা পালন করবেন অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ব্যাক টমিস্লাভ মার্সেলা।লালহলুদের অধিনায়ক হয়ে দারুণ খুশি অরিন্দম ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলের নেতৃত্ব পাওয়াটা আমার কাছে দারুণ সম্মানের ব্যাপার। আমি এবং আমার পরিবার খুবই খুশি। কারণ আমার পরিবারের সবাই লালহলুদের সমর্থক। সকলের প্রত্যাশাপূরণের লক্ষ্যে সেরাটা দেওয়ার জন্য সবসময় তৈরি থাকব। আমি গোলপোস্টের নীচে দাঁড়ালেও দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেব। দলের সাফল্যের জন্য এমন ভুমিকা পালন করব, যাতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা লালহলুদ সমর্থকরা গর্বিত হন। গত মরশুমে আইএসএলের ফাইনালে উঠেছিল এটিকে মোহনবাগান। দলকে ফাইনালে তোলার পেছনে বড় ভুমিকা নিয়েছিলেন অরিন্দম ভটাচার্য। গত বছর আইএসএলে ১০ ম্যাচে কোনও গোল হজম করেননি তিনি। ৫৯টি দুর্দান্ত সেভ করে গোল্ডেন গ্লাভস পেয়েছিলেন। অরিন্দমের অভিজ্ঞতার কথা ভেবেই তাঁকে নেতা বেছে নিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ।As I get ready to don the red and gold colors for the first time, I am reminded of the passion and love that my dad and grandparents had towards this club and the immense pride and joy they would feel to see me play for the prestigious @sc_eastbengal(1/3) pic.twitter.com/pTtCx1dZXK Arindam Bhattacharya (@ArindamGK) September 6, 2021লাল হলুদ শিবিরকে নেতৃত্বে দেওয়ার মতো আরও কয়েকজন ছিলেন। তা সত্ত্বেও অরিন্দম ভট্টাচার্যকে বেছে নিয়েছেন এস সি ইস্টবেঙ্হল কোচ। অরিন্দমকে বেছে নেওয়া প্রসঙ্গে মানোলো দিয়াজ বলেন, অরিন্দমকে অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়ার মূল কারণ মাঠের ভেতর ও বাইরে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার গুন। ভারতীয় ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে খেলছে অরিন্দম। ও জানে নিজের দক্ষতা কীভাবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। টমিস্লাভেরও নেতৃত্ব দেওয়ার ভাল গুন রয়েছে। তাছাড়া দুজনকেই সতীর্থরা দারুণ পছন্দ করে।এদিকে, প্রথম বছর এস সি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়ে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়ে খুশি টমিস্লাভ মার্সেলো। তিনি বলেন, প্রথম বছর এস সি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়েই সহ অধিনায়ক হওয়াটা দারুণ ব্যাপার। আমাকে ও অরিন্দমকে বাদ দিলেও দলে দক্ষ নেতার অভাব নেই। আশা করছি সকলের মিলিত প্রয়াসে দলের সাফল্য আসবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : টানা তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচে জয়, দল গুছিয়ে নিচ্ছেন দিয়াজ

এসসি ইস্টবেঙ্গল আদৌও আইএসএল খেলতে পারবে কিনা তা নিয়ে একসময় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। খুব কম সময়ের মধ্যে দল গঠন করতে হয়েছিল লাল-হলুদ কর্তাদের। দলকে নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সময় যত গড়াচ্ছে দলকে তৈরি করে নিচ্ছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। ফিটনেস ট্রেনিংয়ের পর বল নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন ফুটবলাররা। ইতিমধ্যে তিন-তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলে ফেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তিনটিতেই জয় পেয়েছে। ভাস্কো এবং সালগাঁওকরের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে জয়ের পর গোকুলাম এফসি-র বিরুদ্ধেও জয় তুলে নিল। তুলনামূলক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ গতবারের আই লিগ চ্যাম্পিয়নকে হারাল ২১ ব্যবধানে।গোকুলামের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই ২ গোলে এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। গোল করেন বলবন্ত সিং এবং আঙ্গৌসানা। এদিন প্রথমার্ধে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা। বিশেষ করে নজর কাড়েন অ্যান্তোনিও পেরোসেভিচ এবং বিকাশ জাইরু। এদিন নাইজেরিয়ার স্ট্রাইকার ড্যানিয়েল চিমাকে শুরু থেকে মাঠে নামাননি মানোলো দিয়াজ। দ্বিতীয়ার্ধে তিনি মাঠে নামান। মাঠে নেমেই নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টা করেন। গোল করারও সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর সেই প্রয়াস আটকে দেন গোকুলাম গোলরক্ষক। ম্যাচের ৭১ মিনিটে লাল-হলুদের রক্ষণের ভুলে গোকুলামের রাহিম ওসুমানু ব্যবধান কমান। ম্যাচের শেষদিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল এদিনই প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামেন চিমা। তিনি বলেন, দলের সঙ্গে কয়েকদিন অনুশীলন করেছি। সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া গড়তে সময় লাগবে। যত সময় এগোবে, বুঝতে পারব সতীর্থরা কীভাবে খেলে। আর তারাও আমার খেলার পদ্ধতি বুঝতে পারবে। তবে এই জয়টা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এদিকে গোয়ায় হোটেল পরিবর্তন করছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রস্তুতি পর্বের শুরুতে দক্ষিণ গোয়ার ভিলাজিও রিসর্টে ঘাঁটি গেঁড়েছিল লাল-হলুদ শিবির। হোটেলের এক কর্মী কোয়ারেন্টিন নিয়ম ভাঙ্গায় জৈব সুরক্ষা বলয় নষ্ট হয় এসসি ইস্টবেঙ্গলের। তারপর কোয়ারেন্টিনের বাইরে থেকে অনুশীলনের সিদ্ধান্ত নেয় তারা। তিন সপ্তাহ কোয়ারেন্টিনের বাইরে থেকে আইএসএলের নিয়ম অনুযায়ী ৮ দিনের কোয়ারেন্টিনে ঢুকে যাবে। হোটেল খোঁজার কাজ চলছে। অনেকটা ঠিকও হয়ে গেছে। উত্তর গোয়ায় হোটেল জোন কানেক্ট। এই হোটেল ভিলাজিও রিসর্টের থেকে অনেক উন্নতমানের। হোটেলের সঙ্গে অনুশীলনের মাঠও বদল হবে। নতুন হোটেলে থেকেই চলবে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সব ঠিক থাকলে ২৪ অথবা ২৫ অক্টোবর নতুন হোটেলে কোয়ারেন্টিন শুরু হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলের।

অক্টোবর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌C East Bengal : আইএসএলের ডার্বির দিকেই চোখ এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজের

গত মরশুমে আইএসএলে নিজেদের একেবারেই মেলে ধরতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আদৌও সফল হবে কিনা সময়ই বলবে। অনেকেই লালহলুদকে নিয়ে ততটা আশাবাদী নন। কারণ শেষ মুহূর্তে মাঠে নেমে সেভাবে দল গঠন করতে পারেননি এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তা সত্ত্বেও ভাল ফলের ব্যাপারে আশাবাদী লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। এসসি ইস্টবেঙ্গলের এই স্প্যানিশ কোচের চোখ ডার্বির দিকেই।আগের মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গল ব্যর্থ হলেও তাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ মানোলো দিয়াজ। এবছর ফুটবলারদের মানসিকভাবে শক্তিশালী করার ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি ফুটবলারদের আগ্রাসী খেলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। গোয়ায় প্রস্তুতি শিবিরের ফাঁকেই লালহলুদ কোচ বলেন, সাফল্য পেতে গেলে হিসেবে খেলতে হবে। সবাই যেমন আক্রমণে যাবে, তেমনই রক্ষণ সামলানোর দিকেও নজর দিতে হবে। এই কদিনের অনুশীলনে ফুটবলারদের দক্ষতার পরিচয় পেয়েছি। প্রত্যেকেই দারুণ পরিশ্রমী। আশা করছি এই মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সাফল্য এনে দিতে পারব। পাশাপাশি আরও একটা লক্ষ্য রয়েছে, সেটা হল ভারতীয় ফুটবলারদের মানের উন্নতি ঘটানো।ইতিমধ্যেই মানেলো দিয়াজের মাথায় ঢুকে পড়েছে ২৭ নভেম্বরের ডার্বি ম্যাচের কথা। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ম্যাচেই এটিকে মোহনবাগানের মুখোমুখি এসসি ইস্টবেঙ্গল। কলকাতার দুই দলের ডার্বি প্রসঙ্গে লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ বলেন, এই ম্যাচের গুরুত্বের কথা শুনেছি। শুধু ৩ পয়েন্টের লক্ষ্যে মাঠে নামব না, উদ্দেশ্য থাকবে মর্যদার লড়াইয়ে জিতে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানো। আমি ও আমার সহকারী দীর্ঘদিন রিয়েল মাদ্রিদের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমাদের মানসিকতা খুবই কঠিন। যে কোনও পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আছে। সব ম্যাচে জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামি। তবে শুধু ডার্বি জিতলে চলবে না। গোটা প্রতিযোগিতার কথা মাথায় রাখতে হবে। সব ম্যাচই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।আইএসএলে তাঁর যে আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেবে, সেকথাও জানিয়েছেন মানোলো দিয়াজ। দল নিয়ে নানারকম পরীক্ষানিরীক্ষা করছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। ইতিমধ্যেই দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে লালহলুদ। দুটি ম্যাচেই জয় এসেছে। ফুটবলারদের পারফরমেন্সে খুশি দিয়াজ। বুধবার আরও একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে। মানোলো দিয়াজ বলেছেন, গোয়ায় আদ্রতা অনেক বেশি। তা সত্ত্বেও ফুটবলাররা ভাল খেলা উপহার দিয়েছে, নিজেদের মেলে ধরেছে। যে যে জায়গায় ভুলভ্রান্তি রয়েছে, সেগুলো ঠিক করতে হবে। এপ্রথম দিকে ফুটবলারদের যেরকম ফিটনেস ছিল তার থেকে অনেক উন্নতি করেছে। আশা করছি আরও উন্নতি করবে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : বিদেশিদের ভিড়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যানেজারের দায়িত্বে এক বাঙালী

আসন্ন আইএসএলে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যানেজারের ভুমিকায় দেখা যাবে মৃদুল ব্যানার্জিকে। মঙ্গলবারই তাঁর সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। শুধু ম্যানেজারের ভুমিকাই পালন করবেন না মৃদুল ব্যানার্জি। দ্বিতীয় সহকারী কোচ হিসেবে স্পেনের ম্যানুয়েল মানোলো দিয়াজ ও গোলকিপার কোচ লেসলি ক্লিভেলিকেও সাহায্য করবেন। তিনি ছাড়াও ভারতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবলার রেনেডি সিংও সহকারী কোচের ভুমিকা পালন করবেন।এই প্রথম নয়, এর আগেও আইএসএলের দলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে মৃদুল ব্যানার্জির। একসময় দিল্লি ডায়নামোজের সহকারী কোচের ভুমিকা পালন করেছেন। ইস্টবেঙ্গলের কোচের দায়িত্বও সামলেছেন মৃদুল ব্যানার্জি। প্রায় তিন দশক ধরে কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও মোহনবাগান, ইন্ডিয়ান অ্যারোজ, ভারতীয় অনূর্ধ্ব ১৬, অনূর্ধ্ব ১৯ দলের কোচের দায়িত্ব সমলেছেন। এবার আইএসেলে তাঁকে দ্বৈত ভুমিকা পালন করতে হবে। একদিকে যেমন দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলাতে হবে, অন্যদিকে, ম্যানুয়েল মানোলো দিয়াজকে সাহায্য করতে হবে। এসসি ইস্টবেঙ্গলের দ্বৈত দায়িত্ব পেয়ে রোমাঞ্চিত এ লাইসেন্সধারী কোচ মৃদুল ব্যানার্জি। তিনি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়াটা রীতিমতো গর্বের ব্যাপার। আমার কাছে এটা নতুন ভুমিকা। দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি সহকারী কোচের ভুমিকাও পালন করতে হবে। চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য আমি তৈরি। ভারতীয় ফুটবল প্রশাসন সম্পর্কে আমার প্রচুর অভিজ্ঞতা আছে। আগেও ম্যানেজারের ভুমিকা পালন করেছি। মাঠের মধ্যে ও মাঠের বাইরে দলকে পরিচালনা করাই আমার কাছে বেশি গুরুত্ব পাবে। আশা করছি নিজের দায়িত্ব ভালভাবে পালন করতে পারব। এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আস্থার মর্যাদা দেওয়ার ব্যাপারে আমি আশাবাদী। এএফসির এ লাইসেন্স ডিগ্রি করা আছে মৃদুল ব্যানার্জির। ক্লাব কোচিং ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বাংলা সিনিয়র দল, বাংলা বয়সভিত্তিক দলকে কোচিংও করিয়েছেন। অনূর্ধ্ব ২১ জাতীয় ফুটবলে বাংলাকে ২০০১ ও ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। ২০১৬ সালে মহমেডান স্পোর্টিংকে কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে রানার্স করেছিলেন। বাংলা সিনিয়র দলকে সন্তোষ ট্রফিতেও চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। আবার আইএসএলে কাজ করার সুযোগ পেয়ে খুশি মৃদুল ব্যানার্জি। তিনি আরও বলেন, আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিং স্টাফকে সাহায্য করার চেষ্টা করব। আমার লক্ষ্য প্রতিটা দিন দলের উন্নতি করা। লালহলুদ সমর্থকদের আবেগ আমি জানি। আমি এই পরিবেশেই বড় হয়েছি। কাজ শুরু করার জন্য আমার আর তর সইছে না। গত বছর থেকেই লালহলুদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন রেনেডি সিং। রবি ফাউলারের জায়গায় এবছর কর্তারা হেড কোচের দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন স্পেনের ম্যানুয়েল মানোলো দিয়াজকে। গোলকিপার কোচ হিসেবে নিযুক্ত করেছেন চেলসির প্রাক্তন গোলকিপার কোচ লেসলি ক্লিভেজিকে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : চেলসির পিতর চেকদের গোলকিপার কোচ এবার ইস্টবেঙ্গলে অরিন্দমদের দায়িত্বে

দেরিতে দল গঠনে নামলেও চূড়ান্ত পেশাদারিত্ব দেখাচ্ছেন কর্তারা। আইএসএলে লড়াই দেওয়ার মতো দল গঠনের দিকে যেমন নজর দিয়েছেন, তেমন একের পর এক নিয়োগ করছেন কোচিং স্টাফদের। কোচিং স্টাফে নতুন সংযোজন লেসলি ক্লিভেলি। চেলসির এই প্রাক্তন গোলকিপার কোচকে নিযুক্ত করল এসসি ইস্টবেঙ্গল। চেলসির প্রাক্তন গোলকিপিং কোচ বাংলাদেশ জাতীয় দলেও একই ভূমিকা পালন করেছেন। স্পেনের ম্যানুয়েল মানোলো দিয়াজকে এবার লাল হলুদের হেড কোচ হিসেবে দেখা যাবে। সবচেয়ে বড় কথা এই প্রথম ভারতে কোনও স্পেনের কোচকে দেখা যাচ্ছে, যেখানে সেই দলে একজনও স্পেনের ফুটবলার নেই। রিয়াল মাদ্রিদে কোচিং করানো অ্যাঞ্জেল গার্সিয়াকে রাখা হয়েছে সহকারী কোচ হিসেবে।১৯৯৭ সালে মিলওয়াল এফসির হয়ে কোচিং জীবন শুরু করেন লেসলি ক্লিভেলি। ২০ বছর ধরে বিভিন্ন দেশে কোচিং করিয়েছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ফুলহ্যামে এডউইন ভ্যান ডার সার, মাইক টেলরদের সঙ্গে কাজ করেছেন ক্লিভেলি। পরে ক্রিস্টাল প্যালেসের প্রথম দলের গোলকিপার কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ক্রিস্টাল প্যালেসের অ্যাকাডেমিরও দায়িত্বে ছিলেন। পরে টটেনহ্যাম হটস্পারের অ্যাকাডেমির সঙ্গে যুক্ত হন। ২০০৭ সালে চেলসির গোলকিপার কোচের দায়িত্ব নেন ক্লিভেলি। পিতর চেকের অনেক ভুলভ্রান্তি শুধরে এবার তিনি আসছেন অরিন্দম, শঙ্করদের দায়িত্ব নিতে। ইস্টবেঙ্গলের গোলকিপার কোচের দায়িত্ব পেয়ে খুশি ক্লিভেলি। তিনি বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ২০ বছর ধরে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশে কাজ করার সুবাদে জানি বাঙালীদের ফুটবল নিয়ে আবেগ কতটা। এসসি ইস্টবেঙ্গল অনেক বড় ক্লাব। এই ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত।এদিক, জোসেফ রোনাল্ড ডিঅ্যাঞ্জেলাসকে ক্রীড়াবিজ্ঞানের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেছেন কর্তারা। এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগে তিনি ভুটান ফুটবল ফেডারেশনে ক্রীড়াবিজ্ঞানের প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। লাল হলুদে তিনি ফিজিওথেরাপিস্ট ও বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান হিসেবেও কাজ করবেন। ৪৮ বছর বয়সী জোসেফ নিজের দেশ মালয়েশিয়ার পিজে সিটি এফসি, নেগেরি সেমবিলান ছাড়াও মায়ানমারের হানথারওয়াডি ইউনাইটেড এফসির দায়িত্বে ছিলেন। ২০১২ সালে মোহনবাগানের ফিটনেস কোচের দায়িত্বও সামলেছেন। এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর জোসেফ বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতো ঐতিহ্যশালী ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি খুশি। ফুটবলারদের কমফোর্ট জোনের বাইরে নিয়ে গিয়ে চূড়ান্ত ফিটনেসের ওপর জোর দিই। তাছাড়া চোট সারিয়ে ফুটবলারদের দ্রুত ফিট করার বিষয়ে আমার নিজস্ব কিছু পদ্ধতি আছে। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ টালবাহনার পর অবশেষে এবছর আইএসএলে দল নামাতে রাজি হয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। শেষ মুহূর্তে দল গঠনের কাজে নামলেও মোটামুটি গুছিয়েই নিয়েছেন কর্তারা। এবার নজর প্রস্তুতি শিবিরে। ভাল প্রস্তুতির লক্ষ্যে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে গোয়ায় প্রস্তুতি শিবিরের আয়োজন করছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। সেদিন থেকেই স্বদেশী ও বিদেশি ফুটবলাররা গোয়ার প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দেবেন।ফুটবলাররা গোয়ায় প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দেওয়ার আগেই কোচিং স্টাফরা সেখানে পৌঁছে যাবেন প্রস্তুতি শিবিরের ব্যবস্থাপনা দেখে নিতে। গতবছর কলকাতা থেকেই অনুশীলনের সরঞ্জাম গোয়ায় পাঠানো হয়েছিল। এবছরও তেমন উদ্যোগ নিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এবছর ডন বসকো স্কুলের মাঠে আইএসএলের প্রস্তুতি সারবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। অনুশীলনে যাতায়াতে যাতে বেশি সময় নষ্ট না হয়, তাই ডন বসকো স্কুলের মাঠের কাছে রিসর্টে ফুটবলারদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিবিরে যোগ দেওয়ার পর ফুটবলারদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। যদি করোনার দুটি ডোজের টিকা নেওয়া হয়ে থাকে তাহলে তাঁকে ৮ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। আর যদি ১টা ডোজ নেওয়া থাকে তাহলে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। তবে কোয়ারেন্টিনে থাকলেও ফুটবলাররা মাঠে গিয়ে অনুশীলন করতে পারবেন। রিসর্টের মধ্যে অবশ্য ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতে পারবেন না ফুটবলাররা। রিসর্টের বাইরে যাওয়ার ওপরেও নিষেধাজ্ঞা থাকবে। প্রস্তুতি পর্ব চলাকালীন মুম্বই সিটি এফসি, চেন্নাইন এফসি, এফসি গোয়া, হায়দরাবাদ এফসি, জামশেদপুর এফসির সঙ্গে ৬টি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : তালিয়ান লিগে খেলা ডিফেন্ডার এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলে

শেষ মুহূর্তে মাঠে নেমে দল ক্রমশ গুছিয়ে নিচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আগেই স্বদেশি ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি সেরে নিয়েছে। তারপর বিদেশি ফুটবলার বাছাইয়ের দিকে নজর দিয়েছিল। আগেই আমির দারভিসেভিচ, টমিস্লাভ মর্সেলা, ড্যানিয়েল চিমাদের সঙ্গে চুক্তি সেরে নিয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এবার সই করাল ফ্রাঞ্জো প্রেসকে। সিরি এতে লাজিওর হয়ে খেলা এই ফুটবলারকে পেয়ে ডিফেন্স মজবুত করল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২৫ বছর বয়সী এই ক্রোয়েশিয়ান ডিফেন্ডার ওম্লানডিলাক ভ্র্যানজিকের যুব দলের হয়ে ফুটবল জীবন শুরু করেন। দুমরশুম সেখানে কাটিয়ে যোগ দেন হাজডুক স্পিল্টে। ৬ বছর এই দলে কাটিয়ে লাজিওর যুব দলে যোগ দেন। সেখান থেকে ২০১৫ সালে লাজিওর সিনিয়র দলে সুযোগ। যদিও ১টার বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি ফ্রাঞ্জো। পরের মরশুমে লোনে যান সালেরনিটানাতে। গোটা মরশুম রিজার্ভ বেঞ্চে কাটাতে হয়েছিল। খেলার সুযোগ না পেয়ে লোনে চলে যান ব্রেসকিয়াতে। এই ক্লাবের হয়ে অবশ্য ৭ ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন ক্রোয়েশিয়ার ইস্ত্রা ১৯৬১, ওমোনিয়া ও স্লাভেন বেলুপোতে। স্লাভেন বেলুপো থেকেই এসসি ইস্টবেঙ্গলে এলেন ফ্র্যাঞ্জো প্রেস। ইতালিয়ান লিগ ছাড়াও, সাইপ্রাস, ইউক্রেন, ক্রোয়েশিয়ার লিগে খেলেছেন এই ডিফেন্ডার।ক্রোয়েশিয়ার জুনিয়র দলেও খেলেছেন ২৫ বছর বয়সী ফ্র্যাঞ্জো প্রেস। ২০১৩ সালে উয়েফা ইউরোপীয়ান অনূর্ধ্ব ১৭ প্রতিযোগিতায় দেশের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন। ২০১৩তে অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপেও খেলেছিলেন। স্লোভেনিয়ার বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার অনূর্ধ্ব ২১ দলেও ডাক পেয়েছিলেন। তবে সিনিয়র দলে খেলার সুযোগ কখনও পাননি। ফ্র্যাঞ্জো প্রেসের আগে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলে থাকা এবং এ লিগে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ডিফেন্ডার টমিস্লাভ মর্সেলাকে এক বছরের চুক্তিবদ্ধ করেছেন লালহলুদ কর্তারা। দুই বিদেশি আসায় ডিফেন্স অনেক মজবুত হবে বলে মনে করছেন তাঁরা। ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার ডিফেন্ডার টমিস্লাভ ২০১৮ থেকে ২ বছর অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে খেলেছেন পার্থ গ্লোরির হয়ে। এই ক্লাবের এ লিগ প্রিমিয়ারশিপ জেতার পিছনে বড় অবদানও ছিল টমিস্লাভ মর্সেলার, যাঁর অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি ক্রোয়েশিয়ার নাগরিকত্বও রয়েছে। নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার ড্যানিয়েল চিমা চুকউ এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলে খবর। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও হয়নি। ফেসট্যাক স্পোর্টের হয়ে প্রথম খেলতে শুরু করেন। ২০১০ সালে যোগ দেন নরওয়ের প্রথম ডিভিশনের দল লিনে। বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে ২৬৪টি ম্যাচ খেলে ৯৫টি গোল করেছেন। চিনের লিগ ওয়ানের গত দুই বছর খেলেছেন। তাইঝু ইউয়ান্ডার হয়ে খেলার পর এবার তিনি আসছেন লাল হলুদে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : এসসি ইস্টবেঙ্গলের প্রথম বিদেশি স্লোভেনিয়ার আমির দারভগসেভিচ

আদৌও ভাল দল গড়তে পারবে তো এসসি ইস্টবেঙ্গল? একসময় প্রশ্নটা দারুণভাবেই দেখা দিয়েছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে দল গুছিয়ে নিচ্ছে লালহলুদ। একঝাঁক দেশীয় ফুটবলারকে সই করানোর পর এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা নজর দিয়েছেন বিদেশি ফুটবলার বাছাইয়ের দিকে। শনিবারই প্রথম বিদেশি চূড়ান্ত করে ফেলল এসসি ইস্টবেঙ্গল। স্লোভেনিয়ার মিডফিল্ডার আমির দারভিসেভিচকে দেখা যাবে লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলতে। ৬ ফুট ৫ ইঞ্চির আমির দারভিসেভিচ স্লোভেনিয়ার অনূর্ধ্ব ১৯, অনূর্ধ্ব ২১ এবং সিনিয়র দলের হয়ে খেলেছেন। ২৯ বছরের এই মিডফিল্ডার এসসি ইস্টবেঙ্গলে আসছেন এফসি মারিবর ক্লাব থেকে। এই ক্লাবের হয়ে ঘরোয়া লিগে ১২৩টি ম্যাচে তাঁর ৬৬টি গোল রয়েছে। ইন্টারব্লকের হয়ে ফুটবলজীবন শুরু করেছিলেন আমির দারভসেভিচ। তারপর ২০১১ সালে এই ক্লাবেই সিনিয়র দলে সুযোগ পান আমির। এক মরশুম ইন্টারব্লকে কাটিয়ে পরের মরশুমে যোগ দেন ক্রকায়। ২০১৩তে আবার ফিরে আসেন মারিবরে। এসসি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেওয়ার আগে পর্যন্ত এই ক্লাবেই ছিল আমির দারভিসেভিচ। লালহলুদ শিবিরে যোগ দেওয়ার পর রীতিমতো উচ্ছ্বসিত স্লোভেনিয়ার এই ফুটবলার। ভারতীয় ফুটবল সম্পর্কে খুব বেশি ধারণা নেই। তবে কলকাতা ডার্বি সম্পর্কে তিনি শুনেছেন। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ তাঁর সামনে এসে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিজের উত্তেজনা আর ধরে রাখতে পারছেন না আসন্ন মরশুমে লালহলুদ পরিবারের প্রথম বিদেশি ফুটবলার।এসসি ইস্টবেঙ্গলে সই করার পর দারভিসেভিচ জানিয়েছেন, বিশ্বের এই প্রান্তে বসেও আমি কলকাতা ডার্বির কথা অনেক শুনেছি। এই ম্যাচে খেলার জন্য আমি মুখিয়ে রয়েছি। ইতিপূর্বে স্লোভানিয়ার সবথেকে বড় ফুটবল ডার্বি ম্যাচে আমি অংশগ্রহণ করেছিলাম। ফলে একটা ডার্বি ম্যাচের সঙ্গে ঠিক কতটা আবেগ জড়িয়ে থাকে, সেটা আমি খুব ভালো করেই জানি। সমর্থকদের কাছে এই আবেগের গুরুত্ব ঠিক কতখানি সেটার ব্যাপারে আমি যথেষ্ট অবগত। এখন দেখার লালহলুদের মাঝমাঝকে কতটা নির্ভরতা দিতে পারেন এই স্লোভেনিয়ার ফুটবলার।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌SC East Bengal : রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বে

রবি ফাউলারের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কয়েকদিন আগেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছিল, চলতি মাসের শেষেই গোয়াতে দলের সঙ্গে সরাসরি যোগ দেবেন রবি ফাউলার। কিন্তু রবি ফাউলার আসছেন না। এই মরশুমে তিনি লালহলুদকে কোচিং করাবেন না। তাঁর পরিবর্তে স্পেনের ম্যানুয়েল দিয়াজ বা মানোলো দিয়াজ এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিংয়ের দায়িত্বে। এই স্প্যানিশ কোচের সঙ্গে বুধবার চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। আইএসএলের গত মরসুমে এসসি ইস্টবেঙ্গকে কোচিং করিয়েছিলেন লিভারপুল কিংবদন্তী রবি ফাউলার। লালহলুদে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন। গত মরসুমে আইএসএলে অষ্টম স্থান দখল করতে সক্ষম হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। রবিই ফাউলারের দল জিতেছিল মাত্র তিনটি ম্যাচে। ৮টি ম্যাচ হেরেছিল। ৯টি ম্যাচ ড্র করে মোট ১৭ পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল রবি ফাউলারের দল। তাঁর পরফরমেন্সে সন্তুষ্ট ছিলেন না এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। যেহেতু রবি ফাউলারের সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি ছিল, তাই তাঁকে ছেঁটে ফেলতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষের সম্মতিতে বিচ্ছেদ হল। ফাউলারের জায়গায় ২০২১-২০২২ মরসুমের জন্য এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন হেড কোচ হলেন ম্যানুয়েল দিয়াজ বা মানোলো দিয়াজ। বুধবার ক্লাবের তরফে এক বিবৃতি জারি করে এ খবর জানানো হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদের যুব, বি ও সি দলকে কোচিং করানো এই স্প্যানিশ কোচ ২০ বছর ধরে কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ফুটবলার হিসেবে মানোলো কেরিয়ার গ্রাফ খুব একটা উর্ধ্বমুখী না হলেও কোচ হিসেবে তাঁর সফলতা এবং অভিজ্ঞতা বেশ উল্লেখযোগ্য। কোচ হিসেবে ৩২৮টি ম্যাচ খেলানো মানোলোর জয়ের হার ৪১.৭৭ শতাংশ। ২০১৮-২০১৯ মরসুমে রিয়াল মাদ্রিদ কাস্তিলার কোচ হিসেবে জয়ের হার ৪৬.৬৬ শতাংশ।এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার পর দলকে সাফল্য এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ম্যানুয়েল দিয়াজ। তিনি বলেছেন, বড় ক্লাবে কোচিং করানোর ক্ষেত্রে চাপ ও প্রত্যাশা সামলানোর অভিজ্ঞতা আমার আছে। এই রকম চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। কম সময়ের মধ্যে ঘর গুছিয়ে অনেকটা রাস্তা পেরোতে হবে। এসসি ইস্টবেঙ্গল ফ্যানদের স্বার্থে ফুটবলারদের থেকে সেরাটা বের করে আনা আমার প্রধান কাজ।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন জার্সিতে কীসের প্রতীক?‌ 

সরকারিভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হল এসসি ইস্টবেঙ্গলের জার্সি। সোমবার গোয়ার পানাজিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জার্সি প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। এবার আইএসএলের জন্য তিন ধরনের জার্সি তৈরি করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তিন জার্সিতে রাখা হয়েছে যথাক্রমে মশাল, ইলিশ ও রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রতীক। জার্সির ডিজাইন তৈরি করেছেন কলকাতার পরিবেশ সচেতন ডিজাইনার মেঘনা নায়েক। একটা জার্সি হোম ম্যাচের জন্য, একটা অ্যাওয়ে ম্যাচের জন্য। আর একটা বাড়তি জার্সি তৈরি করে রাখা হয়েছে। হোম ম্যাচের জার্সি লালহলুদ। সঙ্গে থাকছে মশাল দেওয়া ক্লাবের লোগো। অ্যাওয়ে জার্সির রং নীল ও সাদা। এই জার্সিতে থাকছে ইলিশ মাছ। আর তিন নম্বর জার্সিতে থাকছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রতীক। ক্লাবের নতুন জার্সি ভাল লেগেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রবি ফাউলারের। তিনি বলেন, জার্সিগুলো দেখতে খুব ভাল হয়েছে। হোম জার্সি ক্লাবের ঐতিহ্যবজায় রেখেছে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal