• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SA

রাজ্য

অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার

রাজ্য সফরে এসে পূর্বসূচি অনুযায়ী চতুরদিহি গ্রামে গিয়ে বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুপুর তিনটে নাগাদ তিনি বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে আসেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্বাগত জানান। তিনি প্রথমে উঠোনে থাকা খাটিয়াতে বসেন। তারপর তাকে যখন খেতে দেওয়া হয় , তখন তিনি খেঁজুর পাতার চাটাইয়ের উপর বসেন। কাঁসার থালার উপর কলাপাতায় মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। মেনুতে ছিল, ভাত, শাক, পটল বেগুন ভাজা, বিউলির ডাল, কুমড়োর ডালনা, আলু পোস্ত ও পোস্তর বড়া। আর শেষ পাতে ছিল চাটনি ও বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ। তিনি অবশ্য মিষ্টি খাননি। তাঁর সঙ্গে খেতে বসেছিলেন বিভীষণ হাঁসদা , দিলীপ ঘোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা-সহ অন্য নেতারাও। খাওয়ার পর রান্নার প্রশংসা করতে ভোলেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি টুইটে লেখেন, চতুরডিহি গ্রামে শ্রী বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে চমৎকার বাঙালি খাবার খাওয়ার সুযোগ পেলাম। কোনো শব্দই তাদের আতিথেয়তা বর্ণনা করতে পারবে না। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে রেঁধে খাওয়ানো গীতা মাহালিকে হোমগার্ডের চাকরি দিল রাজ্য অবশ্য বিজেপি কর্মী বিভীষণ হাঁসদা বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী মণিকাকে নিয়ে আমাদের পরিবারে মোট ৬ জন সদস্য। দিনমজুরির কাজ করেই সংসার চলে। আমার একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। মেয়ে রচনা হাঁসদা বর্তমানে ক্লাস টুয়েলভ পড়ে। এমনিত পড়াশোনায় ভাল তবে মধুমেহ রোগের জন্য তাকে মাসে তিন বার ইনসুলিন নিতে হয়। এর জন্য প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা খরচ হয়। আমি ভেবেছিলাম আজ এই বিষয়ে সাহায্য করার জন্য আবেদন জানাব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। কিন্তু, প্রচুর মানুষের ভিড় তাঁকে আর সেই কথা বলে উঠতে পারলাম না। তাই ভাবছি চিঠি লিখে মেয়ের চিকিৎসায় সাহায্য করার জন্য ওনার কাছে আবেদন জানাব।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছে। দুই তৃতীয়াংশ আসনে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এভাবেই বৃহস্পতিবার তৃণমূ্লের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । এদিন তিনি সাড়ে এগারোটা নাগাদ আকাশপথে বাঁকুড়ায় পৌঁছন । সেখানে তিনি মালদ্যান করেন বিরসা মুণ্ডার মূর্তিতে। এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন , বিরসা মুণ্ডাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা সফর শুরু করলাম। গতকাল রাত থেকে বাংলার যে প্রান্তেই ছিলাম সব জায়গায় মানুষের উৎসাহ দেখেছি। বিপুল অভ্যর্থনা পেয়েছি। এটা থেকেই স্পষ্ট, মমতা সরকারের প্রতি ভয়ংকর জন আক্রোশ তৈরি হয়েছে। আর মোদির প্রতি তৈরি হয়েছে আশা আর শ্রদ্ধা। আরও পড়ুন ঃ বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার এরপর পুয়াবাগান এলাকা থেকেও রাজ্যের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দেন শাহ। বলেন, মমতা সরকারের মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। এদিন রাজ্যবাসীকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে কর্মসংস্থান হবে। বেকার যুবক-যুবতীরা চাকরি পাবে। তাই কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারকে ছুঁড়ে ফেলুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সোনার বাংলা তৈরি হবে। বাংলায় পরিবর্তন আসন্ন। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন , মমতা সরকারের কারণেই কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না প্রান্তিক মানুষেরা। এছাড়াও তিনি বলেন , বাংলার সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িয়ে রয়েছে। আপনাদের সকলের কাছে আর্জি, বিজেপিকে একটা সুযোগ দিন। আগামী দিনে সোনার বাংলা গড়ব আমরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
বিবিধ

তারকেশ্বরে বিজয়া সম্মিলনীতে শান্তনু

হুগলি জেলায় তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের নিয়ে গড়া কোর কমিটির বিধানসভাভিত্তিক তিনটি জনসভা যেখানে কার্যত ফাঁকা মাঠে পথসভায় পরিণত হয়ে ডাহা ফ্লপ, সেখানে তারকেশ্বরে একটি বিজয়া সম্মিলনীতে দেখা গেল উপচে পড়া ভিড়। বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২০ তারকেশ্বরের উপ পৌরপিতা উত্তম কুণ্ডুর নেতৃত্বে তারকেশ্বর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছিল। তারকেশ্বর বিধানসভার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক ও এলাকার প্রবীণ নাগরিকদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিশেষভাবে সক্ষম ভাইদের ট্রাইসাইকেল প্রদান-সহ নানা মানবিক কর্মসূচি নেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের উপস্থিতি ছাড়াই অনুষ্ঠানে এতো জনসমাগম নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
ভ্রমণ

দেবতার হ্রদে একদিন

দেওরিয়া তাল নাকি দেবতাদের হ্রদ... শোনা যায় পূর্ণিমার রাতে দেবতারা নাকি নেমে আসেন এই হ্রদের জলে স্নান করতে... তাঁরা আসেন কিনা জানা নেই, তবে স্থানীয় ফরেস্ট গার্ডের সাথে কথা বলে জানা যায় অনেক বন্য প্রাণীরা আসে এই তালে জল খেতে। সেই কারনেই হয়তো রাতে এই তালের ধারে টেন্ট খাটিয়ে আর কাউকে থাকতে দেওয়া হয় না। কথিত আছে এই হ্রদের তীরে যুধিষ্ঠির বকবেশী ধর্মরাজের প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলেন। স্থানীয় দের বিশ্বাস এই হ্রদের তলাতেই নাগ দেবতার বাস তাই প্রতি জন্মাষ্টমীতে পুজো হয় নাগ দেবতার। মেলা ও বসে।অক্টোবর মাস। নীল আকাশ, ঝকঝকে রোদ নিয়ে কেদার থেকে নেমে আমরা চলেছিলাম সারি গ্রামের উদ্দেশ্যে। গন্তব্য দেওরিয়া তাল। কুন্ড থেকে রুদ্রপ্রয়াগের রাস্তা ছেড়ে বাঁক নিলাম বাম দিকে উখিমঠের দিকে। মহকুমা সদর উখিমঠ থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে সারি গ্রাম।সারি গ্রাম... দেওরিয়া তাল যাওয়ার জন্য এখান থেকেই শুরু হয় আনুমানিক ৩ কিমি-র ছোট্ট ট্রেক। সারি পৌঁছতে পৌঁছতে বেলা প্রায় বিকেল। আমাদের বুকিং ছিল উমেধজির হোম স্টে তে। কিন্তু উনি ছিলেন না বলে ব্যবস্থা করে দেন ওনারই ভাই রাকেশজির কাছে। খুব সুন্দর ছবির মত ছোট্ট একটা গ্রাম, পাহাড়ের ঢালে যেন অপেক্ষা করে আছে আমাদেরই জন্য। সামনেই ধাপে ধাপে নেমে গেছে বাড়ি, তারপর রামদানার ক্ষেত। পথের ধারে অযত্নেই ফুটে আছে ডালিয়া, গাঁদা ও আরো মরসুমী ফুল।গাছে ঝুলছে একধরনের লেবু মাল্টা। ক্ষণে ক্ষণে আকাশ চিরে উড়ে যাচ্ছে পাখি। পুব আকাশে তখন উঠছে ত্রয়োদশীর চাঁদ।দেওরিয়াতালের পথেপরদিন সকাল ৯:৩০ নাগাদ চলতে শুরু করলাম চড়াই ভেঙে। পথের অপরূপ দৃশ্যে মুগ্ধ হয়ে মাঝে মাঝেই থেমে যাচ্ছিলাম আর খচা-খচ শব্দে ক্লিক হচ্ছিল ক্যামেরার শাটার। এবড়ো খেবড়ো পাথর দিয়ে সাজানো চড়াই রাস্তা। পথের দুধারে ফুটে আছে অজস্র নাম না জানা অপরূপ সুন্দর বুনো ফুল। রোদের আলপনা, হাওয়ার দোলায় তৈরি করছে মনোরম পরিবেশ। দুপাশে ওক, পাইন, রডোডেনড্রন এর ঘন জঙ্গল। পথে পড়বে শিব মন্দিরএপ্রিলে রাস্তা রডোডেনড্রন এর রঙে রঙিন হয়ে থাকে। কিন্তু এখন অক্টোবর, শুধু গাছ দেখেই তাই সন্তুষ্ট থাকতে হল। অক্টোবর মাস হলে কি হবে? রোদের তেজ বেশ বেশি। উঠতে উঠতে ঘেমে-নেয়ে হাঁপিয়ে উঠছি। কোথাও বা বসে পড়ছি রাস্তার পার্শ্ববর্তী কোন পাথরে। কিলোমিটার খানেক উঠে পৌঁছলাম শিবের মন্দিরে। আরো বেশকিছুটা উঠে ছোট্ট এক দোকানে গলা ভেজালাম রডোডেনড্রন জুসের শরবতে। আরো প্রায় দু কিমি চড়াই ভেঙে আমরা পৌঁছলাম লেকের প্রবেশপথে। লেকের প্রবেশ পথে ফরেস্ট গার্ডের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করে নিতে হবে জনপ্রতি ১৫০ টাকার বিনিময়ে। এই অনুমতিপত্র তিনদিন পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য এবং এই একই প্রবেশপত্রে তুঙ্গনাথ ও চন্দ্রশিলাও ঘুরে আসা যাবে। এতসব কান্ড করে যখন লেকের ধরে পৌঁছলাম জাস্ট মন্ত্রমুগ্ধ। মখমলের মত ঘাস, সবুজ বনানী আর তার মাঝে টলটলে পান্না সবুজ জলের মাঝারি মাপের একটা হ্রদ। এত সুন্দর জায়গায় থাকতে পারে!!! তখন আকাশ মেঘে ঢাকা... ফলে কোন শৃঙ্গ ই দেখা যাচ্ছে না... তাতে কি, যা দেখছি তার কোন তুলনা হয় না। লেকের চারপাশে ঘুরতে মন্দ লাগল না। তারপর নরম সবুজ গালিচার মত ঘাসে পা ডুবিয়ে বসে রইলাম অনেকক্ষণ। চারিদিকে ছেয়ে থাকা নির্জনতা ভেঙে যাচ্ছিল হরেক নাম না জানা পাখির কলকাকলিতে। দেখি এক লম্বা লেজের ব্লু ম্যাগপাই ঘুরে ঘুরে ফল খেতে ব্যস্ত। মুগ্ধতার তখনও কিছু বাকি ছিল। আসলে পাহাড়ের সৌন্দর্য ই এমন। পেঁয়াজের খোসা ছাড়ানোর মত পরতে পরতে খুলতে থাকে আলাদা আলাদা রূপ। বিকেলে আস্তে আস্তে মেঘ কাটতে থাকল। সূর্যাস্তের শেষ আলো মেখে আবির রাঙা হয়ে উঠলো চৌখাম্বা, মন্দানি, কেদারনাথ পাহাড়ের শৃঙ্গ। চৌখাম্বা এখানে স্বমহিমায় উজ্জ্বল। মুগ্ধ চোখে শুধু তাকিয়ে আছি ওইদিকে... এর টানেই তো ছুটে আসি বারবার... যতক্ষণ আলো ছিল কাটালাম তালের ধারে। সন্ধ্যায় ফিরে গেলাম টেন্টে, নামল ঝিরঝিরে বৃষ্টি। সূর্যাস্তের আলোয় চৌখাম্বাতার মাঝেই আমরা ক্যালকুলেশন করতে শুরু করলাম বৃষ্টি হয়ে গেলে সকালে ঝকঝকে হয়ে উঠবে সব পাহাড়গুলো। রাতে টেন্টে স্লীপিং ব্যাগে শুয়ে পড়লাম। বাপরে বাপ কি ঠান্ডা। নাক যেন ঠাণ্ডায় জমে যাচ্ছে। পরদিন ভোর পৌনে ছটায় রওনা দিলাম ২০০মিটার দূরের তালের দিকে। চারিদিকে তখন ঘুটঘুটে অন্ধকার। প্রাক শীতের হাওয়া শরীরে কাঁপন ধরাচ্ছে। হাতে মোবাইলের টর্চ। জঙ্গলের মধ্য দিয়ে পৌঁছলাম তালের পাড়ে। আগের দিন ভালো করে দেখে নিয়েছিলাম কোথায় দাঁড়ালে পুরো বরফঢাকা পাহাড়গুলোর প্রতিবিম্ব পড়বে ওই তালের জলে। আর কি... সাক্ষী হলাম সেই বহু প্রতীক্ষিত মুহূর্তের। সূর্যের প্রথম আলোয় ধীরে ধীরে আগুন লাগতে থাকল চৌখাম্বা, মন্দানি, ভাতৃকুণ্ঠ, কেদারনাথ, কেদারডোম, জনূকুট, থলয়সাগর, গঙ্গোত্রী, মেরু সুমেরু, খর্চাকুন্ড, বন্দরপুন্ছ শৃঙ্গগুলিতে। ছবি তুলে তুলে যেন আর আশ মেটে না। তালের ওপাড়েই আছে একটা ওয়াচ টাওয়ার। ঘুরে এলাম সেখানেও। এই পথ ধরেই রোহিনী বুগিয়াল হয়ে চলে যাওয়া যায় চোপতা আর সেখান থেকে তুঙ্গনাথ ও চন্দ্রশিলা। বেলা আটটা নাগাদ আবার একপ্রস্থ ছবি তুলে পিছনে তাকাতে তাকাতে চললাম তৈরি হতে। তখন আস্তে আস্তে মেঘ এসে ঢাকতে শুরু করেছে বরফ মুকুট শৃঙ্গ গুলিকে। এবার তো নামতে হবে... যদিও মন একটুকুও চাইছিল না। ফিরে চললাম সারি গ্রামে। মনে মনে বললাম এবারের মত চললাম হিমালয়, আবার আসব তোমায় চোখ দিয়ে ছুঁয়ে দেখতে।মৌসুমী দেসহকারী শিক্ষকবর্ধমান দুবরাজদীঘি উচ্চ-বিদ্যালয়, বর্ধমান কিভাবে যাবেনদুন এক্সপ্রেস, কুম্ভ বা উপাসনা এক্সপ্রেসে হরিদ্বার। সেখান থেকে প্রাইভেট গাড়িতে উখিমঠ হয়ে সারি গ্রাম। বাসে গেলে উখিমঠের পর গাড়িতে যেতে হবে। সারিগ্রাম থেকে তিন কিমি হাঁটাপথে দেওরিয়া তাল। দিনের দিন ফিরেও আসতে পারেন। ভালো হয় এক রাত দেওরিয়া তালে থেকে গেলে। তালের ধারে এখন আর থাকতে দেওয়া হয় না। থাকতে হবে 200 মিটার দূরের টেন্ট এ। কোথায় থাকবেনসারিগ্রামে রাকেশ সিং নেগী 09411534715

নভেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

দশ বছর ধরে ঘরছাড়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বাড়ি ফেরাল জোড়াসাঁকো থানার এসআই

দশ বছর ধরে ঘরছাড়া এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বাড়ি ফিরিয়ে দিল কলকাতা পুলিশের এক এসআই। সাব ইন্সপেক্টরের নাম তপন কুমার দাস।তিনি জোড়াসাঁকো থানায় কর্মরত। জানা গিয়েছে , গত ২৯ অক্টোবর কলেজ স্ট্রিটে বর্ণপরিচয় মার্কেটের এক নম্বর গেটের সামনে অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন ওই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। পোশাক ছিল অবিন্যস্ত। ব্যক্তিটিকে এক ঝলক দেখেই তিনি বুঝতে পারেন, আগে মানুষটিকে সুস্থ করে তোলা প্রয়োজন। সেইমতো জল এবং খাবারের ব্যবস্থা করা হয়, ছেঁড়া পোশাক পাল্টে দেওয়া হয় এবং ব্যবস্থা করা হয় প্রয়োজনীয় মানসিক চিকিৎসারও। জানা যায়, যুবকের নাম অজিত সর্দার, বয়স ৩২ বছর, বাড়ি উত্তর ২৪ পরগণার সন্দেশখালি থানার অন্তর্গত একটি গ্রামে। অজিতবাবুর ভাইয়ের সঙ্গে সন্দেশখালি থানার ওসির মাধ্যমে যোগাযোগ করে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। সেদিনই সন্ধ্যাবেলা জোড়াসাঁকো থানায় উপস্থিত হন অজিতবাবুর ভাই দিলীপ সর্দার, এবং ভাইকে শনাক্ত করে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল থেকেই কলকাতা সহ রাজ্যে অনুভূত হবে শীত জানা গিয়েছে , অজিত ঘরছাড়া হন দশ বছর আগে। পারিবারিক বিবাদই ছিল তার ঘরছাড়ার পিছনে মূল কারণ। তখন থেকে নিখোঁজ ছিলেন অজিত। মানসিক অবসাদগ্রস্তও হয়ে পড়েন তিনি। উদভ্রান্তের মতো রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন অজিত । ঠিকানা বলতে তার ছিল রাস্তা অথবা ফুটপাথ। এক দশকের সেই ভবঘুরে জীবনের অবসান ঘটালেন জোড়াসাঁকো থানার এসআই।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

এখনও শুরু হয়নি দুর্গাপুর ব্যারাজের ৩১ নং লকগেটের মেরামতির কাজ

এখনও শুরু হয়নি দুর্গাপুর ব্যারাজের ৩১ নং লকগেটের মেরামতির কাজ। ব্যারেজ পুরোপুরি জলশূন্য না হলে মেরামতির কাজ শুরু করা যাবে না বলে জানাচ্ছেন সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা। তাঁদের আশা, সোমবার গোটা দিনের মধ্যে সমস্ত জল বের করে দেওয়া সম্ভব হবে। তারপরেই শুরু হতে পারে মেরামতির কাজ। কাজে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় , সেই জন্য সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত ব্যারেজের উপর সমস্ত যানচলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এদিকে , ৩১ নং লকগেটের মেরামতি না হওয়ায় সোমবার দুর্গাপুর ও বাঁকুড়ার বিভিন্ন এলাকায় জলসঙ্কটের সৃষ্টি হয়। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যজুড়ে পালিত বিজেপির থানা ঘেরাও কর্মসূচি পরিস্থিতি সামাল দিতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার ও জেলা প্রশাসন। এদিন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা জানিয়েছেন, প্রচুর পরিমাণে জলের পাউচ সরবরাহ করা হবে। এছাড়াও জলের ট্যাঙ্কারেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনও সমস্যা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত , শনিবার ভোরে দামোদরের জলের তোড়ে দুর্গাপুর ব্যারেজের ৩১ নম্বর লকগেট ভেঙে যায়। বালির বস্তা ফেলে জলের স্রোত আটকানোর চেষ্টা হলেও কোনও লাভ হয়নি।

নভেম্বর ০২, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশঙ্কা বাড়িয়ে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যু দিন কয়েকের জন্য ক্ষণিক স্বস্তি দিয়েছিল বঙ্গবাসীকে। কিন্তু লক্ষ্মীপুজো কাটতে না কাটতেই ফের করোনা সংক্রমণের উচ্চ হারে চিন্তা বাড়ল। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৯৩ জন। এ নিয়ে শনিবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৭৩ হাজার ৬৬৪। এখন রাজ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৮৮৬ জন। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৮৪১ জন। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে ফের রাজ্যে কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৪৯ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৯৩৭ জন। রাজ্য়ে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৮৮.৩০ শতাংশ। শনিবার ৪৪ হাজার ১৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ৪২৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২২০৬ জন কলকাতায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে ১৫৭৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি-ভাইরাসের ভ্যাকসিন কী? আরামবাগে জানালেন শান্তনু

ভ্যাকসিন না বের হওয়া অবধি করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সাবধানে থাকতে হবে। একইভাবে রাজ্য তথা দেশকে রক্ষায় বিজেপি-ভাইরাসকে উৎখাত করতে হবে, ২০২১-এ ইভিএমে প্রয়োগ করুন সেই ভ্যাকসিন। শনিবার ৩১ অক্টোবর আরামবাগে বিজেপি হঠানোর এমন দাওয়াই দিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। আরামবাগ তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে শহরের বাসস্ট্যান্ডের কাছে ইন্দিরা গান্ধীর প্রয়াণ দিবসে এদিন ৩৬তম রক্তদান শিবির ও প্রবীণ নাগরিকদের সংবর্ধিত করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রক্তদাতাদের উৎসাহ দিয়ে শান্তনু বলেন, বিজেপি মানুষে মানুষে বিভেদ লাগিয়ে দ্বন্দ্ব, হানাহানির রাজনীতি করে। তাদের হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আশীর্বাদ করুন। মনে রাখবেন, আপনারা ইভিএমে বিজেপির অ্যান্টি ভাইরাস প্রয়োগ করলে নারীরা সুরক্ষিত থাকবেন, কাউকে ধর্ষিতা হতে হবে না, বাবা-মায়ের সামনে কোনও কন্যাসন্তানকে হত্যা বা পোড়ানো হবে না। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, যুবশ্রীর মতো নানা সামাজিক প্রকল্প তো চলবেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অনেক মানবিক প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার মানুষের সুখে, শান্তিতে থাকার পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখবেন। তাই আগামী বিধানসভা ভোট বাংলার শান্তির পক্ষে ভোট। আপনাদের আশীর্বাদ নিয়ে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের নেতৃত্বে বাংলা তো বটেই, দেশ থেকে বিজেপিকে উৎখাত করা সম্ভব। আমাদের মা-বোনেরা যেমন সন্তান, পরিবারের মঙ্গল চেয়ে বছরের নানা সময় উপোস করেন, রোজা পালন করেন তাই সকলে ঠিক করুন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঙ্গলকামনায়, বাংলার মঙ্গলকামনায় ইভিএমে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে তবেই সেদিন জল পান করে উপবাস ভঙ্গ করবেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
দেশ

পুলওয়ামা হামলা নিয়ে রাজনীতি করেছিল বিরোধীরা , তোপ প্রধানমন্ত্রীর

সদ্য পুলওয়ামা হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তান। এবার পাকিস্তানের সেই স্বীকারোক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিরোধীদের বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার রাষ্ট্রীয় একতা দিবসে স্ট্যাচু অফ ইউনিটিতে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে শ্রদ্ধা জানান তিনি । এরপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন , আজ পড়শি দেশ থেকে যে খবর পাওয়া গেছে, যেভাবে সেখানকার সংসদে সত্যিটা স্বীকার করা হয়েছে, তা এই লোকগুলির আসল চেহারা দেশের সামনে ফুটিয়ে তুলেছে। দয়া করে এমন রাজনীতি করবেন না। এই ধরনের কাজ থেকে দূরে থাকুন। এতে জেনে বা না জেনে আপনারা দেশবিরোধী শক্তির বোড়ে হয়ে উঠছেন। এভাবে আপনারা দেশের উপকার করতে পারবেন না। নিজেদের দলেরও ভালো করতে পারবেন না। আরও পড়ুন ঃ কাশ্মীরে খুন তিন বিজেপি কর্মী , নিন্দা মোদির বিরোধীদের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন , একটু আগে আধা সেনার প্যারেড দেখতে দেখতে মনে পড়ছিল পুলওয়ামা হামলার কথা। সেই হামলায় আমাদের যে বীর সঙ্গীরা শহিদ হয়েছিলেন, তাঁরা আধা সেনারই অংশ ছিলেন। সেই সময় গোটা দেশ শোকার্ত ছিল। কিন্তু তখনও কিছু লোক নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ দেখছিল। সেই সময় আমার হৃদয়ে বীর শহিদদের গভীর ক্ষত ছিল। তাই বিরোধীদের সমস্ত অশ্লীল অভিযোগ আমি চুপচাপ সহ্য করে গেছি। উল্লেখ্য , চলতি সপ্তাহেই ইমরান খানের মন্ত্রিসভার সদস্য পাকিস্তানের যুক্তরাষ্ট্রীয় মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী ঘোষণা করেন, পুলওয়ামা আমাদের সাফল্য। ঘরে ঢুকে ভারতকে মেরেছি।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
দেশ

সমাজবাদী পার্টিকে হারাতে প্রয়োজনে বিজেপিকে ভোটঃ মায়াবতী

আসন্ন বিধান পরিষদের নির্বাচনে আমরা সমাজবাদী পার্টির বিরোধিতা করব। যে কোনও মূল্যে ওদের দ্বিতীয় প্রার্থীকে হারাব। আর সেজন্য যদি আমাদের বিজেপিকে ভোট দিতে হয়, সেটাই দেব। বৃহস্পতিবার সরাসরি বিজেপিকে সমর্থন করে নিজের অবস্থান পরিস্কার করলেন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতী। আরও পড়ুন ঃ বিহারে প্রথম দফার বিধানসভা ভোট শান্তিপূর্ণ তিনি আরও বলেন , যখন আমরা উত্তরপ্রদেশের লোকসভা নির্বাচনের জন্য সমাজবাদী পার্টির সাথে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তখন আমরা এর জন্য খুব কঠোর পরিশ্রম করেছি। কিন্তু আমাদের জোটের প্রথম দিন থেকে সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব এসসি মিশ্রকে বলে চলেছেন যেহেতু বিএসপি-সপা হাত মিলিয়েছিল, তাই আমার উচিত ১৯৯৫ সালের জুন মাসে দায়ের করা মামলাটি তুলে নেওয়া। বন্ধুত্ব রাখতে সেটাই করেছি। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের পরে যখন আমরা সমাজবাদী পার্টির আচরণ দেখেছি তখন আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে আমরা তাঁদের বিরুদ্ধে ১৯৯৫ সালের ২ জুনের মামলাটি ফিরিয়ে নিয়ে বড় ভুল করেছি এবং তাঁদের সঙ্গে আমাদের যোগ দেওয়া উচিত হয়নি। প্রসঙ্গত , এর আগে বিভিন্ন ইস্যু্তে তিনি পরোক্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এবার তিনি তার সমর্থনের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করলেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে অমিতাভ চক্রবর্তীকে সাংগঠনিক পদে নিয়ে এল রাজ্য বিজেপি

রাজ্য বিজেপিতে বুধবার বড়সড় রদবদল ঘটানো হল। সরিয়ে দেওয়া হল দীর্ঘদিনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁর জায়গায় রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে নিয়ে আসা হল অমিতাভ চক্রবর্তীকে। এদিন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা অমিতাভ চক্রবর্তীর নাম ঘোষণা করেন। আরও পড়ুন ঃ কাউগাছিতে খুন বিজেপি কর্মী এর আগে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পূর্ব ক্ষেত্রের সংগঠন সম্পাদক ছিলেন অমিতাভ চক্রবর্তী। তারপর দলের সহকারি সংগঠন সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছেন ওড়িশাতে। ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারিতে এরাজ্যে দলের সহকারি সংগঠন সম্পাদকের দায়িত্বে আসেন অমিতাভ চক্রবর্তী। এবার সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের স্থলাভিষিক্ত হলেন। রাজ্য বিজেপিতে দীর্ঘ প্রায় সাত বছর ধরে সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে রয়েছেন সুব্রত চট্টোপাধ্যায়। রাজ্য বিজেপিতে দীর্ঘ প্রায় সাত বছর ধরে সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে ছিলেন সুব্রত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বর্তমান রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে দলের অন্দরে পরিচিত।সুব্রত চট্টোপাধ্যায় সংগঠনের দায়িত্বে থাকাকালীন লোকসভা নির্বাচনে বিপুল সাফল্য পেয়েছিল দল।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাজ্য

 নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ রাজ্য সরকারের

নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানাল রাজ্য সরকার । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমতিক্রমে বুধবার রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত , দশমীর বিকেলে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার হাজরা বাড়ির দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ডুমনি নদীতে। এলাকার আরো কয়েকটি দুর্গা প্রতিমাও সেইসময় ছিল নদীতে। আরও পড়ুন ঃ পথ দুর্ঘটনা কমাতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন নদীতে চলছিল শোভাযাত্রা। সেই সময় হঠাৎ করে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে উলটে যায় প্রতিমা ও যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা। একই সঙ্গে পাশের নৌকাটিও উলটে যায়। তাতে থাকা যাত্রীরা সাঁতরে পাড়ে ওঠার চেষ্টা করেন। বেশ কয়েকজন উঠেও পড়েন। সন্ধের পর বোঝা যায় যে ওই নৌকায় থাকা বেশ কয়েকজন নিখোঁজ। এরপরই খোঁজাখুঁজি শুরু হয় নদীতে। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। রাতে উদ্ধার হয় হাজরা পরিবারের ২ সদস্য-সহ ৫ জনের দেহ।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
রাজ্য

পথ দুর্ঘটনা কমাতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন

পথ দুর্ঘটনা কমানোর জন্য হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক বিভাগের তরফ থেকে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি নেওয়া হল। মঙ্গলবার এই সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন করে হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড। হাওড়ার ওল্ড এবং নিউ কমপ্লেক্সের সামনে পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী এবং গাড়ি চালকদের এই নিয়ে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি হাওড়া স্টেশন এলাকায় সাধারণ মানুষের হাতে দেওয়া হয় মাস্ক ও স্যানিটাইজার। হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক গার্ড এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই ধরনের কর্মসূচি আগামীদিনেও লাগাতার চলবে। আরও পড়ুন ঃ আমি আমি হল সর্বনাশের মূল : শুভেন্দু অধিকারী হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড সূত্রের খবর, সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর প্রচার উপলক্ষ্যে মাস্ক বিলি এবং গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এদিন হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ডের তরফ থেকে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্স ও নিউ কমপ্লেক্সের সামনে যেসব কুলিরা ঠেলাগাড়ি ব্যবহার করে তাদের ঠেলায় রিফ্লেক্টর টেপ লাগানো হয়েছে। এছাড়া সেখানে আসা বেশ কিছু প্রাইভেট গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফএর বড় রিফ্লেক্টর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এই রিফ্লেক্টর স্টিকারে রাতে আলো পড়লে উজ্জ্বল দেখাবে। এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে একদিন করে এই প্রচার কর্মসূচি চলবে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
কলকাতা

আগুন লেগে ভস্মীভূত এফডি ব্লকের পুজো মণ্ডপ

আগুন লেগে ভস্মীভূত হয়ে গেল সল্টলেকের এফডি ব্লকের পুজো মণ্ডপ। ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে দুর্গা প্রতিমাও। কী থেকে এই অগ্নিকাণ্ড তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। জানা গিয়েছে , বুধবার সকাল সাড়ে ৬ টা নাগাদ মণ্ডপ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয়রা।তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় দমকলে। ঘটনাস্থল পৌঁছয় দমকলের ৩ টি ইঞ্জিন। শুরু করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ। তবে ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে মণ্ডপ সহ প্রতিমা। আরও পড়ুনঃ করোনা-বিধি মেনেই চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব প্রসঙ্গত , এদিনই এফডি ব্লকের ওই মণ্ডপের প্রতিমার বিসর্জনের কথা ছিল। দমকল আধিকারিকদের কথায়, আগুন সম্পূর্ণভাবে নেভার পরই বিষয়টি জানা যাবে। ঘটনাস্থলে যায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ । মণ্ডপের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তারা আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, আগুন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে লাগিয়ে দিয়েছে। ঘটনার ফরেন্সিক তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
দেশ

চিনের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের ডাক ভারত- আমেরিকার

ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এরই মাঝে টু প্লাস টু আলোচনায় অংশ নিতে ভারতে এসেছেন আমেরিকার সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও । আর এসেই ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে চিনকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন , যে কোনওরকম তর্জন-গর্জন রুখতে অ্যামেরিকা সবসময় ভারতের পাশে রয়েছে । ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যে কোনও পদক্ষেপে ওয়াশিংটন দিল্লিকে সবরকমভাবে সমর্থন করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি । অন্যদিকে , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের আগেই ভারতের সঙ্গে একাধিক প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি করে ফেলল আমেরিকা। এই চুক্তির আওতায় ভারতকে গোয়েন্দা তথ্য দেবে আমেরিকা। পাশাপাশি দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের দাদাগিরি খর্ব করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকবে ভারত। মঙ্গলবার ভারত মার্কিন টু প্লাস টু আলোচনায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিদেশমন্ত্রী কথা বলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এস্পার ও মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেওর সঙ্গে। দুই মার্কিন প্রতিনিধি কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও। বৈঠক শেষে মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে গণতন্ত্রের বন্ধু নয় চিনা কমিউনিস্ট পার্টি। আইনের শাসন ও স্বচ্ছতা চিনের মধ্যে নেই। আরও পড়ুনঃ এলাহাবাদ হাইকোর্টের নজরদারিতেই হাথরাসের গণধর্ষণ ও খুনের মামলাঃ সুপ্রিম কোর্ট সাউথ ব্লকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠক করেন পম্পেও। আধিকারিক সূত্রে খবর, লাদাখ সীমান্তে সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ে প্রায় ৪০মিনিট ধরে বৈঠক হয়েছে তাঁদের মধ্যে । এদিন সকালে দিল্লিতে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল পরিদর্শন করেন পম্পেও । ওয়ার মেমোরিয়াল ঘুরে 15 জুন চিনের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন জওয়ানের শহিদ হওয়ার বিষয়ে বলেন, সম্প্রতি গালওয়ান উপত্যকায় যে জওয়ানরা তাঁদের জীবন দিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানালাম ।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
উৎসব

করোনাকালে মণ্ডপের কৃত্রিম জলাধারে প্রতিমা নিরঞ্জন ত্রিধারা সম্মিলনীর

করোনা কালে সংক্রমণ শঙ্কায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার পরিবর্তে রাস্তায় কৃত্রিম জলাশয় বানিয়ে অভিনব প্রতিমা বিসর্জন ত্রিধারা সম্মিলনীর। ক্রেনের সাহায্যে মণ্ডপ থেকে প্রতিমা আনার পর ওয়াটার জেট দিয়ে প্রতিমার মাটি গলিয়ে কাঠামো তুলে ফেলা হয়। উদ্যোক্তাদের কথায়, কোভিড বিধির কথা মাথায় রেখেই বিসর্জনে এই অভিনবত্ব। চলতি বছর ত্রিধারা সম্মিলনীর পুজোর থিম ছিল কোভিড যোদ্ধা। এই পুজো কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের পুজো হিসেবে বিশেষ পরিচিত। আরও পড়ুনঃ কুলটির বেলরুই গ্রামের রায় পরিবারে মা দুর্গাকে গান স্যালুট দিয়ে বিদায় দূরত্ববিধি মানতেই মণ্ডপের সামনে ২০ ফুট লম্বা এবং সমান প্রস্থের একটি চৌবাচ্চা তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই ক্রেনের সাহায্যে মণ্ডপ থেকে নিয়ে আসা হয় প্রতিমা।তারপর ওয়াটার জেট দিয়ে প্রতিমার মাটি গলিয়ে কাঠামো তুলে ফেলা হয়। উদ্যোক্তাদের দাবি, কলকাতায় এই রকম উদ্যোগ আগে কখনও হয়নি।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
উৎসব

কুলটির বেলরুই গ্রামের রায় পরিবারে মা দুর্গাকে গান স্যালুট দিয়ে বিদায়

কুলটির বেলরুই গ্রামের রায় পরিবারে তিনশ বছরের অধিক সময় ধরে মায়ের আরাধনা হয়ে আসছে ৷ এই পুজোর বিশেষত্ব হল , গান স্যালুট দিয়ে দশমীতে মাকে বিদায় জানানো হয়৷ বিজয়া দশমীর দিন সিঁদুর খেলা শেষে মায়ের ঘট বিসর্জন সেরে গান স্যালুটে দেবীকে বিদায় জানায় রায় পরিবারের সদস্যরা ৷ যেখানে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের সাথে মহিলারাও অংশগ্রহণ করেন। আরও পড়ুনঃ আজ দশমী , আড়ম্বরহীনভাবেই চলছে বিসর্জনের প্রস্তুতি এই বিষয়ে রায় পরিবারের তরফ থেকে বাচ্চু রায় জানিয়েছেন, ক্ষত্রিয় পরিবার হিসাবে তাদের পুজোর এই রীতি বংশ পরম্পরায় চলে আসছে ৷ একইসঙ্গে পরিবারের মহিলাদেরও ছোট থেকে আত্মরক্ষার স্বার্থে বন্দুক বা আগ্নেয়াস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ৷ তাই তারাও দেবীকে বিদায় জানাতে এই রীতিতে অংশগ্রহণ করেন ৷ এদিন কুলটির বেলরুই গ্রামে রায় পরিবারের দেবীকে বিদায় জানানোর সময় গান স্যালুটের অনুষ্ঠান দেখতে সাধারণ মানুষ ভিড় করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
উৎসব

মহাষ্টমীতে ঢাকের তালে জমিয়ে নাচলেন নুসরত

মহাষ্টমীর সকালে সুরুচি সংঘের পুজোয় স্বামী নিখিলের সঙ্গে অঞ্জলি দিলেন অভিনেত্রী নুসরত জাহান। উপস্থিত ছিলেন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী মিথিলাও। তারাও এদিন সুরুচি সংঘের পুজোয় অঞ্জলি দেন। উপস্থিত ছিলেন সুরুচি সংঘের পুজো উদ্যোক্তা তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। আরও পড়ুনঃ বাঙালিদের উদ্দেশে মহাষ্টমীর শুভেচ্ছা নরেন্দ্র মোদির শুধু অঞ্জলিই দিলেন না , স্বামী নিখিল ও মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ঢাকের তালে তাল মিলিয়ে নাচলেনও। নুসরতের আহ্বানে পা মেলালেন সৃজিতপত্নী মিথিলাও। এর পাশাপাশি তাল মিলিয়ে ঢাক বাজাতে দেখা গেল টলিউড পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে । আবার নাচ শেষে নিজেই ঢাক বাজাতেই শুরু করলেন অভিনেত্রী তথা সাংসদ নুসরত জাহান। নেটদুনিয়ায় কিন্তু ইতিমধ্যেই দুরন্ত গতিতে ভাইরাল নুসরত জাহানের নাচের ভিডিও।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত বদলের পর ফের স্বমহিমায় সৌমিত্র

যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিতে চলেছেন সৌমিত্র খাঁ , শনিবার সকালে সংগঠনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পোস্ট নিয়ে এমনই একটা জল্পনা ছড়িয়েছিল। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে তিনি বেরিয়ে যাওয়ায় জল্পনা আরও বাড়তে থাকে। কিন্তু দুপুরেই আবার ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বদল করে সৌমিত্র খাঁ সংগঠনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ফের যুক্ত হলেন । আরও পড়ুনঃ সৌমিত্রকে অন্ধকারে রেখেই জেলা যুব মোর্চার সভাপতিদের পদ বাতিল করলেন দিলীপ এরপর সৌমিত্র খাঁ লিখেছেন, যুব মোর্চার জেলার কোনও কমিটি বদল হচ্ছে না। দিলীপ ঘোষ যে কমিটি গতকাল বাতিল করেছিলেন সেই কমিটি বহাল থাকছে। এছাড়াও লেখেন, আর আমার তোমাদেরকে ছেড়ে থাকা সম্ভব নয়। তাই ফিরে এলাম। টিএমসিকে হঠানোর জন্য সব কিছু ত্যাগ করতে রাজি আছি। জয় শ্রীরাম। জয় মা দুর্গা। বিজেপি জিন্দাবাদ। মোদি জিন্দাবাদ।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
উৎসব

সপ্তমীর সকাল থেকে শুরু বৃষ্টিপাত , পুজো পণ্ড হওয়ার আশঙ্কা

সপ্তমীর সকালে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত। এদিন সকাল থেকেই আকাশের মুখ ছিল ভার। যে ক জন হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে সকাল থেকেই ঠাকুর দেখতে বেড়িয়েছিলেন , এই বৃষ্টির জেরে তারাও ভীষণভাবে বাধার সম্মুখী্ন হলেন। শেষে কো্নও উপায় না পেয়ে ছাতা হাতেই মণ্ডপে হাজির হয়েছেন অনেকে। আরও পড়ুনঃ গভীর নিম্নচাপ , পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গত , মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে আগেই পুজোয় বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। বলা হয়েছিল, ষষ্ঠী-সপ্তমী প্রবল বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ওই নিম্নচাপের অভিমুখ ছিল অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল। পরে তা অভিমুখ পরিবর্তন করে। আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে বাংলাদেশের দিকে এগোতে থাকে। যত পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছাকাছি আসে ততই গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে থাকে। এর জেরেই এদিন বৃষ্টির পাশাপাশি সমুদ্র উত্তাল হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 74
  • 75
  • 76
  • 77
  • 78
  • 79
  • 80
  • 81
  • 82
  • 83
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal