• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rome

টুকিটাকি

আপনি কি বিছানার চাদরের নিচে সাবান রেখে শুচ্ছেন? একটু চেষ্টা করে দেখুন

সবাইকার রাতে নিঃশব্দ ঘুম ভাগ্যে থাকে না। এমন অসংখ্য মানুষ আছে যাঁদের বিভিন্ন কারণে রাতে ঘুম আসে না। কারও কারও চিন্তার কারণে, কেউ কেউ হয়ত মনের মত ঘুমাবার আদর্শ জায়গা পাননি, আবার কারও অধীক পরিশ্রমের জন্য পায়ে যন্ত্রনার কারণে। কারণ যাই হোক না কেন, ঘুমাতে না পারা খুবই বিরক্তিকর এবং আপনার দৈনন্দিন জীবনে এটা একটা বড় প্রভাব ফেলবেই।মাঝে মাঝেই, আমরা আমাদের পা নিয়ে কম বেশি সকলেই খুব অস্থির বোধ করি। যখন এটা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তখনই এটি রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম (RLS)-র লক্ষণ হিসাবে ধরা হয়।রেস্টলেস লেগস সিনড্রোমরেস্টলেস লেগস সিনড্রোম বা আরএলএস হল একটি ঘুমের ব্যাধি যা পায়ের নীচের দিকের অংশ সরানোর সময় যন্ত্রনা আনুভুত হয়। এটি সাধারণত সন্ধ্যায় এবং রাতের দিকে বাড়ে এবং আরও বেশি বেড়ে যায় যখন কেউ বিশ্রাম নিতে যায়। পা যখন নড়াচড়া করে সেই সময় এই অস্থিরতা কমে যায়, কিন্তু নড়াচড়া বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই এই অস্থিরতা আবার ফিরে আসে। এই অবস্থায় ঘুমানো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার।এর লক্ষণ কি?আরএলএস-র লক্ষণগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, পায়ে ঝাঁকুনি অনুভূত হওয়া, পায়ে এমন অস্বস্তি হবে মনে হবে সবসময় পাটা একটু নাড়াচাড়া করি। পা নড়াচড়া করতে থাকলে উপসর্গ কম অনুভূত হয়, এবং দিনেরবেলার তুলনায় রাতে লক্ষণগুলো বাড়ে। আপনি কি এই এই উপসর্গগুলি বুঝতে পারেন? যদি তাই হয়, তাহলে আপনি রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম বা আরএলএস-এর দ্বারা আক্রান্ত। এর কারণে আপনি প্রায়ই ক্লান্ত হয়ে পড়েন এবং আপনার কোনও কিছুতেই মনোসংযোগ করতে অসুবিধা হয়। আরএলএস আক্রান্ত মানুষজন তাঁদের নিজেদের বাসস্থান ও খোলামেলা জায়গার বাইরে যেতে চান না, তাঁরা হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে যেতে চান না কারন একটি নির্দিষ্ট জায়গায় আবদ্ধ থাকতে হবে বলে ঠিক একই কারণে তাঁরা ট্রেন বা বিমানে দীর্ঘ দূরত্ব ভ্রমণ করতে পারে না।কারণরেস্টলেস লেগস সিনড্রোম র কারণ এখনো অবধি অজানা। অভিজ্ঞ চিকিৎসকমহলের ধারনা সম্ভবত আমাদের নড়াচড়া এবং প্রতিচ্ছবি নিয়ন্ত্রণ কারি মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষগুলির সমস্যার কারণে এটি হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এটি বংশগত বলেও মনে করা হচ্ছে। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে শরীরে আয়রনের মাত্রা কম থাকায় বা কিডনি সমস্যার কারনে বা ডায়াবেটিসের মতো অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও হতে পারে।ল্যাভেন্ডার সাবানএকটি জনপ্রিয় টেলিভিশন প্রোগ্রামে সুপরিচিত চিকিৎসক ডাঃ ওজ, রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম থেকে নিরাময়ের এক অদ্ভুত পদ্ধতি বাতলেছেন। অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে এই কথাটার বাস্তব ভিত্তি আছে বলে মতামত ব্যক্ত করেছেন। ডঃ ওজ সেখানে বলেছেন আপনারা যারা এই সিনড্রোমে আক্রান্ত তাঁরা রাতে শোবার সময় পায়ের দিকে বিছানার চাদরের নীচে একটি সাবানের টুকরো রেখে শোবেন। এবং সাবানটি ল্যাভেন্ডার সাবান হলেই সবচেয়ে ভালো হয়। ল্যাভেন্ডার সাবানে সুগন্ধে এক প্রশান্তি আছে বলে অনেকে মনে করেন। প্রতি সন্ধ্যায় আপনার পায়ের কাছে আপনার চাদরের মধ্যে ল্যাভেন্ডার সাবানের একটি টুকরো রাখুন। কয়েকদিন পর থেকেই আপনি অনুভব করবেন যে আপনার পায়ের খিঁচুনি এবং ক্র্যাম্পগুলি ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে এবং আপনার পা অনেক বেশী শান্ত বোধ করছে! এটা চেষ্টা করুন আশাকরি এর সুফল আপনি পাবেনই।ল্যাভেন্ডার সাবানপ্রমাণল্যাভেন্ডার সাবানে রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম এর হ্রাস পাওয়ার ব্যাপারটি এখনো অবধি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি, তবে অনেক মানুষ সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে যা নানা মন্তব্য করেন। তাতে মনে করা হয়, যে এটি সত্যিই কাজ করে। এক ভদ্রমহিলা ডঃ ওজ কে জানিয়েছেন যে, তিনি তার স্বামীর অজান্তেই বিছানার চাদরের নীচে একটুকরো সাবান রেখেছিলেন এবং তাঁর স্বামী শোবার কিছুক্ষনের মধ্যেই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিলেন। রুজ এর ধারনা এটি শুধুমাত্র রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম-এই কাজ করে তা নয়, এই পদ্ধতির আরও কিছু সুফল হয়ত আমরা অদুর ভবিষ্যতে জানতে পাব। ডাঃ ওজ বলেছেন, যেকোনো সাবান নয় শুধুমাত্র ল্যাভেন্ডার সাবান-ই ব্যবহার করুন। যেকোনো সাধারণ সাবান থেকে এই রিলিফ আশা করবেন না।আপনারা যাঁরা এই রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম এ আক্রান্ত তাঁরা শুধু শুধু দিনের পর দিন পেনকিলার বা পেন রিলিফ মলম ব্যাবহার না করে একটুকরো ল্যাভেন্ডার সাবান আপনার পায়ের দিকে বিছানার চাদরের নিচে কয়েকটা দিন রেখেই দেখুন না......

জুলাই ১০, ২০২২
নিবন্ধ

আজ প্যালিন্ড্রোম (Palindrome) দিবস, কি এই প্যালিন্ড্রোম?

ফেব্রুয়ারী মাস শুরু হয়ে থেকেই টেরি, গোলাপ, হাগ, ভালোবাসা সহ নানা দিবস পালনের হিরিক চলছে, এবার এসে পড়ল প্যালিনড্রোম দিবস। নেটনাগরিক বৃন্দ সামাজিক মাধ্যমে আজ সকাল থেকেই মেতে উঠেছেন প্যালিনড্রোম দিবস পালনে। এই সম্পর্কিত বহু পোস্ট ঘুড়ে বেড়াচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে, অনেকেই টুইট করছেন প্যালিনড্রোম তারিখ বলে। আসুন জেনে নিই কি এই প্যালিনড্রোম?Today is 2s day and it falls on tuesday(the second day of the week)22.02.2022It is a palindrome and an ambigram, it can be read from left to right and right to left, upside down..#palindrome #palindromeday #February2022 pic.twitter.com/kaCoe7Iyh8 Harshavardhan (@Harshav69180828) February 22, 2022প্যালিন্ড্রোম হল একটি শব্দ, সংখ্যা, বাক্যাংশ বা অক্ষরের অন্যান্য ক্রম যা সামনের দিক থেকেও যা পড়ছেন, পিছনের দিক থেকেও একই। সহজ উদাহরণ কাকা, বাবা। বাংলা ভাষায় একে দ্বিমুখী শব্দ বা সংখ্যা বলা যায়। এধরনের দ্বিমুখী শব্দ বা বাক্য সাজাতে যাঁরা দক্ষ তাঁদের পেলিনড্রোমিস্ট বলা হয়ে থাকে। প্যালিনড্রোমিক লেখা প্রাচীন কিরাতার্জুনীয় কাব্যের বহু অনুচ্ছেদে দেখা যায়। এছাড়াও সংখ্যাসূচক প্যালিনড্রোম রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ছোট সংখ্যা 11/11/11 11:11 এবং দীর্ঘ সংখ্যা 02/02/2020 ব্যবহার করে তারিখ বা সময় লেখা হয়। দীর্ঘ বাক্যে প্যালিন্ড্রোমগুলির ছোট অক্ষর ও বড় অক্ষর, যতি চিহ্ন এবং শব্দের দৈর্ঘ উপেক্ষা করা হয়ে থাকে। আজকের দিনটি হল প্যালিনড্রোম ডে, 22-02-2022 . দু দিক থেকেই একই। যেমন নিধুরাম রাধুনি, সুবললাল বসু, রমাকান্ত কামার যেদিক দিয়েই পড়ুন একই।22.02.2022The Special Date today is both a #Palindrome and an #Ambigram !The Date will read the same from left to right , from right to left and Upside down .Interesting 👏🏻 Sonal Goel IAS (@sonalgoelias) February 22, 2022বাংলায় প্যালিন্ড্রোম বা উভমুখীসম শব্দ তৈরির অগ্রদূত ছিলেন দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিত। দাদাঠাকুরই প্রথম বাঙালি যিনি বাংলায় প্যালিনড্রোম নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁর জন্মসাল ১৮৮১৷ ১৮৮১ কিন্তু একটা প্যালিনড্রোমিক বছর। আর কাকতালীয়ভাবে জন্ম তারিখ বাংলায় ১২৮৮ বঙ্গাব্দের ১৩ বৈশাখ। ১৩ বৈশাখ সংখ্যায় লিখলে ১৩/১ এইভাবে লেখা হয়, এটাও একটা প্যালিনড্রোম সংখ্যা। আর দাদাঠাকুরের প্রয়াণ ও জন্ম দিন একই তারিখ ১৩ বৈশাখ। জীবন শুরু যে তারিখ দিয়ে, মৃত্যুও সেই তারিখে। দাদাঠাকুরের জীবনচক্র একটা প্যালিনড্রোম! তিনি তাঁর বিদুষক পত্রিকায় বহু প্যালিনড্রোম সৃষ্টি করে বাংলাভাষায় প্যালিনড্রোমকে দারুনভাবে সমৃদ্ধ করেছেন। কাক কাঁদে কাক কাঁ, চেনা সে ছেলে বলেছে সে নাচে, তাল বনে নেব লতা, মার কথা থাক রমা, রমা তো মামা তোমার, চার সের চা, বেনে তেল সলতে নেবে, ক্ষীর রস সর রক্ষী, কেবল ভুল বকে, দাস কোথা থাকো সদা?, নিমাই খসে সেখ ইমানি, থাক রবি কবির কথা, বিরহে রাধা নয়ন ধারা হেরবি সহ অসংখ্য অমর প্যালিন্ড্রোম তিনি সৃষ্টি করে গেছেন। তাঁর সৃর্ষ্টি কীর্তন মঞ্চ পরে পঞ্চম নর্তকী এই শব্দবন্ধটি এখনও বাংলাভাষায় সর্বাধিক জটিল ও সর্বাধিক শব্দ সমন্বিত প্যালিনড্রোম।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
স্বাস্থ্য

Text Neck Syndrome: মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার এক নতুন রোগের বার্তা নিয়ে হাজির "টেক্সট নেক সিনড্রোম"

দূর্গা পুজো শুরু হতে যাচ্ছে। করোনার আবহাওয়াতেও মানুষ যেন নিজেকে আনন্দে মশগুল করে নিতে চাইছে। এবার মায়ের ঘোড়ায় আগমন আর দোলায় গমন। ঘোড়ায় আগমন মানে ছত্রভঙ্গন্তরঙ্গমে অর্থাৎ প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি আর বিশৃঙ্খলা। দোলাং মড়কাং ভবেৎ অর্থাৎ মায়ের দোলায় গমনের জন্য প্রচুর মৃত্যু আর মড়ক হবে, শরীর খারাপ হবে। তাই মায়ের গমনের কথা মাথায় রেখে আমরা শরীর সম্পর্কিত একটি বিষয় আলোচনা করবো যে অসুবিধা আমাদের সবার জীবনেই আছে।মোবাইল আমাদের জীবনের খুব প্রয়োজনীয় অঙ্গ হয়ে গেছে। তার মধ্যে আবার ফেসবুক, হোয়াটসআপ ছাড়া আমাদের সময় কাটে না। ফেইসবুক, হোয়াটসআপ আর ইনস্টাগ্রাম যখন 4th Oct ডাউন হয়ে যায় তখন মনে হচ্ছিলো আমরা মোবাইল এর কাছে কিভাবে আসক্ত হয়ে গেছি। মোবাইল ছাড়া আমাদের একটুও সময় কাটে না। আর এই মোবাইলের প্রভূত ব্যবহারের ফলে আমাদের টেক্সট নেক সিনড্রোম হচ্ছে। আমরা ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রচুর এই ধরণের রোগী দেখছি, যার ফল মারাক্তক হতে পারে।কি এই টেক্সট নেক?টেক্সট নেক হলো এক বিশেষ ধরণের শারীরিক ভঙ্গিমা যাতে মাথা সামনের দিকে এগিয়ে থাকে ঠিক যেভাবে আমরা ফোন দেখি বা ফোনে টেক্সট করি। এই ভাবে দীর্ঘক্ষণ দিনের পর দিন করতে করতে শরীরের ভঙ্গিমার পরিবর্তন ঘটে। সমীক্ষায় বলছে ভারতীয়রা সারাদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা মোবাইল ব্যবহার করে.আমেরিকার কাইরোপ্র্যাক্টর Dr. Dean L. Fishman এই সিনড্রোমটির নামকরণ করেন।কখন বুঝবেন আপনার টেক্সট নেক হয়েছে?ঘাড় স্টিফ হয়ে থাকবে।ব্যথা হবে।ব্যথা হাত দিয়ে নামবে।Shoulder ব্যথা হবে।মাথা ব্যথা হবে।দীর্ঘদিন এই সমস্ত উপসর্গ কে অবহেলা করলেঃডিস্ক Prolapsedআর্থরাইটিসকইফোসিসলিগামেন্ট ইনজুরিনার্ভ ইনজুরিইত্যাদি হতে পারে।তাই সাবধান থাকার জন্য কয়েকটি টিপস আর এক্সারসাইজ দেখে নিই।প্রথমে বলি কি করা যাবে নাদীর্ঘক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না।এক রকম শারীরিক ভঙ্গিমায় দীর্ঘক্ষণ থাকা যাবে না।কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার করলে তা চোখের লেভেল বরাবর করতে হবে এবং হাত ও ঘাড়ের পজিশন ঠিক রাখতে হবে।হাতে বেশি ওজন বহন করা যাবে না।বড়ো কোনো জিনিস হাতে দীর্ঘক্ষণ ধরে থাকা যাবে না।এবার আলোচনা করি কয়েকটা ব্যায়ামঘাড়ের ডান ও বাম দিকে ঘোরানো।চিন টাক বা রিট্রাকশন এক্সারসাইজ।Shoulder এর মুভমেন্ট এক্সারসাইজ।Cervical এক্সটেনশন এক্সারসাইজ।Dorsal Spine এক্সটেনশন এক্সারসাইজ।ক্যাট - কাওএক্সারসাইজ।ডাউনওয়ার্ড ফেসিং ডগ।পদহস্তাসন।ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্যDr. Satyen Bhattacharyya) (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMTP (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhaman

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Rome: 'প্রতিহিংসাবশত আমায় রোম যেতে দেওয়া হল না', বিদেশ মন্ত্রকের অনুমতি না মেলায় ক্ষুব্ধ মমতা

প্রধানমন্ত্রী বিদেশ গেলেন, অথচ আমাকে কেন যেতে যেওয়া হল না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোম সফর বিদেশ মন্ত্রক বাতিল করে দেওয়ার পর এই প্রশ্নই করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁ বক্তব্য, প্রতিহিংসাবশতই আমাকে আটকানো হল। উল্লেখ্য, কী কারণে এই অনুমতি দেওয়া হয়নি তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এই সফরে যেতে পারবেন না। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই সফর সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এমনটাই বক্তব্য বিদেশ মন্ত্রকের। প্রসঙ্গত, আগামী ৬ ও ৭ অক্টোবর রোমে বিশ্ব শান্তির উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বেসরকারি এক সংগঠনের উদ্যোগে এই আয়োজন। সেখানেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।আরও পড়ুনঃ ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদিসূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে একটি সংক্ষিপ্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। সেখানে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর এই রোম সফরের দরকার নেই। এর বেশি কোনও ব্যাখ্যা সেখানে নেই। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, এ ক্ষেত্রে ব্যাখ্যারও বিশেষ জায়গা থাকে না। মন্ত্রকের হ্যাঁ বা না যথেষ্ট। শনিবার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রচারসভায় এসে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। তাঁর রোম সফরে অনুমতি দেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। মমতা বলেন, কোভ্যাক্সিন নিয়ে কেউ আমেরিকা, ব্রিটেনে যেতে পারবেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভ্যাক্সিনকে মান্যতা দেয়নি। কিন্তু বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন। অথচ অনেকেই নিজের কাজে যেতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন, যেতে দাও। কিন্তু আমাকে কেন প্রতিনিধিত্ব করতে দেওয়া হল না? তিনি আরও বলেন, ওখানে আমি গিয়ে হিন্দুত্বের প্রতিনিধিত্ব করতাম। মুখে তো এত বড় বড় হিন্দুত্বের কথা বলেন। আর কিন্তু প্রতিহিংসাবশত আমাকে আটকানো হল।ক্ষোভের সুরে মমতা আরও বলেন, বিশ্ব শান্তির জন্য রোমে একটা সম্মেলন হচ্ছে। দুমাস আগে তাঁরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। জার্মান চ্যান্সেলর যাবেন, পোপ থাকবেন, মিশরের ইমাম থাকবেন, ইতালির প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। আমার কাছেও আমন্ত্রণ এসেছিল। ইতালি সরকার আমাদের বিশেষ অনুমতি দিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ভারত-বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এত বড় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন এর আগে হয়নি। কিন্তু আজ চিঠি দিয়ে অনুমতি দিতে অস্বীকার করল। বলা হল, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে যাওয়া ঠিক হবে না।এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর এমন প্রতিক্রিয়ার পর বিজেপির জয়প্রকাশ মজুমদারের বক্তব্য, বিদেশ মন্ত্রকের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম থাকে। পররাষ্ট্রনীতি বলে একটা বিষয় আছে। অকারণে এখানে রাজনীতি খোঁজা মুর্খামি ছাড়া আর কিছুই নয়।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
কলকাতা

Mamata Bannerjee: রোমে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে আমন্ত্রিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আন্তর্জাতিক সমাজসেবামূলক সংগঠনের উদ্যোগে রোমে আয়োজিত বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ আগামী ৬ এবং ৭ অক্টোবর এই সম্মেলন হওয়ার কথা৷সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষত গরিব এবং পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর অবদানের কথা মাথায় রেখেই তাঁকে এই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে৷ গোটা বিশ্বের প্রায় পাঁচশো জন জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা এবং ধর্মগুরুরা এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকেন বলে সংগঠনের আমন্ত্রণ পত্রে জানানো হয়েছে৷ ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছেও গিয়েছে৷ এই সম্মেলনে জার্মান চাঞ্চেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেল, পোপ ফ্রান্সিস উপস্থিত থাকবেন বলেও উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়েছে৷আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরযে সংগঠনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাদের নাম কমিউনিটি অফ সান্ট এগিদিও৷ মূলত গৃহহীন, অসুস্থ এবং গরিব মানুষের জন্যই কাজ করে এই সংগঠন৷ ১৯৮৭ সাল থেকেই বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে তারা৷ ইউরোপ এবং ভূমধ্যসাগরীয় বিভিন্ন দেশে অতীতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে৷মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে গরিব এবং সমাজের প্রান্তিক শ্রেণির মানুষের জন্য তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন উদ্যোক্তারা৷ পাশাপাশি নির্বাচনে বড় জয়ের জন্যও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে৷ আমন্ত্রণপত্রে সংগঠনের সভাপতি লিখেছেন, গত দশ বছর ধরে একটানা সামাজিক ন্যায়বিচার, দেশের উন্নতি এবং শান্তির জন্য কাজের জন্য এবং নির্বাচনে জয় পাওয়ায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন৷

আগস্ট ১১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal