• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

RS

রাজ্য

খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় মূলচক্রীর ২৯ বছরের জেল

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার রায় ঘোষণা করল আদালত। এনআইএ-র আইনজীবী জানিয়েছেন, বুধবার এই হামলার মাস্টারমাইন্ড বোমারু মিজান ওরফে শেখ কওসরকে ২৯ বছরের জেলের সাজা দিল এনআইএর স্পেশ্যাল কোর্ট। খাগড়াগড় কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ৩১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। তাদের মধ্যে ৩০ জনের সাজা ঘোষণা আগেই হয়েছে। এবার কওসরকে ২৯ বছরের জেলের সাজা দেওয়া হল। খাগড়াগড়ের পাশাপাশি, বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণেও জড়িত রয়েছে কওসর। প্রসঙ্গত, বীরভূমে কওসরের একটি বাড়িও রয়েছে। সেখান থেকেই একটা সময় এই রাজ্যের সংগঠন চালাত সে। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বর্ধমানের বিভিন্ন মাদ্রাসাতে গোপনে অস্ত্র প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিল কওসর। ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বর্ধমানের খাগড়াগড়। তারপরই ঘটনার তদন্তে নামে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা যায়, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কুখ্যাত বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ। এদিকে, বিস্ফোরণের পরই বাংলাদেশে পালিয়ে যায় কওসর। সেখান থেকে ফের জঙ্গি কার্যকলাপ শুরু করে সে। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে মনে করে আবারও ভারতে চলে আসে ওই জঙ্গি। তারপরই ২০১৮ সালে বেঙ্গালুরুতে রীতিমতো ফাঁদ পেতে কওসরকে ধরেন এনআইএ গোয়েন্দারা। জানা যায়, কওসর জেএমবি-র উজির পদে ছিল। সংগঠন তৈরি করে নাশকতা চালানোয় পারদর্শী কওসর বেশ কিছুদিন ধরেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। কেরলে তার এক সঙ্গী ধরা পড়তেই আরও বিপাকে পড়ে যায় সে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার ঘুরে বেঙ্গালুরুতে আত্মগোপনের চেষ্টা চালায় সে। তবে বিশেষ ফল হল না। প্রত্যেকটি রাজ্যের পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই কওসরের খোঁজে ছিল এনআইএ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
বিদেশ

মায়ানমারের পাশে থাকার বার্তা আমেরিকার

গণতান্ত্রিক সরকার ফেলে মায়ানমারের দখল নিয়েছে সেনাবাহিনী। বন্দি করা হয়েছে জনপ্রিয় নেত্রী আং সাং সুকি ও তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগীরা। ফলে সেনার স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন হাজার হাজার গণতন্ত্রকামী মানুষ। এই ডামাডোলে বিক্ষোভ থামাতে মার্শাল ল চলছে দেশটিতে। তবে শক্তিপ্রয়োগ করে ক্ষমতা দখল করলেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে একঘরে হয়ে পড়েছে বার্মিজ সেনা। সেই চাপ আরও বাড়িয়ে এবার মায়ানমারের জনগণের পাশে থাকার বার্তা দিল আমেরিকা।গত ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখ মায়ানমারের দখল নেয় সর্বশক্তিমান জুন্টা। সামরিক বাহিনীর হাতে বন্দি হন নোবেলজয়ী রাষ্ট্রপ্রধান আং সান সুকি, প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট-সহ অনেকেই। সেনা জানায়, আপাতত এক বছরের জন্য ক্ষমতা দখল করেছে তারা। অভ্যুত্থানের সপক্ষে সেনাবাহিনীর যুক্তি, বিগত নির্বাচনে বিস্তর কারচুপি হয়েছে। তাই করোনা আবহে ক্ষমতা দখল করা হয়েছে। মায়ানমারে ক্রমে জটিল হয়ে ওঠা পরিস্থিতির বিষয়ে মার্কিন বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, আমরা বার্মার জনগণের পাশে আছি। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সরকারের পক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে সমর্থন দেখানোর সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে তাদের। দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতিবাদ নিষিদ্ধ করার নির্দেশ নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
কলকাতা

শহরে নৃশংসভাবে খুন নাবালিকা

নৃশংস হত্যাকাণ্ড জোড়াবাগান থানা এলাকায়। ৯ বছরের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করে দলা কেটে খুন করা হয়েছে। ওই নাবালিকা বুধবার রাত থেকেই নিখোঁজ ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে এলাকারই একটি বহুতলের সিঁড়ি থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শোভাবাজার থেকে জোড়াবাগানে মামারবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল সে। পরিবারের অভিযোগ, যৌন নির্যাতনের পর খুন করা হয়েছে তাকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে তৃণমূল-বিজেপির নেতা-কর্মীরা। গুরুতর জখম হয়েছেন দুদলের দুজন।জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে জোড়াবাগানের বৈষ্ণব শেখ স্ট্রিটে কেন সিসিটিভি নেই এই প্রশ্ন তোলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের রহস্যভেদ ও অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানান। পুলিশের বিরুদ্ধেও সুর চড়ান তাঁরা। সেই সময় ঘটনাস্থলে যায় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। তখনই কথা কাটাকাটি শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে। এরপরই বচসা সংঘর্ষের চেহারা নেয়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশের সামনে চলে আক্রমণ, পালটা মার। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় শান্ত হয় এলাকা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসেন স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, যৌন নির্যাতনের যে অভিযোগ উঠেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধ দমন শাখার যুগ্ম কমিশনার সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে রয়েছেন। সমস্ত প্রক্রিয়া মেনে তদন্ত চলছে। শিশুটির পরিবারের সঙ্গে আমরাও ঘটনাস্থলে আছি। এর পর শশী বলেন, শিশুটি তার দিদার কাছে এসেছিল। এখানে যে সে প্রথমবার এসেছে, তা নয়। এর আগেও অনেকবার এসেছে। মেয়েটির বাড়ি যেখানে, সেই ১৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকাটি আমার বিধানসভা অঞ্চলের মধ্যে পড়ে।কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মুরলী ধর (অপরাধ দমন শাখা) এলাকা পরিদর্শনে যান। পরিবারের পাশাপাশি পুরসভার স্থানীয় কো-অর্ডিনেটরও অভিযোগ করেন, যৌন নির্যাতন করে খুন করা হয়েছে ওই নাবালিকাকে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে জোড়াবাগান থানার পুলিশ ছাড়াও ফরেনসিক দলের প্রতিনিধিরা এসে পৌঁছন।ঘটনাস্থলে যায় প্রশিক্ষিত কুকুরের দল।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১
দেশ

সুর নরম কৃষকদের

কৃষি আইন নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনায় রাজি কৃষকরাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবের পরই সুর নরম করল কৃষক সংগঠনের সংযুক্ত মোর্চা। শনিবার ৪০টি কৃষক সংঠনের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কৃষকরা এতদূর থেকে দিল্লিতে সরকারের দ্বারে এসেছে শুধু নিজেদের নির্বাচিত সরকারকে নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে। সুতরাং কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা না করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। যদিও, কৃষক সংগঠনগুলো আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছে, কৃষি আইন বাতিল ছাড়া কোনওভাবেই আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে না।শনিবার সর্বদল বৈঠকে কৃষি আইন ইস্যু নিয়ে বিরোধীদের আশ্বস্ত করার সবরকম প্রচেষ্টা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিয়েছেন, কৃষকরা চাইলে এখনও তাঁর সরকার এই বিতর্কিত আইন সাময়িকভাবে স্থগিত করে রাখতে রাজি আছে। বিরোধী সাংসদদের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষকদের এই আইন স্থগিত রাখার যে প্রস্তাব দিয়েছিলাম তা এখনও আছে। আমার সরকার এখনও ১৮ মাসের জন্য এই আইন প্রত্যাহারে প্রস্তুত। এদিকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার বার্তা দিলেও দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছে কৃষক সংগঠনগুলো। তাঁদের দাবি, দিল্লি পুলিশ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণে উস্কানি দিচ্ছে। স্থানীয়দের নামে বিজেপি সমর্থকরা হামলা চালাচ্ছে নিরীহ বিক্ষোভকারীদের উপর।

জানুয়ারি ৩১, ২০২১
দেশ

সরকারের 'জবরদস্তিতে' পুনরুজ্জীবিত কৃষকরা

সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে অশান্তির পর এমনিতেই শক্তি হারাচ্ছিল কৃষক আন্দোলন। সিঙ্ঘু, গাজিপুর ও রাজধানী দিল্লির অন্যান্য সীমান্ত থেকে ধীরে ধীরে ঘরে ফেরার পথে পা বাড়াচ্ছিলেন হতাশ আন্দোলনকারীরা। সরকারিভাবে গোটা দুই কৃষক সংঠন আন্দোলন প্রত্যাহারও করে নিয়েছিল। কৃষকদের যে সংঠনটি সবচেয়ে প্রভাবশালী সেই ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নও আন্দোলন প্রত্যাহার করা নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছিল। কিন্তু রাতারাতি সবকিছু বদলে গেল উত্তরপ্রদেশ সরকারের একটা ভুল পদক্ষেপে।গাজিপুর সীমান্তে বিক্ষোভকারীদের একপ্রকার জোর করে তুলে দেওয়ার ছক কষেছিল উত্তরপ্রদেশের প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে গাজিপুরে কৃষকদের বিক্ষোভস্থল খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় যোগী সরকার। সেখানে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। বিক্ষোভস্থল কার্যত ছেয়ে ফেলা হয় নিরাপত্তারক্ষীতে। এমনকী, ৪ কোম্পানি র্যা ফও মোতায়েন করা হয়। জানা গিয়েছে,গাজিপুর সীমান্তের বিক্ষোভস্থলে বিদ্যুৎ এবং জলের সরবরাহ আগে থেকেই অনিয়মিত করে দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ঘটনাস্থলে যান ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকাইত।টিকাইত ঘটনাস্থলে যেতেই বদলে যায় পরিস্থিতি। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি ষড়যন্ত্র করে বিক্ষোভ বন্ধ করে দিতে চাইছে। চোখের জলে ঘোষণা করেন, কৃষি আইন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এক পাও নড়ব না। প্রয়োজনে গুলি খাব। প্রয়োজনে অনশন করব। নিজের গ্রাম থেকে এনে জল খাব। রাকেশ টিকাইত আত্মহত্যা করবে, তবু বিক্ষোভ স্থল ছাড়বে না।আরও পড়ুন: গাজিপুর সীমানা খালি করার নির্দেশতাঁর এমন ভাষণে পুনরায় উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন কৃষকরা। রাতারাতি হাজারো কৃষক নতুন করে গাজিপুরের বিক্ষোভস্থলে হাজির হন। উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং হরিয়ানার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার কৃষক ট্র্যাভক্টরে চেপে গাজিপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। গতকাল সারারাত কৃষক নেতারা গাজিপুরের বিক্ষোভস্থলে জয় জওয়ান-জয় কিষাণ স্লোগান দেন। সেই সঙ্গে উড়তে দেখা যায় জাতীয় পতাকা। আপাতত কৃষী আইন প্রত্যাহার না-হওয়া পর্যন্ত তাঁরা এখানেই থাকবেন বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সরকার ষড়যন্ত্র করে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
কলকাতা

ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ির সামনে বোমাবাজি, গ্রেপ্তার ৬

রাজ্যের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ির সামনে বোমাবাজির ঘটনায় চলছে ধরপাকড়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও ৩টি বাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বুধবার রাত আটটা নাগাদ ইন্দ্রনীল সেন বাড়িতে ছিলেন না। সেই সময় তিনি ছিলেন চন্দননগরে। অভিযোগ, তারই মাঝে বাইকে চেপে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী আসে। কসবায় মন্ত্রীর বাড়ির কাছে দিল্লি পাবলিক স্কুলের বিপরীতে একটি মুদিখানা দোকানের পাশ থেকে বোমা ছোঁড়ে ওই দুষ্কৃতীরা। বিকট শব্দে বোমা ফাটে। কসবার মতো এলাকায় বোমাবাজির ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সকলে। হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। চন্দননগর থেকে ফেরার পর এই ঘটনার কথা জানতে পারেন ইন্দ্রনীল সেন। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জেরা শুরু করে। খতিয়ে দেখা হয় এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ। ধৃতদের নাম হল গৌতম মণ্ডল, অশোক বৈদ্য, সোনু সাউ, রাহুল রায়, ভোলা পাসোয়ান। ধৃতদের কাছ থেকে কিছু পরিমাণ বোমা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তিনটি মোটর বাইকও। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
কলকাতা

সমবেতনের দাবিতে শিক্ষক বিক্ষোভে ধুন্ধুমার বিধানসভা চত্বর

অধিবেশন শুরুর আগেই উত্তাল বিধানসভা চত্বর। বুধবার সমবেতন, সমান সুবিধার দাবিতে বিধানসভা অভিযান করলেন শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সদস্যরা। তাঁদের এই বিক্ষোভের জেরে বিধানসভার সামনে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধ্বস্তি হয় বিক্ষোভকারীদের। এমনকী, গেট ভেঙে বিধানসভার ভিতর ঢোকারও চেষ্টা করেন তাঁরা। পরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখার করার দাবিতে বিধানসভার বাইরে তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। যদিও পুলিশ এসে পরে তাঁদের সরিয়ে দেয়।প্রাণীমিত্র, প্রাণীবন্ধু, এসএসকে, এমএসকে, পার্শ্বশিক্ষকরাই শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সদস্য। বেতন কাঠামোর উন্নতি-সহ একাধিক দাবি রয়েছে তাঁদের। এদিন তাঁরা হাইকোর্টের বাইরে অবস্থানে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেখান থেকেই বিধানসভা অভিযান করেন তাঁরা। তাঁদের অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বিধানসভা চত্বর। তাঁদের ঠেকাতে ৬ নম্বর গেট বন্ধ করে দিয়েছিলেন নিরাপত্তাকর্মীরা। এদিন সেই গেট টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন কেউ কেউ। যদিও পুলিশ তাদের আটকে দেয়।আন্দোলনকারীদের দাবি, শিক্ষকদের সমান বেতন ও সুবিধা দিতে হবে। শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চের সদস্যদের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী সকলের সঙ্গে দেখা করেন, দাবি দাওয়া শোনেন। ক্লাবগুলোকে টাকা দেন। কিন্তু আমাদের সঙ্গে দেখাও করেন না। আমাদের সুযোগ সুবিধাও দেখেন না।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
দেশ

লালকেল্লার তাণ্ডবে ষড়যন্ত্র দেখছেন কৃষকরা

সাধারণতন্ত্র দিবসে লালকেল্লায় কৃষকদের তাণ্ডবের নেপথ্যে এবার এক বিজেপিপন্থী অভিনেতার হাত রয়েছে বলে দাবি বিক্ষোভকারী কৃষকদের। তাঁদের দাবি, পঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দীপ সিধুর উস্কানিতেই দিল্লিতে যাবতীয় অশান্তি ঘটেছে। এর পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র কাজ করছে বলেও দাবি করছেন ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন নামের এক কৃষক সংঠনের নেতা।বিকেইউ নেতা রাকেশ টিকাইত দাবি করেছেন, আমরা লালকেল্লায় যেতে চাইনি। অশান্তি যারা ছড়িয়েছে তাঁরা রাজনৈতিক দলের সদস্য। আমরা তাঁদের শনাক্ত করতে পেরেছি। কৃষকদের আন্দোলনকে কলুষিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপরই ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের হরিয়ানা ইউনিটের প্রধান গুরনাম সিং চাড়ুনি দাবি করেছেন,পঞ্জাবি গায়ক দীপ সিধুর নেতৃত্বেই কৃষকদের একটি দল লালকেল্লায় গিয়েছিল। ওই হিংসায় উস্কানি দিয়েছে। কৃষকদের দাবি, দীপ সিধুর বিক্ষোভে যোগ দেওয়া নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি ছিল তাঁদের। দীপ আসলে বিজেপি সাংসদ তথা অভিনেতা সানি দেওলের ঘনিষ্ঠ। গত লোকসভা ভোটে বিজেপির হয়ে প্রচারও করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ আছে বলে দাবি কৃষকদের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজ্য

কাটআউটে মোদির পায়ের তলায় মনীষীরা! উত্তেজনা বালুরঘাটে

কাটআউটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পায়ের তলায় মনীষীদের ছবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ক্ষুদিরাম বসু, ঋষি অরবিন্দ রয়েছে সেই কাটআউটে। বালুরঘাটের বিভিন্ন প্রান্তে এমন কাটআউট ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ঘটনার প্রতিবাদে পথ অবরোধ এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। যদিও ছবির নীচে সৌজন্যে সুকান্ত মজুমদার উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করতে তৃণমূল ষড়যন্ত্র করে এমন কাজ করেছে। যদিও তৃণমূল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।বিষয়টি জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে যান সাংসদ-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা। চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে বোল্লা এলাকায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা।বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, কাটআউটগুলোতে আমার নাম দিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাটআউটে পায়ের নিচে মনীষীদের ছবি রয়েছে। এটা দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং মনীষীদের অপমান করা হয়েছে। পাশাপাশি আমাকে এবং বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করার চক্রান্ত। আগামী নির্বাচনে তৃণমূল এখানে জয়লাভ করতে পারবে না দেখে এই ধরনের কুৎসা করছে। আমরা বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। অন্যদিকে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক রাজেন শীল বলেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা বার্তার কাটআউট বিজেপির তরফে লাগানো হয়েছে। কিন্ত মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখেই তারা তৃণমূলের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, যে দলই এই কাজ করে থাকুক না কেন, অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ হয়েছে এটি। রাজনীতিতে সম্প্রতি যেভাবে মনীষীদের ব্যহার পরে ফায়দা লোটার চেষ্টা হচ্ছে, তা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
দেশ

লালকেল্লায় উড়ল কৃষক আন্দোলনের পতাকা

লালকেল্লায় উড়ল কৃষক আন্দোলনের পতাকা। সংঘর্ষ, কাঁদানে গ্যাস, লাঠি চার্জ। কিছু দিয়েই পুলিশ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারল না প্রতিবাদী কৃষকদের। তিন সীমানায় সব ব্যারিকেড ভেঙে চুরমার হল মঙ্গলবার। পুলিশের ঘোষিত পথে গেল না হাজার হাজার ট্র্যাক্টর। পথ পাল্টে লালকেল্লায় গিয়ে কৃষকদের মধ্যে থেকে আওয়াজ উঠল অকুপাই দিল্লিDelhi: Flags installed by protestors continue to fly at Red Fort. #FarmLaws #RepublicDay pic.twitter.com/U0SZnTw4Wn ANI (@ANI) January 26, 2021পুলিশ জানিয়েছিল, মঙ্গলবার সকাল ১২ টা নাগাদ কৃষকদের মিছিল নির্দিষ্ট তিনটি রুটে গিয়ে আবার উৎসস্থলে ফিরে আসবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটল উল্টো। সকাল ৮টা থেকে লাগামছাড়া গতিতে দিল্লির দিকে ধেয়ে আসতে থাকে মিছিল। পুলিশের বাধা কেউ মানেননি। আর তাই নিয়ে উত্তপ্ত হয়েছে দিল্লির নয়ডা মোড়, আইটিও মোড়েও একাধিক ফুটেজে দেখা গিয়েছে, কৃষকদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটাচ্ছে পুলিশ। চলছে লাঠি। পাল্টা কৃপাণ হাতেও কৃষকদের দেখা গিয়েছে। সকাল ১০টায় নয়ডা মোড়ের চিত্রটা ছিল এমনই। পুলিশ লাঠি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। মূলত দিল্লির সীমানা এলাকায় বেশি পুলিশ মোতায়েন থাকার কারণে দিল্লির অন্দরে পুলিশের আঁটুনি দূর্বল হয়ে পড়েছিল। সেই কারণে বিনা বাধায় এগিয়ে যেতে থাকেন কৃষকরা।दिल्ली: नांगलोई इलाके में प्रदर्शनकारी किसानों पर पुलिस ने आंसू गैस के गोले इस्तेमाल किए। pic.twitter.com/RP81oJVJYJ ANI_HindiNews (@AHindinews) January 26, 2021#WATCH A protestor hoists a flag from the ramparts of the Red Fort in Delhi#FarmLaws #RepublicDay pic.twitter.com/Mn6oeGLrxJ ANI (@ANI) January 26, 2021

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজ্য

ফেব্রুয়ারিতে সাধারণের জন্য খুলছে বেলুড়মঠ

আগামী ১০ই ফেব্রুয়ারী থেকে ফের সাধারণের জন্য বেলুড়মঠের দ্বার খোলা হচ্ছে। গতবছর মঠ খুলে আবার বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। সোমবার বেলুড়মঠের তরফে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মঠ খোলার কথা জানানো হয়। সোমবার সাংবাদিকদের এই কথা জানান বেলুড়মঠের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবিরানন্দ মহারাজ।উল্লেখ্য, করোনা আবহে লকডাউনের জেরে ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ ছিল বেলুড়মঠ। টানা ৮২ দিন মঠ বন্ধ থাকার পর ১৫ জুন আবার জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় একাধিক করোনা বিধি মেনে গেটে প্রবেশ করানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। মঠে ঢোকার সময় সামাজিক দুরত্ব মানা, হাত স্যানেটাইজ করে মঠে ঢোকা, সব করোনাবিধিই মানতে হত ভক্ত থেকে দর্শনার্থী সকলকেই। এর প্রায় দেড় মাস পর ২ আগস্ট থেকে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয় বেলুড় মঠ। দুর্গাপূজা, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন পালনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ অনুষ্ঠান সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি দেখেছে আপামর ভক্ত ও দর্শনার্থীরা।দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর আগামী ১০ই ফেব্রুয়ারী থেকে আবার বেলুড়মঠের দরজা ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলতে চলেছে। সকালে সাড়ে ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ও বিকেলে সাড়ে ৩টে থেকে বিকেল সোয়া ৫টা পর্যন্ত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খোলা থাকবে বেলুড়মঠ। মঠের মন্দিরে প্রবেশ করলেও কোনও মন্দিরেই বসতে পারবেন না ভক্তরা। তবে মিউজিয়াম ও নরনারায়ণ সেবা এখনই চালু করা হচ্ছে না। সন্ধ্যা আরতিও এখন দেখতে পারবেন না ভক্ত ও দর্শনার্থীরা।

জানুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে প্রবেশ করেছে ৬ জেএমবি জঙ্গি

সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে ফের রাজ্যে জেএমবি জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ নিয়ে সতর্কবার্তা। মুর্শিদাবাদের লালগোলা সীমান্ত দিয়েই অনুপ্রবেশ করেছে নব্য জেএমবির ৬ জন ।ফলে ২৬ জানুয়ারির আগে ফের রাজ্যের নিরাপত্তা বাড়ল কয়েকগুণ।কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি লালগোলা সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে ৬ জন নব্য জেএমবির সদস্য। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের কোনও রেলস্টেশনে নাশকতা চালাতে পারে তারা। গোয়েন্দাদের মতে, রাজ্যের কোনও গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তারা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ ঘটানোর চেষ্টা করতে পারে।ইতিমধ্যেই মালদা, মুর্শিদাবাদের একাধিক স্টেশনে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। এছাড়া কলকাতা ও তার আশপাশের অঞ্চলেও অতিরিক্ত সতর্ক হয়েছে পুলিশ।গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই ৬ জঙ্গি লালগোলার রুট ধরেই সম্ভবত প্রবেশ করেছে এই রাজ্যে। এরপর তারা কোথায় গা ঢাকা দিয়েছে, তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।

জানুয়ারি ২৫, ২০২১
দেশ

ট্র্যাক্টর মিছিলে বিশৃঙ্খলতার ছক পাকিস্তানের

বিতর্কিত কৃষি আইনের প্রতিবাদে সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাজপথে পৃথকভাবে ট্রাক্টর মিছিল করবেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। একাধিকবার আলোচনার পর শেষপর্যন্ত দিল্লি পুলিশের অনুমতিও মিলেছে। কিন্তু এর মধ্যেই আবার সামনে এসেছে আশঙ্কার খবরও। কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিলে বিশৃঙ্খলা তৈরির ছক কষেছে পাকিস্তান। এই কাজের জন্য ইতিমধ্যে সে দেশে নতুন করে ৩০০টি টুইটার হ্যান্ডেল তৈরি হয়েছে। রবিবার এমনটাই জানানো হয়েছে দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে।এদিনই দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল কমিশনার অব পুলিশ (ইন্টেলিজেন্স) দীপেন্দ্র পাঠক সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিলের বিস্তারিত পরিকল্পনার কথা জানান। পাশাপাশি বলেন, প্রতিবারের মতো কুচকাওয়াজ শেষে কৃষকরা তাঁদের এই মিছিলের আয়োজন করবেন। কোনওরকম যাতে সমস্যা না হয় সেজন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তবে এরপরই আশঙ্কার কথা শুনিয়ে তিনি বলেন, কৃষকদের এই মিছিলে বিশৃঙ্খলা তৈরির ছক কষছে পাকিস্তান। এজন্য ১৩ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে পাকিস্তানে তিনশোরও বেশি টুইটার হ্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে শুধু এই বিষয়টিকে সামনে রেখে। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা এ ব্যাপারে সতর্ক করেছে। তবে ২৬ জানুয়ারির প্যারেডের পর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়েই কৃষকদের এই মিছিল আয়োজন করা হবে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজ্য

সোমবার পুরশুড়ায় জনসভা মমতার

সোমবার হুগলির পুরশুড়ায় সভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দু অধিকারীর পাল্টা নন্দীগ্রাম, পুরুলিয়ার পর এবার হুগলির পুরশুড়াতে এই জনসভা । আগামিকাল ঠিক দুপুর একটা নাগাদ মঞ্চে ওঠার কথা মমতার। শুভেন্দুর হুঁশিয়ারির জবাবে কী বলেন তিনি, সেদিকেই নজর সকলের।রাজনৈতিক মহলের মতে, সব মিলিয়ে হুগলি জেলা নিয়ে যথেষ্ট চাপে রয়েছে তৃণমূল। তাই শুভেন্দুর পাল্টা হিসাবে এবার হুগলির পুরশুড়ায় জনসভা করার পরিকল্পনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সোমবার দুপুর একটা নাগাদ সেখানেই জনসভা রয়েছে তাঁর। ওই সভা থেকে তিনি কী বার্তা দেন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। যদিও বিজেপি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। বিজেপিকে দেখেই ভোটযুদ্ধের রণকৌশল তৃণমূল স্থির করছে বলেই দাবি তাদের। তবে এ বিষয়ে তৃণমূল শিবির অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজ্য

বাম শ্রমিক সংগঠনের আইন অমান্য ঘিরে উত্তাল হাওড়া

বাম শ্রমিক সংগঠনের ডাকে কৃষি আইন বাতিল, বিদ্যুৎ বিল ২০২০ বাতিল, দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদসহ একাধিক দাবিকে সামনে রেখে হাওড়ায় জেলাশাসকের দপ্তরে সামনে আইন অমান্য কর্মসূচি পালিত হল। সোমবার দুপুরে হাওড়া ময়দান উত্তাল হল বামেদের এই কর্মসূচিতে। এদিন মিছিল করে বাম শ্রমিক সংগঠনের কয়েকশো কর্মী হাওড়া ময়দানে আসেন। সেখানে তাঁদের গতিবিধি রুখতে দুটি ব্যারিকেড করে পুলিশ। প্রথম ব্যারিকেড ভেঙ্গে দ্বিতীয় ব্যারিকেডের ওপরে চড়াও হন বাম সমর্থকরা। সেখানে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় বাম শ্রমিক সংগঠন কর্মীদের। দফায় দফায় ব্যারিকেডের ওপরে চড়াও হন বিক্ষোভকারীরা। প্রায় ১ঘন্টা ধরে চলে ওই তান্ডব। উত্তেজিত বিক্ষোভকারীদের সামলাতে হিমশিম খান বাম নেতৃত্ব। শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে ব্যক্তিগত জামিনে মুক্তি দেয়। এই প্রসঙ্গে হাওড়া জেলার সিআইটিইউ সম্পাদক সমীর সাহা বলেন, কৃষি আইন বাতিল, বিদ্যুৎ বিল ২০২০ বাতিল, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ একাধিক জন বিরোধী নীতির প্রতিবাদে এদিনের আইন অমান্য কর্মসূচী নেওয়া হয়।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
শিক্ষা

গৌড়বঙ্গের মুকুটে নতুন পালক, খুলে গেল মহাকাশ গবেষণা ও কর্পোরেট ফার্মিং-এর দরজা

মহাকাশ গবেষণার দরজা খুলে গেল এবার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সামনে। মালদার ভূমিপুত্র তথা মহাকাশ বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তীর হাত ধরেই এই ঐতিহাসিক সুযোগ আসতে চলেছে গৌড়বঙ্গে। সম্প্রতি সন্দীপ বাবুর মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ' ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স'-এর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। আর তাতেই আশার আলো দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা। একইসঙ্গে হায়দ্রাবাদের 'আর আর এনিম্যাল হেল্থকেয়ার' সংস্থার সঙ্গে কর্পোরেট ফার্মিং প্রোগ্রাম বিষয়েও একটি মউ স্বাক্ষর করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগ। এর ফলে অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রির গবেষণার পাশাপাশি আর্থ সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিতর্ককে পিছনে ফেলে ক্রমেই উৎকর্ষতার দিকে এগিয়ে চলেছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় নাম তুলেছিলেন। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সামনে খুলে গেল মহাকাশ গবেষণার সুবর্ণ সুযোগ। সম্প্রতি 'ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' নামে এক মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর মালদার ভূমিপুত্র তথা জ্যোতির্বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তী প্রতিষ্ঠিত ওই সংস্থার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় গাঁটছড়া বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে এখানকার পড়ুয়ারা মহাকাশ গবেষণার সুযোগ পাবেন বলে জানা গেছে। যারা উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে গৌড়বঙ্গ অথবা উত্তরবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে তেমনভাবে মহাকাশ গবেষণার সুযোগ পাচ্ছিলেন না, তারাও এখন উপকৃত হবেন। এমনকি সন্দীপ বাবুর 'সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' থেকে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করতে পারবেন পড়ুয়ারা। এর ফলে একদিকে যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষার উৎকর্ষতা বাড়বে তেমনই সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্সের পরিকাঠামো ব্যবহার করে গবেষণার সুযোগ পাবেন ছাত্র-ছাত্রীরা। প্রসঙ্গত বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তীর জন্ম ও বেড়ে ওঠা মালদা জেলাতেই। এমনকি তাকে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন উৎসবে সাম্মানিক 'ডক্টর অফ সায়েন্স' উপাধি দেওয়া হয়। মহাকাশ গবেষণার জন্য সন্দীপ চক্রবর্তীকে আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক সমীক্ষায় ভারতবর্ষের সেরা বিজ্ঞানীর শিরোপা দেওয়া হয়েছে। তার 'সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স' সংস্থাটি ইতিমধ্যেই মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাড়া ফেলে দিয়েছে। পূর্ব ভারতের সবচেয়ে উন্নত মানের টেলিস্কোপ রয়েছে ওই সংস্থার কাছে। এমনকি মহাকাশ গবেষণার জন্য বিশাল আকারের বেলুন ও যন্ত্রপাতি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার উচ্চতায় ভেসে থাকা সেই বেলুন থেকেই সম্প্রতি বৃহস্পতি ও শণি গ্রহের নৈকট্য লেন্সবন্দী করেছে সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স। এমনকি কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরির প্রশিক্ষণও দিয়ে থাকে ওই সংস্থা। স্বভাবতই এমন সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পেরে উচ্ছ্বসিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তথা পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর চঞ্চল চৌধুরী জানান," সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল সন্দীপবাবু সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স প্রতিষ্ঠানকে সহযোগী সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভিন্ন ভাবনার আদান-প্রদান, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার দরজা খুলে যাবে। গৌড়বঙ্গের পড়ুয়ারাও মহাকাশ গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের অবদান রাখতে পারবেন। এমনকি গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বা সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স থেকে গবেষণা করলে পিএইচডি ডিগ্রি এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়ার সুযোগ থাকছে।" এ প্রসঙ্গে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরি বলেন," সন্দীপবাবু সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে পারাটা সৌভাগ্যের ব্যাপার। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তার একটা নাড়ির টান রয়েছে। তিনি মালদার ভূমিপুত্র। তাই গৌড়বঙ্গ তথা উত্তরবঙ্গের জন্য তিনি কিছু করতে চেয়েছিলেন। তিনি যখন মহাকাশ গবেষণার প্রস্তাব আমাদের দেন, তখন আমরা তাতে সম্মত জানাতে দেরি করিনি। এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরফলে এস্ট্রোফিজিক্স নিয়ে গবেষণার নতুন দিক উন্মোচিত হবে।" অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তী। তিনি জানান," গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমার সংস্থার তরফ থেকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সে প্রস্তাবে তারা রাজি হয়েছেন। এর ফলে আখেরে গৌড়বঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের পড়ুয়াদের সামনে মহাকাশ গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ইতিমধ্যেই এখানকার ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রী গবেষণায় সফলতা পেয়েছেন। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার ফলে এখানকার পড়ুয়ারা আমার সংস্থায় গবেষণা করার সুযোগ পাবেন। গবেষণার পর পিএইচডি ডিগ্রি দেবে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এর ফলে যে সমস্ত প্রতিভা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পেত না, তাদেরও প্রতিভার বিচ্ছুরণ ঘটবে বলে আশা করি।" একদিকে যখন মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নতুন দিগন্ত খুলতে চলেছে তখন অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করলো হায়দ্রাবাদের প্রাণী সম্পদ বিকাশ সংস্থা 'আর আর এনিমেল হেলথ কেয়ার'। উন্নত মানের প্রাণীজ খাদ্য উৎপাদনের জন্য কর্পোরেট ফার্মিং অর্থাৎ ভক্ষ প্রাণীর উন্নত পরিপালন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে গবেষণা ও কাজকর্ম করে থাকে সংস্থাটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের সঙ্গে ওই সংস্থা গাঁটছড়া বাঁধায় এবার এখানকার পড়ুয়ারাও কর্পোরেট ফার্মিং প্রোগ্রাম বিষয়ে যেমন তালিম পাবেন যেমন তেমনিই তাদের সামনে খুলে যাবে গবেষণার রাস্তাও। গরু, ছাগল,ভেড়া,হাঁস, মুরগি, মাছ সমেত পোলট্রি ফার্মিং বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে ওই সংস্থা। সাধারণ মানুষের কাছে দূষণমুক্ত উন্নত মানের প্রাণীজ খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে গবেষণা ও উৎপাদনের কাজ করে ওই সংস্থা। এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের পড়ুয়াদের নিয়ে এই সংক্রান্ত গবেষণার কাজ করেছে সংস্থাটি। শারীরবিদ্যা বিভাগ সূত্রে খবর, যারা পোলট্রি তথা অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রির সঙ্গে যুক্ত তারা যাতে নিজেরাই উন্নত মানের প্রজাতির প্রাণীর ব্রিডিং করতে পারেন সেজন্য সিমেন এক্সটেন্ডার মেশিন তৈরির চেষ্টা যৌথ ভাবে করা হবে। ওই মেশিন তৈরি হলে উন্নত মানের পুরুষ পশু বা পাখির বীর্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে তার সফল প্রয়োগ বাস্তবায়িত হবে বলে জানা গেছে। শারীরবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক তথা ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরি জানান," যে সমস্ত প্রাণীর মাংস, দুধ, ডিম আমাদের খাদ্য তালিকায় রয়েছে তাদের বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রতিপালন করা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা করার বিষয়ে পড়ুয়ারা গবেষণার সুযোগ পাবেন। আমরা গবেষণার মাধ্যমে যদি উন্নততর কিছু আবিষ্কার করতে পারি তবে তার বাণিজ্যিক প্রয়োগের মাধ্যমে লাভবান হতে পারেন পশু পালক ও পোলট্রি ফার্মাররা। আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে আমূল সংস্কার আনা সম্ভব হবে এর মাধ্যমে। নিঃসন্দেহে এটি বড় প্রাপ্তি।" এ প্রসঙ্গে 'আর আর এনিমেল হেলথ কেয়ার' এর রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট উইংয়ের প্রধান লাবণ্যময় কোলে জানান," গৃহপালিত প্রাণীর উন্নত প্রতিপালন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি সম্পর্কে পড়ুয়ারা যেমন জানতে পারবেন তেমনি এখানে গবেষণার মাধ্যমে উচ্চ প্রজননক্ষম গৃহপালিত প্রাণী ও তার উৎপাদনের বিষয়টিও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। এর ফলে গ্রামের পশুপালকরাও উপকৃত হবেন।" নানা ইস্যুকে কেন্দ্র করে যখন গৌড়বঙ্গে অচলাবস্থা তৈরীর চক্রান্ত চলছে বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এমন দু'টি বিজ্ঞান গবেষণা সংস্থার গাঁটছড়া বাঁধার ঘটনা নিঃসন্দেহে আশার আলো দেখাচ্ছে শিক্ষাপ্রেমীদের।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২০
রাজ্য

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে নোটিস জারি হতে চলেছে। ইন্টারভিউ হবে ১০ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি। ১৬,৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ হবে। মঙ্গলবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে আগামিকাল প্রাথমিক শিক্ষক বোর্ড নোটিস জারি করবে। ইন্টারভিউ হবে ১০ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল প্রকাশ করা হবে। ৩১ জানুয়ারি হবে অফলাইনে তৃতীয় টেট। ২.৫ লক্ষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

কৃষক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহর, খেলেন কলাপাতায়

মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একাধিক কর্মসূচির মাঝে মধ্যাহ্নভোজ সারতে বালিজুড়ি গ্রামে কৃষক পরিবারে পৌঁছলেন তিনি। পরিবারের মহিলা সদস্যরা শঙ্খধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানান তাঁকে। মেদিনীপুরের বালিজুড়ির কৃষক ঝুনু ওরফে সনাতন সিংয়ের বাড়িতে তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। মাটি দিয়ে নিকোনো বাড়িতে সূক্ষ্ম হাতে আঁকা হয়েছিল আলপনা। এছাড়াও লেখা হয় স্বাগতম। শুক্রবার সকাল থেকে গেরুয়া শিবিরের নেতাকর্মীদের আনাগোনা লেগেই ছিল। বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয়েছিল নিরাপত্তারক্ষীদের। শনিবার দুপুর দেড়টার কিছু পরে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কৃষক সনাতনের মাটির বাড়ির সামনে এসে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কনভয়। সেই সময় তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সনাতনের পরিজনেরা। আরও পড়ুন ঃ ক্ষুদিরাম বোসকে স্মরণ অমিত শাহের পরিবারের মহিলা সদস্যরা শঙ্খধ্বনি দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অল্প কিছুক্ষণ আলাপচারিতা সারেন অমিত শাহ। বসেন বাড়ির সামনে থাকা খাটিয়ায়। তারপর ধীরে ধীরে সনাতন সিংয়ের বাড়ির দাওয়ায় গিয়ে পৌঁছন অমিত শাহ। মাটিতে বসে কলাপাতায় খাবার খান তিনি। তাঁর মেনুতে ছিল লাউ মুগডালের বিশেষ পদ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে খাওয়ানো হয় ভাত, রুটি, উচ্ছে ভাজা, পটল ভাজা, বেগুন ভাজা, খসলা শাকের ভাজা, লাউ মুগডাল, শুক্তো, চাটনি ও পাঁপড়। ছিল স্যালাড এবং টক দই। পরিমাণে অল্প হলেও সব পদই খান তিনি। তাঁর সঙ্গে একই পংক্তিতে বসে ওই খাবার খান দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায় এবং কৈলাস বিজয়বর্গীয়রাও।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূল ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী

সমস্ত জল্পনাকে সত্যি করে তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তিনি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন। তিনি দলনেত্রীকে পাঠানো চিঠিতে লিখেছেন, আমি এই মুহূর্তে দল এবং দলের দেওয়া সমস্ত পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। দল আমাকে যেসব সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। একজন সদস্য হিসাবে দলে আমি যে মূল্যবান সময় অতিবাহিত করেছি, আজীবন তা স্মরণে রাখব।ইস্তফাপত্র দ্রুত গ্রহণ করার আবেদন জানান তিনি। তৃণমূলের সঙ্গে প্রায় আড়াই দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন শুভেন্দু। গতকালই বিধানসভায় গিয়ে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। দু সপ্তাহ আগে মন্ত্রীত্বও ছেড়েছিলেন। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের মাঝেও দেখা নেই শীতের, তবে আশার বাণী শোনাচ্ছে হাওয়া অফিস এভাবেই তিনি দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করলেন। সম্ভবত শনিবারই অমিত শাহের সভায় বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, দলের সঙ্গে গত কয়েক মাস তাঁর দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল। এরপর তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে দলের তরফ থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, শুভেন্দুর সঙ্গে আলোচনা করে সমস্ত বিষয়টি মিটিয়ে নিতে। কিন্তু তাতেও বরফ গলল না। দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যে এখন থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি কৈলাসের, পাল্টা সরব তৃণমূল

রাজ্যে এখন থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। এ দিন তিনি বলেন, বাংলায় আতঙ্ক ছড়াতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওঁর পায়ের তলা থেকে জমি সরে গিয়েছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে ক্ষমতা দখল করতে চাইছেন। আমার মনে হয়, বাংলার সংস্কৃতিতে আতঙ্ক বা ভয় বেমানান। মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে সে জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করব। এও আর্জি করব, আতঙ্ক ও হিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে এখন থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করুন। আরও পড়ুন ঃ গোর্খাল্যান্ড ইস্যুকে যে সমর্থন করবে, তাকেই আমারা ভোট দিয়ে জিতিয়ে আনবঃ গুরুং অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর পাল্টা অভিযোগ করেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য,ঘুরে ঘুরে প্রলাপ বকছেন। প্ররোচনা দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা। দুয়ারে সরকার ও স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছেন বাংলার মানুষ। তা মসৃণভাবে চলুক তা চাইছে না বিজেপি। তাঁরা ঘুরে ঘুরে অশান্তি ছড়াচ্ছেন। সারা ভারত থেকে নেতা এনে এখানে অস্থিরতা তৈরি করছেন। উন্নয়ন থেকে নজর ঘোরাতে চাইছেন। আমপান ও লকডাউনের সময় ত্রাণশিবিরে পাওয়া যায়নি এদের। এখন ক্ষমতার জন্য এসব করছেন। ডায়মন্ড হারবারের ইট-পাটকেল পড়েছে কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়ের গাড়িতে। যাঁরা দিলীপ ঘোষকে সরাতে তৎপর। পরিকল্পিত চিত্রনাট্যে কাজ করছে বিজেপি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal