• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

RS

বিনোদুনিয়া

পীযুষ সাহার হাত ধরে প্রিন্সের বড়পর্দায় অভিষেক, জালবন্দী নিয়ে উন্মাদনা

সমরেশ মজুমদারের রহস্য উপন্যাস অবলম্বনে জালবন্দী তৈরি করেছেন বাংলার সকলের পরিচিত প্রযোজক ও বহু শিল্পীর কারিগর পীযূষ সাহা। এই ছবি দিয়েই বাংলা ছবিতে অভিষেক হলো পীযুষ সাহার পুত্র প্রিন্স-এর। ছবিতে অভিনয় করেছেন দীপঙ্কর দে, পায়েল সরকার, জুন মালিয়া, দর্শনা বণিক, পম্পা সাহা, খরাজ মুখোপাধ্যায়, পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায় ও রণজয়। ক্যামেরার দায়িত্ব সামলেছেন গোপী ভগত।পীযুষ সাহা পরিচালনার ক্ষেত্রে বরাবর দর্শককে নতুন মুখ ও নতুন ধরণের গল্পের সন্ধান দিয়ে এসেছেন বহু বছর ধরেই। তার হাত ধরেই অঙ্কুশ, শুভশ্রী, রুবেলের রূপালী পর্দার সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয়। গ্যাঁড়াকল, তুলকালাম, কেল্লাফতে, রাজু আঙ্কেল, বাজিমাত, নীল আকাশের চাঁদনী, বেপরোয়া-এর মত ছবি দর্শকমহলে ছাপ রেখে গেছে। এবার পীযুষ সাহার ছেলে প্রিন্স কতটা দর্শকদের মন জয় করতে পারে সেটাই দেখার।জালবন্দী নিয়ে প্রিন্স জানালেন, অনেকটাই এক্সাইটেড। পাশাপাশি একটু নার্ভাস ও আছি। দেখা যাক দর্শক কিভাবে আমাকে অ্যাক্সেপ্ট করে। সিনিয়রদের থেকে অনেক কিছু শিখেছি। তবে এখনও অনেক কিছু শেখা বাকি আছে।

জুন ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদের ৪৪ তম সমাবর্তন উৎসব উদযাপন

মহাজাতি সদনে অনুষ্ঠিত হলো সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদের ৪৪ তম বার্ষিক সমাবর্তন উৎসব। ১৯৭৬ সালের ২৩ শে জানুয়ারি এই সংস্থা প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সেই থেকে প্রতি বছর এই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।সারা পৃথিবীতে এদের পাঁচ হাজার শাখা রয়েছে ও প্রায় পাঁচ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী তাদের। আন্তর্জাতিক স্তরে এই সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদ একটি উল্লেখযোগ্য নাম। যা চিরাচরিত ঐতিহ্য-আধুনিকতা ও পরম্পরার সাথে এগিয়ে চলেছে সকলের সহযোগিতায়।সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদের সম্পাদক কাজল সেনগুপ্ত। সমগ্র অনুষ্ঠান ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন সংস্থা র সহ সম্পাদক শান্তনু সেনগুপ্ত। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দেবাশীষ বসু।এবারের এই সমাবর্তনে প্রথমদিন মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই সমাবর্তন এর শুভ সূচনা করেন সংস্থার সহ সভাপতি অধ্যাপিকা ড. অমিতা দত্ত। এদিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ড. থ্যাংকমুনি কুট্টি, ড. মহুয়া মুখোপাধ্যায়, সংগীত পরিচালক কল্যাণ সেনবরাট, অভিনেত্রী মিতা চট্টোপাধ্যায়, পন্ডিত সমর সাহা,মিতা নাগ, নাট্যকার চন্দন সেন,পন্ডিত অলক লাহিড়ী,নৃত্যশিল্পী কোহিনুর সেন বরাট, সংস্থার সম্পাদক কাজল সেনগুপ্ত, সহ সম্পাদক ডঃ শান্তনু সেনগুপ্ত সহ আরো অনেকে।এবার কলামনি পুরস্কার পেলেন তিনজষ জনপ্রিয় নৃত্য শিল্পী ড থ্যাংকমুনি কুট্টি, ড অমিতা দত্ত, ড মহুয়া মুখোপাধ্যায়। সংবর্ধনা দেওয়া হয় বিভিন্ন রাজ্য ও জেলার পন্ডিত নগেন্দ্রমনি দাস, গুরু সংগীতা চাকী, গুরু অরূপ রঞ্জন ঘোষ রায়, ড চিত্তরঞ্জন মাইতি, শিল্পী উৎপল কর্মকার, শিল্পী নভোনীল চৌধুরী, শিল্পী সুজিত দাস, শিল্পী জয়দীপ ভট্টাচার্য বিভিন্ন শিল্পীদের। এই সংস্থা র ছাত্র ছাত্রীদের মানপত্র প্রদান করেন বহু বিখ্যাত শিল্পীরা।দ্বিতীয়দিন অনুষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীরা পরিবেশন করেন নানা ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।ছাত্র ছাত্রীদের হাতে মানপত্র ও মেডেল তুলে দেন সংগীত শিল্পী অলোক রায় চৌধুরী, শমিক পাল,জয় শঙ্কর ও আবৃত্তিকার প্রবীর ব্রম্ভচারী। দুদিনের এই সমাবর্তন উৎসবে ১৫০০ ছাত্র ছাত্রীরা মানপত্র গ্রহণ করে, অনুষ্ঠানে ১৫০ জন প্রতিযোগী অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত হন।

জুন ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন সিরিয়ালে মুখ্য চরিত্রে অঙ্কিতা

বন্ধু অভিনেতা প্রান্তিকের সঙ্গে বিয়ের খবরে পরিবার থেকে ভক্তদের চমকে দিয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তী। ব্যক্তিগত জীবনে নতুন ইনিংস শুরু করার পর এবার কাজের জগতেও নতুন ইনিংস শুরু করলেন অঙ্কিতা। কালার্স বাংলার নতুন সিরিয়াল ইন্দ্রাণী তে ফিরছেন অঙ্কিতা। প্রকাশ্যে এসেছে ইন্দ্রাণীর প্রথম প্রোমো। এই সিরিয়ালে এক নামী হাসপাতালের প্রশাসকের ভূমিকায় অভিনয় করছেন অঙ্কিতা। তাঁর চরিত্রের নাম ইন্দ্রাণী রায়। একজন পেশাগত সফল নারীর ভাঙাচোরা জীবনের গল্প বলবে ইন্দ্রাণী। দাম্পত্য সম্পর্ক ভেঙে গেলেও টিনএজার মেয়ে, শ্বশুর শাশুড়ির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজের কাজ নিয়ে ডুবে থাকে ইন্দ্রাণী। কিন্তু একদিন হাসপাতালের এক ডাক্তারের ভালো লেগে যায় তার থেকে বয়সে বড় ইন্দ্রাণীকে। সঙ্গে কোন খাতে বইবে অসমবয়সী সম্পর্কের সমীকরণ।সিরিয়ালের স্লট এখনও জানানো না হলেও দর্শকমহল এই নতুন ধরনের গল্প নিয়ে বেশ উত্তেজিত। টেলিভিশনে মুখ্য চরিত্রে বেশ কয়েকদিন বাদে ফিরলেও সিনেমা ও ওয়েব সিরিজে চুটিয়ে কাজ করেছেন ও করে চলেছেন অঙ্কিতা। একসময় ইষ্টিকুটুম ধারাবাহিকের জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে এবার আবার নতুন রূপে পেতে চলেছেন দর্শকরা।

জুন ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সঙ্গীতশিল্পীদের জন্য বিশেষ ভাবনা ইন্ডিয়ান পারফর্মিং রাইট সোসাইটি লিমিটেডের

ইন্ডিয়ান পারফর্মিং রাইট সোসাইটি লিমিটেড সবসময় তাদের সদস্যদের সুবিধা নিয়ে চিন্তিত। ১৯৬৯-এ এর সূচনা থেকে কম্পোজার, গীতিকার ও পাবলিশার্সের স্বত্ব রক্ষা করে আসছে। প্রতিভাবান ক্রিয়েটরদের তাদের স্বত্ব ও সুযোগ সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবের ফলে পীড়িত হওয়া দেখাটা সত্যিই অস্বস্তিকর এবং এই পরিস্থিতি সঠিক করতে সংশোধনমূলক প্রতিকারের প্রতি তাদের চিন্তাভাবনা জোগায় আইপিআরএস।একটি যৌক্তিক কপিরাইট সোসাইটি হিসেবে আইপিআরএস এর সদস্যরা মহামারি চলাকালীন কতটা আর্থিক দুর্বিপাকের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন সেই বিষয়ে তারা সচেতন ছিল। পাশাপাশি সোসাইটি পর্যবেক্ষণ করেছে তাদের সদস্যদের বহু সংশয় ও অনুসন্ধান এই দ্রুত রূপান্তরশীল মিউজিক ল্যান্ডস্কেপে।এই উদ্বেগের প্রেক্ষিতেই, একটি উদ্যোগ চালু করা কথা ভাবা হয়েছে এর সদস্যদের তথ্যাভিজ্ঞ, শিক্ষিত ও সবল করতে। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে সদস্যদের কাছে পৌঁছনো হল আইপিআরএস-এর প্রধান উদ্দেশ্য।এই অভিমুখে যাত্রা শুরু করে আইপিআরএস সিদ্ধান্ত নেয় এর সদস্যদের জন্য একগুচ্ছ ওয়ার্কশপ চালু করবে।এসব প্যান-ইন্ডিয়া ওয়ার্কশপ হবে আইপিআরএস সদস্যদের চোখ-খোলার জন্য দুর্দান্ত বিষয়, যা তাদের সৃজনশীল যাত্রা ও কেরিয়ারে সুবিধা দেবে। এই নলেজ ওয়ার্সশপ যার নাম লার্ন অ্যান্ড আর্ন সফলভাবে শুরু হয়েছে কলকাতায়। এই ওয়ার্কশপ চেন্নাই ও হায়দরাবাদের মতো সঙ্গীতপ্রেমীদের শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে এরকম দুর্দান্ত লার্ন অ্যান্ড আর্ন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল মে মাসের প্রথমদিকে। শিল্পকলার অন্যান্য ফর্ম যেমন সাহিত্য, নাটকের পাশাপাশি কলকাতার রয়েছে উজ্জ্বল মিউজিক্যাল লিগ্যাসি, এজন্য কলকাতার মুকুটে যুক্ত হয়েছে ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানীর রঙিন পালক। বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক আইকন যেমন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সত্যজিৎ রায়ের মতো আইকনিক চরিত্র এই সিটি অব জয়-এর অসাধারণ আবেদনে অন্য মাত্রা যুক্ত করেছেন। যেমন প্রত্যাশিত, বাংলার ঋদ্ধ মিউজিক্যাল ঐতিহ্য একত্র হয়েছিল ক্লাসিক্যাল, ফোক, বাংলা রক মিউজিক প্রভৃতি জঁরের কয়েকজন সবচেয়ে শক্তিশালী মিউজিক্যাল ক্রিয়েটরের সৃষ্টি শুনতে এবং এঁদের সঙ্গে ছিলেন জঁর-নির্ধারিত স্বাধীন শিল্পীরা - যাঁরা এই গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টের জন্য এসেছিলেন। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির ক্রেমে ডে লা ক্রেমে শৈলী, বিশেষ করে বাংলা থেকে, যার অন্তর্ভুক্ত টপ-লাইন কম্পোজার, গীতিকার, পাবলিশার এবং আইপিআরএস-এর সব প্রখ্যাত সদস্যরা এই সাক্ষাৎকে করে তুলেছিল আরও তাৎপর্যপূর্ণ। ওয়ার্কশপের আলোচনার মূল বিষয়ের কেন্দ্রে ছিল মিউজিক ও এই সংক্রান্ত ক্ষেত্রে কপিরাইট যেমন লাইসেন্সিং, উদিত প্রবণতা এবং ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, এবং ক্রিয়েটরদের স্বত্ব, অধিকার ও তাদের সঠিক বকেয়া সম্পর্কে আইপিআরএস-এর ভূমিকা।ক্যাম্পেনের প্রশংসা করে প্রখ্যাত গীতিকার ময়ূর পুরী জানিয়েছেন, আইপিআরএস হল মিউজিক সম্প্রদায়ের সবচেয়ে উচ্চ ও গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর। আজ, মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি যত দিন যাচ্ছে বিকেন্দ্রীকৃত হচ্ছে প্রতিদিন। যেমন আমাদের দূরদর্শী চেয়ারপার্সন জাভেদ আখতার সাব বলেছিলেন, আইপিআরএস-এ আমাদের সবার জন্য আমাদের বৈচিত্র্যময়তা ও ইনক্লুশন স্থির করা খুব জরুরি। লার্ন অ্যান্ড আর্ন হল পূর্ণ-দিনের একটি সিরিজ, বহু-শহরের ওয়ার্কশপ ডিজাইন করা হয়েছে আমাদের সদস্যদের সবল করতে শুধু বেঁচে থাকতে নয়, বরং এই ক্রিয়েটার সম্প্রদায়ে অংশ নিতে। এই প্রথম এই মাপের এবং ব্যাপক কনটেন্টের মহাকাব্যিক প্রচেষ্টার পরিকল্পনা করা হয়েছে সম্প্রদায়কে একত্র করতে এবং আমরা আশা করি এর থেকে হাজার হাজার মিউজিক ক্রিয়েটর লাভবান হবেন।

জুন ০৮, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী রৌনককে সম্বর্ধনা পুর্ব-বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা-র

বর্ধমান শহরের সিএমএস স্কুলের ছাত্র রৌনক মণ্ডল। ২০২২র মাধ্যমিক পরীক্ষায় যুগ্ম প্রথম স্থানাধিকারী। রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন হাই স্কুল (বাঁকুড়া) অর্ণব ঘড়াই রৌনক -এর সাথে যুগ্ম ভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এ বছর ৭ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ অবধি মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছিল। করোনা অতিমারির কারণে ২০২১ এ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়নি। ২০২২ এ মোট মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১১ লক্ষ ২৬ হাজার ৮৬৩। ছাত্রের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৯ জন। এবং ছাত্রী ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৮০৪। সারা রাজ্যে ৪ হাজার ১৫৪ টি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সম্পুর্ণ আদর্শ করোনা বিধি মেনে।পুর্ব-বর্ধমান জেলার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী রৌনক মণ্ডল-কে তাঁর জেলাশাসক কার্যালয়ে শুক্রবার সম্বর্ধনা দেন। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা রৌনক-কে একটি ল্যাপটপ উপহার দেন। ভবিষ্যতে কি হতে চাই সে কথা জানতে চাইলে, রৌনক প্রিয়াঙ্কা সিংলা কে জানান আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই। প্রিয়াঙ্কা সিংলা তার সাফল্য কামনা করে শুভকামনা জানান, যাতে সে তার লক্ষ্যে অবিচল থেকে লক্ষ্য পুরণ করতে পারে।রৌনক জানান, সে মাধ্যমিকে প্রথম হবে সেটা আশা করেননি। তার ধারনা ছিল সে এক থেকে দশের মধ্যে থাকবে। রৌনক কতক্ষণ পড়ত জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এ কথা জানতে চাইলে, তাঁর মা জেলাশাসক-কে জানান, রৌনক দিনে গড়ে আট ঘণ্টা পড়ত। তিনি আরও জানান, রৌনক খুব বেশী রাত জেগে পড়েনি।শুক্রবার মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর প্রথম স্থানাধিকারী পূর্ব বর্ধমানের রৌনক মণ্ডল জানতে পারেন তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩। সে জানাই, তার প্রিয় বিষয় জীবনবিজ্ঞান এবং অঙ্ক। যেহেতু আমার লক্ষ্য চিকিৎসক হওয়া তাই, নিট পরীক্ষার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছি।রৌনকের প্রিয় চরিত্র ফেলুদা, সত্যজিত রায়ের অমর সৃষ্টি পড়েই অবসর সময় অতিবাহিত করে সে। অবসর সময়ে ভলিবল খেলত বলে জানাই রৌনক। রবীন্দ্রসঙ্গীতের অনুরাগী, সময় পেলেই রবীন্দ্রনাথের গান গুনগুনিয়ে ওঠে। জেলাশাসকের কাছ থেকে ল্যাপটপ উপহার পেয়ে খুবই খুশি মাধ্যমিকে প্রথম রৌনক। সে জানাই এই ল্যাপটপ আমার পড়াশোনার জন্য খুব-ই কাজে লাগবে।

জুন ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌হর্ষল ১৪–১৫ কোটি পাওয়ার যোগ্য’‌, কেন একথা বললেন শেহবাগ?‌

বুধবার এলিমিনেটর ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ১৪ রানে হারিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। মূলত রজত পতিদারের দুরন্ত ১১২ রানের সুবাদে ফাফ ডুপ্লেসির দল প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে তোলে ২০৭/৭। বল হাতে জস হ্যাজেলউড এবং হর্ষল প্যাটেলের ডেথ ওভারের বোলিং জয় এনে দেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে। বেঙ্গালুরুর জয়ের আসল নায়ক যদি ধরা হয়, তাহলে উঠে আসবে হর্ষল প্যাটেলের নাম। কারণ লখনউ সুপার জায়ান্টদের বিরুদ্ধে খেলায় হর্ষল অত্যন্ত মিতব্যয়ী ছিলেন। ৪ ওভারে দেন মাত্র ২৫ রান। তুলে নেন ১ উইকেট। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার বীরেন্দ্র শেহবাগ এলিমিনেটরে হর্ষল প্যাটেলের চিত্তাকর্ষক পারফরম্যান্স নিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। তাঁর মতে, পারফরম্যান্সের তুলনায় হর্ষল নিলামে অনেক কম টাকা পেয়েছেন। আইপিএলে ১৪১৫ কোটি টাকা পাওয়ার যোগ্য হর্ষল। এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটের অনুষ্ঠানে বীরেন্দ্র শেহবাগ বলেন, আমরা সবসময় কথা বলি কীভাবে রাহুল তেওয়াটিয়া তার ১০ কোটি টাকার ট্যাগের প্রতি সুবিচার করে। কারণ সে গুজরাট টাইটান্সকে ম্যাচ জিতিয়েছে। হর্ষল প্যাটেল বেঙ্গালুরুর হয়ে যেভাবে বোলিং করেছে, তাতে ওর দাম এখনও বেশ কম। ও দলকে যতগুলি ম্যাচ জিতিয়েছে, তাতে আমি মনে করি, ১০.৭৫ কোটি টাকা ওর মূল্য কম। হর্ষলের ১৪১৫ কোটি টাকার ক্যাটাগরিতে থাকা উচিত। শেহবাগ আরও বলেন, হর্ষল স্লগ ওভারে বোলিং করছে, উইকেট পাচ্ছে এবং ম্যাচ বাঁচাচ্ছে। কখনও কখনও শুরুর দিকে বোলিং করে কম রান দিয়ে উইকেটও তুলে নিয়েছে। তাই আমি মনে করি হর্ষল এই শ্রেণিতে থাকার যোগ্য। এখন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর কোয়ালিফায়ার ২তে উঠেছে। এরজন্য হয়তো আরসিবি তাকে একটি বোনাস দিতে পারে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর আমেদাবাদে ২৭ মে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে কোয়ালিফায়ার ২এর ম্যাচ খেলবে।শুধু বীরেন্দ্র শেহবাগই নন, লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুলও মেনে নিয়েছেন তাঁর দল হর্ষল প্যাটেলের বোলিংয়ের কাছেই হেরেছে। ম্যাচের পর লোকেশ রাহুল বলেন, মাঝের ২ ওভার দুর্দান্ত বোলিং করে হর্ষল ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিয়েছিল। ওই সময় আমরা বড় শট খেলতে পারিনি। ডেথ ওভারেও ভাল বোলিং করেছিল। যদি মাঝের ওভারগুলিকে কয়েকটা বাউন্ডারি কিংবা ওভার বাউন্ডারি মারতে পারতাম, তাহলে আমাদের কাজটা সহজ হয়ে যেত।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডিআরএসের ব্যাপারে ঋষভ পন্থ কি পারবেন রোহিতের ভরসা হতে?‌‌

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে হেরে প্লে অফের স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে অফে উঠতে না পারার পেছনে অনেকেই অধিনায়ক ঋষভ পন্থকে দায়ি করেছেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁর ভুলের মাশুল দিতে হয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসকে। প্রথমে শার্দূল ঠাকুরের বলে তিনি ডিওয়াল্ড ব্রেভিসের ক্যাচ ফেলেছিলেন। পরের বলেই টিম ডেভিভের ক্যাচ তালুবন্দী করেন। আম্পায়ার ডেভিসকে আউট দেননি। কিন্তু ডিআরএস নেননি ঋষভ। যার মাশুল দিতে হয়েছিল দিল্লিকে। দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ১১ বলে ৩৪ রান করে মুম্বইকে জয় এনে দিয়েছিলেন ডেভিস।দলের চরম বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে ৩৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ঋষভ পন্থ। তাঁর ইনিংসের সৌজন্যে লড়াই করার অক্সিজেন পেয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। কিন্তু ঋষভের নেতৃত্বের ভুলেই ম্যাচ থেকে ছিকটে যেতে হয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসকে। টিম ডেভিসের ক্যাচের সময় ঋষভ ডিআরএস নিলে হয়তো প্লে অফ থেকে ছিটকে যেতে হত না দিল্লিকে।ডিআরএসের ব্যাপারে ঋষভকে আরও পরিনত হতে হবে। না হলে ভবিষ্যতে ভারতীয় দলকে সমস্যায় পড়তে হবে। ভারতীয় দলে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলির মতো ঋষভকেই ডিআরএসের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ, উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে তিনিই সবথেকে ভাল পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। ঋষভ যদি ভুল সিদ্ধান্ত নেন, তার মাশুল দিতে হবে ভারতীয় দলকে।ঋষভকে নিয়ে ডিআরএস প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন স্পিনার ব্র্যাড হগ বলেছেন, ডিআরএস নেওয়ার ক্ষেত্রে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির মতো ভারতীয় শিবিরের পন্থই একমাত্র সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী। পন্থ বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার কাছে গিয়ে বলতে পারবে না, ও আউট হয়েছে, ডিআরএসের সিদ্ধান্ত তোমরা নাও। রিভিউ নেওয়ার দায়িত্ব শুধুমাত্র ঋষভ পন্তের। এই বলে দায়িত্বও এড়িয়ে যেতে পারবে না। রিভিউ নেওয়ার দায়িত্ব কেবলমাত্র ঋষভ পন্থের ওপর নির্ভর করবে।হগ আরও বলেছেন, টিম ডেভিডের ক্যাচ ধরে ঋষভ পন্থ ও শার্দূল ঠাকুর দারুণ প্রভাবিত হয়েছিল। কিন্তু আম্পায়ার আউট দেয়নি। ঋষভের উচিত ছিল ডিআরএস নেওয়া। ডেভিড ওঅসময় আউট হলে মুম্বইয়ের পক্ষে জেতা সম্ভব হত না। টিম ডেভিড দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে দিল্লি ক্যাপিটালসকে প্লে অফের লড়াই থেকে বাদ দিয়েছিলেন। কেন তিনি আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার জন্য যাননি? এই প্রসঙ্গে ঋষভ বলেন, বৃত্তের ভিতরে বেশিরভাগ সতীর্থর মনে হয়নি বল ডেভিডের ব্যাটে লেগেছিল।

মে ২৩, ২০২২
রাজ্য

অবলুপ্ত প্রায় প্রাণী ও পতঙ্গের মৃতদেহ সংরক্ষণ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে পুরস্কৃত ভাগ চাষি ছেলে

প্রকৃতির অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্যে সর্বাগ্রে দরকার প্রাণী ও উদ্ভিদকুলের সঙ্গে মানুষের বন্ধন। কিন্তু নগরায়ন, অরণ্য বিনাশ, প্ল্যাস্টিকের ব্যবহার ও মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের জন্যে অবলুপ্তি ঘটেছে সেই বন্ধনের। তার কারণে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদ। এই বিষয়টিকে মাথায় রেখে কয়েক বছর ধরে এক অনবদ্য কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞান নিয়ে পড়ুশানা করা বাঙালি ছাত্র তরুণ পাল। তিনি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে সংরক্ষণ করে রাখছেন বিলুপ্ত হতেবসা বভিন্ন প্রাণী ও পতঙ্গের মৃত দেহ। আর এই কাজেরই স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি পেয়েছেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের নানা পুরস্কার ও মানপত্র। যা নিয়ে গর্বিত ছাত্র তরুণের পরিবার পরিজন ও এলাকাবাসী।দার্জিলিং হিল ইউনিভার্সিটি থেকে গণিত বষয়ে এম-এসসি পাঠরত ছাত্র তরুণ পালের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের বোঁয়াইচণ্ডী গ্রামে। তাঁর বাবা নিত্যানন্দ পাল পেশায় ভাগ চাষি। মা ঝর্ণাদেবী সাধারণ গৃহবধূ।বোন মনীষা পাল পড়াশুনা করছে স্নাতক স্তরে। গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা কালেই বিভিন্ন প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদের বিষয়ে জানার আগ্রহ বাড়তে শুরু করে ছাত্র তরুণের। সেই সময় থেকেই তিনি বিভিন্ন প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদের বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে হাই স্কুলে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা কালে তরুণ জানতে পারেন শুধু ডাইনোসর, নয়, আরো অনেক প্রাণী ও পতঙ্গ এই পৃথিবী থেকে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তিনি শিক্ষকদের কাছথেকে ও বই পড়ে এও জানতে পারেন, এই বিলুপ্তির কারণ মূলত নগরায়ন, অরণ্য বিনাশ, প্ল্যাস্টিকের ব্যবহার ও মানুষের নানা কর্মকাণ্ড। এরপর উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পাঠরত কাল থেকেই ছাত্র তরুণ পাল বিভিন্ন প্রাণী ও কীটপতঙ্গের মৃতদেহ সংরক্ষণ করে রাখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেন। এর কারণ প্রসঙ্গে তরুণের বক্তব্য, বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পরেও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাঁর সংরক্ষণে থাকা প্রাণী ও পতঙ্গের দেহ গুলি দেখে তাদের বিষয়ে জানতে পারবে।তরুণ পাল জানান, নগরায়নের জাঁতাকলে পড়ে গ্রামে গঞ্জেও বনাঞ্চল কমছে। এছাড়াও দূষণ যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে প্লাস্টিক ও কিটনাসকের ব্যবহার। এইসবের কারণে বিভিন্ন প্রাণী ও কীটপতঙ্গ অবলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তা অনুধাবন করেই তিনি প্রথম সংরক্ষণ করেন একটি মৃত খরগোশের দেহ। এই কাজটি করার জন্যে তিনি স্কুল জীবনে ল্যাবরেটরিতে ছুরি, কাঁচির ব্যবহার বিষয়ে যে শিক্ষা পেয়েছিলেন সেটাকেই কাজে লাগান।তরুণ পাল বলেন, প্রথমে ছুরি ও কাঁচির সাহায্যে মৃত খরগোসের দেহ থেকে নাড়িভুঁড়ি ও অন্যান অংশ কেটে বের করে দেন। তারপর নিজস্ব পদ্ধতিতে তৈরি ফরমালিন মেশানো লবন সিক্ত জলে ওই খরগোশের দেহ ৭-৮ ঘন্টা চুবিয়ে রাখার পর সেটিকে শুকিয়ে নেন। এরপর খরগোশের ওই গোটা দেহাংশ অক্সিজেন বিহীন কাঁচের জারে ভরে শিল করে দেন। ৫-৬ বছর হয়ে গেল ওই কাঁচের জারেই অক্ষত রয়েছে খরগোশের দেহাংশ। কোন পচনও ধরে নি। একই পদ্ধতি অনুসরণ করে ফিতাকৃমি, বেঙাচি, সাপের বাচ্চা, বেজি, গিরগিটি,তেঁতুলে বিছা, মথ, রাত পাখি, ইঁদুরের ভ্রুণ এবং শিবলিঙ্গ ফুল সংরক্ষণ করে বাড়িতে রেখেছেন বলে ছাত্র তরুণ পাল জানিয়েছেন।জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহল থকে পুরস্কৃত ভাগ চাষি ছেলেঅভিনব ভাবনার এই কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ ভাগ চাষীর ছেলে তরুন পাল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহল থেকেও নানা পুরস্কার এবং মানপত্র পেয়েছেন। হোপ ইন্টারন্যাশানাল, ইন্ডিয়ান,স্টেট ও স্টার বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এর স্বীকৃতি পত্র ও পুরস্কার তরুণ পালের ঘরে তো সাজানো রয়েইছে। এছাড়াও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড রেকর্ড, ডিসকভার ওয়ার্ল্ড রেকর্ড, ওয়ার্ল্ড গ্রেটেস্ট রেকর্ড, ইন্ডিয়াস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সহ ১৭ টি সংস্থার স্বীকৃতি ও পুরস্কার ইতিমধ্যেই ছাত্র তরুণ লাভ করেছেন।ছেলের এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে গর্বিত তাঁর বাবা নিত্যানন্দ পাল ও মা ঝর্ণাদেবী। নিত্যানন্দ বাবু বলেন,ছেলে মরা প্রাণী ও পতঙ্গ নিয়ে আসলে কি করতে ছাইছে তার কিছুই প্রথমে তিনি বুঝতে পারিনি। পরে ধীরে ধীরে বুঝতে পারি আমার ছেলে তরুণের ভাবনার গভীরতা অনেক। এই টুকু বুঝেছি, একটা দিন হয়তো এমন আসবে যখন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা অবলুপ্ত হয়ে যাওয়া অনেক প্রাণী ও পতঙ্গের বিষয়ে জানতে আমার বাড়িতেই আসবে। মা ঝর্ণাদেবী বলেন, আমার ছেলে তরুণ শুধু মাত্র বিলুপ্ত হতে বসা প্রাণী ও পতঙ্গের দেহ সংরক্ষণ করে রাখার কাজের মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখে নি। বাবা ও মায়েরা তাঁদের শিশুকে কিভাবে মানুষ করলে ও শিক্ষা দিলে ওই শিশুর মধ্যে সু-ভাবনা চিন্তা সম্পন্ন মানসিকতা গড়ে উঠবে এবং বড় হয়ে সে সকলের জন্য ভাববে এই বিষয়টি নিয়ে তরুণ গবেষণা মূলক একটি বইও লিখছে। পাশাপাশি অবহেলিত তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজনের ভালোর জন্যে কিছু কাজ করার ব্যাপারেও উদ্যোগ নিচ্ছে ছেলে তরুণ। মানব কল্যাণমূলক কাজে ছেলের সাথী হতে চান বলে ঝর্ণাদেবী জানিয়েছেন। খণ্ডঘোষের জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অসিত কুমার বাগদি বলেন, তরুণ পালের ভবনা চিন্তা ও কর্মকাণ্ড এক কথায় অনবদ্য। উনি গোটা খণ্ডঘোষ বাসীকে গর্বিত করেছেন। যে কোন প্রয়োজনে উনার পাশে আমরা থাকবো।

মে ২২, ২০২২
রাজ্য

বরাক উপত‍্যকার একাদশ অমর ভাষা শহীদদের স্মরণে 'বাংলা পক্ষ'

মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরে বাংলা পক্ষ সংগঠনের জেলা শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার ১৯ শে মে বরাক উপত্যকার একাদশ অমর ভাষাশহীদদের স্মরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। এই শোভাযাত্রায় বাংলা পক্ষের সসদ্যদের সাথে পা মেলান বহরমপুর সহ মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষজন। শোভাযাত্রার পথে বর্ণপরিচয় স্রষ্ঠা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন ও ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়।ভাষা আন্দোলন বলতে আমরা সাধারণ ভাবে যে দিনটির কথা জানি সেটা হল ২১ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু স্বাধীন ভারতের মাটিতে হওয়া বাংলা ভাষা আন্দোলন দিবস ১৯ শে মে এবং ১ লা নভেম্বরের কথা অনেকেই জানে না। উল্লেখ্য, আসামের বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল আসাম সরকারের অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যের একমাত্র সরকারি ভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যেহেতু সেই অঞ্চলে বসবাসকারী জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল বাংলাভাষী। এই গণ ঘটনাটি ১৯৬১ সালের ১৯ মে, ১১ জন প্রতিবাদে সামিল ভাষা আন্দোলনকারি কে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে আসাম রাজ্য পুলিশ নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে।পদযাত্রার শেষে বহরমপুরের কালেক্টরেট ক্লাবের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গর্গ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও বাংলা পক্ষ শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, নুরুল হাসান ও কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে মঞ্চ আলোকিত করেন অধ্যাপক মধু মিত্র, ও অধ্যাপক জ্যোতির্ময় রায়চৌধুরী।জ্যোতির্ময় বাবু কিভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ আন্দামানের বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন সেই কথা তুলে ধরেন, মধু মিত্র মুর্শিদাবাদে বাংলা পক্ষের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে হিন্দী আগ্রাসনের বিরোধিতা শোনা যায় তাঁর কণ্ঠে। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে বলেন ভারতের প্রত্যেক রাজ্য ভূমিপুত্র সংরক্ষণের মাধ্যমে নিজের জাতির ভবিষ্যত সুরক্ষিত করছে, বাংলা ব্যতিক্রম হতে পারে না। বাংলা পক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষায় যেমন বাংলা ভাষা দাবি করে তেমন বাংলার রাজ্য সরকারি চাকরিতেও বাংলা ভাষা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি করে। সার্বিক ভাবে বাংলা পক্ষ বাংলা ভাষাকে কাজের ভাষা করে তুলতে চায়। শীর্ষ পরিষদ সদস্য মুর্শিদাবাদ জেলার ভূমিপুত্র তথা বাংলা পক্ষবার্তার প্রধান নুরুল হাসান তাঁর বক্তব্যে বাংলা পক্ষে প্রয়োজনীয়তা, লক্ষ্য ও বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি মুর্শিদাবাদের রেশম, বিড়ি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের কথা তুলে ধরেন। এতো কাজের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও জেলার ছেলে দের কেন ভিনরাজ্যে যেতে হবে সেই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন বাংলা পক্ষ দাবি করে বেসরকারি চারকিতেও ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। সভায় উপস্থিত জেলা সংগঠনের পর্যবেক্ষক তথা শীষ পরিষদ সদস্য মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন বাংলা পক্ষ ভবিষ্যতের সংগঠন, তরুণ প্রজন্মের সংগঠন। বাংলার যুব সমাজের চাকরি, ব্যবসা, টেণ্ডারে ভূমিপুত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু সাংস্কৃতিক ভাবে বাংলা ভাষা তথা বাঙালিকে বাঁচানো যাবে না। রাজনৈতিক ভাবেই হিন্দি আগ্রাসনের প্রতিবাদ করতে হবে।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস চিকিৎসা ক্ষেত্রে বহিরাগতদের সংখ্যা বাড়ায় বাঙালির চিকিৎসা পরিষেবায় সমস্যার কথা বলেন। বলেন বেসরকারি হাসপাতাল গুলিতে বাঙালির বঞ্চনার কথা। আগামীতে এই বিষয়েও বাংলা পক্ষ প্রতিবাদে সরব হবে বলে তিনি জানান। এই সভাটি সঞ্চালনা করেন মুর্শিদাবাদের বাংলা পক্ষের অন্যতম সংগঠক অরিন্দম চন্দ্র।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ডিককের ব্যাটে রেকর্ড, বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল লখনউ

কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচটা একদিকে যেমন ছিল প্লে অফের ছাড়পত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে প্রথম দুইয়ে থাকারও লড়াই। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠল লখনউ। ২০ ওভারে তুলল ২১০/০। দুরন্ত সেঞ্চুরি করে দলকে বড় রানে পৌঁছে দেন কুইন্টন ডিকক। তাঁর ব্যাটে এদিন রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রান।নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামার আগে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে লখনউ সুপার জায়ান্ট। চোটের জন্য প্রথম একাদশের বাইরে ছন্দে থাকা অলরাউন্ডার ক্রূণাল পান্ডিয়া। পরিবর্তে দলে কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। এছাড়া প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়েন আয়ূষ বাদোনি ও দুষ্মন্ত চামিরা। এই দুজনের জায়গায় প্রথম একাদশে সুযোগ পান মনন ভোরা এবং এভিন লুইস।এদিন সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন লখনউর দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও কুইন্টন ডিকক। প্রথম দিকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি। তার মাঝেই একবার জীবন পান ডিকক। তৃতীয় ওভারে উমেশ যাদবের বলে ব্যক্তিগত ১২ রানের মাথায় তাঁর ক্যাচ ফেলেন নাইটদের হয়ে আইপিএলে অভিষেককারী অভিজিৎ টোমার। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে লখনউ তোলে ৪৪।শুরুতে জীবন পেয়ে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ডিকককে। ক্রমশ নাইট বোলারদের ওপর জাঁকিয়ে বসেন। লোকেশ রাহুলও শুরুর জড়তা কাটিয়ে নিজেকে মেলে ধরেন। ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডিকক। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই প্রোটিয়া ওপেনার। শেষ ৫ ম্যাচে চারটি হাফ সেঞ্চুরির ইনিংস। অন্যদিকে, ৪১ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল।লখনউ সুপার জায়ান্টসের এই দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি নাইট উমেশ যাদবরা। ১৭.১ ওভারে ১৫০ রানে পৌঁছে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। আন্দ্রে রাসেলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আইপিএলে জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ডিকক। এদিন ৫৯ বলে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।৬ বছর আগে ২০১৬ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে করেছিলেন ১০৮। এদিন ডিককের ব্যাটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন ডিকক। ৭০ বলে ১৪০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১০টি চার ও ১০টি ছয়। চলতি আইপিএলে এক ম্যাচে সবথেকে বেশি ৬ মারার রেকর্ডেরও অধিকারী হলেন। ৫১ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

'গ্যাচাং ফু, এক সেকেন্ডে কেটে দেব,' কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নতুন স্লোগান ঘোষণা করলেন মেদিনীপুরের কর্মীসভায়। এই কর্মীসভার মাধ্যমেই জেলায় জেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করলেন তৃণমূল নেত্রী। এদিন তিনি বলেন, আমি নই আমরা। এই স্লোগানটা চলবে তৃণমূল কংগ্রেসে। সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। আমরা একত্রিত হয়ে কাজ করলে দিল্লি পার পাবে না। দিল্লি বাংলার মুঠোয় আসবে। জেলা পরিষদের সদস্য যদি মনে করেন আমি আমার মতো করে নিলাম। গ্যাচাং ফু হবে। এক সেকেন্ডে কেটে দেব।সংগঠন ধরে রাখতে যে মানুষের পাশে থাকতে হবে মমতা সেই বার্তাই দেন এদিনের সভায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা মানুষের জন্য কাজ করবে দরকারে তাঁদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করব। যাঁরা মানুষের কাজ না করে নিজের কাজ করবে তাদের আমি বলব দয়া করে ঘরে বসে যান। অনেক করেছেন। এর থেকে বেশি আমরা চাই না।এদিনের সভায় তৃণমূলনেত্রী জানিয়ে দেন, এবার থেকে তিনি যে যে জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করবেন সেখানে বুথ কর্মীদের নিয়ে সভাও করবেন। মমতা বলেন, আমি এবার থেকে ঠিক করেছি যে যে জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে যাব। সেই সেই জেলায় আমি আমার বুথ কর্মীদের সঙ্গে মিলিত হব। তার কারণ, তাঁরাই আমাদের দলের সম্পদ। মঞ্চে বসে থাকে কজন। হাতে গোনা কজন। নীচে বসে থাকে কতজন, লক্ষ লক্ষ লক্ষ কোটি। যাঁরা মঞ্চে বসে থাকে তাঁরা বড় কর্মী না যাঁরা নীচে বসে থাকে তাঁরা বড় কর্মী! এবং এটা মেনে চলতে পারলে তৃণমূল কংগ্রেস একদিন সারা বিশ্ব জয় করবে ভারতবর্ষ জয় করবে।দলের নেতাদেরও এদিন কড়া বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বলেন, আমি নেতা তৈরি হলাম কোথা থেকে? নেতা কী গাছ থেকে পড়ে? না। নেতা কাজের মধ্যে থেকে তৈরি হয়। মনে রাখবেন যাঁরা কুকর্ম করে মানুষ তাঁদের চিহ্নত করে মানুষ। মানুষ তাঁদের ঘৃনা করে, মানুষ তাদের ভালবাসে না। মানুষ যদি ভাল না বাসে আমি কেন ভালবাসব? আমি খুব রাফ এন্ড টাফ।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

অনলাইনে পরীক্ষার দাবীতে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভে হাজির হাজার খানেক কলেজ পড়ুয়া

এ যেন একেবারেই উলোট পূরাণ। কোভিড অতিমারির প্রভাব কেটে গেলেও অফলাইনে পরীক্ষা দিতে নারাজ কলেজ পড়ুয়ারা। তাঁরা সরব হয়েছে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার দাবীতে। এমনকি দাবি আদায়ের জন্যে হাজার খানেক কলেজ পড়ুয়া মঙ্গলবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে জমায়েত করে বিক্ষোভও দেখায়। যদিও পড়ুয়াদের এই দাবির বিষয়টিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন তা তাঁদের কথাতেই পরিস্কার হয়ে গিয়েছে।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যে সমস্ত কলেজ আছে সেইসব কলেজের ছাত্রছাত্রীরাই এদিন অনলাইনে পরীক্ষার দাবীতে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কাটোয়া কলেজের ছাত্র কিরণময় ভট্টাচার্য বলেন, কোভিড কাল থেকে এতদিন অনলাইনে ক্লাস হয়েছে। প্র্যাকটিক্যাল ঠিকমতন হয়নি। এই সময় যদি ইউনিভার্সিটি বলে যে সমস্ত পরীক্ষা অফলাইন হবে তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে তা দেওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণেই তাঁরা অফলাইনের পরিবর্তে অনলাইন পরীক্ষা নেওয়ার দাবী করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যতক্ষণ না পর্যন্ত এই দাবী মেনে নিচ্ছে ততক্ষণ বিক্ষোভ চলবে বলে জানান ছাত্র-ছাত্রীরা। গুসকরা মহাবিদ্যালয়ের পড়ুয়া চৈতালী দত্ত বলেন, এখন অফলাইনে পরীক্ষা নিলে তাঁরা সমস্যায় পড়বেন। তাই তাঁরা চাইছেন ক্লাস যেহেতু অনলাইনে হয়েছে, সেই কারণে পরীক্ষাও হোক অনলাইনে। একই দাবীতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকেও ইতিপূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।অন লাইন পরীক্ষার দাবীতে বিক্ষোভযদিও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা স্পষ্ট জানিয়েদেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়ে দিয়েছে। এখনো ওই সিদ্ধান্ত বহাল আছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত ৬৩ টি কলেজে ৩৫ হাজার পড়ুয়া আছে বলেও উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন।

মে ১৭, ২০২২
নিবন্ধ

অলংকরণ কর্মশালার মাধ্যমে উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্মজয়ন্তী পালন

রাজার ঘরে যে ধন আছে টুনির ঘরেও সে ধন আছে - আমাদের অনেকের শৈশবের গল্পের বই পড়ার শুরু এখানেই। বরেণ্য শিশু সাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্মজয়ন্তী ছিল ১২ই মে। শিশু কিশোর আকাদেমি এবং তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ, পশ্চিমবঙ্গ সরকার-এর যৌথ উদ্যোগে একদিনের একটি অলংকরণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল পুর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে, জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, পূর্ব বর্ধমান-এর সহযোগিতায়।উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্মজয়ন্তী পালনকর্মশালা পরিচালনা করতে এসেছিলেন শিল্পী শ্রী আলয় ঘোষাল। সঙ্গে ছিলেন আরেক শিল্পী শ্রী বিভূতি চক্রবর্তী। সারাদিন একশ বিশ কচি-কাঁচা কে নিয়ে চলল গুপী-বাঘা, ভুতের রাজা, বাঁশ বনের টেক্সচার, গাধার উচ্চতা, রাজা মশাই এর পাগড়ির শেপ ইত্যাদি নিয়ে রঙ্গিন আলোচনা। আলয় ঘোষাল মহাশয়ের কথায় কথায় আসছিল ক্যামেরার চোখে কম্পোজিশন দেখার কথা। আঁকা আর অলংকরণের পার্থক্য। বার বার বলছিলেন ছোটদের বই পড়ার কথা। গল্প পড়ে তাঁর চিত্রকল্প তৈরী করার অভ্যেস। এক সময় আভিবাবকদের ঘরে ডেকে এনে বললেন ছোটদের মনোযোগ মোবাইল আর টেলিভিশন থেকে সরাতে তাদের হাতে বই তুলে দিতে। এক ফাঁকে ওনার সাথে কথা বলছিলাম ইলাস্ট্রেসন আর ফটোগ্রাফি নিয়ে।উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্মজয়ন্তী পালনউনি বলছিলেন ওনার ছবি তোলার মজার মজার অভিজ্ঞতা। খুব ইচ্ছে করছিল ওনার হাতের কয়েকটা লাইন সংগ্রহে রাখতে। কথাটা বলতেই আমার হাতের নোট বইটা টেনে নিলেন, কয়েকটা পেনের আঁচড় দিয়ে বললেন আমায় একটু জল রঙ এনে দাও। একজনের রঙ ধার করে দিলাম। শেষে হাতে পেলাম একপাতা আনন্দ। কত বড় মাপের মানুষ কিন্তু কত কাছের। আনন্দ আর কৃতজ্ঞতায় মন ভরে গেল। অনুষ্ঠানে আরও যোগ দেন শিশু কিশোর আকাদেমির প্রকাশনা বিভাগের প্রধান ড. শর্বাণী বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মশালা শেষে সকলের হাতে শংসাপত্র আর বই উপহার তুলে দেওয়া হয়। সব শেষে আমার সারপ্রাইজ গিফট। জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক মশাই এর কাছ থেকে আর এক খুব প্রিয় মানুষ শ্রীমতী জয়া মিত্রের বই। জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক ও তাঁর দপ্তরের প্রত্যেক কর্মীকে আনেক ধন্যবাদ। শেষ কথা-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্মদিনে একগুচ্ছ কচি প্রাণের সঙ্গে সারাটা দিন কাটানোর থেকে ভাল উদ্যাপন আর কিছু হয় না।

মে ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের প্লে-অফের রাস্তায় কাঁটা বিছিয়ে দিল পাঞ্জাব কিংস

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাজিমাত পাঞ্জাব কিংস। বিরাট কোহলিদের ৫৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে ভেসে রইল মায়াঙ্ক আগরওয়ালরা। যদিও সম্ভাবনা অনেকটাই কম। অন্যদিকে, পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারায় প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেজার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে। পাঞ্জাবের ২০৯/৯ রানের জবাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ২০ ওভারে তুলল ১৫৫/৯। মরণবাঁচন ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সামনে বড় রানের লক্ষ্য রেখেছিল পাঞ্জাব কিংস। বড় রান তাড়া করতে গেলে পার্টনারশিপ গড়ে তোলাটা জরুরি। সেই কাজটাই করতে পারেননি বিরাট কোহলি, ফাফ ডুপ্লেসিরা। যদিও এদিন ভাল শুরু করেছিলেন বিরাট কোহলি। শুরুর দিকে তাঁকে আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছিল। দ্বিতীয় ওভারে অর্শদীপ সিংয়ের বলে দুদুটি বাউন্ডারি মেরেছিলেন। পরের ওভারে হরপ্রীত ব্রার বলে একটি ছক্কাও হাঁকিয়েছিলেন কোহলি। মনে হচ্ছিল হয়তো এদিন বড় রানের দিকে এগিয়ে যাবেন। কিন্তু চতুর্থ ওভারেই ছন্দপতন। কাগিসো রাবাডাকে আক্রমণে নিয়ে এসে বাজিমাত করেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই রাবাডা তুলে নেন কোহলিকে। ১৪ বলে ২০ রান করে আউট হন কোহলি। পরের ওভারেই ফাফ ডুপ্লেসি (১০) ও মহীপাল লোমরোরকে (৬) তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন ঋষি ধাওয়ান। ৪০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এরপর দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন রজত পতিদার ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। জুটিতে ওঠে ৬৪। একাদশ ওভারের শেষ বলে রজত পতিদারকে (২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রাহুল চাহার। পরের ওভারেই ম্যাক্সওয়েলকে (৩৫) ফেরান হরপ্রীত ব্রার। ম্যাক্সওয়েল আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। দীনেশ কার্তিক (১১), শাহবাজ আমেদ (৯), হর্ষল প্যাটেলরা (১১) দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেননি। ২১ রানে ৩ উইকেট নেন কাগিসো রাবাডা। ঋষি ধাওয়ান ও রাহুল চাহার ২টি করে উইকেট নেন।এদিন দুরন্ত ব্যাটিং করে পাঞ্জাব কিংসকে বড় রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন জনি বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন। ক্রিজে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। ৫ ওভারেই উঠে যায় ৬০। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন ধাওয়ান। বেয়ারস্টো ২৯ বলে করেন ৬৬ রান। তিনি শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (১৬ বলে ১৯) তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। জিতেশ শর্মাও (৯), হরপ্রীত ব্রাররা (৭) ব্যর্থ হলেও দলকে বড় রানের দিকে টেনে নিয়ে যান লিয়াম লিভিংস্টোন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৪২ বলে ৭০ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। ২০ ওভারে ২০৯/৯ তোলে পাঞ্জাব। আইপিএলে এটাই তাদের সর্বোচ্চ রান। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ভাল বোলিং করেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৫ রানে ২ উইকেট নেন তিনি।

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল পাঞ্জাব কিংস

প্লে অফের লড়াইয়ের জন্য দুই দলের কাছেই ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জিতলে ইডেনে প্লে অফের টিকিট কার্যত নিশ্চিত হয়ে যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। অন্যদিকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে জিতলে আশা বেঁচে থাকবে পাঞ্জাব কিংসের। ডু অর ডাই ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠল পাঞ্জাব কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তুলল ২০৯ রান। দুরন্ত ব্যাটিং করলেন লিয়াম বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন।পাঞ্জাব কিংসের সবথেকে বড় সমস্যা ধারাবাহিকতার অভাব। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে অবশ্য নিজেদের মেলে ধরলেন ব্যাটাররা। বিশেষ করে ওপেনার জনি বেয়ারস্টো। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের ভিত গড়ে দেয়। বেয়ারস্টো রান পেলেই পাঞ্জাব বড় রানে পৌঁছবে, এটাই ধ্রুব সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে সবথেকে বড় মাথাব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছে অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের ফর্ম। চলতি আইপিএলে একেবারেই নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক। এদিনও ব্যর্থ।টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। ক্রিজে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন পাঞ্জাব কিংসের দুই ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। ৫ ওভারেই উঠে যায় ৬০। জস হ্যাজেলউড, মহম্মদ সিরাজের ওপর বেশি নির্দয় ছিলেন জনি বেয়ারস্টো। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে শিখর ধাওয়ানকে তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন ধাওয়ান। ভানুকা রাজাপক্ষে এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। মাত্র ১ রান করে স্বদেশীয় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে তিনি আউট হন।১ ওভারের ব্যবধানে দুটি উইকেট হারালেও ঝড় অব্যাহত ছিল বেয়ারস্টোর। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৬৬ রান করে তিনি শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (১৬ বলে ১৯) তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। জিতেশ শর্মাও (৯) রান পাননি। হরপ্রীত ব্রার করেন ৭। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দলকে বড় রানের দিকে টেনে নিয়ে যান লিয়াম লিভিংস্টোন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৪২ বলে ৭০ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ভাল বোলিং করেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৫ রানে ২ উইকেট নেন তিনি।

মে ১৩, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের বকেয়া দাবি করে ফের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার

ফের রাজ্যের বকেয়া পাওনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১০০ দিনের কাজে কেন্দ্র গত ডিসেম্বর মাস থেকে অর্থ দিচ্ছে না বলে এদিন দুপুরেই টাউনহলে এক সভায় অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০০ দিনের টাকা না মেলায় অগ্নিমূল্য বাজারদরে তাঁদের কী হাল হচ্ছে তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।১০০ দিনের কাজে রাজ্যের ভাল ফল সত্বেও কেন টাকা পাচ্ছেন না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, গত চার মাস ধরে মনরেগা প্রকল্পের ৬৫০০ কোটি টাকা এখনও পায়নি রাজ্য। এর ফলে নিদারুন সমস্যায় পড়েছেন শ্রমিকরা। এই অর্থ দ্রুত রাজ্যের কোষাগারে পাঠানোর জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করা হয়েছে।পাশাপাশি চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে বাংলা বঞ্চিত বলেও অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, সারা দেশে আবাস যোজনা প্রকল্পের আওতায় ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ থেকে ৩২ লক্ষ বাড়ি বানানো হয়েছে। সেখানে প্রথমেই রয়েছে বাংলা। তা সত্বেও এই প্রকল্পে বাংলার জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। মমতার দাবি, কেন্দ্রীয় বরাদ্দ না মেলায় বাংলার উন্নয়ন বাধা পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মমতা।কেন্দ্রের কাছে ৯৭হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলে কয়েকদিন আগেই দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাঁর দাবি ছিল, ওই টাকা কেন্দ্র দিয়ে দিলে আপাতত পেট্রপন্যের ওপর কর নেবে না রাজ্য সরকার। তারপর এবার ১০০দিনের বকেয়া মেটাতে কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন মমতা।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে ছিনিয়ে নিল ইংল্যান্ড, কী হবে নাইট রাইডার্সের?‌

কলকাতা নাইট রাইডার্স ছেড়ে এবার ইংল্যান্ডে পাড়ি। ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে টেস্ট দলের কোচ হিসেবে নিযুক্ত করল ইংল্যান্ড। এই প্রথম তিনি লাল বলের ক্রিকেটের কোচিংয়ের দায়িত্বে। তাঁর সঙ্গে ৪ বছরের চুক্তি করা হচ্ছে। আইপিএল শেষ হলেই ম্যাকালাম ইংল্যান্ডের দায়িত্ব নেবেন।লাল বলের ক্রিকেটের কোচ নিযুক্ত হলেও সাদা বলের ক্রিকেটের কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া এখনও চলছে। সাক্ষাৎকার পর্ব শেষ হয়ে গেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন কোচ নিয়োগ করা হবে। দৌড়ে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার মহিলা ক্রিকেট দলের কোচ ম্যাথু মট, ইংল্যান্ডের পল কলিংউড ও দক্ষিণ আফ্রিকার গ্যারি কারস্টেন। কলিংউড চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের অন্তবর্তীকালীন কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন। ম্যাথু মট ২০০৮ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সে জন বুকাননের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন।গত অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পর্যুদস্ত হওয়ার পর ইংল্যান্ড দলের কোচের পদ থেকে ইস্তফা দেন ক্রিস সিলভারউড। তাঁর জায়গায় কোচ করা হল নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে। সিলভারউড পদত্যাগ করার পর ইংল্যান্ড ও ওয়ালেস ক্রিকেট বোর্ড সিদ্ধান্ত নেয় লাল বল ও সাদা বলের ক্রিকেটের জন্য আলাদা আলাদা কোচ নিযুক্ত করা হবে। সেই পথেই এগোচ্ছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ১০০র বেশি টেস্ট খেলা ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে লাল বলের ক্রিকেটের কোচ করা হল। টেস্ট ক্রিকেটে ১২টি সেঞ্চুরি করেছেন ম্যাকালাম।ইংল্যান্ডের কোচের দায়িত্ব নেওয়ায় ম্যাকালামকে আর পাবে না কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএল শেষ হলেই তিনি ইংল্যান্ড উড়ে যাবেন বেন স্টোকসদের দায়িত্ব নিতে। ২ জুন থেকে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেই টেস্ট খেলতে নামবে ইংল্যান্ড। ফলে টেস্ট কোচ হিসেবে নিজের দেশের বিরুদ্ধেই প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ম্যাকালামের।২০০৪ থেকে ২০১৬ অবধি নিউজিল্যান্ডের হয়ে ১০১টি টেস্ট খেলেছেন ম্যাকালাম। ৩৮.৬৪ গড়ে ৬৪৫৩ রান রয়েছে। সর্বাধিক ৩০২ রান করেছেন ভারতের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে। ২০১৩ সাল থেকে অবসর নেওয়া অবধি ম্যাকালাম নিউজিল্যান্ডকে ৩১টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০১৫ সালে তাঁর নেতৃত্বে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপও খেলে কিউয়িরা। তাঁর কোচিংয়ে ২০২০ সালে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ জেতে। কেকেআরের শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ১৮ মে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচ। কেকেআরের আইপিএল অভিযান শেষ হলেই ইংল্যান্ডে পৌঁছে যাবেন ম্যাকালাম। জো রুটকে সরিয়ে লাল বলের ক্রিকেটে বেন স্টোকসকে কোচ করেছে ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের কোচের দায়িত্ব নেওয়ার আগে নাইট রাইডার্সের টিম মিটিংয়ে সেই কথা জানান ম্যাকালাম।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওয়ার্নার ও মার্শের দাপটে প্লে অফের লড়াইয়ে রইল দিল্লি ক্যাপিটালস

রাজস্থান রয়্যালসকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে উড়িয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণভাবে ঢুকে পড়ল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জয়ের নায়ক দুই অস্ট্রেলিয়ান তারকা মিচেল মার্শ ও ডেভিড ওয়ার্নার। এই দুই ব্যাটারের সামনে উড়ে গেলেন রাজস্থানের বোলাররা।ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্য দিল্লি ক্যাপিটালসের সামনে এদিন জয়ের জন্য খুব বড় রানের টার্গেট দিতে পারেনি রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে তুলেছিল ১৬০/৬। দিল্লির যা ব্যাটিং শক্তি তাতে ১৬১ রান তোলা খুব একটা কঠিন ছিল না। দ্বিতীয় বলে শিকর ভরতের উইকেট হারালেও সমস্যায় পড়তে হয়নি দিল্লিকে। শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামাল দেন মার্শ ও ওয়ার্নার। পৃথ্বী শর না থাকাটা যে কতটা ক্ষতি, বুঝতে পারছে দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। শিকর ভরত আর যাইহোক পৃথ্বীর বিকল্প হতে পারেন না। পরপর দুম্যাচে ব্যর্থ ভরত। এদিন তো কোনও রান না করেই ইনিংসের প্রথম ওভারে ট্রেন্ট বোল্টের বলে উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। প্রথম ওভারে উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি দিল্লি। ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের সৌজন্যে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। রাজস্থানের কোনও বোলারই দিল্লির এই দুই ব্যাটারকে সমস্যায় ফেলতে পারেননি। ওয়ার্নারের থেকেও এদিন বেশি বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন মিচেল মার্শ। সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন। চাহালকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে কুলদীপ সেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মার্শ। ৬২ বলে ৮৯ রান করেন তিনি। মার্শের ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৭টি ছয়। এরপর ডেভিড ওয়ার্নার দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ৪১ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১১ বল বাকি থাকতে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দিল্লি। এদিন টস জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ইনিংসের শুরুতেই চেতন সাকারিয়ার বলে ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে বাটলার শার্দূল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আর এক ওপেনার যশস্বী জয়সোয়ালও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৯ বলে ১৯ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ডাগ আউটে ফেরেন। শুরুতে বাটলার আউট হওয়ায় মনে হচ্ছিল খুব বড় রানে পৌঁছতে পারবে না রাজস্থান। কিন্তু রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের ব্যাটে ভর করে ঘুরে দাঁড়ায় রাজস্থান। জুটিতে ওঠে ৫৩। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে তিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কাজে লেগে গেল। ৩৮ বলে ৫০ রান করে অশ্বিন মিচেল মার্শের বলে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (৬), রিয়ান পরাগরা (৯) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান পাড়িক্কল। ৩০ বলে ৪৮ রান করে তিনি আনরিচ নর্টিয়ের বলে কমলেশ নাগরকোটির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ১০ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

মে ১১, ২০২২
রাজ্য

অশনির প্রভাব শুরু, সমুদ্র উপকূলে কড়া সতর্কতা, কলকাতায় প্রস্তুত প্রশাসন

অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অশনির উত্তর অন্ধ্র ও ওড়িশা উপকূলের কাছে আজই এসে পৌঁছাবে বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। ঘূর্ণিঝড়ের আগেই নামখানা বিডিও অফিসে প্রশাসনিক বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা শাসক-সহ রয়েছেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা।আবহাওয়া খারাপ থাকবে তেলেঙ্গানা ও হায়দ্রাবাদে। দমকা হাওয়ার সঙ্গে চলবে টানা বৃষ্টি। বকখালির সমুদ্র সৈকত থেকে পর্যটকদের সরিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। ফ্রেজারগঞ্জ থানার পুলিশ টহল দিচ্ছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করে মাইকিং হয়েছে। সমুদ্র উপকূলে যাতে কেউ না যান তার জন্য বারে বারে রাজ্যের উপকূলে প্রচার চালানো হচ্ছে। নৌকা বেঁধে রাখা হয়েছে অনেক জায়গায়। অশনির জেরে দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।অশনির আশঙ্কায় সতর্ক কলকাতা পুলিশ। কলকাতা পুলিশের তরফে তৈরি করা হয়েছে ইউনিফায়েড কম্যান্ড সেন্টার। কলকাতায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১৫টি দল ও এনডিআরএফের ২টি দল থাকছে। এছাড়া কলকাতা পুরসভা, পূর্ত দফতর, সিইএসসির প্রতিনিধিও থাকছে। পাশাপাশি লালবাজারের তরফে চালু করা হয়েছে হেল্প লাইন। মহানগরের নাগরিকরা অসুবিধায় পড়লে এই ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলেই সাহায্য়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে।

মে ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মাতৃ দিবসে মা কে বিশেষ উপহার শাহরুখ কন্যা সুহানার

১৯০৮ সালের ৮ মে মাতৃ দিবস পালনের সূচনা হয়েছিল। আনা জার্ভিস নামে এক আমেরিকান মহিলা তাঁর প্রয়াত মায়ের সম্মানে গির্জায় উপাসনার আয়োজন করেন। সেই থেকেই নাকি শুরু হয় Mothers Day পালন। সেই থেকে সারা বিশ্ব জুড়ে প্রতি বছর এই দিনটি মাতৃ দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে। মাতৃ দিবসে মা তথা ইন্টিরিয়র ডিজাইনার গৌরী খানকে ভালোবাসা উপহার দিলেন মেয়ে সুহানা খান। এদিন মায়ের জন্য বিশেষ উপহার এনেছিলেন শাহরুখ-গৌরী কন্যা। একটা সাদা এবং গোলাপী ফুলের তোড়া মাকে উপহার দিয়েছেন সুহানা। শুধু তাই নয়, ভালোবাসা জানিয়ে একটি নোটে আরিয়ান খানের বোন লিখেছেন, শুভ মাতৃ দিবস মা, ভালোবাসি, তোমার সুহানা। এ দিন ফুলের তোড়ার ছবি শেয়ার করার পাশাপাশি মেয়ে সুহানা খানের একটি না দেখা ছবিও সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেন গৌরী খান। এই পোস্ট দেখে নেটিজেনরা খুবই খুশি। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির কমেন্ট বক্সে মা ও মে দুজনকেই ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। কমেন্ট করেছেন অনেক সেলিব্রিটিরাও।

মে ১০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ...
  • 35
  • 36
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

“এসব করে মাথা নত করানো যাবে না” — নোটিস ইস্যুতে ফুঁসছেন অভিষেক, বৈঠকে বড় বার্তা মমতার

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফলেও দমে যেতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির উত্থানের আবহে দল কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।বৈঠকে উঠে আসে কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নোটিসের প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বলেন, তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব করে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বৈঠকে বলেন, আগামী দিনে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে না।কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন এবং কালীঘাটের বাড়িতে কিছু বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই পুরনিগমের তরফে নোটিস পাঠানো হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই ব্যবস্থা নেবে।যদিও এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুর কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করতে পারেন।এদিনের বৈঠকে আরও একটি বড় বিষয় ছিল স্বঘোষিত পুষ্পা জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক। ফলতায় লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। বৈঠকে একাধিক বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি জাহাঙ্গিরকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

“পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” বলেই কি শেষমেশ ঝুকে গেলেন জাহাঙ্গির? ভোটের আগে বড় চমক ফলতায়

একসময় পুষ্পা ঝুকেগা নেহি বলে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগেই আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করলেন তিনি। আগামী ২১ মে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির জানিয়ে দিলেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।জাহাঙ্গির দাবি করেছেন, ফলতার মানুষের শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ফলতার সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য তিনি নিজেকে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিয়েছেন, নাকি দলের নির্দেশে নিয়েছেন, সেই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর ছড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গির। তবে কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেননি তিনি।হঠাৎ কেন ভোটের ময়দান ছাড়লেন জাহাঙ্গির, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের মতে, ফলতায় নিজের অবস্থান দুর্বল বুঝেই হয়তো তিনি সরে দাঁড়ালেন। কারণ, এর আগে ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসারকে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছিলেন, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি। সেই জাহাঙ্গিরই পুনর্নির্বাচনের আগে লড়াই ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর হার প্রায় নিশ্চিত?আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের উপর অভিমান থেকেও এই সিদ্ধান্ত হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। অথচ পুনর্নির্বাচনের প্রচারে অভিষেককে তাঁর পাশে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বামফ্রন্টও মাঠে নেমেছিল। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারবার।এখন আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কি ইচ্ছাকৃতভাবেই জাহাঙ্গিরকে সরিয়ে দিল? ভোটের পর সরকার গঠনের পর পুনর্নির্বাচনের ঘটনা এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে জাহাঙ্গিরের সরে দাঁড়ানো নতুন করে বিতর্ক বাড়িয়েছে। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কয়েকটি বুথে অভিযোগ উঠলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal