• ১ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

RR

রাজ্য

হালিশহরে আগ্নেয় অস্ত্র দেখিয়ে চায়ের দোকানে লুটের ঘটনায় গ্রেফতার তিন দুষ্কৃতী

গত ১০ আগস্ট উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে চায়ের দোকানে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে লুট করে এক দল দূস্কৃতী। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে হালিশহর থানার তৎপরতায় ভাটপাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে মিঠুন দাস (২৩) সৌরভ সাও(২০) মনু সাউ (১৯) নামে তিন দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আজ অভিযুক্তদের ব্যারাকপুর মহাকুমা আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

আসানসোল সিবিআই কোর্টের বিচারককে বেনামী হুমকি চিঠির অভিযোগে আইনজীবী সুদীপ্ত রায় গ্রেফতার

রাতভর ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালাল পুলিশ। বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের মামলার বিচারককে হুমকি চিঠির ঘটনায় সোমবার গ্রেফতার হয় বর্ধমান আদালতের আইনজীবী সুদীপ্ত রায়কে। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সোমবার রাতেই পূর্ব বর্ধমানের মেমারির চিনুই (সাহানুই) গ্রাম থেকে ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের সহকারী দীপক মহুরীকে বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। সোমবার দুপুরে আসানসোল আদালত চত্বরে গিয়েছিলেন সুদীপ্ত। খবর পেয়েই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।এখানে উল্লেখ্য ২০ আগষ্ট আসানসোলের সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীকে হুমকি চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে লেখা হয় গরু পাচার মামলায় ধৃত বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন না দিলে তাঁর পরিবারকে গাঁজা কেসে ফাঁসানো হবে। সেই চিঠির প্রেরক হিসাবে পূর্ব বর্ধমানের এগজিকিউটিভ আদালতের আপার-ডিভিশন ক্লার্ক (ইউডিসি) বাপ্পা চট্টোপাধ্যায়ের নাম ও সই ছিল। বাপ্পা প্রথম থেকেই বলে আসছেন, তিনি নির্দোষ। তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে।হুমকি চিঠির তদন্তে গত বৃহস্পতিবারও বাপ্পাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের দুই পুলিশকর্তা। জিজ্ঞাসাবাদের পর বাপ্পা দাবি করেন, সুদীপ্ত রায় নামে বর্ধমান আদালতের এক আইনজীবী দিন দুয়েক আগে তাঁকে আদালত চত্বরে হুমকি দিয়েছিলেন। তাকে বলা হয়, তোর যা ব্যবস্থা করার, হয়ে গিয়েছে। এ বার তোর চাকরি খাব। বাপ্পাবাবু গোটা বিষয়টি বর্ধমান উত্তরের মহকুমাশাসককে জানান। হুমকি চিঠির পিছনে সুদীপ্তেরই হাত রয়েছে। শুক্রবার বাপ্পার গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়। তার পরেই সোমবার গ্রেফতার হয় সুদীপ্ত।সোমবার গভীররাতে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ বর্ধমান থানার পুলিশের সহযোগিতায় ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বর্ধমান শহরের বড়নীলপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশী চালায়।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস মামলায় বীরভূম থেকে তিনজন কে গ্রেপ্তার করল সিবিআই

অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হয়েছেন গরু পাচার মামলায়। এবার ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস মামলায় তৎপর সিবিআই। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় বোলপুর থেকে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। তৃণমূল নেতা পঞ্চানন খাঁ সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয় বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে।শনিবার সকাল থেকেই বীরভূম জুড়ে তল্লাশি চালালেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দুপুরে অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ তিনজন তৃণমূল নেতাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে সিবিআই। কঙ্কালীতলা থেকে আটক করা হয়েছে তাঁদের। পরে বিকালে গ্রেফতার করা হল তিন জনকে। এদিন কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান মহম্মদ ওহিউদ্দিন ওরফে মামন শেখের বাড়িতেও হানা দেয় সিবিআই অফিসারেরা। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার তদন্তভার রয়েছে সিবিআই-এর হাতে। দীর্ঘ দিন ধরে তদন্ত করছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। শনিবার আচমকাই তাঁদের একটি দল বীরভূম জুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। কঙ্কালীতলা-সহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষ জনকে ধরে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।২০২১ সালের ২ মে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দিকে দিকে শুরু হয় ভোট পরবর্তী হিংসা৷ বীরভূমের বিভিন্ন জায়গায় একই অভিযোগ ওঠে৷ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ঘটনার তদন্তে এসে বীরভূম থেকে তিনজনে নাম কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেন অভিযুক্ত হিসাবে৷ তারা হলেন জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খান, কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান মহম্মদ ওহিউদ্দিন ওরফে মামন শেখ ও তার সঙ্গী পঞ্চানন খা৷ এদিন এই মামলায় তদন্তে এসে সকাল সকাল তৃণমূল নেতা পঞ্চানন খাঁ, বাদল শর্মা ও তীর্থনাথ হাজরাকে আটক করে সিবিআই অফিসারেরা।এদিন দুপুরে শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীর পূর্বপল্লী অতিথি নিবাসে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসে তাদের আনা হয়৷ শুরু হয় দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ। আটক অভিযুক্তদের বক্তব্যে ব্যাপক অসঙ্গতি থাকায় পরে ধৃতদের পরিবারের লোকজনকে ক্যাম্প অফিসে ডেকে পাঠানো হয়৷তাঁরা সরাসরি হিংসায় যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। এ ছাড়াও, আরও তিন জনকে ডেকে পাঠানো হয়, তাঁরাও শিবিরে পৌঁছেছেন বলে খবর।এদিন, বিকেলে আটক তিন জনকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই৷ গ্রেপ্তারের পরেই তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ জানা গিয়েছে, রবিবার ধৃতদের বোলপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। অন্যদিকে, উপ প্রধান মামন শেখের লায়েকবাজারের বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। বাড়িতে ছিলেন না উপ প্রধান। বাড়ি ফিরলে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে দেখা করার জন্য পরিবারের লোকজনকে বলে আসেন গোয়েন্দারা।প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসায় কংকালী এলাকায় একাধিক বিজেপি কর্মীকে মারধর, লুঠপাট, তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে৷ এমনকি, এক বিজেপি কর্মী মহিলাকে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগও জমা পড়েছে। মারধর, খুন, মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ করে তারা। এমনকি ভয়ে বহু বিজেপি কর্মী বাড়ি ছাড়া বলেও দাবি করে। এর পর মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিবিআই-এর হাতে গুরুতর অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব তুলে দেয় আদালত।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

আউশগ্রামে অনুব্রত ঘনিষ্ট ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে তৃণমূলেরই একাংশের ভয়ঙ্কর দুর্নীতির অভিযোগ

এবার অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজি, বেআইনি বালির কারবার সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত নেতা রামকৃষ্ণ ঘোষ পূর্ব-বর্ধমানের আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির পদে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সদস্যও। জানা যায় কয়েকজনের সাক্ষর করা একটি অভিযোগপত্র পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ রামকৃষ্ণ ঘোষ।আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন ধনকুড়া গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ মণ্ডল। সুভাষ মণ্ডলকে ২০১৬ র বিধানসভা নির্বাচনে ভাতার কেন্দ্রের প্রার্থী করে দল। তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর আউশগ্রাম-২ নম্বর ব্লকে দলের সভাপতির পদে রামকৃষ্ণ ঘোষকে দায়িত্ব দেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই থেকেই রামকৃষ্ণ ঘোষের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়দের একাংশ।জানা যায় আউশগ্রামের কোটা অঞ্চলের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা রামকৃষ্ণ ঘোষ ডেকরেটর সামগ্রীর ব্যবসা করেন। রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা শেখ সাবির হোসেনের অভিযোগ, তৃণমূলের ব্লক সভাপতির দায়িত্ব পরেই ঠিকাদারি, বেআইনি বালির কারবার, বেআইনি কয়লার কারবার থেকে প্রচুর টাকা রোজগার করে রামকৃষ্ণ ঘোষ। রাস্তাঘাটের টেণ্ডার ওর মাধ্যমেই পরিচালনা হয়। গ্রামে তিনতলা বাড়ি ছাড়াও ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দুটি বাড়ি তৈরি করেছে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে। আমরা আগেও রামকৃষ্ণ ঘোষের বেআইনি কারবার নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও ফল হয়নি। অভিযোগ চেপে যাওয়া হয়েছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।গ্রামবাসী উত্তম আঁকুড়ে বলেন,রামকৃষ্ণ ঘোষ আগে প্যাণ্ডেলের ব্যবসা করতেন। ব্লক সভাপতি হয়ে যাওয়ার পর অনেক জমিজায়গা,বাড়ি কিনেছেন। দুমাস আগেও একটা বাড়ি কিনেছেন। পার্টির নেতা তো, বালি,কয়লা,অনেক রকম কারবার আছে। তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রামকৃষ্ণ ঘোষ। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,ওসব বিরোধীদের চক্রান্ত। আমার জমিজায়গা যা আছে সেগুলো আমার পৈতৃক সম্পত্তি। আমি প্যান্ডেলের ব্যবসা করি। আমার স্ত্রী কলেজে চাকরি করেন। সেই চাকরি ২০০৮ সালে পাওয়া। আমার দাদা সায়েন্টিস্ট।আমার ভাই ইঞ্জিনিয়ার। ভাইয়ের নিজস্ব কারখানা আছে। আমাদের জমিজায়গা, পুকুর যা আছে তা বাপঠাকুরদার কাছ থেকে পাওয়া।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

পাঁশকুড়া গার্লস হাই স্কুলের চারজন ছাত্রীর ওপর তরল জাতীয় পদার্থ ছুড়ে মারে দুজন যুবক, এলাকায় উত্তেজনা

শুক্রবার স্কুলের মধ্যাহ্নভোজের সময় পাঁশকুড়া গার্লস হাই স্কুলের চারজন ছাত্রীর ওপর তরল জাতীয় পদার্থ ছুড়ে মারে স্থানীয় দুজন যুবক, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ওই দুই যুবক লস্যি খেতে খেতে যাওয়ার সময় ওই লস্যি ছাত্রীদের গায়ে ছুড়ে মারে,ধৃত ২ যুবক বলেন, ক্লাস রুম থেকে ক্লাস সেভেনের ছাত্রীরা ভেঙ্গানোর ফলেই রাগবশত ওই লস্যি তাদের গায়ে ছুড়ে মারে, আতঙ্কিত ছাত্রীরা অসুস্থ বোধ করলে তাদের তৎক্ষণাৎ পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।ছাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে যান স্কুলের শিক্ষিকারা, স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জানান ওই চারজন ছাত্রীর মধ্যে দুজনের স্যাম্পেল পরীক্ষা করার পর এসিড হালকা স্যাম্পল পাওয়া যায়, এখন ছাত্রীদের অবস্থা স্থিতিশীল, প্রত্যেককেই তাদের অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে দুই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৭, ২০২২
কলকাতা

কোচিং সেন্টারের শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষিতা ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা, গ্রেফতার অভিযুক্ত শিক্ষক

নরেন্দ্রপুর থানার একটি কোচিং সেন্টারের এক ছাত্রীকে দিনের পর দিন ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন বলবীর সিং নামে এক কোচিং সেন্টারের মালিক কাম শিক্ষক। ঐ শিক্ষককে গ্রেপ্তার করলেন নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। নরেন্দ্রপুর থানার লস্করপুর এলাকার সিং এন্ড শাও নামে ওই কোচিং সেন্টারের এক ছাত্রীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হলো বলবীর সিং নামে ওই শিক্ষককে।ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্পোকেন ইংলিশ শেখানোর জন্য নিজের খুশি মত সময়ে ওই ছাত্রীকে ডেকে পাঠাতেন। তারপরে ওই ছাত্রী কে দিনের পর দিন ধর্ষণ করতেন। কাউকে না জানানোর আবেদনের সঙ্গে ছিল খুনের হুমকি। লজ্জায়, ভয়ে, কাউকে বলতে না পেরে বাথরুমে আত্মহত্যার করার চেষ্টা করেন ওই নির্যাতিতা ছাত্রী টি। পরে মায়ের কাছে সমস্ত কথা খুলে বলায় নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ছাত্রীতির মা।মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করেন নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

গুসকরায় বালি বোঝাই লরির চাকায় পিষ্ট হলেন এক বধূ

বাইকের পিছনে চেপে যাওয়ার সময় বালিবোঝাই লরির চাকায় পিষ্ট হলেন এক বধূ। সোমবার দুপুরে পূর্ব-বর্ধমানের গুসকরা শহরের স্কুলমোড়ে বর্ধমান সিউড়ি ২ বি জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। জেলার আউশগ্রামের শিবদা গ্রামে বাপেরবাড়ি সেলিমা বেগম নামে ওই বধূর। শ্বশুরবাড়ি বীরভূমের ইলামবাজার। রবিবার স্বামী মহম্মদ ওয়াইদুর রহমানের সঙ্গে বাপেরবাড়ি গিয়েছিলেন।এদিন ওয়াইদুর রহমান তার মেয়ে ও স্ত্রীকে বাইকে চাপিয়ে গুসকরা শহরে বাজার করতে যান। শিবদা ফেরার পথে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। একটি বালিবোঝাই লরি বর্ধমান মুখে যাওয়ার সময় বাইকটিকে ওভারটেক করতে যায়। তখন লরিটির সামনের দিক বাইকে লেগে বাইক উল্টে যায়।ওয়াইদুর ও তার মেয়ে বাঁদিকে পড়ে যান। ডানদিকে পড়েন সেলিমা। তখনই লরির চাকায় তার কোমর থেকে নীচের অংশ পিষ্ট হয়ে যায়। তড়িঘড়ি গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে সঙ্গে সঙ্গে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। বধমানে মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

রায়নায় ছাত্র মৃত্যু ঘটনায় প্রতিবেশী স্বামী স্ত্রী গ্রেপ্তার

ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করলো পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার পুলিশ। গভীর রাতে বাড়িতে ডেকে প্রতিবেশী যুবককে খুন করার অভিযোগকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় রায়না থানার বিদ্যানিধি গ্রামে। ১৭ই আগস্ট অচৈতন্য অবস্থায় বাড়ির পাশ থেকে উদ্ধার করা হয় সুরজ মল্লিককে। প্রথমে রায়না ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও পরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুরজের মৃত্যু হয়।রায়নার বিদ্যানিধি গ্রামের মৃত সুরজ মল্লিক(২০) শ্যামসুন্দর কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলো। সুরজের সঙ্গে প্রতিবেশী এক নাবালিকার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। অভিযোগ মেয়ের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্ক কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না মেয়ের বাবা মোস্তাক।অভিযোগ মঙ্গলবার রাতে সুরজকে ডেকে পাঠায় মোস্তাক। তারপর সকালে বাড়ির কাছে সুরজকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তাকে রায়না ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পরে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দুপুরে সুরজ মারা যায়।অভিযোগ বাড়িতে ডাকার পর সুরজকে ব্যাপক মারধর করা হয়। মৃতের পরিবার ও স্থানীয়দের দাবী,প্রণয় ঘটিত কারণেই ওই যুবককে বাড়িতে ডেকে খুন করা হয়েছে।এরপরই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবীতে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে প্রেমিকার বাবা মোস্তাক ও মা তুহিনাকে গ্রেপ্তার করেছে রায়না থানার পুলিশ। প্রণয় ঘটিত কারণ নাকি এর পিছনে আছে অন্য কারণ।ঠিক কি কারণে খুন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

গলসিতে বকেয়া মজুরির দাবিতে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা, উৎপাদন ব্যাহত

শ্রমিক হরতাল, কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে সামিল শ্রমিক পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শনিবার কাজ বন্ধ রেখে গলসির ভাসাপুলের রাধেশ্যাম এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ গেটে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা। ঘটনার জেরে কারখানার গেটে আটকে যায় মালবাহী বেশ কয়েকটি ট্রাক। আন্দোলনকারী শ্রমিক নুরনবী মল্লিক, কাজী বদরে আলম, সেখ আজাদরা বলেন, তাদের বেশ কয়েক মাসের ছুটির টাকা দিচ্ছেন না কারখানা কর্তৃপক্ষ। লেবার সর্দারও আশা দিয়ে বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা বিষয়টি লিখিত ভাবে জানতে বলে। সেই নিয়ে তারা কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে আবেদনও করেন। তারপরও কোনও সুরাহা না হওয়ায় এদিন হরতাল করে মিলের গেটে বসে পড়েন কয়েকশো শ্রমিক। তাদের প্রাপ্তির দাবীতে তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা জানিয়েছেন, কারখানায় কমবেশি চারশো জন শ্রমিক কাজ করেন। তারা টানাই, কাটাই, মুটিয়া, ডেলি লেবার ও বয়লারের বিভিন্ন কাজে যুক্ত। কিছুদিন আগে ভয়াবহ আগুন লাগায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে ওই কারখানায়। বর্তমানে ভিতরে মজুত থাকা ও নষ্ট হওয়া ব্রান বিক্রি করছে কর্তৃপক্ষ। এখন সেইসব কাজই তারা করছেন। এদিনের আন্দোলনের জেরে তাও একরকম বন্ধ হয়ে যায়। এই বিষয়ে কারখানার এক কর্তা জানান, গোটা কারখানার মজুতঘর পুড়ে যাবার পর তারা বীমার বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। সেইভাবে সময় দিতে পারছেন না। তারা ওই বিষয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন। কারখানার লেবার সর্দার মোনজ যাদব বলেন, তিনি বেতন দিচ্ছেন না এমনটি নয়। তাঁরর দাবী, কারখানার সাথে শ্রমিকদের চুক্তি ভিত্তিক কাজ করান তিনি। সেই চুক্তিতে শ্রমিক প্রতিনিধিও আছেন। বর্তমানে কারখানা থেকে টাকা না পাওয়ার জন্য তিনি শ্রমিকদের ছুটির বেতন দিতে পারেননি। কারখানা থেকে টাকা পেলেই সব মিটিয়ে দেবেন।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর নাম করে পেট্রলপাম্প হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে, বর্ধমান থানায় ব্যবসায়ী

বির্তক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না অনুব্রত মণ্ডলের। বর্তমানে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের হেফাজতে। তবুও তার নাম উঠে আসছে। তার নাম করে প্রভাব খাটিয়ে জোর করে পেট্রোল পাম্প নিজের নামে লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠলো প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, আইনের সাহায্য নিলে ব্যবসায়ীর বাড়িতে গিয়ে অস্ত্র নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি অভিযোগ উঠেছে, শ্লীলতাহানি করা হয় ব্যবসায়ীর স্ত্রীকেও। প্রাণহানির আশঙ্কায় পুলিশের দ্বারস্থ ওই ব্যবসায়ীর পরিবার।বর্ধমান শহরের কচিপুকুর চাঁদমারি লেনের বাসিন্দা অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০০৬ সাল থেকে বীরভূমের ইলামবাজারের ঘুড়িষা এলাকায় একটি ইণ্ডিয়ান অয়েলের পেট্রোল পাম্পের মালিকানা রয়েছে। বিভিন্ন কারণে পেট্রোল পাম্পটি নিয়ে তিনি আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েন। অরিন্দম বাবুর অভিযোগ সেই সময় ইলামবাজারের প্রাক্তন বিধায়ক নরেশ বাউরি তাকে সাহায্যের নাম করে এগিয়ে আসেন এবং পেট্রোল পাম্পটির শেয়ার নেওয়ার নাম করে বিভিন্ন কাগজপত্রে সই করিয়ে মালিকানা নিজের নামে করিয়ে নেয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে অরিন্দমবাবু বিএলআরও অফিসে গিয়ে মালিকানা পরিবর্তন হওয়া আটকে দেন।ব্যবসায়ী অরিন্দমবাবুর অভিযোগ, এর পর থেকে জোর করে নরেশ বাউরি ও তার লোকজনেরা পেট্রোল পাম্পটি দখল নিয়েছে। পেট্রোল পাম্পে থাকা ১৩ হাজার লিটার ডিজেল তারা চুরি করে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন অরিন্দমবাবু। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১৩ লক্ষ টাকা বলে জানান তিনি । বিষয়টি নিয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। বোলপুর কোর্টে গেলে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।অরিন্দম বাবুর অভিযোগ, গত মাসের (জুলাই) ১০ তারিখে নরেশ বাউরি, নরেশ বাউরির স্ত্রী তাপসী বাউড়ি দলবল নিয়ে ভোর পাঁচটা নাগাদ তার বাড়িতে যায়। অরিন্দমের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে পেট্রল পাম্পের কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তরা। স্ত্রী বাধা দিতে এলে তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। অরিন্দম বাবুর বাড়িতে থাকা ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় নরেশ বাউরি। মাথায় রিভলবার ঠেকিয়ে রাখায় কোনওরকম চিৎকার চেঁচামেচি করতে পারেননি বলে জানান অরিন্দম। নরেশ বাউরি ক্রমাগত অনুব্রত মণ্ডলের নাম করে হুমকি দিতে থাকে এবং কেউ তার কিছু করতে পারবেন না বলে জানান। এরপর বারাবাড়ি করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন অভিযুক্তরা। গোটা বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার। এই পরিবারকে আতঙ্ক এতটাই গ্রাস করেছে যে ছেলেমেয়েদের টিউশন পড়তে বাইরে যেতে দিচ্ছে না তাঁরা। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের নাম করেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে বর্ধমান থানার দ্বারস্থ হয়েছে অরিন্দম বাবু। নরেশ চন্দ্র বাউরি, তাপসি বাউরি সহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।এই বিষয়ে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে নরেশ বাউরী কিছু বলতে অস্বীকার করেন। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন বলেই ফোন কেটে দেন প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নরেশ বাউরী।

আগস্ট ১৪, ২০২২
রাজ্য

গরুপাচার মামলায় অনুব্রতর ১০ দিনের পুলিস হেপাজত, আদালতের নির্দেশে নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হচ্ছে

গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে ২০ আগস্ট অবধি সিবিআই হেপাজতের নির্দেশ দিল আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালত। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর বোলপুরের বাসভবনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার রাতেই সিবিআই আধিকারিকদের একটি দল ও প্রচুর সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী হাজির হয় বোলপুরে। সেখান থেকে তাঁকে আটক করে প্রথমে আসানসোল ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে নিয়মমাফিক শারীরিক পরীক্ষা করান।আসানসোল ইএসআই হাসপাতাল তাঁর শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তাঁকে কুলটি থানার অন্তর্গত শীতলপুরের ইসিএল গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিলো দূর্গাপুরে এনআইটিতে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে নিয়ে যাওয়া হবে বীরভূমের দোর্দন্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে। অনুব্রত মন্ডলকে আদালতে পেশ করার পর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শুনানি চলে। শুনানির শেষে অনুব্রতকে ২০ অগস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতেহেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ আদালত। বৃহস্পতিবার রাতেই তাঁকে কলকাতার নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হচ্ছে। অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী সঞ্জীব দাঁ জানান, হেফাজতে থাকাকালীন অনুব্রত মণ্ডল অসুস্থ হলে তাঁকে কলকাতার সেনাবাহিনীর কম্যান্ড হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করা হবে। তিনি আরও জানান ইতিমধ্যেই ওই হাসপাতালে একটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার অনুব্রত মন্ডল গ্রেফতার, গরুপাচার মামলায় সিবিআইয়ের জালে তৃণমূলের কেষ্ট

গরুপাচার মামলায় একাধিকবার তলব সত্ত্বেও হাজিরা এড়িয়ে চলেছেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বৃহস্পতিবার বোলপুরের বাড়িতে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করল সিবিআই। বৃহস্পতিবার সকালে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অনুব্রতর বাড়িতে পৌঁছন সিবিআই আধিকারিকরা। সকালে তাঁকে দেড় ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেফতার করা হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। তখন বাড়ির সমস্ত গেটে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।সিবিআই সূত্রে খবর, গতকাল বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারীর সঙ্গে কথা বলে অনুব্রতর শারীরিক অবস্থা নিয়ে খোঁজ করেন। তবে যে কায়দায় এদিন অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি ঘিরে রেখে সিবিআই আধিকারিকরা হানা দিয়েছেন তাতে তাঁকে গ্রেফতারের জল্পনা ক্রমশ বাড়ছিল। শিষমেশ অনুব্রতকে গ্রেফতার করে সিবিআই। জানা গিয়েছে, আসানসোলের ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে অনুব্রত মণ্ডলের। তার পর আজই হয়তো আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হবে কেষ্টকে। এদিকে অনুব্রতকে গ্রেফতারির ঘটনায় ফের চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের তৎকালীন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির এক মাসের মধ্যে আরেক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি। অনুব্রত ইস্যুতে দল পাশে থাকে দল না কিনা সেটাই দেখার।

আগস্ট ১১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে অতর্কিতে গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপে মৃত্যু যুবকের

আপাতদৃষ্টিতে কোনো কারণ ছাড়াই গলায় কোপ মেরে এক যুবককে খুনের অভিযোগে আর এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘি থানার পুলিশ।এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, বুধবার সাত সকালে ধীমান ঘোষ নামে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি ধারালো অস্ত্রের কোপ মারে বিশ্বজিত দাস নামে ওই যুবককে। গলায় কোপ লাগা অবস্থায় যুবকটি কিছু দূর যাওয়ার পরেই রাস্তায় লুটিয়ে পরে। বাঁচার জন্য চিৎকার করতে থাকলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। খবর পেয়ে কিছুক্ষণ পরে ঘটনাস্থলে আসে দেওয়ানদিঘী থানার পুলিশ। তাকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন । জানা যায়, মৃতের নাম বিশ্বজিৎ দাস, তাঁর বাড়ি বর্ধমান শহরের বিজয়রাম এলাকায়। বর্ধমান-১ ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিস এবং দেওয়ানদিঘী থানার খুব কাছেই ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাস্থলে আসেন পুর্ব বর্ধমান জেলা পুলিসের ডিএসপি অতনু ঘোষাল। আসেন অন্যান্য আধিকারিকরা। কী ভাবে এবং কেন এই খুন তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে জেলা পুলিশ। জানা যায়, অতর্কিতে আক্রমণ করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। অভিযুক্ত বাড়িতে গেলে তাকে বাড়ির লোক তালাবন্ধ করে রাখে। পরিবার ও এলাকার লোক পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে ধীমানকে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে এর আগেও ধীমান এই ধরনের অপরাধ করেছে। তাঁরা জানান এর আগে ছেলেটিকে তার বাবাকেও গলায় কোপ মেরেছিল। ডিএসপি (হেড কোয়ার্টার) অতনু ঘোষাল জানান, এইভাবে আক্রমণ করার কারণ স্পষ্ট নয়। কী কারণে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তের পুরনো কোনো রেকর্ড আছে কী না তাও দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১০, ২০২২
রাজ্য

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় কমিশনের দুই প্রাক্তন উপদেষ্টাকে গ্রেফতার সিবিআইয়ের

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কমিশনের প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা ও অশোক সাহাকে গ্রেফতার করল সিবিআই। ধৃতদের দফায় দফায় জেরা করার পর গ্রেফতারির সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর তাঁরা দুজনেই তদন্তে অসহযোগিতা করছিলেন।এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশে বাগ কমিটি যে রিপোর্ট জমা দেয় সেই রিপোর্টেও এসএসসির এই দুই প্রাক্তন কর্তা শান্তিপ্রসাদ সিনহা এবং অশোক সাহার নাম ছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই সূত্রে খবর, এঁরা দুজনেই তদন্তে সাহায্য করছিলেন না। তথ্য গোপন করে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। সেই কারণেই শান্তিপ্রসাদ ও অশোক সাহাকে গ্রেফতার করা হল বলে মনে করা হচ্ছে।সিবিআই সূত্রে খবর, বারংবার তলব করে জিজ্ঞাসাবাদে অসঙ্গতি মেলায় তাঁদের হেপাজতে নিয়ে আরও জেরা করার সিদ্ধান্ত নেয় সিবিআই। সেই কারণেই এই দুই প্রাক্তন এসএসসি কর্তাকে গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত নিল বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল। সেক্ষেত্রে আরও নতুন তথ্য পেতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। এর আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। ইডির জোড়া তল্লাশিতে টালিগঞ্জ ও বেলঘরিয়ার অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা নগদ সহ সোনার গহনা ও একাধিক স্থাবর সম্পত্তির নথি উদ্ধার হয়েছে।প্রসঙ্গত কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এসএসসিতে নিয়োগে দূর্নীতির তদন্তভার পায় সিবিআই। বুধবার বিকেলে এসএসসির প্রাক্তন দুই উপদেষ্টাকে গ্রেফতার করল সিবিআই। এই মামলায় এই প্রথম গ্রেপ্তার করল সিবিআই, এর আগে দুজন কে গ্রেপ্তার করেছে ইডি।

আগস্ট ১০, ২০২২
রাজ্য

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় কমিশনের দুই প্রাক্তন উপদেষ্টাকে গ্রেফতার করল সিবিআই

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা ও অশোক সাহাকে গ্রেফতার করল সিবিআই। ধৃতদের দফায় দফায় জেরা করার পর গ্রেফতারির সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর তাঁরা দুজনেই তদন্তে অসহযোগিতা করছিলেন।এর আগে হাই কোর্ট নির্দেশে বাগ কমিটি যে রিপোর্ট জমা দেয় সেই রিপোর্টেও এসএসসির এই দুই প্রাক্তন কর্তা শান্তিপ্রসাদ সিনহা এবং অশোক সাহার নাম ছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই সূত্রে খবর, এঁরা দুজনেই তদন্তে সাহায্য করছিলেন না। তথ্য গোপন করে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। সেই কারণেই শান্তিপ্রসাদ ও অশোক সাহাকে গ্রেফতার করা হল বলে মনে করা হচ্ছে।সিবিআই সূত্রে খবর বারংবার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদে অসঙ্গতি মেলাই তাঁরা হেপাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার সিদ্ধান্ত নেন সিবিআই। সেই কারনেই এই দুই প্রাক্তন এসএসসি কর্তাকে গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত নিল বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।এর আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। তাঁদের জোরা তল্লাশিতে টালিগঞ্জ ও বেলঘরিয়ার অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা নগদ সহ সোনার গহনা ও একাধিক স্থাবর সম্পত্তির নথি উদ্ধার হয়েছে। প্রসঙ্গত কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এসএসসিতে নিয়োগে দূর্নীতির তদন্তভার পায় সিবিআই। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থা। বুধবার বিকেলে এসএসসির প্রাক্তন দুই উপদেষ্টাকে গ্রেফতার করল সিবিআই।

আগস্ট ১০, ২০২২
রাজ্য

অভিনব অঙ্কনে বাল্যবিবাহ রোধে প্রচার সরকারি আধিকারিকের

বাল্যবিবাহ তৃতীয় বিশ্বের এক ভয়ানক ব্যাধি। এর কু-প্রভাব সুদুরপ্রসারী। সাধারণভাবে বাল্যবিবাহ হল অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই মানুষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ভাবে বা বিনা অনুষ্ঠানের বিবাহ। বর্তমান ভারতবর্ষে বিবাহের জন্য ছেলেদের আইনত বয়স হতে হবে ২১ বৎসর, এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮। ১৯৩০ এ বিবাহের জন্য নুন্যতম বয়স ছিল ছেলেদের ১৮ ও মেয়েদের ১৪। ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৪৯ এ মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়স বেড়ে হল ১৫। ১৯৭৮ এ এই নিয়ম আবার পরিবর্তন হয়ে বর্তমান নিয়ম লাঘু হয়।বাল্যবিবাহে ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের উপরই যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। তবে মেয়েরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বিশেষত নিম্ন আর্থসামাজিক পরিস্থিতির কারণে মেয়েদের বাল্য বয়সেই বিবাহ দেওয়ার প্রবণতা অনেক যায়গায় দেখা যায়। যে যে কারণে বাল্যবিবাহ হয় তাঁর মধ্যে অন্যতম, দারিদ্রতা, পণপ্রথা (যৌতুক), কিছু সামাজিক প্রথা, ধর্মীয় ও সামাজিক চাপ, অঞ্চলভিত্তিক রীতি, অবিবাহিত থাকার শঙ্কা, নিরক্ষরতা এবং মেয়েদের উপার্জনে অক্ষম ভাবা।স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, অল্প বয়সে মেয়েদের বিবাহ দিলে, তাঁরা স্বাভাবিক কারণেই অল্প বয়সেই সন্তান ধারণ করে। ওই বয়সে সন্তান প্রসব করানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সেটা শিশু ও মা উভয়ের জন্যই। তাঁরা আরও জানান, স্বল্প বয়সে মা হওয়ার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই বাচ্চা পুষ্টির অভাবে ভোগে। মায়েরও একই সমস্যা হতে পারে। এর ফলে খুব অল্প বয়সে বার্ধক্য নেমে আসে।২০১৯ এ এক কেন্দ্রীয় সমীক্ষায় দেখা গেছে, পশ্চিমবঙ্গে ২৪ থেকে ২৫ বছরের বয়সী মেয়েদের মধ্যে ৪১.৬০ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮-র কম বয়সে। কেন্দ্রীয় পরিবার ও স্বাস্থ্য পরিষেবা মন্ত্রকের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গেছে কলকাতা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, বীরভূমের মতো জেলায় উদ্বেগজনক ভাবে বাল্য বিবাহের হার বাড়ছে। এবং কন্যাশ্রীর মতো জনমুখী প্রকল্প সত্ত্বেও দেশে বাল্যবিবাহে এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গই।বাল্যবিবাহের কুপ্রভাব নিয়ে সারা দেশ জুড়ে নানা ভাবে প্রচার চালানো হচ্ছে। কোনও ক্ষেত্রে সরকারের তরফ থেকে, কোথাও বা সেচ্ছাসেবী সংস্থা দ্বারা, আবার ব্যক্তিগত উদ্যোগেও এর বিরুদ্ধে প্রচার চলছে। তেমনই এক অভিনব প্রচার সামাজিক মাধ্যমে সাড়া ফেলে দিয়েছে। পুর্ব-বর্ধমান জেলার বর্ধমান-১ ব্লকের অধিকর্তা অভিরূপ ভট্টাচার্য তাঁর সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। ছবিটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এগিয়ে যাও বড় হও বক্তব্যকে তুলে ধরে তিনি বলতে চেয়েছেন, স্বল্প বয়সে বিয়ে না করে একটি মেয়ের অনেক কিছুই করার আছে।তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই প্রয়াস সমন্ধে লিখেছেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক অপরাধ। যেকোনো মূল্যে বাল্যবিবাহ নির্মূল করতে হবে। বাল্য বিবাহের খারাপ প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমার দ্বারা করা একটি খুব দ্রুত চিত্রকর্ম।অভিরূপ ভট্টাচার্য তাঁর ছবির মাধ্যমে বলতে চেয়েছেন, মেয়েরা শুধুমাত্র সন্তান প্রসবের যন্ত্র নয়। একটা মেয়ে সে পাইলট হতে পারে, হতে পারে চিকিৎসক, একজন আইএএসও হতে পারে, হতে পারে শিক্ষক, জগৎ বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী হতে পারে, যোগদান করতে পারে পুলিস প্রশাসনে, বা পি ভি সিন্ধু, মিরাভাই চানু-র মত উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে ক্রীড়াক্ষেত্রে। তিনি এটাই হয়ত বলতে চেয়েছেন যে, বিবাহ ছাড়াও অনেক কিছুই করা যায় যা করলে সমাজ মনে রাখবে। অভিরূপ ভাট্টাচার্যের এই পোস্টারে কন্যাশ্রীর প্রকল্পের অবয়ব অঙ্কনের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে, প্রকল্পকটিকে জাতিসংঘ সমাদর করে পুরস্কৃত করার পিছনে এক সুদুর প্রসারি ভাবনা আছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে দেশের মধ্যে সবচেয়ে তৎপর পশ্চিমবঙ্গ।বাল্য বিবাহের প্রবণতা থেকে দূরে রাখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দুটি জনমুখী প্রকল্প বর্তমানে খুবই জনপ্রিয়। হয়ে উঠেছে, প্রথমটি রুপশ্রী, এই প্রকল্পে একটি মেয়ে তাঁর বিবাহের সময় এককালীন মোটা টাকার অনুদান পায় সরকারের থেকে। এক্ষেত্রে মেয়ের বয়স অবশ্যই ১৮ উর্ধ হতে হবে। আরেকটি মেয়েদের পড়াশোনার সুবিধার্থে কন্যাশ্রী। দুটি প্রকল্পেরই মূল লক্ষ্য বাল্য বিবাহ রোধ। বিশেষজ্ঞদের ধারনা এই দুই প্রকল্পের সুবিধা পেতে মেয়েরা স্কুল ও কলেজ মুখী হয়ে উঠবে।

আগস্ট ১০, ২০২২
রাজ্য

বহুজাতিক সংস্থার লোগো নকল করে যন্ত্রাংশ বিক্রীর অভিযোগে গ্রেপ্তার বর্ধমানে

বহুজাতিক সংস্থার ওয়াটার ফিল্টার কোম্পানীর লোগো নকল করে যন্ত্রাংশ বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করলো পূর্ব বর্ধমান জেলা দুর্নীতিদমন শাখা ও বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণে বহুজাতিক ওয়াটার ফিল্টার কোম্পানীর নকল লোগো লাগানো যন্ত্রাংশ।পুলিস সুত্রে জানা যায় ধৃতের নাম লক্ষ্মণ প্রসাদ। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৬৯, ২৭২, ১২০বি ও ৪২০ ধারায় এবং কপিরাইট অ্যাক্ট এর ৬৩ ও ৬৫ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।পুলিস আধকারিক জানান, তাঁরা গোপনসূত্রে খবর পেয়ে বর্ধমান শহরের বি সি রোডের বড়বাজার এলাকায় একটি দোকানে বহুজাতিক সংস্থার আধিকারিকদের নিয়ে অভিযান চালায় জেলাদুর্নীতি দমনশাখা ও বর্ধমান থানার পুলিশ। অভিযানে প্রচুর পরিমাণে নকল যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়।এবং নকল যন্ত্রাংশ বিক্রির অভিযোগে দোকান মালিক লক্ষ্মণ প্রসাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আগস্ট ০৯, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নামে অশ্লীল পোস্ট সোশাল মিডিয়ায়, অভিযোগে পূর্ব বর্ধমানে গ্রেফতার যুবক

সামাজিক মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নামে অশ্লীল পোষ্টকে তুলকালাম বর্ধমানে। এই অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করলো পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম বিজয় মণ্ডল ওরফে বিজয় মল্লিক। দেওয়ানদিঘী থানার কুড়মুন নতুনপল্লীতে তার বাড়ি।পুলুশ সূত্রে খবর, ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৫ নম্বর ধারার ২ নম্বর উপধারায় মামলা রুজু করে ৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করে মঙ্গলবার তাকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর। বিরোধীদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে তৃণমূল। পূর্ববর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এসব বিরোধীদের চক্রান্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির জন্য তারা পরিকল্পিতভাবে এধরনের নোংরামি করছে।আমরা দোষীর উপযুক্ত শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। যদিও বিজেপি বর্ধমান জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্রের দাবি, বিজেপি এই ধরনের ঘটনাকে প্রশ্রয় দেয় না বা সমর্থনও করে না। এই ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নিক এটা আমরাও চাই।

আগস্ট ০৯, ২০২২
রাজ্য

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে পার্থকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ আদালতের

কাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ওডিষার ভুবনেশ্বরে এইমস নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এখন তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বৃহস্পতিবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। একইসঙ্গে মোট ১৩ জায়গায় তল্লাশি করে ইডি আধিকারিকরা। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২১কোটি টাকা ২০ টাকা উদ্ধার করে ইডি। এসএসকেএম থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে তৃণমূলের মহাসচিবকে।

জুলাই ২৪, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

এসএসসি দুর্নীতি মামালায় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতেের নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। আগামী সোমবার ফের তাঁকে ইডি-র স্পেশাল কোর্টে হাজির করা হবে। ইডি আর্থিক তছরুপের অভিযোগ এনেছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে।গ্রেফতারের পর জোকা ইএসআই হাসপাতালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। তারপর তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করে ইডি। রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রীকে ২ দিনের ইডি হেফাজতেের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ইতিমধ্যে পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে আটক করেছে ইডি। শুক্রবার সকালে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সেই থেকে একটানা ২৭ ঘন্টা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দফায়-দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডির আধিকারিকরা। ইডির সঙ্গে তদন্তে অসহযোগিতা করছিলেন বলে সূত্রের খবর। সব প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন না। শেষমেশ তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকেই নগদ ২১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এদিকে তৃণমূলের মহাসচিবকে গ্রেফতারের পর ঘণ্টাখানেক কলকাতার রাস্তায় ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় জোকায় ইএসআই হাসপাতালে।পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীর বক্তব্য, ইডি রিমান্ডে নিতে চেয়েছিল। কিন্তু, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থা কোনও তথ্য প্রমাণ দেখাতে পারেনি। আদালত ২ দিনের ইডি হেফাজত দিয়েছে। তাছাড়া মন্ত্রী শারীরিক অবস্থাও ভাল না। সেই বিষয়টিও বিবেচনার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছিল।

জুলাই ২৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ...
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal