• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

RL

খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান: মহারণ নয়, একতরফা বার্তা, পেস বলের দেশ -৬ জন স্পিনার!

ফেব্রুয়ারির শুরুতেই বয়কটের হুঁশিয়ারি, তারপর হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলএই নাটকীয়তার আবহেই নামতে হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানকে। কিন্তু মাঠে যে লড়াই দেখা গেল, তাতে মহারণ শব্দটা কেবল নামেই রয়ে গেল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি পরিসংখ্যান ৭১ থেকে বেড়ে ৮১ভারতের পক্ষে।কলম্বোর মন্থর উইকেটে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ১৭৫/৭। জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে। শেষদিকে শাহিন আফ্রিদির ঝড়ো কয়েকটি শট না থাকলে তিন অঙ্কও হয়তো ছোঁয়া হত না। ম্যাচের প্রথম দুওভারেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, অলৌকিক কিছু না ঘটলে ফলাফল কোন দিকে যাবে।ঈশানের আগুনে ইনিংস: মন্থর পিচে আলাদা আলোকলম্বোর পিচ ধীরগতিরএই ধারণা ম্যাচের আগে থেকেই ছিল। কিন্তু সেই পিচে যেভাবে ব্যাট করলেন ঈশান, তা শুধু ম্যাচ নয়, টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ইনিংস হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শুরুতেই শাহিনকে ছয় মেরে বার্তা দেন তিনিআত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই।স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর পায়ের ব্যবহার, ফাঁকা জায়গা খুঁজে বাউন্ডারি বের করার দক্ষতাসব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল, তিনি যেন অন্য ট্র্যাকে খেলছেন। ভারতীয় দল দীর্ঘদিন পর এমন এক ইনিংস পেল, যা স্কোরবোর্ডে শুধু রান যোগ করেনি, মানসিক দিক থেকেও পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে। ঈশানের এই ইনিংস না থাকলে ১৭৫ রান নাগালের বাইরে থাকত।সূর্য-তিলকের মাপা ব্যাটিং: ঝুঁকি নয়, বুদ্ধির খেলাঈশানের আগ্রাসনের পর পরিস্থিতি বুঝে খেলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও তিলক বর্মা। তাঁরা জানতেন, একই ছন্দে চালালে উইকেট পড়তে পারে দ্রুত। তাই বেছে নেন খুচরো রান ও স্ট্রাইক রোটেশনের পথ। তৃতীয় উইকেটে ৩৮ রানের জুটি ম্যাচের প্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সূর্য আবারও দায়িত্বশীল ইনিংস খেললেনঅধিনায়কের মতোই। রানের গতি খানিক কমলেও স্কোরবোর্ড কখনও থামেনি। এই মাপা ব্যাটিং শেষ পর্যন্ত বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয়।শেষের ঝড়: শিবম-রিঙ্কুর কাঁধে বাড়তি ২৫-৩০ রান১৫০ পার হওয়াই যেখানে চ্যালেঞ্জ ছিল, সেখানে শেষ তিন ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শিবম দুবে ও রিঙ্কু সিংহ। শিবমের ১৭ বলে ২৭ ও রিঙ্কুর ৪ বলে ১১এই দ্রুত রানই ভারতের স্কোর ১৭৫-এ পৌঁছে দেয়। শেষ ওভারে শাহিনের হাতে বল তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য ব্যুমেরাং হয়ে যায়। অতিরিক্ত ১৫-১৬ রানই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।প্রথম চার ওভারেই ধস: সূর্যের কৌশলে কাবু পাকিস্তানপাকিস্তানের ইনিংস শুরু হতেই সূর্যের কৌশল নজর কাড়ে। স্পিনে ভরসা না করে প্রথম চার ওভার বল করান জোরে বোলারদের দিয়ে। ফল? আট বলের মধ্যে দুই উইকেট। হার্দিকের বলে ফারহানের বিদায়, তারপর বুমরাহর নিখুঁত ইয়র্কারে সাইম আয়ুবের স্টাম্প উড়ে যাওয়াপাকিস্তান চাপে পড়ে যায় শুরুতেই।সলমনের একটি ঢিলেঢালা শট ধরে নেন হার্দিক। তিন উইকেট পড়ে গেলে মন্থর পিচে ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব। পাকিস্তান আর সেই অলৌকিক প্রত্যাবর্তন দেখাতে পারেনি।স্পিন-ঝুঁকি ও সিদ্ধান্তের ফারাকপাঁচ স্পিনার নিয়ে নামা পাকিস্তান ইতিহাসে নজির গড়লটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ইনিংসে ছজন স্পিনার ব্যবহার। কিন্তু পরিকল্পনা আর বাস্তবের ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে গেল।অন্যদিকে সূর্যের সিদ্ধান্ত ছিল পরিস্থিতি-ভিত্তিক। প্রথমে পেসে আঘাত, তারপর স্পিনে চেপে ধরাএই কৌশলই ম্যাচের রাশ টেনে নেয় ভারতের হাতে। ফিল্ডিং সেটআপেও দেখা যায় আক্রমণাত্মক মানসিকতা, যা পাকিস্তানকে আরও চাপে ফেলে।নামেই মহারণ, মাঠে একতরফাদুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ, বয়কটের নাটকসবকিছুর পরেও ক্রিকেটপ্রেমীরা চেয়েছিলেন সমানতালে লড়াই। কিন্তু কলম্বোয় দেখা গেল একতরফা আধিপত্য। ভারত শুধু জিতল না, কৌশল, মানসিকতা ও কার্যকারিতায় প্রতিপক্ষকে অনেক পিছনে ফেলে দিল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের ঐতিহাসিক আবেগ থাকলেও, এদিনের ম্যাচ প্রমাণ করলমহারণ হতে হলে দুই পক্ষের সমান প্রস্তুতি ও স্থিরতা দরকার। কলম্বোয় সেই সমতা দেখা যায়নি। ফলাফল তাই শুধু স্কোরলাইনে নয়, খেলায়ও স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মহারণ: ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ রবিবার কলম্বোয়, দ্বীপরাস্ট্রে বৃষ্টির ভ্রূকুটি

আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ বহুল প্রতীক্ষিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে নির্ধারিত সূচি মেনেই হচ্ছে। রবিবার কলম্বোর R Premadasa Stadium-এ মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। গ্রুপ পর্বে এই হাইভোল্টেজ লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তুঙ্গে।ফর্মের বিচারে দুই দলডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত অভিযান শুরু করেছে জয়ের সুরে। যুক্তরাষ্ট্রকে হারানোর পর নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ৯৩ রানের দাপুটে জয় নিয়ে কলম্বোয় পৌঁছেছে সূর্যকুমার যাদবের দল। অন্যদিকে পাকিস্তান প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর জয় তুলে নেয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আরও সংগঠিত পারফরম্যান্সে সহজ জয় পায় তারা।বিশ্বকাপে মুখোমুখি ইতিহাসটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই আলাদা উত্তাপ। এই টুর্নামেন্টে দুই দল এখন পর্যন্ত আট বার মুখোমুখি হয়েছেভারত জিতেছে সাত বার, পাকিস্তানের একমাত্র জয় ২০২১ সালে।গত পাঁচটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং আগের দুইটি ৫০ ওভারের বিশ্বকাপেও দুই দল একই গ্রুপে ছিল। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে তারা আলাদা গ্রুপে পড়েছিল বটে, তবে সেমিফাইনালে দেখা হয়। সেই ম্যাচে ভারত জিতে ফাইনালে উঠে পরে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জেতে।কলম্বোয় ভারতের শক্তিশালী রেকর্ডকলম্বোর এই ভেন্যুতে ভারতের পরিসংখ্যান যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। ২০০৯ সালের পর থেকে এখানে ১৫টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে ভারতজিতেছে ১১টি, হেরেছে মাত্র ৪টি। শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনে তাদের সাফল্যের হারই আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে।আবহাওয়া নিয়ে শঙ্কাতবে ম্যাচের আগে চিন্তার কারণ বৃষ্টি। পূর্বাভাস বলছে, রবিবার দিনে প্রায় ৭৬% বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সন্ধ্যায় সেই সম্ভাবনা কমে ১৩%-এ নামতে পারে, যদিও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার সম্ভাবনা ১০০%। ফলে ম্যাচে বৃষ্টির প্রভাব পড়তে পারে বলেই আশঙ্কা।ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব অবশ্য আবহাওয়াকে বড় করে দেখছেন না। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আবহাওয়া আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়। আমরা প্রস্তুতিতেই মন দিচ্ছি।সম্ভাব্য দলভারত: সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মা, সঞ্জু স্যামসন, শিবম দুবে, ইশান কিশন, হার্দিক পান্ডিয়া, অর্শদীপ সিং, জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, রিঙ্কু সিং।পাকিস্তান: সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, খাওয়াজা নাফায়, মহম্মদ নওয়াজ, মহম্মদ সালমান মির্জা, নাসিম শাহ, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আয়ুব, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খান, উসমান খান, উসমান তারিক।সব মিলিয়ে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে আরেকটি মহারণের অপেক্ষা। পরিসংখ্যান ভারতের পক্ষে থাকলেও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আগাম ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন। কলম্বোর আকাশ পরিষ্কার থাকলে ক্রিকেটপ্রেমীরা হয়তো উপভোগ করবেন আরেকটি স্মরণীয় লড়াই।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ছোট দলের বিরুদ্ধে জয়, তবু স্পষ্ট দুর্বলতা — পাকিস্তান ম্যাচের আগে চিন্তায় ভারত

নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ৯৩ রানের দাপুটে জয়। স্কোরবোর্ড বলছে একতরফা ম্যাচ। কিন্তু মাঠের ছবিটা অন্য কথা বলছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটে ২০৯ রান তুলে ভারত জিতলেও, ব্যাটিংয়ের শেষভাগের ধস ও স্পিন-দুর্বলতা পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল।ঝড়ো শুরু, কিন্তু শেষটা ধসঅভিষেক শর্মার অসুস্থতায় সুযোগ পান সঞ্জু স্যামসন। ৮ বলে ২২ রান করে শুরুটা ভালো হলেও ইনিংস বড় করতে পারলেন না। নিউ জিল্যান্ড সিরিজেও ব্যর্থ সঞ্জু বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না।তবে পাওয়ারপ্লেতে ভারত ছিল অপ্রতিরোধ্য। মাত্র ৬.৫ ওভারে ১০০ রান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এত দ্রুত ১০০ করার নজির আগে ছিল না। এই কৃতিত্বের বড় অংশ জুড়ে ঈশান কিশন। অনুশীলনে চোট পাওয়ার পরও ২৪ বলে ৬১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন তিনি। ৬টি চার ও ৫টি ছয়ে নামিবিয়ার বোলিং ছিন্নভিন্ন করে দেন।কিন্তু মাঝের ওভারে তাল কাটে। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ১৩ বলে মাত্র ১২ রান করেন। তিলক বর্মা ২৫ করে থামেন। শেষদিকে ইনিংস টেনে নেন হার্দিক পান্ডিয়া ২৮ বলে ৫২ রানের ইনিংস ভারতকে ২০০ পার করায়।তারপরই চরম ধস। শেষ ১১ বলে ৫ উইকেট, শেষ দুই ওভারে মাত্র ১০ রান। ২০৯ থেকে স্কোর আরও বড় হতে পারত, কিন্তু নামিবিয়ার স্পিনে ছন্দ হারায় ভারত। অধিনায়ক গেরহার্ড ইরাসমাস ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের ভিত কাঁপিয়ে দেন। স্পিনারদের দাপটে ভারতের ৯ উইকেটের মধ্যে ৫টিই স্পিনে।ছোট দলের বিরুদ্ধে বড় সতর্কবার্তানামিবিয়ার মতো অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের বিরুদ্ধেও স্পিন সামলাতে হিমশিম খেল ভারত। বিশেষ করে ইনিংসের শেষভাগে ব্যাটারদের শট-নির্বাচন ও রানিং বিটুইন দ্য উইকেট ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। রিঙ্কু-শিবমের ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট, অক্ষরের প্রথম বলেই বোল্ড এসব বিশ্বচ্যাম্পিয়নসুলভ নয়।আরও বিস্ময়, নতুন বলে জসপ্রীত বুমরাহ-কে আনা হয়নি। সপ্তম ওভারে আক্রমণে আসেন তিনি। পাওয়ারপ্লেতে ৫.৪ ওভারে ৫০ তোলে নামিবিয়া যা তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্রুততম ৫০। প্রথম ম্যাচে তিন উইকেট নেওয়া মোহাম্মদ সিরাজ-কে একাদশে না রাখাও কৌশলগত প্রশ্ন তুলেছে।বোলারদের হাত ধরে রক্ষাতবে ম্যাচ জেতালেন বোলাররাই। বরুণ চক্রবর্তী ৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন। হার্দিক ও অক্ষর দুটি করে উইকেট নেন। ১৮.২ ওভারে ১১৬ রানে থামে নামিবিয়া।পাকিস্তান ম্যাচের আগে উদ্বেগস্কোরলাইন বড় জয় দেখালেও বাস্তব বলছে ভারতের ব্যাটিং এখনও স্থিতিশীল নয়। আমেরিকার বিরুদ্ধে সমস্যার ইঙ্গিত মিলেছিল, নামিবিয়ার বিরুদ্ধেও তা স্পষ্ট হল। স্পিনের বিরুদ্ধে দুর্বলতা, ইনিংসের শেষভাগে ধস, নতুন বলের ব্যবহার নিয়ে দ্বিধা সব মিলিয়ে পাকিস্তান ম্যাচের আগে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।নামিবিয়ার মতো ছোট দলের বিরুদ্ধেও যদি এমন ফাঁকফোকর দেখা যায়, তবে পাকিস্তানের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের সামনে ভারত কতটা প্রস্তুত সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। জয় এসেছে, কিন্তু বিশ্ব ত্রাস দলের ভিত যে পুরোপুরি মজবুত নয়, সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গাভাস্কারের ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি! শেষমেশ ভারত ম্যাচ খেলতেই রাজি পাকিস্তান

ভারতের বিরুদ্ধে টি-২০ বিশ্বকাপ ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা থেকে পাকিস্তানের সরে আসা নিয়ে কটাক্ষ করলেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তে নতুন কিছু নেই। পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের মতোই বোর্ডও প্রায়ই সিদ্ধান্ত বদলায়, আগে বড় ঘোষণা করে পরে তা তুলে নেয়। তাঁর এই মন্তব্যের কিছুদিন পরই পাকিস্তান সরকার বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।প্রথমে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে ভারত ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যেই সরকার জানায়, ক্রিকেটের স্পিরিট বজায় রাখার জন্য তারা সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করছে। এই হঠাৎ পরিবর্তন ঘিরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়।এর আগে এশিয়া কাপের সময়ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সেই সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসে তারা। ফলে পাকিস্তানের এই ধরনের সিদ্ধান্ত বদলের ঘটনা নতুন নয় বলেই মনে করছেন অনেকে।এই বার পাকিস্তান যে ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল, সেটি ছিল ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও আয়বহুল ম্যাচগুলির একটিভারত বনাম পাকিস্তান। সম্প্রচার সংস্থা ও আয়োজকদের কাছে এই ম্যাচের আর্থিক মূল্য প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার বলে মনে করা হয়। অথচ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের বার্ষিক আয় প্রায় ৩৫.৫ মিলিয়ন ডলার। সেই দিক থেকে এই ম্যাচ বয়কট করলে বড় আর্থিক ধাক্কা খেতে হত পাকিস্তানকে।বয়কটের পেছনে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে কারণ হিসেবে দেখিয়েছিল পাকিস্তান। বিষয়টি নিয়ে আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে দীর্ঘ বৈঠকও হয়। সেই বৈঠকে পাকিস্তান একাধিক দাবি তোলে, যার মধ্যে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ শুরু করার প্রস্তাবও ছিল। তবে আইসিসি জানিয়ে দেয়, তারা দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।শেষ পর্যন্ত আইসিসি জানায়, বাংলাদেশকে আর্থিকভাবে শাস্তি দেওয়া হবে না এবং তাদের রাজস্ব অংশীদারিত্ব বজায় থাকবে। এই সিদ্ধান্তকে সামনে রেখে পাকিস্তান বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।ক্রিকেট মহলের অনেকেই মনে করছেন, আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাই পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য করেছে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ভারত ম্যাচ বয়কট করা বাস্তবে সম্ভব ছিল না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।১৫ ফেব্রুয়ারি দুই দল মাঠে নামলে এই বিতর্ক অনেকটাই চাপা পড়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। দর্শক ভরা গ্যালারি, উচ্চ টিআরপি আর চিরচেনা উত্তেজনার মধ্যে আবারও মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত–পাক ম্যাচে টানাপোড়েন, আইসিসির সামনে কড়া শর্ত পাকিস্তান বোর্ডের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার আগে আইসিসির কাছে তিনটি দাবি তুলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই দাবিগুলি মানা হলে তবেই তারা সরকারের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত বদলের কথা ভাববে বলে জানানো হয়েছে।রবিবার লাহোরে আইসিসির এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও। মূল লক্ষ্য ছিল ভারতপাকিস্তান ম্যাচটি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত করা।ক্রিকবাজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসির কাছে তিনটি শর্ত দিয়েছে পাকিস্তান। প্রথমত, আইসিসির আয় থেকে পাকিস্তানের ভাগ বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ আবার শুরু করতে হবে। তৃতীয়ত, মাঠে দুই দলের মধ্যে হ্যান্ডশেক প্রোটোকল বাধ্যতামূলক করতে হবে।বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে দেবে না। ম্যাচটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হওয়ার কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বয়কটের স্পষ্ট কারণ সরকার জানায়নি।ক্রিকেট মহলে মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশকে সমর্থন করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কারণ, নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা তুলে নিজেদের ম্যাচ ভারতের বাইরে সরানোর আবেদন করেছিল বাংলাদেশ। সেই আবেদন আইসিসি খারিজ করার পরই বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়।এই পরিস্থিতিতে আইসিসি পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসে। বৈঠকে অনলাইনে যোগ দেন আইসিসির সিইও সঞ্জোগ গুপ্ত। লাহোরে উপস্থিত ছিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি, আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খোয়াজা এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশও আইসিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে। সেই বিষয়েও আলোচনায় পাকিস্তান মধ্যস্থতা করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।পাকিস্তানের এই তিন দাবির মাধ্যমে আইসিসির উপর চাপ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, ভারতপাকিস্তান ম্যাচ না হলে সম্প্রচার থেকে বড় অঙ্কের আয় কমে যেতে পারে। সেই কারণেই এই ম্যাচকে হাতিয়ার করে নিজেদের দাবি আদায়ের চেষ্টা করছে পাকিস্তান।বর্তমানে আইসিসির আয়ের ভাগের দিক থেকে পাকিস্তান চতুর্থ স্থানে রয়েছে। মোট আয়ের ৫.৭৫ শতাংশ পায় তারা। ২০২৩ সালের হিসাবে আইসিসি থেকে বছরে প্রায় ৩৪.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পায় পাকিস্তান বোর্ড। এই অর্থ দেশের ক্রিকেট চালানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের থেকে বেশি আয় পায় কেবল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারত।পিসিবির দ্বিতীয় দাবি, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ফের শুরু করা। তবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুই দেশের সরকারের হাতে। আইসিসি সরাসরি এমন সিরিজ আয়োজন করতে পারে না, তারা শুধু মধ্যস্থতা করতে পারে।তৃতীয় দাবি, হ্যান্ডশেক প্রোটোকল চালু করা। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে পাহেলগাম জঙ্গি হামলার পর ভারতীয় দল পাকিস্তানের ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করেছিল। সেই ঘটনার পরই এই বিষয়টি সামনে এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সূর্যের আলোয় জয়, কিন্তু ভারতের ব্যাটিংয়ের ছায়া প্রকট বিশ্বকাপ শুরুতেই

ওয়াংখেড়েতে প্রত্যাশিত অঘটন ঘটেনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আমেরিকাকে হারিয়েই অভিযান শুরু করল ভারত। তবে ২৯ রানের এই জয়ের আড়ালে লুকিয়ে রইল একাধিক প্রশ্নচিহ্নবিশেষ করে ভারতের ব্যাটিং নিয়ে।টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তোলে মাত্র ১৬১ রান। নামের ভারে শক্তিশালী ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপের থেকে যা অনেকটাই কম। সূর্যকুমার যাদব ছাড়া কার্যত ব্যর্থ সবাই। একাই লড়াই করে ৪৯ বলে অপরাজিত ৮৪ রান করেন ভারত অধিনায়ক। তাঁর ইনিংস না থাকলে ভারতের পরিস্থিতি যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, তা সহজেই অনুমেয়।ম্যাচের শুরু থেকেই অস্বস্তিতে পড়ে ভারত। দ্বিতীয় ওভারেই শূন্য রানে ফেরেন অভিষেক শর্মা। সাম্প্রতিক সময়ে প্রথম বলেই আউট হওয়ার প্রবণতা আবারও চোখে পড়ল। ঈশান কিশন ও তিলক বর্মা কিছুটা আশার আলো দেখালেও এই মন্থর পিচে দৌড়ে রান নেওয়ার বদলে বড় শটের উপর নির্ভর করাই কাল হয়ে দাঁড়ায়। শ্যাডলে ফান শকউইকের দুরন্ত স্পেলে মুহূর্তে ভেঙে পড়ে ভারতের ইনিংস। ৪৫ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দল।পাওয়ার প্লে-র পর সূর্য ও রিঙ্কু সিংহ জুটি বাঁধার চেষ্টা করলেও রান তোলার গতি ছিল অত্যন্ত ধীর। এক সময় টানা ২৭ বল কোনও বাউন্ডারি আসেনি। রিঙ্কু, হার্দিককেউই তাল কাটাতে পারেননি। ৭৭ রানে ৬ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ওয়াংখেড়ে কার্যত স্তব্ধ।সেই কঠিন মুহূর্তেই দায়িত্ব নেন সূর্যকুমার যাদব। পিচ বুঝে, ঝুঁকি কমিয়ে, দৌড়ে রান আর সঠিক সময়ে বড় শটএই মিশ্রণেই ইনিংস সাজান তিনি। স্কোয়্যার অঞ্চলে শট, সুইপ, উইকেটের চারদিকে খেলেই প্রমাণ করেন কেন তাঁকে ৩৬০ ডিগ্রি ব্যাটার বলা হয়। অক্ষর পটেলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ৪১ রানের জুটি গড়ে তোলেন তিনি। শেষ পাঁচ ওভারে ভারত তোলে ৬৯ রান।আমেরিকার বোলিংয়ে শকউইক নজর কাড়েন ৪ উইকেটে। তবে সৌরভ নেত্রভলকর ভুলে যাওয়ার মতো দিন কাটান৪ ওভারে ৬৫ রান, উইকেটশূন্য।১৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আমেরিকাও এই পিচে যে সমস্যায় পড়বে, তা শুরুতেই বোঝা যায়। সিরাজ ও অর্শদীপের আগ্রাসী বোলিংয়ে ১৩ রানেই ৩ উইকেট হারায় তারা। মাঝখানে মিলিন্দ কুমার ও সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তির জুটি কিছুটা লড়াইয়ের রসদ জোগালেও প্রয়োজনীয় রানরেটের চাপ সামলাতে পারেনি আমেরিকা।শেষ দিকে বড় শট মারার চেষ্টা করতে গিয়ে দ্রুত উইকেট হারায় তারা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩২ রানেই থামে আমেরিকার ইনিংস। সিরাজ নেন ৩টি উইকেট, অক্ষর ২টি, বরুণ ও অর্শদীপ পান ১টি করে।ম্যাচ জিতলেও ভারতের শিবিরে স্বস্তির হাসি নেই। ডাগআউটে গম্ভীর মুখে বসে থাকা গৌতম গম্ভীরই যেন তার ইঙ্গিত। জলপানের বিরতিতে মাঠে নেমে পরামর্শ দিলেও, ব্যাটিংয়ের এই ছবি নিশ্চয়ই কোচিং স্টাফকে ভাবাচ্ছে।বিশ্বকাপ শুরু হল জয়ে, কিন্তু ভারতের সামনে বার্তাটা স্পষ্টশুধু সূর্যের উপর ভর করে অনেক দূর যাওয়া যাবে না।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

শেষমেশ নতি স্বীকার? ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে রাজি পাকিস্তান!

শেষ পর্যন্ত ভারতের বিরুদ্ধে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি মাঠে নামতে পারে পাকিস্তান। এমনই জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগেই একাধিক প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যে কোনও সময় অবস্থান বদলাতে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এখন যা পরিস্থিতি, তাতে সেই আশঙ্কাই সত্যি হতে চলেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এতদিন পর্যন্ত ভারত ম্যাচ না খেলার বিষয়ে অনড় ছিল পিসিবি। তাদের যুক্তি ছিল, পাকিস্তান সরকার এই ম্যাচ খেলতে রাজি নয়। তাই বোর্ডের হাতে কিছু করার নেই। এটাকে তারা ফোর্সা মেজোর বলেই ব্যাখ্যা করেছিল। কিন্তু প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হতশ্রী পারফরম্যান্স দেখার পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।সূত্রের খবর, ১৫ ফেব্রুয়ারির ভারত ম্যাচ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে আলোচনায় বসতে আপত্তি নেই পিসিবির। অর্থাৎ দর কষাকষির রাস্তা খুলে দিতে চাইছে পাক বোর্ড। আইসিসিও চাইছে, যে কোনও ভাবেই এই ম্যাচ হোক। সেই কারণেই পিসিবির বক্তব্য শুনতে তারা প্রস্তুত বলে জানা যাচ্ছে।পিসিবির অবস্থান বদলের পিছনে বড় কারণ রয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে পাকিস্তানকে। মোটা অঙ্কের আর্থিক জরিমানা তো রয়েছেই, এমনকি নির্বাসনের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তার উপর দলের বর্তমান পারফরম্যান্সও চিন্তার। টুর্নামেন্টে যে কোনও ম্যাচেই হারতে পারে পাকিস্তান। আর একটি ম্যাচ হারলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই সুর নরম করছে পিসিবি।এর মধ্যেই আসরে নেমেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তানকে কড়া চিঠি দিয়েছে তারা। শ্রীলঙ্কা আয়োজক দেশ হওয়ায় এই ম্যাচ বাতিল হলে বিরাট আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে তাদেরও। চিঠিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, ম্যাচ না হলে আর্থিক ও পর্যটন ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা আসতে পারে।শ্রীলঙ্কা বোর্ডের সেই চিঠির পরেই আরও নরম হয়েছে পিসিবির অবস্থান। পাক বোর্ডের এক সূত্র শনিবার জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা সরকারের সম্পর্ক ভালো। ক্রিকেটের দিক থেকেও দুই দেশের বোর্ড ঘনিষ্ঠ। তাই শ্রীলঙ্কার অনুরোধ উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। পাক বোর্ড প্রধান মহসিন নকভির সঙ্গে শ্রীলঙ্কা বোর্ডের সভাপতি শাম্মি সিলভার কথা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তানের কত বড় ক্ষতি হতে পারে।সব মিলিয়ে এখন ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে রাজি হওয়ার সব পথই খোলা রাখছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। শেষ পর্যন্ত ১৫ ফেব্রুয়ারি কি দেখা যাবে সেই বহু প্রতীক্ষিত মহারণ, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
দেশ

আদালতের নির্দেশেও শুরু হয়নি ১০০ দিনের কাজ! সংসদে মুখোমুখি কেন্দ্র-রাজ্য

আদালতের নির্দেশের পরেও বাংলায় এখনও শুরু হয়নি একশো দিনের কাজ। এবার সেই বিষয়টি সংসদে তুলে ধরল তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভায় রাজ্যের শাসক দলের সাংসদ মালা রায় বাংলায় একশো দিনের কাজ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করেন। তাঁর প্রশ্নের লিখিত জবাব দেয় কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক।লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী কমলেশ পাসওয়ান জানান, ২০২২ সালের ৯ মার্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গের জন্য একশো দিনের কাজের বরাদ্দ টাকা বন্ধ রাখা হয়েছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের নির্দেশ রাজ্য সরকার না মানার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।লোকসভায় মালা রায় জানতে চান, ২০২৫ সালের ১ অগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামোন্নয়ন কর্মসূচি বা এমজিএনরেগা প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গে কতদিন কাজ হয়েছে। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত ছমাসে এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকার কত টাকা পেয়েছে। যদি টাকা না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে তার কারণ কী।এই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও একশো দিনের কাজ শুরু না হওয়ার দায় রাজ্যেরই। কমলেশ পাসওয়ান বলেন, ২০২৫ সালের ১৮ জুন কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রাজ্যে একশো দিনের কাজ শুরু করার বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল। তবে প্রকল্পটি সঠিক ও আইন মেনে চালানোর জন্য কিছু বিশেষ শর্ত মানার কথা বলা হয়।কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য শ্রম বাজেটের প্রস্তাব পাঠাতে রাজ্য সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে আসেনি। মালা রায়ের প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্র কার্যত স্পষ্ট করে দেয়, রাজ্যের অসহযোগিতার কারণেই বাংলায় একশো দিনের কাজ শুরু করা যায়নি।এই পরিস্থিতি এমন এক সময়ে তৈরি হয়েছে, যখন বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আর একশো দিনেরও কম সময় বাকি। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনী প্রচারে একশো দিনের কাজ বন্ধ থাকার বিষয়টি নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরকে তীব্রভাবে আক্রমণ করবে। ভোটের ময়দানে এই তথ্য দুই পক্ষ কীভাবে ব্যবহার করে, সেদিকেই নজর থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১৪ বছরেই ইতিহাস! বৈভবের ১৭৫-এ উড়ল ইংল্যান্ড, বিশ্বজয় ভারতের

যে মাটি থেকে একদিন উঠে এসেছিলেন বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিং, মহম্মদ কাইফের মতো তারকারা, সেই একই মঞ্চে এবার নতুন নায়কের রাজত্ব। সেই গল্পের নাম বৈভব সূর্যবংশী। গত আইপিএলেই নিজের আগমনী বার্তা দিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ওপেন করতে নেমে সেঞ্চুরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ক্রিকেট দুনিয়াকে। তখন থেকেই আলো তাঁর পিছু ছাড়েনি। যুব বিশ্বকাপে নামার আগেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন তারকা। যে দিন ব্যাট হাতে নামেন, গ্যালারির উচ্ছ্বাস থামে না।সেই বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাটেই ভর করে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতল ভারত। ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর ৮০ বলে ১৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংসটাই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। বৈভবের ঝড়ে ভর করে ভারত তোলে বিশাল ৪১১ রান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডকে ১০০ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপ তুলে নেয় ভারত।ইংল্যান্ডের ছোটরা কিন্তু সহজে হার মানেনি। ওপেনার বেন ডকিন্স শুরুতেই ৬৬ রান করে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেন। বেন মায়েস ২৮ বলে ৪৫ রান করে চাপ বাড়ান। থমাস রিউ করেন ১৮ বলে ৩১। তাতে অনেকেই ভাবছিলেন ম্যাচ ঘুরে যেতে পারে। সেলেব ফ্যালকনার ক্রিজে এসে ইংল্যান্ডকে ফের আত্মবিশ্বাসী করে তোলেন। ৬৭ বলে ১১৫ রান করেন তিনি। ৯টি চার ও ৭টি ছক্কায় ভারতীয় বোলিংকে কিছুটা হলেও চাপে ফেলেছিলেন সেলেব।কিন্তু ইংল্যান্ডের কেউ বৈভব হয়ে উঠতে পারেননি। সেলেব আউট হতেই ম্যাচ আবার ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। বল হাতে তখন জ্বলে ওঠেন আরএস অম্বরীশ। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনটি উইকেট নেন তিনি। দীপেশ দেবেন্দ্রন ও কনিষ্ক চৌহান নেন দুটি করে উইকেট। এরপর আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায়নি ইংল্যান্ড।ফাইনাল এবং গোটা টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন বৈভব সূর্যবংশী। এর আগে পাঁচবার যুব বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এ বার ষষ্ঠবার ট্রফি জিতে ইতিহাসে আরও এক অধ্যায় যোগ হল।ট্রফি জয়ের পর কোচ ঋষিকেশ কানিতকর বলেন, এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। ছেলেদের নিয়ে তিনি গর্বিত। তাঁর কথায়, ইংল্যান্ড লড়াই করেছিল, কিন্তু ভারত শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। ট্রফি জেতা যেমন লক্ষ্য ছিল, তেমনই তরুণ ক্রিকেটারদের উন্নতিই ছিল সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।ভারতীয় দলের একমাত্র বাঙালি ক্রিকেটার অভিজ্ঞান কুন্ডু জানান, ম্যাচের এক পর্যায়ে চাপ অনুভব করলেও ধৈর্য হারাননি তাঁরা। বোলাররা অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছেন বলে জানান তিনি। দুবছরের কঠোর পরিশ্রমের ফল হিসেবে এই ট্রফি এসেছে বলেই মনে করেন অভিজ্ঞান। আগের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারার বদলা এ বার নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, সূর্যবংশীর আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু থেকেই ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দিয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টানা ছ’বার ফাইনালে ভারত, রেকর্ড রান তাড়ায় আফগানিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বজয়ের দোরগোড়ায় ছোটরা

ভারতীয় ছোটদের ক্রিকেটে ধারাবাহিক সাফল্যের আরও এক উজ্জ্বল অধ্যায় যোগ হল বুধবার। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টানা ষষ্ঠ বার ফাইনালে উঠল ভারত। বিশ্বের আর কোনও দল ছোটদের বিশ্বকাপে এমন নজির গড়তে পারেনি। শুক্রবার ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।হারারের মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩১০ রান তোলে তারা। ফয়জল শিনোজ়াদার ঝকঝকে ১১০ এবং উজ়াইরুল্লা নিয়াজ়াইয়ের অপরাজিত ১০১ রানের সুবাদে বড় স্কোর দাঁড় করায় আফগান শিবির। তবে সেই রান পাহাড়ও শেষ পর্যন্ত টপকানো গেল ভারতীয় ব্যাটারদের দাপটে।৩১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন ভারতের দুই ওপেনার। বিশেষ করে নজর কাড়েন মাত্র ১৪ বছর বয়সি বৈভব সূর্যবংশী। ৩৩ বলে ৬৮ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন তিনি। তাঁর ব্যাটেই ভারতের ইনিংস গতি পায়। বৈভব আউট হওয়ার পর দায়িত্ব সামলান অ্যারন জর্জ এবং অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রে।দ্বিতীয় উইকেটে জর্জ-মাত্রের ১১৪ রানের জুটি কার্যত ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেয়। আগের ম্যাচে ব্যর্থ হলেও সেমিফাইনালে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন দুজনেই। অধিনায়ক মাত্রে করেন ৫৯ বলে ৬২ রান। অন্যদিকে অ্যারন জর্জ খেলেন ম্যাচজয়ী শতরান১০৪ বলে ১১৫ রান, যার মধ্যে ছিল ১৫টি চার ও ২টি ছক্কা।ভারতীয় ব্যাটাররা আফগান স্পিন আক্রমণকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে দেন। পাওয়ার প্লেতেই দ্রুত রান তুলে চাপ তৈরি করে দেয় ভারত। ৪১.১ ওভারে ৩ উইকেটে ৩১১ রান তুলে নেয় তারা। জর্জ আউট হওয়ার সময় জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১১ রান। শেষ দিকে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন বিহান মলহোত্র (অপরাজিত ৩৯) ও বেদান্ত ত্রিবেদী।আফগানিস্তানের হয়ে ওমরজ়াই ২টি উইকেট নিলেও রানের গতি আটকাতে পারেননি। ভারতের এই জয় অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সফল রান তাড়া হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।উল্লেখযোগ্য বিষয়, বিসিসিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী কোনও ক্রিকেটার দুবার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে খেলতে পারে না। তবু প্রতিবার নতুন দল নিয়েই ধারাবাহিক ভাবে ফাইনালে পৌঁছে যাচ্ছে ভারত। ইতিমধ্যেই পাঁচ বার ছোটদের বিশ্বকাপ জিতেছে তারা। শুক্রবার ষষ্ঠ বারের জন্য ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে আয়ুষ মাত্রের দল।এক দিকে যখন ছোটরা বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তার আগের দিনই বড়রা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রক্ষার লড়াইয়ে নামবেন। ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য এ যেন স্বর্ণালী সময়ের আর এক প্রতিচ্ছবি।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

এক ম্যাচেই ৪৫০০ কোটি! ভারত-পাক না খেললে কাঁপবে ক্রিকেটের অর্থনীতি

টি-২০ বিশ্বকাপে যদি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ম্যাচ না হয়, তাহলে গোটা ক্রিকেটবিশ্বকে বড়সড় আর্থিক ধাক্কা খেতে হতে পারে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই একটি ম্যাচ না হলে প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বিপুল লাভ। সম্প্রচারকারী সংস্থা থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপনদাতা, স্পনসর, টিকিট বিক্রিসব ক্ষেত্রেই এই ম্যাচ সবচেয়ে বেশি আয় এনে দেয়।এই কারণেই প্রতি মেগা টুর্নামেন্টে ভারত ও পাকিস্তানকে সাধারণত একই গ্রুপে রাখা হয়। কিন্তু আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে যদি দুই দল মুখোমুখি না হয়, তাহলে ক্রিকেটের ব্যবসায়িক দুনিয়ায় বড় ধাক্কা লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ব্যবসার দিক থেকে ভারত-পাক ম্যাচের গুরুত্ব এতটাই বেশি যে, ভারত যদি অন্য কোনও দলের বিরুদ্ধে ফাইনালও খেলে, তাতেও এই পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয় না।প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, একটি ভারত-পাক ম্যাচ থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যবসা হয়। ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকা। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান যদি মাঠে না নামে, তাহলে এই বিশাল অঙ্কের লোকসান হবে বলেই আশঙ্কা।পরিসংখ্যান বলছে, শুধু বিজ্ঞাপন থেকেই এই ম্যাচে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আয় হয়। ম্যাচ চলাকালীন মাত্র ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের দাম উঠতে পারে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারেএই আশঙ্কা করেই সম্প্রচারকারী সংস্থা জিও হটস্টার আইসিসির কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে। আইসিসি যদি সেই ছাড় দেয়, তাহলে তাদের লাভ কমবে। আর আইসিসির আয় কমলে তার প্রভাব পড়বে সদস্য দেশগুলির উপরও। আইসিসি থেকে পাওয়া অর্থ কমে যেতে পারে বিভিন্ন বোর্ডের।ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অন্তত ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে অনুমান। এর জেরে বোর্ডের একাধিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি থমকে যেতে পারে। একই সঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ভারতীয় বোর্ডও। ভারত-পাক ম্যাচ ঘিরে সাধারণত হোটেল ভাড়া, বিমান ভাড়া এবং পর্যটন সংক্রান্ত খরচ বেড়ে যায়। ম্যাচ না হলে এই ক্ষেত্রগুলিও আর্থিক ধাক্কা খাবে।এছাড়াও আইসিসি থেকে যে বিপুল অর্থ পাওয়ার কথা, তা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে পাকিস্তান বোর্ড। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এইভাবে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ালে পাকিস্তানের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভবিষ্যতে তাদের উপর ভরসা করে বড় কোনও সংস্থা বিনিয়োগ করবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশের পর এবার পাকিস্তানের নাটক, বিশ্বকাপ খেলবে কি না ঠিক করবে সরকার!

বাংলাদেশের পর এবার বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন নাটক শুরু করল পাকিস্তান। ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের অবস্থান ঘিরে জটিলতা আরও বাড়ছে। নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতে খেলতে না আসার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়েছে আইসিসি। তাদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছে স্কটল্যান্ড। আর সেই সিদ্ধান্তের রেশ কাটতে না কাটতেই, বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক দুসপ্তাহ আগে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পর তাদের পাশে দাঁড়ানোর ভান করে এবার সরব হলেন পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি। হঠাৎ করেই তিনি জানালেন, ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তান সরকার। অর্থাৎ বিশ্বকাপে খেলার বিষয়টি তিনি ঠেলে দিলেন প্রধানমন্ত্রীর কোর্টে।পাক বোর্ড প্রধানের কথায়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি দেশে ফিরলে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নকভি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার অনুমতি না দিলে পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলতে নাও যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আইসিসি চাইলে অন্য কোনও দেশকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এখানেই থামেননি নকভি। তিনি দাবি করেন, এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পিসিবির কাছে একাধিক বিকল্প পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর কথায়, পিসিবির কাছে প্ল্যান এ, বি ও সি তৈরি আছে এবং প্রয়োজন হলে তা ব্যবহার করা হবে। আগেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময় এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে পাকিস্তানের এই অবস্থান ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ক্রিকেটমহলের একাংশের মতে, বাংলাদেশের বাদ পড়ার পর তৈরি হওয়া পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে আইসিসির উপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং পাকিস্তান বিশ্বকাপে নামে কি না।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশ বাদ পড়লে নতুন দল? আইসিসির বৈঠকে বড় ইঙ্গিত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, বিশ্বকাপ থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের বিকল্প দল খেলার বিষয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু করে দিয়েছে আইসিসি। এই টানাপড়েনের মাঝেই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াল পাকিস্তান। শোনা যাচ্ছে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, তারা চাইলে বাংলাদেশের সব ম্যাচ আয়োজন করতে প্রস্তুত।বুধবারের মধ্যে বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে সময় দিয়েছিল আইসিসি। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি বিসিবি। এর মধ্যেই আইসিসির ভারচুয়াল বৈঠক বসে। সেই বৈঠকে বিভিন্ন দেশের বোর্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের দাবি, বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপে না খেলে, সে ক্ষেত্রে বিকল্প দল নেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন বেশিরভাগ সদস্য। এই পরিস্থিতিতে কিছুটা নরম হয়েছে আইসিসি। বিসিবিকে আরও ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।এই বৈঠকেই বাংলাদেশের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। সূত্রের খবর, পিসিবি জানিয়েছে, বাংলাদেশের দাবিকে তারা যুক্তিসংগত বলেই মনে করছে। সেই দাবি মানা উচিত। যদি শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব না হয়, তাহলে পাকিস্তান প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজন করতে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি পাকিস্তান বোর্ড। আইসিসির বৈঠকে পাকিস্তানের হয়ে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড প্রধান মহসিন নকভি।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এতদিন ডেডলাইনের বিষয়টি অস্বীকার করে এসেছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ভারতীয় বোর্ডের দিকেও আঙুল তুলেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তেই অনড় বাংলাদেশ। তবে বিসিবি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশ না খেললে অন্য দেশকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেওয়া হবে।এই অবস্থায় বড় প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশ কি নিজের অবস্থানে অনড় থাকবে? নাকি ক্রিকেটারদের স্বার্থে ও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ বাঁচাতে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদল করবে?

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২৪ ঘণ্টায় ইউ-টার্ন! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

দিন কয়েক ধরেই জল্পনা চলছিল, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে পাকিস্তান। ক্রিকেট মহলে কানাঘুষো ছিল, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে যেমন পাকিস্তান ভারতের মাটিতে খেলতে রাজি হয়নি, ঠিক তেমনই বাংলাদেশও ভারতে খেলতে না চাইলে ভাইজান-এর পাশে দাঁড়াবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনায় জল ঢালল পিসিবি। সূত্রের খবর, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করার কোনও পরিকল্পনাই নেই পাকিস্তানের।পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাকি পাকিস্তানের কাছে ক্রিকেট ও প্রশাসনিক সহায়তা চেয়েছিল। আগেও পাক বোর্ডপ্রধান মহসিন নকভি বাংলাদেশকে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন। এমনও শোনা যায়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজন করার প্রস্তাব দিয়েছিল পিসিবি। এমনকি সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ থেকে সরে যেতে পারে এমন বার্তাও নাকি দেওয়া হয়েছিল।এই আবহেই সোমবার আচমকা খবর ছড়ায়, পাকিস্তান নাকি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি বন্ধ করে দিয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে শুরু হওয়ার কথা পাকিস্তানের অভিযান। সেই ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু ম্যাচের আগে হঠাৎ করেই অনুশীলন বন্ধ করে দেয় সলমন আলি আঘা নেতৃত্বাধীন দল। পাক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নিয়ে শীঘ্রই টিম ম্যানেজমেন্টকে জানাবে পিসিবি। এমনকি বিশ্বকাপ না খেললেও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে দলকে।তবে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সম্পূর্ণ উল্টো অবস্থান নেয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবির এক প্রতিনিধি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপ বয়কট করার প্রশ্নই নেই। আগেই ঠিক করা হয়েছিল, শ্রীলঙ্কায় গিয়ে সব ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান। সেই সিদ্ধান্তেই তারা অনড়। ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত অবস্থানের কারণে পাক দল ভারতে খেলবে না ঠিকই, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তারা গোটা টুর্নামেন্ট থেকেই সরে দাঁড়াবে। পাকিস্তান নির্ধারিত সূচি মেনেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

শিলিগুড়িতে মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস, বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি ও ১২ জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপে নতুন তীর্থক্ষেত্র

শিলিগুড়ি জেলার মাটিগাড়ায় এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রকল্পের সূচনা হল বুধবার। মহাকাল মহাতীর্থ-সহ একাধিক জনহিতকর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শুভ শিলান্যাস করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৭.৪১ একর জমির উপর গড়ে উঠতে চলা মহাকাল মহাতীর্থকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির নির্মাণ করা হবে। মন্দির চত্বরে থাকবে ভারতবর্ষের ১২টি জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপ এবং ১২টি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির। দুটি প্রবেশপথ, চার কোণে চার দেবতার মূর্তি, সাংস্কৃতিক হল ও কনভেনশন সেন্টার এই মহাতীর্থকে এক পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। মহাকাল মূর্তির মোট উচ্চতা হবে ২১৬ ফুট, যার মধ্যে ১০৮ ফুট উচ্চ ব্রোঞ্জের মূল মূর্তি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই মন্দির নির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু মন্দির নয়, মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তিও এখানে তৈরি করা হচ্ছে। বাংলার এই পুণ্যতীর্থ যুগ-যুগান্ত ধরে বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে থাকবে।ভাষণে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলা সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভূমি। কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াক, দিঘায় জগন্নাথ ধাম ও দুর্গা অঙ্গন নির্মাণের পাশাপাশি রাজ্য সরকার বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানের উন্নয়ন ও সংস্কারে নিরন্তর কাজ করেছে। তারকেশ্বর, তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, জল্পেশ মন্দির, ফুল্লরা মন্দির, মদনমোহন মন্দির থেকে শুরু করে পাথরচাপুরি মাজার, মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরএকাধিক তীর্থক্ষেত্রের সংস্কার ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন, জাহের থান ও মাঝি থানগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন, কবরস্থান সংস্কার এবং ইসকনকে ৭০০ একর জমি দেওয়ার মতো পদক্ষেপ রাজ্যের সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভাবনাকেই তুলে ধরে। ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি রক্ষায় দার্জিলিং ও কলকাতার বাড়ি রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও স্মরণ করান তিনি।মতুয়া সমাজ, রাজবংশী, তপশিলি ও আদিবাসী সম্প্রদায়-সহ সব শ্রেণির মানুষের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্ম মুখে প্রচার করা যায় না, ধর্ম হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। ভাষণের শেষে তিনি মহাদেবের আশীর্বাদে বিশ্বচরাচরে শান্তি, সৌহার্দ্য ও কল্যাণ কামনা করেন।মাটিগাড়ার মহাকাল মহাতীর্থ প্রকল্প শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটন, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাজ্য

গ্রামীণ স্কুলে বইয়ের আলো, পাহাড়হাটিতে একদিনের বইমেলায় উৎসবের আমেজ

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারী ২ নম্বর ব্লকের পাহাড়হাটি বাবুরাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো একদিনের বইমেলা। ছাত্রীদের মধ্যে বইপড়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যেই এই অভিনব উদ্যোগ নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এটি একটি সম্পূর্ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হওয়ায় মেয়েদের মানসিক ও বৌদ্ধিক বিকাশে বইয়ের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতেই এই আয়োজন বলে জানান কর্তৃপক্ষ।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জানান, বর্তমান সময়ে মোবাইল ও ডিজিটাল আসক্তির মধ্যে বইয়ের প্রতি ছাত্রীদের আগ্রহ ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই জায়গা থেকেই বইকে কাছাকাছি আনার জন্য এই একদিনের বইমেলার আয়োজন। তিনি আরও জানান, প্রথমবার এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয় মানুষজনের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার শুভ সূচনা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়। স্কুল চত্বরে সাজানো হয় বিভিন্ন প্রকাশনার বইয়ের স্টল। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, সাধারণ জ্ঞান, জীবনী থেকে শুরু করে পাঠ্য সহায়ক নানা বইয়ের সম্ভারে খুশি ছাত্রীরা। অনেকেই নিজের পছন্দের বই কিনে নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।উল্লেখ্য, শহর থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত এই গ্রামীণ বিদ্যালয়ের আশপাশে নিয়মিত বইয়ের দোকানের বিশেষ সুবিধা নেই। ফলে ছাত্রীদের বই কেনার সুযোগ সীমিত। সেই অভাব পূরণ করতেই এই বইমেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা। তাঁদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ এলাকার মেয়েদের শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।বিদ্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এবছরের সাফল্যে তাঁরা আপ্লুত। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উৎসাহ দেখে আগামী বছরও এই বইমেলার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বইমেলার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে শিক্ষাক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal