• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Press Club

কলকাতা

কলকাতা প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে নতুন কমিটি গঠন, ফের জয়ী সভাপতি, সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ

শনিবার অনুষ্ঠিত কলকাতা প্রেস ক্লাবের বার্ষিক নির্বাচন হয়। একই দিনে ভোট গণনার পর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন স্নেহাশিষ শূর। সম্পাদক পদে ফের জয়ী হয়েছেন কিংশুক প্রামানিক। কয়েক বছর পর সভাপতি ও সম্পাদক পদে সরাসরি লড়াই হল। যদিও বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন সভাপতি ও সম্পাদক। বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন অরিজিৎ দত্ত। এদিন সদস্য-সদস্যাদের উপস্থিতির হার ছিল বেশ নজরকাড়া। এই নির্বাচনে সম্পাদক পদে ফের জয়ী হয়েছেন কিংশুক প্রামানিক। নির্বাচনে তিনি সর্বোচ্চ ৩৮৪ ভোট পেয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন, অন্যদিকে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মুস্তাক খান পেয়েছেন ৮৬ ভোট। পূর্বের সভাপতি স্নেহাশিস শূর আবারও সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৩২৬ ভোট নিয়ে পুনরায় দায়িত্বে ফিরেছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সুদীপ্ত সেনগুপ্ত পেয়েছেন ১৭৬ ভোট।সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন শৈবাল বিশ্বাস (২৫৮ ভোট) এবং শুভদ্যুতি দত্ত (২১৬ ভোট)। সহ সম্পাদক পদে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় নিতাই মালাকার আগেই নির্বাচিত হয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, অরিজিৎ দত্ত ফের নির্বাচিত হয়েছেন কোষাধ্যক্ষ পদে। অরিজিৎ দত্ত পেয়েছেন ৩৮০ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী মৃণালকান্তি সরকার পেয়েছেন ১০১ ভোট।কার্যকরী সমিতির জন্য নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন:অংশু চক্রবর্তী ৩৩৫ ভোটঅনিন্দিতা সিনহা ৩২৪ ভোটসুগত বন্দ্যোপাধ্যায় ৩১০ ভোটদেবাশিস সেনগুপ্ত ৩০৯ ভোটসুমন গঙ্গোপাধ্যায় ৩০৭ ভোটপুলক মিত্র ২৭৭ ভোটসত্যব্রত ভট্টাচার্য ২৪৯ ভোটদেবযানী লাহা ঘোষ ২৪৭ ভোটনতুন কার্যনির্বাহী কমিটি:সভাপতি: স্নেহাশিস শূরসহ সভাপতি: শৈবাল বিশ্বাস ও শুভদ্যুতি দত্তসম্পাদক: কিংশুক প্রামাণিকসহ সম্পাদক: নিতাই মালাকারকোষাধ্যক্ষ: অরিজিৎ দত্তকার্যকরী সদস্যরা:অনিন্দিতা সিনহা, অংশু চক্রবর্তী, দেবাশিস সেনগুপ্ত, দেবযানী লাহা ঘোষ, পুলক মিত্র, সত্যব্রত ভট্টাচার্য, সুগত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুমন গঙ্গোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

প্রাক শারদীয়া বস্ত্র উপহার কর্মসূচি বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের

প্রতিবছরের মত এবারও শারদীয়া উৎসবের আগে বস্ত্র উপহার কর্মসূচির আয়োজন করে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব। বর্ধমান শহরের কার্জন গেট চত্বরে জি টি রোডের ধারে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে কয়েকশো মহিলার হাতে ক্লাবের পক্ষ থেকে শাড়ি উপহারস্বরূপ তুলে দেওয়া হয়। ক্লাবের সভাপতি জয়প্রকাশ দাস এবং যুগ্ম সম্পাদক সুজাতা মেহেরা ও বিধান চন্দ্র জানান, মূলত পুজোয় নতুন বস্ত্র পড়ার আনন্দ ভাগ করে নিতে, প্রয়োজন আছে কিন্তু সামর্থ্য নেই এমন মানুষগুলোর মুখে একটু হাসি ফোঁটাতেই এই উদ্যোগ।এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার, বর্ধমান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারপার্সন উজ্জ্বল প্রামানিক, ভাইস চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত, বিশিষ্ট সমাজ সেবক অচিন্ত্য কুমার মন্ডল, রণজিৎ সাহা, তারক সাহা, আইনজীবী রমেশ সিং ও বিশিষ্ট সাংবাদিক তন্ময় প্রামানিক। অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের দুই প্রয়াত সদস্য সত্যব্রত ঘোষ ও সঞ্জিত সেনের পরিবারের হাতে স্মারক তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন সত্যব্রত ঘোষ ও সঞ্জিত সেনের সহধর্মীনীরা। উপস্থিত সকল অতিথিদের হাতে ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়ে তাদের সম্মান জানানো হয়। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলায় সমগ্র অনুষ্ঠানটি হয় শব্দবিধি মেনে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

অবশেষে কলকাতা প্রেস ক্লাবে সদস্য হতে পারবেন চিত্র সাংবাদিকরা

কলকাতা প্রেস ক্লাবে এবার থেকে সদস্য হতে পারবেন সরকারি অ্যাক্রিডেটেড চিত্র সাংবাদিকরা। প্রেস ফোটোগ্রাফারদের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল কলকাতা প্রেস ক্লাবে ভোটাধিকার সহ সদস্য হওয়ার। চিত্র সাংবাদিকরা সদস্য হবেন কি হবেন না, তা নিয়ে প্রেস ক্লাবে বিশেষ সাধারণ সভায় ভোট প্রক্রিয়া হয়। ভোটের ফলাফলে দেখা যায় ৫ ভোটে প্রেস ফটোগ্রাফারদের সদস্য হওয়ার প্রস্তাব জয়ী হয়েছে। ভোট হয় গোপন ব্যালটে। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ১৮৬টি ও প্রস্তাবে বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৮১টি। এর আগে আরেকবার ভোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই প্রস্তাব বাতিল হয়েছিল। তবে ভোটে জয়ের পর অতিউৎসাহী দুএকজন ফটোগ্রাফারদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে অত্যন্ত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রেস ক্লাব গঠন হওয়ার ৭৯ বছর পর প্রেস ফটোগ্রাফাররা সদস্য হওয়ার ছাড়পত্র পেল।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

কয়েকশো মহিলাকে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের পুজোর উপহার প্রদান, মুখপত্র প্রকাশ ও ওয়েবসাইটের সূচনা

বেঙ্গল প্রেস ক্লাব কয়েকশো মহিলাকে পুজোর উপহার প্রদান করলো। রবিবার বিজয় তোরণের সামনে বস্ত্র উপহার কর্মসূচি পালন করে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত, বিশিষ্ট সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল প্রমুখ। পুজোর মুখে এই উপহার পেয়ে খুশি মহিলারা।বিধায়ক খোকন দাস বলেন, প্রতি বছর দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব অসহায় মহিলাদের হাতে বস্ত্র উপহার হিসাবে তুলে দেয়। সারা বছর মানুষের পাশে থাকে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। বর্ষমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত বস্ত্র উপহার কর্মসূচির প্রশংসা করেন। সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল বলেন, বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের জনদরদী কর্মসূচির ভূয়সী প্রসংশা করেন। অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের মুখপত্র জনমন প্রকাশিত হয়। ক্লাবের নিজস্ব ওয়েবসাইট এদিন যাত্রা শুরু করে। সাধারন মানুষের মধ্যে এই অনুষ্ঠান ঘিরে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
উৎসব

বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের রাখীবন্ধন উৎসব, ব্যাপক সাড়া বর্ধমানে

রাখীবন্ধন উৎসব পালন করল বেঙ্গল প্রেস ক্লাব। সোমবার বর্ধমানের বিজয় তোরণের সামনে এই অনুষ্ঠান হয়। এদিন কার্জনগেট চত্বরে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের পক্ষে রাখী পড়ানো হয় বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসকে। পাশাপাশি পথচলতি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সাধারণ মানুষের হাতে রাখী পড়িয়ে মিষ্টিমুখ করানো হয়। এই উৎসবে বর্ধমান শহরে ব্যাপক সাড়া পড়ে। বুধবার সকাল ৮টা থেকেই উৎসবের শুরু হয়ে যায়। বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের সভাপতি বিজয়প্রকাশ দাস ও সাধারণ সম্পাদক সৌগত সাঁই বলেন, রাখীবন্ধন সামাজিক বন্ধনের অঙ্গীকার। এই উৎসব জাতপাত, ধর্ম বর্ণ, প্রাদেশিকতা সব কিছুর উর্দ্ধে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখীবন্ধন উৎসবকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। মানুষে মানুষে ভেদাভেদ নয়। চাই ঐক্য। এই অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের পরিবারের সদস্যরাও অংশ নেন।

আগস্ট ১৯, ২০২৪
রাজ্য

শারদ উৎসবে বর্ধমানে বস্ত্র উপহার বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের

শারদ উৎসবকে আরও আনন্দমুখর করে তুলতে বস্ত্র উপহার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব। রবিবার সকালে বর্ধমানে বিজয় তোরণের সামনে কয়েকশো মহিলার হাতে শারদ উৎসবের উপহার স্বরূপ শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, দুই কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদার ও শাহাবুদ্দিন খান, বর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী। রবিবার বিধায়ক খোকন দাস বেঙ্গল প্রেস ক্লাব-এর বস্ত্র উপহার অনুষ্ঠানে এসে মহিলাদের হাতে শাড়ি উপহার তুলে দেন। এসো, ভাগ করে নিই আনন্দ এই আবেদন ছিল সাংবাদিক সংগঠনের। এই অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শতাধিক বস্ত্র উপহার দেওয়া হয়েছে।খোকন দাস বলেন, প্রতি বছরের মতো এবছরও বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিকরা দুর্গাপূজা উপলক্ষে সবার হাতে নতুন বস্ত্র দেওয়ার আয়োজন করেছে। দুর্গাপুজো বাঙালির সব থেকে বড় উৎসব। প্রতিটি মানুষ পুজোর সময় একটা নতুন জামা কাপড় পড়বেন, একথা ভাবেন। বেঙ্গল প্রেস ক্লাব মানুষের পাশে থাকে। সাংবাদিক সংগঠনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন খোকন দাস।বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিশের একটা মিল আছে। পুলিশ সারাদিন রাস্তায় থাকে, সাংবাদিকরাও সারাদিন রাস্তায় থাকেন। রাস্তায় থেকে তাঁরা বিভিন্ন খবর সংগ্রহ করেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও অনেক সময় খবর সংগ্রহ করতে হয়। এখানে শুধু খবর সংগ্রহই নয়, সাথে সাথে তাঁরা সামাজিক দায়িত্বও পালন করছেন। প্রত্যেকটা সংগঠনের একটা সামাজিক দায়িত্ববোধ থাকে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব এই বস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে তাদের সেই সামাজিক দায়িত্ব পালন করছেন। রাসবিহারী হালদারও সাংবাদিক সংগঠনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের সভাপতি বিজয়প্রকাশ দাস, সাধারণ সম্পাদক সৌগত সাঁই জানিয়েছেন, ২০০৮ সাল থেকে তাঁদের সংগঠন নানা ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। আগামিদিনেও তাঁরা মানুষের পাশে থাকতে দায়বদ্ধ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঋষিগোপাল মন্ডল।

অক্টোবর ১৫, ২০২৩
রাজ্য

Hijbul Mujahidin: হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে

কলকাতায় জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে কয়েকজনের গ্রেফতারের পর এবার জঙ্গি সংগঠনের নামে উড়ো সিডি মিলল রায়গঞ্জে উত্তর দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে। ওই সিডিতে প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে হুঙ্কার ছেড়েছেন হিজবুল মুজাহিদিনের বেঙ্গল কমান্ডার তৌসিফ আলি। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস।আপার প্রাইমারিতে শিক্ষক নিয়োগের বাতিলের তালিকায় প্র্যতেককে চাকরি দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়েছে ওই সিডিতে। নাহলে পরিণতি যে ভয়ঙ্কর হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভিডিও বার্তায়। স্বঘোষিত জঙ্গির হুঙ্কার, যাঁরা চকরি পাবেন বা পেয়েছেন তাঁদের প্রত্যেককে হত্যা করা হবে। এর জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী থাকবেন বলেও বলা হয়েছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিবৃতি দিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে।শনিবার রায়গঞ্জের উত্তর দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের বারান্দায় একটি প্লাস্টিকের কভারে মোড়া একটি সিডি পড়ে থাকতে দেখেন প্রেস ক্লাবের সদস্যরা। সিডির প্লাস্টিকের ওপর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে লেখা ছিল এই সিডি পাওয়া মাত্রই লাইভ টেলিকাস্ট করতে হবে। সমস্ত নিউজ চ্যানেলকে দেখান চাই। নয়ত হিংসার শিকার হবেন। সিডি পাওয়ার পর কৌতুহল বশত তাঁরা সিডিটি চালিয়ে দেখেন, সেখানে হিজবুল মুজাহিদিন সংগঠনের পক্ষে তৌসিফ আলি নামে একজন বক্তব্য রাখছেন। যিনি নিজেকে হিজবুল মুজাহিদিনের বেঙ্গল ডিভিশনের কমান্ডার বলে দাবি করেছেন। সেখানে তৌসিফ আলি হুমকি, রাজ্যে যে আপার প্রাইমারীর নিয়োগ চলছে সেখানে বাতিলের তালিকায় রয়েছে ৯৩২৬ জন। এর মধ্যে তার এক আপন ভাই ছাড়াও রয়েছে ৬ আত্মীয়। তারা চাকরি না পেয়ে আত্মহত্যা করতে চাইছে। বাতিলের তালিকায় যারা রয়েছেন তাদের প্রত্যেককে নিয়োগ করতে হবে। চাকরি প্রাপকদের খুনের হুমকিও দিয়েছে সে।হিজবুল মুজাহিদিনের নামে এই উড়ো সিডিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রায়গঞ্জ শহর জুড়ে। সৃষ্টি হয়েছে আতঙ্কের পরিবেশ। উত্তর দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে সিডি পাওয়ার পরই সাংবাদিকদের তরফ থেকে জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমারসহ রায়গঞ্জ পুলিশকে জানানো হয়। খবর পাওয়া মাত্রই রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী প্রেস ক্লাবে এসে পৌঁছায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। হিজবুল মুজাহিদিনের এই হুমকি ভিডিও বার্তার তীব্র নিন্দা করেছেন উত্তর দিনাজপুর তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কানাইয়ালাল আগরওয়াল। তিনি বলেছেন, ঘটনার পুর্নাঙ্গ তদন্ত করে দেখার আবেদন জানানো হয়েছে পুলিশকে। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
কলকাতা

বামেদের ব্রিগেডে হাজির থাকতে পারেন ভাইজান

চলতি মাসের ২৮-এ বামেদের ব্রিগেড সমাবেশের আগেই ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়ে যেতে পারে। সেই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে দিলেন আইএসএফের কান্ডারী পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি ওরফে ভাইজান। মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে দলীয় সভায় ভাইজান বলেন, আমার আশা ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আসন সমঝোতা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ব্রিগেড সমাবেশে ভিড় উপচে পড়বে বলেও তিনি জানিয়ে দেন।আটচল্লিশ ঘণ্টার নোটিসে মঙ্গলবার ধর্মতলায় সভা ডেকেছিল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্ট। আব্বাস সিদ্দিকি শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত একটি মিছিলের নেতৃত্ব দেন। অপর মিছিলটি আসে হাওড়া স্টেশন থেকে। ছোট জায়গায় সভার অনুমতি মেলায় উষ্মাপ্রকাশ করেছেন ভাইজান। তাঁর খেদোক্তি, ভোট নেওয়ার সময় আমরা। এদিকে একটা বড় জায়গা পাওয়া যায় না সভা করার জন্য। একটা দুর্গন্ধযুক্ত জায়গায় সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।এদিনের সভায় ভাইজান জানিয়ে দিয়েছেন টাকা রোজগারের জন্য তিনি রাজনীতি করতে আসেননি। তাছাড়া কলকাতায় সম্পত্তি করতেও তিনি রাজনীতি করছেন না। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, ভাইপোকে প্রতিষ্ঠা করতেও রাজনীতিতে আসিনি।কেন্দ্রীয় কৃষি বিল, পেট্রল-ডিজেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদে এদিন সভা করে আইএসএফ। ওয়াই চ্যানেলের সভা থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারকেই তোপ দেগেছেন আব্বাস সিদ্দিকি। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতা করা নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে বাম-কংগ্রেসের। সেই জোট হলে বাংলার ভোট ত্রিমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই আসন সমঝোতা এখনও স্পষ্ট নয়।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজনীতি

বাংলার রাজনীতিতে নতুন দল ঘোষণা ভাইজানের, বেগ পেতে পারে তৃণমূল

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণা করলেন। ধর্মনিরপেক্ষতার পথে হাঁটতে নাম রেখেছেন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। এই ফ্রন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে আব্বাস সিদ্দিকির ভাই পীরজাদা নওসাদ সিদ্দিকির নাম। সভাপতি হয়েছেন শিমল সোরেন। বৃহস্পতিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে এই নতুন দলের এই দুজন কর্মকর্তার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকিদের নাম পড়ে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আব্বাস সিদ্দিকি ওরফে ভাইজান।এর আগে আব্বাস সিদ্দিকি জানিয়েছিলেন, মুসলিম, দলিত ও পিছিয়েপড়াদের নিয়ে তিনি রাজনৈতিক দল গঠন করতে চলেছেন। সেই নতুন দল গঠন করার জন্য তিনি বিভিন্ন সভায় মানুষের কাছে তাঁদের মতামত জানতে চেয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁর সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন মিমের প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েসি। যদিও আব্বাস তাঁকে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি নিজেই দল গড়তে চালেছেন। সেই দলের সঙ্গে জোটে আসতে পারেন কিন্তু তিনি এখানে মিমের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন না। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছিলেন আব্বাস সিদ্দিকি। সম্প্রতি মিনাখাঁয় একটি অনুষ্ঠানের আগে তাঁর অনুগামীদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এবং তাঁদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এসব অত্যাচার বন্ধ করতে চান আব্বাস। এদিন আব্বাস সিদ্দিকি জানিয়ে দেন, তিনি কিংমেকার হতে চান। কিন্তু তিনি নিজে ভোটে লড়বেন না। আগামী ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট তাঁদের রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করবে। এছাড়া ব্রিগেডের জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভাইজান। সেই জনসভা থেকেই জেলা নেতৃত্বের দায়িত্ব ঘোষণা করা হবে বলেও তিনি জানান। তাঁর এই নতুন দল বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে বেগ দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নওসাদ সিদ্দিকি বলেন, আমরা চাই পাঠ্যসূচিতে সংবিধানকে রাখা হোক। এই দাবিতে আমরা কলকাতার পথে নামব। কৃষি বিলের প্রতিবাদ হবে। আব্বাসের বক্তব্য, বিজেপি দেশের পক্ষে ক্ষতিকারক। তবে সাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নে তিনি সরাসরি কোনও জবাব দেননি। এর আগে আব্বাস উদ্দিনের সংগঠন নিয়ে সিপিএমের একাংশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কংগ্রেসও নেতৃত্ব এখনও সেভাবে এই দল সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেনি। দেখার বিষয় বাংলার রাজনীতিতে নতুন কোনও জোট হয় কিনা। বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ আব্বাসের এই দল নিয়ে উচ্ছ্বাসিত। এর ফলে তৃণমূলের রাজরাজনৈতিক ক্ষতি হবে বলে তাঁদের ধারণা। যদিও এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি আব্বাস। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে হলে সবাই একজোট লড়তে হবে। তাঁরা ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ২১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal