• ৩ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Post

রাজ্য

ব্যবহৃত গ্লাভস-সরঞ্জাম পড়শী দেশে পাচার? সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ! FIR, সিট গঠন

আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ খুন নিয়ে উত্তাল পরিস্থিতি বাংলা জুড়ে। হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে সিবিআই। মঙ্গলবারও ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সন্দীপ ঘোষ। এবার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশ FIR দায়ের করেছে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সন্দীপ ঘোষের জামানায় ওঠা অভিযোগের তদন্তে সিট গঠন করেছে নবান্ন। রাজ্যের এই পদক্ষেপে এবার আশার আলো দেখছেন আরজি করের তৎকালীন ডেপুটি সুপার এবং বর্তমানে বহরমপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেপুটি সুপার পদে কর্মরত আখতার আলি।সন্দীপ ঘোষ আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ থাকাকালীন টানা কয়েক বছর ধরে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ তৎকালীন ডেপুটি সুপার আখতার আলির। সংবাদমাধ্যমের সামনে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মারাত্মক সব অভিযোগ এনেছেন বর্তমানে বহরমপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেপুটি সুপার পদে কর্মরত আখতার আলি।সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিকে আখতার আলি বলেন, আমিও ওর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলাম। ছাত্রদের ফেল করোনা থেকে শুরু করে টেন্ডারে ২০ পার্সেন্ট কমিশন খাওয়া, পছন্দের সাপ্লায়ার-ভেন্ডারদের টেন্ডার দিত। সরকারি সম্পত্তি বেআইনিভাবে দিয়ে দিত। আমি এর আগে আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখাকে জানিয়েছিলাম। পরে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসে নালিশ জানাই। ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই আমি আমার প্রথম অভিযোগ জমা করি।সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিকে চিকিৎসক আখতার আলি আরও বলেন, হাসপাতালের ব্যবহার করা রাবার গ্লাভস থেকে শুরু করে অন্যান্য সামগ্রী বাংলাদেশে পাচার করা হতো। এই চক্রে আরও কয়েকজন আছে। একসময় অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি হয়। সেই তদন্ত কমিটিতে আমিও ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে আমাকে বদলি করে দেওয়া হল। এরপর ওই কমিটিও ভেঙে দেওয়া হল।আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ঘটনায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের দিকে আঙুল উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। তাকে পাঁচবার সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। এবার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তারই ভিত্তিতে একটি সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। কলকাতা পুলিশের তরফেও সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে FIR।

আগস্ট ২০, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন

প্রকাশ্যে এলো আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গলা টিপে, নাক-মুখ চিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, নিহতের শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। নিহতের মাথা, গাল, ঠোঁট, নাক, ডান চোয়াল, চিবুক, গলা, বাঁ হাত, বাঁ কাঁধ, বাঁ হাঁটু, গোড়ালি এবং যৌনাঙ্গে ক্ষতচিহ্নের প্রমাণ মিলেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, নিহত চিকিৎসকের ফুসফুসে রক্ত জমাট (হেমারেজ) বেঁধেছিল এবং শুধু তাই নয়, শরীরের আরও বিভিন্ন অংশেও রক্ত জমাট বেঁধে ছিল। নিহত চিকিৎসকের যৌন হেনস্থার প্রমাণ মিলেছে ওই ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, নির্যাতিতা চিকিৎসকের শরীরের বাইরে অংশে ১৬টি এবং শরীরের অভ্যন্তরে ৮টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলছে, আঘাতগুলো অ্যান্টি মর্টেম অর্থাৎ মৃত্যুর আগেই করা হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, এই মৃত্যুর ধরন হল খুন। তবে বারবার অভিযোগ উঠেছে, নির্যাতিতার হাড় ভেঙে গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াও সেই অভিযোগে তোলপাড় হয়েছিল। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নির্যাতিতার শরীরে হাড় ভাঙার কোনও উল্লেখ পাওয়া যায়নি। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে ওই পড়ুয়া চিকিৎসক খুন হন। তার পর থেকেই ন্যায় বিচার-এর দাবিতে তোলপাড় সারা রাজ্য। এরাজ্য তো বটেই ভিনরাজ্য এমনকী ভিনদেশ থেকেও নির্যাতিতার হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবি উঠেছে। প্রথমে তরুণী চিকিৎসক খুনের মামলার তদন্ত করছিল কলকাতা পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার হাতে পেয়েছে সিবিআই। তারই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই মামলা হাতে নিয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৪
রাজ্য

পোষ্টার ঘিরে তোলপাড় বীরভূম, বিতর্ক ছড়াল বিজেপির অন্দরে

বিজেপির পোষ্টার ঘিরে তোলপাড় বীরভূম ফের অস্বস্তিতে বিজেপি। এবার পোষ্টারকে ঘিরে বিতর্ক ছড়াল বিজেপির অন্দরে। যদিও তার নামে ছাপানো ওই পোষ্টারের বিরুদ্ধে থানায় যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন কলোসোনা মণ্ডল। তাঁর দাবি, কিছু ছদ্মবেশী বিজেপি এবং তৃণমূল এসব করেছে।প্রসঙ্গত, রামকৃষ্ণ রায় জেলা সভাপতি থেকে সরে যাওয়ার পরেই কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েন সিউড়ির বিজেপি নেতা কালোসোনা মণ্ডল। তবে দেবাশিস ধর প্রার্থী হওয়ার পর তিনি সক্রিয় হয়ে ওঠেন। প্রচারেও দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু আইনি জটিলতায় দেবাশিসবাবুর প্রার্থী পদ বাতিল হওয়ায় বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন দেবতনু ভট্টাচার্য। পরেই অসুস্থ হয়ে পরেন দলের বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ধ্রুব সহ। ফলে প্রচারেও খামতি দেখা যায় বিজেপিতে। অভিযোগ আমোদপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভায় দেবাশিস ভট্টাচার্যকে মঞ্চে উঠতে না দেওয়ায় মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। এমনকি দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারেও দেখা যায় না দেবাশিসবাবুকে। অভিযোগ দলের তরফে ডাক না পাওয়ায় সিউড়িতে গৃহবন্দি হয়ে রয়েছেন প্রাক্তন আই পি এস অফিসার দেবাশিস ধর। এই টানাপোড়েনের বৃহস্পতিবার সকালে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার আবেদন জানানো কালোসোনা মন্ডলের নামাঙ্কিত পোষ্টার লক্ষ্য করা যায়। দলীয় প্যাডে ছাপানো অক্ষরে লেখা ওই পোষ্টারে কারও সাক্ষর না থাকলেও না রয়েছে কালোসোনা মণ্ডলের। ওই ছাপানো প্যাডই জেরক্স করে জেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কালোসোনা মণ্ডল বলেন, দলের বিরুদ্ধে কিছু বলার থাকলে সরাসরি বলব। অভাবে চোরের মতো পোস্টার মারব না। আসলে বিজেপিকে ভয় পেয়েছে তৃণমূল। তাই কিছু ছদ্মবেশী বিজেপি এবং তৃণমূলের প্রচার বিভাগ এসব করছে। যাতে আমাদের বিজেপি প্রার্থী দেবতনু ভট্টাচার্য জয়ী হতে না পারে। তবে মনে রাখবেন বিজেপি বীরভূম লোকসভা নির্বাচনে জিতে গিয়েছে। মানুষ আর চোর তৃণমূলকে চায় না। তাই এখন কখন পোষ্টার দিয়ে কখন ভুয়ো ভিডিও করে বিজেপিকে খাটো করার চেষ্টা করছে। আমি এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করব। পুলিশ সি সি টিভি দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব ভট্টাচার্য বলেন, এসব বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।

মে ১০, ২০২৪
দেশ

সর্বভারতীয় ইন্ডিয়া জোট কি এ রাজ্যেও, পোস্টার ঘিরে জোর বিতর্ক বাংলায়

ইন্ডিয়া জোট নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে বিজেপি বিরোধীরা একজোট হয়েছে। জোটে রয়েছে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেস ও সিপিএমও। এবার এই ইন্ডিয়া জোটের হোডিং ঘিরে চরম বিতর্ক। সেই হোডিংয়ে একসঙ্গে রয়েছে মমতা-সনিয়া, রাহুল-অভিষেক এবং সেলিম-সুজন-অধীরের মুখ! সেখানে লেখা, ইনক্লাব জয় বাংলা স্লোগান। হুগলির চাঁপদানী, ভদ্রেশ্বর, পোলবা এলাকার বহু জায়গায় এই ধরনের হোডিং পড়েছে। যা নিয়েই বঙ্গ রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জল্পনা।দিল্লির মসনদ থেকে মোদী সরকারকে উৎখাত করতে কোমর বাঁধে নেমেছে বিরোধী ২৮টি রাজনৈতিক দল। তৈরি হয়েছে ইন্ডিয়া জোট। কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিআইএম সহ বিজেপি বিরোধী প্রায় সব রাজনৈতিক দলই এই জোটের শরিক। জাতীয়স্তরে জোট হলেও বিভিন্ন রাজ্যে এই জোট কীভাবে বাস্তবায়িত হবে তা নিয়েও আলোচনা চলছে। এদিকে প্রাদেশিক রাজনীতির সমীকরণের জেরে বাংলায় ইন্ডিয়া জোট নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। পঞ্জাব, দিল্লি, কেরলেও একই অবস্থা। পশ্চিমবঙ্গে যখন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা ইস্যুতে সরব কংগ্রেস ও সিপিআইএম রাজ্য নেতৃত্ব, তখন জাতীয়স্তরে ইন্ডিয়া জোটে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ওইসব দলের ভিতর থেকে। সিপিআইএম স্পষ্ট জানিয়েছে, সর্বভারতীয়স্তরে তৃণমূলের সঙ্গে এক শিবিরে থাকলেও বাংলায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে দলের লড়াই চলবে। একই অবস্থান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি চৌধুরীরও। যদিও কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতারা এ নিয়ে কিছু খোলসা করেননি। ফলে কৌস্তভ বাগচির মত কংগ্রেস নেতারা এ নিয়ে সরব।এই প্রেক্ষাপটে ইন্ডিয়া জোটের হোডিংয়ে একসঙ্গে মমতা-সনিয়া, রাহুল-অভিষেক এবং সেলিম-সুজন-অধীরের মুখ ঘিরে নানা জল্পনা। কিন্তু কারা লাগিয়েছে ওই হোডিং? এর জবাব নেঔ জোটের শরিক কোনও দলের জেলা নেতার কাছে। কেউ হোর্ডিং-এ সাইন-আপও করেনি।এই হোর্ডিং প্রসঙ্গে সিপিআইএম জেলা সম্পাদক তথা রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য দেবব্রত ঘোষের কথায়, পোস্টার বা ব্যানারের তলায় কি কারোর নাম আছে? যখন অজানা কেউ এই ধরণের কিছু ছাপিয়ে শহরে টাঙায় তাহলে তাকে গুরুত্ব দিয়ে লাভ নেই। আর এরকম কিছু আমার চোখেও পড়েনি। তাই এই বিষয় নিয়ে কিছু বলবো না। তাঁর কটাক্ষ, যারা এসব ছাপিয়েছে তারা মোদীর ছবিটাও ওই ব্যানার বা ফ্লেক্সে দিতে পারতো তাহলে তা ষোল কলা পূর্ন হত।হুগলির প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রীতম ঘোষের কথায়, এখনও এই জোটের অনেক পথ চলা বাকি। এখনও অনেক কিছু হবে। সবই প্রাথমিক পর্যায়। তাই এখনও সময় হয়নি এই জোট নিয়ে আলোচনার। ব্যানার পোস্টার ছাপানো তো দূরের ব্যাপার।তৃণমূলের হুগলি জেলা সভাপতি অরিন্দম গুঁইন বলছেন, এটা কারা লিখেছে, সেটা আমাদের জানা নেই। ইন্ডিয়া জোট শক্তিশালী হোক, এটা আমরা সবাই চাই। বিজেপিকে আটকাতে হলে ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করতে হবে। তবে এই পোস্টার বা ব্যানার কারা লাগাচ্ছে, সেটা আমাদের জানা নেই।যারপরনাই এই অবস্থা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে বিজেপি। জেলা বিজেপির সম্পাদক দীপাঞ্জন গুহর দাবি, নীতি, আদর্শ চ্যূত জোটের এই অবস্থা মানুষ দেখুক। আমরা এতে চিন্তিত নই। এই লড়াই বিরোধী জোটের অভ্যন্তরীণ লড়াই। সহজেই বোঝা যায় এরা ক্ষমতায় এলে কি করতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

১৮ অগাষ্ট বাংলার এই জেলায় পালিত হল স্বাধীনতা দিবস, কেন ১৫ অগাস্ট নয়?

একই দেশ। কিন্তু স্বাধীনতা দিবসের দিন ভিন্ন। গত মঙ্গলবার ১৫ অগাস্ট দেশ জুড়ে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়েছে। কিন্তু মালদায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হয় ১৫ নয়, ১৮ অগাস্ট। এই দিনে স্বাধীনতা পেয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলা। আর সেই পুরনো স্মৃতিকে সামনে রেখেই শুক্রবার মালদায় পালিত হলো স্বাধীনতা দিবস। ১৯৪৭ সালে ভারত যখন স্বাধীন হয়েছিল। ইংরেজরা দেশ ছেড়েছিল। ঠিক সেই সময় মালদা জেলা পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমানে বাংলাদেশ) অধীনে চলে গিয়েছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যখন সর্বত্র ছিল আলোর রোশনাই তখন মালদা ডুবেছিল গাঢ় অন্ধকারে। সেই সময়কার স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ব্যারিস্টারদের হস্তক্ষেপেই তিনদিন পর স্বাধীনতা পায় আমের জন্য খ্যাত মালদা জেলা। মালদার কালেক্টরের ভবনে পূর্ব পাকিস্তানের ঝান্ডা নামিয়ে উড়ানো হয় ভারতীয় তিরঙ্গা। আর সেই পুরনো স্মৃতিকে বজায় রেখেই আজও মালদায় ১৮ আগস্টে সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে স্বাধীনতা দিবস।শুক্রবার মালদা শহরের গ্রন্থাগারের বই বাগানে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। উত্তরবঙ্গ ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদের সদস্য প্রসেনজিৎ দাসের উদ্যোগে এবং মালদার বিশিষ্ট শিল্পীরা হাজির ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। অন্যদিকে ইংরেজবাজার পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপাড়া এলাকায় স্থানীয় কাউন্সিলর অম্লান ভাদুড়ীর নেতৃত্বে ১৮ আগস্ট উপলক্ষে মালদার স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। এদিন সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রবীণ মানুষদের উপস্থিতিতে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উত্তরবঙ্গ ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদের সদস্য প্রসেনজিৎ দাস বলেন, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট যখন ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়। তখন গোটা দেশ এই স্বাধীনতার উৎসবে মেতে উঠেছিল। সেই সময় মালদা ছিল পরাধীন। পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) অধীনে চলে গিয়েছিল মালদা জেলার দশটি থানা। এই নিয়ে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয়। মালদার কালেক্টারে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উড়েছিল। কিন্তু সেই সময় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ব্যারিস্টারদের হস্তক্ষেপেই শুরু হয় সীমানা নির্ধারণের লড়াই। এরপর ১৮ আগস্ট মালদা জেলা ভারতের অংশ বলেই ঘোষণা করা হয়। আর সেই ১৮ আগস্ট থেকেই শুরু হয় মালদার স্বাধীনতা দিবস। পূর্ব স্মৃতি ও অতীত বিজড়িত অনেক কাহিনী মালদার এই স্বাধীনতাকে ঘিরে জড়িয়ে রয়েছে। দুটি জায়গাতেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। কচিকাঁচা থেকে বড়রা অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৩
কলকাতা

'বিচার ব্যবস্থাকে সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে,' বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার বাড়িতে পোস্টার। পাশাপাশি গতকাল হাইকোর্টে বিক্ষোভ করে আইনজীবীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি চলে। এদিনও এজলাস বয়কট করেছে আইনজীবীদের একাংশ। পুরো বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বাংলায় বিচার ব্যবস্থাকে সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিচারকদের সন্ত্রস্ত করে নিজেদের পথে আনার চেষ্টা হচ্ছে। এরকম হাইকোর্টে আগে দেখিনি। আমি ২৩ বছর আইনিজীবী ও ৫ বছর বিচারপতি আছি। বিচারপতি আরও বলেন, আমি শুনেছি শাসকদল প্রত্য়াখ্যান করেছে। কিন্তু কারা করছে তাঁদের আমরা চিনি। যা হয়েছে আপনারাও দেখেছেন আমি দেখেছি, সারা ভারত দেখেছে। শাসকদলের সবাই এটাকে ভাল বলেনি। এত সাহস কোন দুর্বৃত্তদের তাদের খুঁজে বের করতে হবে।হাইকোর্টে আইনজীবীদের একাংশের বিক্ষোভ ও এজলাস বয়কট নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যে। বিচারব্যবস্থায় এমন ঘটনা মেনে নিতে পারেনি প্রবীণ আইনজীবীরা। বিশিষ্ট আইনজীবী অরুণাভ ঘোষ বলেছেন, এমন ধরনের একটি ঘটনায় ওড়িষায় ২৬ জন আইনজীবীর রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এক্ষেত্রেও সুপ্রিম কোর্টে গেলে একইরকম ভাবে এখানকার বিক্ষোভকারী আইনজীবীদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে। এই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলে মনে করেন অরুণাভ ঘোষ।

জানুয়ারি ১০, ২০২৩
রাজ্য

'গোলগাল, নাদুস নুদুস, মেরুদণ্ড নেই, গলায় গেরুয়া উত্তরীয়' পোস্টারে ছয়লাপ বর্ধমানসহ নানা জেলা, বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়

বর্ধমান, সল্টলেক, মালদা সহ রাজ্যের নানা জায়গায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কার্টুন ছবি দিয়ে নিরুদ্দেশ সংবাদের পোস্টার পড়ায় হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সমস্ত ক্ষেত্রেই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল। বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটের পাশে বড় বড় করে পোস্টার লাগানো আছে। সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে-নিরুদ্দেশ সংবাদ- শুভেন্দুর কার্টুন ছবি তার নীচে লেখা রয়েছে এমন কোন ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে দ্রুত সন্ধান দিন। রূপ-দেখতে গোলগাল, নাদুস নুদুস। মেরুদণ্ড নেই। গলায় গেরুয়া উত্তরীয়। ঠিকানা-কাঁথি।অসুখ-ভোট এলে লাইট বন্ধ করে দেন। নিয়মিত ২০০ চিৎকার করে মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠে পড়েন। অকারণ ভ্যাট বকতে ভালোবাসেন। ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন ,তারপর লজ্জাবতী হয়ে মুখ লুকান ক্যামেরায় ঠোঙ্গা মুড়িয়ে খাম নিতে দেখা যায়।বিশেষ চিহ্ন-অভিষেক শব্দটি শুনলে দাঁত খেচিয়ে কামড়াতে আসেন। বেগম বেগম করে হেঁচকি তোলেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হলে বিরোধিতা করেন, কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে চুপ থাকেন। এই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল এদিন মালদা শহর জুড়ে এমনই পোস্টারকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র পোস্ট অফিস মোড়, নেতাজি মোড় এলাকায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির পাশেই নিরুদ্দেশ সংবাদ বলে শুভেন্দুর কার্টুন পোস্টার দেখা যায়।একই ধরনের পোস্টার দেখা গিয়েছে বিধান নগর স্টেশন ও সল্টলেকের করুণাময়ী, বিকাশ ভবনের সামনে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস টাঙিয়েছে, যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব অস্বীকার করেছে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

আবার বর্ধমানে নিখোঁজ পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলারের নামে

পোস্টার রাজনীতি অব্যাহত বর্ধমানে। রাজ্যে বিভিন্ন জায়গার রাজনৈতিক নেতাদের নিখোঁজ নোটিশ দেখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে সাধারণ জনসাধারণ। বর্ধমানে আবার তৃণমূল কাউন্সিলরের সন্ধান চেয়ে পোষ্টার পড়লো শহর জুড়ে। তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার জন্য এই পোষ্টার বিরোধীরা লাগিয়েছে বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। যদিও বিজেপির দাবি, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।সোমবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয়দের। বিষয়টি নজরে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বর্ধমান পৌরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উমা সাঁই। উমা সাঁই হলেন ১৯৭০-এর ১৭ই মার্চ বর্ধমান শহরের হারহিম হত্যা কান্ড সাঁই বাড়ির প্রতিনিধি। সেই উমা সাঁইয়ের সন্ধান চেয়ে কার্জনগেট চত্ত্বরে পোষ্টার দেখতে পাওয়া যায়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পোষ্টারে উমা সাঁইয়ের ছবি দিয়ে সন্ধান চাই লেখা হয়েছে। কাউন্সিলর জানিয়েছেন, ওয়ার্ডের মানুষজন জানেন আমি ওয়ার্ডে যাই কিনা। সপ্তাহে দুদিন আমি ওয়ার্ডে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখি ও তার সমাধান করার চেষ্টা করি। ২০১৩ সালে এই ওয়ার্ড থেকে আমি জয়লাভ করি এবং এবছরও এই ওয়ার্ড থেকে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছি। কে বা কারা কি উদ্দেশ্য নিয়ে এই পোষ্টার লাগিয়েছে বলতে পারবো না।যদিও পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস এটাকে বিরোধীদের চক্রান্ত বলেই দাবি করেছেন। রাজনৈতিক ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে লড়াই করতে না পেরে তৃণমূলকে বদনাম করতে এটা করা হচ্ছে বলে দাবি তার। বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউ জানান, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তিনি আরও জানান, তৃণমূল কংগ্রেস ভোট লুট করে ক্ষমতায় এসেছে, লজ্জায় তাঁরা মানুষের কাছে জেতে পারছে না। নিজেদের মধ্যে তোলাবাজির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সমস্যার জেরে এই পোষ্টার বলে দাবি বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউয়ের।উল্লেখ্য, মাস চারেক আগে বর্ধমানে পোস্টার রাজনীতির আমদানি হয়। শহরের কোর্ট কম্পাউণ্ডে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীকে ফের পদে ফেরানোর দাবিতে পোস্টার পড়ে। মাস খানেক আগে ফের কোর্ট কম্পাউণ্ডে পোস্টার পড়ে বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভার সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া নিখোঁজ বলে। তারপর বর্ধমান পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর চায়না কুমারী নিখোঁজ বলে পোস্টার পড়ে। পোস্টার রাজনীতির নবতম সংযোজন বর্ষিয়াণ উমা সাঁই।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

নিখোঁজ পোস্টারের হিড়িক, এবারে সাংসদ এস এস আহলুয়ালিয়া নিখোঁজের পোস্টার!

এবারে সাংসদ নিখোঁজের পোস্টার পড়ল বর্ধমানে। বিজেপি সাংসদ এস এস আহলুয়ালিয়া নিখোঁজ এই শিরোনাম দিয়ে পোস্টার পড়েছে অনাময় হাসপাতালের এলাকার আশেপাশে।এলাকার মানুষ জানিয়েছেন ; আজ সকালে তারা দেখেন কে বা কারা ওই পোস্টার লাগিয়ে গেছে।এ নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানে।এমনিতেই সাংসদ নির্বাচিত হবার পর থেকেই তাকে এলাকায় পাওয়া যায় না এই অভিযোগ রয়েছে।কোনো কর্মসূচিতেও তাকে তেমন দেখা যায়নি এই আড়াই বছরের বেশি সময়কালে। এমনকি দীর্ঘ কোভিড সংক্রমণের সময়ে বা কোনো বিপর্যয়ের পরে তাকে দেখা যায়নি বলেও অভিযোগ। বিধানসভার ভোটে বিজেপি হারার পরে বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালীন কর্মীরা তাকে পাননি বলেও দলের অভ্যন্তরে ক্ষোভ রয়েছে।যদিও বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক সুধীরঞ্জন কুমার সাউ জানাচ্ছেন ; এটা নির্ঘাত তৃণমূল কংগ্রেসের কাজ। এটা মিথ্যা প্রচার।উনি এলাকায় নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। নানা সমস্যায় পাশে দাঁড়ান। এমনকি তৃণমূল কংগ্রেসের বহু কর্মী ওনার দ্বারা উপকৃত। আর সাংসদ হিসেবে নানা কাজের জন্য ওনাকে দিল্লি থাকতেই হবে। এর সঙ্গে তিনি একথাও বলেন; এটা সিপিএমের কাজও হতে পারে।এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান ; এটা নতুন কিছু নয়। যেখানেই উনি জেতেন ; মানুষ তাকে পায়না। এটা মানুষের ক্ষোভ। সাধারণ মানুষ হয়তো ক্ষোভপ্রকাশ করে এই পোস্টার দিয়েছেন। ওদের কর্মীরাই ওকে নানা সময়ে পাননি। তা নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে ওদের দলেই। তারাও পোস্টার দিয়ে থাকতে পারেন। এসব কাজে তৃণমূল কংগ্রেসের কেউ যুক্ত থাকেন না।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজ্য

এবার বর্ধমানে নিখোঁজ পোস্টার! ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লিখে প্রচার

আসানসোলের পর এবার বর্ধমানে পোস্টার। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের সন্ধান চেয়ে পোষ্টার পড়লো বর্ধমান শহরে। শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চায়না কুমারীর নামে পোষ্টার ঘিরে চাঞ্চল ছড়ালো লক্ষ্মীপুর মাঠ এলাকায়।বর্ধমান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চায়না কুমারী। রবিবার এই ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় চায়না কুমারীর সন্ধান চাই বলে একাধিক পোষ্টার দেখতে পাওয়া যায়। এই পোষ্টার ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের অভিযোগ বিরোধীরা তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার জন্য এই ধরনের পোষ্টার লাগিয়েছে। জেলা তৃণমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, ওই ওয়ার্ডে প্রতিনিয়ত উন্নয়নের কাজ হচ্ছে। ওয়ার্ডে কাউন্সিলর থাকলেও সামগ্রিক উন্নয়নের দ্বায়িত্ব পৌরসভা নেয়। কাউন্সিলর কোথাও বেরাতে গিয়ে থাকতে পারে। তার জন্য তার নামে নিখোঁজ পোষ্টার এটা বিরোধীদের কাজ। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন তাই তৃণমূলকে বদনাম করার জন্য এটা বিরোধীরা করছে বলে দাবী করেন প্রসেনজিৎ বাবু। অপরদিকে বিজেপির দাবী এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউ জানান, গত কয়েকদিন ধরে তৃণমূলে পিসি ভাইপোর গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব সারা রাজ্য দেখছে। এই লড়াইটা এখন ওয়ার্ড স্তরে চলে এসেছে। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা বিজেপির কালচার নয়। কিছু তৃণমূল নেতা করেকম্মে খেতে না পারার জন্যই তাদের মধ্যে এই কাদা ছোড়াছুড়ি। এটা তারই ফল। এবিষয়ে কাউন্সিলর চায়না কুমারী টেলিফোনে জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে কে বা কারা এটা করেছে জানিনা।বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। খোঁজ না নিয়ে কোন মন্তব্য করবো না।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজনীতি

বিজেপি নেতাদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখার নিদান দিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র

বিজেপিকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না বলে নিদান দিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি তথা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু। যতক্ষণ না কেন্দ্র সরকার পাওনা টাকা দিচ্ছে ততক্ষণ বিজেপিকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না বলে কর্মীদের বার্তা দিলেন দেবু টুডু। পাশাপাশি তার হুশিয়ারি, মিটিং মিছিল করতে এলে ওদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখা হবে।শনিবার পূর্ব বর্ধমানের গুসকরায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনীর সভায় দেবু টুডু উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বিজেপি গরিব মানুষদের একশো দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছে। গরিব মানুষদের আবাস যোজনার টাকা আটকে রেখেছে। আমাদের পাওনা টাকা দিচ্ছে না। পাওনা টাকা না দিলে ওদের মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না। প্রতিবাদ করুন। ওরা মিটিং মিছিল করতে এলে বেঁধে রাখুন। আগে পাওনা টাকা মেটাক। তারপর ওদের মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে। আদিবাসী গরিব খেটে খাওয়া মানুষের টাকা আটকে রেখেছে বিজেপি সরকার।গুসকরায় তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী সভায় বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, তৃণমূল সরকার শিক্ষকদের চাকরী চুরি করেছে। টাকা নিয়ে অযোগ্যদের চাকরীতে ঢুকিয়েছে।এ খন সেসব ধরা পড়ছে। সেই আতঙ্কে এসব বলে হাওয়া গরম করতে চাইছে। এতদিন বলতো সব টাকা দিদি দেয়। তাহলে এখন তারা বলতে বাধ্য হচ্ছেন টাকা দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। দুর্নীতি করেছে একশো দিনের কাজে, আবাস যোজনায়। অডিট রিপোর্টে সব ধরা পড়েছে।

অক্টোবর ১৫, ২০২২
রাজ্য

চোর সন্দেহে গণপ্রহার, ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে প্রহার

পুরাতন মালদার পৌরসভা অফিসের পাশে সবজি বাজারে এক মোবাইল চুরি করার সন্দেহ করে চোরকে ইলেকট্রিক খুঁটিতে বেঁধে মারধর। ঘটনাস্থল থেকে মালদা থানা পুলিশ উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় হাসপাতালে ।জানা গেছে ওই যুবকের বাড়ি বর্ধমান জেলার আসানসোলে।ঘটনাটি ঘটেছে পুরাতন মালদা পুরসভা লাগোয়া বাজারে।জানা গিয়েছে,পুরাতন মালদা পুরসভা লাগোয়া বাজারে বেশ কিছুদিন থেকে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মোবাইল ফোন চুরি হচ্ছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে বাজার কতৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করে। গত কয়েকদিনে প্রায় পাঁচটির বেশী মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। বিষয়টি বাজারের সকলের নজরে আসে। এরপর বেশ কয়েকদিন থেকে ওই যুবককে বাজারে ঘুরে বড়াতে দেখা যাচ্ছে। এরপর থেকে যুবককে নজরে রাখতে শুরু করে বাজারের দোকানীরা। এদিনও এক ক্রেতা বাজার করছিল। ঠিক সেই সময় ওই যুবক বাজার করার অচ্ছিলায় ক্রেতার বুক পকেটে নিচ ধাক্কা মারতে থাকে। এরপর মোবাইল ফোনটি পরে গেলে নিয়ে পালাতে যায়। সেই সময় স্থানীয়রা ওই মোবাইল চোর যুবককে ধরে ফেলে। এরপর তাকে ইলেক্ট্রিক পোলে বেঁধে মারধর দেয় উত্তেজিত জনতা। খবর দেওয়া হয় মালদা থানার পুলিশকে। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ক্রেতারা জানান,এই বাজারে কোন নিরাপত্তা নেই। যার ফলে প্রায়ই চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। অবিলম্বে নিরাপত্তা দিতে হবে। মালদা থানার পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছ, ধৃতকে চিকিৎসার চলছে। সুস্থ হলে তাকে জিঞ্জাসাবাদ করা হবে। তার নাম পরিচয় নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজনীতি

ভোট পরবর্তী হিংসাঃ সাজা হলে তবেই সিবিআইতে আস্থা, ফের বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

শুধু ডাকাডাকি করলে হবে না সাজা দিতে হবে, না হলে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করবে কি করে? ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্ত নিয়ে ফের সরব বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ।বুধবার প্রাতর্ভ্রমণের পর তারাপীঠে চা চক্রে অংশগ্রহণ করলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি তথা খড়্গপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ। সকাল ছটা নাগাদ তারাপীঠ এলাকায় দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে প্রাতর্ভ্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ। এরপর তারাপীঠ পূর্বসাগর মোড়ে চায়ের দোকানে বসে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তিনি চা চক্রে মিলিত হন। এদিন চা চক্র শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখী হয়ে দিলীপবাবু অনুব্রত মন্ডলের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বলেন, নিজের নামে সম্পত্তি নেই মানেই সম্পত্তি নেই এমনটা নয়। উনি যা বলছেন কোর্টে প্রমান করতে হবে। আর গ্রেফতার হলেই সবাই বলে রাজনৈতিক চক্রান্ত।অন্যদিকে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় আগেই সিবিআইয়ের উপর আস্থা হারিয়ে মুখ খুলেছিলেন দিলীপ ঘোষ। আর তারপর থেকেই রাজ্য জুড়ে সিবিআইয়ের বেশ কয়েকটি মুভমেন্ট দেখা গিয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে অনেককে, তলব করাও চলছে। গতকালই বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় সিবিআই তলব করেছিল তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালকে। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, শুধু ডাকাডাকি করলে হবে না সাজা দিতে হবে। না হলে মানুষ বিশ্বাস করবে কি করে। দুষ্কৃতীরা খুন করে দেবে, দেশে কোনও আইন নেই, সাজা নেই। সেটা করে দেখাতে হবে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানের বিজেপি জেলা কার্যালয়ের সামনে একটি ফ্লেক্স টাঙানো নিয়ে আলোড়ন পড়েছে

ফ্লেক্স লেখা আছে যে সব চাকরিপ্রার্থীরা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বা সরকারি আধিকারিকদের টাকা দিয়েও চাকরি পান নি। তারা জেলা সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে তাদের বিজেপির দলীয় কার্যালয় যোগাযোগ করলে তারা দায়িত্ব নিয়ে টাকা ফেরত দিয়ে দেবে।সম্প্রতি বর্ধমানে দলীয় কর্মসূচিতে এসেছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বর্ধমানের বড়নীলপুর এলাকায় একটি পথসভা হয়। সেখানে তিনি বলেছিলেন, দলীয় কার্যালয়ের সামনে ব্যানার টাঙ্গিয়ে দিন, যারা টাকা দিয়েও চাকরি পাননি তারা জেলা কার্যালয়ে যোগাযোগ করুক। তাদের নাম গোপন রাখা হবে। সেই সমস্ত তৃণমূল নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করে সেই টাকা তাদের ফিরিয়ে দিতে দেওয়া হবে। এই দায়িত্ব নিতে হবে।এ প্রসঙ্গে জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র জানিয়েছেন জেলা সভাপতি নির্দেশেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। তৃণমূলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানিয়েছেন, কারোর এই ধরনের সমস্যা হলে তারা তো প্রশাসনের কাছে যাবে, পুলিশের কাছে যাবে, বিজেপি অফিসে যাবে কেন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস মামলায় বীরভূম থেকে তিনজন কে গ্রেপ্তার করল সিবিআই

অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হয়েছেন গরু পাচার মামলায়। এবার ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস মামলায় তৎপর সিবিআই। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় বোলপুর থেকে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। তৃণমূল নেতা পঞ্চানন খাঁ সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয় বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে।শনিবার সকাল থেকেই বীরভূম জুড়ে তল্লাশি চালালেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দুপুরে অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ তিনজন তৃণমূল নেতাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে সিবিআই। কঙ্কালীতলা থেকে আটক করা হয়েছে তাঁদের। পরে বিকালে গ্রেফতার করা হল তিন জনকে। এদিন কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান মহম্মদ ওহিউদ্দিন ওরফে মামন শেখের বাড়িতেও হানা দেয় সিবিআই অফিসারেরা। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার তদন্তভার রয়েছে সিবিআই-এর হাতে। দীর্ঘ দিন ধরে তদন্ত করছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। শনিবার আচমকাই তাঁদের একটি দল বীরভূম জুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। কঙ্কালীতলা-সহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষ জনকে ধরে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।২০২১ সালের ২ মে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দিকে দিকে শুরু হয় ভোট পরবর্তী হিংসা৷ বীরভূমের বিভিন্ন জায়গায় একই অভিযোগ ওঠে৷ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ঘটনার তদন্তে এসে বীরভূম থেকে তিনজনে নাম কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেন অভিযুক্ত হিসাবে৷ তারা হলেন জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খান, কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান মহম্মদ ওহিউদ্দিন ওরফে মামন শেখ ও তার সঙ্গী পঞ্চানন খা৷ এদিন এই মামলায় তদন্তে এসে সকাল সকাল তৃণমূল নেতা পঞ্চানন খাঁ, বাদল শর্মা ও তীর্থনাথ হাজরাকে আটক করে সিবিআই অফিসারেরা।এদিন দুপুরে শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীর পূর্বপল্লী অতিথি নিবাসে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসে তাদের আনা হয়৷ শুরু হয় দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ। আটক অভিযুক্তদের বক্তব্যে ব্যাপক অসঙ্গতি থাকায় পরে ধৃতদের পরিবারের লোকজনকে ক্যাম্প অফিসে ডেকে পাঠানো হয়৷তাঁরা সরাসরি হিংসায় যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। এ ছাড়াও, আরও তিন জনকে ডেকে পাঠানো হয়, তাঁরাও শিবিরে পৌঁছেছেন বলে খবর।এদিন, বিকেলে আটক তিন জনকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই৷ গ্রেপ্তারের পরেই তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ জানা গিয়েছে, রবিবার ধৃতদের বোলপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। অন্যদিকে, উপ প্রধান মামন শেখের লায়েকবাজারের বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। বাড়িতে ছিলেন না উপ প্রধান। বাড়ি ফিরলে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে দেখা করার জন্য পরিবারের লোকজনকে বলে আসেন গোয়েন্দারা।প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসায় কংকালী এলাকায় একাধিক বিজেপি কর্মীকে মারধর, লুঠপাট, তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে৷ এমনকি, এক বিজেপি কর্মী মহিলাকে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগও জমা পড়েছে। মারধর, খুন, মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ করে তারা। এমনকি ভয়ে বহু বিজেপি কর্মী বাড়ি ছাড়া বলেও দাবি করে। এর পর মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিবিআই-এর হাতে গুরুতর অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব তুলে দেয় আদালত।

আগস্ট ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পোস্টকার্ডে বিশেষ ভাবনা, সঙ্গে গান

সময়টা বড়ই আধুনিক। যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও তার প্রভাব যথেষ্ট। সেই রানারের চিঠি বিলির দিন আজ অনেকটাই সরকারি কাজে, না হলে খুব প্রয়োজনে, এছাড়া চিঠি-চাপাটির দিন আজ অনেকটাই সেকেলে।আধুনিকতার ছোঁয়ায় ইউটিউবে আজ মানুষ ভ্লগ দেখেন, ইমেল, হোয়াস্ট অ্যাপে মনের কথা, কাজের কথা আদান প্রদান করেন। একটা সময় ছিল যখন চিঠি লেখা ছিল অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যম। যেহেতু মানুষের প্রয়োজনের মাধ্যম ছিল তাই অনেক সচেতনতা সংক্রান্ত বিষয়ও পোস্টকার্ডে ছাপা হতো। দেওয়া হতো নানা রকমের বিজ্ঞাপন। আজ এই সব অনেকটাই অতীত।সচেতনার পাঠে পোস্টকার্ড ব্যবহার এখন তেমন ভাবে চল না থাকলেও একটা সময় পোলিও দূরীকরণ কর্মসূচীর বিজ্ঞাপন বেশ চোখে পড়তো।থাকতো সিনেমার বিজ্ঞাপন, নানা রকম বানিজ্যিক দ্রব্যের বিজ্ঞাপনও। ডাক বিভাগের এছিল আয়ের এক সূত্র।সেটা আজ অতীত হলেও এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের কাছে পোস্টকার্ডের সেই চিঠি পাঠানোর নস্টালজিয়াকে উস্কে দিল সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশন। এবার পোস্টকার্ডে জনসংযোগে নামলেন থ্যালাসেমিয়া সংক্রান্ত সচেতনতাকে কাজে লাগাতে। এই বিষয়ে সারা বছর নানা কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত প্রাণ এই সংস্থা এবার পোস্টকার্ড পাঠালো বিভিন্ন ক্লাব, সামাজিক সংস্থার কর্মী-সদস্যদের। উদ্যেশ্য একটাই, থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি। তবে পন্থা একটু অন্যরকম।এর উপরি পাওনা আন্তর্জাতিক সঙ্গীত দিবসের প্রাক্কালে বিশ্ব সঙ্গীতের আঙ্গিনায় সনামধন্য কৃতি সঙ্গীত শিল্পীদের পোস্টকার্ডে স্মরণ। পোস্ট কার্ডের একপাশে যেমন আছে থ্যালাসেমিয়া সংক্রান্ত সচেতনতার কথা, অপর দিকে আছে এলভিস প্রিসলি, ম্যাডোনা, সলিল চৌধুরী, রাহুল দেব বর্মণ, জন লেনন-এর মতো সঙ্গীতজ্ঞদের সম্পর্কিত কিছু তথ্য। গানের ভুবনে যাঁদের কৃতিত্ব অনস্বীকার্য এই পোস্টকার্ড থ্যালাসেমিয়া সচেতনতার পাশাপাশি ওঁদেরকেও স্মরণ করায়। এই ভাবনা প্রসঙ্গে সংস্থার সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য বলেন, পোস্টকার্ড হলো জনসংযোগের সব থেকে পকেটফ্রেন্ডলি মাধ্যম। এত সস্তায় আম আদমি পোস্টকার্ড ছাড়া নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখত না। এখন এসব অতীত। এখন পোস্টকার্ডের দাম কত জিজ্ঞাসা করলে অনেকেই বলতে পারবেননা। আমরা সেই নস্টালজিয়াটাকে ফিরে দেখলাম এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে। তিনি আরও জানান, গানের এই বিশেষ দিনকে মনে করলাম বিশ্বসঙ্গীতের কয়েকজন কিংবদন্তিকে যাঁরা সঙ্গীতের মাধ্যমে মানুষের সেবা করেছেন। মিউজিক থেরাপি। মানুষের মন ভালো রাখার ওষুধ। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে মাথায় রেখেই আমরা এবার পোস্টকার্ডে জনসংযোগে নামলাম।

জুন ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় কি এমন লিখলেন দেব? নেটিজেনদের মন কাড়ল

২৯ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে দেব এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চার্স এর প্রযোজনায় পরিচালক রাহুল মুখার্জির ছবি কিশমিশ। কিশমিশ এর মাধ্যমে বেশ কয়েক বছর পর ফিরে এলো রোম্যান্টিক দেব। ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আলাদাই উন্মাদনা রয়েছে।কিশমিশ দেখে সকলেই ভালো ফিডব্যাক দিচ্ছেন। এর মধ্যেই দেব সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা আনন্দের কথা শেয়ার করে নিলেন। যা সুপারস্টারের অগুণিত ভক্তদের মুগ্ধ করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেব একটা ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, আজ পর্যন্ত আমার ৩৯ বছরের এই জীবনে আমার বাবা আমাকে একটি চিঠিও লেখেনি, প্রতিটা সিনেমার মতো আজকেও আমার বাবা এবং আমার পরিবার এসেছিলো Kishmish সিনেমাটি দেখতে, সিনেমা শেষ হওয়ার পর ব্যস্ততার কারণে বাবার কাছে জানতে পারিনি কেমন লেগেছে সিনেমাটা, সব শেষে যখন বাড়ি ফিরলাম তখন দেখলাম দরজার বাইরে বাবা লিখেছে Kishmish Super duper Hetes। আজকে যেন মনে হলো বাবাকে জীবনে প্রথমবার গর্ববোধ করাতে পারলাম, #Kishmish আপনাদের কতটা ভাল লাগবে তা আমার জানা নেই, কিন্তু আজকের দিনের এই অনুভূতিটা আমার কাছে কিশমিশের মত মিষ্টি হয়ে থাকবে সারা জীবন। সিনেমার ভাষায় আজ যেনো অস্কার পেলাম।তাঁর এই পোস্ট সবাইকে মুগ্ধ করে দিয়েছে। আরও অনেকের কাছে কিশমিশ এর মতো মিষ্টি হয়ে গেছেন টলি সুপারস্টার।

মে ০১, ২০২২
রাজনীতি

সোশাল মিডিয়ায় কী লিখলেন দেবাংশু? পোস্ট ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসে তুলকালাম, মুহূর্তে ডিলিট

গত ২০২১-এ এই দিনে উত্তেজনায় টগবগ করছিল সারা বাংলা। পরের দিন ছিল বিধানসভা নির্বাচনের গণনা। ২ মে ফল প্রকাশের পর দেখা গেল টানা তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতাসীন হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। ২১৩টি আসন পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ৭৭টি। কংগ্রেস ও সিপিএম কোনও আসনেই জয় পায়নি। এরইমধ্যে সিপিএমের জোটসঙ্গী আব্বাস-উদ্দিনের দল ভাঙড়ের আসনে জয়লাভ করে।তৃণমূলের জয়ের পর বিজেপি থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ঘরে ফিরতে শুরু করে। তাঁদের না ফেরানো নিয়ে আগেই মন্তব্য করেছিলেন যুব তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। ফের এদিন সোশাল মিডিয়ায় সেই আবহের কথা তুলে ধরে গঙ্গা জলের সঙ্গে ড্রেনের জলের তুলনা টেনেছেন দেবাংশু। বিতর্ক শুরু হতেই ফের সেই পোস্ট ডিলিটও করে দিয়েছেন তিনি। তবে সেটা যে তৃণমূল কংগ্রেসের অনেকেরই মনে কথা, তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে চর্চা অভ্যাহত।এদিন দেবাংশু লিখেছেন, গত বছর ঠিক আজকের দিন পর্যন্ত রাজ্যে যে তৃণমূলটা ছিল, সেটাই নিষ্কলুষ। ধান্দাবাজহীন, অকৃত্রিম, প্রকৃত তৃণমূল। তারপর তো বন্যা এল! গঙ্গার জল, ড্রেনের জল সব মিলেমিশে একাকার! তবুও দলে একটা স্ট্রং ফিল্টার আছে বলেই বিশ্বাস। তারা পিছনের সারিতেই থাকবেন, সেটাও বিশ্বাস করে দলের কর্মীরা। তৃণমূল ফের ক্ষমতায় আসার পর লাইন দিয়ে ঘরওয়াপসি শুরু হয়ে যায়। অনেক পদও পেয়ে গিয়েছেন। দেবাংশুর এই পোস্ট ঘিরে শোরগোল পড়তেই বিতর্ক এড়াতে সেটাও ডিলিট করে দেন তরুন তুর্কি এই যুব নেতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, পোস্টের ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে ফের আর একটা পোস্ট করেন দেবাংশু। একসময় এই যুবনেতা হুঙ্কার ছেড়েছিল, বিজেপি থেকে দলে ফিরলে তিনি গদ্দারদের আটকাতে তৃণমূল ভবনের দরজায় শুয়ে থাকবেন। যদি পাল পালে তৃণমূলে ফিরলেও তিনি আটকাতে পারেননি।বিতর্ক বাড়তেই পোস্ট ডিলিট দেবাংশুরধাপে ধাপে একাধিক বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। কৃষ্ণনগরের বিধায়ক মুকুল রায়কে দিয়ে এই ঘরে ফেরার পালা শুরু হয়েছিল। ইদানিং ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ পাট শিল্প নিয়ে বিদ্রোহ করেছেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আন্দোলনে রাজি বলেও তিনি ঘোষণা করেন। চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফের জল্পনা শুরু হয়ে যায় তাঁর তৃণমূলে ফেরা নিয়ে। কারণ এর আগে বাংলার মানুষ দেখেছে কীভাবে দলনেত্রীসহ তৃণমূল নেতৃত্বকে কড়া সমালোচনা করেও দলে দলে বিজেপি থেকে ঘাসফুল শিবিরে ফিরে গিয়েছেন। এমনকী অর্জুন সিংয়ের ভাইপো ভাটপাড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সৌরভ সিং যিনি রাজনীতিতে তাঁর ডানা হাত বলে পরিচিত ছিলেন, তিনিও তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এমন অনেকেই ফের তৃণমূলে পা বাড়িয়ে রয়েছেন বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।বিতর্ক বাড়তেই পোস্ট ডিলিট দেবাংশুরপোস্ট ঘিরে বিতর্ক বাড়তেই তা ডিলিট করে দেন দেবাংশু। ফের তিনি পোস্ট করে লেখেন, শেষ পোষ্টের অর্থ হয়ত ঠিকঠাক বোঝাতে পারিনি। অকারণ বিতর্ক হচ্ছে। তাই পোস্ট ডিলিট করলাম। কর্মীরাই দলের সম্পদ। সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। দলের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখতে হবে। এই দলে কর্মীদের স্বার্থ সবার আগে দেখা হয়। কারণ, এই দলের নেত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পোস্ট, ডিলিট, ফের পোস্ট যাই হোক না কেন তৃণমূল নেতা-কর্মীদের একাংশের মনে কথা দেবাংশু লিখেছেন বলে তাঁরা মনে করছেন।

মে ০১, ২০২২
কলকাতা

থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় শহর জুড়ে বিভিন্ন রূপে সত্যজিতের চরিত্ররা

৮ মে আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস। সারা বিশ্ব জুড়ে এই ব্যাধির বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে নানা কর্মসূচী নেওয়া হয়ে থাকে। পিছিয়ে থাকেনা আমাদের শহর কলকাতাও।শহরের এক অতি পরিচিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনও সামিল হন এমনিতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞে। এমনিতেও সারা বছর ধরে এই সংগঠন বিভিন্ন ধরণের সচেতনতামূলক কর্মসূচীর আয়োজন করে থাকে।এবছর ৩ মে থেকে শুরু হচ্ছে নানা কর্মসূচী। তবে সব থেকে চমক হল এবছরের সচেতনতার প্রচার পরিকল্পনায়। শহর জুড়ে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় নেমেছেন সত্যজিৎ রায়ের ছবির চরিত্রেরা। দেবীর শর্মিলা ঠাকুর, জলসাঘরের ছবি বিশ্বাস, মহানগরের মাধবী মুখোপাধ্যায়, গুপি গাইন বাঘা বাইন এর রবি-তপেশ, সোনার কেল্লার সৌমিত্র, আগন্তুকের উৎপল দত্ত আরো অনেকে। প্রচারে এই চরিত্রেরা থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতার নানা কথা বলছেন। ছবির থিম, কখনো ডায়ালগকে মাথায় রেখে বানানো হয়েছে নানা রকমের স্লোগান। ঠিক যেন এই চরিত্র গুলো আমাদের মতো রক্ত মাংসের মানুষ হয়ে পথে নেমেছে।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়া২ মে সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবার্ষিকী। সদ্য শতবার্ষিকী হয়েছে। তিনি শিশুদের জন্য অনেক কাজ করেছেন। গল্প লেখা থেকে শুরু করে, ছবি বানানো, সন্দেশ পত্রিকার সম্পাদনা, নানা রকম ইলাসট্রেশন করা। অথচ একটু অসচেতনতার জন্য সেই শিশুরাই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়। এ যেন সেই সব থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের পক্ষ থেকেই এই বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতাকে স্মরণ। ক্যাপশন গুলো লিখেছেন তারাই।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়াসেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশন এর সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য জানিয়েছেন, সত্যজিতের ছবি খুব পপুলার। চরিত্রগুলোও ভীষণ জনপ্রিয়।এই ধরনের চরিত্র গুলোকে যদি প্রচারের মাধ্যমে আনা যায় তাহলে লোকের চোখে বেশি করে পড়বে। সেক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানোর আমাদের যে লক্ষ সেটা সফল হবে। সত্যজিৎ বাবু তাঁর সৃষ্টিতে অমর। এখানে তাঁর সৃষ্টি সমাজে থ্যালাসেমিয়ার মতো একটা ব্যাধি সম্পর্কে সচেতনতার অংশ হয়ে উঠল এতে সামগ্রীক ভাবে প্রচারটা অনেক বেশি করে লোকের চোখে পড়লো। এছাড়া থাকছে ডাক্তারদের সম্মাননা প্রদান জীবনদেবতা সম্মান, রক্তদান শিবির সহ নানা কর্মসূচী।

মে ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের গল্পে ভালোবাসার ছোঁয়া

থ্রিলার নয়, এবার ভালোবাসার গল্প বলবেন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়। ছবির নাম এক্স=প্রেম। ছবির ঘোষণা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার সামনে এল এই ছবির পোস্টার। সাদা-কালো ক্যানভাসে তৈরি এই পোস্টার একটু নস্টালজিক। প্রযোজনা সংস্থা এসভিএফের তরফে সিনেমার পোস্টারটি শেয়ার করে লেখা হয়, ভালবাসা স্মৃতি ছাড়া আর কী? স্মৃতি ভালবাসা ছাড়া আর কী? ছবি মুক্তি পাচ্ছে ১৩ মে। এছাড়া পোস্টার মুক্তির পাশাপাশি এই ছবির গানও মুক্তি পেল। ২০২১ সালের জুলাই মাসে শুরু হয়েছিল ছবির শ্যুটিং। জাতীয় পুরস্কারজয়ী সৃজিত জানিয়েছিলেন, তাঁর কাছে দর্শকরা অনেকদিন ধরেই অনুরোধ করছে একটা প্রেমের সিনেমা বানানোর। সেইজন্যই এক্স=প্রেম। কলেজ জীবনের প্রেমের গল্পই শোনাবে ছবিটা। যদিও চিরাচরিত প্রেমের গল্প বলছেন না পরিচালক। সঙ্গে রয়েছে অভিনবত্বের ছাপ।সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের গল্পে ভালোবাসার ছোঁয়াইন্ডাস্ট্রির একঝাঁক নতুন তরুণ মুখ নিয়ে আসছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক। মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন অনিন্দ্য সেনগুপ্ত, শ্রুতি দাস, অর্জুন চক্রবর্তী ও মধুরিমা বসাক। এই ছবি দিয়েই অভিনয় জগতে ডেবিউ করছেন অনিন্দ্য এবং শ্রুতি। অর্জুন, মধুরিমারও সৃজিতের সঙ্গে প্রথম কাজ করছেন।

এপ্রিল ১১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

খামেনেই বলেছিলেন ১ হাজার, রিপোর্ট বলছে ১৬ হাজার! ইরানে মৃত্যুমিছিল

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই দাবি করেছেন, দেশজুড়ে চলা গণবিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত অন্তত এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র যে আরও ভয়াবহ, তা উঠে এসেছে একটি সাম্প্রতিক রিপোর্টে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানে বিক্ষোভ দমনের নামে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৬ হাজার ৫০০ মানুষ। আহত হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি নাগরিক।মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস ইরানের একাধিক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে বর্ণনা করা হয়েছে খামেনেই সরকারের নির্মম দমননীতির কথা। ইরানের এক চিকিৎসক আমির পারাস্তা জানিয়েছেন, বিক্ষোভের শুরুতে নিরাপত্তা বাহিনী রবার বুলেট ব্যবহার করছিল। কিন্তু পরে খামেনেইয়ের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার শুরু হয়। দেখা মাত্রই আন্দোলনকারীদের মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালানো হচ্ছে। রাইফেল ও মেশিনগানের গুলিতে বহু মানুষের মাথা, বুক ও কাঁধ ঝাঁঝরা হয়ে যাচ্ছে। রক্তে ভিজে যাচ্ছে রাজপথ।ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হলেও এলন মাস্কের স্টারলিঙ্কের মাধ্যমে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন অনেকে। সেই পথেই ওই চিকিৎসক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। চক্ষু বিশেষজ্ঞ আমির পারাস্তার দাবি, গুলির আঘাতে চোখ হারিয়েছেন প্রায় ৭০০ থেকে এক হাজার মানুষ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজারের মধ্যে। নিহতদের মধ্যে বহু শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা মহিলাও রয়েছেন।হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ সামলানো যাচ্ছে না। রক্তের অভাবে বহু আহতের মৃত্যু হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও থামেনি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর দমন অভিযান।মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভাঙন, প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং কট্টর ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে। সেই ক্ষোভই এবার রাস্তায় নেমে এসেছে। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই অভিযোগ উঠেছে, বিক্ষোভ দমাতে নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।এর আগে আমেরিকার মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ দাবি করেছিল, ইরানে মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। তবে নতুন এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
বিদেশ

গ্রিনল্যান্ড বিতর্কে নতুন মোড়! ইউরোপের উপর বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করলেন ট্রাম্প

গ্রিনল্যান্ড কিনতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড একটি স্বশাসিত দ্বীপ, যা ডেনমার্কের অধীনে। ফলে এই প্রস্তাবে স্বাভাবিক ভাবেই আপত্তি জানিয়েছে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক। শুধু তাই নয়, ফ্রান্স, ব্রিটেন-সহ একাধিক ইউরোপীয় দেশও ট্রাম্পের এই প্রস্তাব মানতে রাজি হয়নি। এর পরেই ক্ষোভ উগরে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইউরোপের কয়েকটি দেশের উপর বাণিজ্যিক শুল্ক চাপানোর ঘোষণা করলেন তিনি।শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, ব্রিটেন, নরওয়ে, জার্মানি, সুইডেন, নেদারল্যান্ড এবং ফিনল্যান্ড থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের উপর ১০ শতাংশ করে শুল্ক বসানো হবে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই শুল্ক কার্যকর হবে। এখানেই থামেননি ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনও সমঝোতা না হলে ১ জুন থেকে এই শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে।ট্রাম্পের দাবি, বহু বছর ধরে আমেরিকা ইউরোপের বিভিন্ন দেশকে নানা বাণিজ্যিক সুবিধা ও ভর্তুকি দিয়ে এসেছে। তাঁর বক্তব্য, এখন সেই সুবিধার পালা শেষ। ট্রাম্প আরও বলেন, গ্রিনল্যান্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য। তাঁর অভিযোগ, ডেনমার্ক নিজের সীমানা ঠিকমতো রক্ষা করতে পারছে না। সেই কারণেই আমেরিকার গ্রিনল্যান্ডের উপর নজরদারি দরকার বলে দাবি করেন তিনি।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যেসব দেশের উপর এই শুল্ক চাপানো হয়েছে, তাদের প্রত্যেকটিই আমেরিকার দীর্ঘদিনের মিত্র দেশ। শুল্ক ঘোষণার একদিন আগেই ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর প্রস্তাবে যারা সমর্থন দেবে না, তাদের উপর বাণিজ্যিক চাপ বাড়ানো হবে। শনিবার সেই কথাই কার্যত বাস্তবায়িত করলেন তিনি।ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, চিন ও রাশিয়াও গ্রিনল্যান্ডের উপর নজর রাখছে। তাঁর মতে, বৈশ্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে আমেরিকার গ্রিনল্যান্ডে উপস্থিতি জরুরি। তিনি এটাও বলেন, গত দেড়শো বছরের বেশি সময় ধরে একাধিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনমার্ককে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে প্রতিবারই সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে ডেনমার্ক।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

খাওয়ার থালা হাতে নামতে গিয়েই ঘটে ঘটল.... সুন্দরবনের পর্যটকের মর্মান্তিক পরিণতিতে কেঁপে উঠল রাজ্য

শীতের মরশুমে সুন্দরবনে পর্যটকদের ভিড়ের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রাতের অন্ধকারে লঞ্চ থেকে মাতলা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক পর্যটক। তাঁর খোঁজে রবিবার সকাল থেকে চলছে তল্লাশি। নিখোঁজ যুবকের নাম সুমন্ত পাল। বয়স ২৬ বছর। তিনি দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার বাসিন্দা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৬ জানুয়ারি গড়িয়া থেকে ২২ জনের একটি পর্যটক দল সুন্দরবনের কৈখালিতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখেন। ওই দলেরই সদস্য ছিলেন সুমন্ত। দুদিন জঙ্গল ভ্রমণের পর শনিবার রাতে তাঁরা আবার কৈখালিতে ফিরে আসেন। মাতলা নদীর উপর একটি লঞ্চেই তাঁদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল।শনিবার রাতে ওই লঞ্চেই ঘটে যায় দুর্ঘটনাটি। জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ খাওয়াদাওয়ার সময় সুমন্ত হাতে ভাতের থালা নিয়ে লঞ্চের সিঁড়ি দিয়ে উপর থেকে নীচে নামছিলেন। সেই সময়ই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে সিঁড়ি থেকে সরাসরি মাতলা নদীতে পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান তিনি।ঘটনার পর লঞ্চের চালক ও সঙ্গে থাকা কয়েক জন জলে নেমে তাঁকে খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাতলা নদীতে স্রোত প্রবল থাকায় তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। এরপর বনদপ্তর ও কুলতলি থানায় খবর দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকে নদীতে তল্লাশি শুরু হলেও দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।লঞ্চের চালক শুভেন্দু সরদার জানিয়েছেন, রাতে খাবার নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরেই ওই যুবক নদীতে পড়ে যান। পর্যটক দলের সদস্য জয় সাহা বলেন, তাঁদের সকলের বাড়িই গড়িয়ায়। ২২ জন বন্ধু মিলে সুন্দরবন ঘুরতে এসেছিলেন। এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।এই ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। লঞ্চে থাকা অন্যান্যদের জেরা করা হচ্ছে। নিখোঁজ যুবকের পরিবারের কাছেও ইতিমধ্যেই দুঃসংবাদ পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভিতর থেকে বন্ধ দরজা, ফোন ধরেননি দু’জনেই! মহেশতলায় রহস্যমৃত্যু

রবিবার সকালে মহেশতলায় একটি ফ্ল্যাট থেকে স্বামী-স্ত্রীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে মহেশতলা পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়ি ফুট এলাকায়। মৃতদের নাম তন্ময় দে (৫২) এবং তাঁর স্ত্রী রুমা রক্ষিত (৪৭)। পুলিশ দরজা ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা দুজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুড়ি ফুট এলাকার একটি আবাসনের তিনতলায় ভাড়া থাকতেন ওই দম্পতি। রবিবার সকালে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। দীর্ঘক্ষণ ফোন না ধরায় সন্দেহ হয়। এরপর পরিবারের লোকজন ফ্ল্যাটে এসে দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। অনেকবার ডাকাডাকি করা হলেও ভিতর থেকে কোনও সাড়া মেলেনি। দরজায় ধাক্কা দিয়েও কোনও শব্দ না পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। শোওয়ার ঘরে খাটের উপর অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় স্বামী-স্ত্রীকে। তাঁদের পাশেই একাধিক ঘুমের ওষুধের খালি বাক্স পড়ে ছিল। দ্রুত দুজনকে উদ্ধার করে বেহালা বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুজনেই আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে কী কারণে এই চরম সিদ্ধান্ত, তা জানার চেষ্টা চলছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই আর্থিক সমস্যায় ভুগছিলেন ওই দম্পতি। ঋণের চাপ বা অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।দুটি দেহই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও সময় জানা যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে সিঙ্গুরে মোদির বড় ডাক! পরিবর্তনের বার্তা, তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পালাবদলের মাটি সিঙ্গুরে এসে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বাঙালি অস্মিতার কথা তুলে ধরেন এবং রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেন। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।সম্প্রতি বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্তার অভিযোগ ঘিরে সরব হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা ও বাঙালিকে বঞ্চনার অভিযোগও দীর্ঘদিনের। সেই আবহে সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে মোদি দাবি করেন, বিজেপির মতো করে কেউ বাংলাকে সম্মান দেয়নি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সরকারের আমলেই বাংলা ভাষা ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে। এর ফলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণার নতুন পথ খুলেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, বিজেপি সরকারের উদ্যোগেই দুর্গাপুজো ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপিকে অবাঙালিদের দল হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগ মোকাবিলায় বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসঙ্গকে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও সিঙ্গুরের সভা থেকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ান মোদি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল রাজ্য ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করছে। তিনি বলেন, তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের বিভিন্ন সুবিধা দেয় এবং তাদের রক্ষা করতে আন্দোলনেও নামে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবেই দেখে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১১ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির প্রয়োজনীয়তার কথা জানালেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হলে ভুয়ো নথির মাধ্যমে যারা দেশে থেকে গিয়েছে, তাদেরও নিজ দেশে ফেরত পাঠানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার তাঁদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে সিএএ কার্যকর করে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মঞ্চ থেকে একদিকে বাঙালি আবেগ, অন্যদিকে নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা দিতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা হিংসার পরে মৃতের বাড়িতে সাংসদ, দেরি না দায়িত্ব— বিতর্ক তুঙ্গে

অশান্ত বেলডাঙায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি। দুদিনের হিংসার পর এলাকাজুড়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। আজও চলছে রুটমার্চ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিরোধীদের একটাই প্রশ্ন ছিল, এত বড় ঘটনার পরেও কোথায় ছিলেন বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান? কেন তাঁকে এলাকায় দেখা যাচ্ছিল না? এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর।সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বেলডাঙায় দেখা গেল ইউসুফ পাঠানকে। তিনি যান নিহত পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে আলাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন সাংসদ। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।এর একদিন আগেই বহরমপুরে রোড শো করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি জানান, ইউসুফ পাঠান এলাকায়ই ছিলেন এবং বেলডাঙায় যেতে চেয়েছিলেন। অভিষেক বলেন, তাঁর র্যালি ও বৈঠক শেষ হলে সাংসদ, বিধায়করা একসঙ্গে নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের তরফে আর্থিক সাহায্য ও মৃতের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।এই ঘোষণার পরেই বেলডাঙায় ইউসুফের উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, আলাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সময় ইউসুফও আর্থিক সাহায্য ও চাকরির বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বেলডাঙার বিধায়কও।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইউসুফ পাঠান বলেন, এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, পরিযায়ী শ্রমিকরা শুধু নিজের জন্য কাজ করেন না, যে রাজ্যে কাজ করেন সেই রাজ্যের উন্নয়নেও তাঁদের বড় ভূমিকা থাকে। তাই এই ধরনের ঘটনা হওয়া কখনওই কাম্য নয়।তবে দেরিতে এলাকায় আসা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ মানতে নারাজ সাংসদ। তাঁর দাবি, তিনি এলাকাতেই ছিলেন এবং জনপ্রতিনিধিরা মাঠে নেমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কাজ করছিলেন। তাঁর কথায়, তাঁরা সব সময় মানুষের পাশেই আছেন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

যে জমি দেখেছিল টাটার স্বপ্ন, সেখানেই মোদীর সভা! সিঙ্গুরে ইতিহাসের মোড়

যে জমি এক সময় বড় শিল্পের স্বপ্ন দেখেছিল, যেখানে হাজার হাজার মানুষের কাজের আশা জড়িয়ে ছিল, সেই জমিতেই আজ বড় রাজনৈতিক সভা। হুগলির সিঙ্গুরে সেই জমিতেই সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একদিন এই সিঙ্গুর ছেড়েই টাটার ন্যানো কারখানা চলে গিয়েছিল গুজরাটের সানন্দে। তারপর কেটে গিয়েছে বহু বছর। সেই জমিতে আর শিল্প ফেরেনি, চাষও হয়নি। সেই দীর্ঘ অধ্যায়ের মাঝেই আজ ফের সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র নজর।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলা ও অসমকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই আজ আরও একগুচ্ছ প্রকল্পের সূচনা করতে চলেছেন তিনি। হুগলির সিঙ্গুর থেকেই প্রায় ৮৩০ কোটি টাকার বেশি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একই সঙ্গে একটি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও সূচনা করবেন তিনি।এ দিন অসম থেকে সরাসরি বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর তিনটের পর থেকে একের পর এক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার কথা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেম প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় তৈরি হবে একটি ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট টার্মিনাল এবং একটি রোড ওভার ব্রিজ। প্রায় ৯০০ একর এলাকা জুড়ে বলাগড়কে আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং টার্মিনাল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যার বার্ষিক পণ্য পরিবহণ ক্ষমতা প্রায় ২.৭ মিলিয়ন টন হবে।এই প্রকল্পে দুটি কার্গো জেটি তৈরি হবে। একটি কনটেনারবাহী পণ্যের জন্য এবং অন্যটি ড্রাই বাল্ক কার্গোর জন্য ব্যবহৃত হবে। এর ফলে ঘনবসতিপূর্ণ শহর এলাকা থেকে ভারী পণ্য পরিবহণ অনেকটাই সরানো যাবে। কলকাতায় যানজট ও দূষণ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবহণের নিরাপত্তা বাড়বে এবং নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। কম খরচে পণ্য পরিবহণের সুবিধা পাওয়ায় আঞ্চলিক শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা এবং কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছনো আরও সহজ হবে। এই প্রকল্প থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বহু কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।এ দিন কলকাতায় একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক ক্যাটামারানেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্টের জন্য কোচি শিপইয়ার্ডে তৈরি এই ক্যাটামারানটি ছয়টি ইলেকট্রিক জাহাজের মধ্যে একটি। ৫০ জন যাত্রী বহনে সক্ষম এই হাইব্রিড ইলেকট্রিক ক্যাটামারানে রয়েছে আধুনিক প্রপালশন ব্যবস্থা ও লিথিয়াম-টাইটানেট ব্যাটারি প্রযুক্তি। এটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক মোডে যেমন চলতে পারে, তেমনই দীর্ঘ সময় হাইব্রিড মোডেও চলতে সক্ষম। হুগলি নদী বরাবর যাত্রী পরিবহণ, পর্যটন ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী জয়রামবাটি থেকে বরগোপীনাথপুর হয়ে ময়নাপুর পর্যন্ত নতুন রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। এটি তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর নতুন রেললাইন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই রেলপথ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ময়নাপুর থেকে জয়রামবাটি পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন পরিষেবাও শুরু হবে। এর ফলে বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দারা সরাসরি রেল যোগাযোগের সুবিধা পাবেন। দৈনন্দিন যাত্রী, পড়ুয়া এবং তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।বাংলার জন্য তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনেরও সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই ট্রেনগুলি কলকাতা থেকে আনন্দ বিহার টার্মিনাল, শিয়ালদহ থেকে বারাণসী এবং সাঁতরাগাছি থেকে তাম্বরমের মধ্যে চলবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মাটি থেকেই উন্নয়ন ও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
বিদেশ

পেট্রোলের দাম চাইতেই মৃত্যু! বাংলাদেশে গাড়ি চাপা দিয়ে খুন হিন্দু যুবক

বাংলাদেশে ফের এক হিন্দু যুবকের নৃশংস মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। রাজবাড়ি জেলায় পেট্রোল পাম্পে কাজ করা এক যুবককে গাড়ি চাপা দিয়ে পিষে মারার অভিযোগ উঠেছে। নিহত যুবকের নাম রিপন সাহা, বয়স প্রায় ৩০ বছর। অভিযোগ, পেট্রোলের দাম চাইতেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাজবাড়ি জেলার গোয়ালান্দা মোড়ের করিম ফিলিং স্টেশনে ডিউটি করছিলেন রিপন। সেই সময় একটি কালো রঙের এসইউভি গাড়ি পেট্রোল পাম্পে আসে। গাড়িতে প্রায় ৫ হাজার টাকার তেল ভরানো হয়। কিন্তু তেল নেওয়ার পর টাকা না দিয়েই গাড়িটি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন চালক। রিপন সেই সময় গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে টাকা চাইতে যান। অভিযোগ, টাকা দেওয়ার বদলে গাড়িটি তাঁর উপর দিয়েই চালিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।পুলিশ জানিয়েছে, গাড়িটি একটি ল্যান্ড ক্রুজার। সেটির মালিক রাজবাড়ি জেলার প্রাক্তন বিএনপি নেতা আবুল হাসান ওরফে সুজন। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। অভিযুক্ত আবুল হাসান অতীতে বিএনপির জেলা কমিটির ট্রেজারার ও যুবদলের সভাপতি ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। পেশায় তিনি একজন ঠিকাদার।ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে এসেছে। সেই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গাড়িটি পেট্রোল ভরে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রিপন ও তাঁর এক সহকর্মী সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। রিপন গাড়ির পিছনে দৌড়ান। কিছু দূর গিয়ে পেট্রোল পাম্পের আর এক কর্মী দেখতে পান, হাইওয়ের উপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে রিপনের দেহ। মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাত ছিল তাঁর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এই ঘটনার পর আবারও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত বছরের শেষে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে একের পর এক হিন্দু নিগ্রহ ও হত্যার অভিযোগ সামনে এসেছে। গত ১৮ ডিসেম্বর দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবকের নৃশংস মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারির শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত একাধিক হিন্দু হত্যার খবর সামনে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal