• ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Positive

বিনোদুনিয়া

Srijit Mukherjee : কোভিড আক্রান্ত সৃজিত কন্যা

পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পর এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন তাঁর কন্যা। রাফিয়ার রশিদ মিথিলার মেয়ে আয়রা তাহরিম খান কোভিড পজিটিভ। বৃহস্পতিবারই করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর জানালেন মিথিলা। তবে মিথিলা পুরোপুরি সুস্থ রয়েছেন।সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী মিথিলা জানিয়েছেন,দুজনই এখন আগের চেয়ে ভালো আছেন। তারা যাতে দ্রুত সুস্থতা লাভ করে সেজন্য সবাই দোয়া করবেন।টলিউডে পরপর তারকারা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। রোজই কারোর না কারোর কোভিড পজিটিভের খবর প্রকাশ্যে আসছে। এবার সৃজিত ও মিথিলার মেয়ে কোভিড পজিটিভ হলেন।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Soham : করোনায় আক্রান্ত সোহম চক্রবর্তী

টলিউডে করোনায় আক্রান্ত তারকাদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গতকাল রাতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী, রুদ্রনীল ঘোষ সহ এক ঝাঁক তারকা। এবার আরও একজন তারকার কোভিড পজিটিভ হওয়ার খবর এল। করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেতা- রাজনীতিবিদ সোহম চক্রবর্তী।ফেসবুকে সোহম লিখেছেন, আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা কোভিড পজিটিভ। আমরা সকলেই নিভৃতবাসে রয়েছি। নিজের অসুস্থতার খবর দেওয়ার পাশাপাশি সকলকে মাস্ক পরা-সহ কোভিড বিধি মেনে সুরক্ষিত থাকার পরামর্শও দিয়েছেন সোহম।সৃজিত মুখার্জী, জিৎ গাঙ্গুলি, দেব, রুক্মিণী, পরমব্রত, রুদ্রনীল, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী একে একে সবাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। কোভিড পজিটিভ ধরা পড়েছে ছোটপর্দার অভিনেত্রী মাধুরিমা চক্রবর্তীর। এবার সোহম করোনায় আক্রান্ত হলেন। এখানে উলেখ্য বুধবার সোহম চন্ডীপুর শ্রীরামকৃষ্ণ মঠ পরিদর্শন ও মঠের শ্রীবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনার জন্য চন্ডিপুর আসেন এবং মহারাজদের সঙ্গে পার্থনা সভায়-ও অংশগ্রহণ করেন।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Rudranil : করোনায় আক্রান্ত রুদ্রনীল

করোনা আক্রান্ত অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। টুইট করে সেই কথাই জানিয়েছেন এই টলিউড অভিনেতা। বর্তমানে তিনি নিভৃতবাসে আছেন। সকলকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় রুদ্রনীল লিখেছেন,আমি করোনা পজিটিভ। হোম আইসোলেশনে আছি। সবাই সাবধানে থাকুন, সুস্থ থাকুন।কলকাতার এক প্রথম শ্রেণীর সংবাদমাধ্যমকে রুদ্রনীল জানান, আগে কোভিড হয়নি। এই প্রথম। হাল্কা জ্বর। গা-হাত পা ব্যথা। সকলের হচ্ছে এ বার। রাজ-শুভশ্রী, পরম তার পরে আমি। মনে হয় না পাঁচ দিনের বেশি থাকবে।বিগত কয়েকদিন ধরে টলিউডের অনেক তারকার কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এবার প্রথমবারের মতো রুদ্রনীলের কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এল।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Maadhurima : করোনায় আক্রান্ত অভিনেত্রী মাধুরিমা, রয়েছেন হোম আইসোলেশনে

বিগত কয়েকদিনে টলিউডে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। জিত গাঙ্গুলি, সৃজিত মুখার্জি, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী গাঙ্গুলি, শ্রীজাত সবাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী মাধুরিমা চক্রবর্তী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবরটা জানিয়েছেন তিনি। মাধুরিমা সম্প্রতি জীবন সাথী ধারাবাহিকে নিধি বসুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সদ্য তাঁর চরিত্রটি শেষ হয়েছে। এরপর মেঘালয়ে ঘুরতে যান তিনি।কিভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন মাধুরিমা? জনতার কথা কে অভিনেত্রী জানালেন, যখন আমি হেয়ার ওয়াশ করি তখন আমার হাঁচির একটা অ্যালারজি আছে। এবারেও সিম্পটমস হিসাবে সেটাই ছিল। আমি এটা মাথাতেই নিইনি কারণ এটা আমার হতেই থাকে। আসতে আসতে সর্দি হল। তারপর হটাত করে ১০২ জ্বর আসে। তারপর ব্যাপারটা ঠিক লাগলো না। পিসি তখন কোভিড টেস্ট করতে বলেন। টেস্টের রিপোর্টে পেলাম আমার পজিটিভ আছে। তিনি আরও জানান, কালকে প্রচন্ড উইক ছিলাম। আজকে একটু কম আছি। এপাশ থেকে ওপাশ ফিরতে পারছিনা এতটাই উইক। এইভাবেই চলছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Sourav-Sana : গাঙ্গুলি পরিবারে আবার করোনার হানা, আক্রান্ত সৌরভের কন্যা সানা

করোনা আতঙ্কে থরহরিকম্প গোটা দেশ। ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ আরও বেশি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট। কিছুদিন আগেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। এবার করোনায় আক্রান্ত তাঁর মেয়ে সানা গাঙ্গুলি। একই সঙ্গে আক্রান্ত সৌরভের কাকা তথা সিএবির কোষাধ্যক্ষ দেবাশিস গাঙ্গুলি, খুড়তুতো ভাই শুভ্রদীপ গাঙ্গুলি ও ভ্রাতৃবধু জুঁই গাঙ্গুলি।বেশ কিছুদিন ধরে লন্ডনে ছিলেন সৌরভের স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলি ও সানা গাঙ্গুলি। লন্ডনে বড়দিনের ছুটি কাটিয়ে কয়েকদিন আগে দেশে ফিরেছেন। বাড়িতে ফেরার পর কয়েকদিন ধরে সামান্য অসুস্থ ছিলেন সানা গাঙ্গুলি। হালকা জ্বর ছিল। করোনার অন্যান্য উপসর্গও দেখা যায়। এরপরই তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হয়। মঙ্গলবার রাতে সানার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সানার পাশাপাশি ডোনা এবং পরিবারের অন্য সদস্যদেরও করোনা পরীক্ষা করা হয়। সৌরভের খুড়তুতো ভাই শুভ্রদীপ গাঙ্গুলি, ভ্রাতৃবধু জুঁই গাঙ্গুলিরও রিপোর্ট পজিটিভ আসে। প্রত্যেকেই বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন।কিছুদিন আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে তিনি বাড়ি ফিরেছেন। সৌরভ আপাতত বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন। সৌরভের করোনা ধরা পড়ার পরপরই পরিবারের বাকি সদস্যদের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। তখন সকলেরই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। সানা অসুস্থ বোধ করায় তাঁর পরীক্ষা করা হয়। দ্বিতীয়বার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সৌরভকে নিয়ে গাঙ্গুলি পরিবারে এই নিয়ে পাঁচজনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এল। প্রত্যেকেই বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন। সৌরভ, সানা করোনায় আক্রান্ত হলেও সৌরভের স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলির রিপোর্ট অবশ্য নেগেটিভ এসেছে। গাঙ্গুলি পরিবারে আগেই সৌরভের দাদা স্নেহাশিস এবং মা নিরূপা গাঙ্গুলি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Sonu Nigam : সপরিবারে কোভিড পজিটিভ সোনু নিগম

বলিউডে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর পরপর আসছে। বিগত কয়েকদিনে অনেক বলিউড তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এবার সপরিবার কোভিডে আক্রান্ত বলিউড গায়ক সোনু নিগম। টুইট করে সোনু নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। কোভিডে আক্রান্ত তাঁর স্ত্রী মধুরিমা নিগম এবং ছেলে নীভম।বর্তমানে সপরিবারে দুবাইতে রয়েছেন সোনু। কয়েক দিনের মধ্যেই ভুবনেশ্বরে একটি শো-এর শ্যুটিংয়ের জন্য যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় আপাতত নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। সোনু জানিয়েছেন, সামান্য উপসর্গ রয়েছে তাঁর। তবে অসুস্থ নন তিনি। মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে দুবাইয়ে। দেশে ফেরার কথা ছিল। ভুবনেশ্বরে একটি রিয়ালিটি শোয়ের শ্যুটিংয়ের কথা রয়েছে। কিন্তু কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ায় আপাতত নিভৃতবাসেই রয়েছি। যত বার পরীক্ষা করিয়েছি, তত বারই রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমি সুস্থ আছি। কিন্তু আমার জন্য যাঁদের ক্ষতি হল তাঁদের জন্য খারাপ লাগছে।সম্প্রতি সুমনা চক্রবর্তী, একতা কপূর, জন আব্রাহাম এবং তাঁর স্ত্রী প্রিয়া রুঞ্চল, প্রেম চোপড়া-সহ অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে করিনা কাপুর, নোরা ফতেহির মতো তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তাঁরা এখন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Raj-Shubhashree : দ্বিতীয়বার কোভিডে আক্রান্ত রাজ-শুভশ্রী

ফের কোভিডে আক্রান্ত হলেন রাজ চক্রবর্তী। মঙ্গলবার রাতে টুইট বার্তায় জানিয়েছেন পরিচালক তথা ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক। তবে তিনি শুধু একা নন, তাঁর স্ত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ও কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাজ। দুজনেই বাড়িতে নিভৃতবাসে রয়েছেন। অনুগামীদের কোভিডবিধি মেনে চলার জন্যও টুইটে আবেদন জানিয়েছেন রাজ চক্রবর্তী। করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মঙ্গলবার কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি রাজ।Subhashree and I have been tested positive for COVID-19. We are practicing home quarantine. Please stay safe, wear a mask and follow the COVID precautionary guidelines.@subhashreesotwe Raj chakrabarty (@iamrajchoco) January 4, 2022তবে এটাই প্রথম নয়। রাজ চক্রবর্তী প্রথম বার কোভিডে আক্রান্ত হন ২০২০ সালের অগস্ট মাসে। ২০২০ সালের ১৭ অগস্ট টুইট করে সেই খবর জানিয়েছিলেন তিনি।অন্যদিকে রাজ যখন বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তখন ২০২১ সালের ২০ এপ্রিল কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়েছিলেন টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী। আক্রান্ত হয়ে সে সময় বাড়িতেই নিভৃতবাসে ছিলেন তিনি।কদিন আগে জলবসন্তে আক্রান্ত হন রাজ। সেইসময় হালিশহরে নিজের বাড়িতে ছিলেন। জলবসন্ত থেকে সেরে ওঠার পর এবার দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হলেন টলিউডের পরিচালক-বিধায়ক।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Srijato : দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত শ্রীজাত

নতুন বছরের প্রথম দিন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন জিত গাঙ্গুলি ও পরিচালক সৃজিত মুখার্জি। এবার কয়েকদিনের মধ্যেই কোভিড পজিটিভ হলেন কবি ও গীতিকার শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তাঁর এই করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়েছেন শ্রীজাত। এই প্রসঙ্গে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন শ্রীজাত। লিখেছেন, দ্বিতীয়বার কোভিড-আক্রান্ত হলাম। এইবার প্রতিষেধকের দুটি টিকার পরেও। আপাতত সামান্য উপসর্গ নিয়ে ঘরেই নিভৃতবাস পালন করছি। যাঁরা গত কয়েকদিনে আমার সংস্পর্শে এসেছেন, অবশ্যই নিজেদের কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নিন। সাবধানে থাকুন সকলে, সুস্থ থাকার ও রাখার চেষ্টা করুন। আর হ্যাঁ, এই কদিন বিশেষ ফোনালাপ বা বার্তালাপ করতে পারছি না, সে-জন্য মার্জনাপ্রার্থী। বলিউড থেকে টলিউড বিগত এক সপ্তাহে অনেক তারকা কোভিড পজিটিভ হয়েছেন। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন শ্রীজাত। দ্বিতীয়বার করোনা হল তাঁর।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Laxmi Ratan Shukla : ‌করোনায় আক্রান্ত লক্ষ্মীরতন শুক্লা এখন কেমন আছেন?‌ জানতে পড়ুন

বঙ্গ ক্রিকেটে আগেই হানা দিয়েছে করোনা। বাংলার রনজি দলের ৬ জন ক্রিকেটার ও একজন সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ারও করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। তিনি আবার বাংলার অনূর্ধ্ব ২৩ দলের কোচের দায়িত্বে রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ কোহলির না থাকার ধাক্কা সামলাতে ব্যর্থ ভারত, দ্বিতীয় টেস্টে কেন ব্যাটিং বিপর্যয়?দুদিন ধরে হালকা জ্বর ছিল লক্ষ্মীরতনের। সোমবার দুপুরে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রাতে রিপোর্ট পান লক্ষ্মী। নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তারপর থেকেই আইসোলেশনে রয়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ফোনে তিনি জানান, শরীর ভাল নেই। জ্বর আছে। বাড়িতেই আইসোলেশনে আছি। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলছি। আমার রিপোর্ট পজিটিভ এলেও আমার পরিবারের বাকি সদস্যরা ঠিক আছে। তাদের কোনও সমস্যা নেই। সতর্কতা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি করোনায় আক্রান্ত হলেন, বুঝতে পারছে না লক্ষ্মী। এই কঠিন পরিস্থিতিতে সবাইকে সতর্ক থাকার ও করোনার নিয়মবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেছেন রাজ্যের এই প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার।আরও পড়ুনঃ রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড? বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘবাংলার সহকারী কোচ সৌরাশিষ লাহিড়ীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। রবিবার রাতে তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। এখন বাড়িতেই রয়েছেন সৌরাশিস। তিনি ফোনে জানান, আমার কোনও উপসর্গ নেই। তবে আপাতত বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছি। আশা করছি দলের সঙ্গে রনজি খেলতে বেঙ্গালুরু যেতে পারব। শোনা যাচ্ছে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলেরও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। একের পর এক ক্রিকেটার, কোচ, কর্তা করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় চিন্তার ভাঁজ নেমে এসেছে সিএবি কর্তাদের কপালে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

Babul Supriyo: তৃতীয়বার করোনায় অক্রান্ত বাবুল সুপ্রিয়, আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরাও

সপরিবার করোনায় আক্রান্ত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর কর্মচারীরাও। মঙ্গলবার টুইট করে নিজেই এ কথা জানিয়েছেন বাবুল। কোভিডে আক্রান্ত বাবুলের বাবা সুনীলচন্দ্র বড়াল, স্ত্রী রচনা। বাবুল তৃতীয় বার আক্রান্ত হলেও তাঁর বাবা এবং স্ত্রী এই নিয়ে দ্বিতীয় বার করোনায় আক্রান্ত হলেন। বাবার ৮৪ বছর বয়স হওয়ার কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাবুল।And, this is my 3rd timeFirst in Nov20 when I lost my Maa somehow saved my Dad, then again in April 21 now🤩 not really worried abt the positive-ness but the sheer number of individuals who got contracted no way to find out who gave it to whom VERY FEW r wearing Masks🤨 https://t.co/1XE0X4S33v Babul Supriyo (@SuPriyoBabul) January 4, 2022২০২০-র ডিসেম্বরে বাবুলের বাবা এবং মা সুমিত্রা বড়াল করোনায় আক্রান্ত হয়ে গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ৯ ডিসেম্বর তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়। টুইট করে বাবুল তাই লিখেছেন, আমি তৃতীয় বার কোভিড আক্রান্ত হলাম। মাকে হারিয়েছি। কিন্তু বাবাকে কোনও ভাবে বাঁচিয়ে এনেছি। আবার গত বছরের এপ্রিলে আক্রান্ত হয়েছিলাম।টুইটে বাবুল আরও লেখেন, কোভিডে আক্রান্ত গুরুতর অসুস্থদের ককটেল টিকা দেওয়া প্রয়োজন। বাবার ৮৪ বছর বয়স। তাঁর জন্য এই ককটেল টিকা কিনতে হবে।বাবুল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এই ককটেল টিকার বিপুল দাম ৬১ হাজার টাকা। একটি ককটেল টিকার যদি এত দাম হয়, তা হলে অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলো কী ভাবে তা কিনবেন?

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
দেশ

Kejriwal: কোভিডে আক্রান্ত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

এবার কোভিডে আক্রান্ত হলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজিরওয়াল। তাঁর দেহে কোভিডের মৃদু উপসর্গ ধরা পড়েছে। মঙ্গলবার টুইট নিজেই এ কথা জানিয়েছেন।টুইটে কেজিরওয়াল লিখেছেন, আমি কোভিড পজিটিভ। মৃদু উপসর্গ রয়েছে। বাড়িতেই নিভৃতবাসে রয়েছি। যাঁরা আমার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাঁদের কাছে অনুরোধ কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নিন। নিভৃতবাসে থাকুন।I have tested positive for Covid. Mild symptoms. Have isolated myself at home. Those who came in touch wid me in last few days, kindly isolate urself and get urself tested Arvind Kejriwal (@ArvindKejriwal) January 4, 2022দিল্লিতে কোভিড সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও। সংক্রমণের পরিস্থিতি দেখে রবিবারই কেজিরওয়াল দিল্লিবাসীকে উদ্বিগ্ন হতে বারণ করেছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে বিপর্যয় মোকাবিলা কমিটি একটি পর্যালোচনা বৈঠক করবে বলে সূত্রের খবর। সোমবার দিল্লিতে কোভিড সংক্রমণের হার বা পজিটিভিটি রেট ছিল ৬.৪৬ শতাংশ। প্রশাসন সূত্রে খবর, যদি সংক্রমণের হার লাগাতার দুদিনের বেশি ৫ শতাংশের উপরে থাকে তা হলে সরকার চূড়ান্ত সতর্কতা এবং কঠোর বিধিনিষেধ জারি করতে পারে। বর্তমানে রাজধানীতে হলুদ সতর্কতা বহাল রয়েছে।ওমিক্রনের জেরে দিল্লিতে সংক্রমণের ছবিটা আমুল বদলে গিয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন জানিয়েছেন, জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য যে নমুনা পাঠানো হয়েছিল তার মধ্যে ৮১ শতাংশের ওমিক্রন ধরা পড়েছে। সোমবার দিল্লিতে নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৯৯ জন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Prem Chopra : করোনায় আক্রান্ত সস্ত্রীক প্রেম চোপড়া

করোনা আক্রান্ত সস্ত্রীক প্রেম চোপড়া। স্ত্রী উমা চোপড়ার সঙ্গে তাঁকে ভর্তি রাখা হয়েছে মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসক জলিল পার্কারের তত্ত্বাবধানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। আপাতত দুজনেই বিপন্মুক্ত। আর দুএক দিনের মধ্যেই ছেড়ে দেওয়া হবে ৮৬ বছর বয়সি অভিনেতা এবং তাঁর স্ত্রীকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রেম এবং তাঁর স্ত্রীকে মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ককটেল দেওয়া হয়। চিকিৎসায় ভাল সাড়া দিয়েছেন তাঁরা।বলিউডে ৩৮০টির বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন প্রেম চোপড়া। তাঁর ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় কেউ ভুলতে পারবেন না। ২০১৯ সালে লাইন অফ ডিসেন্ট ছবিতে শেষ অভিনয় করেছেন তিনি। তাঁর আগামী ছবি বান্টি আউর বাবলি ২। বরুণ বি শর্মার এই ছবিতে পাপাজির চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিগত করকদিন ধরে বলিউডে অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে একতা কাপুর ও সস্ত্রীক জন আব্রাহামের আজ কোভিড পজিটিভ হয়েছে। কয়েকদিন আগে করিনা কাপুর করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। যদিও তিনি এখন পুরোপুরি সুস্থ।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Covid : করোনায় আক্রান্ত একতা কাপুর ও জন আব্রাহাম

অভিনেত্রী ও প্রযোজক একতা কাপুর করোনায় আক্রান্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবর জানিয়েছেন জিতেন্দ্রর কন্যা। তিনি লিখেছেন, সব ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করেও আমি কোভিড পজিটিভ। আমি ঠিক আছি। যাঁরা আমার সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁরা দয়া করে করোনা পরীক্ষা করান। আপাতত নৃভতবাসে রয়েছেন তিনি এবং সব সতর্কতা অবলম্বন করছেন।এদিকে আবার অভিনেতা জন আব্রাহাম ও তার স্ত্রী প্রিয়া রুঞ্চল কোভিড পজিটিভ। সোশ্যাল মিডিয়ায় জন জানিয়েছেন,তিন দিন আগে এমন এক ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলাম যিনি পরে কোভিড আক্রান্ত হয়েছিলেন। আমি এবং পিয়া এখন কোভিড পজিটিভ। আমরা বাড়িতেই নিভৃতবাসে রয়েছি। তাই কারও সংস্পর্শে আসিনি। আমরা দুজনেই টিকাপ্রাপ্ত এবং আমাদের কিছু মৃদু উপসর্গ রয়েছে। আপনারা সকলে সুস্থ থাকুন। মাস্ক পরুন।উল্লেখ্য বলিউডে পরপর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর আসছে। করিনা কাপুর, ম্রুনাল ঠাকুর, নোরা ফতেহি, অর্জুন কাপুর থেকে শুরু করে আরও অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও করিনা এখন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Ranji Trophy : ‌রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড?‌ বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘ

করোনার বাড়বাড়ন্তে এবছরও স্থগিত হয়ে যাবে না তো রনজি ট্রফি? দেশের এই কুলীন প্রতিযোগিতা ঘিরে তৈরি হয়েছে আশঙ্কার বাতাবরণ। যেভাবে বিভিন্ন রাজ্যে করোনার প্রকোপ বাড়তে তাতে চিন্তার ভাঁজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের কপালে। চিন্তা আরও বাড়িয়েছে বাংলা রনজি দলের ৭ জন ক্রিকেটারের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে।রনজির জন্য বেশ কয়েকদিন আগেই বাংলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মাঠে অনুশীলন করছিল বাংলা শিবির। এর মাঝেই বাংলা দলের সব সদস্যের করোনা পরীক্ষা করা হয়। রবিবার রাতে রিপোর্ট আসে। রিপোর্টে দেখা যায় ৬ জন ক্রিকেটার ও একজন সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। এই ৬ ক্রিকেটারের মধ্যে রয়েছেন অনুষ্টুপ মজুমদার, সুদীপ চ্যাটার্জি, কাজি জুনাইদ সইফি, গীত পুরি, প্রদীপ্ত প্রামানিক, সুজিত যাদব। এদের সঙ্গে সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ীর রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই জরুরি ভিত্তিতে রবিবার রাতেই বৈঠকে বসেন সিএবি কর্তারা। বৈঠকে ঠিক হয়, আপাতত প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব ক্রিকেট, জেলা ক্রিকেট স্থগিত রাখা হবে। পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে মঙ্গলবার অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকেই স্থানীয় ক্লাব ক্রিকেটের ভবিষ্যত ঠিক করা হবে।অনুষ্টুপ মজুমদার, সৌরাশিস লাহিড়ীদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলেও কারও কোনও উপসর্গ নেই। শনিবার সব ক্রিকেটারই প্রস্তুতি ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। কারও সমস্যা দেখা যায়নি। কিন্তু আরটিপিসিআর(RTPCR) পরীক্ষার পর জানা যায় দলের ৭ জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত। বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় চিন্তায় পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এর আগে বিজয় হাজারে ট্রফি শুরুর আগে মুম্বই দলের কয়েকজন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁদের বাদ দিয়েই বিজয় হাজারে ট্রফি খেলতে গিয়েছিল বাংলা।রনজির ট্রফির প্রস্তুতির জন্য বাংলা দলের সঙ্গে প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলাতে আজই কলকাতায় আসার কথা ছিল মুম্বইয়ের। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা। প্রথমটা ৪৫ জানুয়ারি, দ্বিতীয়টা ৬৭ জানুয়ারি। কিন্তু বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় মুম্বই প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল করেছে। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে কিনা, তা এখনও মুম্বইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।এবছর রনজি শুরু হতে আর মাত্র ১০ দিন বাকি। দেশে হু হু করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই অবস্থায় আদৌও রনজি ট্রফি আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। কলকাতাতেও একটা গ্রুপের খেলা হবে। কিন্তু রাজ্য সরকার বেশকিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতায় রনজি ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে চিন্তিত বোর্ড কর্তারাও।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Parno Mitra : দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত পার্নো মিত্র

গত বছর এপ্রিল মাসে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন অভিনেত্রী পার্নো মিত্র। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই আবার কোভিড পজিটিভ তিনি।ইনস্টাগ্রামে পার্নো লিখেছেন, আপনাদের একটি জরুরি খবর দিতে চাই। আমি আবার কোভিড পজিটিভ। আমার কিছু মৃদু উপসর্গ রয়েছে। আমি আপাতত নিভৃতবাসে রয়েছি। বিগত তিন দিনে যাঁরা আমার সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁদের নিভৃতবাসে যাওয়ার এবং করোনা পরীক্ষা করানোর অনুরোধ করছি। নিজের খেয়াল রাখুন। দয়া করে সকলে সাবধানে থাকুন এবং মাস্ক পরুন।টলিউডে করোনার সংক্রমণ আবার বেড়ে চলেছে। নতুন বছরের শুরুতেই আক্রান্ত হন জিৎ গাঙ্গুলি ও সৃজিত মুখার্জি। এবার পার্নো মিত্রর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এল।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Mrunal Thakur : করোনায় আক্রান্ত ম্রুণাল ঠাকুর

টলিউডের মতো বলিউডেও করোনার ছায়া। তবে বিগত কয়েকদিন ধরে এখানে করোনায় আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ডিসেম্বরে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন করিনা কাপুর, অমৃতা আরোরা, মাহিপ কাপুর, শানায়া কাপুর, অর্জুন কাপুর, অংশুলা ও রিয়া কাপুররা। আর ২০২২-র প্রথম দিনে জানা গেল করোনয় আক্রান্ত হয়েছেন শাহিদ কাপুরের জার্সি ছবির নায়িকা ম্রুণাল ঠাকুর। কোভিড আক্রান্ত হওয়ার পর সেই খবর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন অভিনেত্রী।ম্রুণাল স্টোরিতে লেখেন, আমার করোনা রিপোট পজিটিভ এসেছে। এখনও পর্যন্ত আমার উপসর্গ খুব সামান্য! আমি ঠিক আছি, নিজেকে নিভৃতবাসে রেখেছি। আমাকে ডাক্তার যা যা পরামর্শ দিয়েছে তা মেনে চলছি। ম্রুণাল অনুরোধ করেন, গত কয়েকদিনে যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন সকলেই যেন করোনা পরীক্ষা করিয়ে নেন। সকলকে সাবধান থাকার অনুরোধও করেন তিনি।প্রসঙ্গত, করোনার বাড়াবাড়ির কারণে পিছিয়ে গিয়েছে জার্সি সিনেমার মুক্তি। ৩১ ডিসেম্বর শুক্রবার মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ছবিটির। কিন্তু কয়েকদিন আগেই ছবি পিছিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে দেওয়া হয়। খবর রটেছিল হয়তো ছবিটি ওটিটি তে মুক্তি পাবে। কিন্তু ওটিটি নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ছবিটি হলেই মুক্তি পাচ্ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Jeet Gannguli : করোনায় আক্রান্ত জিৎগাঙ্গুলি, টুইট করে জানালেন খবর

আজ থেকে শুরু হয়েছে নতুন বছর। ২০২১ কে বিদায় জানিয়েছে ২০২২ কে স্বাগত জানিয়েছি আমরা। কিন্তু এই খুশির দিনে মন ভারাক্রান্ত করা খবর। কোভিড পজিটিভ জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বলিউড ও টলিউড-র জনপ্রিয় সুরকার সঙ্গীত শিল্পী বছরের প্রথম দিনেই এই খবরটা জানালেন।I have tested positive for Covid-19. As of today,I have mild symptoms, but Im feeling ok and have isolated myself. I am following the protocol given by my doctor and health professionals.If you have been in contact with me, request you to please get tested immediately. Jeet Gannguli (@jeetmusic) January 1, 2022জিৎ টুইট করে লিখলেন, কোভিড আক্রান্ত হয়েছি। মৃদু উপসর্গ রয়েছে আমার। শরীর আপাতত ঠিকই আছে। নিভৃতবাসে রয়েছি। চিকিৎসকদের কথা মেনে চলছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পদক্ষেপ করছি। একইসঙ্গে এই কয়েক দিনে যাঁদের আমার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ করেছেম তারা যেন কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নেন।ইতিমধ্যে ঋতাভরী চক্রবর্তীর দিদি, অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা এবং মা শতরূপা সান্যাল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। বাড়িতেই বড়দিনের পার্টি দিয়েছিলেন শতরূপা। সেখান থেকেই রোগ ছড়ায়। কোভিড পজিটিভ ঋতাভরীর সহকারী মধুজাও। এবার জিত গাঙ্গুলির কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর এল।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Shilpa Shirodkar : করোনায় আক্রান্ত শিল্পা শিরোদকর

বলিউড যতই স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চাচ্ছে, করোনা ততই বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। প্রায়ই কোনো না কোনো তারকার করোনায় আক্রান্তের খবর উঠে আসছে। এবার খবর পাওয়া গেল ৯০ দশকে বলিউডের আবেদনময়ী নায়িকা শিল্পা শিরোদকর করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।অভিনেত্রী শিল্পা শিরোদকর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন যে তিনি করোনা পজিটিভ। শিল্পা তাঁর পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে চার দিন ধরে তিনি করোনা সংক্রমিত। এই বলিউড অভিনেত্রী তাঁর পোস্টে লিখেছেন, কোভিড পজিটিভ# সবাই সুরক্ষিত থাকুন। দয়া করে করোনার টিকা নিন। আর সব নিয়ম মেনে চলুন, আপনার সরকার জানে যে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো কী হতে পারে। সবাইকে অফুরন্ত ভালোবাসা। ভারতীয় তারকা হিসেবে শিল্পা সবার প্রথম করোনার টিকা নিয়েছিলেন। এই বলিউড অভিনেত্রী তাঁর পরিবারের সঙ্গে দুবাইতে আছেন। আর এই বছরের জানুয়ারিতেই তিনি টিকা নিয়েছিলেন। তবুও করোনা গ্রাস করলো অভিনেত্রীকে। হাম, খুদা গাওয়া, আঁখে-র মতো হিট ছবির নায়িকা শিল্পা।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
কলকাতা

Corona: ফিরহাদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান থেকে ফিরেই করোনায় আক্রান্ত ৪ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান

করোনা অক্রান্ত কলকাতা পুরিনগেমর ৪ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান সাধনা বসু। মঙ্গলবার মেয়রের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর থেকেই তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করে। পরে তাঁর কোভিড পজিটিভ ধরা পড়েছে। মঙ্গলবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকা অনেকেরই গতরাত থেকে জ্বর এসেছে।সূত্রের খবর, ফিরহাদ হাকিমের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন এমন প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। উত্তর কলকাতার এক বরো চেয়ারম্যান ছাড়াও বেশ কয়েকজনের করোনা পজিটিভি ধরা পড়েছে বলে খবর। পুরনিগমের বেশ কয়েকজন কর্মীও জ্বর-জ্বর অনুভব করছেন। যাঁদের যাঁদের শরীরে উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, তাঁদের প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষা করানো হচ্ছে।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার কলকাতার মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন ফিরহাদ হাকিম। শপথগ্রহণ পর্বে ছিল ঠাসা ভিড়। অধিংকাংশের মুখেই দেখা যায়নি মাস্ক। শারীরিক দূরত্ববিধিরও কোনও বালাই ছিল না। এই পরিস্থিতিতে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পর পরই এতজন জ্বর জ্বর অনুভব করায় স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Sourav Ganguly: করোনা আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ভর্তি দক্ষিণ কলকাতার হাসপাতালে

করোনা আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার সকালেই প্রাথমিক পরীক্ষায় সৌরভের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তার পরে তাঁর দ্বিতীয় পরীক্ষা করানো হয়। তাতেও রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রের খবর।আপাতত দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। তবে সৌরভ অসুস্থ হলেও তাঁর স্ত্রী ডোনা এবং কন্যা সানার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।রাতেই সৌরভকে ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সোমবার রাত থেকে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তবে শেষপর্যন্ত তাঁর চিকিৎসা হাসপাতালে হবে না বাড়িতে এনে তাঁকে নিভৃতবাসে রাখা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সৌরভ চাইছেন, বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা হোক।সোমবার সকালে অসুস্থ বোধ করায় সৌরভের টেলিভিশন শোয়ের শ্যুটিং বাতিল করা হয়। তার আগে অবশ্য তিনি কয়েকটি পণ্যের বিজ্ঞাপনী শ্যুটিং করেছেন। শ্যুটিং করেছেন তাঁর টেলিভিশন শোয়েরও। কী ভাবে এবং কোথা থেকে তিনি করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গত কিছুদিনে সৌরভ দেশ এবং বিদেশের কিছু শহরে সফরেও গিয়েছিলেন। সর্বশেষ সফরে গিয়েছিলেন মুম্বই। সেই সূত্রে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা-ও এখনও স্পষ্ট নয়। তবে করোনায় আক্রান্ত হলেও সৌরভ স্থিতিশীল রয়েছেন বলেই হাসপাতাল সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

ভ্রমণ

কম খরচে কেরালা ভ্রমণ: ব্যাকওয়াটার থেকে পাহাড়, সবই হাতের নাগালে স্বর্গীয় সৌন্দর্য

ভারতের মানচিত্রে কেরালাকে বলা হয় Gods Own Country। আর এই উপাধির সবচেয়ে বড় কারণ তার অনন্য ব্যাকওয়াটার, সবুজ নারকেল বন, শান্ত গ্রাম আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য। অনেকেই মনে করেন কেরালা ভ্রমণ মানেই প্রচুর খরচ, বিলাসবহুল হাউসবোট আর দামি রিসর্ট। কিন্তু একটু পরিকল্পনা করলেই খুব কম খরচেও উপভোগ করা যায় কেরালার মনোমুগ্ধকর ব্যাকওয়াটার এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।ভোরবেলা আলাপ্পুঝা (Alappuzha) বা আলেপ্পির ঘাটে দাঁড়িয়ে মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজেই একটি জলরঙের ছবি এঁকেছে। চারদিকে শান্ত জলরাশি, তার মাঝে ভেসে চলেছে ছোট ছোট নৌকা। দূরে দেখা যাচ্ছে নারকেল গাছের সারি, মাঝে মাঝে গ্রামের মানুষ নৌকায় করে বাজারে যাচ্ছে। এই দৃশ্য দেখার জন্য লাখ লাখ পর্যটক কেরালায় আসেন। অনেকেই হাউসবোট ভাড়া করেন, যার খরচ বেশ বেশি। কিন্তু কম খরচে ব্যাকওয়াটার উপভোগ করতে চাইলে সরকারি ফেরি বা স্থানীয় নৌকায় চড়া সবচেয়ে ভালো উপায়। মাত্র কয়েকশো টাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যাকওয়াটারের বুক চিরে ভ্রমণ করা যায়। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে গল্প করতে করতে প্রকৃত কেরালাকে কাছ থেকে দেখা যায়।নৌকা যখন ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে, তখন দুপাশে চোখে পড়ে সবুজ ধানক্ষেত, ছোট্ট চার্চ, মন্দির এবং নদীর ধারে গড়ে ওঠা গ্রাম। কোথাও জেলেরা মাছ ধরছেন, কোথাও আবার শিশুরা জলে খেলছে। শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে এই শান্ত পরিবেশ মনকে এক অন্যরকম প্রশান্তি দেয়। কেরালার প্রকৃতির সৌন্দর্য শুধু ব্যাকওয়াটারেই সীমাবদ্ধ নয়। মুন্নারের পাহাড়ি অঞ্চলে গেলে দেখা যায় অসীম বিস্তৃত চা-বাগান। পাহাড়ের গায়ে সবুজের কারুকাজ যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা। সকালের কুয়াশা আর ঠান্ডা হাওয়া মুহূর্তেই মন জয় করে নেয়। কম খরচে থাকার জন্য এখানে অনেক হোমস্টে ও বাজেট হোটেল পাওয়া যায়।এছাড়া ভরকালা ও কোভালামের সমুদ্রসৈকতও পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সূর্যাস্তের সময় আরব সাগরের বুকে লাল আভা ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য জীবনের অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা হয়ে থাকতে পারে। সৈকতে বসে শুধু প্রকৃতিকে উপভোগ করলেও কোনও অতিরিক্ত খরচ হয় না। কেরালার স্থানীয় খাবারও তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। কলাপাতায় পরিবেশিত ভাত, সাম্বর, থোরান, মাছের কারি কিংবা আপ্পাম ও স্ট্যু স্বাদে যেমন অনন্য, তেমনি দামেও সাধ্যের মধ্যে। স্থানীয় রেস্তোরাঁয় খেলে খাবারের খরচ অনেকটাই কমে যায়।কম খরচে কেরালা ভ্রমণের জন্য ট্রেন সবচেয়ে ভালো মাধ্যম। কোচি বা আলাপ্পুঝা পর্যন্ত ট্রেনে পৌঁছে স্থানীয় বাস ও ফেরি ব্যবহার করলে যাতায়াতের খরচ অনেক কম হয়। অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি সময়টি ভ্রমণের জন্য আদর্শ, কারণ তখন আবহাওয়া মনোরম থাকে।কেরালার ব্যাকওয়াটারে সূর্যাস্তের সময় যখন আকাশের রং জলের ওপর প্রতিফলিত হয়, তখন মনে হয় প্রকৃতি যেন নিজের সেরা রূপটি মেলে ধরেছে। শান্ত জল, নারকেল গাছের ছায়া, পাখির ডাক আর গ্রামের সরল জীবনসব মিলিয়ে কেরালা শুধু একটি পর্যটনস্থল নয়, বরং এক অনুভূতির নাম। তাই যদি কম খরচে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কয়েকটি স্মরণীয় দিন কাটাতে চান, তাহলে কেরালার ব্যাকওয়াটার আপনার জন্য এক অসাধারণ গন্তব্য। একবার ঘুরে এলে মন বারবার ফিরে যেতে চাইবে সেই শান্ত, সবুজ আর জলময় স্বর্গরাজ্যে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

‘ককরোচ’-এর আন্দোলনে বড় ধাক্কা কেন্দ্রের! তৃতীয় বৈঠকের আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, নতিস্বীকার কি সরকারের?

নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে বড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পালাবদলের ইঙ্গিত। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র লাগাতার আন্দোলন এবং দেশজুড়ে তৈরি হওয়া প্রতিবাদের আবহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে প্রথম থেকেই সরব ছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিলশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনও সমঝোতাই সম্ভব নয়।এই পরিস্থিতিতে শনিবার কেন্দ্রের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এল কেন্দ্র?ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজেই সমাজমাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয় এবং রাষ্ট্রপতি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে সূত্রের খবর।নিট পরীক্ষাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর থেকেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সামনে এনেছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাঁদের দাবি, পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে এর জন্য রাজনৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে।এই দাবিকে কেন্দ্র করেই গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিজেপির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে মোট তিনটি প্রধান দাবি রাখা হয়েছিল। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।সরকারের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের ইতিমধ্যে দুদফা বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে সরকারের তরফে ইতিবাচক আশ্বাস দেওয়া হলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি নিয়ে কোনও সমঝোতা হচ্ছিল না। বরং কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ফের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রের তরফে আলোচনায় থাকার কথা ছিল জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের। কিন্তু বৈঠকের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা হয়ে যায়। এর ফলে আন্দোলনকারীদের প্রথম এবং মূল দাবিই কার্যত পূরণ হয়ে গেল।শনিবার সকালেই সিজেপির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কেন্দ্র যদি কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তৃতীয় দফার বৈঠকেরও কোনও অর্থ নেই। এমনকি আন্দোলনকারীদের তরফে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষোভের পরিধি আরও বাড়তে পারে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তুলতে পারে।এই আবহেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও তাঁর নিজের বক্তব্যে পদত্যাগকে সরাসরি আন্দোলনের চাপের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়নি। বরং তিনি গত কয়েকদিনের পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করে জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তাঁর দাবি, কোনও মেধাবী পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক, তা তিনি কখনও চাননি।পদত্যাগের ঘোষণা করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ৩ মে নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই তিনি বিষয়টির দায় নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, কখনও তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও শিক্ষার্থীর সঙ্গে অন্যায় না হওয়া।গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে ব্যথিত করেছে বলেও জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যন্তর মন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ যাতে কোনও দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যাতে অটুট থাকে এবং আন্দোলনে যুক্ত কোনও পড়ুয়া যাতে আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে পড়েএই বিষয়গুলিও তিনি বিবেচনায় রেখেছেন।ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁর মতে, তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, গোটা সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থারও।তাঁর পদত্যাগের ঘোষণার পর এখন নজর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আন্দোলনকারীরা কি এই সিদ্ধান্তকে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পথ হিসেবে দেখবেন, নাকি তাঁদের বাকি দাবিগুলি নিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার হবেতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনিট পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা এখন আর শুধুমাত্র একটি পরীক্ষার অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা পুনরুদ্ধার, পরীক্ষার নিরাপত্তা, প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে।ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সেই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেও, বৃহত্তর প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও বাকি। আগামী দিনে কেন্দ্র কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং শিক্ষাব্যবস্থায় আস্থা ফেরাতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

জুলাই ২৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মন ও পরিবারও

নিজস্ব প্রতিবেদন: মাসের কয়েকটি দিন। ক্যালেন্ডারের পাতায় হয়তো নিছক কয়েকটি তারিখ, কিন্তু একজন নারীর শরীর ও মনের কাছে এই দিনগুলির অর্থ অনেক গভীর। কখনও তলপেটের অসহ্য ব্যথা, কখনও কোমর ও পিঠে টান, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, বমি বমি ভাবতার সঙ্গে অকারণ মন খারাপ, বিরক্তি, কান্না পেতে থাকা, একা হয়ে যাওয়ার ইচ্ছে কিংবা অদ্ভুত এক মানসিক অবসাদ। ঋতুস্রাবের সময় অনেক নারীর কাছেই শরীর যেন নিজের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে ফেলে। আর সেই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন মিশে যায় মানসিক চাপ, তখন কয়েকটি দিন হয়ে ওঠে এক দীর্ঘ, ক্লান্তিকর পথচলা।এই সময়টিকে তাই শুধু মেয়েদের মাসিকের সমস্যা বলে হালকা করে দেখার কোনও সুযোগ নেই। কারণ ঋতুস্রাব কেবল একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া নয়; হরমোনের ওঠানামা, ব্যথা, ঘুমের ব্যাঘাত, কর্মক্ষেত্রের চাপ, সামাজিক অস্বস্তি এবং নিজের শরীর নিয়ে নানা সংকোচসব মিলিয়ে এটি অনেকের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।কখনও মনে হয়, পৃথিবীটা যেন একটু বেশি শব্দ করছে। সামান্য কথাতেও বিরক্তি আসে। যে মানুষটি প্রতিদিন হাসিমুখে সংসার সামলান, অফিস করেন, সন্তানকে স্কুলে পাঠান কিংবা জীবনের নানা দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন, তিনিই হয়তো সেই কয়েকটি দিনে নিঃশব্দে নিজের ভিতরের ক্লান্তির সঙ্গে লড়াই করেন।এই লড়াইকে বুঝতে হবে। বিচার নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা।কেন ঋতুস্রাবের সময় মন খারাপ হয়?ঋতুচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মতো হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন ঘটে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের সঙ্গে মেজাজের ওঠানামা, উদ্বেগ, বিরক্তি, মনোযোগে ঘাটতি কিংবা বিষণ্ণতার অনুভূতি দেখা দিতে পারে। এর পাশাপাশি ঋতুস্রাবের সময় ব্যথা ও শারীরিক অস্বস্তি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, যা পরোক্ষভাবে মানসিক ক্লান্তি আরও বাড়িয়ে দেয়।কারও ক্ষেত্রে উপসর্গগুলি তুলনামূলক হালকা। আবার কারও ক্ষেত্রে তা এতটাই তীব্র হতে পারে যে দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, চাকরি কিংবা সামাজিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়ে। ঋতুস্রাবের আগে ও আশপাশের সময়ে যদি প্রতি মাসেই তীব্র মানসিক পরিবর্তনযেমন গভীর বিষণ্ণতা, প্রচণ্ড খিটখিটে মেজাজ, উদ্বেগ বা আবেগের নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো সমস্যা দেখা দেয় এবং তা জীবনযাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত করে, তবে প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম (PMS) বা আরও গুরুতর ক্ষেত্রে প্রিমেনস্ট্রুয়াল ডিসফোরিক ডিসঅর্ডার (PMDD)-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করা প্রয়োজন।তবে প্রতিটি মন খারাপই যে PMS বা PMDD, তা নয়। আবার প্রতিটি শারীরিক কষ্টকেও স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যাওয়াও ঠিক নয়।শারীরিক যন্ত্রণার সঙ্গে মানসিক অবসাদের যোগসূত্রঋতুস্রাবের সময় তলপেটের ব্যথা বা ক্র্যাম্প অনেক নারীর দৈনন্দিন জীবনকে থামিয়ে দিতে পারে। কারও ব্যথা এতটাই তীব্র হয় যে বিছানা ছেড়ে ওঠাও কঠিন হয়ে পড়ে। মাথাব্যথা, দুর্বলতা, পেটের সমস্যা কিংবা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণও শারীরিক সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।এই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন কর্মক্ষেত্র বা পরিবারের প্রত্যাশা একই থাকে, তখন মানসিক চাপ আরও বাড়তে পারে।আজ শরীরটা ভালো নেইএই কথাটি বলার অধিকার একজন নারীর আছে।শরীর যখন বিশ্রাম চায়, তখন বিশ্রাম নেওয়া দুর্বলতা নয়। বরং নিজের শরীরের সংকেতকে সম্মান করা সুস্থ থাকারই একটি অংশ।মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: নিজের অনুভূতিকে অস্বীকার করবেন নামানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋতুস্রাবের সময় মেজাজের পরিবর্তন হলে প্রথমেই নিজের অনুভূতিকে অযৌক্তিক বা নাটক বলে দমন না করে তা স্বীকার করা জরুরি। যদি প্রতি মাসে একই ধরনের সমস্যা ফিরে আসে, তাহলে অন্তত দুই-তিনটি ঋতুচক্র ধরে নিজের উপসর্গের একটি ডায়েরি রাখা যেতে পারে।কোন দিনে মন খারাপ হচ্ছে, কতটা ব্যথা হচ্ছে, ঘুম কেমন হচ্ছে, ক্ষুধার পরিবর্তন হচ্ছে কি না, কাজকর্মে কতটা সমস্যা হচ্ছেএসব লিখে রাখলে সমস্যার ধরন বোঝা সহজ হয়। প্রয়োজন হলে গাইনোকলজিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করেও উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য এবং স্ট্রেস কমানোর অভ্যাস অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে উপসর্গ গুরুতর হলে শুধু মন শক্ত করুন বলা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন অনুসারে চিকিৎসা, কাউন্সেলিং বা ওষুধের সাহায্যও লাগতে পারে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথানিজে থেকে কোনও ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন এই কঠিন সময়?১. শরীরকে বিশ্রাম দিনঋতুস্রাবের সময় অতিরিক্ত ক্লান্তি থাকলে নিজের উপর অযথা চাপ দেবেন না। কাজের মধ্যে ছোট বিরতি নিন। পর্যাপ্ত ঘুমের চেষ্টা করুন। শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া মানে দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়; বরং পরবর্তী দিনগুলির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা।২. হালকা শরীরচর্চা করুনশরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী হাঁটা, স্ট্রেচিং, যোগব্যায়াম বা হালকা ব্যায়াম অনেকের ক্ষেত্রে মুড ভালো করতে এবং অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে তীব্র ব্যথা বা অসুস্থতা থাকলে জোর করে ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওসুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান। পর্যাপ্ত জল পান করুন। অতিরিক্ত ক্যাফেইন, লবণ বা অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার আগে ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।৪. নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখুনবই পড়া, গান শোনা, প্রিয় সিনেমা দেখা, ছবি আঁকা, বাগান করা কিংবা কোনও বন্ধুর সঙ্গে কথা বলাযে কাজটি মনকে শান্ত করে, সেটি করার চেষ্টা করুন। মনকে ভালো রাখার জন্য সবসময় বড় কোনও আয়োজন প্রয়োজন হয় না। কখনও এক কাপ গরম চা আর জানালার পাশে কয়েক মিনিট নীরবতাও যথেষ্ট হতে পারে।৫. অনুভূতি প্রকাশ করুনআমি ভালো নেইএই কথাটি বলতে ভয় পাবেন না। মন খারাপ হলে বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। নিজের কষ্টকে গোপন করে রাখলে অনেক সময় মানসিক চাপ আরও বেড়ে যেতে পারে।পরিবার ও বন্ধুরা কী করবেন?একজন নারীর ঋতুস্রাবের সময় তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় উপায় সবসময় কোনও বড় সমাধান নয়অনেক সময় শুধু তাঁকে বোঝার চেষ্টা করাটাই যথেষ্ট।পরিবারের সদস্যরা যদি বলেন, তোমার শরীর খারাপ? তুমি একটু বিশ্রাম নাও, আজকের কাজটা আমি করে দিচ্ছিতাহলে সেই কথাটিই হয়তো একজন ক্লান্ত নারীর কাছে হয়ে উঠতে পারে এক মুঠো স্বস্তি।তাঁর মেজাজ খারাপকে উপহাস করবেন না। এগুলো সব মাসিকের অজুহাতএই ধরনের মন্তব্য এড়িয়ে চলুন। তাঁর কথা শুনুন। প্রয়োজন হলে ঘরের কাজ ভাগ করে নিন। তাঁকে একা থাকতে চাইলে সেই ব্যক্তিগত পরিসরটুকু দিন, আবার তিনি কথা বলতে চাইলে মন দিয়ে শুনুন।বন্ধুরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। বন্ধুর মন খারাপ বুঝলে জোর করে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা না করে পাশে থাকা, ফোন করা, একটু গল্প করা কিংবা প্রয়োজন হলে শুধু নীরবে শুনে যাওয়াএসবই অনেক সময় কার্যকর সহায়তা হয়ে ওঠে।মনে রাখতে হবে, মানসিক অবসাদ কোনও মেয়েলি দুর্বলতা নয়। এটি মানুষের অনুভূতিরই একটি অংশ। আর অনুভূতির যত্ন নেওয়া যেমন ব্যক্তিগত দায়িত্ব, তেমনই সামাজিক দায়িত্বও।কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?যদি প্রতি মাসে ঋতুস্রাবের আগে বা সময়ে তীব্র বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, রাগ, হতাশা বা আবেগের পরিবর্তন দেখা দেয় এবং তা কাজ, পড়াশোনা, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, অসহ্য ব্যথা, বারবার মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ কিংবা এমন শারীরিক সমস্যা যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে থামিয়ে দেয়এসবকেও অবহেলা করা উচিত নয়।আর যদি কখনও গভীর হতাশা, নিজেকে আঘাত করার চিন্তা বা বেঁচে থাকার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলার মতো অনুভূতি তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি জরুরি হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।নারীর শরীরকে বোঝার পাশাপাশি নারীর মনকেও বুঝতে হবেঋতুস্রাব কোনও লজ্জার বিষয় নয়। এটি জীবনের স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। অথচ এখনও সমাজের বহু স্তরে এই বিষয়টি নিয়ে সংকোচ, কুসংস্কার ও নীরবতা রয়েছে। সেই নীরবতাই অনেক সময় নারীর শারীরিক ও মানসিক কষ্টকে আরও একা করে দেয়।প্রখ্যাত লেখিকা ভার্জিনিয়া উলফ লিখেছিলেন, I would venture to guess that Anon, who wrote so many poems without signing them, was often a woman.নারীর অদৃশ্য কণ্ঠস্বরের প্রসঙ্গে তাঁর এই কথাটি যেন আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ বহু নারী এখনও নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ না করে নীরবে সহ্য করে যান।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে তাই প্রয়োজন একটু বেশি মানবিকতা। প্রয়োজন প্রশ্নের বদলে বোঝাপড়া, উপহাসের বদলে সহানুভূতি, নির্দেশের বদলে পাশে থাকা।একজন নারী সেই কয়েকটি দিনে যদি বলেন, আজ আমার একটু বিশ্রাম দরকারতবে তাঁর পাশে দাঁড়ানো মানে তাঁকে দুর্বল করে দেওয়া নয়। বরং তাঁর শক্তিকে সম্মান করা।কারণ প্রতিটি মাসে শরীরের ভিতর দিয়ে যে পরিবর্তনের স্রোত বয়ে যায়, তার সঙ্গে লড়াই করে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন অসংখ্য নারী। তাঁদের এই নীরব লড়াইকে স্বীকৃতি দেওয়া, তাঁদের কষ্টকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানোএটাই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে মানবিক দায়িত্ব।ঋতুস্রাবের দিনগুলি হয়তো মাসের কয়েকটি দিন। কিন্তু সেই কয়েকটি দিনে একজন নারীর পাশে থাকাতাঁর কাছে হয়ে উঠতে পারে সারা জীবনের এক গভীর আশ্বাস।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

'ককরোচ'দের চাপেরই জের! অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

অবশেষে ককরোচদের প্রধান দাবি মেনে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আগেই ককরোচ জনতা পার্টির বেশিরভাগ দাবি মেনে নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিজেপির কাছ থেকে কেন্দ্র সময় নিয়ে নেয়। ককরোচ জনতা পার্টির দাবি মেনে অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় করা দীর্ঘ পোস্টে নিজের পদত্যাগের কারণ জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে ইতিমধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত সেই পদত্যাগ গৃহীত হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে নিজের ইস্তফা পাঠানোর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি। তাঁর দাবি, ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে। সেই কুচক্রীরা যাতে কোনওভাবেই পরিস্থিতির সুবিধা তুলতে না পারে, সেজন্যই আমার ইস্তফা। আমার এই পদত্যাগপত্র দেশের জন্য।যন্তর মন্তরে একাধিক দাবি নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন শুরু করে। তারমধ্যে প্রধান দাবি ছিল, নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র লিকের জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রথম দিকে শুধু মাত্র ককরোচ জনতা পার্টি সেই আন্দোলন করে। ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠন সেই আন্দোলনে যুক্ত হয়। দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সেই আন্দোলনে যুক্ত হতে থাকে। সেলিব্রেটি, খেলোয়াররাও আন্দোলন নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কার্যত চাপে পড়েই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন বলেই বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় ঘিরে নতুন বিস্ফোরণ! কোটি টাকার নয়, এবার সামনে এল লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়ার অভিযোগ

প্রায় দুই বছর আগে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্প খরচে চিকিৎসার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয় শিবির। সেই উদ্যোগকে ঘিরে তখন ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর এই প্রকল্প নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। এবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিষ্ণুপুর থানায় দায়ের হয়েছে নতুন অভিযোগ। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি রিসর্ট ভাড়া নেওয়া এবং লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়া বিল।অভিযোগকারী রিসর্ট মালিক জানিয়েছেন, সেবাশ্রয় শিবিরের কাজ পরিচালনার জন্য এক সময় তাঁর রিসর্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সেখানে প্রায় দেড়শো জন কর্মী থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন বলে দাবি তাঁর। অভিযোগ, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রায় তিরিশ লক্ষ টাকার বিল এখনও পরিশোধ করা হয়নি।রিসর্ট মালিকের দাবি, সেই সময় বারবার টাকা চাওয়া হলেও কোনও অর্থ দেওয়া হয়নি। বরং তাঁকে জানানো হয়েছিল, ব্যবসা করতে হলে এমন পরিস্থিতি মেনে নিতে হবে। তাঁর আরও অভিযোগ, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি তখন থানায় অভিযোগ করার সাহস পাননি। বর্তমানে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, রিসর্টে সেবাশ্রয়ের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা থাকতেন। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, সেই সময় এই ব্যবস্থার সঙ্গে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীদের নামও জড়িত ছিল বলে তাঁর দাবি। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ।শনিবার বিধানসভায় সেবাশ্রয় নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও প্রকল্পটি নিয়ে একাধিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সেবাশ্রয় সংক্রান্ত সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গোটা বিষয়টি অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

নলহাটিতে হানা দিতেই চক্ষু চড়কগাছ! একসঙ্গে উদ্ধার বিপুল বিস্ফোরক, বড় রহস্যের গন্ধ

বীরভূমের নলহাটিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। উদ্ধার হয়েছে বিশ বস্তা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং প্রচুর ডিটোনেটর। ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিপুল বিস্ফোরক কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। কলকাতা থেকে তদন্তকারী দল নলহাটিতে পৌঁছে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি শুরু করে। দীর্ঘ তল্লাশির পর একটি জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকেই এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক কী কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল, তা এখন তদন্তের মূল বিষয়। কোনও নাশকতার ছক ছিল কি না, নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে এই বিস্ফোরক মজুত করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও ডিটোনেটর পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হতে পারে বলেও তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীরা আরও খতিয়ে দেখছেন, এই বিস্ফোরক কোনও বৈধ শিল্পকারখানা বা খনির কাজে ব্যবহার করার জন্য রাখা হয়েছিল কি না। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কয়েকজনের নাম পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের খোঁজেও তল্লাশি শুরু হতে পারে। গোটা ঘটনায় তদন্ত চলেছে এবং সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাবা বিক্রি করতেন সবজি, ছেলে জিতল দেশের প্রথম পদক! ঝন্ডুর লড়াই জানলে চোখে জল আসবে

কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের পদক অভিযান শুরু হল দারুণ সাফল্যের মধ্য দিয়ে। পুরুষদের হেভিওয়েট প্যারা পাওয়ার লিফটিং বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জিতে দেশের ঝুলিতে প্রথম পদক তুলে দিলেন বিহারের ঝন্ডু কুমার। তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত গোটা দেশ।ঝন্ডু কুমারের জীবন সংগ্রামের গল্প অনুপ্রেরণার। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে পোলিও আক্রান্ত হন তিনি। ছোটবেলা থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি আর্থিক সমস্যার সঙ্গেও লড়াই করতে হয়েছে। তাঁর বাবা রাস্তার ধারে সবজি বিক্রি করেন। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ঝন্ডুও একসময় ই-রিকশা চালিয়েছেন। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিও তাঁর স্বপ্নকে থামাতে পারেনি। নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন এবং দেশের হয়ে খেলার লক্ষ্য থেকে কখনও সরে যাননি।পরবর্তীতে তাঁর প্রতিভা নজরে আসে জাতীয় কোচ রাজিন্দর সিং রাহেলুর। তাঁর উদ্যোগেই ঝন্ডু জাতীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুশীলনের সুযোগ পান। সেই সুযোগই বদলে দেয় তাঁর জীবন। এরপর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য পেতে শুরু করেন তিনি।কমনওয়েলথ গেমসে ঝন্ডু মোট একশো নব্বই কেজি ওজন তুলে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেন। শেষ প্রচেষ্টায় আরও বেশি ওজন তোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। তবুও তাঁর পারফরম্যান্সই ভারতের প্রথম পদক এনে দেয়।পদক জয়ের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় ঝন্ডু বলেন, তাঁর মনে হচ্ছে তিনি যেন আকাশে উড়ছেন। এই পদক শুধু তাঁর নয়, যাঁরা কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়েছেন, তাঁদের সকলেরও। ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও বড় সাফল্য আনার লক্ষ্য নিয়েই এগোতে চান তিনি।এর আগেও জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন ঝন্ডু। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও একাধিক পদক জিতেছেন। এবার কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম পদক জিতে তিনি প্রমাণ করে দিলেন, কঠোর পরিশ্রম, ইচ্ছাশক্তি এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে কোনও বাধাই সাফল্যের পথে শেষ কথা হতে পারে না।

জুলাই ২৫, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে ঢুকেছিল বহিরাগত? সত্তর জন চিহ্নিত, কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

ধর্মতলায় সাম্প্রতিক অশান্তি নিয়ে বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের নামে পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মসূচিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, আন্দোলনে এমন বহু ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন, যাঁদের সঙ্গে ছাত্র আন্দোলন বা নিট ইস্যুর কোনও সরাসরি সম্পর্ক ছিল না। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগতদের আনা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় পুলিশ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জলের বোতল, জুতো এবং অন্যান্য বস্তু ছোড়া হয়। তাঁর দাবি, উদ্দেশ্য ছিল পুলিশকে উসকে দিয়ে বড় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করা। তবে পুলিশ সংযম দেখিয়েছে বলেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়নি।তিনি আরও জানান, ঘটনায় আহত হয়েছেন একাধিক সাংবাদিক। ইতিমধ্যেই সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কয়েকজনের নামও বিধানসভায় উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রশাসনের দাবি, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধর্মতলার অশান্তির প্রকৃত কারণ এবং কারা এর নেপথ্যে ছিল, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal