• ৯ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ২৩ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Plane Crash

বিদেশ

রানওয়েতে দমকল গাড়ির সঙ্গে যাত্রীবাহী বিমানের সংঘর্ষে চাঞ্চল্য! মৃত্যু দুই পাইলটের

নিউ ইয়র্কের একটি ব্যস্ত বিমানবন্দরে বড়সড় দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে গেটের দিকে এগোচ্ছিল একটি যাত্রীবাহী বিমান। সেই সময় রানওয়েতে একটি দমকল গাড়ির সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় পাইলট এবং সহকারী পাইলট গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। দমকল গাড়িতে থাকা দুই পুলিশ কর্মীও আহত হয়েছেন, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।জানা গেছে, মন্ট্রিয়াল থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বিমান ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল। সেই সময় প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার গতিতে সেটি দমকল গাড়িতে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার ঠিক আগে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে। তবুও শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি।এই দুর্ঘটনার পরই বিমানবন্দরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। কিছু সময়ের জন্য সমস্ত বিমান ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। পরে আগত এবং প্রস্থানের সব বিমান অন্যত্র ঘুরিয়ে দেওয়া হয় বা আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের ওয়েবসাইটেও এই পরিবর্তনের কথা জানানো হয়।দুর্ঘটনার সময় বিমানে প্রায় একশো জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে জরুরি পরিষেবার কর্মীরা পৌঁছে যান। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে বিমানের সামনের অংশে ক্ষতির চিহ্ন দেখা গিয়েছে।এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে, এই বিমানবন্দরে আগে থেকেই ভিড় এবং নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। কর্মীসংকটের কারণে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছিল। অনেক কর্মী কাজ বন্ধ রেখেছিলেন এবং যারা কাজ করছিলেন, তাঁদেরও বেতন সংক্রান্ত সমস্যা ছিল।এই পরিস্থিতির পেছনে কেন্দ্রীয় স্তরে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে জটিলতা দায়ী বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা সংস্থার কাজেও তার প্রভাব পড়েছে। ফলে বিমানবন্দরের পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে সমস্যা দেখা দেয়।এই ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের কথা জানানো হয়েছে। তবে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
দেশ

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা কি নাশকতা? পাইলট ইচ্ছাকৃতভাবে জ্বালানি সুইচ বন্ধ করেছিলেন?

আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার যে বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমানটি ভেঙে পড়েছিল, তা নিছক দুর্ঘটনা নাও হতে পারে। ইতালির দৈনিক কোরিয়ের ডেলা সেরা এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, পাইলট ইচ্ছাকৃতভাবে বিমানের জ্বালানি সুইচ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। যদিও ভারতের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ এখনও চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেনি। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না।ইতালির ওই সংবাদপত্র দুটি সূত্রের বক্তব্য তুলে ধরে জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নয়, পাইলটের পদক্ষেপের ফলেই বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পাইলট ইচ্ছা করে জ্বালানি সুইচ কাটঅফ মোডে নিয়ে যান। এর ফলে দুটি ইঞ্জিনেই জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং বিমান দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে পড়ে। ভারতীয় তদন্তকারীদের একটি অংশও এমনটাই মনে করছেন বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। সেখানে পাইলট-ইন-কমান্ড ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়ালকে প্রাথমিকভাবে দায়ী করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই এই নিয়ে আরও বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে কোরিয়ের ডেলা সেরা। বিমান দুর্ঘটনা রুখতে পাইলটদের মানসিক স্বাস্থ্যের নিয়মিত মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণের সুপারিশও করা হতে পারে।গত বছরের ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি উড়ানের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মেঘানিনগরের বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনের উপর ভেঙে পড়ে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ২০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি গোটা দেশকে নাড়িয়ে দেয়।এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর প্রাথমিক রিপোর্টেও বলা হয়েছে, বিমানটি যখন গতি নিয়ে উপরে উঠছিল, তখনই দুটি ইঞ্জিনের জ্বালানি কাটঅফ মোডে চলে যায়। ফলে ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। রিপোর্টে আরও উল্লেখ রয়েছে, ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে একজন পাইলট অন্যজনকে প্রশ্ন করেন, ইঞ্জিন বন্ধ করলে কেন? উত্তরে অপর পাইলট বলেন, আমি কিছু বন্ধ করিনি। এই কথোপকথন ঘিরেও তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য।তবে পাইলটদের সংগঠনের দাবি, প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে সব তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তাদের অভিযোগ, জ্বালানি সুইচের সম্ভাব্য ত্রুটি ও অন্যান্য যান্ত্রিক সমস্যার দিকগুলি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি। তারা আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে।চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

দ্বিতীয়বার ল্যান্ডিংয়ের চেষ্টাতেই সর্বনাশ, র‌্যাডার থেকে উধাও হয়ে গেল বিমান

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। টেবিলটপ রানওয়ে না কি কম দৃশ্যমানতাকোনটি এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি সকালে মুম্বই থেকে বারামতীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন অজিত পওয়ার। সকাল প্রায় ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁর প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, রানওয়েতে নামার সময় বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছলে যায়। তার পরেই আছড়ে পড়ে বিমানে বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনার পর ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটর্যাডারের তথ্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ফ্লাইটর্যাডারের তথ্য অনুযায়ী, বম্বার্ডিয়ার লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমানটি সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মুম্বই বিমানবন্দর থেকে উড়ান শুরু করে। আরব সাগরের উপর দিয়ে উড়ে সেটি বারামতীর দিকে যায়। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু দৃশ্যমানতা কম থাকায় তখন বিমানটি নামতে পারেনি বলে জানিয়েছে এয়ারক্রাফ্ট অপারেটর ভিএসআর ভেনচার।এর পরে সকাল ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টা করা হয়। ঠিক তিন মিনিট পর, অর্থাৎ সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ র্যাডার থেকে উধাও হয়ে যায় বিমানটি। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর আসে, রানওয়ে ১১-র প্রান্তে একটি বিমান আছড়ে পড়ে আগুন ধরে গিয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিমানটি মাটিতে পড়তেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের গোলায় পরিণত হয়। ঘন কালো ধোঁয়া ও লেলিহান শিখা পুরো বিমানটিকে গ্রাস করে নেয়। ওই বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট, পাইলট এবং ফার্স্ট অফিসার। দুর্ঘটনায় কেউই বাঁচেননি।ডিজিসিএ এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ না করলেও, বিমান সংস্থার তরফে প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে, কম দৃশ্যমানতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে রানওয়ের গঠন ও অবতরণ প্রক্রিয়ায় কোনও ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অজিত পওয়ারের মৃত্যু কি নিছক দুর্ঘটনা, না কি নেপথ্যে ষড়যন্ত্র? সুপ্রিম কোর্টে তদন্ত চান মমতা

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের আকস্মিক মৃত্যুতে গোটা দেশ জুড়ে শোকের আবহ। বুধবার সকালে বারামতিতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এর মধ্যেই দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে করার দাবি তুললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বুধবার সিঙ্গুরে যাওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অজিত পওয়ারের মৃত্যুসংবাদে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত ও স্তম্ভিত। তাঁর কথায়, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা দেশের জনপ্রতিনিধিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দেয়। তিনি গোটা ঘটনার নিরাপত্তা দিক ও নিয়মিত নজরদারির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, সমাজমাধ্যমে তিনি এমন কিছু মন্তব্য দেখেছেন, যেখানে দাবি করা হয়েছিল অজিত পওয়ার বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পারেন। সেই প্রেক্ষিতে এই দুর্ঘটনা নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। দুর্ঘটনার পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মত প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই তিনি সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টভাবে বলেন, অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থার উপর তাঁর আস্থা নেই। তাঁর বক্তব্য, বহু সংস্থা টাকার কাছে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের উপরেই তাঁর ভরসা বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।প্রসঙ্গত, প্রায় তিন বছর আগে শরদ পওয়ারের সঙ্গে মতভেদে এনসিপি থেকে আলাদা হয়ে নিজের দল গড়েন অজিত পওয়ার। আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়ে এনসিপির ঘড়ি প্রতীকও তাঁর দখলে আসে। গত লোকসভা নির্বাচনে শরদ পওয়ারের শিবির এগিয়ে থাকলেও, বিধানসভা নির্বাচনে অজিত পওয়ারের গোষ্ঠী বড় সাফল্য পায়। এরপর থেকেই দুই এনসিপির ফের এক হওয়ার জল্পনা শুরু হয়।কয়েক মাস আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে এই জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অজিত পওয়ার মুচকি হেসে বলেছিলেন, আপনার মুখে ঘি-শক্কর। সেই মন্তব্যের পর দুই শিবিরের মিলনের সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়। এমনকী শরদ পওয়ারের কন্যা সুপ্রিয়া সুলে ও অজিত পওয়ারের মধ্যে দল সংযুক্তিকরণ নিয়ে আলোচনা চলছিল বলেও শোনা যায়। একই সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাজুটি জোটের সঙ্গে অজিত পওয়ারের দূরত্ব বাড়ছে বলেও জল্পনা চলছিল। এই পরিস্থিতিতে অজিত পওয়ারের মৃত্যুর পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

দ্বিতীয়বার নামার চেষ্টাতেই সর্বনাশ, ১০০ ফুট উপর থেকে আছড়ে পড়ল অজিত পওয়ারের বিমান

বুধবার সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতি বিমানবন্দরে নামার সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের ব্যক্তিগত বিমান। প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তার পর পাইলট দ্বিতীয়বার বিমান নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময়ই আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ে।ওই বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন আরও চার জন। তাঁদের মধ্যে দুজন ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী এবং দুজন ছিলেন বিমানকর্মী। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়েছে।ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছিল, তা নিয়ে সামনে এসেছে প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রথমবার অবতরণে ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটি দ্বিতীয়বার নামার চেষ্টা করে। সেই সময় প্রায় ১০০ ফুট উপর থেকে খুব দ্রুত গতিতে নিচের দিকে নামতে শুরু করে বিমানটি। দেখেই মনে হচ্ছিল, বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটতে চলেছে। মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে।বিমানটি ভেঙে পড়ার পর পরই একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে এবং কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রবল আগুনের কারণে কেউই বিমানের কাছে পৌঁছতে পারেননি।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, যে মাঝারি মাপের চার্টার্ড বিমানে করে মুম্বই থেকে বারামতি যাচ্ছিলেন অজিত পওয়ার, সেটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমান। বিমানটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল ভিটি-এসএসকে। বম্বার্ডিয়ার এরোস্পেস সংস্থার তৈরি এই বিমানটি বারামতিতে দ্বিতীয়বার অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটরেডার২৪-ও জানিয়েছে, দ্বিতীয় অবতরণের চেষ্টার সময়ই বিমানটি ভেঙে পড়ে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রাইভেট প্লেন ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত, প্রয়াত অজিত পাওয়ার

আজ সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতীতে খুবই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান মুম্বাই থেকে বারামতীর দিকে যাচ্ছিল, সেখানে জরুরি অবতরণ করার সময় বিমানটি ছাড়িয়ে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়ে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে ভস্মীভূত হয়। দুর্ঘটনার কারণে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ বিমানের সাথে থাকা সকলেই মারা গেছেন।DGCA ও স্থানীয় প্রশাসনের খবর অনুযায়ী, সকাল ৮:৪০ টার সময় বারামতী বিমানবন্দরেই বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিমানটিতে ছিল মোট ছয়জন, যার মধ্যে পাওয়ারসহ পাইলট, সহকারী পাইলট ও অন্যান্য সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং কেউই বাঁচেননি।স্থানীয় ঘটনাস্থলে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আগুনে ঘিরে যায় এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। নিহতদের দেহ সংগ্রহ করে হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে, দলিলাগুলো নিশ্চিত হওয়ার পর আরও বিস্তারিত জানানো হবে।এই শোকাবহ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে গভীর শোক দেখা দিয়েছে। নেতারা এবং সাধারণ মানুষ অজিত পাওয়ারের অকাল প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

বিশ্ব তাঁকে বলে ‘লাকিয়েস্ট’… রমেশের কাঁপানো স্বীকারোক্তি — “সবচেয়ে একা আমি”

এক মুহূর্তে ভাগ্যবান, পরের মুহূর্তেই যেন সব হারানো মানুষ। আমেদাবাদের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার পর এই দ্বৈত অনুভূতির মধ্যেই বন্দি রমেশ বিশ্বাসকুমার। সারা বিশ্ব তাঁকে বলছে লাকিয়েস্ট সারভাইভারকিন্তু তাঁর মনে শুধুই শূন্যতা। জীবিত বেঁচে ফেরা তাঁর কাছে আশীর্বাদ নয়, যেন এক অন্তহীন বোঝা। কারণ সেই আগুনের বলয়ে হারিয়ে গেছেন তাঁর ভাই, তাঁর সবচেয়ে কাছের মানুষ, জীবনের শক্তি।১২ জুন। আমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকের উদ্দেশে উড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার সেই বিমান। রমেশ ছিলেন ১১এ আসনে। কয়েক সারি পিছনেই বসেছিলেন তাঁর ভাই অজয়। দুজনেই ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। দেশে-বিদেশে যাওয়াআসা ছিল নিয়মিত। কেউ জানত না, ওই দিনটাই হবে ভাইয়ের সঙ্গে তাঁর শেষ যাত্রা। কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুনে ঘেরা মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয় বিমান। সারা দুনিয়া হতভম্ব হয়ে দেখেছিল সেই আগুন, সেই কালো ধোঁয়া, সেই ছিন্নভিন্ন ধাতব খোলস। আর রমেশ দেখেছিলেন নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় ভয়াবহ দৃশ্য।চার মাস কেটে গেছে, কিন্তু রমেশ সামান্যটাই এগোতে পেরেছেন স্মৃতি থেকে। ভাইয়ের শেষকৃত্য নিজের হাতে করেছেন তিনি। কিন্তু মনের আগুন নিভেনি। আজও শীতল স্বরে বলেন, আমি যে বেঁচে আছি, এখনও বিশ্বাস হয় না। কিন্তু ভাইটা নেই। ও ছিল আমার মেরুদণ্ড। প্রতিটা মুহূর্তের সঙ্গী। এখন আমি একেবারে একা।তিনি আর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন না। স্ত্রীর সঙ্গে নয়, সন্তানের সঙ্গেও নয়। নিজের ঘরে থাকেন, দরজা বন্ধ করে। নিজের পৃথিবীতে কেবল ব্যথা, স্মৃতি আর নিঃশব্দ কান্না। কারও সঙ্গে থাকতে ইচ্ছে হয় না। নিঃশব্দটাই ভালো লাগে, বলেন রমেশ।দীর্ঘদিন ঘরবন্দি থাকার পর মানসিক আঘাত আরও গভীর হয়েছে। চিকিৎসা নেই। আর্থিক সংকটও ঘিরে ধরেছে পরিবারকে। শুধু রমেশই নন, ভেঙে পড়েছেন তাঁর মা-ও। প্রতিদিন বাড়ির সদর দরজায় বসে থাকেন তিনি। কথা বলেন না। কারও সাথে নয়, নিজের সঙ্গেই যুদ্ধ করেন। প্রতিদিনই আমাদের পরিবারের জন্য অসহ্য। খুব ক্লান্ত মানসিক ও শারীরিকভাবে, বললেন রমেশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
দেশ

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: শিশুদের শনাক্ত করতে বড় সমস্যা, এখনও হস্তান্তর ১৫৯ দেহ

সুরাটের নানাবাওয়া পরিবার ৩৬ বছর বয়সী আকিল এবং ৩১ বছর বয়সী স্ত্রী হান্না ভোরাজির নামাজ-এ-জানাজা (জানাজা) সম্পন্ন হয়। বুধবার ভোরে ফোন করে জানায় যে বোয়িং ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনায় তাদের সাথে মারা যাওয়া তাদের মেয়ে সারার মৃতদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। আত্মীয়স্বজনরা চার বছর বয়সী মেয়ের দেহাবশেষ দাবি করতে আহমেদাবাদে ছুটে যান। যাতে তাকে তার বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা যায়।আহমেদাবাদ-লন্ডন AI-171 বিমান দুর্ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর, সারার সন্ধানে দেখা যাচ্ছে যে পুড়ে যাওয়া দেহাবশেষের মধ্যে নাবালকদের শনাক্ত করা কতটা কঠিন। বুধবার পর্যন্ত, ডিএনএ ম্যাচিং এবং শনাক্তকরণের পরে ১৫৯টি মৃতদেহ আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সারা ছাড়াও, এই মৃতদেহগুলির মধ্যে কেবল একজন নাবালিকা ছিল ফাতিমা শেঠওয়ালা, যার বয়স ১৮ মাস।বিমান সংস্থার তালিকা অনুসারে, AI-171-এ ১২ বছরের কম বয়সী ১৩টি শিশু ছিল, যার মধ্যে তিনজন এখনও ২ বছর পূর্ণ করেনি। আরও বেশ কয়েকজনের বয়স ১১ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে।এই ধরনের দুর্যোগে অপ্রাপ্তবয়স্কদের শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহারে অসুবিধা ব্যাখ্যা করে গুজরাটের সরকারি ডেন্টাল কলেজের ফরেনসিক দন্ত বিশেষজ্ঞ ডঃ জয়শঙ্কর পিল্লাই বলেন, শিশুদের শরীরের ভর কম থাকে এবং তাই টিস্যুর ক্ষতি হয় এবং লম্বা হাড় তাপের সংস্পর্শে আসে। তবে দাঁত বেশি শক্তিশালী হওয়ায় তাপ সহ্য করতে পারে।তবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটিও জটিল। শিশুদের যে কোনও দাঁত থেকে ডিএনএ বের করা যেতে পারে, কিন্তু আগুন লাগার সময় সামনের দাঁত ব্যবহার করা যায় না কারণ তাপ তাদের নষ্ট করে দেয়। তাই আমরা মোলার থেকে ডিএনএ নিই। ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে, আমরা স্থায়ী মোলার পেতে পারি না... তাদের বেশিরভাগই দুধের দাঁত থাকে, এবং কখনও কখনও সেগুলিও নষ্ট হয়ে যায়। কারণ খিলানটি খুব ছোট। তাই আমরা চোয়ালে একটি ছেদ তৈরি করি এবং ভিতরে স্থায়ী মোলার তৈরি করার চেষ্টা করি, পিল্লাই বলেন, যার বিভাগের সাথে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ দাঁতের ডিএনএ বের করতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দাঁতের চার্ট তৈরি করতে সাহায্য করার জন্য যোগাযোগ করেছিল।একজন ফরেনসিক কর্মকর্তা বলেছেন যে দুর্ঘটনার পরে যে আগুন লেগেছিল তা খুব অল্প সময়ের মধ্যে ১৬০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি তাপমাত্রায় পৌঁছেছিল। সুতরাং, কিছু ব্যক্তির জন্য কেবলমাত্র আংশিক ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া যায়, যাদের আমরা সন্দেহ করি যে তারা নাবালক, কর্মকর্তা বলেন, আরও বলেন যে আত্মীয়দের সাথে নিঃসন্দেহে নির্ভুলতার সাথে মেলানো কঠিন।আকিলের বাবা আবদুল্লাহ স্মরণ করিয়ে দেন যে তিনজন ৬ জুন, ঈদুল আযহার একদিন আগে, এক আকস্মিক পরিদর্শনে এসেছিলেন। এটা একটা ছোট ভ্রমণ ছিল। আমরা জানতাম না যে এটাই তাদের শেষ হবে, কাঁদতে কাঁদতে আবদুল্লাহ বলেন, যিনি বিমানে পরিবারকে নামিয়ে দিতে আহমেদাবাদ গিয়েছিলেন।ভদোদরায়, আসিফ শেঠওয়ালা তার নাতনি ফাতিমার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। যার দেহাবশেষ বুধবার শনাক্ত করা হয়েছে, যখন তার মা সাদিকার মৃতদেহ এখনও পাওয়া যায়নি। আসিফ বলেন, ফাতিমা তার লন্ডন-ভিত্তিক ছেলের একমাত্র সন্তান। সাদিকা এবং ফাতিমা আমার ছোট ছেলের বিয়েতে বেড়াতে এসেছিলেন। তারা প্রায় ২০ দিন ধরে এখানে ছিলেন এবং তাদের ফেরার টিকিট অনেক আগেই বুক করা হয়েছিল।ডিএনএ সরবরাহ করার পাশাপাশি, দাঁতের দেহাবশেষ একজন ব্যক্তির আনুমানিক বয়স নির্ধারণেও সাহায্য করে। যা শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সূত্র প্রদান করে। আহমেদাবাদ দুর্ঘটনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও, বিস্ফোরণ এবং আগুনের ফলে উদ্ধার করা বেশিরভাগ ডিএনএ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।ডঃ পিল্লাই বলেন, ফরেনসিক ওডন্টোলজি বিভাগ এক থেকে ছয় বছর বয়সী বেশ কয়েকজন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীর দাঁতের ডিএনএ সংগ্রহ করেছে অথবা ডেন্টাল চার্টিং করেছে এবং অন্তত কিছু ভুক্তভোগীর বয়স মূল্যায়ন করেছে। এরপর এই বয়সের যাত্রীদের জন্য ফ্লাইট ম্যানিফেস্টের সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিছু শিশুর ক্ষেত্রে, আমরা দ্বিতীয় মোলার বিকশিত হতে দেখেছি, যা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে তারা তিন থেকে ছয় বছর বয়সী। এটি অনুসন্ধানকে সংকুচিত করতে সাহায্য করেছে। তারপর তাদের ডিএনএ নমুনা তাদের আত্মীয়দের সাথে মেলানো যেতে পারে।যারা খবরের জন্য অপেক্ষা করছেন তাদের মধ্যে রয়েছে ভদোদরার ভাহোরা পরিবার। তারা দুর্ঘটনায় তিন সদস্যকে হারিয়েছে। সোমবার ইয়াসমিনের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হলেও, পারভেজ এবং তার ৪ বছর বয়সী মেয়ে জুভেরিয়ার দেহাবশেষ এখনও পাওয়া যায়নি। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, ডঃ কেশব কুমার বলেছেন, পরিবারগুলির আশা হারানো উচিত নয়। বিমান দুর্ঘটনাটি প্রায় বোমা বিস্ফোরণের মতো ছিল। যেখানে ৫৪,০০০ লিটার বিমান জ্বালানি এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে জ্বলছিল। উৎপন্ন তাপের পরিমাণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমরা ভাগ্যবান হব যদি ভালো নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু যদি একটি দাঁতও পাওয়া যায়, তাহলে ডিএনএ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ফরেনসিক পরীক্ষা খড়ের গাদায় সূঁচ পাওয়ার মতো। কিন্তু একজন তদন্তকারী হিসেবে, আমি বলতে পারি যে ম্যাচ পাওয়ার সম্ভাবনা ১০০%। ডিএনএ হাজার হাজার বছর টিকে থাকতে পারে এবং প্রয়োজনে ধ্বংসাবশেষে ডিএনএর আরও চিহ্ন থাকবে। গুজরাট পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন যে তারা দুর্ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ নিশ্চিত করেছেন।

জুন ১৯, ২০২৫
দেশ

ভয়াবহ মর্মান্তিক প্লেন দুর্ঘটনা আহমেদাবাদে, ২৪২ জনের প্রান সংশয়ের আশঙ্কা

আহমেদাবাদে ঘটে গেল এক ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনা। বৃহস্পতিবার দুপুরে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানটি (ফ্লাইট নম্বর AI171) ওড়ার মাত্র ৯ মিনিট পরই ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থল ছিল আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছেই। মেডিক্যাল কলেজ হস্টেলের ওপর বিমানটি। ওই বিমানে মোট ২৪২ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও নির্দিষ্ট সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। দুর্ঘটনাটিকে ভয়ানক বলে সম্বোধন করেছে বিমান পরিবহনমন্ত্রী রাম মোহন নাইডু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ ও বিমান পরিবহনমন্ত্রীকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এই ঘটনার পুরো পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আপাতত আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের সব ধরনের উড়ান স্থগিত রাখা হয়েছে এবং এয়ার ইন্ডিয়া ও তদন্তকারী সংস্থাগুলি এই দুর্ঘটনার পূর্ণ তদন্ত শুরু করেছে।

জুন ১২, ২০২৫
বিদেশ

১৩৩ জন যাত্রী-সহ দক্ষিণ চিনে ভেঙে পড়ল বিমান

ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার মুখোমুখি চিন। দক্ষিণ চিনে ভেঙে পড়ল যাত্রীবাহী বিমান। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে ওই বিমানে ১৩৩ জন যাত্রী ছিল। জানা গিয়েছে চিনে যে বিমানটি ভেঙে পড়েছে সেটি বোয়িং ৭৩৭ বিমান ছিল। মনে করা বিমান থাকা কোনও যাত্রীরই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই। সবেমাত্র উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে বিমানটি কুনমিং শহর থেকে গুয়াংজুর দিকে যাচ্ছিল। ভেঙে পড়া বোয়িং বিমানটি চিন ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের বিমান ছিল। চিনের সিভিল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, এখনও অবধি এই বিমান দুর্ঘটনায় কত জন মারা গিয়েছেন তা জানা যায়নি।বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তদন্তের নির্দেশ দিলেন। কীভাবে আচমকা ভেঙে পড়ল সুরক্ষিত বোয়িং ৭৩৭ বিমান, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে খবর।Crash site pic.twitter.com/8qJWYK8FhS ChinaAviationReview (@ChinaAvReview) March 21, 2022তবে বিমানে থাকা ১৩৪ জন যাত্রী বেঁচে থাকার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। বিমান সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভেঙে পড়া বিমানটি ৬ বছরের পুরানো। সিএএসি জানিয়েছে, উঝুর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। বিমানটিতে মোট ১২৩ জন যাত্রী এবং পাইলট সহ মোট ৯ জন কর্মী ছিলেন। ইতিমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে এবং উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। উদ্ধারকারী দলের এক সদস্যকে উদ্ধৃত করে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দুর্ঘটনার ফলে বিমানটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে বিমান দুর্ঘটনার সময়ে আগুন দেখা গিয়েছিল। পাহাড়ের কোলে যে এলাকার বিমানটি ভেঙে পড়েছে, সেখানকার বাঁশ বনে আগুন লেগে গিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।

মার্চ ২১, ২০২২

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক! শিলিগুড়িতে মোদীর রোড শো, জোর প্রস্তুতি বিজেপির

ভোটের মুখে বাংলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়াল বিজেপি। আগামী সপ্তাহেই রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দলীয় সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে শিলিগুড়িতে সাত অথবা আট এপ্রিল রোড শো করতে পারেন তিনি। একই সঙ্গে একাধিক জনসভাও করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই সফর ঘিরে শিলিগুড়িতে বৈঠকে বসেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। উত্তরবঙ্গের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে কেন্দ্রীয় নেতারা ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালাচ্ছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে মোট চারটি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সূচি চূড়ান্ত করতে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব।এদিকে খুব শীঘ্রই রাজ্যে আসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি এলে মূলত সাংগঠনিক বৈঠকের ওপর জোর দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করে দলীয় সংগঠন নিয়ে আলাদা আলাদা বৈঠক করতে পারেন তিনি। যদিও তাঁর পূর্ণ সূচি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে কয়েকটি জনসভাও করতে পারেন তিনি।এই নির্বাচনে বিজেপি দুইশোর বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার এই লক্ষ্য সামনে রেখে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করছেন। এর আগেই অমিত শাহ বাংলায় এসে এই লক্ষ্য স্পষ্ট করেছিলেন। তাঁর দাবি, এবার বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে চায়।অন্যদিকে, বিজেপির এই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা আরও বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দুই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা এই নির্বাচনে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।মোটের উপর ভোটের আগে বাংলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতার সফর ঘিরে এখন তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং জল্পনা।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

দেওয়াল মুছতেই হামলা! ভোটের আগে দুর্গাপুরে কমিশনের কর্মীদের উপর চড়াও অভিযোগ

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই দুর্গাপুরে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল। সরকারি দেওয়ালে লেখা রাজনৈতিক প্রচার মুছতে গিয়ে আক্রান্ত হন তাঁরা।নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সরকারি কোনও দেওয়াল বা জায়গায় রাজনৈতিক প্রচার করা যাবে না। সেই নির্দেশ মেনেই এসডিও দপ্তরের নির্দেশে কমিশনের কর্মীরা এলাকায় পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন। দুর্গাপুরের কলোনিপাড়ায় পোস্ট অফিসের দেওয়ালে লেখা প্রার্থীর নাম মুছতে যান তাঁরা। অভিযোগ, সেই কাজ শেষ করে গাড়িতে ওঠার পর আচমকাই তাঁদের গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।আক্রান্ত এক কর্মীর দাবি, তাঁরা সরকারি নির্দেশ মেনেই কাজ করছিলেন। নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। স্থানীয় কিছু মানুষ নিজেদের শাসকদলের সমর্থক বলে দাবি করে তাঁদের উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের দাবি, মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বরং বিরোধী দলের কর্মীরাই বাইরে থেকে লোক এনে নিজেরাই দেওয়াল মুছছিল এবং উত্তেজনা তৈরি করছিল।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে কড়া হুঁশিয়ারি! বুথ দখল হলেই অ্যাকশন, কঠোর বার্তা অজয় নন্দার

ভোটের আগে কঠোর বার্তা দিল পুলিশ প্রশাসন। বুথ দখল, ভুয়ো ভোট বা কোনও রকম কারচুপি বরদাস্ত করা হবে না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। রবিবার ভাঙড় থানায় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নির্দেশ কঠোরভাবে মানার নির্দেশ দেন।নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ রাখতে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার জানান, বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং ও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। ভোটের আগে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এদিন শুধু ভাঙড় নয়, দক্ষিণ শহরতলীর একাধিক থানাতেও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়। প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি কঙ্কর প্রসাদ বারুই নরেন্দ্রপুর, সোনারপুর ও বারুইপুর থানায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তিনি পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরতলীর এই এলাকাগুলিতে গ্রামীণ অঞ্চলের বহু বুথ রয়েছে। সেই সব বুথে নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পুলিশকর্মী থেকে হোমগার্ডসকলকেই ভোটের আগে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।কঙ্কর প্রসাদ বারুই জানান, নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথায় কী ব্যবস্থা নিতে হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভয়মুক্ত নির্বাচনই এখন প্রধান লক্ষ্য।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

জয় শ্রীরাম স্লোগানে উত্তাল, মাঝপথেই থামাল পুলিশ! হিরণের প্রচারে চরম উত্তেজনা

ভোটের আগে প্রচার ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হল শ্যামপুরে। বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রচার কর্মসূচি চলাকালীন বাইক মিছিল আটকায় পুলিশ। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।রবিবার শ্যামপুরে প্রচার শুরু করেন হিরণ। তাঁর সঙ্গে বহু কর্মী ও সমর্থক গেরুয়া পতাকা নিয়ে বাইক করে এগোচ্ছিলেন। সেই সময় শ্যামপুর-বাগনান রোডে পুলিশ মিছিলটি আটকায়। পুলিশের দাবি, আদর্শ আচরণবিধি জারি থাকার কারণে কোনও মিছিল বা জমায়েতের জন্য আগে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু এই কর্মসূচির জন্য সেই অনুমতি নেওয়া হয়নি।ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। হিরণ নিজেও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক মিছিল নয়, তাঁরা মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর কথায়, সমর্থকেরা ধর্মীয় পতাকা নিয়ে এসেছিলেন, তাই এটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি বলা ঠিক নয়।তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রার্থী উপস্থিত থাকলে সেটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবেই ধরা হয় এবং সে ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে মিছিলটি এগোতে দেওয়া হয়।এদিন রাজ্যের অন্য জায়গাতেও উত্তেজনার খবর সামনে এসেছে। নানুরে পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বচসা ও বিক্ষোভ হয়। দুর্গাপুরে সরকারি দেওয়াল থেকে প্রচার মুছতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মী আক্রান্ত হন বলেও অভিযোগ উঠেছে।ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনাগুলি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর গড়ে চ্যালেঞ্জ! নন্দীগ্রামে অভিষেকের টানা সভা ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রামকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। এই কেন্দ্রকে সামনে রেখে এবার জোর প্রচারে নামতে চলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দু অধিকারীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নন্দীগ্রামে এবার তৃণমূল প্রার্থী করা হয়েছে পবিত্র করকে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গতবারের পরাজয়ের পর এবার এই কেন্দ্র দখলে মরিয়া তৃণমূল।জানা গিয়েছে, আগামী পঁচিশে মার্চ নন্দীগ্রামে একটি কর্মীসভার মাধ্যমে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। এরপর সাতাশে মার্চ পাঁশকুড়া পূর্বে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। ত্রিশে মার্চ কাঁথি এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও করবেন তিনি।এই সফরকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়ছে। দলের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই ধারাবাহিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। সেই লড়াইয়ে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার আবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই তৃণমূল নতুন করে কৌশল সাজাচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পবিত্র করকে প্রার্থী করে তৃণমূল একটি কৌশলী পদক্ষেপ নিয়েছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হওয়ায় তিনি ভোটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। আর তাঁর পাশে থেকে প্রচার জোরদার করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে নন্দীগ্রামের লড়াই এবার আরও জমে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
বিদেশ

ইজরায়েলের পরমাণু কেন্দ্রের কাছে ভয়াবহ হামলা! আতঙ্কে বিশ্ব, তেজস্ক্রিয়তার আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষের আবহে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠল। ইজরায়েলের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে পালটা হামলা চালিয়েছে ইরান। ডিমোনা এবং আরাদ এলাকার দুই পরমাণু কেন্দ্রের কাছাকাছি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। হামলার পর থেকেই তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতে প্রথমে ডিমোনার শিমন পেরেস নেগেভ পরমাণু কেন্দ্রের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। কিছুক্ষণ পর আরাদ এলাকার আর একটি পরমাণু কেন্দ্রের দিকেও হামলা চালানো হয়। তবে সরাসরি পরমাণু কেন্দ্র লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি ক্ষেপণাস্ত্রগুলি। তার বদলে কাছাকাছি বহুতল আবাসনে আঘাত হানে, ফলে বহু বাড়ি ভেঙে পড়ে প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।এই হামলার পর ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে যায় জরুরি পরিষেবার কর্মীরা। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর খবর পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও তার সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তা সফল হয়নি। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি আছড়ে পড়ে। এই হামলা নিয়ে এখনও পর্যন্ত ইজরায়েল সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।প্রসঙ্গত, এর আগে ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। সেই ঘটনারই পালটা জবাব হিসেবে এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রে শীতের কামড়! এক ধাক্কায় ১১ ডিগ্রি কমে তাপমাত্রা, কাঁপছে বাংলা

চৈত্র মাসের শুরুতেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। গরমের বদলে হঠাৎ করেই ফিরে এসেছে শীতের আমেজ। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বহু জায়গায় রাতে আবার কম্বল টানতে হয়েছে মানুষকে। ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে টানা ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই নেমে গিয়েছে।শুক্রবার রাত থেকে কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে তাপমাত্রায়। প্রথমে প্রায় পাঁচ ডিগ্রি কমার পর শনিবার তা আরও কমে গিয়ে মোট প্রায় এগারো ডিগ্রি নেমে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমে এসেছে তেইশ দশমিক দুই ডিগ্রিতে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল উনিশ দশমিক সাত ডিগ্রি।আবহাওয়া দফতরের মতে, রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে শুরু করবে। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। তবে এখনও কিছু জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। অন্য জেলাগুলিতেও আংশিক মেঘলা আকাশের সঙ্গে মাঝে মাঝে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতাতেও মেঘলা আকাশ থাকবে এবং এক-দুবার বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার থেকে এই পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ কমে গিয়ে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও দুর্যোগ কাটেনি। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় আগামী বুধবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও খুব ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও সপ্তাহের শেষে আবারও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সব মিলিয়ে আবহাওয়ার এই আচমকা বদলে চৈত্রের শুরুতেই অবাক বাংলার মানুষ।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

অভয়ার মাকে জেতাতে সিপিএমকে প্রার্থী প্রত্যাহারের অনুরোধ! বামমনস্ক চিকিৎসকের মন্তব্যে বাড়ছে রাজনৈতিক পারদ

এক সময় বামপন্থী মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বামেদের হয়ে প্রচার করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে সম্প্রতি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানে বদল এসেছে। ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তাঁকে দেখা যাওয়ার পর থেকেই তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এবার পানিহাটির নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী অভয়ার মায়ের সমর্থনে সরাসরি বাম প্রার্থীকে আক্রমণ করলেন তিনি।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্তর উচিত প্রার্থীপদ থেকে সরে দাঁড়ানো। তাঁর মতে, ভোট কাটাকুটির ফলে যাতে অভয়ার মা কোনওভাবে হার না যান, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কলতান তাঁর ঘনিষ্ঠ বলেও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে অনুরোধ করবেন প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করতে।কলতান দাশগুপ্ত আর জি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত। আন্দোলনের সময় তিনি জেলেও ছিলেন। নির্বাচনের আগে অভয়ার বাবা-মায়ের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। তবে অভয়ার মা-বাবা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কলতান এবং বামেদের বিরুদ্ধে তাঁদের সুর চড়েছে। তাঁদের দাবি, রাজ্যে বামেদের কোনও শক্তি নেই এবং তাদের ভোট দিলে তা শেষ পর্যন্ত তৃণমূলেরই সুবিধা করে দেবে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যেও সেই একই সুর শোনা গিয়েছে। তিনি মনে করেন, তৃণমূলকে ঠেকাতে হলে বিরোধী ভোট এক জায়গায় থাকা দরকার। শুধু কলতান নয়, তাঁর বাবার কাছেও আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ছেলেকে বোঝানো উচিত যাতে সে প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়ায়। একই সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীরও সরে দাঁড়ানো উচিত বলে মত তাঁর।অন্যদিকে, অভয়ার মা-বাবা বিজেপির প্রার্থী হতে চাওয়ায় বাম মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সেই সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তাঁরাও বামেদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, মেয়ের বিচার বিলম্বিত হওয়ার পিছনেও বামেদের ভূমিকা রয়েছে। যদিও এই সব মন্তব্যে নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ নন। তিনি বলেন, অভয়ার মা-বাবা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনি তার পাশে থাকবেন। তাঁর মতে, রাজ্যে এখন পরিবর্তনের দাবি জোরালো হয়েছে এবং সেই লক্ষ্যেই সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।সব মিলিয়ে পানিহাটির নির্বাচন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে এবং এই ইস্যুতে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal