• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

One Nation One Vote

দেশ

এক দেশ এক ভোট

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে শোরগোল চলছে। নাগরিকত্ব পাওয়ার আশ্বাস আর আশংকার মাঝে এবার এক দেশ এক ভোট। এই নীতি খতিয়ে দেখার জন্য গতবছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্ডের নেতৃত্বে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠিত হয়। সেই কমিটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শীর্ষ আদালত ও হাইকোর্টের কয়েকজন প্রাক্তন বিচারপতি এবং বিশিষ্ট নাগরিকদের মত নেওয়ার পাশাপাশি ৬৫ টি বৈঠক করেন।অবশেষে গত বৃহস্পতিবার কোভিন্ড কমিটি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মূর কাছে তাদের রিপোর্ট জমা দেয়। এই নীতি প্রয়োগের বছর হিসেবে ২০২৯ সাল কে চিহ্নিত করেছে কমিটি। অর্থাৎ আসন্ন লোকসভা ভোটে সরকার গঠনের পরে যে সমস্ত রাজ্যে বিধানসভার ভোট হবে তাদের মেয়াদ এই কেন্দ্রীয় সরকারের মেয়াদ পর্যন্ত স্থায়ী হবে। সেক্ষেত্রে অনেক রাজ্যে সরকারের মেয়াদই পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই শেষ হয়ে যাবে। যদি কেন্দ্রে বা কোনো রাজ্যে মাঝপথে সরকার ভেঙে যায় তাহলে কি হবে? কোভিন্ড কমিটির সুপারিশ হলো, সেক্ষেত্রে নির্বাচন হবে তবে সেই নির্বাচিত সরকার ২০২৯ সালের আগে যে সময়কাল থাকবে সেই সময় পর্যন্তই ক্ষমতায় থাকবে।এর ফলে লোকসভা ও সব রাজ্যের বিধানসভার ভোট করতে কোনো বাধা থাকবে না। রাষ্ট্রপতির কাছে কমিটির যে ২৮১ পাতার রিপোর্ট জমা পড়েছে তাতে সংবিধানের কিছু আইন সংশোধন ও নতুন আইন সংযোজনের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে ঘন ঘন ভোট হলে যে বিপুল অর্থ ব্যায় হয় তা এড়াতে লোকসভা ও বিধানসভার ভোট একসঙ্গে হওয়া উচিত। পাশাপাশি লোকসভা ও বিধানসভা ভোট হওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে পুরসভা ও পঞ্চায়েতগুলির ভোটের সুপারিশ ও করা হয়েছে।এই সার্বিক নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য দুটি সংবিধান সংশোধনী বিল আনার কথা বলা হয়েছে।এই দুটি বিলের মাধ্যমে সংবিধানে ১৫ টি সংশোধনী আনার সুপারিশ করেছে কমিটি। প্রথম বিলটির মাধ্যমে লোকসভা ও বিধানসভার ভোট একসঙ্গে করতে মেয়াদ ফুরোনোর আগেই বিধানসভা গুলি কে ভেঙে দেওয়া যাবে। সংসদে এই বিল পাশ করানোর জন্য রাজ্য গুলির মতামত নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেই মত দিয়েছে কমিটি। দ্বিতীয় বিলটির মাধ্যমে লোকসভা, বিধানসভা, পুরসভা ও পঞ্চায়েত ভোটের জন্য একটি ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষমতা দেওয়া হবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে। তবে দ্বিতীয় বিলটির জন্য দেশের অর্ধেকের বেশি রাজ্যে অনুমোদন প্রয়োজন বলে কমিটি জানিয়েছে।পাশাপাশি প্রথম বিলটি রাজ্য গুলির অনুমোদন ছাড়াই যাতে পাশ করাতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার তার জন্য সংবিধানের নতুন ধারা সংযোজনের সুপারিশ করা হয়েছে। কোভিন্ড কমিটির ওই সুপারিশ অনুযায়ী সংবিধানে নতুন ৮২(ক) ধারা সংযুক্ত হলে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে রাজ্য গুলির অনুমোদন ছাড়াই ওই বিল পাশ করানোর ক্ষমতা আসবে। এই লোকসভা ভোটের পরে যে সরকার ক্ষমতায় আসবে তারা যদি কোভিন্ড কমিটির রিপোর্ট গ্ৰহণ করে তাহলে ২০২৯ সালে লোকসভা ও বিধানসভার ভোট একসঙ্গে হবে। সেক্ষেত্রে চলতি বছরে লোকসভা ভোট শেষ হলেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে ২০২৯ সালের ভোট প্রক্রিয়ার কাজ শুরু করতে হবে। যদি তাই হয় তাহলে অনেক রাজ্যের বিধানসভা মেয়াদ ই পূর্ণ সময়ের আগে শেষ হয়ে যাবে।যেমন গতবছর যে দশটি রাজ্যে বিধানসভার ভোট হয়েছে সেই রাজ্য গুলিতে বিধানসভার মেয়াদ ফুরোনোর কথা ২০২৮ সালে। সেক্ষেত্রে ২০২৮ সালেই ওই রাজ্যগুলিতে বিধান সভার ভোট হওয়ার কথা। কিন্তু ২০২৯ সালে যদি এক দেশ এক নীতি চালু হয় তাহলে ওই রাজ্য গুলিতে সরকারের মেয়াদ পাঁচ বছরের পরিবর্তে এক বছরের মধ্যে ই ফুরিয়ে যাবে। এই রাজ্য গুলি হল হিমাচল প্রদেশ, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, কর্নাটক, তেলেঙ্গানা, মিজোরাম, মধ্য প্রদেশ, ছত্তিশগঢ় ও রাজস্থান। অন্য দিকে পাঞ্জাব , উত্তর প্রদেশ ও গুজরাটে ২০২৭ সালে বিধানসভার ভোট হওয়ার কথা। ওই তিন রাজ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠিত হলেও তার মেয়াদ দুবছরের বেশি হবে না।২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, কেরল ও তামিল নাড়ু তে বিধানসভার মেয়াদ ফুরোবে। ওই রাজ্য গুলিতে ভোটে যে সরকার ক্ষমতায় বসবে তার মেয়াদ তিন বছরের বেশি হবে না। দেশের ৪৭টি স্বীকৃত রাজনৈতিক দল কোভিন্ড কমিটি কে নিজেদের মতামত জানিয়েছিল। এই ৪৭টই দলের মধ্যে ৩২টি দল এক দেশ এক ভোট নীতি কে সমর্থন করেছে। বাকি ১৫ টি দল এই নীতির বিরুদ্ধে মত জানায়। যে ৩২টি রাজনৈতিক দল এই নীতিকে সমর্থন করেছে তারা হয় বিজেপির সহযোগী নয়তো বন্ধু ভাবাপন্ন দল। কংগ্রেস, তৃণমূল, বাম ও DMK সহ যে ১৫ টি রাজনৈতিক দল বিরোধীতা করেছে তাদের বক্তব্য হল এই নীতি চালু হলে দেশের সংবিধানে যে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে তা ক্ষুন্ন হবে।এর ফলে সংসদীয় গণতন্ত্রের দিন ফুরোবে।পাশাপাশি যে কমিটি এই সুপারিশ গুলি করেছে তার এক্তিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দল গুলি। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য হল দেশে ঘন ঘন ভোট হলে বিপুল অর্থ ব্যায় হয় । একসঙ্গে ভোট হলে সেই ব্যায়ভার কমানো যাবে। এছাড়াও প্রতি বছরে কোন না কোন ভোট হওয়ার ফলে নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু হয়। এর ফলে উন্নয়নের কাজ বাধা পায়। এছাড়াও কেন্দ্রের দাবি এক দেশ এক ভোট নীতি চালু হলে নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার কমবে।

মার্চ ১৬, ২০২৪
দেশ

এক দেশ এক ভোট

১৮-২২ শে সেপ্টেম্বর সংসদে বিশেষ অধিবেশন বসবে। এই ঘোষণার পরের দিন ই এক দেশ এক ভোটের লক্ষ্যে অর্থাৎ লোকসভা, সব রাজ্যের বিধানসভার, পুরসভা ও পঞ্চায়েতের ভোট একসঙ্গে করার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এক উচ্চ পর্যায়ের কমিটি তৈরি করে কেন্দ্র। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের এই কমিটি সবদিক পর্যালোচনা করে রিপোর্ট দেবে কেন্দ্রীয় সরকারকে। সংসদের বিশেষ অধিবেশন ও এক দেশ এক ভোটের লক্ষ্যে কমিটি গঠনের মধ্যে কোন যোগসূত্র রয়েছে কিনা তার এখনও পরিষ্কার নয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এক দেশ এক ভোটের বিষয়টি দেশে নতুন কিছু নয়। ১৯৫২ সালে দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের সময় থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত লোকসভার সঙ্গেই সব রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হয়। ১৯৬৭ সালের নির্বাচনে প্রথমবার রাজ্যে ও কেন্দ্রে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যায়। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, তামিল নাড়ু, ও কেরলে ক্ষমতা হারায় কংগ্রেস। কংগ্রেসের এই শক্তি ক্ষয়ের ফলে দেশের রাজনৈতিক শক্তির বিন্যাসেও বড়সড় বদল হতে থাকে। রাজনৈতিক ভারসাম্যের পরিবর্তনের কারণে দেশের ভোট ক্যালেন্ডারেও পরিবর্তন আসে। যেমন ১৯৬৭-১৯৭২ এই পাঁচ বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে চার বার বিধানসভা ভোট হয়। ১৯৬৮-১৯৭২ এই চার বছরে পশ্চিমবঙ্গে চারবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়। এই সমস্ত কারণে ১৯৬৭ সালে ই দেশে শেষ বার লোকসভা সঙ্গে সব রাজ্যে বিধানসভা ভোট হয়।আরও পড়ুনঃ কেন সমাজতন্ত্র: অ্যালবার্ট আইনস্টাইনপরবর্তী সময় এক সঙ্গেই সব নির্বাচন করার বিষয়ে সংসদের ভিতরে ও বাইরে বহুবার আলোচনা ও বিতর্ক হয়েছে। সারা বছর ধরে বিভিন্ন রাজ্যে কোনো না কোনো নির্বাচন হতে থাকায় অর্থ খরচের বহর বেড়েছে। পাশাপাশি ভোটের জন্য আদর্শ নির্বাচন বিধি বিভিন্ন সময় জারি হওয়ায় উন্নয়ন মূলক কাজের পরিকল্পনাও বাধা পায়। এর ওপর ভোটের বৈতরণী পার হতে বিভিন্ন শাসক দল জনতার মন পেতে একেরপর এক চট জলদি লাভের প্রকল্প ঘোষণা করে থাকেন। এর ফলে দেশে দীর্ঘ মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনাও ব্যাহত হয়।কিন্তু প্রশ্ন হল সংসদীয় আইন মেনে এখন লোকসভার সঙ্গে সব রাজ্যের বিধানসভা ভোট গ্ৰহন কিভাবে সম্ভব? এখন তো বিভিন্ন রাজ্যে বিধানসভার মেয়াদ একসঙ্গে শেষ হয় না। তাহলে সব রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ এক ই সময় শেষ করার বিষয়ে কী পদক্ষেপ হবে?আরও পড়ুনঃ কর্মক্ষেত্রে বার্ধক্যের আধিক্য উদ্বেগজনকএক দেশ এক ভোট নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে দেশের আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করতে কমিশন প্রস্তুত। মুখের নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার বলেছেন দেশের সংবিধান এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুসারে কোনো নির্বাচিত সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার ছমাস আগে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা যেতে পারে। এই সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনার জন্য কমিশন প্রস্তুত।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন সব ভোট একসঙ্গে করতে হলে অন্তত তিরিশ লক্ষ ইভিএম এবং voter verified paper audit trail বা VVPAT য়ের প্রয়োজন। এর পাশাপাশি সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচনের জন্য দেশ জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। এই অল্প সময়ের মধ্যে ২০২৪ সালে একসঙ্গে সব ভোট গ্রহণ অত্যন্ত কঠিন কাজ। ২০১৫ সালে কেন্দ্রীয় সরকার একসঙ্গে ভোট গ্ৰহনের বিষয় নির্বাচন কমিশনকে সুবিধা অসুবিধাগুলি খতিয়ে দেখতে বলে। তখন কমিশন জানিয়েছিল লোকসভা ও সব রাজ্যের বিধানসভা ভোট একসঙ্গে করতে হলে সংবিধান ও জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে কিছু সংশোধনী আনতে হবে। এর পাশাপাশি কমিশন জানিয়েছিল একসঙ্গে ভোটের জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএম ও অন্যান্য যন্ত্রাদি কিনতে যথেষ্ট সময় ও অর্থের প্রয়োজন।আরও পড়ুনঃ ইতিহাসের বারান্দায় অনাস্থা প্রস্তাববিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশ গত মার্চ মাসে সংসদে আইন মন্ত্রী জানিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনের হাতে ইভিএমের ১৩.০৬ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট ও ১৭.৭৭ লক্ষ ব্যালট ইউনিট রয়েছে। আরো ৯.০৯ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট ও ১৩.২৬ লক্ষ ব্যালট ইউনিট তৈরির কাজ চলছে। এই কাজ সম্পূর্ণ হলে ২২.১৫ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট এবং ৩১.০৩ লক্ষ ব্যালট ইউনিট কমিশনের হাতে থাকবে। প্রযুক্তিবিদদের মতে ছয় থেকে সাত লক্ষ ইভিএম তৈরি করতে এক বছর সময় লাগে। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন হল ২০২৪ সালে এক সঙ্গে ভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএম কি কমিশনের হাতে থাকবে?কেন্দ্রীয় সরকারের যুক্তি সারা বছর ধরে বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন স্তরে নির্বাচন হতে থাকার কারণে নির্বাচনী খরচ যেমন বাড়ছে তেমনি মুল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে কেন্দ্রের এই যুক্তি সঠিক। তবে তাঁদের মতে একসঙ্গে ভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএম ও VVPAT কিনতে অন্তত এক হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন। এছাড়াও অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য দেশ জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করাও একটা বড়সড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ভোট এলে সব রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি ওঠে। এই বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ভোট কর্মীদের দেশের সর্বত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজটিও অত্যন্ত কঠিন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সংবাদ পত্রে প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টি এস কৃষ্ণমূর্তি জানিয়েছেন, একসঙ্গে ভোট হলে আর্থিক ব্যায় প্রশাসনিক কাজের বোঝা যে কমবে তা নিয়ে সন্দেহ নেই। তবে এই কঠিন কাজ সম্পূর্ণ করতে হলে তিন থেকে চার মাস ধরে ভোট গ্ৰহন পর্ব চলতে পারে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৩

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal